Tag: mohan bhagwat

mohan bhagwat

  • Mohan Bhagwat: শহরে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত, কোন কোন বিশিষ্টজনের বাড়িতে গেলেন?

    Mohan Bhagwat: শহরে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত, কোন কোন বিশিষ্টজনের বাড়িতে গেলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় দু’দিনের জন্য এসেছেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সরসঙ্ঘ চালক ডক্টর মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তিনি গতকাল শনিবার দেখা করলেন সর্ব ভারতীয় ফুটবল সংস্থার সভাপতি কল্যাণ চৌবের সঙ্গে। সঙ্ঘচালক অবশ্য নিজে থেকেই গিয়েছেন বলে খবর। তবে জানা গিয়েছে, কোনও রাজনৈতিক আলোচনা হয়নি। এরপর তিনি যান প্রাক্তন সিবিআই কর্তা উপেন বিশ্বাসের বাড়িতে। পাশপাশি আজ রবিবার তিনি যান অভিনেতা ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে। এরপর যান বিখ্যাত তবলা বাদক বিক্রম ঘোষের বাড়িতেও। লোকসভা ভোটের আগে সরসঙ্ঘ চালকের এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

    কী বললেন কল্যাণ চৌবে (Mohan Bhagwat)?

    সঙ্ঘ মানুষ তৈরির কাজ করে। কল্যাণ চৌবে সঙ্ঘচালক সম্পর্কে বলেন, “সরসঙ্ঘ চালকজি প্রতি বছর রাজ্যে দু’বার করে আসেন। সমাজের মানুষের সঙ্গে বার্তালাপ করেন। আমাদের বাড়িতে সঙ্ঘের কাজ নিয়েই আলোচনা হয়। ২০১৭ সালে প্রণব মুখোপাধ্যায় যখন নাগপুরে গিয়েছিলেন, তখন থেকেই সঙ্ঘের কাজ সম্পর্কে অনুভব করতে পেরেছিলাম। সঙ্ঘ সমাজে শৃঙ্খলাবদ্ধ হতে শেখায়। সমাজ, ধর্ম, রুচি, সংস্কৃতি নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে। খেলোয়াড়দের চরিত্র গঠন নিয়েও অনেক আলোচনা হয়েছে। সঙ্ঘের স্বয়ংসেবকরা সামজিক কাজের জন্য নিজেদের নিবেদন করে থাকেন। তবে কোনও রাজনৈতিক আলোচনা করা হয়নি।”

    কী বলেন দিলীপ ঘোষ?

    বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ বলেন, “মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বছরে বেশ কয়েকবার বঙ্গে আসেন। সামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত করার জন্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে দেখা করা এবং বাড়িতে যাওয়া আরএসএস-এর একটি বিশেষ কাজের পদ্ধতি। এটা খবর হয়, তাই সবাই জানতে পারেন।”

    দু’দিনের সফর

    শনিবার দুপুরে এসেছেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রধান (Mohan Bhagwat)। আজ রবিবার কলকাতা থেকে ফেরার কথা। এর মধ্যে বেশ কিছু সাংগঠনিক বৈঠক করবেন। একই সঙ্গে আরএসএস-এর সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসবলেও রাজ্যে এসেছেন। তিনি অবশ্য রয়েছেন দুর্গাপুরে। তবে সঙ্ঘের এই উচ্চপদস্থ কর্তাদের সাংগঠনিক বৈঠক থাকলেও লোকসভার আগে বাংলার লোকসভার আসনকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে অনেকে মনে করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • RSS: ভারত ধর্মনিরপেক্ষ ভাবধারার রক্ষাকর্তা, জানালেন আরএসএস প্রধান

    RSS: ভারত ধর্মনিরপেক্ষ ভাবধারার রক্ষাকর্তা, জানালেন আরএসএস প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে ধর্মনিরপেক্ষতার পাঠ শেখানোর প্রয়োজন নেই, কারণ স্বাভাবিকভাবেই এদেশ ধর্মনিরপেক্ষ ভাবধারার রক্ষাকর্তা। এ কথা শোনা গেল আরএসএস (RSS) প্রধান মোহন ভাগবতের মুখে। রবিবারই সঙ্ঘ প্রধান হাজির ছিলেন গ্রেটার নয়ডাতে। সেখানে সারদা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘স্ব-আধারিত ভারত’ শীর্ষক একটি সেমিনারে যোগদান করেন তিনি। তখনই তাঁকে এই কথাগুলি বলতে শোনা যায়ে।

    ভারত সমস্ত ধর্মকে শ্রদ্ধা করে

    সঙ্ঘ প্রধানের (RSS) মতে, ‘‘ভারত সমস্ত ধর্মকে শ্রদ্ধা করে। ভারতের সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলা রয়েছে। আমরা বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্য-এই মতবাদে বিশ্বাস রাখি। আমরা হুন, কুষাণ, ইসলামকে দুহাত বাড়িয়ে স্বাগত জানিয়েছিলাম। আমাদের মাটি এতটাই সমৃদ্ধ যে এখানে যাঁরা এসেছেন, তাঁদেরকেই স্বাগত জানাতেন এখানকার রাজা-মহারাজারা। আমাদের কোথাও কোনও সমস্যা ছিল না। এখানে যাঁরা আশ্রয় নিতে চেয়েছেন, তাঁদেরই আশ্রয় দিয়েছি আমরা। আমরা সকলকে আহ্বান করেছি, কারণ আমাদের ধর্মই আমাদের এই শিক্ষা দেয়।”

    ভারতকে অন্য দেশ থেকে কিছু নকল করার দরকার নেই

    সঙ্ঘ প্রধান (RSS) আরও বলেন, ‘‘ভারতকে অন্য দেশ থেকে কিছু নকল করার দরকার নেই। কারণ এদেশের নিজস্ব শক্তির উপর নির্ভর করে উন্নয়নের মডেলকে অনুসরণ করতে হবে। আমাদের প্রাচীন শিক্ষা থেকে সংগৃহীত জ্ঞান দিয়ে আমরা যতদিন না পর্যন্ত নিজেদের শক্তিতে বলিয়ান হতে পারছি, ততদিন পর্যন্ত এই বিশ্বকে নেতৃত্ব দিতে পারব না। এদেশে চাষাবাদ করে মাটির কোনও ক্ষতি না করে আমরা ১০,০০০ বছর কাটিয়েছি। কারণ আমাদের ধর্ম বলেছে, শুধু মানুষের মঙ্গল কামনা করা নয়, পরিবেশেরও মঙ্গল কামনা করতে। তবে আমরা যদি অন্য দেশ থেকে ধার করা মডেল নিই, সেটা আমাদের সাময়িক সময়ের জন্য হবে। কিন্তু তা চিরস্থায়ী কিছু হবে না।’’ এদিন তিনি তাঁর বক্তব্যে শক্তিশালী ভারতের কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘‘যখন চিন হামলা চালিয়েছিল তখন আমরা আমেরিকার কাছে সহায়তার জন্য গিয়েছিলাম। এ নিয়ে অনেকেই হাসাহাসি করত। তবে ২০১৪ সালের পর প্রয়োজন মতো পাকিস্তানে ঢুকেও আমরা যোগ্য জবাব দিয়ে এসেছি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: ‘‘অযোধ্যায় রামের মূর্তি স্থাপিত হবে আগামী ২২ জানুয়ারি’’, বড় ঘোষণা সঙ্ঘ প্রধানের

    Ram Mandir: ‘‘অযোধ্যায় রামের মূর্তি স্থাপিত হবে আগামী ২২ জানুয়ারি’’, বড় ঘোষণা সঙ্ঘ প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের বিজয়া সম্মেলন থেকে বড় ঘোষণা করলেন সর-সঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত। আগামী বছরের জানুয়ারি মাসের ২২ তারিখে রামমন্দিরে মূর্তি স্থাপিত হবে রামলালার (Ram Mandir)। প্রসঙ্গত, কয়েকমাস আগেই ত্রিপুরাতে গিয়ে অমিত শাহ মন্তব্য করেছিলেন অযোধ্যার মন্দিরর কাজ সম্পূর্ণভাবে শেষ হবে ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারির মধ্যে। এবার মোহন ভাগবতের কণ্ঠেও শোনা গেল একই কথা। তাৎপর্যপূর্ণভাবে গতকাল দিল্লির রামলীলা ময়দানে রাবণ দহন উৎসবে একই রকমের ঘোষণা করতে শোনা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও।

    নাগপুরে সঙ্ঘের বিজয়া সম্মেলন

    বিজয়া দশমীতে সঙ্ঘের বিজয়া সম্মেলনের এক অনুষ্ঠানে মঙ্গলবার নাগপুরে উপস্থিত ছিলেন মোহন ভাগবত। বিশ্বের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মানচিত্রে যে ভারতের গুরুত্ব ক্রমশই বাড়ছে, একথাও এদিন বলেন সঙ্ঘ প্রধান। তাঁর বক্তব্যে এরপরই উঠে আসে রামমন্দির (Ram Mandir) প্রসঙ্গ। মোহন ভাগবত বলেন, ‘‘রাম মন্দির তৈরি হচ্ছে অযোধ্যাতে। রামলালার মূর্তি সেখানে স্থাপিত হবে আগামী বছরের ২২ জানুয়ারি। ঐদিন আমরা আমাদের ছোটখাট মন্দিরগুলিতে উৎসবের আয়োজন করতেই পারি।’’

    ২১ অক্টোবর রামজন্মভূমি পরিদর্শন যোগী আদিত্যনাথের

    প্রসঙ্গত, গত ২১ অক্টোবর রামজন্মভূমি (Ram Mandir) প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। ওই দিন তিনি নির্মাণকার্য তত্ত্বাবধান করেন। সেখানেই যোগী আদিত্যনাথ বলেন, ‘‘জানুয়ারি মাসে মন্দির নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে। আমরা এই মন্দির নির্মাণের যাবতীয় সবকিছু দীপাবলীর আগেই শেষ করতে চেষ্টা করছি। দেশবাসীর জন্য গর্বের মুহূর্ত আসতে চলেছে ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে।’’ ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রামমন্দিরের উদ্বোধন করবেন বলেও জানান যোগী আদিত্যনাথ। প্রসঙ্গত, চলতি বছরেই ত্রিপুরা রাজ্যে ভোট প্রচারে গিয়ে অমিত শাহ ঘোষণা করেছিলেন, অযোধ্যার রাম মন্দির নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হবে ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারির মধ্যে।  ২০১৯ সালের নভেম্বরে রামমন্দির নির্মাণের পক্ষে রায় দেয় সুপ্রিম কোর্ট। ২০২০ সালের ৫ অগাস্ট রামমন্দিরের ভূমি পুজো করেন প্রধানমন্ত্রী। এবার ২০২৪ সালে দরজা খুলে যাচ্ছে মন্দিরের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • RSS: ‘‘সবক্ষেত্রেই এগিয়ে চলেছে দেশ’’, মোদি সরকারের ভূয়সী প্রশংসা সঙ্ঘ প্রধানের ভাষণে

    RSS: ‘‘সবক্ষেত্রেই এগিয়ে চলেছে দেশ’’, মোদি সরকারের ভূয়সী প্রশংসা সঙ্ঘ প্রধানের ভাষণে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘সবক্ষেত্রেই এগিয়ে চলেছে দেশ, আমরা সৌভাগ্যবান যারা দেশের এই অমৃতকাল দেখার সুযোগ পেয়েছি। এটা সম্ভব হয়েছে আমাদের বলিষ্ঠ নেতৃত্বের জন্যই’’, মঙ্গলবার সকালে ঠিক এই ভাষাতেই মোদি সরকারে প্রশংসা শোনা গেল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) সর সঙ্ঘচালক মোহন ভাগবতের ভাষণে। দশমীতে সঙ্ঘের বিজয়া সম্মেলনের এক অনুষ্ঠানে এদিন নাগপুরে উপস্থিত ছিলেন মোহন ভাগবত। বিশ্বের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মানচিত্রে যে ভারতের গুরুত্ব ক্রমশই বাড়ছে, একথাও এদিন বলেন সঙ্ঘ প্রধান।

    কী বললেন সঙ্ঘ প্রধান?

    এদিনের বক্তব্যে মোহন ভাগবত বলেন, ‘‘প্রতিবছরই জি২০ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তবে প্রথমবার তা আমাদের দেশে অনুষ্ঠিত হল। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা হাজির হন ভারতে। জি২০ সম্মলেনে সারা বিশ্ব ভারতের আতিথেয়তার প্রশংসা (RSS) করেছে। এটা আমাদের বড় পাওনা। বিবিধতার মাঝে থাকা মহান ভারতীয় সংস্কৃতির তাঁরা উপলব্ধি করেছে রাষ্ট্র নেতারা। ভারতের অগ্রগতি সারা বিশ্ব প্রত্যক্ষ করছে। সারা বিশ্বে ভারতের স্থান প্রথম সারিতে চলে এসেছে। আমরা আগে অর্থনীতিতে অনেক পিছিয়ে ছিলাম কিন্তু বর্তমানে আমরা ৫ নম্বরে উঠে এসেছি।’’ এশিয়ান গেমসে ভারতের ১০৭টি পদক জয়ের কথাও নিজের ভাষণে উল্লেখ করেন মোহন ভাগবত। ডিজিটাল ইন্ডিয়া প্রকল্পের জন্যই কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি গরিব মানুষের কাছ পর্যন্ত যে পৌঁছাচ্ছে সেকথাও বলেন সঙ্ঘপ্রধান (RSS)।

    গানের ভাষায় সঙ্ঘের কাজ বোঝালেন শঙ্কর মহাদেবন 

    এদিনের বিজয়া সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে হাজির ছিলেন জনপ্রিয় গায়ক শঙ্কর মহাদেবনও। তিনি বলেন, ‘‘আমেরিকা, ব্রিটেন সমেত সমগ্র ইউরোপ আমি দিনকয়েক আগেই ঘুরে এলাম। প্রত্যক্ষ করলাম আগের থেকে ভারতীয়দের সম্মান অনেক বেশি বেড়েছে।’’ দেশগঠনে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেব সঙ্ঘের ভূমিকা ঠিক কী? তা নিজের গানের ভাষাতেই বোঝান জনপ্রিয় এই গায়ক। তিনি বলেন, ‘‘স্বরলিপি যেমন গানের ভিত্তি হয়, যেকোনও গানকে তৈরি করে, তেমনই স্বয়ংসেবকরাও (RSS) হলেন দেশগঠনের ভিত্তি। যখনই দেশ বিপদে পড়েছে তখনই স্বয়ংসেবকরা এগিয়ে এসেছেন। অতীতে এমনটা বারবার দেখা গিয়েছে।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • RSS: ‘‘হিন্দুরা পরধর্ম সহিষ্ণু, ইজরায়েল-হামাসের মতো সংঘর্ষ কখনও ভারতে হয়নি’’, বললেন মোহন ভাগবত

    RSS: ‘‘হিন্দুরা পরধর্ম সহিষ্ণু, ইজরায়েল-হামাসের মতো সংঘর্ষ কখনও ভারতে হয়নি’’, বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধের মাঝেই তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করতে শোনা গেল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) সর সঙ্ঘচালক মোহন ভাগবতকে। সঙ্ঘ প্রধানের (RSS) মতে, ‘‘হিন্দুরা পরধর্ম সহিষ্ণু তাই ইজরায়েল হামাসের মতো সংঘর্ষ কখনও ভারতে ঘটেনি।’’ প্রসঙ্গত গত ৭ অক্টোবর হামাসের জঙ্গিরা ইজারায়েলের ওপর প্রায় ৫ হাজার রকেট হামলা চালায়। এতে প্রায় ১,৪০০ সাধারণ ইজরায়েলি নাগরিকের মৃত্যু হয়। হামাস জঙ্গিদের এই হামলার পাল্টা প্রত্যাঘাতও শুরু করে ইজরায়েল। প্রায় ১৫ দিন অতিবাহিত হলেও যুদ্ধ চলছে দুই দেশের।

    কী বললেন মোহন ভাগবত?

    মহারাষ্ট্রে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সঙ্ঘ প্রধান (RSS) বলেন, “এ দেশে একটি ধর্ম ও সংস্কৃতি রয়েছে, যা সব সম্প্রদায় এবং তাদের বিশ্বাসকে সম্মান করে। এটা হিন্দুদের দেশ। তার মানে এই নয় যে আমরা বাকিদের (ধর্মগুলিকে) প্রত্যাখান করব। আপনি যখন নিজেকে হিন্দু বলছেন, তখন আর বলার দরকার নেই যে মুসলমানরাও সুরক্ষিত। কেবলমাত্র হিন্দুরাই এটা করে থাকে। ভারতেই এটা হয়। অন্যরা এভাবে ভাবেন না।”  তাঁর আরও সংযোজন, “সব জায়গায় সংঘাত চলছে। ইউক্রেনের যুদ্ধের কথা জানেন আপনারা। এবং হামাস-ইজরায়েল যুদ্ধ। ভারতের এমন ইস্যুতে কখনওই যুদ্ধ হয়নি। শিবাজী মহারাজের আমলেও আগ্রাসন ছিল। কিন্তু এই ইস্যুতে আমরা কখনও কারও সঙ্গে যুদ্ধ করিনি। এই কারণেই আমরা হিন্দু।”

    প্যালেস্তাইনের জন্য ত্রাণ পাঠাল ভারত

    প্রসঙ্গত, হামাসের প্রথম হামলার পরে ইজরায়েলের পাশে দাঁড়িয়েছে তাবড় দেশগুলি। আমেরিকা এবং ব্রিটেনের রাষ্ট্রপ্রধানরা ইতিমধ্যে ইজারায়েলে সফরও করেছেন। হামাসের হামলা নিন্দা করেছে ভারতও। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইতিমধ্যে যুদ্ধবিধ্বস্ত প্যালেস্তাইনে ত্রাণও পাঠিয়েছেন। রবিবারই বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ত্রাণ নিয়ে মিশরের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে বিমান। সেখানে পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুদ করা হয়েছে ওষুধ থেকে অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী। চলতি সপ্তাহের শুরুতেই প্যালেস্তাইনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফোনে কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • RSS: ১৪-১৬ সেপ্টেম্বর পুণেতে সঙ্ঘের সমন্বয় বৈঠক, কোন কোন ইস্যুতে আলোচনা?

    RSS: ১৪-১৬ সেপ্টেম্বর পুণেতে সঙ্ঘের সমন্বয় বৈঠক, কোন কোন ইস্যুতে আলোচনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৪ সেপ্টেম্বর শুরু হচ্ছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) সর্বভারতীয় সমন্বয় বৈঠক, চলবে ১৬ তারিখ পর্যন্ত। মহারাষ্ট্রের পুণেতে হতে চলা সঙ্ঘের এই সমন্বয় বৈঠকে ৩৬টি শাখা সংগঠন অংশগ্রহণ করবে বলে জানা গিয়েছে। মোট ২৬৬ জন সাংগঠনিক পদাধিকারী সমন্বয়ে বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন সঙ্ঘের সর্বভারতী প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর। এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে সুনীল আম্বেকর জানান, মোট পাঁচটি প্রধান ইস্যুতে সমন্বয়ে বৈঠকে (RSS) আলোচনা চলবে। এগুলি হল, পরিবেশ বান্ধব জীবনযাপন, মূল্যবোধের পরিবার ব্যবস্থা, সামাজিক সম্প্রীতির ওপর জোর, স্বদেশিয়ানা এবং নাগরিক কর্তব্য। সুনীল আম্বেকর বলেন, ‘‘আমাদের অর্থনৈতিক নীতি স্বদেশিয়ানার ওপর তৈরি করা উচিত এবং জাতিভেদ প্রথা বন্ধ করতে সম্প্রীতি খুব গুরুত্বপূর্ণ।’’

    শাখার কাজের মাধ্যমে দেশের প্রতি কর্তব্যপালন করেন স্বয়ংসেবকরা 

    এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে সুনীল আম্বেকর জানান, শাখার কাজের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত দেশের প্রতি কর্তব্যপালন করে চলেছেন স্বয়ংসেবকরা (RSS)। সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের উন্নতি সাধনই স্বয়ংসেবকদের উদ্দেশ্য। প্রসঙ্গত, প্রতিবছরই রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) এমন রুটিন সমন্বয় বৈঠক হয়ে থাকে। সঙ্ঘ পরিবারের প্রতিটি সংগঠন তাতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে। সাধারণভাবে এই সমন্বয় বৈঠকে জাতীয় স্তরের গুরুত্বপূর্ণ  ইস্যুগুলি নিয়ে আলোচনাচলে এবং দেশের বিভিন্ন সমস্যার সম্ভাব্য সমাধানের ওপরেই জোর দেওয়া হয়। সঙ্ঘের প্রতিটি শাখা সংগঠনই আলাদা আলাদা ক্ষেত্রে কাজ করে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলির কাছ থেকে রিপোর্টও নেওয়া হয়। বিভিন্ন শাখা সংগঠনগুলি তাদের কাজের পরিধির ওপর বিস্তৃত বিবরণ দেয়। 

    সমন্বয় বৈঠকে কারা হাজির থাকছেন?

    এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে সুনীল আম্বেকর জানিয়েছেন, সমন্বয় বৈঠকে হাজির থাকবেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত, সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে, সহ-সরকার্যবাহ ড. কৃষ্ণগোপাল, ড. মনমোহন বৈদ্য, অরুণ কুমার সমেত অন্যান্যরা। অন্যদিকে বিজেপির তরফ থেকে এই বৈঠকে যোগ দেবেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ও সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) বিএল সন্তোষ। এর পাশাপাশি বিশ্বহিন্দু পরিষদ, এবিভিপি, বিদ্যাভারতী, বনবাসী কল্যাণ আশ্রমের নেতৃত্বকেও দেখা যাবে সমন্বয় বৈঠকে (RSS)। প্রসঙ্গত, গত বছর সঙ্ঘের সমন্বয় বৈঠক বসেছিল ছত্তিশগড়ের রায়পুরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mohan Bhagwat: ‘‘অখণ্ড ভারতের ভাবনাও আগামী দিনে সত্যি হবে’’, মন্তব্য সঙ্ঘ প্রধানের

    Mohan Bhagwat: ‘‘অখণ্ড ভারতের ভাবনাও আগামী দিনে সত্যি হবে’’, মন্তব্য সঙ্ঘ প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অখণ্ড ভারতের ভাবনাও আগামী দিনে সত্যি হবে, বুধবার এমনই মন্তব্য করলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সর সঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। সঙ্ঘ প্রধানের দাবি, অখণ্ড ভারতের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে আগামী দিনেই। প্রসঙ্গত, নাগপুরে এদিন সঙ্ঘ প্রধান হাজির ছিলেন একটি অনুষ্ঠানে। যেখানে তাঁকে অখণ্ড ভারতের বিষয়ে প্রশ্ন করে একজন ছাত্র। সে বিষয়ে উত্তর দিতে গিয়েই সঙ্ঘ প্রধান অখণ্ড ভারত কবে হবে, তার ব্যাখ্যা দেন।

    কী বললেন সঙ্ঘ প্রধান (Mohan Bhagwat)?

    বুধবার মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, ‘‘আমি বলতে পারব না সঠিক কবে অখণ্ড ভারতের নির্মাণ হবে, তবে ভবিষ্যতে তা নিশ্চয়ই হবে। যদি কাজে লেগে থাকা হয়, তাহলে আমরা বৃদ্ধ হওয়ার আগেই স্বপ্নপূরণের সাক্ষী থাকতে পারবো। অখণ্ড ভারতের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হওয়ার অন্যতম যুক্তি হল যে যারা আমাদের থেকে পৃথক হয়েছিল, তারা এখন উপলব্ধি করছে যে সেটা ভুল ছিল এবং তাদের উপলব্ধি এটাও যে আমাদের ভারতের সঙ্গে পুনরায় থাকা উচিত।’’

    গুয়াহাটিতে দিন কয়েক আগেই সর্বত্র ‘ভারত’ ব্যবহার করতে বলেন মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) 

    প্রসঙ্গত দিন কয়েক আগেই সঙ্ঘ প্রধান (Mohan Bhagwat) মন্তব্য করেছিলেন, ইন্ডিয়ার বদলে আমরা সব জায়গায় ভারত ব্যবহার করব। তাঁর এই বক্তব্যকে নিজের এক্স হ্যান্ডেল থেকে শেয়ারও করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। দিল্লিতে বসতে চলেছে জি-২০ এর শীর্ষ সম্মেলন, সেখানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর নামের নিচে লেখা হয়েছে ‘প্রেসিডেন্ট অফ ভারত’। বিশেষজ্ঞ মহল অবশ্য সঙ্ঘ প্রধানের (Mohan Bhagwat) ভাবনাতেই সিলমোহর দিচ্ছে। তাঁদের যুক্তি, ‘‘ভারত এই নামকরণ অতীতে বিভিন্ন হিন্দু পুরাণে যেমন উল্লেখ রয়েছে, তেমনই ভারতবর্ষের ভাষার বৈচিত্রের মধ্যেও এই নামটা বদলায়নি এবং অনেক প্রাচীন যুগ থেকেই ভারত নামটি প্রচলিত রয়েছে।’’ প্রসঙ্গত দেশের সমস্ত দাসত্বের চিহ্ন মুছে ফেলতে সক্রিয় হতে দেখা গিয়েছে মোদি সরকারকে। এবার দেখার  ইন্ডিয়া নাম সরকারিভাবে বদলায় কিনা!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mohan Bhagwat: মোহন ভাগবতের বক্তব্য সমর্থন করলেন জামাতের জাতীয় সভাপতি, কী বললেন তিনি?

    Mohan Bhagwat: মোহন ভাগবতের বক্তব্য সমর্থন করলেন জামাতের জাতীয় সভাপতি, কী বললেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে (India) মুসলমানদের কোনও ভয় নেই। মঙ্গলবারই একথা বলেছিলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তাঁর এই বক্তব্যে শিলমোহর দিলেন অল ইন্ডিয়া মুসলিম জামাতের জাতীয় সভাপতি মওলানা সাবাবউদ্দিন রাজভি বেরেইলভি। তিনি বলেন, আমি তাঁর (মোহন ভাগবত) বক্তব্যকে পূর্ণ সমর্থন করি। এবং এটা ঘটনা যে ভারতে মুসলমানেদের প্রতি শ্রদ্ধা অটুট রয়েছে। ভারতে মুসলমানেরা গর্বের সঙ্গে বসবাস করছেন।

    জামাতের জাতীয় সভাপতি বলেন…

    অল ইন্ডিয়া মুসলিম জামাতের জাতীয় সভাপতি বলেন, কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারে মুসলিমদের প্রতিনিধি কম। তাঁদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে, শক্তিশালী করতে হবে। তিনি বলেন, তবে সরকারে মুসলমানদের প্রতিনিধি কতজন থাকবেন, তাঁদের কবে জায়গা দেওয়া হবে, তা স্থির করবেন হায়ার লেভেলের লোকজন। কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের চাকরিতে মুসলমানদের ব্যালেন্সড শেয়ারও চাইছেন মওলানা সাবাবউদ্দিন রাজভি বেরেইলভি। তিনি বলেন, ভারতে প্রচুর সংখ্যক সুন্নি সুফি বেরেইলভি মুসলমান রয়েছেন। মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে তাঁরাই সিংহভাগ। তাই তাঁদেরই কেন্দ্র কিংবা রাজ্য সরকারের চাকরিতে ব্যালেন্সড শেয়ার থাকা উচিত।

    আরও পড়ুুন: ‘আমরা ফের এই দেশ শাসন করব’, মুসলমানদের এই ধারণা ছাড়তে হবে, বললেন ভাগবত

    প্রসঙ্গত, এদিন একটি অনুষ্ঠানে ভারতে মুসলমানেরা সুরক্ষিতই রয়েছেন বলে মন্তব্য করেছিলেন সংঘ প্রধান (Mohan Bhagwat)। ওই অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন, আসল সত্যটা হল এই হিন্দুস্তান হিন্দুস্তানই থাকবে। তবে ভারতে যে মুসলমানরা বসবাস করছেন, তাঁদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমাদের দেশের মুসলমানেরা নিরাপদে এবং সুরক্ষিতই রয়েছেন। আজকের ভারতে তাঁদের কোনও ক্ষতি হচ্ছে না। তিনি বলেছিলেন, তাঁরা (মুসলমানেরা) যদি চান, তবে তাঁরা তাঁদের ধর্ম পথে থাকতে পারেন। সংঘ প্রধান আরও বলেন, তাঁরা যদি তাঁদের পূর্ব পুরুষের ধর্মপথে যেতে চান, তবে তাঁরা তা পারেন। তিনি (Mohan Bhagwat) বলেছিলেন, এটা তাঁদের পছন্দের ব্যাপার। হিন্দুদের এ ব্যাপারে কোনও জেদ নেই। মোহন ভাগবত বলেন, ইসলামের ভয় পাওয়ার কিছু নেই। তবে একই সঙ্গে মুসলমানদের আধিপত্যের ভাবনা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে বলেও মন্তব্য করেছিলেন তিনি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Mohan Bhagwat: “নেতাজির চিন্তার সঙ্গে আমাদের ভাবনার কোনও পার্থক্য নেই”, সাফ জানালেন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: “নেতাজির চিন্তার সঙ্গে আমাদের ভাবনার কোনও পার্থক্য নেই”, সাফ জানালেন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আকণ্ঠ দেশপ্রেম ছিল ওঁর জীবনের মূল মন্ত্র”। মঙ্গলবার নেতাজির ১২৭তম জন্মবার্ষিকীর একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে কথাগুলি বললেন সরসংঘ চালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। বারাসতের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। বলেন, “অনেক জাতি-উপজাতি-ভাষা-ধর্ম রয়েছে। তবে দেশ এই সব কিছুর ওপরে, এমনই মনে করতেন। নেতাজি জাতি, ধর্ম, বর্ণের ওপরে এগিয়ে রাখতেন দেশকে।”

    নেতাজির স্বপ্ন অধরা

    সংঘ প্রধান বলেন, “আমরা জানি, নেতাজির স্বপ্ন অধরা রয়ে গিয়েছে। কিন্তু সেই স্বপ্ন কে পূরণ করবে? উনি জানতেন এই স্বপ্ন একার পক্ষে করা সম্ভব নয়। আমরা সেই স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে এগোচ্ছি।” তিনি বলেন, “নেতাজির চিন্তার সঙ্গে আমাদের ভাবনার কোনও পার্থক্য নেই।” সংঘচালক বলেন, “এটা দেখলে সমাধান আসবে। নেতাজি যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেটা অসম্পূর্ণ রাখতে দেননি। উনি জানতেন, এটা একটা প্রজন্মের কাজ নয়। অবিরত করে যেতে হবে। এই কাজের জন্য আমার জীবনও হয়তো যথেষ্ট নয়। কিন্ত কোনও সমস্যা নেই। আমি এমনই প্রেরণা দিয়ে যাব যে প্রজন্মের পর প্রজন্ম অনুপ্রাণিত হয়ে এই কাজ করে যাবে। আত্মদর্শন সম্পন্ন, চারিত্রিক গুণে ভরা প্রজন্ম দেশের জন্য জীবন-মৃত্যুতে উঠে দাঁড়াবে।”

    আরএসএসের নেতাজি-স্মরণ

    আরএসএসের নেতাজি-স্মরণের কারণও (Mohan Bhagwat) ব্যাখ্যা করেছেন ভাগবত। বলেন, “ওঁর জীবন থেকে উঠে আসা প্রেরণা, আমাদের জীবনে পরিবর্তন এনে চলেছে। এই জন্য ওঁকে স্মরণ করা হয়। ওই কার্যক্রমগুলিকে উৎকৃষ্ট করা হবে। কোনও ভুল না করেই এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।” এর পরেই তিনি বলেন, “নেতাজির চিন্তার সঙ্গে আমাদের ভাবনার কোনও পার্থক্য নেই।”

    আরও পড়ুুন: পৃথিবীর অর্ধেক বয়সের ইতিহাসের সাক্ষী রামলালার শরীরের পাথর!

    ২০১৪ সালে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পর নেতাজিকে যথাযথ মর্যাদা দিতে চেষ্টার কসুর করেনি নরেন্দ্র মোদির সরকার। ২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রস আইল্যান্ডের নামকরণ করেন নেতাজির নামে। ২০২১ সালে নেতাজির জন্মদিবসকে পরাক্রম দিবস হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেন। ২০২২ সালে নেতাজির ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে ইন্ডিয়া গেট পর্যন্ত প্রসারিত কর্তব্য পথে নেতাজির বিশাল মূর্তির আবরণ উন্মোচন করেন (Mohan Bhagwat) প্রধানমন্ত্রী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Ram Mandir: রাম মন্দিরের নির্মাণ ‘জাতীয় গর্বের জাগরণ’, অযোধ্যায় পৌঁছে জানালেন মোহন ভাগবত

    Ram Mandir: রাম মন্দিরের নির্মাণ ‘জাতীয় গর্বের জাগরণ’, অযোধ্যায় পৌঁছে জানালেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবারই অযোধ্যা পৌঁছন সঙ্ঘপ্রধান মোহন ভাগবত। রামনগরীতে (Ram Mandir) পা রেখেই মোহন ভাগবত জানান, অযোধ্যার মন্দিরে রামলালার বিগ্রহের প্রাণ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই ভারতবর্ষের ‘পুনর্নির্মাণ’ অভিযানের সূচনা হতে চলেছে। এর পাশাপাশি তাঁর আরও সংযোজন, ‘দ্বন্দ্ব এবং তিক্ততা’-র অবসান হওয়া উচিত।

    গোটা সমাজের কাছে রাম হল আদর্শ

    প্রসঙ্গত ২০১৯ সালের ৯ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্ট রায়ের ভিত্তিতে নির্মাণ হয়েছে রাম মন্দির। আজ সোমবার সেই মন্দিরে (Ram Mandir) রামলালার বিগ্রহের ‘প্রাণ প্রতিষ্ঠা’ অনুষ্ঠান। উপস্থিত থাকছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই আবহে সমাজমাধ্যমের পাতায় মোহন ভাগবত লেখেন, ‘‘গোটা সমাজের কাছে রাম হল আদর্শ। যে বিতর্ক, যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছিল, তা এখন শেষ হওয়া উচিত। সেই নিয়ে যে তিক্ততা তৈরি হয়েছিল, তা-ও শেষ হওয়া উচিত। সমাজের আলোকপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের এ বার দেখা উচিত, যাতে ওই বিতর্ক নির্মূল হয়।’’

    রাম মন্দিরের নির্মাণ ‘জাতীয় গর্বের জাগরণ’

    প্রসঙ্গত, ৫০০ বছরের লড়াইয়ে তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির (Ram Mandir)। মন্দিরের নির্মাণকে ‘জাতীয় গর্বের জাগরণ’ বলে উল্লেখ করেন মোহন ভাগবত। তিনি লিখেছেন, ‘‘রাম জন্মভূমিতে রামলালার প্রবেশ এবং তার প্রাণপ্রতিষ্ঠা আদতে ভারতবর্ষের পুনর্নির্মাণ অভিযানের সূচনা, বৈরিতা ছাড়া সকলকে গ্রহণ, সম্প্রীতি, ঐক্য, উন্নয়ন, শান্তির পথ দেখানোর সূচনা।’’ মোহন ভাগবতের কথায় উঠে এসেছে বিদেশি আক্রমণকারীদের প্রসঙ্গও। তিনি লিখেছেন, ‘‘বিদেশি আক্রমণকারীরা ভারতে মন্দির ধ্বংস করেছে। এক বার নয়, বার বার। ওদের উদ্দেশ্য ছিল ভারতীয় সমাজকে মনোবলহীন করে তোলা, যাতে ওরা দীর্ঘ সময় বাধাহীন ভাবে ভারতে রাজত্ব করতে পারে।’’

    ভারতীয় সমাজে বিশ্বাস, নীতি, অঙ্গীকার কখনওই নত হয়নি

    প্রসঙ্গত, ১৫২৮ সালে রাম মন্দির (Ram Mandir) ধ্বংস করে সেই স্থানে বাবরি মসজিদ গড়ে তোলা হয়েছিল। একথাও উল্লেখ পেয়েছে মোহন ভাগবতের লেখায়। তবে ভারতের ক্ষেত্রে বিদেশি আক্রমণকারীদের কৌশল খাটেনি বলেই মনে করেন মোহন ভাগবত। তাঁর মতে, ‘‘ভারতীয় সমাজে বিশ্বাস, নীতি, অঙ্গীকার কখনওই নত হয়নি। প্রতিহত করার লড়াই এখানে ক্রমাগত চলেছে।’’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘এই কারণেই বার বার জন্মভূমি (রাম)-র দখল নিয়ে সেখানে মন্দির নির্মাণের চেষ্টা হয়েছে। তার জন্য অনেক যুদ্ধ, লড়াই, আত্মত্যাগও হয়েছে। রাম জন্মভূমি ইস্যু ভারতবাসীর মর্মে প্রবেশ করেছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share