Tag: Mamata Banerjee

Mamata Banerjee

  • Calcutta High Court: ‘ডবল স্ট্যান্ডার্ড আচরণ’! রাজ্যকে তোপ হাইকোর্টের, চিকিৎসকদের ধর্নাকে অনুমতি

    Calcutta High Court: ‘ডবল স্ট্যান্ডার্ড আচরণ’! রাজ্যকে তোপ হাইকোর্টের, চিকিৎসকদের ধর্নাকে অনুমতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কাউকে হ্যাঁ বলবেন, কাউকে না বলবেন… ডবল স্ট্যান্ডার্ড আচরণ, কেন?” মমতা (Mamata Banerjee) প্রশাসনকে কড়া ভাবে ভর্ৎসনা করলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। এদিন একটি মামলার শুনানিতে ধর্না কর্মসূচিতে অনুমতি দিয়েছেন তিনি। আগামী ২০ থেকে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ধর্মতলা ডোরিনা ক্রসিং-এর ৫৫ ফুট জায়গা ছেড়ে চিকিৎসকদের ধর্নায় বসার অনুমতি দিয়েছেন। সেই সঙ্গে নির্দেশ দেন মানতে হবে একাধিক শর্ত।

    জায়গা কারও জন্য নয় বিজ্ঞপ্তি জারি করুন (Calcutta High Court)

    রাজ্যের যে কোনও বিরোধী দল বা সামজিক সংগঠন হোক না কেন, শাসক দলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা করতে গেলে পুলিশ প্রশাসন অনুমতি যে দেয় না তা এই রাজ্যের এখন অলিখিত নিয়ম। একই ভাবে অনুমোদনের জন্য বিচার ব্যবস্থার কাছে দ্বারস্থ হতে হবে এটাও জেনে গিয়ে বিরোধী দল বা সংগঠনগুলি। ন্যায় বিচার সহ একাধিক দাবিতে জয়েন্ট ডক্টর্স প্ল্যাটফর্মের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ সভা করতে চেয়েছিলেন প্রতিবাদী চিকিৎসকরা। কিন্তু প্রশাসন অনুমতি না দিলে মামলা গড়ায় হাইকোর্টে। এরপর রাজ্য সরকারের বক্তব্য শোনার পর হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ রাজ্য সরকারকে তোপ দেগে বলেন, “কারও জন্য একরকম মনোভাব আর অন্যজনের জন্য আলাদা মনোভাব, এটা চলবে না। আপনি একটা বিজ্ঞপ্তি জারি করুন, জানিয়ে দিন এই জায়গা কারও জন্য নয়। আপনারা কারও জন্য ‘হ্যাঁ’ বলবেন, কারও জন্য ‘না’ বলবেন, এটা হয় না। এভাবে ডবল স্ট্যান্ডার্ড আচরণ করলে হবে না। আমি যদি ২০ ফুট জায়গা দিই তাও ট্রাফিকের সমস্যা হবে।”

    আরও পড়ুনঃ অসম-বাংলায় স্লিপার সেল তৈরির ছক? মুর্শিদাবাদ থেকে গ্রেফতার ২ জঙ্গি

    লাগাতার ন্যায় বিচারের জন্য আন্দোলন

    সেই সঙ্গে বিচারপতির (Calcutta High Court) নির্দেশে বলা হয়, ডোরিনা ক্রসিং-এর ৪০ ফুটের বেশি উঁচু স্টেজ তৈরি করা যাবে না। স্টেজের পিছনে গার্ডরেল থাকবে এবং ২০০ থেকে ২৫০ জনের বেশি লোক একসময়ে থাকতে পারবে না ধর্নাস্থলে। পুলিশ যদি মনে করে বেশি লোক হচ্ছে তাহলে দু’পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবে। গত ৯ অগাস্ট আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক তরুণী পিজিটি পড়ুয়াকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। প্রতিবাদের উত্তাল হয়ে উঠেছিল গোটা পশ্চিমবঙ্গ। মমতা (Mamata Banerjee) পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা এবং তথ্য লোপাটের ঘটনা সম্পর্কে সিবিআই সুপ্রিম কোর্টে রিপোর্ট দিয়েছে। একই ভাবে রাজ্যের বিধানসভায় ‘নির্ভয়া বিল’ পাশ হলেও লাগাতার ধর্ষণের ঘটনা অব্যাহত। এই পরিস্থিতিতে ন্যায় বিচার এবং ডাক্তারদের সুরক্ষার দাবিতে ফের পথে নামতে চলেছেন ডাক্তার সমাজ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “দিঘায় ছুটি উপভোগ করুন”, কোটি টাকার খোঁচা দিয়ে মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “দিঘায় ছুটি উপভোগ করুন”, কোটি টাকার খোঁচা দিয়ে মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার দিঘা সফরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জগন্নাথ মন্দিরের কাজ পরিদর্শনে করে তিনদিনের সফরের সিংহভাগ সময় কাটানোর কথা তাঁর। আর মুখ্যমন্ত্রীর এই সফরকে তীব্র কটাক্ষ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু মনে করিয়ে দিলেন, অতীতে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা থেকে অধিকারীদের উৎখাতের যে ডাক দিয়েছিলেন মমতা। তা জেলার মানুষ মেনে নেননি। ফলে, মুখ্যমন্ত্রীর এই সফর নিয়ে কটাক্ষ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    কোটি কোটি খরচ! (Suvendu Adhikari)

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “প্রতি বছরের মতো এবারও মুখ্যমন্ত্রী শীতকালীন ছুটি উপভোগ করতে দিঘায় এসে গিয়েছেন। ভালো কথা, উনি সমুদ্র সৈকতে ঘুরুন, জগন্নাথ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কাজের অগ্রগতির তদারকি করুন এবং আনন্দের সঙ্গে তিন দিনের ছুটি উপভোগ করুন। নচেৎ ওনার নিরাপত্তায় ৩২৮০ জন পুলিশ কর্মী মোতায়েনের জন্য বরাদ্দ কোটি কোটি টাকা বৃথা যাবে।” জানা গিয়েছে, দিঘা সফরে জগন্নাথ মন্দির পরিদর্শনের পাশাপাশি জেলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও জেলার নেতাদের সঙ্গে কথা বলরা কথা রয়েছে তাঁর। এমনকী, দিঘার সমাগ্রিক উন্নয়নমূলক কাজের খতিয়ানও নেওয়ার কথা প্রশাসনের কর্তাদের থেকে।

    দিঘায় ছুটি উপভোগ করুন, কটাক্ষ শুভেন্দুর

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, “এত কিছু করেও চিঁড়ে বিশেষ ভিজবে না। পূর্ব মেদিনীপুরের জাতীয়তাবাদী, রাষ্ট্রবাদী মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রত্যাখান করেছেন। লোকসভা ভোটে অধিকারী মুক্ত করার ডাক দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। কিন্তু মানুষ পিসি-ভাইপো (মমতা-অভিষেক) মুক্ত করেছে। বিজেপি শুধু তমলুক এবং কাঁথির দুটি লোকসভা কেন্দ্রেই জয়ী হয়নি, জেলার ১৬টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে ১৫টিতেও এগিয়ে রয়েছে। তাই, দিঘায় ছুটি উপভোগ করুন। রাজনীতি থেকে বিরত থাকুন। আপনার দল (তৃণমূল) পুলিশ-প্রশাসনের দৌলতে টিকে আছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: রাজ্যে ঢুকেছে এক কোটি রোহিঙ্গা! হিন্দুদের বাঁচাতে ধর্ম রক্ষা কমিটি গড়ার ডাক শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: রাজ্যে ঢুকেছে এক কোটি রোহিঙ্গা! হিন্দুদের বাঁচাতে ধর্ম রক্ষা কমিটি গড়ার ডাক শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “হিন্দুদের অস্তিত্ব সঙ্কটে। তাই হিন্দুদের রক্ষা করতে হলে অবিলম্বে গ্রামে গ্রামে ধর্ম রক্ষা কমিটি (Hindu Raksha Committee) গড়তে হবে।” এমনই ডাক দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর ঘটে চলা ধারাবাহিক নির্যাতনের প্রতিবাদে এর আগে পেট্রাপোল সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করেছেন শুভেন্দু।

    অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ের ডাক (Suvendu Adhikari)

    মঙ্গলবার বিক্ষোভ দেখান উত্তর ২৪ পরগনায় ঘোজাডাঙা সীমান্তে। সেখানেই হিন্দুদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে গ্রামে গ্রামে হিন্দু রক্ষা কমিটি তৈরির ডাক দিলেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মদতে রাজ্যে ঢুকেছে এক কোটি রোহিঙ্গা।” এর পরেই তিনি বলেন, “হিন্দুদের অস্তিত্ব সঙ্কটে। তাই হিন্দুদের রক্ষা করতে হলে অবিলম্বে গ্রামে গ্রামে ধর্ম রক্ষা কমিটি গড়তে হবে।” বাংলাদেশের ইউনূস সরকারকেও চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। 

    বলেন, “বাংলাদেশ তো ভারতের ওপর নির্ভরশীল। ওরা এত বড় বড় কথা বলে কী করে? বলছে কলকাতার দখল নেবে! জেনে রাখুন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাসবাদ ধ্বংস করে কাশ্মীরে ভারতের ঝান্ডা উড়িয়েছেন, চিনের সঙ্গেও সামরিক শক্তিতে পাল্লা দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে ভারতের। হাসিমারায় ৪০টি যুদ্ধ বিমান রয়েছে। দুটো পাঠালেই কাজ হয়ে যাবে। কীভাবে শায়েস্তা করতে হয় জানি।” ভারত ৯৭টি পণ্য না পাঠালে বাংলাদেশের ভাত-কাপড় জুটবে না বলেও ইউনূস সরকারকে হুঁশিয়ারি দেন তিনি (Suvendu Adhikari)।

    আরও পড়ুন: উদ্যোগী এনডিএ, ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ বিল পেশ শীতকালীন অধিবেশনেই?

    নিশানায় সিদ্দিকুল্লাও

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভায় রয়েছেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। তিনি ইউনূস সরকারকে সমর্থন করছেন বলে অভিযোগ। এ প্রসঙ্গে নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, “বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নির্যাতন হচ্ছে। অথচ ইউনূসের সরকারকে সমর্থন জানাচ্ছেন মমতার মন্ত্রিসভার সদস্য। উনি যদি সত্যিই হিন্দুদের ভালো চান, তাহলে অবিলম্বে মন্ত্রিসভা থেকে সিদ্দিকুল্লাকে বহিষ্কার করুন।”

    হিন্দুরা ঐক্যবদ্ধ হতেই মমতা সুর নরম করছেন বলে কটাক্ষ শুভেন্দুর। বলেন, “উনি (মমত বন্দ্যোপাধ্যায়) বুঝতে পারছেন ৩০ শতাংশ নিয়ে ভোট বৈতরণী পার হতে পারবেন না। ৭০ শতাংশ এক হয়ে যাচ্ছে। তাই বিধানসভায় বাংলাদেশের হিন্দুদের পক্ষে কথা বলছেন।” রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, “ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে (Hindu Raksha Committee) ওঠে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: ‘‘ঢাকা থেকে ৩ লক্ষ হাতে টানা রিকশা রওনা দিয়েছে কলকাতা দখলের জন্য’’, কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘ঢাকা থেকে ৩ লক্ষ হাতে টানা রিকশা রওনা দিয়েছে কলকাতা দখলের জন্য’’, কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা দখলের হুমকির পর বাংলা-বিহার-ওড়িশা দখলের ডাক। বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রাক্তন সেনা কর্মী থেকে বিএনপি নেতা, পদ্মাপাড়ে এক শ্রেণির মুখে হুমকির ফুলঝুরি। অভ্যন্তরীণ সমস্যায় জর্জরিত বাংলাদেশের নেতাদের এই হুমকি মানায় না। তাঁদের ক্ষমতা কতটুকু তা বোঝা উচিত। ভারতের ভূমি দখলের হুমকির পর বাংলাদেশকে কড়া বার্তা দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    বাংলাদেশকে নিশানা

    বাংলাদেশ ইস্যুতে আগেই হিন্দুদের একজোট হওয়ার বার্তা দিয়েছিলেন শুভেন্দু। এবার দখলের প্রসঙ্গে কার্যত ব্যঙ্গ করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “আমি খবর পেয়েছি, ঢাকা থেকে তিন লক্ষ হাতে টানা রিকশা রওনা দিয়েছে কলকাতা দখলের জন্য। আরে ওদের আছেটা কী ভাই? রাফাল রাখা আছে হাসিমারায়। শুধু আওয়াজ দিতে হবে…। আমি আগেও বলেছি, আজও বলেছি প্যান্টে বাথরুম হবে।” এদিন এই একই ইস্যুতে সুর চড়ান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি বিধানসভা থেকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, “যাঁরা বলছেন দখল করবেন, তাঁরা ভাববেন না, আমরা বসে ললিপপ খাব।” তিনি আরও বলেন, “আপনার সেই ক্ষমতা নেই। আমরা যথেষ্ট সক্রিয়, কিন্তু ধৈর্য্যের পরীক্ষা দিই।” 

    আরও পড়ুন: ‘কলকাতা দখল! একটা রাফালই যথেষ্ট’, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক মন্তব্যের জবাব শুভেন্দুর

    নিশানায় মুখ্যমন্ত্রী

    তবে এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকারও কড়া সমালোচনা করেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “উনি ভারত সরকারকে চিঠি দিতে পারেন। বাংলাদেশের ঘটনায় পশ্চিম বাংলায় ব্যাপক জনরোষ তৈরি হয়েছে। মুখরক্ষার জন্য এটা বলছেন উনি। আবার ওনার সরকারের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী সরাসরি মহম্মদ ইউনূসকে সমর্থন করছেন। নরেন্দ্র মোদিজির নিন্দা করছেন। বাংলাদেশের ঘটনার প্রতিবাদ করতে গেলে সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী, ফিরহাদ হাকিমকে রাণী রাসমণি রোড ব্যবহারের জন্য অনুমতি দেওয়া হয়। আর হিন্দুরা জাতীয় পতাকা নিয়ে, কলকাতার বুকে প্রতিবাদ করতে গেলে, হাইকোর্ট থেকে অনুমতি নিতে হয়। অর্থাৎ একই অঙ্গে বহু রূপ। এই সব কথার কোনও মূল্য আছে বলে আমি মনে করি না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: ‘‘বাংলায় ৯০ হাজার জাল নোট উদ্ধার হয়েছে’’, তথ্য পেশ করে মমতাকে আক্রমণ অমিত মালব্যর

    BJP: ‘‘বাংলায় ৯০ হাজার জাল নোট উদ্ধার হয়েছে’’, তথ্য পেশ করে মমতাকে আক্রমণ অমিত মালব্যর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যজুড়ে রমরমিয়ে চলছে জাল নোটের কারবার। আর তৃণমূল সরকার কোনও পদক্ষেপ করছে না। বরং, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গকে দুর্নীতি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের আস্তানায় বানিয়ে ফেলেছেন। বিশেষ করে জাল নোটের রমরমা রুখতে তৃণমূল সরকার কোনও পদক্ষেপ করছে না। এমন অভিযোগ তুলেছেন বিজেপির (BJP) মুখপাত্র অমিত মালব্য (Amit Malviya)। শুধু অভিযোগ নয়, তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে উদ্ধৃত করে দাবি করেছেন পশ্চিমবঙ্গ দুর্নীতি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের আস্তানায় পরিণত হয়েছে। যা বানিয়ে ফেলেছেন মুখ্যমন্ত্রী নিজেই। স্বাভাবিকভাবে এই ঘটনায় তৃণমূল বেশ কিছুটা হলেও ব্যাকফুটে রয়েছে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    আরও পড়ুন: ‘কলকাতা দখল! একটা রাফালই যথেষ্ট’, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক মন্তব্যের জবাব শুভেন্দুর

    ঠিক কী অভিযোগ করলেন বিজেপির মুখপাত্র? (BJP)

    বিজেপির (BJP) মুখপাত্র অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে লেখেন, ‘‘বিজেপি সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যের প্রশ্নে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে যে, পশ্চিমবঙ্গ থেকে ৯০,০০০টিরও বেশি জাল ভারতীয় মুদ্রার নোট (এফআইসিএন) উদ্ধার করা হয়েছে। গত পাঁচ বছরে এই জাল নোট ইস্যু ক্রমবর্ধমান সমস্যা এই রাজ্যকে বিপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। হুমকির একটি স্পষ্ট সূচক হল রাজ্যের এই জাল মুদ্রা। এনআইএ এই ধরনের মামলার ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ সাফল্য অর্জন করা সত্ত্বেও, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে এই সমস্যাটি মোকাবিলার যথেষ্ট প্রচেষ্টা করা হচ্ছে না। যা গুরুতর উদ্বেগ তৈরি করেছে রাজ্যে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘‘প্রিন্স অফ ক্যামাক স্ট্রিটের” সঙ্গে ঘনিষ্ঠ বলেই কি পুলিশের রদবদল? বিস্ফোরক সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: ‘‘প্রিন্স অফ ক্যামাক স্ট্রিটের” সঙ্গে ঘনিষ্ঠ বলেই কি পুলিশের রদবদল? বিস্ফোরক সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য পুলিশে বড় রদবদল। সরিয়ে দেওয়া হয়েছে গোয়েন্দা প্রধান রাজাশেখরনকে। কলকাতা পুলিশে একাধিক রদবদল হচ্ছে। হাওড়া পুলিশেও এই বদলির ইস্যু বাদ পড়েনি। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে বড় দাবি করেছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। শাসক দলের অন্দরে কোন্দল কতটা রয়েছে তা তিনি এই বদলি ঘটনাতেই স্পষ্ট বলে জানিয়ে দিলেন।

    কী বললেন সুকান্ত মজুমদার? (Sukanta Majumdar)

    বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুদার (Sukanta Majumdar) নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করলেন, আর তুলে ধরলেন রাজনৈতিক তত্ত্ব। রাজ্য পুলিশের রদবদলের নির্দেশিকার পরই সুকান্ত লিখলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শেষ কয়েকটি সিদ্ধান্তে বোঝা যাচ্ছে তৃণমূল অন্দরে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুর পরিবর্তন হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, ‘‘আরজি করের ঘটনার তদন্তে নেমে সরকারের পুলিশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি আনুগত্য দেখানোর সীমা লঙ্ঘন করেছিল। তারপরও তৃণমূল কংগ্রেস নিয়ন্ত্রিত পুলিশ একাধিক সমালোচনার মুখে পড়ে। কারণ তারা দলের নেতা এবং কাউন্সিলরদের সুরক্ষা দিতে পারেনি। তাই অজানা কিছু শক্তির চাপেই রদবদল হল।”

    ‘‘প্রিন্স অফ ক্যামাক স্ট্রিটের” সঙ্গে ঘনিষ্ঠ বলেই পুলিশের রদবদল

    সম্প্রতি, নবান্ন সভাঘরের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য পুলিশ ও সিআইডি-র একাংশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন। সেদিনই ডিজি-কে বলে দিয়েছিলেন, শীঘ্রই তিনি সিআইডি-তে বদল আনবেন। তারপরই এদিন রাজ্য পুলিশে বদলের নির্দেশিকা। সব থেকে উল্লেখ্যযোগ্য চারটে পদে বদল। সরিয়ে দেওয়া হল গোয়েন্দা প্রধানকেই। আর এই ইস্যুতে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না করে  বলেন, ‘‘প্রিন্স অফ ক্যামাক স্ট্রিটের প্রভাবে পুলিশ ফোর্স এতদিন বিরোধীদের কণ্ঠস্বর দাবিয়ে রাখত। প্রিন্সের ঘনিষ্ঠ পুলিশ আধিকারিকের বদলি এটা বুঝিয়ে দিল মুখ্যমন্ত্রী এখন গোটাটাই একা হাতে নিয়ন্ত্রণ করবেন। প্রশাসন ও দল দুটোই।’’ সুকান্ত খোঁচা দিয়ে লিখলেন, ‘‘এরপরও বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের অন্তর্দ্বন্দ্ব আর কতটা প্রতীয়মান হবে?’’

    মমতাকে তোপ

    বেলডাঙ্গা, শ্যামপুর, রাজাবাজারের অশান্তির ঘটনা নিয়েও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকে আক্রমণ করেছেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) । তাঁর অভিযোগ, তোষণের রাজনীতি করতে গিয়ে সীমা ছাড়িয়ে ফেলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাই এইসব জায়গার অশান্তির ঘটনা তাঁর চোখে পড়ে না। শাসক দলের হয়ে কু-কাজ করা নেতাদের সুরক্ষা না দিতে পারায় পুলিশের বদলি হচ্ছে। সাধারণ মানুষ আক্রান্ত হলে সরকার চুপ। সুকান্ত মজুমদারের প্রশ্ন, এটাই কি গণতন্ত্রের ছবি?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • West Bengal: গত পাঁচ বছরে রাজ্য থেকে বিদায় নিয়েছে ২,২৭৭টি কোম্পানি! শমীকের প্রশ্নে বলল কেন্দ্র

    West Bengal: গত পাঁচ বছরে রাজ্য থেকে বিদায় নিয়েছে ২,২৭৭টি কোম্পানি! শমীকের প্রশ্নে বলল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফি বছর ঘটা করে শিল্প সম্মেলন হচ্ছে বাংলায় (West Bengal)। ছোট-বড়-মাঝারি শিল্পপতিরাও আসছেন। সরকারি পয়সায় মোচ্ছবও হচ্ছে। তবে ক’টা শিল্প হয়েছে তৃণমূলের জমানায়, তা জানা যায়নি (Companies Left)। দু’-একটা স্পঞ্জ আয়রন কারখানা হওয়ার কথা থাকলেও, সেগুলির কী হাল, তাও জানা যায়নি। রাজ্যের এহেন ‘শিল্পছবি’র গায়ে লাগল কেলেঙ্কারির কালো রং।

    পাততাড়ি গুটিয়েছে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান 

    জানা গিয়েছে, মমতা জমানার (Mamata Banerjee) শেষ পাঁচ বছরে পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) থেকে ব্যবসা গুটিয়ে ভিন রাজ্যে চলে গিয়েছে ২ হাজার ২৭৭টি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে ৩৯টি শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিও রয়েছে। রাজ্যসভার একটি প্রশ্নের উত্তরে এ খবর জানানো হয়েছে কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রকের পক্ষ থেকে। বিজেপি সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যের (Shamik Bhattacharya) এক প্রশ্নের উত্তরে এ খবর জানায় কর্পোরেট বিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রক। শমীকের প্রশ্ন ছিল, তৃণমূল কংগ্রেস সরকার কি এই কোম্পানিগুলির স্থানান্তরের কারণ নির্ধারণ করেছে এবং ব্যবসা আকৃষ্ট ও ধরে রাখার জন্য কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করছে? উত্তরে, কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বলা হয়— প্রশাসনিক, কার্যকরী সুবিধা, খরচ-সাশ্রয় এবং উন্নত নিয়ন্ত্রণ-সহ আরও কিছু কারণে এই স্থানান্তর ঘটেছে।

    শমীকের প্রশ্ন

    শমীকের (Shamik Bhattacharya) প্রশ্ন, (ক) কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রী কি অনুগ্রহ করে ২০১৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) থেকে অন্যান্য রাজ্যে তাদের রেজিস্টার্ড কার্যালয় স্থানান্তরিত করা কোম্পানিগুলির মোট সংখ্যা, (খ) সেই কোম্পানিগুলির মধ্যে কতগুলি শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত এবং তারা মূলত কোন খাতে অন্তর্ভুক্ত, (গ) সরকার কর্তৃক চিহ্নিত স্থানান্তরের কারণ, যার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ থেকে কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে যে কোনও অসুবিধা বা চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করা হয়েছে এবং (ঘ) এই সমস্যাগুলির সমাধান ও পশ্চিমবঙ্গে ব্যবসা ধরে রাখা এবং আকৃষ্ট করার জন্য সরকার গ্রহণ করা পদক্ষেপগুলি জানানোর জন্য সম্মতি প্রকাশ করবেন (Mamata Banerjee)?

    মন্ত্রকের জবাব

    মন্ত্রক জানিয়েছে, ২০১৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য থেকে অন্যান্য রাজ্যে তাদের রেজিস্টার্ড অফিস স্থানান্তরিত করেছে ২২২৭টি কোম্পানি। (খ) উপরে উল্লিখিত ২২২৭টি কোম্পানির মধ্যে ৩৯টি তালিকাভুক্ত কোম্পানি। এই কোম্পানিগুলি উৎপাদন, অর্থায়ন, কমিশন এজেন্ট, বাণিজ্যিক কার্যক্রম ইত্যাদির সঙ্গে জড়িত। (গ) ও (ঘ) কোম্পানিগুলিকে তাদের রেজিস্টার্ড অফিস এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে স্থানান্তর করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে কোম্পানি আইন, ২০১৩-এর ধারা ১৩(৪) এবং কোম্পানি (ইনকর্পোরেশন) বিধি, ২০১৪-এর রুল ৩০ অনুসারে। কোম্পানিগুলি তাদের আবেদনপত্রে রেজিস্টার্ড অফিস স্থানান্তরের কারণ হিসেবে প্রশাসনিক, কার্যকরী সুবিধা, ব্যয় সাশ্রয়, ভালো নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি উল্লেখ করেছে।

    আরও পড়ুন: ফড়ণবীশেই সিলমোহর, বৃহস্পতিতে জমকালো অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ দেবেন্দ্রর

    সরকারের নীতিগুলির উল্লেখ নেই

    উল্লেখ্য যে, ভবিষ্যতে এমন কোম্পানিগুলির স্থানান্তর প্রতিরোধে সরকারের নীতিগুলির উল্লেখ করা হয়নি। এদিকে, বিজেপির জাতীয় তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের দায়িত্বে থাকা এবং পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) কো-ইনচার্জ অমিত মালব্যও এই তথ্য তুলে ধরে তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমোকে আক্রমণ শানিয়েছেন। তিনি বলেন, এটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কর্পোরেট স্থানান্তরের রিপোর্ট কার্ড এবং একজন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি কতটা বিশাল বিপর্যয়, তার উদাহরণ। তিনি বলেন, এটি একটি উদ্বেগজনক প্রবণতা, যা পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal) চাকরি, ব্যবসা এবং শিল্প বৃদ্ধির অভাবের করুণ ছবি তুলে ধরে। এই তথ্যটি রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যের প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রক দিয়েছে। বিজেপির দাবি, রাজ্যের বর্তমান সরকার শিল্পবিরোধী এবং এই উন্নয়ন তৃণমূল কংগ্রেস প্রশাসনের জন্য বড় অস্বস্তির কারণ হতে পারে।

    আরও পড়ুন: স্বর্ণমন্দিরে অকালি প্রধান সুখবীর সিং বাদলকে লক্ষ্য করে চলল গুলি, ধৃত হামলাকারী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • JPC Chief Attacks Mamata: “কেবল সংখ্যালঘু তোষণের চেষ্টা”, ওয়াকফ বিল নিয়ে তৃণমূলকে নিশানা জগদম্বিকার

    JPC Chief Attacks Mamata: “কেবল সংখ্যালঘু তোষণের চেষ্টা”, ওয়াকফ বিল নিয়ে তৃণমূলকে নিশানা জগদম্বিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “তৃণমূল সরকার কেবল মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে এই বার্তা দিতে প্রস্তাব আনছে যে তারা পাশে রয়েছে। এটি সংখ্যালঘু তোষণের চেষ্টার বেশি কিছু নয়।” সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে এমনই অভিযোগ করলেন ওয়াকফ (সংশোধনী) বিলের (Waqf Bill) প্রস্তাবিত সংস্কার নিয়ে যৌথ সংসদীয় কমিটির (জেপিসি) চেয়ারম্যান জগদম্বিকা পাল (JPC Chief Attacks Mamata)।

    মমতা সরকারকে তোপ জগদম্বিকার

    মমতা সরকারের বিরুদ্ধে তিনি সংসদীয় গণতন্ত্রকে ‘অবজ্ঞা ও উপহাস’ করার অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, “এটি অত্যন্ত আপত্তিকর পদক্ষেপ এবং গণতন্ত্রের বৃহত্তম মন্দিরের (সংসদ) কর্তৃত্বকে ছোট করার শামিল।” জেপিসি চেয়ারম্যান (JPC Chief Attacks Mamata) বলেন, “যখন জেপিসি ওয়াকফ বিল নিয়ে আলোচনা করছে, তখন মমতা সরকার এর বিরুদ্ধে প্রস্তাব আনছে। তারা এর মাধ্যমে কী প্রমাণ করতে চায়? তাদের কি সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রতি কোনও শ্রদ্ধা নেই?” প্রসঙ্গত, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় ওয়াকফ (সংশোধনী) বিলের বিরুদ্ধে প্রস্তাব আনতে চলেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও বিলটি নিয়ে তাঁর মতামত দেওয়ার কথা রয়েছে। বর্তমানে বিলটি জেপিসির বিবেচনাধীন। এই প্রস্তাব নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

    কটাক্ষ কল্যাণকেও

    জেপিসি চেয়ারম্যান জগদম্বিকা (JPC Chief Attacks Mamata) তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কেও কটাক্ষ করেন। উসকানিমূলক ও সাম্প্রদায়িক মন্তব্যের জন্য কল্যাণকে আক্রমণ শানান তিনি। বলেন, “কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন যে, যেখানে মুসলিম সম্প্রদায় নামাজ পড়বে, সেই জমি ওয়াকফ বোর্ডের (Waqf Bill) সম্পত্তি হয়ে যাবে। জনসমক্ষে বড় বড় কথা বলার পরিবর্তে তাঁর উচিত ছিল জেপিসি সভায় প্রস্তাব দেওয়া।”  

    আরও পড়ুন: চিন্ময় প্রভুর আইনজীবীর ওপর প্রাণঘাতী হামলা বাংলাদেশে, মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন রমেন রায়

    এদিকে, জেপিসি রাজ্য সরকারগুলিকে নির্দেশ দিয়েছে, তারা যেন ওয়াকফ বোর্ডের ৪০ নম্বর ধারা ব্যবহার করে দাবি করা সম্পত্তির বিবরণ সরবরাহ করে তাদের। উল্লেখ্য, কোনও সম্পত্তি তাদের অধিকারভুক্ত কিনা, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ওয়াকফ বোর্ডকে দেয় ওয়াকফ আইনের ৪০ নম্বর ধারা। এ প্রসঙ্গে জগদম্বিকা (JPC Chief Attacks Mamata) বলেন, “আমরা রাজ্য সরকারগুলিকে বিস্তারিত তথ্য দিতে বলেছি। প্রয়োজনে আমরা সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মুখ্য সচিব বা সংখ্যালঘু বিভাগের সচিবকে তলব করব (Waqf Bill)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Mamata Banerjee: বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করলেন মমতা

    Mamata Banerjee: বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করলেন মমতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েক মাস ধরে বাংলাদেশে নিপীড়িত হচ্ছেন হিন্দুরা। রাজনৈতিক মহলের মতে, যেহেতু একটি মুসলিম অধ্যুষিত রাষ্ট্রের ঘটনা, তাই মুসলিম ভোটব্যাঙ্ক অটুট রাখতে এতদিন মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

    বিধানসভা নির্বাচন (Mamata Banerjee)

    তবে ‘২৬ সালে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তাই বাংলাদেশে যারা সংখ্যালঘু, বাংলায় তারাই সংখ্যাগুরু, এবং তাদের ভোট প্রয়োজন, তাই শেষমেশ মুখ খুললেন তিনি। এবং দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ। বাংলাদেশে রাষ্ট্রসংঘের শান্তিরক্ষা বাহিনী মোতায়েনের আহ্বানও জানান তিনি। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপও দাবি করেন তিনি।

    মৌনব্রত ভঙ্গ

    গত ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। তার পর থেকে সে দেশে হিন্দু নির্যাতন উঠেছে তুঙ্গে। সম্প্রতি ইসকনের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে বাংলাদেশে। তার পরেই মৌনব্রত ভঙ্গ করেছেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি বলেন, “আমাদের পরিবার…সম্পত্তি… এবং প্রিয়জনেরা বাংলাদেশে রয়েছে। এই বিষয়ে ভারত সরকারের যে কোনও অবস্থান আমরা মেনে নিই… কিন্তু আমরা পৃথিবীর যে কোনও জায়গায় ধর্মীয় ভিত্তিতে হওয়া নির্যাতনের নিন্দা করি এবং কেন্দ্রীয় সরকার ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তক্ষেপ করার আবেদন জানাই।”

    আরও পড়ুন: “আমরা জামিন দিই, আর আপনি মন্ত্রী হয়ে যান” মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের

    এদিন বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বলেন, “আমি ইসকনের কলকাতা ইউনিটের প্রধানের সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁকে সহানুভূতি ও সমর্থন জানিয়েছি।” তিনি বলেন, “যদি বাংলাদেশে ভারতীয়দের ওপর আক্রমণ করা হয়, তাহলে আমরা তা সহ্য করব না। আমরা আমাদের মানুষদের ফিরিয়ে আনতে পারি… ভারত সরকার এই বিষয়টি জাতিসংঘের কাছে তুলে ধরতে পারে… যাতে একটি শান্তিরক্ষা বাহিনী পাঠানো যায়।”

    মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) বলেন, “আমি অন্য একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে চাই না।” তিনি বলেন, “যখন বাংলাদেশি মৎস্যজীবীরা ভুলবশতঃ ভারতীয় জলসীমায় প্রবেশ করেছেন, বা যখন একটি বাংলাদেশি ট্রলার ডুবে গিয়েছিল, তখন আমার সরকার তাঁদের উদ্ধার করেছে এবং ভালোভাবে তাঁদের যত্ন নিয়েছে (Mamata Banerjee)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
     
  • Suvendu Adhikari: “বাংলাদেশিদের শেল্টার দেওয়ার কথা বলার সময় কেন্দ্রকে মনে ছিল না?” মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “বাংলাদেশিদের শেল্টার দেওয়ার কথা বলার সময় কেন্দ্রকে মনে ছিল না?” মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর অবস্থান এবং তাঁর মন্তব্যকে দ্বিচারিতা বলে কটাক্ষ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বাংলাদেশ ইস্যুতে বেশ কিছু তথ্য তুলে ধরে তাঁর সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিরোধী দলনেতা। কার্যত তাঁর বক্তব্য সামনে নিয়ে তাঁকে তুলোধনা করলেন।

    ঠিক কী বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী?

    সোমবার বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বলেন, “আমি কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন করছি, যাতে তারা রাষ্ট্রপুঞ্জকে বলে, যে বাংলাদেশে সাম্প্রতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে ওখানে একটা পিসকিপিং ফোর্স পাঠানো হোক।” তাঁর কথায়, “এটা কেন্দ্রের ব্যাপার। পররাষ্ট্রের ব্যাপার। তবে এও ঠিক যে, আমাদের অনেক বন্ধু আত্মীয়স্বজন বাংলাদেশে রয়েছে। ধর্ম, বর্ণ, জাতি যেখানেই আক্রান্ত হোক আমরা নিন্দা করি। আমরা চাই শান্তি ফিরুক। তা নিশ্চিত করা হোক। এই সভা থেকে প্রস্তাব নেওয়া হোক যে আমাদের বন্ধুদের ওপর যেন অত্যাচার না হয়।” 

    দ্বিচারিতা বলে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মুখ্যমন্ত্রীর পররাষ্ট্রের দিকে বল ঠেলে দেওয়ার ব্যাপারটাকে হাতিয়ার করেই দ্বিচারিতা বলে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, “যখন বাংলাদেশে কোটা বিরোধী আন্দোলন চলছিল, যখন হাসিনা সরকার দমনপীড়ন চালাচ্ছিল তখন মমতা আহ্বান করেছিলেন যে ‘যাঁরা আক্রান্ত হবেন আসুন আমি শেল্টার দেব। তখন ওঁর পররাষ্ট্রের কথা মনে পড়েনি?” শুভেন্দুর কথায়, “এখন যখন হিন্দুরা আক্রান্ত হচ্ছেন, শুধু বাংলাদেশ কেন গোটা পৃথিবী জুড়ে যখন হিন্দুরা আক্রান্ত হচ্ছেন তখন হিন্দু সনাতনীরা রাস্তায় নেমেছেন। জনবিস্ফোরণ হচ্ছে। ওঁর দলের হিন্দুদের মধ্যেও ব্যাপক জনরোষ তৈরি হয়েছে, তখন তিনি প্রধানমন্ত্রীর দিকে দায়িত্ব ঠেলছেন। দায়িত্ব ওঁকেও নিতে হবে। একই অঙ্গে বিভিন্ন রূপ না দেখিয়ে রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে করুক।”

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে হিন্দুদের নিরাপত্তার দাবিতে পেট্রাপোল সীমান্তে আজ প্রতিবাদ-সভা শুভেন্দুর

    বাংলাদেশে রফতানির বন্ধের হুঙ্কার দেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    সনাতনী হিন্দু সংগঠনের ডাকে সোমবার দুপুরে পেট্রাপোল সীমান্তের মঞ্চ থেকে বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। অরাজনৈতিক সংগঠনের ব্যানারে বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। সেখান থেকে হিন্দুদের জোট বাঁধার ডাক দেন তিনি। এর পর হাতে জাতীয় পতাকা নিয়ে জয় শ্রীরাম ধ্বনি দিয়ে জিরো পয়েন্টের দিকে পদযাত্রা করেন। সেখানে কালো বেলুন উড়িয়ে প্রতিবাদ দেখান। তার পর প্যাসেঞ্জার টার্মিনাস ধরে অভিবাসন কেন্দ্রের দিকে রওনা দেন। সকাল থেকেই এই চত্বরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন প্রচুর মানুষ। তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন শুভেন্দু। হাতও মেলান। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার কথায়, “হাজার হাজার মানুষ জমায়েত করেছে। এরা কোনও বিজেপি নয়। হিন্দুরা জোট বাঁধছে।’’

    শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি, ‘‘এটা আমরা ট্রেলার দেখিয়ে গেলাম। অত্যাচার বন্ধ না হলে এর পরের সপ্তাহে, প্রভু মুক্তি না পেলে আমরা ৫ দিন বন্ধ করব। তারপরে আমরা ২০২৫ সালে লাগাতার বন্ধ করে ওদের আলু-পেঁয়াজ কী করে খায় আমরা সেটা দেখিয়ে দেব। ভারতের পতাকা যারা পদদলিত করেছে, ‘৭১-এর রাজাকারের মতো, যেমন পাকিস্তানে আমি চিফ আত্মসমর্পণ করেছিলেন, এই রাজাকারের নতুন বাচ্চাদের ভারত আত্মসমর্পণ করাবে। ভারত আজ একটা দেশ নয়, পৃথিবীর একটা শক্তিশালী রাষ্ট্র নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share