Tag: Malda

Malda

  • Malda: মালদার হবিবপুরে সংখ্যাগরিষ্ঠ বিজেপি, বোর্ড গঠন বাতিল করল প্রশাসন

    Malda: মালদার হবিবপুরে সংখ্যাগরিষ্ঠ বিজেপি, বোর্ড গঠন বাতিল করল প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পর্যাপ্ত পুলিশকর্মী না থাকার কথা জানিয়ে সোমবার বাতিল হয়ে গেল পূর্ব নির্ধারিত মালদার (Malda) হবিবপুর পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ড গঠন। পঞ্চায়েত সমিতিতে সংখ্যা গরিষ্ঠতা না থাকা তৃণমূলকে সন্তুষ্ট করতেই এমন সিদ্ধান্ত বলে বিজেপির অভিযোগ। এদিন পূর্ব নির্ধারিত সময়ে বোর্ড গঠনের জন্য বিজেপির লোকজন হবিবপুর ব্লক প্রশাসনের কার্যালয়ে এসে বোর্ড গঠন স্থগিতের নোটিশ টাঙানো দেখে ক্ষুব্ধ হন। হবিবপুর পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ড গঠনের তারিখ পিছিয়ে দেওয়ার অর্ডার জারি করা হয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    এদিন বেলা এগারোটা নাগাদ বিজেপি সমর্থকরা মালদার (Malda) হবিবপুর বিডিও অফিসে গিয়ে জানতে পারে, আজ বোর্ড গঠন হচ্ছে না। পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ড গঠন স্থগিত করা হয়েছে জানতে পেরে ব্লক জুড়ে শোরগোল পড়ে যায়। বিজেপি সমর্থকরা বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। পরে, ঘটনাস্থলে পুলিশ আসে। প্রশাসনের তরফ থেকে তাদেরকে বোঝানো হয়। অবশেষে নোটিশ হাতে করে তারা ফিরে যায়। জানা গিয়েছে, হবিবপুর পঞ্চায়েত সমিতিতে মোট আসন ৩৩ টি। বোর্ড গঠনের জন্য প্রয়োজন ১৭ জন সদস্যের। নির্বাচনের ফলাফলের নিরিখে বিজেপি- ১৭, তৃণমূল- ১৩, সিপিআইএম- ২ এবং কংগ্রেস- ১ টি আসনে জয়ী হয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, মালদার (Malda) হবিবপুর পঞ্চায়েত সমিতিতে মহিলা তফশিলি জাতি সংরক্ষিত একটি আসনে বিজেপি’র এক বিজয়ী প্রার্থী সুলেখা সিংহের জাতিগত শংসাপত্র ভুয়ো বলে বাতিল করা হয়েছে তৃণমূলকে সন্তুষ্ট করতে। এদিন বিজেপির বিধায়ক জয়েল মুর্মু ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পঞ্চায়েত সমিতিতে বিজেপির বিজয়ী প্রার্থী সুলেখা সিংহের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ বঞ্চিত করার ষড়যন্ত্র করে তাঁর জাতিগত শংসাপত্র বাতিল করেছে প্রশাসন। তৃণমূলকে খুশি করতেই এই ব্যবস্থা। সোমবার বোর্ড গঠনের ভোট ছিল। এদিন আমরা এসে দেখি, বেলা সাড়ে এগারোটা নাগাদ ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত পুলিশ না থাকার কথা উল্লেখ করে বোর্ড গঠন স্থগিত রাখার নোটিশ টাঙাচ্ছে। এদিন বোর্ড গঠনের দিন ধার্য করেছিল প্রশাসন। তাহলে কেন পুলিশি ব্যবস্থা আগে নেওয়া হয়নি। আসলে বিজেপি যাতে বোর্ড গঠন করতে না পারে এটা সেই চক্রান্ত। এর বিরুদ্ধে প্রয়োজনে আমরা আদালতে যাব।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্বের?

     স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, বিষয়টি পুরোপুরি প্রশাসনিক। তাই, এর সঙ্গে দলের কোনও যোগ নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: গাজোলে জয়েন্ট বিডিও ঘেরাও, বিক্ষোভের মুখে বেধড়ক মার খেল পুলিশ

    Malda: গাজোলে জয়েন্ট বিডিও ঘেরাও, বিক্ষোভের মুখে বেধড়ক মার খেল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও উত্তেজনায় অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠল মালদার (Malda) গাজোলের বাবুপুর অঞ্চল। ঘেরাওয়ের মুখে পড়লেন গাজল ব্লকের জয়েন্ট বিডিও। বিক্ষোভের মুখে পড়ে বেধড়ক মার খেল পুলিশও। জানা গেছে, মালদার গাজোলের বাবুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে বৃহস্পতিবার বোর্ড গঠনের কথা ছিল। ১২ আসন বিশিষ্ট বাবুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল পেয়েছে পাঁচটি আসন, সিপিএম তিনটি, কংগ্রেস দুটি এবং বিজেপি ও নির্দল একটি করে আসনে জয়লাভ করে। এরপর জোট বেঁধে বোর্ড গঠনের চেষ্টা শুরু করে বিরোধীরা। কিন্তু অভিযোগ, দিন কয়েক আগে হঠাৎই নিখোঁজ হয়ে যান সিপিএমের একজন জয়ী প্রার্থী। আদিবাসী অধ্যুষিত ওই পঞ্চায়েতে সিপিএম প্রার্থীকে সমর্থন করেছিল ঝাড়খণ্ড দিসম পার্টি। প্রার্থীকে অপহরণ করা হয়েছে বলে গাজোল থানাতে অভিযোগ দায়ের করা হয়। এমনকি থানা ঘেরাও করা হয়েছিল।যদিও প্রার্থীর দেখা মেলেনি।

    পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ থেকেই গন্ডগোল (Malda) 

    বৃহস্পতিবার পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনের আগে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সরব হয় বিরোধীরা। বোর্ড গঠনের আগেই উপস্থিত পুলিশ আধিকারিক ও পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ বেধে যায় বিরোধী জোটের। আক্রমণ করা হয় পুলিশকে। বিক্ষুব্ধদের তাড়া খেয়ে এলাকা (Malda) ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয় পুলিশ। মারধর করা হয় বেশ কিছু পুলিশ কর্মীকেও। এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে এলাকায় পৌঁছান গাজল ব্লকের জয়েন্ট বিডিও। তাঁকেও ঘেরাও করে রাখেন বিরোধী জোটের কর্মী-সমর্থকরা।

    হল না বোর্ড গঠন (Malda) 

    অন্যদিকে বোর্ড গঠনের প্রক্রিয়া আজ হওয়ার কথা থাকলেও পঞ্চায়েতে হাজির হননি বোর্ড গঠনের জন্য নিযুক্ত সরকারি কর্মীরা। এমনকি অনুপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের বিজয়ী প্রার্থীরাও। স্বভাবতই গোটা ঘটনায় পুলিশ প্রশাসন ও পঞ্চায়েত কর্মীদের বিরুদ্ধে শাসক দলকে মদত করার অভিযোগ উঠেছে। এখনও পর্যন্ত ওই গ্রাম পঞ্চায়েতে বোর্ড (Malda) গঠন প্রক্রিয়া স্থগিত রয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: ‘টাকার বিনিময়ে তৃণমূলের উপ প্রধান বদল’, সরব দলের একাংশ, শাসক দলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    TMC: ‘টাকার বিনিময়ে তৃণমূলের উপ প্রধান বদল’, সরব দলের একাংশ, শাসক দলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বোর্ড গঠনের দিনই তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এল। ব্লক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ এনে সরব হলেন দলেরই একাংশ। বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে মালদার চাঁচল গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। বোর্ড গঠনের আগেই প্রকাশ্যে তৃণমূলের দলীয় কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে আসে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    খেলেনপুর বুথ থেকে তৃণমূলের (TMC) জয়ী প্রার্থী হেলি খাতুনকে উপ প্রধান করা হয়েছে। তাঁর অনুগামীদের দাবি, উপপ্রধান হিসেবে রাজ্য নেতৃত্ব হেলি খাতুনের নাম পাঠিয়েছে। কিন্তু, সেই সিদ্ধান্ত অমান্য করে ব্লক নেতৃত্ব বিরস্থল বুথ থেকে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী মুক্তার হোসেনকে উপপ্রধান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর প্রতিবাদে বোর্ড গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগেই চাঁচল গ্রাম পঞ্চায়েতের সামনে ধর্ণা দিয়ে বিক্ষোভ দেখান হেলি খাতুনের অনুগামীরা। পঞ্চায়েতের সামনে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন তৃণমূলের নেতারা। পরিস্থিতি সামাল দিতে চাঁচল থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

    বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীদের কী বক্তব্য?

    বিক্ষুব্ধ তৃণমূল (TMC) কর্মীদের বক্তব্য, রাজ্য নেতৃত্বের পাঠানো তালিকায় এদিন সকাল পর্যন্ত উপ প্রধান হিসেবে হেলি খাতুনের নাম ছিল। এক ঘণ্টার মধ্যে ব্লক নেতৃত্ব খাম পরিবর্তন করে দেন। টাকার বিনিময়ে ব্লক নেতৃত্ব সব করেছে। আমরা এই  উপ প্রধানকে মানব না।

    বোর্ড গঠন নিয়ে কালিয়াচকে উত্তেজনা

    পঞ্চায়েত ভোট গঠন নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ালো মালদার কালিয়াচকের আলিপুর- ২ গ্রাম পঞ্চায়েতে। এদিন ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের (TMC) পক্ষের মধ্যে ব্যাপক হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়ন করা হয়। জানা গিয়েছে, আলিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট আসন সংখ্যা ২৪টি। এর মধ্যে কংগ্রেস পায় দশটি আসন, নির্দল একটি, সিপিআইএম একটি আসন এবং তৃণমূল কংগ্রেস পায় ১২টি আসন। বুধবার বোর্ড গঠনের সময় কংগ্রেস পক্ষ দাবি করে তাদের সমর্থন করছে সিপিএম ও নির্দল ছাড়াও একজন তৃণমূল জয়ী সদস্য। স্বভাবতই তাদের দল থেকেই প্রধান পদের দাবী জানানো হয়। অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি তাদের পক্ষেই রয়েছে সংখ্যা গরিষ্ঠ সমর্থন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রথমে বিরোধীদের সঙ্গে ও পরে নিজেদের দলেরই অপর গোষ্ঠীর সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে তৃণমূল কংগ্রেস। নেতাকর্মীরা ঘটনার জেরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। স্থগিত করে দেওয়া হয় বোর্ড গঠন প্রক্রিয়া। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মোতায়ন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: ‘আপনারা কি পুতুল’? মালদাকাণ্ডে পুলিশ আধিকারিককে ধমক জাতীয় মহিলা কমিশনের

    Malda: ‘আপনারা কি পুতুল’? মালদাকাণ্ডে পুলিশ আধিকারিককে ধমক জাতীয় মহিলা কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার দুই মহিলা নির্যাতনের ঘটনায় দিল্লি থেকে জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন রেখা শর্মা মালদায় (Malda) আসেন। সোমবার হাওড়ার পাঁচলায় ‘নির্যাতিতা’ বিজেপি প্রার্থীর সঙ্গে দেখা করেন জাতীয় মহিলা কমিশনের প্রতিনিধিরা। এদিন মালদার মানিকচকে দুই নির্যাতিতা মহিলার সঙ্গে দেখা করেন জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন। আর ওই দুই মহিলার মুখ থেকে গত ১৮ জুলাইয়ের সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা শুনে পুলিশের উপর বেজায় চটেছেন জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন।

    পুলিশ আধিকারিককে কী বললেন জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন?

    মালদার (Malda) বামনগোলার পাকুয়াহাটের ঘটনায় ‘নির্যাতিতা মহিলাদেরই গ্রেফতার করা হল কেন? আপনারা কি পুতুল? মালদা পুলিশের ডিএসপি (ডিএনটি) আজহারউদ্দিন খানকে এমন প্রশ্নই করলেন জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন। ওই পুলিশ আধিকারিকেরা জাতীয় মহিলা কমিশনের ওই প্রতিনিধিদের জবাব দেন, ওই ঘটনায় অভিযুক্ত পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। দোষ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাচক্রে, গত ২৬ এপ্রিল মালদহেরই মুচিয়া চন্দ্ৰমোহন হাই স্কুলের ভরা ক্লাসঘরে ঢুকে পড়ে এক বন্দুকবাজ। পড়ুয়াদের উদ্দেশে বন্দুক উঁচিয়ে শাসানি দিতে থাকে সে। সেই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে নিজের জীবন বাজি রেখে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন ডিএসপি আজহারউদ্দিন। পিস্তল উঁচিয়ে থাকা ওই যুবককে পাকড়াও করেন তিনিই।

    মালদাকাণ্ড (Malda) নিয়ে কী বললেন জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন?

    জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন  সাংবাদিকদের সামনে বলেন, চুরির ঘটনা প্রমাণিত হল না, অথচ ওই দুই মহিলা ছয়দিন জেল খাটলো। আর যদি ঘটনাটি ঘটেই থাকতো, তাহলে এভাবে ওদের মারার অধিকার দিয়েছে কে? অর্ধনগ্ন এবং আহত অবস্থায় ওই দুই মহিলাকে চিকিৎসার ব্যবস্থা না করে থানায় বসিয়ে রাখে পুলিশ। এমনকী ওদের মিথ্যা মামলা দিয়ে  জেলে পুড়েছে। এব্যাপারে জাতীয় মহিলা কমিশন চুপ করে বসে থাকবে না। প্রয়োজনে আইনজীবীর পরামর্শ নিয়ে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে এই ঘটনার অভিযোগ জানানো হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: ডাইনি অপবাদ দিয়ে খুনের অভিযোগ, দুজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

    Malda: ডাইনি অপবাদ দিয়ে খুনের অভিযোগ, দুজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদায় (Malda) ডাইনি অপবাদে গৃহবধূকে খুনের অভিযোগে দুজনকে দোষী সাব্যস্ত করল আদালত। আজ দোষীদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দেন বিচারক অসীমা পাল। দোষীদের শাস্তির ঘটনায় খুশি মামলাকারী ঠাকুর হেম্ব্রম।

    কীভাবে খুনের ঘটনা ঘটে (Malda)?

    খুনের মামলা (Malda) সূত্রে জানা যায়, এই কেসের আসামী হল দুই খুড়তুতো ভাই ভাকুম হেমব্রম ও দুনুয় হেমব্রম। ঠাকুর হেমব্রম হলেন ভাকুম হেমব্রমের বাবা। যদিও ঠাকুর হেমব্রম প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার ২০ বছর পর দ্বিতীয়বার বিবাহ করেন বুদিন মুর্মুকে। বিবাহ করে ঘর সংসার করছিলেন ঠাকুর হেমব্রম। ইতিমধ্যে ভাকুম হেমব্রম সম্পত্তির দাবিতে ঠাকুর হেমব্রমের সামনে চড়াও হতেন মাঝে মাঝেই। সেই সঙ্গে এরপর ঠাকুর হেমব্রমের স্ত্রী বুদিন মুর্মুকে ডাইনি অপবাদ দেয় ওই দুই জন। ভাকুম হেমব্রম বলত, বুদিন মুর্মু ডাইনি। আর তাঁর জন্যই আমার সন্তান হচ্ছে না। অপর দিকে দুনুয় হেমব্রম বলত, আমার বাবা-মা মারা গেছেন বুদিন মুর্মুর জন্যই। এরপর গত ৩রা মে ২০১৯ তারিখে বুদিন মুর্মুকে বাড়িতে ঢুকে হাঁসুয়া দিয়ে শরীরে আঘাত করে খুন করে দুইজন। মূলত সম্পত্তির অধিকার এবং ডাইনি অপবাদে এই খুন করা হয়েছে বলে মন্তব্য করছেন বুদিন মুর্মুর স্বামী ঠাকুর হেমব্রম।

    আইনজীবীর বক্তব্য

    সরকারি আইনজীবী লোকমান আলি জানান, ২০১৯ সালের ৩ মে হবিবপুরে (Malda) ঘটনাটি ঘটে। সেই রাতে ভাকুম হেমব্রম ও দুনুয় হেমব্রম রাতের বেলায় বাড়িতে ঢুকে হাঁসুয়া দিয়ে আঘাত করে বুদিন মুর্মুকে খুন করে। দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন মৃতার স্বামী ঠাকুর হেমব্রম। আজ পঞ্চম কোর্টের বিচারক অসীমা পাল ১১ জনের সাক্ষীর ভিত্তিতে দুই অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন। দোষীদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Malda: নির্যাতিতা দুই মহিলা জেল থেকে ছাড়া পেতেই সংবর্ধনা, ব্যাপক উচ্ছ্বাস

    Malda: নির্যাতিতা দুই মহিলা জেল থেকে ছাড়া পেতেই সংবর্ধনা, ব্যাপক উচ্ছ্বাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর মালদার (Malda) দুই নির্যাতিতা মহিলাকে সংবর্ধনা জানানো হল‌। মঙ্গলবার মালদা শহরের রথবাড়ি এলাকায় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার পক্ষ থেকে তাঁদের সংবর্ধনা জানানো হয়। নতুন শাড়ি, ফুলের মালা এবং কিছু খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হয় তাঁদের হাতে। 

    কী ঘটেছিল ঘটনা (Malda)?

    উল্লেখ্য, মালদার (Malda) পাকুয়াহাট এলাকায় চোর সন্দেহে দুই মহিলাকে বিবস্ত্র করে মারধর করার ঘটনার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। এই ঘটনার পর দোষীদের গ্রেফতার না করে, ওই দুই নির্যাতিতা মহিলাকে পুলিশ গ্রেফতার করে বলে অভিযোগ উঠেছিল। পাশাপাশি দুই মহিলাকে মারধরের ঘটনায় আরও পাঁচজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। অন্যদিকে দিন কয়েক আগে পাকুয়াহাট পুলিশ ফাঁড়ি ভাঙচুর করার ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগ দিয়ে ওই দুই মহিলাকে জেলে পাঠানো হয় বলে অভিযোগ মহিলাদের। ঘটনায় প্রতিবাদের ঝড় উঠে গোটা রাজ্য জুড়ে। অবশেষে সোমবার মালদা জেলা আদালত তাঁদের জামিন মঞ্জুর করে। মঙ্গলবার মালদা জেলা সংশোধনাগার থেকে ছাড়া পান তাঁরা। জানা যায় এরপর মালদা শহরের রথবাড়ি এলাকায় নির্যাতিতা দুই মহিলাকে সংবর্ধনা জানানো হয় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার পক্ষ থেকে।

    নির্যাতিতা মহিলদের বক্তব্য

    পাকুয়াহাটে (Malda) নির্যাতিতা মহিলা বলেন, বাজারে শুটকি মাছ বিক্রি করতে গিয়েছিলাম। হঠাৎ কয়েকজন এসে বলে তোরা টাকা চুরি করেছিস! উত্তরে আমরা বলি, না, আমরা কোনও টাকা চুরি করিনি। এরপর বলতে বলতেই সবাই মারধর শুরু করে। মারতে মারতে কাপড়-জামা খুলে নেয়। একে একে শাড়ি, সায়া এবং ব্লাউজ খুলে নেয়। পায়ের চটি, লাঠি দিয়ে মারধর করে আমাদের। প্রচণ্ড মারে আমরা আহত হয়ে পড়ি। এভাবেই আমাদের নগ্ন করে অত্যাচার করে দুষ্কৃতীরা। শেষে পুলিশও আমাদের গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। সাংবাদিকরা প্রশ্ন করে, গত সোমবার ১৭ জুন কি আপনারা নালাগোলা থানায় ভাঙচুর করেছিলেন? উত্তরের মহিলা বলেন, না, এমন কোনও কাজ আমরা করিনি। আমাদের চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: হরিশ্চন্দ্রপুরে গভীর রাতে ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার তাজা বোমা, তীব্র চাঞ্চল্য

    Malda: হরিশ্চন্দ্রপুরে গভীর রাতে ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার তাজা বোমা, তীব্র চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার গভীর রাতে হরিশ্চন্দ্রপুর (Malda) হাসপাতাল এলাকার পিছন দিকে একটি ইটভাটা সংলগ্ন ধানক্ষেত থেকে তিনটি তাজা বোমা উদ্ধার করে পুলিশ। হরিশ্চন্দ্রপুর সদর এলাকায় বোমা উদ্ধারের ঘটনায় গতকাল রাত থেকেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে। ইতিমধ্যেই জেলায় বোম্ব স্কোয়াডকে খবর দেওয়া হয়েছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পক্ষ থেকে। আজ স্কোয়াডের পক্ষ থেকে বোমাগুলিকে এলাকায় নিষ্ক্রিয় করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে। বর্তমানে ওই এলাকা কড়া পুলিশি নিরাপত্তার বলয়ে মুড়ে রাখা হয়েছে। অপর দিকে আজকেই বাঁশবাগান থেকে বোমা উদ্ধারে তীব্র চাঞ্চল্য মুর্শিদাবাদে।

    কীভাবে উদ্ধার বোমা (Malda)?

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হরিশ্চন্দ্রপুর (Malda) গ্রামীণ হাসপাতালের ঠিক পিছন দিকেই একটি ইটভাটা রয়েছে। সেই ইটভাটার পাশে একটি ধানের জমিতে গতকাল রাতে সুতলি বোমের মতো তিনটি বস্তু দেখতে পায় স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর দেওয়া হয় হরিশ্চন্দ্রপুর থানাতে। খবর পেয়ে এলাকায় পৌঁছায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশ তদন্ত করে দেখতে পায়, ধানের জমিতে তিনটি সুতলি বোমা রাখা আছে। পুলিশ তৎক্ষণাৎ ওই জমিতে গর্ত করে বোমাগুলিকে মাটির তলায় পুঁতে দেয়। এলাকায় মোতায়ন করা হয়েছে পুলিশ বাহিনী।

    পুলিশের বক্তব্য

    এই প্রসঙ্গে হরিশ্চন্দ্রপুর (Malda) পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে এলাকায় গিয়ে তিনটি বোমা উদ্ধার করা হয়েছে।। কে বা কারা ওই এলাকায় বোমা রেখেছে, তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। আপাতত বোম্ব স্কোয়াডকে খবর দেওয়া হয়েছে।

    সামশেরগঞ্জে বোমা উদ্ধার

    পঞ্চায়েত ভোট মিটতেই মালদার (Malda) পাশাপাশি মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জেও ফের তাজা বোমা উদ্ধার। এবার সামশেরগঞ্জের কাকুরিয়া সংলগ্ন প্রতাপগঞ্জের গঙ্গা তীরবর্তী এলাকার বাঁশবাগান থেকে বালতি ভর্তি তাজা বোমা উদ্ধার করল সামশেরগঞ্জ থানার পুলিশ। শনিবার রাতেই প্রতাপগঞ্জের গঙ্গা তীরবর্তী এলাকা থেকে বালতি ভর্তি তাজা বোমা উদ্ধার করা হয়। রবিবার সকালে বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। রাত থেকেই বোমা রাখার জায়গা ঘিরে রেখেছে পুলিশ। খবর দেওয়া হয়েছে বোম্ব স্কোয়াড টিমকে। কে বা কারা কাকুরিয়া গঙ্গা তীরবর্তী এলাকায় বোমগুলো মজুত রেখেছিল, তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। এদিকে পঞ্চায়েত ভোট পর্ব শেষ হলেও তাজা বোমা উদ্ধারের ঘটনায় রীতিমতো শোরগোল সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: খুলে যাচ্ছে ব্লাউজ শাড়ি! নগ্ন করে দুই মহিলাকে মার মালদায়

    Malda: খুলে যাচ্ছে ব্লাউজ শাড়ি! নগ্ন করে দুই মহিলাকে মার মালদায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উন্মত্ত জনতার মাঝে প্রায় বিবস্ত্র দুই মহিলা। এনিয়ো ভাইরাল হয়েছে ভিডিও (যদিও ভিডিও-এর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম) দেখা যাচ্ছে বেধড়ক মার চলছে ওই ভিডিওতে। কারও হাতে উঠেছে জুতো, কেউ আবার চুলের মুঠি ধরে মারছে দুই মহিলাকে। খুলে গিয়েছে ব্লাউজ!

    বাংলার এহেন চিত্র দেখে লজ্জিত গোটা দেশ

    মণিপুরের ঘটনা নিয়ে যখন তোলপাড় হচ্ছে দেশ, তখন তৃণমূল শাসিত বাংলার এহেন চিত্র দেখে লজ্জিত গোটা দেশ। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে দূর থেকে কয়েক জন বলে উঠলেন, আর মেরো না। এবার মরে যাবে তো! তবে সে সবে কারও গ্রাহ্য নেই, নেই কোনও মায়া। প্রতি মুহূর্তেই যেন বেড়ে চলেছে মারের তীব্রতা। এদিকে মারের চোটে পরনে থাকা শাড়ি, ব্লাউজ খুলে মাটিতে লুটোপুটি খাচ্ছে। লজ্জা ঢাকার চেষ্টা করছেন মহিলা। কিন্তু পারছেন না। নগ্ন অবস্থাতেই চলছে মার। হাউহাউ করে কেঁদেই চলেছেন দুই মহিলা। পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে। কিন্তু, তাতেও কমছে না মারের দাপট। 

    কোথায় ঘটল এমন ঘটনা?

    সূত্রের খবর, ঘটনাটি হল মালদার (Malda) বামোনগোলা থানার পাকুয়াহাটের। এখানে প্রতি মঙ্গলবার হাট বসে নিয়ম করে। এদিন হাটেই দুই মহিলাকে পকেটমার সন্দেহে আটক করা হয় বলে অভিযোগ। শুরু হয় মারধর। যদিও খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে সিভিক ভলান্টিয়াররা। কিন্তু, তারাও শান্ত করতে পারেনি উত্তেজিত জনতাকে। কিল, চড়ের পাশাপাশি জুতো খুলেও মারতে দেখা যায় বহু মহিলাকে। প্রশ্ন উঠছে, সত্যিই যদি পকেটমার হবে এই দুই মহিলা তবে তাদের বিচারের জন্য আদালত রয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এখন জোর শোরগোল রাজ্যজুড়ে। বিরোধী দল বিজেপি সরব হয়েছে প্রতিবাদে। সূত্রের খবর, নির্যাতিত দুই মহিলা মানিকচকের বাসিন্দা। যদিও এই ঘটনায় এখনও কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি পুলিশে, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। এদিকে আরও প্রশ্ন উঠছে, দীর্ঘ সময় ধরে এই মারধরের পালা চললেও কেন এল না পুলিশ? 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Vote: মালদায় সিল করা ব্যালট বাক্স উদ্ধার! গণনা ছাড়া কীভাবে জয়ী তৃণমূল? প্রশ্ন বিজেপির

    Panchayat Vote: মালদায় সিল করা ব্যালট বাক্স উদ্ধার! গণনা ছাড়া কীভাবে জয়ী তৃণমূল? প্রশ্ন বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট (Panchayat Vote) গণনা হয়েছে ১১ জুলাই। অথচ তার এক সপ্তাহ বাদে উদ্ধার হল সিল করা ব্যালট বাক্স। ভোটের পরে বাক্সগুলি খোলাই হয়নি। অথচ দেখা যাচ্ছে সেখানে তৃণমূল জয়লাভ করেছে। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মালদার গাজোলে। দুদিন আগেই মালদায় ৩ হাজার ব্যালট রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। তারপরে মঙ্গলবার সামনে এল এমন ঘটনা।

    ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ

    জানা গিয়েছে, গাজোল ব্লকের স্ট্রং রুম ও গণনা কেন্দ্র করা হয়েছিল স্থানীয় এইচ এন এম হাইস্কুলে। এতদিন বন্ধ থাকার পর এদিন স্কুল খুলতে গেলে কর্তৃপক্ষের নজরে আসে বিষয়টি। স্কুলের কর্মচারীরা দেখতে পান, একটি বন্ধ ঘরে প্লাস্টিক মোড়া অবস্থায় পড়ে রয়েছে তিনটি সিল করা ব্যালট বাক্স। ওই ব্যালট বাক্সগুলি গাজলের ২০৭ নম্বর বুথের বলে জানা গিয়েছে। এদিকে ওই ঘটনা সামনে আসার পরই পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী গিয়ে উদ্ধার করে ব্যালট বাক্সগুলি (Panchayat Vote)।

    বিক্ষোভে বিজেপি

    এই ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন গাজোলের বিজেপি বিধায়ক সহ কর্মী-সমর্থকরা। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন উত্তর মালদা লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। গোটা ঘটনায় (Panchayat Vote) শাসক দল তৃণমূলের সঙ্গে গাজোলের বিডিও ও পুলিশের প্রত্যক্ষ আঁতাতের অভিযোগ তোলেন তিনি। অবিলম্বে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে গাজোলের পথে নামেন বিজেপি নেতাকর্মীরা। সরাসরি এই ঘটনায় বিডিও ও প্রশাসনকে দায়ী করে এক বিজেপি কর্মী বলেন, ‘‘এই ঘটনায় প্রমাণ হল বিডিও ও প্রশাসনের কতটা গাফিলতি রয়েছে। সব জেনে শুনেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আমরা এই ঘটনায় হাইকোর্টে যাব।’’

    কী বলছে শাসক দল?

    বিজেপির তোলা অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। গাজলের তৃণমূল ব্লক সভাপতি তথা বিজয়ী জেলা পরিষদ সদস্য (Panchayat Vote) দীনেশ টুডু জানান, পায়ের তলায় জমি না থাকাতেই তৃণমূলকে বদনাম করার জন্য পরিকল্পিতভাবে এসব কাণ্ড ঘটাচ্ছে বিজেপি।

    আরও পড়ুন: ভোট পরবর্তী হিংসা, বিজেপির জয়ী প্রার্থীরা আশ্রয় নিলেন অসমে

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: খুনের প্রতিবাদে ফাঁড়িতে বিজেপি-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধ, আইসি-কে ঝাঁটা দেখালেন মহিলারা

    Malda: খুনের প্রতিবাদে ফাঁড়িতে বিজেপি-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধ, আইসি-কে ঝাঁটা দেখালেন মহিলারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার (Malda) দলীয় কর্মী বুরান মুর্মুকে খুনের প্রতিবাদে বিজেপির বামনগোলা পুলিশ ফাঁড়ি ঘেরাও অভিযানকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বামনগোলা পুলিশ ফাঁড়ি ভাঙচুর করা হয় বলেও অভিযোগ। এমনকি আইসিকে ঝাঁটা দেখিয়ে প্রতিবাদ জানান মহিলা বিজেপি কর্মীরা। মারমুখী পুলিশকে কার্যত তেড়েফুঁড়ে আক্রমণ করেন আন্দোলনকারীরা। ঘটনায় উত্তপ্ত মালদা।

    থানা ঘেরাও কেন (Malda)?

    দলীয় কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর নেতৃত্বে এই বিক্ষোভ হয় থানার (Malda) সামনে। পুলিশ বিক্ষোভে যোগদান করা আন্দোলনকারীদের ওপর লাঠিচার্জ করে। উল্লেখ্য, খুনের অভিযোগ উঠেছে মৃত বিজেপি কর্মীর ছেলের বিরুদ্ধে। ছেলে বিপ্লব মুর্মু এবং বৌমা শর্মিলা মুর্মুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজত চেয়ে আজ তাদের মালদা জেলা আদালতে তোলা হয়। এই খুনের ঘটনায় আর যেসব তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা যুক্ত রয়েছে তাদেরকেও গ্রেপ্তার করতে হবে বলে পুলিশের কাছে দাবি জানানো হয়।

    বিজেপি সাংসদ কী বললেন?

    সাংসদ খগেন মুর্মু (Malda) বলেন, মৃত বুরন মুর্মু অনেক দিনের পুরাতন বিজেপি কর্মী। ছেলের বৌ তৃণমূলে দাঁড়ালেও নিজে দায়িত্ব নিয়ে আদিবাসী সমাজের মন জয় করে বিজেপি প্রার্থীকে জয়যুক্ত করেন। এই নির্বাচন এবং জয়ের পিছনে বুরন মুর্মুর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আদিবাসী সমাজের কোনও ভোট তাঁর ছেলের বৌ তৃণমূলের জন্য পায়নি। তৃণমূল জয়ী হতে পারেনি বলে বুরনবাবুকে খুন করেছে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা।

    আইসিকে ঝাঁটা নিয়ে প্রতিবাদ

    বিজেপির কর্মী-সর্মথকরা পুলিশ (Malda) ফাঁড়িতে চড়াও হয়ে খুনিদের দ্রুত শাস্তির দাবি জানায় আইসির কাছে। ঝাঁটা উঁচিয়ে মহিলা বিজেপি কর্মীরা তেড়ে যান আইসির দিকে। বিজেপির অভিযোগ, এই খুনের ঘটনায় শাসকদলের নেতাদের প্রত্যক্ষ মদত রয়েছে। শাসক দলের অঙ্গুলি হেলনে বিজেপি কর্মীর বাবাকে খুন করা হয়েছে। পুলিশের ব্যবহারে মানুষ অধৈর্য হয়ে গেছে।আর সেই কারণেই এভাবে থানায় চড়াও হয়েছে তারা, দাবি বিজেপি নেতৃত্বের।

    কেন খুন করা হয়েছিল?

    তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী বৌমা। কিন্তু বাবা নিজে বিজেপি সমর্থক। পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন বৌমা হেরেছে! সেই জন্য যাবতীয় আক্রোশের শিকার হন বিজেপি সমর্থক বাবা। মূলত খুনের কারণ এটাই ছিল। বাবাকে খুন করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নিজের ছেলের বিরুদ্ধেই। মালদা জেলার বামনগোলা ব্লকের মদনাবতীর কয়নাদিঘি গ্রামে। মৃতের নাম বুরন মুর্মু, অভিযুক্ত ছেলে বিপ্লব মুর্মু। বিপ্লব মুর্মুর স্ত্রী এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে ১৯ নম্বর বুথে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছিল। আক্রোশের বশেই নিজের বাবাকে খুন করে ফাঁস লাগিয়ে ঝুলিয়ে দেয় ছেলে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বামনগোলা থানার পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share