Tag: Manipur Violence

Manipur Violence

  • Manipur Violence: ২৬৭ না ১৭৬! মণিপুর নিয়ে আলোচনা হবে কোন ধারায়? 

    Manipur Violence: ২৬৭ না ১৭৬! মণিপুর নিয়ে আলোচনা হবে কোন ধারায়? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাদল অধিবেশনের (Monsoon Session of Parliament) দ্বিতীয় দিনও মণিপুর প্রসঙ্গ নিয়ে লাগাতার বিক্ষোভ দেখালেন বিরোধী সাংসদরা। ২৬৭ না কি ১৭৬? কোন ধারায় মণিপুর হিংসা (Manipur Violence) নিয়ে আলোচনা হবে, তা নিয়ে তরজা শুরু হয় বিরোধী এবং সরকারপক্ষের। আর সেই হট্টগোলের জেরে আবার মুলতুবি হয়ে গেল অধিবেশন।

    কোন ধারায় আলোচনা

    ২৬৭ ধারায় লোকসভা এবং রাজ্যসভায় সব কর্মসূচি বন্ধ রেখে দুই মহিলাকে বিবস্ত্র করে হাঁটানোর ‘ঘটনা’-সহ মণিপুরের (Manipur Violence) সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার দাবিতে নোটিস দিয়েছিল কংগ্রেস-সহ কয়েকটি বিরোধী দল। কিন্তু তাতে রাজি হয়নি সরকার। কেন্দ্রীয় সংসদীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী ২৬৭ ধারার পরিবর্তে ১৭৬ ধারায় আলোচনা চেয়েছেন। সংবিধান বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ১৭৬ ধারায় কেবলমাত্র তুলনামূলক কম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ‘স্বল্পকালীন আলোচনা’ হয় সংসদে। এতে সংসদের সাধারণ কার্যকলাপ বন্ধ রাখারও প্রয়োজন হয় না। লোকসভার স্পিকার এবং রাজ্যসভার চেয়ারম্যান ২৬৭ ধারায় আলোচনার দাবিতে সায় না দেওয়ায় বিরোধী সাংসদেরা প্রতিবাদ শুরু করেন। 

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের মতামত

    এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেন, “মণিপুরের পরিস্থিতি অত্যন্ত গুরুতর। মণিপুরের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেই প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে মণিপুরের ঘটনা গোটা দেশকে লজ্জিত করেছে। আমি সর্বদলীয় বৈঠকেও বলেছিলাম, এখনও বলছি আমরা চাই মণিপুরের পরিস্থিতি নিয়ে সংসদে আলোচনা হোক। কিন্তু বিরোধীরা মণিপুর নিয়ে আলোচনা করতে আগ্রহী নয়। বেশ কিছু বিরোধী দল ইচ্ছাকৃতভাবে সংসদে অশান্তি করছেন যাতে আলোচনা না হতে পারে। আমি অভিযোগ জানিয়েই বলছি, মণিপুরের পরিস্থিতিকে যতটা গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত, বিরোধীরা তা করছে না।”

    আরও পড়ুন: ট্যুইটারে জনপ্রিয়তার নিরিখে বাইডেন-সুনককে পিছনে ফেললেন মোদি

    বিরোধীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর বলেন, “দেশের মানুষ আশা নিয়ে সংসদের অধিবেশন (Monsoon Session of Parliament) দেখতে বসেন, অথচ বিরোধীরা অধিবেশন চালাতে দেন না, আলোচনায় অংশ নেন না। তখন এঁদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।” বিরোধীদের সরকারের প্রকৃত চেহারা প্রকাশ্যে চলে আসবে বলেই তাঁরা আলোচনা থেকে পালাতে চান বলেও কটাক্ষ করেছেন অনুরাগ ঠাকুর। তিনি বলেন, “আমরা সংবেদনশীল, দায়িত্বশীল, আলোচনায় অংশ নিতে চাই। আর বিরোধীরা দায়িত্ব থেকে পালাতে চায় এবং আলোচনা থেকেও পালাতে চায়।” এভাবে দিনের পর দিন সংসদ অচল থাকলে দেশের ক্ষতি বলে মনে করে সরকার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur: মণিপুরকাণ্ডে মূল অভিযুক্তের বাড়ি ভাঙচুর, আগুন উত্তেজিত জনতার

    Manipur: মণিপুরকাণ্ডে মূল অভিযুক্তের বাড়ি ভাঙচুর, আগুন উত্তেজিত জনতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরে (Manipur) দুই মহিলাকে বিবস্ত্র করে হাঁটানোর অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া মূল অভিযুক্তের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিল উত্তেজিত জনতা। বৃহস্পতিবার রাতে অজ্ঞাতপরিচয় কিছু ব্যক্তি প্রথমে তাঁর বাড়ি ভাঙচুর করে। পরে লাগিয়ে দেয় আগুন। বৃহস্পতিবার সকালে গ্রেফতার করা হয় বছর বত্রিশের ওই যুবককে। তাঁকে জেরা করে এদিন সন্ধ্যায়ই গ্রেফতার করা হয় আরও তিনজনকে। সব মিলিয়ে ওই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে মোট চারজনকে।

    অভিযুক্তদের গ্রেফতারের আশ্বাস

    মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংহ বলেন, তদন্ত চলছে। যাঁরা এই জঘন্য অপরাধের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের সকলকে গ্রেফতার করা হবে। তদন্তের স্বার্থে এর চেয়ে বেশি কিছু বলছি না। জানা গিয়েছে, মণিপুরের (Manipur) থৌবাল জেলা থেকে গ্রেফতার করা হয় মূল অভিযুক্তকে। মহিলাদের বিবস্ত্র করে ঘোরানোর সময় তিনিই নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন বলে ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় (যার সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম) দেখা গিয়েছে। তার ভিত্তিতেই গ্রেফতার করা হয় ওই যুবককে। এর পরেই উত্তেজিত জনতা আগুন লাগিয়ে দেয় তাঁর বাড়িতে।

    লজ্জাজনক সেই ঘটনা

    প্রসঙ্গত, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি ইম্ফল থেকে প্রায় ৩৫ কিমি দূরের কাংপোকপি জেলার। পুলিশের এফআইআর অনুযায়ী, সেই ঘটনায় নির্যাতিতা মহিলাদের পরিবারের দুই সদস্যকেও খুন করা হয়েছিল। এফআইআরে বলা হয়েছে, ৪ মে আতঙ্কে এক কুকি পরিবারের ৫ সদস্য বনে লুকিয়ে পড়েছিলেন। পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে। পুলিশের হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয় তাঁদের।

    আরও পড়ুুন: “কংগ্রেস চায় না সংসদ সুষ্ঠুভাবে চলুক”, মণিপুরকাণ্ডে তোপ রবিশঙ্করের

    পরে বছর ছাপান্নর এক ব্যক্তিকে খুন করা হয়। পরে বিবস্ত্র করে হাঁটানো হয় দুই মহিলাকে। বছর একুশের এক তরুণীকে গণধর্ষণ করা হয় বলেও অভিযোগ। ২১ জুন ওই মহিলারা দায়ের করেন এফআইআর।প্রসঙ্গত, ৩ মে থেকে অশান্তি শুরু হয়েছে উত্তর পূর্বের পাহাড়ি এই রাজ্যে (Manipur)। হিন্দু মেইতেই এবং খিস্টান কুকিদের সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে মৃত্যু হয়েছে শতাধিক মানুষের। পোড়ানো হয়েছে ঘর-বাড়ি-গাড়ি। পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন করা হয়েছে সেনা। তার পরেও ঘটে চলেছে বিক্ষিপ্ত অশান্তি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Monsoon Session: মণিপুর নিয়ে ব্যাপক হট্টগোল, বিরোধীদের বাধায় মুলতুবি সংসদ

    Parliament Monsoon Session: মণিপুর নিয়ে ব্যাপক হট্টগোল, বিরোধীদের বাধায় মুলতুবি সংসদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথা মেনে বৃহস্পতিবার সকালে সংসদের বাদল অধিবেশনের (Parliament Monsoon Session) শুরুতে শোকপ্রস্তাব পাঠের পর মুলতুবি করে দেওয়া হয় সভা। ২৬৭ নম্বর ধারা নিয়ে বিতর্কের জেরে দুপুর ২টো ১৭ মিনিট নাগাদ ফের মুলতুবি করে দেওয়া হয় রাজ্যসভা। দুপুর ২টো নাগাদ লোকসভার অধিবেশন শুরু হতেই মণিপুর (Manipur) নিয়ে হইচই জুড়ে দেন বিরোধীরা। উত্তর পূর্বের এই পাহাড়ি রাজ্য নিয়ে ব্যাপক হট্টগোলের জেরে এদিনের মতো মুলতুবি হয়ে যায় সংসদের দুই কক্ষই।

    বৈঠকে ইন্ডিয়া জোট

    সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, “সরকার স্পষ্ট করে দিয়েছে যে তারা মণিপুর নিয়ে সংসদের দুই কক্ষেই আলোচনা করতে চায়।” তিনি এও জানান, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সংসদে এই বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট পেশ করবেন। তবে কোন সময় এই রিপোর্ট পেশ করা হবে, তা ঠিক করবেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, জানান তিনি। এদিন অধিবেশন শুরুর আগেই সংসদ চত্বরে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের চেম্বারে বৈঠক করেন ইন্ডিয়া জোটের সংসদের নেতারা। সেই মতো অধিবেশন (Parliament Monsoon Session) শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই হট্টগোল (Manipur) জুড়ে দেন তাঁরা। তার জেরে মুলতুবি হয়ে যায় সভা।

    তিনটি নোটিশ

    রাজ্যসভার কার্যক্রম মুলতুবি (Parliament Monsoon Session) থাকার সময়ই কক্ষে জমা পড়ে তিনটি নোটিশ। উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার অধ্যক্ষ জগদীপ ধনখড় জানান, ওড়িশায় ট্রেন দুর্ঘটনা এবং রেল নিরাপত্তা, বেকারত্ব এবং মণিপুরের হিংসার বিষয়ে আলোচনা চেয়েছেন বিরোধীরা। বেলা ২টোয় উভয় কক্ষেরই কার্যক্রম ফের শুরু হয়। সংসদীয় কার্যক্রম যাতে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা যায়, তা নিয়ে বিরোধী নেতাদের অনুরোধ করেন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী। যদিও কার্যক্রম শুরু হতেই শুরু হয় হট্টগোল। মণিপুরে (Manipur) হিংসা নিয়ে অবিলম্বে আলোচনার দাবিতে সংসদের উভয় কক্ষেই স্লোগান দিতে থাকেন বিরোধীরা। তার পরেই এদিনের মতো মুলতুবি করে দেওয়া হয় উভয় কক্ষের কার্যক্রম।  

    আরও পড়ুুন: গড়াগড়ি খাচ্ছে হাজার হাজার সিদ্ধ ডিম, তৃণমূলের শহিদ দিবস নাকি মোচ্ছব!

    প্রসঙ্গত, হিন্দু মেইতেই এবং খিস্টান কুকিদের সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে ৩ মে থেকে অশান্তি শুরু হয়েছে উত্তর পূর্বের পাহাড়ি রাজ্য মণিপুরে (Manipur)। মৃত্যু হয়েছে শতাধিক মানুষের। পোড়ানো হয়েছে ঘর-বাড়ি-গাড়ি। পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন করা হয়েছে সেনা। গড়া হয়েছে শান্তি কমিটিও। তার পরেও প্রকাশ্যে আসছে বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur: “সরকার পদক্ষেপ না করলে আদালত বাধ্য হবে”, মণিপুরকাণ্ডে বললেন চন্দ্রচূড়

    Manipur: “সরকার পদক্ষেপ না করলে আদালত বাধ্য হবে”, মণিপুরকাণ্ডে বললেন চন্দ্রচূড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এই ঘটনায় (Manipur) আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। যদি সরকার কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ না করে সেক্ষেত্রে আদালত স্বতঃপ্রণোদিতভাবে পদক্ষেপ করতে বাধ্য হবে।” বৃহস্পতিবার এমন মন্তব্য করলেন সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। আগামিকাল, শুক্রবারের মধ্যে রিপোর্ট তলব করেছে দেশের শীর্ষ আদালত। শুনানিও হবে এদিন। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, “সরকারের অবিলম্বে পদক্ষেপ করা উচিত। গণতন্ত্রে এই ধরনের ঘটনা একেবারেই মেনে নেওয়া যায় না।”

    প্রধানমন্ত্রীর নিন্দা

    মণিপুরে দুই মহিলাকে নগ্ন করে হাঁটানোর ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ঘটনায় স্তম্ভিত গোটা দেশ। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। “মণিপুরের (Manipur) ঘটনা যে কোনও সভ্য সমাজের পক্ষে লজ্জার। ওই ঘটনায় দেশের ১৪০ কোটি মানুষের মাথা হেঁট হয়ে গিয়েছে।” বৃহস্পতিবার সংসদের বাদল অধিবেশন শুরুর আগে এই ভাষায়ই মণিপুরের ঘটনার নিন্দা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দুই মহিলাকে বিবস্ত্র করে হাঁটানোর ঘটনায় তিনি যে ব্যথিত ও ক্রুদ্ধ, তাও জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ট্যুইট-বার্তায় ঘটনার নিন্দা করেন কেন্দ্রীয় মহিলা ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। তিনি লেখেন, মণিপুরে ২ মহিলার যৌন নির্যাতনের ভয়াবহ যে ভিডিও সামনে এসেছে, তা নিন্দনীয় ও সম্পূর্ণ অমানবিক।

    চিন্তিত চন্দ্রচূড় 

    সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেন, “গতকাল ভিডিও দেখার পর আমরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন, চিন্তিত। আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। সময় হয়েছে সরকারের পদক্ষেপ করার। এই ঘটনা অনস্বীকার্য, এটা মানা যায় না।” প্রধান বিচারপতি বলেন, “কেন্দ্রকে দ্রুত পদক্ষেপ করার আর্জি জানাচ্ছি। যদি সরকার পদক্ষেপ না করে, তবে আদালত পদক্ষেপ করতে বাধ্য হবে। এই ধরনের অপরাধের ঘটনা ঘটানোর জন্য অপরাধীদের বিরুদ্ধে সরকার কী পদক্ষেপ করছে, তার দিকে নজর রাখছে আদালত। সংবাদ মাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ভিডিও দেখা গিয়েছে, তা সংবিধান উল্ঘনের প্রমাণ।”

    আরও পড়ুুন: ফের রাজভবন-নবান্ন সংঘাত! বিধানসভার বাদল অধিবেশন নিয়ে প্রশ্ন রাজ্যপালের

    প্রসঙ্গত, ৩ মে থেকে অশান্তি শুরু হয়েছে উত্তর পূর্বের পাহাড়ি এই রাজ্যে (Manipur)। হিন্দু মেইতেই এবং খিস্টান কুকিদের সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে মৃত্যু হয়েছে শতাধিক মানুষের। পোড়ানো হয়েছে ঘর-বাড়ি-গাড়ি। পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন করা হয়েছে সেনা। তার পরেও ঘটে চলেছে বিক্ষিপ্ত অশান্তি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur: মণিপুরের ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় বিপাকে ট্যুইটার, কড়া পদক্ষেপ করতে পারে কেন্দ্র

    Manipur: মণিপুরের ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় বিপাকে ট্যুইটার, কড়া পদক্ষেপ করতে পারে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নগ্ন করে ঘোরানো হচ্ছে দুই মহিলাকে। তাঁদের পেছনে পেছনে চলেছেন যাঁরা ওই মহিলাদের ‘শাস্তি’ দিচ্ছেন, তাঁরা। মণিপুরের (Manipur) অসভ্য এবং বর্বরোচিত এই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে যথারীতি। অবশ্য ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। তবে এই ভিডিও ঘিরেই তোলপাড় জাতীয় রাজনীতি। ঘটনার জেরে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীকেও বলতে হল, “মণিপুরের (Manipur) ঘটনা যে কোনও সভ্য সমাজের পক্ষে লজ্জার। ওই ঘটনায় দেশের ১৪০ কোটি মানুষের মাথা হেঁট হয়ে গিয়েছে।”

    ভিডিও দ্রুত সরানোর নির্দেশ

    প্রধানমন্ত্রীর এই প্রতিক্রিয়ার আগেই অবশ্য পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্র। ট্যুইটার সহ সমস্ত সমাজমাধ্যমকে একটি নির্দেশিকা দিয়ে কেন্দ্র জানিয়েছে, ওই ভিডিও দ্রুত সরিয়ে নিতে হবে। এ নিয়ে ট্যুইটার কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে পদক্ষেপও করতে পারে কেন্দ্র। জানা গিয়েছে, ভিডিওটি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে, বুঝেই পদক্ষেপ করা উচিত ছিল ট্যুইটার কর্তৃপক্ষের। তার বদলে ট্যুইটার কর্তৃপক্ষ যেভাবে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়তে সাহায্য করেছে, তাতে প্রশাসনের সঙ্গে অসহযোগিতা করা হয়েছে বলে মনে করছে কেন্দ্র।

    ছিঃ ছিঃ ছিঃ

    ট্যুইটার দেশের তথ্যপ্রযুক্তি সংক্রান্ত আইনও ভেঙেছে বলে মনে করছে সরকার। ট্যুইটার ও অন্য সমাজ মাধ্যমগুলির সঙ্গে সমন্বয় রেখে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়া রুখতে চাইছে কেন্দ্রের তথ্যপ্রযুক্ত মন্ত্রক। ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি ইম্ফল থেকে প্রায় ৩৫ কিমি দূরের কাংপোকপি জেলার। পুলিশের এফআইআর অনুযায়ী, সেই ঘটনায় নির্যাতিতা মহিলাদের পরিবারের দুই সদস্যকেও খুন করা হয়েছিল। এফআইআরে বলা হয়েছে, ৪ মে আতঙ্কে এক কুকি পরিবারের ৫ সদস্য বনে লুকিয়ে পড়েছিলেন। পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে। পুলিশের হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয় তাঁদের।

    পরে বছর ছাপান্নর এক ব্যক্তিকে খুন করা হয়। পরে বিবস্ত্র করে হাঁটানো হয় দুই মহিলাকে। বছর একুশের এক তরুণীকে গণধর্ষণ করা হয় বলেও অভিযোগ। ২১ জুন ওই মহিলারা দায়ের করেন এফআইআর।প্রসঙ্গত, ৩ মে থেকে অশান্তি শুরু হয়েছে উত্তর পূর্বের পাহাড়ি এই রাজ্যে (Manipur)। হিন্দু মেইতেই এবং খিস্টান কুকিদের সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে মৃত্যু হয়েছে শতাধিক মানুষের। পোড়ানো হয়েছে ঘর-বাড়ি-গাড়ি। পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন করা হয়েছে সেনা। তার পরেও ঘটে চলেছে বিক্ষিপ্ত অশান্তি। 

    আরও পড়ুুন: “মণিপুরের ঘটনা সভ্য সমাজের পক্ষে লজ্জার”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Manipur: “মণিপুরের ঘটনা সভ্য সমাজের পক্ষে লজ্জার”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    Manipur: “মণিপুরের ঘটনা সভ্য সমাজের পক্ষে লজ্জার”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মণিপুরের (Manipur) ঘটনা যে কোনও সভ্য সমাজের পক্ষে লজ্জার। ওই ঘটনায় দেশের ১৪০ কোটি মানুষের মাথা হেঁট হয়ে গিয়েছে।” বৃহস্পতিবার সংসদের বাদল অধিবেশন শুরুর আগে এই ভাষায়ই মণিপুরের ঘটনার নিন্দা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দুই মহিলাকে বিবস্ত্র করে হাঁটানোর ঘটনায় তিনি যে ব্যথিত ও ক্রুদ্ধ, তাও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় সরকারের জনমুখী বিলগুলি সাংসদরা সমর্থন করবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

    ঠিক কী বলেছেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছেন, ‘‘আজ আমার হৃদয় ভারাক্রান্ত, ক্রোধে পূর্ণ। মণিপুরের যে ঘটনা সামনে এসেছে, তা কোনও সভ্য সমাজের পক্ষে লজ্জাজনক। অপরাধীরা অপরাধ করে নিজের নিজের জায়জায়। কিন্তু এই ঘটনায় সারা দেশ অপমানিত হয়েছে। ১৪০ কোটি দেশবাসী লজ্জিত।’’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “মা বোনেদের রক্ষা করার জন্য আমি সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন করছি, নিজেদের রাজ্যে আইনব্যবস্থা আরও মজবুত করুন। রাজস্থান, ছত্তীসগড় হোক বা মণিপুর— সকল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের আহ্বান করছি, রাজনীতির উপরে উঠে, যে কোনও রাজ্যে আগে নারীর সম্মান রক্ষা হোক। মণিপুরের মেয়েদের সঙ্গে যা হয়েছে, তা ক্ষমার অযোগ্য।’’ প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করছেন, কোনও অপরাধীকে রেহাই দেওয়া হবে না। আইন তার সর্বশক্তি দিয়ে একের পর এক পদক্ষেপ নেবে।

    প্রকাশ্যে ভিডিও

    সম্প্রতি, মণিপুরের (Manipur) একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, দুই মহিলাকে বিবস্ত্র করে রাস্তায় ঘোরানো হচ্ছে। ওই ভাইরাল ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। বিরোধী দলগুলির একাংশ ঘটনার জন্য মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংয়ের ইস্তফা দাবি করেছে। মণিপুর পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য কংগ্রেসের পক্ষে এদিন নোটিশ দেওয়া হয়েছে লোকসভা ও রাজ্যসভায়। ট্যুইটার ও অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিকে ওই ভিডিও সরিয়ে নেওয়ার আদেশ দিয়েছে কেন্দ্র।

    লজ্জাজনক ঘটনা

    জানা গিয়েছে, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি ইম্ফল থেকে প্রায় ৩৫ কিমি দূরের কাংপোকপি জেলার। পুলিশের এফআইআর অনুযায়ী, সেই ঘটনায় নির্যাতিতা মহিলাদের পরিবারের দুই সদস্যকেও খুন করা হয়েছিল। এফআইআরে বলা হয়েছে, ৪ মে আতঙ্কে এক কুকি পরিবারের ৫ সদস্য বনে লুকিয়ে পড়েছিলেন।

    পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে। পুলিশের হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয় তাঁদের। পরে বছর ছাপান্নর এক ব্যক্তিকে খুন করা হয়। পরে বিবস্ত্র করে হাঁটানো হয় দুই মহিলাকে। বছর একুশের এক তরুণীকে গণধর্ষণ করা হয় বলেও অভিযোগ। ২১ জুন ওই মহিলারা দায়ের করেন এফআইআর।

    প্রসঙ্গত, ৩ মে থেকে জাতিগত হিংসার আগুনে জ্বলছে মণিপুর (Manipur)। হিন্দু মেইতেই এবং খ্রিস্টান কুকিদের সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে মৃত্যু হয়েছে শতাধিক মানুষের। পোড়ানো হয়েছে ঘর-বাড়ি-গাড়ি। পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন করা হয়েছে সেনা। দুই মহিলাকে বিবস্ত্র করে ঘোরানোর ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ট্যুইট-বার্তায় ঘটনার নিন্দা করেন কেন্দ্রীয় মহিলা ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। তিনি লেখেন, মণিপুরে ২ মহিলার যৌন নির্যাতনের ভয়াবহ যে ভিডিও সামনে এসেছে, তা নিন্দনীয় ও সম্পূর্ণ অমানবিক।

    এদিকে, বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া বাদল অধিবেশন চলবে ১১ অগাস্ট পর্যন্ত। এই অধিবেশনে পাশ করানো হতে পারে ৩১টি বিল। এর মধ্যে নতুন বিল পেশ হতে পারে ২১টি।

     

    আরও পড়ুুন: ‘‘আগামী সপ্তাহে তৃণমূলের আরও একটি চুরি ফাঁস করব’’! বিস্ফোরক শুভেন্দু

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur: ‘‘শুধু উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিকেই নিশানা কেন?’’ পাঁচলার ঘটনা উল্লেখ করে প্রশ্ন হিমন্তর

    Manipur: ‘‘শুধু উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিকেই নিশানা কেন?’’ পাঁচলার ঘটনা উল্লেখ করে প্রশ্ন হিমন্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরে (Manipur) দুই মহিলাকে নগ্ন করে ঘোরানোয় ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে দেশজুড়ে। অথচ দেশের অন্যান্য রাজ্যে এমনতর ঘটনা ঘটলেও, কেবল উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে কিছু ঘটলে হইচই হচ্ছে বলে অভিযোগ। মণিপুরের ঘটনাকে ‘ভয়ঙ্কর’ আখ্যা দিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। পশ্চিমবঙ্গের হাওড়ার পাঁচলায়ও এমন ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ। অথচ তা নিয়ে কোনও সমালোচনা হচ্ছে না। অন্তত এমনই অভিযোগ অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার। প্রসঙ্গত, পাঁচলায় পঞ্চায়েত নির্বাচনে হেরে যাওয়ায় বিজেপির মহিলা প্রার্থীকে তৃণমূল কর্মীরা নগ্ন করে ঘোরায় বলে অভিযোগ। বিজেপির এক প্রার্থীর মুখে তৃণমূল কর্মীরা প্রস্রাব করে দেয় বলেও অভিযোগ।  

    হিমন্তর ট্যুইট-বাণ

    সাম্প্রতিককালে দেশের অন্যান্য অংশের ছ’টি যৌন হেনস্থার ঘটনার কথাও ট্যুইট-বার্তায় তুলে ধরেছেন তিনি। লিখেছেন, মণিপুরের ঘটনা ভয়ঙ্কর। দোষীরা আইনের হাত থেকে রেহাই পাবে না। দুর্ভাগ্যজনকভাবে তথাকথিত মুক্তচেতাদের মধ্যে একটা প্যাটার্ন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সেটা হল, তাঁদের ক্রোধ কেবল উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির প্রতি। অথচ দেশের অন্য প্রান্তে যখন এই জাতীয় নৃশংস ঘটনা ঘটে, তখন তারা তাকে উপেক্ষা করে যান।

    ঘটনার ঘনঘটা

    এর পরেই তিনি (Manipur) ছ’টি ঘটনার কথা শেয়ার করেন। প্রথম ঘটনাটি জোধপুরের। ১৯ জুলাই ছ মাসের শিশু সহ একই পরিবারের চারজনকে খুন করে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ১৬ জুলাই জোধপুরেই এক দলিত নাবালিকাকে তার বয়ফ্রেন্ডের সামনেই গণধর্ষণ করা হয়। ১৩ জুলাই বিজেপির এক কার্যকর্তা নির্বাচনে হেরে যাওয়ায় তৃণমূলের কর্মীরা তাঁর মুখে প্রস্রাব করে দেয় বলে অভিযোগ। ৮ জুলাই বিজেপির এক মহিলা প্রার্থীকে বিবস্ত্র করে তৃণমূল কর্মীরা হাঁটায় বলে অভিযোগ।

    ৭ জুন বিহারে উপজাতি সম্প্রদায়ের এক নাবালিকাকে ৮ জন মিলে ধর্ষণ করে। ঝাড়খণ্ডের চাইবাসায় গত বছর ২০ অক্টোবর উপজাতি সম্প্রদায়ের এক মহিলাকে রাস্তার ওপর প্রকাশ্যে ১০ জন মিলে ধর্ষণ করে। তাঁর প্রশ্ন, দেশের বিভিন্ন অংশে এমন ঘটনা ঘটলে কেবল বেছে বেছে উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিকেই নিশানা করা হচ্ছে কেন?

    আরও পড়ুুন: মুখ্যমন্ত্রীর সামনেই ক্ষোভ উগরে দিলেন হাওড়ার মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ীরা, কেন?

    এদিকে, মণিপুরের (Manipur) বিভিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে সব মিলিয়ে মোট ৬ হাজার অভিযোগ জমা পড়েছে। সাম্প্রতিক ওই মহিলাদের নির্যাতনের পর গোটা রাজ্যেই বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। অশান্তির আঁচ পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান সরকারের এক পদস্থ আধিকারিক। তিনি জানান, ভুল তথ্য যাতে ছড়িয়ে না পড়ে, তাই সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মগুলিতে বিশেষ নজর রাখা হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যাও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Mirabai Chanu: ‘মণিপুরকে বাঁচান’! উদ্বিগ্ন অলিম্পিয়ান মীরাবাঈ চানুর চিঠি প্রধানমন্ত্রীকে

    Mirabai Chanu: ‘মণিপুরকে বাঁচান’! উদ্বিগ্ন অলিম্পিয়ান মীরাবাঈ চানুর চিঠি প্রধানমন্ত্রীকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরে শান্তি (Manipur Violence) ফেরানোর আবেদন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)-কে চিঠি লিখলেন অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন মীরাবাই চানু (Mirabai Chanu)। অলিম্পিয়াড মীরাবাঈ চানু বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রশিক্ষণে রয়েছেন। তবে বিদেশে থাকলেও নিজের রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ উদ্বিগ্ন তিনি। 

    প্রধানমন্ত্রীকে আবেদন

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকেই সরাসরি দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন মীরাবাঈ চানু (Mirabai Chanu)। চিঠিতে তিনি মণিপুরের অশান্তি (Manipur Violence) থামানোর জন্য বিশেষ পদক্ষেপ করার আবেদন জানিয়েছেন। এব্যাপারে নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে একটি ভিডিয়ো-বার্তাও দিয়েছেন তিনি। ১ মিনিট ১০ সেকেন্ডের একটি ভিডিয়ো প্রকাশ করেছেন মীরাবাঈ। তিনি বলছেন, “মণিপুরে সংঘাতের তিন মাস পূর্ণ হতে চলেছে, কিন্তু এখনও শান্তি ফিরে আসেনি। এই সংঘাতের কারণে অনেক খেলোয়াড় প্রশিক্ষণ নিতে পারেননি, শিশুদের পড়াশোনাও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। অনেকে প্রাণ হারিয়েছেন এবং অনেক ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে। পুড়ে গিয়েছে।” এরপরই প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়ে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আমি আবেদন করতে চাই যে, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই সংঘাতের অবসান ঘটান এবং মণিপুরের সমস্ত মানুষকে বাঁচাতে এবং শান্তি ফিরিয়ে আনতে পদক্ষেপ করুন।”

    আরও পড়ুন: বিশ্বের প্রথম হোমিওপ্যাথিক মিউজিয়াম হবে কলকাতায়, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সামনে ঘোষণা

    ভাইরাল চানুর ভিডিয়ো

    ভিডিওবার্তায় চানু (Mirabai Chanu) বলেন, “আসন্ন ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ এবং এশিয়ান গেমসের প্রশিক্ষণের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকলেও আমার বাড়ি মণিপুরে। আমি মণিপুরে না থাকলেও সেখানকার পরিস্থিতি নিয়ে আমি সবসময় চিন্তিত, কবে এই সংঘাতের অবসান ঘটবে।” সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্রমশ ভাইরাল হচ্ছে মীরাবাই চানুর এই ভিডিয়ো। মণিপুরে (Manipur Violence) গত কয়েক মাস ধরেই কুকি ও মেইতেই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। এখনও তা পুরোপুরি থামেনি। তবে আগের থেকে পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক বলে জাবি করছে মণিপুর সরকার। ভারতের উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যটিতে শান্তি ফেরাতে বদ্ধ পরিকর কেন্দ্র।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur: বিক্ষিপ্ত অশান্তি মণিপুরে, ঘরে ঢুকে মহিলাকে গুলি দুর্বৃত্তদের, গাড়িতে আগুন

    Manipur: বিক্ষিপ্ত অশান্তি মণিপুরে, ঘরে ঢুকে মহিলাকে গুলি দুর্বৃত্তদের, গাড়িতে আগুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই ছন্দে ফিরছে মণিপুর (Manipur)। যদিও অশান্তি জিইয়ে রাখার চেষ্টা করছে দুর্বৃত্তরা। তার জেরে বিরাম নেই বিক্ষিপ্ত অশান্তির। শনিবার ভর সন্ধেয় গুলি করে খুন করা হয় এক মহিলাকে। দুষ্কৃতীরা ওই মহিলার মুখে গুলি চালায়। তার জেরে বিকৃত হয়ে যায় মুখ। পূর্ব ইম্ফলের সাওয়ামবাগ অঞ্চলের ঘটনায় ফের ছড়িয়েছে উত্তেজনা। জানা গিয়েছে, এদিন সন্ধেয় বাড়িতে একাই ছিলেন ওই মহিলা। আচমকাই আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হুড়মুড়িয়ে ঘরে ঢুকে পড়ে দুর্বৃত্তরা। মহিলার মুখ লক্ষ্য করে ছোড়ে গুলি। খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ গিয়ে ঘিরে ফেলে এলাকাটি। তল্লাশি চালানো হয় ওই মহিলার প্রতিবেশী কয়েকজনের বাড়িতে।

    অশান্তির খণ্ডচিত্র

    জানা গিয়েছে, ওই মহিলা ম্যারিং নাগা সম্প্রদায়ের। খুনের কারণ জানতে চলছে তদন্ত। ওই মহিলার পরিচয় প্রকাশ করেনি পুলিশ। তবে তাঁকে খুনের উদ্দেশ্য পরিষ্কার নয়। এদিকে, এদিনই (Manipur) খালি গ্যাস সিলিন্ডার বোঝাই তিনটি গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা। ২ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে গাড়িগুলি ইম্ফলের দিক থেকে আসছিল। সেকমাইয়ের কাছে সেগুলিতে আগুন লাগিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা। পুলিশ জানিয়েছে, ইম্ফলের দিক থেকে আসা গাড়িগুলি রাস্তার ধারে এক জায়গায় দাঁড়িয়েছিল। তাতেই লাগিয়ে দেওয়া হয় আগুন।

    বন্ধ ইন্টারনেট

    তবে এই ঘটনার নেপথ্যে কারা, তা অবশ্য জানা যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, ঠিক কী কারণে গাড়িগুলিতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে, তা জানা যায়নি। এই ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এদিকে, রাজ্যের (Manipur) সর্বত্র যাতে অশান্তির আঁচ ছড়িয়ে না পড়ে, সেজন্য আরও পাঁচ দিন ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মণিপুর সরকার। তবে ইন্টারনেট লিজ লাইন ব্যবহারকারীরা অবশ্য অনুমোদন সাপেক্ষে ব্যবহার করতে পারবেন ইন্টারনেট।

    আরও পড়ুুন: ‘মোদি’ পদবি মন্তব্যের জেরে কারাদণ্ড, সাজা মকুব করতে সুপ্রিম কোর্টে রাহুল

    প্রসঙ্গত, সংরক্ষণকে ঘিরে হিন্দু মেইতেই এবং খ্রিস্টান কুকিদের মধ্য সংঘর্ষ শুরু হয় চলতি বছরের ৩ মে। খুন-জখম-রাহাজানির জেরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে উত্তর-পূর্বের এই পাহাড়ি রাজ্য। শতাংশের বিচারে রাজ্যে মেইতেইরা রয়েছেন ৫৩। এঁদের সিংহভাগই বাস করেন ইম্ফল উপত্যকায়। নাগা এবং কুকি সম্প্রদায়ের হার ৪০ শতাংশ। এরা বাস করে পাহাড়ি এলাকায়। মাস দুয়েকেরও বেশি সময় ধরে চলা সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন ১৫০-রও বেশি মানুষ। জখম হয়েছেন হাজারেরও বেশি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Manipur Violence: আবার নতুন করে সংঘর্ষ মণিপুরে, নাবালক-পুলিশ সহ একদিনে খুন ৪

    Manipur Violence: আবার নতুন করে সংঘর্ষ মণিপুরে, নাবালক-পুলিশ সহ একদিনে খুন ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অগ্নিগর্ভ মণিপুর (Manipur)। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হিংসা ছড়ানোর ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন চারজন। এঁদের মধ্যে রয়েছেন এক পুলিশ কমান্ডোও।  নিহতদের মধ্যে এক কিশোরও রয়েছে। এর জেরে জাতিগত হিংসায় মণিপুরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১২৭ জন। পুলিশ সূত্রের খবর, গত ২৪ ঘণ্টায় বিষ্ণুপুর এবং চূড়াচাঁদপুর জেলার সমীনা আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

    দফায় দফায় দুষ্কৃতী হামলা

    গত দু’মাস ধরে বিষ্ণুপুর এবং চূড়াচাঁদপুর এই দুই জেলার সীমানা দফায় দফায় হিংসার কারণে উত্তপ্ত হয়েছে। দুই জেলার সীমানায় সেনা এবং নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া নজরদারি সত্ত্বেও বার বার হামলার ঘটনা ঘটেছে। সেনা সূত্রে খবর, পাহাড়ি রাস্তা দিয়ে দুষ্কৃতীরা এই দুই জেলায় ঢুকছেন। তার পরই নতুন করে হিংসার ঘটনা ঘটছে। শুক্রবার রাতেও দুই জেলার সীমানার দু’ধার থেকে গোপনে দুষ্কৃতীরা ঢুকেছিলেন। তার পরই আবার নতুন করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। শুক্রবার ভোররাত দেড়টা নাগাদ এই গুলির লড়াই হয়। টানা কয়েক ঘণ্টা ধরে দুই সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ চলে। পরে খবর পেয়ে নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ওই ঘটনায় মৃত্যু হয় দু’জনের, সঙ্গে গুরুতর আহত হন তিনজন। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুুন: “মেরে ফেলবে, বুথ থেকে সরান”, সুকান্তর কাছে আর্জি রাজ্যের এক পুলিশকর্মীর

    সেনা সূত্রে খবর, দুষ্কৃতীরা বেশ কিছু বাড়িতে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু নিরাপত্তা বাহিনী পাল্টা জবাব দেওয়ায় সেই ঘটনা এড়ানো গিয়েছে। তবে কাংভাই, সোংডো এবং আওয়াং লেখাই গ্রামে গুলির লড়াই চলে। অন্য দিকে, শুক্রবার যৌথ অভিযানে নামে মণিপুর পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী। ইম্ফল পূর্ব, পশ্চিম, চূড়াচাঁদপুর, বিষ্ণুপুর, কাকচিং জেলায় অভিযান চালিয়ে দুষ্কৃতী এবং জঙ্গিদের ১৮টি বাঙ্কার গুঁড়িয়ে দিয়েছে যৌথবাহিনী। গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০টি বাঙ্কার গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। এই অভিযানে পাঁচটি স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র, ৭৪টি গুলি এবং অত্যন্ত শক্তিশালী পাঁচটি হ্যান্ডগ্রেনেড উদ্ধার হয়েছে। বহুদিন ধরে গোষ্ঠীহিংসায় জর্জরিত উত্তর-পূর্বাঞ্চলের এই রাজ্য। এর মধ্যে চূড়াচাঁদপুরের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। দু’মাস ধরে জ্বলছে মণিপুর। হিংসা থামার কোনও লক্ষণই নেই। মণিপুরের সমতলের বাসিন্দা মেইতেই সম্প্রদায়ের সঙ্গে কুকি এবং নাগা জনগোষ্ঠীর বিরোধ চলছে দীর্ঘদিন ধরে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share