Tag: Mamata Banerjee

Mamata Banerjee

  • RG Kar: জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে অনশনে বেথুনের প্রাক্তনীরা, মুখ্যসচিবকে চিঠি নাগরিক সমাজের

    RG Kar: জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে অনশনে বেথুনের প্রাক্তনীরা, মুখ্যসচিবকে চিঠি নাগরিক সমাজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জুনিয়র ডাক্তারদের দাবি যথার্থ, অবিলম্বে তার সুরাহা প্রয়োজন। এই দাবি জানিয়ে ইতিমধ্যে আরজি কর (RG Kar), কলকাতা মেডিক্যাল এবং উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালের সিনিয়র ডাক্তাররা গণ-ইস্তফা দিয়েছেন। এবার সেই দাবিকে সমর্থন জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে এ বিষয়ে অবিলম্বে পদক্ষেপের অনুরোধ জানিয়ে ইমেল করলেন নাগরিক সমাজের একাংশ। পাশাপাশি বেথুনের প্রাক্তনীরা একদিনের প্রতীকী অনশন করলেন।

    কী বার্তা দেওয়া হয়েছে? (RG Kar)

    ৭৫ জনের বেশি মানুষের স্বাক্ষর-সহ ওই চিঠি বুধবার সকালে ইমেল (RG Kar) করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী এবং মুখ্যসচিবকে। ইমেলে স্বাক্ষর রয়েছে বিনায়ক সেন, গৌতম ভদ্র, মৌসুমী ভৌমিক, বিভাস চক্রবর্তী, সমাজকর্মী মিরাতুন নাহার, বোলান গঙ্গোপাধ্যায়, চলচ্চিত্র শিল্পী দেবলীনা, ঋদ্ধি সেন, কৌশিক সেন, রেশমি সেন, নাট্যকার রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্ত, অধ্যাপক ঋত্বিকা বিশ্বাস, মইদুল ইসলামসহ শিক্ষা, চলচ্চিত্র, চিকিৎসা, আইন ক্ষেত্রের বিশিষ্টজনদেরও। ইমেল বার্তায় বলা হয়েছে, “আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে বিচার, হাসপাতালগুলিতে নিরাপত্তা, সুষ্ঠু পরিকাঠামোর দাবিতে গত ৯ অগাস্ট থেকে জুনিয়র ডাক্তারেরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। বৃহত্তর নাগরিক সমাজ একই দাবিতে মুখর।” একইসঙ্গে বলা হয়েছে, “আরজি করের ঘটনার পরেও নানা জায়গায় যৌন নিগ্রহ, হেনস্থার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এলাকার পুলিশ-প্রশাসনের খামতি (যেমন জয়নগর) এবং কোথাও কোথাও পুলিশই তেমন নিগ্রহে অভিযুক্ত হওয়ায় (পার্ক স্ট্রিট থানার ঘটনা) সার্বিক ভাবে নিরাপত্তাহীনতার বোধ তৈরি হয়েছে। তাই জুনিয়র ডাক্তারেরা বাধ্য হয়েই আমরণ অনশন শুরু করেছেন।” ইমেলের বয়ান অনুযায়ী নাগরিক সমাজের একাংশে বক্তব্য, “আমরা মনে করি, ডাক্তারদের দাবি এবং অভিযোগগুলি একেবারেই যথার্থ এবং অনতিবিলম্বে সেগুলির সুরাহা হওয়া একান্তই প্রয়োজন। সরকার যে প্রতিশ্রুতিগুলি দিয়েছিল, সেগুলির ভিত্তিতে কী কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, সেই সংক্রান্ত অগ্রগতি কোন পর্যায়ে রয়েছে, তা জানাতে অবিলম্বে তাঁদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী এবং মুখ্যসচিব আলোচনায় বসা প্রয়োজন।”

    আরও পড়ুন: “বাংলায় আমরা সরকার গঠন করব”, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ শুভেন্দু বলে দিলেন কৌশলও

    অনশনে বেথুনের প্রাক্তনীরা

    বুধবার জুনিয়র ডাক্তারদের (RG Kar) পাশে দাঁড়িয়ে ১২ ঘণ্টার প্রতীকী অনশনে (Agitation) বসলেন বেথুন কলেজের প্রাক্তনীরা। কারও বয়স ৭০, কারও বয়স ৮৩, কেউ আবার ৪৫। বেথুনের নানা বয়সের প্রাক্তনী এই কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন। বাকিদেরও পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা। বেথুন কলেজের সামনে ফুটপাথে চেয়ার পেতে বসে পড়েছেন প্রাক্তনীরা। অনশনে অংশগ্রহণকারী এক বৃদ্ধা বলেন, “আমার বয়স ৮৩ বছর। এই বয়সেও আমি বিবেকের টানে এখানে আসতে বাধ্য হয়েছি। আমি বেথুন কলেজ থেকে ১৯৬০ সালে পাশ করে বেরিয়েছি। তার পর ওই কলেজেই শিক্ষকতা করেছি অনেক বছর। জুনিয়র ডাক্তারেরা আমরণ অনশন করছেন। আমাদের পক্ষে যতটা সম্ভব, আমরা করছি। এ ভাবে পাশে থাকার বার্তা দিতে চাই।” আর এক অনশনকারী বলেন, “আমার বয়স ৭০। আমি ধর্মতলায় জুনিয়র ডাক্তারদের অনশন মঞ্চে গিয়েছিলেন। ওদের অবস্থা চোখে দেখা যাচ্ছে না ভাবে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে ওরা আন্দোলন করছে। আমরাও বিবেকের তাড়না অনুভব করেছি।” অনশনে অংশ নিয়েছেন বেথুন কলেজের প্রাক্তন শিক্ষিকা, প্রধান শিক্ষিকারাও। তাঁরা অন্যান্য স্কুলগুলির প্রাক্তনী এবং সাধারণ মানুষকেও এই প্রতীকী অনশনে যোগ দিতে আহ্বান জানিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: মমতার ‘অনশন অস্ত্র’ই ব্যুমেরাং হয়ে ফিরল জুনিয়র ডাক্তারদের হাত ধরে 

    RG Kar Incident: মমতার ‘অনশন অস্ত্র’ই ব্যুমেরাং হয়ে ফিরল জুনিয়র ডাক্তারদের হাত ধরে 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর-কাণ্ডে (RG Kar Incident) বিচার ও নিরাপত্তার দাবিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) ‘অনশন অস্ত্র’কেই হাতিয়ার করলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। ১৮ বছর পর নিজের অস্ত্রেই ঘায়েল হচ্ছেন কি মুখ্যমন্ত্রী? প্রশ্ন বাংলার রাজনৈতিক মহলে। ২০০৬ সালে মেট্রো চ্যানেলে টানা ২৬ দিন অনশন করেছিলেন রাজ্যের তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  তার থেকে বড় জোর ৫০ মিটার দূরত্বে মঞ্চ বেঁধে এবার আমরণ অনশনে বসেছেন জুনিয়র ডাক্তারদের মধ্যে সাত জন, তাঁদের ১০ দফা দাবির সমর্থনে।

    অনশন অস্ত্র

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে পথে রাজনৈতিক সাফল্য পেয়েছিলেন, আরজি কর-কাণ্ডে (RG Kar Incident) সেই পথই বেছে নিয়ে জুনিয়র ডাক্তারেরা সরকারকে বেগ দিচ্ছে। সিঙ্গুর আন্দোলনের সময়ে জাতীয় সড়কে মঞ্চ বেঁধে ২১ দিন একটানা পড়ে থেকেছেন মমতা। তার আগে ২০০৬ সালে মেট্রো চ্যানেলে অনশন করেছিলেন তিনি। ক্ষমতায় আসার পরে মমতাকেও বারংবার তাঁরই দেখানো অনশন অস্ত্রের মুখোমুখি হতে হয়েছে। ২০১৪ সালে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ এবং তার সঠিক তদন্তের দাবিতে যাদবপুরে শুরু হয়েছিল আন্দোলন। ২০১৫ সালেরই ফেব্রুয়ারি মাসে স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)-এর পরীক্ষায় পাশ করে শিক্ষক পদপ্রার্থীরা অনশনে বসেন। সেই সঙ্গে চুক্তি-শিক্ষক, বৃত্তি-শিক্ষক, পার্শ্বশিক্ষক-সহ শিক্ষার বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুক্ত কর্মী সংগঠনের অনশন-আন্দোলন শুরু হয় কলকাতা জুড়ে। মমতাকে বেগ পেতে হয়েছিল ২০১৯ সালের মার্চ মাসে এসএসসি চাকরিপ্রার্থীদের অনশনে। মেধাতালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও তাঁদের চাকরি থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে—এই দাবিতে মেয়ো রোডে অনশনে বসেন হবু শিক্ষকেরা। সেই আন্দোলনে প্রায় ৮০ জন এসএসসি চাকরিপ্রার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েন।  এবার একই পথে জুনিয়র ডাক্তাররা। তাঁদের ১০ দফা দাবি নিয়ে ধর্মতলায় আমরণ অনশন করছেন। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত অনশন চলবে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।

    আরও পড়ুন: বীরভূমের খনিতে বিস্ফোরণ, মুখ বোজাতে সেই ‘টাকার খেলা’ মমতার! বিজেপি চাইল এনআইএ

    অনশন প্রসঙ্গে বিজেপি

    আরজি কর-কাণ্ডে (RG Kar Incident)  বিজেপি যদিও মমতার (Mamata Banerjee) অনশনের সঙ্গে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনকে এক করে দেখতে চাইছে না। দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের কথায়, ‘‘ওটা অনশন ছিল না কি! রাতে পর্দার আড়ালে কী হত, তা নিয়ে তো ওঁর দলের লোকেরাই নানা কথা বলেন। এখন যে অনশন চলছে, তার সঙ্গে রয়েছে গোটা রাজ্যের মানুষের সমর্থন।’’ একই সঙ্গে সুকান্তের দাবি, ‘‘অনশনকে মমতার ‘অস্ত্র’ বললে আন্দোলনের এই পথকে অসম্মান করা হবে। অনশনের অনেক ঐতিহাসিক নজির রয়েছে আমাদের দেশে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Arjun Singh: ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে খুন করার চক্রান্ত করছেন’’, বিস্ফোরক অর্জুন

    Arjun Singh: ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে খুন করার চক্রান্ত করছেন’’, বিস্ফোরক অর্জুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার জগদ্দলের মেঘনা মোড়ে অর্জুন সিংয়ের বাড়ি মজদুর ভবন লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি, বোমাবাজি, গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। তদন্তে নেমে পুলিশ চারজনকে গ্রেফতার করেছে। হামলার ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিং (Arjun Singh)। একইসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) তিনি তোপ দাগেন।

    মমতা আমাকে খুন করার চক্রান্ত করছেন (Arjun Singh)

    শনিবার সকালে সাংবাদিক সম্মেলন করে অর্জুন সিং (Arjun Singh) বলেন, ‘‘পুলিশের সামনেই আমার বাড়িতে হামলার ঘটনাটি ঘটেছ। পুলিশের ওপরে আমাদের কোনও আস্থা নেই। ঘটনায় ইতিমধ্যেই চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কিন্তু, সঠিক যারা দোষী তাদেরকে পুলিশ এখনও গ্রেফতার করেনি।’’ তিনি বলেন, ‘‘নবান্ন থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে খুন করার চক্রান্ত করছেন। এই পশ্চিমবঙ্গে যাঁরা প্রতিবাদ করবেন তাঁদেরকেই সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন এই মুখ্যমন্ত্রী। আরজি করের ঘটনার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যাগ ফুটে চলে গিয়েছেন। কোনও রাজনৈতিক দল নয়, ডাক্তার, সাধারণ মানুষ যাঁরাই প্রতিবাদ করবেন, তাঁদের কাউকে মিথ্যা কেস দিয়ে বা খুন করিয়ে জেলে ঢুকিয়ে দেবেন।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘মিডিয়া তাঁর বিপক্ষে কেউ কথা বললে তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দেওয়া হচ্ছে। মিথ্যা কেস দেওয়া হচ্ছে।’’

    আরও পড়ুন: জয়নগরে নাবালিকাকে ‘ধর্ষণ করে খুন’, নিষ্ক্রিয় পুলিশকে ঝাঁটাপেটা, ফাঁড়িতে আগুন   

    হিটলারের সঙ্গে মমতার তুলনা

    এদিন হিটলারের সঙ্গে মমতার তুলনা করে অর্জুন (Arjun Singh) বলেন, ‘‘হিটলারের মতো ক্ষমতা প্রয়োগ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় থাকতে চাইছেন। কিন্তু, জেনে রাখুন তিনি বেশিদিন এভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবেন না। আরজি করের ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন বলেই মমতার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ প্রতিবাদে সরব হয়েছেন।’’ প্রসঙ্গত, শুক্রবার জগদ্দলের মেঘনা মোড়ে অর্জুন সিংয়ের বাড়ি মজদুর ভবন লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি, বোমাবাজি এবং গুলিও চলে বলে অভিযোগ। তৃণমূল নেতা নমিত সিং ও তাঁর দলবল এই কাজ করেছে বলেই দাবি প্রাক্তন সাংসদের। অর্জুন সিং দাবি করেছিলেন, ২০-২৫ জন পুলিশকর্মী ছিলেন। তাঁদের সামনেই বোমা ছোড়া হয়। কয়েকজন পুলিশকর্মীকেও হামলাকারীরা ধাক্কাধাক্কি করে।

    তৃণমূলকে নিশানা শুভেন্দুর

    অর্জুনের বাড়ি লক্ষ্য করে হামলার ভিডিও শেয়ার করে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই হামলা চালায় বলে অভিযোগ বিরোধী দলনেতার। ঘটনাস্থলে পৌঁছেও হামলাকারীদের না ধরে কার্যত হাত গুটিয়েই বসে ছিল পুলিশ, অভিযোগ শুভেন্দুর। ভিডিয়োয় অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে কড়া শাস্তিরও দাবি তুলেছেন বিরোধী দলনেতা।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: দাড়িভিটে নিহত দুই ছাত্রকে বাংলা ‘ভাষা শহিদ’ ঘোষণার দাবি সুকান্তর, চিঠি মমতাকে

    Sukanta Majumdar: দাড়িভিটে নিহত দুই ছাত্রকে বাংলা ‘ভাষা শহিদ’ ঘোষণার দাবি সুকান্তর, চিঠি মমতাকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলা ভাষাকে ভারতীয় ধ্রুপদী ভাষার স্বীকৃতি দিয়েছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। অবশ্য বাংলা ভাষার এই মর্যাদার জন্য নানা মহল থেকে অনেক দিন ধরেই দবি উঠছিল। এবার কেন্দ্রীয় সরকার সেই সম্মান জানিয়েছে। বাংলার মুকুটে আরেক পালক যুক্ত হয়েছে। কিন্তু এই পরিস্থিতির মধ্যে বালুরঘাটের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আরও এক নতুন দাবি রাখলেন। ২০১৮ সালে উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর দাড়িভিটে দুই স্কুল পড়ুয়াকে প্রকাশ্যে গুলি করে খুন করা হয়েছিল। তাঁদের একটাই দাবি ছিল— স্কুলে উর্দু নয়, বাংলার শিক্ষক চাই। তাই এই দুই আত্মবলিদানকারী ছাত্রদের ‘ভাষা শহিদ’ (Bhasha Shahid) হিসেবে সম্মান জানানোর কথা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লেখেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি।

    বুকে এবং পেটে গুলি লাগে (Sukanta Majumdar)?

    ঘটনা ঘটেছিল ২০১৮ সালের ২০ সেপ্টেম্বরে। স্কুলে কোনও উর্দু পড়ুয়া না থাকা সত্ত্বেও রাজ্য সরকার উর্দু শিক্ষক জোর করে নিয়োগ করতে চেয়েছিল। কিন্তু ছাত্রছাত্রীদের দাবি ছিল বাংলা, ইংরেজি, সংস্কৃত এবং বিজ্ঞানের শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে। প্রতিবাদে স্কুলের মধ্যে বিক্ষোভ-আন্দোলন চলে। এরপর ছাত্রদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস এবং লাঠি চালানো হয়। এরপর পুলিশ প্রকাশ্যে গুলি করে। গুলি গিয়ে লাগে রাজেশ সরকার এবং তাপস বর্মণের বুকে এবং পেটে। ঘটনায় বিপ্লব সরকার নামে আরও এক ছাত্রের পায়ে গুলি লেগেছিল। কিন্তু অত্যধিক রক্তক্ষরণের কারণে রাজেশ-তাপসের (Bhasha Shahid) মৃত্যু হয়। একই ভাবে পুলিশের লাঠির আঘাতে আরও অনেক ছাত্র আহত হয়েছিলেন। এরপর থেকে ওই গ্রামে ‘বাংলা মাতৃভাষা দিবস’ রূপে ২০ সেপ্টেম্বর পালন করা হয়। উল্লেখ্য কারা গুলি চালিয়েছিল, এখনও পর্যন্ত সন্ধান করে নাম প্রকাশ্যে আনতে পারেনি পুলিশ বা সিআইডি। এবার স্বীকৃতির দাবিতে মমতাকে চিঠি লিখলেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)।

    আরও পড়ুনঃ নাবালিকাকে ‘ধর্ষণ করে খুন’, নিষ্ক্রিয় পুলিশকে ঝাঁটাপেটা, ফাঁড়িতে আগুন, অগ্নিগর্ভ জয়নগর

    দাড়িভিটে তৈরি করা হোক দুই শহিদ স্মারক

    এখন এই মৃত্যুর কারণ স্বরূপ সুকান্ত (Sukanta Majumdar), মমতাকে চিঠিতে লিখেছেন, “ওই স্কুলে প্রয়োজন ছাড়াই উর্দু শিক্ষকের নিয়োগকে কেন্দ্র করে একটি ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। কারণ ওই এলাকায় উর্দুভাষী মানুষের সংখ্যা নিতান্তই কম। জোর করে উর্দু শিক্ষক চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে সরব হওয়া পড়ুয়াদের উপরে লাঠি, গুলি চালায় পুলিশ। দুই ছাত্র তাপস বর্মণ ও রাজেশ সরকারের মৃত্যু হয়। বাংলা ভাষার ধ্রুপদী স্বীকৃতি মেলার পরে রাজ্য সরকার ওই দুই ছাত্রকে ভাষা শহিদ হিসেবে ঘোষণা করুক। দাড়িভিটে তৈরি করা হোক দুই শহিদ স্মারক (Bhasha Shahid)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘‘বাংলার পাঠ্য পুস্তকে উর্দু ভাষার দাপট’’! মমতাকে কটাক্ষ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘‘বাংলার পাঠ্য পুস্তকে উর্দু ভাষার দাপট’’! মমতাকে কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর মুখে বাংলাকে (Bengali Language) ধ্রুপদী ভাষার তকমা দিয়েছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার (PM Modi)। সেই আনন্দ রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। একই সঙ্গে রাজ্যের পাঠ্য পুস্তকে বাংলা ভাষা হারিয়ে যাচ্ছে, দেখা যাচ্ছে উর্দু আগ্রাসন, তাই নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করলেন সুকান্ত। প্রশ্ন তুললেন বাংলার গৌরব ক্ষুন্ন করে কেন উর্দুকে প্রাধান্য দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee)। 

    কী বললেন সুকান্ত

    এদিন সুকান্ত (Sukanta Majumdar) দাবি করেন, মুখ্যমন্ত্রীর ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতির জন্য বাংলার পাঠ্যপুস্তক থেকে হারিয়ে যাচ্ছে বাংলা ভাষা। তিনি বলেন,  ‘‘ আপনার ভোট-ব্যাঙ্কের অন্যায় রাজনীতির স্বার্থে বাংলার পাঠ্য পুস্তক থেকে যেভাবে একের পর এক বাংলা শব্দ ধীরে ধীরে রূপান্তরিত হয়েছে উর্দুতে, আজ আনন্দের দিনেও সেগুলি বাঙালির জন্য উদ্বেগের।’’ সম্প্রতি বাংলাদেশেও শেখ হাসিনা সরকারের পতনের উর্দু আগ্রাসন চোখে পড়েছে।

    শহিদ স্মরণ

    মুখ্যমন্ত্রীর তোষণনীতির ফলে রাজ্যে বাংলা ভাষার জন্য লড়াই করা দুই শহিদের কথাও এদিন উল্লেখ করেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। তাঁর কথায়, ‘‘আজকের এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গের একজন নাগরিক এবং বাঙালি হিসেবে বাংলা ভাষার (Bengali Language) জাতীয় স্বীকৃতিলাভের আনন্দ আপনার সঙ্গেও ভাগ করে নিচ্ছি। ভারতের যশস্বী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে গৃহীত এই সিদ্ধান্ত সমগ্র বাঙালি সমাজকে গৌরবান্বিত করেছে। তবে একই সঙ্গে আজ স্মরণ করছি সাম্প্রতিক পশ্চিমবঙ্গে বাংলা ভাষার জন্য প্রাণ উৎসর্গ করা দুই শহিদকেও। ২০১৮ সালে বাংলার পবিত্র ভূমিতেই  উর্দু আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে আপনার নিয়ন্ত্রণাধীন পুলিশের গুলিতে ঝাঁঝরা হতে হয়েছিল উত্তর দিনাজপুরের দাঁড়িভিটের দুই বাঙালি সন্তান রাজেশ বর্মন এবং তাপস সরকার – কে। আজকের দিনে তাঁরা সশরীরে জীবিত থাকলে হয়তো প্রতিটি বাঙালির মতোই গর্বিত অনুভব করতে পারতেন!’’ 

    আরও পড়ুন: ধ্রুপদী ভাষার তকমা পেল বাংলা, আপামর বাঙালিকে পুজোর উপহার মোদি মন্ত্রিসভার

    প্রসঙ্গত,  ২০১৮ সালের ২০ সেপ্টেম্বরে শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের দাড়িভিট হাইস্কুল। অবরোধ থেকে শুরু করে ইট পাথর ছোড়ার মতো ঘটনাও ঘটে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আনতে পেরে গুলি চালায় বলে অভিযোগ। সেই গুলিতেই মৃত্যু হয় দাড়িভিট হাইস্কুলের প্রাক্তন ছাত্র রাজেশ ও তাপসের। এই ঘটনার তদন্ত করছে এনআইএ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bengali Language: ধ্রুপদী ভাষার তকমা পেল বাংলা, আপামর বাঙালিকে পুজোর উপহার মোদি মন্ত্রিসভার

    Bengali Language: ধ্রুপদী ভাষার তকমা পেল বাংলা, আপামর বাঙালিকে পুজোর উপহার মোদি মন্ত্রিসভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেবীপক্ষের শুরুতেই বাঙালিদের জন্য পুজোর উপহার দিল মোদি সরকার। বাংলা ভাষাকে ধ্রুপদী ভাষার (Bengali Language) তকমা দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। সাহিত্য অ্যাকাডেমি নিয়ন্ত্রণাধীন ভাষা বিশেষজ্ঞ কমিটি (Linguistics Experts Committee) গত ২৫ জুলাইয়ের বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে বাংলা-সহ মোট পাঁচটি ভাষাকে ধ্রুপদী ভাষার (Classical language) মর্যাদা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পুজোর মুখে সেই কথা জানাল কেন্দ্র। 

    কোন কোন ভাষা ধ্রুপদী ভাষা

    এবার মারাঠি, পালি, প্রাকৃত, অসমিয়ার সঙ্গে বাংলাকেও ‘ক্ল্যাসিক্যাল’ ভাষার (Bengali Language) মর্যাদা দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। ফলে এই তালিকায় জায়গায় পাওয়া ভাষার সংখ্য়া দাঁড়াল ১১। যা আগে ছিল ৬। আগে এই তালিকায় ছিল তামিল, সংস্কৃত, তেলুগু, কন্নড়, মালায়লাম এবং ওড়িয়া। এ নিয়ে উচ্ছ্বসিত পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    ধ্রুপদী ভাষা কী

    কোনও ভাষার (Bengali Language) ইতিহাস বা প্রাপ্ত নথির বয়স যদি ১,৫০০ থেকে ২০০০ বছর হয়, আদি ভাষা এবং সাহিত্যের সঙ্গে বর্তমানের ভাষা এবং সাহিত্যের ফারাক যদি স্পষ্ট হয়, তবেই সেই ভাষাকে ধ্রুপদীর স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ধ্রুপদী ভাষার (Classical language) বিস্তারের জন্য কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রককে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে একাধিক দায়িত্বভার দেওয়া হয়েছে। ২০২০ সালে কেন্দ্রীয় আইন প্রণয়নের মাধ্যমে সংস্কৃতের জন্য তিনটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় গঠন করা হয়েছে। বাংলার ক্ষেত্রেও এধরনের পদক্ষেপের সুযোগ থাকবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। প্রথম ধ্রুপদী ভাষা হিসেবে মর্যাদা পেয়েছিল তামিল। 

    ধ্রুপদী মর্যাদা পাওয়ার ফলে কোন কোন সুবিধা 

    এই স্বীকৃতি পেলে সেই ভাষা (Classical language) নিয়ে গবেষণা এবং সাহিত্য চর্চার জন্য বিশেষ অনুদান দেয় কেন্দ্র। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আলাদা বিভাগ বা কেন্দ্র গঠন করা হয়। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সেই ভাষার মর্যাদা বৃদ্ধি পায়। ধ্রুপদী ভাষার (Bengali Language)  মর্যাদা পেলে তাতে লেখা প্রাচীন পাণ্ডুলিপি, শিলালিপি, এবং দুষ্প্রাপ্য গ্রন্থসমূহ সংরক্ষণের জন্য বিশেষ উদ্যোগী হওয়া হয়। দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই স্বীকৃতি প্রাপ্ত ভাষাকে পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ বৃদ্ধি পায়। ধ্রুপদী ভাষার মর্যাদা পাওয়ার ফলে বাংলার সাহিত্যিক, গবেষক ও ভাষাবিদদের জন্য বিশেষ পুরস্কার ও সম্মাননার ব্যবস্থাও করা হবে। ধ্রুপদী ভাষার মর্যাদার কারণে পেশাদারী ক্ষেত্রে বাংলার ব্যবহারিক প্রয়োগ আরও যে বাড়বে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এর ফলে কর্মসংস্থান এবং আর্থিক লাভের সম্ভাবনা হবে বলেও কেন্দ্র সরকারের দাবি।

    ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত’, প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    বাংলা (Bengali Language) ধ্রুপদী ভাষার (Classical language) তকমা পাওয়ায় খুশির হাওয়া সর্বত্র। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, আপামর বাঙালিকে পুজোর আগে বিশেষ উপহার দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, ‘‘কেন্দ্রের এই স্বীকৃতি যারা বাংলায় কথা বলেন তাঁদের কাছে পুজোর সেরা উপহার। এই স্বীকৃতির ফলে বাংলা ভাষা নিয়ে গবেষণা এবং সাহিত্য চর্চার জন্য বিশেষ অনুদান দেবে কেন্দ্রীয় সরকার, এর ফলে প্রাচীন পাণ্ডুলিপি, শিলালিপি ও দুষ্প্রাপ্য গ্রন্থসমূহ সংরক্ষণের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হবে।’’

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের মতে, বাঙালিদের জন্য এটা ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত’। তিনি বলেন, ‘‘সমগ্র রাষ্ট্রের দরবারে বাংলা ভাষাকে অন্যতম ধ্রুপদী ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। সুদীর্ঘকাল ধরে প্রতিটি বাঙালির মাতৃভাষাকে ঘিরে যে স্বপ্ন, তা আজ পূরণ হল প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে।’’ একটি ‘স্ক্রিনশট’ও তিনি শেয়ার করেছেন। সেখানে জানানো হয়েছে, তামিল, সংস্কৃত, তেলুগু, কন্নড়, মালয়ালম, ওড়িয়ার সঙ্গে ধ্রুপদী ভাষার তালিকায় জুড়ল বাংলা, মরাঠি, পালি, অহমিয়া এবং প্রাকৃত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ। 

  • Flood Relief: বন্যার জন্য মমতা দায়ী করেছিলেন কেন্দ্রকে, বৈরিতা ভুলে মোদিই দিলেন ৪৬৮ কোটি টাকা!

    Flood Relief: বন্যার জন্য মমতা দায়ী করেছিলেন কেন্দ্রকে, বৈরিতা ভুলে মোদিই দিলেন ৪৬৮ কোটি টাকা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্যায় বিধ্বস্ত (Flood Relief) উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকা। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলার ক্ষেত্রে বারবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্র এবং ডিভিসিকে দোষারোপ করছেন। এই আবহে পশ্চিমবঙ্গের বন্যায় ৪৬৮ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিল কেন্দ্র সরকার। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের (Amit Shah) তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যে বন্যার জেরে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা খতিয়ে দেখার জন্য একটি দল পাঠানো হবে। সেই কেন্দ্রীয় দল যে রিপোর্ট দেবে, তার উপর ভিত্তি করে বন্যাবিধ্বস্ত এলাকায় অতিরিক্ত সাহায্যের অনুমোদনও দেওয়া হবে।

    কেন্দ্রের সাহায্য

    বন্যা মোকাবিলায় (Flood Relief) মঙ্গলবার রাজ্যকে ৪৬৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করল কেন্দ্র। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও আরও ১৩টি রাজ্যকে আর্থিক সাহায্য করা হয়েছে। সবমিলিয়ে ১৪টি রাজ্যের জন্য ৫৮৫৮.৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের কথা এক্স হ্যান্ডলে জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। কেন্দ্র যে রাজ্যগুলির পাশে রয়েছে, সেকথা জানান তিনি। এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ইন্টার মিনিস্ট্রিয়াল সেন্ট্রাল টিম (আইএমসিটি) বিভিন্ন রাজ্যে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়েছে। খুব শীঘ্রই আইএমসিটি বিহার ও পশ্চিমবঙ্গে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে যাবে। তাদের রিপোর্ট পাওয়ার পর প্রক্রিয়া মেনে এনডিআরএফ থেকে আরও আর্থিক সাহায্য করা হবে। চলতি বছরে ২১টি রাজ্যকে সবমিলিয়ে ১৪ হাজার ৯৫৮ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে।

    দোষারোপের পালা

    রাজ্যে বন্যার (Flood Relief) জন্য ডিভিসিকে তোপ দেগে কয়েকদিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে বন্যা মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় সাহায্যেরও আবেদন জানান তিনি। এদিন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে বাংলা-সহ একাধিক রাজ্যকে আর্থিক সাহায্য করা হয়েছে। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, চলতি বছর বর্ষায় ভারী বৃষ্টি, বন্যা, ধসের কারণে ক্ষতির মুখে পড়েছে এই রাজ্যগুলি। সে কারণেই অনুদান ঘোষণা করা হয়েছে। আর্থিক সাহায্য ছাড়াও জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দল, সেনা, বায়ুসেনার দল পাঠানো হয়েছে। আগে বহুবার কেন্দ্রের উপর আর্থিক বঞ্চনার অভিযোগ এনেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। তবে সবসময়ই রাজ্যের দোষারোপকে উপেক্ষা করেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে দিল্লি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ। 

  • Suvendu Adhikari: “যেচে চড় খেয়েছে রাজ্য”, ডাক্তারদের আন্দোলন প্রসঙ্গে বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “যেচে চড় খেয়েছে রাজ্য”, ডাক্তারদের আন্দোলন প্রসঙ্গে বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যেচে চড় খেয়েছে রাজ্য।” ১ অক্টোবর ডাক্তারদের মিছিলে অনুমতি দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। তার প্রেক্ষিতেই কথাগুলি বললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “এ ব্যাপারে কেউ যদি যেচে (Mamata Banerjee) চড় খেতে চায়, তো খাবে। সুপ্রিম কোর্ট তো আগেই বলে দিয়েছিল, ডাক্তারদের কেন, যে কোনও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে বাধা দিতে পারবে না সরকার।”

    কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    তিনি বলেন, “এর আগে ছাত্র সমাজের নবান্ন অভিযানও আটকাতে গিয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট তা শোনেইনি। ডিভিশন বেঞ্চও তো তা গ্রাহ্য করেনি। স্বাভাবিকভাবেই রাজ্য সরকার এসব করতে যায়। যদি লেগে যায়। ফাটকা খেলতে যায় আর কি!” তৃণমূল সুপ্রিমোকেও নিশানা করেছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “আরজি কর, সাগর দত্ত, তারপর ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে ডাক্তারদের ওপর নিগ্রহ হয়েছে। সব সমস্যার মূলে রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।” নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, “ওঁকে প্রাক্তন করা না হলে, কোনও সমস্যা মিটবে না। কারণ পুলিশের যে কাজ করার কথা, সেটা তারা করে না। পুলিশ দলের কাজ করে, টাকা তোলে।”

    মিছিলের ডাক চিকিৎসকদের

    আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদ ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে আজ, ১ অক্টোবর বিকেল ৫টায় মিছিলের ডাক দিয়েছে চিকিৎসকদের ৫৫টি সংগঠন। উদ্যোক্তা জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টর্স। মিছিল হবে কলেজ স্কোয়ার থেকে রবীন্দ্র সদন পর্যন্ত। চিকিৎসকদের বিভিন্ন সংগঠনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও এই মিছিলে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে উদ্যোক্তাদের তরফে। মিছিলের জন্য অনুমতি চাওয়া হলেও, পুলিশ তা দেয়নি। এর পর কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন উদ্যোক্তারা।

    আরও পড়ুন: মাওবাদীদের সঙ্গে সম্পর্ক! নজরে দুই মহিলা, পানিহাটিসহ রাজ্যের সাত জায়গায় এনআইএ হানা

    শর্ত সাপেক্ষে মিছিলের অনুমতি দেয় আদালত। আদালতের শর্ত হল, নির্দিষ্ট রুটেই মিছিল হবে। নামাতে হবে পর্যাপ্ত সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবকও। রাজ্যকে ভর্ৎসনা করে বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ বলেন, “এক কাজ করুন। গোটা শহরেই আপনারা ১৪৪ ধারা জারি করুন (Mamata Banerjee)।” আদালতের এহেন মন্তব্য প্রসঙ্গেই ‘যেচে চড়’ খাওয়ার উপমা দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

       

  • Vegetables Price Hike: মমতা ব্যস্ত উৎসবে, পুজোর মুখে সবজির আগুন বাজারে পুড়ছে আমজনতা!

    Vegetables Price Hike: মমতা ব্যস্ত উৎসবে, পুজোর মুখে সবজির আগুন বাজারে পুড়ছে আমজনতা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) উৎসবে মশগুল হয়ে রয়েছেন, অথচ সবজির বাজার (Vegetables Price Hike) অগ্নিমূল্য। সামনেই পুজো, মধ্যবিত্ত খাবে কী? পরপর নিম্নচাপের জেরে অতি বর্ষণে চাষের জমি জলের তলায় চলে গিয়েছে। বন্যার কবলে পড়েছে রাজ্যের বেশিরভাগ জেলা। চাহিদার তুলনায় কাঁচামালের বাজারে জোগান নেই। পুজোর মুখে নাজেহাল হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষ। জোগান কম থাকলে যা হয়, এক্ষেত্রেও তাই হচ্ছে। এর সুযোগ নিয়ে ফোড়েরা বাড়তি মুনাফার লক্ষ্যে দাম আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। সরকারের কোনও নজরই নেই। টাস্ক ফোর্স নামক যে একটি পদার্থ আছে, তা সরকারেরও বোধহয় আর মনে নেই। তারা বাজারে মাঝে মধ্যে ঘোরে ঠিকই, কিন্তু তা কার্যত বেড়ানোরই সামিল, কাজ কিছু হয় না।

    মানিকতলা বাজারে সবজির দাম কত (Vegetables Price Hike)?

    বাকি আর পাঁচটা দিনের মতো নয় রবিবারের বাজার। সবজির বাজারে যেন আগুন লেগে গিয়েছে। আর হবেই না বা কেন, মানুষের চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পর্যাপ্ত আমদানি নেই। ছবিটা যেন অন্যরকম হয়ে গিয়েছে। দাম শুনলেই চমকে যেতে হয়। কলকাতার মানিকতলা বাজারে ঢুকলেই সেই চিত্র ধরা পড়ছে। এই বাজারে পটল (Vegetables Price Hike) কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। বেগুন ১০০ টাকার উপরে চলে গিয়েছে। টম্যাটো প্রতি কেজি ১০০ টাকা, ঝিঙ্গে ৮০ টাকা, কাঁচালঙ্কার দাম ২০০ টাকা প্রতি কেজি। গাজরের দাম ৭০ টাকা প্রতি কেজি, শসা ৮০ টাকা প্রতি কেজি, বিন্স ২০০ টাকা প্রতি কেজি, উচ্ছে ৮০ টাকা প্রতি কেজি। অথচ রাজ্য সরকারের ভ্রূক্ষেপ নেই। স্থানীয় ক্রেতাদের দাবি, “উৎসবের মেজাজে চলে গিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাই বাজারের আঁচ বুঝতে পারছেন না।”

    বাঁকুড়া পুরসভার বাজার অগ্নিমূল্য

    জেলার বাজারগুলিতেও সবজির অগ্নিমূল্যের (Vegetables Price Hike) চিত্র লক্ষ্য করা গিয়েছে। বাঁকুড়া পুরসভার বাজারে দেখা গিয়েছে এদিন পটল বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, ফুলকপি ৬০ টাকা, আলু ৩০ টাকা, পেঁয়াজ ৬০ টাকা, ঝিঙে ৩০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, টম্যাটো ৬০ টাকা কেজি, ক্যাপসিকাম ১৫০ টাকা, গাজর ৪০ টাকা, ওল ৮০ টাকা, কাঁচা লঙ্কা ২০০ টাকা প্রতি কিলো। উল্লেখ্য, একদিকে নিম্নচাপের ফলে অতিবৃষ্টি এবং দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার ফলে সবজি উৎপাদিত অঞ্চলের জমিগুলি ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে। একাধিক নদীর জল উপচে চাষের জমিতে ঢুকে পড়ায় ফসলের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলেছে।

    আরও পড়ুনঃ আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদ, পথে নামছেন প্রাক্তন পুলিশকর্মীরা, সন্ধ্যায় হাওড়ায় মিছিল

    উত্তরবঙ্গেও চড়া দাম

    বৃষ্টির সরাসরি প্রভাব পড়ছে সবজির বাজারদরে (Vegetables Price Hike)। একই পরিস্থিতি দেখা গিয়েছে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে। মালদায় মুলোর দাম পৌঁছে গিয়েছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজিতে। মিষ্টি কুমড়ো ৪০-৬০ টাকা কেজি, বাঁধাকপি প্রতি কিলো ৬ টাকা। রসুন ২৫০ টাকা, আদা ১৫০ টাকা, সজনে ২০০ টাকা, লাউ ৩০-৪০ টাকা প্রতি কেজি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: “১০০ দিনের কাজ আদৌ চালু আছে?”, সাতদিনের মধ্যে রাজ্যের জবাব তলব হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: “১০০ দিনের কাজ আদৌ চালু আছে?”, সাতদিনের মধ্যে রাজ্যের জবাব তলব হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি ইস্যুতে বার বার কেন্দ্রের সঙ্গে সংঘাত হয়েছে রাজ্যের। এই প্রকল্পে ভুরি ভুরি দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। মূলত আর্থিক দুর্নীতির কারণে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে টাকা আটকে রাখা হয়েছে। রাজ্যের পক্ষ থেকে বার বার কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তোলা হয়েছে। এই আবহের মধ্যে রাজ্যে ১০০ দিনের কাজ আদৌ হচ্ছে কি না, এ বার রাজ্যের কাছে জানতে চাইল কলকাতা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। জানিয়ে দিল, ওই প্রকল্পে উঠে আসা দুর্নীতির অভিযোগের ভিত্তিতে অনুসন্ধান হয়েছে। ওই প্রকল্পের কাজ যেন বন্ধ না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে রাজ্যকে।

    কী নির্দেশ দিল হাইকোর্ট? (Calcutta High Court)

    ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলায় বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি বিভাস পট্টনায়েকের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, ওই প্রকল্প ঘিরে নানা দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রকল্পের কাজ যেন বন্ধ না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে রাজ্য সরকারকে। এ জন্য রাজ্যকে সাত দিনের সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার আদালতে জনস্বার্থ মামলাকারীর আইনজীবী জানান, প্রকল্পের টাকা নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের দ্বন্দ্বের ফলাফল হিসেবে প্রায় দু’বছরের কাছাকাছি কাজ বন্ধ রয়েছে। এর পরেই রাজ্যের থেকে কাজের খতিয়ান চেয়েছে উচ্চ আদালত। আগামী সাতদিন অর্থাৎ ৩ অক্টোবরের মধ্যে রাজ্যকে জানাতে হবে, ১০০ দিনের কাজ চলছে কি না।

    আরও পড়ুন: পুজোর মুখে পর পর বন্ধ হচ্ছে জুটমিল! কর্মহীন কয়েক হাজার, হেলদোল নেই মমতা-সরকারের

    দুর্নীতি নিয়ে কোর্টে জনস্বার্থ মামলা

    ১০০ দিনের কাজে (100 Days Work) কেন্দ্রীয় অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য ছিল, কেন্দ্রীয় সরকারের মনরেগা প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতি করা হয়েছে। ভুয়ো জব কার্ড, মৃত ব্যক্তির নামে জব কার্ড, অসত্য তথ্য দিয়ে জব কার্ড তৈরি করে কেন্দ্রের টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। গ্রামে বসবাস করেন না এমন ব্যক্তিদের নামেও জবকার্ড তৈরি করে দুর্নীতি করা হয়েছে। রাজ্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। এমনকী ভুয়ো জবকার্ডের টাকা তোলার জন্য প্রচুর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের অপব্যবহার করা হয়েছে। ওই দুর্নীতির তদন্ত সিবিআইকে দেওয়া হোক। এর পরেই ভুয়ো কার্ড শনাক্ত করতে চার সদস্যের কমিটি গঠন করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। শুভেন্দুর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সৌম্য মজুমদার, তরুণজ্যোতি তিওয়ারি, সূর্যনীল দাস। প্রকল্পের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় দল পাঠায় নরেন্দ্র মোদি সরকার। তাদের অনুসন্ধানের ওপর ভিত্তি করে গত বছর মার্চ মাসে প্রকল্পের অর্থ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মামলা করেছিল পশ্চিমবঙ্গ ক্ষেত মজদুর সমিতিও। কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাতের জেরে কাজের পরও শ্রমিকরা প্রাপ্য টাকা পাচ্ছেন না বলে মামলা হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share