Tag: Mamata Banerjee

Mamata Banerjee

  • Sukanta Majumdar: চিঠির পর এবার সটান রাজভবনে সুকান্ত, ‘খেলা হবে দিবসে’ তৃণমূলকে বেনজির আক্রমণ বিজেপির 

    Sukanta Majumdar: চিঠির পর এবার সটান রাজভবনে সুকান্ত, ‘খেলা হবে দিবসে’ তৃণমূলকে বেনজির আক্রমণ বিজেপির 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিজেপি (BJP) নেতাদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে। এজন্য রাজ্যের শাসকদলকেই কাঠগড়ায় তুলেছে গেরুয়া শিবির। স্বাধীনতা দিবসের দিন এই অভিযোগ তুলে রাজ্যপালকে চিঠি লিখেছিল রাজ্য বিজেপি। মঙ্গলবার দলীয় নেতাদের নিয়ে সটান রাজভবনে গিয়ে হাজির হলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। রাজ্যপাল লা গণেশনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বেরিয়েই নিশানা করলেন তৃণমূলকে (TMC)। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে, আদর্শের লড়াইয়ে পেরে উঠবে না জেনেই তৃণমূল পুলিশকে সামনে রেখে হিংসা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ সুকান্তের।

    ফালাকাটায় বিজেপি নেতার বাড়িতে তাণ্ডব চালানো হয়েছে। বাগনানেও এক বিজেপি নেতার ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ। এজন্য তৃণমূলের খেলা হবে (Khela Hobe) স্লোগানকেই দায়ি করে এবং রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার অবনতির অভিযোগ তুলে সোমবার রাজ্যপালকে চিঠি দেয় বিজেপি। মঙ্গলবার বিজেপি নেতাদের সঙ্গে নিয়ে রাজভবনে উপস্থিত হন সুকান্ত। বেরিয়েই তিনি বলেন, আশঙ্কা নিয়েই রাজ্যপালের কাছে এসেছি। গতকাল থেকে শুরু হয়ে গিয়েছে। যেভাবে একের পর এক মন্ত্রী, তৃণমূলের নেতারা চুরি, গরুপাচার এবং টাকা রাখার দায়ে ধরা পড়ছেন, তাতে আগামী দিনে হয়তো আরও বাড়বে। গণতান্ত্রিকভাবে তৃণমূল সম্পূর্ণ ব্যাকফুটে। বাংলার বাসে ট্রামে চোর চোর শব্দ শোনা যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে হিংসাই একমাত্র আশ্রয় তৃণমূলের। গণতান্ত্রিকভাবে লড়তে না পেরে আদর্শের লড়াইয়ে পেরে উঠতে না পেরে পুলিশকে সামনে রেখে এই কাজ করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

    প্রসঙ্গত, একুশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল নেতাদের মুখে খেলা হবে স্লোগান শোনা যায়। ভোটের পর ১৬ অগাস্ট দিনটি খেলা হবে দিবস হিসেবে পালনের কথা ঘোষণা করা হয়। এদিন সুকান্ত বলেন, তৃণমূল খেলতে চায়। তাদের খেলার লোকের অভাব নেই। কারণ পশ্চিমবঙ্গে যত গুন্ডা মস্তান রয়েছে, তারা সব তৃণমূলের ছত্রছায়ায়। সব থেকে বড় গুন্ডা তৃণমূলের পুলিশ। তিনি বলেন, খেলতে আপত্তি নেই আমাদের। কিন্তু সমানে সমানে খেলা হওয়া উচিত। সমান মাঠ তৈরি করে দিন, বিজেপি ভাল খেলে দেবে। আমাদের বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দেওয়া হচ্ছে। ভাল ব্যাটিং করবে। সুকান্ত বলেন, পুলিশকে সরিয়ে দিন না, দেখি কত বড় খেলোয়াড় তৃণমূল!

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে যে লড়াই শুরু করেছেন মাননীয় নরেন্দ্র মোদিজি, সেই লড়াই চলছে, চলবে। বাংলা নয়, গোটা দেশে রাজনীতি যে রোজগারের জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে, তা ভাঙতে চাই। দু চারটি সেতু, রাস্তা তৈরি করতে আসেননি প্রধানমন্ত্রী। ভারতবর্ষের রাজনীতিকে পরিবর্তন করতে ভারতবাসীর চিন্তাধারা পরিবর্তনের দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, একটি রাজনৈতিক পরিবার অন্য পরিবারের ক্ষতি করবে না, এই প্রথা থেকে ভারতের রাজনীতিকে বার করে আনতে হবে। পারিবারিক রাজনীতি থেকে বার করে আনতে হবে দেশকে।

    অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষী সায়গল হোসেন প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, সায়গল পুলিশের সাধারণ সাব ইন্সপেক্টর। তার পক্ষে এই চক্র চালানো সম্ভব নয়, যদি না পিছনে রাজনৈতিক মদত থাকে। তাই সায়গল যে চক্র চালাত, বকলমে তা চালাতেন অনুব্রতই। তাঁকে দায় নিতে হবে। অপরাধী যিনি, তিনি সাজা পাবেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতির দাবি, গরু, কয়লাপাচার প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া সম্ভব নয়। প্রশাসন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এর সঙ্গে যুক্ত থাকে। কেউ ছাড় পাবে না। সকলকে আইনের আওতায় আনা উচিত। আমিও আইনের ঊর্ধ্বে নই, মুখ্যমন্ত্রীও নন। যদি দেখা যায় তাঁর নাম জড়িয়ে যাচ্ছে, তাঁর বাড়িতেই সিবিআই, ইডি যাবে। সম্প্রতি গরু পাচার মামলায় গ্রেফতার হওয়া অনুব্রতর পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন খোদ তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এদিন সে প্রসঙ্গ টেনে সুকান্ত বলেন, চোর বাঁচাও আন্দোলন চলছে।

    এদিকে, ১৬ অগাস্ট তৃণমূলের খেলা দিবস পালনের কর্মসূচিকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা অমিত মালব্য। ট্যুইটবার্তায় তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১৬ অগাস্ট দিনটিকেই বেছে নিয়েছেন খেলা হবে দিবস হিসেবে। এই দিনেই মুসলিম লিগ ডিরেক্ট অ্যাকশন শুরু করেছিল। যা পরে গণহত্যার আকার নেয়। এতে প্রাণ হারান লক্ষ লক্ষ বাঙালি হিন্দু। তাঁর এই প্রচেষ্টা ভয় জাগাবে। ১৯৪৬ সালে ভারতীয় ব্যবসায়ী গোপাল চন্দ্র মুখোপাধ্যায় যেভাবে ভারত জাতীয় বাহিনী গড়ে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন, বিজেপিও তেমনি করবে।  

     

  • Pavan Varma Quits TMC: যশবন্তের পর এবার তৃণমূল ছাড়লেন পবন ভার্মা, এবার কি কীর্তি?

    Pavan Varma Quits TMC: যশবন্তের পর এবার তৃণমূল ছাড়লেন পবন ভার্মা, এবার কি কীর্তি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সময়টা খুব একটা ভালো যাচ্ছে না তৃণমূলের (TMC)। দুই নেতার শ্রীঘরে ঢোকার পর এবার আরেকটা ধাক্কা খেলেন মমতা। গত এপ্রিল মাসে তৃণমূল ছেড়েছিলেন দলের জাতীয়স্তরের নেতা অশোক তানোয়ার (Ashok Tanwar)। সম্প্রতি, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে (Presidential Elections) পরাজিত হওয়ার পর তৃণমূলে ফিরবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন দলের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি যশবন্ত সিন‍্‍হা (Yashwant Sinha)। এবার, দলত্যাগ করলেন তৃণমূলের আরেক জাতীয়স্তরের নেতা পবন ভার্মা (Pawan Verma Quits TMC)। 

    জেডিইউয়ের (JD-U) এই প্রাক্তন সাংসদ গত বছর শেষের দিকে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। কয়েক মাসের ব্যবধানেই দল ছাড়লেন তিনি৷ শুক্রবার ট্যুইট করে তৃণমূল ছাড়ার কথা ঘোষণা করেন পবন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যাগ করে তিনি লেখেন, ‘সম্মানীয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee), অনুগ্রহ করে তৃণমূল থেকে আমার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করুন। আমাকে স্বাগত জানানো, আপনার স্নেহ ও সৌজন্যের জন্য আমি আপনাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আপনাকে শুভকামনা এবং আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।’ 

    আরও পড়ুন: এক এক করে আপনাদের হাতও ছাড়বেন মমতা, কার উদ্দেশ্যে বললেন মালব্য?

    পবন ভার্মা ভুটানে ভারতের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। পরবর্তীতে রাজনীতির আঙিনায় পা রাখেন। প্রথমে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের (Nitish Kumar) উপদেষ্টার পদে ছিলেন। পরে জেডিইউয়ের টিকিটেই রাজ্যসভার সাংসদ হন। জনতা দল ইউনাইটেডের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও সামলেছেন তিনি। দলের মুখপাত্রের ভূমিকাতেও দেখা যায় তাঁকে। কিন্তু সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে নীতীশের সঙ্গে তাঁর মতবিরোধ হয়৷ ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে জনতা দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। সেইসময় তাঁর বিরুদ্ধে ‘দলের নিয়ম’ পালন না করার জন্য বহিষ্কার করা হয়েছিল।

     

     

    গত বছর নভেম্বরে রাজ্যে তৃতীয়বারের জন্য তৃণমূল সরকার গঠন করার পর প্রশান্ত কিশোরের উদ্যোগে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন পবন ভার্মা সহ হিন্দি বলয়ের তিন নেতা। পবন ছাড়াও আরও দুই প্রাক্তন সাংসদ অশোক তানোয়ার ও কীর্তি আজাদও তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। তবে সুসময় বেশিদিন টিকল না। এপ্রিলেই তৃণমূল ছেড়েছিলেন অশোক। গত কয়েকমাসে পবনকেও সেভাবে সক্রিয়ভাবে দেখা যায়নি৷ এবার তিনিও দল ছাড়লেন। এখনও তৃণমূলে রয়েছেন কীর্তি আজাদ। এই পরিস্থিতিতে, রাজনৈতিক মহলে জোর গুঞ্জন, এবার কি তাহলে কীর্তির পালা? 

    আরও পড়ুন: সিবিআই অনুব্রতকে নিয়ে যেতেই একে একে মুখ খুলছেন স্থানীয়রা, কী বলছেন তাঁরা?

    পাশাপাশি, ত্রিপুরা তৃণমূলেও ধরেছে ভাঙন। সেখানেও তৃণমূল কংগ্রেস ত্যাগ করে একঝাঁক নেতা-কর্মী জাতীয় কংগ্রেসে যোগদান করেছেন। বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণের হাত ধরে কংগ্রেসে ফিরলেন রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক বাপ্টু চক্রবর্তী। তিনি জানান, পুর-নির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা মোট ১২ জন প্রার্থী কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।

  • Goa BJP: গোয়া পঞ্চায়েতে বিপুল জয় বিজেপির, গেরুয়া শিবিরে খুশির হাওয়া

    Goa BJP: গোয়া পঞ্চায়েতে বিপুল জয় বিজেপির, গেরুয়া শিবিরে খুশির হাওয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের (Independence Day) প্রাক্কালে ফের সুখবর গেরুয়া শিবিরে! গোয়া পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Goa Panchayat Elections)  বিপুল জয় পেল বিজেপি (BJP)। লোকসভা, বিধানসভার পর জয়ের ধারা অব্যাহত পঞ্চায়েত নির্বাচনেও। রাজ্যের ১৮৬টি গ্রাম পঞ্চায়েতের (Gram Panchayat) মধ্যে ১৪০টির রশি গিয়েছে পদ্ম নেতৃত্বের হাতে।

    ১০ অগাস্ট ভোট হয়েছিল রাজ্যের উত্তর গোয়া জেলার ৯৭টি ও দক্ষিণ গোয়া জেলার ৮৯টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট ১ হাজার ৪৬৪টি আসনে। ভোট পড়েছিল ৭৯ শতাংশের কাছাকাছি। নির্বাচনের আগেই অবশ্য উত্তর গোয়ায় ৪১টি ও দক্ষিণ গোয়ায় ২৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছিলেন পদ্ম প্রার্থীরা। শুক্রবার শুরু হয়েছে গণনা। ফল প্রকাশিত হলে দেখা যাচ্ছে, হাজারখানেক আসনে জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থীরা। বিপুল জয়ের জন্য গোয়ার বাসিন্দাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাবন্ত (Pramod Sawant)। তিনি বলেন, ১০ তারিখে গোয়ার ১৮৬টি পঞ্চায়েতে ভোট হয়েছিল। ফল ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। আমরা ১৪০টি আসনে জয়ী হয়েছি। বিধানসভা, লোকসভার পর পঞ্চায়েতেও জয় পেয়েছি আমরা। এতে প্রমাণ হয় আমরা জনগণের জন্য কাজ করছি। তিনি বলেন, আমি নিশ্চিত আমাদের এই ফলে খুশি হবেন কেন্দ্রীয় কমিটি। বিজেপির গোয়া রাজ্য সভাপতি সদানন্দ শেট তানাভাদে (Sadanand Shet Tanavade) বলেন, এই প্রথম গোয়া পঞ্চায়েত নির্বাচনে কোনও একটি রাজনৈতিক দল এত বেশি আসনে জয়ী হয়েছে। বিজেপির এই জয় ঐতিহাসিক। তিনি বলেন, নির্বাচনের এই ফলে এটা প্রমাণিত হয় যে বিধানসভা ভোটের তুলনায় আমাদের প্রতি মানুষের সমর্থন বেড়েছে।

    আরও পড়ুন :বিজেপি-সঙ্গ ত্যাগ নিছক উপলক্ষ, নীতীশের লক্ষ্য কি প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি?

    চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসেই হয় গোয়া বিধানসভা নির্বাচন। গোয়া বিধানসভার ৪০টি আসনের মধ্যে ২০টিতে জয়ী হয়ে সরকার গড়ে পদ্ম-পার্টি। ওই নির্বাচনে গোয়া দখলে মাটি কামড়ে পড়েছিলেন তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতানেত্রীরা। বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া বাবুল সুপ্রিয়কেও পদ্ম শিবিরের বাড়া ভাতে ছাই দিতে পাঠিয়েছিলেন তৃণমূল নেতৃত্ব। বার দুয়েক গোয়া উড়ে গিয়েছিলেন খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। কংগ্রেস ভাঙিয়ে তৃণমূল গড়ে বিজেপিকে মাত দিতে চেয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী। ভোটের ফল প্রকাশের পর দেখা যায় মুখ পুড়েছে জোড়াফুল শিবিরের। তবে বিধানসভা নির্বাচনে খালি হাতে ফিরতে হলেও, পঞ্চায়েতে একটি আসনে জয়ী হয়েছেন তৃণমূল নেত্রী রাখি নায়েক। দক্ষিণ গোয়া জেলার নেত্রাবলী থেকে জয়ী হয়েছেন রাখি।

    আরও পড়ুন : বিজেপি যুবনেতা খুনের ঘটনায় তদন্তে এনআইএ! জানুন কেন

  • Mamata Banerjee Profile Pic: মমতার স্বাধীনতা প্রোফাইলে নেহরু বাদ, এলেন সর্দার প্যাটেল, অরবিন্দ

    Mamata Banerjee Profile Pic: মমতার স্বাধীনতা প্রোফাইলে নেহরু বাদ, এলেন সর্দার প্যাটেল, অরবিন্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফেসবুকে প্রোফাইল পিকচার বদল করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উপলক্ষ স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি। দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ছবিতে সাজানো সেই প্রোফাইল ছবি। নীচে ট্রাই কালার রিবন। ৭৫তম বার্ষিকী লেখা। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর ফেসবুকের প্রোফাইল ছবিতে কোথাও জওহরলাল নেহরু নেই!

    গান্ধী আছেন, অথচ নেহরু নেই। ‘গ্র্যান্ড ওল্ড ম্যান অব ইন্ডিয়া’ দাদাভাই নৌরজি আছেন, কিন্তু স্বাধীনতা সময়ে কংগ্রেসের নেতা জওহরলাল নেহরু নেই। দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু নেই অথচ আছেন দেশের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী। আছেন, বাল গঙ্গাধর তিলক-বিপিনচন্দ্র পাল-লালা লাজপত রাই। আছেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, রাসবিহারী বসু, কিন্তু কোথাও জওহরলাল নেহরু নেই। কেন নেই? জানেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    ব্যাপারটা এমন নয় যে যাঁরা মুখ্যমন্ত্রীর প্রোফাইল পিকচার বানিয়েছেন, তাঁদের কাছে নেহরুর ছবি নেই। বরং গত ৭৫ বছর ধরে যে দুজনের মুখের সঙ্গে দেশবাসী সবচেয়ে বেশি পরিচিত তাঁরা হলেন মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী এবং জওহরলাল নেহরু। তাহলে কি শিল্পীর কাছে নির্দেশ ছিল ওই নির্দিষ্ট একজনের ছবি দেওয়া যাবে না। নইলে তিনি সেই ছবি ব্যবহার করলেন না কেন? কারণ এমন অনেক স্বাধীনতা সংগ্রামীর ছবি আছে, যাদের ছবি বিরল। তাহলে কি জওহরলালের ছবি না রাখার পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে? তাহলে কি সচেতন বর্জন নেহরুকে? রাজনীতির মানুষ আমাদের মুখ্যমন্ত্রী। পিছনেও নিশ্চিত থাকবে সেই রাজনীতির ভাবনাই। কি সেই রাজনীতি…?

    কি সেই রাজনৈতিক কারণ?  
    বিশ্লেষকরা বলছেন, “সচেতন ভাবেই নিজের ফেসবুক প্রোফাইলের পিকচারে জওহরলাল নেহরুর ছবি রাখতে চাননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কংগ্রেসের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ানোই এর পিছনের কারণ হতে পারে।”

    কেন মনে হচ্ছে এমন কথা? কংগ্রেসের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ানোর পিছনের যুক্তি কি? 
    রাজনৈতিক বিশ্লেষকের বক্তব্য, “অন্যান্য ছবিগুলো দেখলেই বোঝা যাবে পিছনের যুক্তি। আসলে কখনও কখনও ছবিও কথা বলে।”
    তাহলে চলুন দেখি কি কথা বলল নতুন ছবি। ছবির দিকে তাকিয়ে দেখুন। কারা আছেন ছবিতে?
     
    আছেন সরোজিনী নাইডু, মাতঙ্গিনী হাজরা, প্রীতিলতা ওয়াদেদার। আছেন, বীণা দাস, যিনি জ্যাকসনকে গুলি করেছিলেন। আছেন কল্পনা দত্ত যিনি পরে কমিউনিস্ট পার্টির নেতা পিসি যোশীকে বিয়ে করে কল্পনা যোশী হয়েছিলেন। আছেন চন্দ্রশেখর আজাদ, ভগত সিং, বটুকেশ্বর দত্ত যাঁরা স্বাধীনতা আন্দোলনের সময়েই সাম্যবাদী ভাবধারায় পথ খুঁজছিলেন স্বাধীনতার। রাজনৈতিক ভাবে বামেদের শেষ করেই এই রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছেন মমতা। সেই সিপিএমের আইকনিক স্বাধীনতার শহিদদের হঠাৎ এত গুরুত্ব কেন?  

    তাহলে কি নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে বামেদের সমর্থনের জমিতে হাত বাড়াতে চাইছেন মমতা? নাকি সহিংস আন্দোলনের নেতাদের সামনে রেখেই চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনী সাম্পানে উঠতে চাইছেন তৃণমূল নেত্রী। যেখানে কংগ্রেসের নেতৃত্বকে অস্বীকার করেই নিজেই নেতা হতে চান মমতা? সেই কারণে কি, কংগ্রেসের অতীত নেতাকে অস্বীকার করে, স্বাধীনতা আন্দোলনে কংগ্রেসের ভূমিকাকেই ছোট করে দেখানোর চেষ্টা। কারণ লোকসভা নির্বাচনে বিরোধী জোটের যে স্বপ্ন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেখছেন সেই তরী তীরে নিয়ে যেতে হলে দেশের সব রাজ্যে ছড়িয়ে থাকা কংগ্রেসকে বড়দাদা হিসেবে মেনে চলতে হবে। কংগ্রেসকে নেতা মানতে আপত্তি একাধিকবার জানিয়েছেন মমতা। দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী বেচারি জওহরলাল নেহরুও কি মমতার “কংগ্রেস রোষে”র শিকার হলেন? 

    আরও একটা যুক্তি তাহলে পাশাপাশি এসে যাচ্ছে। সেটা হল, জওহরলাল নেহরু নেই। কিন্তু স্পষ্ট ভাবে সেন্টার স্টেজে আছেন লৌহমানব বল্লভভাই প্যাটেল। নীচ থেকে দ্বিতীয় সারিতেই। যাতে প্রথমেই চোখ যায়। আর আছেন ঋষি অরবিন্দ ঘোষ, একেবারে উপরে দ্বিতীয় সারিতে। তাহলে নীচ থেকে দ্বিতীয় সারিতে বল্লভভাই প্যাটেল আর ওপর থেকে দ্বিতীয় সারিতে ঋষি অরবিন্দ! দুজনের অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ ছবিতে। কোণাকুনি ডাইগোন্যাল। কেন? বিখ্যাত অঙ্কনশিল্পী জানাচ্ছেন, “অঙ্কন শৈলীর দিক থেকেও অরবিন্দ ও বল্লভভাই প্যাটেলের অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ মানুষ দেখার সময়, ওপরের বাঁদিক থেকে নীচের ডানদিকে দৃষ্টি চালায়। আমি আপনি সবাই তাই করি। সুতরাং অবস্থানগত ভাবেও ঋষি অরবিন্দ ঘোষ ও বল্লভভাই প্যাটেলের ছবিকেও গুরুত্ব দেওয়া। চোখে পড়ার কারণেই। 

    প্রশ্ন হল বিজেপির আইকনিক দুই স্বাধীনতা যোদ্ধা বল্লভভাই প্যাটেল ও ঋষি অরবিন্দের ছবিকে এতটা গুরুত্ব দিয়ে সামনে আনা কেন? বিজেপিকে তো রাজনৈতিক শত্রু মনে করেন মমতা। তাঁর কেন এলেন প্রোফাইলে?

    বিশ্লেষকরা বলছেন, “বল্লভভাই প্যাটেল ও ঋষি অরবিন্দের ছবির ব্যবহারও সচেতন ভাবেই করা হয়েছে। এটা বোঝাতে মমতা হিন্দু নেশনের রাজনৈতিক ধারণায় বিশ্বাসী। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের একাংশের সঙ্গে এখনও সুসম্পর্ক রাখতে আগ্রহী মমতা নিজেই। তাঁর আপত্তি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহে। যাঁরা বারবার রাজ্য সরকারকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন শিক্ষক নিয়োগ থেকে কয়লা-বালি-গরু পাচার অবৈধ খাদান নিয়ে দুর্নীতির কথা। স্মরণ করাচ্ছেন মেলা উৎসবের নামে সরকারি অর্থের নয়ছয় না করে সময়োপযোগী উন্নয়নের পথে হাঁটতে। ফলে, মমতা বোঝাতে চাইছেন, ‘বিজেপি ভাল। এখনকার নেতারা খারাপ।’ উদ্দেশ্য হিন্দু ভোটের অংশ যাতে হাতছাড়া না হয়। বল্লভভাই প্যাটেল ও ঋষি অরবিন্দর ছবির ব্যবহার যদি ‘ভাল বিজেপি’কে প্রথম মেসেজ হয়, তাহলে দ্বিতীয় মেসেজ, অবশ্যই; দেখুন নেহরুতে আপনাদের মতই আমারও আপত্তি।”

    মমতার প্রোফাইল ঘিরে এত প্রশ্ন কেন উঠল সেটা বলি। বিধানসভা নির্বাচনের আগেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রোফাইল পিকচার বদলেছিলেন। তখন যেটা ব্যবহার করেছিলেন, যেটা প্রশান্ত কিশোরের টিমই বানিয়ে দিয়েছিল। বর্তমান প্রোফাইল ছবিও যদিও পিকে-র টিমেরই বানানো। পুরানোতে এই নেতারা কেউই ছিলেন না। যেখানে ‘জয় হিন্দ, জয় বাংলা’ স্লোগান লেখা ছিল। কারণ সামনে নির্বাচন বাংলায়। অতএব, পুরানো প্রোফাইলে, বাংলার বাইরের মাত্র তিন জন ছিলেন। মহাত্মা গান্ধী, ভগত সিং আর বি আর অম্বেডকর। তফশিলি জাতি উপজাতি আর পঞ্জাবি ভোট টানতেই মমতার প্রোফাইলের ছবির সজ্জা। সঙ্গে বাঙালি আবেগ, রবীন্দ্র-নজরুল-নেতাজি। আর স্বাধীনতার ৭৫তম বার্ষিকীর প্রোফাইলে বাংলা তো বটেই ভিনরাজ্যের একাধিক স্বাধীনতার লড়াইয়ের নেতার ছবি। তবে, বাদ গেছেন জওহরলাল নেহরু। বাদ গেছেন আরও এক জন। তিনি, বি আর অম্বেডকর।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকের দাবি, অম্বেডকরের ছবি বাদ যাওয়াটা ‘মিসটেক’ হতেই পারে। কিন্তু নেহরুকে ‘সচেতন বর্জন’ করে দুই মেসেজ দিলেন মমতা। ২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে। এক কংগ্রেসকে পাত্তা দিচ্ছি না। বিজেপিকে গুরুত্ব দিচ্ছি।

  • Amit Malviya on Anubrata: অনুব্রতর মতো দুষ্কৃতীদের পৃষ্ঠপোষকতা করেন মমতা, তোপ অমিত মালব্যর

    Amit Malviya on Anubrata: অনুব্রতর মতো দুষ্কৃতীদের পৃষ্ঠপোষকতা করেন মমতা, তোপ অমিত মালব্যর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার সাত সকালে সিবিআই (CBI) জালে অনুব্রত মণ্ডল ( Anubrata Mondal)। এদিন সকালে সিবিআইয়ের একটি দল ঘিরে ফেলে তৃণমূলের (TMC) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের বাড়ি। পরে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। তার পরেই অনুব্রত ও তাঁর দল তৃণমূলকে তোপ দেগেছেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব। অনুব্রতকে প্রশ্রয় দেওয়ার জন্য তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) কাঠগড়ায় তুলেছেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য (Amit Malviya)।

    গরু পাচার মামলায় নাম জড়িয়েছে অনুব্রতর। তদন্তে নেমে বার দশেক তাঁকে তলব করে সিবিআই। এর মধ্যে মাত্র একবারই নিজাম প্যালেসে গিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হন বীরভূমের এই দাপুটে নেতা। নানা অছিলায় বাকি সময় তিনি এড়িয়েছেন সিবিআইয়ের জেরা। যদিও গরু পাচার মামলায় তাঁকেই জেরা করে সত্য উদ্ঘাটন করতে মরিয়া সিবিআই। বারবার সিবিআই নাগাল এড়ানোয় এদিন তাঁকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    সম্প্রতি সিবিআই এবং ইডি যৌথভাবে তল্লাশিতে নামে বীরভূমের বিভিন্ন জায়গায়। অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা কেরিম শেখ ও অনুব্রত ঘনিষ্ঠ পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের বাড়িতেও হানা দেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। বাজেয়াপ্ত করেন প্রচুর নথি। তা থেকেই সিবিআইয়ের ধারণা, অনুব্রতকে জেরা করলেই খুলে যাবে পাচার-রহস্যের দ্বার। এটাও অনুব্রতকে গ্রেফতার করার অন্যতম একটি কারণ।   

    আরও পড়ুন : অনুব্রত একজন মাফিয়া, মমতার প্রশ্রয়ে ওর বাড়বাড়ন্ত, বললেন শুভেন্দু

    অনুব্রতকে প্রশ্রয় দেওয়ায় তৃণমূলের সর্বময় কর্ত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই সরাসরি দায়ী করেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা অমিত মালব্য। ট্যুইট বার্তায় অনুব্রতকে সরাসরি দুষ্কৃতী বলেও তোপ দাগেন তিনি। তিনি লিখেছেন, অনুব্রত মণ্ডলের মতো দুষ্কৃতীদের পৃষ্ঠপোষকতা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তিনি তাঁদের নিরাপত্তা দেন, যাঁরা অপরাধ করে। পার্থ চট্টোপাধ্যায় হোন বা অনুব্রত মণ্ডল এর দায় বর্তায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর। বিজেপির এই কেন্দ্রীয় নেতার প্রশ্ন, বীরভূমের স্থানীয় গুন্ডা অনুব্রত মণ্ডলকে তাঁর গাড়িতে বসিয়ে নিয়ে বাংলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কী বার্তা দেন? তিনি বলেন, এই অনুব্রত মণ্ডলের নির্দেশেই চলত আনারুল হোসেনরা, রামপুরহাট গণহত্যাকাণ্ডে যে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছে। অমিত বলেন, এই ছবিই প্রমাণ করে বাংলার রাজনীতির দুর্বৃত্তায়নের সূত্রপাত একেবারে মাথা থেকে।

     

  • Suvendu Adhikari on TMC: তৃণমূল পার্টিটা আর ছ’মাসও টিকবে না, ডেডলাইন শুভেন্দুর 

    Suvendu Adhikari on TMC: তৃণমূল পার্টিটা আর ছ’মাসও টিকবে না, ডেডলাইন শুভেন্দুর 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল (TMC) পার্টিটা আর ছ মাসও টিকবে না। এমনই মন্তব্য করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ‘আগামী ছ মাসের মধ্যে সামনে আসবে নতুন তৃণমূল’ লেখা পোস্টারে ছয়লাপ শহর। সেই প্রেক্ষিতেই একথা বলেন শুভেন্দু। পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘায় সংবাদ মাধ্যমকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, ইডি (ED) এবং সিবিআই (CBI) তাদের কাজ করছে। তৃণমূল পার্টিটা আর ছ মাসও টিকবে না। ডিসেম্বরই তাদের ডেডলাইন।

    কলকাতা শহরের বিভিন্ন প্রান্তে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দিয়ে টাঙানো হয়েছে একাধিক হোর্ডিং। যার কোনওটায় লেখা, ‘আগামী ছ মাসের মধ্যে সামনে আসবে নতুন তৃণমূল’। কোনওটায় আবার লেখা, ‘চলুন লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হোন’। কোনও কোনওটায় আবার লেখা হয়েছে, ‘ঠিক যেমন সাধারণ মানুষ চায়’। তৃণমূল নেতৃত্ব অবশ্য এই হোর্ডিং টাঙানোর কথা অস্বীকার করেছে। তবে হোর্ডিং নিয়ে রাজ্যের শাসক দলকে বিঁধতে ছাড়েননি শুভেন্দু। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, শিক্ষা থেকে স্বাস্থ্য, কয়লা থেকে গরু কোনও কিছু থেকে তোলাবাজি বাদ রাখেনি তৃণমূল কংগ্রেস। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার জালে যখন একের পর এক নেতা মন্ত্রী বিভিন্ন দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ছেন, তখন তা থেকে দলকে বাঁচাতেই নয়া তৃণমূলের কৌশল নিয়েছে ‘তোলামূল’ পার্টি। এর পরেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, ইডি যেভাবে তদন্তের গতি বড়িয়েছে, তাতে তৃণমূল দলটাই ডিসেম্বর মাসের মধ্যে বাংলা থেকে মুছে যাবে।

    আরও পড়ুন : “তৃণমূলের ১০০ জনের নাম তুলে দিয়েছি…”, অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকের পর শুভেন্দু

    এদিন দিঘায় সৈকত নগরে দিঘা তিরঙ্গা যাত্রা কর্মসূচিতে অংশ নেন শুভেন্দু। সেখানেই তৃণমূলকে নিশানা করেন তিনি। এর আগে ১২ অগাস্ট নন্দীগ্রামে হর ঘর তিরঙ্গা বাইক কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়েছিলেন শুভেন্দু। পুলিশি বাধায় ওই কর্মসূচি আর পালন করা যায়নি। ওই ঘটনায়ও শুভেন্দু দুষছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি বলেছিলেন, হর ঘর তিরঙ্গা কর্মসূচি কোনও রাজনৈতিক কিংবা ধর্মীয় সমাবেশ কিংবা জন সমাবেশ নয়। আমরা শান্তিপূর্ণভাবেই ওই কর্মসূচি পালন করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ নির্দেশ দেয় শুভেন্দু অধিকারিকে কোনও প্রচার করতে না দিতে।

    আরও পড়ুন : অনুব্রত একজন মাফিয়া, মমতার প্রশ্রয়ে ওর বাড়বাড়ন্ত, বললেন শুভেন্দু

     

  • Suvendu Adhikari: কেন্দ্রের টাকা নয়ছয়, প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি শুভেন্দুর 

    Suvendu Adhikari: কেন্দ্রের টাকা নয়ছয়, প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি শুভেন্দুর 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বকেয়া অর্থ আদায় করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে দেখা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ঠিক তার পরের দিনই প্রধানমন্ত্রীকে পাঁচ পাতার একটি চিঠি পাঠালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু জানান, পশ্চিমবঙ্গে এই বিশাল আর্থিক দুর্নীতির বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নজরে আনার জন্যই চিঠি লেখা হয়েছে তাঁকে।

    প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠিতে শুভেন্দু লিখেছেন, দিনের পর দিন এই দুর্নীতি চলছে। একশো দিনের কাজ দিয়ে গরিব মানুষকে টাকা দেওয়ার কথা ছিল। অথচ কোনও কাজ না দিয়েই টাকা খরচ করা হয়েছে। আর তা প্রমাণ করতে ভুল শংসাপত্রও দেওয়া হয়েছে। একশো দিনের কাজে বৃক্ষরোপণ করতে গিয়ে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগও তুলেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। পাঁচ পাতার ওই চিঠিতে তিনি লিখেছেন, নথিতে রাজ্য সরকার দেখিয়েছে হাজার হাজার হেক্টর জমিতে ম্যানগ্রোভ ও অন্য চারা গাছ রোপণ করা হয়েছে। আধিকারিকরা যখন পরিদর্শন করতে যান, তখন রাজ্যের তরফে বলা হয় ইয়াস, আমপান এবং অন্য প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে চারাগাছ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠা গাছগুলিকে দেখিয়ে দাবি করা হয় একশো দিনের প্রকল্পের অধীনেই সে সব গাছ রোপণ করা হয়েছে। কুলতলি বিধানসভা কেন্দ্র, জয়নগর-২ ব্লক সহ দক্ষিণ ২৪ পরগনার বেশ কিছু এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে।

    আরও পড়ুন : এটা তো সবে ট্রেলার, পুরো সিনেমা এখনও বাকি! ট্যুইটে কাকে বিঁধলেন শুভেন্দু অধিকারী?

    এই দুর্নীতির জন্য রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে তিনি লিখেছেন, তৃণমূলের স্থানীয় নেতারা এই একশো দিনের কাজের প্রকল্পকে টাঁকশালে পরিণত করেছেন।গরিব চাকরি প্রার্থীদের হয় টাকা দেওয়া হয়নি, নয় তো জব কার্ড ছিনিয়ে নিয়েছেন দুর্নীতিগ্রস্ত স্থানীয় নেতারা। ওই চিঠিতেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা লিখেছেন, অন্য কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্পের ক্ষেত্রেও একই দুর্নীতি হয়েছে। ইচ্ছাকৃতভাবে বদলে দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম। বদলে নিজেদের ইচ্ছামতো নাম দিয়েছে। কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরা তদারকি করতে গেলে রাতারাতি সেসব নামের ফলক, সাইনবোর্ড বদলে দেওয়া হয়েছে। এভাবেই প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার নাম বদলে করা হয়েছে বাংলা গ্রামীণ সড়ক যোজনা।

    আরও পড়ুন : “তৃণমূলের ১০০ জনের নাম তুলে দিয়েছি…”, অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকের পর শুভেন্দু

    প্রসঙ্গত, এর আগেও একাধিকবার বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম রাজ্য সরকার বদলে দিচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছিলেন বিজেপি নেতারা। এবার কেন্দ্রীয় প্রকল্পে নানা দুর্নীতির অভিযোগও তুললেন শুভেন্দু।

     

  • Sukanta Majumdar: রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি সুকান্তর, কী লিখলেন তিনি?

    Sukanta Majumdar: রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি সুকান্তর, কী লিখলেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (President Draupadi Murmu) দ্বারস্থ বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে নালিশ জানালেন তিনি। রাষ্ট্রপতির হাতে একটি স্মারকলিপিও তুলে দেন সুকান্ত। সেখানে এসএসসি কাণ্ড (SSC scam) ও পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) থেকে শুরু করে গরুপাচারকাণ্ড (Cattle smuggling) ও অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)-সহ একাধিক ইস্যুতে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে স্মারকলিপি দেন সুকান্ত মজুমদার।

    আরও পড়ুন: কেন অনুব্রতর বাড়িতে ডাক্তার? হাসপাতাল সুপারকে ধমক স্বাস্থ্য কর্তার, দায় নেবে না নবান্ন

    রাষ্ট্রপতিকে লেখা চিঠিতে সুকান্ত বলেছেন, রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন। তাঁর ঘনিষ্ঠর বাড়ি থেকে বিপুল নগদ টাকা উদ্ধার হয়েছে। গরু পাচার মামলায় সিবিআই তলব করা সত্ত্বেও হাজিরা এড়িয়ে যাচ্ছেন অনুব্রত মণ্ডল। 

    চিঠিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন দুর্নীতি ও বেআইনি কার্যকলাপের জেরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, পরেশ অধিকারী, শওকত মোল্লার মতো তৃণমূলের একাধিক নেতা রয়েছেন সিবিআই বা ইডি-র রাডারে। একইসঙ্গে ১৯ জন নেতার সম্পত্তি সংক্রান্ত যে মামলায় ইডি-কে পার্টি করতে বলেছে কলকাতা হাইকোর্ট, সেই প্রসঙ্গও চিঠিতে উল্লেখ করেন দেন সুকান্ত।

    চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, শিক্ষা সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগের মাঝেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য পদে বসতে চাইছেন। এ সব বিষয় উল্লেখ করে সুকান্ত মজুমদারের আর্জি, যাতে রাষ্ট্রপতি এ রাজ্যের পরিস্থিতির ওপর নজর দেন।

    আরও পড়ুন: ধনখড়ের প্রশ্নের মুখে মমতার ১৯ বিল, নতুন রাজ্যপাল কি আদৌ সই করবেন?

  • Bengal Cabinet Reshuffle: রাজ্যের নতুন মন্ত্রিসভায় হল কী কী পরিবর্তন? দেখুন এক নজরে

    Bengal Cabinet Reshuffle: রাজ্যের নতুন মন্ত্রিসভায় হল কী কী পরিবর্তন? দেখুন এক নজরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার রাজ্য মন্ত্রিসভার রদবদল হয়েছে। মমতার মন্ত্রিসভায় এলেন ৮ জন নতুন মুখ। মমতা মন্ত্রিসভায় পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বাবুল সুপ্রিয়, স্নেহাশিস চক্রবর্তী, পার্থ ভৌমিক। পূর্ণমন্ত্রী হলেন উদয়ন গুহ, প্রদীপ মজুমদার। স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী হলেন বীরবাহা হাঁসদা। স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী হলেন বিপ্লব রায়চৗধুরী। শুধু প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে সত্যজিত্‍ বর্মন, তাজমুল হোসেন ।

    এক নজরে দেখে নেওয়া যাক রাজ্যের নতুন মন্ত্রিসভায় কী কী পরিবর্তন হল—

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়— মখ্যমন্ত্রী। এর পাশাপাশি, তাঁর অধীনে রয়েছে স্বরাষ্ট্র ও পাহাড় বিষয়ক দফতর, কর্মীবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দফতর, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতর, ভূমি ও ভূমি সংস্কার এবং উদ্বাস্তু পুনর্বাসন দফতর, তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, পরিকল্পনা ও পরিসংখ্যান এবং প্রকল্প নিরীক্ষণ দফতর।

    মানস ভুঁইঞা— পূর্ণমন্ত্রী, জলসম্পদ উন্নয়ন দফতর এবং পরিবেশ দফতর।

    মলয় ঘটক— পূর্ণমন্ত্রী, আইন ও বিচারবিভাগীয় দফতর ও শ্রম দফতর।

    অরূপ বিশ্বাস— পূর্ণমন্ত্রী, বিদ্যুৎ দফতর, ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ দফতর, হাউসিং দফতর।

    উজ্জ্বল বিশ্বাস— পূর্ণমন্ত্রী, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও বায়ো-টেকনোলজি দফতর।

    ফিরহাদ হাকিম— পূর্ণমন্ত্রী, পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর।

    আরও পড়ুন: খরচের ক্ষমতা মাত্র দেড় কোটি, মমতার মন্ত্রীদের প্রাপ্য শুধু পাইলট আর নীলবাতি

    শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়— পূর্ণমন্ত্রী, কৃষি দফতর, পরিষদীয় দফতর।

    পুলক রায়— পূর্ণমন্ত্রী, জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতর, পূর্ত দফতর।

    শশী পাঁজা— পূর্ণমন্ত্রী, নারী, শিশুকল্যাণ ও সমাজ কল্যাণ দফতর, শিল্প ও বাণিজ্য দফতর।

    বিপ্লব মিত্র— পূর্ণমন্ত্রী, ক্রেতা সুরক্ষা বিষয়ক দফতর।

    বাবুল সুপ্রিয়— পূর্ণমন্ত্রী, তথ্যপ্রযুক্তি দফতর ও পর্যটন দফতর।

    স্নেহাশিস চক্রবর্তী— পূর্ণমন্ত্রী, পরিবহন দফতর।

    পার্থ ভৌমিক— পূর্ণমন্ত্রী, সেচ দফতর, জলপথ দফতর।

    আরও পড়ুন: দফতর বণ্টনও সম্পন্ন, পার্থর হাতে থাকা তিন দফতরের দায়িত্বে এবার তিনজন

    উদয়ন গুহ— পূর্ণমন্ত্রী, উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতর।

    প্রদীপ মজুমদার— পূর্ণমন্ত্রী, পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর।

    বেচারাম মান্না— প্রতিমন্ত্রী (স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত) কৃষি বিপণন, পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন।

    অখিল গিরি— প্রতিমন্ত্রী (স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত) কারা দফতর।

    ইন্দ্রনীল সেন— প্রতিমন্ত্রী (স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত) কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ। প্রতিমন্ত্রী, তথ্য ও সংস্কৃতি।

    বিপ্লব রায়চৌধুরী— প্রতিমন্ত্রী (স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত) মৎস্য দফতর।

    বীরবাহা হাঁসদা— প্রতিমন্ত্রী (স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত) স্বনির্ভর ও স্ব-রোজগার দফতর। প্রতিমন্ত্রী, বন দফতর।

    শ্রীকান্ত মাহাতো— প্রতিমন্ত্রী, ক্রেতা সুরক্ষা দফতর।

    তাজমুল হোসেন— প্রতিমন্ত্রী, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প দফতর, বস্ত্র দফতর।

    সত্যজিৎ বর্মন— প্রতিমন্ত্রী, স্কুল শিক্ষা।

  • WB Cabinet Reshuffle: মন্ত্রিসভায় রদবদল, শপথ নিলেন বাবুল, উদয়ন সহ ৯ 

    WB Cabinet Reshuffle: মন্ত্রিসভায় রদবদল, শপথ নিলেন বাবুল, উদয়ন সহ ৯ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘোষণা মতো বুধবারের বারবেলায় মন্ত্রিসভায় রদবদল করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। দিন কয়েক আগেই মন্ত্রিসভায় রদবদলের কথা ঘোষণা করেছিলেন তিনি। তখনই জানিয়েছিলেন, বর্তমান মন্ত্রিসভার চার পাঁচজনকে দলের কাজে লাগানো হবে। আসবেন পাঁচ ছ জন নতুন মুখ। সেই মতো এদিন শপথ নিয়েছেন মোট ন’ জন। রাজভবনে তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল লা গণেশন।

    দলে এক ব্যক্তি এক পদ নীতির দাবি উঠেছিল অনেক আগেই। এই দাবি উঠে এসেছিল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) গলায়ই। প্রথম দিকে অভিষেকের দাবিকে আমল না দিলেও এসএসসি দুর্নীতিকাণ্ডে (SSC Scam) রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) গ্রেফতার হতেই আমূল বদলে যায় পরিস্থিতি। রাজনৈতিক মহলের মতে, সেই কারণেই মন্ত্রিসভায় রদবদল।

    আরও পড়ুন : মন্ত্রিত্ব থেকে দলীয় পদ, সবকিছু থেকেই পার্থকে ছেঁটে ফেললেন মমতা

    এদিন যে নজন শপথ নিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে আটজনই নতুন। আর প্রতিমন্ত্রী থেকে স্বাধীন দফতরের দায়িত্ব পেলেন বীরবাহা হাঁসদা। এদিন পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বাবুল সুপ্রিয়, স্নেহাশিস চক্রবর্তী, উদয়ন গুহ, প্রদীপ মজুমদার। স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন বীরবাহা হাঁসদা এবং বিপ্লব রায়চৌধুরী। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন সত্যজিৎ বর্মন এবং তাজমূল হোসেন। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসুও উপস্থিত ছিলেন। তবে অনুষ্ঠানে যাননি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী।

    রাজনৈতিক মহলের মতে, বাবুল যে মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পাবেন, তা এক প্রকার নিশ্চিতই ছিল। কারণ মন্ত্রিত্ব খোয়া যাওয়ায় বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন বাবুল। এদিন তিনি তারই পুরস্কার পেলেন। পুরস্কার পেয়েছেন আরও একজন। তিনি উদয়ন গুহ। দিনহাটায় বিজেপি প্রার্থীকে লক্ষাধিক ভোটে হারানোর পুরস্কার পেয়েছেন তিনিও। এক সময় ফরওয়ার্ড ব্লক করলেও, পরে ভিড়ে যান তৃণমূলে। দলবদল এবং বিজেপি প্রার্থীকে লক্ষাধিক ভোটে পরাস্ত করার পুরস্কারই এদিন তুলে দেওয়া হয়েছে তাঁর হাতে। সেই সঙ্গে মন্ত্রিসভায় প্রতিনিধিত্ব রইল উত্তরবঙ্গেরও।

    আরও পড়ুন : জয়ী দ্রৌপদী, মমতা ব্যর্থ, তৃণমূলনেত্রীকে কটাক্ষ বিজেপির

    ২০২৪ লোকসভা নির্বাচন। তার আগে রয়েছে পঞ্চায়েত নির্বাচন। সেকথা মাথায় রেখেই মমতা মন্ত্রিসভায় রদবদল করলেন বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের। সেই কারণেই মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেয়েছেন মালদহের তাজমূল হোসেন। এই তাজমূলও ফরওয়ার্ড ব্লক থেকে বেরিয়ে ভিড়েছিলেন তৃণমূলের ছাতার তলায়। তাই পুরস্কার পেয়েছেন তিনিও। ‘পদোন্নতি’ হয়েছে বীরবাহা হাঁসদারও।

    ভোট যে বড় বালাই!

     

LinkedIn
Share