Tag: Nabanna

Nabanna

  • Calcutta High Court: মুখ পুড়ল রাজ্যের! ডিএ-র দাবিতে মিছিলের নির্দেশ বহাল ডিভিশন বেঞ্চেও

    Calcutta High Court: মুখ পুড়ল রাজ্যের! ডিএ-র দাবিতে মিছিলের নির্দেশ বহাল ডিভিশন বেঞ্চেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার হাইকোর্ট ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। ডিএ-র দাবিতে নবান্ন পর্যন্ত মিছিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের কো-অর্ডিনেশন কমিটি। বুধবারই শর্তসাপেক্ষে কমিটিকে ওই কর্মসূচি পালনের অনুমতি দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার সিঙ্গল বেঞ্চ। সেই নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য সরকার।

    নির্দেশ বহাল ডিভিশন বেঞ্চেও (Calcutta High Court)

    বৃহস্পতিবার শর্তসাপেক্ষে সিঙ্গল বেঞ্চের সেই নির্দেশই বহাল রাখে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ। এখানেও বেশ কিছু শর্ত মেনে চলার কথা বলা হয়েছে মিছিলকারীদের। বেঞ্চের নির্দেশ, “এক লাইনে মিছিল করতে হবে। মিছিল শেষে কেবল একজন মাত্র বক্তৃতা দিতে পারবেন। শান্তিপূর্ণ মিছিল করতে হবে। মিছিল যেন কোথাও দাঁড়িয়ে না যায়।” প্রধান বিচারপতির (Calcutta High Court) মন্তব্য, “মিষ্টি দই, আলুপোস্ত, লুচি যেমন বাংলার সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ, মিটিং-মিছিলও তাই। এখানে সবাই জন্মগত যোদ্ধা।” তিনি বলেন, “কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সেদিকে নজর রাখতে হবে সংগঠনকে। কর্মসূচি শেষ করতে হবে দু’ ঘণ্টার মধ্যে।”

    আরও পড়ুুন: “রাজ্যের ক্ষমতা নেই আটকানোর, রাজনীতি করবেন না”, সিএএ নিয়ে মমতাকে ‘শাহি’ তোপ

    মিছিলে শর্ত আদালতের 

    বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি মান্থাও নির্দেশ দিয়েছিলেন, হাওড়া রেল মিউজিয়াম থেকে নবান্ন বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত মিছিল করতে পারবে কো-অর্ডিনেশন কমিটি। দুপুর ১টা থেকে কর্মসূচি শুরু করা যাবে। মিছিলে সর্বাধিক ১৫০০ জন থাকতে পারবেন। পুলিশ ওই মিছিলের ওপর প্রয়োজনীয় শর্ত আরোপ করতে পারবে। বিচারপতি মান্থার নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য।

    মিছিল শুরু দুপুর ১টায়

    এদিনের শুনানিতে নবান্ন বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত মিছিলে আপত্তি জানায় রাজ্য। সওয়ালে রাজ্যের এজি বলেন, “ওই জায়গায় কোনও কর্মসূচি হয় না। শাসক বা বিরোধী কাউকে কোনও দিন অনুমতি দেওয়া হয় না। গতবারের চেয়ে এবার কর্মসূচিতে লোকের সংখ্যাও বৃদ্ধি করা হয়েছে।” এজির উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি বলেন, “একটি লাইন ধরে মিছিল যাবে। সেখানে সরকারি কর্মচারীরা অংশ নেবেন। সরকার তো তাঁদের সবার পরিচয় জানবে। তাই অসুবিধা হওয়ার কথা নয় (Calcutta High Court)।” প্রসঙ্গত ডিএ-র দাবিতে বৃহস্পতিবার কোঅর্ডিনেশন কমিটির মিছিল শুরু হওয়ার কথা দুপুর ১টায়। শেষ হবে নবান্ন বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে।

    ‘মহার্ঘ ভাতা বাড়লে তো পুলিশেরও বাড়বে’

    পুলিশের উদ্দেশেও তাৎপর্যপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছেন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, ‘‘তারা (আন্দোলনকারী) সরকারি কর্মী, তারা সব নির্দেশ মেনে চলবেন। যদি না মানেন তাহলে তাদের সনাক্ত করতে পুলিশের কোন অসুবিধা হবে না। এর আগে যখন কর্মবিরতি হয়েছিল তখন মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন যে বেতন কাটা হবে। ফলে এই সরকারি কর্মীদের ওপর আপনাদের নিয়ন্ত্রণ আছে।’’ তখন আন্দোলনকারীদের তরফে বলা হয়, ‘‘পুলিশ অসুবিধা সৃষ্টি না করলে অশান্তি কেন হবে?’’ এর উত্তরে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘‘না না, পুলিশ কেন বাধা দেবে। আপনারা যদি মহার্ঘ ভাতা পান, তাহলে পুলিশও পাবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: বৃহস্পতিবার সন্দেশখালিতে জাতীয় আদিবাসী কমিশন, নবান্নর রিপোর্ট তলব

    Sandeshkhali: বৃহস্পতিবার সন্দেশখালিতে জাতীয় আদিবাসী কমিশন, নবান্নর রিপোর্ট তলব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় তফশিলি কমিশন সন্দেশখালি (Sandeshkhali) থেকে ফিরেই রাষ্ট্রপতি শাসনের সুপারিশ করেছিল। জাতীয় মহিলা কমিশনও সন্দেশখালির মহিলাদের সঙ্গে কথা বলে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কড়া রিপোর্ট জমা দিয়েছে রাইসিনা হিলসে। আগামীকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার এবার সন্দেশখালি যাচ্ছে জাতীয় আদিবাসী কমিশন।

    বুধবারই চিঠি দেওয়া হয়েছে নবান্নকে

    বুধবারই জাতীয় আদিবাসী কমিশন একটি চিঠি দিয়েছে রাজ্যের মুখ্যসচিব বিপি গোপালিক এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমারকে। সূত্রের খবর, ওই চিঠিতে জানানো হয়েছে, সন্দেশখালির (Sandeshkhali) এক আদিবাসী মহিলা এবং এক আইনজীবীর কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েই সেখানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই মর্মেই রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং ডিজিপি রাজীব কুমারের কাছ থেকে সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে একটি রিপোর্টও তলব করছে আদিবাসী কমিশন। চিঠিতে তিন দিনের মধ্যে ওই রিপোর্ট দিতে বলেছে কমিশন। অন্যথায় রাজীব কুমার এবং গোপালিককে সশরীরে দিল্লিতে কমিশনের হাজিরা দেওয়ার জন্য ডেকে পাঠানোও হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। না এলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছে কমিশন। সন্দেশখালিতে মহিলাদের ওপর অত্যাচার, জমি দখল সংক্রান্ত যে সব অভিযোগ উঠেছে, সেই অভিযোগের ভিত্তিতে কী কী পদক্ষেপ করেছে সরকার এবং রাজ্য পুলিশ তা জানাতে হবে কমিশনকে।

    সন্দেশখালিতে একের পর এক কমিশন

    গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ১৫ ফেব্রুয়ারি অশান্ত সন্দেশখালি গিয়েছিলেন জাতীয় তফশিলি কমিশনের প্রতিনিধি দল। সেখানে ওই প্রতিনিধি দলকে নানাভাবে বাধা দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। এর ঠিক ৪ দিন পরে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি সন্দেশখালি (Sandeshkhali) যান জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন রেখা শর্মা। সংবাদমাধ্যমের সামনে জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, ‘‘দিনের পর দিন মহিলাদের উপর নির্যাতন হয়েছে। ১৮টা অভিযোগ পেয়েছি। দু’জন ধর্ষণের অভিযোগ জানিয়েছে। পুলিশের উপর মানুষের আস্থা নেই। আমাকে ধরে গ্রামের মহিলারা কাঁদছেন। রাষ্ট্রপতি শাসন ছাড়া কোনও উপায় নেই।’’ তফশিলি কমিশন, মহিলা কমিশনের পরে এবার সন্দেশখালিতে পা পড়তে চলেছে আদিবাসী কমিশনের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Madhyamik Examination: মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার সময় বদল, ক’টা থেকে শুরু পরীক্ষা?

    Madhyamik Examination: মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার সময় বদল, ক’টা থেকে শুরু পরীক্ষা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সূচি অপরিবর্তিত থাকলেও মাধ্যমিক (Madhyamik Examination) এবং উচ্চমাধ্যমিকের পরীক্ষার সময় পরিবর্তিত হল। বৃহস্পতিবার উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফ থেকে এই পরিবর্তিত সময়ের কথা জানানো হয়। সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার নবান্নে রাজ্যের প্রশাসনের সঙ্গে পর্ষদ এবং সংসদের বিশেষ বৈঠক হয় এবং তার পরেই পরীক্ষার সময়ের বদলের কথা জানানো হয়। সমানেই পরীক্ষা তাই ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে এই নতুন সময় ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। 

    কী বলা হয়েছে সংসদের বিবৃতিতে (Madhyamik Examination)?

    আগে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, বেলা ১২টা থেকে পরীক্ষা শুরু হবে। যা চলবে ৩টে ১৫ মিনিট পর্যন্ত। কিন্তু এখন নতুন বিবৃতিতে বলা হয়, পরীক্ষার সময় সওয়া ২ ঘণ্টা এগিয়ে আনা হয়েছে। এখন পরীক্ষা শুরু হবে সকাল ৯টা ৪৫ মিনিট থেকে এবং শেষ হবে দুপুর ১টায়। একইভাবে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের পক্ষ থেকে বলা হয়, মাধ্যমিকের (Madhyamik Examination) পরীক্ষার সময় ২ ঘণ্টা এগিয়ে আনা হয়েছে। আগে পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটে কিন্তু এখন পরীক্ষা শুরু হবে ৯টা ৪৫ মিনিটে। পরীক্ষা শেষ হবে সময় দুপুর ১টায়। তবে সংসদের তরফ থেকে কেন সময় পরিবর্তন করা হয়েছে সেই বিষয়ে কিছুই এখনও পর্যন্ত জানানো হয়নি।

    রুটিনের বদল হচ্ছে না

    পরীক্ষার সময় পরিবর্তিত হলেও সূচি অপরিবর্তিত রয়েছে। বদলাচ্ছে না পরীক্ষার দিন। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু এবং তা চলবে আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। পরীক্ষার সূচি বা রুটিনের মধ্যে বিষয় বা দিনের কোনও রকম বদল ঘটছে না। কেবল মাত্র পরীক্ষার সময় বদলের কথা জানানো হয়েছে।

    একই ভাবে মাধ্যমিক (Madhyamik Examination)  শুরু পরীক্ষা হবে আগামী ২ ফেব্রুয়ারি এবং চলবে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। প্রথম দিন হবে প্রথম ভাষার পরীক্ষা৷ পরের দিন ৩ ফেব্রুয়ারি হবে দ্বিতীয় ভাষার পরীক্ষা। এরপর ৫ ফেব্রুয়ারি হবে ইতিহাস, ৬ ফেব্রুয়ারি হবে ভূগোল, ৮ ফেব্রুয়ারি হবে অঙ্ক, ৯ ফেব্রুয়ারি হবে জীবন বিজ্ঞান, ১০ ফেব্রুয়ারি হবে ভৌত বিজ্ঞান এবং ১২ ফেব্রুয়ারি-ঐচ্ছিক বিষয়ের পরীক্ষা।      

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: রাজ্যের নয়া স্বরাষ্ট্রসচিব নন্দিনীর ‘অবৈধ নিয়োগে’র বিরুদ্ধে আদালতে শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: রাজ্যের নয়া স্বরাষ্ট্রসচিব নন্দিনীর ‘অবৈধ নিয়োগে’র বিরুদ্ধে আদালতে শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের নয়া স্বরাষ্ট্রসচিব হলেন নন্দিনী চক্রবর্তী। রবিবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে নয়া স্বরাষ্ট্রসচিবের নাম ঘোষণা করা হয়। এদিনই ঘোষণা করা হয় নয়া মুখ্যসচিব বিপি গোপালিকার নামও। রাজভবন থেকে অব্যাহতি পাওয়ার পর নন্দিনীকে বসানো হয়েছিল পর্যটন দফতরের সচিব পদে। সেখান থেকে তাঁকে করে দেওয়া স্বরাষ্ট্রসচিব।

    শুভেন্দুর দাবি

    সোমবার থেকে নয়া দফতরে এসে কাজও শুরু করে দিয়েছেন নন্দিনী। তাঁর এই নিয়োগকেই ‘অবৈধ’ দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে যাবেন বলেও জানান তিনি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “শুধু স্বরাষ্ট্রসচিব পদেই নয়, এর আগেও একাধিক পদে অবৈধভাবে আধিকারিকদের নিয়োগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজীব কুমার আইপিএস হওয়া সত্ত্বেও, তাঁকে তথ্য ও প্রযুক্তি দফতরের সচিব করা হয়েছিল। যা পুরোপুরি অবৈধ।”

    আদালতে যাচ্ছেন শুভেন্দু 

    শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, নন্দিনীকে স্বরাষ্ট্রসচিব পদে নিয়োগের পর আইনগত বিভিন্ন নথি খতিয়ে দেখেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। কেন্দ্রীয় সরকারের কয়েকজন আধিকারিকের কাছ থেকেও নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে জেনেছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। তার পরেই প্রতিবাদ জানিয়েছেন এক্স হ্যান্ডেলে। সঙ্গে যাবতীয় তথ্য ও নথি সংগ্রহ করে আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতিও নিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তাঁর দাবি, রাজ্য প্রশাসনের ১৩জন অতিরিক্ত মুখ্যসচিব ও ৫ জন প্রধান সচিবকে বাদ দিয়ে স্বরাষ্ট্র দফতর অবৈধভাবে স্বরাষ্ট্রসচিব নিয়োগ করেছে। নন্দিনীর এই অবৈধ নিয়োগের বিষয়টি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেট সচিব রাজীব গুউবা, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় ভল্লা, প্রশাসনিক ও প্রশিক্ষণ মন্ত্রকের সচিব এস রাধা চৌহানকেও। আইএএস আধিকারিকদের সংগঠনকেও বিষয়টি জানিয়েছেন শুভেন্দু।

    আরও পড়ুুন: “মুষল পর্ব চলছিলই, সেটা প্রকাশ্যে এল”, তৃণমূলকে নিশানা দিলীপের

    প্রসঙ্গত, পর্যটন দফতরে আসার আগে নন্দিনী ছিলেন রাজভবনে। পরে তাঁকে সরিয়ে দেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তড়িঘড়ি তাঁকে নিয়োগ দেওয়া হয় পর্যটন দফতরে। সেখান থেকে সোজা স্বরাষ্ট্র দফতরের সচিব পদে। যাকে অবৈধ বলে দাবি করছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

     

  • CV Anand Bose: বৈঠক ডাকতে পারেন অন্তর্বর্তী উপাচার্যরা, সাফ জানালেন রাজ্যপাল

    CV Anand Bose: বৈঠক ডাকতে পারেন অন্তর্বর্তী উপাচার্যরা, সাফ জানালেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবসান রাজভবন-নবান্ন বিতর্কের! উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজভবন যে আর নতুন করে কোনও বিতর্ক চায় না, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Anand Bose) সম্প্রতি সল্টলেকে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস পরিদর্শনে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল। পরে তিনি বলেন, “উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে নতুন করে আর কোনও বিতর্ক চায় না রাজভবন। এ ব্যাপারে শীর্ষ আদালতের সিদ্ধান্তকে সম্মতি জানাবে রাজভবন।”

    চিঠিতে কী বলেছেন রাজ্যপাল

    রাজ্যপালের এহেন মন্তব্যের চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই রাজভবনের তরফে চিঠি পাঠানো হয়েছে রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়কে। চিঠিতে বলা হয়েছে, আচার্য তথা রাজ্যপাল বিশ্ববিদ্যালয়গুলির প্রধান হিসেবে কোর্ট অথবা সেনেট বৈঠকে পৌরহিত্য করতে পারেন। অথবা উপাচার্যকে ওই বৈঠক ডাকার সম্মতি দিতে পারেন। ওই নির্দেশে এও বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত বিধি ১৯৭৯ সালের বিশ্ববিদ্যালয় আইনের বিরোধী বলেই মনে করা হচ্ছে।

    ১৯৭৯ সালের বিশ্ববিদ্যালয় আইন

    এদিকে, জট কাটিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের যাতে সমাবর্তন অনুষ্ঠান হয়, তা নিয়েও আচার্য তথা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস ও রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে খোলা চিঠি দিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি জুটা। শিক্ষা মহলের মতে, ১৯৭৯ সালে আইন প্রসঙ্গে রাজভবন থেকে যা বলা হচ্ছে, তা স্থায়ী উপাচার্যদের ক্ষেত্রে (CV Anand Bose) প্রযোজ্য হলেও, অন্তবর্তী উপাচার্যদের ক্ষেত্রে নয়। তাই উচ্চ শিক্ষা দফতরের নিষেধ অগ্রাহ্য করে বৈঠক ডাকা হলে, বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে পারেন অন্তর্বর্তী উপাচার্যরা।

    আরও পড়ুুন: ললিতের সঙ্গে তৃণমূল বিধায়কের সেলফি, লোকসভাকাণ্ডে ‘প্রমাণ’ দিলেন সুকান্ত!

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালের অন্তর্বর্তী উপাচার্য কর্মসমতির বৈঠক ডেকে বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত পাশ করিয়ে নেয়। ছাত্র স্বার্থ রক্ষা করতেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়। এর পরেই রাজ্যপালের তরফে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়, বৈঠক ডাকতে পারেন অন্তর্বর্তী উপাচার্যরা।

    উপাচার্য নিয়োগ ঘিরে সম্প্রতি নবান্ন-রাজভবন বিবাদ চরমে পৌঁছেছিল। বিষয়টি গড়ায় আদালত পর্যন্ত। রাজ্যের তরফে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, অন্তর্বর্তী উপাচার্যরা কর্মসমিতির বৈঠক পারবেন না। রাজ্যের (CV Anand Bose) তরফে এই নির্দেশ পেয়ে কলকাতা সহ একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তী উপাচার্যরা একাধিকবার বৈঠক ডেকেও পরে তা বাতিল করে দেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mamata Banerjee: ডি এ-র বদলে ছুটি! রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ভাতা নিয়ে এ কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    Mamata Banerjee: ডি এ-র বদলে ছুটি! রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ভাতা নিয়ে এ কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বকেয়া ডিএ যে মিলবে না, ডিএ (DA Hike) দিতে রাজ্য যে অপারগ তা এক প্রকার স্বীকার করে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাঁর কথায় স্পষ্ট, দান-খয়রাতি করেই সরকারি কোষাগার ফাঁকা হয়ে গিয়েছে। ডিএ না দেওয়ার সমর্থনে তাঁর অদ্ভুত যুক্তি,  এত ছুটি দেওয়া হচ্ছে। ডিএ দেওয়াটা তাঁর ঐচ্ছিক বিষয়। শুধু তাই নয় তিনি বলেন যে, কর্মীদের আপত্তি রয়েছে তাঁরা কেন্দ্রের চাকরি করতে চলে যেতে পারেন।  

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী

    বকেয়া মহার্ঘ ভাতার (DA Hike) দাবিতে রাজ‍্যজুড়ে বিক্ষোভ করছে সরকারী কর্মচারীরা। তাঁদের দাবি কেন্দ্রীয় কর্মচারীরা প্রতিবছর ডিএ পাচ্ছে কিন্তু তাঁরা বঞ্চিত। কিন্তু কর্মীদের এই দাবি মানতে নারাজ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। যে মুখ্যমন্ত্রী সারাক্ষণ মুখে বঞ্চনার বুলি আওড়ান, সেই তিনি কর্মীদের হকের ডিএ না দিয়ে নিজের রাজ্যের হাজার হাজার সরকারি কর্মচারীদের বঞ্চিত করছেন। বকেয়া মহার্ঘ ভাতা না দিয়ে তাঁর উল্টো যুক্তি,  ‘মনে রাখুন কেন্দ্রীয় সরকার ৩-৪ দিন ছুটি দেয়। আর আমরা ৪০-৪৫ দিন ছুটি দিই। এই গুলো মাথায় রাখবেন।’

    আরও পড়ুন: “সিএএ দেশের আইন, বাংলায় লাগু করবই”, ধর্মতলার সভা থেকে শাহি-বার্তা

    ডিএ বাধ্যতামূলক নয়

    দীর্ঘদিন ধরেই কেন্দ্রীয় হারে মহার্ঘ ভাতার (DA Hike) দাবিতে আন্দোলন করছেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। চলতি অর্থবর্ষে তাঁদের ডিএ তিন শতাংশ বৃদ্ধি করার কথা ঘোষণা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। কিন্তু, তাতেও ক্ষোভ প্রশমিত হয়নি, আরও জোরাল হয় আন্দোলন। সেই প্রসঙ্গে বুধবার মুখ‍্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধায়ের দাবি,’ডিএ বাধ্যতামূলক নয়, ঐচ্ছিক বিষয়।’  তিনি বলেন, ‘কেন্দ্রের কর্মীরা তাদের কাঠামো অনুযায়ী চলে। সেই অনুযায়ী বেতন বা ডিএ পায়। রাজ্য সরকারি কর্মীদের কারও যদি কোনও আপত্তি থাকে সেক্ষেত্রে গিয়ে কেন্দ্র সরকারি চাকরিতে যোগদান করুক। কাউকে বাধা দেওয়া হয়নি। আমরা কাউকে আটকায়নি।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

  • CV Ananda Bose: ফের রাজভবন-নবান্ন সংঘাত! বিধানসভার বাদল অধিবেশন নিয়ে প্রশ্ন রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: ফের রাজভবন-নবান্ন সংঘাত! বিধানসভার বাদল অধিবেশন নিয়ে প্রশ্ন রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, বৃহস্পতিবার থেকে দিল্লিতে সংসদ ভবনে শুরু হয়েছে বাদল অধিবেশন। রাজ্য সরকার চাইছে আগামী ২৪ জুলাই থেকে রাজ্য বিধানসভার বাদল অধিবেশন (West Bengal State Assembly)শুরু করতে। কিন্তু রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের (Governor CV Ananda Bose) সম্মতি না মেলায় সেই অধিবেশনের উপর প্রশ্নচিহ্ন ঝুলছে। তবে প্রকাশ্যে বাদল অধিবেশন নিয়ে এখনও পর্যন্ত কেউ কোনও মন্তব্য করেননি।

    কেন এত কম সময়ের নোটিসে অধিবেশন

    সরকারি সূত্রের খবর, সোমবার, ২৪ জুলাই থেকে রাজ্য বিধানসভার বাদল অধিবেশন শুরু করতে চেয়ে রাজভবনে (Raj Bhawan)ফাইল পাঠিয়েছিল পরিষদীয় দফতর। সেই ফাইলে রাজ্যপাল অনুমোদন দিলেই সোমবার থেকে শুরু হতে পারত বিধানসভার বাদল অধিবেশন। সেই মর্মে প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছিল বিধানসভায়। কিন্তু রাজভবন প্রশ্ন তোলে, কেন এত কম সময়ের নোটিসে বিধানসভার অধিবেশন ডাকা হচ্ছে? রাজ্যপাল সেই ফাইল আটকে রেখে রাজ্যের পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে রাজভবনে ডেকে পাঠিয়েছেন। যদি তিনি কোনও কারণে আসতে না পারেন তাহলে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে(Chief Secretary) সশরীরে রাজভবনে এসে রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসের(C V Anand Bose) সঙ্গে দেখা করতে হবে। কার্যত রাজ্যপাল বুঝিয়ে দিচ্ছেন তাঁর নির্দেশ না মানলে তিনি রাজ্য বিধানসভায় বর্ষাকালীন অধিবেশন বসার অনুমতি দেবেন না।

    আরও পড়ুুন: ‘‘আগামী সপ্তাহে তৃণমূলের আরও একটি চুরি ফাঁস করব’’! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    সোমবার থেকে বিধানসভার বাদল অধিবেশন শুরু হচ্ছে ধরে নিয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক হবে বলে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। সেই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, ২৪ জুলাই, সোমবার বিধানসভা ভবনেই বসবে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক। মন্ত্রীরা প্রচারের কাজে ব্যস্ত থাকায় পঞ্চায়েত ভোটের কারণে গত এক মাস মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়নি। তাই সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠক আবার শুরু হবে বলে জানানো হয়। কিন্তু রাজভবন থেকে অধিবেশন শুরুর ফাইলটিতে অনুমোদন না দেওয়ায় বুধবার রাতে মন্ত্রিসভার বৈঠক প্রসঙ্গে আরও একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। দ্বিতীয় বিজ্ঞপ্তিটিতে বলা হয়, ২৪ জুলাই সোমবার বিধানসভার বদলে মন্ত্রিসভার বৈঠক হবে নবান্নে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Panchayat Election 2023: কেন্দ্রীয় বাহিনীতে না, অথচ পঞ্চায়েতে ভিন্ রাজ্যের পুলিশে আগ্রহ নবান্নর

    Panchayat Election 2023: কেন্দ্রীয় বাহিনীতে না, অথচ পঞ্চায়েতে ভিন্ রাজ্যের পুলিশে আগ্রহ নবান্নর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় বাহিনীতে অনীহা। যদিও পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) অন্য রাজ্যের সশস্ত্র পুলিশ আনতে রাজি নবান্ন (Nabanna)। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই অন্য কয়েকটি রাজ্যের কাছ থেকে সশস্ত্র পুলিশ চেয়েছে রাজ্য সরকার। এদিকে, আজ, শনিবার থেকে রাজ্য পুলিশের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। একমাত্র জরুরি কারণেই ছুটির আবেদন বিবেচনা করা হতে পারে বলে জানিয়ে দিয়েছে নবান্ন।

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি

    কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরেই সোচ্চার হয়েছেন বিরোধীরা। শুক্রবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনে গিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি জানিয়েছেন কংগ্রেস এবং সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতারা। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্বাচন করানোর দাবিতে আদালতেও গিয়েছেন বিরোধীরা। তার পরেই জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনীতে গররাজি হলেও, অন্য কয়েকটি রাজ্যের কাছে সশস্ত্র পুলিশ চেয়েছে রাজ্য সরকার।

    রাজ্যের বক্তব্য

    জানা গিয়েছে, রাজ্য নির্বাচন কমিশনার (Panchayat Election 2023) রাজীব সিংহের সঙ্গে বৈঠক করেছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্য। বৈঠকে রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছে সব বুথে সশস্ত্র বাহিনী দেওয়ার প্রাথমিক পরিকল্পনা রয়েছে রাজ্যের। তবে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজনীয়তা নেই। রাজ্যের তরফে এও বলা হয়েছে, প্রয়োজনে অন্য রাজ্য থেকে বাহিনী আনা হবে। পড়শি রাজ্য বিহার, ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ড থেকে বাহিনী আনতে পারে রাজ্য সরকার।

    আরও পড়ুুন: পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে রাজ্যপালের দ্বারস্থ বঙ্গ বিজেপি

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) রাজ্যে মোট বুথের সংখ্যা ৬১ হাজার ৬৩৬টি। প্রতি বুথে ২ জন করে পুলিশ কর্মী মোতায়েন করলেও সব মিলিয়ে পুলিশ কর্মী প্রয়োজন ১ লক্ষ ২৩ হাজারের কিছু বেশি। সেক্ষেত্রে অন্তত ২০ হাজার অতিরিক্ত পুলিশ কর্মীর প্রয়োজন। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, তল্লাশি, ফ্লাইং স্কোয়াড, মোবাইল নিরাপত্তা ইত্যাদি ক্ষেত্রেও পুলিশ কর্মীর প্রয়োজন। পুলিশ দরকার স্ট্রং-রুম রক্ষায়ও। তাই প্রয়োজন হয়তো আরও কিছুটা বাড়তে পারে। আবার সব থানা ফাঁকা করেও পুলিশ কর্মীদের ভোটের কাজে লাগানো যাবে না। সেই কারণেই বাইরে থেকে আনতে হবে বাহিনী। তা সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নির্বাচনের কাজে লাগাতে চাইছে না নবান্ন। তার বদলে পুলিশ কর্মী আনার চেষ্টা করছে ভিন রাজ্য থেকে।

    ‘কেন্দ্র-ফোবিয়া’ থেকেই কী এহেন সিদ্ধান্ত রাজ্যের?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

     

  • Mamata Banerjee: ‘‘৩৬ হাজার চাকরি বাতিল হল ডিএ আন্দোলনের জন্য’’! এ কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    Mamata Banerjee: ‘‘৩৬ হাজার চাকরি বাতিল হল ডিএ আন্দোলনের জন্য’’! এ কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডের মামলায় গত সপ্তাহে বড় নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। প্রাথমিকের প্রশিক্ষণবিহীন ৩৬ হাজার চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তিন মাসের মধ্যে নতুন নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি৷ আদালতের এই সিদ্ধান্তে রাজ্য সরকার যে চরম বিপাকে পড়েছে, তা বলাই বাহুল্য। 

    দুর্নীতির জালে রাজ্যের বর্তমান শাসক দল এতটাই আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে পড়েছে যে, এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না। একের পর এক দুর্নীতির জেরে ভুরি ভুরি সিবিআই-ইডি তদন্তের নির্দেশ দিচ্ছে আদালত। যা নিয়ে ক্রমাগত আক্রমণ ধেয়ে আসছে বিরোধী শিবির থেকে। তার ওপর দোসর হয়েছে ডিএ আন্দোলন! বকেয়া ডিএ-র দাবিতে, বেশ কিছুদিন ধরেই আন্দোলন করছেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। রাজ্য প্রশাসন ও রাজ্য সরকারি কর্মীদের মধ্যে এই সংঘাত গড়িয়েছে আদালত পর্যন্তও। সম্প্রতি, হাইকোর্টের অনুমতিতে মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) পাড়ায় বিশাল মিছিল করেছেন ডিএ আন্দোলনকারীরা। এই নিয়েও সরকারের বিড়ম্বনা যারপরনাই বেড়েছে। 

    আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায় গ্রুপ ডি চাকরিপ্রার্থীদের হ্যারিকেন মিছিলের অনুমতি হাইকোর্টের

    এই পরিস্থিতিতে, সোমবার, ডিএ আন্দোলনকে তীব্র আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী(Mamata Banerjee)। আর তা করতে গিয়ে যা দাবি করলেন, তা শুনে অনেকের চোখ কপালে উঠেছে। এদিন নবান্ন সভাঘরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানালেন, এই ৩৬ হাজার চাকরি যে বাতিল হল, তার জন্য দায়ী ডিএ আন্দোলন! মমতা বলেন, “যাঁরা ডিএ নিয়ে চিৎকার করে, ৩ শতাংশ ডিএ এবছরও পেয়েছে। প্রতিদিন গিয়ে গিয়ে মিছিল করছে। আর তাঁদের জন্যই ৩৬ হাজার ছেলেমেয়ের চাকরি চলে গেল।’’ বিরোধীদের প্রশ্ন, দুর্নীতির জন্য চাকরি হারাল, সেখানে ডিএ আন্দোলন দায়ী হল কী করে? তাঁদের কটাক্ষ, মুখ্যমন্ত্রীর এহেন কথা থেকেই স্পষ্ট, দুর্নীতির গেরোয় তিনি যুক্তি হারিয়ে ফেলেছেন।

    এখানেই থেমে থাকেননি মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee)। তিনি আরও দাবি করেন, ডিএ আবশ্যিক নয়, এটা অপশন। মমতা বলেন, ‘‘ডিএ বাধ্যতামূলক নয়, ঐচ্ছিক। সরকার সামর্থ মতো ডিএ দেবে।’’ অথচ, অতীতে একাধিকবার রাজ্যকে হাইকোর্ট স্মরণ করিয়ে দিয়েছে যে, ডিএ কর্মীদের অধিকার। এই ডিএ-সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে আগে হাইকোর্ট তার স্পষ্ট রায়ে জানিয়েছে— ডিএ বা মহার্ঘ ভাতা ‘সরকারের দয়ার দান’ নয়, কর্মীদের আইনি অধিকার। এই ভাতা রাজ্য সরকারি কর্মীদের প্রাপ্য।

    যা শুনে বিরোধীদের কটাক্ষ, ক্রমশ পায়ের তলার জমি যে সরে যাচ্ছে, তা ভালোমতোই টের পাচ্ছেন মমতা।

  • DA Protest: মমতা-অভিষেকের পাড়াতেই মিছিল ডিএ আন্দোলনকারীদের! অনুমতি দিল হাইকোর্ট

    DA Protest: মমতা-অভিষেকের পাড়াতেই মিছিল ডিএ আন্দোলনকারীদের! অনুমতি দিল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ-র (DA Protest) দাবিতে কলকাতার রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। আজ, বৃহস্পতিবার একদিকে নবান্ন অভিযানে সামিল হয় কো-অর্ডিনেশন কমিটি (Coordination Committee)। মিছিল করে নবান্নর পথে যান আন্দোলনকারীরা। অন্যদিকে, আজ খুশির খবর মিলল হাইকোর্ট থেকে। আগামী ৬ তারিখ হরিশ মুখার্জি রোড দিয়ে ডিএ-আন্দোলনকারীদের মিছিল নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিল বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বেঞ্চ।

    মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে মিছিলের অনুমতি

    বকেয়া মহার্ঘ ভাতার দাবিতে আগামী ৬ মে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) পাড়াতেই মহামিছিলের ডাক দিয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। কিন্তু সেই মিছিলের অনুমতি না মেলায় হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হন আন্দোলনকারীরা। রাজ্যের রুট বদলের আবেদনে সাড়া দেননি আন্দোলনকারীরা। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা বৃহস্পতিবার, মিছিল নিয়ে রাজ্যের আপত্তিতে প্রশ্ন তোলেন। আন্দোলনকারীদের পূর্ব প্রস্তাবিত রুটেই মিছিলের অনুমতি দেয় হাইকোর্ট। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার নির্দেশ, শান্তি বজায় রেখে ওই রাস্তা দিয়ে মিছিল করা যাবে। কিন্তু মিছিল থেকে কোনও রকম কুমন্তব্য করা যাবে না। 

    আদালতের যুক্তি

    কলকাতা পুলিশের তরফে ডিএ আন্দোলনকারীদের তিনটি বিকল্প রুটে মিছিলের প্রস্তাব দেওয়া হলেও তাতে রাজি ছিলেন না তাঁরা। অন্য দিকে, হরিশ মুখার্জি রোড নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল পুলিশ। রাজ্যের দাবি ছিল, শহরের অন্যতম স্পর্শকাতর এলাকা ওই রাস্তা। বিচারপতি এদিন রাজ্যকে প্রশ্ন করেন, ‘প্রতি একদিন অন্তর হাজরা মোড়ে ধর্না বিক্ষোভ হয়। হঠাৎ হরিশ মুখার্জি রোড নিয়ে আপত্তি কেন?’ বিচারপতির প্রশ্নে রাজ্যের আইনজীবী জানান, ওই এলাকা খুবই স্পর্শকাতর। ওই এলাকায় মিছিল করতে গিয়ে যদি ভিড় ছাড়িয়ে যায় তবে তার দায়িত্ব কে নেবে? ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা রয়েছে। 

    আরও পড়ুুন: এবার শুভেন্দুর দুটি মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি মান্থা

    আন্দোলনকারীদের পক্ষের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, ‘আমরা আদালতে আবেদন করার পরই ওই এলাকার কিছু জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।’ তখন বিচারপতি মান্থা বলেন, ‘‘তা হলে তো মিছিল ওই রুটে হলে বলতে হবে, শহরের সবচেয়ে শান্ত এলাকা দিয়ে মিছিল যাচ্ছে।’’এর পরে বিকাশরঞ্জনের উদ্দেশে বিচারপতি মান্থা বলেন, ‘‘সকলে যে আশঙ্কা করছে, আদালত তা বুঝতে পেরেছে। ওই এলাকায় কোনও রকম অশান্তি হবে না সেই ভাবে মিছিল করতে হবে। দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টের মধ্যে ওই এলাকায় শান্তিপূর্ণ ভাবে কর্মসূচি শেষ করতে হবে।’’

    নবান্ন অভিযান

    এদিন নবান্ন (Nabanna) অভিযান করে কো-অর্ডিনেশন কমিটি (Coordination Committee)। হাওড়া স্টেশন থেকে হাওড়া ময়দান পর্যন্ত মিছিল করছে তারা। নেতৃত্বদের দাবি, প্রতিটা জেলা থেকে সরকারি চাকুরিজীবী, এমনকী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকুরিজীবীরা মিছিলে পা মিলিয়েছেন। সব মিলিয়ে কয়েক হাজার মানুষ মিছিলে পা মিলিয়েছেন। তবে নির্দিষ্টভাবে জমায়েতের সংখ্যা এখনও জানা যায়নি। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে শুরু করে সরকারি কর্মীরা রয়েছেন মিছিলে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share