Tag: Murshidabad

Murshidabad

  • Murshidabad: রাজ্যে জাল আধার কার্ড চক্রের পর্দাফাঁস! কীভাবে চলত এই কারবার?

    Murshidabad: রাজ্যে জাল আধার কার্ড চক্রের পর্দাফাঁস! কীভাবে চলত এই কারবার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলায় ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে আধার জালিয়াতি চক্র। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের মোটা টাকার বিনিময়ে আধার কার্ড করিয়ে দেওয়া হত বলে অভিযোগ। এমনই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরের গিরিয়া এলাকায়। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে ধৃতের নাম আব্দুর রহমান।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) পূর্ব পাড়ে রয়েছে বাংলাদেশ সীমান্ত। কাঁটাতার পেরিয়ে জেলায় মাঝে মধ্যে অনুপ্রবেশকারীরা চলে আসে। বাংলাদেশিদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার ব্যবস্থা করতেন এই আব্দুর। বিনিময়ে তিনি মোটা টাকাও নিতেন। দীর্ঘদিন জঙ্গিপুর গিরিয়া স্কুল সংলগ্ন এলাকায় কম্পিউটার দোকান খুলে এই বেআইনি কারবার তিনি চালিয়ে যাচ্ছিলেন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ তাঁর দোকানে হানা দেয়। সেখান থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয় কম্পিউটার, ল্যাপটপ, প্রিন্টার, বায়োমেট্রিক মেশিন-সহ একাধিক ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম তথা গ্যাজেট। উদ্ধার হয়েছে বেশ কিছু আধার কার্ডও। ধৃত ব্যক্তি মিঠিপুর এলাকার বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি এই বেআইনি কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, সীমান্ত পেরিয়ে অনুপ্রবেশকারীদের ভারতীয় নাগরিক হওয়ার অন্যতম ঠিকানা ছিল এই আব্দুরের দোকান। বাংলাদেশীদের ভুয়ো আধার কার্ড তৈরি করে দিতেন আব্দুর। বিভিন্ন রকম অপরাধমূলক কাজকর্মে সহযোগিতা করার অভিযোগও রয়েছে ধৃতের বিরুদ্ধে। ধৃত আব্দুরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আন্তর্জাতিক পাচারচক্রের সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    জেলা পুলিশ-প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার সুপার আনন্দ রায় বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ওই কম্পিউটার দোকানের আড়ালে বেআইনি কারবার চালাচ্ছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বেশ কিছু ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে। আর এই ধরনের কারবার কারও একার পক্ষে করা সম্ভব নয়। ফলে, এর পিছনে কেউ বা কারা রয়েছে। তাদের খোঁজে আমরা তল্লাশি শুরু করেছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: একই রাস্তার দু’বার শিলান্যাস! অধীর-তৃণমূল বিধায়ক দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

    Murshidabad: একই রাস্তার দু’বার শিলান্যাস! অধীর-তৃণমূল বিধায়ক দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক রাস্তার দু’বার শিলান্যাস! এলাকার উন্নয়ন নিয়ে কংগ্রেসের সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরি এবং তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক রবিউল আলম চৌধুরির মধ্যে দ্বৈরথের চিত্র দেখা গেল মুর্শিদাবাদে (Murshidabad)। কিন্তু এমন কাণ্ড কেন ঘটল! সামনেই আসন্ন লোকসভার ভোট। তাই কি এলাকার কাজ দেখিয়ে মানুষের কাছে উন্নয়নের ঢাক পেটানোর চেষ্টা চলছে? এলাকার মানুষ ঠিক এই ভাবেই বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করলেন।

    কোন রাস্তার শিলান্যস করা হয়েছিল (Murshidabad)?

    কংগ্রেস সাংসদ এবং তৃণমূল কংগ্রস বিধায়কের মধ্যে রাস্তার শিলান্যাস করা নিয়ে ‘উন্নয়ন-যুদ্ধে’ ব্যাপক শোরগোল পড়েছে মুর্শিদাবাদে (Murshidabad)। এই জেলার বেলডাঙা-২ ব্লকের দাদপুর পঞ্চায়েতে ৬৩৫ মিটার লম্বা একটি রাস্তার দাবি ছিল অনেক দিন ধরেই। মারদিঘি থেকে অমরপুর পর্যন্ত রাস্তার শিলন্যাস করলেন কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরি। আনুমানিক খরচ হবে চার লক্ষ টাকা। একই রাস্তাকে ‘পথশ্রী’ প্রকল্পের অধীনে শিলান্যাস করেছিলেন তৃণমূল বিধায়ক রবিউল আলম চৌধুরি।

    তৃণমূল বিধায়কের বক্তব্য

    তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক রবিউল আলম চৌধুরি বলেন, “মরাদিঘি (Murshidabad) ও অমরপুরের বাসিন্দাদের অনেক দিনের দাবি মেনে ‘পথশ্রী’ প্রকল্পের মাধ্যমে রাস্তার অনুমোদন করিয়েছি। দু-চারদিনের মধ্যেই কাজ শুরু হয়ে যাবে।” প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে বিধায়ক আরও বলেন, “সাংসদকে বলতে চাই আপনি আপনার তহবিল থেকে আরও একটি রাস্তা তৈরি করে দিন। আর তা করতে পারলেই উন্নয়ন হবে।”

    কী বলেন অধীররঞ্জন?

    পাল্টা রাস্তার শিলান্যাসের ফিতে কেটে সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরি (Murshidabad) বলেন, “আমি সরকারি অনুমতি নিয়ে কাজ করছি। সরকারের পছন্দ না হলে কাজ বাতিল করে দিক।” রাস্তা তৈরি করতে গিয়ে যুদ্ধ কেন? প্রশ্ন করলে উত্তরে কংগ্রেস সাংসদ আরও বলেন, “বিধায়কের সঙ্গে তো আমি যুদ্ধে যেতে পারি না, তাই একসঙ্গে বসলে হয়তো কাজের বিষয়ে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। তবে ওই রাস্তা আমি করবই।”

    এলাকার মানুষের বক্তব্য

    রাস্তাকে ঘিরে দুই দলের জনপ্রতিনিধিদের কার্যকলাপ সম্পর্কে স্থানীয় (Murshidabad) আলম মণ্ডল বলেন, “সামনেই ভোট, তাই উন্নয়ন নিয়ে মারামারি চলছে। ভোটের সময় ছাড়া তো আর কাউকে দেখা যায় না। আপাতত রাস্তাটা হলে ভালো আমাদের জন্য।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: দিনের বেলায় প্রকাশ্যে তৃণমূল নেতাকে এলোপাথাড়ি গুলি করে খুন, আতঙ্ক

    Murshidabad: দিনের বেলায় প্রকাশ্যে তৃণমূল নেতাকে এলোপাথাড়ি গুলি করে খুন, আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাটপাড়া, আমডাঙার পর এবার মুর্শিদাবাদের (Murshidabd)  দাপুটে তৃণমূল নেতাকে খুন করার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বহরমপুর থানার চালতিয়া এলাকায়। দিনের বেলায় প্রকাশ্যে দুষ্কৃতীরা এসে তৃণমূল নেতাকে এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিশ ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম সত্যেন চৌধুরী। তিনি তৃণমূলের জেলার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabd)  

    স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সত্যেনবাবু তৃণমূলের মুর্শিদাবাদ (Murshidabd) জেলার সাধারণ সম্পাদক হলেও সক্রিয় রাজনীতি ইদানিং করতেন না। নিজের ব্যবসার কাজে তিনি বেশি যুক্ত থাকতেন। চালতিয়া এলাকায় নিজের পাড়াতেই একটি আবাসন তৈরি করছিলেন। সেখানেই তিনি দাঁড়িয়েছিলেন। সেই সময় বাইকে করে তিনজন তাঁর কাছে আসে। খুব কাছ থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি করে জনবহুল এলাকা দিয়ে জোরে বাইক চালিয়ে পালিয়ে যায়। হামলাকারীদের কেউ ধরতে পারেননি। সত্যেনবাবুর হাতে, ঘাড়ে গুলি লাগে। মাটিতে তিনি লুটিয়ে পড়েন। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

    স্থানীয় এক বাসিন্দা কী বললেন?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সত্যেনবাবু এক সময় কংগ্রেস করতেন। অধীর চৌধুরীর তিনি ছায়াসঙ্গী ছিলেন। বহরমপুর এলাকায় সত্যেনের এক সময় বিশাল বাহিনী ছিল। তাঁর দাপটে কারও কথা বলার সাহস ছিল না। পরবর্তীকালে অধীরের সঙ্গে দুরত্ব তৈরি হয়। তিনি কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন। তিনি নিজের এলাকায় বিশাল কালীপুজো করতেন। তৃণমূলের পক্ষ থেকে জেলার সাধারণ সম্পাদক পদে তাঁকে রাখা হলেও দলের মিটিং-মিছিলে তাঁকে আর খুব বেশি দেখা যেত না। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ঘটনার এক মিনিট আগে আমি সত্যেনদার সঙ্গেই ছিলাম। কিছুক্ষণ গল্প করে বাড়িতে সবে খেতে বসব। তারপরই এই ঘটনা শুনলাম। ছুটে গিয়ে দেখি দাদা রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে রয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: তৃণমূল কর্মী হয়েছিলেন মাওবাদী! ১২ বছর ফেরার থাকার পর পুলিশের জালে

    Birbhum: তৃণমূল কর্মী হয়েছিলেন মাওবাদী! ১২ বছর ফেরার থাকার পর পুলিশের জালে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগ্নেয়াস্ত্র সহ এক মাওবাদী নেতাকে বীরভূম (Birbhum) থেকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ১২ বছর ফেরার থেকেও শেষরক্ষা হল না। গ্রামে আত্মীয়ের বাড়িতে ফিরতেই মাওবাদী যুবককে গ্রেফতার করল পুলিশ। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতা, এলাকায় সন্ত্রাস-সহ একাধিক অভিযোগ ছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেফতার করা হল। ধৃতের নাম বাবন সূত্রধর (৪৮)। তাঁর বাড়ি বীরভূম জেলার ময়ূরেশ্বর থানার বেলিয়া গ্রামের পুকুরপাড়ায়।

    সেভেন এমএম পিস্তল বাজেয়াপ্ত! (Birbhum)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১২ বছর ধরে বাড়িছাড়া ছিলেন ওই মাওবাদী নেতা। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পাশের জেলা মুর্শিদাবাদের নওদা থানায় দেশদ্রোহিতার অভিযোগ ছিল। পুলিশও দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে খুঁজছিল। কয়েক দিন আগে তিনি বীরভূমের (Birbhum) গ্রামে এক আত্মীয়ের বাড়িতে এসেছিলেন। ফেরার আগে থেকেই শাসকদলের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন তিনি। এদিকে বাবনের গ্রামে ফেরার খবর পেয়ে তাঁর বাড়ি ঘিরে ফেলে রামপুরহাট থানার পুলিশ। বিশাল বাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন রামপুরহাটের এসডিপিও ধীমান মিত্র। বাম আমলে বাবনের বোনকে ধর্ষণ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। তারপরই প্রতিবাদী হয়ে ওঠেন বাবন। এলাকায় সন্ত্রাস ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। তাঁর কাছে থেকে সেভেন এমএম পিস্তল এবং পাঁচ রাউন্ড কার্তুজ পুলিশ বাজেয়াপ্ত করে।

    কী বললেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা?

    তৃণমূলের বুথ সভাপতি অরুণ সূত্রধর বলেন, বাবন তো আমাদের দলের হয়ে কাজ করত। পরিবারে একটি দুর্ঘটনার জন্য ও বিপথে চলে গিয়েছিল। এখন সে নিজেকে শুধরে নিয়েছে। ও যাতে সঠিক বিচার পায়, তা আমরা দেখব।

    সংগঠনের মধ্যে বেশি গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, স্বীকার করলেন মাওবাদী নেতা

    আর মাওবাদী নেতা বাবন সূত্রধর বলেন, মাওবাদী সংগঠনে নাম লেখালেও বোনের প্রতি অবিচারের বদলা এখনও নিতে পারিনি। বেশ কয়েক বছর আমি জেলও খেটেছি। আমার কাছে অস্ত্র ছিল না। পুলিশ তা গুঁজে দিয়েছে। আর মাওবাদীদের মধ্যে আরও বেশি গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, খেয়োখেয়ি। তাই, তাদের পথ থেকে পিছিয়ে এসেছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: হাসপাতালে রক্তের আকাল! সক্রিয় দালালচক্র, কী করছে স্বাস্থ্য দফতর?

    Murshidabad: হাসপাতালে রক্তের আকাল! সক্রিয় দালালচক্র, কী করছে স্বাস্থ্য দফতর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রমরমিয়ে চলছে রক্তের দালালচক্র। টাকার বিনিময়ে রোগীর  পরিবারের লোকজনকে রক্ত বিক্রি করছে বলে অভিযোগ। হাসপাতালের কর্মীদের জ়ড়িয়ে থাকার বিষয়টি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ইতিমধ্যেই এই চক্রের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুজনকে রক্তদাতা সংগঠনের সদস্যরা হাতেনাতে ধরে ফেলেন। যদিও দুজনই বহিরাগত। তবে, এই ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    বছরে ৩০ হাজার ইউনিট রক্ত লাগে! (Murshidabad)

    মেডিক্যালের ব্লাড ব্যাঙ্ক সূত্রে জানা গিয়েছে, আগের তুলনায় রক্তের চাহিদা বেড়েছে। ২০১৪-১৫ সালে বছরে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১৫-১৬ হাজার ইউনিট রক্তের প্রয়োজন হত। গত কয়েক বছরে প্রায় ৩০ হাজার ইউনিটের আশপাশে রক্তে লাগছে। মেডিক্যালে চিকিৎসা পরিষেবা বেড়েছে। রক্তের চাহিদাও বেড়েছে। চাহিদা অনুযায়ী রক্তের জোগান অনেকটাই কম। তাই, বরাবরই মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ব্লাড ব্যাঙ্কে চাহিদার তুলনায় রক্ত সরবরাহ কম থাকে। আর উৎসবের মরসুম হলে রক্তদান শিবির কমে যায়। যার জেরে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কেও রক্তের আকাল দেখা দেয়। সেই সুযোগটাই নেয় রক্তের দালালেরা। এ বারে শীত পড়তে উৎসবের মরসুম শুরু হয়েছে। যার জেরে রক্তের সঙ্কট বেড়েছে। আর এই সুযোগে টাকার বিনিময়ে দালালেরা সেখানে রক্ত বিক্রি করছে বলে অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে।

    মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ কী বললেন?

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অধ্যক্ষ অমিত কুমার দাঁ বলেন, চাহিদার তুলনায় রক্তের জোগান কম। এই পরিস্থিতিকে কখনও কখনও দালালেরা কাজে লাগায়। তবে আমরা নিয়মিত নজরদারি চালাই। বিনা পয়সায় মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসা করা হয়। রক্তের জন্য কোনও অর্থ দিতে হয় না, এ কথা হাসপাতালের বিভিন্ন জায়গায় লেখা রয়েছে। কোনও পরিষেবা দেওয়ার পরিকাঠামো না থাকলে আমরা রোগীদের বিষয়টা জানিয়ে দিই। সকলেই রক্তদানে এগিয়ে আসুন। সেই সঙ্গে অর্থের বিনিময়ে কারও কাছ থেকে রক্ত নিতে যাবেন না। ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্ত না থাকলে দাতা এনে রক্ত নেওয়ার ব্যবস্থা করুন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: বাইক থেকে নামিয়ে তৃণমূল নেতাকে বেধড়ক মারলেন দলেরই কর্মীরা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    Murshidabad: বাইক থেকে নামিয়ে তৃণমূল নেতাকে বেধড়ক মারলেন দলেরই কর্মীরা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনের বেলায় প্রকাশ্যে শহর তৃণমূলের সভাপতিকে বেধড়ক পেটাচ্ছেন দলেরই অন্য গোষ্ঠীর লোকজন। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) জঙ্গিপুর পুরসভা এলাকায়। আক্রান্ত তৃণমূল নেতার নাম ফিরোজ শেখ। তিনি জঙ্গিপুর তৃণমূলের শহর কমিটির সভাপতি এবং পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলারও। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে প্রথমে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে বহরমপুরে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। জঙ্গিপুরের তৃণমূল জেলা সভাপতি খলিলুর রহমান বলেন, আমাকে ফোন করে জানিয়েছেন ভাইস চেয়ারম্যান। হামলা যারাই করুক ঠিক হয়নি।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) জঙ্গিপুর পুরসভায় চেয়ারম্যানের সঙ্গে তৃণমূল কাউন্সিলারদের একাংশের মতবিরোধ চলছে। দলের মধ্যেও এই নিয়ে চর্চা রয়েছে। পুরপ্রধানের বিরোধী গোষ্ঠীর সঙ্গে ওঠাবসা রয়েছে ফিরোজের। জানা গিয়েছে, শুক্রবার বেলা তিনটে নাগাদ দুয়ারে সরকার শিবির থেকে এক জনের বাইকে চড়ে ফিরোজ রঘুনাথগঞ্জ থেকে জঙ্গিপুর পুরসভায় যাচ্ছিলেন। জঙ্গিপুর শহরের ‘কিছুক্ষণ’ লজের পাশে একটি প্রাথমিক স্কুলের সামনে তৃণমূলেরই জন ১৫ কর্মী সমর্থক বাঁশ, লাঠি, লোহার রড ইত্যাদি নিয়ে অতর্কিতে ফিরোজ ও তাঁর সঙ্গীর মোটরবাইক আটকে হামল চালায়। ফিরোজ বাইকের পিছনে বসেছিলেন। তাঁকে বাইক থেকে নামিয়ে বেধড়ক পেটানো হয়। চোখের সামনে তৃণমূল নেতা প্রকাশ্যে মারতে দেখে সাধারণ মানুষও আতঙ্কিত হয় পড়েন। জঙ্গিপুর পুরসভায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে এক গোষ্ঠীর হাতে এই ভাবে দিনেদুপুরে আক্রান্ত হলেন দলের শহর সভাপতি। এই ঘটনায় শহর জুড়ে উত্তেজনা তৈরি হয়, কারণ ফিরোজ এলাকায় যথেষ্ট প্রভাবশালী ও দাপুটে কাউন্সিলার।

    হামলা নিয়ে পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান কী বললেন?

    তৃণমূল পরিচালিত জঙ্গিপুর পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সন্তোষ চৌধুরি বলেন, পুরপ্রধানের সঙ্গে চলতে থাকা বিবাদের জেরে তাঁর অনুগামীরা  এই হামলা চালিয়েছে। ফিরোজ তাদের চিনেছে এবং নামধামও বলেছে। এই মুহূর্তে হাসপাতালে অক্সিজেন চলছে তাঁর। পুলিশ, দলের সভাপতি খলিলুর রহমান সহ সকলকেই এই হামলার কথা জানানো হয়েছে। পুলিশকে বলা হয়েছে যেখানে এই ঘটনা ঘটেছে সেখানে সিসি ক্যামেরা রয়েছে। কারা ছিল এই হামলায় তাদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে গ্রেফতার করা হোক।

    তৃণমূলের চেয়ারম্যান কী বললেন?

    পুরসভার চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম অবশ্য বলেন, কে মেরেছে, কেন মেরেছে কিছুই জানি না। বাড়ি থেকে হাসপাতালে যেতাম ফিরোজকে দেখতে। শুনলাম তাঁকে বহরমপুরে রেফার করা হয়েছে। কোনও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নেই তৃণমূলের কাউন্সিলরদের মধ্যে। সবটাই মিথ্যে দোষারোপ করা হচ্ছে।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: বেলডাঙা বিস্ফোরণে এনআইএ-র চার্জশিটে এক তৃণমূল নেতা সহ ৭ জনের নাম

    Murshidabad: বেলডাঙা বিস্ফোরণে এনআইএ-র চার্জশিটে এক তৃণমূল নেতা সহ ৭ জনের নাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বেলডাঙা বিস্ফোরণের ঘটনায় মঙ্গলবার চার্জশিট দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। চার্জশিটে নাম রয়েছে তৃণমূল নেতা সহ মোট ৭ জনের। ঘটনায় রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল ফের একবার অস্বস্তির মধ্যে পড়েছে।

    অভিযুক্ত কাদের নাম রয়েছে (Murshidabad)?

    ২০২২ সালে বেলডাঙা (Murshidabad) এলাকার রামেশ্বরপুরের বিস্ফোরণের ঘটনায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা মোট ৭ জনের নামে চার্জশিট আদলতে জমা করেছে। উল্লেখ্য, বিস্ফোরণের পর থেকেই বিরোধীরা ঘটনায় শাসক দলের নেতাদের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করে এসেছিল। ঘটনায় শাসক বনাম বিরোধীদের মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। অবশেষে চার্জশিট জমা পড়লে অভিযুক্তদের নাম উঠে আসে। অভিযুক্তরা হলেন, ইমদাদুল হক, সুখচাঁদ আলি, মনসুর আলি, মাসাদুল হক, হাবিবুর রহমান, তাহাবুল শেখ, ইসাউদ্দিন শেখ। তাঁদের মধ্যে একজন তৃণমূল নেতা রয়েছেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ১২০ বি, ২০১, ৩০৪ আইপিসি ৪, ৫,৬ ইস অ্যাক্ট ১৯০৮, ২০১৮ ইউপিএ ধারায় মামলা করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    ঘটনা কীভাবে ঘটেছিল?

    বেলডাঙায় (Murshidabad) ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে একটি বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল রামেশ্বরপুর এলাকা। বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছিল এক ব্যক্তির। তবে মৃতের সংখ্যা কম হলেও বিস্ফোরণের তীব্রতা ছিল ব্যাপক। এলাকার মানুষ রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল। এরপর রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে বিরোধীরা একজোট হয়ে আক্রমণ করে এবং একই ভাবে এনএইএ তদন্তের দাবি তোলা হয়। অবশেষে গত অক্টোবর মাসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশে তদন্ত শুরু করে এনআইএ। এরপর তদন্তে উঠে আসে গ্রেনেডের তথ্য। বিস্ফোরণের নমুনা হিসাবে গ্রেনেডের সমান বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয় বলে দাবি করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। উল্লেখ্য, পুলিশ আগেই ৭৪ টি গ্রেনেড উদ্ধার করেছিল বলে জানা গিয়েছিল। এই বিস্ফোরণের পিছনে কোনও সন্ত্রাসবাদী জঙ্গি সংগঠনের হাত থাকতে পারে বলে ইউপিএ ধারা যোগ করার জন্য আদালতে আবেদন জানিয়েছে এনআইএ। ঘটনায় মুর্শিদাবাদে তীব্র উত্তেজনা শুরু হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: বেহাল রাস্তা! স্ট্রেচারে করে রোগী নিয়ে যান গ্রামবাসীরা, হুঁশ নেই তৃণমূল সরকারের

    Murshidabad: বেহাল রাস্তা! স্ট্রেচারে করে রোগী নিয়ে যান গ্রামবাসীরা, হুঁশ নেই তৃণমূল সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার ৭৫ বছর পার হয়ে গিয়েছে। মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) কান্দির ভবানন্দপুর গ্রাম এখনও স্বাধীন হয়নি। যেখানে সরকারের নানা রকম প্রকল্পের কথা শোনা যায় এবং সেগুলি বাস্তবায়িত হতেও দেখা যায়, তাহলে কেন মুর্শিদাবাদের ভবানন্দপুর গ্রামের এরকম অবস্থা? কেন এখানে পথশ্রী প্রকল্প শুরু হচ্ছে না, এর কারণ কেউ সঠিক বলতে পারছে না।

    বেহাল রাস্তা, স্ট্রেচারে করে রোগী নিয়ে যান গ্রামবাসীরা

    গত ২৪ ঘণ্টা আগেই মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) এই গ্রামের একটি দৃশ্য ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। কী সেই ভাইরাল দৃশ্য? এক মুমূর্ষু রোগীকে নিয়ে স্ট্রেচারে চাপিয়ে চারজন কাঁধে নিয়ে তাঁকে হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে নিয়ে যাচ্ছে। রাস্তার অবস্থা এতটাই বেহাল এই গ্রামে যে চারচাকা গাড়ি ঢোকার রাস্তা নেই। অ্যাম্বুলেন্স ঢুকতে পারে না গ্রামে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, মাটির রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ার কারণে বেহাল হয়ে পড়েছে। ফলে, খানাখন্দে ভরে রয়েছে রাস্তা। গ্রামে কোনও গাড়িও ঢোকে না। গ্রামে কেউ অসুস্থ হলে স্ট্রেচারে করে নিয়ে যেতে হয়। বহুবার বলার পরও কোনও কাজ হয়নি। ভোটের সময় নেতারা রাস্তা তৈরির প্রতিশ্রুতি দিলেও ভোট মিটে যেতেই কারও আর দেখা মেলে না।  

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    এ বিষয়ে তৃণমূল পরিচালিত কান্দি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পার্থপ্রতিম সরকার বলেন, কোনওকালেই এখানে পাকা রাস্তা ছিল না। স্বাধীনতার পর থেকেই ফেরিঘাট হয়ে গ্রামবাসীরা যাতায়াত করতেন। আর কেন্দ্রীয় সরকার টাকা না ছাড়লে কীভাবে রাস্তা হবে?

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    জেলার বিজেপি নেতা শংকর তরফদার বলেন, প্রধানমন্ত্রী সড়ক যোজনার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার প্রচুর টাকা বরাদ্দ করেছে। তৃণমূল সেই টাকা লুটপাট করে খাচ্ছে। আর তারজন্য গ্রামীণ এলাকায় রাস্তা তৈরি হচ্ছে না। মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, এই রাস্তা হয়তো অনুমোদন হয়ে গিয়েছে অথচ রাস্তার কাজ তৃণমূল নেতারা শুরু করেননি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ‘দলের ব্লক সভাপতি লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি করেছে’, অভিযোগ তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতির

    Murshidabad: ‘দলের ব্লক সভাপতি লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি করেছে’, অভিযোগ তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত অফিসের সামনে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতির নেতৃত্বে গ্রাম পঞ্চায়েতের বেশ কয়েকজন সদস্য এবং তৃণমূল কর্মীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন। পঞ্চায়েত অফিসের স্থান পরিবর্তন করা নিয়ে এবার প্রকাশ্যে এল তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল। পঞ্চায়েত অফিসের সামনে প্রধানের বিরুদ্ধে তুমুল বিক্ষোভ প্রদর্শন করলেন তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতির নেতৃত্বে তৃণমূল কর্মীদের একাংশ। ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার ভরতপুরের তালগ্রাম পঞ্চায়েতে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Murshidabad)

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ভরতপুর ব্লকের দেচাপড়া গ্রাম থেকে তালগ্রাম পঞ্চায়েত অফিস সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ওই গ্রাম থেকে ৫ কিলোমিটার দূরের গয়সাবাদ গ্রামে। মূলত অভিযোগ, পঞ্চায়েতের নতুন ভবন তৈরির জন্য কোনও টাকা বরাদ্দ করা হয়নি সরকারিভাবে। সরকারি কাজের জন্য বরাদ্দ টাকা ব্যয় করে নতুন ভবন করা হচ্ছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে তৃণমূল প্রধানের বিরুদ্ধেই ওই পঞ্চায়েত অফিসের সামনে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন তৃণমূল অঞ্চল সভাপতির নেতৃত্বে কিছু পঞ্চায়েত সদস্য এবং তৃণমূলের বেশ কয়েকজন নেতৃত্ব। যদিও পরে ভরতপুর থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তালগ্রামের প্রধান। পঞ্চায়েত অফিসের স্থান পরিবর্তন নিয়ে লোকসভা নির্বাচনের আগে ফের মুর্শিদাবাদে ঘাসফুল শিবিরের কোন্দল প্রকাশ্যে।

    তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি কী বললেন?

    তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি হাবিবুর রহমান বলেন, ১৯৭৫ সাল থেকে পঞ্চায়েতটি দেচাপড়া গ্রামে রয়েছে। তৃণমূলের ব্লক সভাপতি এই পঞ্চায়েতে নিজের ক্ষমতা দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি করেছেন। এখন পঞ্চায়েতটি নিজের বাড়ির কাছে নিয়ে গিয়ে আরও বেশি করে দুর্নীতি করতে চাইছেন। আমরা এসব করতে দেব না। তাই, এদিন বিক্ষোভ দেখিয়েছি। দলীয় নেতৃত্বকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

    তালগ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কী বললেন?

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) তালগ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মমতাজ বিবি বলেন, আমাদের ২৩টি গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য রয়েছে। এরমধ্যে ১৯ জন সদস্য পঞ্চায়েত ভবন সরানোর পক্ষে রায় দিয়েছেন। কারণ, গয়সাবাদটি এই পঞ্চায়েত এলাকার মাঝে অবস্থিত। আর দেচাপড়া এককোণের একটি জায়গা। তাই, সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের মত নিয়ে আমরা ভবন পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

    তৃণমূলের ব্লক সভাপতি কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূলের ব্লক সভাপতি নজরুল ইসলাম বলেন, পঞ্চায়েতটি গয়সাবাদে হলে ১৩টি গ্রামের ২০ হাজার মানুষ উপকৃত হবেন। অধিকাংশ জনপ্রতিনিধির মত নিয়ে করা হচ্ছে। আর আমার বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ করা হচ্ছে তা ভিত্তিহীন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: মুর্শিদাবাদে ২৪ ঘণ্টায় ১১ শিশুর মৃত্যু! বাল্যবিবাহ এবং অপুষ্টিরই করুণ পরিণতি?

    Murshidabad: মুর্শিদাবাদে ২৪ ঘণ্টায় ১১ শিশুর মৃত্যু! বাল্যবিবাহ এবং অপুষ্টিরই করুণ পরিণতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১১ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর এই মৃত্যুর ঘটনার জন্য পরিবারের লোকজন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। নজরদারি অভাব বা গাফিলতির জন্য পর পর এই শিশুমৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, এমনই দাবি মৃতের পরিবারের লোকজনের।

    শিশুমৃত্যুর তদন্তে কী উঠে এল? (Murshidabad)

    একের পর এক শিশুমৃত্যুর কারণ নিয়ে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) মেডিক্যাল কলেজ এবং জঙ্গিপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল একে অন্যের দিকে দায় ঠেলেছে। পরিস্থিতি দেখে তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। শিশুমৃত্যুর কারণ খোঁজার চেষ্টা করেছে স্বাস্থ্য দফতরের প্রতিনিধি দল। তাতে উঠে আসে একটি তথ্য। দেখা যাচ্ছে, সদ্য সন্তান হারানো মায়েদের ঠিকানা আলাদা হলেও তাদের বেশির ভাগের মধ্যে একটি মিল, অপরিণত বয়সে বিয়ে এবং মা হওয়া। ১১ জন শিশুর মধ্যে সাত জনের মা নাবালিকা। জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ার ১৬ বছর বয়সি এক কিশোরী ৪৬০ গ্রাম ওজনের একটি সন্তানের জন্ম দেয়। জঙ্গিপুরের ১৭ বছর ৩ মাস বয়সি এক নাবালিকা যে সন্তান প্রসব করে, তার ওজন ছিল ৫১০ গ্রাম। শুধু এই দুই মা নয়, ২৪ ঘণ্টায় যে ১১ সদ্যোজাতের মৃত্যু হয়েছে, তাদের মায়েরা সবাই হয় নাবালিকা নয়তো সবে আঠারো পেরোনো। আসলে শৈশব পেরিয়ে কৈশোরে পা দিতে না দিতেই মেয়েদের পাত্রস্থ করার চল এখনও রয়েছে মুর্শিদাবাদের গ্রামগঞ্জে। বাল্যবিবাহ রুখতে কেন্দ্র এবং রাজ্যের একাধিক প্রকল্প রয়েছে। কিন্তু মুর্শিদাবাদের গ্রামে গ্রামে গেলে দেখা যাবে বাল্যবিবাহের ছবি। বাড়ির মেয়েরা ভালো খাবার না পেয়ে অপুষ্টিতে ভোগেন। আর তারই ফলশ্রুতিতে অপুষ্টিজনিত সমস্যা নিয়ে শিশুদের জন্ম হয়। জন্মের পর থেকেই বিভিন্ন অসুখে ভুগে থাকে তারা।

    বাবা-মায়েরা কন্যাসন্তানের প্রতি যত্নবান নন

    গ্রামবাংলার আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে পশ্চিমবঙ্গ শিশু অধিকার কমিশনের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য প্রসূন ভৌমিক বলেন, ‘আসলে এখনও বাবা-মায়েরা ছেলেদের প্রতি যতটা যত্নবান হন, কন্যাসন্তানের প্রতি ততটা নন। এই ভয়াবহ সামাজিক অভিশাপেই এক নাবালিকার অল্প বয়সে মা হতে হয়। প্রসবের সময় প্রাণের ঝুঁকি থাকে তাদের দু’জনেরই।’

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কী বক্তব্য?

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অমিত দাঁ বলেন,  আমাদের হাসপাতালে প্রচুর রেফার হচ্ছে। নার্সিংহোম থেকে শেষ মুহূর্তে রেফার করা হচ্ছে। আর ডাক্তার বা নার্সদের কোনও গাফিলতি রয়েছে কি না তা জানতে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া ১৬ থেকে ১৭ বছরের মেয়ে মা হচ্ছে। তার ফলে কম ওজনের সন্তানের জন্ম হচ্ছে। পাশাপাশি জন্মগত ত্রুটি নিয়ে সন্তানের জন্ম হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share