Tag: Narendra Modi

Narendra Modi

  • Microsoft: এশিয়ায় সব চেয়ে বড় বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি ভারতকে দিল মাইক্রোসফট

    Microsoft: এশিয়ায় সব চেয়ে বড় বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি ভারতকে দিল মাইক্রোসফট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়ায় এ পর্যন্ত সব চেয়ে বড় বিনিয়োগ ভারতেই করার প্রতিশ্রুতি দিল মাইক্রোসফট (Microsoft)। লগ্নির পরিমাণ ১৭.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ কথা জানান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এই সংস্থার সিইও সত্য নাদেলা। তিনি বলেন, “ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজি ,(PM Modi), ভারতের এআই সুযোগ নিয়ে মূলক আলোচনার জন্য। দেশের আকাঙ্ক্ষাকে সমর্থন করতে মাইক্রোসফট ১৭.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করছে। এটি এশিয়ায় আমাদের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ। এটি ভারতের এআই প্রথম ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো, দক্ষতা এবং সার্বভৌম সক্ষমতা গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।”

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য (Microsoft)

    নাদেলার সঙ্গে সাক্ষাৎকারের পর যারপরনাই খুশি প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “এআইয়ের ক্ষেত্রে বিশ্ব ভারতের প্রতি আশাবাদী! সত্য নাদেলার সঙ্গে অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। এশিয়ায় মাইক্রোসফটের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগের গন্তব্য হিসেবে ভারতকে দেখতে পেয়ে আমি আনন্দিত। ভারতের যুব সমাজ এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে উদ্ভাবন করবে এবং একটি উন্নত বিশ্ব গড়তে এআইয়ের শক্তিকে ব্যবহার করবে (Microsoft)।”

    কী বলল মাইক্রোসফট

    বৈঠকের কিছুক্ষণ পরে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মাইক্রোসফট জানিয়েছে, ভারতে সংস্থার ১৭.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ আগের ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের ধারাবাহিকতা—যা আগামী দু’বছরে বেঙ্গালুরুতে ক্লাউড এবং এআই পরিকাঠামো গড়ে তোলার জন্য ব্যয় করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে দক্ষতা উন্নয়ন এবং নতুন ডেটা সেন্টার স্থাপন। এর ফলে কোম্পানির ভারতে সর্ববৃহৎ হাইপারস্কেল উপস্থিতি নিশ্চিত হবে। ওই বিবৃতিতে এও বলা হয়েছে, “ভারত তার এআই যাত্রার এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। এমন এক সময়, যা বৃহৎ মাত্রায় প্রভাব সৃষ্টির জন্য এবং নেতৃত্ব দেওয়ার দৃঢ় সংকল্পে পরিপূর্ণ। প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক রূপান্তরের অনুঘটক হয়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে দেশটি এক অগ্রগামী এআই রাষ্ট্র হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে আজ আমরা এশিয়ায় আমাদের সর্ববৃহৎ বিনিয়োগ, চার বছরে ১৭.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার লগ্নির কথা ঘোষণা করছি।”

    লগ্নির পরিমাণ

    উল্লেখ্য, চার বছরে প্রায় ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ মাইক্রোসফটের এই সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে যে, ডিজিটাল পরিকাঠামো তৈরির প্রতিযোগিতায় বৈশ্বিক সফটওয়্যার জায়ান্টদের কাছে ভারত একটি অত্যন্ত মূল্যবান বাজার (Microsoft)। অক্টোবর মাসেই গুগলের প্রধান সুন্দর পিচাই জানিয়েছিলেন, তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথা বলেছেন এবং অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে এআই কেন্দ্র স্থাপনের কথাও বলেছেন। এটি ভারতে সংস্থাটির এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ। গুগল আদানি গ্রুপের সঙ্গে অংশীদারিত্বে বিশাখাপত্তনমে একটি ডেটা সেন্টার ও (PM Modi) এআই বেস নির্মাণ করছে, যা হবে আমেরিকার বাইরে তাদের সব চেয়ে বড় কেন্দ্র। প্রতিষ্ঠানটি আগামী পাঁচ বছরে ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনার কথাও ঘোষণা করেছে (Microsoft)।

  • PM Modi on Vande Mataram: “মমতা কিছুই করেননি, মোদিজির কাছে কৃতজ্ঞ”, বন্দে মাতরম নিয়ে অকপট বঙ্কিমচন্দ্রের প্রপৌত্র

    PM Modi on Vande Mataram: “মমতা কিছুই করেননি, মোদিজির কাছে কৃতজ্ঞ”, বন্দে মাতরম নিয়ে অকপট বঙ্কিমচন্দ্রের প্রপৌত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে ‘অবহেলা করার’ অভিযোগ তুললেন তাঁরই প্রপৌত্র সজল চট্টোপাধ্যায়। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০তম বার্ষিকী উদযাপন -এর জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi on Vande Mataram) তাঁর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন সজল। তাঁর কথায়, এটা অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল। তিনি আরও বলেন যে দিল্লি থেকে যদি কেউ আসেন, যেমন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বা অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি আধিকারিক, তাঁরা সবসময় পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন, তাঁদের খোঁজখবর নেন এবং ‘বন্দে মাতরম’ গানটিকে প্রচার করার জন্য বিভিন্ন ভাবনাচিন্তা আলোচনা করেন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের একবারও আমন্ত্রণ জানাননি।

    বাংলায় অবহেলিত বঙ্কিমচন্দ্র

    সোমবার এক ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকারে সজল চট্টোপাধ্যায় বলেন, “বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় একজন প্রতীকী নাম। তিনি ব্রিটিশদের উপর চাপ তৈরি করে রেখেছিলেন। কিন্তু পূর্ববর্তী সরকার (কংগ্রেস) না বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে গুরুত্ব দিয়েছে, না তাঁর কাজকে। এমনকী, ওরা এখনও একই রকম অবহেলা করে। শুধুমাত্র রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতেই ওরা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নাম ব্যবহার করেছে। অবশ্য বলে রাখা প্রয়োজন, এখনকার কেন্দ্রীয় সরকার বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে গুরুত্ব দেয়। তবে বাংলার সরকার সেই একই রকম রয়েছে।” এ বছরে ‘বন্দে মাতরম’ স্তোত্রর ১৫০ বছর পূর্তি উদযাপন হচ্ছে। বছরভর জাতীয় সঙ্গীতের মর্যাদা নিয়ে যদুনাথ ভট্টাচার্যের সুরারোপিত এই গানের ১৫০ বছর পূর্তি পালন করা হবে। সোমবারই সংসদে ‘বন্দে মাতরম’ রচনার ১৫০ বছর উপলক্ষে অনুষ্ঠিত বিশেষ আলোচনার সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই আবহে বাংলার তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে বিঁধলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রপৌত্র সজল চট্টোপাধ্যায়।

    মুখ্যমন্ত্রীর এটা আগে করা উচিত ছিল

    রাজ্যের বিরুদ্ধে তোপ দাগতে গিয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারের তৈরি হওয়া তাঁর ভাল সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেন সজল। বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বরা যে তাঁর মাঝে মধ্যেই খোঁজ নেন সেটাও জানিয়েছেন তিনি। সজল চট্টোপাধ্যায় বলেন, “২০১৮ সালে অমিত শাহ আমাদের কলকাতার বাড়িতে এসেছিলেন। তখন তো এখানে কোনও নির্বাচন ছিল না। তিনি তাও এসেছিলেন। রাজ্য সরকারের মানসিকতা আমি বুঝতে পারি না।” রাজ্য সরকারের প্রতি ক্ষোভ উগরে দিয়ে সজল বলেন, “এটা অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল। আমি এর জন্য নরেন্দ্র মোদিকে স্যালুট জানাই। বন্দে মাতরমকে জাতীয় মন্ত্র হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এই মন্ত্রটি জাতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামে জড়িয়ে ছিল। আমার প্রপিতামহের জন্য এখন পর্যন্ত কেউ কিছু করেনি। এমন একটা সময়ে যখন পরবর্তী প্রজন্ম এই (বন্দে মাতরম) গানটি ভুলে যাচ্ছে, তখন মোদিজি যা করেছেন তা খুবই ভালো। আমি গর্বিত বোধ করছি। উনি (মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) এখনও পর্যন্ত কিছুই করেননি; ওনার এটা আরও আগে করা উচিত ছিল। উনি মুখ্যমন্ত্রী; এত ক্ষমতা দিয়ে উনি এটা করতেই পারতেন। এই সরকারের পক্ষ থেকে কোনো চেষ্টাই করা হয়নি।”

    কোনও রাজনৈতিক কারণ নেই

    তিনি জানান যে, তিনি কোনও রাজনৈতিক কারণ দেখাচ্ছেন না, শুধু নিজের সত্যিটা তুলে ধরছেন। তাঁর কথায়, “আমরা রাজনৈতিক মানুষ নই। আমরা রাজনীতি করি না। আমরা শুধু সত্যি কথা বলি।” তিনি বলেন যে তিনি শুধু চান ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পর্কে জানুক এবং তাঁর অবদানের মূল্য দিক। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ভারতের প্রথম স্নাতক ছিলেন, কিন্তু দেশে এখনও তাঁর নামে কিছুই নেই। সোমবার বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রপৌত্র বলেন, “আমাদের বঙ্কিম ভবন এবং একটি বিশ্ববিদ্যালয় চাই। সংসদে প্রথমে জাতীয় সঙ্গীত বাজে, এটা মৌখিক ভাবে হয়। তারপর ‘বন্দে মাতরম’ বাজে, কিন্তু সেটা হয় শুধু সুরের মাধ্যমে অর্থাৎ ইনস্ট্রুমেন্টাল। আমাদের দাবি, এটাও গাইতে হবে।”

    ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ভুলে যাচ্ছে বঙ্কিমচন্দ্রকে 

    দিল্লিতে দেশের আইনসভায় বঙ্কিমচন্দ্রকে নিয়ে এত আলোচনা হলেও লেখকের প্রপৌত্রের অভিযোগ, নিজের রাজ্য অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গেই বঞ্চিত ‘আনন্দমঠের’ লেখক। তাঁর দাবি, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বা ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কথা বলেছেন সেজন্য তিনি কৃতজ্ঞ। কিন্তু রাজ্য সরকার বঙ্কিমচন্দ্র বা তাঁর পরিবারকে কোনওদিন উপযুক্ত সম্মান দেয়নি। তা নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করে লেখকের প্রপৌত্রের আরও দাবি, অনেক লেখক, সাহিত্যিকের নামে রাজ্যে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্য়ালয় রয়েছে। কিন্তু বঙ্কিমচন্দ্রের নামে কোনও প্রতিষ্ঠান নেই। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর অবদান দেশের এবং রাজ্যের মানুষ ভুলে যাচ্ছে। সাহিত্য সম্রাটের নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় করা যায় না?  বঙ্কিম ভবন কোথায়? নেই। অথচ থাকা উচিত। কেন্দ্রীয় সরকার যদি তা করতে উদ্যোগী হয় তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম জানতে পারবে বন্দেমাতরম কী, কেন লেখা হয়েছিল ইত্যাদি। যদি একটি বিশ্ববিদ্যালয় থাকে, তাহলে সেখানকার পড়ুয়ারাও বঙ্কিম চর্চা করতে পারবেন।

  • PM Modi On Vande Mataram: ‘বন্দে মাতরম বহু প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছে, ঐক্যের মন্ত্র এই স্লোগান’, সংসদে বললেন মোদি

    PM Modi On Vande Mataram: ‘বন্দে মাতরম বহু প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছে, ঐক্যের মন্ত্র এই স্লোগান’, সংসদে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে সংসদে শুরু হয়েছে বিশেষ আলোচনা। আর সেখানে বক্তব্যের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi On Vande Mataram) বক্তব্যে উঠে এল বাংলা এবং বাঙালির কথা। তাঁর বক্তব্যে একদিকে যেমন বঙ্গভঙ্গের সময় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অবদানের কথা উঠে এল, একইসঙ্গে জায়গা পেল মাস্টারদা সূর্য সেন, ক্ষুদিরাম বোস-সহ একাধিক বিপ্লবীর কথাও। তিনি বলেন, “ইংরেজদের হাতিয়ার ছিল বাংলা। আর এই বাংলা থেকেই প্রথম বিভাজনের রাজনীতি শুরু করেছিল ওরা। কিন্তু ইংরেজদের ইটের জবাব বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পাথরে দিয়েছিলেন।” সোমবার সংসদ অধিবেশনের শুরুতে ‘বন্দে মাতরম’-এর উপর বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই গানের ইতিহাস তুলে ধরার পাশাপাশি স্বাধীনতা আন্দোলনে এই গীতের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

    ‘বন্দে মাতরম’ ছিল স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রাণ

    লোকসভার অধিবেশনে এদিন জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’ রচনার ১৫০ বছর পূর্তি সংক্রান্ত বিতর্কের সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। বিজেপির অভিযোগ, ১৮৭৫ সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা ‘বন্দে মাতরম’-এর গুরুত্বপূর্ণ কিছু অংশ বাদ দিয়ে দেয় তৎকালীন কংগ্রেস সরকার। সেই নিয়েই আজ, সোমবার লোকসভায় আলোচনা শুরু হয়েছে। এই আলোচনার জন্য ১০ ঘণ্টা সময় নির্দিষ্ট করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’ ছিল স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রাণ, মূল মন্ত্র। আমাদের স্বাধীনতার মন্ত্র ছিল, বলিদানের মন্ত্র ছিল বন্দে মাতরম। এটা ত্যাগের মন্ত্র, সঙ্কট মোকাবিলার মন্ত্র।” বন্দেমাতরমের আবেগ ও বাংলার স্বাধীনতা আন্দোলনের গৌরবময় অধ্যায়কে স্মরণ করিয়ে মোদি বলেন, “১৯০৫ সালে হরিপুরের গ্রামে শিশুরা বন্দে মাতরম স্লোগান দিচ্ছিল। ইংরেজরা তাদের বেধড়ক মারধর করেছিল। কি অসংখ্য মানুষ বন্দে মাতরম স্লোগান দিয়ে ফাঁসিকে বরণ করেছিলেন। মাস্টারদা সূর্যসেনকে ১৯৩৪-এ ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় সূর্যসেন চিঠি লিখেছিলেন, তাতে একটাই শব্দ ছিল বন্দে মাতরম।”

    বাংলার বৌদ্ধিক শক্তি দেশকে পরিচালনা করেছিল

    মোদি বলেন, “ব্রিটিশরা বুঝতে পেরেছিল যে ১৮৫৭ সালের পর ভারতকে নিয়ন্ত্রণ করা তাদের পক্ষে কঠিন। তারা জানত, ভারত ভাগ করে জনগণকে একে অপরের সঙ্গে লড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করা কঠিন। তাই তারা দেশ ভাগ করে শাসন করার সিদ্ধান্ত নেয়, বাংলাকে তাদের পরীক্ষামূলক কেন্দ্র করে তোলে। সেই দিনগুলিতে বাংলার বৌদ্ধিক শক্তি দেশকে পরিচালনা করেছিল। তারা জানত যদি তারা বাংলাকে ভেঙে দিতে পারে, তাহলে তারা দেশ ভেঙে যাবে। কিন্তু সেই সময়ে, এই রাজ্য থেকে উদ্ভূত বন্দে মাতরম ধ্বনি তাদের কাছে চ্যালেঞ্জ হয়ে ওঠে। বঙ্গভঙ্গের সময়ে প্রতিদিন বন্দে মাতরম স্লোগান দিয়ে প্রভাত ফেরি বের হতো। বাংলার অলিতে গলিতে এই গান গাওয়া হতো। ঐক্যের শক্তি জুগিয়েছিল এই গান।”

    ‘বন্দে মাতরম’ কে টুকরো করেছিল কংগ্রেস

    মোদি কংগ্রেসকে আক্রমণ শানিয়ে বলেন, “বঙ্কিমচন্দ্র যে বন্দে মাতরম লিখেছেন, সেটা অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়েছে। ১৯০৫ সালে মহাত্মা গান্ধী বন্দে মাতরমকে জাতীয় স্লোগান হিসেবে দেখেছিলেন। ইতিহাস সাক্ষী, মুসলিম লিগের সামনে আত্মসমর্পণ করে কংগ্রেস। কংগ্রেসের তুষ্টিকরণের রাজনীতির এটা একটা কৌশল ছিল।” বন্দে মাতরম প্রসঙ্গে দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকেও আক্রমণ করেছেন মোদি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জিন্নাহর বন্দে মাতরমের বিরোধিতার পর সুভাষ চন্দ্র বসুকে একটি চিঠি লিখেছিলেন পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু। যেখানে তিনি বলেছিলেন যে, তিনি বন্দে মাতরমের পটভূমি পড়েছেন এবং ভেবেছিলেন এটি মুসলমানদের উত্তেজিত এবং বিরক্ত করতে পারে। বাংলায় প্রথম বঙ্কিমচন্দ্রের বন্দে মাতরম স্লোগান ব্যবহার করে তার প্রতিক্রিয়া দেখতে চেয়েছিলেন।’ নেহরুর এই বয়ান আদতে বন্দে মাতরমের আত্মার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা বলে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী। মোদির বক্তব্য, নেহরুর এমন বয়ান বন্দে মাতরমের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।”

    ‘বন্দে মাতরম’ এর গৌরব পুনরায় স্থাপন করতে হবে

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ বন্দে মাতরম-এর গৌরব পুনরায় স্থাপন করার সময় এসেছে। কংগ্রেস এখনও বন্দে মাতরমকে অপমান করছে।” একই সঙ্গে তাঁর বক্তব্য, প্রথমে বন্দে মাতরমকে ভাঙা হয়েছে। আর তার পরেই ভারত ভেঙেছে। নাম না করে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকেও আক্রমণ করেছেন মোদি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “১৯৭৫ সালে বন্দে মাতরমের ১oo বছর পূর্তিতে সংবিধানকে রুদ্ধ করা হয়েছিল।” মোদি জানান, তাঁদের সরকার বন্দে মাতরমের মাহাত্ম্যকে পুনরুদ্ধার করতে চায়। তাঁর কথায়, “ ১৯৪৭ সালে স্বাধীন হওয়ার পর দেশের সামনে চ্যালেঞ্জ বেড়েছে। কিন্তু স্বাধীনতার পরও বন্দে মাতরম সঙ্কটের সময় প্রেরণা যুগিয়েছে। বন্দে মাতরম বহু প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেও অনুপ্রাণিত করবে।”

  • Zelenskyy’s India Visit: পুতিনের পর ভারতে আসছেন জেলেনস্কি! কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় সক্রিয় দিল্লি

    Zelenskyy’s India Visit: পুতিনের পর ভারতে আসছেন জেলেনস্কি! কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় সক্রিয় দিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের পর এবার ভারত সফরে আসছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি (Zelenskyy’s India Visit)। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারসাম্য রক্ষার বার্তা দিতেই এই মাষ্টারস্ট্রোক নয়াদিল্লির। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতেই দিল্লি সফরে আসতে পারেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। যদিও দিল্লির তরফে দিন তারিখ এখনও স্পষ্ট করা হয়নি। রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে ভারত দুই দেশের মধ্যেই ভারসাম্য বজায় রেখেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি যুদ্ধের মাঝখানেই ইউক্রেন এবং রাশিয়া উভয় দেশ সফর করেছেন। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট উভয়ই বলেছেন, এই যুদ্ধ বন্ধে ভারত ভূমিকা রাখতে পারে।

    দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে

    এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, নয়াদিল্লির তরফে বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরেই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের নয়াদিল্লি সফরের আগে থেকেই এই চেষ্টা চলছে বলে সূত্রের দাবি। ভারতীয় ও ইউক্রেনীয় আধিকারিকদের মধ্যে সফরের বিষয় নিয়ে বেশ কয়েক দফা আলোচনাও হয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, রাজনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পরে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট এখন পর্যন্ত মাত্র তিনবার ভারত সফর করেছেন। তাও কমপক্ষে ১৩ বছর আগে। ১৯৯২, ২০০২ এবং সবশেষে ২০১২ সালে কোনও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভারত সফর করেছিলেন। সেই দিক থেকে এই সফর বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

    ভারসাম্যবজায় রাখছে ভারত

    জেলেনস্কির এই সফর রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের আবহে উভয় পক্ষের সঙ্গেই ভারতের ভারসাম্যকে আরও জোরদার করবে। লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, কূটনৈতিক রাস্তায় বেশ কয়েক মাস ধরে এই নীতি অনুসরণ করছে নয়াদিল্লি। যেমন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০২৪-এর জুলাই মাসে মস্কো সফর করে পুতিনের সঙ্গে দেখা করেন। কিন্তু এরপরেই মাত্র এক মাস পরে আগস্টে ইউক্রেন সফর করেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির প্রস্তাবিত সফরের সময় নির্ভর করবে বেশ কয়েকটি বিষয়ের উপর। এক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনা কীভাবে এগিয়ে যায় এবং রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধে কী ঘটে তার উপর। এছাড়াও, ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, বিশেষ করে জেলেনস্কির সরকার বর্তমানে একটি বড় দুর্নীতি কেলেঙ্কারির কারণে চাপের মধ্যে রয়েছে। এগুলিও প্রস্তাবিত সফরের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।

    জেলেনস্কির ভারত সফর তাৎপর্যপূর্ণ

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলছে প্রায় ৪ বছর ধরে। এই আবহে ভারত ধারাবাহিকভাবে শান্তির বার্তা দিয়ে গিয়েছে। সংলাপ ও সার্বভৌমত্বকে সম্মান জানানোর অঙ্গীকার করেছে ভারত। প্রেসিডেন্ট পুতিনের সামনে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছিলেন যে ভারত এই যুদ্ধে নিরপেক্ষ নয়, বরং শান্তির পক্ষে দাঁড়িয়েছে। পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের পর মোদি বলেন, ‘মস্কো আমাদের সবকিছু সম্পর্কে অবহিত করেছে এবং আমাদের উপর আস্থা দেখিয়েছে। আমি বিশ্বাস করি সাম্প্রতিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বিশ্বকে ফের শান্তির পথে ফিরিয়ে আনবে।’ পুতিন বলেন, ‘ইউক্রেন পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-সহ বহু দেশের সঙ্গেই আলোচনা চলছে। শান্তি প্রস্তাব তৈরির প্রচেষ্টাও অব্যাহত। প্রধানমন্ত্রী মোদি যেভাবে পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছেন, সেটি সত্যিই প্রশংসনীয়।’ এই আবহে ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট জেলনস্কির ভারত সফর বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ভারত পুতিন এবং জেলেনস্কি উভয়ের সঙ্গেই যোগাযোগ রেখেছে। মোদি কমপক্ষে ৮ বার জেলেনস্কির সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন এবং দুই রাষ্ট্রনেতা বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে কমপক্ষে চারবার দেখাও করেছেন। ফলে জেলেনস্কির ভারত সফর মোটেই অসম্ভবও নয়।

  • Vladimir Putin: “চাপের কাছে নতি স্বীকার করার মানুষ নন”, প্রধানমন্ত্রী মোদির ভূয়সী প্রশংসা করলেন পুতিন

    Vladimir Putin: “চাপের কাছে নতি স্বীকার করার মানুষ নন”, প্রধানমন্ত্রী মোদির ভূয়সী প্রশংসা করলেন পুতিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “চাপের কাছে নতি স্বীকার করার মানুষ নন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।” সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে এমনই মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin)। আমেরিকার চড়া শুল্কনীতি প্রয়োগ করে ভারতের নীতি প্রভাবিত করার চেষ্টা সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে ওই মন্তব্য করেন রুশ প্রেসিডেন্ট। বৃহস্পতিবার দু’দিনের ভারত সফরে নয়াদিল্লিতে আসছেন পুতিন। তার আগে দেওয়া এক্সক্লুসিভ ওই সাক্ষাৎকারে বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর মতামত ব্যক্ত করেন রুশ প্রেসিডেন্ট। এগুলির মধ্যে ছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি, দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার অভিজ্ঞতা এবং ভবিষ্যতে ভারত–রাশিয়া সম্পর্কের দিকনির্দেশনাও।

    পুতিনের মুখে মোদি-স্তুতি (Vladimir Putin)

    ওই সাক্ষাৎকারে পুতিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, “তামাম বিশ্ব আজ ভারতের দৃঢ় এবং অবিচল অবস্থান প্রত্যক্ষ করছে। আন্তর্জাতিক চাপে দৃঢ়তার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এবং নেতৃত্বের সাহসের জন্য ভারত গর্ব করতেই পারে।” রাশিয়া এবং ভারতের শক্তিশালী সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দুই দেশের মধ্যে ৯০ শতাংশেরও বেশি দ্বিপাক্ষিক লেনদেন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।” প্রসঙ্গত, মোদি ও পুতিনের সভাপতিত্বে ২৩তম ভারত-রাশিয়া বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলন হওয়ার কথা শুক্রবার। তার আগে বৃহস্পতিবারই ভারতে আসছেন রুশ রাষ্ট্র প্রধান। তাঁর ভারত সফর এমন একটা সময়ে হচ্ছে, যখন রাশিয়ান তেল কেনার বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতের ওপর কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ দিচ্ছে, কড়া নজর রাখা হচ্ছে পুতিনের নয়াদিল্লি সফরের ওপরও (PM Modi)। পুতিনের সফরের আগে ভারতের বিদেশমন্ত্রক এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভবন জানিয়েছে, উভয় দেশের জন্য অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক বিষয়গুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে। পুতিন (Vladimir Putin) মন্ত্রিসভার সব অর্থমন্ত্রীরাও প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আসছেন নয়াদিল্লিতে।

    রুশ প্রেসিডেন্টের প্রথম ভারত সফর

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটিই হবে রুশ প্রেসিডেন্টের প্রথম ভারত সফর। এই সফরের আগেই তিনি দিয়েছেন বিশেষ সাক্ষাৎকার। ওই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ভারত একটি শক্তিশালী দেশ, যারা কারও চাপের কাছে মাথা নত করে না।” পুতিন বলেন, “আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে আমি আমার বন্ধু প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে কথা বলতে যাচ্ছি। আমরা অনেক আগেই ভারতে এই বৈঠকের বিষয়ে একমত হয়েছিলাম। আমাদের আলোচনা করার মতো অনেক কিছুই আছে। কারণ ভারতের সঙ্গে আমাদের অংশীদারিত্ব বিশাল।”

    মেক ইন ইন্ডিয়া নীতির প্রতি মুগ্ধতা

    প্রসঙ্গত, এর আগেও বিভিন্ন সময় পুতিনের মুখে শোনা গিয়েছে মোদি-স্তুতি। ঠিক এক বছর আগে মস্কোয় একটি বিনিয়োগ শীর্ষ সম্মেলনে বক্তৃতা দেওয়ার সময় পুতিন বলেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মেক ইন ইন্ডিয়া উদ্যোগ যেভাবে বিশ্বব্যাপী ভারতের অবস্থানকে শক্তিশালী করছে, তা দেখে তিনি মুগ্ধ। মেক ইন ইন্ডিয়া নীতির প্রতি মুগ্ধতা প্রকাশ করে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মেক ইন ইন্ডিয়া নামে একটি কর্মসূচি রয়েছে। আমরা ভারতে আমাদের উৎপাদন কার্যক্রম স্থাপন করতেও প্রস্তুত। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ভারত সরকার ভারতকে প্রথমে রাখার নীতি দ্বারা চালিত স্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করে চলেছে (PM Modi)। আমরা বিশ্বাস করি, ভারতে বিনিয়োগ লাভজনক।” রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট (Vladimir Putin) সেদিন এও মনে করিয়ে দিয়েছিলেন যে, রাশিয়ান কোম্পানি রোসনেফ্ট ভারতে তখনই ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছিল।

  • Mohan Bhagwat: “মোদির কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন বিশ্বনেতারা”, বললেন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: “মোদির কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন বিশ্বনেতারা”, বললেন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতের শক্তি এখন প্রকাশ পাচ্ছে, দেশ খুঁজে পাচ্ছে তার যোগ্য জায়গা। তাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) যখন কথা বলেন, তখন বিশ্বের নেতারা তাঁর কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন।” পুণেতে আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কথাগুলি বললেন সরসংঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তিনি বলেন, “কেউ যেন জয়ন্তী বা শতবার্ষিকীর মতো মাইলস্টোন উদযাপনের অপেক্ষায় না থাকে, বরং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অর্পিত কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্যে অবিচল থাকে।”

    ভাগবতের বক্তব্য (Mohan Bhagwat)

    ভাগবত বলেন, “সংঘ সেই কাজটাই করে আসছে। সংঘ শতবর্ষ পূরণ করেছে, নানা চ্যালেঞ্জ এবং ঝড়ঝাপটা অতিক্রম করেছে, কিন্তু এখন আত্মসমালোচনার সময়। তবে সমগ্র সমাজকে একত্রিত করার কাজ করতে এত দীর্ঘ সময় কেন লাগল?” তাঁর মতে, সাধারণভাবে বিশ্বাস করা হয় যে ভারত যখন উঠে দাঁড়ায়, তখন বিশ্বের নানা সমস্যার সমাধান হয়, সংঘাত কমে যায়, প্রতিষ্ঠিত হয় কাঙ্খিত শান্তি। সরসংঘ চালক বলেন,  “ইতিহাসে এই ঘটনা লেখা রয়েছে। আমাদের তা পুনরায় প্রতিষ্ঠা করতে হবে। বর্তমান সময়ে এটিই সবচেয়ে জরুরি। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে তামাম বিশ্ব ভারতের কাছ থেকে এই প্রত্যাশাই করে। আর সেই কারণেই সংঘের স্বয়ংসেবকরা প্রথম দিন থেকেই এই সংকল্প নিয়ে কাজ করে আসছেন।”

    মোদির কথা কেন বিশ্ব এত মনোযোগ দিয়ে শোনে

    ভারতের ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক মর্যাদা তুলে ধরে ভাগবত বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথা কেন বিশ্ব এত মনোযোগ দিয়ে শোনে, জানেন? তাঁর কথা এখন শোনা হচ্ছে কারণ ভারতের শক্তি এখন সেই সব জায়গায় প্রকাশ পেতে শুরু করেছে, যেখানে তার থাকা উচিত। আর এই কারণেই বিশ্ব ভারতের দিকে নজর দিচ্ছে (Mohan Bhagwat)।” এদিনের অনুষ্ঠানে তিনি স্মরণ করেন আরএসএসের প্রতিষ্ঠাতা ডক্টর কেশব বালিরাম হেডগেওয়ারের ত্যাগ ও অবদানের কথা। তিনি বলেন, “১৯২৫ সালে নাগপুরে হিন্দুত্ববাদী এই সংগঠন প্রতিষ্ঠা করার পর সংঘের স্বয়ংসেবকরা বহু প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জের মধ্যেও তাঁদের দায়িত্ব পালনের যাত্রা শুরু করেছিলেন।” ভাগবত জানান, তাঁদের কাজ ইতিবাচক ফল দেবে, এ ব্যাপারে কোনও নিশ্চয়তা ছিল না। বলেন, “সংঘ স্বয়ংসেবকরা সাফল্যের বীজ বপন করেছিলেন এবং নিজেদের জীবন উৎসর্গ করে পরিবর্তনের পথ তৈরি করেছিলেন। তাঁদের প্রতি আমাদের সর্বদা কৃতজ্ঞ থাকা উচিত (PM Modi)।”

    সরসংঘ চালক বলেন, “আমাদের ভিত্তি বৈচিত্রের মধ্য দিয়ে ঐক্যে নিহিত। তাই আমাদের এক সঙ্গে চলতে হবে। আর তার জন্য ধর্ম অপরিহার্য। ভারতের সব দার্শনিক মতবাদ একটি উৎস থেকেই উদ্ভূত। কারণ সব কিছুই পরস্পর সংযুক্ত। আমাদের সামঞ্জস্য বজায় রেখে এগোতে হবে (Mohan Bhagwat)।”

  • Putin Modi Meet: বৃহস্পতিবার ভারতে আসছেন পুতিন, মোদির সঙ্গে কী কী বিষয়ে হবে আলোচনা?

    Putin Modi Meet: বৃহস্পতিবার ভারতে আসছেন পুতিন, মোদির সঙ্গে কী কী বিষয়ে হবে আলোচনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে ২৩তম ভারত-রাশিয়া বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে (Annual Summit) যোগ দিতে ভারতে আসছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Putin Modi Meet)। আগামী ৪-৫ তারিখ ভারতে কাটাবেন তিনি। এই সময়ের মধ্যেই পুতিন বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। সাক্ষাৎ করবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গেও। উল্লেখ্য, এটি গত চার বছরে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতির প্রথম ভারত সফর। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, রুশ প্রেসিডেন্টের এই সফর দুই দেশের নেতাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পর্যালোচনা, ভবিষ্যৎ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ এবং গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ করে দেবে।

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য (Putin Modi Meet)

    বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “আসন্ন রাষ্ট্রীয় সফরটি ভারত ও রাশিয়ার নেতৃত্বকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অগ্রগতির পর্যালোচনা করার, ‘বিশেষ এবং সুবিধাপ্রাপ্ত কৌশলগত অংশীদারিত্ব’কে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য নির্ধারণ করার এবং পারস্পরিক স্বার্থসম্পন্ন আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয়গুলিতে মতবিনিময় করার সুযোগ করে দেবে।” ক্রেমলিনের তরফেও বলা হয়েছে, আলোচনার বিস্তৃত পরিসর রয়েছে, যেখানে রাজনীতি, বাণিজ্য, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি ও বৈশ্বিক বিষয়-সহ বহু ক্ষেত্র অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সরকারি একটি নোটে ক্রেমলিন জানিয়েছে, “এই সফরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি রাশিয়া-ভারত সম্পর্কের ব্যাপক অ্যাজেন্ডা বিশেষাধিকারপ্রাপ্ত কৌশলগত অংশীদারত্বের আওতায় সর্বাঙ্গীনভাবে আলোচনা করার সুযোগ দেবে। এর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি নিয়েও বিবেচনা করা হবে।”

    প্রতিরক্ষা ও জ্বালানি সহযোগিতা

    সূত্রের খবর, শীর্ষ সম্মেলনে (Annual Summit) ভারত ও রাশিয়া মূলত প্রতিরক্ষা ও জ্বালানি সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করবে। ভারত আরও এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিনতে চায়। কারণ ‘অপারেশন সিঁদুরে’র সময় এগুলি খুবই কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। তিনটি ইউনিট এসে গিয়েছে। আরও দুটি আসার কথা আগামী বছরে। কেন সরবরাহে দেরি হচ্ছে রাশিয়ার কাছে তা জানতে চাইবে ভারত। প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিং নয়াদিল্লিতে আয়োজিত ন্যাশনাল সিকিউরিটি সামিটে বলেন, “এস-৪০০ সংক্রান্ত আলোচনা হলেও এই বৈঠকে এ সম্পর্কে কোনও ঘোষণা আশা করবেন না। এই বৈঠক দুপক্ষের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বৃহত্তর দিকগুলিতে কেন্দ্রীভূত থাকবে।” শুধু তা-ই নয়, ভারত অন্যান্য প্রকল্পে দেরির বিষয়টিও উত্থাপন করবে, যার মধ্যে রয়েছে সুখোই আপগ্রেড। রাশিয়ার সু–৫৭ যুদ্ধবিমানের প্রতি সম্ভাব্য আগ্রহ নিয়েও আলোচনা করবে দুই দেশ। এদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার জেরে ভারত রাশিয়া থেকে কম তেল কিনছে। তাই রাশিয়া ভারতকে অপরিশোধিত তেলের ওপর অতিরিক্ত ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে (Putin Modi Meet)।

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ইতি

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ইতি টানা এবং শান্তি প্রচেষ্টা নিয়েও আলোচনা হবে দুই রাষ্ট্রনেতার। ভারত দীর্ঘদিন ধরেই এই সংঘাতের দ্রুত অবসানের আহ্বান জানিয়ে আসছে। সম্প্রতি ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে বলেছেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি প্রচেষ্টা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি লিখেছেন, “এই সংঘাতের দ্রুত অবসান এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি।” প্রসঙ্গত, এই আলোচনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ রাশিয়া দীর্ঘদিন ধরে ভারতের ঘনিষ্ঠ অংশীদার, এবং ভারত শান্তিকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি এই সম্পর্ককে ভারসাম্যপূর্ণ রাখতে চায়। পুতিন-মোদির আলোচনার আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে বাণিজ্য। ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মূল কারণ হল, ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে প্রচুর পরিমাণে তেল কিনছে। তবে রাশিয়ার প্রধান তেল কোম্পানির ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নয়া নিষেধাজ্ঞা কমিয়ে দিতে পারে এই আমদানি (Annual Summit)।

    বাণিজ্য বৃদ্ধিতে প্রভাব

    ভবিষ্যতে বাণিজ্য বৃদ্ধিতে এর প্রভাব পড়তে পারে বলে ভারত ও রাশিয়া উভয় দেশই ভারতের রফতানি বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করবে, বিশেষ করে ওষুধ শিল্প, যন্ত্রপাতি এবং কৃষি পণ্যের ক্ষেত্রে। বৈঠকে অসামরিক বিমান চলাচল, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ, বিনিয়োগ প্রকল্প এবং শ্রমিকদের যাতায়াতের বিষয়গুলিও আলোচনায় থাকবে (Putin Modi Meet)। আলোচনায় উঠে আসবে ভারত-রাশিয়া অংশীদারিত্ব পুনরুজ্জীবনের কথাও। পুতিনের এই সফরটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ ইউক্রেন যুদ্ধ এবং পশ্চিমী দেশগুলির চাপের কারণে ভারত কিছুদিন ধরে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ককে অপেক্ষাকৃত নীরব ও সীমিত রেখেছিল। সাম্প্রতিক মাসগুলিতে দুই দেশের সম্পর্ক আবারও শক্তিশালী হতে শুরু করেছে, বিশেষ করে প্রতিরক্ষা খাতে। ভারত প্যান্টসার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং ভরোনেজথ রাডার-সহ বেশ কয়েকটি প্রকল্পে আগ্রহ দেখিয়েছে। ক্রেমলিন জানিয়েছে, এই সফর উভয়পক্ষকে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক এবং সাংস্কৃতিক বিভিন্ন বিষয়ে রাশিয়া-ভারত সম্পর্কের বিস্তৃত অ্যাজেন্ডা নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ দেবে।

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান চাপ

    ভারত ও রাশিয়ার এই আলোচনার নেপথ্যে একটি বড় কারণ হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান চাপ। ওয়াশিংটন ভারতীয় পণ্যের ওপর চড়া শুল্ক আরোপ করেছে এবং ভারতকে রাশিয়া থেকে কম তেল কেনার জন্য চাপ দিচ্ছে (Putin Modi Meet)। আমেরিকার নয়া আইন অনুযায়ী, রাশিয়ার জ্বালানি খাতের সঙ্গে ব্যবসা করা দেশগুলির জন্য আরও কঠোর শাস্তি আরোপ হতে পারে। এই সব বিষয়ই ভারতকে এই সম্মেলনে বিশেষ গুরুত্ব দিতে বাধ্য করেছে। কারণ ভারত চায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া – দুই দেশের সঙ্গেই শক্তিশালী সম্পর্ক বজায় রাখতে। এজন্য অবশ্য দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিতে রাজি নয় নরেন্দ্র মোদির ভারত (Annual Summit)।

    ভারতে আসছেন পুতিন

    সাত বছর আগে দিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের উপস্থিতিতে সই হয়েছিল এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহের ঐতিহাসিক চুক্তি। শুক্রবার সেখানেই ফের বৈঠক করতে চলেছেন এই দুই রাষ্ট্র প্রধান। সরকারি সূত্রের খবর, সেখানে অন্তত ৫৬ হাজার কোটি টাকার প্রতিরক্ষা সমঝোতা সংক্রান্ত মউ স্বাক্ষরিত হতে পারে।২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যুদ্ধ শুরুর পরে এই প্রথমবার ভারতে আসছেন পুতিন। প্রতিরক্ষার পাশাপাশি তাঁর এই সফরে নির্মাণক্ষেত্র, বয়নশিল্প, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ইলেকট্রনিক্স ক্ষেত্র নিয়ে নতুন পথে হাঁটার সূচনা করতে পারে ভারত ও রাশিয়া। রাশিয়ার ওই ক্ষেত্রগুলিতে ভারতীয় পেশাদারদের জন্য বিশেষ সুবিধা দেওয়ার বিষয়টিও ঘোষণা করতে পারেন পুতিন (Putin Modi Meet)।

    পোল্যান্ডের ডেপুটি বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্য

    এদিকে, পুতিনের ভারত সফর নিয়ে যখন নয়াদিল্লিতে চলছে চূড়ান্ত ব্যস্ততা, তখন ভারতে এসেছেন পোল্যান্ডের ডেপুটি বিদেশমন্ত্রী ওয়াদিস্লাও তোফিল বার্তোজুক্সি। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমি খুব আশাবাদী এই ভেবে যে উনি (পুতিন) যখন দিল্লিতে আসবেন, তখন প্রধানমন্ত্রী মোদি তাঁকে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বলবেন। আমি আগেই বলেছি, ছ-সাত মাস আগেই যখন আমি এখানে ছিলাম, তখন প্রধানমন্ত্রী মোদি, চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং পুতিনকে ইউক্রেনে কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে না বলেছিলেন। তাঁরা দুজনেই সঠিক কাজটিই করেছেন। তাই আমি আশা করি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পুতিনকে বলবেন, দেখুন (Annual Summit) প্রেসিডেন্ট, আপনার ইউক্রেনের সঙ্গে শান্তি চুক্তি করা উচিত। কারণ এই সংঘর্ষ থেকে আমাদের, আপনার বা অন্য কারও কোনও লাভ নেই। কারণ এটি ভারতকেও প্রভাবিত করে। কারণ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প রাশিয়ার দুটি বড় কোম্পানি থেকে তেল কেনা নিষিদ্ধ করেছেন। রাশিয়া থেকে ভারতের একটি বিশাল সরবরাহ রয়েছে, যা ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে (Putin Modi Meet)।”

  • CAA: বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে আসা ১২ শরণার্থীকে নাগরিকত্ব দিল মোদি সরকার

    CAA: বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে আসা ১২ শরণার্থীকে নাগরিকত্ব দিল মোদি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুসলমানদের অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচতে কোনও মতে এক কাপড়ে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে এসে আশ্রয় নিয়েছিলেন অনেক হিন্দু। এমনই ১২ জন হিন্দু শরণার্থীকে ভারতীয় নাগরিকত্ব (Indian Citizenship) দিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার। পশ্চিমবঙ্গে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) -এর অধীনে তাঁদের নাগরিকত্বের শংসাপত্র দিয়েছে সরকার। ভারতীয় নাগরিকত্বের প্রমাণ হাতে পেয়ে তাঁরা যেন হাতে চাঁদ পেয়েছেন। যার জেরে অবসান ঘটল বহু দশকের অনিশ্চয়তার। সেই সঙ্গে সূচনা হল এক নিরাপদ ও স্থিতিশীল ভবিষ্যতের। দীর্ঘদিন বাংলাদেশে থাকলেও, নিরন্তর অত্যাচারের কারণে ভারতকেই তাঁরা তাঁদের মাতৃভূমি হিসেবে শ্রদ্ধা করতেন। শেষমেশ সেই দেশেই চিরকালের জন্য ঠাঁই জুটল সহায়-সম্বলহীন এই ১২জন হিন্দু শরণার্থীর।

    বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাত্রা (CAA)

    এই হিন্দু পরিবারগুলির বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাত্রাটি ছিল যথেষ্ট বেদনাদায়ক। তাঁদের অনেকেই পূর্ব বাংলা ছেড়ে আসেন কেবল পরণের পোশাকটি সম্বল করে। ধর্ম, সংস্কৃতি ও পরিচয়ের কারণে তাঁদের জোর করে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল বাংলাদেশ থেকে। তাঁরা পশ্চিমবঙ্গে পৌঁছেছিলেন শুধু এই বিশ্বাস নিয়েই যে ভারত তাঁদের রক্ষা করবে। ভারতে বসবাস করলেও বস্তত তাঁরা ছিলেন রাষ্ট্রহীন। নাগরিকত্ব না থাকায় তাঁরা নিয়মিত চাকরির জন্য আবেদন করতে পারতেন না, পাসপোর্ট পেতেন না, কিংবা অন্যান্য মৌলিক সুবিধা থেকেও বঞ্চিত ছিলেন। কোনও নথির প্রয়োজন হলেই তাঁদের বলা হত ১৯৭১ সালের আগের কাগজপত্র দেখাতে। কার্যত এটি ছিল তাঁদের পক্ষে অসম্ভব। কারণ নিরন্তর হিংসার মধ্যে তাঁরা এ দেশে চলে এসেছিলেন কোনওক্রমে।

    লড়াই চলেছে দশকের পর দশক ধরে

    শরণার্থী এই হিন্দুদের লড়াই চলেছে দশকের পর দশক ধরে। কারণ পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে তাঁদের নাগরিকত্ব পেতে দেরি হয়েছে। তৃণমূল তো বটেই, সিপিএম এবং কংগ্রেসের বহু নেতাও তাঁদের প্রয়োজনীয় নথি দেওয়ার বিরোধিতা করেছিলেন। যার ফলে এই দেশের হাজার হাজার হিন্দু শরণার্থী দিন কাটিয়েছেন ভয়ে ভয়ে। এই ভয় পাছে কখনও ফের বাংলাদেশে ফিরতে হয়, সেই ভেবে, কখনও বা কাজ হারানোর ভয়ে, এবং যে দেশকে তারা নিজেদের ঘর মনে করত, সেখান থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার ভয় (CAA)।

    সিএএ

    শরণার্থী পরিবারগুলির জন্য স্বস্থির হাওয়া বয়ে নিয়ে এসেছে সিএএ। মোদি সরকার এই সিএএ-এর বিধি জারি করে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করার পর পরিবর্তন হতে থাকে তাঁদের পরিস্থিতির। এই সপ্তাহে পশ্চিমবঙ্গে যে অগ্রগতি হয়েছে তাকে একটি মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে, বিশেষ করে মতুয়া এবং অন্যান্য হিন্দু সম্প্রদায়দের জন্য যাঁরা দেশভাগের সময় ও পরবর্তী কালে ভারতে এসেছেন। অথচ, এই সিএএ-রই প্রবল বিরোধিতা করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর দলবল (Indian Citizenship)।মতুয়া সম্প্রদায়ই রাজ্যের অন্যতম বৃহৎ শরণার্থী গোষ্ঠী। তাঁরা মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। বহু দশক ধরে ঠাকুরবাড়ি ও আশপাশের এলাকায় বহু পরিবার কাগজপত্র ছাড়াই বসবাস করতেন। তাঁরা সব সময় আশঙ্কায় থাকতেন যে তাঁদের দেশ থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হতে পারে। এখন, নাগরিকত্বের শংসাপত্র হাতে পাওয়ার পর তাঁরা বলছেন, এখন তাঁরা নির্ভয়ে স্বাধীনভাবে বাঁচতে পারবেন।

    বিজেপির অবদান

    এই অগ্রগতির একটি বড় অংশই সম্ভব হয়েছে মাস দুয়েক ধরে সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে বিজেপির খোলা সহায়তা কেন্দ্র এবং ক্যাম্পগুলির জন্য। নদিয়া, কোচবিহার এবং অন্যান্য অঞ্চলের ক্যাম্পগুলি হাজার হাজার শরণার্থীকে সিএএর ফর্ম পূরণ, তথ্য যাচাই এবং কাগজপত্র ঠিকঠাক করতে সাহায্য করেছে। যাঁরা একসময় মনে করতেন তাঁরা কখনওই বৈধ নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি পাবেন না ভারতে, তাঁরাই এখন উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন (CAA)।

    কী বলছেন নাগরিকত্ব পাওয়া ভারতীয়রা

    সম্প্রতি ভারতীয় নাগরিকত্ব পেয়েছেন উত্তর ২৪ পরগনার এক ব্যক্তি। নরেন্দ্র মোদি সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে নিপীড়নের শিকার হয়ে সংখ্যালঘু মানুষ, বিশেষ করে হিন্দুরা ভারতে এসেছিলেন। আমার অভিজ্ঞতায়, যখন আমরা ভারতে এসেছিলাম, তখন রেলওয়ে স্টেশনে জিআরপি আমাদের আটক করে বারাসত ও শিয়ালদহে নিয়ে গিয়েছিল। তখন (Indian Citizenship) আমরা খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। পাসপোর্ট অফিসে যেতে গিয়েও নানা রকম হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। আমাদের সন্তানদের পরীক্ষায় বসা বা ভর্তি হতেও বহু নথিপত্র জমা দিতে হয়েছে। এখন সরকারের প্রণীত আইনের আওতায় নাগরিকত্ব পাওয়ার ফলে উদ্বাস্তু মানুষরা অনেক উপকৃত হয়েছে। উদ্বাস্তুদের পক্ষ থেকে আমরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ধন্যবাদ জানাই (CAA)।”

  • PM Modi: প্রত্যাশাকেও ছাপিয়ে গেল দেশের আর্থিক বৃদ্ধির হার, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    PM Modi: প্রত্যাশাকেও ছাপিয়ে গেল দেশের আর্থিক বৃদ্ধির হার, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রত্যাশাকেও ছাপিয়ে গেল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) দেশের অর্থনীতি (Economic Growth)। ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কের পূর্বাভাস ছিল ৭ শতাংশ। সেই প্রত্যাশা ছাড়িয়ে গিয়েছে দেশের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকের আর্থিক বৃদ্ধি। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০২৫-’২৬ অর্থবর্ষের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে ৮.২ শতাংশ জিডিপি বৃদ্ধির হার খুবই উৎসাহজনক এবং সরকার সংস্কার আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং প্রতিটি নাগরিকের অনায়াস জীবনযাপনকে আরও শক্তিশালী করতে কাজ চালিয়ে যাবে।” জানা গিয়েছে, শিল্পে উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পাশাপাশি জিএসটির হার হ্রাসের ফলে সাধারণ মানুষ বেশি কেনাকাটা করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মূলত এই দু’টি কারণেই আর্থিক বৃদ্ধি হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

    জিডিপির এই বৃদ্ধি (PM Modi)

    বিগত ছ’টি ত্রৈমাসিকে জিডিপির এই বৃদ্ধি দেখা যায়নি। এর ঠিক আগের ত্রৈমাসিকে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ছিল ৭.৮ শতাংশ। অথচ এক বছর আগেও এই সময় বৃদ্ধি হয়েছিল ৫.৬ শতাংশ। এই বৃদ্ধিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এর আগে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে চতুর্থ ত্রৈমাসিকে বৃদ্ধি হয়েছিল ৮.৪ শতাংশ (PM Modi)।  এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লেখেন, “২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে জিডিপির বৃদ্ধি হয়েছে ৮.২ শতাংশ। আমাদের উন্নয়নমূখী নীতি এবং স্কংস্কারকেই প্রতিফলিত করছে এই ফল। এটি দেশবাসীর কঠিন পরিশ্রমেরও প্রমাণ। তাঁদের উদ্যোগকেও প্রতিফলিত করে।” তিনি বলেন, “এটি আমাদের সরকার সংস্কারকে আরও এগিয়ে নিতে এবং প্রতিটি নাগরিকের জীবন-যাপনের মানোন্নয়ন নিশ্চিত (Economic Growth) করতে কাজ চালিয়ে যাবে। আমাদের সরকার সংস্কারের কাজ চালিয়ে যাবে। শক্তিশালী করবে প্রত্যেক নাগরিকের জীবনযাত্রার মান (PM Modi)।”

    কী বললেন অর্থমন্ত্রী সীতারামন

    জিডিপির বৃদ্ধি ৮.২ শতাংশ হওয়ায় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বলেন, “আজ প্রকাশিত জিডিপি অনুমানগুলি ভারতের শক্তিশালী অর্থনৈতিক বৃদ্ধি এবং অর্থনীতির গতিশীলতা প্রদর্শন করে।” এর পরেই তিনি বলেন, “ভারত বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল প্রধান অর্থনীতির দেশ।” সীতারামন বলেন, “২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রকৃত জিডিপি বৃদ্ধির হার ৮.২ শতাংশ, যা ভারতের অবস্থানকে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল প্রধান অর্থনীতির দেশ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। বর্তমান অর্থবর্ষে প্রথম ছ’মাসে (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর) প্রকৃত জিডিপি বৃদ্ধির হার নথিবদ্ধ হয়েছিল ৮ শতাংশ।” তিনি বলেন, “এই প্রবৃদ্ধি এসেছে ধারাবাহিক আর্থিক সংযম, লক্ষ্যমাত্রা ভিত্তিক সরকারি বিনিয়োগ এবং বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপের মাধ্যমে। এটি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করেছে এবং অনায়াস করেছে ব্যবসা করার প্রক্রিয়া (PM Modi)।” এক্স হ্যান্ডেলে করা একটি পোস্টে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী লেখেন, “বিভিন্ন উচ্চ-ফ্রিকোয়েন্সি সূচকও ধারাবাহিক অর্থনৈতিক গতিশীলতা এবং বিস্তৃতভিত্তিক ভোগ বৃদ্ধির দিকে নির্দেশ করে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার এই প্রবৃদ্ধির ধারাকে অব্যাহত রাখতে এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে সাহায্য করে এমন সংস্কার এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ (Economic Growth)।”

    কী বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল

    বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল বলেন, “জিডিপির এই পরিসংখ্যান নীতিগত ধারাবাহিকতা এবং স্থায়িত্বের ফল। এটি সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে।” এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “এই অসাধারণ ফল নীতিগত ধারাবাহিকতা এবং স্থায়িত্বের প্রতিফলন, যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজির নেতৃত্বে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা ও প্রবৃদ্ধিকে শক্তিশালী করছে।”  সরকারি তথ্য বলছে, চলতি অর্থবর্ষে ২০২৫-’২৬ এর জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে ভারতের বাস্তব জিডিপি ৮.২ শতাংশ বেড়েছে, যেখানে গত অর্থবর্ষের একই প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৫.৬ শতাংশ (PM Modi)।

    ভারতের নামমাত্র জিডিপি

    পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন মন্ত্রকের অধীনে থাকা জাতীয় পরিসংখ্যান দফতর (NSO) জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকের মোট জিডিপি ত্রৈমাসিক অনুমান প্রকাশ করেছে। তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে ভারতের নামমাত্র জিডিপি ৮.৭ শতাংশ হারে বেড়েছে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ক্ষেত্র ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের দ্বিতীয় প্রান্তিকে বাস্তব জিডিপি বৃদ্ধির হারকে ৮.০ শতাংশের ওপরে উঠতে সাহায্য করেছে। দ্বিতীয় ক্ষেত্রে উৎপাদন ৯.১ শতাংশ এবং নির্মাণ ৭.২ শতাংশ বৃদ্ধি অর্জন করেছে। এই প্রান্তিকে স্থির মূল্যে ৭.০ শতাংশের ওপরে প্রবৃদ্ধি নথিভুক্ত হয়েছে। তৃতীয় ক্ষেত্রে আর্থিক, রিয়েল এস্টেট ও পেশাগত পরিষেবা ১০.২ শতাংশ বৃদ্ধির হার ধরে রেখে ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের দ্বিতীয় ক্ষেত্রে স্থির মূল্যে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি বজায় রেখেছে (Economic Growth)। কৃষি ও সংশ্লিষ্ট খাত এবং বিদ্যুৎ, গ্যাস, জল সরবরাহ ও অন্যান্য ইউটিলিটি পরিষেবা খাত ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের দ্বিতীয় ক্ষেত্রে মাঝারি মাত্রার বাস্তব প্রবৃদ্ধি দেখেছে (PM Modi)।

    বাস্তব জিডিপি

    বাস্তব জিডিপি ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের প্রথমার্ধে (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর) ৮.০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এটি ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের প্রথমার্ধের ৬.১ শতাংশ বৃদ্ধির তুলনায় বেশি। এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে ভারতের বাস্তব জিডিপি ৭.৮ শতাংশ বেড়েছে, যা আগের অর্থবর্ষের একই সময়ের ৬.৫ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই প্রান্তিকে ভারতের নামমাত্র জিডিপি বৃদ্ধির হার ছিল ৮.৮ শতাংশ। প্রসঙ্গত, ‘বিকশিত ভারতে’র লক্ষ্য অর্থাৎ ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারতের স্বপ্ন পূরণ করতে হলে, ভারতের প্রায় দশ থেকে বিশ বছর ধরে গড়ে ৮ শতাংশের মতো স্থির মূল্যে প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হবে (PM Modi)।

  • PM Modi Ram Statue: গোয়া পর্যটনে নয়া তিলক, বিশ্বের সর্বোচ্চ রামমূর্তি উদ্বোধন মোদির

    PM Modi Ram Statue: গোয়া পর্যটনে নয়া তিলক, বিশ্বের সর্বোচ্চ রামমূর্তি উদ্বোধন মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যার পর গোয়া। রাম মন্দিরে ধ্বজা উত্তোলনের পরে বিশ্বের উচ্চতম রামের মূর্তি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার গোয়ার ক্যানাকোনায় ৭৭ ফুট লম্বা রামের মূর্তি উন্মোচন করে তিনি। গোকর্ণ জীবোত্তম মঠের ৫৫০ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে এই মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। গোয়ায় রামের ব্রোঞ্জের মূর্তিটি তৈরি করেছেন শিল্পী রাম সুতার। তাঁর হাতেই রূপ পেয়েছিল গুজরাটের স্ট্যাচু অফ ইউনিটি। বিশ্বের উচ্চতম রামের মূর্তির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত, রাজ্যপাল অশোক গজপতি রাজু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    পীঠের তূণীরে তির, মুখে স্নিগ্ধ হাসি

    উচ্চতম এই রাম মূর্তি পূর্ণাবয়ব। রামের বাঁ হাতে ধনুক। ডান হাতে অভয় মুদ্রা। পীঠের তূণীরে তির। মুখে স্নিগ্ধ হাসি। এ দিন মূর্তি উন্মোচনের পরে মঠ সংলগ্ন মন্দিরে পুজোও দেন প্রধানমন্ত্রী। ভারতের সবচেয়ে প্রাচীন মঠগুলির মধ্যে গোকর্ণ জীবত্তোম মঠ অন্যতম। আধ্যাত্মিক তো বটেই, সাংস্কৃতিক এবং সামাজিক ক্ষেত্রেও মঠের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। গৌড়ীয় সারস্বত ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের প্রথম মঠ এটাই। ফলে এর গুরুত্বও অপরিসীম। মঠের ৫৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ২৭ নভেম্বর থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত একাধিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়েছে। জীবোত্তম মঠে তৈরি করা হয়েছে রামায়ণ থিম পার্ক।

    ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিকতার মেলবন্ধন

    এদিনের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “শ্রী সংস্থান গোকর্ণ জীবোত্তম মঠ দীর্ঘ বছর ধরে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে এসেছে, ঐতিহ্যকে আধুনিকতার সঙ্গে সংযুক্ত করে আসছে এই মঠ।” একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “একটি জাতির অগ্রগতি সম্মিলিত শক্তির উপর নির্ভর করে। ফলে বিকশিত ভারতের পথ সেই ঐক্যের মধ্য দিয়েই যায়।” বিশ্বের সবচেয়ে বড় রামমন্দির উদ্বোধনের পাশাপাশি মঠের ৫৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে একটি ডাক টিকিট ও স্মারক মুদ্রা প্রকাশ করা হয়েছে সরকারের তরফে। এছাড়া এই মঠে মিউজিয়াম ও আধুনিক থ্রিডি থিয়েটার চালু করার ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

LinkedIn
Share