Tag: Narendra Modi

Narendra Modi

  • Vaccination: টিকাকরণ কর্মসূচির কারণে প্রাণ বেঁচেছে প্রায় ৩৪ লক্ষ ভারতীয়র, বললেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    Vaccination: টিকাকরণ কর্মসূচির কারণে প্রাণ বেঁচেছে প্রায় ৩৪ লক্ষ ভারতীয়র, বললেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনার টিকাকরণ কর্মসূচি (Vaccination) দেশে প্রায় ৩৪ লক্ষ মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছে। শুক্রবার একথা বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য। করোনাকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। তাঁর মতে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ৩০ জানুয়ারি ২০২০ সালে করোনাকে মহামারি ঘোষণা করার অনেক আগেই মোদিজি প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা দুই-ই শুরু করেন করোনা মোকাবিলা করার।

    আরও পড়ুন: টলিউডের সঙ্গে কতটা যোগ ছিল নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডের নতুন ‘গ্ল্যামার-গার্ল’ হৈমন্তীর?

    কী বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য

    এদিন স্ট্যান্ডফোর্ডে ‘The India Dialog’ অনুষ্ঠানে একটি ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখছিলেন দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী, সেখানেই তিনি এই মন্তব্য করেন। এদিন মন্ত্রী বলেন, মোদি সরকারের এই প্রচেষ্টায় প্রাণ বেঁচেছে ৩৪ লক্ষ মানুষের। করোনাকালে লকডাউনের সময় দেশের মধ্যে প্রতিটি মানুষ গৃহবন্দি ছিলেন। হাতে কারও কাজ ছিল না। প্রায় ৮০ কোটি মানুষ যাতে রাতে ক্ষুধার্ত না ঘুমায় তাই মোদিজি বিনামূল্যে রেশনের মাধ্যমে খাদ্যশস্য দিয়েছেন প্রত্যেককে।

    এদিন তিনি বক্তব্যে আরও বলেন, করোনাকালে কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি ছিল “Whole of Government” and “Whole of Society” এই প্রচেষ্টাতেই মোকাবিলা করা সম্ভব হয়েছে করোনার মতো ভয়ঙ্কর মহামারির। ২৯ মার্চ ২০২০ এর আগেই ১১টি গ্রুপ তৈরি করা হয় সম্পূর্ণ ব্য়বস্থাকে পরিচালনা করার জন্য, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল Drugs, Vaccination, Logistics ইত্যাদি।

    রেকর্ড পরিমাণ করোনার পরীক্ষাও সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান তিনি। মাণ্ডব্য বলেন, মোট ৯১ কোটি মানুষের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। মোদি সরকার সেসময় ৫২টি ল্যাবও তৈরি করেছিল করোনার নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্টগুলির বিষয়ে গবেষণা করার জন্য। এখনও অবধি ২২০ কোটি ভ্যাকসিনের ডোজ সম্পূর্ণ হয়েছে বলে জানান তিনি।

    আরও পড়ুন: ‘১২টা ৪৮ মিনিটেই হাতে এসে যায়’, মাধ্যমিকের ইংরেজি প্রশ্নপত্র নিয়ে বিস্ফোরক দাবি সুকান্তর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

     

  • S Jaishankar: ‘প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় কে সেনা পাঠিয়েছিল? রাহুল গান্ধী?’, কংগ্রেসকে নিশানা জয়শঙ্করের   

    S Jaishankar: ‘প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় কে সেনা পাঠিয়েছিল? রাহুল গান্ধী?’, কংগ্রেসকে নিশানা জয়শঙ্করের   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় কে সেনা পাঠিয়েছিল? রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)?  মঙ্গলবার সংবাদ সংস্থাকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে এই ভাষায়ই কংগ্রেস (Congress) সাংসদকে নিশানা করলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি জানান, কংগ্রেসের নেতা নয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় সেনা পাঠিয়েছিলেন। চিন যখন সেনা মোতায়েন করেছিল, তখন পাল্টা ভারতও সেনা মোতায়েন করেছিল সীমান্তে। তিনি বলেন, ১৯৬২ সালে কী হয়েছিল, সেটা বিরোধীরা মনে করে দেখুন। জয়শঙ্কর জানান, সীমান্তে উন্নত পরিকাঠামো গড়তে মোদি সরকার বাজেট বরাদ্দ পাঁচ গুণ বাড়িয়েছে।

    জয়শঙ্কর বলেন…

    গত বছর প্যাংগং লেকের ওপর ব্রিজ তৈরির চেষ্টা করেছিল চিন। এ নিয়ে কেন্দ্রের সমালোচনায় মুখর হয়েছিল কংগ্রেস ও অন্যান্য বিরোধী দল। সে প্রসঙ্গে জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, ১৯৬২ সালের যুদ্ধ থেকেই ওই জায়গাটি চিন জোর করে দখল করে রেখেছে। জয়শঙ্কর বলেন, কখন ওই জায়গাটি চিনের নিয়ন্ত্রণে এল? আসলে ‘সি’ দিয়ে কোনও শব্দ শুরু হলে, বুঝতে সমস্যা হয় কংগ্রেসের। আমার মনে হচ্ছে, তারা বার বার বিষয়টির অপব্যাখ্যা করে। চিনারা প্রথমে ওই জায়গায় এসেছিল ১৯৫৮ সালে। এর পর ’৬২ সালের অক্টোবর মাসে তারা জায়গাটি দখল করে।

    আরও পড়ুুন: ‘গোর্খারা বহিরাগত…’, শোভনদেবের মন্তব্যের প্রতিবাদে বিধানসভায় ওয়াকআউট বিজেপির

    তিনি বলেন, আর এখন ২০২৩ সালে আপনি মোদি সরকারকে ব্রিজ নিয়ে দুষছেন? বিদেশমন্ত্রী বলেন, ১৯৬২ সালেই ওই জায়গাটি দখল করেছিল ওরা। এখন আপনাদের সেটা স্বীকার করার মতো সততাও নেই। জয়শঙ্কর বলেন, রাজীব গান্ধী ১৯৮৮ সালে বেজিং গিয়েছিলেন। ১৯৯৩ ও ১৯৯৬ সালে তিনি চুক্তি সই করেছিলেন। তিনি বলেন, আমি এটা মনে করছি না যে সেই চুক্তি ভুল ছিল। এটা কোনও রাজনৈতিক দিক নয়। সেই সময় এটা করা হয়েছিল সীমান্তে স্থিতাবস্থা আনার জন্য। এর পরেই রাহুলকে নিশানা করে বিদেশমন্ত্রী বলেন, কে সীমান্তে সেনা পাঠিয়েছিলেন? রাহুল গান্ধী পাঠাননি। সীমান্তে সেনা পাঠিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রচুর ব্যয় করে আমরা সেখানে সেনা মোতায়েন করে রাখি। তিনি বলেন, আমরা সীমান্তে প্রতিরক্ষায় ব্যয় বরাদ্দ আরও বৃদ্ধি করেছি বাজেটে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Narendra Modi: মারাঠা যোদ্ধা-রাজা শিবাজি মহারাজের জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন প্রধানমন্ত্রীর

    Narendra Modi: মারাঠা যোদ্ধা-রাজা শিবাজি মহারাজের জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মারাঠা যোদ্ধা রাজা শিবাজি মহারাজের জন্মবার্ষিকী পালন হচ্ছে গোটা দেশ জুড়ে। হিন্দু ক্যালেন্ডার অনুসারে, এই বছরটি মারাঠা রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতার ৩৯৩তম জন্মদিন। তাঁর জন্মদিনে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ট্যুইট বার্তায় তাঁকে শ্রদ্ধা জানান। তিনি লেখেন, “আমি ছত্রপতি শিবাজী মহারাজকে তাঁর জয়ন্তীতে শ্রদ্ধা জানাই। সুশাসনের প্রতি তাঁর সাহস ও জোর আমাদের অনুপ্রাণিত করে।”

    ছত্রপতি শিবাজি মহারাজের জন্মবার্ষিকী

    হিন্দু সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ছত্রপতি শিবাজী হোক অথবা রমেশচন্দ্র দত্তের রাজা শিবজী জন্মগ্রহণ করেন ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৬৩০ সালে। মহারাষ্ট্রের পুনে জেলার পাহাড়ী দুর্গ শিবনেরিতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। এই দিনটির প্রধান উদ্দেশ্য হল মারাঠা সাম্রাজ্য পুনরুদ্ধারে মহান যোদ্ধার অবদানকে সম্মান করা। তিনি ১৬৭০ সালে মুঘলদের সঙ্গে লড়াই করে ১৬৭৪ সালে পশ্চিম ভারতে মারাঠা সাম্রাজ্যের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। এরপর ইংরেজি ক্যালেন্ডারের ৬ জুন, ১৬৭৪ সালে নিজেকে রাজা ঘোষণা করেন শিবাজী মহারাজ। ‘ছত্রপতি’ উপাধিতে ভূষিত হন। ছত্রপতি শিবাজী মহারাজের যেদিন রাজ্যাভিষেক হয়েছিল সেই দিনটিই ‘হিন্দু সাম্রাজ্য দিনোৎসব’ হিসেবে পালিত হয়।

    এই মহান বীরকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী সহ অন্যান্য নেতারাও। প্রধানমন্ত্রী বছরের পর বছর ধরে শিবাজীর প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর একটি অডিও এবং ভিডিও শেয়ার করেছেন তাঁর ট্যুইটে।

    কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী লেখেন- “অদম্য সাহস, বীরত্ব ও বীরত্বের প্রতীক ছত্রপতি শিবাজী মহারাজকে তাঁর জন্মবার্ষিকীতে জানাই প্রণাম।”

    মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিণ্ডে লেখেন- “ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ জয়ন্তী। অখন্ড ভারতের আরাধ্য দেবতা, হিন্দু স্বরাজের প্রতিষ্ঠাতা মহারাজাধিরাজকে নমস্কার।”

  • Narendra Modi: দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে দেশে এল ১২ টি চিতা, আগমনে প্রধানমন্ত্রী মোদি কী বললেন?

    Narendra Modi: দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে দেশে এল ১২ টি চিতা, আগমনে প্রধানমন্ত্রী মোদি কী বললেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ভারতে এসেছে চিতা৷ শনিবার সকালে ভারতীয় বায়ুসেনার আইএএফসি-১৭ বিমানে ১২টি চিতা দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রে এসে পৌঁছয়৷ কুনোয় সংরক্ষিত এলাকায় তাদের খাঁচামুক্ত করেছেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান এবং কেন্দ্রীয় পরিবেশমন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। এদিন দেশে চিতাদের ফের আগমনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ট্যুইট করে লিখেছেন, “উন্নয়নের সঙ্গে ভারতের বন্যপ্রাণীর বৈচিত্র্য বৃদ্ধি পেয়েছে।” এই ট্যুইটে পরিবেশ মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবকেও ট্যাগ করেছেন মোদি।

    নামিবিয়ার পর দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে এল চিতা

    শুক্রবার মধ্যরাতের পর (স্থানীয় সময়) দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানসবার্গ থেকে যাত্রা শুরু হয়৷ প্রায় ১০ ঘণ্টা সময় আকাশে কাটিয়ে গোয়ালিয়রে নামে চিতারা৷ এরপর বায়ুসেনার হেলিকপ্টারে এয়ারলিফ্ট করে তাদের কুনো জাতীয় উদ্যানে নিয়ে যাওয়া হয়। সূত্রের খবর, মোট ১২টি চিতার মধ্যে স্ত্রী চিতা রয়েছে ৫টি এবং বাকি ৭টি পুরুষ চিতা বলে জানা গেছে। কিছুদিন কুনো জাতীয় উদ্যানে নতুন চিতাদের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে।

    গতকাল চিতাগুলোকে কুনো জাতীয় উদ্যানে ছেড়ে দেওয়ার পর ভূপেন্দ্র যাদব ট্যুইট করে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে শুরু হওয়া চিতা প্রকল্প আজ ফের একটি মাইলফলক ছুঁয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ চৌহানের উপস্থিতিতে চিতাগুলো মুক্ত করা হয়েছে।” এই ট্যুইটের উত্তরেই প্রধানমন্ত্রী লিখেছিলেন, চিতার সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় দেশে বন্যপ্রাণীর বৈচিত্রেও বৃদ্ধি এসেছে। 

    রাজ্য প্রশাসন সূত্রে খবর, কুনো জাতীয় উদ্যানে ১২টি চিতাকে কোয়ারান্টিনে রাখার জন্য ১০টি এনক্লোজার তৈরি করা হয়েছে। বিদেশ থেকে আনা পশুদের ৩০ দিন নিভৃতে রাখাই ভারতের বন্যপ্রাণ আইন অনুযায়ী, যাতে রোগভোগ সংক্রান্ত বিপদ টের পাওয়া যায় আগেই, এড়ানো যায় বিপদ।

    উল্লেখ্য, গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিনে নামিবিয়া থেকে প্রথম দফায় ভারতে আসে ৮টি চিতা৷ তাদের শেওপুর জেলার কুনো জাতীয় উদ্যানে কয়েকমাস কোয়ারান্টিনে রেখে তারপর ছাড়া হয়৷ আর এবারে আনা হল ১২ টি চিতা। ভারতকে ফের চিতার বাসযোগ্য করে তুলতেই এমন পদক্ষেপ কেন্দ্রের। ১৯৪৭ সালে তৎকালীন শেষ চিতাটির মৃত্যু হয় ভারতে। এর পর ১৯৫২ সালে চিতাকে দেশের মধ্যে বিলুপ্ত প্রাণী বলে ঘোষণা করা হয়। এর পর, বছর তিনেক আগে ফের ভারতকে চিতার বাসযোগ্য করে তোলার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে কেন্দ্র। নামিবিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকাই নয় শুধু, আফ্রিকার অন্য দেশ থেকেও চিতা নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রের। চিতার বংশবিস্তারের জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে পাঁচ বছরে লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে।

  • Akhil Giri: রাষ্ট্রপতির পর প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য অখিল গিরির! তুমুল বিতর্কে মন্ত্রী

    Akhil Giri: রাষ্ট্রপতির পর প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য অখিল গিরির! তুমুল বিতর্কে মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের শাসকদলের নেতার মুখে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য! বিতর্ক যেন তাঁর পিছু ছাড়ছেই না। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর পর এবার দেশের প্রধানমন্ত্ৰী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করে বসলেন মন্ত্ৰী অখিল গিরি। রামনগরের সভা থেকে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী গরুকে আঁকড়ে ভালোবাসা করতে গিয়েছিলেন। গরু গুঁতিয়ে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে।” স্বভাবতই মন্ত্রীর এই মন্তব্য ঘিরে তুমুল বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এই প্রথম নয়, এর আগেও রাষ্ট্রপতি দৌপদী মুর্মুকে নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন তিনি। ফলে এই নিয়ে ক্ষমাও চাইতে হয় খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

    প্রধানমন্ত্রীর নামে অশালীন মন্তব্য অখিল গিরির

    গতকাল পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরে আরএসএ ময়দানের মাঠে বিজেপির পালটা সভা করে তৃণমূল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। আর সেখান থেকেই প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অশালীন ভাষায় মন্তব্য করতে দেখা যায় তাঁকে। বিজেপি ও মোদি সরকারকে কটাক্ষ করতে গিয়ে তিনি ভ্যালেন্টাইন্স ডে-এর প্রসঙ্গ তুলে এনে বলেন, “১৪ তারিখ ভ্যালেন্টাইন্স ডে ছিল, ভালোবাসার দিবস, ছেলে-মেয়েরা প্রেম করে। গোলাপ ফুল দেওয়া-নেওয়া হয়। একজন মানুষকে আরেকজন মানুষ ফুল দিয়ে ভালোবাসে। প্রধানমন্ত্রী গরুকে আঁকড়ে ভালোবাসা করতে গিয়েছিলেন। গরু গুঁতিয়ে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে। পুরো পড়ে গিয়েছে। ভাগ্য ভালো ষাঁড়টাকে ধরেনি। না হলে গুঁতিয়ে দিত পেটে লেগে যেত…। গরু যদি নরেন্দ্র মোদিকে গুঁতিয়ে দেয় তাহলে আমি কি করব!” মন্ত্রী আরও বলেন, “১৪ তারিখ ভ্যালেন্টাইন্স ডে’তে নরেন্দ্র মোদি গরুকে আঁকড়ে ধরেছেন, কী সুন্দর! আগামী ২৪-এ গুঁতো খাবে। যাতে উলটে পড়বে প্রধানমন্ত্রী মানুষ পার্লামেন্টের বাইরে পাঠিয়ে দেবে।”

    মন্ত্রী অখিল গিরিকে কড়া ভাষায় জবাব বঙ্গ বিজেপির

    প্রধানমন্ত্রী প্রসঙ্গে অখিল গিরির মন্তব্যের তীব্র বিরোধীতায় সরব হয়েছে বঙ্গ বিজেপি। এই প্রসঙ্গে কাঁথি সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি সুদাম পণ্ডিত বলেন, “একটা মোস্ট থার্ড ক্লাস দল। দুর্নীতি করতে করতে রাজ্যটাকে শেষ করে দিয়েছে। ওদের কথায় কান দিয়ে আমাদের লাভ কী। ওদের মত আমাদের তো আর অভিনেতা দেখিয়ে লোক ডাকতে হয়নি। বিনাশকালে বুদ্ধিনাশ হয়েছে তৃণমূলের নেতা- নেত্রীদের। তাই ভুল-ভাল কথা বলছেন।” আবার শমীক ভট্টাচার্য বলেন, এটাই তৃণমূল কংগ্রেস! শুধু তাই নয়, এটাই তাঁদের সংস্কৃতি, ভাষা বলেও আক্রমণ বিজেপি নেতার। তাঁর মতে, তৃণমূলের নেত্রী তিনি নিজে এই ভাষায় কথা বলে। প্রত্যেকটি রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সেটাই প্রকাশ পায় বলে কটাক্ষ। এমন কিছু মানুষ আছেন যারা এই সব বলে হাততালি কুড়োতে চায় বলে মন্তব্য বিজেপি নেতার। তবে মানুষ এর জবাব দেবে বলে মন্তব্য তাঁর।

  • PM Modi: দেশের হাল বদলাতে একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত মোদি মন্ত্রিসভার বৈঠকে, জানেন কী কী?

    PM Modi: দেশের হাল বদলাতে একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত মোদি মন্ত্রিসভার বৈঠকে, জানেন কী কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের হাল বদলাতে আগামী পাঁচ বছরে দু লক্ষ সমবায় সমিতি (Co-operatives) গড়ার সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার। দেশের দিশা ঠিক করতে বুধবার বৈঠকে বসে মোদি (PM Modi) ক্যাবিনেট। ওই বৈঠকে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর বলেন, সমবায় সমিতিগুলিকে শক্তিশালী করবে সরকার। সেই উদ্দেশ্যে আগামী পাঁচ বছরে দু লক্ষ প্রাথমিক কৃষি সমবায় ঋণ সমিতি, ডেয়ারি, মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি স্থাপনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি ভাইব্রেন্ট ভিলেজ প্রোগ্রামেও সিলমোহর দিয়েছে মোদি মন্ত্রিসভা।

    ভাইব্রান্ট ভিলেজ…

    অনুরাগ ঠাকুর বলেন, দেশের সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিকে শক্তিশালী করতে ভাইব্রান্ট ভিলেজ প্রোগ্রামে অনুমোদন দিয়েছে মোদি সরকার। এই প্রকল্পের অধীনে দেশের উত্তর সীমান্তে অবস্থিত গ্রামগুলির পরিকাঠামোর উন্নয়ন করা হবে। এজন্য ৪ হাজার ৮০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। কেন্দ্রের (PM Modi) বরাদ্দ এই টাকা ব্যয় করা হবে লাদাখ, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, সিকিম ও অরুণাচল প্রদেশের মোট ১৯টি জেলার ২ হাজার ৯৬৬টি গ্রামে রাস্তা ও অন্যান্য পরিকাঠামো উন্নয়নে। তবে বর্ডার এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম থেকে আলাদা হবে এই যোজনা। অনুরাগ জানান, এই প্রকল্পের পুরো খরচ বহন করবে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রের এই উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে এই রাজ্যগুলির সীমান্তবর্তী গ্রামে কাজ পাবেন স্থানীয়রা। ফলে কাজের খোঁজে তাঁদের আর ভিন রাজ্যে যেতে হবে না।

    আরও পড়ুুন: ফের পঞ্চায়েত নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তিতে নিষেধাজ্ঞা হাইকোর্টের! শুভেন্দুর মামলায় স্থগিতাদেশ বহাল

    মোদি (PM Modi) ক্যাবিনেটের ওই বৈঠকে এদিন আরও যে প্রকল্প গুরুত্ব পেয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে লাদাখে সিঙ্গুলনা টানেল তৈরিতে অনুমোদন। এর ফলে সেখানে প্রায় ৪.৮ কিমি লম্বা রাস্তা তৈরি হবে। এজন্য খরচ হবে প্রায় ১৬০০ কোটি টাকা। একবার এই টানেল তৈরি হলে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়াও লাদাখে যাওয়ার রাস্তা পাওয়া যাবে। সারা বছর থাকবে এই সংযোগ। টানেলটি তৈরি হলে এলাকায় সেনাবাহিনীর কৌশলগত যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে।

    ভারত-চিন সীমান্তে (Indo China Border) প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর মোতায়েন থাকা আইটিবিপির জন্য আরও ৯ হাজার ৪০০ কর্মী নিয়োগের অনুমোদনও দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এক্ষেত্রে সাতটি নতুন ব্যাটেলিয়ন তৈরি করা হবে। তৈরি করা হবে অপারেশনাল বেসও। প্রতিবন্ধীদের সহযোগিতার জন্য ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে মউ স্বক্ষরের অনুমোদনও মিলেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Mohan Bhagwat: ‘‘কোনও একজন ব্যক্তি বা কোনও এক চিন্তাধারা দেশকে গড়তে বা ভাঙতে পারে না’’, বললেন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: ‘‘কোনও একজন ব্যক্তি বা কোনও এক চিন্তাধারা দেশকে গড়তে বা ভাঙতে পারে না’’, বললেন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও একজন ব্যক্তির কোনও এক চিন্তাধারা কিংবা একটি গোষ্ঠী কোনও একটা দেশকে ভাঙতে পারে না। মঙ্গলবার একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে এ কথা বলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তাঁর মতে, ভাল দেশগুলোর চিন্তার বিভিন্নতা থাকে, তারা সমস্ত সিস্টেমগুলিকে একত্রিত করে রাখতে পারে। এদিন একটি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে যোগ দেন সংঘ প্রধান। অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা ছিল রাজরত্ন পুরস্কার সমিতি। এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সরসংঘ চালক (Mohan Bhagwat) বলেন, এক ব্যক্তি, এক চিন্তাভাবনা, এক গোষ্ঠী, এক আদর্শ কোনও দেশকে ভাঙতে পারে না। তিনি বলেন, বিশ্বের ভাল দেশগুলোয় সমস্ত ধরণের চিন্তাভাবনা রয়েছে। তাদের সমস্ত ধরনের সিস্টেমও রয়েছে। এই সিস্টেমের মধ্যেই তারা বেড়ে উঠছে।

    এক জাতি, এক ভোট…

    বিজেপি (BJP) নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের বক্তব্য হল, এক জাতি, এক ভোট। ভারতীয় জনতা পার্টির এই বক্তব্যের বিরোধী শোনাল সংঘ প্রধানের এই বাণী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পইপই করে সরকারের এই মনোভাব ব্যক্ত করছেন নানা সময়। তাঁর মতে, দেশের স্বার্থেই এটা প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস করেন, প্রতি মাসেই দেশের কোথাও না কোথাও কোনও না কোনও নির্বাচন হচ্ছে। তার জেরে ব্যাহত হচ্ছে উন্নয়ন। গত বছর বিজেপি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে আলাপচারিতায় প্রধানমন্ত্রী তাঁর এই পরিকল্পনার কথা ব্যক্তও করেছেন বারংবার। তিনি তাঁদের বুঝিয়ে দিয়েছেন, কীভাবে গোটা দেশে এক সঙ্গে ভোট হলে সময় এবং খরচ বাঁচে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘বিদ্যাসাগর শিক্ষাকে এগিয়ে দিয়েছিলেন, পার্থ দিলেন পিছিয়ে’’, আদালতে ইডি

    প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের বিরোধিতা করেছিল দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। তাদের বক্তব্য ছিল, বিজেপি কেবল একটিই শব্দ জানে, সেটি হল এক। ডিএমকে বলেছিল, এক ধর্মের কথা বলার পর এক ভাষা, এক খাদ্যাভাস, এক সংস্কৃতি, এক করকাঠামো, এক পরীক্ষা এবং এক রাসায়নিক সার, তারা একই গান গাইছে। সব রোগের জন্য তারা একটাই ওষুধ প্রয়োগ করছে সেটা হল প্রতারণা এবং বিভেদ কৌশল। প্রধানমন্ত্রীর এক দেশ, এক ভোট নীতির সমালোচনা করেছিল আম আদমি পার্টিও। তাদের অভিযোগ, গোটা দেশে অপারেশন লোটাস অভিযান করার স্বপ্ন পূরণ করার পরিকল্পনা করছে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Air India: ফ্রান্স থেকে ২৫০টি যাত্রিবাহী বিমান কিনবে এয়ার ইন্ডিয়া, মোদি-মাক্রঁর উপস্থিতিতে স্বাক্ষরিত চুক্তি

    Air India: ফ্রান্স থেকে ২৫০টি যাত্রিবাহী বিমান কিনবে এয়ার ইন্ডিয়া, মোদি-মাক্রঁর উপস্থিতিতে স্বাক্ষরিত চুক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষর করল এয়ার ইন্ডিয়া (Air India)। ফ্রান্স থেকে ২৫০টি যাত্রিবাহী এয়ারবাস বিমান কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে টাটা (Tata) গোষ্ঠী পরিচালিত এই বিমান সংস্থা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ও ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁর ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে স্বাক্ষরিত হয় ওই চুক্তি। দুই রাষ্ট্র প্রধানই এয়ার ইন্ডিয়া ও এয়ারবাস সংস্থার এই চুক্তির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই চুক্তিকে ভারত-ফান্স সম্পর্কের প্রতীক বলে অভিহিত করেছেন। আর মাক্রঁ জানান, ভারত-ফ্রান্স কৌশলগত সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে এই চুক্তি। ভার্চুয়াল এই বৈঠকে দুই রাষ্ট্রপ্রধান ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন টাটা সন্সের্ চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরন, এয়ারবাসের সিইও গিয়োম ফওরি, টাটা গোষ্ঠীর চেয়ারপার্সন রতন টাটা, কেন্দ্রীয় বাণিজ্য মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এবং অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া।

    নরেন্দ্র মোদি…

    প্রসঙ্গত, ভারতের বাজারে কেবল বিক্রি নয়, বিশ্বের বড় শিল্প সংস্থাগুলির উৎপাদনও যাতে ভারতেই হতে পারে, সেজন্য মেক ইন ইন্ডিয়া স্লোগান দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২০১৫ সালে তিনি গিয়েছিলেন ফ্রান্সের তুলুসে, এয়ারবাসের কারখানায়। সেখানে ভারতে বিমান নির্মাণ কারখানা গড়ার বিষয়ে সম্মতি দিয়েছিলেন এয়ারবাস কর্তৃপক্ষ।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ডিয়ার নরেন্দ্র বলে সম্বোধন করেন মাক্রঁ। তিনি বলেন, ভারতের হাত ধরে যৌথভাবে অনেক সাফল্য অর্জন করেছে ফ্রান্স। মহাকাশ, সাইবার, প্রতিরক্ষা, সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য, বায়োটেক, পরমাণু শক্তির মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারতের পাশে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে গিয়েছে ফ্রান্স। কোভিড অতিমারির শেষে এই সহযোগিতার সম্পর্ক আরও বাড়বে বলেই আশাবাসী ফরাসি প্রেসিডেন্ট।

    আরও পড়ুুন: ‘আমাদের সম্পদ চুরি করলে হামলা হবে’, কাশ্মীরে লিথিয়াম ভাণ্ডার নিয়ে হুমকি পাফের

    ভারত-ফ্রান্স এই চুক্তির (Air India) জন্য ফরাসি প্রেসিডেন্টকে বিশেষ ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, এই চুক্তি ভারতের অসামরিক বিমান পরিবহণ ক্ষেত্রে সাফল্য ও আকাঙ্খার প্রতিফলন। অসামরিক বিমান পরিবহণ ভারতের বিকাশের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত সরকারের জাতীয় পরিকাঠামো কৌশলের অন্যতম অংশ হল অসামরিক বিমানবন্দর। তিনি বলেন, অদূর ভবিষ্যতে অসামরিক বিমান পরিবহণ ক্ষেত্রে ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহৎ বাজার হতে চলেছে। এজন্য আগামী ১৫ বছরে দু হাজারেরও বেশি বিমান লাগবে। এই বাড়তি চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে এই চুক্তি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • PM Modi: কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সন্ত্রাসবাদী হামলায় শহিদ জওয়ানদের শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করলেন মোদি

    PM Modi: কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সন্ত্রাসবাদী হামলায় শহিদ জওয়ানদের শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেক্স: আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি। চার বছর আগে ঠিক এই দিনে কাশ্মীরের (Kashmir) পুলওয়ামায় সন্ত্রাসবাদী হামলায় শহিদ হয়েছিলেন ৪০জন সিআরপিএফ (CRPF) জওয়ান। মঙ্গলবার সেই শহিদদেরই শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এনিয়ে একটু ট্যুইটও করেন তিনি। তাতে লেখেন, আজকের দিনে পুলওয়ামায় যে বীরদের হারিয়েছি, তাঁদের স্মরণ করছি। তাঁদের এই আত্মত্যাগ আমরা কোনওদিন ভুলব না। তাঁদের সাহস আমাদের শক্তিশালী দেশ গড়ে তুলতে উদ্বুদ্ধ করে।

    সিআরপিএফ…

    প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামায় সিআরপিএফ জওয়ানদের একটি কনভয়ে হামলা চালায় জঙ্গিরা। বিস্ফোরক ঠাসা একটি গাড়ি নিরাপত্তা বাহিনীর ওই কনভয়ে হামলা চালায়। শহিদ হন সিআরপিএফের ৪০ জন জওয়ান। জখমও হন বেশ কয়েকজন জওয়ান। হামলার দায় স্বীকার করে মাসুদ আজাহারের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানি সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী জইশ-ই-মহম্মদ।

    প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি পুলওয়ামার শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে ট্যুইট করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ট্যুইট বার্তায় তিনি লিখেছেন, আমি সেই সাহসী জওয়ানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই, যাঁরা ২০১৯ সালে ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলায় তাঁদের জীবন দিয়েছেন। জাতি তাঁদের আত্মত্যাগকে ভুলতে পারবে না। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তাঁদের বীরত্ব ও অদম্য সাহস সব সময় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

    আরও পড়ুুন: ‘বিজেপির কিছু লুকোনোর নেই, ভয় পাওয়ারও নেই’, আদানিকাণ্ডে বললেন শাহ

    ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালবাসার দিন। এদিন এই নারকীয় ঘটনায় শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছিল ভারতবাসী। বিশ্বজুড়ে উঠেছিল নিন্দার ঝড়। ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেয় ভারত সরকার। তদন্তে উঠে আসে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন জয়েশ-ই-মহম্মদের নাম। পাল্টা আঘাত করে ভারত। ২০১৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি এয়ারস্ট্রাইক করে ভারত। ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয় পাকিস্তানের বেশ কিছু জঙ্গি ঘাঁটি। ১৪ ফেব্রুয়ারির ওই ঘটনার পর ফি বছর পুলওয়ামার শহিদদের শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    উনিশের ১৪ ফেব্রুয়ারির ওই ঘটনার পর বাইশ সালের অক্টোবর মাসেও ফের রক্তাক্ত হয় উপত্যকা। পুলওয়ামা জেলায় জঙ্গি হামলায় শহিদ হন এক পুলিশ কর্মী। জখম হন সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের এক কর্মী। কাশ্মীর জোন পুলিশের তরফে জানানো হয়, পুলওয়ামার পিঙ্গলানায় সিআরপিএফ ও পুলিশ যৌথভাবে নাকা চেকিং চালানোর সময় গুলি ছোড়ে জঙ্গিরা। শহিদ হন এক পুলিশ কর্মী। জখম হন সিআরপিএফের এক জওয়ান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Aero India 2023: এশিয়ার বৃহত্তম এরো শো! বেঙ্গালুরুতে এরো ইন্ডিয়া ২০২৩-এর সূচনা প্রধানমন্ত্রীর

    Aero India 2023: এশিয়ার বৃহত্তম এরো শো! বেঙ্গালুরুতে এরো ইন্ডিয়া ২০২৩-এর সূচনা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৩ ফেব্রুয়ারি, সোমবার সকাল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বেঙ্গালুরুতে এরো ইন্ডিয়া ২০২৩-এর ১৪ তম সংস্করণের উদ্বোধন করলেন। এটি এশিয়ার বৃহত্তম এরো শো। কর্ণাটকের ইয়েলাহানকার বায়ুসেনা ঘাঁটিতে এই এয়ার শোয়ের আয়োজন করা হয়েছে। এই শোয়ের মাধ্যমে ভারতের মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতার কথা তুলে ধরা হবে। অফিসাল বিবৃতি অনুসারে, অ্যারো ইন্ডিয়া ২০২৩-র মূল ফোকাস হল দেশীয় সরঞ্জাম ও প্রযুক্তির প্রদর্শন। মেক ইন ইন্ডিয়া, মেক ফর দ্যা ওয়ার্ল্ড ভিশনের সঙ্গে তাল মিলিয়েই এই প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই শোয়ের থিম হল ‘দ্যা রানওয়ে টু এ বিলিয়ন অপারচুনিটিস’। এরো শোতে ৮০টিরও বেশি দেশ অংশগ্রহণ করেছে।

    বেঙ্গালুরুতে প্রধানমন্ত্রী মোদি

    চার দিনের ব্যস্ত কর্মসূচি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। তারই মধ্যে রবিবার সন্ধ্যায় বেঙ্গালুরু পৌঁছে যান তিনি। রাজ্যপাল থাওয়ারচাঁদ গেহলট এবং মুখ্যমন্ত্রী বাসভরাজ বোমাই প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। আর আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সকাল ৯.৩০ টায় বেঙ্গালুরুর ইয়েলাহাঙ্কায় বিমান বাহিনী স্টেশনে ‘Aero India 2023’-এর ১৪ তম সংস্করণের উদ্বোধন করেন। সকাল ৯.৪০ থেকে ১০.৩০ মিনিট পর্যন্ত অনুষ্ঠানে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। প্রধানমন্ত্রী মোদি এই শোয়ে একটি ‘স্মারক ডাকটিকিট’ও প্রকাশ করেছেন।

    ৯৮ টি দেশের অংশগ্রহণ

    সূত্রের খবর অনুযায়ী,  এখনও পর্যন্ত এটাই সবথেকে বড় ইভেন্ট এরো ইন্ডিয়া শো-র। কারণ এই প্রথম ৯৮টি দেশ এই প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছে। ৯৮ টি দেশের মোট ৮০৯ টি কোম্পানি এই অনুষ্ঠানে অংশ নেবে বলে জানা গিয়েছে। এই অনুষ্ঠানে ৩২টি দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, ২৯টি দেশের বিমান বাহিনী প্রধান, ১০০টি বিদেশী এবং ৭০০টি ভারতীয় কোম্পানি সহ ৮০০টিরও বেশি প্রতিরক্ষা সংস্থার অংশগ্রহণ দেখা যাবে। প্রায় ৩৫,০০০ বর্গ মিটার এলাকা জুড়ে আয়োজিত করা হয়েছে এই অনুষ্ঠান। রিপোর্ট অনুসারে, ৮০৯ টি প্রতিরক্ষা সংস্থা সহ এমএসএমই এবং স্টার্ট-আপগুলি বিশেষ প্রযুক্তির অগ্রগতি এবং মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রের দক্ষতা বৃদ্ধি প্রদর্শন করবে এই শোতে।

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

    প্রধানমন্ত্রী মোদি এদিন বলেন, “এরো ইন্ডিয়ার এই ইভেন্ট ভারতের ক্রমবর্ধমান সম্ভাবনার প্রমাণ, তেজস বিমান তার উদাহরণ। ভারত ২০২৪-২৫ সালের মধ্যে প্রতিরক্ষা রপ্তানি ৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে চায়। এতে বিশ্বের প্রায় ১০০টি দেশের উপস্থিতি প্রমাণ করে যে ভারতের প্রতি বিশ্বের বিশ্বাস কতটা বেড়েছে।”

    ইভেন্টের লক্ষ্য

    বায়ুসেনা সূত্রে খবর, এরো ইন্ডিয়া  প্রায় ৭৫ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগের পথ প্রশস্ত করবে বলে আশা করা হচ্ছে৷ মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা খাতে দেশের সক্ষমতা প্রদর্শনের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী এবং আত্মনির্ভরশীল ‘নতুন ভারত’-এর উত্থানকে উন্নীত করাই এর লক্ষ্য। এছাড়াও ভবিষ্যতে কী কী অস্ত্র পাবে বায়ুসেনা, তারও ঝলক দেখা যাবে এই এয়ার শোয়ে। এছাড়াও এই অনুষ্ঠানের প্রধান লক্ষ্য হল, লাইট কমব্যাট এয়ারক্রাফ্ট (এলসিএ)-তেজস, এইচটিটি-৪০, ডর্নিয়ার লাইট ইউটিলিটি হেলিকপ্টার (এলইউএইচ), লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টার (এলসিএইচ) এবং অ্যাডভান্সড লাইট হেলিকপ্টার (এএলএইচ) এর মত দেশীয় বিমানের রপ্তানি আরও বাড়ানো।

    প্রধান প্রদর্শক

    প্রধান প্রদর্শকদের মধ্যে রয়েছে, এয়ারবাস, বোয়িং, ড্যাসল্ট এভিয়েশন, লকহিড মার্টিন, ইসরায়েল এরোস্পেস ইন্ডাস্ট্রি, ব্রহ্মোস এরোস্পেস, আর্মি এভিয়েশন, এইচসি রোবোটিক্স, এসএএবি, সাফরান, রোলস রয়েস, লারসেন অ্যান্ড টুব্রো, ভারত ফোর্জ লিমিটেড, হিন্দুস্তান এরোনটিক্স লিমিটেড, ভারত লিমিটেড। ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড (বিইএল), ভারত ডায়নামিক্স লিমিটেড (বিডিএল) এবং বিইএমএল লিমিটেড। সূত্রের খবর, প্রায় ৫ লক্ষ দর্শক এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে এবং আরও লক্ষাধিক দর্শক ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত হবেন। ফলে মনে করা হচ্ছে, পাঁচদিনব্যাপী এরো ইন্ডিয়ার শো দর্শকদের মন্ত্রমুগ্ধ করবে।

LinkedIn
Share