Tag: Murshidabad

Murshidabad

  • Murshidabad: ভোট এলেই বোমা তৈরির জন্য কদর বাড়ে ওদের! একদিনে আয় পাঁচ-আট হাজার টাকা

    Murshidabad: ভোট এলেই বোমা তৈরির জন্য কদর বাড়ে ওদের! একদিনে আয় পাঁচ-আট হাজার টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য সরকারের হাত ধরে মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) নতুন কোনও শিল্প না এলেও বোমা তৈরির কারবার কুটির শিল্পের আকার নিয়েছে। এমনই অভিযোগ বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাদের। ভোট এলেই বোমা তৈরির কারবারীদের কদর বাড়তে শুরু করে। প্রয়োজন মতো দর হাঁকিয়ে বসে। এমনিতেই দিন মজুরি বা কোথাও কাজ করে একদিনে এত টাকা পাওয়া যায় না, একদিন বোমা তৈরি করে যা রোজগার হয়।

    বোমা তৈরি করতে একদিনে পাঁচ থেকে আট হাজার টাকা আয় (Murshidabad)

    পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণার আগে থেকে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার একাধিক ব্লকে বোমা মজুত করা শুরু হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে শাসক দলের মদতেই এই কারবার চলে। আর বোমা তৈরির কারবারিরাও নিজেদের মতো দর হেঁকে বসে। যার কাজের হাত যত ভালো, তার রেটও বেশি। তবে, বোমা বাঁধতে গিয়ে মৃত্যুর ঘটনা এই জেলায় ঘটেছে। পঞ্চায়েত ভোটের আগে বেলডাঙায় বোমা বাঁধতে দুজন তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু হয়। আর সামশেরগঞ্জ, বেলডাঙা, রেজিনগর সহ জেলার একাধিক এলাকায় বোমা মজুত রয়েছে। অভিযান চালিয়ে পুলিশ প্রচুর বোমা বাজেয়াপ্ত করে। জানা গিয়েছে, বোমা তৈরির জন্য কারবারীদের পাঁচ থেকে আট হাজার টাকা একদিনে মজুরি দেওয়া হয়। লোভনীয় অর্থের জন্যই অনেকেই বোমা তৈরির কারবারে নামও লেখায়। আর কয়েক মাস পর লোকসভা ভোট। আর এই ভোট আসতেই আবার ওদের ডাক পড়তে শুরু করেছে। পুলিশ কড়া নজরদারি না দিলে এই সব কারবারীরা রমরমিয়ে বোমা তৈরির কাজ শুরু করবে। এমনিতেই এই জেলায় বোমা তৈরি কুটির শিল্পের আকার নিয়েছে, ভোটের আগে এই কারবার আরও জড়ালো হবে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন স্থানীয় বাসিন্দাদের

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, পরিত্যক্ত বোমা প্লাস্টিকের পাত্রে রাখা থাকে। পুলিশ গিয়ে তা উদ্ধার করে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ এলাকার মানুষ দেখতে পান না। জানতে পারেন না কে বা কারা ওই বোমা রেখে যায়। কিন্তু, পুলিশ জানতে পারে যে সেখানে বোমা রয়েছে। পুলিশ এসে সেই বোমা উদ্ধার করে। পুলিশ জানায়, গোপন সূত্রে খবর মিলেছে। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অপরাধী ধরা পড়ে না। কখনও পুলিশ অনেক পরে দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করে। পুলিশ কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করলে এই কারবার বন্ধ করা সম্ভব হয়। কিন্তু, পুলিশের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: মুর্শিদাবাদে একদিনে ৯ নবজাতকের মৃত্যু, হাসপাতালের ভূমিকায় উঠছে প্রশ্ন

    Murshidabad: মুর্শিদাবাদে একদিনে ৯ নবজাতকের মৃত্যু, হাসপাতালের ভূমিকায় উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। একসঙ্গে এতগুলো নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। মৃতের পরিবারের লোকজনের দাবি, এই ঘটনার তদন্ত করার প্রয়োজন রয়েছে। কারণ, হাসপাতালের গাফিলতির কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত শিশুদের বেশিরভাগ শিশুকেই জঙ্গিপুর হাসপাতাল থেকে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। জঙ্গিপুর হাসপাতালের এসএনসিইউ ওয়ার্ড খারাপ থাকার কারণে শেষ মুহূর্তে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। মুর্শিদাবাদ জেলার জঙ্গিপুর মহকুমা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে দীর্ঘ এক মাস ধরে সংস্কারের কাজ চলছে। তার ফলে যে-সমস্ত নবজাতক অসুস্থ হয়ে পড়ছে, তাদের জঙ্গিপুর থেকে ভর্তি হচ্ছে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) মেডিক্যাল কলেজ স্কুলে ও হাসপাতালে। এছাড়া ডোমকল বা লালবাগ মহকুমা হাসপাতালে থাকা নবজাতকদের অবস্থা খারাপ হলে তাদেরও পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে মুর্শিদাবাদ হাসপাতালে। পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অনেক প্রসূতি চিকিৎসা বা প্রসব না করিয়ে ব্যাঙের দিতে ছাতার মতো যত্রতত্র গজিয়ে-ওঠা নার্সিংহোমে শিশু প্রসব করানো হচ্ছে। সেই সমস্ত নার্সিংহোমে চিকিৎসকরা অপারেশন করে দেওয়ার পরে সন্তানের শারীরিক অবস্থা খারাপ হলেই মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নবজাতকদের নিয়ে আসতে হচ্ছে চিকিৎসা করানোর জন্য। ঘটনা হল, মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ওপর নির্ভর করেন এই জেলা-সহ পার্শ্ববর্তী জেলার মানুষ। মোট ৫২টি আসন আছে নবজাতক বিভাগে। কিন্তু সেখানে বর্তমানে ১০০-র বেশি নবজাতক ভর্তি আছে। সবমিলিয়ে চাপ বাড়ছে হাসপাতালের ওপর। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ৫ জন শিশুর মৃত্যু হলে সেটিকে স্বাভাবিক ধরা হয়। কিন্তু এর বেশি শিশুর মৃত্যু হতেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গাফিলতির কোনও ঘটনা ঘটেছে কি না তা খতিয়ে দেখতে জেলা স্বাস্থ্য দফতর মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে।

    কী বললেন এমএসভিপি?

    হাসপাতালের এমএসভিপি ডা. অমিতকুমার দাঁ বলেন, ‘৩০০ গ্রাম ও ৫০০ গ্রাম ওজনের শিশু ভর্তি ছিল। একজন শিশুর জন্মগত ত্রুটি ছিল হার্টের। তাই তাকে বাঁচানো যায়নি। গত ২৪ ঘণ্টায় সদ্যোজাতের মৃত্যু হয়েছে। জন্মগত ত্রুটি ও ওজন কমে যাওয়ার কারণে অনেক শিশুর মৃত্যু হচ্ছে। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে জেলা স্বাস্থ্য দফতর।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Michaung: মিগজাউমের দাপট! চেন্নাইয়ে চিকিৎসা করাতে গিয়ে আটকে হাওড়ার পরিবার

    Cyclone Michaung: মিগজাউমের দাপট! চেন্নাইয়ে চিকিৎসা করাতে গিয়ে আটকে হাওড়ার পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুর্ণিঝড় মিগজাউমের (Cyclone Michaung) দাপটে রাজ্যে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই টানা বৃষ্টি হচ্ছে। গত দুদিন আকাশের মুখ ভার ছিল। বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে। এই ঘুর্ণিঝড়ের কারণে তামিলনাডুতে আটকে রয়েছেন মুর্শিদাবাদের বেশ কিছু পরিযায়ী শ্রমিক। বহু অঞ্চল জলে ডুবে থাকায় একপ্রকার অনাহারে ভুগছেন ওই সমস্ত শ্রমিকেরা। মাথা গোঁজার জায়গাটুকুও নেই তাঁদের। কেউ কেউ বাস করছেন তালপাতার ঘরে। বাড়ি ফেরার টাকাও নেই অনেকের কাছে। পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে সেই চিন্তায় রয়েছেন এই রাজ্যের ওই পরিযায়ী শ্রমিকেরা।

    দুর্যোগে (Cyclone Michaung) আটকে মুর্শিদাবাদের পরিযায়ী শ্রমিকরা

    জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদ জেলার হরিহরপাড়া, নওদা ব্লকের প্রায় ৩০ জন শ্রমিকের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। মিগজাউমের (Cyclone Michaung) প্রভাবে তামিলনাডুর বিভিন্ন এলাকায় তাঁরা আটকে রয়েছেন। তাঁরা জেলা প্রশাসনের কাছে মোবাইলের মাধ্যমে বাড়ি ফেরানোর আর্জি জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, চারদিকে জল। চরম আতঙ্কে রয়েছি। পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে তা বুঝতে পারছি না। বাড়ি ফেরানোর ব্যবস্থা করলে খুব ভালো হয়। খুব কষ্টে আছি।

    চিকিৎসা করাতে গিয়ে দুর্যোগের কবলে পড়ে হাসপাতালে আটকে হাওড়ার বাসিন্দা

    চেন্নাইয়ে ক্যান্সার আক্রান্তের চিকিৎসা করাতে গিয়ে দুর্যোগের (Cyclone Michaung) কবলে পড়ে হাসপাতালে আটকে হাওড়ার সন্ধ্যাবাজারের একই পরিবারের ছয় সদস্য। জলমগ্ন অবস্থার কারণে ট্রাকে করে রোগীদের স্থানান্তরিত করতে হচ্ছে। দু’দিন ধরে কোনওরকমে খাবারের ব্যবস্থা করেছে সেখানকার হাসপাতাল। বুধবার থেকে তাও বন্ধ। ভিডিও কলে সেই শোচনীয় পরিস্থিতির কথা জানিয়েছেন চেন্নাইয়ে আটকে পড়া পরিবারের সদস্য মহম্মদ আজম খান।

    মিগজাউমের প্রভাবে ক্ষতি

    মিগজাউমের (Cyclone Michaung) প্রভাব অন্ধ্রপ্রদেশের তুলনায় তামিলনাড়ুতেই বেশি পড়েছে। ইতিমধ্যে চেন্নাইয়ে মারা গিয়েছেন সতেরো জন। ঘূর্ণিঝড়ের জেরে অস্বাভাবিক বেশি পরিমাণে বৃষ্টি হয়েছ চেন্নাই ও তামিলনাড়ুতে। ঘূর্ণিঝড়ে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশও। ৭৭০ কিলোমিটার রাস্তা সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে জানানো হয়েছে, ১৯৪টি গ্রামের ৪০ লক্ষ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্লাবিত ২৫টি গ্রাম।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: রেল লাইনে উঠে এল লরি! দুর্ঘটনার কবলে আপ রাধিকাপুর এক্সপ্রেস

    Train Accident: রেল লাইনে উঠে এল লরি! দুর্ঘটনার কবলে আপ রাধিকাপুর এক্সপ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাসখানেক আগেই মুর্শিদাবাদের ফরাক্কা সেতুর কাছে জাতীয় সড়়ক ধরে প্রচণ্ড গতিতে আসা ট্রাক রেল লাইনে উঠে গিয়েছিল। এক সপ্তাহের মধ্যে এই ঘটনা পর পর দুবার হয়েছিল। একবার একটি মালগাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই আবারও রেল দুর্ঘটনা (Train Accident) ঘটল ফরাক্কায়। জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে মুর্শিদাবাদের ফরাক্কার কাছে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে কলকাতা থেকে রাধিকাপুরগামী এক্সপ্রেস।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Train Accident)

    স্থানীয় ও রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে আপ রাধিকাপুর এক্সপ্রেসের অনেকটাই গতি ছিল। ফরাক্কার কাছে রেল লাইনের উপর একটি লরি আটকে যায়। লরির কাছে ট্রেনটি আসতেই চালক ব্রেক কষেন। কিন্তু, গতি থাকায় ট্রেনটি লরিটিকে ধাক্কা মারে। ট্রেনের ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দুর্ঘটনার (Train Accident) জেরে আপ-ডাউন লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তবে, যাত্রীদের জখম হওয়ার কোনও খবর নেই। সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় লোকজন ছুটে যান। রেলের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে যান। এই দুর্ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে রেল। লরিটির বিস্তারিত রেলের আধিকারিকদের হাতে এসে গিয়েছে। তদন্তের জন্য রাজ্য পুলিশকে সেই সব তথ্য ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়েছে জানিয়েছেন মালদার ডিআরএম। এই ঘটনা নিয়ে রেলের তরফেও তদন্ত করা হবে। রেলকর্তারা মনে করছেন, রেললাইনে এসে যাওয়ার পরও যদি লরিচালক কোনও আলো দেখাতেন, তাহলে ট্রেনের চালক সতর্ক হতে পারতেন। কিন্তু সে রকম কিছু না করায় জরুরি ব্রেক ব্যবহার করেও দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়নি। যদিও চালকের তৎপরতায় বড় ক্ষয়ক্ষতি আটকানো গিয়েছে, দাবি রেলের আধিকারিকদের।

    ডিআরএম কী বললেন?

    পূর্ব রেলের মালদা ডিভিশনের ডিআরএম বিকাশ চৌবে জানিয়েছেন, লরির ভুলের কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। যেখানে দুর্ঘটনা (Train Accident) ঘটেছে তার নিকটবর্তী লেভেল ক্রসিং ঠিক সময়েই বন্ধ হয়েছিল এবং লরিটি লেভেল ক্রসিং দিয়ে আসেনি। দুর্ঘটনাস্থলের উপরে যে ফ্লাইওভার রয়েছে, সেখান থেকে ভুল পথে নেমে এসেছিল লরিটি।  ডাউন লাইনকে ট্রেন চলাচলের জন্য তৈরি করে ফেলা হয়েছে। আপ লাইনে ট্রেন চলাচল শুরুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন থেকে মুর্শিদাবাদ কী পেলো? প্রশ্ন জেলার ব্যবসায়ীদের

    Murshidabad: বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন থেকে মুর্শিদাবাদ কী পেলো? প্রশ্ন জেলার ব্যবসায়ীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন থেকে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) কী পেলো? এই প্রশ্ন জেলাবাসীর মনে বারবার ঘুরপাক খাচ্ছে। রেজিনগর শিল্পতালুকে ই-বাস কারখানা তৈরি জন্য রাজ্য সরকার একটি সংস্থার সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল। কিন্তু কার্যকর হয়নি কারখানার কাজ। গতমাসে নভেম্বরের শেষেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটা করে বাণিজ্য সম্মেলন করলেন কিন্তু মুর্শিদাবাদ কিছুই পেলনা। জেলার ব্যবসায়ী সংগঠনের পক্ষে বলা হয়, আমাদের জেলার জন্য কোনও চুক্তি স্বাক্ষর হয়নি।

    জেলার ব্যবসায়ী সংগঠনের বক্তব্য (Murshidabad)

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলা চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ়ের সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার ভট্টাচার্য বলেন, “প্রত্যেক বারের মতো এই বারেও আমরা বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে ডাক পেয়েছি। আগেই ই-বাস তৈরির কারখানার জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছিল। এই বছর আমাদের চোখের সামনে অন্য জেলার জন্য চুক্তি স্বাক্ষর হলেও আমাদের জন্য কিছুই মেলেনি। বারবার বাণিজ্য সম্মেলনে আমরা পিছিয়ে পড়ছি। জেলায় বড় পর্যটন ক্ষেত্রে কোনও বিনিয়োগ নেই।”

    স্থানীয় মানুষে বক্তব্য

    বহরমপুরের (Murshidabad) এক স্থানীয় দীপক মণ্ডল বলেন, “আমাদের জেলায় তিন মাসে ৩ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিকের নাম নথিভুক্ত করেছেন। ফলে খুব স্পষ্টত জেলায় কত মানুষ বেকার। কাজের জন্য অন্য রাজ্যে গিয়ে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করতে হচ্ছে। জেলায় কাজ থাকলে তাঁদের আর বাইরে গিয়ে কাজ করতে হতো না। বেকারত্ব এবং পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা কমাতে গেলে প্রয়োজন শিল্প কারখানা। যা আমাদের জেলায় নেই।”

    জেলা শিল্প কেন্দ্রের বক্তব্য

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) শিল্প কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত জেনারেল ম্যানেজার আহমদুল্লা তালিব বলেছেন, “বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে আমাদের কিছু জানানো হয়নি। রাজ্য থেকে জানানো হলে আমরা অবশ্যই জানাবো।” অপরদিকে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০০৮ সালের রেজিনগর শিল্পতালুকে ১৮৭ একরের জমিতে শিল্পের শিলান্যাস করেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। পরবর্তী কালে আর কিছুই কার্যকর হয়নি। বর্তমানে খা খা করছে এই শিল্পতালুক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Abhijeet Ganguly: ‘আপনি ত্রাতা, আমাদের ভবিষ্যৎ’, বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে বললেন উৎসাহী জনতা

    Abhijeet Ganguly: ‘আপনি ত্রাতা, আমাদের ভবিষ্যৎ’, বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে বললেন উৎসাহী জনতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে একের পর এক পদক্ষেপ গ্রহণ করে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijeet Ganguly) রাজ্যবাসীর কাছে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। যুব সমাজের কাছে তিনি আইকন হয়ে উঠেছেন। শনিবার একটি কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুর্শিদাবাদ এসে সাধারণ মানুষের ভালোবাসা পেয়ে তিনি অভিভূত, সে কথা তিনি ব্যক্ত করেছেন।

    আপনি ত্রাতা, আমাদের ভবিষ্যৎ, বিচারপতিকে (Abhijeet Ganguly) বললেন উৎসাহী জনতা

    এদিন সাড়ে দশটা নাগাদ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijeet Ganguly) হাজারদুয়ারি এক্সপ্রেসে বহরমপুর কোর্ট স্টেশনে নামেন। সেখানে তাঁকে ফুলের তোড়া দিয়ে সম্বর্ধনা জানানো হয়। এরপর সোজা সার্কিট হাউসে যান তিনি। সেখানে মুর্শিদাবাদ পুলিশের পক্ষ থেকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয় তাঁকে। কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে হাজারদুয়ারি পরিদর্শনে যান বিচারপতি। প্যালেস মিউজিয়ামের ভেতর ঘুরে দেখেন। এরপরে সৈদাবাদের শহিদ ক্ষুদিরাম পাঠাগারে এসে একটি ক্যানসার ইউনিট এর উদ্বোধন করেন। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় সংবাদ মাধ্যমের সামনে বলেন, ‘এই ধরনের কর্মকাণ্ড একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনই করতে পারে।’ এরপর তিনি একটি পাঠাগারের উদ্বোধন করতে বহরমপুরের ইন্দ্রপ্রস্থে যান। সেখানে সাধারণ মানুষের ভিড় ছিল লক্ষ্য করার মতো। বহু টেট পরীক্ষার্থীরা হাজির হয়েছিলেন। বিচারপতিকে দেখে উৎসাহী জনগণের মধ্যে থেকে আওয়াজ উঠল আপনি আমাদের ত্রাতা, আমাদের ভবিষ্যৎ। আপনি পারবেন এই বাংলাতে কলঙ্কমুক্ত করতে। পরে, রবীন্দ্র সদনের অনুষ্ঠান শেষ করে হাজারদুয়ারি এক্সপ্রেসে কলকাতা ফিরে যান কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি।

    বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী, দাবি জানালেন অধীর

    প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে (Abhijeet Ganguly) মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে দেখার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘ আমি চাই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পদের মুখ করে একটি ভোট করা হোক। তাঁর মতো মানুষরা রাজনীতিতে এলে নতুন দিগন্ত তৈরি হবে।’ এরপরেই বঙ্গ রাজনীতিতে ঢেউ উঠেছে। অধীরের মন্তব্য প্রসঙ্গে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘আমি শুনেছি। এসব ব্যাপারে আমি কিছু বলব না।’

    কী বললেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়?

    মানুষের ভালোবাসায় যে তিনি অভিভূত, এমনটাই জানান  বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijeet Ganguly)। তিনি বলেন, ‘আমি মানুষের ভালোবাসায় অভিভূত। আমি ভগবান নই। আমি ভারতীয় বিচারব্যবস্থার একটি প্রোডাক্ট। কাউকে অভিনন্দন জানাতে হলে ভারতের বিচারব্যবস্থাকে জানান।’ তিনি পথ দেখালেও অনেকেই সেই পথ ধরে হাঁটবেন বলেও আশাবাদী বিচারপতি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jafikul Islam: মারুতি ভ্যানের চালক থেকে কোটিপতি! তৃণমূল বিধায়কের উত্থান যেন সিনেমার চিত্রনাট্য

    Jafikul Islam: মারুতি ভ্যানের চালক থেকে কোটিপতি! তৃণমূল বিধায়কের উত্থান যেন সিনেমার চিত্রনাট্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের নতুন ‘নায়ক’ ডোমকলের বিধায়ক জাফিকুল ইসলাম (Jafikul Islam)। নায়ক এই কারণেই, তাঁর উত্থান কাহিনী সিনেমার চিত্রনাট্যকেও হার মানাবে। ডোমকলের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের গোবিন্দপুরের বাড়িতে একটি কয়েন বুথ দিয়ে জীবন শুরু। তারপর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। সেখান থেকে গরুর হাটের মুন্সি, মুড়ির কল। তার পরে ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে বিতর্কে জড়িয়ে পড়া, হাইকোর্ট থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা, কাশ্মীরে নিরুদ্দেশ, তৃণমূলের প্রয়াত প্রাক্তন সাংসদ মান্নান হোসেনের হাত ধরে রাজনীতিতে প্রবেশ। শোনা যায়, শুরুতে মারুতি ভ্যানের চালক হিসেবেও বেশ কিছু সময় কাজ করেছেন। সব মিলিয়ে ঘটনাবহুল জীবন। আর আজ? আজ তিনি যে সব জিনিসের মালিক, সেই তালিকাটা বেশ দীর্ঘ। কী আছে তাতে শুনবেন? 

    ১২টি কলেজের মালিক? (Jafikul Islam)

    জাফিকুল ইসলাম সব মিলিয়ে ১২টি কলেজের মালিক বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে সাতটি বিএড কলেজ, তিনটি প্যারামেডিক্যাল কলেজ এবং দুটি ডিগ্রি কলেজ। ২০০৪ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যেই তিনি একের পর এক কলেজ করে ফেলেন। গোড়া থেকেই তিনি ছিলেন কংগ্রেসের সমর্থক। সেই সুবাদে তাঁর কলেজের মাঠ সভা-সমাবেশের জন্য ব্যবহার করতেন মান্নান হোসেন। এইভাবেই দু’জনের কাছাকাছি আসা। রাজনীতিতে ঢুকেছিলেন কাউন্সিলার হয়ে। এই ১৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকেই জিতেছিলেন তিনি। এরপরই তৃণমূলের যোগদান। পরে বিধায়ক হলেন ২০২১ সালের নির্বাচনে। শুধু বাইরে এত সম্পত্তি করেছেন, এমনটাই নয়। তাঁর দুধ সাদা প্রাসাদোপম বাড়িটি দেখলেও চোখ ধাঁধিয়ে যাবে। এই বাড়িরই বেড রুম থেকে শুরু করে, এমনকি টয়লেটেও পাওয়া গিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা। মিলেছে প্রচুর সোনাদানাও। টাকা গোনার জন্য মেশিন এনেও দীর্ঘক্ষণ পরে সব টাকা গোনা সম্ভব হয়েছে। শেষ যা হিসেব বিভিন্ন সূত্র মারফত মিলেছে, তাতে তাঁর বাড়ি (Jafikul Islam) থেকে পাওয়া গিয়েছে ৩৫ লাখ টাকা।

    টার্নিং পয়েন্ট মুড়ির কল? (Jafikul Islam)

    এলাকার বাসিন্দারা মনে করেন, জাফিকুলের জীবনের টার্নিং পয়েন্ট হল মুড়ির কল। ব্যাঙ্ক থেকে এর জন্য তিনি নিয়েছিলেন ৫৩ লক্ষ টাকা লোন। কিন্তু প্রশ্ন উঠতে পারে, সেই সময় তাঁর তো কিছুই ছিল না। তা হলে ব্যাঙ্ক থেকে এই বিরাট অঙ্কের লোন তিনি পেলেন কীভাবে? জানা গিয়েছে,  এই নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। কারণ, ব্যাঙ্ক অভিযোগ পায়, তিনি নাকি মসজিদের সম্পত্তি নিজের নামে দেখিয়ে ওই লোন নিয়েছেন। ব্যাঙ্ক তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করে। হাইকোর্ট তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। এই সময়ই তিনি (Jafikul Islam) নিরুদ্দেশ হয়ে যান। অনেকে বলেন, তিনি  নাকি কাশ্মীরে চলে গিয়েছিলেন। যাই হোক, পরে ফিরে এসে তাঁকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। রকেট গতিতে শুরু হয় তাঁর উত্থান। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CBI: তৃণমূল বিধায়কের শৌচাগারেও কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা, যন্ত্র দিয়ে চলছে গোনা

    CBI: তৃণমূল বিধায়কের শৌচাগারেও কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা, যন্ত্র দিয়ে চলছে গোনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী অভিনেত্রী তথা মডেল অর্পিতার টালিগঞ্জ এবং বেলঘরিয়ার বাড়িতে হানা দিয়েছিল ইডি। তাঁর দুটি ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয়েছিল কোটি কোটি ক্যাশ এবং গয়না। মেশিন নিয়ে এসে রাতভর চলেছিল টাকা গোনার কাজ। আর তা দেখে রীতিমতো চোখ কপালে উঠেছিল রাজ্যবাসীর। সেই ঘটনার কয়েক মাসের মধ্যেই এবার মুর্শিদাবাদের ডোমকলের তৃণমূল বিধায়ক জাফিকুল ইসলামের  বা়ড়িতে হানা দেয় সিবিআই (CBI)। তাঁর বাড়ি থেকে মিলল কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা। যা জানাজানি হতে এলাকার মানুষও হতবাক হয়ে যান। প্রতিবেতন লেখা পর্যন্ত ৩১ লক্ষ টাকার হদিশ মিলেছে। সেই সংখ্যা আরও বাড়়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    শৌচাগারেও মিলল লক্ষ লক্ষ টাকা (CBI)

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্তকারীদের নজর ছিল ডোমকলের তৃণমূল বিধায়ক জাফিকুল ইসলামের উপর। তাঁর বাড়িতে যান তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছে, জাফিকুলের দুটি কলেজ রয়েছে। তাঁর সম্পত্তি, আয় এবং যাবতীয় নথিপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সকাল থেকেই সিবিআই আধিকারিকরা তল্লাশি শুরু করেন। বাড়ির পিছন থেকে দুটি ব্যাগের মধ্যে প্রচুর নথি উদ্ধার করে সিবিআই (CBI)। সেই তথ্য তদন্তকারী আধিকারিকরা খতিয়ে দেখেন। পরে, বাড়ির ভিতরে তল্লাশি চালানোর সময় লক্ষ লক্ষ টাকার হদিশ পান আধিকারিকরা। এরপরই তৃণমূল বিধায়ক জাফিকুল ইসলামের বাড়িতে বৃহস্পতিবার বিকেলে টাকা গোনার যন্ত্র নিয়ে আসা হয়। কেন্দ্রীয় সংস্থা সূত্রে খবর মিলেছিল,মুর্শিদাবাদের ডোমকলের বিধায়ক জাফিকুলের বাড়ি থেকে লক্ষ লক্ষ নগদ টাকা উদ্ধার হয়েছে। বেশ কিছু টাকা মিলেছে জাফিকুলের বাড়ির শৌচাগার থেকে। তদন্তকারীদের একটি অংশের সূত্রে দাবি, বিধায়কের বেডরুমেও তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকেও প্রচুর টাকার হদিশ মিলেছে।  বিধায়ক বর্তমানে বিধানসভার অধিবেশনের জন্য কলকাতায় রয়েছেন। সিবিআই সূত্রে দাবি করা হয়েছে, বিধায়কের বাড়ির শৌচাগারের  থেকে সাত লক্ষ ৯০ হাজার টাকা উদ্ধার হয়েছে। তদন্তকারীদের ওই অংশের দাবি, জাফিকুলের ‘বেডরুম’ থেকেও কয়েক লাখ টাকা উদ্ধার হয়েছে।

    টাকা উদ্ধার নিয়ে বিধায়কের পরিবারের লোকজন কী সাফাই দিলেন?

    যদিও এ ব্যাপারে সিবিআইয়ের (CBI) তরফে প্রকাশ্যে বা সরকারি ভাবে কিছু জানানো হয়নি। বিধায়ক না থাকায় সিবিআই আধিকারিকরা পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন। বিধায়কের পরিবার সূত্রে খবর, সম্প্রতি কিছু সম্পত্তি বিক্রি করা হয়েছে। সেই টাকাই তাঁর বাড়িতে ছিল। অন্য কোনও বিষয়। তবে, শৌচাগারে কেন টাকা রাখা হয়েছিল সেই বিষয়ে পরিবারের লোকজন স্পষ্ট করে কোনও কিছু বলতে পারেনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CBI: মুর্শিদাবাদে তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে সিবিআই, হানা কোচবিহারেও

    CBI: মুর্শিদাবাদে তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে সিবিআই, হানা কোচবিহারেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৎপর সিবিআই। কলকাতার পাশাপাশি বৃহস্পতিবার সকাল থেকে মুর্শিদাবাদ ও কোচবিহার জেলায় অভিযান চালাল সিবিআই (CBI)। ডোমকলের তৃণমূল বিধায়ক জাফিকুল ইসলামের বাড়িতে এদিন সিবিআই হানা দেয়। দীর্ঘদিন ধরেই জল্পনা ছিল, এই বিধায়কের বাড়ি সিবিআই হানা দিতে পারে। পাশাপাশি বড়ঞাতেও ঝন্টু শেখের বাড়িতে সিবিআই হানা দিয়েছে।

    মানিক ঘনিষ্ঠ বিধায়ক (CBI)

    সিবিআইয়ের (CBI) চারজন আধিকারিক তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে রয়েছেন। বাইরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। আধিকারিকরা পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলছেন। বেশ কিছু নথি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কারণ, নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার হওয়া তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যের ঘনিষ্ঠ ছিলেন এই বিধায়ক। তিনি ডোমকল পুরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন। তাঁর একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সেই সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সিবিআই হানা দিতে পারে। প্রসঙ্গত, গরুপাচার মামলায় আগে জাফিকুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই।

    বড়ঞায় সিবিআই

    বৃহস্পতিবার সাত সকালে বড়ঞার কুলি চৌরাস্তার মোড়ে নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত কুন্তল ঘোষ ‘ঘনিষ্ঠ’ ঝনটু শেখের বাড়িতে হানা দিয়েছেন সিবিআই (CBI) আধিকারিকরা। সেখানেই তাঁর বাড়ি। তিনি একটি বেসরকারি স্কুলের শিক্ষক বলে জানা গিয়েছে। নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত বিষয়ে ঝন্টুর কী ভূমিকা রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাঁর কাছে বেশি নথি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কুন্তলের কাছে তথ্য পেয়ে তা যাচাই করতে কেন্দ্রীয় টিম এসেছে কি না, তা নিয়ে চর্চা চলছে।

    কোচবিহারেও হানা দিল সিবিআই

    নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে সিবিআই (CBI) হানা দিল কোচবিহারে দু’নম্বর ব্লকের রাজারহাটের টেঙর মারির বিএলএডুকেশনের টিচার্স ট্রেনিং কলেজে। সকাল সকাল সিবিআই এর ৪টি গাড়ি নিয়ে বিশাল টিম তদন্ত করতে কোচবিহারের রাজারহাটের টেংর মারির ওই বিএড কলেজে হানা দেয়। জানা যায়, এই কলেজের মালিক রয়েছেন শ্যামল কর। তিনি প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিকবার অভিযোগ উঠেছিল। এছাড়াও এই কলেজের মালিক রয়েছেন সজল কর এবং শ্যামল কর সহ আরও দুই ভাই। পার্থ গ্রেফতার হওয়ার পর পরই শ্যামল গাঢাকা দিয়েছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: রুটে দাপাচ্ছে বেআইনি আটো-টোটো, প্রতিবাদে বাস ধর্মঘটের ডাক

    Murshidabad: রুটে দাপাচ্ছে বেআইনি আটো-টোটো, প্রতিবাদে বাস ধর্মঘটের ডাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২৭ নভেম্বরে বাস ধর্মঘটের ডাক দিল মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) বাস ওনার্স কাউন্সিল। দু’দিন আগেই বৈঠক করেই তাঁরা ধর্মঘটের কথা ঘোষণা করেছেন। তাঁদের মূল দাবি হল, বাসের রুটে বেআইনি ভাবে টোটো-আটো সহ অতিরিক্ত যাত্রীবাহী যান চলাচল বন্ধ করতে হবে। কারণ রুটে দাপাচ্ছে বেআইনি আটো-টোটো। মুর্শিদাবাদের বাস মালিকেরা আগেও বারবার সরকারের কাছে আবেদন করেছিলেন। কিন্তু জানিয়ে ফল না মেলায় সরাসরি এবার বাস বন্ধের কথা ঘোষণা করলেন তাঁরা।

    চিঠি দিল বাস ওনার্স কাউন্সিল (Murshidabad)

    মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) বাসের রুটগুলিতে সরকারি নিয়ম-নীতিকে উপেক্ষা করে বারবার বেআইনি ভাবে নানান যাত্রীবাহী গাড়ি চালানোর অভিযোগ বিভিন্ন সময়ে উঠেছে। বাস চালক এবং বাসের মালিকদের এই নিয়ে রুটের পরিষেবায় ব্যাপক ব্যাঘাত ঘটছে বলে জানা গিয়েছে। তাই ধর্মঘটকে সমর্থন করতে মুর্শিদাবাদের বাস ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সংগঠনকে চিঠি দিয়েছেন মুর্শিদাবাদ বাস ওনার্স কাউন্সিল। সেই সঙ্গে পাশের দুই জেলা মালাদ এবং নদিয়ার বাস ব্যবসায়ীদের ধর্মঘটে সামিল হওয়ার জন্য অনুরোধও জানান তাঁরা।

    মুর্শিদাবাদ বাস ওনার্স কাউন্সিলের বক্তব্য

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) বাস ওনার্স কাউন্সিলের পক্ষ থেকে সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার অধিকারী বলেন, “সারা জেলা জুড়ে বাসের প্রত্যেক রুটে বেআইনি ভাবে অটো, টোটোর দৌরাত্ম্য চলছে। ফলে বাসে যাত্রী সংখ্যায় কম হচ্ছে। আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি আমরা। তাই আমরা ২৭ নভেম্বর, ২৪ ঘণ্টার জন্য বাসপরিষেবা বন্ধ করে ধর্মঘট পালন করব। যদি আমাদের দাবি নিয়ে প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা না নেয় তাহলে আগামী ১০ ডিসেম্বর থেকে লাগাতার বৃহৎ আন্দোলন করা হবে।”

    জেলা শাসকের বক্তব্য

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলা শাসকের রাজর্ষি মিত্র বলেন, “বাস ব্যবসায়ীরা আমার কাছে এখনও এই বিষয়ে তেমন কিছু জানাননি। তাঁদের দাবি কী শুনবো। তবে লালগোলা রাজ্য সড়কে বেআইনি আটো বন্ধ করা হয়েছে। প্রশাসন এই বিষয়ে কাজ করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share