Tag: Murshidabad

Murshidabad

  • Murshidabad: ১০ বছরে রেজিনগরের তৃণমূল বিধায়ক কোনও কাজ করেননি, বললেন দলেরই নেতা

    Murshidabad: ১০ বছরে রেজিনগরের তৃণমূল বিধায়ক কোনও কাজ করেননি, বললেন দলেরই নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২১ জুলাইয়ের আগে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রেজিনগর বিধানসভায় তৃণমূলের কোন্দল ফের প্রকাশ্যে চলে এল। রীতিমতো সাংবাদিক সম্মেলন করে তৃণমূল বিধায়ক এবং দলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি একে অপরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনলেন। যা নিয়ে জেলাজুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ করেছেন তৃণমূল বিধায়ক? (Murshidabad)

    বেলডাঙ্গা-২ নম্বর (Murshidabad) ব্লকের তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি আতাউর রহমান দলের বিধায়ক রবিউলআলম চৌধুরীর বিরুদ্ধে টেন্ডারের দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন। এই প্রসঙ্গে তৃণমূল বিধায়ক বলেন,  দুর্নীতির কোনও অভিযোগ প্রমাণ করতে পারলে বিধায়ক পদ ছেড়ে দেব। আসলে ওই তৃণমূল নেতার স্ত্রী পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। তিনি অবৈধভাবে টেন্ডার প্রক্রিয়া করতে চাইছেন। যার ফলে বেলডাঙ্গা ২ নম্বর ব্লকের টেন্ডারে অনিয়ম হচ্ছে। উন্নয়নের থমকে গিয়েছে। যদি তাঁদের মন মতো টেন্ডার না হয় তাহলে তাঁরা বাতিল করছেন। ফেরিঘাটে টেন্ডার করা হয়নি। এর দায় পঞ্চায়েত সমিতির। যতদিন থাকব এই অবৈধ টেন্ডার মেনে নেব না, তারজন্য যেখানে যা করার দরকার আমি করব। ভাটির ব্যবসা, থানার দালালি যে দলের লোক করুক না কেন, যদি আমাদের দলের লোকও করে থাকে তাদের জন্য উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা আমি করব।

    আরও পড়ুন: পুলিশের নাকের ডগায় মাছের ভেড়িতে আত্মগোপনে সাদ্দাম, তিনদিন পর গ্রেফতার

    ১০ বছরে বিধায়ক কোনও কাজ করেননি!

    বিধায়কের সাংবাদিক বৈঠকের পর পাল্টা সাংবাদিক বৈঠক করেন তৃণমূলের (Trinamool Congress) বেলডাঙ্গা ২ নম্বর ব্লকের (Murshidabad) প্রাক্তন সভাপতি আতাউর রহমান। তিনি বলেন, বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিধায়ক তৃণমূল প্রার্থীদের হয়ে ভোট করেন নি। বিধায়কের চোখের সামনেই দুর্নীতি হচ্ছে, তিনি চোখ বন্ধ করে আছেন। বিধায়কের (Trinamool Congress) উন্নয়ন তহবিলের টাকার কাজের নিয়ম মতো টেন্ডার হচ্ছে না। তিনি রবিউল আলামের কাজ নিয়েও অনেক প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, সরকার প্রতিবছর বিধায়কদের ৬০ লক্ষ টাকা করে উন্নয়ন খাতে দেন। বিগত  দশ বছরের ব্যবধানে আমরা দেখতে পাইনি কোনও পঞ্চায়েতে বা কোনও ব্লকে বিধায়ক তহবিলের টাকায় কাজ হয়েছে। বিগত ১০ বছর কোথায় কাজ করেছেন তার কোনও প্রমাণ আমাদের কাছে নেই। এখন অনলাইন ব্যবস্থা হওয়ার পর আমরা জানতে পারি বিধায়কসাহেব যে বছরের ৬০ লক্ষ টাকা পান, সেটা আন্ডারটেকিং ওয়েস্ট বেঙ্গল এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে টেন্ডার করানো হচ্ছে। তবে, এই টেন্ডার কবে হচ্ছে কোথায় হচ্ছে? কে কাজ পাচ্ছেন? সেই কাজ দেখভালের জন্য ইঞ্জিনিয়ার কবে আসছেন, কাজের পরিধি কী রয়েছে তার কোন কিছুই জানা নেই।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ধুঁকছে বড়ঞা গ্রামীণ হাসপাতাল, মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন রোগীরা

    Murshidabad: ধুঁকছে বড়ঞা গ্রামীণ হাসপাতাল, মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন রোগীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসার পর পরই রাজ্যে হাসপাতালের শ্রী ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এরপরই রাজ্যজুড়ে হাসপাতালের ভিতরে-বাইরে বাহারি রং করা হয়েছে। কিন্তু, হাসপাতালে পরিষেবা সেই আগের মতো কঙ্কালসার। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বড়ঞা গ্রামীণ হাসপাতালের পরিষেবা নিয়ে তিতি বিরক্ত স্থানীয় বাসিন্দারা। আর বেহাল চিকিৎসা ব্যবস্থার জন্য স্বাস্থ্য দফতরকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন তাঁরা।

    রোগীর পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য? (Murshidabad)

    এই হাসপাতালের ওপর বড়ঞাসহ (Murshidabad) আশপাশের লক্ষাধিক মানুষ নির্ভরশীল। মনোজ ঘোষ নামে এক রোগী বলেন, “শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। কিন্তু, হাসপাতালে রোগীদের অক্সিজেন দেওয়ার কোনও ব্যবস্থা নেই। ফলে, আমাদের মতো বহু রোগী এই হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। কিন্তু, কাজের কাজ কিছু হচ্ছে না। পরিষেবা না পেয়ে রোগীরা কান্দি হাসপাতালে চলে যাচ্ছেন।” সুকুমার ভল্লা নামে রোগীর পরিবারের লোকজন বলেন, “আমার বাবাকে হাসপাতালে ভর্তি করেছি। বাবার রক্তের প্রয়োজন। কিন্তু, এই হাসপাতালে সেই ব্যবস্থা নেই। তাই, আমরা খুব দুশ্চিন্তাই রয়েছি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সমস্ত বিষয়টি বলেছি। হাসপাতালে পরিষেবা নেই বলে তাঁরা জানিয়েছেন।” রোগী ও তাঁর পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, “এই হাসপাতালে মেলেনা অক্সিজেন, মেলেনা রক্ত, হয় না কোনও পরীক্ষা-নিরীক্ষা। হাসপাতালের ভর্তি হওয়ার পর অক্সিজেনের অভাবে হাঁসফাস অবস্থা হচ্ছে বয়স্ক রোগীদের। অথচ লোক দেখানো করে হাসপাতালের বিশাল বিল্ডিং রয়েছে। দুর্ঘটনাগ্রস্ত কোনও রোগী এই হাসপাতালে (Hospital) আসলে রক্ত, অক্সিজেনের অভাবেই মারা যাবে। মুখ্যমন্ত্রীর কোনও নজরই নেই।” অবিলম্বে পরিষেবা উন্নত করার দাবি জানিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।

    আরও পড়ুন: রাজ্যপালকে অপমানজনক মন্তব্য নয়, মুখ্যমন্ত্রী সহ চারজনকে বিরত করল হাইকোর্ট

    হাসপাতালের বিএমওএইচ কী বললেন?

    হাসপাতালের (Hospital) বিএমওএইচ সৌমিক দাস বলেন, “আমাদের পরিকাঠামোর মধ্যে যতটা পারা যায়, চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। তবে, যে ধরনের অভিযোগ করা হচ্ছে তা ঠিক নয়। আর অক্সিজেন অনেক সময় না থাকলে পরিষেবা দিতে একটু সমস্যা হতে পারে। সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ঝোপ-জঙ্গলের আড়ালে রেজিনগর শিল্পতালুক! বেহাল দশায় ক্ষুব্ধ জেলাবাসী

    Murshidabad: ঝোপ-জঙ্গলের আড়ালে রেজিনগর শিল্পতালুক! বেহাল দশায় ক্ষুব্ধ জেলাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) রেজিনগর শিল্পতালুকে প্রবেশের পর অবস্থা দেখে যেন ঠিক চেনাই যাচ্ছে না। ঝোপ-জঙ্গলের মধ্যে যেন ঢেকে পড়েছে সাইন বোর্ড। প্রবেশ পথের লোহার গেটে মরিচা ধরে গিয়েছে। নিরাপত্তারক্ষীদের অনুমতি নিয়ে শিল্পতালুকের ভিতরে ঢুকে কার্যত চক্ষু চড়কগাছ হওয়ার উপক্রম। করা হয়েছিল এখানে কর্মতীর্থ বাজার, কিন্তু একটিও দোকান চালু হয়নি। যাতায়েতের জন্য তৈরি হয়েছিল চার লেনের রাস্তা, কিন্তু তা এখন আগাছায় ঢেকে গিয়েছে। চারিদিকে পথবাতিও নষ্ট হয়ে গিয়েছে। শিল্পতালুকের এই বেহাল দশায় প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হয়ে রয়েছেন এলাকাবাসী।

    ই-বাস কারখানা করার কথা ছিল (Murshidabad)

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) ডিস্ট্রিক্ট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ়ের সাধারণ সম্পাদক স্বপনকুমার ভট্টাচার্য বলেছেন, “বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে রেজিনগরে ৩ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করে ই-বাস কারখানা করার কথা ছিল। তাতে আমাদের মনে আশার সঞ্চার হয়েছিল। তারপর অবস্থার কোনও বদল ঘটেনি। আমরা চাই এখানে ভারী শিল্প আসুক।” আবার রাজ্যের ক্ষুদ্র শিল্প উন্নয়ন নিগমের এক আধিকারিক বলেছেন, “৩২০টি প্লটের মধ্যে ১৭০টি প্লট ফাঁকা রয়েছে। সেগুলি দেখে অনলাইনে অনেকে আবেদন করেছেন। এখনও পর্যন্ত চারটি ইউনিট কাজ চলছে। বাকিটা পুরোদমে চালু করার কাজ চলছে।”

    যদিও ২০২২ সালের বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে ‘কৌশিস ই মোবিলিটি প্রাইভেট লিমিটেডে’ নামে একটি সংস্থা, প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করে ‘ই বাস’ কারখানা গড়ার কথা বলে রাজ্য সরকারের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল। এরপর দু’টি বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন হয়েছে কিন্তু ‘ই বাস’ কারখানার কিছুই হয়নি। এই কারখানা বাস্তবে হবে কিনা তাই নিয়ে এলাকাবাসীর মনে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    আরও পড়ুনঃ রাইস পুলারই সাদ্দামের চোরাকারবারের মূল উৎস! অদ্ভুত ধাতব ব্যবসা কীভাবে চলত জানেন?

    কর্মসংস্থানের কোনও গতি হয়নি!

    শিল্পতালুকের (Murshidabad) পাশ দিয়ে চলে গিয়েছে চকচকে জাতীয় সড়ক। কিছুটা দূরেই রয়েছে লালগোলা-শিয়ালদা রেলপথ। ২০০৮ সালে তৎকালীন বাম আমলে এই রেজিনগর এলাকায় পশ্চিমবঙ্গ ক্ষুদ্র শিল্প উন্নয়ন নিগম শিল্পতালুক গড়ে তুলে ছিল। ২০১১ সালের পরিবর্তনের পর তৃণমূল ক্ষমতায় এলেও অবস্থার কোনও উন্নতি বা বিনিয়োগ দেখা যায়নি। এই ১৬ বছরে মাত্র দুটি ইউনিট ছাড়া আর কোনও প্রগতি দেখা যায়নি। আর তাই এই জেলার কর্মসংস্থানেরও কোনও গতি হয়নি বলে মনে করছেন জেলাবাসী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: পঞ্চায়েত সদস্য হতে জাতিগত শংসাপত্র জাল! কোর্টের গুঁতোয় পদ হারালেন তৃণমূল নেত্রী

    Murshidabad: পঞ্চায়েত সদস্য হতে জাতিগত শংসাপত্র জাল! কোর্টের গুঁতোয় পদ হারালেন তৃণমূল নেত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংরক্ষিত আসনে জাল জাতিগত শংসাপত্র (ওবিসি সার্টিফিকেট) ব্যবহার করে ভোটে লড়ার দায়ে হাইকোর্টের নির্দেশে তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যার সদস্যপদ বাতিল করল জেলা প্রশাসন। ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ফরাক্কা ব্লকের বেওয়া-২ গ্রাম পঞ্চায়েতে। জঙ্গিপুরের মহকুমা শাসক শ্রীকান্ত জি সিং ইতিমধ্যেই রেখা খাতুন নামে ওই পঞ্চায়েত সদস্যার সদস্যপদ বাতিলের চিঠি সকল আধিকারিককে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Murshidabad)

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলাফলের প্রকাশ হওয়ার কিছুদিন পর সিপিএমের তিলডাঙা (Murshidabad) শাখা কমিটির সম্পাদক শাকির শেখ তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যা রেখা খাতুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন, তিনি তাঁর ওবিসি সার্টিফিকেট জাল করে পঞ্চায়েত নির্বাচনে লড়েছিলেন এবং আসনে জয়লাভ করেছেন। এরপর অভিযোগকারী কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন এবং কোর্টের নির্দেশে রেখা খাতুনকে ‘শোকজ’ করে জেলা প্রশাসনের তরফে এই ঘটনার শুনানি শুরু হয়। ওবিসি সার্টিফিকেট জাল করে পঞ্চায়েত ভোটে জেতার পর সেই ওবিসি সার্টিফিকেট জাল প্রমাণিত হওয়ায় তৃণমূলের সদস্য পদ বাতিল করা হয়েছে। মহকুমা শাসক বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশে পঞ্চায়েত সদস্যার সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: জগন্নাথদেবের রত্নভাণ্ডারের ভিতরে নাগ দেবতা! দরজা খুলে কী দেখা গেল?

    অভিযোগকারী কী বললেন?

    অভিযোগকারী শাকির শেখ বলেন, ” তৃণমূল সদস্যা রেখা খাতুন (Trinamool Congress) ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা। প্রায় ৭-৮ বছর আগে তিলডাঙা গ্রামে তাঁর বিয়ে হয়েছে। ওই পঞ্চায়েত সদস্যার দুটি জাতিগত শংসাপত্র রয়েছে। একটি শংসাপত্রে তাঁর বাবার নাম রয়েছে গিয়াসউদ্দিন শেখ এবং অপরটিতে ধর্মডাঙা গ্রামের বাসিন্দা জনৈক গিয়াসউদ্দিন মোমিনকে তাঁর বাবা বলে দেখানো হয়েছে। আমরা জালিয়াতির বিরুদ্ধে লড়াই করি। সাধারণ মানুষের জন্য লড়াই করি। তৃণমূলের (Trinamool Congress) ওই সদস্যা ওবিসি শংসাপত্র জাল করে তিনি মানুষের সঙ্গেই জালিয়াতি করেছেন। জালিয়াতি করা তৃণমূলের কাজ। ওবিসি শংসাপত্র জাল করার পিছনে তৃণমূল নেতাদের বড় ভূমিকা রয়েছে। আমাদের লড়াইয়ে আমরা জিতবই। তৃণমূলের জালিয়াতি মানুষের সামনে এনে দিয়েছি। প্রশাসন পদক্ষেপ নেওয়ায় আমরা খুশি। আমরা চাই, ওই আসনে পুনরায় ভোট হোক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: কর্তব্যরত নার্সকে চড় তৃণমূল প্রধানের! শাস্তির দাবিতে হাসপাতাল গেটে ধর্না

    Murshidabad: কর্তব্যরত নার্সকে চড় তৃণমূল প্রধানের! শাস্তির দাবিতে হাসপাতাল গেটে ধর্না

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসপাতালে কর্তব্যরত নার্সকে চড় মারার অভিযোগ উঠল সালারের তৃণমূল প্রধানের বিরুদ্ধে। ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে হাসপাতালের গেটের সামনে ধর্নায় বসেছেন নার্সরা। এই প্রধানের বিরুদ্ধে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শাস্তির দাবি করেছেন নার্সরা। ঘটনা ঘটেছে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার সালার ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    বচসার পর আচমকা থাপ্পড় (Murshidabad)!

    রবিবার সকালে ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে (Murshidabad) রোগীর চিকিৎসা পরিষেবায় অসন্তোষ প্রকাশ করে, কর্তব্যরত এক নার্সকে চড় মারেন স্থানীয় তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধান। জানা গিয়েছে, তৃণমূল প্রধান রেজিনা বিবির মেয়ে গত কয়েকদিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। পরিবারের তরফ থেকে অভিযোগ করা হচ্ছিল যে সঠিক ভাবে চিকিৎসা করা হচ্ছিল না। একই সঙ্গে ডাক্তার এবং নার্সেরা গুরুত্ব দিচ্ছিলেন না রোগীকে। এরপর পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে প্রধান রেজিনা বিবি নিজেই হাসপাতালে যান। কিন্তু চিকিৎসকদের সঙ্গে দেখা না হলেও নার্সদের সঙ্গে রোগীর পরিষেবা নিয়ে কথা বলেন তিনি। কথা বলতে বলতে এক কথা দু-কথায় বচসা শুরু হয়। এরপর প্রধান আচমকাই এক নার্সের গালে থাপ্পড় মেরে বসেন। এই ঘটনার পরই বিরাট শোরগোল পড়ে যায়। এরপর কর্তব্যরত নার্সেরা একত্রিত হয়ে হাসপাতালের গেটের কাছে দোষীকে অবিলম্বে শাস্তির দাবিতে পোস্টার দেন। একই সঙ্গে প্রতিবাদ ধর্নায় বসেন তাঁরা।

    আরও পড়ুনঃ ফের শিশুচোর সন্দেহে এক যুবককে গণপিটুনির ঘটনায় শোরগোল হাওড়ায়

    শাস্তি চাই বললেন আক্রান্তের স্বামী

    আক্রান্ত নার্সের স্বামী এই প্রেক্ষিতে বলেছেন, “যা ঘটেছে তা অত্যন্ত অন্যায়, আমরা খুব আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি। অপরাধীর শাস্তি চাই।” আবার ভরতপুরের (Murshidabad) ২ নম্বর তৃণমূল সভাপতি মুস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, “সরকারি হাসপাতালে নার্সদের এই ভাবে মারধর করলে, দল কখনই সমর্থন করবে না। তিনি প্রধান এবং একই সঙ্গে মা। বিচলিত ছিলেন, তাই হয়তো এই রকম আচরণ করে ফেলেছেন। তবে প্রধান যদি দায়িত্ব জ্ঞান ভুলে গিয়ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সবটা দেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ২৪ ঘণ্টায় ৭ জন শিশুর মৃত্যু! ফের প্রশ্নের মুখে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল

    Murshidabad: ২৪ ঘণ্টায় ৭ জন শিশুর মৃত্যু! ফের প্রশ্নের মুখে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে একের পর এক শিশু মৃত্যুর ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। কয়েকমাস আগে একদিনে ১০ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনা সামনে আসার পর নড়েচড়ে বসে স্বাস্থ্য দফতর। রাজ্য থেকে জেলায় স্বাস্থ্য দফতরের টিমও গিয়েছিল। পরিকাঠামো উন্নয়নে জোর দেওয়া হয়। কিন্তু, ফের একদিনে একাধিক শিশু মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ বাড়িয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন পরিবারের লোকজন।

    ২৪ ঘণ্টায় ৭ জন শিশুর মৃত্যু! (Murshidabad)

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় বাড়ছে উদ্বেগ। বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে এই হাসপাতালে। অসুস্থ বাচ্চা নিয়ে হাসপাতালে আসতেও ভয় পাচ্ছেন পরিবারের লোকেরা। রেজিনগরের হাসিবুল শেখের নাতিও মারা গিয়েছে। তিনি বলেন, “আমি তো দেখলাম তিনটে বাচ্চা মারা গিয়েছে। আর আমার নাতিকে বহরমপুর নার্সিংহোম থেকে এখানে নিয়ে আসি। তারপর এখানেই নাতির মৃত্যু হয়েছে। শরদিন্দু মণ্ডল নামে এক রোগীর পরিবারের সদস্য বলেন, হাসপাতালে ১০ জন শিশুর মৃত্যুর পরও কর্তৃপক্ষের হুঁশ ফেরেনি। ফলে, পরিকাঠামো ঠিক করা হয়নি। তারজন্যই এই ঘটনা ঘটল। কার গাফিলতি তার তদন্ত হওয়া দরকার। রোগীর পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, এমনও অভিযোগ ওঠে শিশু মারা গেলেও দেহ ফেলে রাখা হয়, যাতে সংখ্যাটা না বাড়ে। পরে, খাতায় এন্ট্রি করা হয় বিস্তারিত। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তা মানতে চায়নি।

    আরও পড়ুন: চোপড়াকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন শুভেন্দু

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কী সাফাই দিলেন?

    হাসপাতাল (Hospital) সূত্রের জানা গিয়েছে, প্রতিদিন গড়ে ৩ থেকে ৪ জন শিশুর মৃত্যু হয়। সাত জন শিশুর মৃত্যু প্রসঙ্গে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের (Hospital) অধ্যক্ষ অমিত দাঁ বলেন, “আমাদের কাছে একটা শিশু এলেও তাকে সুস্থ করে বাড়ি পাঠানোই লক্ষ্য থাকে। আমাদের কাছে এরকম অফিশিয়াল কোনও তথ্য নেই, যেখানে বলতে পারব ৭-৮ জন শিশু মারা গিয়েছে। তবে, এটুকু বলতে পারি, মুর্শিদাবাদ অনেক বড় জেলা। একটাই মেডিক্যাল কলেজ। প্রচুর শিশু আছে। আমাদের ডাক্তারবাবুরা সাধ্যমত চেষ্টা করেন। তারপরও কী হয়েছে তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: বিজেপি করার অপরাধে ‘মিড ডে মিলে’র রান্নার কাজ থেকে বাদ মহিলাকে! অভিযুক্ত তৃণমূল

    Murshidabad: বিজেপি করার অপরাধে ‘মিড ডে মিলে’র রান্নার কাজ থেকে বাদ মহিলাকে! অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি করার অপরাধে মুর্শিদবাদের (Murshidabad) বেলডাঙা হরিমতি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের মিড ডে মিলের রান্নার কাজে বাদ দেওয়া হয়েছে মহিলা কর্মীকে। প্রতিবাদে স্কুলের সামনে অবস্থান বিক্ষোভে নেমেছেন এই রান্নার কর্মী। যদিও স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, সবটাই পুরসভা দেখে, আমাদের এখানে কোনও ভূমিকা নেই। ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তাপে শোরগোল পড়েছে এলাকায়।

    রান্নাকর্মীর বক্তব্য (Murshidabad)

    বিরোধী রাজনীতি করায় রাজনৈতিক হিংসার শিকার হন সাইফুন বিবি। তিনি বলেছেন, “প্রতিদিনের মতো আমি স্কুলের কাজে গেলে, স্কুলের শিক্ষিকা বলেন তোমাকে আর কাজে আসতে হবে না, তুমি পুরসভায় দেখা করে কথা বলো। আমি এলাকায় বিজেপি (BJP) করেছি, তাই আমাকে স্কুলে মিড ডে মিলের কাজ থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমি চাই, যে অন্যায় আচরণ হয়েছে, তা সকলের কাছে পৌঁছে যাক। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছি আমি। তৃণমূল নেতারা ষড়যন্ত্র করেছে আমার বিরুদ্ধে। আমি এখানে ১৫ বছরের ধরে কাজ করছি। এখন বর্তমানে এখানে ৮ জন কাজ করছেন। আমাকে সরিয়ে অন্য লোককে আনা হয়েছে। আমি ন্যায় বিচার চাই।”

    স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    স্কুলের (Murshidabad) দায়িত্বে থাকা শিক্ষিকা সাংবাদিকদের এই বিষয়ে বলেছেন, “পুরসভা থেকে আমাদের স্পষ্ট করে লোক পাঠিয়ে জানানো হয়েছে, এখানে মিড ডে মিলে রান্নার কাজের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের মধ্যে সাইফুন বিবিকে তুলে নেওয়া হল। তাঁর পরিবর্তে অন্য আরেক জন সাগরী হাজরাকে কাজে দেওয়া হল। একই ভাবে পুরসভার চেয়ারম্যানের প্রতিনিধি সৌরভ ঘোষ জানিয়েছেন, সাইফুন বিবি যেন পুরসভার অফিসে এসে দেখা করেন। এরপর আমরা সাইফুন বিবিকে পুরসভায় গিয়ে দেখা করতে বলেছি। স্কুলের মিড ডে মিলের কোনও রান্নার কাজের লোককে আমরা নিয়োগ করিনা এবং বেতনও দিই না। তাই স্কুলের কোনও বিষয় এখানে নেই।”

    আরও পড়ুনঃ রাজ্যপালের মানহানি মামলা, শুনানির দিন ঠিক করল হাইকোর্ট

    তৃণমূল চেয়ারম্যানের বক্তব্য (Murshidabad)

    বেলডাঙ্গা (Murshidabad) পুরসভার চেয়ারম্যান অনুরাধা হাজরা ব্যানার্জি বলেছেন, “এই ধরনের কর্মীরা কেউ স্থায়ী কর্মী নন। পুরসভা চাইলে পরিবর্তন করতে পারে। এসএইচগ্রুপের মধ্যে থাকা অনেকে কাজ করে থাকেন। তাঁদেরকে সময়ে সময়ে অদলবদল করে কাজ করানো হয়। কেউ ১৫ বছর ধরে কাজ করছেন! এটা বড় প্রশ্ন নয়। রাজনীতির (BJP) কোনও ব্যাপার নেই। আগামীদিনে আরও কিছু কর্মীকে পরিবর্তন করা হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ২৮টি রাজ্যের পাহাড়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে ওয়ার্ল্ড বুক অফ রেকর্ডসে বাংলার যুবক

    Murshidabad: ২৮টি রাজ্যের পাহাড়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে ওয়ার্ল্ড বুক অফ রেকর্ডসে বাংলার যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা দীর্ঘ ৯মাস ধরে ভারতের ২৮টি রাজ্যের উঁচু পাহাড়ে ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে ওয়ার্ল্ড বুক অফ রেকর্ডসে নাম লিখলেন বাংলার সেনকর্মী। এরপর দীর্ঘদিন পরে বাড়ি ফিরে এসে আবেগ তাড়িত হয়ে পড়লেন মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার কান্দি শহরের বাসিন্দা অমিত ঘটক। তাঁকে সম্মাননা দেওয়া হল জেলা থেকে। এলাকায় খুশির আবহ।

    সেনাবাহিনীতে যোগদান করেছিলেন (Murshidabad)

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) অমিত, ২০০০ সালে নিজের অদম্য ইচ্ছাশক্তির ওপর ভর করেই দেশের হয়ে কাজ করার জন্য সেনাবাহিনীতে যোগদান করেছিলেন। এরপর রেজিমেন্টেও কাজ করেছেন তিনি। কখনও পাহাড়ের মধ্যে মৃতদেহ উদ্ধার, কখনও বা বরফের ওপর দাঁড়িয়ে রাতের পর রাত পাহারা দিয়েছেন তিনি। তবে দেশের রাজ্যগুলিতে পাহাড়-পর্বত অতিক্রম করে সর্বোচ্চ শৃঙ্গ, এমনকী যেখানে শৃঙ্গ নেই সেখানকার সর্বোচ্চ উচ্চতায় গিয়ে ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন। আর তাতেই বিশেষ সম্মান সহ দেশের নাম ওয়ার্ল্ড বুক অফ রেকর্ডসে (World Book of Records) তুলেছেন অমিত।

    মাটি সংগ্রহে হয়েছে ভারতের ম্যাপ

    পশ্চিমবঙ্গের (Murshidabad) সর্বোচ্চ উচ্চতম শৃঙ্গ হল সান্দাকফু। লাদাখে সর্বোচ্চ শৃঙ্গ নুনে অবস্থিত, এমনকী সিকিমের জনসং শিখর, বিহারের গোবর্ধন পর্বত সহ একাধিক জায়গায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন অমিত। উল্লেখ্য প্রত্যক পাহাড় থেকে মাটি সংগ্রহ করে ভারতের ম্যাপ তৈরি করা হয়েছে অরুণাচল প্রদেশের নিমাসে। আর এই মিশনে পশ্চিমবঙ্গ থেকে সেনা জওয়ান হিসাবে ছিলেন অমিত ঘটক। অরুণাচল প্রদেশের জাতীয় পর্বতারোহণ এবং আনুষঙ্গিক ক্রীড়া সংস্থা নিমাসের তরফে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছিল।

    আরও পড়ুনঃ ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের দায়িত্ব থেকে রাজ্যকে সরানো হোক, গড়করির কাছে দাবি রাজুর

    অত্যন্ত গর্বিত অমিত

    মোট ৯জন প্রতিনিধিদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন অমিত। তিনি বলেছেন, “চারজন জুনিয়র কমিশন অফিসার, একজন কর্নেল ও চারজন সিভিল ইন্সট্রাক্টর ছিলেন এই মিশনের মধ্যে। তার মধ্যে সুবেদার ছিলাম আমি। রাজ্যের (Murshidabad) হয়ে সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে ওয়ার্ল্ড বুক অফ রেকর্ডসে (World Book of Records) নাম তুলতে পেরে আমি অত্যন্ত গর্বিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: “৫ জুন গুজরাটে গিয়েছেন, আর আসেননি”, ইউসুফকে তোপ হুমায়ুনের

    Murshidabad: “৫ জুন গুজরাটে গিয়েছেন, আর আসেননি”, ইউসুফকে তোপ হুমায়ুনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী  হওয়ার পর পরই ইউসুফ পাঠানের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। পরে, রাজ্য নেতৃত্বের হুঁশিয়ারির জেরে তিনি কিছুদিন চুপচাপ ছিলেন। ভোটের ফল ঘোষণার পর জেলায় অনুপস্থিতি নিয়ে বহরমপুরের তৃণমূল সাংসদকে তুলোধনা করলেন হুমায়ুন। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল (TMC Conflict) একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী বলেছেন হুমায়ুন? (Murshidabad)

    হুমায়ুন বলেন, “নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরে ৫ জুন আমাদের দলের সাংসদ ইউসুফ পাঠান গুজরাটে গিয়েছেন। তাঁকে এলাকার মানুষ ভোট দিলেন, কিন্তু, তিনি ৫ জুন পরে আর বহরমপুরে (Murshidabad) এলেন না। ভোট করে তাঁকে আমরা তো জিতিয়েছি। এবার তো তাঁর নিজের এলাকায় এসে ঘোরা দরকার। মানুষের চাওয়া-পাওয়া নিয়ে তাঁর কথা বলা দরকার। কিন্তু, তিনি এখনও এলেন না। তাঁর আশপাশে ‘গাঁয়ে মানে না, আপনি মোড়লেরা’ ভিড়ে গিয়েছেন। তাঁকে তাঁরা ‘মিসগাইড’ করতে শুরু করেছেন। সাংসদ হিসেবে তাঁর এলাকায় দ্রুত আসা উচিত। তাঁর এখানে না আসার জবাবদিহি ভোটারদের কেন আমাদের দিতে হবে।”

    আরও পড়ুন: ২০ টাকায় রাজি হয়নি! পুলিশের তোলাবাজি থেকে বাঁচতে দুর্ঘটনার কবলে পিকআপ ভ্যান

    রেজিনগরের বিধায়ককে তো কাজে পাওয়া যায় না

    রেজিনগরের (Murshidabad) বিধায়ক রবিউল আলম চৌধুরীর সঙ্গে হুমায়ুনের বিরোধ নিয়ে জেলায় দলের অন্দরে চর্চা রয়েছে। এবার ফের কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে। রেজিনগরের বিধায়ককে কটাক্ষ করে হুমায়ুন বলেন, “ফরিদপুরে মীর মদনের সমাধিস্থল-সহ আশপাশের এলাকা উন্নয়ন হওয়া দরকার। এর আগে প্রাক্তন রাজ্যপাল নুরুল হাসান এখানে এলে তাঁর কাছে আমরা এই জায়গার উন্নয়নে একাধিক দাবি জানিয়েছিলাম। পরবর্তীকালে আরেক রাজ্যপাল গোপালকৃষ্ণ গান্ধীও এখানে এসেছিলেন। কিন্তু, এখানকার কোনও উন্নয়ন হয়নি। আমি অন্য এলাকার বিধায়ক। ফলে, আমার এলাকা উন্নয়ন তহবিলের টাকা এখানে খরচ করতে পারব না। আর রেজিনগরের বিধায়ককে তো এ সব উন্নয়নমূলক কাজে পাওয়া যায় না। সকলে মিলে জেলা প্রশাসনের কাছে দাবি তুলে ধরতে পারলে কাজ হতে পারে।”

    রেজিনগরের বিধায়ক কী বললেন?

    হুমায়ুনের অভিযোগ নিয়ে জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান তথা রেজিনগরের বিধায়ক রবিউল আলম চৌধুরী বলেন, “শপথগ্রহণ শেষে লোকসভার অধিবেশন শুরু হবে। লোকসভার অধিবেশন ৩ জুলাই শেষ হবে। তার পরই সাংসদ ইউসুফ পাঠান এলাকায় আসবেন। আর আমাকে এলাকার মানুষ সব সময়েই কাছে পান। ফরিদপুরকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: মুর্শিদাবাদে স্কুল চলাকালীন পড়ুয়ার ব্যাগে মিলল আগ্নেয়াস্ত্র, আতঙ্ক

    Murshidabad: মুর্শিদাবাদে স্কুল চলাকালীন পড়ুয়ার ব্যাগে মিলল আগ্নেয়াস্ত্র, আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে রাজ্যজু়ড়ে তোলপাড় চলছে। এই আবহের মাঝে একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য পুলিশের নজরে এসেছে। জানা গিয়েছে, স্কুলের মধ্যে রিভলভার নিয়ে আসার অভিযোগ উঠল দুই স্কুল ছাত্রের বিরুদ্ধে। বিষয়টি জানাজানি হতেই মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বেলডাঙ্গা -২ ব্লকের আন্দুলবেড়িয়া হাইস্কুলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Murshidabad)

    বেলডাঙ্গা -২ ব্লকের (Murshidabad) আন্দুলবেড়িয়া হাইস্কুলে দুদিন আগে স্কুলের গেটম‍্যানে সঙ্গে অভিযুক্ত দুই স্কুল পড়ুয়ার কোনও একটি বিষয় নিয়ে বচসা বাধে। ওই দিনই তারা স্কুলের গেটম‍্যানকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছিল বলে অভিযোগ। শনিবার সকালে আসার সময় তারা  ব্যাগের মধ্যে লুকিয়ে একটি রিভলভার স্কুলে নিয়ে আসে। স্কুল ব্যাগের ভিতরে আগ্নেয়াস্ত্র থাকার বিষয়টি ক্লাসের অন্যান্য পড়ুয়ারা জানতে পারে। জানা গিয়েছে, রিভলভার নিয়ে গেটম্যানকে তারা ভয় দেখাবে বলে স্কুলে রটে যায়। এরপর অন্য পড়ুয়ারা স্কুলের প্রধান শিক্ষককে বিষয়টি জানায়। এরপরই স্কুল কর্তৃপক্ষ নড়েচড়ে বলে। দুই পড়ুয়ার ব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে রিভলভারটি উদ্ধার করে। পরে, তাদের অফিস রুমে নিয়ে এসে স্কুলের পক্ষ থেকে রেজিনগর থানায় খবর দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে রেজিনগর থানার পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেয়। স্কুলের পক্ষ থেকে ওই দুই ছাত্রকে রিভলভার সহ পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত দুজনেই দশম শ্রেণির ছাত্র। এরমধ্যে একজন তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েত প্রধানের ভাইপো রয়েছে। পুলিশ দুজনকে থানায় নিয়ে যায়। সাধারন মানুষের প্রশ্ন, স্কুলে যদি এই ভাবে পিস্তল নিয়ে আসে,তাহলে শিক্ষার হাল কোথায় গিয়েছে? কোথায় এই আগ্নেয়াস্ত্র ওই স্কুল পড়ুয়া পেয়েছে তা সবার আগে তদন্ত হওয়া দরকার।

    আরও পড়ুন: আজ প্রভু জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রা উৎসব, এর মাহাত্ম্য জানেন?

    অভিযুক্ত দুই পড়ুয়ার কী বক্তব্য?

    অভিযুক্ত দুই পড়ুয়ার বক্তব্য, আমরা রাস্তাতেই ওই আগ্নেয়াস্ত্রটি কুড়িয়ে পেয়েছি। স্কুলে আসার পথে আমরা সেটি দেখতে পাই। তাই, স্কুল ব্যাগে করে নিয়ে এসেছিলাম। আমরা কাউকে কোনও হুমকি দিইনি। গেটম্যানের সঙ্গে আমাদের কোনও বিবাদ নেই। কাউকে ভয় দেখানোর কোনও উদ্দেশ্য আমাদের নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share