Tag: Narendra Modi

Narendra Modi

  • Finnish President: ৪ দিনের সফরে ভারতে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে কোন কোন বিষয়ে হবে আলোচনা?

    Finnish President: ৪ দিনের সফরে ভারতে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে কোন কোন বিষয়ে হবে আলোচনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে বুধবার চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লিতে এসে পৌঁছেছেন ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট (Finnish President) আলেকজান্ডার স্টাব। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিং। বিমানবন্দরেই গার্ড অব অনার দেওয়া হয় তাঁকে। এক্স হ্যান্ডেলে বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, “ভারতে আন্তরিক স্বাগতম! ফিনল্যান্ড প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন। বিমানবন্দরে তাঁকে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা ও গার্ড অব অনার দেওয়া হয় এবং বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিং তাঁকে স্বাগত জানান।”

    প্রেসিডেন্ট স্টাব (Finnish President)

    প্রেসিডেন্ট স্টাব ৭ মার্চ পর্যন্ত ভারতে থাকবেন। তাঁর সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল রয়েছে, যাতে মন্ত্রী, শীর্ষ সরকারি আধিকারিক, এবং বিশিষ্ট শিল্পপতিরা রয়েছেন। তিনদিনের এই সফরে নয়াদিল্লিতে আয়োজিত একাদশতম ‘রাইসিনা ডায়ালগে’ অংশ নেবেন তিনি। সেখানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। প্রধান বক্তাও তিনিই। প্রসঙ্গত, দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই প্রেসিডেন্ট স্টাবের প্রথম ভারত সফর। বিদেশমন্ত্রকের মতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিস্তৃত আলোচনা করবেন। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যু, বিশেষ করে বহুপাক্ষিক ফোরামে সহযোগিতা নিয়ে মতবিনিময় হওয়ার (Finnish President) সম্ভাবনা রয়েছে। প্রেসিডেন্টের সম্মানে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজনও করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    স্টাবের সফরসূচি

    ভারত সফরে প্রেসিডেন্ট স্টাব রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। বৈঠক করবেন উপরাষ্ট্রপতি সিপি রাধাকৃষ্ণনের সঙ্গে। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করবেন। নয়াদিল্লিতে বিভিন্ন কর্মসূচি শেষ করে প্রেসিডেন্ট স্টাব যাবেন মুম্বই সফরে। সেখানে তিনি মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল আচার্য দেবব্রত এবং মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। মুম্বইয়ে তিনি ভারতীয় শিল্পপতিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন এবং ভারত-ফিনল্যান্ড ব্যবসায়িক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। মুম্বই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার কথাও রয়েছে তাঁর। বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, ভারত ও ফিনল্যান্ডের মধ্যে উষ্ণ, বন্ধুত্বপূর্ণ এবং বহুমাত্রিক সম্পর্ক রয়েছে, যা অভিন্ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে (India)। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং নর্ডিক অঞ্চলের প্রেক্ষাপটে ফিনল্যান্ডকে ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করা হয় (Finnish President)।

     

  • India Canada Sign: ২৬০ কোটি ডলারের ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তি সই ভারত-কানাডার

    India Canada Sign: ২৬০ কোটি ডলারের ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তি সই ভারত-কানাডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২.৬ বিলিয়ন ডলারের একটি ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তি (Uranium Supply Deal) স্বাক্ষর করল ভারত ও কানাডা (India Canada Sign)। সোমবার নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির উপস্থিতিতে স্বাক্ষরিত হয় ওই চুক্তি। চুক্তি অনুযায়ী, ৬০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ইউরেনিয়াম খনন কাজে যুক্ত কানাডাভিত্তিক সংস্থা ক্যামকো (Cameco) ২০২৭ থেকে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রায় ২২ মিলিয়ন পাউন্ড ইউরেনিয়াম ভারতে সরবরাহ করবে।

    যৌথ বিবৃতি (India Canada Sign)

    বৈঠক শেষে যৌথ বিবৃতিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দীর্ঘমেয়াদি ইউরেনিয়াম সরবরাহের জন্য আমরা একটি ঐতিহাসিক চুক্তিতে পৌঁছেছি। আমরা ক্ষুদ্র মডুলার রি-অ্যাক্টর এবং উন্নত রি-অ্যাক্টর ক্ষেত্রেও একসঙ্গে কাজ করব।” দুই নেতা এ বছর একটি নতুন বিস্তৃত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (CEPA) স্বাক্ষরের লক্ষ্যে আলোচনা চূড়ান্ত করতেও রাজি হন। এর পর নয়াদিল্লিতে প্রধান আলোচকদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে এবং সিইপিএর শর্তাবলী চূড়ান্ত ও স্বাক্ষরিত হবে। ভারত-কানাডা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উষ্ণতার স্পষ্ট প্রমাণ হিসেবে প্রতিরক্ষা, কৃষি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং জ্বালানি-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে একাধিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে (Uranium Supply Deal)।

    কী বললেন মোদি

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দুই দেশ ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ৫ হাজার কোটি ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ করবে।” তবে কানাডার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ হাজার কোটি ডলার। ওই বিবৃতি অনুযায়ী, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও জ্বালানি উৎসে সহযোগিতা জোরদার এবং সরবরাহ শৃঙ্খল বৈচিত্র্যময় করার জন্য দুটি মউ (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে (India Canada Sign)। যৌথ বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানান, কানাডার পেনশন তহবিলগুলি ভারতে প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে, যা ভারতের প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনার প্রতি তাদের আস্থার প্রতিফলন।

    কার্নির ভারত সফর

    প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের পর এই প্রথম কোনও কানাডীয় প্রধানমন্ত্রী ভারত সফর করলেন। এর আগে জাস্টিন ট্রুডো সরকারের সময় দুই দেশের সম্পর্ক তলানিতে পৌঁছেছিল। ২০২৪ সালে কানাডা খালিস্তানি চরমপন্থীদের আশ্রয় দিচ্ছে, এই অভিযোগে ভারত উদ্বেগ প্রকাশ করলে দুই দেশই একে অন্যের কূটনীতিকদের বহিষ্কার করে (India Canada Sign)। কার্নির সরকার এই পরিস্থিতি বদলাতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। সোমবার কানাডার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, “গত দু’দশকের যে কোনও বছরের তুলনায় এ বছর কানাডা ও ভারত সরকারের (Uranium Supply Deal) মধ্যে বেশি এনগেজমেন্ট হয়েছে।”

     

  • India And Canada: “ভারত ও কানাডা অংশীদারিত্বের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে”, মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর বললেন কার্নি

    India And Canada: “ভারত ও কানাডা অংশীদারিত্বের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে”, মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর বললেন কার্নি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত ও কানাডা (India And Canada) অংশীদারিত্বের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে।” সোমবার কথাগুলি বললেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি (Mark Carney)। এদিন তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।

    দ্বিপাক্ষিক বৈঠক (India And Canada)

    নয়াদিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে মোদি ও কার্নির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকটি হয়।  সেখানে দুই দেশের অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার বিষয়টি নিয়ে কথা হয়। বৈঠকের ভিডিও শেয়ার করে এক্স হ্যান্ডেলে করা পোস্টে কার্নি লেখেন, “ভারত ও কানাডা অংশীদারিত্বের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে।” দুই নেতা ভারত-কানাডা কৌশলগত অংশীদারিত্বের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত অর্জিত অগ্রগতির বিভিন্ন বিষয়ও পর্যালোচনা করেন। পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, কৃষি, শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক-সহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার অবস্থাও খতিয়ে দেখেন। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় করেন তাঁরা।

    ইন্ডিয়া-কানাডা সিইও ফোরাম

    দুই দেশের দুই প্রধানমন্ত্রী মোদি ও কার্নি এদিন বিকেলে ইন্ডিয়া-কানাডা সিইও ফোরামেও অংশ নেবেন। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত-কানাডা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে হচ্ছে কার্নির এই সফর (Mark Carney)। এর আগে দুই প্রধানমন্ত্রী পারস্পরিক উদ্বেগ ও সংবেদনশীলতার প্রতি সম্মান, জনগণ-স্তরের দৃঢ় সম্পর্ক এবং ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক পরিপূরকতার ভিত্তিতে একটি গঠনমূলক ও ভারসাম্যপূর্ণ অংশীদারিত্ব এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছিলেন (India And Canada)। এদিন দিনের শুরুতে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, মোদি-কার্নি বৈঠকের আগে। বৈঠকের পর জয়শঙ্কর বলেন, “আজ সকালে নয়াদিল্লিতে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আনন্দিত। ভবিষ্যতমুখী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার তাঁর অঙ্গীকারের প্রশংসা করছি (Mark Carney)।”

    ভারত সফরে সস্ত্রীক কানাডার প্রধানমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, কার্নি, তাঁর স্ত্রী ডায়ানা ফক্স কার্নিকে সঙ্গে নিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত ভারতের প্রথম সরকারি সফরে শুক্রবার মুম্বই পৌঁছেছিলেন। সোমবার তিনি নয়াদিল্লিতে আসেন। এর পর এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে তিনি লেখেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছি। কানাডা ও ভারত দুই আত্মবিশ্বাসী এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী দেশ, যারা একসঙ্গে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যেতে চায়। আমাদের জনগণের জন্য আরও নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে আমরা জ্বালানি, প্রতিভা, উদ্ভাবন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তুলছি (India And Canada)।”

    মুম্বইয়ে কার্নি ব্যবসায়িক বৈঠকে অংশ নেন এবং ভারতীয় ও কানাডীয় সিইও, শিল্প ও আর্থিক বিশেষজ্ঞ, উদ্ভাবক, শিক্ষাবিদ এবং ভারতে অবস্থিত কানাডিয়ান পেনশন ফান্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতামত বিনিময় করেন (Mark Carney)। শুক্রবার মুম্বই পৌঁছানোর পর কার্নি ভারতকে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল প্রধান অর্থনীতি বলে অভিহিত করেছিলেন। কানাডীয় কর্মী ও ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টিকারী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার প্রস্তুতির কথাও জানিয়েছিলেন তিনি (India And Canada)। নভেম্বর ২০২৫-এ জোহানেসবার্গে জি২০ সম্মেলনের পার্শ্ব বৈঠকে সর্বশেষ মোদি-কার্নি সাক্ষাৎ হয়েছিল। সেখানে মোদি জানিয়েছিলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে ভারত (Mark Carney)।

     

  • Modi on Iran Israel War: ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধে শান্তির আহ্বান! কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা কমিটির জরুরি বৈঠক, নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা মোদির

    Modi on Iran Israel War: ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধে শান্তির আহ্বান! কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা কমিটির জরুরি বৈঠক, নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের আবহে সদা সতর্ক ভারত (Modi on Iran Israel War)। রবিবার রাতেই মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটি (ক্যাবিনেট কমিটি অফ সিকিয়োরিটি)-র বৈঠক আয়োজন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে আটকে থাকা ভারতীয়দের নিরাপদে উদ্ধার করে নিয়ে আসার বিষয়ে এই বৈঠকে আলোচনা হয়েছে, বলে খবর। অন্যদিকে, পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রবিবার রাতে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন ৷ অসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তার উপর তিনি বিশেষ জোর দেওয়ার পাশাপাশি দ্রুত এই হানাহানি বন্ধ করার কথাও বলেন ৷ প্রধানমন্ত্রী মোদি মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক ঘটনাবলী নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ৷ এই অঞ্চলে উত্তেজনা কমানোর প্রয়োজনীয়তার উপরও জোর দিয়েছেন তিনি।

    ভারতীয়দের নিরাপদে উদ্ধার নিয়ে আলোচনা

    ইরানের উপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের হামলায় উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য রবিবার রাতেই নিরাপত্তা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিএস) একটি বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৷ মন্ত্রিসভা কমিটি সমস্ত বিভাগকে পরিস্থিতির উপর নজর রাখা এবং ক্ষতিগ্রস্ত ভারতীয় নাগরিকদের সহায়তা করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দ্রুত নেওয়ার কথা বলেছে ৷ দ্রুত সংঘাত বন্ধ করে সংলাপ ও কূটনীতিতে ফিরে আসার উপরও জোর দিয়েছে ভারত ৷ দু’দিনের সফরে গুজরাট, রাজস্থান, পুদুচেরি, তামিলনাড়ু সফর সেরে রবিবার রাতে দিল্লি ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী। রাত সাড়ে ৯টায় দিল্লিতে ফিরেই মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা কমিটির বৈঠকে যোগ দেন মোদি। সূত্রের দাবি, রবিবার রাতের বৈঠকে আটকে পড়া ভারতীয়দের দেশে ফেরানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

    হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন দিল্লি

    ইরান এবং ওমানের মধ্যবর্তী সংকীর্ণ জলভাগ হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি। বিশ্বের মোট রফতানিযোগ্য এক-পঞ্চমাংশ তেল এই পথ ধরেই রফতানি করা হয়। আর যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই প্রণালী দিয়ে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে তেহরান। তা ছাড়া, ভারত অভ্যন্তরীণ জ্বালানি-চাহিদা পূরণে ৮০ শতাংশ তেল অন্যান্য দেশ থেকে আমদানি করে থাকে। পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলি থেকে তেল কেনে ভারত। এই পরিস্থিতিতে পেট্রোপণ্যের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা করছে নয়াদিল্লি। এই পরিস্থিতিতে বিকল্প উপায় নিয়েও রবিবার রাতের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

    মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটির বিবৃতি

    সরকারি এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পশ্চিম এশিয়ার ক্রমবর্ধমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার জন্য সিসিএস বৈঠক হয়েছে ৷ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এই অঞ্চলে বৃহৎ ভারতীয় প্রবাসী সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কমিটি ৷” বৈঠকে এই অঞ্চলে যাতায়াতকারী সাধারণ ভারতীয় পর্যটক, শিক্ষার্থীদের অসুবিধা, সেইসঙ্গে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, অর্থনীতি এবং বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের উপর কী কী প্রভাব পড়বে তা নিয়েও পর্যালোচনা করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “সিসিএস সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগকে এই ঘটনাবলীর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ভারতীয় নাগরিকদের সহায়তা করার জন্য প্রয়োজনীয় এবং সম্ভাব্য ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি দ্রুত শত্রুতা বন্ধ করে সংলাপ ও কূটনীতিতে ফিরে আসার গুরুত্বের উপরও জোর দিয়েছে কমিটি ৷” সিসিএস সভায় জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, প্রধানমন্ত্রীর প্রধান সচিব পিকে মিশ্র এবং শক্তিকান্ত দাস, প্রতিরক্ষা প্রধান জেনারেল অনিল চৌহান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব টিভি সোমনাথন এবং বিদেশসচিব বিক্রম মিস্রি উপস্থিত ছিলেন।

    দুবাই হামলার তীব্র নিন্দা

    এছাড়াও ইরানের দুবাই হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi on West Asia Crisis)৷ রবিবার রাতে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে কথা বলেন৷ জানান যে, এই কঠিন সময়ে সংহতির সঙ্গে ভারত সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর পাশে থাকবে। নরেন্দ্র মোদি দুবাইয়ে বসবাসকারী ভারতীয়দের সুরক্ষা প্রদানের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ৷ তিনি বলেছেন যে, নয়াদিল্লি উত্তেজনা হ্রাস, আঞ্চলিক শান্তি, সুরক্ষা এবং স্থিতিশীলতা সমর্থন করে। এক্স পোস্টে মোদি লেখেন, “সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্ট, আমার ভাই শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে কথা বলেছি। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর উপর হামলার তীব্র নিন্দা জানাই এবং এই হামলায় প্রাণহানির জন্য সমবেদনা জানাই। এই কঠিন সময়ে ভারত সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর সঙ্গে থাকবে৷ সেখানে বসবাসকারী ভারতীয়দের সুরক্ষা দেওয়ার জন্য তাঁকে ধন্যবাদ। আমরা উত্তেজনা কমানো, আঞ্চলিক শান্তি, নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতা সমর্থন করি।”

    বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে টেলিফোনে কথা

    ইজরায়েল-আমেরিকার হামলায় মৃত্যু হয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর। পালটা হামলা চালাচ্ছে তেহরান। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে রবিবার রাতেই মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা পরিষদের (ক্যাবিনেট কমিটি অফ সিকিয়োরিটি) জরুরি বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সূত্রের খবর, এই বৈঠকে ইরান-ইজরায়েল-সহ মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশে আটকে পড়া ভারতীয়দের দেশে ফেরানো, যুদ্ধে ভারতের কূটনৈতিক অবস্থান ইত্যাদি একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এরপরই ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মোদি। সোশাল মিডিয়ায় প্রধানমন্ত্রী মোদি লিখেছেন, “বর্তমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করার জন্য প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে টেলিফোনে কথা হয়েছে। সাম্প্রতিক ঘটনাবলী নিয়ে ভারত যথেষ্ট উদ্বেগ তাও তাঁকে জানানো হয়েছে ৷ নাগরিকদের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার হিসেবে দেখার কথা বলা হয়েছে ৷”

    ভারতীয় নাগরিকদের আশ্বাস বিদেশমন্ত্রকের

    সূত্রের দাবি, পশ্চিম এশিয়ায় বসবাসরত এবং বর্তমানে বিভিন্ন দেশে আটকে পড়া ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষভাবে আলোচনা হয়েছে। সামরিক উত্তেজনার জেরে পশ্চিম এশিয়ার আকাশপথ প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুবাই, দোহা-সহ একাধিক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শতাধিক ভারতীয় যাত্রী আটকে পড়েছেন। সামাজিক মাধ্যমে বহু মানুষ ভারত সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। বর্তমানে ইরানে প্রায় ১০ হাজার ভারতীয় নাগরিক বাস, পড়াশোনা ও কাজ করেন এবং ইজরায়েলে রয়েছেন প্রায় ৪০ হাজার ভারতীয়। উপসাগরীয় ও পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে মোট প্রায় ৯০ লক্ষ ভারতীয় বসবাস করেন। বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট দেশগুলিতে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসগুলি সেখানকার ভারতীয়দের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং জরুরি সহায়তার জন্য হেল্পলাইন চালু করা হয়েছে। অতীতে বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে পশ্চিম এশিয়া-সহ বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে ভারত সফলভাবে তার নাগরিকদের উদ্ধার করেছে বলেও মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

  • Canada PM: টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরনের সঙ্গে বৈঠক কানাডার প্রধানমন্ত্রীর

    Canada PM: টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরনের সঙ্গে বৈঠক কানাডার প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডার প্রধানমন্ত্রী (Canada PM) মার্ক কার্নি টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সহ (এআই) বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারত ও কানাডা কীভাবে (Tata Group) অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে পারে, সে বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

    কার্নির বক্তব্য (Canada PM)

    এক্স হ্যান্ডেলে কার্নি লিখেছেন, “কানাডা ও ভারত—উভয়ই দ্রুত বিকাশমান অর্থনীতি, যাদের জ্বালানি, প্রযুক্তি ও এআই খাতে বড় উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে। টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান নটরাজন চন্দ্রশেখরন এবং আমি মুম্বইয়ে সাক্ষাৎ করেছি—আমাদের দুই দেশ কীভাবে এই ক্ষেত্রগুলিতে অংশীদারিত্ব গড়ে তুলে উভয় দেশের মানুষের জন্য অধিকতর নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা করেছি।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে মার্ক কার্নি ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত ভারতে সরকারি সফরে রয়েছেন। এটি প্রধানমন্ত্রী কার্নির প্রথম সরকারি ভারত সফর। কার্নি ২৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বইয়ে পৌঁছন। পরবর্তী দু’দিনে তিনি বিভিন্ন ব্যবসায়িক বৈঠকে অংশ নেন এবং ভারতীয় ও কানাডীয় সিইও, শিল্প ও আর্থিক বিশেষজ্ঞ, উদ্ভাবক, শিক্ষাবিদ এবং ভারতে অবস্থিত কানাডীয় পেনশন ফান্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন (Canada PM)।

    ভারত-কানাডা সিইও ফোরামে অংশ নেবেন দুই প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী কার্নির ১ মার্চ নয়াদিল্লিতে পৌঁছানোর কথা। ২ মার্চ হায়দরাবাদ হাউসে দুই প্রধানমন্ত্রী প্রতিনিধি-স্তরের বৈঠকে অংশ নেবেন। দুই নেতা ভারত-কানাডা কৌশলগত অংশীদারিত্বের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এ পর্যন্ত অর্জিত অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন। এর আগে ২০২৫ সালের জুনে কানানাস্কিসে এবং ২০২৫ সালের নভেম্বরে জোহানেসবার্গে তাঁদের বৈঠকের ধারাবাহিকতার প্রেক্ষাপটে এই আলোচনা হবে। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “দুই নেতা চলমান সহযোগিতার মূল ক্ষেত্রগুলি—বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, কৃষি, শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবন, এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক—পর্যালোচনা করবেন (Canada PM)। এছাড়াও তাঁরা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় করবেন।” প্রধানমন্ত্রী মোদি ও প্রধানমন্ত্রী কার্নি ভারত-কানাডা সিইও ফোরামেও অংশ নেবেন। উল্লেখ্য যে (Tata Group), দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের গুরুত্বপূর্ণ এক সময়ে এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

     

  • কংগ্রেসের ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    কংগ্রেসের ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের (Congress) ভোট চুরির অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শুক্রবার তিনি বলেন, “গত কয়েক দশক ধরে দলটি মানুষের সমর্থন হারাচ্ছে এবং মিলেনিয়ালরা বিরোধী দলকে শিক্ষা দিয়েছে, এবার জেন জেডও প্রস্তুত”। ‘রাইজিং ভারত সামিটে’ বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস সরকার এবং তামিলনাড়ুর ডিএমকে নেতৃত্বাধীন সরকারকেও নিশানা করেন। তাঁর অভিযোগ, এই রাজ্য সরকারগুলি কেন্দ্রের কিছু কল্যাণমূলক প্রকল্প আটকে দিয়েছে।

    “শার্টলেস প্রতিবাদ” নিয়ে তোপ (PM Modi)

    এআই সামিট চলাকালীন ইন্ডিয়ান ইয়ুথ কংগ্রেসের ‘শার্টলেস’ প্রতিবাদ নিয়ে তিনি কংগ্রেসকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে বলেন, “বিরোধী দল বিদেশি অতিথিদের সামনে শুধু পোশাকই খোলেনি, নিজেদের মতাদর্শগত দেউলিয়াপনাও প্রকাশ করেছে।” তাঁর অভিযোগ, আদর্শের নামে কংগ্রেস এখন শুধু বিরোধিতার টুলকিটে পরিণত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, কংগ্রেস ও তার মিত্ররা কখনও সৎ উদ্দেশ্যে কাজ করেনি। গরিব মানুষের কষ্ট নিয়ে তাদের কোনও উদ্বেগ নেই (PM Modi)। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে আজ পর্যন্ত আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প কার্যকর হয়নি। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার আওতায় সারা দেশে দরিদ্রদের জন্য পাকা বাড়ি নির্মাণ হচ্ছে। তামিলনাড়ুতে প্রায় ৯.৫ লক্ষ বাড়ি বরাদ্দ হয়েছে, কিন্তু তার মধ্যে ৩ লক্ষ বাড়ির নির্মাণ আটকে রয়েছে। “কেন? ডিএমকে সরকার আগ্রহ দেখাচ্ছে না কেন?”

    ইন্ডি জোট

    প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুতে নির্বাচন হবে চলতি বছরের প্রথমার্ধে। তৃণমূল কংগ্রেস এবং ডিএমকে কংগ্রেসের সঙ্গে ইন্ডি জোটের অংশ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইন্ডিয়ান ইয়ুথ কংগ্রেসের প্রতিবাদে মানুষের ক্ষোভ বাড়ায় কংগ্রেস মহাত্মা গান্ধীকে সামনে আনার চেষ্টা করেছে। এআই সামিট ছিল দেশের গর্বের মুহূর্ত। কিন্তু দেশের প্রাচীনতম দল সেই অনুষ্ঠান কলঙ্কিত করতে চেয়েছে।” তাঁর অভিযোগ, “পাপ ঢাকতে হলে কংগ্রেস (Congress) বাপুকে সামনে আনে, আর কৃতিত্ব নিতে হলে একটি পরিবারের নাম করে।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “কংগ্রেসের ভোট কেউ চুরি করছে না, বরং মানুষ আর তাদের যোগ্য মনে করছে না। ১৯৮৪-র পর থেকেই কংগ্রেসের ভোট কমতে শুরু করেছে। এখন মাত্র চারটি রাজ্যে তাদের ৫০-এর বেশি বিধায়ক রয়েছে।” এর পরেই তিনি বলেন, “প্রথমে মিলেনিয়ালরা শিক্ষা দিয়েছে, এখন জেন জেডও প্রস্তুত।” ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারত গড়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জাতি গঠন স্বল্পমেয়াদি চিন্তায় হয় না, এর জন্য প্রয়োজন বড় দৃষ্টি, ধৈর্য ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেওয়ার।

    কংগ্রেসকে তোপ

    গণতন্ত্রে বিরোধিতা মানে অন্ধ বিরোধিতা নয়, বিকল্প দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা—এ কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেস সব ভালো কাজেরই বিরোধিতা করে, যেমন নতুন সংসদ ভবন নির্মাণ বা অশোক স্তম্ভের সিংহ প্রতীক (PM Modi)।” তিনি জানান, বিদেশি জাহাজে পণ্য পরিবহণে বছরে ৬ লাখ কোটি টাকা, সার আমদানিতে ২.২৫ লাখ কোটি টাকা এবং পেট্রোলিয়াম আমদানিতে ১১ লাখ কোটি টাকা ব্যয় হয়। এই অর্থ আত্মনির্ভরতার পথে আগে বিনিয়োগ করা হলে দেশ আরও শক্তিশালী হত। তিনি বলেন, “দেশীয় জাহাজ ও বন্দর পরিকাঠামো শক্তিশালী করা হচ্ছে, সারের উৎপাদন বাড়াতে নয়া কারখানা স্থাপন করা হচ্ছে, ন্যানো ইউরিয়া, ইথানল মিশ্রণ, গ্রিন হাইড্রোজেন মিশন, সৌর শক্তি ও ইলেকট্রিক মোবিলিটিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে (Congress)।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ভারতে উৎপাদন বাড়ালে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমদানি নয়, রফতানির কথা বলবে। দূরদর্শিতার সঙ্গে কঠোর পরিশ্রমই ২০৪৭ সালের আত্মনির্ভর ও সমৃদ্ধ ভারতের ভিত্তি।”

    বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্ক

    তিনি জানান, তাঁর সরকার ভারতকে বিশ্বের প্রবৃদ্ধির ইঞ্জিনে পরিণত করছে এবং উন্নত দেশগুলি ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিতে আগ্রহী।ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচারের ক্ষেত্রে জনধন-আধার-মোবাইল ‘ত্রয়ী’ এবং ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে ২৪ লাখ কোটি টাকা সরাসরি উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ভারত এখন সৌর শক্তিতে অগ্রণী, রেলব্যবস্থা বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্কে পরিণত হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে ভারত শুধু অনুসারী নয়, সিদ্ধান্ত গ্রহণেও অংশীদার। দেশের নিজস্ব এআই স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে উঠেছে।” তিনি জানান, কৃষিখাতে ২৮ লাখ কোটি টাকার ঋণ দেওয়া হয়েছে এবং পিএম-কিষান প্রকল্পে ৪ লাখ কোটিরও বেশি টাকা সরাসরি কৃষকদের অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটাই সঠিক সময়। আমাদের রুটিন কাজ নয়, বিশ্বমানের কাজ করতে হবে (Congress)।”

     

  • India Canada Relation: “নতুন সুযোগের দরজা খুলবে” মুম্বইয়ে পৌঁছে ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রশংসা কার্নির

    India Canada Relation: “নতুন সুযোগের দরজা খুলবে” মুম্বইয়ে পৌঁছে ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রশংসা কার্নির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি শুক্রবার সন্ধ্যায় মুম্বই বিমানবন্দরে নেমেছেন। কানাডার (India Canada Relation) প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটিই তাঁর প্রথম ভারত সফর। ভারতের সঙ্গে দীর্ঘদিনের তিক্ততা মিটিয়ে নতুন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়ার লক্ষ্যে এই সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এই সফরে বাণিজ্য, জ্বালানি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে উচ্চাভিলাষী দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলাই প্রধান লক্ষ্য। উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল নিয়ে তিনি মুম্বইয়ে পৌঁছন। এখানে তিনি ভারত ও কানাডার শীর্ষ শিল্পপতি, আর্থিক বিশেষজ্ঞ ও উদ্ভাবকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

    কখন কোথায় যাবেন কার্নি

    মুম্বইয়ে শিল্পপতিদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে কার্নি (Carney visit India) একটি বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা শুরু করবেন, যা আগামী নভেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় কার্নি বলেন, “ভারত বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বৃহৎ অর্থনীতি। আমরা মুম্বইয়ে পৌঁছেছি ব্যবসায়িক নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এবং এমন অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে, যা কানাডার শ্রমিক ও ব্যবসার জন্য নতুন দরজা খুলে দেবে।” ১ মার্চ কার্নির নয়াদিল্লিতে যাওয়ার কথা। ২ মার্চ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক রয়েছে। ওই বৈঠকে জ্বালানি, শিক্ষা, খনিজ নিরাপত্তা, বাণিজ্যিক সহযোগিতা এবং দু’দেশের জনগণের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই সফর কেবল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জন্যই নয়, বরং আন্তর্জাতিক কূটনীতির দিক থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে। এই সফরে শক্তি, খনিজ, পরমাণু সহযোগিতা এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সহ একাধিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

    সম্পর্কের নতুন সমীকরণ

    মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে টানাপোড়েনপূর্ণ বাণিজ্যিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে কানাডা আরও শক্তিশালী, স্বনির্ভর ও স্থিতিশীল অর্থনীতি গড়ার দিকে জোর দিচ্ছে। কার্নি বলেন, “এক অনিশ্চিত বিশ্বে কানাডা এমন বিষয়গুলিতে মনোনিবেশ করছে, যা আমাদের নিয়ন্ত্রণে। আমরা বাণিজ্য বৈচিত্র্য আনছি এবং ব্যাপক নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ করছি, যাতে আমাদের শ্রমিক ও ব্যবসার জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়।” তিনি আরও বলেন, “দেশে স্থিতি, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে আমরা বিদেশে নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তুলছি।” কার্নির এই সফরকে দুই দেশের সম্পর্কে নতুন সূচনার প্রচেষ্টা হিসেবেও দেখা হচ্ছে। কার্নির এই সফরকে ভারত-কানাডা সম্পর্কের (India Canada Relations) ‘রিসেট’ হিসেবেও দেখা হচ্ছে। তাঁর পূর্বসূরি জাস্টিন ট্রুডোর আমলে সম্পর্কের অবনতি ঘটে, বিশেষ করে ২০২৩ সালে শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে ভারতের ভূমিকা নিয়ে কানাডার অভিযোগ ঘিরে। ভারত সেই অভিযোগ শুরু থেকেই জোরালোভাবে অস্বীকার করেছে।

  • PM Modi: “ভারতে বিনিয়োগ, উৎপাদন এবং প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার সুযোগ খুঁজুন”, ইজরায়েলে আহ্বান মোদির

    PM Modi: “ভারতে বিনিয়োগ, উৎপাদন এবং প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার সুযোগ খুঁজুন”, ইজরায়েলে আহ্বান মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েলি সংস্থাগুলিকে ভারতে বিনিয়োগ, উৎপাদন এবং প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার সুযোগ খোঁজার আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বৃহস্পতিবার এই আবেদন করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী মোদি, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রগণ্য ইজরায়েলি উদ্ভাবন প্রদর্শনকারী একটি প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন। প্রদর্শনীতে অ্যাগ্রি-টেক, ওয়াটার-টেক, ক্লাইমেট-টেক, হেলথ-বায়োটেক, স্মার্ট মোবিলিটি, এআই, সাইবার সিকিউরিটি এবং কোয়ান্টাম প্রযুক্তি তুলে ধরা হয় (Manufacturing Opportunities)।

    উদ্ভাবকদের সঙ্গে মতামত বিনিময় (PM Modi)

    উদ্ভাবকদের সঙ্গে মতামত বিনিময়ের সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রদর্শিত অত্যাধুনিক প্রযুক্তিগুলির ভারত-ইজরায়েল উদ্ভাবন, স্টার্ট-আপ এবং ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব বিস্তারের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে, বিশেষত কৃষি, জল ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্যসেবা এবং ডিজিটাল পরিষেবার ক্ষেত্রে। ইন্ডিয়া-ইজরায়েল ইনোভেশন ব্রিজ উদ্যোগের মাধ্যমে আধুনিক যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সমাধান গড়ে তুলতে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করছে।” এদিন প্রধানমন্ত্রী সে দেশের বিজ্ঞানী, প্রযুক্তি-উদ্যোক্তা এবং বিভিন্ন সংস্থার সিইওদের সঙ্গে কথা বলেন। কোয়ান্টাম মেশিনস প্রধানমন্ত্রীকে ইজরায়েলি কোয়ান্টাম কম্পিউটিং সেন্টার (IQCC) সম্পর্কে অবহিত করে এবং ক্লাসিক কোয়ান্টাম সফটওয়্যার উন্নয়ন সহজিকরণে তাদের কাজ তুলে ধরে।

    কে, কী প্রদর্শন করল

    সরকারি বিবৃতি অনুযায়ী, স্টার্ট-আপ এআইএসএপি তাদের এআই-চালিত পয়েন্ট-অফ-কেয়ার আল্ট্রাসাউন্ড প্রদর্শন করে, যা তাৎক্ষণিক ডায়াগনস্টিক নির্দেশনা দেয়। ইজরায়েলের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রকের হোরাইজন স্ক্যানিং ডিভিশন টেক স্কাউট নামের একটি এআই-চালিত কৌশলগত ঝুঁকি শনাক্তকরণ ও প্রবণতা বিশ্লেষণ সরঞ্জাম উপস্থাপন করে। প্রযুক্তি সংস্থা মোবাইল আই তাদের সেন্সর ও চিপ প্রযুক্তি প্রদর্শন করে, যার লক্ষ্য সড়ক দুর্ঘটনা কমানো। চেক পয়েন্ট সফটওয়্যার টেকনোলজিস তাদের উন্নত সাইবার হুমকি প্রতিরোধ সমাধান এবং ভারতে তাদের সহযোগিতার দিক তুলে ধরে (PM Modi)।

    বাতাস থেকে পানীয় জল উৎপাদনের প্রযুক্তি

    ওয়াটারজেন বাতাস থেকে পানীয় জল উৎপাদনের প্রযুক্তি প্রদর্শন করে, আর এন-ড্রিপ মাধ্যাকর্ষণ-চালিত মাইক্রো-সেচ ব্যবস্থা তুলে ধরে। ন্যাচারাল অফসেট ফার্মিং (NOF) বিদ্যুৎ ছাড়াই মাঠ পর্যায়ে ফসল-পরবর্তী সংরক্ষণ সমাধান উপস্থাপন করে, যা খাদ্য অপচয় কমাতে সহায়ক হয়। এছাড়া, রিমিল্ক ল্যাব-উৎপাদিত দুধ প্রোটিনের জন্য প্রিসিশন ফারমেন্টেশন প্রযুক্তি প্রদর্শন করে এবং বারঅ্যালগি মেশিন-লার্নিং সমন্বিত মাইক্রোঅ্যালগি চাষ প্রযুক্তি তুলে ধরে (PM Modi)। মাইনোরা বায়ো বিশেষ বায়ো-কনভার্সন অ্যাডিটিভ ব্যবহার করে প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রযুক্তি প্রদর্শন করে। জিওফিজিক্যাল ইনস্টিটিউট (GII) খনিজ সম্পদের পরিমাণ নির্ধারণে উচ্চ-রেজোলিউশন মডেলিং প্রদর্শন করে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ইজরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ (Manufacturing Opportunities) তাদের ক্ষুদ্রায়িত যোগাযোগ উপগ্রহ এবং সমন্বিত সিনথেটিক অ্যাপারচার রাডার প্রযুক্তি উপস্থাপন করে (PM Modi)।

  • Benjamin Netanyahu: ‘মোদি-জ্যাকেট’ পরে নৈশভোজে হাজির নেতানিয়াহু, “চমৎকার” বললেন মোদি

    Benjamin Netanyahu: ‘মোদি-জ্যাকেট’ পরে নৈশভোজে হাজির নেতানিয়াহু, “চমৎকার” বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় পোশাক পরে নৈশভোজের আসরে উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চমকে দিলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (Benjamin Netanyahu)। বুধবার জেরুজালেমে আয়োজন করা হয়েছিল ওই নৈশভোজের (Traditional Indian Attire)। সেখানেই ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী পাথর-রঙের একটি নেহরু জ্যাকেট বেছে নেন, যা জনপ্রিয়ভাবে ‘মোদি জ্যাকেট’ নামেও পরিচিত। এতে ছিল ব্যান্ড কলার ও নিখুঁত কাটছাঁটের ফিটিং। এর সঙ্গে তিনি পরেছিলেন সাদা, লম্বা হাতাওয়ালা সাধারণ রংয়ের কুর্তা-ধাঁচের একটি শার্ট। গাঢ় নীল রঙের ফরমাল ট্রাউজার এবং পালিশ করা কালো চামড়ার জুতোয় তাঁকে আদ্যোপান্ত ভারতীয় বলেই মনে হচ্ছিল।

    ভারতীয় পোশাকে নেতানিয়াহু (Benjamin Netanyahu)

    এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্টে নেতানিয়াহু মোদির প্রতিক্রিয়ার ঝলক শেয়ার করেন। তিনি লেখেন, “আমাদের যৌথ নৈশভোজের আগে আমি আমার বন্ধু প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় পোশাক পরে চমকে দিয়েছি।” কূটনৈতিক কর্মসূচিতে ব্যস্ত একটি দিনের মধ্যেই এই পোশাক-নির্বাচনের বার্তা আসে। এর আগে মোদি নেসেটের বিশেষ পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে ভাষণ দেন, যা তাঁকে ইজরায়েলি সংসদে ভাষণদানকারী প্রথম ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চিহ্নিত করে। নেতানিয়াহুর পোস্টের জবাবে প্রধানমন্ত্রী মোদি সেটি ফের শেয়ার করে লেখেন, “চমৎকার! ভারতীয় পোশাকের প্রতি আপনার অনুরাগ আমাদের দেশের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি আপনার শ্রদ্ধারই প্রতিফলন।”

    একাধিক মউ সই হওয়ার কথা

    এদিকে, প্রধানমন্ত্রী মোদি ও নেতানিয়াহু আজ, বৃহস্পতিবার যৌথভাবে ইয়াদ ভাশেম পরিদর্শন করবেন এবং পরে কিং ডেভিড হোটেলে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন (Benjamin Netanyahu)। আলোচনায় ভারত-ইজরায়েল কৌশলগত অংশীদারিত্বের সামগ্রিক পর্যালোচনা হবে বলেই আশা করা হচ্ছে। বিশেষ গুরুত্ব পাবে প্রতিরক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, বাণিজ্য এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ জোরদার করা। পাশাপাশি, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও দুই নেতা মতামত বিনিময় করবেন (Traditional Indian Attire)। এই সফরকালে অর্থনৈতিক, নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক ক্ষেত্রজুড়ে একাধিক মউ সই হওয়ার কথা, যা দুই দেশের সহযোগিতা আরও জোরদার করবে।

    চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের পর প্রধানমন্ত্রী মোদি ও প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু যৌথভাবে সংবাদমাধ্যমের সামনে বিবৃতি দেবেন এবং আলোচনার নির্যাস তুলে ধরবেন। বর্তমানে ভারত ইজরায়েলের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদারিত্ব চূড়ান্ত করার পথে এগোচ্ছে, যার লক্ষ্য আয়রন ডোম প্রযুক্তি অধিগ্রহণ। প্রস্তাবিত এই ব্যবস্থা কেবল সরাসরি ক্রয় নয়, বরং এটি ভারতের নিজস্ব ‘মিশন সুদর্শন চক্র’ (প্রজেক্ট কুশা নামেও পরিচিত)-এর একটি মূল উপাদান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে (Benjamin Netanyahu)।

     

  • PM Modi: ইজরায়েলে পৌঁছলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী, বিমানবন্দরেই বৈঠক নেতানিয়াহুর সঙ্গে

    PM Modi: ইজরায়েলে পৌঁছলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী, বিমানবন্দরেই বৈঠক নেতানিয়াহুর সঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার দু’দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ইজরায়েলের তেল আভিভে পৌঁছেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর আমন্ত্রণে এই সফর মোদির। সফরের লক্ষ্য হল দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান দৃঢ় ও বহুমাত্রিক কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করা (Israel)।

    গার্ড অব অনার (PM Modi)

    বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে পৌঁছনোর পর প্রধানমন্ত্রী মোদিকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু তাঁর স্ত্রী সারা নেতানিয়াহুকে সঙ্গে নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে গিয়েছিলেন, যা দুই নেতার ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিগত সম্পর্কের ইঙ্গিত দেয়। বিমানবন্দরে পৌঁছেই দুই প্রধানমন্ত্রী উষ্ণ আলিঙ্গন বিনিময় করেন। ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত রিউভেন আজারও প্রধানমন্ত্রী মোদিকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন। সফরের আগে দেওয়া এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী মোদি এই সফরকে দুই দেশের দৃঢ় ও বহুমাত্রিক কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও গভীর করার একটি সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করেন (PM Modi)।

    বিমানবন্দরেই বৈঠক

    বিবৃতিতে বলা হয়, “ভারত ও ইজরায়েলের মধ্যে দৃঢ় ও বহুমাত্রিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব রয়েছে, যা সাম্প্রতিক বছরগুলিতে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ও গতিশীলতার সাক্ষী হয়েছে।” এতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্রমবর্ধমান অগ্রগতির কথাও তুলে ধরা হয়। প্রধানমন্ত্রী এও বলেন, “বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনার অপেক্ষায় আছি (PM Modi)।” এদিন, বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে মোদিকে আনুষ্ঠানিক স্বাগত অনুষ্ঠান শেষে, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং সফররত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জেরুজালেমে মোদির কেনেসেট ভাষণের আগে বিমানবন্দরেই একটি বৈঠকে বসেন (Israel)।

    প্রকৃত বন্ধুত্ব

    নেতানিয়াহু হাস্যোজ্জ্বল ভঙ্গিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, “এটি একটি বন্ধন, একটি প্রকৃত বন্ধুত্ব।” দফতরের প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, তিনি মোদিকে “আমার মহান বন্ধু” বলে সম্বোধন করেন, যার জবাবে মোদি হেসে প্রতিক্রিয়া জানান (PM Modi)। এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “ইসরায়েলে পৌঁছেছি। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ও মিসেস নেতানিয়াহুর পক্ষ থেকে আমাকে অভ্যর্থনা জানানোয় আমি অত্যন্ত সম্মানিত বোধ করছি। দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ও ফলপ্রসূ ফলাফলের মাধ্যমে ভারত-ইসরায়েল বন্ধুত্ব আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে আমি আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছি।”

     

LinkedIn
Share