Tag: Nabanna

Nabanna

  • Nabanna: ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতির অভিযোগ, জবকার্ডে আধার সংযোগ হয়নি, কেন্দ্রের বরাদ্দ আটকানোর ভয়ে নবান্ন?

    Nabanna: ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতির অভিযোগ, জবকার্ডে আধার সংযোগ হয়নি, কেন্দ্রের বরাদ্দ আটকানোর ভয়ে নবান্ন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা বার বার নয়ছয় করার অভিযোগ উঠেছে রাজ্যের বিরুদ্ধে। ১০০ দিনের কাজের ক্ষেত্রেও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ১০০ দিনের কাজে গোটা দেশের মধ্যে সবথেকে পিছিয়ে রয়েছে বাংলা। এখনও বহু প্রাপকের জব কার্ডের সঙ্গে আধার লিঙ্ক করা হয়নি। আর এতেই ভয়ে কাঁপছে নবান্ন (Nabanna)। যেকোনও মুহূর্তে আটকে যেতে পারে কেন্দ্রীয় বরাদ্দের টাকা, এই আশঙ্কায়।

    কেন এই ততপরতা? 

    বরাদ্দ আটকে যাওয়ার এই আশঙ্কায় প্রশাসনিক স্বচ্ছতা রাখতে জেলাগুলিকে সমস্ত কেন্দ্রীয় প্রকল্পে উপভোক্তাদের (Nabanna) নামের সঙ্গে দ্রুত আধার সংযোগ করার নির্দেশ দিল নবান্ন। এ ব্যাপারে কড়াকড়ি এতটাই যে, জাতীয় সামাজিক প্রকল্পের মাধ্যমে দেওয়া বার্ধক্য ভাতা, বিধবা ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতার প্রাপকদের ছাড় দিতেও চাইছে না সরকার। 

    প্রকল্পগুলিতে স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই উপভোক্তাদের নামের সঙ্গে আধার সংযোগ ও আধার বেস পেমেন্ট সিস্টেম চালু করেছে কেন্দ্র (Nabanna)। সেই পথেই এখন বাধ্য হয়ে হাঁটতে হচ্ছে এই রাজ্যকে। সম্প্রতি রাজ্যের মুখ্যসচিব জেলা প্রশাসনগুলির সঙ্গে বৈঠকে বারবার এ ব্যাপারে সচেতন করে দিয়েছেন। পাশাপাশি রাজ্য পঞ্চায়েত দফতরের তরফ থেকেও এনিয়ে জেলাগুলিকে বার্তা পাঠানো হয়েছে। কারণ, বেশিরভাগ সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের কাজ রূপায়ণের ক্ষেত্রে পঞ্চায়েত দফতরেরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। কিন্তু এখনও গুরুত্ব দিচ্ছে না জেলাগুলি।

    আরও পড়ুন: শিয়রে পঞ্চায়েত ভোট, তার আগে বার বার বিস্ফোরণে কাঁপছে রাজ্য, কী অবস্থায় আইনশৃঙ্খলা? 

    এই মুহূর্তে রাজ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের জাতীয় সামাজিক প্রকল্পে ১৪ লক্ষ ৪১ হাজার ৪৬০ জন তিন ধরনের ভাতা পেয়ে থাকেন (Nabanna)। এগুলি হল বার্ধক্য ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা। এর মধ্যে মাত্র ৯ লক্ষ ৭৯ হাজার ৬০০ ভাতা প্রাপক অর্থাৎ ৬৮ শতাংশ তাদের আধার সংযোগ করা হয়েছে। গত এক মাসে চাপে পড়ে জেলাগুলি বেশিরভাগ কাজটা করেছে। মহারাষ্ট্রে যেখানে ৯১.১ শতাংশ প্রাপকের আধার সংযোগ রয়েছে।

    নবান্ন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত জব কার্ড হোল্ডারদের সঙ্গে আধার কার্ড সংযুক্তিকরণ হয়েছে ৭৮.৬%। যা অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় অনেকটাই কম। এখনও পর্যন্ত এই প্রকল্পের অধীনে নজির স্থাপন করেছে মিজোরাম (Nabanna)। এই রাজ্যে ৯৭.৮% জব কার্ড হোল্ডারই আধার সংযোগ রয়েছে। পাশাপাশি তামিলনাড়ু-সহ একাধিক রাজ্য আধার কার্ড সংযোগের ক্ষেত্রে অনেকটাই এগিয়ে। তুলনামূলকভাবে এ রাজ্যে আধার কার্ড সংযোগের সঙ্গে জব কার্ড হোল্ডারদের সংযুক্তিকরণ না হওয়ায় জেলাগুলিকে বিশেষ নির্দেশ দিল নবান্ন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

     

  • Amit Shah Mamata Banerjee: নবান্নের চোদ্দতলায় মমতা-শাহ একান্তে বৈঠক, কী আলোচনা হল?

    Amit Shah Mamata Banerjee: নবান্নের চোদ্দতলায় মমতা-শাহ একান্তে বৈঠক, কী আলোচনা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবান্নের চোদ্দতলায় মমতা-শাহ (Amit Shah Mamata Banerjee) বৈঠক। বৈঠক হয় মিনিট পনের ধরে। সূত্রের খবর, শনিবারের বারবেলায় ওই বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হাতে একটি স্মারকলিপি তুলে দেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে বিভিন্ন প্রকল্পের বাকি টাকা মেটানোর দাবিতে দেওয়া হয় স্মারকলিপিও। এদিন মমতা-শাহ বৈঠকের আগে দুজনে উপস্থিত ছিলেন নবান্ন সভাঘরে, ইস্টার্ন সিকিউরিটি কাউন্সিলের বৈঠকে। ওই বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে মমতা (Mamata Banerjee) বলেন, একশো দিনের কাজের টাকা আমরা কিছুই পাচ্ছি না। এনিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সামনেই ক্ষোভ উগরে দেন মমতা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও জানিয়ে দেন, কীজন্য টাকা আটকে ছিল। তিনি বলেন, আপনাদের নিয়মকানুনে কিছু সমস্যা ছিল। তার জন্যই আপনাদের সমস্যা হচ্ছে। তখনই রাজ্যের মুখ্যসচিব বলেন, আমরা সব পাঠিয়ে দিয়েছি। আমাদের যা ভুলত্রুটি ছিল, সেগুলো ঠিক করে আমরা পাঠিয়ে দিয়েছি। মমতা ফের বলেন, বিষয়টি আপনারা দেখুন।

    শাহি বৈঠক…

    জানা গিয়েছে, এদিন পূর্বাঞ্চলীয় নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকের পরেই লাঞ্চ করতে যান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তা শেষ করেই চলে যান নবান্নের ১৪ তলায়। তার পরেই হয় রুদ্ধদ্বার বৈঠক। তবে এই বৈঠকে ঠিক কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে, সে ব্যাপারে রা কাড়েননি মমতা কিংবা শাহ কেউই। তবে জানা যাচ্ছে, এক দেশ এক পুলিশ নীতি নিয়ে নয়া বিল আনছে কেন্দ্র। ওই বিল পাশ হলে রাজ্যের অধিকার কিঞ্চিত খর্ব হতে পারে। এই বিষয়েই শাহের কাছে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: নবান্নে বৈঠকে মমতা-শাহ, কারণ কি জানেন?

    ইস্টার্ন সিকিউরিটি কাউন্সিলের বৈঠকে মমতা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। বিহার থেকে উপস্থিত হয়েছিলেন সে রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদব। এদিনের ওই বৈঠকে বিএসএফের বিরুদ্ধে অতিসক্রিয়তার অভিযোগে সরব হয় রাজ্যের শাসক দল। বিএসএফের অতিসক্রিয়তার জেরে নিরীহ মানুষের মৃত্যু হচ্ছে বলেও অভিযোগ করে রাজ্য। কোনও কোনও জায়গায় বিএসএফের নিষ্ক্রিয়তার জেরে চোরাচালান হচ্ছে বলেও অভিযোগ করে রাজ্য। মমতা-শাহ বৈঠক প্রসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বিএসএফের ৭২টি আউটপোস্টের জন্য জমি দিচ্ছে না রাজ্য সরকার। শুধু তাই নয়, পুলিশের সঙ্গে বোঝাপড়াটা মজবুত করাটাও প্রয়োজন। তা বলতেই বিশেষ করে মমতার সঙ্গে আলাদা করে কথা হয়েছে, দাবি শুভেন্দুর। বিএসএফকে সবরকমভাবে রাজ্যের সাহায্যের কথাও জানিয়েছেন শাহ, দাবি রাজ্যের বিরোধী দলনেতার। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Amit Shah Mamata Banerjee: নবান্নে বৈঠকে মমতা-শাহ, কারণ কি জানেন?

    Amit Shah Mamata Banerjee: নবান্নে বৈঠকে মমতা-শাহ, কারণ কি জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে রাজ্যের বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত বিজেপি (BJP)। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে একশো দিনের কাজের মতো কয়েকটি কেন্দ্রীয় প্রকল্প নিয়েও চলছে কেন্দ্র-রাজ্য চাপান-উতোর। পঞ্চায়েত নির্বাচনও দোরগোড়ায়। বগটুইকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত লালন শেখের সিবিআই হেফজতে রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য। এহেন আবহে আজ, শনিবার নবান্নে (Nabanna) বৈঠকে বসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Amit Shah Mamata Banerjee)। উপলক্ষ, পূর্বাঞ্চলীয় কাউন্সিলের বৈঠক। তবে মমতা-শাহ বৈঠক নিয়ে কৌতূহল তুঙ্গে রাজনৈতিক মহলে।

    কৌতূহল তুঙ্গে…

    যদিও প্রশাসনের একাংশের মতে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর এই বৈঠক একান্তভাবেই প্রশাসনিক। শাহের সঙ্গে এই বৈঠকে মমতা ছাড়াও থাকার কথা ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন, বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদবেরও। ওড়িশা থেকেও থাকবেন সে রাজ্যের কোনও প্রতিনিধি। শাহের সঙ্গে সঙ্গে এই বৈঠকে থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় ভাল্লা এবং অন্য আধিকারিকরা। ৫ নভেম্বর এই বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। তবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিবের ব্যস্ততা থাকায় সেদিন বৈঠক হয়নি। সেই বৈঠকই হচ্ছে শনিবার। বৈঠক হবে সকাল ১১টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত, নবান্ন সভাঘরে।

    এর আগে বিভিন্ন সময় কেন্দ্রের ডাকা বৈঠক সচেতনভাবেই এড়িয়ে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। কখনও ব্যস্ততার কারণে, কখনও অন্য কোনও অছিলায়। শেষমেশ এবার মুখোমুখি হচ্ছে দুই ভিন্ন মেরুর রাজনৈতিক দলের দুই শীর্ষ নেতা (Amit Shah Mamata Banerjee)। তাই মমতা-শাহ একান্ত বৈঠকের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

    আরও পড়ুন: ২০২৪-লোকসভা নির্বাচনে রাজ্য থেকে অনেক বেশি আসন চান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    সূত্রের খবর, সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলি নিয়ে রাজ্যের কী অবস্থান, তা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে বেশ কিছু দাবিপত্র তুলে দিতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। আন্তর্জাতিক সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিতে জমি অধিগ্রহণের কাজ মার্চের মধ্যেই শেষ করতে রাজ্যকে বলেছে কেন্দ্র। সোমবার ভার্চুয়াল বৈঠকে রাজ্যের মুখ্যসচিব এইচ কে দ্বিবেদীকে এই আর্জি জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব। প্রসঙ্গত, জমি না পাওয়ায় আন্তর্জাতিক সীমান্তে ৭০ কিলোমিটার এলাকায় বেড়া দেওয়া যাচ্ছে না। রাজ্যকে এই জমি অধিগ্রহণ করে দিতে হবে।

    এদিকে, শনিবার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মুখোমুখি হওয়ার আগেই শুক্রবার শাহ বৈঠকে বসেছিলেন বিজেপির রাজ্য নেতাদের সঙ্গে। বিজেপির রাজ্য দফতরে ওই বৈঠক হয়। উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষ সহ শীর্ষ নেতারা। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে যা তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Amit Shah: ২০২৪-লোকসভা নির্বাচনে রাজ্য থেকে অনেক বেশি আসন চান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    Amit Shah: ২০২৪-লোকসভা নির্বাচনে রাজ্য থেকে অনেক বেশি আসন চান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী লোকসভা নির্বাচনে রাজ্য থেকে অনেক বেশি আসন চান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। শুক্রবার রাতে শহরে এসে মুরলী ধর সেন লেনে দলের রাজ্য় সদর দফতরে পা দিয়েই বাংলায় দলের নেতাদের এই লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেন তিনি।

    শাহী পরামর্শ

    শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah)। সেখান থেকে রওনা দেয় অমিত শাহের কনভয়। গাড়ির সামনের সিটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ঠিক তাঁর পিছনের সিটে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি চলে যান বিজেপির রাজ্য দফতরে। সেখানে দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। ছিলেন সুকান্ত মজুমদার, অগ্নিমিত্রা পল, মঙ্গল পাণ্ডে, সুনীল বনসল, অমিত মালব্য, আশা লাকড়া, খগেন মুর্মু, সুভাষ সরকার, স্বপন দাশগুপ্ত, নিশীথ প্রামাণিক, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো, দীপক বর্মন, লকেট চট্টোপাধ্যায়, অমিতাভ চক্রবর্তী ও সতীশ ধন্দ। 

    আরও পড়ুন: শহরে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী! মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে একান্ত বৈঠক হবে কি?

    বিজেপি সূত্রে খবর, এ দিন আধ ঘণ্টার বৈঠকে অমিত শাহ (Amit Shah) স্পষ্ট বলে দিয়েছেন, ২০১৯-এর থেকেও ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে বাংলা থেকে বেশি আসনে বিজেপি-র জয় চান তিনি। আর সেই লক্ষ্য়মাত্রা পূরণ করতে বুথ স্তর থেকে সংগঠন মজবুত করার জন্য় দলের রাজ্য় নেতাদের পরামর্শ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সামনেই পঞ্চায়েত ভোট, সেই ভোটের রণকৌশল নিয়েও এদিন কথা বলেন অমিত। সূত্রের খবর, বৈঠকে রাজ্য় নেতাদের উদ্দেশে অমিত শাহ বলেন, ‘বাংলায় আগের থেকে বিজেপির শক্তি বেড়েছে। সেই শক্তি আরও বাড়াতে হবে। সেই জন্য় বুথস্তর থেকে সংগঠন মজবুত করতে হবে। আমার আশা গত লোকসভা ভোটে যত আসন পেয়েছিলাম, এবার তার থেকে বেশি আসন পাবো। সেই লক্ষ্য়ে কাজ করতে হবে।’স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সামনে তৃণমূলের দুর্নীতি এবং রাজ্য়ের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সরব হন রাজ্য় নেতারা। কিন্তু কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁদের সংগঠন শক্তিশালী করার উপরেই বেশি জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। সংগঠন মজবুত করতে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করারও নির্দেশ দেন তিনি। বাকি বিষয় কেন্দ্র দেখবে বলে রাজ্য় নেতাদের আশ্বাস দেন অমিত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Amit Shah: শুধু বিএসএফ নয়! সীমান্ত নিরাপত্তায় রাজ্যেরও দায়িত্ব রয়েছে, বললেন অমিত শাহ

    Amit Shah: শুধু বিএসএফ নয়! সীমান্ত নিরাপত্তায় রাজ্যেরও দায়িত্ব রয়েছে, বললেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধু বিএসএফ নয়, সীমান্ত নিরাপত্তায় রাজ্যেরও দায়িত্ব রয়েছে। পূর্বাঞ্চলীয় নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে এই বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও উপস্থিত ঝাড়খন্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন, বিহাররে উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাবদ এবং ওড়িশার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বৈঠকে আন্তর্দেশীয় সীমান্ত ছাড়াও আন্তর্রাজ্য সীমান্ত নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

    কী বললেন অমিত

    বিশেষ সূত্রে খবর, এদিন অমিত শাহ বৈঠকে বলেন, “সীমান্ত নিরাপত্তার দায়িত্ব যতটা বিএসএফের, ঠিক ততটা রাজ্যেরও রয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার সীমান্ত নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে ভাবছে। আগের সরকারের খামতি ছিল। আমরা তা অনেকটা পূরণ করেছি। আরও উন্নয়নের জন্য এগোচ্ছি।” পশ্চিমবঙ্গ-সহ পূর্ব ভারতের চার রাজ্য বিহার, ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ড এই কাউন্সিলের সদস্য। মূলত প্রতিবেশী রাজ্যগুলির মধ্যে আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও পরিকাঠামোগত ক্ষেত্রে যৌথ উদ্যোগ আলোচনা ও সমাধানের পথ খুঁজতেই সদস্য রাজ্যগুলিতে ঘুরে ঘুরে এই কাউন্সিলের বৈঠক বসে প্রতি বছর। 

    আরও পড়ুন: নবান্নে বৈঠকে মমতা-শাহ, কারণ কি জানেন?

    সূত্রের খবর, এদিনের বৈঠকে সীমান্ত নিরপত্তায় পরিকাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অর্থ দাবির পাশাপাশি ১০০ দিনের কাজে রাজ্যের পাওনা টাকার কথাও মনে করিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। এর সঙ্গে সীমান্ত রক্ষার নামে বিএসএফের অতিসক্রিয়তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সকাল ১১টা থেকে বিকাল তিনটে পর্যন্ত চলে এই বৈঠক। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় ভাল্লা, কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রধানরা এই বৈঠকে ছিলেন। সদস্য রাজ্যগুলির সচিব পর্যায়ের প্রতিনিধিরাও অংশ নিয়েছিলেন। নবান্নে শনিবার ইস্টার্ন জোনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের বৈঠকের পরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলাদা করে বৈঠক করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে একান্তে বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এরপর শহরে আরও কয়েকটি কাজ সেরে বিকেলেই দিল্লি উড়ে যান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • West Bengal NCC: ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে জাতীয়তাবোধ জাগছে, রাজ্যে এনসিসি বন্ধ করে দিল মমতা প্রশাসন

    West Bengal NCC: ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে জাতীয়তাবোধ জাগছে, রাজ্যে এনসিসি বন্ধ করে দিল মমতা প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার এনসিসি (NCC West Bengal) বন্ধ হলো এরাজ্যে। গত ৬ অক্টোবর, প্রতিরক্ষা মন্ত্রককে পাঠানো রাজ্যের এনসিসি-র এডিজি মেজর জেনারেল সেনগুপ্তর চিঠি সামনে আসতেই বিষয়টা পরিষ্কার হয়। ওই চিঠিতে ষ্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, এরাজ্যে এনসিসিতে নতুন করে কোনও নাম নথিভুক্ত করা যাবে না। কারণ হিসাবে ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে রাজ্য সরকারের এই খাতে বাজেট বরাদ্দ না করার বিষয়টি চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, নাম নথিভুক্ত রয়েছে এমন এনসিসি ক্যাডারের সংখ্যা এরাজ্যে ৯৫ হাজার ১২০, যাদের মধ্যে ৫৪ হাজার ৩২৪ জন জাতীয় স্তরের প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেছে। 

    ফলে প্রশ্ন উঠছে, যেখানে ক্লাবগুলোকে দুর্গাপুজোর নামে বিপুল পরিমাণ টাকা দেওয়া হচ্ছে, লক্ষ্মীভাণ্ডার প্রকল্পে মাধ্যমে কয়েক হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হচ্ছে, সেখানে এনসিসির খাতে বরাদ্দ কেন নেই? ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, এখানে অন্য কারণ থাকতে পারে। স্কুল কলেজে অসংখ্য পড়ুয়া এনসিসিতে ভর্তি হয়। দেশাত্মবোধক গান, প্রশিক্ষণ, শৃঙ্খলার মধ্যে দিয়ে তাদের মধ্যে জাতীয়তাবোধ জাগে। তাই এই কারণেই হয়তো এনসিসিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে বন্ধ করে দেওয়া হল। 

    ক্লাবকে আর্থিক সাহায্য, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের (Lakshmi Bhandar) মতো প্রকল্পে শাসক দলের ভোট ব্যাংক তৈরী হয়। কিন্তু জাতীয়তাবোধ জাগলে সেটাকে শাসক দলের বিপক্ষ ভোট ব্যাংক বলেই মনে করে মমতা প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পুলওয়ামা হামলার বদলা হিসেবে এয়ার স্ট্রাইকের দ্বারা জঙ্গি নিকেশ করে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। সারাদেশের মতো তখন পশ্চিমবঙ্গেও বিজয় দিবস পালিত হয়েছিল। রাস্তায় নেমে জাতীয় পতাকা হাতে বহু সাধারণ মানুষ, দেশাত্মবোধক গানের মধ্যে দিয়ে দেশের সেনাবাহিনীকে সম্মান প্রদর্শন করা হয়েছিল। তখন একাধিক জায়গায় মমতা প্রশাসনের বিপক্ষে অভিযোগ ওঠে এই প্রদর্শন বন্ধ করে দেওয়ার। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী (Mamata) সংবাদমাধ্যমে বিবৃতি দেন – ‘‘জাতীয় পতাকা হাতে, সন্ধ্যা হলেই রাস্তায় নামছে। ওরা কারা?’’ তাই অনেকেই মনে করছেন, জাতীয়তাবোধ জাগে বলেই এনসিসি বন্ধের এই সিদ্ধান্ত। 

    গরুপাচার, শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতিতে ইতিমধ্যে নাজেহাল শাসক দল, তার মধ্যে এনসিসি বন্ধ হওয়ার বিষয়টি মমতা প্রশাসনের অস্বস্তির মাত্রা বাড়াল বলেই মনে করছে অনেকে। এনসিসি শুধুমাত্র যে একটি প্রশিক্ষণ তাই নয়, এই ট্রেনিং এর দ্বারা সরাসরি ভারতীয় সেনাবাহিনীতে ভর্তির সুযোগ রয়েছে অনেক ক্ষেত্রে। সেদিক থেকে দেখলে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দপ্তরে চাকরি করার সুযোগটাও চলে গেল অসংখ্য কলেজ পড়ুয়ার।

    দুর্নীতি, স্বজনপোষণে এবং একাধিক মামলায় জর্জরিত হয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ‌‌। এখন শিক্ষক নিয়োগ বা অন্যান্য সরকারি চাকরির পরীক্ষা এরাজ্যে প্রায় বন্ধ বললেই চলে‌। অসংখ্য তরুণ-তরুণী এনসিসির মারফত ভারতীয় সেনাবাহিনীতে সরাসরি ভর্তি হতে পারতেন। এনসিসির ‘বি’ এবং ‘সি’ সার্টিফিকেটের পরীক্ষায় যাঁরা ভাল নম্বর নিয়ে পাশ করতেন এবং স্নাতক স্তরে যাদের ৫৫% শতাংশ নম্বর থাকত, তাঁদের ‘কম্বাইন্ড ডিফেন্স সার্ভিস’ এর লিখিত পরীক্ষায় বসতে হতো না‌। সরাসরি তাঁরা ইন্টারভিউয়ের সুযোগ পেতেন। এবার সে সুযোগ থেকেও তাঁরা বঞ্চিত হলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • WB Loan For Salary: পুজোর মাসে বেতন দিতে ৪৫০০ কোটি ধার করছে রাজ্য, খরা কোষাগারে

    WB Loan For Salary: পুজোর মাসে বেতন দিতে ৪৫০০ কোটি ধার করছে রাজ্য, খরা কোষাগারে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টাকা নেই, ভাঁড়ার খালি। মেলা-খেলা আর লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে (Lakshmir Bhandar) সব টাকা বেরিয়ে গিয়েছে। ফলে পুজোর মাসে সরকারি কর্মী, শিক্ষকদের বেতন দিতে আজ মঙ্গলবার ৪৫০০ কোটি টাকা ধার করছে নবান্ন (Nabanna)। ধারের টাকা কোষাগারে ঢুকলে তবেই কোনওমতে পুজোর মাস চালাতে পারবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata)। প্রতি মাসেই কর্মচারীদের বেতন দিতে মাসে ২০০০-২৫০০ কোটি ধার নিতে হয় সরকারকে। কিন্তু এক মাসে ৪৫০০ কোটি টাকা ধার করার পরিস্থিতি যখন তৈরি হয়েছে, তাতে সরকারের আর্থিক অবস্থা যে কাহিল হয়ে পড়েছে তা স্পষ্ট।

    আরও পড়ুন: রাজ্যে বাড়ছে নাবালিকা বিয়ে, কন্যাশ্রীর সাফল্য কি শুধুই বিজ্ঞাপনে?

    নবান্ন সূত্রের খবর, চলতি বছরে ৬২ হাজার কোটি টাকা ধার নিতে হবে। বছর শেষে ধারের পরিমাণ দাঁড়াবে ৬ লক্ষ কোটি টাকা। অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) প্রতিটি মানুষের উপরে এখন ৬০ হাজার টাকা ঋণের বোঝা রয়েছে। নবান্নের কর্তারা জানাচ্ছেন, দানছত্রের প্রকল্পগুলি চালাতেই বছরে ১২-১৫ হাজার কোটি টাকা বেরিয়ে যাচ্ছে। ডোল বিলির বেশ অধিকাংশ প্রকল্পকেই আসলে পরিকল্পনা খাতের আওতায় এনে পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছে। সেই খাতেও বেরিয়ে যাচ্ছে আরও কয়েক হাজার কোটি টাকা। ফলে রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ, সেতু, স্বাস্থ্য খাতে সে ভাবে কোনও বরাদ্দ বাড়ছে না। উল্টে কমতে শুরু করেছে। দেশের অন্য রাজ্যে করোনার সময় চালু হওয়া খরচে রাশ টানার প্রবণতা সরে গিয়েছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে তা এখনও লাগু রয়েছে।

    নবান্ন সূত্রের খবর, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার আর তফসিলি জাতি-উপজাতি পেনশনেই সরকারের সবচেয়ে বেশি নজর রয়েছে। অন্য কিছু বন্ধ হলেও আপত্তি নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সেই কারণেই হাইকোর্টের (Calcutta Highcourt) রায় থাকা সত্ত্বেও কর্মীদের বকেয়া ডিএ (Pending DA case) মেটাচ্ছে না সরকার। ডিএ মেটাতে হলে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা লাগবে। তা হলে বন্ধ হয়ে যাবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার।

    আরও পড়ুন: কার্ড দেখালেই বেসরকারি হাসপাতালে ‘বেড ফাঁকা নেই’, স্বাস্থ্য সাথী কি কেবল ‘বিজ্ঞাপন’?

    কিন্তু কর্মীদের পাওনা গণ্ডা না মিটিয়েও বেতনটুকু দেওয়া চাপের হয়ে যাচ্ছে বলে জানাচ্ছেন অর্থ দফতরে কর্তারা। তাঁদের মতে, প্রতি মাসে ধার করেই সময়ে বেতন দিতে হচ্ছে। পুজোর মাসে ক্লাব খয়রাতি থেকে অনুদানের বহর বাড়তি হওয়ায় চাপ বেড়েছে। ফলে আজ ৪ হাজার ৫০০ কোটি ধার করা হচ্ছে। সেই টাকা ঢুকলে বেতন পাবেন কর্মীরা। সরকারও পুজোর খরচটা কাটিয়ে নিতে পারবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Mamata: নবান্নে CMO তে অভিযোগের পাহাড়! কাজই করছে না বহু দফতর?

    Mamata: নবান্নে CMO তে অভিযোগের পাহাড়! কাজই করছে না বহু দফতর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  অভিযোগ জানিয়েও কাজ হচ্ছে না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) । নবান্নে মুখ্য়মন্ত্রীর দফতরে (cmo) জমছে অভিযোগের পাহাড়। বেশিরভাগ দফতর কাজই করছে না। কথাই শুনছে না মুখ্যমন্ত্রীর। জেলায়  জেলায় প্রশাসনিক বৈঠক করলেও তার নিটফল যে শূন্য, তা বুঝতে পারছেন মুখ্য় সচিব  (chief secretary)। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হলেই তাঁকে জবাবদিহি করতে হচ্ছে। বারবার বলা সত্বেও অভিযোগের নিষ্পত্তিতে কেন দেরি হচ্ছে, বিভিন্ন দফতরের কাছে তার জবাব চাইছে নবান্ন (nabanna)।  চাপে পড়ে রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী (H.K.Dwivedi) চিঠি দিয়েছেন বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকদের। বকেয়া অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ জারি হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পাঠানো অভিযোগ গুলি যাতে সাতদিনের মধ্যে জবাব দেওয়া যায়, তার জন্য জানানো হয়েছে প্রতিটি দফতরকে। 

    এমাসের সাত তারিখেই এনিয়ে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। সব দফতরের শীর্ষ আধিকারিক বা HOD-কে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, কাজ ফেলে রাখবেন না। সব অভিযোগের জবাব দিতে হবে সাতদিনের মধ্যে। কিন্তু বাস্তবে তা হচ্ছে না। বহু দফতরের শীর্ষ আধিকারিকরা বেশি সময় নিচ্ছেন। ৭ সেপ্টেম্বর রাজ্য প্রশাসনের পর্যালোচনা বৈঠকের সিদ্ধান্তের কথা তাই সকলকে মনে করিয়ে দিয়েছেন মুখ্য সচিব। সাতদিনের মধ্যে যদি অ্যাকশন টেকন রিপোর্ট জমা দেওয়া না যায়, তাহলে কি উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, তাও যেন উল্লেখ করা হয়, বলে জানানো হয়েছে চিঠিতে। 

    কী আছে চিঠিতে? 
    রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, সরকারের খাদ্য প্রক্রিয়া করণ দফতর ও হর্টিকালচার ডিপার্টমেন্ট গত ৬ মাসে গড়ে ৫৮ দিন রিপোর্ট দিতে দেরি করেছে। আদিবাসী উন্নয়ন দফতর দেরি করেছে ৫৭ দিন। আর ৩৯ দিন সময় নিয়েছে কারিগরি শিক্ষা থেকে স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য দফতর। অভিযোগের পাহাড় জমা হয়েছে পরিবহণ দফতরে। আর তারা সময় নিয়েছে ৩৫ দিন। এই দফতরগুলির বেশিরভাগই খোদ মুখ্যমন্ত্রীর হাতে। 

    জেলাগুলির মধ্যে সবচেয়ে খারাপ পারফরম্যান্স কালিম্পং, ঝাড়গ্রাম ও উত্তর ২৪ পরগনার। কালিম্পং জেলাশাসক দেরি করেছেন ৪১ দিন, ঝাড়গ্রাম ৩৭ দিন। আর উত্তর ২৪ পরগনা ২৬দিন। জেলাশাসক বদল করেও অসুখ সারছে না। পুলিশ সুপারদের পারফরম্যান্স খারাপ মালদা, বারাসত, হুগলি, মুর্শিদাবাদে। ৭ দিনের বদলে অভিযোগের উত্তর দিতে বহু সময় লেগে যাচ্ছে।

     অনেক ক্ষেত্রেই  অ্যাকশন টেকন রিপোর্ট অসম্পূর্ণ। ফের তার ব্যাখ্যা চেয়ে ফেরত পাঠায় মুখ্যমন্ত্রীর দফতর। এর ফলে কাজে আরও দেরি হয়ে যায়। বারবার এমন ঘটনা একেবারেই কাম্য নয় বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে। বহু ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে সচিব বা জেলা আধিকারিকরা তাঁদের অধীনস্থ অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন না। মানুষের অভিযোগ খতিয়ে দেখছেন না। দায়িত্ব ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করছেন। এর ফলে সমস্যা আরও বাড়ছে।

    অভিযোগ খতিয়ে দেখে কি কি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তারও উল্লেখ করা হয়েছে চিঠিতে। আর এখান থেকেই স্পষ্ট হচ্ছে সরকারের বিভিন্ন দফতরের গাফিলতির কথা। প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলার পরও ‘ডিজপোজড’, ‘রিজল্ভড’, ‘অ্যাকশন টেকন’লিখে দেওয়া হচ্ছে। মুখ্যসচিবের নির্দেশ, এভাবে লিখে ছেড়ে দিলেই হবে না। ঠিক কি কি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে,তাও উল্লেখ করতে হবে। বোঝাই যাচ্ছে, কাজ না করে সরকারের বেশিরভাগ দফতর গা এলিয়ে দিয়েছে। ফলে চিন্তার ভাঁজ মুখ্যমন্ত্রীর কপালে। তাই তড়িঘড়ি এই সমস্যা সমাধানের উপায় খুঁজছেন তিনি। 

    আর এখানেই প্রশ্ন উঠছে সরকারের কাজকর্ম নিয়ে। এই চিঠি মাধ্যমের হাতে আসায় বোঝা যাচ্ছে কীভাবে কাজ না করে দায়সারা হয়ে পড়েছে মমতা প্রশাসন। অভিযোগের পাহাড় জমা পড়ছে নবান্নে। মুখ্য়মন্ত্রী দেখছেন, বুঝছেন, বলছেনও। কিন্তু কাজের কাজ কিছু হচ্ছে না। দলীয় স্তরে তৃণমূল নেত্রী ধীরে ধীরে যেমন নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছেন, তেমনি প্রশাসনিক স্তরেও কি রাশ আলগা হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর ? ১৪ তলা থেকে নির্দেশ গেলেও তা পালনে অনীহা প্রকাশ করছে জেলা প্রশাসন? নবান্নের প্রতি তলায় সেই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।  

     

     

     

  • WBSEDCL: পঞ্চায়েতের বকেয়া ৪০৮ কোটি উদ্ধার না হলে বিদ্যুৎ দফতরের বরাদ্দ বন্ধ করে দেবে কেন্দ্র

    WBSEDCL: পঞ্চায়েতের বকেয়া ৪০৮ কোটি উদ্ধার না হলে বিদ্যুৎ দফতরের বরাদ্দ বন্ধ করে দেবে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ ঢালাও বিদ্যুৎ পুড়ছে কিন্তু তার বিল মেটাচ্ছে না রাজ্য সরকারের (West Bengal Government) অধীনে থাকা সংস্থাগুলি। পঞ্চায়েত দফতরেই বকেয়া ৪০৮ কোটি টাকা। এই টাকা উদ্ধার না হলে কেন্দ্রীয় সরকার (Modi Government) আর কোনও অনুদান বা ঋণ দেবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে। বাধ্য হয়ে বিদ্যুৎ দফতর পঞ্চায়েত দফতরের কাছে বকেয়া টাকা এখনই মিটিয়ে দিতে বলেছে। না মেটালে বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা (WBSEDCL) চালানো যে মুশকিলের হয়ে দাঁড়াবে সে কথাও অকপট জানিয়ে দিয়েছেন বণ্টন সংস্থার শীর্ষ কর্তা। বিদ্যুৎ দফতরের চিঠি মাথায় হাত পঞ্চায়েত দফতরের। একে তো ১০০ দিনের টাকা, আবাস যোজনা, সড়ক যোজনার টাকা বন্ধ। গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো রাজ্য সরকারেরই অপর দফতর ৪০৮ কোটি টাকা চেয়ে তাগাদা দেওয়ায় মহা ফাঁপড়ে পড়েছে সরকার। টাকা না মেটালে যদি পঞ্চায়েত ভোটের আগে গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতি দেখা যায়, তা হলে বিপদ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন পঞ্চায়েত কর্তারা।

    আরও পড়ুন: পুজোর মাসে বেতন দিতে ৪৫০০ কোটি ধার করছে রাজ্য, খরা কোষাগারে

    পঞ্চায়েত দফতর সূত্রের খবর, রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার চেয়ারম্যান কাম ম্যানেজিং ডিরেক্টর শান্তনু বসু গত ১২ সেপ্টেম্বর পঞ্চায়েত সচিব পি উলগনাথনকে লিখেছেন, পঞ্চায়েত দফতরের কাছে বণ্টন সংস্থার ৪০৮ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। এই টাকা অবিলম্বে মেটাতে হবে। কারণ, কেন্দ্রীয় সরকার তাদের অনুদান এবং ঋণ দেওয়ার জন্য অধীনস্ত সংস্থার বকেয়া আদায়ের শর্ত দিয়েছে। তাছাড়া বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার আর্থিক ভার কমাতে ও গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহ ঠিক রাখতে বকেয়া টাকা পাওয়া জরুরি। বিদ্যুৎ দফতরের চিঠি পেয়ে পঞ্চায়েত দফতর করণীয় ঠিক করতে পারছে না। কারণ, বকেয়া মেটানোর ৪০৮ কোটি টাকা তাদের হাতে নেই, না মেটালে পঞ্চায়েত ভোটের আগে গ্রামে লোডশেডিং শুরু হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

    বিদ্যুৎ দফতরের হিসাব অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি বকেয়া রয়েছে বাঁকুড়া, বীরভূম, বর্ধমান সদর, হুগলি, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, মালদহ, মুর্শিদাবাদ জেলায়। এই সব জেলায় গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি বা জেলা পরিষদগুলি দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুতের বকেয়া বিল মেটায়নি। এবার পঞ্চায়েত ভোটের আগে তাই খেসারতও বেশি দিতে হবে।

    বিদ্যুৎ দফতরের দাবি, আর্থিক সংকটে ভুগছে সংস্থা। এর মধ্যেই হাইকোর্টের রায় মেনে ডিএ মেটাতে হয়েছে কর্মীদের। আর্থিক সংস্থাগুলিও ঋণ দিতে চাইছে না। এমন অবস্থায় একমাত্র ভরসা কেন্দ্রের অনুদান। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়ে দিয়েছে, রাজ্যের বিভিন্ন সংস্থার থেকে বকেয়া আদায় করে আর্থিক ভিততি মজবুত করলে তবেই কেন্দ্রীয় সাহায্য মিলবে। এমন অবস্থায় রাজ্যের দুই দফতর নিজেরাই আকচাআকচিতে জড়িয়েছে। এমনকী গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ ঠিক রাখতে হলে টাকা মেটাতে হবে এমন হুমকিও দিয়েছে বিদ্যুৎ দফতর (West Bengal State Electricity Department)।

      

  • WB Govt Soft on PFI: নিষিদ্ধ পিএফআইয়ের বিরুদ্ধে কোনও অ্যাকশন নেবে না মমতা প্রশাসন

    WB Govt Soft on PFI: নিষিদ্ধ পিএফআইয়ের বিরুদ্ধে কোনও অ্যাকশন নেবে না মমতা প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উগ্রপন্থা এবং নাশকতার কাজে সরাসরি যুক্ত থাকার অভিযোগে দেশজুড়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়েছে পিএফআই (PFI Banned) ও তাদের বেশ কয়েকটি শাখা সংগঠন। কেন্দ্রীয় সরকারের বিজ্ঞপ্তি জারির পর বিভিন্ন রাজ্য পদক্ষেপও করেছে। এমনকি কেরল (Kerala) সরকারও কেন্দ্রের নির্দেশ মেনে সে রাজ্যে ব্যাপক ধরপাকড় এবং পিএফআইয়ের (Popular Front of India) কার্যকলাপ বন্ধে নেমেছে। ব্যতিক্রম শুধু পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal)। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata) পিএফআই নিয়ে কোনও সক্রিয়তা চান না। ফলে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ, এসটিএফ কিংবা সিআইডি পশ্চিমবঙ্গে সক্রিয় পিএফআই শাখাগুলোর কাজকর্ম বন্ধ করতে কোনও কিছুই করবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    গোয়েন্দা সূত্রের খবর, কলকাতা (Kolkata) শহরে বেনিয়াপুকুর এবং কড়েয়া থানা এলাকায় পিএফআই সবচেয়ে বেশি সক্রিয়। দলীয় অফিস রয়েছে তিলজলাতে। গত কয়েক বছরে বিভিন্ন কেন্দ্র বিরোধী আন্দোলনে নেপথ্যে আসল শক্তি ছিল পিএফআই। সংগঠনের মূল কর্মকাণ্ড অবশ্য মুর্শিদাবাদ জেলাকে কেন্দ্র করেই চলছে। সংগঠনের রাজ্য সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক থেকে পদাধিকারীদের অধিকাংশই মুর্শিদাবাদ, মালদহ, নদিয়া, দুই ২৪ পরগনা এবং হাওড়া জেলার। এই সব জেলাগুলিতেই ১৭টি শাখা খুলে গত পাঁচ-ছয় বছরে বেশ সক্রিয় হয়ে উঠেছে সংগঠনটি। বেশ কয়েকটি জঙ্গি কার্যকলাপে অভিযুক্তের আইনি সহায়তা দিচ্ছে পিএফআই। বাংলাদেশ এবং নেপাল সীমান্তে পিএফআই নেতাদের গতিবিধিও চিন্তাজনক। এনআইএ এবং ইডি পিএফআইকে রাষ্ট্রবিরোধী সংস্থা হিসাবে চিহ্নিত করেছে।

    আরও পড়ুন: নিশানা ছিল আরএসএস হেডকোয়ার্টার! আত্মঘাতী জঙ্গি নিয়োগ করেছিল পিএফআই?

    যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসন মুসলিমদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা এই রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন নেই বলে মনে করছে। এক শীর্ষ কর্তার কথায়, কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও এজেন্সি ব্যবস্থা নিলে আমরা সাহায্য করব। কিন্তু পিএফআই নেতাদের রাজ্য পুলিশ আগ বাড়িয়ে গ্রেফতার করবে না, তাদের দফতরে তল্লাশি চালাতে যাবে না।

    কেন? পুলিশ কর্তারা জানাচ্ছেন, এনআইএ (NIA) এবং ইডির (ED) কাছে পিএফআইয়ের বিষয়ে যাবতীয় নথি রয়েছে। ফলে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এ সবে জড়াবে না। যদিও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রের খবর, প্রতিটি রাজ্যের সঙ্গে গোয়েন্দাদের সমন্বয় বৈঠকে পিএফআই (PFI) সংক্রান্ত সমস্ত নথি বিনিময় করা হয়েছে। দেশব্যাপী নিষেধাজ্ঞার আগেও রাজ্যের মতামত নেওয়া হয়েছে। এখন পশ্চিমবঙ্গ সরকার পিএফআই নিয়ে নরম মনোভাব নিলে তা জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে না।

    আরও পড়ুন: হিন্দু নেতাদের হত্যা থেকে হাওয়ালা কারবার! কী কী করত পিএফআই, জানেন?

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসন বিজেপি (BJP) কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করবেন। তাঁর ভাইপো বিজেপি কর্মীদের কপাল লক্ষ্য করে গুলি চালানোর নির্দেশ দিতে পারেন। জাতীয়তাবাদী শক্তি দমনে পুলিশ এরাজ্যে সক্রিয়। কিন্তু নূপুর শর্মার (Nupur Sharma) বয়ানের জেরে বিক্ষোভের সময় ১৪ ঘণ্টা জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ হলেও মমতার পুলিশ চুপ থাকে। পিএফআইয়ের মতো নাশকতা চালানো শক্তি জানে মমতা প্রশাসন তাদের বন্ধু। সেই কারণেই পশ্চিমবঙ্গে এমন শক্তির বাড়বাড়ন্ত হয়েছে।

LinkedIn
Share