Tag: Nabanna

Nabanna

  • Covid Booster Dose: পুজোর আগেই ৫ কোটি বুস্টার ডোজ দেওয়া সারতে হবে, নির্দেশ স্বাস্থ্য দফতরের 

    Covid Booster Dose: পুজোর আগেই ৫ কোটি বুস্টার ডোজ দেওয়া সারতে হবে, নির্দেশ স্বাস্থ্য দফতরের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর আগেই রাজ্যের সমস্ত যোগ্য প্রাপককে  কোভিড টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়ার কাজ শেষ করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর (Health Department)। নবান্নে (Nabanna) আজ রাজ্যের সাস্থ্য সচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগমের নেতৃত্বে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য সচিব সহ দফতরের অন্যান্য আধিকারিক,সব জেলাশাসক ও জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকেরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ছ কোটির বেশি মানুষ কোভিডের প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন। এদের মধ্যে ১ কোটি ২১ লক্ষ ৬৫ হাজার মানুষ বুস্টার ডোজ নিয়েছেন। বাকি ৫ কোটির বেশি মানুষের এখনও পর্যন্ত এই বুস্টার ডোজ বকেয়া রয়েছে। তাঁরা যাতে পুজোর আগেই বুস্টার ডোজ পান তা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আশা কর্মীদের এই কাজে নিযুক্ত করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে রাজ্যে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মিশনের দেওয়া টাকা সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে নির্দিষ্ট খাতে খরচ করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: “করোনা ভাইরাস ক্লান্ত নয়, আগামী মাসে ফের বাড়বে আক্রান্তের সংখ্যা”, সতর্কবার্তা ‘হু’ প্রধানের

    প্রসঙ্গত, স্বাস্থ্য মিশনের টাকা ইতিমধ্যেই রাজ্যগুলিকে পাঠিয়েছে কেন্দ্র সরকার। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে আশাকর্মী নিয়োগের কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। 

    শনিবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা (Coronavirus) আক্রান্ত হয়েছেন ১৩,২৭২ জন। গতকাল যে সংখ্যাটা ছাপিয়েছিল ১৫ হাজারের গণ্ডি। সংক্রমণের পাশাপাশি গত ২৪ ঘণ্টায় খানিকটা কমেছে অ্যাকটিভ কেস। দেশের সক্রিয় রোগী বর্তমানে ১ লক্ষ ১ হাজার ১৬৬ জন। গোটা দেশে অ্য়াকটিভ কেসের হার কমে হয়েছে ০.২৩ শতাংশ। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিন অনুযায়ী, ভারতে একদিনে করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৩৬ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত কোভিডে মোট মৃতের সংখ্যা ৫ লক্ষ ২৭ হাজার ২৮৯।

    আরও পড়ুন: হু হু করে বাড়ছে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, একদিনে আক্রান্ত ১২ হাজারের বেশি

    এই পরিস্থিতিতে করোনা নিয়ে আগে থেকেই সতর্ক থাকতে চাইছে রাজ্য সরকার। তাই পুজোর উৎসবে, জমায়েতের কারণে যাতে কোনওভাবেই রোগের বাড়বাড়ন্ত না হয়, সেই দিকে খেয়াল রাখতেই তড়িঘড়ি এই ব্যবস্থা।  

  • Liquor price hike: ক্লাব অনুদানের টাকা তুলতে পুজোর আগেই বাড়ছে মদের দাম

    Liquor price hike: ক্লাব অনুদানের টাকা তুলতে পুজোর আগেই বাড়ছে মদের দাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসছে পুজো বাড়ছে মদের দাম। বাড়তি রোজগারের টাকাতেই পুজোয় ক্লাব অনুদানের টাকা তুলে নিতে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। শুধু তাই নয়, পুজোর আবহ তৈরি করে মদের বিক্রি বাড়াতেই ভাদ্রের মল মাসেও দুর্গাপুজো নিয়ে পদযাত্রা করে বাঙালিকে মাতিয়ে দেওয়ার কৌশল নেওয়া হয়েছে বলে নবান্নের অন্দরের খবর।

    আবগারি দফতর সূত্রের খবর, সবকিছু ঠিকঠাক চললে মহালয়ার দিন সাতেক আগেই দিশি এবং ফরেন লিকারের(বিলিতি)দাম ৭ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। তবে আবগারি শুল্কের কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না। দিশি এবং ফরেন লিকারের উৎপাদকেরা তাদের ডিস্টিলারি থেকে মদ উৎপাদনের খরচ বাড়ার কারণে উৎপাদন মূল্য বাড়ানোর আর্জি জানিয়েছিলেন।গত ছমাস ধরে সেই প্রস্তাব থাকলেও নবান্ন তা মঞ্জুর করেনি। দুর্গাপুজোর ক্লাব অনুদান ঘোষণার দুএকদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মদের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন। যদিও সরকার আবগারি শুল্কের কোনও পরিবর্তন করছে না, তবুও মদের দাম বাড়ার ফলে বেভারেজ কর্পোরেশনের লেনদেনে ব্যাপক প্রভাব পড়বে। মদের উৎবপাদন মূল্য যত বেশি হবে বেভকো তত বেশি কমিশন পাবে। ফলে ইডিপি বাড়ার ফলে নবান্নের রোজগার বাড়বে। সেই টাকাতেই ক্লাবগুলিতে দেওয়া পুজোর অনুদাম তুলে নেওয়া হবে।

    আবগারি কর্তাদের আশা, সরাসরি কর আদায় না বাড়লেও বাড়তি দামের ফলে আরও মোটা টাকার লেনদেন হবে, তাতে অন্তত ১০০ থেকে ১৫০ কোটি টাকা রাজস্ব বাড়তে পারে। পুজোর অনুদানের খরচ মদ বিক্রি করে দুমাসেই তুলে নিতে পারবে রাজ্য।রাজ্যে এখন প্রায় দেড় কোটি কেস ফরেন লিকার এবং ১ কোটি কেস বিয়ার বিক্রি হয়। করোনার সময় দীর্ঘদিন মদের দোকান বন্ধ থাকায় আবগারি রাজস্ব কমে গিয়েছিল। ২০২১ এর নভেম্বরে সরকার মদের দাম অনেকটাঅ কমিয়ে দিয়েছিল। তার ফলে বিলিতি মদ বা বিয়ারের বিক্রি প্রায় ৫০% বেড়ে গিয়েছে। এখন মদ্যপায়ীদের পানের অভ্যাস আগের মতো ফিরে আসায় সরকার ফের মদের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে মদের উৎপাদন মূল্য বাড়ানোর পিছনে কোনও এক রহস্য আছে বলেও শোনা যাচ্ছে।

    আবগারি দফতর জানাচ্ছে, দুর্গাপুজো থেকে ছট পর্যন্ত প্রতি বছরই মদের বিপুল বিক্রি হয়। উৎসবের মরশুমে বাঙালি হাতখুলে খরচও করে থাকে। ফলে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি মদের দাম বাড়ালে বিক্রিতে খুব একটা প্রভাব পড়বে না। বরং বাড়তি আয় দিয়ে পুজোর আগে নবান্নের বাড়তি খরচ পুষিয়ে দেওয়া যাবে।

    মদের দাম বৃদ্ধির কানাঘুষো খবর বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক দীপক বর্মন বলেন, ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি। একদিকে দুর্গাপুজোর সহায়তা দিতে ক্লাবগুলিকে অনুদান দিচ্ছে সরকার। সেই টাকা তোলা হচ্ছে মদের বিক্রি এবং দাম বাড়িয়ে। ভাদ্রের মল মাসেও মুখ্যমন্ত্রী পুজোর আবহ তৈরি করতে চাইছেন।যাতে এখন থেকেই মদে মেতে ওঠে যুব সমাজ। ঘুরিয়ে মদের দাম বাড়িয়ে তাদের পকেট কেটেই ক্লাব অনুদানের টাকা তুলছে নবান্ন। বাঙালি আর কবে বুঝবে?  আর কত ঠকবে?     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Howrah Violence: হাওড়ায় ‘ফেল’ দুই পুলিশকর্তার কলকাতায় ‘প্রোমোশন পোস্টিং’!

    Howrah Violence: হাওড়ায় ‘ফেল’ দুই পুলিশকর্তার কলকাতায় ‘প্রোমোশন পোস্টিং’!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) সাসপেন্ডেড নেত্রী নূপুর শর্মার (Nupur Sharma) মন্তব্যের জেরে হাওড়ার অগ্নিগর্ভ (Howrah violence) পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হওয়ায় মমতা (Mamata) প্রশাসনের দিকে উঠতে শুরু করেছে অভিযোগের আঙুল। এই পরিস্থিতিতে, শনিবার বিকেলে নবান্নতে (Nabanna) উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে নেওয়া হয় ‘গুরুত্বপূর্ণ’ সিদ্ধান্ত। রাজ্য প্রশাসনের হেডকোয়ার্টার থেকে জানিয়ে দেওয়া হল যে, হাওড়া শহর (Howrah City) ও হাওড়া গ্রামীণ (Howrah Rural)— এই দুই এলাকার শীর্ষ পুলিশকর্তাকে সরানো হচ্ছে।

    প্রথমদিকে হয়ত মনে হয়েছিল, হয়ত প্রশাসন কড়া হাতে বিষয়টিকে দমন করার চেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু, ভুল ভাঙে কিছুক্ষণের মধ্যেই। কারণ, দুই এলাকার পুলিশকর্তাকে সরিয়ে যে নতুন পদে বসানো হয়েছে, তা রীতিমতো চমকে দেওয়ার মতো। সাধারণত, এক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রুখতে ব্যর্থ পুলিশকর্তাদের ‘পানিশমেন্ট পোস্টিং’ দেওয়া হয়ে থাকে। অর্থাৎ, আগের থেকে কম গুরুত্বপূর্ণ পদে অথবা কম গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হয়। কিন্তু, এক্ষেত্রে, ঘটনা ঠিক উল্টো।

    হাওড়ায় (Howrah) ব্যর্থ দুই পুলিশ কর্তাকেই আখেরে বদলি করে কলকাতায় এনে যাকে বলে রীতিমতো ‘প্রাইজ পোষ্টিং’ দেওয়া হয়েছে। যেমন, হাওড়ায় ‘ফেল’ পুলিশকর্তা তথা হাওড়া (শহর) পুলিশ কমিশনার সি সুধাকরকে (C Sudhakar) আনা হয়েছে কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার পদে। যে পদে আসার জন্য অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়। অন্যদিকে, হাওড়ায় আরেক ব্যর্থ পুলিশকর্তা তথা হাওড়া (গ্রামীণ) পুলিশ সুপার সৌম্য রায়কে (Saumya Roy) আনা হয়েছে কলকাতা পুলিশের সাউথ ওয়েস্টের ডেপুটি কমিশনার পদে আনা হয়েছে।

    ব্যর্থতার জন্য তো শাস্তি হয় বলেই শোনা যায়। আইনকানুন সামলাতে না পারলে, পানিশমেন্ট পোস্টিং হয় বলেই এতদিন সকলেই জানেন। কিন্তু, ব্যর্থ হওয়ার জন্য ‘পানিশমেন্ট পদোন্নতি’ বা ‘প্রাইজ পোস্টিং’ দেওয়া হল— এমন কাণ্ড একমাত্র মমতা প্রশাসনের পক্ষেই সম্ভব। আর এখান থেকেই উঠছে একাধিক প্রশ্ন। প্রথমত, তাহলে কি পুলিশ কর্তাদের আদৌ কোন দোষ ছিল না? তাঁরা সেটাই করেছেন, যা তাঁদের করতে বলা হয়েছিল? তাই যদি না হবে, তাহলে কেন বদলি করা হল অধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে? 

    যেমন ধরা যাক, হাওড়া গ্রামীণ ক্ষেত্রটি। গত তিনদিন ধরে ডোমজুড়, পাঁচলা ও সলপে একাধিক হিংসা ঘটেছে। এসবকটি এলাকা হাওড়া গ্রামীণ এলাকার আওতাধীন। সেখানকার পুলিশ সুপার ছিলেন সৌম্য রায়। যিনি কিনা আবার সোনারপুর দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক লাভলি মৈত্রর স্বামী। অতীতে, একুশের বিধানসভা নির্বাচনের সময় লাভলির প্রার্থিপদ ঘোষণার পরেই বিতর্কে জড়ান এই আইপিএস অফিসার। বিরোধীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্ত্রী লাভলি ভোটে প্রার্থী হওয়ায় সৌম্যকে পুলিশের উচ্চপদ থেকে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।

    সাম্প্রতিক অতীতে, হাওড়ার আমতার বাসিন্দা ছাত্রনেতা আনিস খানের (Anees Khan) অস্বাভাবিক মৃত্যুর সময়ই এই আইপিএস অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল উঠেছিল। পুলিশের বিরুদ্ধে ‘পক্ষপাতিত্বের’ অভিযোগ ওঠে। অনেকেই দাবি করেছিলেন, আনিসের মৃত্যুর ঘটনা ‘ধামাচাপা’ দিতে চাইছেন সৌম্য। সেই সময়ও, সৌম্যর বদলির জোরালো দাবি উঠেছিল। কিন্তু, তাঁকে সরানো হয়নি। 

    বিরোধীদের মতে, এই বদলি আখেরে স্রেফ একটা ‘আইওয়াশ’ ছাড়া কিছুই নয়। পুলিশকর্তা বদলের সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র তাহলে কি লোক দেখানোর প্রক্রিয়া মাত্র? প্রশাসনের দাবি, এটা নাকি রুটিল বদলি! কাকতালীয়ভাবে, রুটিন বদলিতে এমন দুজনকে সরানো হল, যেখানে এখন গত তিনদিন ধরে পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে রয়েছে। বিরোধীদের দাবি, সৌম্যকে ‘আড়ালে রাখতেই’ তাঁকে হাওড়ার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে কলকাতা পুলিশে নিয়ে আসা হল।

  • Howrah Violence: হাওড়ায় হিংসার জের, বদল শহর ও গ্রামীণের পুলিশপ্রধান

    Howrah Violence: হাওড়ায় হিংসার জের, বদল শহর ও গ্রামীণের পুলিশপ্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনদিন হলেও হাওড়ার অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি এখনও সামাল দিতে ব্যর্থ মমতা প্রশাসন। এই পরিস্থিতি প্রচণ্ড চাপের মুখে অবশেষে জেলা পুলিশের শীর্ষস্তরে রদবদলের সিদ্ধান্ত নিল নবান্ন। হাওড়ার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আজই নবান্নে জরুরি বৈঠকে বসেন মুখ্যসচিব এইচ কে দ্বিবেদী৷ বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব বি পি গোপালিকা এবং এডিজি আইনশৃঙ্খলা জাভেদ শামিম৷ সেখানেই দুই পুলিশকর্তাকে বদলির সিদ্ধান্ত নেওযা হয়।

    হাওড়া শহরের নতুন পুলিশ কমিশনার হচ্ছেন প্রবীণ ত্রিপাঠী। সেইসঙ্গে গ্রামীণ জেলার নতুন পুলিশ সুপারের দায়িত্ব নিতে চলেছেন স্বাতি ভাঙ্গালিয়া। এই মুহূর্তে কলকাতা পুলিশের অ্যাডিশানাল কমিশনার পদে কর্মরত আছেন প্রবীণ ত্রিপাঠী। স্বাতি ভাঙ্গালিয়া আছেন ডিসি সাউথ ওয়েস্ট পদে। হাওড়া জেলার বর্তমান পুলিশ কমিশনার সি সুধাকর হচ্ছেন কলকাতা পুলিশের জয়েন্ট সিপি এবং গ্রামীণ জেলার পুলিশ সুপার সৌম্য রায় হচ্ছেন কলকাতা পুলিশের ডিসি সাউথ ওয়েস্ট।

    আরও পড়ুন: হাওড়া যাওয়ার পথে গ্রেফতার সুকান্ত, রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ বিজেপির

    হজরত মহম্মদকে (Prophet) নিয়ে করা দিল্লিতে সদ্য দল থেকে সাসপেন্ড হওয়া বিজেপি নেত্রী নূপুর শর্মার একটি মন্তব্যের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের জেরে কার্যত উত্তপ্ত হাওড়ার বিভিন্ন এলাকা। বৃহস্পতিবার ডোমজুড়ের অঙ্করহাটির কাছে ১১৬ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধের পর শুক্রবার গোটা দিন ধরেই পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ ছিল বহু এলাকায়। জেলার উলুবেড়িয়া, ডোমজুর সহ একাধিক এলাকায় গত কয়েকদিনে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। 

    জাতীয় সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে টানা চলে অবরোধ। চেঙ্গাইল সহ একাধিক স্টেশনে হয় রেল অবরোধ। স্তব্ধ হয়ে যায় সড়ক ও রেল যোগাযোগ। পাঁচলায় অগ্নিসংযোগ এবং এটিএম ভাঙচুরের মতো ঘটনা ঘটে। শনিবারও পরিস্থিতির তেমন কোনও উন্নতি হয়নি। এদিন পরিস্থিতি সামাল দিতে গেলে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয়। 

    আরও পড়ুন: “আপনার পাপের ফলে ভুগতে হচ্ছে জনগণকে”, মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর

    সতর্কতা হিসেবে ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আগামী ১৩ জুন সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত হাওড়ার বেশ কিছু জায়গায় ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এদিকে, অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে হাওড়ার পর এবার মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বেলডাঙাতেও অশান্তির আঁচ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।  ১৪ জুন সকাল ৬টা পর্যন্ত ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

  • Suvendu Sukanta: হাওড়ায় যেতে কেন বাধা? সুকান্ত-শুভেন্দুকে মামলায় অনুমতি হাইকোর্টের

    Suvendu Sukanta: হাওড়ায় যেতে কেন বাধা? সুকান্ত-শুভেন্দুকে মামলায় অনুমতি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়া (Howrah) ঢোকার চেষ্টা করলে বিজেপি রাজ্য সভাপতিকে (BJP State President) গ্রেফতার এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে (Leader of Opposition) বাধা কেন দেওয়া হয়েছে, এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে মামলা করার অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। 

    রাজ্যের পুলিশ, প্রশাসন ও সরকারের বিরুদ্ধে অতি সক্রিয়তার অভিযোগ তুলে হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu) এবং বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)৷ বিষয়টি নিয়ে মামলার অনুমতি চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন দুই নেতা৷ কলকাতা হাইকোর্ট তাঁদের সেই আবেদন মেনে নিয়ে মামলা রুজু করার অনুমতি দিয়েছে৷

    পয়গম্বরকে (Prophet Row) নিয়ে বিজেপির নিলম্বিত জাতীয় মুখপাত্র নূপুর শর্মার আপত্তিকর মন্তব্যের জেরে গত কয়েকদিন ধরে উত্তপ্ত হাওড়ার বিস্তীর্ণ এলাকা (Howrah Violence)৷ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শুক্রবার থেকে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ ছিল হাওড়ায়। সোমবার তা পুনরায় চালু করা হয়। উলুবেড়িয়া সহ বেশ কিছু এলাকায় জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা। 

    আরও পড়ুন: “দিদিমনি অবসর নিলেও আচার্য হতে পারবেন না”, মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে শুক্রবার রাতে বিজেপি-র কার্যালয় ভাঙচুর ও কর্মীদের উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে৷ তারপরই হাওড়া যাওয়ার উদ্যোগ নেন শুভেন্দু ও সুকান্ত৷ কিন্তু, তাঁদের আটকে দেয় পুলিশ৷ শনিবার সেই পার্টি অফিসে যেতে চেয়েছিলেন সুকান্ত। কিন্তু, তাঁদের আটকে দেওয়া হয়।

    নিউ টাউনের বাড়িতে বেরোতেই পুলিশ আটকায় সুকান্ত মজুমদারকে। কিন্তু পুলিশের বাধা উপেক্ষা করেই গাড়ি করে রওনা দেন হাওড়ার উদ্দেশে। কিন্তু মাঝ পথেই তাঁর গাড়ি আটকে দেয় পুলিশ। তখন পায়ে হেঁটে যাওয়ার চেষ্টা করায় তাঁকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয় লালবাজারে।

    অন্যদিকে, রবিবার একইভাবে কাঁথি থেকে হাওড়ায় যেতে চেয়েছিলেন শুভেন্দু। কিন্তু পুলিশ হাওড়ায় যেতে দেয়নি তাঁকেও। নন্দীগ্রামে দীর্ঘক্ষণ পুলিশের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হওয়ার পর শুভেন্দু হাওড়া না গিয়ে কলকাতায় এসে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেন শুভেন্দু। একই সঙ্গে তাঁকে ‘বেআইনি ভাবে’ হাওড়া যাওয়ায় বাধা দেওয়া হয়েছে জানিয়ে রাজ্যের মুখ্য সচিব হরিকৃষ্ণ ত্রিবেদীকেও চিঠি দেন শুভেন্দু। 

    আরও পড়ুন: বেথুয়াডহরি স্টেশনে ভাঙচুর বিক্ষোভকারীদের, প্রতিবাদে ৭২-ঘণ্টা ব্যবসা বন‍্‍ধ

    শুভেন্দু আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, হাওড়ায় ঢুকতে তাঁকে বাধা দেওয়া হলে, তিনি আদালতের দ্বারস্থ হবেন। এই দুই ঘটনায় পুলিশের অতি সক্রিয়তার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করার অনুমতি চান সুকান্ত-শুভেন্দু। সোমবার, তাঁদের সেই আবেদন মঞ্জুর করে উচ্চ আদালত।

  • West Bengal: উন্নয়নে ৮০% বরাদ্দ ছাঁটাই, রোজের খরচে কোপ ৫০%, নবান্নের হেঁসেল আর চলছে না

    West Bengal: উন্নয়নে ৮০% বরাদ্দ ছাঁটাই, রোজের খরচে কোপ ৫০%, নবান্নের হেঁসেল আর চলছে না

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাগেরোয় নবান্ন (Nabanna)। সংসার চালানোর টাকা নেই। কারণ মেলা, খেলা, খয়রাতি এবং উৎসবের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ হয়ে যাচ্ছে। অথচ রোজগারের বালাই নেই। বাধ্য হয়ে অর্থ দফতর বেতন ছাড়া বাকি সব খরচ হ্যাচকা টান মেরে বন্ধ করে দিয়েছে। বাজেটে বড় মুখ করে যে সব গালভরা কথা বলা হয়েছিল, অর্থ দফতর গত ১০ জুলাই নির্দেশিকা জারি করে বলে দিয়েছে, কেবলমাত্র বেতনের টাকাটুকুই পুরো খরচ করা যাবে, বাকি সব কিছুর উপরই সারা বছর কোপ পড়ছে। 

    নবান্ন সূত্রের খবর, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের চার মাস কেটে গিয়েছে। বছরের শুরুতে খরচের বহর বাড়াতে নিষেধ করে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। অনেকের আশা ছিল, প্রথম ত্রৈমাসিকের পর অন্তত খরচের রাশ আলগা হবে। তবে গত ১০ জুলাইয়ের নয়া নির্দেশেও বলে দেওয়া হয়েছে, সারা বছরই খরচে লাগাম থাকবে। কেবল বাজেটে বেতন-পেনশন খাতে যে টাকা ধরা আছে তা খরচ করা যাবে। প্রশাসনিক খরচ থেকে রাজ্যের উন্নয়ন প্রকল্পের খরচও করা যাবে না। কারণ ভাঁড়ারে টাকা নেই।

    অর্থ কর্তারা জানাচ্ছেন, এবারের বাজেটে অর্থমন্ত্রী ১ লক্ষ ২৬ হাজার কোটি টাকার স্টেট ডেভেলপমেন্ট স্কিম বা উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছিলেন। কিন্তু যা অবস্থা তাতে উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ২০ শতাংশের বেশি টাকা জোগাড় করা সম্ভব নয়। ফলে প্রতিটি দফতরকে বলে দেওয়া হয়েছে, বাজেটে যে পরিমাণ টাকা উন্নয়ন খাতে ধরা হয়েছে তার ২০ ভাগই কেবল খরচ করতে হবে। বেশি খরচ হলে তার দায় অর্থ দফতর নেবে না। শুধুমাত্র বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের ক্ষেত্রে ছাড় থাকছে। 

    আরও পড়ুন: একুশের সমাবেশ রাজনৈতিক না সরকারি অনুষ্ঠান? প্রশাসনিক ব্যস্ততা দেখে উঠছে প্রশ্ন

    একইভাবে কোপ পড়ছে সরকার চালানোর প্রশাসনিক খরচেও। বেতন এবং উন্নয়নের বাইরে সবচেয়ে বেশি খরচ হয় এই প্রশাসনিক খরচে। সরকারি গাড়ি ঘোড়া, ইলেকট্রিক বিল, সরকারি অনুষ্ঠানসহ নানা খাতে ৫৮টি দফতরের প্রশাসনিক খরচ বাবদ বাজেটে ১ লক্ষ ৬৪ হাজার কোটি টাকা ধরা আছে। অর্থ দফতরের নির্দেশ, বাজেট বরাদ্দের ৫০% টাকাতেই সারা বছরের সরকারের সংসার চালিয়ে নিতে হবে। এক দফতরের সচিবের আক্ষেপ, সংসার চালানোর খরচ যদি ৫০ ভাগ কমিয়ে দেওয়া হয় তা হলে কি সংসার চলে? এর চেয়ে খারাপ অবস্থা আর কী-ই বা হতে পারে।

    দফতরের নির্দেশ, কোনও একটি প্রকল্পের খরচ দেড় কোটি টাকার বেশি হলেই নবান্নে ফাইল পাঠিয়ে অনুমোদন নিতে হবে। এক সরকারি কর্তার কথায়, মন্ত্রীমশাইয়ের বাথরুম সারাই করতেই তো অনেক সময় দেড় কোটি টাকার বেশি খরচ হয়, সেই ফাইল যদি নবান্ন পাঠিয়ে অনুমোদন নিয়ে আসতে হয় তা হলে সরকার কেমন চলছে বোঝাই যাচ্ছে।

    গত চার মাসে ২২টি দফতরের আরআইডিএফ প্রকল্পে ৫৩৪ কোটি টাকা দিতে পেরেছে নবান্ন। এর বাইরে হাপিত্যেশ করে বসে রয়েছে তৃণমূল সরকার। নরেন্দ্র মোদি (Modi) টাকা পাঠালে তবেই উন্নয়নের ঢাক বাজাতে পারবে তারা। রাজ্যের কঠিন আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (Reserve Bank of India) ইতিমধ্যেই সতর্ক করেছে বাংলাকে। সম্প্রতি নরেন্দ্র মোদিও পাইয়ে দেওয়ার প্রকল্পের সর্বনাশা পরিস্থিতির কথা রাজ্যগুলিকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। এরাজ্যে মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রী-সিরিজের প্রকল্পগুলির মাধ্যমে খয়রাতির ধাক্কায় এবার রাজ্য সরকারই না দেউলিয়া হয়ে যায়। অনেকের মতে, যে সরকার উন্নয়ন খাতে বাজেটের ৮০ ভাগ বরাদ্দ ছাঁটাই করে দেয় সেই সরকার কি আদৌ সুস্থির?

    আরও পড়ুন: হাসপাতালগুলিতে মজুত রাখতে হবে রক্ত! ২১ জুলাইয়ের আগে সরকারি নির্দেশ ঘিরে বিতর্ক

  • Amarnath:   অমরনাথে বাঙালি ছাত্রীর মৃত্যু, আটকে ১৬, চালু হেল্পলাইন

    Amarnath:   অমরনাথে বাঙালি ছাত্রীর মৃত্যু, আটকে ১৬, চালু হেল্পলাইন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অমরনাথে (Amarnath) মেঘভাঙা বৃষ্টির (Cloudburst) সঙ্গে নেমে আসা আকস্মিক বিপর্যয়ের অভিঘাতের ধাক্কা লেগেছে বাংলায়ও। মৃত্যু হয়েছে এক বাঙালি ছাত্রীর (Student)। এমতাবস্থায় তুষারতীর্থে আটকে থাকা এ রাজ্যের তীর্থযাত্রীদের নিরাপদে বাড়ি ফিরিয়ে আনতে তৎপর রাজ্য সরকার। অমরনাথে আটকে থাকা বাংলার বাসিন্দাদের জন্য চালু করা হয়েছে হেল্পলাইন (Help Line)। জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগও রাখা হচ্ছে রাজ্য সরকারের তরফে। দিল্লির রেসিডেন্ট কমিশনারকেও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার।

    শুক্রবার বিকেলে আচমকাই মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে মৃত্যু হয় ১৬ জন পুণ্যার্থীর। জলের তোড়ে ভেসে যায় পুণ্যার্থীদের তাঁবু, লঙ্গরখানা। তুষারতীর্থ দর্শনে গিয়ে যে ক’জন পুণ্যার্থীর মৃত্যু হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছেন এক বাঙালি ছাত্রীও। তিনি দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের বাসিন্দা। নাম বর্ষা মুহুরি। বারুইপুরের একটি কলেজে ভূগোলে এমএসসি-র ছাত্রী ছিলেন। জানা গিয়েছে,  ছ’ জনের একটি দলের সঙ্গে অমরনাথ দর্শনে গিয়েছিলেন ওই ছাত্রীও। ১ জুলাই কলকাতা থেকে উত্তর ভারতের উদ্দেশে রওনা দেন তাঁরা। প্রথমে পহেলগাঁওয়ের একটি জায়গায় ছিলেন। সেখান থেকে শুরু করেন অমরনাথ যাত্রা। তার পরেই মেঘভাঙা বৃষ্টির শিকার।

    আরও পড়ুন : অমরনাথে মেঘভাঙা বৃষ্টি, ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা নিয়ে কী বললেন বেঁচে ফেরা যাত্রীরা?

    অমরনাথে এখনও আটকে রয়েছেন রাজ্য়ের কয়েকজন। এঁদের মধ্যে রয়েছেন জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ির ৬ জন, কলকাতার ৮ জন এবং পুরুলিয়ার ২ জন। কলকাতার এই আটজনের মধ্যে রয়েছেন বিপুল ঘোষ নামে একজন। তিনি কলকাতার লেকটাউনের দক্ষিণদাঁড়ির বাসিন্দা। ৫ জুলাই জম্মু-তাওয়াই এক্সপ্রেসে চড়েন বিপুল। বছর পঁয়তাল্লিশের ওই ব্যক্তি পেশায় ব্যবসায়ী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কেষ্টপুরের আরও সাতজন। শুক্রবার রাতে বিপুল বাড়িতে ফোন করে জানান, তাঁরা পহেলগাঁও বেস ক্যাম্পে রয়েছেন।

    আরও পড়ুন : অমরনাথে মেঘভাঙা বৃষ্টি নয়, তবে কেন দুর্ঘটনা? কী বলছেন আবহ বিজ্ঞানীরা?

    এদিকে, আটকে পড়া পুণ্যার্থীদের খবরাখবর পেতে হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে নবান্ন। নম্বরটি হল, ০৩৩-২২১৪৫২৬। নম্বর চালু থাকবে ২৪ ঘণ্টাই। প্রসঙ্গত, অমরনাথে মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে ৪৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে খবর। নিখোঁজ পুণ্যার্থীদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছেন মাউন্টেন রেসকিউ টিম ও অন্যান্য দলের সদস্যরা।

  • Nabanna: নজরে পঞ্চায়েত নির্বাচন? ৮ জেলার জেলাশাসককে বদলি নবান্নর

    Nabanna: নজরে পঞ্চায়েত নির্বাচন? ৮ জেলার জেলাশাসককে বদলি নবান্নর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভর্ৎসনার পরই বদলি করা হল পুরুলিয়ার (Purulia) জেলাশাসক রাহুল মজুমদারকে। জেলা থেকে সোজা মিউনিসিপ্যালিটির দায়িত্বে। এবার থেকে আসানসোল পুরসভার অতিরিক্ত সচিবের দায়িত্ব সামলাবেন প্রোমোটী আইএএস রাহুল মজুমদার। রাহুলের জায়গায় পুরুলিয়ার জেলাশাসক পদে এলেন রজত নন্দা। নবান্ন (Nabanna)-এর তরফে পুরুলিয়ার জেলাশাসক বদলের কথা ঘোষণা করা হয়। যদিও হঠাৎ করে পুরুলিয়ার জেলাশাসক বদলের কারণ স্পষ্ট করেনি রাজ্য প্রশাসন। তবে দিন তিনেক আগে পুরুলিয়া জেলা সফরে গিয়ে প্রশাসনিক বৈঠকেই জেলাশাসকের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। 

    গত ৩০ মে পুরুলিয়া সফরে গিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেই বৈঠক থেকেই জেলাশাসক (Purulia District Magistrate) রাহুল মজুমদারের প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। ভূমি-রাজস্ব দফতর থেকে শুরু করে জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরে দুর্নীতির অভিযোগে জেলাশাসকের বিরুদ্ধে উষ্মা প্রকাশ করেন তিনি। প্রকাশ্য সভাতেই জেলাশাসককে “দলের লোক হলে টেনে ৪টে থাপ্পড় মারতেন” বলেও জানান মমতা।

    নবান্ন সূত্রে খবর, এদিন পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, দক্ষিণ দিনাজপুরের জেলাশাসক সহ মোট ২৪ জন আমলাকে বদলি করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছেন মৎস্য দফতরের অতিরিক্ত সচিব, আদিবাসী উন্নয়ন পর্ষদের মুখ্য সচিব, পর্যটন দফতরের মুখ্য সচিব, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের সচিবও।

    আরও পড়ুন: ইউপিএসসি মেধাতালিকায় দ্বিতীয় বাংলার মেয়ে, সাফল্য কলকাতারও

    সরিয়ে দেওয়া হয়েছে ঝাড়গ্রামের জেলাশাসক জয়সী দাশগুপ্তকেও। জেলায় মাওবাদী কার্যকলাপ নিয়ে প্রশ্ন ওঠায়, তাঁর ওপর বেজায় চটে গেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ঝাড়গ্রামের জেলা শাসক হয়ে এলেন খাদ্য দফতরের অতিরিক্ত সচিব সুনীল আগরওয়াল। তিনি উত্তরকন্যার অতিরিক্ত দায়িত্বে ছিলেন। জয়সী দাশগুপ্তকে পাঠানো হল পশুপালন দফতরের বিশেষ সচিব করে।

    সরতে হল পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসক রেশমী কমলকে। তাঁকে পাঠানো হল পশ্চিমবঙ্গ ল্যান্ড রেকর্ড সার্ভে দফতরের সচিব করে। রেশমী কমলের জায়গায় এলেন দক্ষিণ দিনাজপুরে জেলাশাসকের দায়িত্ব সামলানো আয়েশা রানী। গতমাসের প্রশাসনিক বৈঠকের পর্বে  জঙ্গলমহলের চার জেলায় একমাত্র বদলির রোষ থেকে বেঁচেছেন বাঁকুড়ার ডিএম কে রাধিকা আয়ার। বাঁকুড়ার প্রশাসনিক বৈঠকেই মুখ্যমন্ত্রী জেলা সভাধিপতিকে ধমক দিয়ে বলেছিলেন দলের নেতাদের কথায় তিনি জেলায় জেলায় ডিএম-এসপি বদল করবেন না। 

    এছাড়া দুই ২৪ পরগনা, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহ, ও মুর্শিদাবাদের জেলাশাসককেও বদল করা হয়েছে। এক ধাক্কায় আট জেলার জেলাশাসক বদল করলেন মুখ্যমন্ত্রী। উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসক পদে পাঠানো হয়েছে মুর্শিদাবাদের জেলাশাসক শরদ দ্বিবেদীকে। আর উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসক সুমিত গুপ্তকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক করা হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক পি উলগানাথানকে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের সচিব পদে বদলি করা হয়েছে। দক্ষিণ দিনাজপুরের নতুন জেলাশাসক হয়েছেন প্রাণি সম্পদ উন্নয়ন দফতরের বিশেষ সচিব বিজিন কৃষ্ণ। মালদার জেলাশাসক রাজর্ষি মিত্রকে মুর্শিদাবাদের জেলাশাসক পদে পাঠানো হয়েছে। মালদার নতুন জেলাশাসক হয়েছেন আসানসোল পুরনিগমের কমিশনার নিতিন সিঙ্ঘানিয়া। ঝাড়গ্রামের নতুন জেলাশাসক হয়েছেন সুনীল আগরওয়াল।  

    আরও পড়ুন: রেলকে বাদ দিয়েই অনুষ্ঠান, মুখ্যমন্ত্রীকে ট্যুইট বাণ শুভেন্দুর

    আচমকাই রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষস্তরের আমলা ও জেলাশাসক পদে বড়সড় রদবদল ঘটাল রাজ্য সরকার। সুন্দরবন বিষয়ক দফতরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব হয়েছেন অত্রি ভট্টাচার্য (Atri Bhattacharya)। রাজ্যের নয়া পর্যটন সচিব হয়েছেন সৌমিত্র মোহন (Soumitra Mohan)। কেএমডিএ’র নতুন সিইও হয়েছেন খলিল আহমেদ (Khalil Ahmed)। আবাসন দফতরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব হয়েছেন হৃদয়েশ মোহন (Hridyesh Mohan)। অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দফতরের সচিব হয়েছেন সঞ্জয় বনসল (Sanjay Bansal)। মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব করা হয়েছে জলি চৌধুরীকে (Jolly Choudhury)। 

    বৃহস্পতিবার নবান্ন থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পর্যটন সচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে (Nandini Chakraborty) অপ্রচলিত শক্তি দফতরের পাশাপাশি জনশিক্ষা প্রসার ও গ্রন্থাগার দফতরের প্রধান সচিব পদে পাঠানো হয়েছে। অপ্রচলিত শক্তি দফতরের সচিব ছোটেন ডি লামাকে (Choten D Lama) আদিবাসী দফতরের সচিব করা হয়েছে। কেএমডিএ’র সিইও অন্তরা আচার্যকে (Antara Acharya) পূর্ত সচিব পদে পাঠানো হয়েছে। আদিবাসী দফতরের প্রধান সচিব কে এস চিমাকে ডিজি, এটিআই পদে পাঠানো হয়েছে। অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দফতরের প্রধান সচিব এ সুব্বাইয়া (A Subbiah) হয়েছেন কৃষি বিপণন দফতরের প্রধান সচিব। নবান্ন সূত্রে এটিকে রুটিন বদলি  বলা হলেও পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এই রদবদল ইঙ্গিতবহ, বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

  • Sukanta Majumdar: “১৫ দিনে জ্বালানি কর না কমালে নবান্ন ঘেরাও”, হুঁশিয়ারি বিজেপির

    Sukanta Majumdar: “১৫ দিনে জ্বালানি কর না কমালে নবান্ন ঘেরাও”, হুঁশিয়ারি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পেট্রল, ডিজেলের দাম (Petrol Diesel Prices) কমানো নিয়ে এবার রাজ্য সরকারের ওপর পালটা চাপ দিল বিজেপি (BJP)। ১৫ দিনের মধ্যে রাজ্য জ্বালানির দামে করছাড় ঘোষণা না করলে নবান্ন  (Nabanna) অভিযানের হুঁশিয়ারি দিলেন দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। 

    গত ২১ মে দেশজুড়ে পেট্রল ও ডিজেলের করে ছাড় ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার (Modi Govt)। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ (Nirmala Sitharaman) জানান, পেট্রলে লিটারে প্রায় ১০ টাকা ও ডিজেলে লিটারে প্রায় ৭ টাকা কর কমাতে চলেছে কেন্দ্র। পর দিন থেকে লাগু হয় নতুন দাম। 

    কিন্তু তার পরও করছাড় ঘোষণা করেনি রাজ্য। উলটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায় এক সাংবাদিক বৈঠকে দাবি করেন, দেশের অবিজেপি সরকারগুলির মধ্যে পেট্রল ও ডিজেলে সব থেকে বেশি করছাড়া দেয় পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

    রাজ্যের শাসক দলের এই দাবি বৃহস্পতিবার নস্যাৎ করে দেয় বিজেপি। বিজেপির দাবি, ইতিমধ্যে পেট্রল-ডিজেলে কর কমিয়ে মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু রাজ্য সরকার তার ভূমিকা পালন করছে না। তিনি জানিয়ে দেন, রাজ্য কর না কমালে নবান্ন ঘেরাও করবে বিজেপি।

    জিএসটি বাবদ রাজ্যগুলির প্রাপ্য মেটাল কেন্দ্র, বাংলা কত পেল জানেন?

    সুকান্তর মতে, জিএসটি (GST) সমেত কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে রাজ্যের সব বকেয়া পাওনা মঙ্গলবারই মিটিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। পশ্চিমবঙ্গ পেয়েছে ৬ হাজার ৫৯১ কোটি টাকা। এবার পেট্রল-ডিজেলের উপর থেকে কর কমাক তৃণমূল সরকার।

    এদিন সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘আমরা রাজ্যকে ১৫ দিন সময় দিচ্ছি। এই ১৫ দিনের মধ্যে পেট্রল-ডিজেলের ওপর কর কমাতে হবে। পেট্রলে ৫ টাকা ও ডিজেলে ১০ টাকা দাম না কমালে আমরা আমাদের নবান্ন অভিযান কর্মসূচির দিনক্ষণ ঘোষণা করব।’

    জ্বানানি ইস্যুর পাশাপাশি, রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ নিয়েও এদিন মুখ খোলেন সুকান্ত। তাঁর দাবি, আদালতের নির্দেশ মেনে অবিলম্বে কেন্দ্রীয় হারে রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ দিতে হবে। 

    স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়েও অভিযোগ করেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি। বলেন, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড বর্তমানে ব্যর্থসাথীতে পরিণত হয়েছে। রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত আসতে বাধ্য হবে।

    “ফের বাংলার মানুষকে বোকা বানালেন মুখ্যমন্ত্রী!” কী প্রসঙ্গে বললেন সুকান্ত?

LinkedIn
Share