Tag: mohan bhagwat

mohan bhagwat

  • Ayodhya Ram Temple: প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগেই রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে বসল সোনার ফটক

    Ayodhya Ram Temple: প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগেই রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে বসল সোনার ফটক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির উদ্বোধনকে ঘিরে দেশজুড়ে রামভক্তদের মধ্যে উন্মাদনা এখন তুঙ্গে। আগামী ২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরে রামলালার (Ayodhya Ram Temple) প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে। মঙ্গলবার থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে সপ্তাহব্যাপী ধর্মীয় আচার। তার আগে, মন্দিরের গর্ভগৃহে বসল স্বর্ণফটক। এই গর্ভগৃহে রামলালা বিরজমান হবেন।  নিজেদের এক্স হ্যান্ডলে এই ছবি শেয়ার করে ‘শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে। আরও জানা গিয়েছে, গর্ভগৃহে কোনও জানলা নেই। সর্বক্ষণ আলোয় সজ্জিত থাকবে গৃহ। ভক্তদের নিষ্ঠায় যাতে কোনও প্রকার ব্যাঘাত না ঘটে তাই এই ব্যবস্থা করা হয়েছে। মন্দিরের গর্ভগৃহ পশ্চিমমুখী করা হয়েছে। যার এক দিকে দরজা এবং বাকি তিন দিকে দেওয়াল দিয়ে ঘেরা রয়েছে।

    ১০০ কেজির সোনার প্রলেপ দরজায় (Ayodhya Ram Temple)

    এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টে শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের তরফে বলা হয়েছে, “ভগবান শ্রী রামলালার (Ayodhya Ram Temple) গর্ভগৃহে সোনার দরজা স্থাপনের পাশাপাশি নিচুতলার আরও ১৪টি সোনার দরজা স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।” সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, প্রভু রামের এই ভব্য মন্দিরে মোট ৪৬টি দরজা স্থাপন করা হয়েছে, যার মধ্যে ৪২টি দরজায় মোট ১০০ কেজি সোনা দিয়ে প্রলেপ দেওয়া হয়েছে।

    একইসঙ্গে ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই বলেছেন, “অযোধ্যায় রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার জন্য সব রকম প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয়েছে। আগামী ২২ জানুয়ারি দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে গর্ভগৃহে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে। প্রভু রামের ৫ বছরের বাল্যকালের শিশুসুলভ সরল রূপের মূর্তিটি স্থাপন করা হবে। এই অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। থাকবেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং আরএসএস প্রধান মোহন রাও ভাগবত।”

    ৭১ একর জমির মধ্যে মন্দির

    মন্দির (Ayodhya Ram Temple) সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট ৭১ একর জমির মধ্যে এই মন্দির গড়ে উঠেছে। গর্ভগৃহ সহ পাঁচটি মণ্ডপ মিলে ছয়টি অংশে ভাগ করা হয়েছে। এই ভাগের মধ্যে প্রত্যেকটিতে এক একটি মন্দির থাকবে। এই ভাগগুলি হল- গান মণ্ডপ, রঙ মণ্ডপ, নৃত্য মণ্ডপ, কীর্তন মণ্ডপ, প্রার্থনা মণ্ডপ। মন্দিরের মোট উচ্চতা ১৬১ ফুট। মন্দিরে তিনটি তলা হবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • World Hindu Congress: ‘‘হিন্দু ধর্মের সমস্ত সম্প্রদায়কে শৃঙ্খলাপরায়ণ হতে হবে’’, তাইল্যান্ডে বললেন সঙ্ঘ প্রধান

    World Hindu Congress: ‘‘হিন্দু ধর্মের সমস্ত সম্প্রদায়কে শৃঙ্খলাপরায়ণ হতে হবে’’, তাইল্যান্ডে বললেন সঙ্ঘ প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবারে তাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে বিশ্ব হিন্দু সম্মেলনে (World Hindu Congress) শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের ‘যত মত তত পথ’-এর কথাই শোনা গেল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবতের মুখে। এদিন তিনি বলেন, ‘‘হিন্দু ধর্মে অনেক মত রয়েছে, উপাসনার পদ্ধতি রয়েছে, এবং এর প্রত্যেকটিই হল ধর্মের উদাহরণ।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘হিন্দু ধর্মের সমস্ত সম্প্রদায়কে শৃঙ্খলাপরায়ণ হতে হবে।’’ বসুধৈব কুটুম্বকমের কথাও শোনা যায় এদিন মোহন ভাগবতের মুখে। তিনি বলেন, ‘‘সমগ্র বিশ্ব হল একটি পরিবার। প্রত্যেককে আর্য তৈরি করতে হবে আমাদের।’’ সত্য এবং অহিংসা ব্রতের কথাও এদিন বলেন সঙ্ঘ প্রধান। তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘আমরা সর্বত্র যাব, আমরা প্রত্যেক জনের হৃদয় স্পর্শ করার চেষ্টা করব। তাঁরা আমাদের সঙ্গে সহমত হতেও পারেন অথবা নাও হতে পারেন। কিন্তু প্রত্যেকের সঙ্গেই আমরা যোগাযোগ রাখব।’’

    ধন বিজয় ও অসুর বিজয় কী জিনিস?

    প্রসঙ্গত প্রতি চার বছর অন্তর বিশ্ব হিন্দু সম্মেলনের (World Hindu Congress) আয়োজন করা হয়। চলতি বছরের তা অনুষ্ঠিত হচ্ছে তাইল্যান্ডের রাজধানীতে। বিশ্ব হিন্দু সম্মেলনের (World Hindu Congress) উদ্যোগ নেয় ‘ওয়ার্ল্ড হিন্দু ফাউন্ডেশন’। আজ শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে এই সম্মেলন এবং তা চলবে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত। ভারতবর্ষের ক্ষেত্রে ধর্মই যে হল কর্তব্যবোধ সেকথা আবারও বিশ্ব হিন্দু সম্মেলনে স্মরণ করান মোহন ভাগবত। এদিন মোহন ভাগবত আবারও একবার বলেন, ‘‘ভারতবর্ষ সাক্ষী থেকেছে ধন বিজয়ের অর্থাৎ (বস্তুগত দখলের) এবং অসুর বিজয়ের অর্থাৎ আগ্রাসনের।’’ সঙঘ প্রধান বলেন, ‘‘কোনও কিছু দখল করার উদ্দেশ্য হল পার্থিব সুখ এবং এই কারণেই জনগণ একে অপরের সঙ্গে লড়াই করে। আমরা এর সাক্ষী রয়েছি। আমরা অসুর বিজয়েরও (আগ্রাসন) সাক্ষী রয়েছি। যা ভারতীয় সমাজকে পাঁচ হাজার দুশো বছর ধরে শাসন করেছে। তারা আমাদের ভূমিকে ধ্বংস করেছে। আমরা আড়াইশো বছর ধরে সাক্ষী রয়েছি ধন বিজয়ের (বস্তুগত দখল) যখন আমাদের দেশকে লুট করা হয়েছে।’’

    ‘ওয়ার্ল্ড হিন্দু ফাউন্ডেশন’-এর চেয়ারম্যান কী বললেন

    আগামী বছরের ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় রাম মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে। সে নিয়েই বক্তব্য রাখেন স্বামী বিজ্ঞানানন্দ, যিনি কিনা ‘ওয়ার্ল্ড হিন্দু ফাউন্ডেশন’-এর চেয়ারম্যানও বটে। বিশ্ব হিন্দু সম্মেলনের (World Hindu Congress) প্রধান উদ্যোক্তাও তিনি। এদিনের ভাষণে বিজ্ঞানানন্দ বলেন, ‘‘রামমন্দির উদ্বোধনের ওই অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করা হবে ব্যাংককে এবং সারা পৃথিবীতে যত হিন্দু রয়েছেন, প্রত্যেকেই সাক্ষী থাকবেন ওই অনুষ্ঠানের। সেদিন কীর্তন, ভজন, পুজো এবং মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে পবিত্র মুহূর্তটি পালন করা হবে।’’ সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্বামী বিজ্ঞানানন্দ বলেন, ‘‘অযোধ্যা থেকে আমাদের জন্য প্রসাদও আসবে ওইদিন। রামমন্দিরের ছোট রেপ্লিকা এখানে (ব্যাঙ্ককে) স্থাপন করা হবে। প্রসঙ্গত, ‘ওয়ার্ল্ড হিন্দু ফাউন্ডেশন’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ২০০৯ সালে এবং এর সদর দফতর হল নয়াদিল্লিতে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Mohan Bhagwat: মোহন ভাগবতের উপস্থিতিতে কেশব ভবনে বিক্ষোভ তৃণমূলের, রিপোর্ট চাইল কেন্দ্র

    Mohan Bhagwat: মোহন ভাগবতের উপস্থিতিতে কেশব ভবনে বিক্ষোভ তৃণমূলের, রিপোর্ট চাইল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) প্রধান। সংগঠনের কাজে এসেছিলেন কলকাতায়। ছিলেন আরএসএসের দফতর কেশব ভবনে। তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূল নেতৃত্বের হেনস্থার প্রতিবাদে রাত ১২টা নাগাদ বিক্ষোভ দেখানো হয় কেশব ভবনের সামনে। এখানেই তখন ছিলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সংক্রান্ত রিপোর্ট পাঠানো হল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মন্ত্রকে।

    কেশব ভবনের সামনে বিক্ষোভ

    সোম ও মঙ্গলবার কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে দিল্লিতে ধর্না দেয় তৃণমূল। সেখানে অভিষেক সহ তৃণমূলের শীর্ষ নেতাদের আটক করে নিয়ে যাওয়া হয় মুখার্জিনগর থানায়। তার জেরে বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয় কেশব ভবনের সামনেও। মোহন ভাগবত (যে ঘটনার সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ ছিল না) যেখানে রয়েছেন, সেই কেশব ভবনে বিক্ষোভের খবর পৌঁছায় কলকাতায় থাকা কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকদের কাছে। দ্রুত রিপোর্ট তলব করে অমিত শাহের মন্ত্রক।

    দ্রুত রিপোর্ট তলব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সেই নির্দেশে বলা হয়, ওই রাতেই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে রিপোর্ট পাঠাতে হবে। নির্দেশ পেয়ে রাতেই গোয়েন্দা আধিকারিকদের কয়েকজন চলে যান কেশব ভবনে। খতিয়ে দেখেন পরিস্থিতি। কেশব ভবনের দায়িত্বে থাকা কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে তাঁরা যেমন কথা বলেন, তেমনি কথা বলেন রাজ্য প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গেও। রাতেই দিল্লিতে পাঠানো হয় বিস্তারিত রিপোর্ট। উল্লেখ্য, হাতে গোণা য়ে কয়েকজন ভিভিআইপির নিরাপত্তা নিয়ে সর্বদা সতর্ক থাকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক, তাঁদেরই একজন হলেন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। ওই রাতে ভাগবতের নিরাপত্তাজনিত কোনও সমস্যা দেখা দিয়েছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখতে রাতেই তলব করা হয়েছিল রিপোর্ট। 

    আরও পড়ুুন: রাজ্যপালকে ‘পর্যটক’ খোঁচা তৃণমূলের, পাল্টা খেললেন আনন্দ বোস, কী বললেন জানেন?

    প্রসঙ্গত, জেড প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন ভাগবত। তা সত্ত্বেও কীভাবে মধ্য রাতে কেশব ভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখানো হল, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আমাদের রাজ্যে কোনও রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিক্ষোভ অথবা হামলা হলে আমরা প্রতিরোধ করব। কোনও বিশৃঙ্খলা হলে তার দায় তৃণমূলের। রাজনৈতিক কার্যালয়ে হামলা কিংবা বিক্ষোভ প্রদর্শন রাজনৈতিক শিষ্টাচারের পরিপন্থী (Mohan Bhagwat)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mohan Bhagwat: “ভারত হিন্দু রাষ্ট্র”, নাগপুরের অনুষ্ঠানে আবারও দাবি মোহন ভাগবতের

    Mohan Bhagwat: “ভারত হিন্দু রাষ্ট্র”, নাগপুরের অনুষ্ঠানে আবারও দাবি মোহন ভাগবতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত হিন্দু রাষ্ট্র।” ফের একবার দাবি করলেন আরএসএস (RSS) প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তাঁর মতে, সমস্ত ভারতীয় হিন্দু ও ভারত হিন্দুত্বের প্রতিনিধিত্ব করে। শুক্রবার নাগপুরে ‘তরুণ ভারত’ নামে একটি দৈনিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই মত পোষণ করেন ভাগবত।

    হিন্দুস্তানের অর্থ

    সরসংঘচালক বলেন, “হিন্দুস্তান মানে হচ্ছে হিন্দু রাষ্ট্র। আর এটা ধ্রুব সত্য। সেই কারণে বর্তমানে যাঁরা দেশে বসবাস করেন, তাঁদের আমি হিন্দু বলে মনে করি। এঁরা সকলেই হিন্দু সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত। এঁদের পূর্বসূরিরাও হিন্দু ছিলেন। বিশ্বজুড়ে হিন্দুত্বের কদর বেড়েছে।” ভাগবত বলেন, “কিছু মানুষ এটা বুঝতে পেরেছেন। অনেকে আবার বুঝেও না বোঝার ভান করছেন। এর কারণ তাঁদের অভ্যাস এবং স্বার্থপরতা। আবার কিছু মানুষ আছেন, যাঁরা বুঝতে পারছেন না কিংবা ভুলে গিয়েছেন।” স্বদেশি, পারিবারিক মূল্যবোধ এবং শৃঙ্খলার ওপর জোর দেওয়া প্রয়োজন বলেও মনে করেন ভাগবত।

    হিন্দুত্বের কদর বাড়ছে

    সরসংঘচালক (Mohan Bhagwat) বলেন, “আমাদের নিজস্ব আদর্শ অক্ষুণ্ণ রেখে ন্যায্যভাবে এবং সত্যের ভিত্তিতে কোনও কাজ করা উচিত। আমাদের আদর্শের মতো সারা বিশ্বে আর কিছু নেই। এর বিকল্পও নেই। সবাই এটা বুঝতে পেরেছে। কেউ এটা স্বীকার করে, কেউ করে না।” আরএসএস প্রধান বলেন, “আমরা সেই ১৯২৫ সাল থেকেই বলে আসছি যে ভারতে বসবাসকারী প্রত্যেকেই হিন্দু। যারা ভারতকে তাদের মাতৃভূমি বলে মনে করে এবং বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্যের সংস্কৃতি নিয়ে বাঁচতে চায় এবং ধর্ম, সংস্কৃতি, ভাষা, খাদ্যাভাস এবং আদর্শ যাই হোক না কেন, এই পথে এগোনোর চেষ্টা করে, তারা সকলেই হিন্দু।”

    আরও পড়ুুন: “দেদার ছাপ্পা চললেও, প্রাণভয়ে কিছু করতে পারিনি”! হাইকোর্টে স্বীকারোক্তি প্রিসাইডিং অফিসারের

    প্রসঙ্গত, হিন্দুত্ব নিয়ে ভাগবতের (Mohan Bhagwat) এই দাবি এই প্রথম নয়। গত বছর নভেম্বর মাসেও ছত্তিশগড়ে গিয়ে হিন্দুত্বের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন তিনি। সংঘের একটি অনুষ্ঠানেও ভারতে বসবাসকারী সবাই হিন্দু বলেও দাবি করেছিলেন আরএসএস প্রধান। ভারতে বসবাসকারী সকলের ডিএনএ এক বলেও মন্তব্য করেছিলেন ভাগবত। হিন্দু-মুসলিমের মধ্যে কোনও পার্থক্যই নেই বলেও দাবি করেছিলেন সংঘপ্রধান।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: আজ আসছেন মোহন ভাগবত! ‘পঞ্চায়েত রাজ’ সম্মেলন সহ একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়ে রাজ্যে নাড্ডাও

    BJP: আজ আসছেন মোহন ভাগবত! ‘পঞ্চায়েত রাজ’ সম্মেলন সহ একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়ে রাজ্যে নাড্ডাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ শুক্রবার রাজ্যে আসছেন বিজেপি-র (BJP) সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda in Kolkata)। তাঁর ৩ দিনের রাজ্য সফরে থাকছে একাধিক কর্মসূচি। পঞ্চায়েত ভোট শেষ হতেই শুরু হয়েছে লোকসভা ভোটের প্রস্তুতি। রাজ্যে আঁটঘাট বেঁধে নেমেছে বঙ্গ বিজেপি। সেই সূত্রেই বাংলায় আসছেন নাড্ডা। একই দিনে শহরে আসবেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। শুক্রবার মোহন ভাগবতের সঙ্গেই রাজ্যে আসছেন সংগঠনের সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসবোলে। শুক্র ও শনিবার কলকাতায় আরএসএস-এর পূর্বাঞ্চলীয় ক্ষেত্রের কার্যকারিনীর বৈঠকে যোগ দেবেন তাঁরা। 

    জেপি নাড্ডার একাধিক কর্মসূচি

    শুক্রবার (১১ অগাস্ট, ২০২৩) রাজ্যে আসবেন জেপি নাড্ডা। ১৩ অগাস্ট বিকেলে ফিরে যাবেন তিনি। বঙ্গ বিজেপি সূত্রে খবর, আজ রাত ৯টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে নামার পর একটি বেসরকারি হোটেলে রাত্রিবাস করবেন। কাল ১২ অগাস্ট পৌঁছবেন হাওড়ার বাগনানে। সেখানে সোনার বাংলা হোটেলে ‘পঞ্চায়েত রাজ সম্মেলনে’ যোগ দেওয়ার পাশাপাশি বিজেপি-র কোর কমিটির বৈঠকে যোগ দিতে পারেন তিনি। ওই দিনই দুপুর নাগাদ সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি, দেউলটি পৌঁছতে পারেন। এরপর ‘আমার মাটি-আমার দেশ’ ও ‘বীর বন্ধন, বসুধা বন্ধন’ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। এই অনুষ্ঠান শেষের পর পুনরায় ফেরত আসবেন কলকাতায়। পৌঁছতে পারেন সায়েন্স সিটিতে। সেখানে একপ্রস্থ বৈঠক সারার পাশাপাশি জয়ী বিজেপি-র পঞ্চায়েত সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করবেন বিজেপি সভাপতি। এরপরের দিন অর্থাৎ ১৩ অগাস্ট জে পি নাড্ডা যেতে পারেন দক্ষিণশ্বর মন্দিরে। সেখানে পুজো দেওয়ার পর বিজেপি-র সল্টলেকের পার্টি অফিসে যাবেন। 

    আরও পড়ুন: নতুন রূপে আসছে এয়ার ইন্ডিয়া! নতুন লোগো ও রং প্রকাশ সংস্থার

    মোহন ভাগবতের কর্মসূচি

    এদিনই শহরে আসছেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। আরএসএস সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্র ও শনিবার কলকাতায় আরএসএস-এর সদর দফতর কেশব ভবনে পূর্বাঞ্চলীয় ক্ষেত্র কার্যকারিনী বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে হাজির থাকবেন পশ্চিমবঙ্গ, অসম ও বিহারের নেতারা। সেই বৈঠকে যোগদান করতেই কলকাতায় আসছেন আরএসএস-এর ২ শীর্ষ নেতা। সূত্রের খবর, পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলিতে আরএসএস-এর কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলির পর্যালোচনা ও নতুন প্রকল্প চালুর ব্যাপারে আলোচনা হবে বৈঠকে। তবে, লোকসভা ভোটের আগে মোহন ভাগবত ও জেপি নাড্ডার সফর তাৎপর্যপূণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

  • Mohan Bhagwat: জনসংখ্যা সম্পদ! কিন্তু তা বাড়তি বোঝাও হয়ে দাঁড়ায়, মত মোহন ভাগবতের

    Mohan Bhagwat: জনসংখ্যা সম্পদ! কিন্তু তা বাড়তি বোঝাও হয়ে দাঁড়ায়, মত মোহন ভাগবতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনসংখ্যা যে কোনও দেশের কাছেই সম্পদ। কিন্তু কখনও কখনও তা বাড়তি বোঝাও হয়ে যেতে পারে, এমনই মন্তব্য করলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। বৃহস্পতিবার সংগঠনের মুখপত্র অর্গানাইজারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, জনসংখ্যার বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি নীতি আনতে হবে এবং আমাদের দেখতে হবে জনসংখ্যা দেশের উপর যেন বাড়তি চাপ না তৈরি করে। জনসংখ্যার নীতি প্রত্যেক মানুষের ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য হবে এবং কারোর উপর জোর করে চাপানো হবে না, প্রত্যেক নাগরিককে শিক্ষিত করে তুলতে হবে এবং জনবিস্ফোরণ সম্পর্কে বোঝাতে হবে। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইন নিয়ে বেশ চর্চা চলছে। এমন সময় বিশ্বের সর্বোচ্চ জনসংখ্যার দেশ হিসাবে উঠে এসেছে ভারত। সেই আবহে মোহন ভাগবতের এমন মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    জনবিন্যাসের ভারসাম্য নষ্ট হলে তা দেশের পক্ষে বিপজ্জনক হয়ে ওঠে  

    এদিন সরসঙ্ঘচলক (Mohan Bhagwat) আরও বলেন, জনবিন্যাসের ভারসাম্য নষ্ট হলে তা দেশের পক্ষে বিপদজনক হয়ে ওঠে এটা আমরা অতীতেও দেখেছি। জনবিন্যাস সাধারণত বদল হয় আগ্রাসনকারী কোনও জনগোষ্ঠীর কারণেই। এটা পৃথিবীতে বিভিন্ন জায়গাতে আমরা দেখছি, একমাত্র হিন্দু সমাজ এদের থেকে আলাদা কখনও কোনও আগ্রাসন দেখায় নি, কারও উপর।

    হিন্দুত্ব…

    সরসঙ্ঘচালক (Mohan Bhagwat) এদিন আরও মন্তব্য করেন, প্রাচীনকাল থেকেই আমাদের দেশ অখণ্ড। এদিন হিন্দু সমাজ কীভাবে ঐক্যবদ্ধ থাকবে, সে উপায়ও বলেছেন তিনি। তাঁর মতে, দেশের সভ্যতা এবং সংস্কৃতির উপর বিপদ তখনই এসেছে যখন যখন আমাদের মধ্যে অনৈক্য দেখা গেছে। হিন্দু সমাজের মধ্যে ঐক্য আনতে হবে। আমাদের প্রত্যেককে বলতে হবে যে তুমি তোমার জায়গায় ঠিক আছো, আমি আমার জায়গায় ঠিক আছি। কেন নিজেদের মধ্যে লড়াই করব? আমরা একসঙ্গে চলি, এটাই হিন্দুত্ব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mohan Bhagwat: ‘‘দু’তিন দশকের মধ্যেই ভারত বিশ্বগুরু হবে’’, বললেন মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: ‘‘দু’তিন দশকের মধ্যেই ভারত বিশ্বগুরু হবে’’, বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত (India) একদিন বিশ্বগুরু হবে। মুম্বইয়ে রবীন্দ্র নাট্য মন্দিরের এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে একথা বললেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের (RSS) প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। হিন্দু সমাজ যে বিশ্বাসঘাতকতার মুখোমুখি হচ্ছে, তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন ভাগবত। সরসংঘচালক বলেন, বিশ্ব ক্রমেই আমাদের ওপর ভরসা করতে শুরু করেছে। বিশ্বের অনেক দেশই বর্তমানে ভারতকে অনুকরণ করছে। এখন কেউ যুক্তিতে ভারতের সঙ্গে এঁটে উঠতে পারে না। আজ সমাজও কথা শোনে। হিন্দু জাতি হিসেবে আমরা অনুভব করি দেশের আরও বড় হওয়া উচিত।

    মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন…

    তিনি বলেন, যাঁরা ভারতকে হিন্দু জাতি বলে স্বীকার করেন না, তারাও অনুভব করবে বিশ্বের প্রয়োজনেই ভারতের উন্নতি করা উচিত। ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, ভারত সম্পর্কে ভুল ধারণা ও বিকৃত তথ্য ছড়াচ্ছে। ভারত যাতে বিশ্বগুরু হয়ে উঠতে না পারে, সেই জন্যই এসব করা হচ্ছে। তিনি বলেন, আগামী দুই বা তিন দশক পরে ভারত বিশ্বগুরু হবে। সরসংঘ চালক বলেন, দেশ সম্পর্কে এই বিকৃত তথ্য ছড়ানো হচ্ছে ১৮৫৭ সালের পর থেকে। কিন্তু স্বামী বিবেকানন্দ তাদের যোগ্য জবাব দিয়েছেন। আমাদের সঙ্গে যুক্তিতে এঁটে উঠতে না পেরে এবং আমাদের অগ্রগতিতে রুখে দিতে ভারত সম্পর্কে এসব রটানো হচ্ছে।

    আরও পড়ুুন: দু’দিনের সফরে শুক্রবার রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ, কী কী কর্মসূচি থাকছে?

    ভাগবত বলেন, বর্তমানে হিন্দু সমাজ বিশ্বাসঘাতকতার মুখোমুখি হচ্ছে। আমাদের ধ্বংস করতে কাজ করছে সমাজ বিরোধী শক্তি। তারা আমাদের ভাগ করার চেষ্টা করবে। এসবই ঘটছে। তা সত্ত্বেও আমাদের ওপর ভরসা করছে বিশ্ব। সরসংঘচালক (Mohan Bhagwat) বলেন, বিশ্বের সব চেয়ে সেরা ধারণা আমাদের আছে। আছে উপাদানও। আমরা মহৎ ব্যক্তিদের শ্রদ্ধা করি। কিন্তু মনে রাখা উচিত যে আমরা তাঁদের পথ অনুসরণ করব না। কারণ সেই পথ খুবই কঠিন। তিনি বলেন, জীবনে কেবল সফল হলেই চলবে না, জীবনকে অর্থবহও করতে হবে। আরএসএস প্রধান বলেন, আজ আমরা সেই অবস্থায় ফিরে এসেছি, যেখানে লড়াই দিতে পারব। আজ তামাম বিশ্ব উপলব্ধি করতে পারছে যে ভারতকেই অনুসরণ করতে হবে। আমাদের রাজনীতিবিদরা এই দিকেই পদক্ষেপ করছেন। আজ কেউই যুক্তিতে আমাদের পরাজিত করতে পারে না। বিশ্বাসঘাতকতা চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Mohan Bhagwat: ‘সনাতন ধর্মের কোনও সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই’, বললেন মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: ‘সনাতন ধর্মের কোনও সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই’, বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালের নিয়মে সনাতন ধর্ম নিজেকে প্রমাণ করেছে, তাই এর কোনও সার্টিফিকেট-এর প্রয়োজন নেই, এমনই মন্তব্য করলেন সঙ্ঘপ্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বারে ‘সন্ন্যাস দীক্ষা’ নামে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে একথা বলেন তিনি।

    কী বললেন সঙ্ঘপ্রধান (Mohon Bhagwat)

    আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, ‘সনাতনের কোনও সার্টিফিকেটের প্রয়োজন হয় না। ইংরেজিতে বলা হয় ‘টাইম প্রুভেন’। কালের নিয়মে এটি সত্যি প্রমাণিত হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, যে সনাতন ধর্ম পালিত হয়ে আসছে, তা বর্তমানে আছে, আর ভবিষ্যতেও থাকবে। আরএসএস প্রধান বলেন, ‘সব কিছু পাল্টে যায়। এটা আগে শুরু হয়েছে, আজও আছে, আর কালও থাকবে। আমরা সনাতনকে ব্যখ্যা করব মানুষের কাছে আমাদের কর্মকাণ্ড দিয়ে।’

    উত্তরাখণ্ডের ঋষিগ্রামে অষ্টমীতে চতুর্বেদ পরায়ণ যজ্ঞ পালন করতে দেখা যায় মোহন ভাগবতকে (Mohan Bhagwat)। তিনি পতঞ্জলী সন্ন্যাসের এক উৎসবে যোগ দিয়ে এই পদক্ষেপ নেন। উল্লেখ্য, ওই অনুষ্ঠানে ছিলেন যোগগুরু বাবা রামদেবও। স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে এই বিশেষ সভার আয়োজন করা হয়। সেখানেই আমন্ত্রিত ছিলেন মোহন ভাগবত। যোগগুরু রামদেব বলেন, ‘স্বামী বিবেকানন্দ, মহর্ষি দয়ানন্দ ও মহত্মা গান্ধীর ইচ্ছাকে বাস্তব রূপ দিতে স্বদেশী শিক্ষাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে পতঞ্জলী। দেশ স্বাধীন হয়েছে, তবে শিক্ষা ও মেডিক্যাল সিস্টেম নিজের মতো নেই। দাসত্বের প্রতীক ও রীতি সরিয়ে ফেলা হয়েছে, এটা শুধু সন্ন্যাসীরাই পারেন।’

    মহর্ষি পতঞ্জলী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্বোধন করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী 

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এই মহাসমারোহে রামনবমীর দিন ১৫০ জনকে দীক্ষা দিয়ে প্রতিষ্ঠান সন্ন্যাস পালন করছেন যোগগুরু রামদেব। এছাড়াও অমিত শাহের হাত ধরে উদ্বোধন হচ্ছে পতঞ্জলী বিশ্ববিদ্যালয়ের। জানানো হয়েছে, প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য হল প্রাচীন নানান রীতি মেনে ভবিষ্যতকে সুঠাম করে গড়ে তোলা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mohan Bhagwat: ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে ব্রিটিশরা, বললেন মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে ব্রিটিশরা, বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India) শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে ব্রিটিশরা। রবিবার এ কথা বলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের (RSS) প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। কার্নালের একটি মাল্টি স্পেশালিটি হাসপাতালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন ভাগবত। সেখানেই ভাষণ দিতে গিয়ে সরসংঘ চালক বলেন, ব্রিটিশ শাসনের আগে ভারতীয় জনসংখ্যার ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ মানুষ শিক্ষিত ছিলেন। সেই সময় কেউ বেকার থাকতেন না। সেই সমাজে শ্রেণি এবং রংয়ের ভিত্তিতে বৈষম্য ছিল না।

    মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন…

    ভাগবত বলেন, সেই সময় আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছিল যাতে মানুষ আত্ম নির্ভরশীল হয়ে ওঠেন। কিন্তু ব্রিটিশরা আমাদের দেশে ইংল্যান্ডের শিক্ষা ব্যবস্থা চাপিয়ে দিয়েছিল। এবং এভাবেই তারা আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছিল। সরসংঘ চালক বলেন, আমাদের তৎকালীন শিক্ষা ব্যবস্থা কেবল মাত্র চাকরির জন্য ছিল না, ছিল জ্ঞানের মাধ্যমও। সেই সময় শিক্ষা ছিল সস্তা। প্রত্যেকের নাগালের মধ্যে ছিল। তাই সমাজই বহন করত শিক্ষার খরচ। স্কলার, শিল্পী এবং কারিগর, যাঁরা শিক্ষিত হতেন, তাঁদের পরিচিত ছিল বিশ্বজনীন। শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর যে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া জরুরি, এদিন তাও বুঝিয়ে দেন আরএসএস প্রধান (Mohan Bhagwat)। তিনি শিক্ষার পাশাপাশি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপরও জোর দেন।

    আরও পড়ুুন: ‘নো ভোট টু তৃণমূল বললে এই দিন দেখতে হত না’, অধীরকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    এদিন আত্ম মনোহর মুনি আশ্রম কর্তৃপক্ষের ভূয়সী প্রশংসা করেন ভাগবত। এই আশ্রম কর্তৃপক্ষ সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে হাসপাতাল তৈরি করছেন। সরসংঘ চালক বলেন, আমাদের দেশের সব চেয়ে বড় প্রয়োজন হল সবার জন্য শিক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা। কারণ এই দুটি ক্রমেই খরচ সাপেক্ষ হয়ে উঠছে। তিনি বলেন, সস্তায় যাতে মানুষ শিক্ষা ও চিকিৎসার সুযোগ পান, তার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। সরসংঘ চালক বলেন, আমরা তাঁরা নই, যাঁরা কেবল নিজের জন্য বাঁচেন। আমাদের সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যই হল সর্বজন হিতায়, সর্বজন সুখায়। তিনি বলেন, সমাজের বাঁধনটাকে শক্ত করতে হবে, যাতে মানুষ দেশের ভাল জিনিসগুলি দেখতে পায়। মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, আমরা যদি সুখী হতে চাই, তাহলে আগে সমাজকে সুখী করতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Mohan Bhagwat: ‘‘কোনও একজন ব্যক্তি বা কোনও এক চিন্তাধারা দেশকে গড়তে বা ভাঙতে পারে না’’, বললেন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: ‘‘কোনও একজন ব্যক্তি বা কোনও এক চিন্তাধারা দেশকে গড়তে বা ভাঙতে পারে না’’, বললেন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও একজন ব্যক্তির কোনও এক চিন্তাধারা কিংবা একটি গোষ্ঠী কোনও একটা দেশকে ভাঙতে পারে না। মঙ্গলবার একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে এ কথা বলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তাঁর মতে, ভাল দেশগুলোর চিন্তার বিভিন্নতা থাকে, তারা সমস্ত সিস্টেমগুলিকে একত্রিত করে রাখতে পারে। এদিন একটি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে যোগ দেন সংঘ প্রধান। অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা ছিল রাজরত্ন পুরস্কার সমিতি। এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সরসংঘ চালক (Mohan Bhagwat) বলেন, এক ব্যক্তি, এক চিন্তাভাবনা, এক গোষ্ঠী, এক আদর্শ কোনও দেশকে ভাঙতে পারে না। তিনি বলেন, বিশ্বের ভাল দেশগুলোয় সমস্ত ধরণের চিন্তাভাবনা রয়েছে। তাদের সমস্ত ধরনের সিস্টেমও রয়েছে। এই সিস্টেমের মধ্যেই তারা বেড়ে উঠছে।

    এক জাতি, এক ভোট…

    বিজেপি (BJP) নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের বক্তব্য হল, এক জাতি, এক ভোট। ভারতীয় জনতা পার্টির এই বক্তব্যের বিরোধী শোনাল সংঘ প্রধানের এই বাণী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পইপই করে সরকারের এই মনোভাব ব্যক্ত করছেন নানা সময়। তাঁর মতে, দেশের স্বার্থেই এটা প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস করেন, প্রতি মাসেই দেশের কোথাও না কোথাও কোনও না কোনও নির্বাচন হচ্ছে। তার জেরে ব্যাহত হচ্ছে উন্নয়ন। গত বছর বিজেপি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে আলাপচারিতায় প্রধানমন্ত্রী তাঁর এই পরিকল্পনার কথা ব্যক্তও করেছেন বারংবার। তিনি তাঁদের বুঝিয়ে দিয়েছেন, কীভাবে গোটা দেশে এক সঙ্গে ভোট হলে সময় এবং খরচ বাঁচে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘বিদ্যাসাগর শিক্ষাকে এগিয়ে দিয়েছিলেন, পার্থ দিলেন পিছিয়ে’’, আদালতে ইডি

    প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের বিরোধিতা করেছিল দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। তাদের বক্তব্য ছিল, বিজেপি কেবল একটিই শব্দ জানে, সেটি হল এক। ডিএমকে বলেছিল, এক ধর্মের কথা বলার পর এক ভাষা, এক খাদ্যাভাস, এক সংস্কৃতি, এক করকাঠামো, এক পরীক্ষা এবং এক রাসায়নিক সার, তারা একই গান গাইছে। সব রোগের জন্য তারা একটাই ওষুধ প্রয়োগ করছে সেটা হল প্রতারণা এবং বিভেদ কৌশল। প্রধানমন্ত্রীর এক দেশ, এক ভোট নীতির সমালোচনা করেছিল আম আদমি পার্টিও। তাদের অভিযোগ, গোটা দেশে অপারেশন লোটাস অভিযান করার স্বপ্ন পূরণ করার পরিকল্পনা করছে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
LinkedIn
Share