Tag: Nabanna

Nabanna

  • Stamp Duty: বাড়ল ক্রেতার খরচ! ১ জুলাই থেকে স্ট্যাম্প ডিউটির ছাড় তুলে নিল রাজ্য সরকার

    Stamp Duty: বাড়ল ক্রেতার খরচ! ১ জুলাই থেকে স্ট্যাম্প ডিউটির ছাড় তুলে নিল রাজ্য সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোট মিটতেই খারাপ খবর। এই মাস থেকে রাজ্যে আগের তুলনায় আরও দামি হয়ে গেল ফ্ল্যাট-বাড়ি। এতদিন স্ট্যাম্প ডিউটি (Stamp Duty) এবং সার্কেল রেটে যে ছাড় মিলত, সেটা বন্ধ হয়ে গেল। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, ২০২১ সালের বাজেটে যে ছাড় দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল, তা ১ জুলাই থেকে বন্ধ করে দেওয়া হল। অর্থাৎ এবার থেকে আগের হারেই স্ট্যাম্প ডিউটি এবং সার্কেল রেট দিতে হবে। তার ফলে ফ্ল্যাট এবং বাড়ি আরও দামি হয়ে গেল।  

    ঠিক কী জানানো হয়েছে? (Stamp Duty) 

    সোমবারই অর্থ দফতর থেকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বলা হয়েছে, কোভিড অতিমারির সময় অর্থনৈতিক কারণে এই ছাড় ঘোষণা করা হয়েছিল। ২০২০ সালের শুরুতে করোনার প্রকোপ ছড়িয়েছিল বাংলা-সহ গোটা দেশে। তারপরে লকডাউন এবং করোনার একাধিক ঢেউয়ে দেশে আর্থিক অবস্থা ভেঙে পড়েছিল। বহু মানুষ কাজ হারিয়েছিলেন সে সময়। সেই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই স্ট্যাম্প ডিউটিতে ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।  
    সেই মতো ২০২১ সালের জুলাই থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়। প্রায় তিন বছর পর পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই ছাড় তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। এর আগে ২০২১ সালের বাজেটে আবাসন ক্ষেত্রে স্বল্প মেয়াদে সম্পত্তি রেজিস্ট্রেশন বা নথিভুক্তির জন্য স্ট্যাম্প ডিউটির (Stamp Duty) উপর ২% ছাড় ঘোষণা করেছিল রাজ্য। ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এই ছাড় দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল৷ পাশাপাশি কোনও এলাকার সম্পত্তির সরকারি দামও (সার্কল রেট) কমানো হয়েছিল ১০%। তবে এবার এই ছাড় দুটি ১ জুলাই থেকে আর কার্যকর থাকছে না। এবার থেকে সম্পত্তি ক্রয় ও বিক্রয় মূল্যের ওপর ৭ শতাংশ হারে স্ট্যাম্প ডিউটি দিতে হবে বলে নবান্ন (Nabanna) সূত্রে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘৭০ লক্ষ টাকা ফেরত দিতে চাই’, রেশন দুর্নীতি মামলায় জানালেন ঋতুপর্ণা!

    কেন এই সিদ্ধান্ত? 

    এ প্রসঙ্গে, প্রশাসনিক পর্যবেক্ষকদের অনেকের প্রশ্ন, তবে কি রাজ্যের ভাঁড়ারের পরিস্থিতি সত্যিই নড়বড়ে, তাই এই সব ছাড় বহাল রাখা গেল না? যদিও আবাসন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে আধিকারিকদের একাংশের বক্তব্য, এই সুবিধা চালুর সময় মানুষের আর্থিক পরিস্থিতি খারাপ অবস্থায় ছিল। তার সরাসরি প্রভাব পড়ছিল আবাসন বিক্রিতে। তাতে রাজ্যের আর্থিক বৃদ্ধির গতিও অনেকাংশে ধাক্কা খায়। এখন আর্থিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। তাই সেই ছাড় (Stamp Duty) চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন থাকছে না।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: রাজভবনের সুরক্ষায় আর প্রয়োজন নেই কলকাতা পুলিশের! অবিলম্বে খালি করার নির্দেশ বোসের

    CV Ananda Bose: রাজভবনের সুরক্ষায় আর প্রয়োজন নেই কলকাতা পুলিশের! অবিলম্বে খালি করার নির্দেশ বোসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লালবাজারের নিরাপত্তায় সুরক্ষিত নন রাজ্যপাল। অবিলম্বে রাজভবন খালি করুন। সোমবার সকালে রাজভবনে মোতায়েন কলকাতা পুলিশের কর্মীদের এমনটাই নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। ইতিমধ্যেই রাজভবন চত্বরে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের সরানোর নির্দেশ দিয়ে নবান্নে চিঠি দিয়েছেন রাজ্যপাল। এ প্রসঙ্গে রাজভবনের (Raj Bhavan) ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক জানিয়েছেন, রাজ্যপাল রাজভবনের ভিতরে মোতায়েন পুলিশ কর্মীদের অবিলম্বে প্রাঙ্গন খালি করার নির্দেশ দিয়েছেন।  

    কী জানিয়েছেন রাজ্যপাল? (CV Ananda Bose)

    চিঠিতে রাজ্যপাল জানিয়েছেন যে, রাজভবনের (Raj Bhavan) নিরাপত্তায় থাকা পুলিশ কর্মীরা তাঁর নির্দেশনা মানছে না। ফলে রাজভবন চত্বরে থাকা কলকাতা পুলিশের নিরাপত্তায় তিনি একেবারেই সুরক্ষিত বোধ করছেন না। তাই অবিলম্বে রাজভবনের (Raj Bhavan) নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশকর্মীদের সরিয়ে ফেলা হোক। যদিও রাজ্যপালের এই চিঠির প্রেক্ষিতে নবান্নের তরফে এখনও কোনও বক্তব্য মেলেনি।

    আরও পড়ুন: শিলিগুড়িতে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা, কাঞ্চনজঙ্ঘায় ধাক্কা মালগাড়ির, মৃত ৮, জখম ৬০

    আগে কী ঘটেছিল?  

    গত বৃহস্পতিবার রাজ্যে ভোট-পরবর্তী হিংসায় ‘আক্রান্তদের’ নিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে আসেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কিন্তু সে সময় তাঁকে রাজভবনের ভিতরে ঢুকতে দেয়নি কর্তব্যরত কলকাতা পুলিশ। রাজভবনের বাইরে ১৪৪ ধারা জারি থাকার কারণ দেখিয়ে শুভেন্দু সহ শো দুয়েক লোককে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ফলে রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) অনুমতি থাকা সত্ত্বেও রাজভবনে প্রবেশ করতে না পেরে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন বিরোধী দলনেতা। শুনানিতে বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, রাজ্যপাল কি গৃহবন্দী নাকি। তাঁর অনুমতি সত্ত্বেও কেন দেখা করার অনুমতি দেওয়া হল না। আর বিচারপতির এই মন্তব্যের পরেই এবার রাজভবন (Raj Bhavan) চত্বর থেকে লালবাজারের নিরাপত্তা সরিয়ে নেওয়ার জন্যে নবান্নকে চিঠি পাঠালেন রাজ্যপাল।

    যদিও রবিবার বিরোধী দলনেতা একশোর বেশি ঘরছাড়াকে নিয়ে রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) সঙ্গে দেখা করেন। সেই সময় রাজ্যপাল শুভেন্দু অধিকারীকে বলেন, পশ্চিমবঙ্গকে তিনি হিংসা মুক্ত করবেন। তিনি এর শেষ দেখে ছাড়বেন বলেও জানিয়েছিলেন। কিন্তু এসবের মাঝেই এবার বিচারপতির ওই মন্তব্যের পর সোমবার সকালে রাজ্যপাল এই নির্দেশ দেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nabanna: কেন্দ্রীয় ওবিসি কমিশনের তলব রাজ্যের মুখ্যসচিবকে, কেন জানেন?

    Nabanna: কেন্দ্রীয় ওবিসি কমিশনের তলব রাজ্যের মুখ্যসচিবকে, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে ওবিসি কমিশনের অফিসে তলব করা হল রাজ্যের (Nabanna) মুখ্যসচিব বিপি গোপালিকাকে। কিন্তু হঠাৎ এমন তলব কেন? জানা গিয়েছে, গত বছরের ৬ সেপ্টেম্বর রাজ্য সরকার ৮৭টি জাতিকে ওবিসি হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। এই বিষয়টি জানতে পেরে জাতীয় ওবিসি কমিশন সেই সমস্ত শ্রেণির ব্যাপারে কিছু তথ্য জানতে চেয়েছিল। সূত্রের খবর, রাজ্য সরকার সেই শ্রেণিগুলোর কোনও তথ্যই কেন্দ্রীয় ওবিসি কমিশনের কাছে পাঠায়নি। অর্থাৎ, কেন্দ্রীয় কমিশনকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে এই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রাজ্য। এখানেই উঠছে প্রশ্ন। ঠিক এই পরিপ্রেক্ষিতেই রাজ্যের মুখ্যসচিবকে তলব করা হল বলে জানা যাচ্ছে।

    কী জানা গেল কেন্দ্রীয় কমিশনের তরফে

    কেন্দ্রীয় ওবিসি কমিশনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, অনেকটা সময় অতিক্রান্ত হলেও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের (Nabanna) তৈরি ওই তালিকা সংক্রান্ত এখনও কোনও তথ্য মেলেনি। যাদেরকে ওই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, তাদের শিক্ষাগত অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। এছাড়াও ওই শ্রেণির আর্থসামাজিক অবস্থা সংক্রান্ত কিছু প্রশ্নের উত্তর চাওয়া হয়েছিল। রাজ্য সরকার এব্যাপারে কোনও তথ্যই পাঠায়নি কেন্দ্রীয় কমিশনে। প্রসঙ্গত, ৮ ফেব্রুয়ারি রাজ্য সরকারের বাজেট অধিবেশন রয়েছে (Nabanna)। এবং সেদিনই ডেকে পাঠানো হয়েছে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত মুখ্যসচিবকে। তবে এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি যে রাজ্যের মুখ্যসচিব ওবিসি কমিশনের তলবে সাড়া দেবেন কিনা।

    চলতি বছরেই মুখ্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পান গোপালিকা

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরেই নতুন মুখ্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পান বিপি গোপালিকা। হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর কার্যকালের মেয়াদ শেষে তাঁর জায়গায় স্থলাভিষিক্ত হন তিনি। এর আগে বিপি গোপালিকা স্বরাষ্ট্রসচিবের দায়িত্ব সামলেছেন (Nabanna)। সেপ্টেম্বর মাসে যে সময়ে কমিশনের তথ্য চাওয়া হচ্ছে, সেই সময় মুখ্যসচিবের দায়িত্বে তিনি ছিলেন না। এখন দেখার বিষয় ৮ তারিখে বাজেট অধিবেশন ছেড়ে বিপি গোপালিকা সেখানে সশরীরে হাজিরা দেন কিনা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sound Pollution: বছরের শেষ থেকে শুরু, উৎসব উদযাপনে শব্দের দাপটে নাজেহাল আমজনতা

    Sound Pollution: বছরের শেষ থেকে শুরু, উৎসব উদযাপনে শব্দের দাপটে নাজেহাল আমজনতা

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বছরের শেষ দিন হোক, কিংবা নতুন বছরের শুরুর দিন, উৎসব উদযাপনে শব্দের দাপটে (Sound Pollution) নাজেহাল সাধারণ মানুষ। অনেক জায়গায় অভিযোগ, সাধারণ মানুষ বারবার জানানোর পরেও স্থানীয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়নি। ফলে, ভোগান্তি বেড়েছে।

    কী সমস্যার অভিযোগ উঠছে? (Sound Pollution)

    ইংরেজি বর্ষবরণ উপলক্ষে কলকাতা থেকে জেলা, সর্বত্র উৎসবের আমেজ। আর উদযাপনের তীব্রতায় ভোগান্তি বাড়ছে সাধারণ মানুষের।‌ অভিযোগ, একাধিক এলাকায় রাত বারোটার পরেও তীব্র জোরে চলেছে ডিজে বক্স। তার সঙ্গে বর্ষবরণ উপলক্ষে লাগাতার বাজির আওয়াজ। শব্দ আর আলোর বাজির দাপটে জেরবার শহর থেকে শহরতলি।‌ শিশু ও বয়স্কদের সমস্যা বেড়েছে। সল্টলেক, দমদম, এয়ারপোর্ট থেকে শুরু করে খোদ কলকাতার শোভাবাজার থেকে টালিগঞ্জ, যাদবপুর সর্বত্র রাতভর শব্দের দাপটের অভিযোগ। বাদ যায়নি জেলাও। একাধিক জেলার বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাত বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে আওয়াজের দাপট (Sound Pollution)। রাত বারোটার পরে লাগাতার শব্দবাজির দাপটে নাজেহাল। তার সঙ্গে জোরে মাইক বাজিয়ে অনুষ্ঠান চলেছে। ফলে, পরিস্থিতি অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠেছে। অভিযোগ, স্থানীয় প্রশাসনকে বারবার জানিয়েও কোনও ফল‌ পাওয়া যায়নি। স্থানীয় থানার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে বেশ কিছু জায়গায় সেটাও সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের একাংশের।

    শব্দের এই দাপট কতখানি ক্ষতিকর? (Sound Pollution)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শব্দের এই দাপট স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক। শিশুদের শ্রবণশক্তির জন্য বিপদ তৈরি করতে পারে এই শব্দের দাপট। নাক-কান-গলার (ইএনটি) বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শব্দবাজির হঠাৎ তীব্র আওয়াজ কানের পর্দায় ক্ষত তৈরি করে। শিশুদের এই ক্ষত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। পাশপাশি লাগাতার ডিজের মতো তীব্র আওয়াজ কানে শুনলে শ্রবণ ক্ষমতা কমতে পারে বলেই আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। পাশপাশি শিশুদের মানসিক অস্থিরতা তৈরি করে এই শব্দের দাপট। রাতে লাগাতার এই তীব্র আওয়াজের শিশুদের মস্তিষ্কে একাধিক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তার জেরেই তাদের মানসিক অস্থিরতা দেখা দেয়। 
    শিশুদের পাশপাশি প্রৌঢ়দের জন্য এই শব্দের দাপট সমস্যা তৈরি করে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, যাদের হৃদরোগ আছে, শব্দের তীব্রতা তাদের জন্য বাড়তি বিপজ্জনক। হঠাৎ তীব্র আওয়াজ হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দেয়। আবার একটানা তীব্র আওয়াজ (Sound Pollution) রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। এই দুটোই হৃদরোগের জন্য বিপজ্জনক। তাই এই পরিস্থিতি সব বয়সীদের জন্য ক্ষতিকর।

    কী বলছে রাজ্য প্রশাসন?

    কলকাতা থেকে জেলা, একাধিক জায়গায় বর্ষবরণ উপলক্ষে শব্দের দাপট প্রসঙ্গে নবান্ন অবশ্য অভিযোগ (Sound Pollution) মানতে নারাজ। নবান্নের এক শীর্ষ কর্তা জানান, প্রত্যেকটি রাস্তায় পুলিশ পাহারা দিয়েছে। কোথাও আইন ভাঙা হয়নি। এলাকায় এলাকায় পুলিশ টহল দিয়েছে। এরপরেও কোনও অভিযোগ থাকলে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বর্ষবরণের রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ছিল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA Protest: ডিএ আন্দোলন ঘিরে ধুন্ধুমার, নবান্নের মুখে মিছিল আটকেও পিছু হটল পুলিশ

    DA Protest: ডিএ আন্দোলন ঘিরে ধুন্ধুমার, নবান্নের মুখে মিছিল আটকেও পিছু হটল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যত দিন যাচ্ছে, ডিএ নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের আন্দোলনের (DA Protest) ঝাঁঝ যেন ক্রমশ বেড়েই চলেছে। মুখ্যমন্ত্রীর ডিএ দেওয়া সংক্রান্ত ঘোষণাও সেই আগুনে জল ঢালতে পারেনি। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা শর্তসাপেক্ষে নির্দেশ দিয়েছিলেন, যৌথ মঞ্চের সদস্যরা নবান্ন বাসস্ট্যান্ডের সামনে ধর্নায় বসতে পারবেন। সেইমতো শুক্রবার ভোরের আলো ফোটার আগেই ডিএ নিয়ে আন্দোলনকারীরা মিছিল করে নবান্ন অভিমুখে রওনা দেন। কিন্তু বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছানোর আগেই তাঁদের আটকে দেয় পুলিশ। ব্যারিকেড করে তাঁদের যেতে বাধাও দেওয়া হয়। এই সময় পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ব্যাপক বচসা শুরু হয়ে যায়। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতা ভাস্কর ঘোষের নেতৃত্বে সবাই রাস্তার ওপরেই বসে পড়েন। মুহূর্তের মধ্যে ধুন্ধুমার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, বন্ধ হয়ে যায় যানবাহন চলাচল। পরে বেলার দিকে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে শুরু হয় ধর্না।

    মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরই ধর্না কর্মসূচি (DA Protest)

    উল্লেখ্য, বড়দিনের অনুষ্ঠানমঞ্চ থেকেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারি কর্মচারীদের চার শতাংশ ডিএ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন। কিন্তু এই রায়ে আন্দোলনকারীরা খুব একটা খুশি হতে পারেননি। তাঁদের সাফ কথা, ইতিমধ্যেই ৪০ শতাংশ ডিএ বকেয়া রয়েছে। সেই জায়গায় চার শতাংশ দেওয়ার অর্থ হল মাত্র ১০ ভাগের এক ভাগ দেওয়া। এরপরেও ৩৬ শতাংশ ডিএ বকেয়া থেকে যাবে। এমনকী সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতা ভাস্কর ঘোষ মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণাকে ‘ভিক্ষা’ বলেও কটাক্ষ করেছেন। পাশাপাশি একই দিনে হাইকোর্ট আন্দোলনকারীদের ধর্নায় বসার অনুমতি দেওয়ায় পরিস্থিতি যৌথ মঞ্চের পক্ষে চলে যায়। তাই মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরই সংগঠনের পক্ষ থেকে ধর্নার কর্মসূচি (DA Protest) ঘোষণা করে দেওয়া হয়। সেই মতোই কাক ভোরে আন্দোলনকারীরা নবান্ন অভিমুখে রওনা দেন।

    পুলিশ সবরকম চেষ্টা চালায় (DA Protest)

    আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও তাঁদের আটকাতে যাবতীয় ব্যবস্থা নিয়েছিল পুলিশ। প্রথমত সাত সকালে তাঁদের একটি কাগজ দেখিয়ে বলা হয়, ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ রয়েছে। কিন্তু সেটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। পাশাপাশি যে নির্দিষ্ট জায়গায় আন্দোলনকারীদের ধর্নায় (DA Protest) বসার কথা ছিল, সেই জায়গাটি ভরিয়ে দেওয়া হয় বেসরকারি বাসে। এখানেই প্রশ্ন উঠেছে, যেখানে সরকারি বাস থাকার কথা, সেখানে বেসরকারি বাস এল কীভাবে। যদিও ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশের জেরে পুলিশের যাবতীয় প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: হাইকোর্টে ভর্ৎসিত রাজ্য, নবান্ন বাসস্ট্যান্ডের সামনেই ডিএ নিয়ে ধর্নার অনুমতি

    Calcutta High Court: হাইকোর্টে ভর্ৎসিত রাজ্য, নবান্ন বাসস্ট্যান্ডের সামনেই ডিএ নিয়ে ধর্নার অনুমতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ রাজ্যে সরকারের বিরোধিতা করার অর্থই হল প্রশাসনের রোষানলে পড়া। সঙ্গত দাবি নিয়ে পথে নেমে কেউ আন্দোলন করলে তাতেও নেমে আসে শাসকের খড়্গহস্ত। পুলিশের প্রথম কাজই হয়, অনুমতি না দেওয়া। বিজেপি এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সভা নিয়ে এরকম একাধিক ঘটনার সাক্ষী রাজ্যবাসী। প্রতিটি ক্ষেত্রেই অবশ্য হাইকোর্টের (Calcutta High Court) কড়া সমালোচনার মুখে পড়ে, পিছু হটে শেষমেশ অনুমতি দিতে বাধ্য হয়েছে মমতার প্রশাসন। বৃহস্পতিবার একই ঘটনা ঘটল ডিএ আন্দোলনকারীদের ক্ষেত্রেও। তাঁদের সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সভার অনুমতি আটকে দিয়েছিল পুলিশ। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা শর্তসাপেক্ষে সেই অনুমতি দিয়ে দিলেন। শুধু তাই নয়, এবারও বিচারপতির ভর্ৎসনা থেকে রেহাই মিলল না সরকারের।

    কী নির্দেশ দিল হাইকোর্ট (Calcutta High Court)

    সংগ্রামী যৌথমঞ্চের পরিকল্পনা ছিল, তারা নবান্ন বাসস্ট্যান্ডের কাছে তাদের প্রতিবাদ সভা করবে। সেই মতো পুলিশের কাছে নিয়ম মাফিক আবেদনও করে তারা। কিন্তু প্রথা মেনে পুলিশ সেই অনুমতি দেয়নি। যুক্তি হল, রাজ্যের প্রশাসনিক কার্যালয় হল নবান্ন। সেখানে এই ধরনের বিক্ষোভ কর্মসূচি হলে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হতে পারে, নিরাপত্তাও হতে পারে বিঘ্নিত। রাজ্যের আরও যুক্তি ছিল, এভাবে ধর্না দিয়ে নাকি কোনও কাজ হয় না। এরই উত্তরে বিচারপতি মান্থা পাল্টা প্রশ্ন করেন, রেড রোডেও তো ১৪৪ ধারা থাকে। তাহলে সেখানে প্রশাসন মিছিল বা শোভাযাত্রা করার অনুমতি কীভাবে দিচ্ছে? আর সেখানে অনুমতি দেওয়া হলে নবান্নের কাছে নয় কেন?
    এরপরই তিনি জানিয়ে দেন, নবান্ন বাসস্ট্যান্ডের সামনে ধর্না কর্মসূচি করা যাবে, তবে কোনওভাবেই তা যেন ৭২ ঘণ্টার বেশি না হয়। একসঙ্গে ৩০০ জনের বেশি একই সময়ে থাকার ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন বিচারপতি (Calcutta High Court)। বিচারপতি আরও জানিয়ে দেন, ধর্নাতে কাজ হয় না, এই যুক্তিরও কোনও সারবত্তা নেই। কারণ চাকরিপ্রার্থীরা যখন ধর্না দিচ্ছেন, তখন তা দেখেই সরকার তাঁদের আলোচনার টেবিলে ডেকেছিল।

    কী কর্মসূচি যৌথমঞ্চের?

    আদালতের রায়ে দৃশ্যতই খুশির আবহ আন্দোলনকারীদের মধ্যে। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ কোর্টের (Calcutta High Court) রায় মেনে তাদের কর্মসূচিও ঘোষণা করে দিয়েছে। সেই মোতাবেক নবান্ন বাসস্ট্যান্ডের সামনে ধর্নায় তারা বসবেন আগামী ২২ ডিসেম্বর, যা চলবে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Raj Bhavan Kolkata: রাজ্যের হম্বিতম্বিই সার, তৃণমূল বিধায়ক শপথ নিলেন রাজভবনেই!

    Raj Bhavan Kolkata: রাজ্যের হম্বিতম্বিই সার, তৃণমূল বিধায়ক শপথ নিলেন রাজভবনেই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজভবনের (Raj Bhavan Kolkata) বিরুদ্ধে রীতিমতো যুদ্ধ জারি করেছে নবান্ন তথা শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস! অথচ শনিবার রাজভবনেই শপথ বাক্য পাঠ করতে দেখা গেল ধূপগুড়ির নবনির্বাচিত বিধায়ক নির্মলচন্দ্র রায়কে। এতেই ওয়াকিবহাল মহল বলছে রাজ্যের কি তবে হম্বিতম্বিই সার হল? তাদের বিধায়ককে শেষ পর্যন্ত শপথ রাজভবনেই (Raj Bhavan Kolkata) নিতে হল!

    সাধারণভাবে বিধায়কের শপথগ্রহণ বিধানসভাতেই হয়ে থাকে 

    সাধারণভাবে বিধায়কের শপথ গ্রহণ রাজভবনে হয় না বরং তা বিধানসভাতেই হয়ে থাকে, কিন্তু এমন বিরল ঘটনা এবার এ রাজ্যে চোখে পড়ল। পাশাপাশি রাজভবনে (Raj Bhavan Kolkata) বিধায়কের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে দেখা গেল না বিধানসভার অধ্যক্ষ এবং পরিষদীয় মন্ত্রীদের। এদিন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস নির্মলচন্দ্র রায়কে শপথ বাক্য পাঠ করান। তাঁর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বিধায়কের পরিবারও। যদিও এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল ২৩ সেপ্টেম্বর তবুও তা ৩০ সেপ্টেম্বরে সম্পন্ন হল, মাঝখানে শপথ নিয়ে শুরু হয় টানাপোড়েন।

    আরও পড়ুন: কম বয়সেও হার্ট অ্যাটাক! বিশ্ব হার্ট দিবসে জানুন হৃদযন্ত্র ভাল রাখার সহজ কিছু উপায়

    কেন রাজভবনে শপথ?

    রাজভবনের (Raj Bhavan Kolkata) তরফে বিধায়ককে চিঠি লিখে শপথ গ্রহণের আমন্ত্রণ জানানো হয়। রাজ্য সরকার অভিযোগ তোলে যে তাদেরকে নাকি এ বিষয়ে কোনও তথ্যই দেওয়া হয়নি। এরপরে রাজ্য সরকারের একাধিক মন্ত্রী তীব্র আক্রমণ করেন সিভি আনন্দ বোসকে। রাজভবনের যুক্তি, নবনির্বাচিত বিধায়ক রাজবংশী সমাজের এবং তাঁকে রাজভবনে শপথ বাক্য পাঠ করালে জনমানসে ইতিবাচক বার্তা যাবে। রাজভবনের (Raj Bhavan Kolkata) দরজা যে জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলের জন্য উন্মুক্ত, সেই বার্তাও পৌঁছানো সম্ভব। রাজ্যপালের দেওয়া প্রস্তাবে রাজি হয় সরকার। প্রসঙ্গত, চলতি মাসের ৮ তারিখ ধূপগুড়ি উপনির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হয়। নবনির্বাচিত বিধায়ক শপথ নিলেন ২২ দিন পরে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA Protest: মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতিতে আন্দোলন নয়! পেন ডাউন রুখতে মরিয়া নবান্ন

    DA Protest: মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতিতে আন্দোলন নয়! পেন ডাউন রুখতে মরিয়া নবান্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিএ বৃদ্ধির (DA Protest) দাবিতে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের একাংশ আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে তাঁরা যন্তর মন্তরে ধর্নাও দিয়েছেন। হাইকোর্টে নির্দেশে মুখ্য সচিবের সঙ্গে বৈঠকও হয়েছে কর্মচারিদের একাংশের। কিন্তু তাতেও মেলেনি রফাসূত্র। এই আবহেই, ২২ মে সোমবার ফের এক দফা পেন ডাউন কর্মসূচির ডাক দিয়েছে সরকারি কর্মচারী সংগঠনগুলি। এবারেও কড়া অবস্থান নিল নবান্ন। আগের বারের মতো এবারেও নবান্নের বক্তব্য যে পেন ডাউন কর্মসূচির ফলে পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হবে সাধারণ মানুষ। এবং তা সরকারি অফিসের কাজকর্মে বিঘ্ন ঘটাবে। নবান্নের আরও হুঁশিয়ারি, নিজের অফিসে থেকে দায়িত্ব পালন করতে যদি কোন কর্মচারীকে না দেখা যায়, তাহলে তার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে কী জানাল নবান্ন?

    শনিবার বিজ্ঞপ্তিতে নবান্ন স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে কোনভাবেই এই কর্মসূচি বরদাস্ত করবেনা সরকার। নির্দেশিকায় নবান্নের বক্তব্য, জনস্বার্থে পদক্ষেপ করবে সরকার। হাসপাতালে ভর্তি, নিকটাত্মীয়ের মৃত্যু বা আগে থেকে নেওয়া অন্যান্য বিশেষ কারণের ছুটিগুলি ছাড়া সেই দিনগুলিতে অর্ধ বা পূর্ণদিবসের ছুটি নেওয়া যাবে না। অন্যথায় কারণ দর্শাতে হবে। এমনকি মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতিতেও কোন সরকারি কর্মীকে যদি কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায়, তাহলে তার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, উপযুক্ত কারণ এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ ছাড়া নির্ধারিত সময়ের আগে অফিস থেকে বের হতে পারবেন না কোন সরকারি কর্মী। বেলা দেড়টা থেকে দুটোর মধ্যে মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতির সময় অন্য কোন কর্মসূচি পালন করা চলবে না, অন্যথায় প্রশাসনিক পদক্ষেপের মুখেও পড়তে হতে পারে রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের। শুধু তাই নয়, যদি মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতির সময় কেউ কর্মসূচি পালন করে তাহলে ধরে নেওয়া হবে যে তিনি সেদিন গরহাজির ছিলেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে সেইরকম প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রসঙ্গত, এই আন্দোলন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী গত সোমবারেই জানিয়েছেন, সরকারি চাকুরিজীবীরা বেতন এবং অন্যান্য সুযোগ সুবিধা পান কাজ করার জন্য। তাঁদের আন্দোলনের ফলে বিঘ্নিত হয় সাধারণ মানুষের পরিষেবা।

    কী বলছে কর্মচারী সংগঠনগুলি?

    কর্মচারী সংগঠনের এক রাজ্য নেতার কথায়, ‘‘ন্যায্য দাবিতে কর্মীরা আন্দোলন করতে বাধ্য হচ্ছেন। সরকার দাবি মিটিয়ে দিলে এই সব আন্দোলনের দরকার পড়ে না। টিফিনের সময় হল কর্মচারীদের ব্যক্তিগত সময়। সেই অধিকারেও হস্তক্ষেপ করেছে সরকার। ওই নির্দেশনামা বাতিলের দাবিতে সোমবার টিফিনের সময় দফতরে দফতরে বিক্ষোভ সমাবেশ হবে।’’ অপর এক আন্দোলনকারীর মতে, ‘‘রাজ্য সরকার এভাবে স্বৈরতান্ত্রিক মানসিকতার পরিচয় দিচ্ছে। যত দমন পীড়ন চলবে, প্রতিরোধ ততই বাড়বে।’’ আরেকটি কর্মচারী সংগঠনের মত হল, ‘‘কর্মবিরতি পালনে বেতন কাটা যেতে পারে কিন্তু অন্য কোন শাস্তি এভাবে দিতে পারে না সরকার। এটা অত্যন্ত অগণতান্ত্রিক এবং ডিএ সহ নানা দাবীতে আন্দোলন বাছাই করতে পদক্ষেপ।’’ এখন দেখার সোমবারে রাজ্য জুড়ে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে সরকারি কর্মীদের আন্দোলন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Principal Secretary: রাজ্যপালের সচিব পদের জন্য তিনটি নাম পাঠাল নবান্ন! জানেন তাঁরা কে?

    Principal Secretary: রাজ্যপালের সচিব পদের জন্য তিনটি নাম পাঠাল নবান্ন! জানেন তাঁরা কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যপাল (Governor) সিভি আনন্দ বোসের সচিব (Principal Secretary) পদের জন্য তিনটি নাম রাজভবনে (Raj Bhawan) পাঠাল নবান্ন (Nabanna)। এই তিনজন হলেন, সুন্দরবন উন্নয়নের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব অত্রি ভট্টাচার্য, শ্রম দফতরের সচিব বরুণকুমার রায় এবং উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের সচিব অজিতরঞ্জন বর্ধন। নিয়ম অনুযায়ী, এই তিন জনের মধ্যে থেকেই একজনকে রাজ্যপালের সচিব (Principal Secretary) হিসাবে বেছে নেওয়ার কথা রাজভবনের।

    রাজ্যপালের সচিব (Principal Secretary) পদে কে?

    সম্প্রতি রাজ্যপালের প্রধান সচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে রাজভবন থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। আর তারপর থেকেই জল্পনা ছিল, রাজ্যপালের পরবর্তী প্রধান সচিব (Principal Secretary) কে হবেন। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস কাকে নিজের প্রধান সচিব হিসাবে বেছে নেন সেটাই দেখার। রাজভবন এবং বিজেপি সূত্রের খবর, নবান্নের পাঠানো এই তিন নামের বাইরে থাকা আইএএস সুব্রত গুপ্তকে সচিব হিসেবে চাইছেন রাজ্যপাল। যদিও এই বিষয়ে নবান্ন কিংবা রাজভবনের তরফ থেকে কোনওরকম প্রতিক্রিয়া মেলেনি। শনিবার এই সুব্রত গুপ্তকেই মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী নবান্নে ডেকেছিলেন। তাঁর সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ বৈঠকও করেছিলেন। তবে সেই বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, তা সামনে আসেনি। মনে করা হচ্ছে, রাজ্যপালের সচিব (Principal Secretary) প্রসঙ্গেই আলোচনা হলেও হতে পারে। এখন দেখার রাজ্যপাল কী করেন? তাঁর প্রধান সচিব হিসেবে (Principal Secretary) অন্য নাম পাঠাবেন না এঁদের মধ্যে থেকেই কাউকে নিজের সচিব হিসেবে বেছে নেবেন তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে। 

    আরও পড়ুন: ‘পার্থ’-কে টাকা দিয়েও মেলেনি চাকরি! আত্মহত্যা যুবকের, সিবিআই-নির্দেশ হাইকোর্টের

    রাজ্যের একাধিক দফতরের সচিব পদ সামলানোর অভিজ্ঞতাসম্পন্ন নন্দিনী চক্রবর্তী ছিলেন রাজ্যপালের প্রধান সচিব (Principal Secretary)। লা গণেশন যখন কিছু সময়ের জন্য বাংলার রাজ্যপাল হিসাবে এসেছিলেন, তখন থেকেই নন্দিনী চক্রবর্তী এই পদে ছিলেন। এরআগে এই পদের দায়িত্ব সামলেছেন সুনীলকুমার গুপ্তা। এবার কে এই পদে বসে তা নিয়ে জোর জল্পনা চলছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Nabanna: নবান্ন উৎসবের তাৎপর্য জানুন

    Nabanna: নবান্ন উৎসবের তাৎপর্য জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “নবান্ন” (Nabanna) শব্দের অর্থ “নতুন অন্ন”। নবান্ন উৎসব হল নতুন আমন ধান কাটার পর সেই ধান থেকে প্রস্তুত চালের প্রথম রান্না উপলক্ষে আয়োজিত উৎসব। গ্রাম বাংলায় শব্দটি যে খুবই জনপ্রিয় তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। তাইতো রাজ্য সরকার পরিচালনার ভবনের নাম নবান্ন। আবার বিরোধী দলগুলোর আন্দোলনের সৌজন্যে খবরের শিরোনামে প্রায়ই দেখা যায় নবান্ন অভিযান। গ্রাম বাংলার লোকাচার,  নবান্নতে (Nabanna) সাধারণত পুজো হয় দেবী অন্নপূর্ণার। হিন্দুশাস্ত্র তৈত্তিরীয়োপনিষদের ব্রহ্মানন্দবল্লীতে জীবদেহের পঞ্চকোষের উল্লেখ আছে। তার মধ্যে প্রধান হল অন্নময় কোষ। আমাদের এই স্থূল শরীরকেই বলা হয়েছে অন্নকোষ। বৃহদারণ্যকে বলা হচ্ছে, “অন্নে হীমানি সর্বাণি ভূতাণি বিষ্টানি”। সমস্ত চরাচর জগত এই অন্নেই প্রতিষ্ঠিত। অন্ন এবং প্রাণই ব্রহ্ম। আর ধান শুধু কৃষকের নয়, আপামর বাঙালির কাছে পূজিতা লক্ষ্মীর প্রতীক রূপে। কার্তিকের সংক্রান্তির দিন মাঠের ঈশান কোণ থেকে নতুন ধান মুঠো করে আনা হয় কৃষকের গৃহে, এই রীতি বহু প্রাচীন। অঘ্রাহায়ণের শুভদিনে ধান সম্পূর্ণ পেকে গেলে হয় নবান্ন উৎসব। এই দিন গৃহদেবতাকে নতুন ধানের চাল কুটে পায়েস বানিয়ে নিবেদন করা হয়। পিঠাপুলিও হয় কোথাও কোথাও। ধানের গোলা, মড়াই ঘিরে আলপনা দেওয়া হয়। তারপর সেই অন্নপ্রসাদ গ্রহণ করা হয়। যে-কোনও শস্যই আগে ইষ্ট বা গৃহদেবতাকে নিবেদন করার রীতি আছে বাংলায়। আর ধান তো প্রধান শস্য আমাদের। যাইহোক, আগে নবান্নের (Nabanna) পরেই ধান কাটার রীতি ছিল। পৌষে পৌষলক্ষ্মী ভরা ধান্যে অধিষ্ঠান করেন, এটাই ভক্তদের বিশ্বাস।

    আরও পড়ুন: শিব-পার্বতীর পুত্র কীভাবে হলেন দেব সেনাপতি কার্তিক, জেনে নিন সেই গল্প

     গ্রাম বাংলায় কী কী হয় নবান্ন (Nabanna) উৎসবের দিন ? 

    এই সময়কালে গ্রামবাংলায় বড়ি দেওয়ার আচারও দেখা যায় কোথাও কোথাও। যেমন মেদিনীপুরের গয়না বড়ি খুবই বিখ্যাত। কর্তাবড়ি আর গিন্নিবড়ি বানিয়ে তেল-সিঁদুর, ধান-দুর্বা দিয়ে মায়েরা পূজা করেন। এছাড়াও আগেকার দিনে বিভিন্ন জিনিস ‘জিইয়ে’ রাখা হত এই সময়। কচি বাধাকপি, আমলকি, মাছ এবং আরও নানান জিনিস এই সময় নুন দিয়ে জারিয়ে জল বের করে শুকিয়ে শিকেয় তুলে রাখা হত। ভক্তদের বিশ্বাস,দেবী অন্নপূর্ণার পুজো করলে কখনও অন্নের অভাব হয়না। নবান্ন উৎসবে নতুন গুড় সহ নতুন চালের তৈরি খাবার বানিয়ে কলাপাতায় করে খাওয়ার রীতি দেখা যায়। প্রতিবেশী ও আত্মীয় এবং সেই সঙ্গে কাক-কে দেওয়া হয় ওই চাল মাখা। এটি একটি বিশেষ লৌকিক প্রথা। লোক বিশ্বাস অনুযায়ী, কাকের মাধ্যমে ওই খাদ্য পূর্ব-পুরুষদের কাছে পৌঁছে যায়। এই নৈবেদ্যকে বলে “কাকবলী”। 
    অগ্রহায়ণ মাস এলেই মাঠজুড়ে ধানকাটার ব্যস্ততা চোখে পড়ে। ধান ভাঙার গান ভেসে বেড়ায় আকাশে বাতাসে, এখন অবশ্য যান্ত্রিকতার ছোঁয়ায় ঢেঁকিতে ধান ভানার শব্দ খুব একটা শোনা যায় না। অথচ খুব বেশি দিন আগের কথা নয়, ঢেঁকি ছাঁটা চাল দিয়েই হতো ভাত খাওয়া। খড়ের পালা, মাটির বাড়িতে গোবরের গোলা দিয়ে নিকানো উঠান,  তারমাঝে আল্পনা! নবান্ন (Nabanna) উৎসবে প্রতিটি গ্রামে এ যেন চেনা দৃশ্য। এখন অবশ্য আধুনিকতার ছোঁয়ায় অনেক কিছুই বদলেছে। তার পরও নতুন চালের ভাত নানা ব্যঞ্জনে মুখে দেয়া হয় আনন্দঘন পরিবেশ। তৈরি করা হয় ক্ষীর- পায়েসসহ নানা উপাদান।

    কবিতায় নবান্ন (Nabanna)

    নবান্ন নিয়ে অনেক কবিতা, গল্প,নাটক ইত্যাদি রয়েছে। বিভিন্ন সাহিত্যিকের লেখায় উঠে এসেছে বাংলার গ্রামীণ চিত্র। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায় ”ঘ্রাণেভরা অঘ্রাণে শুভ নবান্ন (Nabanna)।” কবি যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তর ভাবনায় “ক্ষমাকর সখা বন্ধ করিনু তুচ্ছ ধানের গল্প।”  কবি জীবনানন্দ দাশের কবিতায় উঠে এসেছে এই “নবান্ন”,

    “আবার আসিব ফিরে ধান সিঁড়িটির তীরে,এই বাংলায়

    মানুষ নয়, হয়তো বা শঙ্কচিল শালিখের বেশে,

    হয়তো ভোরের কাক হয়ে এই কার্তিকের নবান্নের (Nabanna) দেশে”।

    নবান্ন উৎসবের সাথে মিশে আছে বাঙালিয়ানার হাজার বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য আর সংস্কৃতির নানা বর্ণময় দিক। প্রাচীনকাল থেকেই বাঙালি জাতি নবান্নকে কেন্দ্র করে উৎসবে মেতে ওঠে। তৈরি হয় এক সামাজিক মেলবন্ধন। নবান্ন উৎসবে গ্রামগঞ্জে আয়োজন করা হয় অন্নপূর্ণা পুজো । শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সমস্ত বয়সের মানুষজন এই উৎসবে মাতে। এখন আর শুধু গ্রামেই নয়, শহরের মানুষও এখন নবান্নের স্বাদ নিয়ে থাকে। এই নবান্ন চাল বাটা, নারকেল কোরা, নলেন গুড়, ফলের কুচি, সন্দেশ মাখা ইত্যাদি উপকরণ দিয়ে তৈরি হয়। এসব উপকরণগুলিকে সামান্য দুধের সঙ্গে  ভালো করে মিশিয়ে নিয়ে তৈরি হয় নবান্ন । হিন্দু বিশ্বাস অনুযায়ী, নতুন ধান উৎপাদনের সময় পিতৃপুরুষরা অন্ন প্রার্থনা করে থাকেন। এই কারণে হিন্দুরা পার্বণ বিধি অনুযায়ী নবান্নে শ্রাদ্ধানুষ্ঠান করে থাকেন। শাস্ত্রমতে, নবান্ন শ্রাদ্ধ না করে নতুন অন্ন গ্রহণ করলে পাপের ভাগী হতে হয়। বাঙালির আপন উৎসব নবান্ন (Nabanna)। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     
LinkedIn
Share