Tag: Narendra Modi

Narendra Modi

  • PM Modi: তামিলনাড়ুর নয়া মুখ্যমন্ত্রী বিজয়কে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর, ধুয়ে দিলেন কংগ্রেসকে

    PM Modi: তামিলনাড়ুর নয়া মুখ্যমন্ত্রী বিজয়কে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর, ধুয়ে দিলেন কংগ্রেসকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামিলনাড়ুর নয়া মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয়কে শপথ নেওয়ার জন্য অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। আশ্বাস দেন, কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে আগের মতোই কাজ চালিয়ে যাবে (Congress)। এর পাশাপাশি কংগ্রেসকেও নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। বিজয়ের টিভিকে-র মিত্র দল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ‘পিঠে ছুরি মারা’র অভিযোগও করেন। শতাব্দী প্রাচীন কংগ্রেসকে ‘পরজীবী’ দল বলেও আক্রমণ শানান প্রধানমন্ত্রী।

    কংগ্রেসকে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi)

    তাঁর অভিযোগ, কংগ্রেস তাদের দীর্ঘদিনের বন্ধু ডিএমকে-কে ছেড়ে দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তামিলনাড়ুর বর্তমান পরিস্থিতি দেখুন। গত ২৫-৩০ বছর ধরে কংগ্রেস এবং ডিএমকের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। বারবার ডিএমকের সঙ্গে জোট করে কংগ্রেস সঙ্কট কাটিয়ে উঠেছে।” তিনি বলেন, “আসলে ২০১৪ সালের আগে যে ১০ বছর কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকার ছিল, তা মূলত ডিএমকের সমর্থনের ওপরই টিকে ছিল। অথচ রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলাতেই কংগ্রেস সেই ডিএমকের সঙ্গেই বিশ্বাসঘাতকতা করল। অথচ ডিএমকে সবসময় তাদের পাশে ছিল।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ক্ষমতার লোভে অন্ধ কংগ্রেস প্রথম সুযোগেই ডিএমকের পিঠে ছুরি মেরেছে। এখন রাজনৈতিকভাবে টিকে থাকতে তাদের (PM Modi) আবার নতুন একটি দলের কাঁধে ভর করতে হচ্ছে।”

    নয়া মন্ত্রিসভায় কারা

    বিজয়ের নয়া মন্ত্রিসভায় মোট ৯ জন মন্ত্রী রয়েছেন। সেখানে তরুণ ও অভিজ্ঞ নেতাদের ঠাঁই দেওয়া হয়েছে (Congress)। টিভিকে প্রধানের ঘনিষ্ঠ সহযোগীরাও মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছেন। তবে সমর্থন করা সত্ত্বেও কংগ্রেসের ভাগ্যে ছেঁড়েনি মন্ত্রিত্বের শিকে। রাহুল গান্ধীর দলের কোনও নেতাই জায়গা পাননি তামিলনাড়ু মন্ত্রিসভায়। অথচ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য টিভিকে-কে প্রথমে সমর্থন করার কথা জানিয়েছিল কংগ্রেসই। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনী প্রচারের সময় থেকেই বোঝা যাচ্ছিল যে কংগ্রেস বিজয়ের দলের দিকে বিশেষ নজর রাখছে। শোনা যাচ্ছে, রাহুল বিজয়ের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে এতটাই আশাবাদী ছিলেন যে, ডিএমকে-র ডাকা একাধিক বৈঠকে যোগ দেয়নি কংগ্রেস।

    ডিএমকের অভিযোগ

    প্রসঙ্গত, আজ প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেস সম্পর্কে যা বলেছেন, তা অনেক আগেই জানিয়েছিল ডিএমকে। তারা যখন জানতে পারে কংগ্রেস বিজয়ের টিভিকে-কে সমর্থন করছে, তখনই উঠেছিল ‘পিঠে ছুরি মারা’র অভিযোগ। ডিএমকের এক প্রস্তাবে, যা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের উপস্থিতিতে গৃহীত হয়েছিল, তাতে বলা হয়, “তামিলনাড়ুতে কংগ্রেস আমাদের সঙ্গে ঠিক সেই কাজটাই করেছে, যা বিজেপি অন্য অনেক রাজ্যে করে।” ডিএমকের আরও অভিযোগ, “আমাদের দলনেতার পিঠে ছুরি মেরে কংগ্রেস বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। জয়ের জন্য ধন্যবাদ জানাতেও তারা ব্যক্তিগতভাবে আসেনি। তবুও স্ট্যালিন সহনশীলতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছেন।” ডিএমকের দাবি, কংগ্রেসের পুরনো চরিত্র এখনও বদলায়নি। ওই প্রস্তাবে বলা হয়েছে, “আমাদের জোটে কংগ্রেসকে একটি রাজ্যসভা আসন এবং ২৮টি বিধানসভা আসন দেওয়া হয়েছিল। অথচ মাত্র তিন দিনের মধ্যে তারা অন্য একটি (PM Modi) দলে চলে গেল, যা জোট-কর্মীদের কঠোর (Congress) পরিশ্রমে পাওয়া জয়কে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।”

     

  • Central Welfare Schemes: সরকার গড়ছে বিজেপি, বঙ্গে দ্রুত চালু হতে পারে আটকে থাকা বহু কেন্দ্রীয় প্রকল্প

    Central Welfare Schemes: সরকার গড়ছে বিজেপি, বঙ্গে দ্রুত চালু হতে পারে আটকে থাকা বহু কেন্দ্রীয় প্রকল্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গের ২০৬টি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি (BJP Bengal Win)। তৃণমূলের ঝুলিতে গিয়েছে প্রায় ৮০টি আসন। বিজেপির (BJP) এই বিপুল জয় এখন কেন্দ্রীয় সরকারের বহু গুরুত্বপূর্ণ কল্যাণমূলক প্রকল্পের (Central Welfare Schemes) অর্থ বরাদ্দ ও বাস্তবায়নের পথ খুলে দিতে পারে। এই প্রকল্পগুলি দীর্ঘদিন ধরে আটকে ছিল নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারের রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে। জানা গিয়েছে, বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ের পর অন্তত সাতটি কেন্দ্রীয় প্রকল্প পশ্চিমবঙ্গে আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হতে পারে।

    আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প (Ayushman Bharat)

    এই তালিকায় প্রথমেই রয়েছে কেন্দ্রের স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্প আয়ুষ্মান ভারত-প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা (AB-PMJAY)। এবার পশ্চিমবঙ্গে চালু হতে চলেছে এই যোজনা। এই প্রকল্পে পরিবার পিছু বছরে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেস চিকিৎসার সুবিধা মিলবে। দিল্লিতে বিজেপি সদর দফতরে বিজয় ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পশ্চিমবঙ্গে এই প্রকল্প চালুর (Central Welfare Schemes) কথা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, “বাংলায় মহিলারা নিরাপত্তার পরিবেশ পাবেন, যুবসমাজ কর্মসংস্থান পাবে। রাজ্য থেকে কাজের খোঁজে ভিন রাজ্যে যাওয়া বন্ধ হবে। প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পকে অনুমোদন দেওয়া হবে।” পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া দেশের ৩৫টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই সরকারি স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্প চালু রয়েছে। যদিও এটি কেন্দ্রীয়ভাবে পৃষ্ঠপোষকতাপ্রাপ্ত প্রকল্প, এর ব্যয় কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার যৌথভাবে বহন করে। পশ্চিমবঙ্গে এই প্রকল্পের প্রায় ৭৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং কেন্দ্রের ৪.৫৬ মিলিয়ন বাড়ি নির্মাণের লক্ষ্যের কাছাকাছি পৌঁছেছে। তবে উপভোক্তা নির্বাচনে অনিয়ম ও প্রকল্পের নাম পরিবর্তনের অভিযোগে বারবার বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, কেন্দ্রীয় সংস্থার তরফে তদন্তও হয়েছে। গ্রামীণ ও শহুরে আবাসন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়িত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে (BJP)।

    প্রসঙ্গত, সারা দেশে প্রকল্পটির নাম ‘আয়ুষ্মান ভারত’। যদিও পশ্চিমবঙ্গে ‘স্বাস্থ্যসাথী’ নামেই চলেছে প্রধানমন্ত্রীর জন আরোগ্য যোজনার কাজ। ২০১৮ সালে কেন্দ্রের এই প্রকল্পে যোগ দিয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সরকার। সেই সময় স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছিল,  ‘আয়ুষ্মান ভারত’ (Ayushman Bharat) প্রকল্পে সারা দেশে যে দশ কোটি পরিবারকে চিকিৎসা ভাতার অধীনে আনা হচ্ছিল, তার মধ্যে ছিল পশ্চিমবঙ্গের এক কোটি ১২ লক্ষ পরিবারও। আর্থ-সামাজিক জাতি গণনা অনুযায়ী এই এক কোটি ১২ লাখ পরিবারকে চিহ্নিত করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। রাজ্যে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে দেড় লাখ টাকার বিমার সুবিধা পায় লাখ চল্লিশেক পরিবার। ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্পটি ‘স্বাস্থ্যসাথী’র সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়ায় রাজ্যে দেড় কোটিরও বেশি পরিবার চিকিৎসা বিমার সুবিধা পাবে বলে সেই সময় (BJP) জানিয়েছিল রাজ্য।

    স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তা জানিয়েছিলেন, মূলত ‘হাইব্রিড’ পদ্ধতিতে এই প্রকল্পটি পরিচালনা করা হবে। স্বাস্থ্য দফতর নিজেরাই ট্রাস্ট তৈরি করে চিকিৎসা বিমার খরচ মেটাবে (Central Welfare Schemes)। বেসরকারি বিমা কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি শেষ হওয়ার আগে পর্যন্ত তাদের মাধ্যমেও একাংশের বিমার প্রিমিয়াম মেটানো হবে। পরে সকলের চিকিৎসা খরচই মেটানো হবে রাজ্যের ট্রাস্ট থেকে। এত দিন ৪০ লাখের কিছু বেশি পরিবারের বার্ষিক প্রিমিয়ামের পুরো টাকাটাই রাজ্য সরকারকে মেটাতে হত। গড়ে এক-এক জনের প্রিমিয়াম বাবদ দিতে হত ৫৮০ টাকা। কেন্দ্রীয় প্রকল্পে যোগ দেওয়ায় প্রায় সওয়া কোটি পরিবারের স্বাস্থ্য বিমার ৬০ শতাংশ টাকা (Central Welfare Schemes) দেবে কেন্দ্র। রাজ্য সরকার দেবে বাকি ৪০ শতাংশ। ফলে রাজ্যেও অনেক কম খরচে জেলা হাসপাতাল থেকে মেডিক্যাল কলেজগুলিতে বেশি মানুষকে চিকিৎসা বিমার সুবিধা দেওয়া যাবে। বেসরকারি ক্ষেত্রেও এই সুবিধা মিলবে। যদিও বাংলায় এই প্রকল্পের নাম ছিল স্বাস্থ্যসাথী। সর্বত্র সুবিধা মিলত না বলেও অভিযোগ। বিজেপি (BJP) জমানায় এবার ফের শুরু হবে থমকে থাকা আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের কাজ।

    প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনা

    পশ্চিমবঙ্গের মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের জন্য কার্যকর হতে পারে প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনা। এর মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা, বিমা এবং আধুনিক সরঞ্জাম দেওয়া হবে (Central Welfare Schemes)। পশ্চিমবঙ্গে জল জীবন মিশনের অগ্রগতি উল্লেখযোগ্য নয়। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত গ্রামীণ এলাকার ৫৬.৪৬ শতাংশ পরিবার পাইপলাইনের পানীয় জলের সংযোগ পেয়েছে। সংসদে দেওয়া এক প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, ২০১৯-২০ থেকে ২০২৩-২৪ পর্যন্ত কেন্দ্রের বরাদ্দ ২৪,৬৪৫ কোটি টাকার মধ্যে রাজ্য মাত্র ৫৩ শতাংশ ব্যবহার করতে পেরেছে। কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে প্রস্তাব জমা ও নথিপত্র সংক্রান্ত দেরিকে।

    পিএম শ্রী স্কুল প্রকল্প

    পশ্চিমবঙ্গে স্থগিত রয়েছে পিএম শ্রী স্কুল প্রকল্পের কাজ। কেন্দ্রের পয়সায় চলা এই মডেল স্কুলগুলি এবার চালু হতে পারে। এতে উন্নত হবে শিক্ষার পরিকাঠামো। পশ্চিমবঙ্গ কেন্দ্রীয় ফসল বিমা প্রকল্প থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল। এখন প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনার মাধ্যমে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসলের ক্ষতির বিরুদ্ধে কৃষকরা সুরক্ষা পাবেন এবং সময়মতো ক্ষতিপূরণও পাবেন (Central Welfare Schemes)। প্রথাগত কারিগর ও শিল্পীদের সাহায্যের উদ্দেশ্যে চালু হয়েছে পিএম বিশ্বকর্মা যোজনা। এই প্রকল্পের মাধ্যমে তাঁতি, কুমোর, কামার-সহ দক্ষ শ্রমিকরা প্রশিক্ষণ, আধুনিক সরঞ্জাম এবং জিরো ব্যালেন্স অ্যাকাউন্টেও ঋণের সুবিধা পাবেন, যা তাঁরা আগে পেতেন না (BJP)।

    প্রসঙ্গত, সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে ঐতিহাসিক জয় পেয়েছে বিজেপি (BJP Bengal Win)। রাজ্যের ২০৬টি আসন জিতে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে পদ্মশিবির। উৎখাত করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনকে। যে শাসনের গেরোয় (Central Welfare Schemes) গত ১৫ বছর ধরে হাঁসফাঁস করছিলেন বঙ্গবাসী!

     

  • Operation Sindoor Anniversary: “ভারত ক্ষমা করে না”! অপারেশন সিঁদুরের বর্ষপূর্তিতে ভিডিও প্রকাশ করে কড়া বার্তা ভারতীয় বায়ুসেনার

    Operation Sindoor Anniversary: “ভারত ক্ষমা করে না”! অপারেশন সিঁদুরের বর্ষপূর্তিতে ভিডিও প্রকাশ করে কড়া বার্তা ভারতীয় বায়ুসেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজকের দিনেই এক বছর আগে ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF) পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শুরু করেছিল ‘অপারেশন সিঁদুর’। জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় ২৬ জন পর্যটকের মৃত্যুর পর এই অভিযান চালানো হয়। ভারতের জানিয়েছিল, পাকিস্তান-সমর্থিত ও প্রশিক্ষিত জঙ্গিরাই ওই হামলার সঙ্গে জড়িত।

    ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় পাকিস্তানের

    ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ পাকিস্তানের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ে। ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিমানঘাঁটির কংক্রিট হ্যাঙ্গার, এয়ারফ্রেম এবং উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা রেডার ব্যবস্থা। ভারতীয় বাহিনীর ব্রহ্মোস ক্রুজ মিসাইল, ড্রোন এবং নির্ভুল গাইডেড গ্লাইড বোমার আঘাতে এই ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছিল। ভারতের হামলার পর পাকিস্তানের একাধিক এলাকায় রাতের আকাশ জুড়ে বিশাল অগ্নিগোলক দেখা যায়। ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে জঙ্গি শিবির এবং সামরিক পরিকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছিল বলে জানিয়েছিল ভারত। সেই বিস্ফোরণের ছবি আন্তর্জাতিক মহলেও আলোচনার কেন্দ্রে আসে।

    “ভারত ক্ষমা করে না”

    বৃহস্পতিবা, রাত ১টা ৫ মিনিটে ভারতীয় বায়ুসেনা তাদের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে অপারেশন সিঁদুরের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের একটি ভিডিও প্রকাশ করে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, গত বছরের ৭ মে রাত ১টা ৫ মিনিটেই ভারত প্রথম দফার হামলা চালিয়েছিল পাকিস্তানের ভিতরে জঙ্গি ও সামরিক ঘাঁটির উপর। প্রকাশিত ভিডিওতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কণ্ঠে শোনা যায়, “ভারত প্রতিটি জঙ্গি এবং তাদের মদতদাতাদের চিহ্নিত করবে, খুঁজে বের করবে এবং শাস্তি দেবে।” ভিডিওর সঙ্গে ভারতীয় বায়ুসেনা একটি কড়া বার্তাও পোস্ট করে। সেখানে লেখা হয়, “অপারেশন সিঁদুর। ন্যায় প্রতিষ্ঠিত। পদক্ষেপে নিখুঁত, স্মৃতিতে চিরন্তন—অপারেশন সিঁদুর অব্যাহত। ভারত কিছু ভোলে না। ভারত ক্ষমা করে না।”

    পাঁচ দশকের বৃহত্তম মাল্টি-ডোমেন যুদ্ধ

    ভারতের সামরিক সূত্রে দাবি, গত প্রায় পাঁচ দশকের মধ্যে এটি ছিল দেশের বৃহত্তম মাল্টি-ডোমেন যুদ্ধ অভিযান। সীমান্ত পেরিয়ে সন্ত্রাসে পাকিস্তানের মদতের জবাব দিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়, যা ভারতের কৌশলগত ও নিরাপত্তা নীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। অপারেশন সিঁদুরে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের একাধিক জঙ্গি ঘাঁটি নিশানা করা হয়েছিল বলে জানা যায়। এর মধ্যে ছিল বাহাওয়ালপুরে জইশ-ই-মহম্মদের সদর দফতর, মুরিদকেতে লস্কর-ই-তইবার ঘাঁটি, সিয়ালকোটের মেহমুনা জোয়া, মুজফফরাবাদের সাওয়াই নালা ও সৈয়দ না বিলাল, কোটলির গুলপুর ও আব্বাস, ভিম্বরের বারনালা এবং সারজাল এলাকা। ভারতীয় হামলার তীব্রতা ও কার্যকারিতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে যখন গত বছরের ৯ মে বিকেলে পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার দিকে এগোয় বলে দাবি করা হয়। যদিও আরও প্রায় দু’দিন সংঘর্ষ চলেছিল, তবুও ভারতের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে ভারতীয় সামরিক চাপ সহ্য করতে পাকিস্তান ব্যর্থ হয়েছিল।

  • Operation Sindoor Anniversary: ‘দেশের জন্য সর্বদা প্রস্তুত’, অপারেশন সিঁদুর’-এর বর্ষপূর্তিতে সেনাকে কুর্নিশ মোদির

    Operation Sindoor Anniversary: ‘দেশের জন্য সর্বদা প্রস্তুত’, অপারেশন সিঁদুর’-এর বর্ষপূর্তিতে সেনাকে কুর্নিশ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর বর্ষপূর্তিতে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর সাহস ও বীরত্বকে সম্মান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বুধবার নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) প্রোফাইলের ডিসপ্লে ছবি পরিবর্তন করলেন। নতুন ডিসপ্লেতে স্থান পেয়েছে ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর প্রতীকী ছবি, যা দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০২৫ সালের ৭ মে পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পর ভারত শুরু করেছিল ‘অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor Anniversary)। ভারতীয় সেনাবাহিনী পাকিস্তান ও পাকিস্তান অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীর (PoJK)-এ অবস্থিত একাধিক জঙ্গি ঘাঁটিতে নিশানা করে অভিযান চালায়। সরকারি সূত্র অনুযায়ী, এই অভিযানে লস্কর-ই-তইবা, জইশ-ই-মহম্মদ এবং হিজবুল মুজাহিদিনের মোট ৯টি বড় জঙ্গি লঞ্চপ্যাড ধ্বংস করা হয়। অভিযানে ১০০-রও বেশি জঙ্গি নিহত হয়েছিল বলে দাবি ভারতের।

    সেনাবাহিনীকে স্যালুট প্রধানমন্ত্রী মোদির

    পহেলগাঁও হামলার বদলা নিতে গত বছর ৭ মে অপারেশন সিঁদুর অভিযান চালায় ভারত। বৃহস্পতিবার তার বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সেনাবাহিনীর জয়গান গাইলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একইসঙ্গে তাঁর বার্তা, “সন্ত্রাসবাদকে ধ্বংস করার সংকল্পে অটল ভারত।” বৃহস্পতিবার মোদি তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘এই অভিযানে ভারতের সশস্ত্র বাহিনী অতুলনীয় সাহস, নির্ভুলতা এবং দৃঢ় সংকল্পের প্রদর্শন করেছে। অপারেশন সিঁদুর সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের দৃঢ় অবস্থান এবং জাতীয় নিরাপত্তার প্রতি অবিচল অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করেছে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই অভিযান ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব, প্রস্তুতি এবং তিন বাহিনীর সম্মিলিত শক্তির পরিচয় দিয়েছে। গোটা দেশ সেনাবাহিনীকে স্যালুট জানায়। সন্ত্রাসবাদকে ধ্বংস করতে করতে ভারত নিজের সংকল্পে অটল রয়েছে।”

    আত্মনির্ভর ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতার প্রমাণ

    অন্যদিকে, এদিন সকালে সেনাবাহিনীর তরফেও ভিডিও প্রকাশ করে বিশেষ বার্তা দেওয়া হয়। বলা হয়, “সন্ত্রাসবাদীদের রেহাই নেই। জঙ্গিদের খুঁজে খুঁজে শাস্তি দেবে ভারত।” এদিন অপারেশন সিঁদুরের বর্ষপূর্তিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংও ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর বীরত্ব ও আত্মত্যাগকে কুর্নিশ জানান। এক্সে করা পোস্টে তিনি লেখেন, “অপারেশন সিঁদুর আমাদের জাতীয় সংকল্প ও প্রস্তুতির শক্তিশালী প্রতীক। এই অভিযানে ভারতীয় সেনাবাহিনী যে নিখুঁত সমন্বয়, আধুনিক কৌশল ও দৃঢ়তা দেখিয়েছে, তা ভবিষ্যতের সামরিক অভিযানের জন্যও এক নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে।” তিনি আরও বলেন, “দেশের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী সবসময় প্রস্তুত। একই সঙ্গে এই অভিযান আত্মনির্ভর ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতারও প্রমাণ বহন করে।”

  • Saffron Wave: ভারতের রাজনৈতিক মানচিত্রে নাটকীয় পালাবদল, নজির গড়ল পদ্মময় বলয়

    Saffron Wave: ভারতের রাজনৈতিক মানচিত্রে নাটকীয় পালাবদল, নজির গড়ল পদ্মময় বলয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের রাজনৈতিক পরিসরে নাটকীয় মোড় (Saffron Wave)। পশ্চিমবঙ্গে নয়া অধ্যায়ের সূচনা করতে চলেছে বিজেপি। ৩৪ বছরের বাম রাজত্ব, তার পরে ১৫ বছরের তৃণমূল জমানা শেষে বঙ্গে ফুটল পদ্ম (India Power Map)। বহুদিন ধরে বিজেপি-বিরোধী দুর্গ হিসেবে পরিচিত বাংলার পতন সূচনা করেছে পূর্ব ভারতের রাজনৈতিক মানচিত্রে এক মৌলিক পুনর্বিন্যাসের, যেখানে বিজেপি এখন হিমালয় থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত একটি ক্ষমতার বলয় তৈরি করেছে।

    বদলে গেল দক্ষিণ ভারতের রাজনৈতিক  সমীকরণ (Saffron Wave)

    এদিকে, তামিলনাড়ুতে দেখা গিয়েছে বড়সড় পরিবর্তন। সেখানে ১০০-র বেশি আসন জিতে ডিএমকে এবং এআইএডিএমকের দীর্ঘস্থায়ী মৌরশিপাট্টায় আঘাত হেনেছে নয়া দল তামিল বিকাশ কাজাগম (TVK)। যার জেরে বদলে গিয়েছে দক্ষিণ ভারতের রাজনৈতিক  সমীকরণ। কেরলে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (UDF) ফের ক্ষমতায় ফিরেছে। এলডিএফের সঙ্গে পালাবদলের ধারা ভেঙে দিয়ে দক্ষিণে আবারও প্রাণপ্রতিষ্ঠা কংগ্রেসের।  এদিকে, অসম ও পুদুচেরিতে এনডিএর শাসনই জারি থাকছে। যা আদতে নির্দেশ করে উত্তর-পূর্ব এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে তাদের মজবুত অবস্থানকে।

    বিজেপির জয়জয়কার

    এদিকে, সাম্প্রতিক নির্বাচনের ফলের জেরে বদলে গিয়েছে ভারতের রাজনৈতিক মানচিত্র। বর্তমানে বিজেপি একাই ১৭টি রাজ্যে রাজ করছে। এগুলি হল— পশ্চিমবঙ্গ, দিল্লি, হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, অসম, ওড়িশা, ছত্তিশগড়, ত্রিপুরা, গোয়া, অরুণাচল প্রদেশ, মণিপুর এবং উত্তরাখণ্ড। বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ শাসন করছে আরও পাঁচটি রাজ্য। এগুলি হল— বিহার, অন্ধ্রপ্রদেশ, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড এবং সিকিম। সব মিলিয়ে মোট ২২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের রাশ রয়েছে এনডিএর হাতে (India Power Map)। এই ২২টি অঞ্চল ভারতের মোট ভৌগোলিক এলাকার প্রায় ৭৩ শতাংশ, প্রতিনিধিত্ব করে মোট জনসংখ্যার প্রায় ৭৮ শতাংশের (Saffron Wave)। সাম্প্রতিক নির্বাচনের পরে বিজেপির রাজ্যস্তরের বিধায়কের সংখ্যা প্রায় ১৭০০-তে গিয়ে পৌঁছেছে, যা কংগ্রেসের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। পদ্মশিবিরের এই ফলের জেরে রাজ্যের আইনসভাগুলিতে সবচেয়ে বড় দল হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে বিজেপি (India Power Map)। বিজেপি-নেতৃত্বাধীন জোট এখন দেশের প্রায় চার-পঞ্চমাংশ জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছে, যেখানে বিরোধী শিবিরের আওতায় রয়েছে মাত্র এক-সপ্তমাংশের কিছু বেশি।

    গেরুয়াময় অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গ

    পশ্চিমবঙ্গ জয়ের মাধ্যমে বিজেপি এখন উত্তর হিমালয় অঞ্চল থেকে গঙ্গা সমভূমি, পশ্চিম মালভূমি হয়ে উত্তর-পূর্ব ও পূর্ব উপকূল পর্যন্ত একটি ধারাবাহিক ক্ষমতার বলয় গড়ে তুলেছে। এর ফলে নীতিগত সমন্বয়, কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক এবং নির্বাচনী কার্যকলাপ আরও সহজ হয়েছে (Saffron Wave)। দিল্লিতে বিজয় ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী “বিকশিত ভারত” লক্ষ্যের সঙ্গে পূর্ব ভারতের পুনর্জাগরণের কথারও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “অতীতে বিহার, বাংলা ও ওড়িশা ভারতের গৌরবের তিন স্তম্ভ ছিল—অঙ্গ, বঙ্গ ও কলিঙ্গ। এই তিন রাজ্যের উন্নয়নই বিকশিত ভারত গঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ (India Power Map)।” তিনি কলিঙ্গ (ওড়িশা)-কে সামুদ্রিক শক্তি, অঙ্গ (বিহার)-কে বস্ত্র বাণিজ্যের কেন্দ্র এবং বঙ্গ (পশ্চিমবঙ্গ)-কে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে বর্ণনা করেন।

    বৃত্ত ছোট হচ্ছে কংগ্রেসের

    অন্যদিকে, কংগ্রেস এখন একাই শাসন করছে মাত্র চারটি রাজ্য। এগুলি হল, হিমাচল প্রদেশ, তেলঙ্গানা, কেরল এবং কর্নাটক। ‘ইন্ডি’ জোটের সঙ্গে যুক্ত আরও দু’টি অঞ্চলেও রয়েছে কংগ্রেস—ঝাড়খণ্ড এবং জম্মু-কাশ্মীর। এই ছ’টি অঞ্চল ভারতের মোট এলাকার প্রায় ১৯ শতাংশ, প্রতিনিধিত্ব করে মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৪ শতাংশের। যদিও এই জোট দক্ষিণ, মধ্য ভারত এবং হিমালয় অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছে, তবুও তাদের ভৌগোলিক এবং জনসংখ্যাগত প্রভাব এনডিএর তুলনায় ঢের কম (Saffron Wave)। তবে কংগ্রেস-‘ইন্ডি’ জোটের শক্তি কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যেই কেন্দ্রীভূত—কেরলের উন্নত সামাজিক সূচক, কর্ণাটকের প্রযুক্তি-ভিত্তিক অর্থনীতি, তেলঙ্গনার শিল্পভিত্তি এবং ঝাড়খণ্ডের খনিজ সম্পদ তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে (India Power Map)। পরিসংখ্যান বলছে, এনডিএর সঙ্গে ব্যবধান কমাতে চাইলে বিরোধী শিবিরকে মাত্র ১৪ শতাংশ জনসংখ্যা ও ১৯ শতাংশ এলাকা নিয়েই আগামী বছরগুলিতে (Saffron Wave) জাতীয় পর্যায়ে জনসমর্থন বাড়াতে হবে, করতে হবে জয়লাভও। তা না হলে অচিরেই স্রেফ সাইনবোর্ড সর্বস্ব হয়ে যাবে শতাব্দী-প্রাচীন দল কংগ্রেস।

     

  • PM Modi: “বাংলায় রাজনৈতিক হিংসায় অনেক জীবন নষ্ট হয়েছে, তাই বদলা নয়, বদল”, বঙ্গজয়ের পর বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “বাংলায় রাজনৈতিক হিংসায় অনেক জীবন নষ্ট হয়েছে, তাই বদলা নয়, বদল”, বঙ্গজয়ের পর বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলায় রাজনৈতিক হিংসায় অনেক জীবন নষ্ট হয়েছে। তাই এবার বদলা নয়, বদল।” দিল্লিতে বিজেপির (BJP) সদর দফতরে ভাষণ দিতে গিয়ে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। রীতিমতো বাঙালি পোশাক (ধুতি-পাঞ্জাবি) পরে দফতরে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার বঙ্গ-ভোটের ফল পরিষ্কার হতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছিলেন, ‘‘২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। জনগণের শক্তির জয় হয়েছে, আর জয়ী হয়েছে বিজেপির সুশাসনের রাজনীতি। আমি পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যেক ব্যক্তিকে প্রণাম জানাই।’’

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য (PM Modi)

    সমাজমাধ্যমে তিনি আরও লেখেন, ‘‘জনগণ বিজেপির পক্ষে অভূতপূর্ব রায় দিয়েছেন এবং আমি তাঁদের আশ্বাস দিচ্ছি যে, আমাদের দল পশ্চিমবঙ্গের মানুষের স্বপ্ন এবং আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য সম্ভাব্য সব কিছু করবে। আমরা এমন একটি সরকার দেব, যা সমাজের সকল স্তরের মানুষের সুযোগ এবং মর্যাদা নিশ্চিত করবে।’’ এদিন বক্তৃতা দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিহার, ওড়িশার মতো পশ্চিমবঙ্গের মানুষও এনডিএর ওপর ভরসা রেখেছেন।” এর আগেই তিনি বলেন, “বাংলায় রাজনৈতিক হিংসায় অনেক জীবন নষ্ট হয়েছে, এ বার বদলা নয়, বদল।” তিনি জানান, পশ্চিমবঙ্গে এই প্রথম বার ভয় নয়, লোকতন্ত্র জিতল। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলায় পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে। আজ থেকে বাংলা ভয়মুক্ত হল। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ের পর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আত্মা শান্তি পেল।”

    গণতন্ত্রের জয়, সংবিধানের জয়

    পশ্চিমবঙ্গে এবার ভোটদানের হার ৯৩ শতাংশ। একে ঐতিহাসিক বলে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। তিনি বলেন, “গণতন্ত্রে জয়-পরাজয় স্বাভাবিক। এটা গণতন্ত্রের জয়, সংবিধানের জয়। গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গাসাগর, সর্বত্রই পদ্ম ফুটেছে।” প্রধানমন্ত্রী জানান, বিহারে ভোটের ফলের দিনই তিনি বলেছিলেন যে, গঙ্গা বিহার হয়ে গঙ্গাসাগরে যায়। বিজেপির কোটি কোটি কর্মীকে ধন্যবাদও জানান প্রধানমন্ত্রী। এদিন প্রধানমন্ত্রীর আসার আগেই সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বঙ্গ জয়ের (BJP) জন্য দলীয় কর্মী-সমর্থকদের ধন্যবাদ জানান বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য পশ্চিমবঙ্গ-সহ চার রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত পুদুচেরির ভোটারদের ধন্যবাদ জানালেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন।

    ‘কোটি কোটি প্রণাম’

    পশ্চিমবঙ্গবাসীকে ‘কোটি কোটি প্রণাম’ জানিয়েছেন বিজেপির হেভিওয়েট নেতা অমিত শাহও। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, ‘‘এই বিপুল জনাদেশ ভয়, তোষণ এবং অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষকদের বিরুদ্ধে বাংলার মানুষের জোরালো জবাব।’’ তাঁর দাবি, বিজেপির এই জয় তৃণমূলের ভয়ের ঊর্ধ্বে প্রধানমন্ত্রী মোদীর প্রতি ভরসার জয় (PM Modi)। তিনি লিখেছেন, ‘‘আমার মতো প্রতিটি বিজেপি কর্মীর জন্য এটি গর্বের মুহূর্ত। যে গঙ্গোত্রীতে মা গঙ্গার উৎস, সেখান থেকে শুরু করে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত আজ সর্বত্র বিজেপির গেরুয়া পতাকা গর্বের সঙ্গে উড়ছে।’’

    ‘সোনার বাংলা’

    তিনি লিখেছেন, ‘‘বাংলায় বিজেপির এই ঐতিহাসিক জয় আমাদের অসংখ্য কর্মীর ত্যাগ, সংগ্রাম এবং আত্মবলিদানের ফল। সেই সমস্ত পরিবারের ধৈর্যের জয়, যারা হিংসা সহ্য করেও গেরুয়া পতাকা ছাড়েনি। শূন্য থেকে আজ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পৌঁছোনোর এই কঠিন যাত্রায় যে কর্মীরা নিজেদের প্রাণ উৎসর্গ করেছেন, হিংসার শিকার হয়েছেন, নির্যাতন সহ্য করেছেন, তবুও আদর্শের পথ থেকে একচুলও সরেননি, সেই সকল কর্মী ও তাঁদের পরিবারকে প্রণাম জানাই। বাংলার মানুষ এই বিপুল জনসমর্থনের মাধ্যমে বিজেপির সেই সকল শহিদ কর্মীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন (BJP)।’’ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘চৈতন্য মহাপ্রভু, স্বামী বিবেকানন্দ, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মতো মহাপুরুষের পবিত্রভূমি বাংলার হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনা এবং ‘সোনার বাংলা’র স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে বিজেপি দিন-রাত এক করে দেবে (PM Modi)।’’

     

  • BJP: “‘গভীর ফাটল’, ইন্ডি জোটের কোনও ভবিষ্যতই নেই”, বলল বিজেপি

    BJP: “‘গভীর ফাটল’, ইন্ডি জোটের কোনও ভবিষ্যতই নেই”, বলল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একের পর এক রাজ্যের রশি যাচ্ছে বিজেপির (BJP) হাতে। ক্রমেই রাজপাট হারাচ্ছে বিজেপি-বিরোধী  ‘ইন্ডি’ জোটের (INDI Alliance) বিভিন্ন শরিকদল। সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গ এবং অসমেও বিপুল ভোটে জিততে চলেছে বিজেপি। তার পরেই পদ্ম-শিবিরের ভবিষ্যদ্বাণী, ইন্ডি জোটে গভীর ফাটল। এই জোটের কোনও ভবিষ্যতই নেই। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকেও নিশানা করেছে গেরুয়া শিবির। বলেছে, জোটকে ঠিকঠাকভাবে পরিচালনা করতে ব্যর্থ হয়েছেন রাহুল। ভোট গণনার দিনেও তিনি ফের অনুপস্থিত।

    ‘ইন্ডি’ জোটে ফাটল (BJP)

    নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ১৯২টি আসনে এগিয়ে থেকে সম্ভাব্য জয়ের পথে রয়েছে। শাসক তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ৯৪টিতে। অসমেও এগিয়ে যাচ্ছে গৈরিক পার্টি। বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা জানান, এই নির্বাচনের ফল বিরোধী জোটের মধ্যে গভীর বিভাজন সৃষ্টি করেছে। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি বলেন, “এই নির্বাচনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হল ‘ইন্ডি’ জোট পুরোপুরি ভেঙে গিয়েছে এবং অদৃশ্য হয়ে গিয়েছে। রাহুল গান্ধী জোটকে নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। পুরো নির্বাচনে এটা স্পষ্ট হয়েছে যে তিনি ‘ইন্ডি’ জোট সামলাতে পারেননি।”

    বিজেপির বিস্তারের কৃতিত্ব মোদির

    তিনি আরও বলেন, “আজ (সোমবার) নির্বাচনের ফল বেরোচ্ছে, অথচ রাহুল গান্ধী ফের বিদেশে ছুটি কাটাতে গিয়েছেন। জোটের শরিকদের মধ্যে কোনও সমন্বয় ছিল না।” বিজেপির এই মুখপাত্র বলেন, “এখন দেশে ‘ইন্ডি’ জোট বলে কিছু নেই। এর কোনও ভবিষ্যৎ নেই। ‘ইন্ডি’ জোটের ইতি (BJP)।” পুনাওয়ালা বিজেপির বিস্তারের কৃতিত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। তিনি বলেন, “দেশে টানা ১২ বছর ক্ষমতায় থাকার পরেও নতুন নতুন রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠিত হচ্ছে, শতাংশের হিসেবেও বাড়ছে ভোট, মানুষের আস্থা আরও দৃঢ় হচ্ছে—মোদিজির জন্য।” বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক বিনোদ তাওড়ে পশ্চিমবঙ্গবাসীকে ধন্যবাদ জানান। এক্স হ্যান্ডেলে করা পোস্টে তিনি বলেন, “যেখানে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি জন্মেছিলেন, সেই বাংলা আমাদের (INDI Alliance)। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে ঐতিহাসিক ম্যান্ডেট দেওয়ার জন্য বাংলার মানুষকে আন্তরিক অভিনন্দন (BJP)।”

     

  • Mission ‘Drishti’: ভারতের ‘দৃষ্টি’ এড়াতে পারবে না প্রতিবেশী শত্রু দেশ! দেশের অপ্টোএসএআর উপগ্রহ উৎক্ষেপণের প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী

    Mission ‘Drishti’: ভারতের ‘দৃষ্টি’ এড়াতে পারবে না প্রতিবেশী শত্রু দেশ! দেশের অপ্টোএসএআর উপগ্রহ উৎক্ষেপণের প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের মহাকাশ অভিযানে নতুন মাইলফলক। ‘মিশন দৃষ্টি’-র (Mission ‘Drishti’) সফল উৎক্ষেপণের জন্য ভারতীয় মহাকাশ সংস্থা ‘গ্যালাক্সিআই’-কে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই উৎক্ষেপণকে ভারতের মহাকাশ যাত্রার একটি ‘প্রধান মাইলফলক’ বলে অভিহিত করেছেন তিনি। এই অর্জনকে দেশের উদ্ভাবনী পরিবেশের প্রতিফলন হিসেবেও প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এই অভিযানে রয়েছে বিশ্বের প্রথম অপ্টোএসএআর উপগ্রহ ( OptoSAR Satellite)। এটি ভারতে কোনও বেসরকারি সংস্থার তৈরি বৃহত্তম উপগ্রহ।

    প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা

    বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক স্টার্টআপ ‘গ্যালাক্সিআই’ (GalaxEye)-এর তৈরি বিশ্বের প্রথম স্যাটেলাইট ‘মিশন দৃষ্টি’ সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা হল। রবিবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া থেকে স্পেসএক্স (SpaceX)-এর ফালকন-৯ (Falcon 9) রকেটে করে মহাকাশে পাঠানো হয় এই স্যাটেলাইটটি। রবিবার প্রধানমন্ত্রী নিজের এক্স-হ্যান্ডলে লেখেন, ‘গ্যালাক্সআই-এর ‘মিশন দৃষ্টি’ আমাদের মহাকাশ যাত্রায় একটি বড় সাফল্য। বিশ্বের প্রথম অপ্টোএসএআর উপগ্রহ এবং ভারতে বেসরকারি ভাবে নির্মিত বৃহত্তম উপগ্রহের সফল উৎক্ষেপণ উদ্ভাবন ও দেশ গড়ার প্রতি আমাদের তরুণদের আবেগের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। গ্যালাক্সিআই-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং পুরো দলকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।’

    কী বিশেষত্ব এই স্যাটেলাইটে?

    ‘মিশন দৃষ্টি’ বিশ্বের প্রথম স্যাটেলাইট, যেখানে একসঙ্গে ইলেক্ট্রো অপটিকাল (Electro-Optical) ও সিন্থেটিক অ্যাপারেটর রেডার (Synthetic Aperture Radar বা SAR) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। ইলেক্ট্রো অপটিকাল সেন্সর পরিষ্কার আকাশে ও দিনের আলোতে উচ্চমানের ছবি তোলে। এসএআর প্রযুক্তি মেঘ, বৃষ্টি বা অন্ধকার—সব পরিস্থিতিতেই নিরবচ্ছিন্ন ছবি দিতে সক্ষম। ফলে, এই স্যাটেলাইট থেকে ২৪ ঘণ্টা, সব আবহাওয়ায় নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যাবে। দাবি করা হচ্ছে, ১৯০ কেজি ওজনের ‘দৃষ্টি’ই হল ভারতে বেসরকারি ভাবে নির্মিত সবচেয়ে বড় ভূ-পর্যবেক্ষণ (আর্থ অবজার্ভেশন) কৃত্রিম উপগ্রহ।

    কী কাজে লাগবে?

    আমেরিকার ক্যালিফর্নিয়ার একটি উৎক্ষেপণকেন্দ্র থেকে ভারতীয় সংস্থার তৈরি এই কৃত্রিম উপগ্রহটি মহাকাশে পাঠানো হয়। ভারতীয় সময় রবিবার দুপুর ১২টা ২৯ মিনিটে ‘দৃষ্টি’ সফল ভাবে উৎক্ষেপিত হয়। বেসরকারি পরিসরে মহাকাশ গবেষণা এবং অভিযানের ক্ষেত্রে ‘দৃষ্টি’র মহাকাশযাত্রা এক উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। ‘গ্যালাক্সি আই’ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এত দিনের প্রচলিত ব্যবস্থায় যে সীমাবদ্ধতা ছিল, তা দূর করতে এ বার সাহায্য করবে এই উপগ্রহটি। একই সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের পরিবেশগত পরিস্থিতিতে আরও ধারাবাহিক এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতেও সাহায্য করবে। সংস্থার আরও দাবি, ভূ-পর্যবেক্ষণের এই কৃত্রিম উপগ্রহটি কৃষি, দুর্যোগ মোকাবিলা, সমুদ্রে নজরদারির পাশাপাশি প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রেও সাহায্য করবে দেশকে। এছাড়াও, এটি ভারতের বিদ্যমান আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    ‘গ্যালাক্সিআই’-র প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও সুয়াশ সিং জানান, স্যাটেলাইটটি এখন সফলভাবে কক্ষপথে রয়েছে। শীঘ্রই এর কমিশনিং সম্পন্ন করা হবে। ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক বাজারে এর ডেটার ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে। তাঁর কথায়, “আমাদের কাছে দৃষ্টি কথার মানে হল যে কোনও কিছুকে ভিতর থেকে দেখা। সেই ভাবনা থেকেই কৃত্রিম উপগ্রহটির নাম রাখা হয়েছে ‘দৃষ্টি’। এর বিশেষত্ব হল, একই কৃত্রিম উপগ্রহতে একটি মাল্টিস্পেকট্রাল ক্যামেরা এবং একটি সিন্থেটিক অ্যাপারচার র‌েডার ইমেজার রয়েছে। এই ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার এই প্রথম।” ইন্ডিয়ান স্পেস অ্যাসোসিয়েশনের (Indian Space Association) ডিরেক্টর জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল একে ভাট বলেন, “একটি প্ল্যাটফর্মে অপটিক্যাল ও এসএআর প্রযুক্তি একত্রিত করা বড় সাফল্য—যা কেবল কয়েকটি দেশই করতে পেরেছে।” ‘অপ্টোএসএআর’ হল এক ধরনের হাইব্রিড প্রযুক্তি, যেখানে দুই ধরনের প্রযুক্তিগত সুবিধা একটিই প্লাটফর্ম থেকে পাওয়া যায়।

    সীমান্তে সদা নজরদারি

    ভারতের মতো উষ্ণ মণ্ডলীয় দেশে অধিকাংশ সময় আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে। ফলে সাধারণ অপটিক্যাল স্যাটেলাইট দিয়ে স্পষ্ট ছবি পাওয়া কঠিন হয়। ‘দৃষ্টি’ সেই সমস্যার সমাধান করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। রাতের অন্ধকারে বা খারাপ আবহাওয়াতেও নজরদারি চালাতে সক্ষম হওয়ার জন্য সীমান্ত রক্ষায় এই উপগ্রহ কাজে লাগবে। তাই প্রতিবেশী শত্রু দেশের জন্য চিন্তার করাণ ভারতের তৈরি এই কৃত্রিম উপগ্রহ। প্রধানমন্ত্রী মোদি ছাড়াও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)-ও এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত। বিজ্ঞানীদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, “এই উৎক্ষেপণ বিশ্বমঞ্চে ভারতের সক্ষমতাকে আরও উজ্জ্বল করবে।” এছাড়া কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং (Jitendra Singh) বলেন, এটি ভারতের বেসরকারি মহাকাশ খাতে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ।”

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

    গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পৃথিবীর পৃথিবীর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ যেকোনো সময়েই মেঘে ঢাকা থাকে, যা নির্ভরযোগ্য তথ্যের জন্য এই ধরনের হাইব্রিড সিস্টেমকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে। দ্বৈত-সেন্সর ক্ষমতা নিরবচ্ছিন্ন পৃথিবী পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করে, যা কৌশলগত এবং অসামরিক উভয় ক্ষেত্রেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। এই ধরনের ব্যবস্থা বিদেশি স্যাটেলাইট তথ্যের উপর নির্ভরতা কমায়, বিশেষ করে সংঘাত বা সংকটের সময় যখন এর নাগাল পাওয়া সীমিত থাকতে পারে। ‘গ্যালাক্সিআই’ ২০৩০ সালের মধ্যে ‘মিশন দৃষ্টি’-কে কেন্দ্র করে ১০টি স্যাটেলাইটের একটি কনস্টেলেশন গড়ে তুলতে চায়। এর মাধ্যমে ভারত একটি শক্তিশালী ও স্বনির্ভর আর্থ অবজারভেশন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারবে। ‘মিশন দৃষ্টি’ শুধু একটি স্যাটেলাইট নয়—এটি ভারতের বেসরকারি মহাকাশ প্রযুক্তির শক্তি ও ভবিষ্যতের ইঙ্গিত।

     

  • Canada: ঢোক গিলল কানাডা! খালিস্তানপন্থীরা উদ্বেগের কারণ, এবার জানাল সেদেশের গোয়েন্দা সংস্থাও

    Canada: ঢোক গিলল কানাডা! খালিস্তানপন্থীরা উদ্বেগের কারণ, এবার জানাল সেদেশের গোয়েন্দা সংস্থাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ কূটনৈতিক জয় হল ভারতেরই! ঢোক গিলতে হল কানাডাকে। খালিস্তানপন্থীরা যে ক্রমেই কানাডায় জাতীয় নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণ হচ্ছে, তা জানিয়ে দিয়েছে কানাডিয়ান সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস (CSIS)। সাম্প্রতিক গোয়েন্দা মূল্যায়নে সতর্ক করা হয়েছে, খালিস্তানপন্থীরা এখনও কানাডার ভেতরে চরমপন্থী অ্যাজেন্ডা প্রচার করছে। বস্তুত, এই কথাটাই নয়াদিল্লি দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে কানাডাকে, প্রকাশ করেছে উদ্বেগও। এবার সেই একই উদ্বেগ প্রকাশ করলেন কানাডার গোয়েন্দারা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি ভারতের একটি কূটনৈতিক স্বীকৃতি।

    হুমকির পরিবেশ তৈরি করছে খালিস্তানপন্থীরা (Canada)

    ২০২৫ সালের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি এই রিপোর্টটি কানাডার সংসদে উপস্থাপন করা হয়। তাতে উল্লেখ করা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে কানাডার মাটিতে কোনও হামলা না হলেও, অব্যাহত রয়েছে উদ্বেগ। রিপোর্টটি এয়ার ইন্ডিয়া ফ্লাইট ১৮২ বোমা হামলার ৪০তম বার্ষিকীর প্রেক্ষাপটে তৈরি, যেখানে ৩২৯ জন নিহত হয়েছিলেন। কানাডার ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলা হিসেবে বিবেচিত হয় ওই ঘটনা। যদিও ২০২৫ সালে কানাডা-ভিত্তিক খালিস্তানি চরমপন্থীদের সঙ্গে যুক্ত কোনও হামলার ঘটনা ঘটেনি, তবুও এতে সতর্ক করা হয়েছে যে হুমকির পরিবেশ এখনও সক্রিয় রয়েছে এবং পরিবর্তনশীল। গোয়েন্দাদের মতে, “সিবিকেইদের হিংসাত্মক চরমপন্থী কার্যকলাপ অব্যাহত। এটি কানাডা এবং কানাডার স্বার্থের জন্য একটি জাতীয় নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে রয়ে গিয়েছে।” প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত কিছু ব্যক্তি কানাডিয়ান সমাজেও সংযুক্ত এবং তারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করে চরমপন্থী মতাদর্শ প্রচার করছে। সাধারণ মানুষের অজান্তে তহবিল জোগাড় করে তা হিংসাত্মক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

    কানাডার ভূখণ্ডকে ঘাঁটি করা হচ্ছে

    প্রসঙ্গত, এটি গত এক বছরে সিএসআইএসের পক্ষ থেকে দ্বিতীয়বারের মতো এমন সতর্কবার্তা। ২০২৫ সালের জুন মাসের প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানিয়েছিল, খালিস্তানি চরমপন্থীরা কানাডার ভূখণ্ডকে প্রচার, তহবিল জোগাড় এবং হিংসার ষড়যন্ত্র ছকার নীল নকশার ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করছে, যার মূল লক্ষ্য হল ভারত। এইসব তথ্য নয়াদিল্লির দীর্ঘদিনের উদ্বেগকে আরও জোরালো করেছে। ভারত বারবার অটোয়াকে (কানাডার রাজধানী) এই ধরনের নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে দ্রুত এবং কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেছে। এই ইস্যুটি দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করেছে, বিশেষ করে প্রাক্তন কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সময়ে। নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া নিয়ে মতবিরোধের কারণে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক পৌঁছেছিল তলানিতে।

    কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির বক্তব্য

    ২০২৫ সালের জুন মাস থেকে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার যৌথ প্রচেষ্টার প্রেক্ষাপটে, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ২০২৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত ভারত সফর করেন। এই সফরে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দশ মাসে তৃতীয়বারের মতো সাক্ষাৎ করেন, যা সম্পর্ক পুনর্গঠনের ধারাবাহিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ইঙ্গিত দেয় বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের। এই সফরের আগে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল অটোয়া সফর করেন, যা সংবেদনশীল নিরাপত্তা বিষয় নিয়ে যে আলাপ-আলোচনা চলছে, তারই প্রতিফলন। তার সঙ্গে কানাডার জাতীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা উপদেষ্টা নাথালি দ্রুইনের আলোচনার ফলে উভয় দেশই নিরাপত্তা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার যোগাযোগ রাখতে আধিকারিক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়। এর উদ্দেশ্য হল, জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য দ্রুত বিনিময় করা এবং সহযোগিতা জোরদার করা।

    মার্চ মাসে ভারতের বৈঠকে মোদি সন্ত্রাসবাদ, উগ্রবাদ ও চরমপন্থার বৈশ্বিক প্রভাবের ওপর জোর দেন। যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, “এই চ্যালেঞ্জগুলি শুধু ভারত ও কানাডার জন্য নয়, বরং পুরো বিশ্বের জন্যই গুরুতর। এই হুমকিগুলি মোকাবিলায় দুই দেশের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি।” ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই নয়া কূটনৈতিক যোগাযোগ এবং গোয়েন্দা পর্যায়ের সমন্বয় দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক পুনর্গঠন এবং নিরাপত্তা উদ্বেগ মোকাবিলায় সতর্ক এবং দৃঢ় প্রচেষ্টার প্রতিফলন।

     

  • PM Modi: তীব্র গরমে পুড়ছে ভারতের একাধিক শহর, প্রধানমন্ত্রীকে কাঠগড়ায় তুলছেন বিরোধীরা

    PM Modi: তীব্র গরমে পুড়ছে ভারতের একাধিক শহর, প্রধানমন্ত্রীকে কাঠগড়ায় তুলছেন বিরোধীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনও মে মাস শুরুই হয়নি। তার আগেই তীব্র গরমে পুড়ছে (Heatwave) ভারতের বেশ কয়েকটি শহর। পাঞ্জাব, হরিয়ানা, দিল্লি, রাজস্থান এবং উত্তর প্রদেশ-সহ ১১টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি ঘোষণা করেছে ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD)। বিরোধী শিবির ও তাদের সমর্থকরা দেখাতে চাইছে, এই ঘটনা শুধু ভারতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ (PM Modi)। যদিও একই সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তেও তাপমাত্রা হঠাৎ করে বেড়ে গিয়েছে। এই চরম আবহাওয়ার পেছনে মানবসৃষ্ট কিছু কারণ থাকলেও, বেশি করে রয়েছে প্রাকৃতিক কারণ।

    সুপার এল নিনো (PM Modi)

    পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে সুপার এল নিনোর কারণে। এটি সমুদ্র থেকে অতিরিক্ত তাপ সংগ্রহ করে বায়ুমণ্ডলে ছেড়ে দেয়। বিজ্ঞানীরা প্রশান্ত মহাসাগরের ঘটনাবলী পর্যবেক্ষণ করছেন। এই ঘটনাবলী আগামী বছরে বৈশ্বিক তাপমাত্রা আরও বাড়াতে পারে এবং নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করতে পারে। আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, বর্তমানে ভারতের সমতলভূমিকে গ্রাস করা তীব্র গরম বৃহত্তর এক আবহাওয়াগত ধাঁচের অংশ, যা ছ’সপ্তাহ আগে উত্তর এশিয়া ও সাইবেরিয়ায় শুরু হয়েছিল।

    তাপমাত্রা মোকাবিলায় পদক্ষেপ

    এদিকে, এপ্রিলের শুরুতে বিভিন্ন অংশীদার একজোট হয়ে গ্লোবাল হিট হেল্থ ইনফর্মেশান নেটওয়ার্ক (GHHIN)-এর সাউথ এশিয়া হাব (South Asia Hub) গঠন করেছে। এর কারণ হল ভারত-সহ গোটা উপমহাদেশে বাড়তে থাকা তাপমাত্রা মোকাবিলায় সহযোগিতা ও উদ্ভাবন বাড়ানো যায়। এটি ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ট্রপিক্যাল মেটিওরোলজি (IITM) এবং ইন্ডিয়া মেটিওরোলজি (India Meteorological Department)-এর সঙ্গে কাজ করবে। লক্ষ্য, জলবায়ু তথ্যকে স্বাস্থ্যসেবামূলক পদক্ষেপে রূপান্তরের জন্য একটি অভিন্ন আঞ্চলিক পরিকাঠামো তৈরি করা। বিশ্ব এই পরিবর্তনের সঙ্গে লড়ছে এবং সমাধান খুঁজছে। অন্যদিকে, ভারতীয় বিরোধী দল ও বাম-উদারপন্থীরা অযৌক্তিক যুক্তি দিয়ে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সরকারকে দোষারোপ করতে ব্যস্ত।

    মোদি সরকারকে দোষারোপ

    সমালোচকেরা নানা অদ্ভুত অজুহাত খাড়া করে মোদি সরকারকে দোষ দিচ্ছেন। ‘এপিক ম্যাপস’ ভারতের বাড়তে থাকা তাপমাত্রার একটি মানচিত্র প্রকাশ করে এটিকে কেবল ভারতের অস্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে দেখায়, অথচ পাকিস্তান, ইয়েমেন, থাইল্যান্ড, মায়ানমার-সহ আশপাশের দেশগুলির তাপমাত্রা বৃদ্ধির বিষয়টি গোপন রাখে (Heatwave)। কংগ্রেস নেতা শ্রীনিবাস বিভি এই অসম্পূর্ণ তথ্যকে কাজে লাগিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দায়ী করেন। দিয়া মির্জা একটি পোস্ট শেয়ার করেন। তাতে দাবি করা হয়, ২০২৩ সালের ফরেস্ট কনজারভেশন অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট (Forest Conservation Amendment Act)-এর মাধ্যমে বন ধ্বংস ত্বরান্বিত হয়েছে। কারবারি আনসারির অভিযোগ, মোদি শুধু হিন্দু-মুসলিম রাজনীতি করে ভোট কুড়োতে চান, জলবায়ু পরিবর্তন বা গরম নিয়ে তিনি উদাসীন।

    নিট-জিরো এমিশন

    যদিও বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার ঘন বনভূমি বৃদ্ধি, ২০৭০ সালের মধ্যে নিট-জিরো এমিশন (net-zero emission) অর্জনের অঙ্গীকার করেছে এবং নবায়নযোগ্য শক্তির প্রসারে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে (PM Modi)। তা সত্ত্বেও বিরোধীরা তথ্যের চেয়ে রাজনৈতিক প্রচারেই বেশি মনোযোগ দিচ্ছেন। এআইসিসির সম্পাদক গৌরব পান্ধির দাবি, কংগ্রেস আমলে পরিস্থিতি ভালো ছিল, বর্তমান সরকার ব্যর্থ হয়েছে। দীনেশ ওয়াদেরা বলেন, “পরিকাঠামোর উন্নয়নের ‘কংক্রিট উদ্যোগ’ই সমস্যার কারণ।” সুধীর যাদবের অভিযোগ, আদিবাসীদের জন্য সংরক্ষিত জমি ও বন ব্যবসায়ীদের হাতে তুলে দেওয়ায় কাটা হয়েছে লাখ লাখ গাছ।

    “হিট ডোম”

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতে গরমের প্রকৃত কারণ বহুস্তরীয়। কম বাতাস, উচ্চচাপ বলয় এবং মেঘের অভাবের কারণে তাপ ভূমির কাছাকাছি আটকে থাকে। ইন্দো-গ্যাঞ্জেটিক প্লেন্স (Indo-Gangetic plains) ও পূর্ব ভারতের ওপর তৈরি হওয়া “হিট ডোম” একটি বড় কারণ। এ বছর পশ্চিমী ঝঞ্ঝাও দুর্বল হয়েছে। তাই কম বৃষ্টি হয়েছে (Heatwave)। বাম-উদারপন্থীরা দাবি করলেও, ভারত বিশ্বের তুলনায় দ্রুত উষ্ণ হচ্ছে, এ কথা পুরোপুরি ঠিক নয়। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সালাটা ইনস্টিটিউটের গবেষণায় বলা হয়েছে, ভারতের গড় পৃষ্ঠতাপমাত্রা বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় বেড়েছে ধীরে (PM Modi)।

    ইন্দো-গ্যাঞ্জেটিক প্লেন

    দূষণ থেকে উৎপন্ন এরোসলস (aerosols) সূর্যালোক ছড়িয়ে দেয়, কমিয়ে দেয় ভূমির ওপর সৌর বিকিরণ। এগুলি দক্ষিণ এশিয়ার ওপর এক ধরনের প্রতিফলক আবরণ তৈরি করে। এছাড়া, ইন্দো-গ্যাঞ্জেটিক প্লেনে (Indo-Gangetic plain) ব্যাপক সেচ বাষ্পীভবন বাড়িয়ে প্রাকৃতিক শীতলতা তৈরি করে। কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের ইআরএ৫ ডেটাসেট অনুযায়ী, নয়ের দশকের মাঝামাঝি থেকে ইউরোপ প্রতি দশকে প্রায় ০.৫৩°সেলসিয়াস হারে উষ্ণ হয়েছে, যা একে পরিণত করেছে দ্রুততম উষ্ণ হওয়া মহাদেশে। আর্কটিক আরও দ্রুত, প্রতি দশকে প্রায় ০.৬৯°সেলসিয়াস হারে উষ্ণ হচ্ছে। জানা গিয়েছে, ভারতীয় উপমহাদেশের বড় অংশে তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল, প্রতি দশকে ০ থেকে ০.২°সেলসিয়াস।

    বস্তুত, বিশ্ব উষ্ণায়ন ও তাপপ্রবাহ একটি বাস্তব ও গুরুতর সমস্যা। এর সমাধানে দীর্ঘমেয়াদি ও আন্তরিক প্রচেষ্টা দরকার। কিন্তু বিরোধী দল ও তাদের সমর্থকেরা বাস্তব সমাধানের বদলে রাজনৈতিক আক্রমণে বেশি (Heatwave) মনোযোগী। সরকার বদলালেই বিশ্বের জলবায়ুগত বাস্তবতা বদলে যাবে না (PM Modi)।

     

LinkedIn
Share