Tag: Narendra Modi

Narendra Modi

  • Tripura Election: ত্রিপুরায় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন মানিক সাহা

    Tripura Election: ত্রিপুরায় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন মানিক সাহা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ত্রিপুরায় (Tripura Election)পরপর দুবার সরকার গড়ল বিজেপি। সাত মাস আগে আগরতলার কুর্সিতে বসেছিলেন বিশিষ্ট দন্ত চিকিৎসক ড.মানিক সাহা। এবারের বিধানসভা ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে ফের তাঁকেই মুখ্যমন্ত্রী করল গেরুয়া শিবির। বুধবার তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে শপথ গ্রহণ করলেন।

    ত্রিপুরায় শপথ গ্রহণ

    বুধবার আরও আটজন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন। আগরতলায় স্বামী বিবেকানন্দ ময়দানে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। উপস্থিত ছিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। যিনি উত্তর–পূর্বে বিজেপির এই জয়ের কারিগর। এছাড়াও হাজির ছিলেন অরুণাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্দা, মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং ও সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী পিএস তামাং। ত্রিপুরার (Tripura Election) প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবও হাজির ছিলেন শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে। এদিন যে আটজন মন্ত্রী বুধবার শপথ নিলেন, তার মধ্যে চারজন আগেও ক্যাবিনেটে ছিলেন। তাঁদের মধ্যে আছেন রতনলাল নাথ, প্রাঞ্জিত সিংহ রায়, সান্ত্বনা চাকমা ও সুশান্ত চৌধুরী। এছাড়া নতুনদের মধ্যে শপথ নিয়েছেন টিঙ্কু রায়,  বিকাশ দেববর্মা ও সুধাংশু দাস। বিজেপির সহযোগী দল আইপিটিএফের শুক্লা চরণ নেওটিয়া মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। সূত্রের খবর, তিপ্রা মোথার তিনজন জয়ী প্রার্থী ক্যাবিনেটে জায়গা পেতে পারেন। 

    আরও পড়ুন: চিনা মোবাইল-অ্যাপ ব্যবহার নয়, ভারতীয় সেনাকে সতর্ক করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা

    মানিকেই ভরসা

    ২০১৮ সালে বিধানসভা নির্বাচনে বাম জমানায় ইতি টেনে গেরুয়া শাসন শুরু হয় ত্রিপুরায়। এরপর ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়ার জেরে মুখ্যমন্ত্রী বদল করে বিজেপি। বিপ্লব দেবের জায়গায় মুখ্যমন্ত্রী করা হয় মানিক সাহাকে। সেই মানিকের নেতৃত্বেই বাম নেতা মানিক সরকার এবং তিপ্রা মোথার প্রদ্যোত্‍ মাণিক্য দেববর্মার চ্যালেঞ্জ সামলে জয় পায় বিজেপি। তবে এর মাঝেও মুখ্যমন্ত্রী মুখ নিয়ে শুরু হয়েছিল জল্পনা। কারণ এবারের নির্বাচনে লড়েছিলেন প্রতিমা ভৌমিক। মানিক সাহা নাকি কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর গদি পাবেন, তা নিয়েই চলছিল চাপা উত্তেজনা। এই নির্বাচনে (Tripura Election) প্রতিমাকে সিপিএম-র প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের গড় ধানপুর কেন্দ্র থেকে ভোটে লড়তে বলা হয়। সিপিএম প্রার্থীকে হারিয়ে জয়ী হন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত মানিকেই ভরসা রাখল বিজেপি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India Summer: কাঠফাটা গরম, কীভাবে মোকাবিলা? উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

    India Summer: কাঠফাটা গরম, কীভাবে মোকাবিলা? উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খাতায়-কলমে বসন্তকাল। তবে মার্চের শুরুতেই তাপমাত্রা ছাড়িয়েছে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘর। এপ্রিল-মে মাসে তাপমাত্রার পারদ কোথায় চড়বে, তা নিয়ে চিন্তিত আবহবিদরা। উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও (PM Modi)। তীব্র গরমের (India Summer) মোকাবিলা কীভাবে করা যাবে, তা নিয়ে সোমবার উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বসলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জনগণকে সচেতন করার পাশাপাশি সানস্ট্রোক সহ তীব্র গরমে অসুস্থদের তড়িঘড়ি চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য হাসপাতালে সব রকম ব্যবস্থা রাখা এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দলকে প্রস্তুত রাখা নিয়ে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী।

    তীব্র গরমের (India Summer) মোকাবিলা…

    এদিনের বৈঠকে আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে আগামী দু মাস কী ধরনের আবহাওয়া থাকতে পারে, তাও জানানো হয়েছে। তীব্র গরমে কী ধরনের প্রভাব রবি শস্যের ওপর পড়েছে, আগামিদিনে ফসলের ক্ষেত্রে কী ধরনের প্রভাব পড়বে, তা নিয়েও জানানো হয়েছে। ব্লুমবার্গের রিপোর্ট অনুযায়ী, ৩১ মে পর্যন্ত তাপমাত্রার (India Summer) পারদ স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকবে এবং তাপপ্রবাহ হবে। উষ্ণ আবহাওয়ার প্রভাব কৃষিকাজেও পড়বে। যার জেরে সাধারণ মানুষ থেকে কৃষক দুর্দশার শিকার হবেন সবাই। সমস্যা কীভাবে মেটানো যায়, তা ঠিক করতেই উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সেচের জল সরবরাহ ঠিকঠাক রাখা, পশুখাদ্য ও জল সরবরাহ যাতে যথাযথ থাকে, সেটা দেখা হয়েছে। আপৎকালীন পরিস্থিতিতে গরমকালে হাসপাতালে কী ধরনের ব্যবস্থা করা থাকছে, সে ব্যাপারেও আলোচনা হয়েছে। গরমকালে কোনও দুর্যোগ হলে তার মোকাবিলায় কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: কাটল জট, অনুব্রতকে নিয়ে কলকাতার পথে আসানসোল জেল কর্তৃপক্ষ

    প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রচণ্ড গরমে (India Summer) মানুষ কী করবেন, আর কী করবেন না, তা যেন জানিয়ে দেওয়া হয়। জিঙ্গল, সিনেমা, প্রচারপত্র এসবের মাধ্যমে এ বিষয়ে মানুষের কাছে প্রচার করা দরকার। আবহাওয়া দফতরকে তিনি জানান, প্রতিদিন যাতে আবহাওয়ার পূর্বাভাস ইস্যু করা হয়। সেটা যাতে সাধারণ মানুষও জানতে পারেন, তার ব্যবস্থাও করতে হবে। টিভিতে, এফএমে অন্তত অল্প সময় যাতে আবহাওয়ার জন্য ব্যয় করা হয়, সে ব্যাপারেও আলোচনা হয়েছে। প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ফুড কর্পোরেশনের হাতে যাতে পর্যাপ্ত শস্য মজুত থাকে, তাও দেখতে বলা হয়েছে। প্রসঙ্গত, ১৯০১ সালের পর থেকে এ পর্যন্ত এবারের ফেব্রুয়ারি মাস সব থেকে গরম।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: সারদাকাণ্ডে মমতাকে ডাকতে ‘অনীহা’ সিবিআইয়ের! মোদিকে চিঠি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: সারদাকাণ্ডে মমতাকে ডাকতে ‘অনীহা’ সিবিআইয়ের! মোদিকে চিঠি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে সারদা চিটফান্ড কেলেঙ্কারির তদন্তে সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিলেন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেখানে তিনি অভিযোগ করেছেন, সারদা চিট ফান্ড কেলেঙ্কারির সব থেকে বড় সুবিধাভোগী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পেতে সিবিআই-এর অনিচ্ছা রয়েছে। গত ১০ বছর ধরে রাজ্যের মানুষ কাঙ্খিত দিনটির জন্য অপেক্ষা করছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। শুভেন্দু প্রশ্ন করেছেন, “কেন্দ্রের সংস্থা সিবিআই কি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর পদকে ভয় পাচ্ছে? তা না হলে সারদা মামলার দশ বছর পরও কেন তাঁর বিরুদ্ধে কোনও তদন্ত শুরু করছে না!”

    প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari)

    সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি পাঠান বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আর সেই চিঠিতে সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। সারদা চিটফান্ড সংক্রান্ত সব মামলার তদন্ত যে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সিবিআইয়ের হাতে গিয়েছে, সেই প্রসঙ্গ এনে তিনি বলেন, অসম, ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে চলা সারদা চিটফান্ড সংক্রান্ত নানা ঘটনার জেরে বিষয়টিকে বৃহত্তর ষড়যন্ত্র বলে উল্লেখ করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। চিঠিতে তিনি দাবি করেছেন, বিভিন্ন কেলেঙ্কারি সুবিধা নিয়েছিলেন ক্ষমতার শীর্ষে থাকা লোকজনও। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এছাড়াও সারদার সঙ্গে মমতার সম্পর্ক তাঁর মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার বহু আগে থেকে, এমনটাও অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু।

    আরও পড়ুন: রাজ্যের মুখ্যসচিবের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় ভিজিল্যান্স কমিশনে অভিযোগ শুভেন্দুর, কেন জানেন?

    সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন শুভেন্দুর

    চিঠিতে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সিবিআই-এর অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সেখানে বলেছেন, ‘মমতার কাছে পৌঁছতে কেন দ্বিধা করছে সিবিআই। চেয়ারের জন্যই কি সিবিআই তাঁর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিতে পারছে না?’ এছাড়াও এদিন পাঁচ পাতার চিঠিতে তিনি একে একে জানিয়েছেন, সারদা মামলায় তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কী কী অভিযোগ উঠেছিল, তার প্রেক্ষিতে সিবিআই কী বলেছিল এবং মামলার দশ বছর পরেও কোন কোন ক্ষেত্রে এখনও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

    মমতাই সারদা কেলঙ্কারির সবচেয়ে বড় সুবিধাপ্রাপ্ত!

    আবার মমতার আঁকা ছবি সারদা গোষ্ঠীর তরফে কোটি টাকায় কেনা হয়েছে বলে জানিয়েছিল সিবিআই, এ কথাও উল্লেখ করেছেন শুভেন্দু। এ ছাড়াও মমতা রেলমন্ত্রী থাকাকালীন রেলের ক্যাটারিং এবং অন্যান্য যাত্রী পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা আইআরসিটিসির সঙ্গে সারদার ট্যুরের প্রসঙ্গও টেনেছেন তিনি (Suvendu Adhikari)। সারদা মামলায় নাম না করে সারদার সংবাদ মাধ্যমগুলির প্রাক্তন গ্রুপ সিইও তথা তৃণমূলের তৎকালীন সাংসদ কুণাল ঘোষের গ্রেফতারির কথাও উল্লেখ করেছেন শুভেন্দু ওই চিঠিতে। তিনি লিখেছেন, ওই সাংসদ গ্রেফতার হওয়ার পর বার বার বলেছিলেন, ‘মমতাই সারদা কেলঙ্কারির সবচেয়ে বড় সুবিধাপ্রাপ্ত। কেন তা শুনেও শোনেনি সিবিআই?’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘ওনারা আতঙ্কিত, ভয় পেয়ে চিঠি দিয়েছে’, প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেওয়া নিয়ে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘ওনারা আতঙ্কিত, ভয় পেয়ে চিঠি দিয়েছে’, প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেওয়া নিয়ে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ দেশের ৯জন বিরোধী নেতা কেন্দ্রীয় সংস্থার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে চিঠি লিখেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। আর এবারে সেই চিঠিরই কড়া জবাব দিলেন বিজেপির মুখপাত্র তথা রাজ্যসভার সাংসদ সুধাংশু ত্রিবেদী। এর পাশাপাশি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও (Suvendu Adhikari) সেই সব নেতাদের নিশানা করে বলেন, ‘ওনারা আতঙ্কিত, ভয় পেয়ে চিঠি দিয়েছে। ওই চিঠির কোনও মূল্য নেই।’

    বিজেপির মুখপাত্র সুধাংশু ত্রিবেদী কী বললেন?

    রবিবার দেশের ৯টি বিরোধী দলের নেতার খোলা চিঠির পাল্টা জবাব দিয়ে কটাক্ষের সুরে সুধাংশু বলেন, “আমরা দেশের অগ্রগতির পক্ষে। বিরোধী দলগুলি প্রত্যেকে দুর্নীতির অভিযোগ থেকে মুক্তি পেতে একে অপরকে সমর্থন করছে। এই চিঠি দিয়ে বিরোধী দলগুলি প্রমাণ করতে চাইছে যে, তারা ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে দুর্নীতিকে সমর্থন করছে।” বিরোধীদের নাম না করে বিজেপি মুখপাত্র বলেন, “চিঠিতে যে সমস্ত নেতারা স্বাক্ষর করেছেন তাঁদের অনেকেই দুর্নীতিতে অভিযুক্ত। এমনকী যাঁরা সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত থাকার সময় দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তাঁরা এখন বলছেন যে তদন্তকারী সংস্থার তদন্ত করা উচিত নয়।” আম আদমি পার্টির অধিকাংশ নেতাই দুর্নীতিতে জড়িত বলেও অভিযোগ করেন তিনি। আবার বালগঙ্গাধর তিলকের ‘আত্ম-নিয়ম আমাদের জন্মগত অধিকার’ শ্লোগান তুলে ধরে দুর্নীতি নিয়ে বিরোধীদের কটাক্ষও করেন সুধাংশু ত্রিবেদী।

    আরও পড়ুন: সিঙ্গুরের মতো আবারও কি জমি আন্দোলন দেখতে চলেছে রাজ্যবাসী, কোথায় দেখে নিন?

    শুভেন্দুর প্রতিক্রিয়া

    এদিন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বিরোধীদের কটাক্ষ করে বলেন, “একদিকে দুর্নীতির প্রশ্নে মণীশ সিসোদিয়ার জন্য আম আদমি পার্টি ভয় পেয়ে রয়েছে, অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের আত্মীয়-স্বজনের জন্য আতঙ্কিত। তাই প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, প্রধানমন্ত্রীকে চাপে রাখতে বিরোধীরা যে চিঠি দিয়েছেন, তার কাছে মোদিজি নতি স্বীকার করবেন না।”

    প্রসঙ্গত, দিল্লির প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার গ্রেফতারি নিয়ে রাজনৈতিক টানাপড়েনের মধ্যেই কংগ্রেস ছাড়া অন্য বিরোধী দলগুলির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি পাঠানো যথেষ্টই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • PM Modi: ‘ইডি-সিবিআইয়ের অপব্যবহার করা হচ্ছে’, প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি বিরোধীদের

    PM Modi: ‘ইডি-সিবিআইয়ের অপব্যবহার করা হচ্ছে’, প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি বিরোধীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবগারি নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টির (AAP) নেতা মনীশ সিসোদিয়া। সেই সিসোদিয়ার হয়ে সওয়াল করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) চিঠি লিখলেন দেশের ৮টি রাজনৈতিক দলের ৯ জন নেতা। প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ইডি (ED)-সিবিআইয়ের (CBI) মতো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির অপব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা। তবে যে ৮টি রাজনৈতিক দল প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছে, তাতে আশ্চর্যজনকভাবে নেই কংগ্রেস। যদিও বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রয়েছেন।

    নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)…

    নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) লেখা ওই চিঠিতে সই করেছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিআরএস প্রধান কে চন্দ্রশেখর রাও। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানও রয়েছেন ওই চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের তালিকায়। এঁরা ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীকে লেখা ওই চিঠিতে যাঁরা স্বাক্ষর করেছেন, তাঁরা হলেন ন্যাশনাল কনফারেন্সের ফারুক আবদুল্লা, ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির প্রধান শারদ পাওয়ার, শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব এবং বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদব।

    স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে কংগ্রেস নেই। যদিও কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধীকে আর্থিক তছরুপের অভিযোগে জেরা করেছে ইডি। মা ও ছেলেকে গত বছরই জেরা করেছে এই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। চিঠিতে (PM Modi) বলা হয়েছে, আমরা আশা করি, আপনি আমাদের সঙ্গে একমত হবেন যে ভারত এখনও গণতান্ত্রিক দেশ। বিরোধী রাজনৈতিক দলের সদস্যদের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে কাজে লাগিয়ে আদতে সেগুলির অপব্যবহার করা হচ্ছে। যা থেকে মনে হচ্ছে দেশে গণতন্ত্র নেই, রয়েছে স্বৈরতন্ত্র। চিঠিতে আরও লেখা হয়েছে, উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়াই সিবিআই গ্রেফতার করেছে মনীশ সিসোদিয়াকে। তার আগে তাঁর বাড়িতে তল্লাশিও চালানো হয়। বিরোধী দলের সদস্যদের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির নির্লজ্জ আচরণ চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, আমরা গণতন্ত্র থেকে স্বৈরাচারে পরিণত হয়েছি।

    আরও পড়ুুন: মাত্র ৫ আসনে জয়, নাগাল্যান্ডে টাকা উড়িয়ে জয়োৎসব এনপিপি-র

    চিঠিতে (PM Modi) আরও লেখা হয়েছে, প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে, গ্রেফতার করা হয়েছে, বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে। ২০১৪ সাল থেকে এটা হয়ে আসছে। যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে, তাঁদের সিংহভাগই বিরোধী দলের নেতা। তবে যাঁরা বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে ধীর গতিতে। উদাহরণ হিসেবে তাঁরা অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার নামোল্লেখ করেছেন। বছর কয়েক আগে কংগ্রেসে ছেড়ে বিজেপিতে গিয়ে যোগ দিয়েছেন হিমন্ত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     
     
  • Destination Wedding: পর্যটন শিল্পের বিকাশে ‘ডেস্টিনেশন  ওয়েডিং’- এ জোর মোদি সরকারের

    Destination Wedding: পর্যটন শিল্পের বিকাশে ‘ডেস্টিনেশন ওয়েডিং’- এ জোর মোদি সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাম্প্রতিককালে ডেস্টিনেশন ওয়েডিং (Destination Wedding) একটি জনপ্রিয় বিষয় হয়ে উঠেছে। দূর-দূরান্তে গিয়ে বিয়ের আসর বসানোকেই বলে ডেস্টিনেশন ওয়েডিং। সাধারণত বিত্তশালীরাই এভাবে অন্য জায়গায় বিয়ের আসর বসিয়ে থাকেন। এবার এই ট্রেন্ডের কথা শোনা গেল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মুখেও। প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাব, কোনও দম্পতি এই ভাবে বিয়ে করার পরিকল্পনা করলে তাঁদের জন্য বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করা হবে। এতে মধ্যবিত্ত, উচ্চ-মধ্যবিত্তরা আরও উৎসাহিত হবেন। মূলত মধ্যবিত্তদেরও এই ট্রেন্ডে সামিল করে পর্যটনে জোয়ার আনতে চাইছে কেন্দ্র।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    শুক্রবার বাজেট পরবর্তী ওয়েবিনারে অংশ নিয়ে পর্যটন বিভাগকে চাঙ্গা করার কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এই আলোচনায় অন্যতম বিষয় ছিল ‘ডেস্টিনেশন ওয়েডিং’ (Destination Wedding)। তিনি বলেন, “কিছু মানুষের কাছে ‘ট্যুরিজম’ শব্দটা একেবারেই সৌখিন শব্দ। তাঁরা মনে করেন এটি উচ্চ মধ্যবিত্তদের বিষয়। কিন্তু দেশে এর একটা সামাজিক-সাংস্কৃতিক পরিপ্রেক্ষিত রয়েছে। এই শিল্পের দারুণ সম্ভাবনা রয়েছে মধ্যবিত্ত, উচ্চ-মধ্যবিত্তদের মধ্যেও। ডেস্টিনেশন ওয়েডিংয়ের জন্য স্পেশাল প্যাকেজ এনে দেখা যেতে পারে।”

    তিনি আরও বলেন, “পর্যটন ক্ষেত্রকে শিখরে পৌঁছতে গেলে আমাদের নতুন কোনও ভাবনা নিয়ে আসতে হবে। অনেকেই ইদানীং ডেস্টিনেশন ওয়েডিং- এর (Destination Wedding) জন্য বিদেশে যান। ভারতের রাজ্যগুলি কি গন্তব্য বিবাহের জন্য একটি বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করতে পারে না? আমি মনে করি, আমাদের দেশে এমন পরিবেশ তৈরি হওয়া উচিত যখন গুজরাতের জনগণ তামিলনাড়ুতে গিয়ে সেখানকার সংস্কৃতি অনুসারে বিয়ে করতে উদ্যোগী হবে। ধরা যাক, কারও যদি দু’টি সন্তান থাকে, তা হলে তার দুই সন্তানকে আলাদা রাজ্যে গিয়ে বিয়ে দেওয়ার কথাও ভাবতে পারেন মানুষ। যেমন এক জনের বিয়ে হোক অসমিয়া সংস্কৃতি অনুযায়ী এবং অন্য জনের পঞ্জাবি রীতিনীতি মেনে।”

    এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের দেশের উচ্চবিত্ত মানুষজনের মধ্যে বেশ কয়েক বছর ধরেই বিদেশে গিয়ে বিয়ে করার চল। তবে এখন মধ্যবিত্ত এবং উচ্চমধ্যবিত্তওরাও বিদেশে যাচ্ছেন বিয়ে সারতে। আমরা কিন্তু এখনও এই দিকে কাজ করছি না। কয়েকটি জায়গায় অবশ্য এই নিয়ে টুকটাক কাজ চলছে। তবে আমাদের ভাবনা আরও বড় করতে হবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anthony Albanese: ভারত সফরে আসছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী, অংশ নেবেন রংয়ের উৎসবে?

    Anthony Albanese: ভারত সফরে আসছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী, অংশ নেবেন রংয়ের উৎসবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি মাসেই তিনদিনের ভারত (India) সফরে আসছেন অস্ট্রেলিয়ার (Australia) প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানেজ (Anthony Albanese)। ভারত-অস্ট্রেলিয়া অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও বাণিজ্য চুক্তি করতেই মূলত নয়াদিল্লি আসছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করবেন আলবানেজ। ভারত-অস্ট্রেলিয়ার সম্পর্ক সুদৃঢ় করতেই এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হচ্ছে বলেও জানা গিয়েছে। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আহ্বানেই ভারতে আসছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী। তিনি একা নন, অ্যান্টনি আলবানেজের সঙ্গে ভারতে আসছেন সেনেটর ডন ফ্যারেল, বাণিজ্য ও পর্যটন মন্ত্রী এবং মিনিস্টার ফর রিসোর্স অ্যান্ড নর্দান অস্ট্রেলিয় ম্যাডেলাইন কিং। তাঁদের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া প্রশাসনের কয়েকজন প্রবীণ আধিকারিক ও পদস্থ বাণিজ্য প্রতিনিধিও আসবেন।

    অ্যান্টনি আলবানেজ (Anthony Albanese)…

    ২০২২ সালের মে মাসে স্কট মরিসনকে হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর মসনদে বসেছেন অ্যান্টনি আলবানেজ (Anthony Albanese)। ভারতের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার সম্পর্ক যথেষ্টই মধুর। সেই কারণেই গত শনিবার বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ক্যানবেরায় গিয়ে আমন্ত্রণ জানিয়ে এসেছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে। জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকের পরেই ট্যুইট-বার্তায় এ মাসে নয়াদিল্লি সফরে আসার কথা জানান আলবানেজ। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটাই আলবানেজের প্রথম ভারত সফর। ৮ মার্চ আমেদাবাদে এসে পৌঁছবেন তিনি। এই দিনেই পড়েছে হোলি। রংয়ের উৎসবেও অংশ নিতে পারেন আলবানেজ। পরের দিন দিল্লি আসার আগে তিনি ঘুরে দেখবেন মুম্বই।

    আরও পড়ুুন: নাম না করে চিনকে কড়া বার্তা কোয়াড গোষ্ঠীর, কেন জানেন?

    চলতি সফরে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী (Anthony Albanese) সাক্ষাৎ করবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে। দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয় এবং বিশ্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও আলোচনা করবেন তাঁরা। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, মোদি এবং আলবানেজ বার্ষিক সম্মেলনেও যোগ দেবেন। ভারত অস্ট্রেলিয়া কম্প্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ নিয়েও আলোচনা হবে। আলোচনা হবে আঞ্চলিক ও বিশ্বজনীন নানা বিষয়েও। আমেদাবাদে হবে বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফির চতুর্থ টেস্ট ম্যাচ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বসে ওই ম্যাচ দেখবেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী। বিদেশমন্ত্রক সূত্রে খবর, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন সফরে দুই দেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক ও পর্যটন ভিত্তিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। অস্ট্রেলিয়ায় থাকা ভারতীয় হিন্দুদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়েও কথা হবে দুই দেশের মধ্যে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

     

  • PM Kisan Samman Nidhi Yojana: কৃষকদের জন্য সুখবর! কিষাণ যোজনার টাকা দিল মোদি সরকার

    PM Kisan Samman Nidhi Yojana: কৃষকদের জন্য সুখবর! কিষাণ যোজনার টাকা দিল মোদি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোলির আগেই কৃষকদের উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি যোজনার (PM Kisan Samman Nidhi Yojana) সুবিধাভোগী কৃষকদের জন্য রয়েছে সুখবর। সোমবার ২৭ ফেব্রুয়ারি পিএম কিষাণের টাকা সুবিধাভোগী কৃষকদের অ্যাকাউন্টে পাঠানো হল। এর ফলে উপকৃত হবেন দেশের ১০ কোটিরও বেশি কৃষক। এদিন কর্নাটকের বেলাগাভি থেকে সরাসরি কৃষকদের কিষাণ যোজনার ১৩তম কিস্তির টাকা পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই কিস্তিতে প্রায় ৮ কোটির বেশি কৃষকরা মোট ১৬ হাজার কোটি টাকা পেলেন। প্রায় বহুদিন ধরেই দেশের কৃষকরা এর জন্য অপেক্ষায় ছিলেন। আজ অবশেষে তাঁদের প্রতীক্ষার অবসান হল।

    কর্নাটকে একটি অনুষ্ঠান থেকে কিষাণ যোজনার টাকা দেওয়ার সূচনা

    আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কয়েকটি উন্নয়ন মূলক প্রকল্পের উদ্বোধনে কর্নাটক যান। রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদুরাপ্পার জন্মদিন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী হাই-টেক রেল স্টেশনের উদ্বোধন করেন। এর পরেই তিনি সেখান থেকেই কিষাণ সম্মান নিধির টাকা দেওয়ার সূচনা করেন। এর আগে মে ও অক্টোবর মাসে ১১ ও ১২তম কিস্তির টাকা দেওয়া হয়েছিল। আর এবার ১৩ তম কিস্তির টাকা দেওয়া হল (PM Kisan Samman Nidhi Yojana)।

    প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি যোজনায় কত টাকা পেলেন কৃষকরা?

    প্রসঙ্গত, প্রায় ৪ বছর আগে ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এই পিএম কিষান যোজনা সামনে এনেছিল মোদি সরকার। মূলত প্রান্তিক ও আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া কৃষকদের সহায়তায় এই উদ্যোগ নিয়েছিল কেন্দ্র। এই যোজনার আওতায় বাৎসরিক ভাবে মোট ৬০০০ টাকা দেওয়া হয় কৃষকদের। তবে একবারে এই টাকা না দিয়ে কিস্তিতে কিস্তিতে ২০০০ টাকা করে মোট ৩ বারে দেওয়া হয় ৬০০০ টাকা। ফলে এবারেও এই প্রকল্পের অধীনে থাকা উপভোক্তা কৃষকদের মাথাপিছু ২ হাজার টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করেছে কেন্দ্রীয় সরকার (PM Kisan Samman Nidhi Yojana)। রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ৪ বছরে ১১.৩০ কোটিরও বেশি কৃষকের অ্যাকাউন্টে ২ লাখ ২৪ হাজার কোটির বেশি টাকা পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রের তরফে।

    টাকা এসেছে কিনা কীভাবে চেক করবেন?

    http://pmkisan.gov.in -এ গিয়ে কৃষকেরা টাকার পরিমাণ জানতে পারেন (PM Kisan Samman Nidhi Yojana)। যদি কোনও কৃষক মনে করেন, তিনি যোগ্য সুবিধাভোগী হওয়া সত্ত্বেও অ্যাকাউন্টে টাকা পাননি, তাঁরা ১৫৫২৬১ বা ১৮০০১১৫৫২৬ হেল্পলাইন নম্বরে যোগাযোগ করে বিস্তারিত জানাতে পারেন। এছাড়াও এখানে কৃষকদের সব সমস্যার সমাধান করা হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Naatu Naatu: ‘নাটু নাটু’ গানের তালে দক্ষিণ কোরিয়া দূতাবাসের কর্মীরা, ভিডিও শেয়ার প্রধানমন্ত্রীর

    Naatu Naatu: ‘নাটু নাটু’ গানের তালে দক্ষিণ কোরিয়া দূতাবাসের কর্মীরা, ভিডিও শেয়ার প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘নাটু নাটু’-র ক্রেজ আসক্ত করেছে গোটা বিশ্বকে। তা আরও একবার বোঝা গেল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শেয়ার করা ভিডিও দেখে। দক্ষিণের পরিচালক এসএস রাজামৌলি পরিচালিত ছবি ‘আরআরআর’-এর ‘নাটু নাটু’ গানের তালে নেচেছে পুরো দেশবাসী। আর এবারে ভারতে দক্ষিণ কোরিয়ার দূতাবাসের কর্মীদেরও এই গানের তালের সঙ্গে পা মেলাতে দেখা গেল। আর এই ভিডিও শেয়ার করেছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    ইতিহাস সৃষ্টির পথে ‘আরআরআর’

    ‘নাটু নাটু’র জন্য ইতিমধ্যেই গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার জিতেছে ‘আরআরআর’, আপাতত অস্কারের জন্য দিন গুণছে গোটা দেশ। এই ছবির হাত ধরে দীর্ঘ ১৪ বছর পর ফের ভারতের সামনে অস্কার জয়ের হাতছানি। তার আগে ফের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এসেছে রাজামৌলির টিমের ঝুলিতে। ফের একবার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এসেছে রাজামৌলি-রামচরণদের হাতে। হলিউড ক্রিটিকস অ্যাসোশিয়েশনের বিচারে সেরা গানের পুরস্কারও জিতেছে ‘আরআরআর’। হলিউড ক্রিটিকস অ্যাসোশিয়েশনের মঞ্চে সেরা ‘অরিজিন্যাল সং’ বিভাগে সেরা নির্বাচিত হয়েছে ‘নাটু নাটু’। ফলে ‘নাটু নাটু’ গানের জনপ্রিয়তা সারা বিশ্ব জুড়ে ছড়িয়েই চলেছে। শ্রোতাদের মধ্যে এই গানের উন্মাদনা আকাশ ছোঁয়া।

    ‘নাটু নাটু’ গানে নাচ কোরিয়ার দূতাবাসের কর্মীদের

    ভারতে দক্ষিণ কোরিয়ার দূতাবাস তাদের ট্যুইটার অ্যাকাউন্টে এই ভিডিওটি শেয়ার করেছে। এতে কোরিয়ান রাষ্ট্রদূত চ্যাং জায়ে বকের সঙ্গে দূতাবাসে কর্মরত কর্মীদের ‘আরআরআর’-এর ‘নাটু নাটু’ গানে নাচতে দেখা যাচ্ছে। এর সঙ্গে ক্যাপশনে লেখা, “আপনি কি নাটু জানেন? আমরা দক্ষিণ কোরিয়া দূতাবাসের ‘নাটু নাটু’ নাচের কভার শেয়ার করতে পেরে আনন্দিত। দূতাবাসের কর্মীদের সঙ্গে কোরিয়ান রাষ্ট্রদূত চ্যাং জায়ে-বকের নাটু নাটু দেখুন!!”

    কী প্রতিক্রিয়া প্রধানমন্ত্রীর?

    এবার এই ভিডিও ট্যুইটারে রিট্যুইট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দূতাবাসের কর্মীদের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন তিনি। এই ভিডিওটি ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছে। ভিডিওটি প্রায় দু’ঘন্টা আগে শেয়ার করা হয়েছিল। শেয়ার করার পর থেকে, এটি ৭ লক্ষেরও বেশি ভিউ পেয়েছে এবং এই সংখ্যা বেড়েই চলেছে৷ আবার এতে ২০ হাজারেরও বেশি লাইক এসেছে।

  • Narendra Modi: আর্থিক সংকটে থাকা পাকিস্তানকে উদ্ধারে নামতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, দাবি প্রাক্তন র প্রধানের

    Narendra Modi: আর্থিক সংকটে থাকা পাকিস্তানকে উদ্ধারে নামতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, দাবি প্রাক্তন র প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর্থিক সঙ্কটের মুখ থেকে পাকিস্তানকে উদ্ধার করতে সাহায্যে হাত বাড়াতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। এমনটাই অনুমান প্রাক্তন রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং (র) প্রধান অমরজিৎ সিংহ দুলাত। তিনি বলেন, “চলতি বছরের শেষের দিকেই পাকিস্তানকে সাহায্য করতে পারে ভারত সরকার। যা পড়শি দেশটিকে সঙ্কট থেকে বার করে আনবে।”

    কী বলেন অমরজিৎ?   
     
    অমরজিতের আরও দাবি, চিন, রাশিয়া এবং ইরান সখ্য দেশগুলিকে মদত দিয়ে ক্রমশ শক্তিশালী করে তুলছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, “ভারতের সতর্ক হওয়া উচিত।  ভারতের বন্ধু দেশ আমেরিকার চেয়ে প্রতিবেশী পাকিস্তান অনেক নিকটে। তাই পাকিস্তানের দিকেই ভারতের মনোনিবেশ করা দরকার।”

    আরও পড়ুন: “মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমে, বেড়েছে ভোটার”, রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে অমরজিৎ বলেন, “পাকিস্তানের সঙ্গে যে কোনও সময়, যে কোনও অবস্থাতেই আলোচনায় বসা যায়। আমাদের প্রতিবেশীকে আমাদেরই ব্যস্ত রাখতে হবে।” 

    তিনি বলেন, ‘‘আমার অনুমান, মোদীজি পাকিস্তানকে সাহায্য করতে পারেন। আমি এই নিয়ে অভ্যন্তরীণ কোনও তথ্য পাইনি। আমার কেবল মনে হচ্ছে, এটা হতে পারে।’’

    বিগত বেশ কয়েক মাস ধরেই অর্থনৈতিক সঙ্কটে রয়েছে পাকিস্তান (Narendra Modi)।। দেউলিয়া হয়েছে প্রতিবেশী দেশ। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আকাশ ছুঁয়েছে। দুমুঠো খাবারের জন্যে হাহাকার করছেন সাধারণ মানুষ। এই পরিস্থিতিতে দেশের রাজনৈতিক স্থিতাবস্থাও প্রশ্নের মুখে। বিশ্ব অর্থভান্ডার পাকিস্তানকে অনুদান এবং ঋণ দেওয়া বন্ধ করে দেওয়ার পর থেকেই এই অবস্থা সে দেশের। এবার কী তাহলে সাহায্যার্থে এগিয়ে যাবে ভারত? সেটা সময়ই বলবে।

    পাকিস্তানকে সম্প্রতি ৭০০ মিলিয়ন ডলার ‘অর্থসাহায্য’ করেছে চিন। এর আগে এভাবেই ‘অর্থসাহায্য’ এবং ‘বিনিয়োগ’-এর নামে শ্রীলঙ্কাকে ঋণ দিয়ে সেই দেশকে আর্থিক ভাবে পঙ্গু করে দিয়েছে চিন। এই আবহে পাকিস্তানকে দেওয়া এই ঋণ নিয়ে উদ্বিগ্ন আমেরিকা। এবং এই নিয়ে ভারতের সঙ্গে এবার ‘গুরুত্বপূর্ণ’ আলোচনা শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আমেরিকা। উল্লেখ্য, বিগত কয়েকবছর ধরেই চিনা ‘ঋণের ফাঁদ’ নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে বিশ্বে। বিভিন্ন দেশকে অর্থ সাহায্য দিয়ে কার্যত তাদের নিজেদের বশে নিয়ে আসে চিন। গতবছরই শ্রীলঙ্কার ভয়ানক পরিস্থিতি তার অন্যতম প্রমাণ। ভারতের পড়শি নেপাল, বাংলাদেশকেও এই ‘ঋণের ফাঁদে’ ফেলতে চায় চিন। পাকিস্তান ইতিমধ্যেই সেই ফাঁদে আর্ধেক পা দিয়ে রেখেছে ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভে’র নামে। আর এবার দেশের আর্থিক হাল ফেরাতে চিনের থেকে ৭০০ মিলিয়ন ডলার অর্থসাহায্য নিল পাকিস্তান।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     
     
LinkedIn
Share