Tag: Narendra Modi

Narendra Modi

  • PM Modi: “সংখ্যালঘুরা বিপদে রয়েছেন, এ দাবি সর্বৈব মিথ্যা”, বললেন মোদি

    PM Modi: “সংখ্যালঘুরা বিপদে রয়েছেন, এ দাবি সর্বৈব মিথ্যা”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতে সংখ্যালঘুরা বিপদে রয়েছেন বলে যা বলা হচ্ছে, তা সর্বৈব মিথ্যা।” সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “সংখ্যালঘুদের নিয়ে যা বলা হচ্ছে, তা ভুল প্রমাণিত হচ্ছে। ১৯৫০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে ভারতের হিন্দুর সংখ্যা কমেছে ৮ শতাংশ। আর সংখ্যালঘুরা বেড়েছেন ৪৩ শতাংশ। এই যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, সেখানে কোথাও একটা ভুল হচ্ছে। ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। যে যেভাবে পারছে, অর্থ করছে।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    তিনি (PM Modi) বলেন, “এটা যদি তথ্যই হয়, তাহলে মনে হবে ভারতে সংখ্যালঘুরা দমিত হয়ে রয়েছেন। এ দেশে তাঁদের স্বর পাত্তা পায় না। আসলে তো তা নয়। এই সমস্ত ব্যাখ্যা তৈরি করা হচ্ছে। ভারতের বিরুদ্ধে এভাবে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। দয়া করে সত্যটা জানুন, এবং ঠিকঠাক ব্যাখ্যা দিন।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত সামনের দিকে এগোচ্ছে। এজন্য প্রত্যেকের সাহায্য প্রয়োজন। প্রত্যেকের কল্যাণের প্রয়োজন। প্রত্যেককেই মনে রাখতে হবে ‘বসুধৈব কুটুম্বকমে’র সেই চিরন্তনী আপ্তবাক্য।” প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ইএসি-পিএম একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে। তাতে দাবি করা হয়েছে, ১৯৫০ থেকে ২০১৫ সাল এই পর্বে ভারতে সংখ্যাগুরু হিন্দু জনসংখ্যা কমেছে ৭.৮২ শতাংশ। এই সময়সীমায় মুসলমানের হার ৯.৮৪ থেকে বেড়ে হয়েছে ১৪.৯ শতাংশ। 

    আরও পড়ুুন: “নয়া সরকারের অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে রুপির বাণিজ্য চুক্তি”, বললেন শাহ

    ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারতকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে আমাদের। এবং এজন্য যে মন্ত্র আমি অনুধ্যান করি তা হল, ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’। ২০১৪ সালে আমি যখন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কাজ শুরু করি, আমি এর সঙ্গে জুড়ে দিয়েছিলাম আরও দু’টি শব্দবন্ধ। সেগুলি হল, ‘সবকা বিশ্বাস এবং সবকা প্রয়াস’। সরকার যে কাজ করবে, সেখানে কোনও বৈষম্য থাকা উচিত নয়। সেটা ধর্ম হোক কিংবা বর্ণ অথবা লিঙ্গ – কোনও দিক থেকেই কোনও বৈষম্য কাম্য নয়।” তিনি (PM Modi) বলেন, “ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ ভয়ঙ্কর জিনিস। কোনও দেশ এভাবে এগোতে পারে না। মোদি কখনও হিন্দু-মুসলমান দুই দুই করেনি। দেশের কাছে অগ্রাধিকার আপনার কাজ। আর দেশকে শিক্ষিত করা আমার কাজ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Amit Shah: কেন পাকিস্তানের নয়নমণি রাহুল! ব্যাখ্যা দিলেন অমিত শাহ

    Amit Shah: কেন পাকিস্তানের নয়নমণি রাহুল! ব্যাখ্যা দিলেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান কেন রাহুল গান্ধিকে (Rahul Gandhi) সমর্থন করে তার ব্যাখ্যা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) । দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে যেহেতু রাহুল গান্ধি পাকিস্তানের অ্যাজেন্ডাকে সমর্থন করেন তাই পাকিস্তান তাঁকে সমর্থন করে।

    রাহুল গান্ধিকে পাকিস্তানের সমর্থনের বিস্তারিত ব্যাখ্যা

    বুধবার রাহুল গান্ধিকে পাকিস্তানের সমর্থনের বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) । তিনি বলেন, “এখন পাকিস্তান রাহুল বাবার খুব প্রশংসা করছে। একজন সাংবাদিক আমাকে প্রশ্ন করেছিলেন কেন এমনটা হচ্ছে? আমি তাঁকে বলেছি, এমনটা তো হওয়ারই কথা। কারণ যখন সার্জিক্যাল হয়েছিল রাহুল বাবা প্রশ্ন তুলেছিলেন। সেনাবাহিনীকে নকশালপন্থীরা হত্যা করলে রাহুল বাবা চুপ থাকেন। কিন্তু সেনাবাহিনী যখন নকশালদের উপরে অভিযান চালায় রাহুল বাবা তার বিরোধিতা করেন। তখন রাহুল বাবার মানবাধিকারের কথা মনে পড়ে যায়। আগে যে ঘটনাগুলি বললাম সব ক্ষেত্রে পাকিস্তানও বিরোধিতা করেছিল। ফলে রাহুল বাবা এবং পাকিস্তানের অ্যাজেন্ডা মিলে যাচ্ছে। এর জন্যই পাকিস্তানের নেতাদের নয়নমনি হয়ে উঠেছেন রাহুল বাবা।”

    আরও পড়ুন: https://www.madhyom.com/india/india-russia-relation-russia-says-us-trying-to-destabilize-india-during-lok-sabha-polls-24988

    ফওয়াদ চৌধুরীর মন্তব্যের পর ঘটনার সূত্রপাত 

    প্রসঙ্গত ২ মে গুজরাটে ভোট প্রচারে গিয়ে নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) । তিনিও রাহুলের পাক সমর্থক যোগ উস্কে দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “কংগ্রেসের (Congress) শাহজাদাকে জেতাতে পাকিস্তান উতলা হয়ে পড়েছে। বিজেপি (BJP) মুখপাত্র সুধাংশু ত্রিবেদীও চলতি সপ্তাহে দাবি করেছিলেন পাকিস্তান নাকি রাহুল গান্ধীকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী দেখতে চায়। প্রসঙ্গত এই বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল ইমরান খানের (Imran Khan) ক্যাবিনেটে থাকা মন্ত্রী ফওয়াদ চৌধুরীর মন্তব্যের পর। ফওয়াদ গত মাসে বলেছিলেন রাহুল গান্ধীর তোলা ইস্যুগুলিকে তিনি সমর্থন করেন। তিনি ভারতে যে কেউই সঠিক ইস্যু (পাকিস্তানের মতে) তুলবে তাঁকে তাঁরা সমর্থন করবেন। ভারতের মসনদে তিনি রাহুল গান্ধীকে দেখতে চান। প্রসঙ্গত ফওয়াদ চৌধুরীকে এর আগেও বহুবার ভারত সরকার এবং ভারতীয় মন্ত্রীদের কটাক্ষ করতে দেখা গেছে। কিন্তু কংগ্রেস বা রাহুল গান্ধীর বিষয়ে তিনি কখনও কুমন্তব্য করেননি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “তৃণমূল অপপ্রচার করতে এই সব ফেক ভিডিও ছেড়ে দিয়েছে”, তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “তৃণমূল অপপ্রচার করতে এই সব ফেক ভিডিও ছেড়ে দিয়েছে”, তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সুরেন্দ্রজিৎ সিং আহলুওয়ালিয়া সমর্থনে হুট্ খোলা গাড়িতে বর্ণাঢ্য নির্বাচনী প্রচার করেন। এই  নির্বাচনী প্রচারটি বার্নপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে শুরু হয়ে টাউন পূজা, বন্ধু মহল মাঠ, সুভাষপল্লী স্কুল হয়ে আবার বার্নপুর বাসস্ট্যান্ডে শেষ করা হয়। সঙ্গে ছিলেন জেলা সভাপতি বাপ্পা চ্যাটার্জী, কৃষ্ণেদু মুখার্জী রাজ্য নেতা সহ বিজেপি নেত্রী এবং কর্মীসমর্থক। এই শোভাযাত্রা থেকে সুকান্ত, সন্দেশখালির ভুয়ো প্রচার নিয়ে ভিডিও প্রসঙ্গে মমতাকে তীব্র আক্রমণ করলেন তিনি।

    কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    এদিন আসানসোলে বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে তৃণমূল নেত্রী মমতাকে আক্রমণ করে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “তৃণমূল সন্দেশখালির পাপ ঢাকার জন্য অনেক কিছু করছে। নতুন কিছু না কিছু আরও ঘটবে। বীরভূমে আমরা দেখেছি বাবাকে বোমা মেরে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা খুন করেছিল। সেই ছেলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রথমে বিস্ফোরক হয়েছিল। কিন্তু পরে অনুব্রতর চাপে খুন হওয়ার পিতার ছেলে নিজের বয়ান বদলাতে বাধ্য হয়েছিল। ফলে আমরা জানি কীভাবে বক্তব্য পাল্টাতে বাধ্য করে তৃণমূল। তৃণমূল এই ভোট প্রচারের বাজারে ফেক ভিডিও প্রকাশ করা হচ্ছে।” আবার রাজভবন থেকে ভিডিও প্রকাশ সম্পর্কে সুকান্ত বলেন, “মানুষ দেখে সব কিছুর সিদ্ধান্ত নেবেন। সময় সব কিছু বলবে।”

    আরও পড়ুনঃ মোদির নির্দেশের পরই বড় সিদ্ধান্ত, যোগ্য শিক্ষকদের জন্য চালু বিশেষ পোর্টাল

    আর কী বললেন?

    সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) আরও বলেন, “তৃণমূল অপপ্রচার করতে এই সব ফেক ভিডিও ছেড়ে দিয়েছে। আমরা দেখেছি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা লাগিয়ে মোদি এবং অমিত শাহের ভিডিওতে ভয়েস দিয়ে ভুয়ো বার্তা ছড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। ভিডিওতে প্রধানমন্ত্রী থাকলেও কণ্ঠস্বর এআই দিয়ে এডিট করা হচ্ছে। আমি মানুষকে অনুরোধ করব এই সব ফেক ভিডিও থেকে যেন নিজেদের সাবধান করেন। এই চোরেদের ভালো করে চিনে রাখুন। এই চোরদের সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট নিজে মান্যতা দিয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে তৃণমূল চাকরি চুরি করেছে। এসএসসি এক কথায় চোর। রাজ্য সরকার প্রাতিষ্ঠানিক চোর, মুখ্যমন্ত্রী প্রাতিষ্ঠানিক চোর।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC: মোদির নির্দেশের পরই বড় সিদ্ধান্ত, যোগ্য শিক্ষকদের জন্য চালু বিশেষ পোর্টাল

    SSC: মোদির নির্দেশের পরই বড় সিদ্ধান্ত, যোগ্য শিক্ষকদের জন্য চালু বিশেষ পোর্টাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের ভোট প্রচারে এসে যোগ্য অথচ বাতিল হওয়া শিক্ষকদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর নির্দেশ অনুসারে এই রাজ্যে তৈরি হয়েছে বিজেপির লিগ্যাল সেল। এবার এই লিগ্যাল সেল, যোগ্য অথচ এসএসসিতে (SSC) চাকরি হারাদের অভিযোগ গ্রহণের জন্য চালু করা হল বিশেষ পোর্টাল। গতকাল বুধবার পূর্ব বর্ধমান থেকে জেলা বিজেপির কার্যালয় থেকে এই পোর্টাল উদ্বোধন করেছেন বিজেপি নেতা তথা রাজ্যসভার সাংসদ শমিক ভট্টাচার্য।

    বিজেপির বক্তব্য (SSC)

    কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশেন বেঞ্চ থেকে সুপ্রিম কোর্টে এসএসসি (SSC) মামলা গেলে ২৬ হাজার শিক্ষক বাতিলের রায়ের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেন প্রধান বিচারপতি। আদলাত জানিয়েছে, এখনই কাউকে টাকা ফেরত দিতে হবে না। তবে মুচলেকা দিতে হবে যে নিয়োগ বেআইনি প্রমাণিত হলে অযোগ্যদের টাকা ফেরত দিতে হবে। কিন্তু আগেই বিজেপির পক্ষ থেকে যোগ্যদের আইনি সাহায্যের কথা বলা হয়েছিল। এবার এই পোর্টাল চালু করা হল। এই পোর্টাল চালু করে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “যাঁরা সত্যিকারের মেধাবী আমরা তাঁদের পাশে আছি, আমরা তাঁদের সাহায্য করব। দলের তরফ থেকে আমরা সকলকে সাহায্য করব। এই নিয়ে পোর্টালের পাশাপাশি একটা হেল্পলাইনের নম্বর ঠিক করেছি আমরা। হেল্পলাইনের নম্বর হল  ৯১৫০০৫৬৬১৮। ওয়েব সাইড হল ডাব্লিউডাব্লিউডাব্লিউ ডট বিজেপি লিগাল সাপোর্ট ডট ওআরজি।”

    মোদির নির্দেশ

    রাজের নির্বাচনী প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলে ছিলেন, “এসএসসি (SSC) শিক্ষক নিয়োগে অনেক যোগ্য ব্যক্তিরা দারুণ অসুবিধায় পড়েছেন। বাংলার বিজেপির সভাপতিকে বলেছি, একটি লিগ্যাল সেল ও একটি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে। যোগ্য শিক্ষকদের জন্য সব রকম আইনি সহায়তা করবে বিজেপি। আর এটাই মোদির গ্যারান্টি।” 

    আরও পড়ুনঃদিলীপ ঘোষের পদযাত্রায় পুলিশের বাধা, বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে তুমুল বচসা, বর্ধমানে উত্তেজনা

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arjun Singh: বারাকপুরে মোদির সভার নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা অর্জুনের, যাচ্ছেন কমিশনে

    Arjun Singh: বারাকপুরে মোদির সভার নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা অর্জুনের, যাচ্ছেন কমিশনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাকপুরে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভা করতে আসার প্রসঙ্গে তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে এবার নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হওয়ার কথা জানালেন বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং (Arjun Singh)। তিনি আজ সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, “বারাকপুরেও পাঞ্জাবে খালিস্তানীদের মতো তৃণমূলের সন্ত্রাসীরা নাশকতা মূলক চক্রান্ত করছে। রাজ্য প্রশাসন সব জেনেও নির্বাক।” পুলিশের বিরুদ্ধে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন তিনি।

    কী বললেন অর্জুন সিং (Arjun Singh)?

    দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগামী ১২ মে বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং-এর (Arjun Singh) সমর্থনে ভাটপাড়ায় জনসভা করতে আসার কথা রয়েছে। তবে তার আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিরাপত্তা নিয়ে যথেষ্ট উদ্বেগ প্রকাশ করলেন বারাকপুরে বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি আজ বলেন, “প্রধানমন্ত্রী যে মাঠে সভা করতে আসবেন সেই মাঠ ভাটপাড়া পুরসভার তত্ত্বাবধানে খুঁড়ে ফেলা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর মতো হাইপ্রোফাইল ব্যক্তির আসার বিষয় জানার পরেও হেলদোল নেই পুলিশ প্রশাসনের। পাঞ্জাবে খালিস্তানী জঙ্গিদের আচরণে একটি ব্রিজের উপরে ১০ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছিল। দেশের সর্বোচ্চ পদের অধিকারী পদের নিরাপত্তা নিয়ে একই ভাবে এই রাজ্যের প্রশাসন তৎপর নয়। বারাকপুরে পুলিশ কমিশনার এই ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত। কিন্তু শাসক দলের কোন গড-ফাদার এই নির্দেশ দিয়েছেন তা অবিলম্বে তদন্ত করে বের করা হোক। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।”

    আরও পড়ুনঃএবার থেকে গরম ও পুজোর ছুটিতেও করাতে হবে অনলাইন ক্লাস! নির্দেশিকা জারি শিক্ষা সংসদের

    আর কী বললেন অর্জুন সিং?

    বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং (Arjun Singh) আরও বলেন, “রাজ্য প্রশাসনের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় থাকা আধিকারিকদের আমরা তথ্য দিয়ে অভিযোগ জানাবো। নির্বাচন কমিশনের কাছেও অভিযোগ জানাবো। আমি এটাও শুনেছি মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো এখানে একটা পথসভা করবেন তাই রাস্তার সকল লাইনের তার সরানোর জন্য পুলিশ কমিশনার নিজে রাস্তায় নেমে পড়েছেন। অথচ দেশের প্রধানমন্ত্রী সভা করতে আসবেন কিন্তু তা নিয়ে রাজ্য প্রশাসনের হেলদোল নেই।”   

       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: প্রধানমন্ত্রীর চাপেই চাকরিহারাদের পাশে এসএসসি, তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: প্রধানমন্ত্রীর চাপেই চাকরিহারাদের পাশে এসএসসি, তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার প্রধানমন্ত্রীদের চাপেই এসএসসির চাকরিহারাদের মধ্যে যোগ্য শিক্ষকদের পাশে দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছে এসএসসি কমিশন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ঠিক এই ভাবেই আক্রমণ করলেন নির্বাচনী সভা থেকে। গতকাল মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী থেকে বিজেপি প্রার্থী অসীম সরকারের সমর্থনে প্রচারেও গিয়ে রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে তোপ দাগেন রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

    আবার মঙ্গলবার দীর্ঘ শুনানির পর ২০১৬ এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিতে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। অতিরিক্ত শূন্যপদ তৈরির মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের ওপরে স্থগিতাদেশ বজায় রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট। যোগ্য-অযোগ্য মিলিয়ে মোট ২৫৭৫৩ জনের চাকরি আপাতত বাতিল হচ্ছে না। তবে কেউ অযোগ্য বলে বিবেচিত হলে ওই সময়কালে পাওয়া বেতন সুদ সমেত ফেরত দিতে হবে।

    ঠিক কি বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    পূর্ব বর্ধমানের সভা থেকে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, বিজেপি যোগ্য চাকরিহারাদের পাশে থাকবে। তাঁদের জন্য বিজেপি বিশেষ লিগাল সেল এবং পোর্টাল খুলবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এই সব কিছু করা হচ্ছে। ঠিক তারপরই এসএসসি সুপ্রিম কোর্টে যোগ্যদের সংখ্যা জানিয়েছেন। তবে আদলাতের পর্যবেক্ষণ নিয়ে কিছু বলার নেই। তবে ২ মে ২০২২ সালে যাঁরা মন্ত্রীসভার বৈঠকে অতিরিক্ত শূন্যপদ তৈরি করে ছিলেন তাঁদের সবার জেলা থাকা উচিত।”

    আরও পড়ুনঃপ্রতারণামূলক বিজ্ঞাপনে তারকারাও সমানভাবে দায়ী, জানাল দেশের শীর্ষ আদালত

    প্রধানমন্ত্রী কী বলেছিলেন?

    গত শুক্রবার, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নদিয়া, বীরভূম এবং বর্ধমানে বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে নির্বাচনী সভায় এসএসসি নিয়োগের দুর্নীতি নিয়ে সরব হয়েছিলেন। তিনি নির্বাচনী প্রচার সভায় বলেন, “শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে যাঁরা অকারণে সাজার কবলে পড়েছেন তাঁদের জীবন লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছে। আমি রাজ্য বিজেপি সভাপতিকে পরামর্শ দিতে চাই, দুর্নীতির মধ্যে অনেক যোগ্য রয়েছেন। বাকিদের পাপ এই নির্দোষরা ভোগ করছেন। সৎ এবং যোগ্যদের পাশে পার্টি দাঁড়াবে। আমি রাজ্য বিজেপিকে বলছি, রাজ্য স্তরে একটি লিগাল সেল এবং সোশ্যাল মিডিয়ার প্ল্যাটফর্ম তৈরী করতে হবে। দুর্নীতির শিকার হওয়া প্রার্থীদের পাশে থাকা দরকার।” এই প্রসঙ্গে মোদি আরও বলেন, “যাঁরা দুর্নীতিগ্রস্থ তাঁদের সাজা হোক। কিন্তু অনেক সৎ মানুষ আছেন যাঁদের কাছে আসল ডিগ্রি রয়েছে এখন তাঁরা ফেঁসে গিয়েছেন। সৎ লোকেদের জন্য পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি কাজ করবে, এটা মোদীর গ্যারান্টি”। এবার মোদির বক্তব্যকে হাতিয়ার করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) ফের রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করলেন এদিন।

       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: ভাটপাড়ায় সভা করতে আসছেন নরেন্দ্র মোদি, মাঠ খুঁড়ে দিল তৃণমূল! নালিশ অর্জুনের

    Narendra Modi: ভাটপাড়ায় সভা করতে আসছেন নরেন্দ্র মোদি, মাঠ খুঁড়ে দিল তৃণমূল! নালিশ অর্জুনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাকপুর লোকসভায় দলীয় প্রার্থী অর্জুন সিংয়ের সমর্থনে প্রচারে ঝড় তুলতে আসছেন নরেন্দ্র মোদি। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ১২ ই মে বারাকপুর লোকসভায় বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং এর সমর্থনে ভাটপাড়া পুরসভার জিলিপি মাঠে জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) আসার প্রস্তাবিত সেই মাঠ খুঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিষয়টি জানাজানি হতেই রাজনৈতিক মহলে জোর চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যেই অর্জুন সিং বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। পুলিশ কমিশনার অলোক রাজোরিয়া মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী সভা করার প্রস্তাবিত মাঠ পরিদর্শন করতে যান। তিনি বলেন, পুরসভার পক্ষ থেকে সংস্কারের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। আপাতত তাদের কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    ভাটপাড়ার মাঠ খুঁড়ে দেওয়া হয়েছে (Narendra Modi)

    ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় দলীয় প্রার্থী অর্জুন সিংয়ের সমর্থনে ভাটপাড়া জিলিপি মাঠে জনসভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। এবারও সেই মাঠকে প্রধানমন্ত্রীর জন্য বিজেপির পক্ষ থেকে বাছাই করা হয়েছে। নিয়ম মেনে দলের পক্ষ থেকে প্রশাসনের কাছে আবেদন জানানো হয়েছিল। কিন্তু, আচমকাই তৃণমূল পরিচালিত ভাটপাড়া পুরসভার পক্ষ থেকে গোটা মাঠটি খুঁড়ে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি সামনে আসতেই রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার অর্জুন সিং দলীয় কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে জিলিপি মাঠ পরিদর্শনে যান। বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং বলেন, প্রধানমন্ত্রী আসবেন সেটা জেনেই পরিকল্পিতভাবে তৃণমূল এই কাজ করেছে। আসলে বিজেপির প্রতি মানুষেরই আস্থা দেখে তৃণমূল ভয় পেয়ে গিয়েছে। কারণ, প্রতিদিনই তৃণমূল ছেড়ে দলে দলে মানুষ বিজেপিতে যোগদান করছে। আর সেই আতঙ্ক থেকেই ওরা এসব করছে। বিনয় মণ্ডল নামে দলীয় কর্মীকে তৃণমূলের লোকজন বেধড়ক মারধর করেছে। আমরা থানায় অভিযোগে জানিয়েছি। তৃণমূলের এই ধরনের নোংরামীকে সমর্থন করা যায় না।

    আরও পড়ুন: বুথে গিয়ে হতবাক! প্রিসাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ মুর্শিদাবাদের বিজেপি প্রার্থীর

    তৃণমূল বিধায়ক কী বললেন?

    জগদ্দল বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম বলেন, ভাটপাড়া জগদ্দল এলাকার হাজার হাজার ছেলেমেয়ে ওই মাঠে খেলা করে। মাঠের সংস্কার করার খুবই প্রয়োজন ছিল। তাই পুরসভার পক্ষ থেকে আমরা মাঠ সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছিলাম। এখন শুনছি ওই মাঠে প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) আসছেন। আমরা আপাতত কাজ বন্ধ রেখেছি। প্রধানমন্ত্রী আসার আগে পর্যন্ত মাঠ আমরা আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার সমস্ত রকম চেষ্টা করব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “আত্মনির্ভর হোন, সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভাবুন”, মুসলিমদের উদ্দেশে বললেন মোদি

    PM Modi: “আত্মনির্ভর হোন, সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভাবুন”, মুসলিমদের উদ্দেশে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আপনারা আত্মনির্ভর হোন। আপনাদের ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যতের কথা ভাবুন।” সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ভারতীয় মুসলমানদের উদ্দেশে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “আজ আমি এই প্রথমবারের জন্য আপনাদের বলছি, আমি ভারতীয় মুসলমানদের বলছি, দয়া করে আত্মনির্ভর হোন। এ ব্যাপারে ভাবুন। দেশ দ্রুত এগোচ্ছে। কী কারণে ভারতীয় মুসলমানরা অগ্রগতির সঙ্গে পা মেলাতে পারছেন না? কেন কংগ্রেসের শাসনকালে সরকারি নানা সুযোগ-সুবিধা আপনারা নেননি? কংগ্রেসের রাজত্বকালে আপনারা কি এর শিকার হয়েছিলেন? আত্মমন্থন করুন। এখনই সিদ্ধান্ত নিন। সবার কথা ভাবুন।”

    ভবিষ্যৎ নষ্ট করছেন! (PM Modi)

    তিনি বলেন, “আপনারা আপনাদের ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করছেন। যাঁরা ক্ষমতার অলিন্দে রয়েছেন, তাঁরা অন্যদের দমন করছেন। তামাম বিশ্বেই মুসলমান সম্প্রদায় নিজেদের বদলাচ্ছে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যখন আমি গলফ দেশগুলিতে যাই, ব্যক্তি মানুষ হিসেবে তখন তাঁরা আমায় ভীষণ শ্রদ্ধা করেন। সৌদি আরবের সিলেবাসে যোগা রয়েছে। আমি যদি ভারতে যোগা নিয়ে আলোচনা করি, তখন তাকে মুসলমান-বিরোধী বলে দেগে দেওয়া হয়।” তিনি (PM Modi) বলেন, “গলফ দেশগুলিতে আমি ধনী ব্যক্তিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। তাঁরা আমায় প্রায়ই জিজ্ঞাসা করেন লাঞ্চ না ডিনারের পর কখন তাঁরা যোগা করবেন? কখনও কখনও তাঁরা আমায় জিজ্ঞাসা করেন যোগার কোনও একটি নির্দিষ্ট ফর্ম শেখার জন্য কোনও ট্রেনিং হয় কিনা। ওঁদেরই কেউ কেউ আমায় বলেন তাঁদের স্ত্রীয়েরা যোগা শিখতে ভারতে যেতে চান। যোগা শেখার জন্য তাঁরা ভারতে এক মাস থাকতে চান। আমি বলছি, আরব আমিরশাহির আমিরদের (শাসক) স্ত্রী ও তাঁদের পরিবারের কথা।”

    আরও পড়ুুন: সমাজ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড়! মুখ্যমন্ত্রীর মিম-বিতর্কে পিছু হটল কলকাতা পুলিশ

    হিন্দু-মুসলিম বিতর্কের জন্ম

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আর এখানে, ভারতে যোগার ধারণা হিন্দু-মুসলিম বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। যাঁরা এটা করছেন, আমি সেই সব মুসলমানদের বলছি, আপনারা আপনাদের এবং আপনাদের শিশুদের ভবিষ্যতের কথা ভাবুন।” তিনি বলেন, “আমি চাই না কোনও সম্প্রদায় এভাবে ক্রীতদাসের মতো বাঁচুক। এর একমাত্র কারণ কেউ একজন তাদের ভয় দেখাতে চাইছে। দ্বিতীয়ত, অনেক মুসলমান রয়েছেন যাঁরা বিজেপিকে ভয় করেন। আমি তাঁদের বলছি, যান বিজেপির ৫০জন কর্মীর সঙ্গে বসুন। তাঁরা কী আপনাদের সেখান থেকে ছুড়ে ফেলে দেবে? আমি বলছি, আপনারা বিজেপির হেড কোয়ার্টারে যান, কেউ আপনাদের আটকাবে না (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024 Phase 3: গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল প্রধানমন্ত্রী মোদি, ভোট দিলেন, সঙ্গে বার্তাও

    Lok Sabha Election 2024 Phase 3: গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল প্রধানমন্ত্রী মোদি, ভোট দিলেন, সঙ্গে বার্তাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ জুড়ে চলছে তৃতীয় দফার ভোটগ্রহণ (Lok Sabha Election 2024 Phase 3)। আজ, মঙ্গলবার চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে ১০ রাজ্য এবং ১ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মোট ৯৪টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। এদিন সকালেই গুজরাটের গান্ধিনগরের নিশান হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi Casts Vote)। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ৷

    মোদির বার্তা

    এদিন সকালে তৃতীয় দফার ভোটগ্রহণ (Lok Sabha Election 2024 Phase 3) পর্বে দেশবাসীক রেকর্ড সংখ্যক ভোটদানের আহ্বান জানান মোদি৷ লেখেন, ‘আজ যাঁরা ভোট দেবেন, তাঁদের সবাইকে রেকর্ড সংখ্যক ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি৷ তাঁদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অবশ্যই নির্বাচনকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে৷’

    এদিন সকাল ৭টা নাগাদ ভোট দেওয়ার জন্য গুজরাটের রাজভবন থেকে বের হন প্রধানমন্ত্রী৷ গান্ধিনগরের বুথের বেশ কিছুটা দূরেই থেমে যায় তাঁর কনভয়৷ সেখান থেকে খালি পায়ে হেঁটেই বুথের ভিতরে প্রবেশ করেন মোদি৷ সেখানে আগে থেকেই পৌঁছে গিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ৷  প্রধানমন্ত্রী পৌঁছনোর পরে তাঁকে সঙ্গে নিয়েই দু’জনে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের ভিতরে যান। সকাল  ৭টা বেজে ৪৩ মিনিটে ভোট দান (Narendra Modi Casts Vote) করেন প্রধানমন্ত্রী৷ 

    বিলোলেন অটোগ্রাফ

    প্রধানমন্ত্রী ভোট (Lok Sabha Election 2024 Phase 3) দিতে যাওয়ার পথে নিশান হাইস্কুলের বাইরে থাকা আমজনতার ভিড় থেকে বারবার আওয়াজ উঠছিল ‘ওয়ান অটোগ্রাফ প্লিজ’৷ প্রধানমন্ত্রী তাতে সাড়া দিয়ে আমজনতার থেকে দেওয়া এক সাদা পেপারে নাম লিখলেন, ‘নরেন্দ্র মোদি’৷ পাশে ছিলেন অমিত শাহ ৷

    ভোট দেওয়ার পর মোদি বুথ কেন্দ্রের বাইরে বেরিয়ে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের প্রমাণও দেখান৷ ভোট দেওয়ার পরে সংবাদমাধ্যমের উদ্দেশে কথা বলার সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন,“আজ লোকসভা নির্বাচনের তৃতীয় দফার ভোট। আমি দেশবাসীর কাছে আবেদন জানাচ্ছি, তাঁরা যেন বেশি সংখ্যায় ভোট দেন। সকলে মিলে গণতন্ত্রকে উৎসবের ন্যায় পালন করুন৷ আমাদের দেশে ‘দান’-এর গুরুত্ব অপরিসীম এবং সেই চেতনাকে সঙ্গী করেই যথাসম্ভব বেশি ভোটদানের আহ্বান রাখছি দেশবাসীর কাছে। ৪ দফা ভোট এখনও বাকি। গুজরাটের একজন ভোটার হিসেবে, এটাই একমাত্র জায়গা যেখানে আমি নিয়মিত ভোট দিযে আসছি এবং অমিত ভাই এখান থেকে ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন… ’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “মানুষের চুরি যাওয়া টাকা উদ্ধার করছি”, ঝাড়খণ্ডে বললেন মোদি

    PM Modi: “মানুষের চুরি যাওয়া টাকা উদ্ধার করছি”, ঝাড়খণ্ডে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মানুষের কাছ থেকে চুরি করা টাকা উদ্ধার করছি আমি ও আমার সরকার।” সোমবার ঝাড়খণ্ডে ইডি বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা বাজেয়াপ্ত করার পর এমনই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন ওড়িশার নবরঙ্গপুরে বিজেপি আয়োজিত এক জনসভায় ভাষণ দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে অবধারিতভাবেই উঠে আসে ঝাড়খণ্ডে নগদ টাকা উদ্ধারের প্রসঙ্গ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ (সোমবার) ঝাড়খণ্ডে টাকার পাহাড়ের খোঁজ মিলেছে। মোদি জনগণের চুরি যাওয়া এই টাকা উদ্ধার করছে। যখনই আমি এই লুট বন্ধের চেষ্টা করি, কিছু লোক আমায় গালাগালি দেয়। কিন্তু আপনারা আমায় বলুন, মোদির কি এভাবে আপনাদের টাকা উদ্ধার করা উচিত নয়?”

    রাঁচিতে হানা ইডির (PM Modi)

    এদিনই রাঁচির একাধিক জায়গায় হানা দেয় ইডি। বাজেয়াপ্ত করে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা। সব (PM Modi) মিলিয়ে টাকার পরিমাণ প্রায় ২০ কোটি টাকা। ঝাড়খণ্ডের মন্ত্রী আলমগির আলমের পিএ সঞ্জীব লালের সহায়তায় ওই টাকা উদ্ধার করে ইডি। বছর সত্তরের আলমগির কংগ্রেস নেতা। তিনি ঝাড়খণ্ডের রুরাল ডেভেলপমেন্ট মন্ত্রী। পাকুড় কেন্দ্রের বিধায়ক।

    আরও পড়ুুন: ভারত জেনোফোবিক! মার্কিন প্রেসিডেন্টকে মুখের মতো জবাব দিলেন জয়শঙ্কর

    কংগ্রেসকে নিশানা

    তাঁর সরকার যে দুর্নীতির সঙ্গে আপোস করবে না, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “এই সরকার (মোদি সরকার) দুর্নীতিগ্রস্তদের গারদে পুরবে।” প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর প্রসঙ্গ টেনে মোদি বলেন, “কংগ্রেস দুর্নীতিকে জলভাত করে ফেলেছে। চল্লিশ বছর আগে একজন প্রধানমন্ত্রী ওড়িশায় এসেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, তিনি যদি দিল্লি থেকে এক টাকা পাঠান, গরিবদের কাছে পৌঁছায় তার মাত্র ১৫ পয়সা। এর অর্থ হল, একশো পয়সার মধ্যে ৮৫ পয়সা লুট হয়েছিল কংগ্রেসের হাতে।” খানিক আবেগ-তাড়িত হয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনারা এই দরিদ্র মায়ের সন্তানকে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ দিয়েছিলেন। আমি বলেছিলাম, আমি যদি একটা টাকাও পাঠাই (কেন্দ্র থেকে), আমি কাউকে সেই টাকার এক কানাকড়িও খেতে দেব না। আর যে খাবে, তাকে জেলের ভিতরে গিয়ে রুটিও চিবোতে হবে (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share