Tag: Modi Bengal Election Rally

  • West Bengal election: “পাল্টেছে এই বার, এল বিজেপি সরকার”, নতুন গান ও স্লোগান রিলিজ বিজেপির, রয়েছেন মোদি, শুভেন্দু-শমীক

    West Bengal election: “পাল্টেছে এই বার, এল বিজেপি সরকার”, নতুন গান ও স্লোগান রিলিজ বিজেপির, রয়েছেন মোদি, শুভেন্দু-শমীক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal election) জয়ের পর ভারতীয় জনতা পার্টি (West Bengal BJP) তাদের সাফল্যের উদ্‌যাপনে নতুন গান ও স্লোগান প্রকাশ করেছে। ভোট প্রচারে স্লোগান ছিল ‘পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার’। পশ্চিমবঙ্গ জয়ের পরে নতুন স্লোগান বাঁধল পদ্মশিবির। এবারের গান “পাল্টেছে এই বার, এল বিজেপি সরকার। বাঁধল নতুন গানও।”

    স্লোগানে পরিবর্তন (West Bengal election)

    নির্বাচনের (West Bengal election) আগে বিজেপির প্রধান স্লোগান ছিল—“পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার।” জয়ের পর সেই স্লোগান পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে—“পাল্টেছে এই বার, এল বিজেপি সরকার।” ক্ষমতায় আসার পরে সেই গান এবং স্লোগান উদ্‌যাপন করতে নতুন গান প্রকাশ্যে আনল পদ্মশিবির। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে সেখানে প্রতিশ্রুতি পূরণের বার্তার পাশাপাশি রইল মোদির মুখে ‘জয় মা কালী’ ধ্বনি। গানের সুরে রয়েছে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনিও। দলের তরফে দুই মিনিট দৈর্ঘ্যের একটি নতুন গান প্রকাশ করা হয়েছে। এই গানে নির্বাচনের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণের অঙ্গীকার করা হয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি (West Bengal BJP) প্রসঙ্গে গানে বলা হয়েছে শিক্ষা হবে উর্ধ্বগামী সিঁড়ি। বেকারত্ব দূরীকরণ এবং রাজ্যে তথাকথিত ‘দাদাগিরি’র সংস্কৃতির অবসানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

    সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় অনুষঙ্গ

    গানের ভিডিওতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কণ্ঠে ‘জয় মা কালী’ ধ্বনি এবং আবহ সঙ্গীতে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি (West Bengal BJP) ব্যবহার করা হয়েছে, যা দলের আদর্শগত অবস্থানকে প্রতিফলিত করে। শিক্ষা এ বার ‘ঊর্ধ্বগামী সিঁড়ি’তে পা রাখবে। রাজ্যে আর ‘বেকারত্ব থাকবে না’, সেই বার্তাও দেওয়া হয়েছে নতুন গানে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজনৈতিক ‘দাদাগিরির’ সংস্কৃতি ঘোচানোর আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে। গানের ভিডিওতে প্রধানমন্ত্রী মোদির পাশাপাশি ভবানীপুর কেন্দ্রে জয়ী শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যসহ দলের প্রথম সারির নেতাদের সাফল্যের মুহূর্তগুলো (West Bengal election) তুলে ধরা হয়েছে। সেই সঙ্গে নেতাকর্মীদের প্রবল পরিমাণে উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে গানে।

     গানের প্রেক্ষাপট

    গত ১৭ জানুয়ারি মালদার জনসভা (West Bengal election) থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদি যে স্লোগান বেঁধে দিয়েছিলেন, তা প্রচার পর্বে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়েছিল। বিজেপি মনে করছে, মানুষের আবেগকেই জয়ের পর এক নতুন মাত্রায় পৌঁছে দিতে এই গান ও স্লোগান বিশেষ ভূমিকা পালন করবে। রাজ্যে ২০০-র গণ্ডি পেরিয়ে ক্ষমতায় আসার পর জনতাকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করাই এখন নতুন সরকারের (West Bengal BJP) প্রধান লক্ষ্য—এই বার্তাই গানে স্পষ্ট করা হয়েছে।

  • Suvendu Adhikari: “গুন্ডাদের দমন করার দায়িত্ব আমার, নন্দীগ্রামে জয়ের অভিনন্দন”, জানিয়ে বার্তা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “গুন্ডাদের দমন করার দায়িত্ব আমার, নন্দীগ্রামে জয়ের অভিনন্দন”, জানিয়ে বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ও রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের পর নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে জয় নিশ্চিত করলেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে পরাজিত করার পর তাঁর এই জয় রাজ্য রাজনীতিতে এক বিশেষ মাত্রা যোগ করেছে। বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসের পাতায় নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রটি এক অবিস্মরণীয় নাম। তবে ২০২১ সালের প্রেক্ষাপটে এই কেন্দ্রটি কেবল একটি নির্বাচনী ক্ষেত্র নয়, বরং হয়ে উঠেছিল মর্যাদার লড়াইয়ের এক চূড়ান্ত রণাঙ্গন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করে জয়ী হওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারীর রাজনৈতিক অবস্থান এবং তাঁর বক্তব্য রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে। তিনি বলেন, “নন্দীগ্রামের (Nandigram) মানুষ আমায় বিশ্বাস করেছেন, আমি তাঁদের সেই বিশ্বাসের অমর্যাদা করব না।”

    জয়ের নেপথ্যে জনগণের রায় (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) তাঁর বক্তব্যে বারংবার নন্দীগ্রামের ভূমিপুত্র হওয়ার আবেগকে গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেন, “এই জয় কেবল কোনও রাজনৈতিক দলের সাফল্য নয়, বরং এটি নন্দীগ্রামের (Nandigram) আত্মসম্মান ও অধিকার রক্ষার লড়াইয়ের জয়। ভূমিপুত্র বনাম বহিরাগত তত্ত্বে ভূমি পুত্রের জয় হয়েছে। জনগণের জনাদেশ সেই ভাবাবেগকেই সিলমোহর দিয়েছে। আপনারা নিশ্চিন্ত থাকুন, আপনাদের ঋণ আমি শোধ করব। তবে আমার আবেদন, শান্তি বজায় রাখুন। কুকুর মানুষের পায়ে কামড়ায়, মানুষ তাকে কামড়ায় না। তাই আইন কেউ হাতে নেবেন না।” তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, বহিরাগত শক্তির আক্রমণ রুখে দিয়ে নন্দীগ্রামের মানুষ যে আস্থা তাঁর ওপর রেখেছেন, তার প্রতি তিনি চিরকাল দায়বদ্ধ থাকবেন।

    গণতন্ত্র ও আইনি লড়াইয়ের প্রেক্ষাপট

    নন্দীগ্রামের (Nandigram) ফলাফল ঘোষণা নিয়ে ভোট গণনার দিন যে চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছিল, তা কারোর অজানা নয়। শুরুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয়ের খবর চাউর হলেও, শেষ পর্যন্ত শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) জয়ী হয়েছিলেন। এই ফলাফলকে কেন্দ্র করে শাসকদলের পক্ষ থেকে যে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল, তার জবাবে শুভেন্দু অধিকারী অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে গণতন্ত্রের প্রতি তাঁর আস্থার কথাকেই প্রকাশ করেছেন। তিনি স্পষ্ট ভাবে বলেন, “নির্বাচন কমিশনের শংসাপত্রই শেষ কথা এবং কোনও প্রকার ভয়ভীতি বা আইনি চাপের কাছে মাথা আমরা নত করব না। ২০১১ সালের পরিবর্তনেও আমি ছিলাম, আর এবারের আসল পরিবর্তনেও আমিই রয়েছি।”

    বিরোধী দলনেতা হিসেবে আগামীর লক্ষ্য

    নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতিতে নন্দীগ্রামের (Nandigram) প্রতিনিধি হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) ভূমিকা এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি কেবল তাঁর নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নের কথাই বলেননি, বরং সমগ্র বাংলার বিরোধী রাজনীতির একটি শক্তিশালী কণ্ঠস্বর হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছেন। তাঁর ভাষণে বলেন, “আগামী ১ বছরের মধ্যে রাজ্যের মানুষ প্রকৃত পরিবর্তনের স্বাদ পাবেন। মোদির গ্যারান্টি, অমিত শাহর ঘোষিত সংকল্পপত্র অক্ষরে অক্ষরে সময় মতো পূরণ করার ক্ষেত্রে বিজেপি দায়বদ্ধ। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসে আইন মেনে প্রত্যেকটি পুরনো মামলা পুনরায় চালু করবে। মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো কর্মীদের মুক্তি ও আইনি বিচারের ব্যবস্থা করা হবে। গুন্ডাবাহিনীকে মোকাবিলা করার দায়িত্ব আমার নিজের কাঁধে।”

    উন্নয়নের রাজনীতি

    শুভেন্দু বলেন, ‘‘মহিলারা দরকারে যখন খুশি বাড়ি থেকে বেরোবেন। রাতে বেরনো যাবে না, এরকম কথা আগের মুখ্যমন্ত্রীর মতো আগামীর মুখ্য়মন্ত্রী বলবেন না।’’ ভোট-পরবর্তী হিংসা রুখতে এবং এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনিক সক্রিয়তার ওপর তিনি জোর দিয়েছেন শুভেন্দু। দলীয় কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতে তিনি বারবার অভয় দিয়েছেন যে, জয়ী প্রতিনিধি হিসেবে তিনি সর্বদা তাঁদের পাশে থাকবেন। নন্দীগ্রামের প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের সামাজিক সুরক্ষা ও সরকারি পরিষেবা নিশ্চিত করাই তাঁর প্রধান অগ্রাধিকার হবে।

    কোনও অলৌকিক ঘটনা নয়

    শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) এই জয় রাজ্য রাজনীতিতে বিজেপির অবস্থানকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে। নন্দীগ্রামের মতো একটি সংবেদনশীল কেন্দ্র থেকে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানকে পরাজিত করা রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত দুঃসাধ্য ছিল। শুভেন্দুর মতে, এটি কোনও অলৌকিক ঘটনা নয়, বরং বছরের পর বছর মানুষের সাথে মিশে থাকা এবং তাঁদের সুখ-দুঃখের ভাগীদার হওয়ার ফল।

    বাংলার রাজনীতিতে ‘নন্দীগ্রাম মডেল’

    শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নন্দীগ্রাম (Nandigram) জয়ের পরবর্তী অবস্থান কেবল বিজয়োল্লাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। তাঁর মার্জিত অথচ কঠোর রাজনৈতিক অবস্থান ইঙ্গিত দেয় যে, আগামী দিনগুলোতে তিনি বিধানসভার ভেতরে ও বাইরে শাসকদলের প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে নিজেকে আরও শক্তিশালী করে তুলবেন। নন্দীগ্রামের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন, বাংলার রাজনীতিতে ‘নন্দীগ্রাম মডেল’ আগামী দিনেও প্রাসঙ্গিক থাকবে এবং তাঁর এই জয় আগামী দিনের বৃহত্তর রাজনৈতিক পরিবর্তনের সোপান হিসেবে কাজ করবে।

  • Suvendu Adhikari: গণনার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের বিস্তারিত তথ্য ও ডিউটি রস্টার ফাঁসের অভিযোগে কমিশনের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: গণনার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের বিস্তারিত তথ্য ও ডিউটি রস্টার ফাঁসের অভিযোগে কমিশনের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামিকাল ৪ মে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) ভোট গণনা। তার ঠিক আগে গণনা প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও গোপনীয়তা রক্ষা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুললেন বিধানসভার বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, “গণনার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের বিস্তারিত তথ্য এবং তাঁদের ডিউটি রস্টার আগেই ফাঁস হয়ে গিয়েছে, যা আদতে নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘন। গণনাকে প্রভাবিত করার চেষ্টা হবে।”

    শুভেন্দুর মূল অভিযোগ (West Bengal Election 2026)

    সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেন্দুর দাবি, গণনা কর্মীদের তালিকা ও তাঁদের কর্মস্থলের তথ্য নির্দিষ্ট মহলের হাতে পৌঁছে গিয়েছে। তাঁর মতে, এটি ‘ইলেকশন প্রোটোকল’ বা নির্বাচনী শিষ্টাচারের গুরুতর অবমাননা। তাই তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, “আমার নজরে এসেছে যে, গণনার দিনের (Counting Day) দায়িত্বে থাকা বেশ কিছু আধিকারিক তাঁদের নির্দিষ্ট ডিউটির বিবরণ, স্থান এবং পদমর্যাদার তথ্য সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় সংস্থা ও সংগঠনগুলিকে জানিয়ে দিয়েছেন। আমি তথ্য পেয়েছি যে, কিছু স্প্রেডশিট এবং তালিকা প্রচার করা হচ্ছে যেখানে আধিকারিকরা স্বেচ্ছায় বা চাপের মুখে তাঁদের ‘নির্বাচন ডিউটি সংক্রান্ত তথ্য’ এবং গণনা প্রক্রিয়ায় তাঁদের নির্দিষ্ট ভূমিকা কী হবে, তা পূরণ করছেন। এই তথ্য ফাঁস হওয়ার ফলে গণনার (West Bengal Election 2026) দায়িত্বে থাকা কর্মীদের ওপর রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা হতে পারে, যা নিরপেক্ষ ফল ঘোষণায় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।”

    কমিশনের কাছে দাবি

    নির্বাচনী (West Bengal Election 2026) গণনাকেন্দ্রে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে জোরালো অভিযোগ জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, যেভাবে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে তার নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে, গণনা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে যাতে কোনওভাবেই যেন গণনা প্রভাবিত না হয়। সর্বোপরি, যেসব আধিকারিক বা কর্মীরা এই তথ্য ফাঁসের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।

    অযাচিত প্রভাবের ঝুঁকি

    যখন কোনও আধিকারিকের নির্দিষ্ট নিয়োগের তথ্য রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত কোনও সংগঠন বা ইউনিয়নের কাছে জানাজানি হয়ে যায়, তখন তা অপ্রয়োজনীয় রাজনৈতিক প্রভাব এবং হুমকির পথ প্রশস্ত করে।

    নিরপেক্ষতার সঙ্কট 

    গণনা প্রক্রিয়ার পবিত্রতা নির্ভর করে কর্মীদের নিয়োগ সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তার ওপর। এই গোপনীয়তা ভঙ্গ হলে তা সরাসরি ফলের নিরপেক্ষতাকে প্রভাবিত করে।

    চাপ সৃষ্টির কৌশল

    সংগঠনগুলির দ্বারা এই ধরণের ‘তথ্য সংগ্রহ’ করার বিষয়টি অনেক সময় আধিকারিকদের ওপর চাপ সৃষ্টির একটি প্রচ্ছন্ন প্রচেষ্টা মাত্র, যাতে গণনার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তাঁরা শাসক দলকে সুবিধা পাইয়ে দেন।

    অবিলম্বে কঠোর নির্দেশিকা জারির দাবি

    ভোট পরবর্তী হিংসা এবং স্ট্রংরুম পাহারা নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত। তার মধ্যে শুভেন্দু অধিকারীর এই নতুন অভিযোগ আগামিকালের গণনা প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিল বলেই দাবি ওয়াকিবহাল মহলের। শুভেন্দু বলেন, “আমি ভারতের নির্বাচন কমিশন এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে জোরালো আবেদন জানাচ্ছি। কোনও আধিকারিক যাতে কোনও সংস্থা বা সংগঠনের কাছে তাঁদের নির্ধারিত গণনা ডিউটির তথ্য প্রকাশ না করেন, সেই মর্মে অবিলম্বে কঠোর নির্দেশিকা জারি করা হোক। এছাড়া, যে সমস্ত সংগঠন এই ধরণের সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করছে, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করার জন্য সবিনয় অনুরোধ করছি।”

    বিজেপি শিবিরের দাবি, শাসক দল প্রশাসনকে ব্যবহার করে গণনায় কারচুপি করার চেষ্টা করছে। যদিও শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এই অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং ‘হারার আগে অজুহাত’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, নির্বাচনী গণনা (West Bengal Election 2026) বিষয়ে বিরোধী দলনেতার এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন শেষ মুহূর্তে কোনো বড় পদক্ষেপ নেয় কি না।

  • West Bengal Elections 2026: নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত, ফলতা বিধানসভার ২৮৫টি বুথেই পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ কমিশনের

    West Bengal Elections 2026: নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত, ফলতা বিধানসভার ২৮৫টি বুথেই পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য রাজনীতির ইতিহাসে নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission India)। ভোট গণনার ঠিক পূর্বমুহূর্তে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের সমস্ত বুথ অর্থাৎ মোট ২৮৫টি কেন্দ্রেই ভোট বাতিলের সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। শনিবার রাতে এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে কমিশন জানিয়েছে, আগামী ২১ মে এই কেন্দ্রে পুনরায় নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) হবে, ফল ঘোষণা হবে ২৪ মে।

    কেন কমিশন ফের ভোট করবে (West Bengal Elections 2026)?

    বিশেষ পর্যবেক্ষক তথা জেলা নির্বাচন আধিকারিকের তদন্তে দেখা গিয়েছে, একদিকে বুথের ভিডিও ফুটেজ সম্পূর্ণ নয়। পরে সম্পূর্ণ ভিডিও রেকর্ড প্রকাশ্যে এসেছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে রেকর্ড ইচ্ছাকৃত ভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ১৩টি বুথের ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে বড়সড় তথ্য লোপাটের ঘটনা সামনে এসেছে। ভোটকক্ষে বারবার একাধিক অনুমতি নেই এমন লোকজনের অবাধ প্রবেশও দেখা গিয়েছে। ভোটারদের (West Bengal Elections 2026) ওপর রীতিমতো চাপ সৃষ্টি করতে দেখা গিয়েছে। একই ভাবে স্ক্রুটিনির নোটিশ রাজনতিক দলের প্রার্থীদের দেওয়া হয়নি। কেবলমাত্র ইমেলে বা মোবাইলের হোয়াটসঅ্যাপে জানানো হয়েছে। এই কাজ নির্বাচনী বিধিভঙ্গের শামিল। তাই এবার পর্যবেক্ষকরা (Election Commission India) ফলতায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন।

    কমিশনের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষাপট

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission India) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ফলতার বহু ভোটকেন্দ্র থেকে গুরুতর নির্বাচনী বিধিভঙ্গ (West Bengal Elections 2026) এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার অভিযোগ মিলেছে। বিশেষ পর্যবেক্ষকের রিপোর্টে ইভিএমে কারচুপি এবং সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ রাখার মতো চাঞ্চল্যকর তথ্যও উঠে আসায় বাতিল করা হয়েছে পুরো বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচন। রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

    কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ বলেন, “এটি একটি সাহসী ও সময়োচিত পদক্ষেপ। যে সব ভোটারদের ভয় দেখিয়ে ভোটদান থেকে বিরত রাখা হয়েছিল, তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত জরুরি ছিল।”

    শাসক দলের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। তৃণমূলের মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তীর দাবি, পরাজয় নিশ্চিত জেনে বিজেপিকে সুবিধা করে দিতেই কমিশন ইচ্ছাকৃতভাবে গণনা স্থগিত রেখে পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দিয়েছে।

    গণনা প্রক্রিয়ায় প্রভাব

    ৪ মে রাজ্যের অবশিষ্ট ২৯৩টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট (West Bengal Elections 2026) গণনা নির্ধারিত সূচি অনুযায়ীই চলবে। কমিশনের মতে, একটি মাত্র কেন্দ্রের গণনা স্থগিত থাকায় সামগ্রিক ফলে (Election Commission India) তেমন কোনও বড় প্রভাব পড়বে না। তবে গণনা ও ফল প্রকাশের এই অন্তর্বর্তী সময়ে ফলতাজুড়ে কড়া নিরাপত্তা বজায় রাখা হচ্ছে।

  • West Bengal Elections 2026: ইভিএম সুরক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ, রাজ্যজুড়ে স্ট্রংরুম পাহারায় নামছেন মহিলা-পদ্ম কর্মীরা, জানালেন শমীক ভট্টাচার্য

    West Bengal Elections 2026: ইভিএম সুরক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ, রাজ্যজুড়ে স্ট্রংরুম পাহারায় নামছেন মহিলা-পদ্ম কর্মীরা, জানালেন শমীক ভট্টাচার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট গণনা শুরু হওয়ার প্রাক্কালে ইভিএমের (West Bengal Elections 2026) নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তৎপর হয়ে উঠেছে বিজেপি। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রবিবার থেকে রাজ্যের প্রতিটি স্ট্রংরুমের সামনে অবস্থানে বসছেন বিজেপির মহিলা মোর্চার কর্মীরা। লক্ষ্য, গণনার আগের মুহূর্ত পর্যন্ত ইভিএমের সুরক্ষা তদারকি করা।

    বাইরে অতন্দ্র প্রহরী (West Bengal Elections 2026)

    বিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রবিবার থেকে শুরু হওয়া এই অবস্থান চলবে সোমবার সকাল পর্যন্ত। যতক্ষণ না দলের প্রার্থীদের কাউন্টিং এজেন্টরা গণনা কেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করছেন, ততক্ষণ মহিলা কর্মীরা স্ট্রংরুমের (West Bengal Elections 2026) বাইরে অতন্দ্র প্রহরীর মতো অবস্থান করবেন। প্রতিটি জেলার নেতৃত্বকে এই নির্দেশ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। কমিশনকে (Election Commission India) সময়ে সময়ে অভাব অভিযোগ জানাবেন মহিলা কর্মকর্তারা।

    ‘সন্দেহজনক গতিবিধি’

    সম্প্রতি কলকাতার দুটি গুরুত্বপূর্ণ স্ট্রংরুম— ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র এবং সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে ‘সন্দেহজনক গতিবিধি’ এবং সিসিটিভি মনিটর বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো কিছু অভিযোগ সামনে আসে। শাসক ও বিরোধী (West Bengal Elections 2026)— উভয় পক্ষই এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। সেই অভিজ্ঞতার রেশ টেনেই বিজেপি এবার তাদের মহিলা বাহিনীকে স্ট্রংরুম পাহারার গুরুদায়িত্ব দিয়েছে।

    তৃণমূল ও কমিশনের ভূমিকা

    এর আগে বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষ এবং শ্যামপুকুরের প্রার্থী শশী পাঁজাও ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের বাইরে অবস্থানে বসেছিলেন। তবে কমিশনের (Election Commission India) পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা পাওয়ার পর তাঁরা সেই অবস্থান তুলে নেন। এবার বিজেপির এই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা ত্রিস্তরীয় বলয়ে মোড়া এবং সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সর্বেক্ষণ নজরদারি (West Bengal Elections 2026) চালানো হচ্ছে।

  • West Bengal Elections 2026: ডায়মন্ড হারবারে ইভিএমে পদ্ম প্রতীকে ‘টেপ’! তৃণমূলকে বিঁধল বিজেপি, পাল্টায় ‘সিংহম’

    West Bengal Elections 2026: ডায়মন্ড হারবারে ইভিএমে পদ্ম প্রতীকে ‘টেপ’! তৃণমূলকে বিঁধল বিজেপি, পাল্টায় ‘সিংহম’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে দ্বিতীয় তথা শেষ দফার নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) চলাকালীন ফের উত্তপ্ত ডায়মন্ড হারবার (Diamond Harbour)। তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকসভা এলাকার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের একাধিক বুথে ইভিএম মেশিনে বিজেপির ‘পদ্ম’ প্রতীকের ওপর সেলোটেপ লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক তরজা। উল্লেখ্য, এই এলাকার তৃণমূল বিধায়ক জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে আগেই ভয় দেখানোর অভিযোগে সরব হয়েছিলেন আইপিএস অজয়পাল শর্মা। এবার এই ইভিএমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন দাবাং অফিসার।

    ‘গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ’ (West Bengal Elections 2026)

    অভিযোগ জানিয়ে বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, ভোটারদের বিভ্রান্ত করতে এবং বিজেপিকে ভোট (West Bengal Elections 2026) দেওয়া থেকে বিরত রাখতে পরিকল্পিতভাবে ইভিএমে পদ্ম প্রতীকের ওপর ব্রাউন টেপ সেঁটে দেওয়া হয়েছে। বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য টুইট করে এই ঘটনাকে ‘গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ’ বলে অভিহিত করেছেন। গেরুয়া শিবিরের দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এলাকায় (Diamond Harbour) নিশ্চিত পরাজয় বুঝতে পেরেই তৃণমূল এই ধরণের ‘নোংরা রাজনীতি’র আশ্রয় নিচ্ছে। বেশ কিছু বুথে নতুন করে ভোটের (Repolling) দাবিও তুলেছে বিজেপি।

    কমিশনের ভূমিকা

    নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ডায়মন্ড হারবার (Diamond Harbour) এবং ফলতার বেশ কিছু বুথ থেকে অভিযোগ জমা পড়েছে। অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং যেখানে ইভিএম বিকৃতির প্রমাণ মিলবে, সেখানে কড়া আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কমিশনের আধিকারিকরা সংশ্লিষ্ট বুথগুলির প্রিসাইডিং অফিসারদের (West Bengal Elections 2026) কাছে রিপোর্ট তলব করেছেন। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও জানানো হয়েছে।

    উত্তেজনা তুঙ্গে

    বুধবার সকাল থেকেই ডায়মন্ড হারবারের (Diamond Harbour) বিভিন্ন এলাকায় তৃণমূল এবং বিজেপি কর্মীদের মধ্যে বচসা ও হাতাহাতির খবর মিলেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী। একদিকে যেমন ইভিএম (West Bengal Elections 2026) বিকৃত করার অভিযোগ উঠছে, অন্যদিকে শাসকদলের পাল্টা দাবি— ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে তৃণমূলের পক্ষেই জনমত দিচ্ছেন।

    তৃণমূলের পাল্টা জবাব

    তৃণমূল কংগ্রেস টেপকাণ্ডের (West Bengal Elections 2026) অভিযোগ পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে পাল্টা নিশানা করা হয়েছে বিজেপিকে। বিদ্রুপ করে বলা হয়েছে, “যদি কোনও অভিযোগ থাকে, তবে ‘সিংহম’ অজয় পালের কাছে গিয়ে অভিযোগ জানান।” উল্লেখ্য, আইপিএস অফিসার অজয় পাল শর্মাকে এই দফার জন্য পুলিশ অবজার্ভার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, বিজেপি হার নিশ্চিত জেনে এখন থেকেই অজুহাত খাড়া করতে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Diamond Harbour) ও কমিশনের কর্তাদের নাম নিচ্ছেন।

  • WB Election 2026: কয়লা থেকে রেশন, শিক্ষক নিয়োগ থেকে গরু পাচার! এক ঝলকে গত ১৫ বছরে তৃণমূলের দুর্নীতির ‘বর্ণমালা’

    WB Election 2026: কয়লা থেকে রেশন, শিক্ষক নিয়োগ থেকে গরু পাচার! এক ঝলকে গত ১৫ বছরে তৃণমূলের দুর্নীতির ‘বর্ণমালা’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  মাত্র আর কয়েক ঘণ্টা পরেই শেষ দফার নির্বাচন (WB Election 2026)। ভোট দেওয়ার আগে দেখে নিন এক নজরে দুর্নীতির (West Benagl Scam) ইতিকথা। ছোটবেলায় আমরা সবাই বর্ণপরিচয় পড়েছি। ‘ক’-এ কলা, ‘খ’-এ খই। গত ১৫ বছরে বাংলার শাসকদল আমাদের এক নতুন ‘বর্ণপরিচয়’ শিখিয়েছে। এই বর্ণপরিচয় আদর্শলিপি নয়, বরং দুর্নীতির এক কলঙ্কিত ইতিহাস। পশ্চিমবঙ্গের দেওয়ালে দেওয়ালে সেই নতুন অ-আ-ক-খ লেখা হচ্ছে, যেখানে প্রতিটি বর্ণের সাথে জড়িয়ে আছে আপনার হকের টাকা চুরির গল্প।”

    চুরির “তৃণমূলী বর্ণপরিচয়’ 

    “কয়লা থেকে গরু, বালি থেকে চাকরি, এমনকি গরিবের হকের রেশন বা মিড-ডে মিলের চাল—কোনও কিছুই বাদ যায়নি। আমরা ভাবতাম দুর্নীতি বোধহয় দু—একটা দফতরে হয়, কিন্তু না! এরা তো রীতিমতো গবেষণার স্তরে নিয়ে গেছে বিষয়টাকে। ‘ক’ থেকে শুরু করে ‘হ’ পর্যন্ত প্রতিটি অক্ষরের পিছনে লুকিয়ে আছে হাজার হাজার কোটি টাকার কেলেঙ্কারি।

    ‘তৃণমূলী বর্ণপরিচয়’ দেখলে দেখা যাবে বর্ণমালার প্রতিটি ভাঁজে ভাঁজে আপনার পকেট কাটা হয়েছে আর সাধারণ মানুষের ভবিষ্যৎ চুরি করা হয়েছে। আজকের এই ভিডিও কোনো কাল্পনিক গল্প নয়, বরং খোদ বাংলার বর্তমান অবস্থার এক নগ্ন দলিল।

    ক-এ: কয়লা চুরি ও কাটমানি (WB Election 2026)

    শুরুটা করা যাক ‘ক’ দিয়ে। বাংলার খনি থেকে হাজার হাজার কোটি টাকার কয়লা পাচার হয়ে গেল, আর সেই কালো কারবারের ধোঁয়া গিয়ে পৌঁছাল খোদ রাঘববোয়ালদের দরজায়। শুধু কি কয়লা? যেকোনও সরকারি প্রকল্পের টাকা থেকে নেতাদের জন্য নির্দিষ্ট ‘কাটমানি’ রাখা এখন এক অলিখিত নিয়ম। আপনার বাড়ির ছাদ হোক বা এলাকার রাস্তা—নেতার কাটমানি না দিলে কাজ শুরু হওয়া অসম্ভব। ভোটে (WB Election 2026) কতটা প্রভাব পরে তাই এখন দেখার।

    খ-এ: খাদ্য বা রেশন দুর্নীতি (West Benagl Scam)

    খাদ্য মানুষের মৌলিক অধিকার, কিন্তু সেই গরিবের রেশনেও থাবা বসাতে ছাড়েনি এরা। লকডাউনের সময় থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত হাজার হাজার কুইন্টাল চাল আর গম কালোবাজারি হয়েছে। আজ রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী কেন জেল খেঁটে এসেছেন? কারণ তিনি আপনার থালার ভাতটা নিয়ে কোটি কোটি টাকার ডিল করেছেন।

    গ-এ: গরু পাচার

    বাংলার (WB Election 2026) সীমান্ত দিয়ে হাজার হাজার গরু পাচার হয়ে ভিনদেশে চলে গেল, আর তার বিনিময়ে ফুলে-ফেঁপে উঠল একশ্রেণীর নেতার ব্যাংক ব্যালেন্স। সীমান্তের ওপারে গরু পাঠাতে গিয়ে যারা মানুষের সুরক্ষাকে বাজি রেখেছে, তারা কি সত্যিই আপনার ভালো চাইবে? গ-এ গরু নয়, বরং ‘গ’ দিয়ে বাংলার কোটি কোটি টাকার আন্তর্জাতিক চোরাচালানের (West Benagl Scam)  গল্প লেখা হয়েছে।

    ঘ-এ: ঘাট ও বালি মাফিয়া

    বাংলার নদীগুলো আজ হাহাকার করছে। রাতের অন্ধকারে বেআইনিভাবে নদী থেকে বালি আর পাথর তুলে নিয়ে নদীগর্ভ উজাড় করে দিচ্ছে বালি মাফিয়ারা। গ্রামের পর গ্রাম ধসে যাচ্ছে, পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে, আর এই ঘাটগুলো থেকে সিন্ডিকেটের পকেটে যাচ্ছে কোটি কোটি টাকা। ঘ-এ ঘাট আজ মাফিয়াদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    চ-এ: চাকরি চুরি

    এটি সম্ভবত বাংলার আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় কলঙ্ক। ‘চ’ দিয়ে আজ চাতক পাখির মতো হাজার হাজার শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতী রাজপথে বসে আছে। কারণ তাদের যোগ্যতার চাকরিটা কয়েক লাখ টাকার বিনিময়ে নেতার ঘনিষ্ঠদের ঘরে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। মেধাকে হত্যা করে টাকার জোরে অযোগ্যদের চেয়ারে বসানোই হলো এদের আসল সাফল্য।

    ছ-এ: ছাত্রভর্তিতে তোলাবাজি

    পড়াশোনার মন্দির আজ তোলাবাজির আখড়া। কলেজে ভর্তি হতে গেলেও ছাত্র পরিষদের দাদাদের মোটা অঙ্কের টাকা দিতে হয়। গরিব মেধাবী ছাত্রটি আজ তার স্বপ্নের বিষয়ে পড়তে পারছে না, কারণ তার কাছে সেই ‘ছ’-এ ছাত্রভর্তির তোলাবাজির টাকা নেই। শিক্ষাক্ষেত্রে এমন চরম নির্লজ্জতা কি আগে কেউ দেখেছে?

    জ-এ: জব কার্ড কেলেঙ্কারি

    গরিব মানুষের একশো দিনের কাজের টাকা নিয়ে যে ছিনিমিনি খেলা হয়েছে, তার নাম ‘জ’ দিয়ে জব কার্ড কেলেঙ্কারি (West Benagl Scam) । মৃত মানুষের নামে জব কার্ড বানিয়ে কিংবা কাজ না করিয়েই টাকা তুলে নিয়েছে শাসকদলের নেতারা। আজ যে সাধারণ মানুষ একশো দিনের কাজের টাকা পাচ্ছেন না, তার দায় কি ওই তৃণমূলী মেম্বার আর প্রধানদের নয়, যারা দুর্নীতির পাহাড় বানিয়ে কেন্দ্রীয় টাকা আটকে যাওয়ার পথ করে দিয়েছে?

    ট-এ: টেট (TET) দুর্নীতি

    ‘ট’ দিয়ে আজ বাংলার ঘরে ঘরে কান পাতলে শোনা যায় টেট দুর্নীতির হাহাকার। ওএমআর শিট (OMR sheet) কারচুপি করে রাতারাতি ফেল করা প্রার্থীদের পাস করিয়ে দেওয়া হয়েছে। সাদা খাতা জমা দিয়েও অনেকে আজ চাকরি করছে, আর যারা দিনরাত এক করে পড়াশোনা করেছিল, তারা আজ গান্ধী মূর্তির পাদদেশে চোখের জল ফেলছে। টেট আজ নিয়োগের পরীক্ষা নয়, বরং টাকা কামানোর মেশিনে পরিণত হয়েছে।

    ঠ-এ: ঠিকাদারি ও সিন্ডিকেট

    যেকোনও সরকারি নির্মাণ মানেই তৃণমূলী সিন্ডিকেটের রমরমা। ‘ঠ’ দিয়ে ঠিকাদারি আজ আর মেধার লড়াই নয়, বরং কে কত বড় নেতার কাছের লোক তার প্রতিযোগিতা। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা বা ব্রিজ তৈরি হচ্ছে, আর সেই মুনাফার টাকা ভাগ হয়ে যাচ্ছে ভাইপো থেকে পাড়ার মেজো নেতা—সবার মধ্যে। এই সিন্ডিকেট ট্যাক্স না দিলে বাংলায় একটা ইঁটও গাঁথা সম্ভব নয়।

    ড-এ: ডিয়ার লটারি দুর্নীতি

    সাধারণ মানুষের (WB Election 2026) ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলার নাম লটারি। ‘ড’ দিয়ে এই ডিয়ার লটারি আজ কালো টাকা সাদা করার সবচেয়ে বড় মাধ্যম। আমরা দেখছি বারবার একই প্রভাবশালী পরিবারের লোক লটারিতে কোটি টাকা জিতছে! এটা কি নিছক ভাগ্য, নাকি আপনার ঘাম ঝরানো পয়সা পকেটস্থ করার এক পরিকল্পিত নীল নকশা? লটারির নেশায় সাধারণ মানুষ সর্বস্বান্ত হচ্ছে, আর নেতারা কোটিপতি হচ্ছে।

    ত-এ: ত্রিপল ও ত্রাণ চুরি

    মানবিকতাও এদের কাছে ব্যবসার মাধ্যম। আমফানের সময় যখন মানুষের মাথার ছাদ উড়ে গিয়েছিল, তখন ‘ত’ দিয়ে সেই সামান্য ত্রিপলটুকুও চুরি করতে ছাড়েনি এরা। রিলিফের চাল থেকে শুরু করে ক্ষতিপূরণের টাকা—সবই চলে গেছে তৃণমূলী নেতাদের আত্মীয়স্বজনদের একাউন্টে। বিপদের দিনে যারা মানুষের হকের ত্রাণ চুরি করে, তারা মানুষের শত্রু ছাড়া আর কিছু নয়।

    ন-এ: নিয়োগ দুর্নীতি (পুরসভা)

    স্কুলের পর এবার নজর পুরসভার দিকে। ‘ন’ দিয়ে নিয়োগ দুর্নীতি আজ পুরসভাগুলোতেও থাবা বসিয়েছে। অযোগ্যদের চাকরি দিয়ে শহর বা মফস্বলের প্রশাসনকে পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে। যোগ্য প্রার্থীরা আজও হন্যে হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে, আর নেতার প্যাডে নাম থাকা ব্যক্তিরা সরকারি চেয়ারে বসে জনগণের টাকায় মৌজ করছে।

    প-এ: প্রাথমিকে দুর্নীতি

    শিক্ষার একদম গোড়াতেই বিষ মিশিয়ে দিয়েছে এই সরকার। ‘প’ দিয়ে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে যে নির্লজ্জ কারচুপি আমরা দেখলাম, তা গোটা দেশের সামনে বাংলার মাথা হেঁট করে দিয়েছে। টাকার বিনিময়ে অযোগ্যদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে আগামীর ভবিষ্যৎ গড়ার দায়িত্ব। আজ যে শিশুরা প্রাথমিক স্কুলে যাচ্ছে, তারা কী শিখবে? যখন তাদের শিক্ষকরাই মেধার বদলে টাকার জোরে চাকরি পেয়েছে!

    ব-এ: বালি পাচার

    বাংলার নদীগুলো আজ কঙ্কালসার (West Benagl Scam) । ‘ব’ দিয়ে বালি পাচার আজ এক সংগঠিত অপরাধে পরিণত হয়েছে। কোনো রয়্যালটি ছাড়াই রাতের অন্ধকারে শয়ে শয়ে ট্রাক নদী থেকে বালি চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। প্রকৃতির এই ধ্বংসলীলা আর কয়েকশ কোটি টাকার এই পাচারকাণ্ডের পিছনে রয়েছে স্থানীয় নেতা আর প্রশাসনের এক গভীর আঁতাত। বালি চুরি করে নদীগর্ভ সাবাড় করা হচ্ছে, আর নেতাদের পকেট ভরাট হচ্ছে।

    র-এ: রেশন চুরি

    মানুষের অভাব নিয়ে ব্যবসা করাই এদের দস্তুর। ‘র’ দিয়ে রেশন চুরির জাল ছড়িয়ে আছে গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত। গরিবের ডিজিটাল রেশন কার্ডের চাল-গম খোলা বাজারে চড়া দামে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। আর সাধারণ মানুষ যখন ডিলারের কাছে যাচ্ছে, তখন বলা হচ্ছে “ওপর থেকে স্টক আসেনি”। আপনার পেটের ভাত যারা কেড়ে নেয়, তাদের ক্ষমা করার জায়গা কোথায়?

    ম-এ: মিড-ডে মিল তছরূপ

    এরা এতটাই নিচে নেমেছে যে শিশুদের খাবারটুকুও ছাড়েনি। ‘ম’ দিয়ে মিড-ডে মিলের টাকায় কখনো রাজনৈতিক সভা করা হচ্ছে, কখনো আবার সেই টাকা তছরূপ করে নেতাদের পকেট গরম করা হচ্ছে। বাড়ন্ত বয়সের বাচ্চাদের পাতে ডাল-ভাতের বদলে জুটেছে চরম দুর্নীতি। শিশুদের পুষ্টি নিয়ে যারা খেলা করে, তাদের থেকে নিষ্ঠুর আর কে হতে পারে?

    স-এ: সিন্ডিকেট রাজ

    বাংলায় (WB Election 2026) আজ আইনের শাসন নয়, চলছে ‘স’ দিয়ে সিন্ডিকেট রাজ। আপনি নিজের জমিতে বাড়ি করবেন? সিন্ডিকেটের থেকে মাল নিতে হবে। আপনি ছোট ব্যবসা করবেন? সিন্ডিকেটকে তোলা দিতে হবে। এই সিন্ডিকেট আজ বাংলার অর্থনীতির গলা টিপে ধরেছে। কোনও বড় শিল্প এখানে আসতে ভয় পায় কেবল এই সিন্ডিকেট আর তোলাবাজদের ভয়ে।

    শ-এ: শিক্ষা দুর্নীতি ও সারদা

    ‘শ’ দিয়ে বাংলার লক্ষ লক্ষ মানুষের সর্বস্বান্ত হওয়ার ইতিহাস লেখা আছে। একদিকে সারদার মতো চিটফান্ডে সাধারণ মানুষের রক্তজল করা টাকা লোপাট, আর অন্যদিকে গোটা শিক্ষা ব্যবস্থাকে নিলামে তোলা। পর্ষদ সভাপতি থেকে শুরু করে শিক্ষামন্ত্রী—সবাই আজ জেল খাটছে। মেধা আজ রাজপথে কাঁদছে, আর দুর্নীতি আজ রাজপ্রাসাদে অট্টহাসি হাসছে।

    হ-এ: হান্ড্রেড ডেইজ ওয়ার্ক টাকা লুট

    সবশেষে ‘হ’—হান্ড্রেড ডেইজ ওয়ার্ক বা একশো দিনের কাজের টাকা লুট। গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষের ঘামের দাম এরা নর্দমায় ছুড়ে ফেলেছে। ভুয়া মাস্টার রোল বানিয়ে কোটি কোটি টাকা নয়ছয় করা হয়েছে। আজ যখন কেন্দ্র হিসাব চাইছে, তখন এরা মুখ লুকাচ্ছে আর মাশুল গুনছে বাংলার সাধারণ শ্রমিকরা। ‘হ’-এ হাহাকার আজ বাংলার গ্রামে গ্রামে।

    এটাই আজকের বাংলার বাস্তব ‘বর্ণপরিচয়’ (West Benagl Scam)। আমরা ছোটবেলায় পড়েছিলাম ‘অজগরটি আসছে তেড়ে’, আজ বাংলার প্রতিটি প্রান্তে সেই অজগরের মতো দুর্নীতি সাধারণ মানুষকে গিলে খেতে আসছে। ক-থেকে-হ, বর্ণমালার প্রতিটি অক্ষর আজ কলঙ্কিত। যারা আপনার সন্তানের শিক্ষার অধিকার বিক্রি করে দেয়, যারা আপনার ঘরের চাল চুরি করে, কিংবা যারা আপনার সারা জীবনের জমানো টাকা লটারির নামে বা চিটফান্ডের নামে লুটে নেয়—তারা কি সত্যিই আপনার বন্ধু?”

    যুবসমাজ পরিযায়ী শ্রমিক

    এই অ-আ-ক-খ দিয়ে কোনো উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়া সম্ভব নয়। এই বর্ণপরিচয় কেবল ধ্বংস আর অন্ধকারের কথা বলে। আজ বাংলার (WB Election 2026) যুবসমাজ পরিযায়ী শ্রমিক, বাংলার মেধাবীরা রাজপথে অনশনরত, আর বাংলার কোষাগার দেউলিয়া। দেড় হাজার টাকার ভাতার মুলো ঝুলিয়ে যারা আপনার এই চরম ক্ষতিকে আড়াল করতে চাইছে, তাদের চিনে নেওয়ার সময় এসেছে। মনে রাখবেন, আজ যদি আপনি এই ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আওয়াজ না তোলেন, তবে আপনার আগামী প্রজন্ম আপনাকে ক্ষমা করবে না। এখন এই সব কিছুর প্রভাব ভোটে কতটা পরে তাই এখন দেখার।

  • WB Election 2026: সারি সারি দাঁড়িয়ে সাঁজোয়া যান, শেষ দফার ভোট হিংসা মুক্ত করতে বাহিনীর বিরাট চমক

    WB Election 2026: সারি সারি দাঁড়িয়ে সাঁজোয়া যান, শেষ দফার ভোট হিংসা মুক্ত করতে বাহিনীর বিরাট চমক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাইনে দাঁড়িয়ে সারি সারি সাঁজোয়া গাড়ি। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের (WB Election 2026) শেষ দফা ভোটের আগে হিংসা রুখতে কমিশনের কড়া অবস্থান। দুষ্কৃতীদের সাবধান করতে সিআরপিএফ-এর (CRPF) অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল (ADG) জিপি সিং একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করেন। তাঁর পোস্ট করা নিরাপত্তা প্রস্তুতির কিছু ছবি সময় সামাজিক মাধ্যমে বেশ আলোচিত হচ্ছে। ইতিমধ্যে জেলায় জেলায় দাগি এক হাজারের বেশি অপরাধীদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ প্রশাসন। যেখানে যেখানে হিংসার ঘটনা ঘটছে জোর কদমে চলছে ধরপাকড়। ভোট লুট বন্ধ করতে কমিশন ও প্রশাসন ব্যাপক সক্রিয়।

    বিশেষ তৎপরতা গ্রহণ (WB Election 2026)

    নির্বাচনী (WB Election 2026) নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের (CRPF) অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল (CRPF)  জিপি সিং একটি পোস্ট করে বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার প্রাক্কালে রাজ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর পক্ষ থেকে বিশেষ তৎপরতা গ্রহণ করা হয়েছে।” সামাজিক মাধ্যমে বাহিনীর সুশৃঙ্খল প্রস্তুতি ও রণকৌশলের কিছু আলোকচিত্র শেয়ার করেছেন। এই ঘটনা প্রমাণ করে কমিশন কতটা হিংসা মুক্ত নির্বাচন চায়।

    ভীতি ছাড়াই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ

    অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল জিপি সিং নিজের শেয়ার করা ছবিগুলোতে দেখা যাচ্ছে, স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে আধাসামরিক বাহিনীর জওয়ানরা কঠোর নজরদারি চালাচ্ছেন। শুধু তাই নয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় তাঁরা কতটা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে এই পোস্টের (CRPF)  মূল উদ্দেশ্য হল মূলত ভোটারদের মনে আস্থা জাগানোর একটি প্রয়াস মাত্র। সাধারণ মানুষ যাতে কোনও প্রকার ভীতি ছাড়াই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারেন সেই বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

    ভোটারদের সাহস যোগাবে

    একই ভাবে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে (WB Election 2026) শান্তি বজায় রাখতে এবং যেকোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি রুখতে কেন্দ্রীয় বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত। উচ্চপদস্থ এই আধিকারিকের (CRPF) সরাসরি তত্ত্বাবধান এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর এই সক্রিয় উপস্থিতি নির্বাচনী ময়দানে নতুন মাত্রার উৎসাহের সৃষ্টি করেছে। তবে এই ধরনের সাঁজোয়া যান কেবলমাত্র কাশ্মীরের প্রতিকূল পরিস্থিতিতেই ব্যবহার করা হয়। পশ্চিমবঙ্গে এই ব্যবহার এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

  • Bengal Assembly Election 2026: ‘‘আধ্যাত্মিক টান অনুভব করেছি’’, বঙ্গবাসীকে খোলা চিঠি প্রধানমন্ত্রীর, জনতার কাছে করলেন কোন আবেদন?

    Bengal Assembly Election 2026: ‘‘আধ্যাত্মিক টান অনুভব করেছি’’, বঙ্গবাসীকে খোলা চিঠি প্রধানমন্ত্রীর, জনতার কাছে করলেন কোন আবেদন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৭ এপ্রিল, সোমবার রাজ্যের অষ্টাদশ বিধানসভার (Bengal Assembly Election 2026) শেষ প্রচার করেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi Rally)। প্রচারে পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে দিয়েছেন বিশেষ বার্তা। তৃণমূলের জঙ্গলরাজ, লাগামছাড়া দুর্নীতি, নারী নির্যাতন, শিক্ষার বেহাল দশা, জীর্ণ স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সহ একাধিক সিন্ডিকেট রাজ ও কাটমানির কথা মনে করিয়ে দিয়ে ব্যাপক মাত্রায় ২৯ এপ্রিম ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন। মোদির সাফ কথা— ‘দেশ তখনই এগিয়ে যাবে যখন পশ্চিমবঙ্গ এগিয়ে যাবে। তাই পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার।’ নির্বাচনী প্রচার শেষে বাংলার জনসাধারণের জন্য খোলা চিঠিও দিয়েছেন মোদি। বঙ্গভূমিকে তীর্থ ভূমি উল্লেখ করে জয় মা কালীকে ডেকেছেন। বাংলার মঙ্গল কামনায় রাজ্যবাসীকে ভোটের গুরুত্ব সম্পর্কে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন।

    সর্বদা এক পরম প্রাপ্তি (Bengal Assembly Election 2026)  

    নির্বাচনী প্রচারে (Bengal Assembly Election 2026) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi Rally) সেই খোলা চিঠিটি মার্জিত এবং প্রাঞ্জল বাংলায় বলেছেন,”

    “শ্রদ্ধেয় পরিজনগণ, জয় মা কালী,

    বাংলার পুণ্যভূমিতে পদার্পণ করা আমার কাছে সর্বদা এক পরম প্রাপ্তি। এ এক তীর্থযাত্রার সমান। আমি যখনই আপনাদের মধ্যে উপস্থিত হই, আপনাদের ভালোবাসা ও আশীর্বাদ আমাকে অভিভূত করে। এই আশীর্বাদই আমাকে দেশসেবায় নিয়োজিত থাকার অদম্য শক্তি জোগায়।”

    মা-বোনেরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন

    আসন্ন নির্বাচন (Bengal Assembly Election 2026) পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের এক সন্ধিক্ষণ। দীর্ঘ বঞ্চনা, অরাজকতা এবং দুর্নীতির শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হয়ে এক নতুন ভোরের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে বাংলা। আমি জানি, আজ বাংলার মা-বোনেরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন, যুব সমাজ কর্মসংস্থানের অভাবে দিশেহারা এবং কৃষক ভাইবোনেরা তাঁদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। দুর্নীতির অন্ধকারে আজ বাংলার প্রতিভা ম্লান হয়ে পড়ছে।

    উন্নত বাংলা’ এবং ‘সোনার বাংলা’ গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

    তৃণমূলের শাসনে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের একাধিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত জনসাধারণ। নির্বাচন আবহে প্রধানমন্ত্রী (Bengal Assembly Election 2026) বলেন,  “কবিগুরুর ভাষায়— ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির’— সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত করার সময় সমাগত। আমরা এক ‘উন্নত বাংলা’ এবং ‘সোনার বাংলা’ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে ভয় নয়, ‘ভরসা’ হবে শাসনের ভিত্তি। কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সুফল যাতে বাংলার প্রতিটি প্রান্তের মানুষের কাছে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর।”

    হৃত গৌরব পুনরুদ্ধার

    গত ৩৪ বছর বাম শাসন আর তৃণমূলের শাসনে বাংলার সংস্কৃতিক অবক্ষয় এখন চরম সীমায়। তাই প্রধানমন্ত্রী (PM Modi Rally) বলেন, “বাংলার (Bengal Assembly Election 2026) হৃত গৌরব পুনরুদ্ধার এবং এক স্বচ্ছ ও প্রগতিশীল সরকার গঠনের লক্ষ্যে আমি আপনাদের সমর্থন ও আশীর্বাদ প্রার্থী। আগামী নির্বাচনে নির্ভয়ে আপনাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন। আপনাদের একটি ভোটই পারে বাংলার সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে। আসুন, আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে এক নতুন বাংলা গড়ে তুলি। আপনাদের সেবায় সর্বদা নিবেদিত, নরেন্দ্র মোদি।”

    আধ্যাত্মিক টান অনুভব করেছি

    ২০২৪-এর জানুয়ারিতে অযোধ্যায় রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠার আগে তিনি যে ১১ দিনের কঠোর অনুধ্যান বা অনুষ্ঠান করেছিলেন সেই কথাই বাংলা প্রসঙ্গে মনে পড়েছে। বাংলার এই নির্বাচনী প্রচারে মোদির (PM Modi Rally) অনুভূতি ঠিক একই প্রকার । একে আধ্যাত্মিক স্পন্দনের অনুভব বলেছেন। মোদির কথায়, ‘‘বাংলার প্রতিটি জনসভা ও রোড-শো-তে আমি সেই আধ্যাত্মিক টান অনুভব করেছি, যা দেবী মন্দিরে প্রার্থনার সময় পাওয়া যায়। বাংলার অলিগলিতে প্রচারের সময় যে ভালবাসা পেয়েছি, তা আমাকে নতুন শক্তিতে ভরিয়ে দিয়েছে।’’

    ভালো অভিজ্ঞতার স্মৃতি

    আবেগঘন হয়ে মোদি (PM Modi Rally) বাংলার মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। এতো মেসেজ, প্রশ্ন আর ছবিতে তা স্পষ্ট ভাবে বুঝতে পেরেছেন। চিঠিও অনেকে পাঠান। সেগুলিও প্রধানমন্ত্রীর কাছে ভালো অভিজ্ঞতার স্মৃতি। মোদি তাই বলেছেন, ‘‘জনসভা বা রোড-শো-র শেষে গভীর রাতে আমি আপনাদের পাঠানো ছবি ও বার্তাগুলো নিয়ে বসি। যুবক থেকে শুরু করে প্রবীণ, সব বয়সের মানুষের যে বিপুল ভালবাসা আমি পেয়েছি, তাই আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ।”

    যথেষ্ট ভয় দেখানো হয়েছে, এবার প্রয়োজন বিশ্বাসের

    রাজ্যের (Bengal Assembly Election 2026) যুবসমাজ, নারী সমাজ, কৃষক শ্রমিক সকলেই দীর্ঘ অন্ধকার অত্যাচার আর নিপীড়নের শাসন থেকে মুক্তি চায়। পরিবর্তনের এক বড় মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে বঙ্গবাসী। যে রাজ্যে বেকারদের কাজ নেই, মেয়েরা সুরক্ষিত নন, কৃষকতার প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত, সেই রাজ্যে দ্রুত নতুন সূর্য উঠবে। তৃণমূলের শাসন থেকে বাংলা মুক্ত হবে। মানুষ নিজের অধিকার ফিরে পাবে। তাই প্রধানমন্ত্রী (PM Modi Rally) স্বয়ং লিখেছেন, “যথেষ্ট ভয় দেখানো হয়েছে, এবার প্রয়োজন বিশ্বাসের। আর সেই বিশ্বাসের নাম বিজেপি। বাংলার সেবা করা এবং বাংলার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমার পবিত্র কর্তব্য। বাংলার সামনে থাকা প্রতিটি প্রতিকূলতাকে সুযোগে রূপান্তর করা আমার দায়িত্ব এবং ভবিতব্য। এই দায়িত্ব থেকে আমি কখনও এক চুলও সরব না।”

    বাংলা ভাষায় মোদির লেখা চিঠি কেবল রাজনৈতিক কৌশল নয়, বরং বাঙালির ‘আবেগের ধমনীতে’ সাড়া ফেলে দেওয়ার এক সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ। এই আবেগ ভীষণ ভাবে ভোটের অঙ্কে প্রতিফলন ঘটাবে বলে বিশ্বাস রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

  • Election Commission India: শান্তিপূর্ণ ভোটের লক্ষ্যে দ্বিতীয় দফার আগে প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে, ৩৬-ঘণ্টায় রাজ্যজুড়ে ১৫৪৩ দুষ্কৃতী গ্রেফতার

    Election Commission India: শান্তিপূর্ণ ভোটের লক্ষ্যে দ্বিতীয় দফার আগে প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে, ৩৬-ঘণ্টায় রাজ্যজুড়ে ১৫৪৩ দুষ্কৃতী গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে (Election Commission India) নির্বিঘ্ন ও ভীতিমুক্ত করতে নজিরবিহীন কড়াকড়ি পদক্ষেপ গ্রহণ শুরু করেছে প্রশাসন। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা মেনে রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সমন্বয়ে রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে বিশেষ অভিযান। রবিবার থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে ৩৬ ঘণ্টায় এখনও পর্যন্ত ১৫৪৩ জন চিহ্নিত দুষ্কৃতীকে আটক করেছে পুলিশ (Bengal Assembly Election 2026)।

    ভোটারের মনে আস্থা ফেরানোই প্রশাসনের মূল লক্ষ্য (Election Commission India)

    নির্বাচন কমিশন (Election Commission India) সূত্রে খবর, ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার আগে থেকেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সাধারণ ভোটারের মনে আস্থা ফেরানোই প্রশাসনের মূল লক্ষ্য। রবিবার সকাল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত রাজ্যে ১৫৪৩ জন দুষ্কৃতীকে পাকড়াও করা হয়েছে। এই বিপুল ধরপাকড়ের মধ্যে জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে সবচেয়ে এগিয়ে পূর্ব বর্ধমান। সেখানে ৪৭৯ জনকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ধৃতদের তালিকায় রয়েছেন নাড়ুগোপাল ভকত নামে পূর্ব বর্ধমান জেলার এক তৃণমূল কাউন্সিলরও।  পুলিশের এই বিশেষ অভিযানে মূলত সেই সমস্ত ব্যক্তিদের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে যাদের বিরুদ্ধে অতীতে নির্বাচনী হিংসায় (Bengal Assembly Election 2026) জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে অথবা যারা বর্তমান পরিস্থিতিতে শান্তি বিঘ্নিত করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    ভোটে উত্তপ্ত জগদ্দল

    রবিবার রাতে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল জগদ্দল। গোলমালের সূত্রপাত হয় আটচলা বাগানে। তৃণমূলের আক্রমণের খবর পেয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং র‍্যাফ নামে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে জগদ্দল থানায় নোয়াপাড়ার বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিংকে নিয়ে উপস্থিত হন প্রাক্তন আইপিএস অফিসার বিজেপি প্রার্থী রাজেশ কুমার। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তাঁদের উপর ইটবৃষ্টি করা হয় বলে অভিযোগ করেন অর্জুন। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা।

    চিহ্নিতকরণ ও অভিযান

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission India) নির্দেশে জেলাভিত্তিক অপরাধীদের তালিকা তৈরি করে গত কয়েক দিনে কলকাতা ও শহরতলির বিভিন্ন এলাকায় চিরুনি তল্লাশি চালানো হয়েছে। পুলিশের এই অভিযানে বিপুল সংখ্যক অ-জামিনযোগ্য পরোয়ানা (Non-Bailable Warrant) কার্যকর করা হয়েছে। জেলা ভিত্তিক গ্রেফতারের সংখ্যার পরিসংখ্যান বলছে, পূর্ব বর্ধমানে ৪৭৯ জন, উত্তর ২৪ পরগনায় ৩১৯ জন, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ২৪৬ জন, উত্তর কলকাতায় ১০৯ জন, হুগলিতে ৪৯ জন, নদিয়া জেলায় ৩২ জন  এবং হাওড়ায় ৩২ জন।

    সীমান্তবর্তী এলাকায় নজরদারি

    ভিন রাজ্য বা সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা থেকে যাতে কোনো দুষ্কৃতী রাজ্যে প্রবেশ করতে না পারে, তার জন্য নাকা চেকিং এবং সীমানা সিল করার কাজও জোরদার করা হয়েছে। দুষ্কৃতী দমনের পাশাপাশি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধারের ক্ষেত্রেও জেলা পুলিশকে বিশেষ সক্রিয় হতে দেখা গেছে।

    শূন্য সহনশীলতা (Zero Tolerance) নীতি

    প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থানের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission India) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “শান্তিপূর্ণ ভোটদান (Bengal Assembly Election 2026) নিশ্চিত করতে আমরা শূন্য সহনশীলতা (Zero Tolerance) নীতি গ্রহণ করেছি। কোনও ধরণের প্ররোচনা বা অশান্তি বরদাস্ত করা হবে না।”

    প্রথম দফার ভোটের আগে পুলিশের এই ব্যাপক ধরপাকড় জনমনে সুরক্ষার বার্তা দিলেও, রাজনৈতিক মহলে এর মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। তবে সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষা এবং গণতান্ত্রিক উৎসবকে কলঙ্কমুক্ত রাখতে এই প্রশাসনিক তৎপরতা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আগামী ২৯ এপ্রিল কতটা শান্তিপূর্ণ ভোট হয় তাই এখন দেখার।

LinkedIn
Share