Tag: Mamata Banerjee

Mamata Banerjee

  • WB Govt Soft on PFI: নিষিদ্ধ পিএফআইয়ের বিরুদ্ধে কোনও অ্যাকশন নেবে না মমতা প্রশাসন

    WB Govt Soft on PFI: নিষিদ্ধ পিএফআইয়ের বিরুদ্ধে কোনও অ্যাকশন নেবে না মমতা প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উগ্রপন্থা এবং নাশকতার কাজে সরাসরি যুক্ত থাকার অভিযোগে দেশজুড়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়েছে পিএফআই (PFI Banned) ও তাদের বেশ কয়েকটি শাখা সংগঠন। কেন্দ্রীয় সরকারের বিজ্ঞপ্তি জারির পর বিভিন্ন রাজ্য পদক্ষেপও করেছে। এমনকি কেরল (Kerala) সরকারও কেন্দ্রের নির্দেশ মেনে সে রাজ্যে ব্যাপক ধরপাকড় এবং পিএফআইয়ের (Popular Front of India) কার্যকলাপ বন্ধে নেমেছে। ব্যতিক্রম শুধু পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal)। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata) পিএফআই নিয়ে কোনও সক্রিয়তা চান না। ফলে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ, এসটিএফ কিংবা সিআইডি পশ্চিমবঙ্গে সক্রিয় পিএফআই শাখাগুলোর কাজকর্ম বন্ধ করতে কোনও কিছুই করবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    গোয়েন্দা সূত্রের খবর, কলকাতা (Kolkata) শহরে বেনিয়াপুকুর এবং কড়েয়া থানা এলাকায় পিএফআই সবচেয়ে বেশি সক্রিয়। দলীয় অফিস রয়েছে তিলজলাতে। গত কয়েক বছরে বিভিন্ন কেন্দ্র বিরোধী আন্দোলনে নেপথ্যে আসল শক্তি ছিল পিএফআই। সংগঠনের মূল কর্মকাণ্ড অবশ্য মুর্শিদাবাদ জেলাকে কেন্দ্র করেই চলছে। সংগঠনের রাজ্য সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক থেকে পদাধিকারীদের অধিকাংশই মুর্শিদাবাদ, মালদহ, নদিয়া, দুই ২৪ পরগনা এবং হাওড়া জেলার। এই সব জেলাগুলিতেই ১৭টি শাখা খুলে গত পাঁচ-ছয় বছরে বেশ সক্রিয় হয়ে উঠেছে সংগঠনটি। বেশ কয়েকটি জঙ্গি কার্যকলাপে অভিযুক্তের আইনি সহায়তা দিচ্ছে পিএফআই। বাংলাদেশ এবং নেপাল সীমান্তে পিএফআই নেতাদের গতিবিধিও চিন্তাজনক। এনআইএ এবং ইডি পিএফআইকে রাষ্ট্রবিরোধী সংস্থা হিসাবে চিহ্নিত করেছে।

    আরও পড়ুন: নিশানা ছিল আরএসএস হেডকোয়ার্টার! আত্মঘাতী জঙ্গি নিয়োগ করেছিল পিএফআই?

    যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসন মুসলিমদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা এই রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন নেই বলে মনে করছে। এক শীর্ষ কর্তার কথায়, কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও এজেন্সি ব্যবস্থা নিলে আমরা সাহায্য করব। কিন্তু পিএফআই নেতাদের রাজ্য পুলিশ আগ বাড়িয়ে গ্রেফতার করবে না, তাদের দফতরে তল্লাশি চালাতে যাবে না।

    কেন? পুলিশ কর্তারা জানাচ্ছেন, এনআইএ (NIA) এবং ইডির (ED) কাছে পিএফআইয়ের বিষয়ে যাবতীয় নথি রয়েছে। ফলে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এ সবে জড়াবে না। যদিও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রের খবর, প্রতিটি রাজ্যের সঙ্গে গোয়েন্দাদের সমন্বয় বৈঠকে পিএফআই (PFI) সংক্রান্ত সমস্ত নথি বিনিময় করা হয়েছে। দেশব্যাপী নিষেধাজ্ঞার আগেও রাজ্যের মতামত নেওয়া হয়েছে। এখন পশ্চিমবঙ্গ সরকার পিএফআই নিয়ে নরম মনোভাব নিলে তা জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে না।

    আরও পড়ুন: হিন্দু নেতাদের হত্যা থেকে হাওয়ালা কারবার! কী কী করত পিএফআই, জানেন?

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসন বিজেপি (BJP) কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করবেন। তাঁর ভাইপো বিজেপি কর্মীদের কপাল লক্ষ্য করে গুলি চালানোর নির্দেশ দিতে পারেন। জাতীয়তাবাদী শক্তি দমনে পুলিশ এরাজ্যে সক্রিয়। কিন্তু নূপুর শর্মার (Nupur Sharma) বয়ানের জেরে বিক্ষোভের সময় ১৪ ঘণ্টা জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ হলেও মমতার পুলিশ চুপ থাকে। পিএফআইয়ের মতো নাশকতা চালানো শক্তি জানে মমতা প্রশাসন তাদের বন্ধু। সেই কারণেই পশ্চিমবঙ্গে এমন শক্তির বাড়বাড়ন্ত হয়েছে।

  • Abhishek Dubai Trip: ফের দুবাই গেলেন অভিষেক, যাবেন আমেরিকাও, পুজোর কলকাতা ভাল লাগে না?

    Abhishek Dubai Trip: ফের দুবাই গেলেন অভিষেক, যাবেন আমেরিকাও, পুজোর কলকাতা ভাল লাগে না?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের দুবাই (Dubai) গেলেন তৃণমূলের (TMC) সর্বেসর্বা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। বুধবার সকাল ৯টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে (Kolkata International Airport) পৌঁছান তিনি। সঙ্গে ছিলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ শান্তনু সেন। দুবাইয়ে থেকে সেখান থেকে আমেরিকা (USA) যেতে পারেন তিনি। ফিরবেন পুজোর পর। কলকাতার পুজোর ভিড়ে কোনও দিনই থাকেন না তিনি। তবে শান্তিনিকেতন সূত্রের দাবি, অভিষেকের দুবাই-আমেরিকা সফর চিকিৎসার কারণে।

    এর আগে গত ১৪ অগাস্ট দুবাই গিয়েছিলেন অভিষেক। স্বাধীনতার অমৃৎ মহোৎসবের দিনটি তিনি আরব দেশেই কাটিয়েছেন। তবে দুবাইয়ে বসেই স্বাধীনতার মধ্যরাতে জাতির উদ্দেশে ভাষণও দিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) অবশ্য লালকেল্লায় স্বাধীনতার সকালে বক্তৃতা করেছিলেন। অভিষেক তার কয়েক ঘণ্টা আগেই দুবাইয়ে বসে ভাষণ দিয়েছিলেন। এবার পুজোর সময় ফের দুবাই হয়ে আমেরিকা গেলেন।

    আরও পড়ুন: ‘৮ ব্যাগ সোনা ছিল, একটা আটকেছে কাস্টমস…’, অভিষেককে আক্রমণ শুভেন্দুর

    তৃণমূলের সর্বেসর্বার ঘনিষ্ঠরা জানাচ্ছেন, পুজোয় (Durga Puja 2022) কলকাতার ভিড়ে তেমন আগ্রহ নেই অভিষেকের। তাঁর পিসি পিতৃপক্ষ থেকেই পুজোর উদ্ধোধন, চক্ষুদান শুরু করে দিলেও অভিষেকের পুজোর সময় বরাবরই বিদেশে কাটান। ২০২১ সালে ভোট পরবর্তী হিংসায় যখন রাজ্যে একের পর এক খুন হচ্ছিল, সে সময় অভিষেক ৭ দিনের অবসরে মলদ্বীপ গিয়েছিলেন। ২০২০ সালে পুজোর সময় ১০ দিনের জন্য গিয়েছিলেন সিঙ্গাপুরে।

    এবার গেলেন দুবাই-আমেরিকা। আগে প্রায়ই সিঙ্গাপুর, তাইল্যান্ডে যাতায়াত করতেন অভিষেক। ইদানীং দুবাই করিডরে তৎপর হয়েছেন। তাঁর ঘনিষ্ঠরা অনেকেই জানাচ্ছেন, আজকাল দুবাইয়ে নাকি ভাল চিকিৎসা হচ্ছে। এবারও তিনি দুবাই-আমেরিকা যাচ্ছেন চিকিৎসার কারণেই। চোখের সমস্যার সঙ্গে অভিষেকের সাইনাসের সমস্যা দেখা দিয়েছে। সাইনাসের চিকিৎসা করাতে সেই কারণেই আমেরিকা সফর। বিজয়া দশমীর (Vijaya Dashami) শুভেচ্ছা হয়তো মার্কিন মুলুক থেকেই দেবেন তিনি। ফিরবেন কলকাতার পুজোর (Kolkata Pujo) ভিড় কমলে। 

    আরও পড়ুন: “আমি থাকলে কপালে গুলি চালাতাম, পুলিশ সংযত ছিল”: অভিষেক

  • Suvendu Adhikari Detained: আলিপুরে শুভেন্দুকে প্রিজন ভ্যানে তুলল পুলিশ, আটক লকেট-রাহুলও

    Suvendu Adhikari Detained: আলিপুরে শুভেন্দুকে প্রিজন ভ্যানে তুলল পুলিশ, আটক লকেট-রাহুলও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আশঙ্কাই সত্যি হল। গণতান্ত্রিক মাধ্যমে একটি রাজনৈতিক কর্মসূচিকে রুখতে বলপ্রয়োগ করল মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ। বিজেপির নবান্ন অভিযানের (BJP Nabanna Abhijan) শুরুতেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে আটক করল পুলিশ (Suvendu Adhikari Detained)। একইসঙ্গে আটক করা হল বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায় (Locket Chatterjee) ও নেতা রাহুল সিনহাকেও (Rahul Sinha)। 

    এদিন, আলিপুর পুলিশ ট্রেনিং স্কুল বা পিটিএস (Alipore PTS) থেকে দ্বিতীয় হুগলি সেতু (Vidyasagar Setu) হয়ে নবান্ন অভিমুখে রওনা দেন শুভেন্দু, লকেট এবং রাহুলরা। কিন্ত শুরুতেই তাঁদের আটকে দেয় পুলিশ। দ্বিতীয় হুগলি সেতুর সামনে পুলিশ ব্যারিকেডের কাছেই বাধা দেওয়া হয় শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu)। পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন শুভেন্দু, লকেটরা। শুরু হয় ধস্তাধস্তি।

    আরও পড়ুন: দুর্নীতি নয়, বিজেপির নবান্ন অভিযান আটকাতেই সক্রিয় মমতার পুলিশ! কীসের ভয়?

    শুভেন্দুর অভিযোগ, মহিলা পুলিশরা তাঁর গায়ে হাত দিয়েছেন। এদিন পুলিশকর্মী শুভেন্দুকে ভ্যানে তুলতে এগোলে শুভেন্দু মহিলা পুলিশকর্মীর উদ্দেশে বলেন, ‘আপনি মহিলা। আমার গায়ে হাত দেবেন না।’ নন্দীগ্রামের বিধায়কের রাস্তা আটকে পুলিশ মস্করা করছে বলেও কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। এর পরই তাঁকে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়। একইসঙ্গে আটক করা হয় লকেট ও রাহুল সিনহাকেও। এই প্রেক্ষিতে পুলিশমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন শুভেন্দু। তাঁদের লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়।

    তবে শুভেন্দুকে তুললেও, তাঁর নেতৃত্বাধীনে থাকা মিছিল থেমে থাকেনি। শুভেন্দুকে পুলিশ আটক করে নিয়ে যাওয়ায় সাঁতরাগাছি থেকে শুরু হওয়া বিজেপির মিছিলের নেতৃত্ব দেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ ()Saumitra Khan)। মিছিলে পা মেলাচ্ছেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার তথা বিজেপি বিধায়ক অশোক ডিন্ডা (Ashok Dinda)। অন্যদিকে, হাওড়া স্টেশন থেকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) নেতৃত্বে নবান্নমুখী মিছিল শুরু হয়েছে। দক্ষিণ আসানসোলের বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পালও (Agnimitra Pal) রয়েছেন এই মিছিলে। প্রাক্তন আইপিএস অফিসার ভারতী ঘোষও (Former IPS Bharati Ghosh) এই মিছিলে পা মেলাচ্ছেন। কলেজ স্ট্রিট থেকে দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) নেতৃত্বে মিছিল শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘‘ভয় পেয়েছেন মমতা…লড়াই হবে লড়াই’’, নবান্ন অভিযানের আগে হুঙ্কার সুকান্তর

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • BJP Nabanna Abhijan: ‘‘ভয় পেয়েছেন মমতা…লড়াই হবে লড়াই’’, নবান্ন অভিযানের আগে হুঙ্কার সুকান্তর

    BJP Nabanna Abhijan: ‘‘ভয় পেয়েছেন মমতা…লড়াই হবে লড়াই’’, নবান্ন অভিযানের আগে হুঙ্কার সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একের পর এক সরকারি দুর্নীতিতে জেরবার রাজ্য। এক-এক করে রাজ্যের শাসক দলের (TMC) নেতা-মন্ত্রীদের কেলেঙ্কারি ফাঁস হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সরব হয়ে পথে বিজেপি (BJP)। প্রবল বৃষ্টি, দুর্যোগ ও প্রতিকূল আবহাওয়াকে উপেক্ষা করেই আজ, মঙ্গলবার পূর্বঘোষণা অনুযায়ী নবান্ন অভিযান করছে বিজেপি (BJP Nabanna Abhijan)। দুর্নীতি ইস্যুতে শাসক শিবিরের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই রাজ্য বিজেপির আজকের নবান্ন অভিযান (Nabanna Abhijan)। 

    ইতিমধ্যেই, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কলকাতা ও হাওড়ার দিকে আসতে শুরু করে দিয়েছেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। হাওড়ায় সকালেই এসেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। একদিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অন্যদিকে দিকে দিকে বিজেপি কর্মীদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ, তার মধ্যেই যাঁরা হাওড়া এসে পৌঁছেছেন, তাঁদের ধন্যবাদ জানালেন সুকান্ত।  এদিন কর্মী-সমর্থকদের মনোবল চাঙ্গা করতে লড়াইয়ের ডাক দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। 

    আরও পড়ুন: মঙ্গলবারও সারাদিন বৃষ্টি চলবে, নেমেছে তাপমাত্রার পারদ, বুধে বৃষ্টি কমার পূর্বাভাস

    সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘চারিদিকে পুলিশ দিয়ে রুখে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। কারণ রাজ্য সরকার বিজেপির ভয়ে থরহরি কম্প। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভয় পেয়েছেন। তাই বিজেপির নবান্ন অভিযান আটকানোর চেষ্টা করে যাচ্ছেন। লড়াই হবে লড়াই!’’ পুলিশি তৎপরতা প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, ‘‘বিজেপি উৎশৃঙ্খলতাতে বিশ্বাসী নয়। পুলিশের কাছে আমাদের আবেদন, আপনাদের যে সাংবিধানিক দায়িত্ব আছে, সেটাই পালন করুন। নয়তো আইনশৃঙ্খলা কোনওভাবে বিঘ্নিত হলে সেই দায় পুলিশ প্রশাসনের উপরই পড়বে।’’

    আজ বিভিন্ন দিক দিয়ে বিজেপির মিছিল নবান্নমুখী (Nabanna) হবে। এক-এক দিকের নেতৃত্ব দেবেন এক-এক জন নেতা। যেমন, হাওড়া ময়দানের দিক থেকে সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে মিছিল এগোবে নবান্নর দিকে। আরেকচি মিছিল বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu) নেতৃত্বে সাঁতরাগাছি থেকে আসবে। আবার দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে তৃতীয় মিছিল কলেজ স্কোয়ার থেকে মহাত্মা গান্ধী রোড, সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, হাওড়া ব্রিজ অ্যাপ্রোচ রোড হয়ে এগোনোর কথা। বিজেপির নবান্ন অভিযানের আগে সোমবার রাজ্যের বাকি বিরোধী দলগুলোর উদ্দেশে ইঙ্গিতপূর্ণ আহ্বান জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • BJP Nabanna Abhijan: দুর্নীতি নয়, বিজেপির নবান্ন অভিযান আটকাতেই সক্রিয় মমতার পুলিশ! কীসের ভয়?

    BJP Nabanna Abhijan: দুর্নীতি নয়, বিজেপির নবান্ন অভিযান আটকাতেই সক্রিয় মমতার পুলিশ! কীসের ভয়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির নবান্ন অভিযানকে (BJP Nabanna Abhijan) ঠেকাতে একেবারে উঠেপড়ে লেগেছে রাজ্যের শাসক দল (TMC Government)। রাজ্যে ক্রমবর্ধমান দুর্নীতি (West Bengal Corruption) এবং তৃণমূলের প্রথম সারির নেতা-মন্ত্রীদের কেচ্ছা-কেলেঙ্কারি (TMC Minister Leaders Corruption) এক এক করে ফাঁস হয়ে যাওয়ায় এমনিতেই বেকায়দায় মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। 

    এই দুর্নীতির প্রতিবাদে আজ, মঙ্গলবার, নবান্ন অভিযানের (Nabanna Abhijan) ডাক দিয়েছে বিজেপি (BJP)। প্রথম থেকেই তা বানচাল করার উদ্দেশে, পুলিশ এই গণতান্ত্রিক অভিযানের অনুমতি দেয়নি। উল্টে, দিকে দিকে থেকে নবান্নর দিকে আসা বিরোধী নেতা-কর্মীদের কোথাও আটক করা হয়েছে, তো কোথাও টেনে-হিঁচড়ে নামিয়ে হেনস্থা করা হয়েছে। প্রশাসনের যাবতীয় মেশানারিকে ব্যবহার করে যেনতেন প্রকারে গেরুয়া-ঝড় রুখতে মরিয়া তৃণমূল কংগ্রেস। 

    আরও পড়ুন: ‘‘ভয় পেয়েছেন মমতা…লড়াই হবে লড়াই’’, নবান্ন অভিযানের আগে হুঙ্কার সুকান্তর

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নেতৃত্বে মিছিল আসবে সাঁতরাগাছি থেকে। তার আগে সকালেই গার্ড রেল দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয় কোনা এক্সপ্রেসওয়ের একাংশ। শুধু বসানো নয়, একেবারে গার্ড রেল ঝালাই করে রাস্তায় গর্ত খুঁড়ে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। মজুত রয়েছে ২টি জল কামান। মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর পুলিশ। হাওড়া ময়দান থেকে সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে মিছিল আসার কথা। সেখানে জিটি রোডের ওপর তৈরি করা হয়েছে পুলিশি ব্যারিকেড। এপ্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, গণতান্ত্রিক উপায়ে গঠিত একটি রাজনৈতিক কর্মসূচিকে গুঁড়িয়ে দিতে তৎপর মমতার পুলিশ (West Bengal Police)। সাঁতরাগাছিতে ইস্পাতের ব্যারিকেড গড়ে তোলা হয়েছে। এর থেকেই স্পষ্ট তিনি কতটা ভীত ও উদ্বিগ্ন। 

    অন্যদিকে, নন্দীগ্রামের (Nandigram) ক্ষুদিরাম মোড়ে বিজেপির মিছিল ঘিরে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। বিজেপির মিছিলে বাধা দেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে। তমলুক (Tamluk) টোল প্লাজার সামনেও বিজেপির মিছিল রুখে দেয় পুলিশ। নবান্ন অভিযান আটকাতে কাঁথি স্টেশনে মোতায়েন প্রচুর পুলিশ। পুলিশি বাধা টপকেই কাঁথি স্টেশন থেকে রওনা দেন বিজেপি কর্মীরা। 

    আরও পড়ুন: মঙ্গলবারও সারাদিন বৃষ্টি চলবে, নেমেছে তাপমাত্রার পারদ, বুধে বৃষ্টি কমার পূর্বাভাস

    রানিগঞ্জ স্টেশনে বিজেপি কর্মীদের ঢুকতে বাধা দেয় পুলিশ। বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় উর্দিধারীদের। কয়েকজন জোর করে স্টেশনে ঢুকে পড়লে ৫ জন বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। কুলটির বরাকর স্টেশনেও বিজেপি কর্মীদের দেখে লাঠি উঁচিয়ে তেড়ে যেতে দেখা যায় পুলিশ কর্মীদের। একজনকে গ্রেফতার করা হয়। আবার, নবান্ন অভিযানে যাওয়ার আগে বোলপুর (Bolpur) স্টেশনে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের বচসা বাঁধে। স্টেশন চত্বর থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করায় বোলপুর স্টেশনের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা। 

    বিজেপির নবান্ন অভিযান প্রতিহত করতে শাসক শিবির যে কোনও কসুর রাখছে না, তা স্পষ্ট। বিরোধীদের কটাক্ষ, দুর্নীতি নয়, এরাজ্যের পুলিশ সদা-সক্রিয় বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতে। তাই তো বিজেপির নবান্ন অভিযান রুখতে হাজারে-হাজারে পুলিশ মোতায়েন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘সিআইডি রাজ্যের ফ্রন্টাল অর্গানাইজেশন…’, বাগুইআটিকাণ্ডে সিবিআই তদন্ত দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘সিআইডি রাজ্যের ফ্রন্টাল অর্গানাইজেশন…’, বাগুইআটিকাণ্ডে সিবিআই তদন্ত দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাগুইআটিতে দুই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে অপহরণ ও খুনের (Baguiati Twin Kidnapping and Murder) ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি করলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    মর্মান্তিক এই ঘটনায় বাগুইআটি থানার পুলিশের বিরুদ্ধে কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। এদিন বাগুইআটি থানার সামনে বিজেপির প্রতিবাদ বিক্ষোভে সামিল হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। সেখানেই রাজ্যের পুলিশ ও পুলিশমন্ত্রীর উদ্দেশে তীব্র আক্রমণ শানান। বিক্ষোভে যোগ দিয়ে এক বিস্ফোরক দাবি করেন শুভেন্দু। বাগুইহাটির ওসি কল্লোল ঘোষ কে আক্রমণ করে ভাইপোর ‘পিএ’ বলে সম্বোধন করে শুভেন্দু দাবি করেন, কল্লোল ঘোষকে উত্তর ২৪ পরগনা যুব তৃণমূলের সভাপতি ২৫ লক্ষ টাকা দিয়ে এই থানায় নিয়ে এসেছিলেন। শুভেন্দু বলেন, বাগুইআটি থানার বিদায়ী ওসি কল্লোল ঘোষ একজন চোর – ডাকাত। বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোট লুঠ করতে মোটা টাকা দিয়ে তাঁকে বাগুইআটিতে এনেছেন উত্তর ২৪ পরগনা যুব তৃণমূলের সভাপতি দেবরাজ চক্রবর্তী।

    আরও পড়ুন: বাগুইআটিতে জোড়া খুন, নিহত দুই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী

    জোড়া খুনে সিবিআই তদন্তের দাবিও তোলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু বলেন, ‘‘সিআইডি ওদের ফ্রন্টাল অর্গানাইজেশন। তাদের দিয়ে তদন্ত করিয়ে কোনও লাভ নেই।’’ রাজ্য সরকার অবিলম্বে সিবিআই তদন্তের অনুমতি না দিলে তাঁরা যে জনস্বার্থে কলকাতা হাইকোর্টে সিবিআই তদন্ত চেয়ে মামলা করবে, সেই হুঁশিয়ারিও দেন তিনি। দুই পড়ুয়ার পরিবারকে আইনি সাহায্য দেওয়ারও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি৷  একইসঙ্গে বাগুইহাটির পুলিশের বিরুদ্ধে বলতে গিয়ে শুভেন্দু দাবি করেছেন, অভিযুক্ত পুলিশ অফিসারদের শোকজ কিংবা সাসপেন্ড নয়, তাদের গ্রেফতার করতে হবে।’’ 

    এদিন সকাল থেকেই বাগুইআটি থানার বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছে বিজেপি-র (BJP) মহিলা মোর্চার কর্মীরা৷ আজ দুপুরেই সেখানে পৌঁছে গিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী৷ আজ প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। একের পর এক বিস্ফোরক বক্তব্য রেখে গেছেন এদিন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) তীব্র কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী, যিনি পুলিশ মন্ত্রীও বটে, তিনি যখন মিডিয়াতে ঝড় ওঠে, বিরোধী দল বিশেষ করে বিজেপি দল প্রতিবাদে সোচ্চার হয়, তখন ইস্যুটাকে ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্য তিনি অনেক রকম ছলাকলা করেন। কারণ আমরা জানি, মুখ্যমন্ত্রী মিথ্যা কথা না বলে জলগ্রহণ করেন না। সারাদিন মিথ্যা কথা বলতে বলতে তাঁকে এগোতে হয়। এবং পশ্চিম বাংলায় তিনি গত বিধানসভায় জিতেছেন জেহাদিদের সমর্থনে আর পুলিশের সাহায্যে। এখন শুধুমাত্র পুলিশরা টিকে আছে। যে পুলিশের সাহায্যে চলে খেলা মেলা, রক্তদান, অস্ত্রদান  আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর তার ভাইপোর মিটিংয়ে গাড়ি ভর্তি করে লোক পাঠানো।“

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Suvendu Adhikari: চিকিৎসা ভাতা বন্ধ করে দেওয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ শানালেন শুভেন্দু অধিকারী 

    Suvendu Adhikari: চিকিৎসা ভাতা বন্ধ করে দেওয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ শানালেন শুভেন্দু অধিকারী 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিকিৎসা ভাতা (Medical Allowance) নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে (Mamata Banerjee) চাঁচাছোলা ভাষায় বিঁধলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ট্যুইট মালায় শুভেন্দু লেখেন, “মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী শিক্ষক, ডাক্তার এবং পুলিশ কর্মী থেকে শুরু করে সকল সরকারি কর্মচারীদের ন্যায্য ডিএ থেকে বঞ্চিত রেখেছেন। তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।” 

    এর আগেও বহুবার বিভিন্ন বিষয়ে রাজ্য সরকারকে নিশানা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। কিছুদিন আগে দুর্নীতি ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘দুর্নীতির রানি’বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। আর এবার সরকারি কর্মচারীদের চিকিৎসা ভাতা বন্ধ করে দেওয়া নিয়ে আক্রমণ শানালেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: ‘৮ ব্যাগ সোনা ছিল, একটা আটকেছে কাস্টমস…’, অভিষেককে আক্রমণ শুভেন্দুর

    এদিন ট্যুইটে শুভেন্দু অধিকারী লেখেন, “মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী আপনি শিক্ষক, ডাক্তার, পুলিশকর্মী সহ সমস্ত সরকারি কর্মচারীদের ন্যায্য ডিএ থেকে বঞ্চিত করে রেখেছেন, যা তাদের অধিকার। আপনি সময়মতো তাদের বেতন দিয়ে উঠতে পারেন না। তাদের বেতন বৃদ্ধি করতে পারেন না, কারন আপনার কোষাগার শূন্য। অন্যান্য রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের তুলনায় অনেক কম বেতন পেয়ে থাকেন আমাদের রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা। এবার আবার নতুন ফন্দি এঁটে, স্বাস্থ্য সাথীর দোহাই দিয়ে সরকারি কর্মচারীদের চিকিৎসা ভাতা দেওয়া বন্ধ করলেন। এটি একেবারে একটি অত্যন্ত অমানবিক, নক্কারজনক সিদ্ধান্ত।” 

     

    তারপরে ওই একই ট্যুইটে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প নিয়েও রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ করেন তিনি। আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সঙ্গে তুলনাও করেন। তিনি লেখেন, “আপনার স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের দুরবস্থা প্রতিনিয়ত প্রতিদিন দেখতে পাচ্ছেন রাজ্যবাসী। এই প্রকল্পের আওতায় কেউই সময়মতো ও সঠিক চিকিৎসা পায় না। আপনার স্বাস্থ্য সাথীর থেকে অনেক ভালো কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে, যার সুবিধা থেকে আপনি পশ্চিমবঙ্গের আপামর জনসাধারণকে  বঞ্চিত করে রেখেছেন।”

    আরও পড়ুন: মমতার ‘গদ্দার’ কটাক্ষের জবাব দিলেন শুভেন্দু, কী বললেন জানেন?
     
    এরপরেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে তিনি বলেন, “রাজ্যের চিকিৎসা ব্যবস্থা যদি এতই উন্নতমানের হয়, তাহলে আপনার ভাইপো চিকিৎসার করাতে কেন বিদেশে যান? আপনার পরিবারের সদস্যদের কি তাহলে রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার উপর আস্থা নেই?”  

    শেষে তিনি লেখেন, “সমস্ত সরকারি কর্মচারীদের উদ্দেশ্য বলবো এই অমানবিক ফ্যাসিবাদী সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিবাদ করুন এবং আপনাদের ন্যায্য চিকিৎসা ভাতা থেকে আপনারা যাতে বঞ্চিত না হন তা সুনিশ্চিত করুন।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Suvendu on Mamata: মমতার ‘গদ্দার’ কটাক্ষের জবাব দিলেন শুভেন্দু, কী বললেন জানেন?

    Suvendu on Mamata: মমতার ‘গদ্দার’ কটাক্ষের জবাব দিলেন শুভেন্দু, কী বললেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) মতো মানুষদের কড়া শাস্তি হওয়া উচিত। বুধবার এমনই মন্তব্য করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) প্রেরণায় পার্থ চট্টোপাধ্যায় ৮০০ থেকে ১০০০ কোটি টাকা ঘুষ নিয়েছেন। এভাবে তিনি বেকার যুবক যুবতীদের স্বপ্নভঙ্গ করে দিয়েছেন। এর পরেই শুভেন্দু বলেন, এই সব মানুষের কড়া শাস্তি হওয়া উচিত। তিনি বলেন, বিশেষ আদালত বসিয়ে বিচার করতে হবে।

    মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায়ই ৮০০ থেকে ১০০০ কোটি টাকা ঘুষ নিয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং এভাবে বেকার যুবক যুবতীদের স্বপ্ন  ভেঙে চুরমার করে দিয়েছেন। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে গদ্দার বলে অভিহিত করেছিলেন। এদিন সেই প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু বলেন, গদ্দার বলার আগে ওঁর এ ব্যাপারে ভাবা উচিত ছিল। কে গদ্দার, সবাই জানে। তিনি বলেন, নন্দীগ্রাম বিধানসভা নির্বাচনের ফলই বলে দেবে কে গদ্দার, আর কে নয়। মানুষ এর উত্তর ওঁকে দিয়েছেন। তাই আমি আর এর বেশি কিছু বলতে চাই না।

    এসএসসি নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে বাজেয়াপ্ত হয়েছে প্রায় পঞ্চাশ কোটি টাকা। হদিশ মিলেছে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তিরও। বুধবার স্পেশাল কোর্টে তোলা হলে পার্থ ও অর্পিতার বিচার বিভাগীয় হেফাজতের মেয়াদ বাড়ানো হয়। গত মাসেই পার্থ ও অর্পিতাকে গ্রেফতার করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। পার্থ গ্রেফতার হতেই তাঁকে ছেঁটে ফেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পার্থ খোয়ান মন্ত্রিত্ব। কেড়ে নেওয়া হয় তাঁর তৃণমূলের সদস্য পদও।

    আরও পড়ুন : অনুব্রত একজন মাফিয়া, মমতার প্রশ্রয়ে ওর বাড়বাড়ন্ত, বললেন শুভেন্দু

    এর কয়েক সপ্তাহ পরেই গরু পাচারকাণ্ডে সিবিআই গ্রেফতার করে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে। এর পরেই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছে তৃণমূল। তাদের অভিযোগ, বিরোধীদের দমন করতে কেন্দ্র ব্যবহার করছে কেন্দ্রীয় বিভিন্ন সংস্থাকে। সাহস থাকলে তাঁকে গ্রেফতার করা হোক বলেও বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Nadda on Mamata: পারলে আমাকে জেলে ভরো…মমতার মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় কী বললেন নাড্ডা? 

    Nadda on Mamata: পারলে আমাকে জেলে ভরো…মমতার মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় কী বললেন নাড্ডা? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবারই তাঁকে গ্রেফতার করার জন্য বিজেপিকে (BJP) চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন তৃণমূল (TMC) সুপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এদিন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত একটি জনসভায় বক্তব্য রাখছিলেন মমতা। সেখানেই বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ জানান তিনি। এদিন তার কড়া প্রতিক্রিয়া জানাল বিজেপি। 

    দলের হেভিওয়েট দুই নেতাকে গ্রেফতার করেছে দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই এবং ইডি। রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তৃণমূলের পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) গ্রেফতার হয়েছেন এসএসসি নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে (SSC Scam)। আর তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mandol) গ্রেফতার হয়েছেন গরু পাচার মামলায় (Cattle Smuggling Case)। দুজনকেই প্রথমে তলব করেছিল সিবিআই। পরে করা হয় গ্রেফতার। এদিনের সমাবেশে সেই প্রসঙ্গ টেনে গেরুয়া শিবিরকে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে আমরা বিজেপিকে শূন্যে নামিয়ে আনব। তারা চায়, তৃণমূলের অন্য নেতাদেরও গ্রেফতার করতে। এর পরেই বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মমতা বলেন, এসো, আমাকে গ্রেফতার কর, যদি পার। আমি জেল থেকে বিজেপিকে গোহারা হারাব। তৃণমূল নেত্রী বলেন, এর পর ওরা মলয় (ঘটক) এবং ফিরহাদ (হাকিম)কে গ্রেফতার করতে চায়। অভিষেককেও…। মমতা বলেন, অভিষেককে ইতিমধ্যেই নোটিশ পাঠিয়েছে, নোটিশ পাঠিয়েছে তার স্ত্রীকেও। আমি বলছি, এমনকী তাদের ছেলেকেও নোটিশ পাঠাবে।

    আরও পড়ুন : সিবিআই থেকে জেল হেফাজত হতেই কেষ্ট-‘কলঙ্ক’ ঝেড়ে ফেলতে চাইছে তৃণমূল?

    দিল্লি দখল যে তাঁর প্রধান লক্ষ্য এদিন তাও গোপন করেননি মমতা। বলেন, আমার মূল লড়াই দিল্লির জন্য। দিল্লি থেকে বিজেপিকে তাড়াব। ২০২৪ সালে বিজেপিকে আমরা দিল্লি থেকে দূর করব। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা ভয় ছড়ানোর চেষ্টা করছেন। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি লোকসভা নির্বাচন জিততে চায় প্রত্যেকে জেলের ভিতরে রেখে। আমি বলছি, তোমার যদি ধৃষ্টতা থাকে, তাহলে আমাকেও জেলে ঢোকাও। আমরা দেখব, নির্বাচনের ফল কী হয়। তৃণমূল নেত্রী বলেন, আমরা লড়াই করব, এবং আমরা জিতব এবং বিজেপিকে ক্ষমতাচ্যুত করব।           

    তৃণমূল নেত্রীর এই মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে গেরুয়া শিবির। এই মুহূর্তে ত্রিপুরা সফরে রয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। তিনি বলেন, বিজেপি তৃণমূলের জনবিরোধী নীতি, দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা এবং মহিলাদের ওপর নৃশংসতার বিরোধী। তাঁর তোপ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী। অথচ তাঁর রাজ্যেই মহিলা পাচারের ঘটনা দেশের মধ্যে সব চেয়ে বেশি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Abhishek Banerjee: কয়লা পাচার কাণ্ডে ফের ইডির তলব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে

    Abhishek Banerjee: কয়লা পাচার কাণ্ডে ফের ইডির তলব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার কাণ্ডে (Coal Smuggling Case) ফের ইডির (ED) তলব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee)। ২ সেপ্টেম্বর তাঁকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কলকাতা (Kolkata) অফিসে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। এর আগেও একবার ইডির আধিকারিকরা জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন অভিষেককে। ২১ মার্চ তাঁকে টানা ন’ঘণ্টা জেরা করেছিলেন তদন্তকারীরা। সোমবারই তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসেব অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডিকে তলব করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন তৃণমূল (TMC) সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেই আশঙ্কা প্রকাশ করার পর চব্বিশ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই দলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে তলব করল ইডি (ED)।

    কয়লা পাচারকাণ্ডে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে। একপ্রস্ত জেরা করা হয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। গত বছর ৫ সেপ্টেম্বর আর্থিক তছরুপ রোধ আইনে (PMLA) ইডি একবার জেরা করেছিল অভিষেককে। এবার তলব করা হল কয়লা কেলেঙ্কারিতে। অভিষেকের পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী রুজিরাকেও (Rujira Banerjee) একবার তলব করেছিল ইডি।

    আরও পড়ুন : জানত না রাজ্য গোয়েন্দা পুলিশও! দুবাই সফর কেন ‘গোপন’ রাখলেন অভিষেক?

    সোমবার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসে বিজেপিকে নিশানা করেছিলেন অভিষেক। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও তাঁর পুত্র বিসিসিআই সচিব জয় শাহকেও (Jay Shah) আক্রমণ শানিয়েছিলেন তিনি। অভিষেকের অভিযোগ, গরু পাচার মামলায় সব চেয়ে বেশি উপকৃত হয়েছেন বিজেপি নেতারা। তিনি বলেন, তারা (বিজেপি) গরু পাচার মামলার কথা বলছে। এই কেলেঙ্কারিতে সব চেয়ে বেশি উপকৃত হয়েছেন বিজেপি নেতারা। বিজেপি নেতাদের মাধ্যমেই অসাধু উপায়ে অর্জিত টাকা গিয়েছে দিল্লিতে। অভিষেকের প্রশ্ন, কেন অমিত শাহ বিএসএফকে জিজ্ঞাসা করছেন না কীভাবে গরু পাচার হল? তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের তোপ, এটা গরু পাচার কেলেঙ্কারি নয়, এটা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কেলেঙ্কারি। বিএসএফকে পরিচালনা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। যদি বিএসএফ ঠিকঠাক কাজ করে তাহলে গরু পাচার হয় কী করে?  অভিষেক বলেন, এ প্রশ্নের কৈফিয়ত দিতে হবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

LinkedIn
Share