Tag: Madhyom

Madhyom

  • IPL Final 2024: কে করবে বাজিমাত? সানরাইজার্স-এর বিরুদ্ধে নাইট রাইডার্স-এর পাল্লা বরাবরই ভারী

    IPL Final 2024: কে করবে বাজিমাত? সানরাইজার্স-এর বিরুদ্ধে নাইট রাইডার্স-এর পাল্লা বরাবরই ভারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএলের মহারণে (IPL final 2024) চেন্নাইয়ের চিপক স্টেডিয়ামে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের (SRH) মুখোমুখি হচ্ছে কলকাতা নাইট রাইডার্স (KKR) একদিকে ফিরে আইয়ারের নেতৃত্বে নাইট রাইডার্স বাহিনী অন্যদিকে ব্যাড কমেন্টসের নেতৃত্বে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। কার পাল্লা ভারী কি বলছে পরিসংখ্যান আসুন কেকেআর বনাম হায়দ্রাবাদের রেকর্ড এক নজরে দেখে নেওয়া যাক এই পরিসংখ্যান আপনাকে বিস্মিত করতে পারে।

    হায়দ্রাবাদ নাকি কলকাতা, কার পাল্লা ভারী?

    আইপিএলের পরিসংখ্যান বলছে সানরাইজার্স-এর (Sunrisers Hyderabad) বিরুদ্ধে কলকাতা নাইট রাইডার্স এর পাল্লা বরাবর ভারী। চলতি মরশুমে দুটি দলই দুবার একে অপরের মুখোমুখি হয়েছে দুবারই জিতেছে কেকেআর। এছাড়াও ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে আইপিএলে দুই দলের মধ্যে ২৭ বার খেলা হয়েছে। এর মধ্যে নাইট রাইডার্স জিতেছে ১৮ বার। সানরাইজার্স জিতেছে ৯ বার। শেষ ৯ বারের মধ্যে ৬ বার জিতেছে কেকেআর। প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচেও এই সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদকে হারিয়েই ফাইনালে (IPL Final 2024) উঠেছিল কলকাতা। ফলে ফাইনালে বাড়তি মনবল নিয়ে মাঠে নামবে শ্রেয়াস বাহিনী।

    ফাইনালের হিসাব-কিতাব (IPL Final 2024)

    কলকাতা নাইট রাইডার্স চতুর্থবার আইপিএল ফাইনাল (IPL Final 2024) খেলতে নামলে নামবে রবিবার। দুবারের ট্রফি জয়ী টিম কেকেআর। ২০২১ সালে কলকাতাঁর শেষবারের মতন আইপিএল ফাইনাল খেলেছিল। সেই ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংস-এর কাছে তাঁরা ২৭ রানে হেরে যায়। গৌতম গম্ভীরের নেতৃত্বে ২০১২ এবং ২০১৪ সালে আইপিএল ট্রফি ঘরে তুলেছিল কেকেআর। বর্তমানে সেই গৌতম গম্ভীর কেকেআরের মেন্টর। এক দশক হয়ে গেল আইপিএল ট্রফি ঘরে তুলিনি নাইট রাইডার্স। ফলে তাঁদের খেতাব জয়ের খিদে প্রবল। তাঁর উপর চলতি মরশুমে দারুন ফর্মে রয়েছে শ্রেয়াস বাহিনী। কেকেআর সমর্থকরা মনে করছেন এবার কেকেআরের ট্রফির খরা কেটে যাবে। অন্যদিকে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ তৃতীয়বার আইপিএল ফাইনালে (IPL Final 2024) ভাগ্য পরীক্ষা করতে নামবে। ২০১৬ সালে প্রথমবার ট্রফি ঘরে তুলেছিল সানরাইজার্স। সেই প্রথম সেই শেষ। ফলে সহজে হায়দ্রাবাদ ম্যাচ ছেড়ে দেবে যে না এটা বলাই যায়।  

    সুনীল নারিনের রেকর্ড

    ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিধ্বংসী অলরাউন্ডার সুনীল নারিন বল এবং ব্যাট হাতে কামাল দেখাচ্ছেন কেকেআরের জন্য। তিনিই একমাত্র ক্রিকেটার যিনি গত তিনটে আইপিএল ফাইনালে কেকেআরের হয়ে খেলেছেন। চলতি মৌসুমে সুনীল দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে চলেছেন।

    আরও পড়ুন: আত্মতুষ্টিতে ভুগতে নারাজ নাইটরা, একটাই লক্ষ্য, আইপিএল খেতাব জানালেন গম্ভীর

    কেকেআরের হয়ে তিনি সর্বাধিক রান করেছেন। তাঁর স্ট্রাইক রেট ১৮০-র কাছাকাছি। মোট রান ৪৮২। কেকেআর-এর ওপেনার হিসেবে ইতিমধ্যেই তিনি নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করার পাশাপাশি বল হাতে নিয়েছেন ১৩ টি উইকেট। আইপিএলের ফাইনালে আরেকটি রেকর্ড আছে কেকেআরের দখলে। কেকেআর প্রথম দল হিসেবে আইপিএল ফাইনালে ২০০ রানের টার্গেট তাড়া করে জয়ী হয়েছিল। আজও সেই রেকর্ড কেউ ভাঙতে পারেনি। ফাইনালে (IPL Final 2024) সুনীল আগুন ঝরাবেন তেমনটাই আশা দর্শকদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mamata Banerjee: বসিরহাটে তৃণমূলে ফাটল! “ক্ষমা না চাইলে দলে ঠাঁই নেই”, ঊষারানীকে হুমকি মমতার

    Mamata Banerjee: বসিরহাটে তৃণমূলে ফাটল! “ক্ষমা না চাইলে দলে ঠাঁই নেই”, ঊষারানীকে হুমকি মমতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার সপ্তম দফায় ভোট বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের। এই কেন্দ্রে মধ্যে রয়েছে সন্দেশখালি। নারী নির্যাতন, হিন্দু মহিলাদের বেছে বেছে ধর্ষণ, জোর করে জমি দখল সহ একাধিক ইস্যুতে সাধারণ মহিলাদের ক্ষোভের আগুনে উত্তাল হয়ে উঠেছিল সন্দেশখালি। বিজেপির অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী নির্যাতিতা মহিলাদের পাশে না দাঁড়িয়ে পক্ষাবলম্বন করেছিলেন শেখ শাহজাহানের। ইতিমধ্যে প্রতিবাদী মুখ বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্রের প্রচার ব্যাপক জমজমাট হয়ে উঠেছে এলাকায়। কিন্তু এই কেন্দ্রে ভোটের আগে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) সরাসরি তাঁর দলের বিধায়ক ঊষারানী মণ্ডলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করছেন। তিনি হাড়োয়ায় নির্বাচনী সভা থেকে দলের বিধায়ককে হুমকি দিয়ে বলেন, “ক্ষমা না চাইলে দলে ঠাঁই নেই”।

    ঠিক কি বললেন মমতা (Mamata Banerjee)?

    এদিন নির্বাচনী প্রচারে এসে মমতা (Mamata Banerjee) দলের কর্মী-নেতা-বিধায়কদের কোন্দলকে আরও স্পষ্ট করে দেন। তিনি নিজের দলের মিনাখাঁর বিধায়ক উষারানী এবং তাঁর স্বামী মৃত্যঞ্জয় মণ্ডলের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। কার্যত সতর্ক করে দিয়ে বলেন, “পায়ে ধরে ক্ষমা না চাইলে কোনও জায়গা নেই দলে। তৃণমূলের এমএলএ থাকবেন আর মিটিংয়ে আসবেন না তা করা চলবে না। যতক্ষুণ ক্ষমা না চেয়ে পা ধরবে, ততক্ষুণ মুক্তি নেই। আপনি স্বামীকে নিয়ে দল বিক্রি করে দেবেন এমনটা দলে চলবে না। এটা মানবো না। তৃণমূল নেতা তৈরি করে, একটা যাবে তো লক্ষ নেতা তৈরি হবে। ব্লকে যারা আছে, জেলার যারা আছে তাদের তুলে ধরব।”

    আরও পড়ুনঃ ভোট আবহে পুলিশের বিরুদ্ধে জুলুমের অভিযোগ তুলে ধর্নায় বসলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    বিধায়ককে বাদ রেখে টিম গঠন

    এদিন দলের মধ্যে প্রকাশ্যে এই বিস্ফোরক মন্তব্যে ভোটের আগে একটা বড় ফাটল নজরে এসেছে। একই ভাবে এই বিধায়কে বাদ দিয়ে বিশেষ টিম গঠন করে দেন মমতা (Mamata Banerjee)। উল্লেখ্য ঊষারানী বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক রেখেছেন বলে তৃণমূলের স্থানীয় নেতারা অভিযোগ করে ছিলেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এসএসসিতে গ্রুপ সিতে নিয়োগ পেয়েছিলেন তাঁর মেয়ে। কিন্তু নিয়োগ বেআইনি হওয়ায় চাকরি বাতিল হয়েছে। মেয়ে ডি-র দাবিতে মিছলে যোগ দিয়েছিলেন। তাতেও শাসক দলের রোষানলে পড়তে হয়েছিল। অপর দিকে সন্দেশখালির বিজেপির প্রার্থী হিসাবে প্রধানমন্ত্রী রেখা পাত্রকে চয়ন করেছিলেন। ফলে বসিরহাটে শাসক দলের কোন্দলে বিজেপি কতটা বাজিমাত করবে সেই দিকেই নজর এখন ওয়াকিবহল মহলের। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।   

  • Ayodhya Ram Mandir: উদ্বোধনের ৫ মাসের মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত, রাম মন্দিরে প্রবেশ করা যাবে না মোবাইল নিয়ে

    Ayodhya Ram Mandir: উদ্বোধনের ৫ মাসের মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত, রাম মন্দিরে প্রবেশ করা যাবে না মোবাইল নিয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের ২২ তারিখে উদ্বোধন হয় রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir)। তারপর থেকেই সেখানে ভক্তদের ঢল নামতে দেখা গিয়েছে। তীর্থযাত্রীদের জন্য এবার বড়সড় সিদ্ধান্ত নিল রাম মন্দির কর্তৃপক্ষ। এনিয়ে জারি করা হল নিয়মবিধিও। শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট ও অযোধ্যা প্রশাসনের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, রাম মন্দিরে মোবাইল নিয়ে কোনওভাবেই প্রবেশ করা যাবে না। অর্থাৎ উদ্বোধনের ৫ মাসের মাথায় রাম মন্দির চত্বরে সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ হল মোবাইল ফোনের ব্যবহার।

    কী জানাল তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট?

    প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ভক্তদের সুবিধা ও মন্দিরের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের (Ayodhya Ram Mandir) সদস্য অনিল মিশ্র সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রত্যেকজনকেই এমন নিয়ম মেনে চলতে হবে। জানা গিয়েছে, মন্দির চত্বরে যে ক্লোক রুম রয়েছে সেখানেই মূল্যবান জিনিসপত্রের সঙ্গে মোবাইল ফোন জমা রেখে ঢুকতে হবে ভক্তদের। রামলালা দর্শনের পরে তাঁরা নির্দিষ্ট জায়গা থেকে নিজেদের মোবাইল ফোন নিয়ে নিতে পারবেন।

    মন্দির সম্পূর্ণ হলে একসঙ্গে প্রবেশ করতে পারবেন ২৫ হাজার ভক্ত

    অন্যদিকে শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই জানিয়েছেন, মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) বাকি অংশের নির্মাণ কাজ এখনও চলছে। মন্দির চত্বর জুড়ে প্রায় ১৪ ফুটের প্রাচীর তৈরি করা হয়েছে। আগেই জানানো হয়েছিল, রাম মন্দির চত্বরে আরও ছোট ছয়টি মন্দির তৈরি করা হয়েছে। এগুলিতে শিব থেকে হনুমানজি প্রতিষ্ঠিত হবেন। জানা গিয়েছে, সম্পূর্ণভাবে রাম মন্দির নির্মাণ হয়ে গেলে একসঙ্গে প্রবেশ করতে পারবেন প্রায় ২৫ হাজার ভক্ত। রাম মন্দির তিন তলা বিশিষ্ট হতে চলেছে একথা আগেই জানিয়েছিলেন রাম মন্দিরের তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, রাম মন্দিরে মোট ৩৯২টি স্তম্ভ ও ৪৪টি দরজা থাকবে। এর পাশাপাশি থাকবে পাঁচটি মন্ডপ। এগুলি হল, নৃত্য মন্ডপ, সভা মন্ডপ, রঙ্গ মন্ডপ, প্রার্থনা মন্ডপ ও কীর্তন মন্ডপ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rajnath Singh: “বিজেপি কখনওই সংবিধানের প্রস্তাবনা বদলাবে না”, বললেন রাজনাথ

    Rajnath Singh: “বিজেপি কখনওই সংবিধানের প্রস্তাবনা বদলাবে না”, বললেন রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিজেপি কখনওই ভারতীয় সংবিধানের প্রস্তাবনা বদলাবে না। পরিবর্তন করবে না সংরক্ষণনীতিও।” সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কথাগুলি বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ (Rajnath Singh)। ১৯৭৬ সালে কংগ্রেস সংবিধানের প্রস্তাবনা বদলে দিয়েছিল বলেও দাবি তাঁর।

    রাজনাথের নিশানায় ইন্দিরা (Rajnath Singh)

    তিনি বলেন, “অথচ ওরাই (কংগ্রেস) অযথা বিজেপিকে টার্গেট করছে। একে নির্বাচনী ইস্যু করছে।” রাজনাথ বলেন, “১৯৭৬ সালে প্রথমবার ভারতীয় সংবিধানের প্রস্তাবনা বদলে দেওয়া হয়েছিল। সেই কাজটি করেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী।” তিনি (Rajnath Singh) বলেন, “আমাদের গণপরিষদ তখন এ ব্যাপারে ঐক্যমত্য হয়েছিল যে সংবিধানে প্রয়োজনে সংশোধন করা যেতে পারে। কংগ্রেস এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দল এসব একাধিকবার করেছে। কিন্তু সংবিধানের প্রস্তাবনা বদলের প্রশ্নই ওঠে না। কিন্তু তারা এটা করেছিল। এবং এখন আমাদের দোষারোপ করছে। বিজেপি এটা মনেই ঠাঁই দেয়নি।”

    ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ নয়

    বিজেপি ক্ষমতায় ফিরলে সংবিধান ছিঁড়ে ফেলে ছুড়ে ফেলে দেবে বলে নানা সময় নির্বাচনী প্রচারে দাবি করেছিলেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। কংগ্রেসের কয়েকজন নেতা আবার একধাপ এগিয়ে বলেছিলেন, সংবিধানের প্রস্তাবনা থেকে বিজেপি ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ শব্দটি বাদ দিয়ে দেবে। কাস্ট ভিত্তিক সংরক্ষণ বন্ধে বিজেপির যে কোনও পরিকল্পনা নেই, তাও জানান রাজনাথ। পাশাপাশি এও জানিয়ে দেন, ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ নৈব নৈব চ। তিনি বলেন, “কেন আমরা সংরক্ষণ তুলে দেব? ওবিসি, এসটিদের জন্য সংরক্ষণ এ দেশে প্রয়োজন। ওরা (বিরোধীরা) ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ করতে চায়। কিন্তু আমরা সাফ জানিয়ে দিচ্ছি, যেহেতু আমাদের সংবিধান ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ অনুমোদন করে না, তাই কোনও পরিস্থিতিতেই আমরা ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ হতে দেব না।”

    আর পড়ুন: “৪০০ পার নিছক স্লোগান নয়…”, সাক্ষাৎকারে বললেন রাজনাথ

    দেশে চলছে অষ্টাদশতম লোকসভা নির্বাচন। ভোটগ্রহণ হচ্ছে সাত দফায়। প্রথম দফার নির্বাচন হয়েছে ১৯ এপ্রিল। ২৫ মে হয়েছে ষষ্ঠ দফার নির্বাচন। সপ্তম তথা শেষ দফার নির্বাচন হবে ১ জুন। ফল ঘোষণা হবে ৪ জুন। এবার ৪০০-র বেশি আসন পেয়ে ক্ষমতায় ফিরবে বিজেপি, দাবি পদ্ম-পার্টির। তবে নির্বাচনের ফল ঠিক কী হবে, তা জানতে আমাদের অপেক্ষা করতে হবে আরও কয়েকটা দিন (Rajnath Singh)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Ganguly: ভোট আবহে পুলিশের বিরুদ্ধে জুলুমের অভিযোগ তুলে ধর্নায় বসলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    Abhijit Ganguly: ভোট আবহে পুলিশের বিরুদ্ধে জুলুমের অভিযোগ তুলে ধর্নায় বসলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ভোটের মধ্যেই প্রতিবাদ ধর্নায় বসলেন তমলুক বিজেপি প্রার্থী প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)। গতকাল শনিবার ছিল রাজ্যে ষষ্ঠ দফা নির্বাচন। এই পর্বে ছিল তমলুক, কাঁথি, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বিষ্ণুপুর, মেদিনীপুর কেন্দ্র। একাধিক কেন্দ্রে পুলিশ সরাসরি তৃণমূলের হয়ে ভোট করিয়েছে বলে অভিযোগ করে ধর্নায় বসলেন এই প্রাক্তন বিচারপতি। তিনি স্পষ্ট ভাবে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, “পুলিশ তৃণমূলকে জয়ী করতে জুলুমবাজি করেছে।” সেই সঙ্গে একাধিক জায়গায় তাঁকে তৃণমূল দুষ্কৃতীদের দ্বারা হেনস্থার শিকার হতে হয়েছিল। উল্লেখ্য এই বিচারপতির রায়ে শিক্ষক দুর্নীতি মামলায় একাধিক তৃণমূল নেতা-বিধায়ক-মন্ত্রী জেলে গিয়েছেন। একই ভাবে রেশন দুর্নীতি, পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে একাধিক বিষয়ে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়ে ছিলেন তিনি।

    কী বললেন অভিজিৎ (Abhijit Ganguly)?

    ময়নার বিধায়ক অশোক দিন্দার সেক্রেটারির বাড়িতে পুলিশ তল্লাশি চালায়। এরপর সেখানে প্রতিবাদ করে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) ধর্নায় বসেন। তিনি ধর্নায় বসে বলেন, “ময়নার পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেতা গৌতম গুরু নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন। তাঁকে অপহরণ করেছে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। শুক্রবার রাত থেকে তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আমি তাঁর স্ত্রীর কাছে অভিযোগ পেয়ে বাড়িতে যাই। এখন গৌতমের বাড়িতে বসেই ধর্না বিক্ষোভ করব।”

    আরও পড়ুনঃ মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আছড়ে পড়বে ‘রেমাল’! গোসাবা-হিঙ্গলগঞ্জ-দিঘায় প্রস্তুত বিপর্যয় বাহিনী

    মূল অভিযোগ কী?

    ময়নার এই অঞ্চলটি তমলুক লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে পড়েছে। পুলিশ, অশোক দিন্দার সেক্রেটারির বাড়িতে তল্লাশি করতে গেলে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) অর্ডার দেখতে চান। পুলিশ সেরকম কোনও তথ্য দিতে পারেনি। ফলে তাঁর দাবি, এই ঘটনা পুলিশের অত্যাচার, ক্ষমতার অপব্যবাহার এবং জুলুমের সমতুল্য। এরপর পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে ধর্নায় বসেন এই বিজেপি প্রার্থী। ভোটের মধ্যে এই ধর্না রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক শোরগোল ফেলে দিয়েছে। ইতি মধ্যে পুলিশের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • IPL Final: ফাইনালের মহারণে কি বাধা হবে বৃষ্টি? সানরাইজার্স না কেকেআর, কে করবে বাজিমাত?

    IPL Final: ফাইনালের মহারণে কি বাধা হবে বৃষ্টি? সানরাইজার্স না কেকেআর, কে করবে বাজিমাত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪-এর আইপিএল টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচে রাজস্থান রয়েলসকে হারিয়ে ফাইনালে (IPL Final) কলকাতার মুখোমুখি হবে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ। রবিবার ফাইনাল ম্যাচ চেন্নাইয়ের চিপক (Chepauk Stadium) স্টেডিয়ামে আয়োজিত হবে। কোন দল আইপিএলের ট্রফি হাতে তুলে নেবে তা বলবে সময়। কিন্তু ফাইনালের আকাশে বৃষ্টির মেঘ জমেছে। যদি এই ম্যাচ বৃষ্টির কারণে ভেস্তে যায় তাহলে ফাইনালে ট্রফি কারা হাতে তুলবে এ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    ম্যাচ ভেস্তে গেলে কার হাতে ট্রফি উঠবে?

    কলকাতা নাইট রাইডার্স (KKR) প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে সানরাইজ হায়দ্রাবাদকে (Sunrisers Hyderabad) হারিয়ে ফাইনালের আসন নিশ্চিত করেছিল। পয়েন্ট তালিকাতেও কলকাতা ছিল একেবারে উপরে। প্রথম দল হিসেবে তাঁরা  ফাইনালে ওঠার যোগ্যতা অর্জন করেছে। হায়দ্রাবাদের বিরুদ্ধে কেকেআরের রেকর্ডে যথেষ্ট ভাল। হায়দ্রাবাদ কেকেআরের কাছে প্রথম কোয়ালিফায়ারে হেরে গেলেও দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে রাজস্থান রয়্যালসের (Rajsthan Royals) কাছে হার না মেনে ফের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে। এর আগে চলতি মরশুমে এই দুই দল দুবার মুখোমুখি হয়েছে। দুবারই জয়ী হয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। ফলে নাইট রাইডার্স খাতায়-কলমে এগিয়ে রয়েছে। কিন্তু সকলেই জানে ফাইনাল (IPL Final 2024) মানে অন্যরকমের চাপ। সেই চাপে নার্ভ ধরে রাখা যথেষ্ট কঠিন। কলকাতা নাইট রাইডার্স এর কাছে সম্মান রক্ষার লড়াই হলেও সানরাইজ হায়দ্রাবাদের কাছে এটি মরণ বাঁচন লড়াই। বৃষ্টির কারণে যদি আইপিএল টুর্নামেন্টের ফাইনাল (IPL Final 2024) পর পর ভেস্তে যায় তাহলে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে জয়ী ঘোষণা করা হবে। কারণ ২০২৪-এ আইপিএল পয়েন্ট তালিকায় সবার উপরে ছিল।  কলকাতা নাইট রাইডার্স হোক বা সানরাইজ হায়দ্রাবাদ। সকলেই ম্যাচ খেলেই ট্রফি হাতে তুলতে চাইবে। 

    রিজার্ভ ডে সহ বৃষ্টির সমীকরণ

    ২০২৪ এর আইপিএল ফাইনাল (IPL Final) টুর্নামেন্টের জন্য একটি অতিরিক্ত রিজার্ভ ডে রাখা হয়েছে। কিন্তু সেই রিজার্ভ ডেতেও যদি বৃষ্টির কারণে ম্যাচ ভেস্তে যায় বা মাঠের খেলার মতন পরিস্থিতি না থাকে তাহলে আম্পায়াররা পাঁচ ওভার করে খেলানোর চেষ্টা করবেন। কিন্তু যদি পাঁচ ওভারও খেলানো না সম্ভব হয় তাহলে অন্তত সুপার ওভারের আয়োজনের চেষ্টা করা হবে। কিন্তু যদি দুদিন এই বৃষ্টির কারণে ফাইনাল  ম্যাচের একটা ওভারও খেলা না হয় সেই পরিস্থিতিতে কলকাতা নাইট রাইডার্স-এর হাতে ট্রফি তুলে দেওয়া হবে। পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষে থাকার কারণে কেকেআর অ্যাডভান্টেজ পাবে।

    আবহাওয়া দফতরের খবর

    চেন্নাইয়ের আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর রবিবার আকাশ মেঘলা থাকার কথা। কিন্তু দু’দিন টানা বৃষ্টি হবে এমন সম্ভাবনা নেই আপাতত। ফলে ম্যাচ (IPL Final) হবে এই সম্ভাবনা প্রবল। শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৯ ডিগ্রি এবং সর্বাধিক তাপমাত্রায় ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর।

    গৌতম গম্ভীর কী বলছেন?

    দীর্ঘদিন আইপিএলের কলকাতা দলের সঙ্গে যুক্ত থাকা গৌতম গম্ভীর ফাইনাল (IPL Final) মহারণ প্রসঙ্গে বলেন, “এই দলে যারা রয়েছে তাঁরা  প্রত্যেকে একটা কথা খুব ভালো করে জানে, দলের প্রত্যেকের সঙ্গে সমান ব্যবহার হয়। সিনিয়র জুনিয়র বলে আলাদা কারও বাড়তি গুরুত্ব নেই। সকলেরই একটাই লক্ষ্য আইপিএল খেতাব জেতা। ২৬ মে প্রত্যেকটা খেলোয়াড় সর্বস্ব উজাড় করে দেবে। আমরা নিশ্চিত তৃতীয়বারের জন্য ফাইনালের ট্রফি হাতে নেব।

    কেকেআর না সান্রাইজার্স, কে জিতবে (IPL Final)

    প্রসঙ্গত চলতি মরশুমে কলকাতা নাইট রাইডার্স-এর বেশিরভাগ খেলোয়াড় ফর্মে রয়েছেন। লিগ পর্যায়ে থেকে তাঁরা পয়েন্টস টেবিলের শীর্ষে থেকে একেবারেই প্রথমেই ফাইনাল খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছেন। সানরাইজার্স হারিয়ে  ফাইনালে (IPL Final) উঠেছে। ফাইনালে সেই সানরাইজার্স-এর মুখোমুখি। এটা একটা বাড়তি অ্যাডভান্টেজ। যদিও ক্রিকেট অনিশ্চিততার খেলা। সেই খেলায় কে বাজিমাত করে তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে ম্যাচের ফাইনাল বল পর্যন্ত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: গণনাকেন্দ্রে ১০ ঘণ্টা কর্মীদের মাটি কামড়ে পড়ে থাকার নিদান দিলেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: গণনাকেন্দ্রে ১০ ঘণ্টা কর্মীদের মাটি কামড়ে পড়ে থাকার নিদান দিলেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণনাকেন্দ্রে দশ ঘণ্টা মাটি কামড়ে পড়ে থাকতে হবে। এই ১০ ঘণ্টা দলীয় কর্মীদের। সেই সময় অন্য কিছু করা যাবে না। এমনকী দরকার হলে জল- বিস্কুট খেয়ে পড়ে থাকতে হবে। এমনই নির্দেশ দলীয় কর্মীদের দিলেন বালুরঘাটের বিজেপি প্রার্থী তথা রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

    কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক সুকান্তর (Sukanta Majumdar)

    আগামী ৪ জুন লোকসভা আসনের গণনা। বালুরঘাট কলেজে করা হয়েছে বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রের স্ট্রংরুম। সাতটি বিধানসভার ইভিএম রাখা হয়েছে সেখানে। এবারে প্রায় ১৮ রাউন্ড ভোটগণনা হবে। প্রায় প্রত্যেক রাউন্ডে ১৪টি টেবিলে গণনা হবে। এই গণনাকেন্দ্রের অন্যতম বড় ভূমিকা দলীয় কাউন্টিং এজেন্ট। বিজেপির তরফে ১১০জন কাউন্টিং এজেন্টকে প্রশিক্ষণ দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে। তবে, এবারের গণনাকেন্দ্রে যারা ইংরেজি জানেন ও অঙ্কে সাবলীল তাঁদেরকে কাউন্টিং এজেন্ট হিসেবে রাখছে বিজেপি। বালুরঘাটে বিজেপির জেলা কার্যালয়ে দলীয় নেতৃত্ব ও কর্মীদের নিয়ে বিশেষ বৈঠক করেন বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। যেখানে সুকান্ত’র পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী, তপনের বিধায়ক বুধরাই টুডু সহ অন্য বিজেপির জেলা নেতৃত্ব ও কর্মীরা। সেখানেই সুকান্ত দলীয় কর্মীদের গণনাকেন্দ্রের কাজ কী, তা খাতায় কলমে শেখান।

    আরও পড়ুন: প্রবল গতিতে ধেয়ে আসছে ‘রেমাল’, শুরু বৃষ্টি, ভয়ঙ্কর দুর্যোগের পূর্বাভাস

    গণনাকেন্দ্রে কর্মীদের মাটি কামড়ে পড়ে থাকার নিদান দিলেন সুকান্ত

    বৈঠকে বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘জেলা প্রশাসনের কথা অনুযায়ী এবারে প্রায় ১০ ঘন্টা ধরে গণনা হবে। এই ১০ ঘণ্টায় কোনওভাবেই কাউন্টিং হল ছাড়া যাবে না। প্রয়োজনে চকোলেট ও জল খেয়ে মাঠে পড়ে থাকতে। বিগতদিনে দেখা গিয়েছিল, তৃণমূল গণনাকেন্দ্রে গন্ডগোল করার চেষ্টা করেছিল। এমনকী ২০১৮ পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল গণনাকেন্দ্রের ব্যালট বক্স লুট করেছিল। তাই এবার সেই সুযোগ দেওয়া যাবে না। মাটি কামড়ে আমি ও দলীয় কর্মীরা গণনাকেন্দ্রে পড়ে থাকব।’ যদিও তৃণমূল জেলা সহ সভাপতি সুভাষ চাকির দাবি, ‘গণনাকেন্দ্রে কারচুপি তৃণমূল নয়, বিজেপি করে। এরা ইভিএমেও কারচুপি করে। হেরে গেলে তখন তৃণমূলের উপর দোষ চাপায় বিজেপি। এটা ওদের পুরানো অভ্যাস।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Remal Cyclone: মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আছড়ে পড়বে ‘রেমাল’! গোসাবা-হিঙ্গলগঞ্জ-দিঘায় প্রস্তুত বিপর্যয় বাহিনী

    Remal Cyclone: মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আছড়ে পড়বে ‘রেমাল’! গোসাবা-হিঙ্গলগঞ্জ-দিঘায় প্রস্তুত বিপর্যয় বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েক ঘন্টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড় রেমাল (Remal Cyclone) আছড়ে পড়বে দক্ষিণ ২৪ পরগণার সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায়। সেই চিন্তায় ঘুম উড়েছে, আশঙ্কায় মাথায় হাত পড়েছে সুন্দরবন এলাকার মানুষের। অন্যদিকে মানুষকে সতর্ক করার জন্য মাইকিং প্রচার করছে প্রশাসন। শনিবার সকাল থেকেই এলাকায় পৌঁছে গিয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবেলা বাহিনী। গোসাবা-হিঙ্গলগঞ্জ-দিঘায় আগাম সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রবিবার রাতের মধ্যেই ব্যাপক রূপ নেবে এই ঘূর্ণিঝড়।

    গোসাবায় প্রস্তুতি (Remal Cyclone)

    একেই কোটাল তাই ঘূর্ণিঝড়ে (Remal Cyclone) নদীর জলের স্তর বেড়ে যাওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। ঝড়ের সঙ্গে নদীর জলের গতিও বৃদ্ধি পাবে। নদী বাঁধগুলি ভেঙে চাষের জমিতে জল ঢুকে পড়ারা সম্ভাবনা রয়েছে। তাই ভয়, আতঙ্ক এবং সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে ব্যাপক। ফলে প্রশাসন সতর্ক হয়ে আগেভাগেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। গোসাবা ব্লক এলাকার ১টি দ্বীপের ১৪টি গ্রামপঞ্চায়েত এলাকায় নজর রেখেছে জেলা প্রশাসন। আবার গোসাবার একাধিক নদীর ধার সংলগ্ন এলাকার গ্রামের মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং সর্তকতা জারি করা হয়েছে। সিভিল ডিফেন্স, এনডিআরএফ এবং সুন্দরবন উপকূল থানার পুলিশ জোরকদমে প্রচার এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

    ঝড় মকাবেলায় প্রস্তুতি হিঙ্গলগঞ্জে

    আবার ঘূর্ণিঝড় (Remal Cyclone) মোকাবেলার সবরকম প্রস্তুতি সেরে ফেলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন হিঙ্গলগঞ্জের বিডিও। হিঙ্গলগঞ্জের এক গ্রামবাসী রেনুকা মন্ডল বলেন, “আগেও ঝড় হয়েছে আমাদের সব কিছু শেষ করে দিয়ে গিয়েছে। আইলা ঝড়ে বড় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু সরকারের কোনও সহযোগিতা পাইনি। পঞ্চায়েত থেকে অনেককে ঘর দিলেও আমাকে দেয়নি। এইবার শুনেছি ঝড় আসবে। তাই খুব চিন্তার মধ্যে রয়েছি।” আরও এক মহিলা নমিতা মন্ডল  বলেন, “বড় ঝড় আছে শুনেছি। প্রচণ্ড আশঙ্কার মধ্যে রয়েছি। রাতটা এখন কীভাবে কাটবে সেই চিন্তার মধ্যে রয়েছি।” আইলা, আমফান, বুলবুল-এর মত ঘূর্ণিঝড় চোখের সামনে দেখেছে উপকূলবর্তী জেলাগুলি। ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে প্রচুর। বাড়ি ভেঙে পড়েছে, নদীর বাঁধ ভেঙে গ্রামের পর গ্রাম জল জলের তোরে ভেসে গিয়েছে, গ্রাম ছেড়ে থাকতে হয়েছে মাসের পর মাস। বাড়ি ভেঙে যাওয়ার পরেও সেই বাড়ির তৈরির ক্ষতিপূরণ আজও পায়নি বহু মানুষ। তাই আবার ঘূর্ণিঝড়ের কথা শুনে চিন্তায় মাথায় হাত হিঙ্গলগঞ্জের সুন্দরবন এলাকার মানুষের।

    আরও পড়ুনঃ রেমাল আতঙ্কে ২১ ঘণ্টা বন্ধ বিমান, বন্ধ ফেরি, বাতিল বহু লোকাল

    দিঘা-মন্দারমণিতে সতর্কতা জারি

    পূর্ব মেদিনীপুরের সমুদ্র উপকূলের রেমাল (Remal Cyclone) ঘূর্ণিঝড়ে জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। জেলার ২৫টি বিডিও অফিসে খোলা হয়েছে দুর্যোগ মোকাবেলা দফতর। একই ভাবে চলছে বিশেষ নজরদারি। গভীর সমুদ্রে মৎস্যজীবীদের মাছ ধরে না যাওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। চলছে মাইকিং। সমুদ্রের জলে নামতে নিষেধাজ্ঞাজারি করা হয়েছে। তমলুকে খোলা হয়েছে বিশেষ সদর দফতর। কোলাঘাট, গেঁওখালি, হলদিয়া, নন্দীগ্রাম, খেজুরি, জুনপুট, মন্দারমণি, তাজপুর, শঙ্করপুর, দিঘায় চলছে বিশেষ নজরদারি। সবরকম বিপর্যয় মোকাবেলায় প্রস্তুত জেলা প্রশাসন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Santipur: লোহার রড, শাবল দিয়ে বেধড়ক মার বিজেপির প্রধানকে, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Santipur: লোহার রড, শাবল দিয়ে বেধড়ক মার বিজেপির প্রধানকে, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাটি কাটার প্রতিবাদ করতে গিয়ে তৃণমূলের হাতে আক্রান্ত হলেন বিজেপির প্রধান। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার শান্তিপুরের (Santipur) গয়েশপুর পঞ্চায়েত এলাকায়। হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত শান্তিপুর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য এবং তাঁর ভাই। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Santipur)

     শান্তিপুর (Santipur) থানার গয়েশপুর পঞ্চায়েতের গঙ্গা সংলগ্ন বহু কৃষকের জমি ভাঙনে চলে গেছে নদীগর্ভে। এখন গঙ্গার ধারে চাষের যে জমি রয়েছে, শান্তিপুর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য আনোয়ার হোসেন মণ্ডলের নেতৃত্বে সেই সব কৃষকের জমি থেকে রাতের অন্ধকারে মাটি কেটে নেওয়া হয়। এমনই অভিযোগ গয়েশপুর এলাকাবাসীর। আনোয়ার হোসেন এলাকার ইটভাটার মালিক। শাসক দলের নেতা হওয়ায় কেউ কিছু বলতে পারে না। দিনের পর দিন তাঁর লোকজন মাটি কেটে নিয়ে যায়।  শুক্রবার রাতে তৃণমূল নেতা আনোয়ার হোসেনের ভাই অলি হোসেন মণ্ডল মাটি কাটছে জেনে এলাকাবাসী প্রথমে শান্তিপুর থানায় ফোন করে জানায়। একটি পুলিশ গাড়ি তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে উপস্থিত হওয়ার পর বন্ধ থাকে মাটিকাটা।  এরপর পুলিশের গাড়ি চলে যাওয়ার পর আবারও মাটি কাটা হচ্ছে কিনা তা দেখতে এলাকাবাসীর  পক্ষ থেকে বেশ কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা সহ গয়েশপুর পঞ্চায়েতের প্রধান শ্যামল মণ্ডল সেখানে যান। বিজেপির প্রধানের ওপর হামলা চালানো হয়। লোহার রড, শাবল দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। বাইক ভাঙচুর করা হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় প্রধান সহ কয়েকজন এলাকাবাসীকে উদ্ধার করে শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জানা গিয়েছে,  বিজেপির প্রধান শ্যামল মণ্ডলের হাত ভেঙে যায় ও মাথায় গুরুত্ব আঘাত লাগে।

    আরও পড়ুন: প্রবল গতিতে ধেয়ে আসছে ‘রেমাল’, শুরু বৃষ্টি, ভয়ঙ্কর দুর্যোগের পূর্বাভাস

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    এলাকাবাসীর বক্তব্য, তৃণমূল নেতার মদতে প্রতিদিন রাতে এভাবেই অবৈধভাবে কৃষকদের জমির মাটি চুরি করা হয়। এমন কী ভয় দেখানোর জন্য অস্ত্রশস্ত্র মজুত রাখে ভাটায়। এখনও পর্যন্ত অভিযুক্তদের একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে, সম্পূর্ণ ঘটনা ঘটনার কথা অস্বীকার করেন অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেন মণ্ডলের ভাই সানোয়ার হোসেন মণ্ডল। তিনি বলেন, রাতের অন্ধকারে হঠাৎ এই প্রধান কয়েকজন দুষ্কৃতীকে সঙ্গে নিয়ে ভাটায় থাকা বিভিন্ন শ্রমিক এবং ড্রাইভারদের বেধড়ক মারধর করে। শ্রমিকরা প্রতিবাদ করেছে। কোনও হামলা চালানো হয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rajkot Gaming Zone Fire: রাজকোটের গেমিং জোনে অগ্নিকাণ্ড, দমকলের ছাড়পত্র নেই, বের হওয়ার দরজা একটাই

    Rajkot Gaming Zone Fire: রাজকোটের গেমিং জোনে অগ্নিকাণ্ড, দমকলের ছাড়পত্র নেই, বের হওয়ার দরজা একটাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজকোটের গেমিং জোনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডতে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৩২ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। এদের মধ্যে রয়েছে নয় জন শিশু। ইতিমধ্যে ওই গেমিং জোনের নিরাপত্তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন সামনে এসেছে। গেমিং জোনের (Rajkot Gaming Zone Fire) ব্যবস্থা এবং কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ওই গেমিং জোন থেকে বাইরে যাওয়ার জন্য কেবলমাত্র একটি দরজা ছিল। সবথেকে বড় অভিযোগ, গেমিং জোনের বিরুদ্ধে, সেখানে কোনও ফায়ার লাইসেন্স ছিল না অর্থাৎ দমকল কেন্দ্র কোনও রকমের ছাড়পত্র দেয়নি। তারপরেও কীভাবে এত বড় গেমিং জোন গড়ে উঠল, সে নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। 

    শনি ও রবিবার বেশি ভিড় হতো

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন শনি এবং রবিবার সব থেকে বেশি ভিড় হতো এই গেমিং জোনে। তিল ধারণের জায়গা (Rajkot Gaming Zone Fire) সেখানে থাকতো না। সেই রকম একটি জায়গাতে কীভাবে বের হওয়ার একটি রাস্তা থাকল এবং দমকলের ছাড়পত্র থাকল না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। শনি ও রবিবার অভিভাবকরা তাঁদের শিশুদের নিয়ে এই গেমিং জোনে আসতেন এবং এখানে ঢোকার জন্য গুনতে হতো ৯৯ টাকা। গতকাল সন্ধ্যায় আচমকাই সেখানে আগুন লেগে যায়, আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে গোটা গেমিং জোনে। প্রাণ বাঁচাতে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। দরজা কেবলমাত্র একটি হওয়ায় বিপদ আরও বাড়ে।

    দমকলের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক কী বলছেন? 

    দমকলের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের কথায় (Rajkot Gaming Zone Fire), ‘‘আগুনের কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। গেমিং ‌জ়োনের অস্থায়ী কাঠামোগুলি ভেঙে পড়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। একই সঙ্গে হাওয়া বইতে থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হচ্ছে।’’ রাজকোটের মেয়র নয়না পেধাদিয়া ফায়ার লাইসেন্স না থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘কী ভাবে এত বড় একটা গেমিং জ়োন এনওসি ছাড়া চলছিল, তা আমরা তদন্ত করে দেখব।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share