Tag: Narendra Modi

Narendra Modi

  • All Party Meet: ‘পাকিস্তানের মতো দালাল দেশ নয় ভারত’, সর্বদলীয় বৈঠকে সাফ জানাল কেন্দ্র

    All Party Meet: ‘পাকিস্তানের মতো দালাল দেশ নয় ভারত’, সর্বদলীয় বৈঠকে সাফ জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ভারত কোনওভাবেই পাকিস্তানের মতো দালাল দেশ নয়।’ বুধবার সর্বদলীয় বৈঠকে (All Party Meet) সাফ জানিয়ে দিল কেন্দ্র। পশ্চিম এশিয়ায় যে সংঘাত চলছে, সেখানে পাকিস্তানের কথিত মধ্যস্থতার (Pakistan) প্রসঙ্গে একথা জানিয়ে দেওয়া হয় কেন্দ্রের তরফে। সংসদ ভবনে আয়োজিত এই বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আটজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং বিরোধী দলের একাধিক সদস্য। বৈঠক বয়কট করে তৃণমূল।

    বিরোধীদের প্রশ্ন, জয়শঙ্করের উত্তর (All Party Meet)

    বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে আর ভারত নীরব দর্শক হয়ে রয়েছে। এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেন, “১৯৮১ সাল থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে ব্যবহার করে আসছে। তাই এই ধরনের মধ্যস্থতা নতুন কিছু নয়।” এর পরেই তিনি বলেন, “আমরা কোনও দালাল রাষ্ট্র নই।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে টেলিফোনে আলাপচারিতা নিয়ে বিরোধীদের প্রশ্নের উত্তরে জয়শঙ্কর জানান, প্রধানমন্ত্রী পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছেন। কারণ এই সংঘাত সবার পক্ষেই ক্ষতিকর। সিপিআই(এম) সাংসদ জন ব্রিটাসের প্রশ্ন ছিল, “সরকার কি এই সংঘাতে নীরবতাকেই কূটনীতি হিসেবে গ্রহণ করেছে?” জয়শঙ্কর বলেন, “নয়াদিল্লি নীরব নয়, বরং আমরা মন্তব্য করছি এবং প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছি।” সূত্রের খবর, ব্রিটাস উল্লেখ করেন যে কাতার, যেখান থেকে ভারত প্রায় ৪০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল আমদানি করে, তারাও স্বীকার করেছে উৎপাদন স্থিতিশীল করতে তাদের বহু বছর লাগবে (All Party Meet)।

    এনসিপি (এসপি) সাংসদের প্রশ্ন

    এনসিপি (এসপি) সাংসদ সুপ্রিয়া সুলের প্রশ্ন ছিল, “ভারতের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের সম্পর্কের বিশেষ সুবিধা কী?” উত্তরে জয়শঙ্কর বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল দেশের বৃহত্তম বাণিজ্যিক ও প্রতিরক্ষা অংশীদার। ইরানও আমাদের আচরণে সন্তুষ্ট।” বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, ভারত ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর ঘটনায় দ্রুত শোক প্রকাশ করেনি। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়, ইরানি দূতাবাস খোলার পরপরই বিদেশসচিব সেখানে গিয়ে শোকপুস্তকে স্বাক্ষর করেছিলেন (Pakistan)। সরকার এও জানায়, উপসাগরীয় অঞ্চলে বসবাসরত প্রবাসী ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণ করাই প্রধান লক্ষ্য। এ ক্ষেত্রে সরকার এখন পর্যন্ত সফলই হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে (All Party Meet)।

    সংসদে আলোচনার দাবি

    বিরোধীরা অবশ্য সরকারের দেওয়া উত্তরকে “অসন্তোষজনক” বলে অভিহিত করেন। তাঁরা লোকসভা ও রাজ্যসভা—সংসদের উভয় কক্ষেই পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ আলোচনার দাবি জানান। সরকারকে নিশানা করে কংগ্রেস নেতা তারিক আনোয়ার বলেন, “লোকসভা ও রাজ্যসভায় এই বিষয়ে আলোচনা হওয়া উচিত। বিরোধী দলগুলি সরকারের জবাবে সন্তুষ্ট নয়।” ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটির অন্তর্ভুক্ত সকল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর এবং অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এদিনের বৈঠকে সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা এবং সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজুও উপস্থিত ছিলেন। বিদেশসচিব বিক্রম মিশ্রি বৈঠকে একটি প্রেজেন্টেশন দেন (All Party Meet)। বৈঠকে উপস্থিত বিরোধী নেতাদের মধ্যে ছিলেন কংগ্রেসের তারিক আনোয়ার ও মুকুল ওয়াসনিক, সমাজবাদী পার্টির ধর্মেন্দ্র যাদব এবং বিজু জনতা দলের সাস্মিত পাত্র প্রমুখ (Pakistan)। তৃণমূলের কোনও প্রতিনিধি সর্বদলীয় বৈঠকে যোগ দেননি।

     

  • PM Modi: পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল কেন্দ্র, কারা কারা উপস্থিত থাকবেন?

    PM Modi: পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল কেন্দ্র, কারা কারা উপস্থিত থাকবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট (West Asia Conflict) নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল কেন্দ্র। বুধবার বৈঠক হবে বিকেল ৫টায়। এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করতে পারেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। উপস্থিত থাকতে পারেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও।

    সর্বদলীয় বৈঠকের ডাক কেন্দ্রের (PM Modi)

    পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষিতে এই বৈঠক (PM Modi) অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়েছে গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথের ওপর। উপসাগরীয় দেশগুলিতে বসবাসকারী ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বেড়েছে। মঙ্গলবারই প্রতিরক্ষামন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত একটি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ (CDS) জেনারেল অনিল চৌহান, তিন বাহিনীর প্রধান, ডিআরডিওর চেয়ারম্যান সমীর কামাত-সহ অন্যরা। রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা কমিটির (CCS) বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ায় চলা সংঘাতের পরিস্থিতি এবং তার মোকাবিলায় নেওয়া প্রস্তাবিত পদক্ষেপগুলি পর্যালোচনা করেন। তিনি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য মন্ত্রী ও সচিবদের একটি বিশেষ দল গঠনের নির্দেশও দেন।

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

    পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংসদীয় ভাষণের পর আয়োজিত হচ্ছে এই সর্বদলীয় বৈঠক। মঙ্গলবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “জ্বালানি, সরবরাহ ব্যবস্থা, সার-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৌশল তৈরির জন্য সরকার সাতটি ক্ষমতাপ্রাপ্ত গোষ্ঠী গঠন করেছে, যাতে ইরান-ইজরায়েল-আমেরিকা সংঘাতের প্রভাব কমানো যায়।” সোমবার লোকসভায় তিনি বলেন, “পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতজনিত কঠিন বৈশ্বিক পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। এজন্য দেশকে ঐক্যবদ্ধ ও প্রস্তুত থাকতে হবে, যেমনটি কোভিড-১৯ অতিমারির সময় ছিল। পশ্চিম এশিয়ার এই সংঘাত এখন চতুর্থ সপ্তাহে প্রবেশ করেছে, ব্যাহত হয়েছে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী জাহাজের অনায়াস যাতায়াত। ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ সামরিক হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই নিহত হওয়ার পর উত্তেজনা আরও বেড়েছে (PM Modi)।

    বৈঠকে থাকছেন না রাহুল

    এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশে ইজরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। যার ফলে সামুদ্রিক পথে জাহাজ চলাচল আরও বিঘ্নিত হয়। এর ভয়ঙ্কর প্রভাব পড়ে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর (West Asia Conflict)। এদিনের সর্বদলীয় বৈঠকে হাজির থাকবেন না লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি জানান, কেরালায় একটি নির্ধারিত কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কারণে এই সর্বদলীয় বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারবেন না। প্রসঙ্গত, এর আগে কংগ্রেস প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করে বলেছিল, “সঙ্কট নিয়ে তাঁর বক্তব্য ছিল নিজের প্রশংসায় ভরা আগেভাগেই তৈরি করে দেওয়া একটি লেখা”। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, “পশ্চিম এশিয়া ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ প্রায় এক কোটি ভারতীয় সেখানে বসবাস ও কাজ করেন। তাছাড়া এই অঞ্চলের সমুদ্রপথে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজে বিপুল সংখ্যক ভারতীয় নাবিকও কাজ করেন (PM Modi)।”

    ঐক্যবদ্ধ ও সর্বসম্মত বার্তা দিতেই বৈঠক

    তিনি এও বলেন, “এই বিভিন্ন কারণেই ভারতের উদ্বেগ স্বাভাবিকভাবেই বেশি। তাই এই সঙ্কট নিয়ে ভারতের সংসদ থেকে একটি ঐক্যবদ্ধ ও সর্বসম্মত বার্তা বিশ্বে পৌঁছনো অত্যন্ত জরুরি।” ২৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে ফলপ্রসূ মতবিনিময়ও হয়েছে তাঁদের মধ্যে। তিনি বলেন, “ভারত দ্রুত উত্তেজনা প্রশমনের এবং শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার পক্ষে। হরমুজ প্রণালী খোলা, নিরাপদ এবং সকলের জন্য সহজলভ্য রাখা (West Asia Conflict) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রচেষ্টায় আমরা যোগাযোগ বজায় রাখার বিষয়ে একমত হয়েছি (PM Modi)।”

  • Donald Trump: মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তুঙ্গে, মোদির সঙ্গে ফোনে কথা ট্রাম্পের

    Donald Trump: মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তুঙ্গে, মোদির সঙ্গে ফোনে কথা ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র আকার ধারণ করেছে সংঘাত। এহেন আবহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে। উভয় নেতাই হরমুজ প্রণালী খোলা রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। এক্স হ্যান্ডেলে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গর লিখেছেন, “প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সদ্য প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে কথা বলেছেন।

    কী জানালেন প্রধানমন্ত্রী (Donald Trump)

    এরই কিছুক্ষণ পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও জানান, তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ফলপ্রসূ মতবিনিময় করেছেন। এক্স-এ করা পোস্টে তিনি লেখেন, “ভারত উত্তেজনা প্রশমন এবং দ্রুত শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার পক্ষে। হরমুজ প্রণালী খোলা, নিরাপদ ও সবার জন্য সহজলভ্য রাখা বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” এই ফোনালাপের সময়ই প্রধানমন্ত্রী সংসদে বলেন, “হরমুজ প্রণালীতে কোনও বিঘ্নই মেনে নেওয়া যায় না।” লোকসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং বৈশ্বিক নৌপথে বিঘ্ন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং (PM Modi) হরমুজ প্রণালীর মতো আন্তর্জাতিক জলপথে বিঘ্ন মেনে নেওয়া যায় না। এই যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ভারত কূটনৈতিক উপায়ে ভারতীয় জাহাজগুলির নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে অবিরাম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।” বিশ্বের বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহণে ব্যবহৃত হয় হরমুজ প্রণালী। তাই এটি বৈশ্বিক জ্বালানি স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পথে সাম্প্রতিক বিঘ্ন বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সঙ্কটের সৃষ্টি করেছে (Donald Trump)। মঙ্গলবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করে দিয়ে বলেন, “এই সঙ্কট বিশ্ব অর্থনীতিকে নড়িয়ে দিয়েছে। স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে অনেক সময় লাগতে পারে।”

    দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির ওপর নজর

    তিনি বলেন, “এই যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কট সৃষ্টি করেছে। ভারতের জন্যও এই পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। যুদ্ধ আমাদের বাণিজ্যিক পথগুলিকে প্রভাবিত করেছে। এর ফলে পেট্রোল, ডিজেল, গ্যাস এবং সারের নিয়মিত সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে।” তিনি অবশ্য আশ্বাস দেন, সরকার দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে এবং এর প্রভাব কমাতে ধারাবাহিক পদক্ষেপ করছে। এই পরিস্থিতিটি এমন একটি সময়ে সামনে এল, যার ঠিক একদিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের ওপর হামলা স্থগিত করার কথা ঘোষণা করেন (PM Modi)। তিনি জানান, তাঁর সরকার তেহরানের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা করেছে এবং যদি হরমুজ প্রণালী ফের চালু না হয়, তবে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে পরিকল্পিত হামলা পাঁচ দিন পিছিয়ে দেওয়া হবে।

    আমেরিকার দাবি খারিজ

    ইরানি আধিকারিকরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন (Donald Trump)। তাঁদের দাবি, তেহরানের কঠোর সতর্কবার্তার পরেই পিছিয়ে এসেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ইরানের সংসদের স্পিকার মোহম্মদ বাঘের গালিবাফ ট্রাম্পের এই দাবিকে ভুয়ো খবর আখ্যা দেন। তিনি বলেন, “এটি আর্থিক ও তেলবাজারে প্রভাব ফেলতে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের ব্যর্থতা থেকে দৃষ্টি সরাতে করা হয়েছে।”

    এক্স-এ দেওয়া পোস্টে গালিবাফ বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনও আলোচনা হয়নি ()। আর্থিক ও তেলবাজারকে প্রভাবিত করতে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল যে সঙ্কটে পড়েছে, তা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা হিসেবেই ছড়ানো হচ্ছে ভুয়ো খবর (Donald Trump)।”

     

  • PM Modi: “পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কটে নড়ে গিয়েছে বৈশ্বিক অর্থনীতি”, দেশবাসীকে সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কটে নড়ে গিয়েছে বৈশ্বিক অর্থনীতি”, দেশবাসীকে সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট নাড়িয়ে দিয়েছে বৈশ্বিক অর্থনীতিকে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে।” ঠিক এই ভাষায়ই দেশবাসীকে সতর্ক করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি এও বলেন, “দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত (West Asia Crisis) বিশ্বজুড়ে গুরুতর পরিণতি ডেকে আনতে পারে।” মঙ্গলবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা এই যুদ্ধ ইতিমধ্যেই বড় ধরনের জ্বালানি সঙ্কট সৃষ্টি করেছে, ব্যাহত করেছে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য পথগুলিতে চলাচল। তিনি বলেন, “এই যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে জ্বালানির একটি গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি করেছে। ভারতের জন্যও এই পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। আমাদের বাণিজ্য পথগুলি প্রভাবিত হয়েছে। এর ফলে পেট্রোল, ডিজেল, গ্যাস এবং সার সরবরাহের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়েছে।”

    প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস, সরকার দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে। ভারতের ওপর এর প্রভাব কমাতে ধারাবাহিক পদক্ষেপও করছে। তিনি বলেন, “আমাদের অর্থনীতির মৌলিক ভিত্তি শক্তিশালী। সরকার প্রতিটি পরিবর্তিত পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে এবং সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।” তিনি বলেন, “এই সঙ্কট ভিন্ন ধরনের এবং এর সমাধানও ভিন্নভাবে খোঁজা হচ্ছে। আমাদের প্রতিটি চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হবে ধৈর্য, সংযম এবং শান্তভাবে।” এর পরেই দেশবাসীকে সতর্ক করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব দীর্ঘদিন ধরে থাকতে পারে। তবে সরকার এ ব্যাপারে সতর্ক রয়েছে। জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজও করছে।” প্রধানমন্ত্রী রাজ্যগুলিকে কালোবাজারি ও প্রয়োজনীয় পণ্যের মজুতদারির বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। দরিদ্র এবং অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য আগাম উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলেন।

    কোভিড পরিস্থিতির পদক্ষেপের কথা স্মরণ করালেন প্রধানমন্ত্রী

    কোভিড পরিস্থিতির পদক্ষেপের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বর্তমান সঙ্কটেও একই ধরনের ‘টিম ইন্ডিয়া পদ্ধতি’ অবলম্বন করার আহ্বান জানান (West Asia Crisis)। তিনি বলেন, “প্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত (PM Modi)।” প্রধানমন্ত্রী হরমুজ প্রণালীর পরিস্থিতিকে বড় উদ্বেগ হিসেবে তুলে ধরেন। এই প্রণালীতে আটকে রয়েছে বহু আন্তর্জাতিক জাহাজ, সেগুলিতে রয়েছেন ভারতীয় নাবিকরাও। তিনি বলেন, “বিশ্বের অনেক জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে আটকে রয়েছে এবং সেগুলিতে বিপুল সংখ্যক ভারতীয় ক্রু সদস্য রয়েছেন।” তিনি জানান, ভারত কূটনৈতিকভাবে কাজ করছে যাতে জাহাজগুলি নিরাপদে চলাচল করতে পারে এবং অঞ্চলে উত্তেজনা কমানো যায়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হল উত্তেজনা কমানো এবং হরমুজ প্রণালী চালু করা (West Asia Crisis)।” উপসাগরীয় দেশগুলিতে প্রায় এক কোটি ভারতীয় বসবাস ও কাজ করেন। সে প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সঙ্কটের সময় দেশে ও বিদেশে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তাই আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার।”

    আত্মনির্ভর হওয়ার ডাক

    তিনি জানান, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ৩,৭৫,০০০-এর বেশি ভারতীয় নিরাপদে দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে রয়েছেন ইরান থেকে ১,০০০-এরও বেশি জন। তাঁদের মধ্যে ৭০০ জন মেডিক্যাল পড়ুয়া। প্রধানমন্ত্রী জানান, ভারত ইরান, ইজরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-সহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য কাজ করছে (PM Modi)। তিনি বলেন, “এই যুদ্ধে মানবজীবনের কোনও হুমকি মানবতার স্বার্থে নয়। ভারত সব পক্ষকে শান্তিপূর্ণ সমাধানের দিকে এগিয়ে নিতে ধারাবাহিকভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।” তিনি জানান, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলিতে তিনি বিভিন্ন বিশ্বনেতার সঙ্গে এই সঙ্কট নিয়ে আলোচনা করেছেন। সরকার জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উৎস থেকে তেল ও গ্যাস সংগ্রহের চেষ্টা করছে (West Asia Crisis)। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা সম্ভাব্য সব উৎস থেকে গ্যাস ও অপরিশোধিত তেল জোগাড়ের চেষ্টা করছি। এই প্রচেষ্টা আগামী দিনগুলিতেও চলবে।” তিনি জানান, গত ১১ বছরে ভারত ৫৩ লাখ মেট্রিক টন কৌশলগত তেল মজুত করেছে।  আরও ৬৫ লাখ মেট্রিক টন সংরক্ষণ ক্ষমতার ভাণ্ডার তৈরি করার কাজ চলছে। আগে ২৭টি দেশ থেকে জ্বালানি আমদানি করা হত। এই সংখ্যা বাড়িয়ে ৪১ করা হয়েছে। তিনি ৭০,০০০ কোটি টাকার জাহাজ নির্মাণ প্রকল্পের কথাও উল্লেখ করেন এবং আত্মনির্ভরতার ওপর জোর দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আত্মনির্ভর হওয়া ছাড়া ভারতের সামনে আর কোনও বিকল্প নেই (PM Modi)।”

  • Assembly Election 2026: ভোটে হাই-ভোল্টেজ ভবানীপুর! বিধানসভা নির্বাচনে মোদির শেষ প্রচার কেন্দ্র স্থির করল বিজেপি

    Assembly Election 2026: ভোটে হাই-ভোল্টেজ ভবানীপুর! বিধানসভা নির্বাচনে মোদির শেষ প্রচার কেন্দ্র স্থির করল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ভোটের বাদ্যি বেজে গিয়েছে। ঘোষণা হয়েছে নির্বাচনের দিন। ভোটের (Assembly Election 2026) দিনক্ষণ ঘোষণার পর এখনও বাংলায় প্রচারে আসেননি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi in Bengal)। তিনি বাংলায় কবে প্রথম প্রচার শুরু করবেন, তা এখনও নির্দিষ্ট করে জানা যায়নি। তবে বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনে মোদির শেষ কর্মসূচি কোথায় হতে চলেছে, তার আঁচ পাওয়া গেল। হাইভোল্টেজ ভবানীপুরে তাঁর নির্বাচনী প্রচার শেষ করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। এবার ভোটে রাজ্যে সবচেয়ে হাই-ভোল্টেজ কেন্দ্র ভবানীপুর। এই আসনে তৃণমূলের প্রার্থী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। একুশের নির্বাচনে যে দ্বৈরথ পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে দেখা গিয়েছিল, সেটাই এবার হচ্ছে ভবানীপুরে। গতবার নন্দীগ্রামে এই দ্বৈরথে মমতাকে টেক্কা দিয়েছিলেন শুভেন্দু।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কর্মসূচি

    রাজ্য বিজেপি সূত্রে খবর,পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election 2026)  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কী কী কর্মসূচি থাকবে, তার রূপরেখা চূড়ান্ত করার আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে সে আলোচনার শুরুতেই নির্ধারিত হয়েছে শেষ কর্মসূচিটি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দ্বিতীয় বা শেষ দফার নির্বাচনী প্রচারে শেষ রোড শো কোথায় করবেন, স্থির করে ফেলেছে বিজেপি। এ যাত্রায় প্রধানমন্ত্রী মোদির অন্তিম রোড শো-টি ভবানীপুর ছুঁয়ে যাবে। ২৩ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। সে দফায় কলকাতায় ভোট হচ্ছে না। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের ১৪২টি আসনে ভোট হবে দ্বিতীয় দফায় অর্থাৎ ২৯ এপ্রিল। তাই ২৪ থেকে ২৭ এপ্রিলের মধ্যেই এই অঞ্চলে ভোটের প্রচার তুঙ্গে উঠবে। ওই সময়েই প্রধানমন্ত্রী মোদি কলকাতায় রোড শো করবেন। সেটিই হবে পশ্চিমবঙ্গের এই নির্বাচনে তাঁর শেষ রোড শো। কোন পথ দিয়ে বা কলকাতার কোন কোন অ়ঞ্চল হয়ে প্রধানমন্ত্রীর রোড শো এগোবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর সে কর্মসূচি যে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রকে অবশ্যই ছুঁয়ে যাবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়ে গিয়েছে।

    ভবানীপুরে শেষ রোড-শো!

    বিজেপি সূত্রে খবর, বাংলায় দ্বিতীয় দফার ভোটের প্রচার মোদি শেষ করতে পারেন ভবানীপুরে। এই নিয়ে জোর আলোচনা চলছে পদ্মশিবিরে। কলকাতার দুই প্রান্তে দুটি রোড শো করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী (Modi in Bengal)। তবে, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা, প্রধানমন্ত্রীর দফতরের অনুমোদন, এসপিজি-র ছাড়পত্র— এমন অনেকগুলি বিষয়ের উপরে যাত্রাপথ চূড়ান্ত হওয়া নির্ভর করছে। সূত্রের খবর, উত্তর এবং দক্ষিণ কলকাতায় মোদি রোড শো, মিছিল করবেন। তবে এখনও দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি। মোদির ভোট প্রচারের শেষ কর্মসূচির আভাস পাওয়া গেলেও প্রথম কর্মসূচি সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি। বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব চাইছেন, আগামী ২৬ মার্চ বঙ্গে ভোট প্রচার শুরু করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। যদিও প্রধামন্ত্রীর দফতর থেকে এখনও কিছু জানানো হয়নি। শোনা যাচ্ছে, এপ্রিলের শুরুতেই উত্তরবঙ্গে আসবেন মোদি। শিলিগুড়িতে করতে পারেন রোড শো।

     

     

     

     

     

  • PM Modi: দীর্ঘতম সময় ধরে সরকারের প্রধান, দেশের ইতিহাসে নয়া নজির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

    PM Modi: দীর্ঘতম সময় ধরে সরকারের প্রধান, দেশের ইতিহাসে নয়া নজির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার দেশের ইতিহাসে নয়া নজির গড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি দেশের ইতিহাসে দীর্ঘতম সময় ধরে সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তি। এদিন তিনি সিকিমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পবন কুমার চামলিংকে (Pawan Kumar Chamling) ছাপিয়ে গিয়েছেন। প্রথমে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী এবং পরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোট ৮,৯৩১ দিন দায়িত্ব পালন করে মোদি ভেঙে দিয়েছেন চামলিংয়ের ৮,৯৩০ দিনের রেকর্ড। এই মাইলফলক ভারতের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, যা দীর্ঘদিনের ধারাবাহিক জনসেবা ও নেতৃত্বের প্রতিফলন। মোদি এর আগেও গুজরাটের দীর্ঘতম মেয়াদের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন এবং তিনি এমন এক প্রধানমন্ত্রী, যাঁর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে।

    মোদির রেকর্ড (PM Modi)

    তিনি স্বাধীনতার পর জন্ম নেওয়া প্রথম প্রধানমন্ত্রী যিনি ২০১৪, ২০১৯ ও ২০২৪- পরপর তিনটি লোকসভা নির্বাচনে নিজের দলকে জয়ী করেছেন। গত বছরের অক্টোবরে, সরকারের প্রধান হিসেবে ২৫তম বর্ষে পদার্পণের সময় প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) ভারতের জনগণকে ধন্যবাদ জানান। ২০০১ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকে নিজের যাত্রার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, “মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা এবং জাতীয় অগ্রগতিতে অবদান রাখা আমার নিরন্তর প্রচেষ্টা। আমি অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতিতে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলাম—যখন গুজরাট ভয়াবহ ভূমিকম্প, সুপার সাইক্লোন, ধারাবাহিক খরা এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাবে বিপর্যস্ত হয়ে গিয়েছিল।”

    রাজ্যকে পুনর্গঠনের দৃঢ় সংকল্প

    মোদি জানান, এই চ্যালেঞ্জগুলিই তাঁকে নতুন উদ্যম ও আশায় রাজ্যকে পুনর্গঠনের দৃঢ় সংকল্প দিয়েছে। একটি ব্যক্তিগত স্মৃতি তুলে ধরে তিনি জানান, তাঁর মা তাঁকে সবসময় গরিব মানুষের জন্য কাজ করতে এবং কখনও ঘুষ না নিতে পরামর্শ দিয়েছিলেন, যা তাঁর জীবনের পথপ্রদর্শক হয়ে রয়েছে (PM Modi)। তিনি তাঁর আমলে গুজরাটের রূপান্তরের কথাও তুলে ধরেন, যেখানে খরাপ্রবণ ও অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল একটি রাজ্য থেকে “সুশাসনের শক্তিকেন্দ্রে” পরিণত হয়েছে। উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে কৃষি, শিল্প ও পরিকাঠামো ক্ষেত্রে।

    বিকশিত ভারত গড়ার প্রতিশ্রুতি

    ২০১৩ সালে তাঁকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়, যাকে তিনি “বিশ্বাস ও শাসনের সংকটে”র সময় হিসেবে উল্লেখ করেন। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তাঁর দলকে নিরঙ্কুশ সমর্থন করার কৃতিত্ব তিনি দেন দেশবাসীকে। তিনি জানান, গত ১১ বছরে ২৫ কোটিরও বেশি মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছেন এবং বিশ্ব অর্থনীতির মধ্যে ভারত একটি উজ্জ্বল অবস্থানে পৌঁছেছে (Pawan Kumar Chamling)। ক্ষমতায়নের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, বিভিন্ন উদ্যোগ নারী শক্তি, যুব  শক্তি এবং কৃষকদের উপকার করেছে। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশের সেবা করা তাঁর কাছে সর্বোচ্চ সম্মানের বিষয় এবং সংবিধানের মূল্যবোধ দ্বারা পরিচালিত “বিকশিত ভারত” গড়ার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি (PM Modi)।

     

  • PM Modi: ৫ কোটিরও বেশি টাকা রোজগার করেছে প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’! ফিরিয়ে এনেছে রেডিওর আকর্ষণও

    PM Modi: ৫ কোটিরও বেশি টাকা রোজগার করেছে প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’! ফিরিয়ে এনেছে রেডিওর আকর্ষণও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী পদে বসার পর নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) চালু করেন ‘মন কি বাত’ (Mann Ki Baat) কর্মসূচি। লক্ষ্য ছিল, দেশবাসীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করা। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল ভারতের জনগণের কাছে পৌঁছনো। এমন একটি সময়ে তিনি এটি চালু করেছিলেন, যখন রেডিওর আকর্ষণ অস্তগামী। প্রধানমন্ত্রীর এই অনুষ্ঠানটি অল ইন্ডিয়া রেডিওকে নতুন করে অক্সিজেন জোগায়। অনুষ্ঠানটি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং মানুষ আগ্রহভরে অপেক্ষা করতে থাকেন, প্রধানমন্ত্রী কী বলেন তা শুনতে।

    কী জানাল প্রসার ভারতী (PM Modi)

    এই কর্মসূচির আরও একটি লক্ষ্য ছিল, সেটি হল ধীরে ধীরে এটি সম্প্রচারকারী সংস্থার আয়ের পথও প্রশস্ত করা। আরটিআই (RTI) আবেদনের ভিত্তিতে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি ২০২৩ থেকে জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে এই অনুষ্ঠান কত আয় করেছে, তা প্রকাশ পেয়েছে। সমাজকর্মী বিবেক পাণ্ডের দাখিল করা আরটিআইয়ের  জবাবে প্রসার ভারতী জানায়, এই সময়ে কর্মসূচিটি মোট ৫.৩৩ কোটি টাকা রোজগার করেছে। বছরভিত্তিক হিসেবে দেখা যায়, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে আয় ছিল ১৬.৬০ লাখ টাকা। পরের অর্থবর্ষে আয় বেড়ে দাঁড়ায় ১.১৭ কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে তা বেড়ে হয় ১.৬৩ কোটি টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত এই অনুষ্ঠান আয় করেছে ২.৩৬ কোটি টাকা।

    ‘মন কি বাত’-এর পেছনে কত ব্যয়

    এই পরিসংখ্যানগুলি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আয়ের ধারাবাহিক বৃদ্ধিকে নির্দেশ করে, যা কর্মসূচিটির ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তার জ্বলন্ত প্রমাণ। আরটিআই আবেদনের আর একটি অংশে বিবেক জানতে চেয়েছিলেন, জানুয়ারি ২০২৩ থেকে জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে প্রিন্ট, টেলিভিশন, রেডিও এবং ইন্টারনেট-সহ বিভিন্ন মাধ্যমে ‘মন কি বাত’ প্রচারে সরকার কত টাকা ব্যয় করেছে (Mann Ki Baat)।এর উত্তরে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের অধীন কেন্দ্রীয় যোগাযোগ ব্যুরো জানায়, “জানুয়ারি ২০২৩ থেকে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ‘মন কি বাত’-এর বিজ্ঞাপনের জন্য ব্যয়ের পরিমাণ শূন্য।” অর্থাৎ, এই কর্মসূচির প্রচারে কোনও মাধ্যমেই কোনও অর্থই খরচ করা হয়নি (PM Modi)।

    প্রসঙ্গত, এই তথ্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরে, সেটি হল মন কি বাত শুধু লাখ লাখ মানুষের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনকারী একটি সরকারি কর্মসূচিই নয়, এটি বিজ্ঞাপনের কোনও খরচ ছাড়াই লাভজনকও। এই কর্মসূচি কেবল যোগাযোগের মাধ্যমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও আর্থিক প্রভাবসম্পন্ন সম্প্রচার কর্মসূচির স্বীকৃতি পেয়েছে (PM Modi)।

     

  • Dhurandhar: ‘ধুরন্ধর ২’-তে বিশেষ ‘ক্যামিও’ মোদির! রণবীর সিংয়ের চেয়ে বেশি হাততালি কুড়োলেন প্রধানমন্ত্রী

    Dhurandhar: ‘ধুরন্ধর ২’-তে বিশেষ ‘ক্যামিও’ মোদির! রণবীর সিংয়ের চেয়ে বেশি হাততালি কুড়োলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৬ সালে নোটবন্দি নিয়ে ভাষণ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর সেই বক্তৃতা ব্যবহার করা হয়েছে ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ ছবিতে (Dhurandhar: The Revenge)। ছবিতে এই আইকনিক মুহূর্তটি টেলিভিশনের পর্দায় দেখানো হয়েছে, যেখানে নোট বাতিল হওয়ার দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে (PM Modi)। সেটি দর্শকদের স্মৃতিকে উসকে দেয়। ইতিমধ্যেই মোদি-ভক্তরা সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন এবং এই ঐতিহাসিক ভাষণটি ছবিতে ব্যবহার করার তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করছেন।

    ইউজারের টুইট-বার্তা (Dhurandhar 2)

    সিনেমা হলে মোদিকে অভিনন্দন জানাতে দেখা যাওয়ায় এক ইউজার টুইট করেন, ধুরন্ধরে রণবীর সিংয়ের চেয়ে মোদিকে দেখে উচ্ছ্বসিত জনতা। আর এক উচ্ছ্বসিত ভক্তের মন্তব্য, “মোদিজি মেড এ ক্যামিও ইন ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ (Dhurandhar: The Revenge)। ইউ আর নট রেডি ফর দিস। এর পরেই হ্যাশট্যাগ দিয়ে লেখা হয়েছে ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ । এছাড়াও, ছবির প্রথমার্ধে ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে জয়ের পরেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দেখানো হয়েছে, যেখানে তাঁর বিজয়-উদযাপনের ভাষণের একটি অংশ ছবিতে ব্যবহার করা হয়েছে। সেই দৃশ্যটি রাজনৈতিক পরিবর্তন ও আশাবাদের পরিবেশ তুলে ধরে, যা সেই সময়কে চিহ্নিত করেছিল। তাঁর বক্তব্য ব্যাকগ্রাউন্ডে শোনা যায়, যা ছবির বাস্তব ঘটনার সঙ্গে সংযোগকে আরও জোরালো করে তোলে। এই অন্তর্ভুক্তি কাহিনিকে আরও বাস্তবসম্মত করেছে এবং দর্শকদের বৃহত্তর জাতীয় প্রেক্ষাপটের কথা মনে করিয়ে দেয়, যার মধ্যে গল্পটি এগিয়ে চলে।

    পরিচালকের বক্তব্য

    আদিত্য ধর ছবিটির পরিচালক, ধুরন্ধর ২ (Dhurandhar 2) মুক্তির আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভক্তদের স্পয়লার না দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। তিনি লেখেন, “আমরা ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জে আমাদের হৃদয় ঢেলে দিয়েছি, যাতে আপনি প্রতিটি মোড় ও প্রতিটি আবেগ ঠিক যেভাবে অনুভব করার কথা, সেভাবেই উপভোগ করতে পারেন।” আদিত্য জানান, এই সিনেমাটি হলে, অন্ধকারে, বন্ধু, পরিবার এবং এমনকি অপরিচিতদের সঙ্গে বসে দেখা উচিত। তিনি আরও বলেন, “এভাবেই সিনেমা উপভোগ করা উচিত, কোনও ফোনের ঝাপসা ছবিতে নয়।” এদিকে, বিভিন্ন জায়গায় ধুরন্ধর ২-এর নন-হিন্দি সংস্করণ মুক্তিতে দেরি হওয়ায়, আদিত্য ভক্তদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন। তিনি জানান, যাঁদের শো বাতিল হয়েছে, তাঁরা রিফান্ড নিতে (PM Modi) পারবেন অথবা সাবটাইটেল-সহ হিন্দি সংস্করণটি দেখতে পারবেন (Dhurandhar 2)।

  • BJP: অসমে প্রথম দফায় ৮৮ প্রার্থীর নামের তালিকা প্রকাশ বিজেপির, কে কোন আসনে?

    BJP: অসমে প্রথম দফায় ৮৮ প্রার্থীর নামের তালিকা প্রকাশ বিজেপির, কে কোন আসনে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের পর এবার অসমেও প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি (BJP)। অসম বিধানসভার নির্বাচনও হওয়ার কথা এপ্রিলে। সেই নির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই প্রকাশ হয়েছে প্রার্থী তালিকা (Assam Assembly Polls 2026)।

    ৮৮ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা বিজেপির (BJP)

    বৃহস্পতিবার মোট ৮৮ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে গেরুয়া শিবির। তালিকায় বর্তমান মন্ত্রিসভার একাধিক প্রবীণ সদস্যকে রাখা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ফের প্রার্থী হচ্ছেন জলুকবাড়ি থেকে। অর্থমন্ত্রী অজন্তা নিয়োগকে আবারও প্রার্থী করা হয়েছে গোলাঘাট কেন্দ্রে। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন দেমাজি কেন্দ্রের রানোজ পেগু, জাগিরোড কেন্দ্রের পীযূষ হাজারিকা এবং ঢেকিয়াজুলি কেন্দ্রের অশোক সিংহল। প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা তথা বর্তমান নগাঁও কেন্দ্রের সাংসদ প্রদ্যুৎ বরদলৈকে প্রার্থী করা হয়েছে দিসপুর বিধানসভা কেন্দ্রে। কংগ্রেস থেকে সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া আরও এক নেতা ভূপেন কুমার বোড়কে। ভিপুরা কেন্দ্রে পদ্ম প্রতীকে লড়বেন তিনি।

    শহরের আসনে বিশেষ জোর

    বিজেপি শহরের বিভিন্ন আসনের ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে। কামরূপ মেট্রোপলিটন ডিস্ট্রিক্টের সব প্রধান আসনের জন্য প্রার্থী ঘোষণা করেছে, যার মধ্যে রয়েছে জলুকবাড়ি, দিসপুর, গুয়াহাটি সেন্ট্রাল এবং নিউ গুয়াহাটি। এর মাধ্যমে শহুরে ভোটব্যাঙ্ককে শক্তিশালী করার কৌশল স্পষ্ট। উত্তর আসামের উচ্চ অসম অঞ্চলের দুলিয়াজান, তিনশুকিয়া, ডিগবয় এবং ডিব্রুগড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ আসনে অভিজ্ঞ প্রার্থীদের মনোনীত করেছেন বিজেপির ভোট ম্যানেজাররা। বরাক উপত্যকা অঞ্চলে শিলচর, করিমগঞ্জ উত্তর এবং হাইলাকান্দি আসনে সুপরিচিত স্থানীয় মুখকে প্রার্থী করা হয়েছে (BJP)।

    মহিলা প্রার্থীদের উপস্থিতি

    প্রথম দফার এই তালিকায় মহিলা প্রার্থীদের উপস্থিতি সীমিত হলেও, উল্লেখযোগ্য। প্রথম তালিকায় ৬ জন মহিলা প্রার্থী রয়েছেন। একুশের নির্বাচনে লড়াইয়ের ময়দানে ছিলেন ৭ জন পদ্ম- মহিলা। এঁদের মধ্যে রয়েছেন মাধবী দাস, জ্যোৎস্না কলিতা, নিলীমা দেবী, অজন্তা নেগো, নিশো তেরাংপি এবং রূপালি লাংথাশা। তালিকায় (Assam Assembly Polls 2026) উপজাতীয় এবং সংরক্ষিত আসনগুলিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বোকো-ছায়গাঁও, তামুলপুর, ধেমাজি, মাজুলি, কার্বিআংলং এবং ডিমা হাসাও জেলাগুলিও। প্রথম দফার এই প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত করা হয় বিজেপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির বৈঠকে। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং অন্যান্য শীর্ষ নেতা। অসম বিজেপির সভাপতি দিলীপ শইকিয়াও ছিলেন ওই বৈঠকে (BJP)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তালিকা প্রকাশের মাধ্যমে বিজেপি নির্বাচনী লড়াইয়ের সূচনা করে দিল। এ রাজ্যে তারা ক্ষমতায় রয়েছে। সংগঠনগত শক্তি বাড়িয়ে এবং কৌশলগত অন্তর্ভুক্তির ওপর ভর করে রাজ্যে ক্ষমতার রশি ধরে রাখতে চায় পদ্মশিবির।

     

LinkedIn
Share