Tag: Mamata Banerjee

Mamata Banerjee

  • Suvendu Adhikari: “ওঁর চার্টার্ড ফ্লাইট আছে, আমাদের সাধারণ বিমান”, মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “ওঁর চার্টার্ড ফ্লাইট আছে, আমাদের সাধারণ বিমান”, মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝড়ের পর বিধ্বস্ত জলপাইগুড়ি যান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন তিনি। ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। পাশে থাকার বার্তা দেন। আর লোকসভা ভোটের মুখে রাতে তড়িঘড়ি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জলপাইগুড়িতে পৌঁছে যাওয়া নিয়েও কটাক্ষ করেছেন তিনি।

    প্রায় ৮০০ বাড়ি ধ্বংস! (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, এই কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলিকে। কারণ, রাজনৈতিক কর্মী এবং জনপ্রতিনিধিরা এই মুহূর্তে নির্বাচনী বিধির আওতায় পড়ছেন। তাই ইচ্ছা থাকলেও বিশেষ কিছু করতে পারবেন না। কাল থেকে ওখানে আমাদের স্বেচ্ছাসেবী এবং জেলার কর্মীরা কাজ করছেন। নির্বাচনী বিধি মাথায় রেখে আমাদের পক্ষ থেকে সাধ্যমতো কাজ করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর দফতর দ্রুততার সঙ্গে হস্তক্ষেপ করেছে। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী উদ্ধারের পাশাপাশি ত্রাণ কাজও চালিয়েছে। জলপাইগুড়িতে প্রায় ৮০০ বাড়ি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। বাড়িগুলি টিন দিয়ে তৈরি ছিল। এই সময়ে সরকারের উচিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো। কারণ, বিপর্যয়ের ক্ষেত্রে সরকার আদর্শ আচরণবিধির আওতায় পড়ে না।

    ওঁর চার্টার্ড ফ্লাইট আছে, আমাদের সাধারণ বিমান, তোপ শুভেন্দুর

    জলপাইগুড়ির ঝড়ে প্রাণহানির খবর পেয়ে রবিবার রাতেই সেখানে পৌঁছে যান মমতা। মমতা রবিবার রাত সাড়ে ৯টার পর চার্টার্ড ফ্লাইটে জলপাইগুড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। আর শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বিমানবন্দর থেকে রওনা দিয়েছেন সোমবার সকাল ৯টা নাগাদ। অর্থাৎ, তাঁদের যাত্রার সময়ের ব্যবধান প্রায় ১৩ ঘণ্টা। এ প্রসঙ্গে সোমবার সকালে বিমানবন্দর থেকে শুভেন্দু বলেন, “ওঁর চার্টার্ড ফ্লাইট আছে, তাই উনি রাতে চলে গিয়েছেন। আমাদের সাধারণ বিমান, যখন সময় হবে, আমি যাব। মমতার দ্রুত যাওয়া নিয়ে নির্বাচনী বন্ডের প্রসঙ্গও তুলেছেন বিরোধী দলনেতা। তাঁর কথায়, “তৃণমূল তো নির্বাচনী বন্ড থেকে অনেক টাকা পেয়েছে। সঞ্জীব গোয়েঙ্কা৪০০ কোটি টাকা দিয়েছে। ডিয়ার লটারি দিয়েছে ৬০০কোটি টাকা। ভোররাতে, মাঝরাতে যখন খুশি চার্টার্ড ফ্লাইটে ওঁরা যেতে পারেন। তবে আমি তৃণমূল এবং মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে চাই, মাল নদীতে হড়পা বানের সময়ে যদি ওঁর এইতৎপরতা দেখতে পেতাম, তা হলে ভাল লাগত। তা হলেবুঝতাম আপনি রাজধর্ম করছেন, ভোটধর্ম করছেন না।”বাগডোগরায় নেমে শুভেন্দু আর এক প্রস্থ কটাক্ষ করেন মমতাকে। বলেন, “রাতে কী কাজ? ওঁর এত তাড়াহুড়ো করার কী ছিল? মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করা, হাসপাতালে যাওয়া- এগুলো তো উনি সকালেও করতে পারতেন, যেমন রাজ্যপাল করেছেন। দুর্গাপুজোর সময়ে মালবাজারে যা হল, তখন উনি কোথায় ছিলেন?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Whatsapp, Telegram, FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri Storm: জলপাইগুড়ির ঝড়ে নিহতদের প্রতি শোক বার্তা মোদির, বিজেপিকে পাশে থাকার পরামর্শ

    Jalpaiguri Storm: জলপাইগুড়ির ঝড়ে নিহতদের প্রতি শোক বার্তা মোদির, বিজেপিকে পাশে থাকার পরামর্শ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার হঠাতই ঘূর্ণিঝড়ে (Jalpaiguri Storm) লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছে জলপাইগুড়ির বিস্তীর্ণ এলাকা। ঘটনায় ইতিমধ্যেই পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ আহত হয়েছেন দুশোর বেশি মানুষ। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে জলপাইগুড়ি শহর সংলগ্ন পাহাড়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পাতকাটা ও ময়নাগুড়ি এলাকার ডেঙ্গুয়াঝাড় চা-বাগান ও ধূপগুড়ি অঞ্চলে। আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছেন বহু মানুষ। এই ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বিজেপি নেতা-কর্মীদের দ্রুত বিপদগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। 

    প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা 

    জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri Storm) ঘটনার খবর পেয়েই এক্স হ্যান্ডলে মোদি লিখেছেন, “পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি-ময়নাগুড়ি এলাকায় বহু পরিবার ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যারা প্রিয়জনকে হারিয়েছেন তাঁদের প্রতি আমার সমবেদনা রইল।” বঙ্গ বিজেপিকে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার এবং ত্রাণকাজে নামার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে তিনি লেখেন, “রাজ্যের আধিকারিকদের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। এই ভারী বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্তদের যথাযথ সহায়তা নিশ্চিত করতে বলেছি।” 

    ঝড়ে বিধ্বস্ত জলপাইগুড়ি

    রবিবার বিকেল সাড়ে ৩ টে নাগাদ জলপাইগুড়িতে (Jalpaiguri Storm) ঝড় শুরু হয়। মাত্র ১৫ মিনিটেই জলপাইগুড়ি শহর, ধূপগুড়ি, ময়নাগুড়ির বেশ কিছু এলাকা ঝড়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ময়নাগুড়িতে ৫০০ গ্রাম ওজনের শিল পড়েছে বলে দাবি এলাকাবাসীদের। ঝড় ও শিলাবৃষ্টির জেরে গাছ চাপা পড়ে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৫ জনের৷ একাধিক জায়গায় গাছের ডাল ভেঙে রাস্তা বন্ধ হয়ে রয়েছে৷ পুলিশ, দমকল ও পৌরসভার বিপর্যয় মোকাবিলা দল পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কাজ করছে৷ বেশ কয়েকটি ঝুপড়ি ও ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, গাছ উপড়ে এবং বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে পড়ার কারণে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অনেক জায়গায়। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রাজারহাট, বার্নিশ, বাকালি, জোড়পাকদি, মাধবডাঙ্গা এবং সাপ্তিবাড়ি। কয়েক একর কৃষি জমি এবং ফসলের ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ের পরই রাতে জলপাইগুড়ি যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

    আরও পড়ুন: ইদের আগে ভারত থেকে পেঁয়াজের প্রথম চালান বাংলাদেশে পৌঁছল

    জলপাইগুড়িতে রাজ্যপাল

    রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসও (CV Anand Bose) সোমবার জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri Storm) উদ্দেশে রওনা হয়েছেন৷ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করবেন রাজ্যপাল৷ পাশাপাশি জলপাইগুড়ির পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজভবনে একটি জরুরি সেলও খোলা হয়েছে বলে রাজভবনের আধিকারিকরা জানিয়েছেন। রাজভবনের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, রাজ্যপাল দিল্লির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন ৷ জলপাইগুড়িকাণ্ডে যাবতীয় সাহায্যের জন্য অনুরোধও করেছেন করেছেন তিনি। উত্তরবঙ্গে আগামী দু’তিন দিন বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: কার্টুনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে প্রাণ নাশের হুমকি! তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মালব্য

    PM Modi: কার্টুনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে প্রাণ নাশের হুমকি! তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মালব্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস একটি কার্টুন প্রকাশ করেছে। যাতে দেখা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) লাথি মেরে মই থেকে ফেলে দিচ্ছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ নিয়েই শুরু হয়েছে বিতর্ক। তৃণমূলকে কার্টুন ইস্যুতে কড়া আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপির এ রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা অমিত মালব্য। তাঁর মতে, এ ধরনের কার্টুন সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রাণনাশের হুমকি। এর পাশাপাশি অমিত মালব্য নির্বাচন কমিশনের কাছে এই ঘটনার তদন্ত চেয়ে আর্জিও জানিয়েছেন, নিজের এক্স হ্যান্ডেলের মাধ্যমে। এনিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় একজন মুখ্যমন্ত্রী কিভাবে দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে লাথি মারতে পারে!

    অমিত মালব্যর ট্যুইট

    অমিত মালব্য লেখেন, ‘‘কোনও শব্দই খুঁজে পাচ্ছিনা, এই ধরনের কার্টুনের নিন্দা করার জন্য। যেখানে তৃণমূল কংগ্রেস সরাসরি প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) সমেত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বাংলা বিজেপির নেতাদের প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে।’’

    তৃণমূলের পতন হচ্ছেই!

    প্রসঙ্গত, একাধিক দুর্নীতি, সন্ত্রাস প্রভৃতি ইস্যুতে লোকসভা ভোটের আগে বেশ কোণঠাসা অবস্থায় রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। একাধিক সমীক্ষায় উঠে এসেছে তাদের লোকসভা ভোটে ভরাডুবির খবর। ইতিমধ্যে একদা তাদের রাজনৈতিক রণনীতিকার প্রশান্ত কিশোরও তৃণমূলের পতনের পূর্বাভাস দিয়েছেন নিজের এক সাক্ষাৎকারে। এমতাবস্থায়, যত ভোট এগিয়ে আসছে তত বিজেপি এবং প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) সম্পর্কে কুরুচিকর মন্তব্য ভেসে আসছে তৃণমূল নেতাদের তরফ থেকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sajal Ghosh: বরানগরে বিজেপি প্রার্থী হয়ে তৃণমূলকে সজলের হুঙ্কার, “চোরেদের কেউ ভোট দেবে না”  

    Sajal Ghosh: বরানগরে বিজেপি প্রার্থী হয়ে তৃণমূলকে সজলের হুঙ্কার, “চোরেদের কেউ ভোট দেবে না”  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বরানগর উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী হয়ে শাসক দলকে হুঙ্কার দিলেন সজল ঘোষ (Sajal Ghosh)। তিনি তৃণমূলের উদ্দেশ্যে বলেন, “চোরেদের কেউ ভোট দেবে না।” ১লা জুন সপ্তম দফা লোকসভা নির্বাচনের দিনেই বরানগর বিধানসভার উপনির্বাচন। উল্লেখ্য, এই নির্বাচনী কেন্দ্রে আগের বিজয়ী বিধায়ক ছিলেন তাপস রায়। সম্প্রতি তিনি বিধায়ক পদে ইস্তফা দিলে বিধানসভা কেন্দ্রের আসন ফাঁকা হয়। তাপস বাবু আবার উত্তর কলকাতা লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন।

    কী বলেছেন সজল ঘোষ (Sajal Ghosh)?

    বিজেপি নেতা সজল ঘোষ (Sajal Ghosh) বলেন, “তাপস বাবু আমার কাকা, আমি তাঁর ভাইপো। তৃণমূলের ক্ষমতা থাকলে এই ভাইপোকে আটকে দেখাক। আমি দায়িত্ব নিয়ে সামলে নেবো। মানুষ আমার উপর ভরসা রেখেছেন। আমি বিশ্বাস করি চোরেদের দলকে কেউ ভোট দেবে না। বাংলার তরুণদের স্বপ্ন ভঙ্গ করেছে তৃণমূল। ৭০ বছরের পার্থর টুকটুকে ৩০ বছরের গার্ল ফ্রেন্ড। তাঁর খাটের নিচে লাল নোটের বান্ডিল, সব সাধারণ মানুষের টাকা। সন্দেশখালির মায়েদের যারা ইজ্জত নিয়ে খেলেছেন, তাদের কোনও মানুষ ভোট দেবে না। কোনও ভদ্রলোক এই তৃণমূলকে ভোট দিতে পারে না। তাবে কেউ কেউ তৃণমূলকে ভোট দেবেন শুধুমাত্র পেটের দায়ে।”

    আরও পড়ুনঃ ভোটের মুখে তৃণমূলের হামলা, আক্রান্ত দলীয় কর্মীর বাড়িতে বিজেপি প্রার্থী অশোক পুরকাইত

    নো ভোট টু মমতা (Sajal Ghosh)

    ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বরানগর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ছিলেন অভিনেত্রী পার্ণো মিত্র। তৃণমূল প্রার্থী তাপস রায় ৩৬ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছিলেন এখানে। এই এলাকার মানুষ এক সঙ্গে বিধানসভা এবং লোকসভা নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবেন। বিজেপি নেতা সজলের (Sajal Ghosh) দাবি, “মোদিজির উন্নয়নের হাওয়া এবং নো ভোট টু মমতা, মানুষের মনে ব্যাপক সাড়া ফেলবে। যেহেতু লোকসভার ভোট, তাই কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। ভোটের সময় তৃণমূলের চোরেরা ভোট লুট করতে পারবে না। বাহিনীর লাঠিতে তেল মাখানো চলছে। দুস্কৃতীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এইবারের ভোট অন্য রকম হবে।” ভোটের মুখে এই কেন্দ্রে বিধানসভা এবং লোকসভা ভোটের উত্তেজনার পারদ এখন তুঙ্গে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: মমতাকে ব্যক্তিগত আক্রমণ! দিলীপ ঘোষকে শোকজ বিজেপির

    Lok Sabha Election 2024: মমতাকে ব্যক্তিগত আক্রমণ! দিলীপ ঘোষকে শোকজ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা (Lok Sabha Election 2024) আসনের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় সম্পর্কে কুরুচিকর মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে৷ সেই নিয়ে পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসকের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন৷ এই নিয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস ৷ তাদের অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্য় করে নির্বাচন সংক্রান্ত আদর্শ আচরণবিধি ভেঙেছেন দিলীপ ঘোষ৷ তাঁর এই আচরণে ক্ষুব্ধ বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও। এই ঘটনায় তাঁকে দলের তরফে শোকজ নোটিস পাঠানো হয়েছে।

    দিলীপকে শোকজ নোটিস

    ভোট (Lok Sabha Election 2024) প্রচারে গিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য দিলীপ ঘোষের উপর ক্ষুব্ধ গেরুয়া শিবির। দ্রুত দিলীপ ঘোষকে তাঁর আচরণের ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। বিজেপির মহাসচিব অরুণ সিংয়ের স্বাক্ষরিত ওই শো-কজ নোটিসে মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি দিলীপের মন্তব্যের নিন্দা করে বলা হয়েছে, “মাননীয় দিলীপ ঘোষ, আপনার বক্তব্য অশোভনীয় এবং অসংসদীয়। ভারতীয় জনতা পার্টির নীতির পরিপন্থীও। দল এই বক্তব্যের নিন্দা করছে। সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার নির্দেশানুসারে আপনি যত দ্রুত সম্ভব আপনার আচরণের ব্যাখ্যা দিন।” 

    আরও পড়ুুন: ‘দুর্নীতিগ্রস্ত, নারী নির্যাতনকারী তৃণমূলকে মানবে না তমলুক’, বললেন অভিজিৎ

    নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপ

    বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দিলীপের বিরুদ্ধে সরাসরি আদর্শ নির্বাচনী (Lok Sabha Election 2024) আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও)-এর অফিস সূত্রে খবর, জেলাশাসকের কাছ থেকে ওই বিষয়ে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। রিপোর্ট এলে তা দিল্লিতে কমিশনের দফতরে পাঠানো হবে। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূলের প্রার্থী কীর্তি আজাদকে আক্রমণ করার পাশাপাশি মমতাকেও আক্রমণ করেন দিলীপ। তিনি বলেন, ‘‘বিহার, ইউপি থেকে দিদি গোয়াতে গিয়ে বলেন গোয়ার মেয়ে। ত্রিপুরাতে গিয়ে বলেন ত্রিপুরার মেয়ে।’’ এর পরেই তিনি মমতার উদ্দেশে কুরুচিকর ভাবে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেন বলে অভিযোগ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘মাফলারের পর এবার হাওয়াই চটির পালা’, নাম না করে মমতাকে তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘মাফলারের পর এবার হাওয়াই চটির পালা’, নাম না করে মমতাকে তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘আগামীদিনে জেলে কে ঢুকবে আর কে ঢুকবে না তা জানি না। তবে, কর্মরত মুখ্যমন্ত্রী যে গ্রেফতার হতে পারেন তার জ্বলন্ত উদাহরণ হলেন কেজরিওয়াল ও হেমন্ত সোরেন। মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে নিশ্চয়ই আগামীদিনে তিনি গ্রেফতার হবেন।’ শুক্রবার রাতে বালুরঘাটে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে একথা বললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি আরও বলেন, ‘যতই কর কান্নাকাটি, মাফলারের পর এবার হাওয়াই চটির পালা। হাওয়াই চটি রেডি হয়ে যাক।’ মূলত, নাম না করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে সুকান্ত তোপ দেগেছেন বলে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে।

    রাজ্যের ক্যাবিনেট মিটিং জেলে হতে পারে! (Sukanta Majumdar)

    গঙ্গারামপুর ব্লকের বেলবাড়ি পঞ্চায়েতের বসাকপাড়া এবং শুকদেবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মালিপাড়ায় কর্মীসভা করেন সুকান্ত। তিনি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দলীয় নেতা প্রদীপ সরকার, গৌতম রায় সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর গ্রেফতারি নিয়ে বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রের পদ্ম প্রার্থী বলেন, ‘কেজরিওয়ালের গ্রেফতারির পর অনেকের খুব কষ্ট হচ্ছে বলে শুনছি। দোষ করলে শাস্তি তো পেতেই হবে। আইন সবার জন্য সমান।’ আগামীতে দেশে অন্য কোনও মুখ্যমন্ত্রীর গ্রেফতারির সম্ভাবনা রয়েছে কি? সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের উত্তরে সুকান্ত বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে নিশ্চয়ই আগামীদিনে তিনি গ্রেফতার হবেন।’ কেজরিওয়ালের জেল থেকে সরকার চালানো প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতির (Sukanta Majumdar) বক্তব্য, ‘মুখ্যমন্ত্রী জেল থেকে সরকার চালাচ্ছেন এমন দৃশ্য হয়তো বিরোধীদের সৌজন্যে দেখতে হতে পারে। এরপর হয়তো পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত ক্যাবিনেট মিটিং জেলে হচ্ছে, এমনটাও দেখতে হতে পারে।’

    কেন্দ্রের পাঠানো ৬৪ কোটি টাকা কোথায় গেল?

    এদিনের নির্বাচনী সভা থেকে একাধিক ইস্যুতে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগের সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। তাঁত শিল্প অধ্যুষিত বসাকপাড়া এলাকার কর্মীসভা থেকে গঙ্গারামপুরে তাঁত শিল্পের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, ‘আমি সাংসদ হওয়ার আগে গঙ্গারামপুরে তাঁত শিল্পের উন্নয়নে ৬৪ কোটি টাকা পাঠিয়েছিল কেন্দ্র। কিন্তু, সেই টাকা কোথায় গেল, আমরা কেউ জানি না। আগামীদিনে তাঁত শিল্পের উন্নয়নের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের দ্বারস্থ হব।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: নাগরাকাটা গ্রামীণ হাসপাতালে নেই ওষুধ, নেই ডাক্তার, প্রতিবাদে গেটে তালা দিলেন এলাকাবাসী

    Jalpaiguri: নাগরাকাটা গ্রামীণ হাসপাতালে নেই ওষুধ, নেই ডাক্তার, প্রতিবাদে গেটে তালা দিলেন এলাকাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের নেতারা উন্নয়নের কথা ঢাক-ঢোল পিটিয়ে বললেও রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা কতটা কঙ্কালসার, সেই কথা আরও একবার প্রমাণিত হল জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) নাগরাকাটা এলাকার গ্রামীণ হাসপাতালের বেহাল অবস্থার ঘটনায়। এলাকার মানুষের অভিযোগ, ডাক্তার ঠিক সময়ে আসেন না। নেই ন্যূনতম চিকিৎসার উপকরণ। আর তাই বিক্ষোভ দেখিয়ে রোগীর পরিজন এবং এলাকাবাসী হাসপাতালের গেটে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন।

    চিকিৎসা পরিষেবা লাটে (Jalpaiguri)?

    জলপাইগুড়িতে (Jalpaiguri) সরকারি গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসা ব্যবস্থার পরিষেবা একেবারে লাটে উঠেছে। এলাকার মানুষের অভিযোগ, “নাগরাকাটা ব্লকের লুকসান গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসকদের একদম দেখা মেলে না। জরুরি পরিষেবা বলে এখানে কিছু নেই। প্রয়োজনীয় কোনও রকম চিকিৎসা নেই। এখানে কোনও রোগের ওষুধ পাওয়া যায় না।” আজ মানুষের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেলে হাসপাতালে উপস্থিত চিকিৎসকদের সামনেই বিক্ষোভ দেখানোর ঘটনা ঘটে।

    রোগীর বক্তব্য

    সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা না পেয়ে এক রোগী বলেন, “এখানে (Jalpaiguri) ইমার্জেন্সি কোনও শয্যা নেই। ডাক্তারেরা এখানে নিয়মিত আসেন না। বাইরে নিজেদের চেম্বার খুলে চিকিৎসা করেন। যদি চিকিৎসার পরিষেবা দিতে না পারেন, তাহলে হাসপাতাল বন্ধ করে দিন।” আবার নাগরাকাটার (Jalpaiguri) ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক ইফরান মোল্লা অভিযোগ করে বলেন, “দু’জন চিকিৎসক ছুটিতে রয়েছেন। এখানে মাত্র চারজন রয়েছেন। আমাদের টেলি মেডিসিনও দিতে হয়। লোকের অভাব একটা বড় সমস্যা। তবে পরের সপ্তাহ থেকে ডাক্তার চলে এলে সব সমস্যা মিটে যাবে।”

    বেহাল স্বাস্থ্য পরিষেবা

    রাজ্য জুড়ে যে স্বাস্থ্য পরিষেবা বেহাল, আগেও অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে ঠিক মতো হাসপাতলে কর্তব্য পালন না করে বাইরে চেম্বার করার অভিযোগে একাধিক ডাক্তারকে শো-কজ করা হয়েছে। তাঁদের বেতন বন্ধের কথাও সংবাদ মাধ্যমে উঠে এসেছিল। এই রাজ্যে মা-মাটির শাসনে সরকারি হাসপাতালে কুকুরের ডায়লেসিসের অভিযোগে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড় হয়েছিল। নিজে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হয়েও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং এসএসকেএম-এর চিকিৎসা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। ফলে রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা যে অত্যন্ত বেহাল তা আরও একবার প্রমাণিত হল এই নাগরাকাটা (Jalpaiguri) গ্রামীণ হাসপাতালের ঘটনায়।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: প্রার্থী ঘোষণা না হলেও লোকসভার প্রচার শুরু করে দিলেন ভোজপুরী তারকা দীনেশলাল

    Asansol: প্রার্থী ঘোষণা না হলেও লোকসভার প্রচার শুরু করে দিলেন ভোজপুরী তারকা দীনেশলাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসানসোল (Asansol) লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীর নাম ঘোষণা হয়নি। কিন্তু তার আগেই বিজেপির প্রচারে নেমে গেলেন ভোজপুরী তারকা তথা সাংসদ দীনেশলাল যাদব। আজ শুক্রবার আসানসোল রামবন্ধুতলা থেকে গড়াই রোড হয়ে সুকান্ত ময়দান পর্যন্ত রোড-শো করেন তিনি। একই সঙ্গে ঘাগর বুড়ি মন্দিরে পুজো দেন ভোজপুরী তারকা। আসন্ন লোকসভা ভোটকে সামনে রেখে প্রচার অভিযানে এলাকার প্রচুর বিজেপি কর্মী-সমর্থক অংশগ্রহণ করেন। উল্লেখ্য, তিনি বর্তমানে উত্তরপ্রদেশের আজমগড়ের সাংসদ। পবন সিং প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, “প্রত্যেক মানুষের নিজস্ব স্বাধীনতা রয়েছে।” 

    কী বললেন দীনেশলাল (Asansol)?

    আসানসোল (Asansol) লোকসভা কেন্দ্রে ইতিমধ্যে তৃণমূল প্রার্থী করেছে শত্রুঘ্ন সিন্‌হাকে। ২০১৪ সালে বিজেপির বাংলায় জেতা দুটি লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে একটি ছিল আসানসোল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৃহস্পতিবার দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার প্রসঙ্গে ভোজপুরী তারকা তথা সাংসদ দীনেশলাল যাদব বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। তাঁর এই বয়সে মেডিটেশন যেমন করা উচিত, ঠিক আবার তেমনি জিম করা উচিত। তবে সেটা অবশ্য নিজের বয়সের দিকে নজর রেখে করতে হয়। সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত ছিল। আরোগ্য কামনা করি।”

    আরও একবার মোদি সরকার হবে

    ভোজপুরী গায়ক দীনেশলাল যাদব নিজের প্রচারের বিষয়ে আসানসোলে আরও (Asansol) বলেন, “পার্টির আমি একনিষ্ঠ সৈনিক, একদিনের কর্মকাণ্ড ছিল তাই এসেছি। দেশকে শক্তিশালী করতে মোদিজির নেতৃত্ব একান্ত প্রয়োজন। আসানসোলে রেলের তরফ থেকে জমি দেওয়া হয়েছে। সেই জমিতে চার লেনের রাস্তা হবে। দেখুন নির্বাচনে লড়াই করা, জয়-পরাজয় এক বিষয় এবং দেশের উন্নতি প্রসঙ্গে কাজ করা অন্য বিষয়। সারা বিশ্ব প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের দিকে নজর রেখেছে। ভারতের এবারের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি ৪০০ আসন পাবে। আর একবার দেশে মোদির সরকার গঠন হবে। এই বাংলায় সিএএ লাগু হবেই। মমতা সরকারকে এই আইন কার্যকর করতে হবেই। এই আইন নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন, নাগরিকত্ব বাতিলের আইন নয়।”

    দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ

    উল্লেখ্য বিজেপির প্রচার কর্মসূচিতে শুক্রবার সকালে আসানসোলে (Asansol) আসেন এই বিজেপি তারকা দীনেশলাল যাদব। শুক্রবার দিনভর দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: দেড় বছর অপেক্ষা নয়, তার আগেই বিধানসভার ভোট, জনসভায় জানিয়ে দিলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: দেড় বছর অপেক্ষা নয়, তার আগেই বিধানসভার ভোট, জনসভায় জানিয়ে দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরো পরিবারটাই দুর্নীতিতে যুক্ত। এবার লোকসভায় যে আসন সংখ্যা বিজেপি পেতে চলেছে আর দেড় বছর অপেক্ষা করতে হবে না, তার আগেই বিধানসভা ভোট হবে। বুধবার নদিয়ার রানাঘাটে প্রকাশ্য জনসভা থেকে রাজ্য সরকারকে এভাবেই কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    মুখ্যমন্ত্রীর ভাই বাবুনকে নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    নদিয়ার দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলার পক্ষ থেকে এদিন রানাঘাটে একটি জনসভার আয়োজন করা হয়। সেখানেই প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বক্তব্য দিতে গিয়ে  রাজ্য সরকারকে কড়া আক্রমণ করেন। এরপরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারে এখন ভাগাভাগি নিয়ে ঝামেলা বেধেছে। ভাইপো বেশি পাবে, না ভাই বেশি পাবে তা সামলাতেই ব্যস্ত পিসি। পুরো পরিবারটাই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত।  ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর হরিশ চ্যাটার্জী স্ট্রিট এবং কালীঘাট সম্পূর্ণ দখল করে নিয়েছে মমতার পরিবার। শুধু তাই নয়। ক্রীড়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় মমতার পরিবার জোর করে দখল নিয়েছে। আর এই সম্পূর্ণটাই হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর দৌলতে। মুখ্যমন্ত্রীর ভাই বাবুনকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, বিজেপি সম্পর্কে আর একটাও কুকথা বলেন তাহলে গত দুইদিন ধরে বিজেপির সঙ্গে তিনি কী কী আলোচনা করেছেন তা সম্পূর্ণ ফাঁস করে দেব।

    আরও পড়ুন: সিএএ-র প্রতিবাদে শিলিগুড়িতে মহামিছিলের ডাক দিয়েও পিছিয়ে এলেন মুখ্যমন্ত্রী!

    সিএএ নিয়ে রাজ্যকে তোপ

    সিএএ নিয়েও রাজ্য সরকারকে কড়া আক্রমণ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, ২০১৯ সালে ঠাকুরবাড়িতে এসে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কথা দিয়েছিলেন তার ক্ষমতা শেষ হওয়ার আগেই তিনি সিএএ লাগু করে যাবেন। আর সেই কথা তিনি রেখেছেন। মতুয়া ঠাকুরবাড়ির দীর্ঘদিনের লড়াই আজ সফল হয়েছে। দেশের সকল সাধারণ মানুষ বুঝতে পেরেছে এটা নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার আইন নয়, নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন। রাজ্য সরকার যতই চক্রান্ত করুক কোনও কাজ হবে না। পাশাপাশি লোকসভা নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, আগামী লোকসভা নির্বাচনে আমরা যে সংখ্যক আসন পেতে চলেছি তাতে করে আর দেড় বছর বিধানসভা ভোটের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। তার আগেই বিধানসভা ভোট হবে। শুধু সবাইকে বলবো, তৃণমূলের মতো খারাপ ব্যবহার করবেন না। মাথা ঠান্ডা রাখবেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mamata Banerjee: সিএএ-র প্রতিবাদে শিলিগুড়িতে মহামিছিলের ডাক দিয়েও পিছিয়ে এলেন মুখ্যমন্ত্রী!

    Mamata Banerjee: সিএএ-র প্রতিবাদে শিলিগুড়িতে মহামিছিলের ডাক দিয়েও পিছিয়ে এলেন মুখ্যমন্ত্রী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোটি টাকারও বেশি সরকারি অর্থের কার্যত অপচয় করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)! লোকসভা নির্বাচনের আগে শিলিগুড়িতে দলের নেতা-কর্মীদের ধাক্কা দিয়ে গেলেন দলের সুপ্রিমো। দু’দিনের প্রশাসনিক সফরে মঙ্গলবার বিকেলে শিলিগুড়িতে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার পৌঁছে দীনবন্ধু মঞ্চে বিভিন্ন উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে বৈঠক করেন। তারপরে ঘোষণা করেন, বুধবার শিলিগুড়িতে সিএএ’র প্রতিবাদে মহামিছিল করবেন। সেই মিছিল শেষে উত্তরবঙ্গের মিনি সচিবালয় উত্তরকন্যার পাশের মাঠে প্রশাসনিক সভার নামে প্রকাশ্য জনসভা করার কথা ছিল। কিন্তু, হঠাৎ সেই কর্মসূচি বাতিল করেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার উত্তরকন্যার অডিটোরিয়ামে প্রশাসনিক সভার নামে হাতে গোনা কয়েকজনকে জমির পাট্টা ও গরিবদের জন্য তৈরি ফ্ল্যাটের চাবি দিয়ে দুপুরে কলকাতার উদ্দেশে রওনা হন।

    কোটি টাকা জলে! (Mamata Banerjee)

    মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) ছবি দেওয়া ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড দিয়ে মঞ্চ, মাঠের চারদিক ও গোটা  রাস্তা সাজিয়ে তোলা হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এই প্রশাসনিক সভার আয়োজন সফল করার জন্য প্রস্তুতি ছিল তুঙ্গে। বুধবার সকালে সেখানে শ্মশানের নিস্তব্ধতা নেমে আসে। ডেকরেটর কর্মীরা ব্যস্ত হয়ে পড়েন প্যান্ডেল খুলে ফেলার কাজে। প্রশাসনিক সভার জন্য বিপুল আয়োজন ছিল। মাঠ জুড়ে বিশাল মঞ্চ ও প্যান্ডেল তৈরি হয়েছিল। এতে সব মিলিয়ে খরচের পরিমাণ কোটি টাকারও বেশি হবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। কেননা মুখ্যমন্ত্রীর ছবি দেওয়া বিভিন্ন ধরনের ফ্লেক্স, হোর্ডিং বানাতেই ২০ লক্ষ টাকার বেশি খরচ হয়েছে বলে তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে। এছাড়া প্যান্ডেল, লাইট ও মাইকের জন্য বিশাল খরচ হয়েছে। প্রশাসনিক সভা ছিল তাই সবটাই সরকারের খরচ। কোটি টাকা জলে চলে যায়।

    আরও পড়ুন: দেড় বছর অপেক্ষা নয়, তার আগেই বিধানসভার ভোট, জনসভায় জানিয়ে দিলেন শুভেন্দু

    মুষড়ে পড়েছেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা

    মাঠ ভরানোর জন্য নির্দেশ মতো দলের নেতারা গাড়ি ভাড়া করে দলে দলে লোক আনার ব্যবস্থাও পাকা করে ফেলেছিলেন। হঠাৎ করে সেই কর্মসূচি বাতিল হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের মাথায় হাত পড়েছে। জলপাইগুড়ি জেলার এক তৃণমূল নেতা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর শিলিগুড়ি সফরের পরপর মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) এই সভা আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তাই মুখ্যমন্ত্রীর সভাকে সফল করার জন্য আমাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল লোক এনে মাঠ ভরানোর। গাড়ি ভাড়া করে বিভিন্ন জায়গা থেকে লোক আনার ব্যবস্থাও হয়ে গিয়েছিল। এভাবে হঠাৎ কোনও কারণ ঘোষণা না করেই সভা বাতিল হওয়ায় সেইসব মানুষের কাছে জবাবদিহি করতে হচ্ছে। লোকসভা নির্বাচনের আগে এটা আমাদের কাছে বড় ধাক্কা। এর পরে মিটিং-মিছিলে লোক আনতে সমস্যায় পড়তে হবে। এভাবেই সরকারি অর্থ বাজে খরচের জন্যও ভোট প্রচারে দলকে কথা শুনতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share