Tag: Malda

Malda

  • Malda: ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় ছাত্রীর গলায় ছুরি মারল যুবক! এলাকায় উত্তেজনা 

    Malda: ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় ছাত্রীর গলায় ছুরি মারল যুবক! এলাকায় উত্তেজনা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় শাস্তি মিলল এক স্কুল ছাত্রীর। প্রকাশ্যে ছুরি চালিয়েছে যুবক। ঘটনা ঘটেছে মঙ্গলবার দুপুরে মালদায়। যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে যে স্কুল থেকে ফেরার সময় রাস্তায় ওই যুবক সহপাঠীদের সামনে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীর গলায় রীতিমতো ছুরি চালায়। এরপর চিৎকারে স্থানীয় মানুষ ছুটে এলে আক্রমণকারী যুবক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এরপর আহত ছাত্রীকে দ্রুত মালদহ (Malda) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে মেয়েটি খুব আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    পুলিশের বক্তব্য (Malda)

    প্রাথমিক তদন্ত করে মালদা (Malda) পুলিশ জানিয়েছে যে খারাপ কথা বলার প্রতিবাদ করায় মেয়েটিকে আক্রমণের শিকার হতে হয়। এই দৃশ্য রাস্তায় থাকা সিসিটিভির ভিডিও ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যে ঘটনার ছবি এবং ভিডিও সংগ্রহ করে অভিযুক্ত যুবকের পরিচয় প্রকাশ করেছে। অভিযুক্ত যুবকের নাম উজ্জ্বল মণ্ডল। তার বয়স ২৩। ওই স্কুলের পাশেই থাকে সে। পুলিশ তার সন্ধানে এলাকায় তল্লাশি অভিযানে নেমেছে। ঘটনায় ওল্ড মালদার মহিষবাথানি গ্রাম পঞ্চায়েতের আটমাইল এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

    সহপাঠীদের বক্তব্য

    স্কুলের (Malda) সহপাঠীরা পুলিশকে জানিয়েছেন, স্কুলে যেতে আসতে রোজ আহত ছাত্রীকে খারাপ ভাষায় বিরক্ত করত যুবকটি। অভিযুক্ত যুবক উজ্জ্বল নিজে প্রথমে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। কিন্তু প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় রোজ তাকে উত্যক্ত করত। এই অভব্য আচরণের বিরুদ্ধে মেয়েটি প্রতিবাদ করে। আক্রান্ত আরও এক সহপাঠী বলে, “ঘটনার দিন আমরা প্রত্যেক দিনের মতো স্কুল ছুটির পর রাস্তা দিয়ে পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরছিলাম। ওই যুবক রাস্তায় লুকিয়ে ছিল। এরপর আচমকা সামনে এসে দাঁড়ায় এবং একটি চাকু বের করে গলায় আঘাত করে। পরপর বেশ কয়েকটি আরও চাকুর আঘাত করে। এরপর আমরা ভয়ে চিৎকার করি। রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে যায় মেয়েটি। আর ঘটনায় চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসেন। ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিরা। ঘটনা দেখে সকলেই স্তম্ভিত হয়ে যান।”

    স্কুল শিক্ষিকার বক্তব্য

    এই স্কুলের (Malda) প্রধান শিক্ষিকা সায়নী সাহা বলেন, “অভিযুক্ত যুবকের বাড়ি স্কুলের পাশেই। বেশ কয়েক দিন ধরে মেয়েটিকে ওই যুবক বিরক্ত করছিল। প্রতিবাদ করাতেই তাকে এই ভাবে আক্রমণ করে। আমরা পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি। যুবকের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি চাই।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: হাত দিলেই ভেঙে যাচ্ছে পিলার! স্কুলে লক্ষ লক্ষ টাকার দুর্নীতির অভিযোগ

    Malda: হাত দিলেই ভেঙে যাচ্ছে পিলার! স্কুলে লক্ষ লক্ষ টাকার দুর্নীতির অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুল তৈরিতে নিম্নমানের জিনিস ব্যবহার করে লক্ষ লক্ষ টাকা লুঠের অভিযোগে তীব্র শোরগোল পড়েছে মালদায় (Malda)। নির্মাণের জন্য যে লোহার রড বা সিমেন্ট ব্যবহার করা হয়ছে তা অত্যন্ত নিম্নমানের। হাত দিতেই ভেঙে যাচ্ছে স্কুলের নতুন ভবনের অংশ বিশেষ। ফলে নির্মীয়মাণ স্কুল ঘর, ক্লাস ঘর, ছাত্র-ছাত্রী জন্য কতটা সুরক্ষিত? তাই নিয়েই অভিযোগ উঠেছে এলাকার মানুষের। ঘটনা ঘটেছে মনিকচক ব্লকের দক্ষিণ চণ্ডীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ব্রজলালটোলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

    মানুষ ক্ষিপ্ত হয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে(Malda)

    স্কুলে ভেঙে পড়ছে দেওয়াল, কঙ্কালসার ছাদ আবার কোথাও গাছতলায় চলছে ক্লাস। সম্প্রতি এই ধরনের খবরের কথা সংবাদ মাধ্যমের শিরোনাম হয়েছে। প্রাথমিক, মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক স্কুলের একই অবস্থা। এমন কী প্রশাসনের কাছে জানিয়েও কোনও রকম ভাবে সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। কার্যত একই চিত্র দেখা গিয়েছে মালাদা (Malda) জেলাতেও। স্কুলের ভবন নির্মাণের জন্য ২৩ লক্ষ টাকা এসেছে। অথচ স্কুলের নির্মীয়মাণ ঘরের পিলার, দেওয়ালে হাত দিলেই ভেঙে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এলাকার মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ টাকাকে সঠিক ভাবে ব্যবহার না করে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। আর এই দুর্বল নির্মাণের মধ্যে পড়ুয়াদের পাঠানো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এরপর এলাকার মানুষ ক্ষিপ্ত হয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। সেই সঙ্গে দাবি করা হয়েছে প্রশাসনিক তদন্তেরও।

    গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যের বক্তব্য

    এলাকার (Malda) গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য অচিন্ত্য মণ্ডল তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “নির্মাণ কাজে খুবই খারাপ সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে। হাত দিলে ভেঙে যাচ্ছে পিলারের অংশ। আমরা সকলে স্থানীয়রা প্রতিবাদ করে কাজ বন্ধ করে দিয়েছি। বিডিও-র কাছে লিখিত ভাবে অভিযোগ জানিয়ে তদন্তের কথা বলেছি।” অপরদিকে স্কুলের প্রধান শিক্ষক অরুণ মণ্ডল জানিয়েছেন, “সঠিক ভাবে কাজ হোক। আমরা ঊর্ধবতন কর্তৃপক্ষের কাছে জানিয়েছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: রাজ্যে ফের মধ্যযুগীয় বর্বরতা, ডাইনি অপবাদে ঘর পোড়াল দুষ্কৃতীরা

    Uttar Dinajpur: রাজ্যে ফের মধ্যযুগীয় বর্বরতা, ডাইনি অপবাদে ঘর পোড়াল দুষ্কৃতীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ফের মধ্যযুগীয় বর্বরতার চিত্র ধরা পড়ল। ডাইনি অপবাদ দিয়ে এক আদিবাসী দম্পতির ঘর জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর (Uttar Dinajpur) জেলার রায়গঞ্জ থানার অন্তর্গত পানিশালা এলাকার ধোঁয়াবিশুয়া গ্রামে। উল্লেখ্য, আগেও দুই মহিলকে বিবস্ত্র করে মারধরের ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছিল মালদা জেলায়। 

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Uttar Dinajpur)?

    স্থানীয় (Uttar Dinajpur) সূত্রে জানা গিয়েছে, আদিবাসী ওই দম্পতির নাম সোম মার্ডি ও সাংজু মুর্মু। বেশ কিছুদিন ধরেই তাঁদেরকে ডাইনি অপবাদ দিয়ে কিছু দুষ্কৃতী প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিল বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় গ্রামের মাতব্বরদের জানালে এক দফা সালিশি সভাও হয়। সেখানে কোনও মীমাংসা না হুওয়ায় হুমকি অব্যাহত ছিল। এরপরেই গত ৬ জানুয়ারি রাতে তাঁদের ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা৷

    কোনও মতে প্রাণে রক্ষা দম্পতির

    তাঁদের বাড়িতে (Uttar Dinajpur) আগুন ধরিয়ে দিলে চিৎকারে ছুটে আসে পাড়া-প্রতিবেশীরা। কোনও মতে প্রাণে রক্ষা পান ওই দম্পতি। কিন্তু আগুনে বসতভিটে ভস্মীভূত হয়ে যাওয়ার সঙ্গে নগদ ২০ হাজার টাকাও পুড়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ। ফলে এই তীব্র শীতে বাড়িঘর খুইয়ে খোলা আকাশের নীচে দিন কাটাচ্ছে আদিবাসী পরিবারটি।

    থানায় অভিযোগ দায়ের

    কে বা কারা এই ঘটনা ঘটাল, তা স্পষ্ট জানা না গেলেও আক্রান্ত দম্পতি বেশ কয়েকজনের নামে রায়গঞ্জ (Uttar Dinajpur) থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এদের নাম মংলু মার্ডি, বুধু মার্ডি, সুপ্রণ মার্ডি, জেঠা মার্ডি৷ রাতের অন্ধকারে ঘরে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে মারার জন্যই এই ঘটনা পরিকল্পনা করে ঘটানো হয়েছে বলে অভিযোগ আক্রান্ত দম্পতির। যদিও ঘটনার পরেই গা ঢাকা দিয়েছে অভিযুক্তরা।

    আদিবাসী দম্পতির বক্তব্য

    উত্তর দিনাজপুরের পেশায় কৃষক সোম মার্ডি বলেন, “মাস দুয়েক হল ডাইনি অপবাদ দিয়ে ঘরছাড়া করার চেষ্টা চালাচ্ছে আমাদের কয়েকজন আত্মীয়। একাধিকবার আমাকে প্রাণে মারার হুমকিও এসেছে। এবারে বাড়িতে আগুন লাগিয়েছে ওরা। কীভাবে পরিবার নিয়ে বসবাস করব, তা নিয়ে দুশ্চিন্তা হচ্ছে।” আবার সোম মার্ডির স্ত্রী সাংজু মুর্মু বলেন, “রাতের অন্ধকারে দুষ্কৃতীরা এসে বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। কোনও ক্রমে প্রাণে বেঁচে গিয়েছি। সোনা-গয়না, নগদ টাকা, জরুরি কাগজপত্র সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। কীভাবে আমরা এলাকায় বাস করব, তা চিন্তা করেই কুলকিনারা পাচ্ছি না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: গৌড়বঙ্গে নেট পরীক্ষার সেন্টারের দাবিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দ্বারস্থ হচ্ছেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: গৌড়বঙ্গে নেট পরীক্ষার সেন্টারের দাবিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দ্বারস্থ হচ্ছেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি টেস্ট বা নেট পরীক্ষার সেন্টার মালদায় করার দাবিতে সরব হয়েছেন গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও (Sukanta Majumdar) উদ্যোগ নিয়েছেন। এনিয়ে তিনি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে লিখিতভাবে জানাতে চলেছেন।

    দুবছর আগেও মালদার সেন্টারে হত নেট পরীক্ষা

    কলেজে অধ্যাপনা ও উচ্চশিক্ষার জন্য নেট পরীক্ষা আবশ্যক। বছরে দু’বার করে এই পরীক্ষা হয়। দু’বছর আগেও পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা, মুর্শিদাবাদ, মালদা ও শিলিগুড়িতে নেট পরীক্ষা নেওয়া হত। গৌড়বঙ্গের পরীক্ষার্থীদের জন্য মালদার একটি পরীক্ষার কেন্দ্রে এই পরীক্ষা নেওয়া হত। তবে, ২০২২ সালের পর থেকে গৌড়বঙ্গে আর কোনওরকম পরীক্ষা কেন্দ্র রাখা হয়নি। শুধুমাত্র গৌড়বঙ্গ নয়, মুর্শিদাবাদেও কোনওরকম পরীক্ষা কেন্দ্র নেই। বর্তমানে কলকাতা ও শিলিগুড়িতে নেট পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। গৌড়বঙ্গে তিন জেলা মিলিয়ে প্রায় ১৫-২০ হাজার পরীক্ষার্থী নেট পরীক্ষায় বসেন। মালদায় পরীক্ষা কেন্দ্র হলে দুই দিনাজপুর ও মালদার পরীক্ষার্থীদের সুবিধা হত। গত দুবছর ধরে তা বন্ধ রয়েছে। ফলে, গৌড়বঙ্গের পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা দিতে হয় কলকাতা অথবা শিলিগুড়িতে যেতে হচ্ছে। পরীক্ষার দু-তিন দিন আগে পরীক্ষা কেন্দ্র জানানো হয়। যার ফলে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে যেতে সমস্যায় পড়তে হয়। পরীক্ষা দিতে গিয়ে থাকা খাওয়া ও যাওয়াটা ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে। তাই, পড়ুয়ারা সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) দ্বারস্থ হয়েছেন।

    পরীক্ষার্থীদের কী বক্তব্য?

    এবিষয়ে বালুরঘাটের নেট পরীক্ষার্থী প্রদ্যুৎ মণ্ডল বলেন, বালুরঘাট থেকে কলকাতা বা শিলিগুড়িতে গিয়ে পরীক্ষা দেওয়াটা অনেকটাই ব্যয়বহুল। আগের মতো মালদাতে যদি একটি পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়, তাহলে পরে আমাদের জেলার পরীক্ষার্থীদের সুবিধা হবে। এবিষয়ে নেট পরীক্ষার্থী অসীম বর্মন বলেন, বছরে দুবার করে নেট পরীক্ষা হয়। একটা সময় মালদায় পরীক্ষা কেন্দ্র ছিল। এখন আর মালদায় পরীক্ষা হয় না। গৌড়বঙ্গে যদি পরীক্ষার কেন্দ্র হয়, তাহলে আমাদের মতো সকলের সুবিধা হবে।

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি কী বললেন? (Sukanta Majumdar)

    এবিষয়ে বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। গৌড়বঙ্গের পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে গৌড়বঙ্গের তিন জেলার যে কোনও একটিতে যাতে পরীক্ষা কেন্দ্র করা হয়, তার জন্য কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে চিঠি দেব। প্রয়োজনে এনিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: লোকসভার আগে বিজেপির প্রচার শুরু, জেলায় ঘুরবে “মোদি গ্যারান্টি ভ্যান”

    Malda: লোকসভার আগে বিজেপির প্রচার শুরু, জেলায় ঘুরবে “মোদি গ্যারান্টি ভ্যান”

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই লোকসভার ভোট। ময়দানে বিজেপি নেমে পড়েছে। ভোটারদের মন জয় করতে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধার কথা প্রচার করার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে দেশ জুড়ে। এবার মালদায় (Malda) লোকসভা ভোটের আগে তাই সাধারণের কাছে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পের প্রচার তুলে ধরতে উদ্যোগী বিজেপি। প্রতিটি লোকসভায় ঘুরবে ট্যাবলো। যার নাম দেওয়া হয়েছে “মোদি গ্যারান্টি ভ্যান”। আজ শুক্রবার মালদহ উত্তরে এই ট্যাবলোর সূচনা করেন মালদা উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। উপস্থিত ছিলেন বিজেপি বিধায়ক ও জেলা নেতৃত্ব।

    ট্যাবলোয় পাওয়া যাবে আবেদনপত্র (Malda)

    আগামী এক মাসেরও বেশি সময় মালদার বিভিন্ন গ্রামাঞ্চল এবং শহরে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্প সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার কাজ করা হবে। একই সঙ্গে প্রচার চালানো হবে এই গ্যারান্টি ভ্যান থেকে। এছাড়া কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পে নাম নথিভুক্তকরণের জন্য আবেদনপত্র পাওয়া যাবে এই প্রচার ভ্যানেই। এর ফলে সাধারণ বহু মানুষ উপকৃত হবেন বলে দাবি করেছেন মালদা উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু।

    কী বললেন খগেন মুর্মু?

    মালদা উত্তর লোকসভার সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, “এই গাড়ি হল মোদি গ্যারান্টি ভ্যান। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মুখে যা বলেন, বাস্তবে তাই করে দেখান। গত নয় বছরে কী কী প্রকল্প নেওয়া হয়েছে, সাধারণ মানুষের কাছে কীভাবে এই সুযোগ পৌঁছাবে, সেই কথা এই গাড়িতে প্রচার করা হবে। দেশের পিছিয়ে থাকা দলিত সাধারণ মানুষ কীভাবে উন্নয়নের পথে ভারতকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন, সেই কথাও এলাকায় এলাকায় ঘুরে প্রচার করা হবে। স্বনির্ভর ভারত, আত্মনির্ভর ভারত গড়তে গেলে এই মোদির গ্যারান্টি একান্ত প্রয়োজন। যদি কেউ কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকেন, তাহলে সরাসরি আবেদন করতে পারবেন। আজ মালদায় দুটি গাড়ি এসেছে। আগামীতে আরও গাড়ি আসবে। সারা দেশ জুড়ে ২০০০ এর বেশি গাড়ি মোদির গ্যারান্টি নিয়ে প্রচার করছে। নয় বছরের সরকারের কাজে প্রকল্প এখনও যাঁরা জানেন না, তাঁদের কাছে পৌঁছানোই এই প্রচারের একমাত্র লক্ষ্য।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hiran Chatterjee: পুলিশকে তৃণমূলের ‘গুন্ডা’ বলে আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিলেন হিরণ

    Hiran Chatterjee: পুলিশকে তৃণমূলের ‘গুন্ডা’ বলে আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিলেন হিরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন বিজেপির রাজ্য যুব মোর্চার ইনচার্জ তথা বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায় (Hiran Chatterjee)। দলের নেতার সঙ্গে পুলিশ অমানবিক আচরণ করায় কার্যত ক্ষোভ উগরে দেন যুব মোর্চার এই নেতা। পুরাতন মালদার সেতু মোড়ে সাংবাদিক বৈঠকে পুলিশকে আক্রমণ করেন তিনি। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলায় দলীয় নেতা-কর্মীরা মনোবল ফিরে পেয়ে গিয়েছে।

    যুব মোর্চার নেতাকে অমানবিক অত্যাচার চালায় পুলিশ!

    গত, ২৫ ডিসেম্বর গাজলের শহিদপুর মোড়ের বাড়ি থেকে যুব মোর্চার জেলার সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত মাহাতকে মোটর বাইক চুরির অপবাদ দিয়ে তাঁর উপরে অমানবিক অত্যাচার চালায় পুলিশ। এমনই অভিযোগ বিজেপি নেতা-কর্মীদের। পুলিশের মারে অচৈতন্য হয়ে পড়েন বিজেপির এই যুব মোর্চার নেতা। গাজল গ্রামীণ হাহপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়। তবে, সরকারি হাসপাতালে শারীরিক নির্যাতনের কথা উল্লেখ থাকলেও পুলিশ যে হামলা চালিয়েছে তা অভিযোগে কোথাও লেখা হয়নি বলে সরব হন বিজেপি নেতৃত্ব। প্রশান্তকে পাশে নিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন যুব মোর্চার রাজ্য নেতা (Hiran Chatterjee)।

    কী বললেন বিজেপির রাজ্য যুব মোর্চার ইনচার্জ? (Hiran Chatterjee)

    দলীয় নেতাকে মোটর বাইক চুরির মিথ্যে অপবাদ দিয়ে মারধরের অভিযোগ তুলে পুলিশকে ‘গুন্ডা’ বলে আক্রমণ করলেন বিজেপির রাজ্য যুব মোর্চার ইনচার্জ হিরণ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, যুব মোর্চার উপর অত্যাচার করে কর্মীদের মনোবল ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করছে পুলিশ। তৃণমূলের দলদাস পুলিশ। তাই, পুলিশ গুন্ডার মতো কাজ করছে। আমাদের নেতাকে নৃশংসভাবে থানায় নিয়ে গিয়ে পুলিশ মারধর করেছে। এরই প্রতিবাদে আমরা আগামীদিন আন্দোলন শুরু করব। এছাড়া রাজ্যের ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল সলমন খানের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর নাচ নিয়েও কটাক্ষ করেন তিনি। তিনি বলেন, সলমন খান রাজ্যের পরিস্থিতি জানলে তিনি নাচা তো দূরের কথা বাংলাতেই আসতেন না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dacoits: মালদার সোনার দোকানে ডাকাতিতেও বিহার-যোগ! পুলিশ কাউকে ধরতেই পারল না

    Dacoits: মালদার সোনার দোকানে ডাকাতিতেও বিহার-যোগ! পুলিশ কাউকে ধরতেই পারল না

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫ মিনিট ৩ সেকেন্ডে মালদার চাঁচলে সোনার দোকানে সর্বস্ব লুট করে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। ঘটনার পর দু’দিন পেরিয়ে গেলেও ডাকাতির (Dacoits) কিনারা করতে পারেনি পুলিশ। দোকানের ম্যানেজারের দাবি, যে পরিমাণ সোনার অলঙ্কার দুষ্কৃতীরা লুট করেছে, তার মূল্য কোটি টাকারও বেশি। আর সিসি ক্যামেরা দেখে দুষ্কৃতীদের চেনার চেষ্টা করা হলেও সকলেই হেলমেট পরে থাকায় তাদের চিনতে বেগ পেতে হচ্ছে পুলিশ কর্তাদের। চাঁচলে ডাকাতির ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভপ্রকাশ করে ইতিমধ্যেই থানা ঘেরাও করে বিজেপি। দুষ্কৃতীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানান বিজেপি নেতারা।

    ডাকাতির ঘটনায় বিহার-যোগ (Dacoits)  

    গত কয়েক মাসের মধ্যে রাজ্যে একের পর এক ডাকাতির (Dacoits)  ঘটনা ঘটেছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ডাকাতদলের টার্গেট সোনার গয়নার দোকান। নদিয়ার রানাঘাট এবং পুরুলিয়া শহরে সেনকো গোল্ডের শোরুমে ডাকাতিতেও বিহার-যোগ পাওয়া গিয়েছিল। বারাকপুরে সোনার দোকানে ঢুকে দোকানের মালিকের ছেলেকে খুন করেছিল দুষ্কৃতীরা। সেই ঘটনায় বিহার-যোগ পেয়েছিল পুলিশ। মালদার ডাকাতির ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, বিহারের গ্যাং এই ডাকাতির ঘটনায় যুক্ত। সঙ্গে স্থানীয় দুষ্কৃতীরা রয়েছে। দুষ্কৃতীদের ধরতে পুলিশ তল্লাশি শুরু করেছে।

    পুলিশের ভূমিকায় সন্তুষ্ট নন সোনার দোকানের মালিক

    চাঁচলের আগেই মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে সোনার দোকানে ডাকাতির (Dacoits) ঘটনা ঘটেছিল। মাসখানেকের মধ্যে ফের সেই সোনার দোকান লুট হওয়ায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। দোকানের মালিক তথা চাঁচল ব্যবসায়ী সমিতির কর্মকর্তা কর্ণ বিশ্বাস বলেন, এক মাসের ব্যবধানে চাঁচল এবং হরিশ্চন্দ্রপুরে পর পর ডাকাতির ঘটনা ঘটল। দুটোই সোনার দোকানে। এখানে পুলিশের ভূমিকায় আমরা সন্তুষ্ট নই। ডাকাতদল পালিয়ে যেতে পুলিশ ঘটনাস্থলে এল, এটাও কেন হবে? থানা থেকে এই বাজার তো ঢিল ছোড়া দূরত্বে। এখনও পর্যন্ত পুলিশ কাউকে ধরতেও পারল না।

    জেলা পুলিশ সুপার কী বললেন?

    মালদা জেলার পুলিশ সুপার প্রদীপকুমার যাদব বলেন, কত টাকার অলঙ্কার লুট হয়েছে, তা ওই দোকানের মালিকের সঙ্গে কথা বলার পর পরিষ্কার করে বলা যাবে। ইতিমধ্যে সিসিটিভির ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: শাসক দলের পঞ্চায়েত সদস্যকে হাঁসুয়ার কোপ! অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    Malda: শাসক দলের পঞ্চায়েত সদস্যকে হাঁসুয়ার কোপ! অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে তৃণমূলের এক  নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্যকে হাঁসুয়া দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর জখম হয়েছেন তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যের বাবা। ঘটনাটি ঘটেছে মালদার (Malda) মোথাবাড়ি থানার উত্তর পঞ্চানন্দপুর এলাকায়। আক্রান্ত পঞ্চায়েত সদস্যের নাম রথীন সরকার এবং তাঁর বাবার নাম শ্যামল সরকার। এই ঘটনায় আক্রান্ত পঞ্চায়েত সদস্য হামলাকারী তৃণমূল নেতা বাপি সরকার ও তাঁর দলবলের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    আক্রান্তকারী পুলিশকে কী বললেন? (Malda)

    আক্রান্ত তৃণমূল নেতার বাড়ি মালদার (Malda) মোথাবাড়ি থানার উত্তর পঞ্চানন্দপুর এলাকায়। পুলিশকে অভিযোগকারী আক্রান্ত তৃণমূল নেতা রথীন সরকার বলেন, ‘এলাকায় দলীয় একটি কর্মসূচির জন্য ফ্ল্যাগ ও ফেস্টুন টাঙানোর কাজ চলছিল। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে আমিও সেখানে ছিলাম। সেই সময় তৃণমূল নেতা বাপি সরকার তাঁর দলবল নিয়ে এসে গোলমাল শুরু করেন। প্রতিবাদ করলে হাঁসুয়া দিয়ে আমার ওপর হামলা চালান। মাথায় কোপ মারতে গেলে হাত দিয়ে আটকানোর চেষ্টা করি। আমার বাবা ঘটনাটি দেখতে পেয়ে ছুটে আসে। ওরা বাবাকেও মারধর করে। তারপর আমার চিৎকার শুনে স্থানীয় তৃণমূলের কার্যালয় থেকে কর্মীরা ছুটে আসলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পুরো বিষয়টি নিয়ে হামলাকারী বাপি সরকার ও তাঁর ভাই টনি সরকার-সহ দলবলের বিরুদ্ধে মোথাবাড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।’

    হামলাকারী কী সাফাই দিলেন?

    এদিকে যার বিরুদ্ধে অভিযোগ সেই তৃণমূল নেতা বাপি সরকার বলেন,’ঘটনাটি মিথ্যা। এরকম কোনও ঘটনা ঘটেনি। বরং, রাস্তা ঘিরে ওরা কাজ করছিল। প্রতিবাদ করাতেই পাল্টা তৃণমূলের নির্বাচিত পঞ্চায়েতে সদস্যের দলবল আমার ওপর হামলা চালায়। মোথাবাড়ি থানায় অভিযোগ জানিয়েছি।’

    জেলা নেতৃত্ব কী বললেন?

    তৃণমূলের মালদা (Malda) জেলা সহ- সভাপতি দুলাল সরকার বলেন, ‘অন্যায়ভাবে দলের এক নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্যের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে বলা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dacoits: বারাকপুর, রানাঘাটের পর মালদা! ফের টার্গেট সোনার দোকান, ৫ মিনিটে সর্বস্ব লুট

    Dacoits: বারাকপুর, রানাঘাটের পর মালদা! ফের টার্গেট সোনার দোকান, ৫ মিনিটে সর্বস্ব লুট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাকপুর, রানাঘাট, খড়্গপুরে ডাকাতির (Dacoits) পর আবারও টার্গেট সেই সোনার দোকান। এবার দুষ্কৃতীরা হানা দিল মালদার চাঁচলে। সোনার দোকানে ঢুকে পাঁচ মিনিট ৩ সেকেন্ডের মধ্যে সব কিছু লুট করে নিয়ে পালাল দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ইতিমধ্যে নানা জায়গায় ডাকাতদলের খোঁজ শুরু হয়েছে। তবে, মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত তাদের কোনও সন্ধান মেলেনি।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Dacoits)

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মালদার চাঁচলে সোনার গয়নার দোকানের সামনে দুটি বাইক এসে দাঁড়ায়। প্রত্যেকের মাথায় হয় হেলমেট নয়তো হনুমান টুপি ছিল। প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে নিয়ে দোকানে হুড়মুড়িয়ে ঢোকে। সিসিটিভিতে দেখা যাচ্ছে, সময় তখন সন্ধ্যা ৬টা বেজে ৪৭ মিনিট। পাঁচ ডাকাত দোকানের ভিতরেই দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। ক্যাশ মেমো ছুড়ে ফেলছে। কখনও গয়নার বাক্স, কখনও হাতে থাকা বন্দুকের বাঁট দিয়ে দোকানের কর্মচারীদের মারধর করছে। কেউ সামান্য বাধা দিলেই চলছে মার। তার মধ্যে এক ডাকাতকে দেখা যায় গয়নার শো-কেসে হামাগুড়ি দিয়ে উঠে যেতে। একের পর এক গয়নার বাক্স পেড়ে আনে সে। আর এক জন সেগুলো ঝটপট বাজারের ব্যাগে ঢোকাতে শুরু করে। স্থানীয় লাল্টু মুখোপাধ্যায় নামে এক ব্যবসায়ী বাধা দিতে গেলে দুষ্কৃতীরা গুলিও ছোড়ে। পরে, আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে পালিয়ে যায় ডাকাতদল (Dacoits)। ইতিমধ্যে সিসিটিভি দেখে ডাকাতদলকে চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। তবে তাঁদের মুখ হেলমেট আর হনুমান টুপিতে ঢাকা থাকায় অসুবিধায় পড়েছেন তদন্তকারীরা।

    স্থানীয় ব্যবসায়ীরা কী বললেন?

    রাজ্য জুড়ে বার বার ডাকাতির (Dacoits) ঘটনা ঘটলেও পুলিশ তাতে লাগাম টানতে পারছে না। আর পুলিশের উদাসীনতার জন্যই বার বার ডাকাতির ঘটনা ঘটছে। সোনার দোকানের কাছেই থানা। তারপরই ডাকাতদল আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে যেভাবে সোনার দোকানে লুট করে পালাল, তাতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তবে এমন ডাকাতির ঘটনায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে। ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, পুলিশের কড়া নজরদারি থাকলে এই ধরনের ঘটনা ঘটত না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: মানিকচকে পুকুরপাড় থেকে শতাধিক রেশন কার্ড উদ্ধার! দুর্নীতির আরও এক চক্র?

    Malda: মানিকচকে পুকুরপাড় থেকে শতাধিক রেশন কার্ড উদ্ধার! দুর্নীতির আরও এক চক্র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার (Malda) মানিকচকে পুকুরপাড় থেকে উদ্ধার শতাধিক রেশন কার্ড! ঘটনাটি ঘটেছে মানিকচক গ্রাম পঞ্চায়েত ভবনের সংলগ্ন পুকুরে। মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাটি সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গেছে এলাকায়। উদ্ধার হয়েছে ১০৫টি রেশন কার্ড। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান বিডিও। কীভাবে এই কার্ড এলো, তারই তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    উল্লেখ্য রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে তৃণমূলের বর্তমান বনমন্ত্রী তথা প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এবং মন্ত্রীঘনিষ্ঠ বাকিবুর রহমানকে গ্রেফতার করেছে ইডি। ফের রেশন কার্ড উদ্ধার হওয়া প্রশাসন প্রশ্নের মুখে। অনেকেরই মনে প্রশ্ন জেগেছে, এটা রেশন দুর্নীতির আরও এক চক্র নয়তো? 

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Malda)?

    মঙ্গলবার সকালেই হঠাৎ মানিকচকের (Malda) পঞ্চায়েত দফতরের পাশে পুকুরের পাড়ে প্রচুর রেশন কার্ড উদ্ধারে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা শুরু হয়। পাশপাশি খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন বিডিও। এরপর এলাকার মানুষ একত্রিত হয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে।

    এলাকার মানুষের বক্তব্য

    মানিকচকের (Malda) স্থানীয় মানুষ অভিযোগ জানিয়ে বলেন, “এই রেশন কার্ড উদ্ধার ব্যাপক চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রশাসনের গাফিলতির কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে। রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক গ্রেফতার হয়েছেন। আবার অপর দিকে এই ভাবে রেশন কার্ডও উদ্ধার হয়েছে। পুরোটাই দুর্নীতির অংশ।”

    বিডিওর বক্তব্য

    মানিকচকের (Malda) বিডিও কারমবীর কেশব বলেন, “এই বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য একটি কমিটি তৈরি করা হয়েছে। কমিটি খতিয়ে দেখবে কার্ডগুলির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে কি না। যতদূর মনে হচ্ছে এই কার্ডগুলি ২০১৩ এবং ২০১৫ সালের। হয়তো নতুন কার্ড ইস্যু হয়েছে, তাই পুরাতন কার্ড বাতিল করা হয়েছে। কোনও বড় পরিকল্পনা রয়েছে কিনা সেই বিষয়ে সন্ধান করে দেখা হচ্ছে। এক্সেল শিট তৈরি করে সব কার্ডের নাম মিলিয়ে দেখা হবে। ব্লকের তরফ থেকে একটি বিশেষ কমিটিও গঠন করা হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share