Tag: Narendra Modi

Narendra Modi

  • Modi in Germany:ঢোল বাজালেন প্রধানমন্ত্রী, তাল দিলেন গানে, জার্মানিতে হালকা মেজাজে মোদি

    Modi in Germany:ঢোল বাজালেন প্রধানমন্ত্রী, তাল দিলেন গানে, জার্মানিতে হালকা মেজাজে মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ঢোল বাজনে লাগা…” শহরটাও সেজে উঠেছে। বহুদিন পর আবার নিজেদের নেতাকে কাছে পেয়েছেন প্রবাসী ভারতীয়েরা। শেষ ২০১৭ সালের মে মাসে জার্মানে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দীর্ঘ পাঁচ বছর পর আবার বার্লিনে মোদি। 

    সোমবার তিনদিনের ইউরোপ সফরের শুরুতে জার্মানির রাজধানী বার্লিনে (Berlin) পৌঁছন তিনি। সেখানে তাঁকে স্বাগত জানাতে রীতিমতো জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। একেবারে ভারতীয় সংস্কৃতি মেনেই শিল্পীরা নাচ,গান প্রভৃতি পরিবেশন করেন। পুণের শিল্পীরা তাঁদের ঐতিহ্যবাহী ঢোল ও তাশা বাজান। সেই বাজনা শুনে আর স্থির থাকতে পারেননি মোদিও। শিল্পীদের সঙ্গে তালে তাল মিলিয়ে ঢোল বাজাতে দেখা যায় তাঁকে। রাষ্ট্রপ্রধানের এমন আচরণে মুগ্ধ হয়ে যান সেখানে উপস্থিত দর্শক ও শিল্পীরা।

    [tw]


    [/tw]

    এই অনুষ্ঠানের আগেই জার্মানিতে বসবাসকারী ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের সঙ্গে মোদি দেখা করেন। তাঁদের সঙ্গে হাসি মুখে কথা বলতে দেখা যায় মোদিকে। ছোটদের সঙ্গে মন খুলে গল্প করতে দেখা যায় তাঁকে। একটি ছোট মেয়ের হাতে আঁকা নিজের ছবি দেখে মন ভরে যায় প্রধানমন্ত্রীর। তাঁর গাল টিপে আদরও করেন। আরেক খুদের গান শুনে মুগ্ধ মোদি। ছোট শিল্পীর দেশাত্মবোধক গানে তুড়ি দিয়ে তাল দিতেও দেখা যায় মোদিকে। হাততালি দিয়ে তাকে সাধুবাদ জানান। ছবিও তোলেন তার সঙ্গে। অনেকেই মোদির সঙ্গে সেল্ফি তোলেন। মোদি যখনই যেখানে পৌঁছন, তখনই উপস্থিত জনতা ‘মোদি মোদি’ স্লোগান তুলে তাঁকে স্বাগত জানান। “বন্দে মাতরম” (Vande Mataram), “ভারত মাতা কি জয়” (Bharat Mata ki Jai) ধ্বনিও শোনা যায়।

    অ্য়াঞ্জেলা মর্কেলের দীর্ঘ শাসন শেষ হওয়ার পর জার্মানির নতুন রাষ্ট্রপ্রধান হয়েছেন ওলাফ স্কোল্জ (Olaf Scholz)। তিনি জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হওয়ার পর মোদিই প্রথম বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান যিনি সরকারি সফরে জার্মানি গেলেন এবং তাঁর সঙ্গে দেখা করলেন। সূত্রের খবর, এদিন দুই নেতার মধ্যে সরকারিস্তরের বিভিন্ন আলোচনা ছাড়াও অন্যান্য কথা হয়। দীর্ঘক্ষণ হালকা মেজাজে একসঙ্গে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায় তাঁদের।

     

  • PM Modi: বিদেশে গেলে কেন নৈশ সফর পছন্দ করেন মোদি? কারণ জানলে চমকে উঠবেন

    PM Modi: বিদেশে গেলে কেন নৈশ সফর পছন্দ করেন মোদি? কারণ জানলে চমকে উঠবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদেশে গেলে অধিকাংশ সময়ই রাত্রিকালীন সফরই পছন্দ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। উদ্দেশ্য, সময় এবং অর্থ বাঁচানো। প্রথমত, রাতে সফর করলে দিনের বেলায় আরও বেশি করে কাজ করা যায়। দ্বিতীয়ত, এতে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সাশ্রয় হয় অর্থেরও, যা আদতে দেশেরই। কারণ প্রধানমন্ত্রীর সফরের যাবতীয় খরচ জোগায় কেন্দ্রীয় সরকার।

    প্রতিদিন প্রায় কুড়ি ঘণ্টা করে কাজ করেন মোদি। ভোটের সময় তাঁর কাজের সময়সীমা আরও বেড়ে যায়। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও সফর করতেন নৈশকালে অত্যন্ত পরিশ্রমী মোদি। যা বজায় রয়েছে এখনও।

    আরও পড়ুন : “এখনই বিশ্রাম নয়, আমার স্বপ্ন অনেক বড়…”, প্রবীণ সাংসদের কৌতুহল মেটালেন মোদি

    গত পনের দিন ধরে বিভিন্ন দেশ সফর (foreign tour) করে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী। চলতি মাসের শুরুতেই তিনি সফর করেছেন জার্মানি, ডেনমার্ক এবং ফ্রান্স (Modi 3-nation visit)। পরে বুদ্ধজয়ন্তীতে (Buddha Jayanti), একদিনের জন্য গিয়েছিলেন নেপাল (Nepal)। আগামী সপ্তাহে তাঁর যাওয়ার কথা জাপানে। তাঁর এই সফরসূচি একটু খুঁটিয়ে লক্ষ্য করলেই দেখা যায়, সময় এবং দেশের সম্পদ বাঁচাতে নৈশভ্রমণ করছেন প্রধানমন্ত্রী।

    মোদির আসন্ন জাপান (Modi in Japan) সফরের কথাই ধরা যাক। ২২ মে রাতে রওনা দেবেন তিনি। ২৩ মে ভোরে পৌঁছবেন টোকিওয়। সেখানে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা তাঁর। পরে দেখা করবেন প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে। পরের দিন যোগ দেবেন কোয়াড বৈঠকে। ওই রাতেই ফিরবেন ভারতে। জার্মানি ও ডেনমার্ক দু’দেশ মিলিয়ে মাত্র এক রাত কাটিয়েছেন। জাপান সফরের সূচিও তাই। সব মিলিয়ে এই পাঁচ দেশ সফরে মোদি রাত কাটিয়েছেন মাত্র তিনটি। বাঁচিয়েছেন দুদিন। যা ভারতের কোনও প্রধানমন্ত্রীকে করতে দেখা যায়নি বলে দাবি সংশ্লিষ্ট মহলের।

    আরও পড়ুন : “বিশ্রামের সময় নেই…”, যোগী-মন্ত্রিসভাকে কোন পরামর্শ দিলেন মোদি?

    মোদির ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, নয়ের দশকের গোড়ায় মোদি হোটেল খরচ বাঁচাতে দিনের বেলায় যাতায়াত করতেন। কোনও কারণে রাত হয়ে গেলে রাত্রিযাপন করতেন বিমানবন্দরে। তখন তিনি একজন সাধারণ মানুষ। আর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরে কাজ এবং দায়িত্ব বেড়েছে তাঁর। তাই রাতে সফর করেন। এতে দিনের বেলায় বেশি কাজ করা যায়। সরকারি খরচে হোটেলেও থাকতে হয় না। তাই সময় এবং দেশের সম্পদ বাঁচে।

     

LinkedIn
Share