Tag: Narendra Modi

Narendra Modi

  • Mahesh Dixit IPS: দেশের নতুন গোয়েন্দা প্রধান মহেশ দীক্ষিত, এই দুঁদে আইপিএসকে কেন বেছে নিল কেন্দ্র?

    Mahesh Dixit IPS: দেশের নতুন গোয়েন্দা প্রধান মহেশ দীক্ষিত, এই দুঁদে আইপিএসকে কেন বেছে নিল কেন্দ্র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (আইবি)-র পরবর্তী ডিরেক্টর হিসেবে নিয়োগ পেলেন প্রবীণ আইপিএস অফিসার মহেশ দীক্ষিত। বর্তমানে আইবির স্পেশাল ডিরেক্টর পদে কর্মরত দীক্ষিত বিদায়ী ডিরেক্টর তপন কুমার ডেকা-র স্থলাভিষিক্ত হবেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ক্যাবিনেটের অ্যাপয়েন্টমেন্টস কমিটি (ACC) তাঁর নিয়োগে অনুমোদন দিয়েছে।

    কেন্দ্রের নির্দেশে কী বলা হয়েছে?

    কেন্দ্রীয় কর্মীবর্গ ও প্রশিক্ষণ দফতরের (DoPT) জারি করা নির্দেশিকা অনুযায়ী, মহেশ দীক্ষিতকে পরিষেবার মেয়াদ বাড়িয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের দিন থেকে দুই বছরের জন্য, অথবা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই পদে বহাল থাকবেন। সরকারি নির্দেশে জানানো হয়েছে, এফআর ৫৬(ডি) এবং অল ইন্ডিয়া সার্ভিসেস (ডেথ-কাম-রিটায়ারমেন্ট বেনিফিটস) রুলস, ১৯৫৮-এর রুল ১৬(১এ)-এর বিধান অনুযায়ী তাঁর চাকরির মেয়াদ বাড়ানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যাতে তিনি আইবি-র ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব নিতে পারেন। বর্তমান আইবি প্রধান তপন কুমার ডেকার কার্যকালের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ৩০ জুন। তাঁর উত্তরসূরি হিসেবেই দীক্ষিতের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে।

    কে এই মহেশ দীক্ষিত?

    মহেশ দীক্ষিত ১৯৯৩ ব্যাচের ইন্ডিয়ান পুলিশ সার্ভিস (IPS)-র কর্মকর্তা। তিনি তেলঙ্গানা ক্যাডারের অফিসার হলেও দীর্ঘদিন ধরে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। বিশেষ বিষয় হল, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পেশায় যোগ দেওয়ার আগে তিনি চিকিৎসক (Medical Doctor) হিসেবে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। পরে চিকিৎসা পেশা ছেড়ে সিভিল সার্ভিসে যোগ দিয়ে আইপিএস হন।

    দীর্ঘ গোয়েন্দা অভিজ্ঞতা

    তিন দশকেরও বেশি কর্মজীবনে মহেশ দীক্ষিত সন্ত্রাসবাদ দমন, জাতীয় নিরাপত্তা এবং গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ সংক্রান্ত একাধিক সংবেদনশীল দায়িত্ব সামলেছেন। নিরাপত্তা মহলে তাঁকে অত্যন্ত অভিজ্ঞ ও দক্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তা হিসেবে গণ্য করা হয়। আইবির সদর দফতরে স্পেশাল ডিরেক্টর হওয়ার আগে তিনি জম্মু ও কাশ্মীরে সাবসিডিয়ারি ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (SIB)-র প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেই সময় উপত্যকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে তাঁর ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য বলে মনে করা হয়।

    অনুচ্ছেদ ৩৭০ প্রত্যাহারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

    মহেশ দীক্ষিতের কর্মজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ২০১৯ সালের আগস্টে জম্মু ও কাশ্মীর থেকে সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহারের সময়কার দায়িত্ব। সেই সময় গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ, নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং সম্ভাব্য অশান্তি মোকাবিলায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। প্রশাসনিক পরিবর্তনের সময় গোটা অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে তাঁর অবদান ছিল তাৎপর্যপূর্ণ।

    জি-২০ বৈঠকের নিরাপত্তার দায়িত্বেও ছিলেন

    ২০২৩ সালে শ্রীনগরে অনুষ্ঠিত জি-২০ ট্যুরিজম ওয়ার্কিং গ্রুপ-এর বৈঠক ছিল আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অনুষ্ঠান। সেই সম্মেলনকে ঘিরে গোয়েন্দা নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও সামলেছিলেন মহেশ দীক্ষিত।

    গত বছর হয়েছিলেন আইবির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদাধিকারী

    ২০২৫ সালে মহেশ দীক্ষিতকে আইবির স্পেশাল ডিরেক্টর পদে উন্নীত করা হয়। এই পদটি সংস্থার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রশাসনিক পদ হিসেবে বিবেচিত হয়। সেই থেকেই তিনি আইবির শীর্ষ নেতৃত্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন। এবার সংস্থার সর্বোচ্চ পদে বসে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা, সাইবার হুমকি, আন্তঃসীমান্ত অনুপ্রবেশ এবং অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেবেন তিনি।

    কেন এই নিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ?

    ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। সীমান্ত সন্ত্রাসবাদ, বিচ্ছিন্নতাবাদ, সাইবার অপরাধ, উগ্রপন্থা এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের দায়িত্ব এই সংস্থার উপরেই বর্তায়। এই পরিস্থিতিতে কাশ্মীর-সহ একাধিক সংবেদনশীল এলাকায় দীর্ঘ মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা, গোয়েন্দা কার্যক্রমে দক্ষতা এবং জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই মহেশ দীক্ষিতকে আইবির নতুন ডিরেক্টর হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক মহলের ধারণা।

  • Iran: খামেনেইর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে আমন্ত্রণ ইরানের প্রেসিডেন্টের

    Iran: খামেনেইর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে আমন্ত্রণ ইরানের প্রেসিডেন্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানের (Iran) প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ্ সৈয়দ আলি খামেনেইর রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ও দাফন অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, খামেনেইর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ও দাফনের অনুষ্ঠান প্রথমে মার্চ মাসে আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে ইরান-ইজরায়েল এবং আমেরিকাকে ঘিরে সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে সেই কর্মসূচি স্থগিত করা হয়। পরে ইরানি কর্তৃপক্ষ ৪ জুলাই থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন শহরে একাধিক অনুষ্ঠানের সূচি নির্ধারণ করে।

    খামেনেইর অন্ত্যেষ্টিতে আমন্ত্রণ ভারতের (Iran)

    অনুষ্ঠানের সূচনা হবে ৪ জুলাই তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্সে। সেখানে খামেনেইর মরদেহ জনসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হবে। দেশজুড়ে লাখো মানুষের উপস্থিতিতে শোকানুষ্ঠান ও বিভিন্ন ধর্মীয় কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তেহরান এবং পবিত্র নগরী কোমে বিশাল শোকমিছিলের আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি ইরাকের নাজাফ ও কারবালা শহরেও বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে ৯ জুলাই উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদ শহরে ইমাম রেজা মাজারে খামেনেইকে দাফন দেওয়া হবে। মাশহাদই ছিল খামেনেইর জন্মস্থান। সপ্তাহব্যাপী এই শোকানুষ্ঠানে লক্ষাধিক নয়, বরং কয়েক মিলিয়ন মানুষ অংশ নেবেন বলে আশা ইরানি প্রশাসনের (Iran)।

    ভারত-ইরান সম্পর্ক

    প্রসঙ্গত, ভারত এবং ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই কূটনৈতিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বজায় রয়েছে। সাম্প্রতিক পশ্চিম এশিয়া সঙ্কটকালেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর একাধিকবার ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। এর আগে ইরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানেও ভারতের প্রতিনিধিত্ব দেখা গিয়েছে। ২০২৪ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় ভারতের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। একই বছরে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গডকরি।

    সম্প্রতি ব্রিকসভুক্ত দেশগুলির বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে যোগ দিতে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি নয়াদিল্লি সফরে এসেছিলেন। ওই সফরে তিনি ভারতের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন, সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও (Iran)। ইরানের এই (PM Modi) রাষ্ট্রীয় শোকের অনুষ্ঠানে ইরাক, পাকিস্তান, রাশিয়া, চিন-সহ একাধিক আঞ্চলিক দেশের প্রতিনিধিদল উপস্থিত থাকতে পারে বলেও খবর।

     

  • Shyama Prasad Mukherjee: শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর, জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতাকে স্মরণ বিজেপি নেতৃত্বের

    Shyama Prasad Mukherjee: শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর, জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতাকে স্মরণ বিজেপি নেতৃত্বের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা তথা বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের (Shyama Prasad Mukherjee) মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-সহ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব (PM Modi)। রবিবার ছিল তাঁর ৭৩তম মৃত্যুবার্ষিকী। সেই উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে তাঁকে স্মরণ করেন পদ্ম নেতৃত্ব।

    শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর (Shyama Prasad Mukherjee)

    এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লেখেন, “দেশের মহান সন্তান, বিশিষ্ট চিন্তাবিদ এবং শিক্ষাবিদ ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের শাহাদত দিবসে তাঁকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। তিনি মাতৃভূমির সেবায় নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। তাঁর গতিশীল ব্যক্তিত্ব দেশের প্রতিটি প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে যাবে।”

    শাহি স্মরণে শ্যামাপ্রসাদ

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, “দেশের ঐক্য, অখণ্ডতা ও আত্মমর্যাদার জন্য তিনি আজীবন সংগ্রাম করেছেন।” তাঁর দাবি, ‘এক নিশান, এক বিধান, এক প্রধান’ স্লোগান তুলে জম্মু-কাশ্মীরকে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পশ্চিমবঙ্গকে ভারতের অংশ হিসেবে ধরে রাখার লড়াইয়েও তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য। শাহ বলেন, “সংবিধান সভার সদস্য হিসেবে ভাষা ও সংস্কৃতি সংক্রান্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। ভারতীয় জনসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি দেশের মানুষের সামনে একটি বিকল্প রাজনৈতিক দর্শন তুলে ধরেছিলেন।”

    শ্রদ্ধা জানালেন নাড্ডাও

    শ্যামাপ্রসাদকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও। দিল্লিতে দলের সদর দফতরে শ্যামাপ্রসাদের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন তিনি। দলীয় কর্মীদের মধ্যে গাছের চারাও বিলি করেন নাড্ডা। তিনি বলেন, “সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদ ও জাতীয় ঐক্যের স্থপতি ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ত্যাগ ও আদর্শ আগামিদিনেও দেশবাসীকে অনুপ্রাণিত করবে (Shyama Prasad Mukherjee)।”

    জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা

    প্রসঙ্গত, শ্যামাপ্রসাদ ছিলেন ভারতীয় জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা, যা পরবর্তীকালে বিজেপির আদর্শগত ভিত্তি হিসেবে পরিচিত হয়। স্বাধীনতার পর তিনি প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর মন্ত্রিসভায় শিল্প ও সরবরাহ মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছিলেন। ১৯৫০ সালে দিল্লি চুক্তি নিয়ে মতবিরোধের জেরে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। ১৯৫১ সালের ২১ অক্টোবর দিল্লিতে ভারতীয় জনসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। দলের প্রথম সভাপতি হন শ্যামাপ্রসাদই। ১৯৫৩ সালে (PM Modi) জম্মু-কাশ্মীর সফরে গিয়েছিলেন তিনি। ১১ মে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। বন্দি ছিলেন জেলে। সেখানেই ওই বছরেরই ২৩ জুন মৃত্যু হয় তাঁর। শ্যামাপ্রসাদের মৃত্যু নিয়ে আজও রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা ও বিতর্ক রয়েছে (Shyama Prasad Mukherjee)।

     

  • Amit Shah: “হেডগেওয়ারের ‘নেশন ফার্স্ট’ দর্শন আজও ভারতের অগ্রগতির ভিত্তি”, বললেন শাহ

    Amit Shah: “হেডগেওয়ারের ‘নেশন ফার্স্ট’ দর্শন আজও ভারতের অগ্রগতির ভিত্তি”, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরএসএসের (RSS) প্রতিষ্ঠাতা ড. কেশব বালিরাম হেডগেওয়ারের মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁকে শ্রদ্ধা জানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেন, “হেডগেওয়ারের (Amit Shah) ‘নেশন ফার্স্ট’, সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদ এবং আত্মবিশ্বাস ও স্বদেশি ভাবনায় গড়ে ওঠা সংগঠিত সমাজের ধারণা আজও ভারতের অগ্রগতির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।” এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “আরএসএসের প্রতিষ্ঠাতা পরম পূজ্য ড. হেডগেওয়ারজির মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁকে আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই।”

    হেডগেওয়ারের অবদান (Amit Shah)

    হেডগেওয়ারের অবদানের কথা স্মরণ করে শাহ বলেন, “দীর্ঘমেয়াদি জাতি গঠন ও সামাজিক ঐক্যের লক্ষ্য নিয়ে তিনি আরএসএস প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।” তাঁর মতে, হেডগেওয়ার ‘নেশন ফার্স্ট’ এবং সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদের আদর্শ দেশের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন। তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন একটি নিরাপদ, সমৃদ্ধশালী ও বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্র গঠনের। শাহ বলেন, “হেডগেওয়ার এমন একটি সংগঠিত সমাজের কল্পনা করেছিলেন, যা অস্পৃশ্যতা ও সামাজিক বৈষম্যমুক্ত হবে এবং আত্মবিশ্বাস ও স্বনির্ভরতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ থাকবে। তাঁর সেই স্বদেশি-ভিত্তিক চিন্তাধারাই বর্তমানে ভারতের উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে”।

    কী বললেন শাহ?

    হেডগেওয়ারের জীবন ও আদর্শের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “দেশমাতৃকার প্রতি অসীম ভালোবাসা, শৃঙ্খলা ও আত্মনিবেদনের এক অক্ষয় উৎস হল তাঁর জীবন (Amit Shah)।” এদিকে, এদিনই মহারাষ্ট্রের কোলহাপুর জেলার ইচলকরঞ্জিতে এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে জাতীয় নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা এবং গ্রামীণ উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। তিনি বলেন, “এক সময় ভারতে একটি গুলিও তৈরি হত (RSS) না। আজ আমরা ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন করছি, এবং আত্মনির্ভর ভারতের শক্তি নিয়ে বিশ্বের সামনে দাঁড়িয়ে আছি।” তিনি জানান, মোদি সরকারের আমলে আধুনিক এবং আরও শক্তিশালী করে তোলা হয়েছে সশস্ত্র বাহিনীকে (Amit Shah)।

     

  • PM Modi: “সামুদ্রিক শক্তি ছাড়া কোনও দেশ মহাশক্তিধর হতে পারে না”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “সামুদ্রিক শক্তি ছাড়া কোনও দেশ মহাশক্তিধর হতে পারে না”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সমুদ্রভিত্তিক সক্ষমতা ছাড়া কোনও দেশ কখনও মহাশক্তিধর হয়ে উঠতে পারে না”, বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর কথায়, “উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি—এই তিনটি ক্ষেত্রই সমুদ্রের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত (Maritime Co-operation)।” রবিবার কলকাতায় ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য নির্মিত তিনটি অত্যাধুনিক দেশীয় যুদ্ধজাহাজ—আইএনএস দুনাগিরি (INS Dunagiri), আইএনএস সংশোধক (INS Sanshodhak) এবং আইএনএস আগ্রয় (INS Agray)-এর কমিশনিং অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন তিনি।

    ভারতের দৃষ্টিতে সমুদ্র (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত বরাবরই সমুদ্রকে সহযোগিতার মাধ্যম হিসেবে দেখেছে। তবে শান্তি রক্ষা ও জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষিত রাখতে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও সমানভাবে জরুরি।” তাঁর মতে, সমৃদ্ধির পূর্বশর্ত হল নিরাপত্তা এবং আত্মনির্ভরতা ভবিষ্যৎ গঠনের ভিত্তি। এই ভাবনার প্রতীক হিসেবেই তিনটি নতুন যুদ্ধজাহাজ ভারতীয় নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এর আগে কলকাতায় আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে এসে যোগ দেন এই কমিশনিং অনুষ্ঠানে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ ভারতের নবজাগরণ ও চিন্তাধারাকে নতুন দিশা দিয়েছে এবং সমুদ্রপথে ভারতকে বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত করেছে।”

    বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস

    তিনি মনে করিয়ে দেন, ২১ জুন বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস হিসেবেও পালিত হয়। এমন দিনে ভারতের অন্যতম আধুনিক হাইড্রোগ্রাফিক জাহাজ আইএনএস সংশোধককে নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি জানান, বর্তমানে বিশ্বের অধিকাংশ বাণিজ্য সমুদ্রপথেই হয়। আন্তর্জাতিক তথ্য আদান-প্রদানের গুরুত্বপূর্ণ ডেটা নেটওয়ার্কও সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে বিস্তৃত। ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, গভীর সমুদ্রের সম্পদ এবং নতুন শক্তির উৎসও সমুদ্রকেন্দ্রিক হবে। ফলে যে দেশ সমুদ্রশক্তিতে এগিয়ে থাকবে, তার অর্থনৈতিক ও কৌশলগত প্রভাবও তত বেশি হবে (PM Modi)।

    আত্মনির্ভর ভারতের পথে আরও একধাপ

    তিনি বলেন, “ভারত ইতিমধ্যেই নিজের নৌ-ক্ষমতা বৃদ্ধির পথে দ্রুত এগিয়ে চলেছে। আইএনএস বিক্রান্তকে দেশের উদ্দেশে উৎসর্গ করার মাধ্যমে ভারতের সামুদ্রিক শক্তির নয়া অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল। সেই যাত্রার ধারাবাহিকতায় আইএনএস আগ্রয়, আইএনএস দুনাগিরি এবং আইএনএস সংশোধক ভারতকে আরও আত্মনির্ভর এবং শক্তিশালী করে তুলবে।” জানা গিয়েছে (Maritime Co-operation), ভারতীয় নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ নকশা ব্যুরো এবং কলকাতার গার্ডেন রিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্সের তৈরি এই তিন জাহাজ সমুদ্রযুদ্ধ, হাইড্রোগ্রাফিক সমীক্ষা এবং সাবমেরিন-বিরোধী অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দেশীয় প্রযুক্তি ও উৎপাদন ক্ষমতার কংক্রিট উদাহরণই হল এই তিন জাহাজ (PM Modi)।

     

  • PM Modi: আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে ‘সুস্থ বার্ধক্যের’ বার্তা, যোগচর্চার মাধ্যমে মানব সম্ভাবনা ধরে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে ‘সুস্থ বার্ধক্যের’ বার্তা, যোগচর্চার মাধ্যমে মানব সম্ভাবনা ধরে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২১ জুন, আন্তর্জাতিক যোগ দিবস (Yoga Day)। এই উপলক্ষে কলকাতার রেড রোডে অনুষ্ঠিত ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মূল অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন, যোগ শুধু শরীরচর্চা নয়, এটি মানুষের শারীরিক সক্ষমতা, মানসিক শক্তি এবং জীবনধারাজনিত রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার অন্যতম কার্যকর উপায়। তিনি বলেন, “বয়স বাড়লেও যেন মানুষের সম্ভাবনা ও কর্মক্ষমতা কমে না যায়, সেই লক্ষ্যেই যোগচর্চাকে জীবনের অংশ করে তুলতে হবে।”

    আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা (PM Modi)

    এবারের আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের থিম ছিল ‘যোগা ফর হেল্দি এজিং’ (Yoga for Healthy Ageing) । এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জানান, এই থিমকে শুধুমাত্র প্রবীণদের জন্য সীমাবদ্ধ ভাবা উচিত নয়। বরং সব বয়সের মানুষের জন্যই এটি আজীবন সুস্থতা ও স্বাস্থ্যের অনুপ্রেরণা হওয়া উচিত। তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত ৪০ বছর বয়সে ২০ বছরের তুলনায় আরও বেশি নমনীয় হওয়া, ৫০ বছরে ৩০ বছরের তুলনায় আরও বেশি উদ্যমী থাকা এবং ৭০ বছরে ৫০ বছরের তুলনায় জীবনধারাজনিত রোগের বিরুদ্ধে আরও বেশি করে প্রতিরোধ গড়ে তোলা। এই লক্ষ্য পূরণে যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।” তিনি (PM Modi) এও বলেন, “নিয়মিত যোগচর্চা শরীরকে নমনীয় রাখে, শক্তির মাত্রা বাড়ায় এবং মানসিক চাপমুক্ত জীবনযাপনে সহায়তা করে। পাশাপাশি এটি মানুষকে নিজের শরীর ও মনের প্রতি আরও সচেতন হতে শেখায়, যা সুস্থ জীবনযাপনের ভিত তৈরি করে।”

    একতার বার্তা

    প্রধানমন্ত্রী মনে করিয়ে দেন, বর্তমানে যোগ বিশ্বজুড়ে মানুষের মধ্যে একতার বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে। ভৌগোলিক সীমারেখা ও সাংস্কৃতিক পার্থক্য অতিক্রম করে যোগ আজ একটি বৈশ্বিক আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, “হিমালয় থেকে ভারত মহাসাগর, উত্তর-পূর্ব ভারত ও বাংলা থেকে সৌরাষ্ট্র—আজ গোটা দেশ যেন যোগের শক্তিতে উজ্জীবিত।” ২১ জুন বিশ্বের দীর্ঘতম দিনগুলির একটি হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের কারণে এই দিনটি এখন বিশ্বের বৃহত্তম সম্মিলিত উদযাপনের দিনে পরিণত হয়েছে।” বিশ্ববাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যোগ মানুষের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে (Yoga Day), সবাইকে একসূত্রে বাঁধে। আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে আমি সমগ্র মানবজাতিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।”

    অনন্য আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা

    পশ্চিমবঙ্গে যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই রাজ্য শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস, স্বামী বিবেকানন্দ এবং মহান যোগসাধক লাহিড়ী (শ্যামাচরণ লাহিড়ী) মহাশয়ের মতো আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্বদের স্মৃতিবিজড়িত। তাঁদের সাধনাভূমিতে সম্মিলিত যোগাভ্যাস এক অনন্য আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা।” আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গজুড়ে পরিচালিত পরিচ্ছন্নতা অভিযানেরও প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। বলেন, “আজ যোগ দিবসে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের পরিচালিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান সত্যিই প্রশংসনীয় এবং অনুকরণীয় উদ্যোগ।”

     

  • Assam: অসমে প্রথমবার ভারত-জাপান শীর্ষ বৈঠক, খুলছে উত্তর-পূর্বে উন্নয়ন-লগ্নির নতুন দোর!

    Assam: অসমে প্রথমবার ভারত-জাপান শীর্ষ বৈঠক, খুলছে উত্তর-পূর্বে উন্নয়ন-লগ্নির নতুন দোর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের কূটনৈতিক ইতিহাসে সূচনা হতে চলেছে এক নয়া অধ্যায়ের। এই প্রথমবার রাজধানী নয়াদিল্লির বাইরে অসমের (Assam) গুয়াহাটিতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ভারত-জাপান বার্ষিক দ্বিপাক্ষিক শীর্ষ সম্মেলন (Japan Summit)। জুলাই মাসেই জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি অসম সফরে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে অংশ নেবেন গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে।

    ‘অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি’ (Assam)

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সম্মেলনের মাধ্যমে ভারতের ‘অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি’ আরও গতি পাবে এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পাবে আন্তর্জাতিক স্তরে। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য ও যোগাযোগের প্রবেশদ্বার হিসেবে দেখা হয়। ফলে গুয়াহাটিতে এই শীর্ষ বৈঠক আয়োজনের মাধ্যমে জাপান, উত্তর-পূর্ব ভারত এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও পরিকাঠামোগত সহযোগিতা আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর ফলে অসম-সহ গোটা উত্তর-পূর্বাঞ্চলে শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে বলেই অনুমান। এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের মাধ্যমে অসমকে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছে একটি সম্ভাবনাময় গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরা হবে। রাজ্যের প্রাকৃতিক সম্পদ, দক্ষ যুবশক্তি এবং দ্রুত উন্নয়নশীল পরিকাঠামো বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

    জাপানের প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর

    জাপান ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারের সঙ্গে সরাসরি বাণিজ্যিক সংযোগ বৃদ্ধি পেলে পরিবহণ ব্যয় ও সময় কমবে, যা ব্যবসা-বাণিজ্যের পক্ষে একটা বড় সমস্যার সমাধানে করবে। জাপানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সানায়ে তাকাইচির এটি হবে প্রথম ভারত সফর। তাঁর সঙ্গে ভারতে আসবেন ৫০ জনেরও বেশি শীর্ষ শিল্পপতি ও কর্পোরেট প্রতিনিধি। প্রতিনিধি দলে থাকবেন সুজুকি মোটরের প্রেসিডেন্ট তোশিহিরো সুজুকি, ইতোচু কর্পোরেশন এবং টয়োটা সুশোর শীর্ষ আধিকারিকরাও। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও সানায়ে তাকাইচির বৈঠকে শুধু পরিকাঠামো নয়, সেমিকন্ডাক্টর, উন্নত প্রযুক্তি, ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন, সাপ্লাই চেন (Japan Summit) রেজিলিয়েন্স, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ও আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও আলোচনা হতে পারে (Assam)। এই বৈঠকের মাধ্যমে উত্তর-পূর্ব ভারতে উৎপাদন শিল্প ও প্রযুক্তি খাতে নয়া  বিনিয়োগের দ্বার খুলে দিতে পারে বলেই আশা বিশেষজ্ঞদের।

    আরও বড় বিনিয়োগের সম্ভাবনা

    ইতিমধ্যেই জাপান অসম ও উত্তর-পূর্ব ভারতে একাধিক পরিকাঠামো, এবং যোগাযোগ প্রকল্পে সহযোগিতা করছে। ২০২৩ সালে জাপানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার ভারত সফরে ঘোষিত ‘বে অফ বেঙ্গল–নর্থইস্ট ইন্ডিয়া ইন্ডাস্ট্রিয়াল ভ্যালু চেন কনসেপ্ট’ উত্তর-পূর্ব ভারতকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উৎপাদন ও লজিস্টিক্স কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়েছিল। এদিকে, টাটা গোষ্ঠীর সেমিকন্ডাক্টর অ্যাসেম্বলি ইউনিট, রিলায়েন্সের ডেটা সেন্টার এবং আদানি গোষ্ঠীর বিদ্যুৎ প্রকল্পের মতো বড় শিল্প লগ্নি শুরু হয়েছে অসমে। ফলে জাপানি সংস্থাগুলির আরও বড় বিনিয়োগের সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে (Assam)। অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি ভারত-জাপান অংশীদারিত্ব উত্তর-পূর্ব ভারতে নিরাপত্তা ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সম্মেলনের মাধ্যমে অসম এবং সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারত আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও কৌশলগত মানচিত্রে আরও গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখল করবে, এবং (Japan Summit) জাপান আত্মপ্রকাশ করবে এই অঞ্চলের (Assam) অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে।

     

  • PM Modi: “পশ্চিমবঙ্গ ভারতে থেকে গিয়েছিল শ্যামাপ্রসাদের জন্যই”, তারকেশ্বরে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “পশ্চিমবঙ্গ ভারতে থেকে গিয়েছিল শ্যামাপ্রসাদের জন্যই”, তারকেশ্বরে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অংশ হিসেবে থেকে যাওয়ার নেপথ্যে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা মনে করিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Modi)। শনিবার, ২০ জুন পশ্চিমবঙ্গ দিবস (Paschim Banga Divas) উপলক্ষে হুগলির তারকেশ্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি দাবি করেন, ‘দেশভাগের সময় পশ্চিমবঙ্গকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করার ষড়যন্ত্র চলছিল। সেই পরিস্থিতিতে কংগ্রেস নেতৃত্ব হাল ছেড়ে দিলেও, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় দৃঢ়ভাবে তার বিরোধিতা করেছিলেন, এবং পশ্চিমবঙ্গকে ভারতের সঙ্গে রাখার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন।’ শনিবার বিকেলে তারকেশ্বরে পশ্চিমবঙ্গ দিবসের অনুষ্ঠানে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী। সভামঞ্চে তাঁকে ডোকরার দুর্গামূর্তি, তারকনাথের ছবি, রসগোল্লা এবং জলভরা সন্দেশ উপহার দিয়ে স্বাগত জানান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল আর এন রবিও।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০ জুন পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে এক স্মরণীয় দিন। ১৯৪৭ সালের এই দিনেই বাংলার প্রাদেশিক আইনসভায় পশ্চিমবঙ্গকে পৃথক করে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিল। সেই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের নেপথ্যে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” এদিন সকালে কলকাতায় আসার আগে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছিলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে আমার বোন ও ভাইদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। এই রাজ্য সাহিত্য, সঙ্গীত, শিল্প, আধ্যাত্মিকতা, বিজ্ঞান, বাণিজ্য ও ব্যবসা, সমাজ সংস্কার এবং আরও অনেক বৈচিত্র্যময় ক্ষেত্রে তার অবদানের মাধ্যমে ভারতের ইতিহাসকে রূপদান করেছে। ভারতের জাতীয় চেতনাকে সমৃদ্ধ করেছে।’’ পশ্চিমবঙ্গ দিবসের গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে তিনি লিখেছিলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে ২০ জুন দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই দিনেই নিশ্চিত করা হয়েছিল যে, পশ্চিমবঙ্গ ভারতের একটি অংশ হিসাবে থাকবে। এর নেপথ্যে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অমূল্য অবদান ছিল। ২০২৬ সালে আমরা তাঁর ১২৫তম জন্মজয়ন্তী পালন করছি (PM Modi)।’’

    পশ্চিমবঙ্গ দিবস

    প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন নিয়ে অতীতে ঢের রাজনৈতিক বিতর্ক হয়েছে। তবে রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার ২০ জুনকেই সরকারিভাবে পশ্চিমবঙ্গ দিবস হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই উপলক্ষেই তারকেশ্বরে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানেই শ্যামাপ্রসাদের অবদান স্মরণ করা হয় বিশেষভাবে। প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে তারকেশ্বরজুড়ে ছিল কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা। সভাস্থল পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্যের নানা প্রতীক দিয়ে সাজানো হয়েছিল (Paschim Banga Divas)। কলকাতার হলুদ ট্যাক্সি, হাতে টানা রিকশা, দক্ষিণেশ্বর মন্দির, বেলুড় মঠের প্রতিরূপের পাশাপাশি দেশ-বিদেশের নানা ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছিল (PM Modi) মঞ্চ।

     

  • PM Modi Bengal Visit: পশ্চিমবঙ্গ দিবসে রাজ্যবাসীকে বাংলায় বিশেষ বার্তা প্রধানমন্ত্রীর, তারকেশ্বরেই কেন আয়োজন? জেনে নিন ঐতিহাসিক কারণ

    PM Modi Bengal Visit: পশ্চিমবঙ্গ দিবসে রাজ্যবাসীকে বাংলায় বিশেষ বার্তা প্রধানমন্ত্রীর, তারকেশ্বরেই কেন আয়োজন? জেনে নিন ঐতিহাসিক কারণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই দিনের গুরুত্বপূর্ণ পশ্চিমবঙ্গ সফরে শনিবার রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠান এবং দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজের উদ্বোধন— একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক উভয় দিক থেকেই এই সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    পশ্চিমবঙ্গ দিবসে বিশেষ বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে সামাজিক মাধ্যমে বাংলার মানুষকে বাংলা ভাষায় শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর বার্তায় পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক এবং জাতীয় অবদানের প্রশংসা শোনা যায়। প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গের আমার বোন ও ভাইদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। এই দিনটি এমন এক রাজ্যকে উদযাপন করে যা সাহিত্য, সঙ্গীত, শিল্প, আধ্যাত্মিকতা, বিজ্ঞান, বাণিজ্য ও ব্যবসা, সমাজ সংস্কার এবং আরও অনেক বৈচিত্র্যময় ক্ষেত্রে তার অবদানের মাধ্যমে ভারতের ইতিহাসকে রূপদান করেছে। বারবার, অগণিত ভাবে পশ্চিমবঙ্গ ভারতের জাতীয় চেতনাকে সমৃদ্ধ করেছে। পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে ২০ জুন দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই দিনেই নিশ্চিত করা হয়েছিল যে পশ্চিমবঙ্গ ভারতের একটি অংশ হিসেবেই থাকবে। এর পেছনে ছিল ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অমূল্য অবদান। ২০২৬ সালে, আমরা ড. মুখোপাধ্যায়ের ১২৫তম জন্মজয়ন্তীও পালন করছি। জনগণের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে। আমি পশ্চিমবঙ্গের অগ্রগতি এবং পশ্চিমবঙ্গবাসীর সমৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করছি।’’

    ওড়িশা থেকে কলাইকুণ্ডা, তারপর তারকেশ্বর

    প্রধানমন্ত্রীর দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ, শনিবার, ওড়িশার কর্মসূচি শেষ করে দুপুর প্রায় ২টা ৩০ মিনিট নাগাদ পশ্চিম মেদিনীপুরের কলাইকুণ্ডা বিমানঘাঁটিতে পৌঁছবেন নরেন্দ্র মোদি। সেখান থেকে হেলিকপ্টারে হুগলির তারকেশ্বরের উদ্দেশে রওনা দেবেন তিনি। বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে প্রায় ৫টা পর্যন্ত তারকেশ্বরে আয়োজিত পশ্চিমবঙ্গ দিবসের অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি জনসভায় বক্তব্যও রাখতে পারেন বলে প্রশাসনিক সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে। অনুষ্ঠান শেষে তারকেশ্বর হেলিপ্যাড থেকে হেলিকপ্টারে কলকাতার রেসকোর্সে পৌঁছবেন মোদি। সেখান থেকে সড়কপথে যাবেন লোকভবনে। শনিবার রাতের জন্য কলকাতাতেই অবস্থান করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    তারকেশ্বরকে ঘিরে রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক তাৎপর্য

    মাসের শুরুতেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছিলেন যে পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে তারকেশ্বরে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন। সেই সময় তিনি জানিয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে সামনে রেখে নতুনভাবে সাজানো হবে তারকেশ্বর শহরকে। এই কর্মসূচির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটও। ইতিহাসবিদদের মতে, পশ্চিমবঙ্গকে ভারতের অংশ হিসেবে বজায় রাখার দাবিতে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যুক্ত ছিল তারকেশ্বরের সঙ্গে। তারকেশ্বরে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলন থেকেই পশ্চিমবঙ্গ গঠনের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছিল। সেই ঐতিহাসিক স্মৃতিকে সামনে রেখেই এ বছরের পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপনের কেন্দ্র হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে তারকেশ্বরকে।

    রবিবার আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে রেড রোডে প্রধানমন্ত্রী

    আগামিকাল, রবিবার, ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতার রেড রোডে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। রবিবার সকালে লোকভবন থেকে রেড রোডে পৌঁছবেন তিনি। সরকারি সূচি অনুযায়ী, সকাল প্রায় ৬টা ৩০ মিনিট থেকে ৭টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত রেড রোডের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে হাজার হাজার যোগাভ্যাসকারীর সঙ্গে যোগ দিবসের কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

    গার্ডেনরিচে দেশীয় যুদ্ধজাহাজের উদ্বোধন

    যোগ দিবসের অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী ফের লোকভবনে ফিরে যাবেন। এরপর তিনি গার্ডেনরিচে যাবেন, যেখানে ভারতীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত নৌবাহিনীর তিনটি যুদ্ধজাহাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ‘আত্মনির্ভর ভারত’ কর্মসূচির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে এই উদ্বোধনকে দেখা হচ্ছে। দেশীয় জাহাজ নির্মাণ শিল্পের সক্ষমতা প্রদর্শনের ক্ষেত্রেও এই অনুষ্ঠান বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। গার্ডেনরিচের কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর রেসকোর্স থেকে হেলিকপ্টারে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে বিশেষ বিমানে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেবেন তিনি।

  • Modi Trump Meeting: ট্রাম্পের মুখে মোদিস্তুতি! বললেন ‘খুবই কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বী’; জি-৭ বৈঠকের পর নতুন মন্তব্য

    Modi Trump Meeting: ট্রাম্পের মুখে মোদিস্তুতি! বললেন ‘খুবই কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বী’; জি-৭ বৈঠকের পর নতুন মন্তব্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে ফের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের পর একাধিক মন্তব্যে ট্রাম্প মোদিকে “খুবই কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বী” (Very Tough Cookie) বলে উল্লেখ করেছেন। একইসঙ্গে তিনি চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী মোদিকে বিশ্বের অন্যতম প্রশংসনীয় নেতা বলেও অভিহিত করেন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ট্রাম্প বলেছেন, “শি জিনপিং পুরোপুরি কাজমুখী নেতা। আর নরেন্দ্র মোদি অত্যন্ত কঠিন একজন মানুষ, আলোচনার টেবিলে তাঁকে হারানো সহজ নয়।”

    কঠোর ও দক্ষ আলোচক

    এর আগে ফ্রান্সের জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের সময়ও ট্রাম্প তাঁর প্রশংসা করেছিলেন। সে সময় ট্রাম্পের মন্তব্য ছিল, “তিনি দেখতে অত্যন্ত ভদ্র ও শান্ত স্বভাবের মানুষ। কিন্তু বাস্তবে তিনি একজন কঠোর ও দক্ষ আলোচক। তিনি সবসময় ভারতের স্বার্থকে সর্বাগ্রে রাখেন।” ট্রাম্প আরও বলেন, “তিনি অত্যন্ত কঠিন দর-কষাকষি করেন। আলোচনার টেবিলে তিনি সম্পূর্ণ ‘কিলার’। তবে তাঁর আচরণ খুবই শান্ত, সংযত এবং চিন্তাশীল।” ভারত-মার্কিন প্রতিরক্ষা সম্পর্ক নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, “যতদিন নরেন্দ্র মোদি ভারতের নেতা থাকবেন, ততদিন ভারতের নিরাপত্তার প্রশ্নে আমেরিকা পাশে থাকবে। যদি কেউ তাঁকে বা তাঁর নেতৃত্বাধীন ভারতকে আক্রমণ করে, আমরা সাহায্য করতে প্রস্তুত থাকব।”

    মোদি-ট্রাম্প বৈঠক

    উল্লেখ্য, ফ্রান্সের এভিয়ঁ শহরে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে মোদি ও ট্রাম্পের মধ্যে বৈঠক হয়। প্রায় ১৬ মাস পর দুই নেতার এটি ছিল প্রথম সরাসরি সাক্ষাৎ। এর আগে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী মোদি হোয়াইট হাউসে সরকারি সফরে গিয়েছিলেন। এদিকে ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও ইতিবাচক অগ্রগতির ইঙ্গিত মিলেছে। সূত্রের খবর, প্রস্তাবিত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা হতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালী ঘিরে চলমান অস্থিরতা, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যের অনিশ্চয়তার মধ্যে মোদি-ট্রাম্প বৈঠক কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ভারতের সঙ্গে নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার বার্তাই এই বৈঠকের মাধ্যমে তুলে ধরতে চেয়েছে ওয়াশিংটন।

LinkedIn
Share