Tag: Narendra Modi

Narendra Modi

  • BJP West Bengal: এবার যোগ্য শিক্ষকদের পাশে বিজেপি, আইনি সহায়তা দিতে গঠন করা হল লিগ্যাল সেল

    BJP West Bengal: এবার যোগ্য শিক্ষকদের পাশে বিজেপি, আইনি সহায়তা দিতে গঠন করা হল লিগ্যাল সেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার যোগ্য অথচ চাকরি হারাদের পাশে বিজেপি (BJP West Bengal)। যোগ্য শিক্ষক কিন্তু নিজের চাকরি খুইয়েছেন, এমন শিক্ষকদের আইনি সহায়তা দেবে রাজ্য বিজেপি। আদালতে আইনি লড়াই করার জন্য বিজেপির তরফে তৈরি করা হল লিগ্যাল সেল। পাঁচ সদস্যকে নিয়ে এই সেল গঠন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আগামী বুধবার থেকে চালু করা হবে একটি বিশেষ পোর্টাল।

    করা কারা রয়েছেন এই সেলে (BJP West Bengal)?

    বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, এসএসসিতে চাকরি হারা শিক্ষকদের মধ্যে যোগ্য শিক্ষকদের আইনি সাহায্য দিতে বিজেপি (BJP West Bengal) রাজ্য স্তরে পাঁচ সদস্যের লিগ্যাল সেল গঠন করেছে। এই সেলের মধ্যে রয়েছেন আইনজীবী তীলক মিত্র, রাহুল সরকার, কৌস্তভ চট্টোপাধ্যায়, সহশ্রাংশু ভট্টাচার্য এবং সুকান্ত চট্টোপাধ্যায়। আগামী বুধবার থেকে যোগ্য শিক্ষকদের জন্য একটি পোর্টাল খোলা হচ্ছে। নিজের নিজের অভিযোগের কথা জানিয়ে আইনি সহায়তা পেতে পারেন ভুক্তভুগীরা। প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয় বিজেপির পক্ষ থেকে।

    বিজেপির বক্তব্য

    রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “বিজেপির (BJP West Bengal) যে লিগাল সেল রয়েছে, তার পক্ষ থেকে আমরা আজ পাঁচ সদস্যের একটি টিম গঠন করেছি। একটি পোর্টাল আগামী বুধবার থেকে খোলা হবে। যাঁদের চাকরি চলে গিয়েছে এবং যাঁরা নিজেদের যোগ্য মনে করছেন তাঁরা সকলে এই পোর্টালে আবেদন করতে পারবেন। নিজের নিজের নাম নথিভুক্ত করে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। দরকার হলে আমরা হাইকোর্টে এবং সুপ্রিম কোর্টে সকলকে সহযোগিতা করব। তবে আইনি খরচ বিজেপির পক্ষ থেকে বহন করা হবে।”

    আরও পড়ুনঃ উত্তরবঙ্গে এবার ইলিশ মিলবে কম দামে, হিলিতে চালু হবে ‘ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট’

    মোদি সহায়তা কেন্দ্রের কথা বলে ছিলেন

    রাজ্যে প্রায় ২৬ হাজার চাকরি বাতিল হওয়ায় সরব হয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি রাজ্যের নির্বাচন প্রচারে এসে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতিতে অনেক যোগ্য প্রার্থী মুশকিলে পড়েছেন। বাংলার বিজেপি (BJP West Bengal) সভাপতিকে বলেছি যোগ্যদের সহযোগিতা করতে জেলা স্তরে লিগাল সেল এবং একটি সোশ্যাল মিডিয়ার টিম এবং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে।” এবার প্রধানমন্ত্রীর কথায় এই পরিষেবা চালু করল বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Narendra Modi: ফের রাজ্যে মোদি! সভা করবেন হাওড়া ও সিঙ্গুরে

    PM Narendra Modi: ফের রাজ্যে মোদি! সভা করবেন হাওড়া ও সিঙ্গুরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রাজ্যে ভোটপ্রচারে (Lok Sabha Election 2024) আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। সঙ্গে আসছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। সবে লোকসভা ভোটের দুদফা মিটেছে। বাংলার ৪২ টি আসনের মধ্যে উত্তরবঙ্গের ৬ কেন্দ্রে নির্বাচন হয়ে গিয়েছে। আগামী ৭ মে উত্তরে দুই আসনের সঙ্গে ভোটগ্রহণ শুরু দক্ষিণবঙ্গেও। আর তার আগে ফের বঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে আসছেন প্রধানমন্ত্রী। 

    হাওড়ায় জনসভা মোদির (PM Narendra Modi)

    রাজ্য বিজেপি সূত্রে খবর, আগামী শনিবার হাওড়ায় জনসভা করবেন মোদি। ওই দিন মোদির সভামঞ্চে উপস্থিত থাকবেন হাওড়া লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রথীন চক্রবর্তী এবং উলুবেড়িয়ার বিজেপি প্রার্থী অরুণ উদয় চৌধুরী। 

    সিঙ্গুরে সভা মোদির  

    বিজেপি সূত্রের খবর, আগামী শনিবার কলকাতাতেই রাত্রিবাস করবেন মোদি। তার পরের দিনই হুগলি জেলার সিঙ্গুরে সভা করার কথা রয়েছে তাঁর। আগামী ২০ মে হুগলির তিন লোকসভা কেন্দ্রেই ভোট। ওই দিনই নির্বাচন হবে হাওড়া এবং উলুবেড়িয়া কেন্দ্রেও। তার আগে জমি আন্দোলনের জন্য সংবাদ শিরোনামে থাকা সদা আলোচ্য এলাকা সিঙ্গুরে সভা করতে চলেছেন মোদি (PM Narendra Modi)। ওই সভায় উপস্থিত থাকবেন আরামবাগ লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অরূপকান্তি দিগর, হুগলির প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং শ্রীরামপুরের প্রার্থী কবীরশঙ্কর বসু। 
    প্রসঙ্গত, গত ১ মার্চ আরামবাগে সভা করেছিলেন মোদি। এরপর গত বৃহস্পতিবার কলকাতায় এসেছিলেন তিনি। রাজভবনে রাত্রিবাস করে শুক্রবার তিনি (PM Narendra Modi) বর্ধমান, কৃষ্ণনগর এবং বোলপুরে সভা করেন। আর এর এক সপ্তাহ কাটতে না কাটতেই ফের হাওড়ায় জনসভা করবেন মোদি।   
    উল্লেখ্য, ২০১৯ লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) তুলনায় চব্বিশের নির্বাচনে বেশি আসন পেতে জোরকদমে চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি। চলতি লোকসভা নির্বাচনে রাজ্য বিজেপির হয়ে প্রচারে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi), কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং সহ একাধিক শীর্ষ নেতারা। ভোট প্রচারে এসে একাধিক প্রচার সভা থেকে সন্দেশখালি কাণ্ড সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করেছেন মোদি। এবার উত্তরের পর দক্ষিণবঙ্গের প্রচারে আসছেন মোদি। এবারে যে পাঁচটি কেন্দ্রের প্রার্থীদের জন্য মোদি সভা করবেন, সেগুলির মধ্যে এক মাত্র হুগলি বাদে বাকি কেন্দ্রগুলিতে গত বার জয়ী হয়েছিল তৃণমূল। এ বার এই পাঁচটি আসনের মধ্যে বেশ কয়েকটিতে জয়ের সম্ভাবনা দেখছে বিজেপি। মোদির প্রচার ওই কেন্দ্রগুলির কর্মীদের উজ্জীবিত করবে বলেই মনে করছে বিজেপি।  

    আরও পড়ুন: ৫০-৬০ কিমি বেগে আসছে কালবৈশাখী ঝড়, উত্তাল হতে পারে সমুদ্র, সতর্কতা জারি দক্ষিণবঙ্গে 

    দিলীপ ঘোষের সমর্থনে জনসভা শাহর 

    মোদির (PM Narendra Modi) পাশাপাশি রাজ্যে একের পর এক নির্বাচনী জনসভা করছেন শাহও। বিজেপি সূত্রে খবর আগামী সোমবার তিনি (Amit Shah) বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্রের প্রার্থী দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) সমর্থনে সভা করবেন। ওই সভায় দিলীপের পাশাপাশি উপস্থিত থাকতে পারেন আসানসোলের বিজেপি প্রার্থী আলুয়ালিয়াও। উল্লেখ্য এর আগে গত মঙ্গলবার বর্ধমান পূর্ব কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অসীম সরকারের সমর্থনে সভা করেন শাহ। আর এবার দিলীপ ঘোষের সমর্থনে সভা করতে রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: রাজ্যে তৃতীয় দফা নির্বাচনে ফের প্রচারে ঝড় তুলতে আসছেন অমিত শাহ

    Lok Sabha Election 2024: রাজ্যে তৃতীয় দফা নির্বাচনে ফের প্রচারে ঝড় তুলতে আসছেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ফের লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) প্রচারে আসছেন কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতা অমিত শাহ। এবার বর্ধমান-দুর্গাপুরের আসনে আগামী ৫ মে রাজ্যে এসে প্রথমে সাংগঠনিক বৈঠক করবেন। এরপরের দিন ৬ তারিখ সোমবার এই কেন্দ্রে সভা করবেন। তবে ওই দিন কৃষ্ণনগরে রানিমা অমৃতা রায়ের সমর্থনে রোড শো করবেন বলে জানা গিয়েছে। ভোট প্রচারে বিজেপি ব্যাপক তৎপর। রাজ্যে নির্বাচনী প্রচারে এসে একাধিকবার তৃণমূল শাসনের দুর্নীতি এবং সন্দেশখালি ইস্যুতে তোপ দেগেছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা। 

    বর্ধমানে সভা করবেন অমিত শাহ (Lok Sabha Election 2024)

    গতকাল শুক্রবার বর্ধমানে রাজ্যের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সমর্থনে নির্বাচনী (Lok Sabha Election 2024) প্রচার করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, “বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষকে জয়ী করুন। তাঁকে একটা ভোট মানে হল মোদিকে ভোট দেওয়া।” এবার মোদির সভার পরেই আবার অমিত শাহের সভা। ফলে এই কেন্দ্রকে হাত ছাড়া করতে নারাজ বিজেপি। রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সভাকে ঘিরে যে সাধারণ মানুষের মনে প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে সেই বিষয়ে বিজেপি জয় নিশ্চিত মনে করছে।

    আরও পড়ুনঃ শুভেন্দুকে সঙ্গে নিয়ে তমলুকে মনোনয়ন জমা করলেন অভিজিৎ, জনজোয়ারে ভাসল গোটা শহর

    কৃষ্ণনগরে রোড শো করবেন অমিত শাহ

    একই ভাবে গতকাল নদিয়ায় (Lok Sabha Election 2024) সভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। বিজেপি প্রার্থী অমৃতা রায়ের জন্য মানুষের কাছে ভোট চান। কিন্তু মাত্র তিন দিন পরেই আবার কৃষ্ণনগরে যাচ্ছেন অমিত শাহ। বাংলার কোনও আসন যে অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ নয়, এমনটা কেন্দ্রীয় নেতার মনে করেন না। তাই প্রত্যকে দফা নির্বাচনের আগে প্রচারে নেমে পড়েছেন মোদি, অমিত শাহ। আগামী ১০ মে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফের রাজ্যে আসবেন। তিনি রানাঘাট, বীরভূম, এবং হাওড়ায় সভা-রোড শো করবেন বলে জানা গিয়েছে। বাংলা থেকে বেশি সংখ্যায় আসনে যাতে বিজেপি জয়ী হয় সেই বিষয়কে মাথায় রেখে নির্বাচনী প্রচারে ভোটারদের মন জয় করতে ব্যাপক প্রস্তুতি লক্ষ্য করা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “পাকিস্তান চায় রাহুল প্রধানমন্ত্রী হোন”, তোপ মোদির

    PM Modi: “পাকিস্তান চায় রাহুল প্রধানমন্ত্রী হোন”, তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “শান্তির আশায় পাকিস্তানকে প্রেমপত্র পাঠাত কংগ্রেস। কিন্তু সেই সব চিঠির প্রেক্ষিতে আরও বেশি করে জঙ্গি পাঠাত ভারতের প্রতিবেশী দেশটি।” শনিবার ঝাড়খণ্ডের পালামৌয়ের নির্বাচনী জনসভায় এই ভাষায়ই কংগ্রেসকে নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ২০১৪ সালে কেন্দ্রে বিজেপি সরকার গঠিত হওয়ার পর সন্ত্রাসবাদ প্রশ্নে পাকিস্তানের প্রতি যে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গী বদলেছে, তাও মনে করিয়ে দেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রীর মোক্ষম বাণ (PM Modi)

    এর পরেই মোক্ষম বাণটি নিক্ষেপ করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “এই লোকসভা নির্বাচনে জিতে রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী হবেন বলে আশা করছেন পাকিস্তানি নেতারা। এক সময় নিরীহ পর্যটককে খুন করত সন্ত্রাসবাদীরা। তার পরেও সরকার পাকিস্তানকে প্রায়ই প্রেমপত্র পাঠাত। তার প্রেক্ষিতে পাকিস্তান আরও বেশি করে জঙ্গি পাঠাত। কিন্তু আপনাদের মূল্যবান একটি ভোটের শক্তিতে আমি বললাম, ঢের হয়েছে। আজকের নয়া ভারত আর কোনও দলিল পাঠাবে না পাকিস্তানকে। এই হল নয়া ভারত – ‘ঘর মে ঘুষ কে মারতা হ্যায়’ (ঘরে ঢুকে গিয়ে মারছে)।” তিনি (PM Modi) বলেন, “একটা সময় ছিল যখন বিহার ও ঝাড়খণ্ডের লোকজন আমাদের দেশকে রক্ষা করতে যেতেন। সীমান্তে তাঁরা দেশের জন্য প্রাণ দিতেন। এ ছবি প্রায় প্রতি মাসেরই ছিল। কংগ্রেসের ভীরু সরকার গোটা বিশ্বে এনিয়ে কান্নাকাটি করত।”

    আরও পড়ুুন: নিজ্জর খুনে কানাডায় ধৃত ৩ শিখ, নেপথ্যে বিষ্ণোই গ্যাং?

    দুই স্ট্রাইকের ‘গল্প’

    প্রধানমন্ত্রীর এদিনের বক্তৃতায় অনিবার্যভাবে উঠে আসে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ও বালাকোট স্ট্রাইকের প্রসঙ্গও। তিনি বলেন, “সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ও বালাকোট স্ট্রাইক পাকিস্তানকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। এখন পাকিস্তান বিশ্বের দরবারে গিয়ে কাঁদছে আর বলছে, বাঁচাও, বাঁচাও। তাই পাকিস্তানের নেতারা প্রার্থনা করছেন যাতে কংগ্রেসের শাহাজাদা প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। কিন্তু শক্তিশালী ভারত এখন একটা শক্তিশালী সরকার চায়।” তিনি বলেন, “পাকিস্তানের মন্ত্রী ফুয়াদ চৌধুরী রাহুল গান্ধীর প্রশংসা করছেন এই বলে যে তাঁর মধ্যে সোশ্যালিস্টিক ইডিওলজি রয়েছে।” এদিনের জনসভায় ফুয়াদের এই মন্তব্যকেই হাতিয়ার করেন প্রধানমন্ত্রী। দেশে যে নকশালবাদ, সন্ত্রাসবাদের অবসান হয়েছে, জম্মু-কাশ্মীরে রদ হয়েছে ৩৭০ ধারা, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP Candidate: তৃতীয় দফা ভোটের আগে সাত বিজেপি প্রার্থী পাচ্ছেন এক্স ক্যাটাগরি নিরাপত্তা

    BJP Candidate: তৃতীয় দফা ভোটের আগে সাত বিজেপি প্রার্থী পাচ্ছেন এক্স ক্যাটাগরি নিরাপত্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম, দ্বিতীয় দফার পর এবার তৃতীয় দফার ভোটের জন্য সেজে উঠছে গোটা দেশ। ভোটের তাপে ফুটছে বাংলাও। ৭ মে ভোট রয়েছে জঙ্গিপুর, মুর্শিদাবাদ, মালদা উত্তর, মালদা দক্ষিণে। তৃতীয় দফা ভোটের আগে দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাজ্য সফর করে গিয়েছেন। তবে, তৃতীয় দফায় যে সব এলাকায় ভোট রয়েছে, আগেই প্রধানমন্ত্রী সভা করে গিয়েছেন। ভোটের এই আবহের মধ্যে এবার আরও সাতজন বিজেপি প্রার্থীর (BJP Candidate) নিরাপত্তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

    তালিকায় বিজেপির কোন কোন প্রার্থী রয়েছেন? (BJP Candidate)

    রাজ্যে বিজেপির প্রার্থী (BJP Candidate) পদ ঘোষণা হওয়ার পর পরই সন্দেশখালির রেখা পাত্রের পাশাপাশি বহরমপুরের নির্মল সাহা, মথুরাপুরের অশোক পুরকাইত, জয়নগরের অশোক কান্ডারী, রায়গঞ্জের কার্তিক পাল, ঝাড়গ্রামের প্রনথ টুডু-র কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছিল। সন্দেশখালির রেখা পাত্র প্রচারে গিয়ে তৃণমূলের হামলার মুখে পড়েছিলেন। তাঁর গাড়িতেও হামলা হয়েছিল। ঘটনাচক্রে রেখা পাত্র আক্রান্ত হওয়ার পর পরই তাঁর নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়েছিল। ফলে, ভোট যত এগিয়ে আসছে তৃণমূলের সন্ত্রাসও চারিদিকে বাড়ছে। ফলে, প্রার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই আরও সাতজন প্রার্থীর নিরাপত্তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই ভোটের সুরক্ষায় মাঠে নেমে পড়েছে আধা সেনা। দিকে দিকে চলছে টহল। এদিকে শেষবেলার প্রচারে ঝাঁপিয়েছে শাসক বিরোধী সব রাজনৈতিক দলই। এবার আরও সাতজন প্রার্থীর নিরাপত্তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, তালিকায় নাম রয়েছে, বোলপুরের পিয়া সাহা, আরামবাগের অরূপ দিগার, উলুবেড়িয়ার অরুণ উদয় পাল চৌধুরী, দমদমের শীলভদ্র দত্ত, কৃষ্ণনগরের অমৃতা রায়, দক্ষিণ কলকাতার দেবশ্রী চৌধুরী এবং উত্তর কলকাতার বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়। এক্স ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়া হবে এই প্রার্থীদের। জানা যাচ্ছে, পাঁচ জন করে সিআইএসএফ জওয়ানরা ঘিরে থাকবেন বিজেপি প্রার্থীদের। শনিবার থেকেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পাওয়ার কথা রয়েছে বিজেপির সাত প্রার্থীর।  

    আরও পড়ুন: অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি, বীরভূমে যমজ ভাইয়ের মাধ্যমিকে নম্বরও সমান

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: প্রকাশ্যে “হিন্দু বিরোধী” মন্তব্য হুমায়ুনের, শক্তিপুর থানায় এফআইআর বিজেপির

    Murshidabad: প্রকাশ্যে “হিন্দু বিরোধী” মন্তব্য হুমায়ুনের, শক্তিপুর থানায় এফআইআর বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী জনসভায় প্রকাশ্যে “হিন্দু বিরোধী” বক্তব্য রেখেছিলেন মুর্শিদাবাদের ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। সেই ভিডিও রাজ্যজুড়ে ভাইরাল হয়ে যায়। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায়। খোদ প্রধানমন্ত্রী বঙ্গ সফরে এসে তৃণমূল বিধায়কের ওই বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন। এবার “হিন্দু বিদ্বেষমূলক” মন্তব্য করার অভিযোগে হুমায়ুনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করল বিজেপি।

    ঠিক কী বলেছিলেন হুমায়ুন?

    পয়লা মে সন্ধ্যায় শক্তিপুরের তৃণমূলের নির্বাচী সভায় হুমায়ুন কবীরকে বলতে শোনা যায়, ‘২ ঘণ্টার মধ্যে যদি তোমাদের ভাগীরথীতে না ফেলতে পারি রাজনীতি থেকে সরে যাব। শক্তিপুর এলাকায় বসবাস করা বন্ধ করে দেব। তোমরা হাতির পাঁচ পা দেখেছো? কিন্তু যদি ভেবে থাকো, ৩০ শতাংশ লোক মুর্শিদাবাদ জেলায় আমরা ৭০ শতাংশ। এখানে কামনগরে তোমরা বেশি আছো বলে কাজিপাড়ার মসজিদ ভাঙবে? আর বাকি এলাকায় মুসলিম ভাইয়েরা হাত গুটিয়ে বসে থাকবে এটা কোনও দিন হবে না, বিজেপিকে আমি বলছি’।

    বাংলায় হিন্দুদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক করে রেখেছে তৃণমূল

    গত ১ মে সন্ধ্যার ওই বক্তব্যকে হাতিয়ার করে শুক্রবার ভোটপ্রচারে রাজ্যে এসে তৃণমূলকে আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, ‘আমি কাল টিভিতে দেখলাম, এখানে বাংলায় তৃণমূলের এক বিধায়ক প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছে। তিনি বলছিলেন, হিন্দুদের ২ ঘণ্টায় ভাগীরথিতে ভাসিয়ে দেব। এটা কী ধরণের ভাষা? কী ধরণের রাজনৈতিক সংস্কৃতি? হিন্দুদের ভাসিয়ে দেবে? সত্যিই, কী হাল হয়েছে! বাংলায় হিন্দুদের সঙ্গে কী হচ্ছে? মনে হচ্ছে বাংলায় হিন্দুদের তৃণমূলের সরকার দ্বিতীয় স্তরের নাগরিক করে রেখেছে’।

    হুমায়ুনের ভিডিও শেয়ার করে ট্যুইট করেছেন অমিত মালব্য

    হুমায়ুন কবীরের ভিডিও শেয়ার করে বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য লেখেন, “শক্তিপুরে বুথ ওয়ার্কার সম্মেলনে ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘দু’ঘণ্টার মধ্যে আমি যদি বিজেপিকে ভাগীরথী নদীতে না ফেলতে পারি, তাহলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেব। আমি তোমাদের শক্তিপুর এলাকায় থাকতে দেব না (এই এলাকার বেশিরভাগ হিন্দুরাই উদ্বাস্তু। ধর্মীয় উৎপীড়ন থেকে বাঁচতে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে এসেছিলেন। মুর্শিদাবাদে হিন্দুরা হলেন সংখ্যালঘিষ্ঠ। মাত্র ২৮%। আর তাঁদের এসব কথা বলা হচ্ছে। তাহলে ভাবুন যদি গোটা বাংলায় তাঁরা সংখ্যালঘিষ্ঠ হয়ে যান, তাহলে তাঁদের সঙ্গে কী হবে। পশ্চিমবঙ্গে তোষণের রাজনীতি এখন আরও নীচে নেমে গিয়েছে। সৌজন্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিকদের থেকেও খারাপ দশা বাংলার হিন্দুদের। এই বিধায়ককে দল থেকে বের করে দেওয়ার সাহস কি উনি দেখাবেন? যে সকল বুদ্ধিজীবীরা নিয়মিত হিন্দুদের বিরুদ্ধে বিষ ওগড়ান, তাঁরা কি এবার একটাও শব্দ বলবেন?”

    </


    >

    হুমায়ুনের নামে শক্তিপুর থানায় অভিযোগ বিজেপির

    বিজেপির তরফে অভিযোগ দায়ের করেছেন শক্তিপুরে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি গোকুল বিহারী ঘোষ। অভিযোগপত্রে তিনি জানিয়েছেন, “গত ১ মে সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা নাগাদ শক্তিপুর সবজি মার্কেটে এক সভায় ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর যে বক্তব্য রেখেছেন, তাতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিঘ্ন ঘটতে পারে। তিনি ২ ঘণ্টার মধ্যে হিন্দুদের ভাগীরথীতে ফেলে দেবেন বলে হুমকি দিয়েছেন। তাই অবিলম্বে তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হোক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: “রাজ্যে দুর্নীতির দোকান খুলে বসেছে তৃণমূল,” বীরভূমে ভোট প্রচারে বিস্ফোরক মোদি

    Narendra Modi: “রাজ্যে দুর্নীতির দোকান খুলে বসেছে তৃণমূল,” বীরভূমে ভোট প্রচারে বিস্ফোরক মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই রাজ্যে দুর্নীতির দোকান খুলে বসেছে তৃণমূল। তৃণমূল নেতারা দুর্নীতিতে রেকর্ড করেছে। শুক্রবার বোলপুরে বিজেপি প্রার্থী প্রিয়া সাহা ও বীরভূমের বিজেপি প্রার্থী দেবতনু ভট্টাচার্যের সমর্থনে বক্তব্য রাখতে এসে রাজ্যের শাসক দলকে এভাবেই তীব্র আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। সন্দেশখালির ঘটনা নিয়েও তৃণমূলকে কড়া আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সন্দেশখালি যে ঘটনা ঘটেছে তা তৃণমূলের প্রথম সারির নেতারা সবকিছু জানত।

    ছোটদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দিয়েছে তৃণমূল (Narendra Modi)

    মোদি (Narendra Modi) বলেন, তৃণমূলের তোলাবাজি চলতে দেব না। এটা মোদীর গ্যারান্টি। সমস্ত লুঠ, সমস্ত দুর্নীতির তদন্ত হবেই। বাংলার বিকাশের জন্য সব বুথে বিজেপিকে জেতাতে হবে। প্রিয়া সাহা, দেবতনু ভট্টাচার্যকে জেতাতে হবে। তাঁরা যে ভোট পাবেন তাতে মোদির শক্তি বাড়বে। প্রতিটা ভোট মোদির খাতায় যাবে। তিনি বলেন, শিক্ষকরা ছেলেমেয়ের ভবিষ্যৎ তৈরি করে। তৃণমূল তাতেও দুর্নীতি করেছে। শিক্ষকদের চাকরি তো গিয়েছে, সঙ্গে সঙ্গে ছোটদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দিয়েছে তৃণমূল সরকার।

    আরও পড়ুন: “নামটা শাহজাহান বলেই কি বাঁচানোর চেষ্টা!,” সংখ্যালঘু ইস্যুতে তৃণমূলকে তোপ মোদির

    দেশে তৃণমূল ১৫টি আসন, কংগ্রেস ৫০টি আসন পাবে!

    এদিন নদিয়ার তেহট্টের শ্যামনগরে কৃষ্ণনগরের বিজেপি প্রার্থী রানিমা অমৃতা রায় ও রানাঘাটের দলীয় প্রার্থী জগন্নাথ সরকারের সমর্থনে জনসভা করেন প্রধানমন্ত্রী। মঞ্চে উঠে প্রায় ২৫ মিনিট বক্তব্য রাখেন মোদি। বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি (Narendra Modi) বলেন, গোটা দেশজুড়ে তৃণমূল ১৫টির বেশি আসন পাবে না। আর কংগ্রেসকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, কংগ্রেসের যা অবস্থা তাতে হাফ সেঞ্চুরি পার করতে পারবে না কংগ্রেস। সেই কারণে এ বছর একমাত্র সরকার গড়তে পারে বিজেপির এনডিএ সরকার। পাশাপাশি বাম মোর্চার লাল ঝান্ডা বিলীন হয়ে গিয়েছে বলে কটাক্ষ করেন তিনি। তিনি বলেন, এবারের লোকসভা নির্বাচনে এনডিএ সরকার এলে দেশে আরও উন্নয়ন হবে। তৃণমূল যেভাবে তোলাবাজি করেছে আর মহিলাদের ওপর অত্যাচার করেছে, তাতে এবার সাধারণ মানুষ তৃণমূলকে সাজা দিতে চায়। গ্রাম কিংবা শহর সবাই একই কথা বলছে, এইবার মোদি সরকার। তিনি বলেন, কৃষ্ণনগর এবং রানাঘাটের সাধারণ মানুষকে গ্যারান্টি দিচ্ছি, যেখানে যেখানে তৃণমূল তোলাবাজি করেছে সেই টাকার হিসাব নেওয়া হবে। সেই টাকা সাধারণ মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হবে। সিএএ নিয়েও তৃণমূলকে আক্রমণ করেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, তৃণমূল যতই চেষ্টা করুক সিএএ লাগু হওয়া থেকে আটকাতে পারবে না। সাধারণ মানুষ তাদের প্রাপ্য অধিকার পাবে। তিনি বলেন, তৃণমূল কখনও সাংবিধান মেনে কাজ করে না।

    হুমায়ুন কবীরের সমালোচনা করলেন মোদি

    দুদিন আগে মুর্শিদাবাদের শক্তিপুরে দলীয় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর বলেছিলেন, মুর্শিদাবাদ জেলায় আমরা ৭০ শতাংশ রয়েছি। আর তোমরা ৩০ শতাংশ রয়েছ। মনে করলে দুঘণ্টার মধ্যে ভাগীরথীর জলে ফেলে দিতে পারি। নাম না করে হিন্দুদের হুঁশিয়ারি দেওয়ার এই ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়। এদিন প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) বলেন, তৃণমূল বিধায়ক প্রকাশ্যে হিন্দুদের জলে ভাসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। এই রাজ্যে হিন্দুদের কী অবস্থা। এটা একজন বিধায়কের মুখে ভাষা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: সৎ চাকরিহারাদের জন্য সুকান্তকে লিগ্যাল ও সোশ্যাল মিডিয়া সেল খোলার নির্দেশ দিলেন মোদি

    Narendra Modi: সৎ চাকরিহারাদের জন্য সুকান্তকে লিগ্যাল ও সোশ্যাল মিডিয়া সেল খোলার নির্দেশ দিলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল সরকারকে নিয়োগ দুর্নীতি ইস্যু নিয়ে তীব্র আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। শুক্রবার জনসভা থেকে দুর্নীতি ইস্যু প্রসঙ্গে মোদি বলেন, “নিয়োগ দুর্নীতিতে এত টাকা মিলেছে, মেশিনও গুনতে গুনতে ক্লান্ত হয়ে গিয়েছে। সৎ চাকরিহারাদের পাশে বিজেপি রয়েছে। এটা মোদির গ্যারান্টি।”

    লিগ্যাল সেল ও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম খোলার নির্দেশ মোদির (Narendra Modi)

    সম্প্রতি হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১৬ সালের গোটা প্যানেলই বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি চলে গিয়েছে। এবার চাকরি হারানো যে শিক্ষকদের নথি ঠিক আছে, তাদের পাশে থাকার বার্তা দিলেন মোদি। প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) বলেন, ‘আমরা জানি শিক্ষক নিয়োগে যে দুর্নীতি হয়েছে, তাতে পীড়িতদের জীবন কতটা দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। আমাদের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এখানে রয়েছেন, তাঁকে আমার পরামর্শ, এই শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে অনেক নির্দোষ মানুষও রয়েছেন। যাঁরা সত্যিই শিক্ষকের চাকরির দাবিদার, তাঁরা বাকিদের পাপের কারণে, সমস্যায় পড়েছেন। আমি রাজ্য সভাপতিকে বলেছি, যাঁরা সৎ তাঁদের কী ভাবে আমরা দলের পক্ষ থেকে সাহায্য করতে পারি! আমি বলেছি, প্রদেশ স্তরে একটি লিগ্যাল সেল ও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম খোলা হোক। এতে যাঁরা সঠিক নথিপত্র থাকার পরেও সমস্যায় পড়েছেন, তাঁদের সুবিধা হবে এবং তাঁদের ন্যায় দিতে সম্পূর্ণ ক্ষমতা নিয়ে কাজ করবে।’

    আরও পড়ুন: “নামটা শাহজাহান বলেই কি বাঁচানোর চেষ্টা!,” সংখ্যালঘু ইস্যুতে তৃণমূলকে তোপ মোদির

    সৎ চাকরিহারাদের ন্যায় দিতে কাজ করবে রাজ্য ইউনিট, মোদির গ্যারান্টি

    এই প্রসঙ্গে নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) আরও বলেন, ‘আমরা সৎ-দের পাশে থাকব। নির্বাচন চলতে থাকুক, কিন্তু বাংলার ইউনিট এই কাজ করবে। যাঁরা দোষ করেছেন তাঁরা সাজা পাবেন। কিন্তু, অনেক সৎ মানুষ রয়েছেন, যাঁদের কাছে আসল উপযুক্ত ডিগ্রি রয়েছে, তাঁরাও ফেঁসে গিয়েছেন। যাঁরা সৎ, তাঁদের ন্যায় দিতে রাজ্য ইউনিট কাজ করবে, এটা মোদির গ্যারান্টি।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: “নামটা শাহজাহান বলেই কি বাঁচানোর চেষ্টা!,” সংখ্যালঘু ইস্যুতে তৃণমূলকে তোপ মোদির

    Narendra Modi: “নামটা শাহজাহান বলেই কি বাঁচানোর চেষ্টা!,” সংখ্যালঘু ইস্যুতে তৃণমূলকে তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে মুসলিম ভোট ব্যাঙ্ক তৃণমূলের বড় ভরসা। তাই, রাম নবমীতে হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা নেওয়ার সাহস দেখায় না। এমনই বক্তব্য বিরোধীদের। এবার তৃতীয় দফার ভোটের আগে রাজ্যে এসে সেই সংখ্যালঘু ইস্যুতে তৃণমূলকে তুলোধনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। শুক্রবার বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের দক্ষিণ বর্ধমান সাই কমপ্লেক্স মাঠে সভা করেন প্রধানমন্ত্রী। বর্ধমান-দুর্গাপুরে এবারের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষের সমর্থনে সভা করার পাশাপাশি অসীম সরকারের হয়েও প্রচার করেছেন তিনি।

    ‘নামটা শাহজাহান বলেই কী বাঁচানোর চেষ্টা?'(Narendra Modi)

    এদিন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) বলেন, “সন্দেশখালিতে আমাদের দলিত বোনেদের সঙ্গে কত বড় অপরাধ হয়েছে। গোটা দেশ তদন্ত চাইছে। তৃণমূল অপরাধীদের বাঁচাতে চাইছে। আমি তৃণমূলকে প্রশ্ন করতে চাই অপরাধীর নাম শাহজাহান শেখ বলেই কী বাঁচানোর চেষ্টা হচ্ছে?” পাশাপাশি তিনি বলেন,”জয় শ্রী রাম বললে ওদের আপত্তি আছে। জয় শ্রী রাম বললে ওদের জ্বর এসে যায়। ওদের রাম মন্দিরের নির্মাণে আপত্তি আছে। রাম নবমীর শোভাযাত্রায় আপত্তি আছে।’ওরা শুধু ভোটের জন্য দেশভাগ করতে চায় ‘তৃণমূল-বাম-কংগ্রেস কোনও রাজ্যের কী অবস্থা করতে পারে তা আপনারা ভাল করে জানেন। পাশেই ত্রিপুরাকে ধ্বংস করে রেখে দিয়েছে বামেরা। গত পাঁচ বছরে ত্রিপুরার জীবন বদলে দিয়েছে বিজেপি। ওরা শুধু ভোটের জন্য সমাজকে ভাগ করতে চায়। দেশকে ভাগ করতে চায়।”

    আরও পড়ুন: পুলিশের সামনেই বিজেপি প্রার্থী সুভাষের র‍্যালির ওপর হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মোদিকে লাঠি মারা, গুলি করার কথা বলছে  

    বর্ধমানের মানুষকে মোদির (Narendra Modi) বার্তা, “ধান উৎপাদনে বর্ধমানের রমরমা চাই। শিল্প নগরী হিসেবে গোটা বিশ্বে নাম ছড়াক দুর্গাপুর। মহিলাদের রোজগার বাড়াতে চাই।” তিনি বিরোধীদের উদ্দেশে বলেন, “আমি মজা করার জন্য জন্মাইনি। আমি নিজের জন্য বাঁচতে চাই না। আমি আপনাদের সকলের পায়ের ধূলো মাথায় নিয়ে আপনাদের সেবার সংকল্প নিয়েছি। এই মহান ভারত মাতার ১৪০ কোটি দেশবাসীর সেবার জন্য ব্রতী হয়েছি। মোদির একটাই স্বপ্ন, “আপনাদের স্বপ্ন পূরণ করা। আমার জন্য আপনারাই আমার পরিবার। আমার ভারত, আমার পরিবার। আর তৃণমূল, কংগ্রেস, বাম কী করছে? আমাকে ঘৃণা করছে। ওরা বলছে মোদিকে লাঠি মারো, গুলি করো, তাতে আমি ভয় পাই না! যাঁরা ভয় পায় তাঁদের দলে থাকি না।”

    ১০ বছরে ২৫ কোটি লোক দারিদ্রসীমার ওপরে

    প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) দাবি, ‘গত ১০ বছরে ২৫ কোটি লোক দারিদ্রসীমার ওপরে গিয়েছেন, এটা আনন্দের। পরের ৫ বছরে সবাইকে দারিদ্রসীমার উপরে তুলতে চাই’। রাজ্যের সরকার যেখানে বারবার কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ তুলে আসছে, সেখানে বাংলার মানুষকে মোদির ‘গ্যারান্টি’, ‘উন্নত ভারত হলে বাংলাও তার থেকে বাইরে থাকবে না’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “কংগ্রেস শেষ হচ্ছে আর পাকিস্তান কাঁদছে”, কটাক্ষ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

    PM Modi: “কংগ্রেস শেষ হচ্ছে আর পাকিস্তান কাঁদছে”, কটাক্ষ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের প্রাক্তন মন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী (Fawad Chowdhury) রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) প্রশংসা ও তাঁকে সমর্থন করেন। গুজরাটের আনন্দের জনসভা থেকে পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বললেন, “কংগ্রেস ও পাকিস্তানের মধ্যে যে “গলায় গলায় ভাব” তা জনসমক্ষে চলে এসেছে। জনসভাকে সম্বোধন করার সময় প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)  বলেন, “পাকিস্তানি নেতৃত্ব চাইছে কংগ্রেস ক্ষমতায় আসুক। কিন্তু যত দিন যাচ্ছে কংগ্রেস ভারতে কমজোর হচ্ছে। পাকিস্তান (Pakistan) চাইছে রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী হোক।”

    গুজরাটের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী 

    এদের কংগ্রেসকে (INC) তুলধোনা করার সময় প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) মুখে ছিল হাসি। তিনি বলেন, “কাকতালীয় ব্যাপার কংগ্রেস (Congress) শেষ হচ্ছে আর পাকিস্তান কাঁদছে। পাকিস্তানের মন্ত্রীরা কংগ্রেসের জন্য প্রার্থনা করছেন। তাঁরা ভাবছে যুবরাজ কবে ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসবে। আমরা সকলেই জানি কংগ্রেস কতটা পাকিস্তানপ্রেমী।”কংগ্রেসকে তুলোধোনা করার পাশাপাশি নিজের (PM Modi সরকারের) কৃতিত্ব জনসমক্ষে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, আগে যখন কংগ্রেসের সরকার ছিল তখন জঙ্গি হামলা হলে পাকিস্তানকে শুধু ডোজিয়ার দেওয়া হত। আর ভাষণ দেওয়ার সময় বলা হত কড়া নিন্দা করছি। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হত না। এখন শুধু নিন্দা হয় না। আমাদের সময়ে আমরা সন্ত্রাসবাদীদের ঘরে ঢুকে তাদের নিকেশ করি।”

    আরও পড়ুন: ভোটবঙ্গে ফের শহরে প্রধান নরেন্দ্র মোদি! রাত্রিবাস রাজভবনে

    ইমরান ক্যাবিনেটের মন্ত্রী ছিলেন ফাওয়াদ 

    প্রসঙ্গত একটি সর্বভারতীয় বৈদ্যুতিন মাধ্যমে যে খবর সম্প্রচারিত হয় তাতে দেখা যায় পাকিস্তানের মন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী ভারতের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের কথা বলতে গিয়ে ভারতের বিরোধী দলের নেতা রাহুল গান্ধীর ভূয়সী প্রশংসা করেন। রাহুল গান্ধী সম্পর্কে তার মতামত জানতে চাওয়া হলে পাকিস্তানের মন্ত্রী বলেন, “তিনি রাহুল গান্ধী কেন, যে কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব যিনি সঠিক ইস্যুতে কথা বলেন তাঁকে সমর্থন করবেন।” পাকিস্তানি মন্ত্রীর বক্তব্য ইতিমধ্যেই নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান, “অমিত মালব্যর নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন চৌধুরী ফাওয়াদ হোসেন যিনি ইমরান খানের(Imran Khan) ক্যাবিনেটে তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রকের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ছিলেন তিনি রাহুল গান্ধীকে প্রোমোট করছেন। তাহলে কী কংগ্রেস এবার পাকিস্তানে নির্বাচনের লড়ার চিন্তা ভাবনা করছে। কংগ্রেসের এবারের মেনিফেস্টোতে মুসলিম লিগের ছোঁয়া রয়েছে। কংগ্রেসের সঙ্গে পাকিস্তানের বোঝাপড়া প্রকাশ্যে চলে এসছে।”

    কংগ্রেসের বিড়ম্বনা বাড়ল 

    প্রসঙ্গত স্বাধীনতার সময় থেকেই পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের (India vs Pakistan) যে শত্রুতা তৈরি হয়েছে তা আজও অব্যাহত। চারটি লড়াইয়ে পাকিস্তান হারার পরেও ভারত যতই উদার হওয়ার চেষ্টা করুক না কেন পাকিস্তানের তরফ থেকে অশান্তি বন্ধ করার কোন ইঙ্গিত নেই। এমতাবস্থায় কংগ্রেস নেতাকে পাকিস্তানের নেতারা সমর্থন করলে জনসমক্ষে কংগ্রেস এবং রাহুল গান্ধীর ছবি আরও খারাপ হবে। প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) এবং বিজেপিকে কোনঠাসা করতে গিয়ে পাকিস্তানি নেতারা কংগ্রেসকে সমর্থন করে উল্টে কংগ্রেসের বিড়ম্বনা বাড়াচ্ছেন এমনটাই মনে করছে দেশের একটা বড় অংশের মানুষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share