Tag: Malda

Malda

  • Dilip Ghosh: ‘দিলীপ কলিযুগের মহিষাসুর’, তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদের মন্তব্যে নিন্দার ঝড়

    Dilip Ghosh: ‘দিলীপ কলিযুগের মহিষাসুর’, তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদের মন্তব্যে নিন্দার ঝড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভার বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষকে (Dilip Ghosh) কুমন্তব্য করলেন তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদ। ‘দিলীপ কলিযুগের মহিষাসুর’ বললেন এই তৃণমূল প্রার্থী। এই মন্তব্যের জেরে তীব্র নিন্দার ঝড় উঠেছে রাজনৈতিক মহলে। উল্লেখ্য ইতিপূর্বে দিলীপ এই তৃণমূল প্রার্থীকে আবার বাংলায় বহিরাগত বলেছিলেন। এই ঘটনার পর বর্ধমানে তৃণমূল-বিজেপির মধ্যে ব্যাপক তর্জা শুরু হয়েছে।

    কী বলেছেন দিলীপকে (Dilip Ghosh)?

    শনিবার নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে পূর্ব বর্ধমানের কামনাড়ার গৌরকালী বাড়িতে পুজো দিয়েছেন বিজেপির নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। এরপর পুজো দিয়ে মন্দিরের পুরোহিতকে বলেন, “মাকে বলুন যাতে বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্রের সম্মান রাখতে পারি। বহিরাগতদের যেন জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। জামা কাপড় যেন রেখে পালিয়ে যায়।” কিন্তু অপর দিকে এদিন মন্তেশ্বরে ভোটের প্রচারে এসে তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদ, দিলীপকে একেবারে অসুরের সঙ্গে তুলনা করে বসেন। তিনি কুমন্তব্য করে বলেন, “এমন মহিষাসুরকে বিজেপির লোক হাসপাতালে পাঠাক। না পাঠালে আমারা চাঁদা তুলে ওঁকে হাসপাতালে পাঠিয়ে চিকিৎসা করাবো। মমতাদিদির তৃণমূল টিম ঐ মহিষাসুরকে ভোটে হারিয়ে বধ করবে।”

    তবুও দিলীপ আত্ম বিশ্বাসী

    এদিন কীর্তি আজাদ দিলীপকে (Dilip Ghosh) উদ্দেশ্য করে আক্রমণ করে আরও বলেন, “দিলীপ ঘোষ এমন ব্যক্তি, যাঁর সমাজে কোনও জায়গা নেই। তিনি মা দুর্গা এবং মমতাদিদিকে অপমান করেছেন। মহিলাদের উনি অপমান করেন। দিলীপ ঘোষ এবং আরএসএস মহিলাদের সম্মান করতে জানেন না।” আগামী ৩১ মে বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভায় ভোটের দিন। ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপ জয়ী ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় কীর্তি। তিনি তৃণমূলের হয়ে এই প্রথম এই কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছেন। অপর দিকে ২০১৯ সালে মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন দিলীপ। এইবার সেই কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন অগ্নিমিত্রা পল। তবে দিলীপ তাঁর নতুন লড়াইয়ের ময়দানে নিজের জয় নিয়ে আরও আত্মবিশ্বাসী বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ লোকসভা নির্বাচনের আগে হওড়া স্টেশন থেকে ফের উদ্ধার বান্ডিল বান্ডিল টাকা!

    বিজেপির বক্তব্য

    এই বিষয়ে জেলার বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র পাল্টা তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন, “তৃণমূল নেতারা বাংলার নারীদের অসম্মান করেন। এই এলাকার মানুষ চিনিয়ে দেবে কে আসল মহিষাসুর। বাংলায় নারী নির্যাতনে তৃণমূল সব সীমাকে ছাপিয়ে গিয়েছে।” আবার তৃণমূল নেতা তথা তৃণমূল মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, “দিলীপ (Dilip Ghosh) খারাপ কথা বলে বাংলার মানুষকে অপমান করে চলেছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: মানিকচকের হাটে অভিনব প্রচারে বিজেপি প্রার্থী, সবজি বিক্রি করে নজর কাড়লেন শ্রীরূপা

    Malda: মানিকচকের হাটে অভিনব প্রচারে বিজেপি প্রার্থী, সবজি বিক্রি করে নজর কাড়লেন শ্রীরূপা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ মালদা (Malda) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী শনিবার দুপুরে মানিকচক ব্লকের মথুরাপুর হাটে এক অভিনব নির্বাচনী ভোট প্রচারে অংশ গ্রহণ করলেন। হাটে তিনি নিজের হাতে সবজি বিক্রি ও মাটির সামগ্রিক বিক্রি করেন। শুধু তাই নয় দলীয় কর্মী নেতৃত্বদের নিয়ে চায়ের দোকানে নিজের হাতে চা বানিয়ে চায়ে পে চর্চা করতেও দেখা যায়। আসন্ন লোকসভার ভোটে এই অভিনব প্রচারে এলাকার ভোটারদের নজর কাড়লেন তিনি। এলাকায় ব্যাপক সাড়া বলে দাবি বিজেপির।

    হাটে এসে কী বললেন শ্রীরূপা?

    শনিবার দুপুরের মানিকচকের মথরাপুর হাটে এক অভিনব প্রচারে ভোটারদের কাছে গেলেন বিজেপি প্রার্থী। তিনি প্রচারে অংশ নিয়ে বলেন, “গ্রামের হাট হল গ্রামীণ বাংলার আসল চিত্র। কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ এই কথা বলেছেন। এই হাট, গ্রাম বাংলার সচেতনতাকে উপস্থাপন করে। হাটে এলে সমগ্র পৃথিবীকে দেখতে পাই। মানুষ নিজের মনের কথা বলতে পারেন হাটে এসে। মানুষের সুবিধা-অসুবিধাকে প্রকাশ করে থাকেন এই বাজারে। হাটে বেচাকেনা মূল উদ্দেশ্যে নয় মানুষের প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তিকে তুলে ধরে মানুষ। আমি আজ এই নির্বাচনী প্রচারের মধ্যে দিয়ে হাট-বাজারের মানুষের মনকে বুঝতে পরেছি। তাঁদের পছন্দ অপছন্দের ভাবকে বুঝতে এসেছি এই হাটে।”

    আরও পড়ুনঃ সরকারি ভবনে তৃণমূলের নির্বাচনী সভা! কমিশনের কাছে বিধিভঙ্গের অভিযোগ বিজেপির

    সজনে ডাঁটা বিক্রি করলেন

    এদিন মাণিকচকের (Malda) হাটের সবজির দোকানে শাক-সবজি বিক্রি করতে দেখা যায় মালদা দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী শ্রীরূপা মিত্রকে। নিজের হাতে পাল্লা-বাটখারা নিয়ে সজনে ডাঁটা বিক্রি করতে দেখা যায় তাঁকে। নিজেই ক্রেতাদের কাছে সবজি বিক্রি করে হিসেবও করলেন। দোকানে সবজি হিসাবে ছিল ঢেরস, পটল, উচ্ছে, কাঁচা লঙ্কা, শাকপাতা ইত্যাদি। অপর দিকে নিজেই চায়ের দোকানে চা বানিয়ে কর্মীদের চা পান করালেন। একই সঙ্গে চায়ে পে চর্চায় মানুষের সঙ্গে জন সংযোগ করলেন।

    উল্লেখ্য, প্রথম থেকেই নির্বাচনী প্রচারে তিনি দৃষ্টি কেড়েছেন। সীমান্ত এলাকায় ভারত-বাংলাদেশের কাঁটা তারের ওপারে থাকা ভারতীয় পরিবারগুলির জীবন উন্নয়নের বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন। পানীয় জল, রেশনের সুবিধা থেকে বঞ্চনার অভিযোগে একাধিক বিষয়ে রাজ্যের শাসক দল এবং কংগ্রেসের সাংসদদের আক্রমণ করেন। তাঁর প্রচার অভিযানে মালদায় বিজেপির প্রচার এখন ব্যাপক জমজমাট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: ভোটের মুখে দলীয় কর্মীদের ওপর হামলা, বাড়ি ভাঙচুর, থানা ঘেরাও করল বিজেপি

    Malda: ভোটের মুখে দলীয় কর্মীদের ওপর হামলা, বাড়ি ভাঙচুর, থানা ঘেরাও করল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার (Malda) হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকায় বিজেপি কর্মীদের ওপর তৃণমূলের হামলার ঘটনার প্রতিবাদে হরিশ্চন্দ্রপুর থানা ঘেরাও করলেন উত্তর মালদার বিজেপি-র বিদায়ী সাংসদ খগেন মুর্মু। বৃহস্পতিবার কয়েকশো বিজেপি কর্মী দলীয় পতাকা হাতে নিয়ে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান। যদিও পুলিশি নিরাপত্তা অটুট থাকায় কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। এদিন বিক্ষোভ স্থলে খগেন মুর্মু অভিযোগ তোলেন, এলাকার পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামী পূজন দাসের নেতৃত্বে তৃণমূল নেতা সাহেব দাস, দুর্জয় দাস সহ আরও অনেকে পিপল কাশিমপুর এলাকায় বিগত দুই দিন ধরে ক্রমাগত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Malda)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,  মালদার (Malda) হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকার পিপলা গ্রামের শাসকদলের পঞ্চায়েত সদস্য মন্দিরা দাসের পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে গন্ডগোল চলছিল এলাকার বিজেপির যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক কমল থোকদারের পরিবারের সঙ্গে। অভিযোগ আর এই গন্ডগোলের জেরে মঙ্গলবার গভীর রাত্রে শাসকদলের গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য মন্দিরা দাসের স্বামী তথা তৃণমূল নেতা পূজন দাস ধারালো অস্ত্রশস্ত্র সহ দলবল নিয়ে বিজেপি নেতা কমলের বাড়িতে হামলা চালায়। সেখানে হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। এই মারধরের জেরে গুরুতর আহত হয়ে কমলবাবুর মা তুলি থোকদার হরিশ্চন্দ্রপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনার খবর পেয়েই হরিশ্চন্দ্রপুরের পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। রাত পোহাতেই আবার সেই গন্ডগোল মাথাচাড়া দেয়। বুধবারও ফের হামলা চালায়।

    আরও পড়ুন: কল্যাণীতে বিজেপি প্রার্থী শান্তনুকে প্রচারে বাধা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    শুরু হয়ে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপির বিদায়ী সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, ভোটের আগে সন্ত্রাস তৈরির জন্য তৃণমূল হামলা চালিয়েছে। কর্মীরা আতঙ্কে রয়েছেন। দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে আমরা বিক্ষোভ দেখায়। এদিকে এ প্রসঙ্গে ব্লক সভাপতি জিয়াউর রহমান বলেন, ওরা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলছে। বিজেপি কর্মীরাই আমাদের কর্মীর বাড়িতে লাগাতার হামলা চালাচ্ছে। ওই গ্রামে বিগত ১০ বছর ধরে তৃণমূল জয় লাভ করছে। এখন সামনে ভোট। বিজেপির পায়ের তলার মাটি সরে গিয়েছে, তাই এই সমস্ত অভিযোগ করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: জেলা প্রশাসনের সঙ্গে তৃণমূল প্রার্থীর মিটিং! কমিশনে লিখিত অভিযোগ খগেন মুর্মুর

    Malda: জেলা প্রশাসনের সঙ্গে তৃণমূল প্রার্থীর মিটিং! কমিশনে লিখিত অভিযোগ খগেন মুর্মুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারের প্রশাসনিক পদে থেকে তৃণমূল প্রার্থীর হয়ে কাজ করার অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্বারস্থ হয়েছেন উত্তর মালদার (Malda) বিজেপি প্রার্থী খগেন মুর্মু। মালদা জেলার ১০ জন প্রশাসনিক কর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন তিনি। এই ঘটনায় মালদা জেলায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূলের।

    খগেনের বক্তব্য (Malda)

    মালদা (Malda) উত্তরের তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, বুধবার এই লোকসভা কেন্দ্রে তিনি সরকারি প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই প্রশাসনিক কর্তাদের মধ্যে রয়েছেন জেলাশাসক নীতিন সিঙ্ঘানিয়া, জেলা পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব। জেলাশাসক এবং পুলিশ আধিকারিকদের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে। ফলে নির্বাচন প্রক্রিয়া কতটা নিরপেক্ষ হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই বিষয়ে বিজেপি প্রার্থী খগেন মুর্মু বলেন, “জেলা প্রশাসনের আধিকারিকেরা তৃণমূল প্রার্থীর হয়ে নির্বাচনে কাজ করছেন। এই সমস্ত আধিকারিকেরা নির্বাচনে যুক্ত থাকলে নির্বাচন একদম নিরপেক্ষ হবে না। তাই সকলের অপসারণ দাবি করি।”

    আর কী বললেন খগেন?

    তৃণমূল প্রার্থীর সঙ্গে নির্বাচনী আধিকারিকের বৈঠক প্রসঙ্গে উত্তর মালদার বিজেপি প্রার্থী খগেন (Malda) মুর্মু আরও বলেন, “নির্বাচন ঘোষণার পর একটি বেসরকারি হোটেলে মালদা উত্তর লোকসভা কেন্দ্রের পুলিশ, ব্লক আধিকারিক এবং জেলা শাসক, জেলা পুলিশ সুপারের সঙ্গে গোপন বৈঠক করেন তৃণমূল প্রার্থী। আর তাই এই সকল আধিকারিকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।”

    আরও পড়ুনঃ ওয়াশিং মেশিনে লুকনো কোটি কোটি টাকা! ভোটের মুখে বিরাট সাফল্য ইডির

    তৃণমূলের বক্তব্য

    মালদা (Malda) উত্তর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “বিজেপির তোলা সমস্ত অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা। নির্বাচনের হতাশা থেকে এই অভিযোগ তুলেছেন।” উল্লেখ্য, এই কেন্দ্রের প্রাক্তন সাংসদ গনি খান চৌধুরীর পরিবারের মৌসম নুর বেনজিরের বিরুদ্ধে তৃণমূল প্রার্থীর প্রচারে খুব একটা অংশ গ্রহণ না করার অভিযোগ উঠেছে। সেই সঙ্গে জেলার স্থানীয় তৃণমূল নেতা-নেত্রীদের যোগদান না করার অভিযোগও রয়েছে। প্রার্থী নিজে বহিরাগত, এমন অভিযোগও উঠছে। ফলে জন সমর্থন এবং দলীয় সমর্থনের ভয়ে প্রশাসনকে কাজে লাগাতে চাইছেন না তো? ওয়াকিবহল মহল এমনটাই মনে করছেন বলা যায়।

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: কাঁটাতারের ওপারের ভোটারদের অধিকারে সরব, লোকসভার প্রচারে নজর কাড়লেন শ্রীরূপা

    Malda: কাঁটাতারের ওপারের ভোটারদের অধিকারে সরব, লোকসভার প্রচারে নজর কাড়লেন শ্রীরূপা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদায় (Malda) অনেক ভোটার কাঁটাতারের ওপারে থেকে নির্বাচনে ভোট দিয়ে থাকেন। নিজেদের প্রার্থীদের কখনই চোখে দেখেননি তাঁরা। নিজেদের অভাব-অভিযোগের কথা বলতেও পারেননি কোনও দিন। দক্ষিণ মালদার বিজেপি প্রার্থী শ্রীরূপা মিত্র লোকসভা ভোটের প্রচার করলেন এই এলাকার মানুষদের উদ্দেশ্যে। প্রচারে নজর কাড়লেন সংবাদ মাধ্যমের। ইতিমধ্যে লোকসভার ভোটের প্রচারে মানুষের মন জয় করতে সবপক্ষ ময়দানে নেমে পড়েছে।

    কী বললেন বিজেপি প্রার্থী (Malda)?

    দক্ষিণ মালদার (Malda) বিজেপি প্রার্থী শ্রীরূপা মিত্র বলেন, “এই কাঁটাতারের ওপারের মানুষদের জীবনকে দুর্বিষহ করার জন্য একমাত্র দায়ী হল কংগ্রেস। আগের সাংসদেরা ভোটে জয়ী হয়ে এলাকার মানুষের কোনও খোঁজ নেননি। নেই স্বাস্থ্য কেন্দ্র, নেই কোনও স্কুল। মানুষকে পেট চালাতে কাঁটাতার পার করে আসতে হয়। এলাকার সাংসদ এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কোনও দিন মানুষের কথা ভাবেননি। মানুষ অভিযোগ কাকেই বা জানাবেন? জনপ্রতিনিধিদের কেউ চোখে দেখেননি সেইসব এলাকার মানুষজন। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘর মেলেনি। আইসিডি সেন্টার নেই। নেই জল জীবন মিশনের জল। স্বাধীন দেশের নাগরিক হয়েও সবরকম সুবিধা থেকে বঞ্চিত তাঁরা।” কাঁটাতারের ওপারের জনগণের এইসকল বঞ্চনার কথা তুলে ধরেন বিজেপি নেত্রী শ্রীরূপা।

    কোন এলাকায় প্রচার করলেন?

    কালিয়াচক (Malda) থানার অন্তর্গত ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া বিস্তীর্ণ এলাকায় কাঁটাতারে ঘেরা এই ভূখণ্ডের মধ্যে একশোর বেশি ভোটার এবং ৩০০ পরিবারে রয়েছে। কাঁটাতারের ওই পার থেকে এসে মানুষকে কাজ করতে হয়। নিয়মিত কাঁটা তারের সীমান্ত খোলা হয়, এরপর মানুষ এসে কাজ করেন। এই এলাকার ভারত ভূ-খণ্ডের মানুষের কাছে সরকারি কোনও প্রকল্পের সাহায্য পৌঁছায়নি বলে এলাকার মানুষ অভিযোগ করেন।

    কংগ্রেসের বক্তব্য

    কংগ্রেস জেলা (Malda) সভাপতি অর্জুন হালদার বলেন, “এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি বিধায়ক হিসাবে কী কাজ করছেন, আগে তার হিসাব দিন। আগে আয়নায় নিজের মুখ দেখা উচিত।” আবার তৃণমূল কগ্রেসের সহ-সভাপতি বলেন, “তিনি শহরের বিধায়ক, শহরের জন্য কী করেছেন আগে জানান। গ্রামে কী করেছেন? আমরাও তো বিরোধী দলে ছিলাম। সেই সময় সিপিএম শাসনে ছিল। তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করে, আবদার করে কাজ করাতাম। বিধায়ক হিসাবে উনি কী করেছেন, আমরাও জানতে চাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: মেলেনি টিকিট, হতাশ হয়ে ঘরবন্দি তৃণমূল নেত্রী মৌসম! জেলাজুড়ে শোরগোল

    Malda: মেলেনি টিকিট, হতাশ হয়ে ঘরবন্দি তৃণমূল নেত্রী মৌসম! জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলের পক্ষ থেকে চরম অসহযোগিতা চোখে পড়েছিল উত্তর মালদার (Malda) তৃণমূল প্রার্থীর প্রচারে। তৃণমূলের লোকসভার প্রার্থী ঘোষণার পর মালদায় প্রচারে বেরিয়ে প্রাক্তন আইপিএস প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কোনও দলের বড় নেতার দেখা মেলেনি। এমনকী জেলার একাধিক জায়গায় দলীয় বৈঠকেও দেখে মেলেনি তৃণমূলের জেলা নেতৃত্বের বড় মুখদের। সব থেকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ মৌসম বেনজির নূর। প্রার্থী ঘোষণার পর বেশ কয়েকদিন কেটে গেলেও এখনও তাঁকে মাঠে ময়দানে দেখা যায়নি। তা নিয়ে জেলাজু়ড়ে চর্চা চলছে।

    চার দেওয়ালে আটকে রেখেছেন তৃণমূল নেত্রী মৌসম (Malda)

    তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণার দিন ব্রিগেডের জনসভায় উপস্থিত ছিলেন মৌসম। আশা ছিল, তালিকায় নাম থাকবে। কিন্তু, তাঁর নাম ঘোষণা হয়নি। এরপরই জনসভা শেষ হওয়ার পর কয়েকদিন জেলার বাইরে ছিলেন তিনি। পরে, জেলায় ফিরলেও কার্যত হতাশ মৌসম। প্রত্যাশিত টিকিট না পেয়ে চার দেওয়ালে আটকে রেখেছেন তৃণমূল নেত্রী মৌসম নূর। শুধু হতাশ নন, কার্যত নিঃসঙ্গ। একলা। মালদার (Malda) কোতোয়ালির বাড়িতে কেমন যেন নিজেকে গুটিয়ে রেখেছেন, সঙ্গে নেই অনুগামীরাও। ভোটের দামামা যেখানে বেজে গিয়েছে, তৃণমূল নেতা কর্মীরা ভোর থেকে রাত পর্যন্ত ব্যস্ত। তৃণমূল প্রার্থী নিজের কেন্দ্রে চষে বে়ড়াচ্ছেন। সেখানে এখনও ঘরেই গুটিয়ে রয়েছেন মৌসম। জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালের নির্বাচনে মালদা উত্তরের তৃণমূল প্রার্থী ছিলেন মৌসম। তবে, বিজেপি-র খগেন মুর্মুর কাছে হারতে হয় তাঁকে। এই বছর দল আর প্রার্থী করেননি। কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে তারপর থেকেই নিজেকে গুটিয়েছেন তিনি। যদিও জেলা জুড়ে এটা গুঞ্জন কংগ্রেসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে গিয়েছিলেন। চেয়েছিলেন কংগ্রেসের উত্তর মালদার প্রার্থী হতে। কিন্তু, মৌসমকে ফিরিয়ে দিয়েছে কংগ্রেস। এরপরেই আরও হতাশ হয়ে ফিরে আসেন মালদায়।

    আরও পড়ুন: ভোটের মুখে টাকা বিলি! নির্বাচনী বিধিভঙ্গ করে বিতর্কে তৃণমূল বিধায়ক

    কী বললেন তৃণমূল নেত্রী মৌসম?

     তৃণমূল নেত্রী মৌসম বলেন, “আমি উত্তর মালদার দুবারের সাংসদ। অবশ্যই আমার প্রত্যাশা ছিল। যেহেতু একই পরিবার থেকে দু’জন দাঁড়িয়েছিলাম সেই কারণে ভোট ভাগাভাগি হয়ে যায়। আমি ভেবেছিলাম এবার টিকিট পেলে জিতব। বিজেপিকে হারাব ভেবেছিলাম। তবে প্রসূণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে দাঁড় করিয়েছে ভাল কথা। দলের একজন সৈনিক হিসাবে সেই সিদ্ধান্তকে মেনে নিতে হবে। আর আমার জ্বর হয়েছিল। সেই কারণেই বাড়িতে ছিলাম। অন্য কোনও বিষয় নয়।” কংগ্রেসের কাছে প্রার্থীর জন্য দরবার প্রসঙ্গে মৌসম বলেন, “এসবই ভিত্তিহীন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: ‘নির্বাচন কমিশনকে বসিয়ে, জলটল দিয়ে দেবেন’, কেষ্টর বুলি মালদার তৃণমূল প্রার্থীর গলায়

    Malda: ‘নির্বাচন কমিশনকে বসিয়ে, জলটল দিয়ে দেবেন’, কেষ্টর বুলি মালদার তৃণমূল প্রার্থীর গলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট আসলেই বিরোধী রাজনৈতিক দলকে নিয়ে অনুব্রত মণ্ডলের গলায় গরমাগরম ডায়গল শোনা যেত। গরু পাচার কাণ্ডে তিনি এখন তিহার জেলে রয়েছেন। কেষ্টকে দেখেও শিক্ষা হয়নি তৃণমূলের নেতাদের। এবার লোকসভা ভোটের প্রচারে মালদা (Malda) উত্তর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখেও কেষ্টর বুলি শোনা গেল। নির্বাচন কমিশনকে রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রাক্তন এই আইপিএস। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই তৃণমূল প্রার্থীর বক্তব্যের বিরোধিতা করে নির্বাচন কমিশনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিজেপি।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল প্রার্থী? (Malda)

    এমনিতেই তৃণমূল প্রার্থীর হয়ে বড় কোনও নেতা প্রচারে নামা শুরু করেননি। বিশেষ করে তৃণমূল নেত্রী মৌসুম বেনজির নূরকে এখনও পর্যন্ত প্রচারে সেভাবে দেখা যায়নি। ফলে, দলের মধ্যে কোন্দল একেবারে সামনে চলে এসেছে। এই অবস্থায় অনুব্রতের মতো গরামগরম বুলি বলে তৃণমূল প্রার্থী বাজিমাত করতে চাইছেন বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। হরিশচন্দ্রপুরে উত্তর মালদার (Malda) তৃণমূল প্রার্থী প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় প্রচারে গিয়েছিলেন। এই প্রসূনকে এক সময় মালদাবাসী পুলিশকর্তা হিসাবে চিনতেন। এবার তিনি ভোটের প্রার্থী। ভোট প্রচারে নেমে প্রসূন কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “প্যারামিলিটারি যদি ভয় দেখায় আমার নাম প্রসূন ব্যানার্জি। ম্যায় হুঁ না। নির্বাচন কমিশনকে বসিয়ে রাখতে হবে এখানে। ভাল করে জলটল দিয়ে দেবেন। ওদের অযত্ন করবেন না। ওনারাও চাকরি করেন। কোনও অযত্ন করবেন না। শুধু বলবেন প্রসূন ব্যানার্জি খেলতে এসেছে। বুটের দপদপানি, একে-৪৭ দিয়ে কোনও লাভ নেই। বুঝে নেবো সব। আইনকানুন, অবজারভার বুঝে নেবে। সকলকে সম্মান দেবেন। প্রতিপক্ষকে সম্মান দেবেন, কাউকে কুকথা বলবেন না।”

    আরও পড়ুন: রচনার কর্মিসভায় গরহাজির বহু তৃণমূল নেতা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    মালদা (Malda) উত্তরের বিদায়ী সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, ” যিনি আজ এখানে ধমকাচ্ছেন, ভাবছেন সকলে ঘরে ঢুকে যাবে। এসব করে কোনও লাভ হবে না। আমরা তৃণমূলের প্রতিটা চমকানো ধমকানো নিয়ে নির্বাচন কমিশনে জানাব।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: ভোট ঘোষণা হতেই জেলায় জেলায় আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    BJP: ভোট ঘোষণা হতেই জেলায় জেলায় আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবারই লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এরইমধ্যে জেলায় জেলায় বিজেপি নেতা কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটতে শুরু করেছে। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে এই হামলা চালানোর অভিযোগ উঠছে। ভোটের মুখে এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতে তৃণমূল এসব করছে বলে বিজেপি (BJP) নেতৃত্বের অভিযোগ।

    বিজেপি কর্মীর দোকানে আগুন (BJP)

    পশ্চিম বর্ধমানের পাণ্ডবেশ্বরে বিজেপি কর্মীর দোকানে আগুন লাগানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, শনিবার গভীর রাতে পাণ্ডবেশ্বরের ১৯ নম্বর বুথের জামাই পাড়ার এবিপিট এলাকায় পাণ্ডবেশ্বর মণ্ডল- ১ এর মহিলা মোর্চার সাধারণ সম্পাদক রীনা ঠাকুরের দোকানে আগুন লাগানো হয়। রীনা দেবী বলেন, ছয় মাস আগে বিজেপি যোগদান করেছি। তারপর থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে আমাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। বিজেপি (BJP) ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জন্য জোর করা হচ্ছে। অন্যথায় বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া এবং প্রাণেও মেরে ফেলারও হুমকি দেওয়া হত। তৃণমূলের সেই দাবি না মানায় আমার দোকানে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। অবিলম্বে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

    ১০০দিনের কাটমানি নেওয়ার প্রতিবাদ করে আক্রান্ত বিজেপি নেতা

    ১০০ দিনের বকেয়া মেটানোর উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। সেই টাকা প্রাপকদের অ্যাকাউন্টে ঢুকলে সঙ্গে সঙ্গে কাটমানি চাওয়া হচ্ছে। রাজ্যের একাধিক জেলায় তৃণমূল নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে। মালদার চাঁচলে যে সব জবকার্ড প্রাপকদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকতে শুরু করেছে, সেখানকার চাঁচলের রায়পাড়া বুথের তৃণমূলের সভাপতি তাপস নুনিয়া কাটমানি দাবি করতে থাকেন। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী তথা বিজেপি (BJP) নেতা সন্তোষ রায় এই অন্যায়ের প্রতিবাদ জানান। এরপরই তৃণমূল নেতার অনুগামীরা তাঁর ওপর চড়াও হয়। এমনকী ধারালো অস্ত্রে মাথায় কোপ মারা হয়। আক্রান্ত বিজেপি নেতা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। যদিও তৃণমূলের ব্লক সভাপতি শেখ আফসার আলি বলেন, এই হামলার সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। দলকে বদনাম করার জন্য এসব করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: উত্তরবঙ্গে আরও শক্তিশালী বিজেপি, সুকান্তর হাত ধরে পাঁচ জেলার মতুয়াদের হল যোগদান

    Sukanta Majumdar: উত্তরবঙ্গে আরও শক্তিশালী বিজেপি, সুকান্তর হাত ধরে পাঁচ জেলার মতুয়াদের হল যোগদান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিএএ লাগু হতেই বাজিমাৎ! লোকসভা ভোটের আগে উত্তরবঙ্গে বিজেপি আরও শক্তিশালী হল। শনিবার বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) হাত ধরে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষেরা বিজেপিতে যোগদান করেন। বালুরঘাটে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপি কার্যালয়ে এদিন উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং সহ বিভিন্ন জেলা থেকে মতুয়া মহা সংঘের কার্যকর্তারা বিজেপিতে যোগদান করেন। বিজেপিতে যোগদানের পর মতুয়া মহাসংঘের উত্তরবঙ্গ জোনের পর্যবেক্ষক জানান, পরবর্তীতে জেলায় মতুয়া ও নমঃশূদ্র সম্প্রদায়ের মানুষজনকে তাঁরা বিজেপির পতাকা তুলে দেবেন। আজকের যোগদানের ফলে উত্তরবঙ্গের মতুয়া সম্প্রদায়ের এবং নমঃ শূদ্র সম্প্রদায়ের ভোট লোকসভায় বিজেপির পক্ষে যাবে তা বলাই বাহুল্য।

    মতুয়াদের যোগদানে আরও শক্তিশালী হল বিজেপি (Sukanta Majumdar)

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, এদিন এই যোগদান কলকাতায় হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, ভোট প্রচারের কারণে জেলায় থাকায় এদিন বালুরঘাটে মতুয়া মহাসঙ্ঘের উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার কার্যকর্তাগণ বিজেপিতে যোগদান করেন। পরবর্তীতে মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষজন জেলায় জেলায় বিজেপিতে যোগদান করানো হবে। এর ফলে দল অনেকটাই শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি এদিন জেলার বিভিন্ন প্রান্তে নানা ধরনের কর্মসূচি অংশ নেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। লোকসভা নির্বাচন ঘোষণার আগেই তৃণমূল সরকারের  বোনাস ঘোষণা প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন,এই মুহূর্তে কোনও পুজো নেই, সামনে হয়তো ইদ আছে। পুজোর বোনাস কেন এখন ঘোষণা করা হল আমি সেটা বুঝতে পারছি না। এইটা হতে পারে যেহেতু সামনে ভোট, ভোটের আগে মানুষকে বোকা বানানোর জন্য এখনই বোনাস ঘোষণা করে দেওয়া হল।

    সন্দেশখালিতে শান্তি ফেরাতে কী বললেন সুকান্ত?

    ভোট ঘোষণার আগেই বাংলায় ঝরল রক্ত! নদিয়ার খুন তৃণমূল কর্মী। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majundar) বলেন, নদিয়া সহ বিভিন্ন এলাকায় এখন তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে। চাপড়ার বিধায়কের সঙ্গে তৃণমূল নেতাদের লড়াই চলছে। আমরা চাই, যে রক্ত শূন্য ভোট হোক। এক ফোঁটা যেন রক্ত না ঝড়ে এই ভোটে। লোকসভা ভোটেও যেন আতঙ্ক পিছু ছাড়ছে না বাংলার। আতঙ্ক নিয়ে রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ সন্দেশখালির মায়েরা। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, সন্দেশখালির মহিলারা তো এখনও অত্যাচারিত হচ্ছেন। তাঁরা তো বলছেন, শেখ শাহজাহান ভেতরে। কিন্তু, তাঁর ভাই সহ দলবল অত্যাচার করে যাচ্ছে। শেখ শাহজাহান ভেতরে যাওয়াতে তাঁরা কোনওভাবে দমেনি। প্রত্যেককে গ্রেফতার করলে সন্দেশখালিতে শান্তি ফিরবে, না হলে শান্তি ফিরবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: “দলের কাউন্সিলররা ভোটে আন্তর্ঘাত করবে”, আশঙ্কা মালদার তৃণমূল প্রার্থীর

    Malda: “দলের কাউন্সিলররা ভোটে আন্তর্ঘাত করবে”, আশঙ্কা মালদার তৃণমূল প্রার্থীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটে রাজ্যের সব কেন্দ্রে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে তৃণমূল। অন্যান্য জেলার মতো মালদা (Malda) দক্ষিণ কেন্দ্রে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে চমক দিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। এবার দলীয় কর্মীদের নিয়ে জোটবদ্ধ হয়ে চুটিয়ে জনসংযোগ করার কথা তৃণমূল প্রার্থীর। এই আবহে মালদা দক্ষিণের তৃণমূল প্রার্থী শাহনওয়াজ আলি রাইহান দলের কাউন্সিলর এবং বিধায়কের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। তাঁদের ভূমিকা নিয়ে তিনি প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছেন। আর এই ঘটনায় তৃণমূলের কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী অভিযোগ করেছেন তৃণমূল প্রার্থী? (Malda)

    দক্ষিণ মালদার (Malda) তৃণমূল প্রার্থী শাহনওয়াজ আলি রাইহান বলেন, তৃণমূল কাউন্সিলররাই ভোটের আগে সমর্থন করেন অন্য দলকে। মালদার ইংরেজবাজারের তৃণমূল কাউন্সিলররা দলীয় প্রার্থীকে জেতানোর বিষয়ে কোনও উদ্যোগই গ্রহণ করছে না। বরং, দলের মধ্যেও হয়ে থাকে অন্তর্ঘাত করার চেষ্টা চলছে। এমনকী দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও বিষয়টি নিয়ে অবগত রয়েছেন। তাঁর সঙ্গে এই বিষয়ে কথা হয়েছে। আসলে এই সব কাউন্সিলররা ভোটে দাঁড়ানোর সময় নিজেরা ভোট করিয়ে নেয়। তখন জেতার জন্য মরিয়া চেষ্টা চালান। আর অন্য ভোটে তাঁদের ভূমিকা ঠিক নয়। বিশেষ করে লোকসভা ভোটে দায়সাড়া কাজ করছেন তাঁরা। শুধুমাত্র ইংরেজবাজার পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলররাই নয়, সুজাপুর বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক আবদুল গণির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। ভোটের কাজে বিধায়কের কোনও সাহায্য ঠিকমতো পাচ্ছেন না বলে তৃণমূল প্রার্থীর অভিযোগ। ভোটের মুখে তাঁর এই বক্তব্য ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। সার্বিক বিষয় নিয়ে অভিষেকের কাছে রিপোর্ট পাঠাবেন তৃণমূল প্রার্থী। তাঁর এই বক্তব্য নিয়ে মুখ খুলছেন না কোনও তৃণমূল নেতা। এলাকার কাউন্সিলররাও কেউ কিছু বলতে চাননি। তবে, এই ঘটনায় তৃণমূল বেশ কিছুটা ব্যাকফুটে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share