Tag: Narendra Modi

Narendra Modi

  • India Bangladesh Relation: দেওয়া-নেওয়ার সম্পর্ক! ভারত নিয়ে নরম সুর বাংলাদেশের, ফিরছেন দু’দেশের মৎস্যজীবীরা

    India Bangladesh Relation: দেওয়া-নেওয়ার সম্পর্ক! ভারত নিয়ে নরম সুর বাংলাদেশের, ফিরছেন দু’দেশের মৎস্যজীবীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঢাকা এমন কোনও পদক্ষপ করবে না যা তার প্রতিবেশীর কৌশলগত স্বার্থের পরিপন্থী। ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে (India Bangladesh Relation) বোঝাপড়ার মাধ্যমে এগোনোর কথা বললেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। শেখ হাসিনা সরকারের পতনে পর থেকেই ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। যা এখনও অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশের ভারত-বিরোধী মনোভাব ক্রমশই প্রকাশ্যে আসছে। ভারত বিরোধিতার কারণে হিন্দুদের ওপর অত্যাচারও বাড়ছে। এই অবস্থায় আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসাবে ডোনাল্ড ট্রাম্প শপথ নেওয়ার পরে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পর্ক কিছুটা সহজ হবে বলে আশা করছে কূটনৈতিক মহল। 

    দেওয়া-নেওয়ার সম্পর্ক

    শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবিতে যখন উত্তাল হয়েছিল বাংলাদেশ (India Bangladesh Relation) সেই সময় শেখ হাসিনার থেকে সেনার হাতে ক্ষমতা নেওয়ার অন্যতম কারিগর ছিলেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান। সম্প্রতি বাংলাদেশের একটি দৈনিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে সমঝোতার বার্তা দিয়েছেন। বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের মতে, তাঁদের জন্য ভারত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী রাষ্ট্র। বাংলাদেশ অনেক বিষয়েই ভারতের উপর নির্ভর করে। আবার ভারতও কিছু ক্ষেত্রে বাংলাদেশের থেকে সুবিধা পায়। জেনারেল ওয়াকারের কথায়, “এটা একটা দেওয়া–নেওয়ার সম্পর্ক।” 

    পারস্পরিক বোঝাপড়া

    পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে সম্পর্ক এগিয়ে যাবে বলে আশাপ্রকাশ করেছেন তিনি। তাঁর কথায়, বাংলাদেশ (India Bangladesh Relation) প্রতিবেশীদের সঙ্গে এমন কিছু করবে না, যা সেই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের কৌশলগত স্বার্থের পরিপন্থী। তিনি চান, প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলিও যেন তা বিবেচনা করে এবং বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থী কিছু না করে। সরাসরি কোনও প্রতিবেশীর নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, “সীমান্তে আমাদের লোকজনকে হত্যা করবে না। আমরা প্রাপ্য জল পাব। এতে তো কোনও অসুবিধা নেই!” বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের মতে, “দু’দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে সুসম্পর্ক বজায় রাখা প্রয়োজন। ভারতের অনেকেই বাংলাদেশে কাজ করছেন। আবার বাংলাদেশ থেকেও অনেকে চিকিৎসার জন্য ভারতে যান। ভারত থেকে পণ্যও কিনছে বাংলাদেশ। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্থিতিশীলতার সঙ্গে ভারতের স্বার্থ জড়িয়ে রয়েছে।”

    মৎস্যজীবীদের হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু

    বাংলাদেশে (India Bangladesh Relation) আটক ৯৫ জন ভারতীয় মৎস্যজীবী ও নৌকর্মী এবং ভারতে আটক ৯০ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবী ও নৌকর্মীর পারস্পরিক আদানপ্রদান প্রক্রিয়া সম্প্রতি শুরু হয়েছে। রবিবারের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে অনুমান। প্রসঙ্গত, গত অক্টোবর-নভেম্বরে বাংলাদেশের জলসীমায় আটক হওয়া ভারতীয় মৎস্যজীবী ও নৌকর্মীদের এতদিন সে দেশে রেখে দেওয়া হয়েছিল। অবশেষে দিল্লির হস্তক্ষেপে তাদের ছেড়ে দেওয়ার কাজ শুরু হয়। অন্যদিকে, মৎস্যজীবীদের হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পাশাপাশি ভারতে আটক বাংলাদেশের দু’টি ফিশিং ভেসেল এবং বাংলাদেশে আটক ভারতের ছয়টি ফিশিং বোটও হস্তান্তর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রক। গত ৯ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমার নিকটে ‘এফভি লায়লা-২’ এবং ‘এফভি মেঘনা-৫’ নামে দুটি বাংলাদেশি ফিশিং ভেসেল-সহ মোট ৭৮ জন এবং গত ১২ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশি মাছ ধরার নৌকা ‘এফবি কৌশিক’ প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ডুবে গেলে এর ১২ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবী ভারতীয় কর্তৃপক্ষের হাতে আটক হন। তাঁদের কারামুক্তি ঘটেছে। ৭৮ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবী ও নৌকর্মী আপাতত ওড়িশার পারাদ্বীপে ভারতীয় উপকূল বাহিনীর তত্ত্বাবধানে এবং ১২ জন পশ্চিমবঙ্গের কাকদ্বীপে রয়েছেন।

    আরও পড়ুন: চিনে ফের নতুন ভাইরাসের হানা! হাসপাতালে ভিড়ের ভিডিও ভাইরাল

    ট্রাম্প-মোদি সমীকরণ

    আমেরিকা যে বিশ্বের সুপারপাওয়ার, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তবে, ভারতও (India Bangladesh Relation) বঙ্গোপসাগর অঞ্চলের দাদা। ভারতকে বাদ দিয়ে এই অঞ্চলে আমেরিকার পক্ষেও কিছু করা সম্ভব নয়। ভারতের সঙ্গে বাইডেন প্রশাসনের নরমে-গরমে সম্পর্ক ছিল। তবে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্যক্তিগত সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো। প্রচার পর্বেও বারবার ট্রাম্প নরেন্দ্র মোদিকে ‘চমৎকার মানুষ’, ‘আমার বন্ধু’ বলে উল্লেখ করেছেন। ভারতের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক আরও জোরালো করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কাজেই, ট্রাম্প জয়ী হওয়ায়, আমেরিকা-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মধ্যে ভারত ঢুকে পড়েছে এমনটাই মনে করে কূটনৈতিক মহল। সেক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে ইউনূস সরকারের সম্পর্ক স্বাভাবিক না হলে, বিপদে পড়বে বাংলাদেশ। এক কথায় ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ায়, বাংলাদেশের পক্ষে আর ভারতকে অবজ্ঞা করা সম্ভব হবে না। ভারত নির্ভরতা আরও বাড়বে। তাই আমেরিকায় পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গেই বাংলাদেশ সেনাপ্রধানের সুর নরম হয়েছে। ভারতকে বন্ধু না বললেও, প্রতিবেশী হিসেবে ভারতের সঙ্গে শত্রুতা করতেও নারাজ বাংলাদেশ। দিল্লিকে অবজ্ঞা করার সাহস ঢাকা যে পাবে না তা ভালোই জানে ইউনূস প্রশাসন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India  Maldives: মুইজ্জুকে সরাতে ভারতের সাহায্য! সংবাদমাধ্যমের দাবি উড়িয়ে দিল মলদ্বীপের বিরোধী দল

    India  Maldives: মুইজ্জুকে সরাতে ভারতের সাহায্য! সংবাদমাধ্যমের দাবি উড়িয়ে দিল মলদ্বীপের বিরোধী দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রেসিডেন্ট পদ থেকে মহম্মদ মুইজ্জুকে সরাতে ভারতের সাহায্য চেয়েছিল মলদ্বীপের বিরোধী দল (India  Maldives Relation)। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের এই দাবি উড়িয়ে দিলেন মলদ্বীপের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট মহম্মদ নাসিদ। মার্কিন সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মলদ্বীপের সরকার ফেলতে ভারতের কাছে ৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দাবি করেছিল সেখানকার বিরোধী দল ‘মালদিভিয়ান ডেমোক্রেটিক পার্টি’ (MDP)। যদিও ভারত সেই ষড়যন্ত্রে শামিল হয়েছিল কিনা, তা স্পষ্ট করা হয়নি। 

    মুইজ্জুর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র

    ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরুর দিকে এই ষড়যন্ত্র হয়। মুইজ্জুকে ‘ইমপিচ’ (পদ থেকে সরানো) করার জন্য ভারতের সাহায্য চেয়েছিল মলদ্বীপের বিরোধী দল মলদিভিয়ান ডেমোক্রেটিক পার্টি (এমডিপি)। নয়াদিল্লির কাছ থেকে নাকি ৬ বিলিয়ন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ৫১ হাজার কোটি টাকারও বেশি) চাওয়া হয়। মুইজ্জুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পরিকল্পনা ছিল পার্লামেন্টের ৪০ জন সদস্যকে ঘুষ দেওয়ার। এই তালিকায় ছিলেন মুইজ্জুর নিজের দল পিপলস ন্যাশনাল কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন সদস্যও। যদিও শেষ পর্যন্ত মুইজ্জুর বিরুদ্ধে যথেষ্ট পরিমাণ ভোট জোগাড় করতে ব্যর্থ হয় বিরোধী শিবির। 

    ওয়াশিংটন পোস্টের দাবি

    মার্কিন সংবাদমাধ্যমের তরফে আরও জানানো হয়েছে, ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে দফায় দফায় ভারতের ‘র’ (RAW) এজেন্টদের সঙ্গে বৈঠক হয় মলদ্বীপের বিরোধী দলের নেতাদের। মাসখানেক এই বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনার পর শেষ পর্যন্ত তা ব্যর্থ হয়। কারণ পার্লামেন্টে যথেষ্ট পরিমাণ সংখ্যা জোগাড় করতে পারেনি বিরোধী শিবির। তবে এই ষড়যন্ত্রে ভারত সরকারের মদত ছিল কিনা সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। ওয়াশিংটন পোস্টের দাবি, দুই নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মলদ্বীপের (India  Maldives Relation) কর্মকর্তা তাদের কাছে এই তথ্য প্রকাশ করেছে। যদিও এই বিষয়ে ভারত সরকারের তরফে এখনও কোনও মন্তব্য প্রকাশ্যে আসেনি।

    ভিত্তিহীন দাবি

    যদিও মার্কিন সংবাদমাধ্যমের এমন দাবি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন মলদ্বীপের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট মহম্মদ নাসিদ। তিনি বলেন, “মুইজ্জুর বিরুদ্ধে এমন ষড়যন্ত্রের অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যে। এই ধরনের পরিকল্পনার কথা আমার জানা নেই। ভারত কখনও এই ধরনের পদক্ষেপকে সমর্থন করবে না। কারণ তারা মলদ্বীপের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকেই সমর্থন করে।’’

    ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্ক

    উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে মলদ্বীপের (India  Maldives Relation) ক্ষমতায় আসেন চিন-প্রেমী মইজ্জু। তারপর থেকে তিনি ভারতের ওপর মলদ্বীপের নির্ভরতা কমিয়ে ফেলার বিষয়ে সচেষ্ট হন। মলদ্বীপের বুক থেকে তিনি ৮৫ জন ভারতীয় সৈনিককে সরিয়ে নিতে দিল্লিকে বার্তা দেন। এই বিষয়টিও দুই দেশের সম্পর্কে প্রভাব ফেলে। যৌথ হাইড্রোগ্রাফিক সমীক্ষার জন্য ভারতের সঙ্গে ২০১৯ সালের একটি চুক্তি বাতিল করে মলদ্বীপ। চিনপন্থী মুইজ্জুকে নিয়ে সমস্যা তৈরি হয় দু-দেশের মধ্যে। এরপর গত বছর লাক্ষাদ্বীপে ভারতের প্রধামন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফর নিয়ে মলদ্বীপের মন্ত্রীদের আপত্তিকর মন্তব্য দুই দেশের সম্পর্ককে নিয়ে যায় তলানিতে। যদিও গত বছরের শেষ দিকে ভারতের গুরুত্ব উপলব্ধি করেন মুইজ্জু। দিল্লি সফরেও আসেন মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট। তারপর থেকেই ফের ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্কের উন্নতি হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Happy New Year 2025: দেশবাসীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানালেন রাষ্ট্রপতি থেকে প্রধানমন্ত্রী, কে কী লিখলেন?

    Happy New Year 2025: দেশবাসীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানালেন রাষ্ট্রপতি থেকে প্রধানমন্ত্রী, কে কী লিখলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা (Happy New Year 2025) জানালেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এক্স হ্যান্ডেলে রাষ্ট্রপতি লিখেছেন, “সকলকে একটি খুব শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা! ২০২৫ সাল সবার জন্য আনন্দ, সঙ্গতি এবং সমৃদ্ধি নিয়ে আসুক! এই উপলক্ষে, আসুন আমরা ভারতের এবং বিশ্বের জন্য একটি উজ্জ্বল, আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং স্থায়ী ভবিষ্যৎ নির্মাণে এক সঙ্গে কাজ করতে পুনরায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হই।” 

    এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “এ বছর সবাইকে নতুন সুযোগ, সফলতা এবং অশেষ আনন্দ এনে দিক। সবাই সুন্দর স্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধিতে আশীর্বাদিত হোক।” 

    উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় বলেন, এ বছর আমাদের সংবিধানের শতবর্ষ পূর্তির চূড়ান্ত চতুর্থাংশে প্রবেশের সূচনা করে এবং এটি সেই সময় যখন আমাদের সংবিধান প্রণেতাদের দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়নের জন্য নিজেদের পুনরায় উৎসর্গ করার অঙ্গীকার করতে হবে। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “২০২৫ সালে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের প্রজাতন্ত্রের যাত্রার এক গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পা রাখার জন্য সকল নাগরিককে আন্তরিক শুভেচ্ছা। এ বছর আমাদের সংবিধানের শতবর্ষ পূর্তির চূড়ান্ত চতুর্থাংশে প্রবেশের সূচনা করে। আমাদের সংবিধান প্রণেতাদের দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে নিজেদের পুনরায় উৎসর্গ করার সময় এটি, যখন আমরা ২০৪৭ সালে বিকশিত ভারতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি (Happy New Year 2025)। দৃঢ় সংকল্প নিয়ে এগিয়ে চলুন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে লালন করুন এবং জাতিকে সর্বপ্রথম রাখার সংকল্প করুন। সবাইকে শুভ ও অর্থবহ নতুন বছরের শুভেচ্ছা।”

    আরও পড়ুন: ‘বৃহৎ অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত ভারত’, মোদির নেতৃত্বের প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিশ্বনেতারা

    দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং-ও। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা! এই বছর সুখ, সমৃদ্ধি এবং সুস্বাস্থ্যে পরিপূর্ণ হোক।” নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নীতীন গডকরিও। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, ২০২৫ সালের জন্য শুভেচ্ছা ও সমৃদ্ধির কামনা (PM Modi)! এই বছর সবার জীবনে প্রচুর সুখ এবং সুস্থতা নিয়ে আসুক (Happy New Year 2025)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ‘বৃহৎ অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত ভারত’, মোদির নেতৃত্বের প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিশ্বনেতারা

    PM Modi: ‘বৃহৎ অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত ভারত’, মোদির নেতৃত্বের প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিশ্বনেতারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি (PM Modi) জমানায় ভারত (India) একটি বৃহৎ অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে তামাম বিশ্বের। বৈশ্বিক নেতারা, অর্থনীতিবিদ এবং ব্যবসায়িক টাইকুনরা সবাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বের প্রশংসায় পঞ্চমুখ।

    মোদি স্তুতি (PM Modi)

    ২০২৪ সালে, ভারতের বৈশ্বিক মঞ্চে উত্থান দেশের অসাধারণ উন্নয়নকে তুলে ধরেছিল। বিশ্ব ক্রমশই ভারতকে একটি প্রবৃদ্ধির ইঞ্জিন, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবক, এবং স্থায়িত্বের ক্ষেত্রে নেতা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে শুরু করেছে। বছরের পর বছর ধরে, বৈশ্বিক নেতাদের বিবৃতি এই প্রশংসার ধারাবাহিকতা প্রদর্শন করেছে। উদাহরণস্বরূপ, ফার্স্ট সোলারের সিইও মার্ক উইডমার ২০২১ সালে বলেছিলেন,  ‘‘জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে প্রতিটি দেশের উচিত ভারত যা করছে, তা অনুসরণ করা।’’

    জেপি মর্গানের সিইও জেমি ডিমন ২০১৭ সালে বলেছিলেন যে, প্রধানমন্ত্রী মোদি সব সময় খুব গ্রহণযোগ্য। তিনি উন্মুক্তমনা এবং অত্যন্ত বুদ্ধিমান। ২০২৩ সালে হাসান আল্লাম হোল্ডিংসের সিইও হাসান আল্লাম প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বের প্রশংসা করেছিলেন। বলেছিলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে ভারতের বেসরকারি খাত অত্যন্ত দ্রুত বিকাশ লাভ করেছে, বিশেষত পরিকাঠামো, প্রযুক্তি এবং উৎপাদন ক্ষেত্রে।”

    কী বললেন বিশ্ব নেতারা?

    সুজুকি মোটর্সের প্রেসিডেন্ট তোশিহিরো সুজুকি প্রধানমন্ত্রী মোদির শক্তিশালী নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, “গত ১০ বছরে প্রধানমন্ত্রী মোদির শক্তিশালী নেতৃত্ব এবং অবিচল সমর্থনের জন্য উৎপাদন শিল্পে ভারতের গাড়ি বাজার ধারাবাহিকভাবে সম্প্রসারিত হয়েছে। এর ফলে, ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম গাড়ি বাজারে পরিণত হয়েছে।”

    গিটহাবের সিইও থমাস ডোহমকে বলেন, “যখন (PM Modi) আমি তখনকার ভারত এবং আজকের ভারতের তুলনা করি, একটি অবিশ্বাস্য উদ্দীপনা দেখতে পাই, জিনিসপত্র এগোচ্ছে এবং পরিবর্তিত হচ্ছে। তখন মেট্রো ছিল না, আর এখন আমাদের কাছে একাধিক লাইন রয়েছে। বিমানবন্দর অসাধারণ, আধুনিক এবং পরিচ্ছন্ন। আমি মনে করি, এটি সফটওয়্যার শিল্পে ঘটে চলা পরিবর্তনের প্রতিফলনও। ভারতে ইতিমধ্যেই বিপুল সংখ্যক সফটওয়্যার ডেভেলপার রয়েছে।”

    আরও পড়ুন: পাক-আফগান সম্পর্ক তলানিতে, লাভবান হবে ভারত?

    এনভিডিয়ার সিইও জেনসেন হুয়াং বলেন, “ভারত বিশ্বের সেরা কম্পিউটার বিজ্ঞানীদের আবাসস্থল। এটি একটি বিশাল সুযোগ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা একটি নতুন শিল্প, একটি নতুন উৎপাদন শিল্প যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এবং তাই আমি ভারতে (India) গভীরভাবে অংশীদারিত্ব করতে আগ্রহী, যাতে এটি সম্ভব করা যায় (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Manmohan Singh: বিশ্বের নেতারা  প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন, করলেন স্মৃতিচারণও

    Manmohan Singh: বিশ্বের নেতারা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন, করলেন স্মৃতিচারণও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং (Manmohan Singh) ৯২ বছরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দু’বারের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এবং ভারতের অর্থনৈতিক সংস্কারের স্থপতির জন্য সারা বিশ্ব থেকে সমবেদনা বর্ষিত হয়েছে। অনেক বিশ্ব নেতা (World Leader) তাঁর অবদান এবং তাঁদের জাতির সঙ্গে উষ্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরেছেন।

    সমবেদনা জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী (Manmohan Singh)

    মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন মনমোহন সিংকে (Manmohan Singh) মার্কিন-ভারত কৌশলগত অংশীদারিত্বের অন্যতম “সর্বশ্রেষ্ঠ চ্যাম্পিয়ন” বলে অভিহিত করেছেন। একইসঙ্গে তাঁর কাজ অনেক কিছুর ভিত্তি স্থাপন করেছিল বলে তিনি উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “মার্কিন-ভারত বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তির অগ্রগতিতে তাঁর নেতৃত্ব গত দুই দশকে একত্রে সম্পন্ন করেছে।” তিনি আরও বলেন, “ভারতে ডঃ সিংকে তার অর্থনৈতিক সংস্কারের জন্য স্মরণ করা হবে। আমরা ডক্টর সিংয়ের মৃত্যুতে শোকাহত। সর্বদা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতকে কাছাকাছি নিয়ে আসার জন্য তার উত্সর্গকে স্মরণ করব।”

    আরও পড়ুন: ‘‘ডিএমকে পরাস্ত না হওয়া পর্যন্ত জুতো পরব না’’, সংকল্প তামিলনাড়ুর বিজেপি প্রধান আন্নামালাইয়ের

    শোক প্রকাশ করেছেন কানাডার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী

    মনমোহন সিংয়ের (Manmohan Singh) মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন কানাডার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী স্টিফেন হারপার। তিনি লিখেছেন, “আমার প্রাক্তন সহকর্মী প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং-এর মৃত্যুর খবর পেয়ে আমি দুঃখিত। তিনি ব্যতিক্রমী বুদ্ধিমত্তা, সততা এবং প্রজ্ঞার অধিকারী ছিলেন। লরিন এবং আমি তাঁর সমস্ত পরিবার এবং বন্ধুদের প্রতি আমাদের সমবেদনা জানাতে চাই”।

    প্রাক্তন আফগান রাষ্ট্রপতি হামিদ কারজাই কী বলেছেন?

    প্রাক্তন আফগান রাষ্ট্রপতি হামিদ কারজাই ডাঃ সিংকে “আফগানিস্তানের জনগণের অটল মিত্র এবং বন্ধু” হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, “ভারত তার সবচেয়ে কৃতি সন্তানদের একজনকে হারিয়েছে। ডঃ মনমোহন সিং (Manmohan Singh) ছিলেন আফগানিস্তানের জনগণের একজন অটল মিত্র এবং বন্ধু। আমি তার মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত এবং তার পরিবার, সরকার এবং ভারতের জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই। তাঁর আত্মা চির শান্তি পায়”।

    মালদ্বীপের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি শোক প্রকাশ করেছেন

    মালদ্বীপের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি মহম্মদ নাশিদও শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, “মনমোহন সিং চলে গিয়েছেন শুনে খুব খারাপ লাগছে। আমি সবসময়ই তার সঙ্গে কাজ করতে পেরে আনন্দিত। একজন পরোপকারী পিতার মতো ব্যক্তিত্ব পেয়েছি। তিনি মালদ্বীপের একজন ভালো বন্ধু ছিলেন।”

    স্মৃতি চারণ করেছেন ব্রাজিলের রাষ্ট্রপতি

    ব্রাজিলের রাষ্ট্রপতি লুলা দা সিলভাও ‘বন্ধু’ মনমোহন সিংকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। IBSA (ভারত, ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা) ডায়ালগ ফোরাম এবং ব্রিকস গ্রুপিং প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান তিনি স্মরণ করেছেন। তিনি বলেছেন, “ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী (Manmohan Singh) মনমোহন সিং-এর মৃত্যুতে সমবেদনা জানাই। আমরা একুশ শতকের প্রথম দশকে সরকারের সমসাময়িক ছিলাম। আমাদের দেশের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করতে এবং একটি সুন্দর বিশ্ব গড়ে তুলতে একসঙ্গে কাজ করেছি। সিং আইবিএসএ তৈরিতে, ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ভারতকে একত্রিত করা এবং ব্রিকস প্রতিষ্ঠায় জড়িত ছিলেন”। ব্রাজিলের রাষ্ট্রপতি ডক্টর সিংয়ের সঙ্গে ২০১২ সালে তার বৈঠকের কথাও স্মরণ করেন। তিনি বলেছেন, “২০১২ সালে যখন আমি আর রাষ্ট্রপতি ছিলাম না, তখন আমরা নয়াদিল্লিতে দেখা করেছিলাম। উন্নয়ন, দারিদ্র্য ও ক্ষুধা মোকাবিলা এবং গ্লোবাল সাউথের সহযোগিতার বিষয়ে অনেক কথা বলেছিলাম। ভারতের জনগণ, পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং সহচরদের প্রতি আমার আন্তরিক সহানুভূতি রইল”।

    নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী সমবেদনা জানিয়েছেন

    নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দাহাল ‘প্রচন্ড’ মনমোহন সিংয়ের (Manmohan Singh) মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন এবং তাঁকে “একজন দূরদর্শী নেতা এবং একজন অসাধারণ রাষ্ট্রনায়ক” বলে অভিহিত করেছেন। তিনি এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, “তাঁর পরিবার এবং ভারতের জনগণের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা রয়েছে। তাঁর উত্তরাধিকার প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে”।

    শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি কী বললেন?

    শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি মাহিন্দা রাজাপাকসে বলেছেন, “প্রাক্তন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং-এর (Manmohan Singh) মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত। একজন দূরদর্শী অর্থনীতিবিদ এবং ভারতের অর্থনৈতিক উদারীকরণের স্থপতি। তাঁর অবদান ভারতের জন্য একটি নতুন যুগের সূচনা করেছে। তাঁর পরিবার, বন্ধু এবং ভারতের জনগনের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা।”

    ফিনল্যান্ড-কোরিয়ান দূতাবাসের পক্ষ থেকে শোকপ্রকাশ

    ভারতে ফিনল্যান্ডের দূতাবাসও শোক প্রকাশ করে বলেছে, “রাষ্ট্রদূত কিমো লাহদেভির্তা এবং নয়াদিল্লিতে ফিনল্যান্ডের দূতাবাস ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিংয়ের মৃত্যুতে ভারতের জনগণের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করে।” ভারতে কোরিয়ান দূতাবাস লিখেছে: “প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিংয়ের মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। এই ক্ষতির সময়ে আমরা তাঁর পরিবার এবং ভারতের জনগণের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাই।” মনমোহন সিং ২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড প্রোগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স সরকারের দুই মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর শেষকৃত্য সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় সম্মানের সঙ্গে পরিচালিত হবে। ডক্টর সিংয়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দেশজুড়ে সাত দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: বাজপেয়ীর জন্মবার্ষিকীতে গুচ্ছ প্রকল্পের শিলান্যাস-উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: বাজপেয়ীর জন্মবার্ষিকীতে গুচ্ছ প্রকল্পের শিলান্যাস-উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর শততম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী ভারত ও সারা বিশ্বের খ্রিস্টান সম্প্রদায়কে বড়দিনের শুভেচ্ছা জানান। মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের নেতৃত্বে গঠিত সরকার এক বছর পূর্ণ করেছে। সেই উপলক্ষে মধ্যপ্রদেশের (Ken Betwa River) জনগণকে অভিনন্দন জানান তিনি।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত এক বছরে উন্নয়নমূলক কাজের গতি বেড়েছে এবং কয়েক হাজার কোটি টাকার নতুন পরিকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। তিনি বলেন, “আজ ঐতিহাসিক কেন-বেতোয়া নদী সংযোগ প্রকল্প, দাউধান বাঁধ এবং ওঙ্কারেশ্বর ভাসমান সৌর প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।” প্রধানমন্ত্রী এই দিনটিকে অত্যন্ত অনুপ্রেরণামূলক বলে অভিহিত করেন। কারণ এটি ভারতরত্ন অটল বিহারী বাজপেয়ীর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের একটি উৎসব। বাজপেয়ীর স্মরণে স্মারক এদিন ডাকটিকিট ও মুদ্রা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

    অটল গ্রাম সুশাসন সদনের কাজ শুরু

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জাতির উন্নয়নে অটলজির অবদান আমাদের স্মৃতিতে চিরকাল অমলিন থাকবে। আজ থেকে ১,১০০টিরও বেশি অটল গ্রাম সুশাসন সদনের কাজ শুরু হবে এবং প্রথম কিস্তি ইতিমধ্যেই এ কাজের জন্য ছাড়া হয়েছে।” তিনি বলেন, “অটল গ্রাম সুশাসন সদন গ্রামীণ এলাকার উন্নয়নে চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করবে।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “সুশাসন দিবস এক দিনের ঘটনা নয়। সুশাসন আমাদের সরকারের পরিচয়।” কেন্দ্রে তৃতীয়বারের মতো টানা ক্ষমতায় থাকার সুযোগ দেওয়ার জন্য এবং মধ্যপ্রদেশেও ধারাবাহিকভাবে সুযোগ দেওয়ার জন্য জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই সাফল্যের মূল চাবিকাঠি সুশাসন।”

    আরও পড়ুন: ১৪০০ বছর আগেও কুম্ভমেলায় এসেছিলেন চিনা পর্যটক!

    তিনি বুদ্ধিজীবী, রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং শিক্ষাবিদদের আহ্বান জানান এই বলে যে, স্বাধীনতার ৭৫ বছর পর দেশের মূল্যায়ন করুন। নিক্তি করুন উন্নয়ন, জনকল্যাণ ও সুশাসনের মতো বিষয়গুলিকে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যদি আমাদের নির্দিষ্ট মানদণ্ডে মূল্যায়ন করা হয়, দেশ দেখতে পাবে আমরা সাধারণ মানুষের প্রতি কতটা নিবেদিত।” তিনি (PM Modi) বলেন, “আগের বিভিন্ন সরকার বিভিন্ন ঘোষণা করলেও সেগুলোর কার্যকর বাস্তবায়নের অভাব ও আন্তরিকতার ঘাটতির কারণে মানুষের কাছে তার সুবিধা (Ken Betwa River) পৌঁছায়নি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Sri lanka: শ্রীলঙ্কার শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং কৃষির জন্য ২৩৭০ কোটি টাকার অনুদান দিল ভারত

    Sri lanka: শ্রীলঙ্কার শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং কৃষির জন্য ২৩৭০ কোটি টাকার অনুদান দিল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার (Sri lanka) শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং কৃষির জন্য ২৩৭০ কোটি টাকার অনুদান দিয়ে পাশে দাঁড়াল ভারতের মোদি সরকার। সম্প্রতি ওই দেশের সাধারণ নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপতি অনুরা কুমারা দিসানায়েক প্রথম ভারত সফরে এসেছিলেন। দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক সৌভ্রাতৃত্ব আরও মজবুত করতে এই প্রচেষ্টা বলে জানা গিয়েছে। দুই দেশের মধ্যে একটি আনুষ্ঠানিক এমওইউ স্বাক্ষরিত হয়েছে। সম্প্রতি শ্রীলঙ্কায় আর্থিক ভাবে বিরাট বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হয়েছিল, এই অবস্থায় ভারতীয় সহযোগিতা শ্রীলঙ্কাকে বিরাট ক্ষতি থেকে পুনরায় উঠে দাঁড়াতে সুবিধা হবে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    কৃষির জন্য ৬২ কোটি টাকা বরাদ্ধ করা হয়েছে (Sri lanka)

    শ্রীলঙ্কার (Sri lanka) স্বাস্থ্যমন্ত্রী নালিন্দা জয়থিসা জানিয়েছেন শিক্ষা খাতে ৩১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা, স্বাস্থ্যের জন্য ৭৮ কোটি টাকা, কৃষির জন্য ৬২ কোটি টাকা বরাদ্ধ করা হয়েছে। একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পে এই আর্থিক সহযোগিতা বিনিয়োগ করা হবে। ভারতের এই আর্থিক সহযোগিতা শ্রীলঙ্কার জন্য অত্যন্ত অপরিহার্য। কেন না বিগত বেশ কিছু দিন ধরে ওই দেশের আর্থিক সঙ্কট এবং ক্রমবর্ধমান ঋণ দেশটিকে ভীষণ ভাবে বিপর্যয়ের মধ্যে ফেলেছে। ভারতের সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক সম্পর্কের গবেষকরা শ্রীলঙ্কার খারাপ সময় দ্রুত কাটার বিষয়ে দারুণ আশাবাদী।

    আরও পড়ুনঃ হিন্দুত্বের রাষ্ট্রনায়ক, ভারতবর্ষের গর্ব অটল বিহারী বাজপেয়ী

    ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ 

    ভারত এই মোটা অঙ্কের অনুদানের বাইরে আরও সাতটি লাইন-অফ-ক্রেডিট প্রকল্পে অর্থ প্রদানের জন্য ২০ কোটি ৬৬ লক্ষ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। একই ভাবে শ্রীলঙ্কার (Sri lanka) উত্তরে কানকেসান্থুরাই বন্দরকে পুনর্গঠনের জন্য দীর্ঘ মেয়াদী সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এই খাতে মোট খরচ করা হবে ৬১ কোটি ৫ লক্ষ টাকা। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, প্রতিবেশী ছোট ছোট রাষ্ট্রগুলির উপর চিনা আগ্রাসনকে ঠেকাতে ভারত এখন বিশেষ নজর দিয়েছে। প্রতিবেশী দেশে অস্থিরতা ভারতের জন্য একটি মাথাব্যথা স্বরূপ। তাই আগ্রাসী শক্তির কবল থেকে প্রতিবেশীকে রক্ষা করা যেমন এক গুরুদায়িত্ব, ঠিক তেমনি বিপর্যস্ত আর্থিক ব্যবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য বিশেষ সহযোগিতা করাও ভারতের বিরাট কর্তব্য। বহু প্রাচীন কাল থেকেই শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ভারতের আধ্যাত্মিক, সাংস্কৃতিক সংযোগ রয়েছে। ভারত সব সময় এই দেশের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pass-Fail System: পঞ্চম-অষ্টম শ্রেণিতে ফিরছে পাশ-ফেল, বিজ্ঞপ্তি জারি মোদি সরকারের

    Pass-Fail System: পঞ্চম-অষ্টম শ্রেণিতে ফিরছে পাশ-ফেল, বিজ্ঞপ্তি জারি মোদি সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাশ-ফেল (Pass Fail System) নিয়ে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে মোদি সরকার (Narendra Modi)। আগের মতো আবারও পঞ্চম এবং অষ্টম শ্রেণিতে ফের পাশ-ফেল ফেরাতে চলেছে কেন্দ্র। ২০১৯ সালে শিক্ষার অধিকার আইন (RTE) সংশোধনের পরে কমপক্ষে ১৬টি রাজ্য ও দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ইতিমধ্যে দুটি গ্রেডের জন্য ‘নো-ডিটেনশন নীতি’ বাতিল করেছে।

    শিক্ষা মন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তিতে কী রয়েছে?(Pass Fail System)

    শিক্ষা মন্ত্রকের (Pass Fail System) তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছে, পঞ্চম এবং অষ্টম শ্রেণির কোনও পড়ুয়া পরীক্ষায় সফল না হলে তাকে ফের সুযোগ দেওয়া হবে। ফল বেরোনোর পর দু’মাসের মধ্যে ফের পরীক্ষায় বসার সুযোগ পাবে অকৃতকার্য হওয়া পড়ুয়া। এই সময়ের মধ্যে তাদের অতিরিক্ত কোচিং দেওয়া হবে। এরপর দ্বিতীয় পরীক্ষায়ও কোনও পড়ুয়া সফল না-হলে তাকে পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত করা হবে না বলে শিক্ষা দফতরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, “পড়ুয়াকে আটকে রাখার সময়, স্কুলের শিক্ষক প্রয়োজনে পড়ুয়ার পাশাপাশি তার অভিভাবককেও গাইড করবেন এবং মূল্যায়নের বিভিন্ন পর্যায়ে শেখার ফাঁকগুলি চিহ্নিত করার পরে বিশেষ ইনপুট প্রদান করবেন। তবে শিক্ষা সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত কোনও পড়ুয়াকে কোনও স্কুল থেকে বহিষ্কার করা যাবে না, সরকার স্পষ্ট করেছে।

    আরও পড়ুন: ভারত থেকে ব্রহ্মোস মিসাইল কিনতে চলেছে ভিয়েতনাম

    কোথায় কোথায় প্রযোজ্য?

    শিক্ষামন্ত্রকের (Pass Fail System) ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের মতে, বিজ্ঞপ্তিটি কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়, নবোদয় বিদ্যালয় এবং সৈনিক স্কুল সহ কেন্দ্রীয় সরকার দ্বারা পরিচালিত ৩,০০০-এরও বেশি স্কুলে প্রযোজ্য হবে।” রাজ্যগুলি এই বিষয়ে তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত নিতে পারে। ইতিমধ্যেই দিল্লি সহ ১৬টি রাজ্য এবং ২টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এই দুটি শ্রেণিতে নো-ডিটেনশন নীতি বাতিল করেছে। এক আধিকারিক বলেন,”হরিয়ানা এবং পুদুচেরি এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি। বাকি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি নীতিটি চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • National Farmers Day: কৃষকদের পাশে মোদি সরকার, জাতীয় কৃষক দিবসে অন্নদাতাদের প্রতি শ্রদ্ধা

    National Farmers Day: কৃষকদের পাশে মোদি সরকার, জাতীয় কৃষক দিবসে অন্নদাতাদের প্রতি শ্রদ্ধা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের কৃষকদের (National Farmers Day) শ্রদ্ধা জানাতে প্রতি বছর ২৩ ডিসেম্বর ভারতে জাতীয় কৃষক দিবস পালন করা হয়। এই দিনটি ভারতের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী চৌধুরী চরণ সিংয়ের জন্মবার্ষিকী, যিনি কৃষক সম্প্রদায়ের অধিকার ও কল্যাণের পক্ষে সবসময় ছিলেন। একটি কৃষিনির্ভর অর্থনীতি হিসেবে ভারত তার কৃষকদের ওপর অনেক বেশি নির্ভর করে।

    কৃষকদের পাশে মোদি সরকার (National Farmers Day)

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারতের কৃষির ক্ষেত্রে একটি অসাধারণ পরিবর্তন ঘটেছে। জাতির মেরুদণ্ড হিসেবে কৃষকদের (National Farmers Day) গুরুত্ব স্বীকার করে মোদি সরকার প্রগতিশীল নীতিগুলি বাস্তবায়ন করেছে। আধুনিক প্রযুক্তিতে প্রচুর বিনিয়োগ করেছে মোদি সরকার। প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি (PM-KISAN) এবং প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনা (PMFBY) -র মতো প্রকল্পগুলির প্রবর্তন কৃষকদের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা করেছে। কৃষক কল্যাণের প্রতি প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রতিশ্রুতি ভারতের উন্নয়নের মূলে রয়েছে। কৃষিকে দেশের সমৃদ্ধির একটি কেন্দ্রীয় স্তম্ভ বলে নিশ্চিত করা হয়।

    আরও পড়ুন: ভারত থেকে ব্রহ্মোস মিসাইল কিনতে চলেছে ভিয়েতনাম

    জাতীয় কৃষক দিবসের ইতিহাস

    ভারতের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী চৌধুরী চরণ সিংয়ের জীবন ও কৃতিত্বকে সম্মান জানাতে জাতীয় কৃষক (National Farmers Day) দিবস বা কিষাণ দিবস প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তিনি ১৯৭৯ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তাঁর মেয়াদে তিনি কৃষকদের জীবনযাত্রার উন্নতির লক্ষ্যে নীতিগুলিকে অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন, যার মধ্যে রয়েছে ভূমি সংস্কার এবং কৃষিকে উৎসাহিত করার উদ্যোগ। কৃষক সম্প্রদায়ের কল্যাণে তাঁর উত্সর্গের কারণে, তাঁর জন্মদিন ২৩ ডিসেম্বরকে জাতীয় কৃষক দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

    জাতীয় কৃষক দিবসের তাৎপর্য

    দেশের ৩২৮.৭ মিলিয়ন হেক্টরের মধ্যে ৫৪.৮ শতাংশ কৃষি জমি। কৃষকরা তাদের অবিরাম প্রচেষ্টার মাধ্যমে জিডিপি এবং কর্মসংস্থানে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার সঙ্গে সঙ্গে লক্ষ লক্ষ মানুষের ভরণপোষণ নিশ্চিত করেন। ২০২৩-২৪ সালে ৩৩২.২ মিলিয়ন টন রেকর্ড-ব্রেকিং খাদ্যশস্য উৎপাদন হয়েছে।খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কৃষকদের অপরিহার্য ভূমিকার ওপর জোর দেয়। কৃষি গ্রামীণ উদ্যোক্তাকে উৎসাহিত করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে। কৃষকদের (National Farmers Day) প্রচেষ্টার একটি প্রবল প্রভাব রয়েছে। 

    কৃষকদের উদ্যোগ

    আধুনিক ভারতীয় কৃষকরা (National Farmers Day) শুধু চাষিই নয়, উদ্ভাবকও। ফসলের ঘূর্ণন, জৈব চাষ এবং দক্ষ জল ব্যবস্থাপনার মতো টেকসই কৃষি পদ্ধতি গ্রহণ করে, তাঁরা জলবায়ু পরিবর্তন এবং পরিবেশগত অবনতির মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করে। তাদের উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তিকে একীভূত করার জন্য উন্মুক্ততা, যেমন নির্ভুল চাষ এবং ড্রোন-ভিত্তিক পর্যবেক্ষণ, সম্পদ সংরক্ষণের সময় উৎপাদনশীলতা বাড়ায়। এই প্রচেষ্টাগুলি নিশ্চিত করে যে ভারতীয় কৃষি ভবিষ্যতের সঙ্গে আপোস না করেই বর্তমান চাহিদা মেটাতে সবরকমভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

    অন্নদাতা

    কৃষকদের (National Farmers Day) প্রায়ই ‘অন্নদাতা’ বা খাদ্য সরবরাহকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। তারা দেশের খাদ্য সরবরাহ বজায় রাখার জন্য অনিশ্চিত আবহাওয়া, বাজারের ওঠানামা এবং আর্থিক অস্থিতিশীলতার মতো চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে কাজ করে। কিষাণ দিবস ভারতের অর্থনীতি, গ্রামীণ উন্নয়ন এবং খাদ্য নিরাপত্তা বজায় রাখতে কৃষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরে। একইসঙ্গে এই দিনটি ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিযোজন, টেকসই চাষাবাদ অনুশীলন এবং আধুনিক প্রযুক্তির অ্যাক্সেসের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করার একটি সুযোগ হিসেবে কাজ করে। কৃষকদের জীবন উন্নত করার জন্য সরকারি স্কিম এবং সংস্কার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে।

     কৃষক হল সমাজের মেরুদণ্ড

    ভারত কৃষি ভিত্তিক দেশ। এর গ্রামীণ জনসংখ্যার অধিকাংশই কৃষি বা কৃষি-সম্পর্কিত কাজের ওপর নির্ভরশীল। কৃষকরা হলেন সমাজের মেরুদণ্ড। জাতি যাতে পুষ্ট থাকে তা নিশ্চিত করার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেন কৃষকরা। কিষাণ দিবস হল দেশের জন্য কৃষকদের অমূল্য অবদানকে আরও ভালোভাবে বোঝার এবং উপলব্ধি করার একটি দিন। এই দিনে, কৃষিতে বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের সঙ্গে মানুষকে পরিচয় করিয়ে দিতে দেশজুড়ে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই প্রোগ্রামগুলি কৃষকদের মুখোমুখি হওয়া চ্যালেঞ্জগুলি নিয়ে আলোচনা করার এবং তাদের চাহিদা এবং আকাঙ্ক্ষাগুলি অন্বেষণ করার জন্য কাজ করে। তাই, জাতীয় কৃষক দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় কৃষির নিরন্তর মূল্য এবং এটি সংরক্ষণের সম্মিলিত দায়িত্ব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Kuwait: প্রধানমন্ত্রী মোদির ঐতিহাসিক সফর! ভারত কুয়েতের মধ্যে ৪টি মউ চুক্তি স্বাক্ষরিত

    India Kuwait: প্রধানমন্ত্রী মোদির ঐতিহাসিক সফর! ভারত কুয়েতের মধ্যে ৪টি মউ চুক্তি স্বাক্ষরিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) দুই দিনের কুয়েত সফরে (India Kuwait) একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এই সময় ভারত এবং কুয়েতের মধ্যে প্রতিরক্ষা, ক্রীড়া এবং সাংস্কৃতিক সহযোগিতা সম্পর্কিত চারটি মউ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের সচিব অরুণকুমার চট্টোপাধ্যায় এ কথা জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, প্রধানমন্ত্রীর এই ঐতিহাসিক সফর দু’দেশের মধ্যে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।

    কী কী চুক্তি স্বাক্ষরিত

    কুয়েতে (India Kuwait) শীর্ষ ব্যবসায়িক অংশীদারদের তালিকায় ভারতের স্থান উপরের দিকে। এ ছাড়াও সে দেশের জনসংখ্যার একটা বড় অংশই প্রবাসী ভারতীয়। প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi) এই সফর প্রসঙ্গে অরুণকুমার বলেন, “রবিবার, কুয়েতের সঙ্গে চারটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সই হয়েছে। প্রথমটি হল প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিষয়ে মেমোরেনডাম অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং, দ্বিতীয়টি ২০২৫-২০২৯ সালের জন্য সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের প্রোগ্রাম, তৃতীয়টি হল ক্রীড়া ক্ষেত্রের জন্য ২০২৫-২০২৮ সালের জন্য এক্সিকিউটিভ প্রোগ্রাম এবং চতুর্থটি হল কুয়েতের আন্তর্জাতিক সৌর জোট (ISA) এর সদস্যপদ।” 

    প্রতিরক্ষা সহযোগিতা: প্রতিরক্ষা সহযোগিতার মেমোরেনডাম অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং দুটি দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতাকে প্রতিষ্ঠিত করবে। এতে প্রশিক্ষণ, পেশাদার এবং বিশেষজ্ঞদের বিনিময়, যৌথ মহড়া, প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহ এবং গবেষণা ও উন্নয়ন ক্ষেত্রে যৌথ কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

    সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান: ২০২৫-২০২৯ সালের জন্য সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান প্রোগ্রামটি শিল্প, সঙ্গীত, নৃত্য, সাহিত্য ও নাটক, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, গবেষণা ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে উৎসব আয়োজনের ক্ষেত্রে বড় ধরনের সহযোগিতা বৃদ্ধি করবে।

    ক্রীড়া সহযোগিতা: ২০২৫-২০২৮ সালের জন্য ক্রীড়া ক্ষেত্রের এক্সিকিউটিভ প্রোগ্রামটি ভারত এবং কুয়েতের মধ্যে ক্রীড়া ক্ষেত্রে সহযোগিতা শক্তিশালী করবে। এটি ক্রীড়া নেতা, ক্রীড়া চিকিৎসা, ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা, ক্রীড়া মিডিয়া, ক্রীড়া বিজ্ঞান ইত্যাদির ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রোগ্রাম ও প্রকল্পে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করবে।

    কুয়েতের সদস্যপদ: কুয়েত আন্তর্জাতিক সৌর জোটের (ISA) সদস্যপদ লাভ করেছে। আইএসএ সদস্য দেশগুলোর জন্য সৌর শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করবে এবং তাদের কম কার্বন বৃদ্ধি কৌশলগুলো উন্নয়নে সহায়তা করবে।

    আরও পড়ুনঃ মহারাষ্ট্রে মন্ত্রীপরিষদের দফতর ঘোষাণায় শপথ নিলেন আরও ৩৯ জন মন্ত্রী, কে কোন দফতর পেলেন?

    কুয়েতের অর্থনীতিতে ভারতীয়দের অবদান

    কুয়েতের (India Kuwait) শ্রমশক্তির ৩০ শতাংশই ভারতের নাগরিক। ভারতে অপরিশোধিত তেল সরবরাহকারী দেশের তালিকায় কুয়েত ষষ্ঠ স্থানে। দুই দেশ এই কথা স্মরণ করে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি করছে। দুই পক্ষই কুয়েতের অর্থনীতিতে ভারতীয়দের গুরুত্বপূর্ণ অবদানকে স্বীকার করেছে। রবিবারই কুয়েত সফর শেষে দেশে ফিরে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share