Tag: Narendra Modi

Narendra Modi

  • Narendra Modi: ব্রিগেডে লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ,  দিল্লিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানালেন সুকান্ত

    Narendra Modi: ব্রিগেডে লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ, দিল্লিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানালেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় লাখ লাখ কণ্ঠে গীতাপাঠের অনুষ্ঠান হতে চলেছে আগামী ডিসেম্বরের ২৪ তারিখে। ব্রিগেডে লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের এই অনুষ্ঠানের জন্য দিল্লি গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাট লোকসভার সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। শুক্রবার সকালে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে দিল্লির উদ্দশে রওনা দেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কয়েকজন বাংলার সাধু-সন্ত সন্ন্যাসী। সামনেই ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন। তাই এই গীতাপাঠের অনুষ্ঠান খুবই গুরুত্বপূর্ণ দলের কাছে। 

    কী বললেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)?

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) সকালে বলেন, “বিভিন্ন মঠ-মন্দিরের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে একটি সম্মিলিত সংস্থা গঠন করা হয়েছে। তাদের উদ্যোগেই লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের আয়োজন করা হয়েছে। উদ্যোক্তাদের নিয়ে এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মহাশয়কে বিশেষ আমন্ত্রণ জানাতে আজ দিল্লিতে যাচ্ছি। আগামী ২৪ ডিসেম্বর ব্রিগেড ময়দানে এই গীতা পাঠের অনুষ্ঠান হবে। প্রধানমন্ত্রী এই অনুষ্ঠানে এসে যোগদান করলে গীতাপাঠের মাত্রা পাবে বিশ্বজনীন। তাঁর উপস্থিতিতে গীতাপাঠের উদ্দেশ্য আরও ব্যাপক সাফল্য পাবে।”

    লোকসভার আগে গীতাপাঠ

    আগামী ২০২৪ সালেই লোকসভার ভোট। ফলে রাজ্য বিজেপি বঙ্গবাসীর মন জয় করতে জনসংযোগের বিষয়ে কোনও রকম খামতি রাখতে চাইছে না। এই গীতাপাঠের মধ্যে দিয়ে বঙ্গে ভারতীয়ত্ববোধ, ধর্মীয় আস্থা ও বিশ্বাসকে পুনরায় জাগরণ করার বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে বলে রাজনীতির একাংশের মানুষ মনে করছেন। এই গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে সরাসরি রাজনৈতিক ভাবে বিজেপির নাম না থাকলেও দলের একটা যে পরোক্ষ প্রভাব আছে, তা রাজনীতির একাংশের মানুষ মনে করছেন। লোকসভার কথা মাথায় রেখে সাধু-সন্ত দ্বারা আয়োজিত এই গীতা পাঠের রাজনৈতিক তাৎপর্য ব্যাপক মাত্রা যে নিতে চলেছে, সে কথা বলাই বাহুল্য। এই অবস্থায় সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) দিল্লি যাত্রা এবং প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ করা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birsa Munda Jayanti: বিরসা মুন্ডার জয়ন্তীতে আদিবাসী নৃত্যে পা মেলালেন দ্রৌপদী মুর্মু, শুভেচ্ছা বার্তা মোদির

    Birsa Munda Jayanti: বিরসা মুন্ডার জয়ন্তীতে আদিবাসী নৃত্যে পা মেলালেন দ্রৌপদী মুর্মু, শুভেচ্ছা বার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন দিল্লিতে স্বাধীনতা সংগ্রামী বিরসা মুন্ডার জন্মজয়ন্তী (Birsa Munda Jayanti) উদযাপনে অংশগ্রহণ করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ভগবান বিরসার মূর্তিতে মাল্যদান করে পুস্পার্ঘ্য নিবেদন করলেন তিনি। সেই সঙ্গে তিনি আদিবাসী সামজের নৃত্যশিল্পীদের সাথে পায়ে পা মেলালেন। একই ভাবে রাজ্যসভার স্পিকার তথা দেশের উপ-রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড় আদিবাসীদের বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে পালন করলেন এই মহাপুরুষের জন্মজয়ন্তী। উল্লেখ্য, কেন্দ্র সরকার ১৫ নভেম্বরকে দেশের জন্য বিরসা মুন্ডার আবির্ভাব তিথিকে ‘জনজাতি গৌরব দিবস’ হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে। সারা দেশেই এই মহাপুরুষের জন্মজয়ন্তী অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে পালন করা হচ্ছে। একই ভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও ভগবান বিরসার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন রাঁচীতে।

    প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা (Birsa Munda Jayanti)

    ভগবান বিরসা মুন্ডার আবির্ভাব তিথিতে (Birsa Munda Jayanti) রাঁচিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বাধীনতা সংগ্রামী বিরসা মুন্ডার স্মৃতিজ্ঞাপক পার্ক এবং একটি সংগ্রহালয় পরিদর্শন করেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এদিন উপস্থিত ছিলেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন, কেন্দ্রীয় উপজাতি বিষয়ক মন্ত্রী অর্জুন মুন্ডা এবং রাজ্যপাল সিপি রাধাকৃষ্ণন। প্রধানমন্ত্রী নিজে এদিন ভগবান বিরসার জন্মভূমি উলিহাতু গ্রামও পরিদর্শন করেন। মোদি, তাঁর এক্স-হ্যান্ডেলে একটি বার্তা দিয়ে লেখেন, “ভগবান বিরসা মুন্ডার জন্মদিনে বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই। জনজাতি গৌরব দিবসের অনেক শুভেচ্ছা। স্বাধীনতা আন্দোলনে আদিবাসী সমাজের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা অনস্বীকার্য।”

    রাষ্ট্রপতির শুভেচ্ছা বার্তা

    ভগবান বিরসার জন্মদিনে (Birsa Munda Jayanti) রাষ্ট্রপতি মুর্মু তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে ‘জনজাতি গৌরব দিবস’ উপলক্ষে বলেন, “ঝাড়খণ্ডের জনগণকে শুভেচ্ছা জানাই। এই রাজ্য তার প্রাকৃতিক সম্পদের পরিপূর্ণতা নিয়ে আরও প্রগতিশীল থাকুক এই কামনা করি।” এইদিন দিল্লির সংসদ ভবনে উপস্থিত থেকে বিশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়েছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মীনাক্ষী লেখি।

    কী বললেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী?

    ভাগবান বিরসা মুন্ডার জন্মজয়ন্তী (Birsa Munda Jayanti) উপলক্ষে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মীনাক্ষী লেখি বলেন, “ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে আদিবাসী জনজাতি সমাজের বিরাট কৃতিত্ব রয়েছে। আদিবাসী সমাজের এই অবদান অত্যন্ত গৌরবের বিষয়। এই জনজাতি গৌরব দিবস পালনের মধ্যে দিয়ে সরকারের জনমুখী প্রকল্পের বিষয়গুলিকে লোকসমাজের কাছে পৌঁছানোর একটি প্রয়াস থাকে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: ২২ লাখ প্রদীপ প্রজ্জ্বলন অযোধ্যায়, ‘স্বর্গীয়-অবিস্মরণীয়’ লিখে ট্যুইট প্রধানমন্ত্রীর

    Narendra Modi: ২২ লাখ প্রদীপ প্রজ্জ্বলন অযোধ্যায়, ‘স্বর্গীয়-অবিস্মরণীয়’ লিখে ট্যুইট প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষমতায় আসার পর ২০১৭ সাল থেকেই দীপাবলিতে রামনগরীকে বিশেষভাবে প্রদীপের আলোয় সাজিয়ে তোলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। চলতি বছরের দীপাবলি অযোধ্যায় একটু বিশেষ, তার কারণ দু মাস পরেই উদ্বোধন হতে চলেছে রামমন্দিরের। গত বছরের সমস্ত রেকর্ডকে ভেঙে এ বছর অযোধ্যা সেজে উঠেছিল ২২ লাখ প্রদীপের আলোয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা ছাড়াও ৫৪ টি দেশের ৮৮ জন কূটনীতিক সামিল হয়েছিলেন এই অনুষ্ঠানে। হাজির ছিলেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও। অযোধ্যায় দীপাবলি পালনের ছবি নিজের ‘এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক ট্যুইটার) শেয়ার করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। লক্ষ লক্ষ প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের এই দৃশ্যকে ‘আশ্চর্যজনক’, ‘স্বর্গীয়’ এবং ‘অবিস্মরণীয়’ এই সমস্ত বিশেষণের ভূষিত করেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রধানমন্ত্রীর ট্যুইট

    এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক ট্যুইটার) প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) লেখেন,  “এর থেকে উদ্ভূত শক্তি ভারতজুড়ে নতুন উদ্যম ও উদ্দীপনা ছড়িয়ে দিচ্ছে। আমি প্রার্থনা করছি, ভগবান শ্রীরাম সমস্ত দেশবাসীর মঙ্গল করুন এবং আমার পরিবারের সকল সদস্যকে অনুপ্রাণিত করুন।”

    ‘গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে’ স্থান পেয়েছে অযোধ্যার প্রদীপ প্রজ্জ্বলন

    তথ্য বলছে, ২০১৭ সালে অযোধ্যায় প্রজ্জ্বলিত হয়েছিল ৫১ হাজার প্রদীপ। ২০১৯ সালে প্রদীপের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৪ লাখ ১০ হাজার। ২০২০ সালে ৬ লাখ, ২০২১ সালে প্রদীপ প্রজ্জ্বলিত হয় ৯ লাখ, ২০২২ সালে ১৭ লাখ। চলতি বছরে ২২ লাখ প্রদীপ প্রজ্জ্বলন হল অযোধ্যায়। অযোধ্যার এই নয়া রেকর্ড স্থান পেয়েছে ‘গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে’।

    দীপাবলিতে হিমাচলে হাজির প্রধানমন্ত্রী

    অন্যদিকে, চলতি বছরের দীপাবলিতে হিমাচল প্রদেশের লেপচায় হাজির ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই দেশের সেনা জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি উদযাপন করেন নমো (Narendra Modi)। এদিন হিমাচল প্রদেশের লেপচায় পৌঁছানোর পরেই প্রধানমন্ত্রী ট্যুইট করেন। সেখানে তিনি সেনা জওয়ানদের সঙ্গে ছবিও পোস্ট করেছেন। ওই ট্যুইটে দেখা যাচ্ছে, সেনার উর্দি পড়ে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং জওয়ানদের সঙ্গে কথা বলছেন। গত বছরই একটি ভিডিও ভাইরাল হয়, তাতে দেখা যায়, এক জওয়ান দীপাবলির পুণ্যলগ্নে প্রধানমন্ত্রীকে গান গেয়ে শোনাচ্ছেন এবং পাশে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী তাঁকে উৎসাহ দিচ্ছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: প্রতি বছর জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি পালন করেন প্রধানমন্ত্রী, এবার হাজির হিমাচলের লেপচায়

    Narendra Modi: প্রতি বছর জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি পালন করেন প্রধানমন্ত্রী, এবার হাজির হিমাচলের লেপচায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৪ সালে মনমোহন সরকারকে সরিয়ে ক্ষমতায় আসেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। সে বছর থেকেই জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলির উৎসব পালন করে থাকেন প্রধানমন্ত্রী। এ বছরও তার ব্যতিক্রম দেখা গেল না। চলতি বছরের দীপাবলিতে হিমাচল প্রদেশের লেপচায় হাজির প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই দেশের সেনা জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি উদযাপন করবেন নমো (Narendra Modi)। এদিন হিমাচল প্রদেশের লেপচায় পৌঁছানোর পরেই প্রধানমন্ত্রী  ট্যুইট করেন। সেখানে তিনি সেনা জওয়ানদের সঙ্গে ছবিও পোস্ট করেছেন। ওই ট্যুইটে দেখা যাচ্ছে, সেনার উর্দি পড়ে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং জওয়ানদের সঙ্গে কথা বলছেন। গত বছরই একটি ভিডিও ভাইরাল হয়, তাতে দেখা যায়, এক জওয়ান দীপাবলির পুণ্যলগ্নে প্রধানমন্ত্রীকে গান গেয়ে শোনাচ্ছেন এবং পাশে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী তাঁকে উৎসাহ দিচ্ছেন।

    প্রধানমন্ত্রীর ট্যুইট

    চলতি বছরের দীপাবলি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) নিজের এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক ট্যুইটার) লেখেন, ‘‘আমাদের সাহসী নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে দীপাবলি পালন করতে হিমাচল প্রদেশের লেপচায় এসেছি।’’ প্রসঙ্গত, লেপচা বর্ডার হল একেবারে চিন সীমান্তের কাছে।

    ২০১৪ সাল থেকে দীপাবলি কোথায় কোথায় পালন করেন প্রধানমন্ত্রী

    ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) দীপাবলি সিয়াচেনে উদযাপন করেছিলেন। ২০১৫ সালে দীপাবলির সময় পঞ্জাব সীমান্তে ছিলেন তিনি। ২০১৬ সালের দীপাবলিতে হিমাচল প্রদেশের চিন সীমান্তে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ২০১৭ সালের দীপাবলিতে প্রধানমন্ত্রীকে দেখা গিয়েছিল কাশ্মীরে। ২০১৮ সালের দীপাবলিতে উত্তরাখণ্ডে ছিলেন তিনি। ২০১৯ সালে জম্মু কাশ্মীরের রাজৌরিতে দীপাবলির উদযাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। ২০২০ সালে তিনি হাজির ছিলেন রাজস্থানের জয়সলমেরের লঙ্গেওয়ালাতে। ২০২১ সালে জম্মু ও কাশ্মীরের নওসেরাতে হাজির ছিলেন মোদি। ২০২২ সালে দীপাবলির দিন কার্গিলে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Telangana Election 2023: তেলঙ্গানায় নির্বাচনী প্রচারে মোদি, প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে কান্না দলিত নেতার

    Telangana Election 2023: তেলঙ্গানায় নির্বাচনী প্রচারে মোদি, প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে কান্না দলিত নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি মাসের ৩০ তারিখ রয়েছে তেলেঙ্গানার বিধানসভা নির্বাচন (Telangana Election 2023)। ঠিক তার আগে নির্বাচনী প্রচারে ঝড় তুললেন মোদি। শনিবারও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সেকেন্দ্রাবাদে জনসভা করেন। তেলঙ্গানায় ইতিমধ্যে অমিত শাহকে ঘোষণা করতে শোনা গিয়েছে যে, বিজেপি জিতলে অনগ্রসর সমাজ থেকেই কোনও নেতা মুখ্যমন্ত্রী হবেন। এদিনও প্রধানমন্ত্রীর মোদির জনসভায় হাজির ছিলেন তেলেঙ্গানার জনভিত্তিসম্পন্ন অনগ্রসর সংগঠন ‘মাদিগা রিজার্ভেশন পোরাটা সমিতি’র নেতা মান্ডা কৃষ্ণা মাদিগা। তপশিলি সম্প্রদায়ের এই নেতাকে মঞ্চে কাঁদতেও দেখা গেল। জনসভায় (Telangana Election 2023) প্রধানমন্ত্রীকে ধরে কাঁদতে দেখা যায় এই নেতাকে। প্রধানমন্ত্রীও তাঁকে সান্ত্বনা দেন। সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরালও হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলে ধারণা, অনগ্রসর সমাজকে যে সম্মান প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি দিয়েছে, তা অন্য কোনও রাজনৈতিক দল দেয়নি। ঠিক সেই কারণেই প্রধানমন্ত্রীকে পাশে পেয়েই কেঁদে ফেলেন ওই নেতা।

    নিজের ট্যুইটে কী লিখলেন নমো? 

    এদিকে নিজের ট্যুইটার থেকে অনগ্রসর সমাজের নেতা কৃষ্ণা মাদিগাকে ধন্যবাদ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নিজের ট্যুইটে প্রধানমন্ত্রী আরও লেখেন, ”দলিত ভাইবোনেদের কাছ থেকে পাওয়া স্নেহ এবং ভালোবাসা আমার স্মৃতিতে থাকবে।”

    পাশাপাশি এদিন বিজেপিও আনুষ্ঠানিকভাবে ট্যুইট করে অনগ্রসর সমাজের নেতার কান্নায় ভেঙে পড়ার মুহূর্ত।

    প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে ইলেকট্রিক পোলে যুবতী

    অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে সেকেন্দ্রাবাদের ওই জনসভায় (Telangana Election 2023) একটি ইলেকট্রিক পোলের উপরে উঠে পড়েন এক যুবতী। লাইটের পোলে ওই মহিলার উঠে পড়ার ঘটনা নজর এড়ায়নি প্রধানমন্ত্রীর। সঙ্গে সঙ্গে তিনি নিজের বক্তব্য থামিয়ে দেন এবং ওই যুবতীকে ইলেকট্রিক পোল থেকে নেমে আসতে অনুরোধ করেন। প্রধানমন্ত্রী নিজের ভাষণেই বলেন, লাইটের পোলে ওঠার জন্য কী ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে! তারপরেই তাঁকে নেমে আসার অনুরোধ জানান। প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধে সাড়া দিয়ে পোল থেকে নেমেও পড়েন ওই যুবতী। এই ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম পোস্ট করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: উদ্বোধনের মুখে রামমন্দির উড়িয়ে দেওয়ার ছক জঙ্গিদের, কড়া নিরাপত্তার চাদরে অযোধ্যা

    Ram Mandir: উদ্বোধনের মুখে রামমন্দির উড়িয়ে দেওয়ার ছক জঙ্গিদের, কড়া নিরাপত্তার চাদরে অযোধ্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুমাস বাদেই জানুয়ারিতে রয়েছে রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধন। ২২ জানুয়ারি রামমূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রামমন্দিরের উদ্বোধনকে ঘিরে দেশজুড়ে বাড়ছে ভক্তদের মধ্যে উন্মাদনা। ঠিক এমন সময় গোপন সূত্রে খবর, রামমন্দিরে হামলা চালানোর ছক করছে বেশ কিছু জঙ্গি সংগঠন। সূত্রের খবর, পাকিস্তানের মদতে চলা জঙ্গি সংগঠন আল কায়দা এবং লস্কর-ই-তৈবা হামলার ষড়যন্ত্র করছে। 

    কড়া নিরাপত্তার চাদরে রামমন্দির

    নাশকতার ষড়যন্ত্রের খবর সামনে আসতেই কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে রামমন্দিরকে (Ram Mandir)। এমনিতেই রামমন্দিরকে ঘিরে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে, তা সত্ত্বেও সেই ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এটাই নতুন নয় রামমন্দিরকে বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেওয়া ছক কষেছিল আইএসআইএস জঙ্গি মহম্মদ শাহানওয়াজ সহ তিনজন। গত অক্টোবর মাসেই তিন জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়। পাকিস্তানে বসে এই ষড়যন্ত্র কষা হয়েছিল বলে গোয়েন্দাদের মত।

    ষড়যন্ত্রের মাস্টারমাইন্ড ফারহাতুল্লা 

    রাম মন্দিরের (Ram Mandir) পাশাপাশি কেরলের শবরীমালা মন্দির এবং দিল্লির অক্ষরধাম মন্দিরও ছিল জঙ্গিদের নিশানায়। অন্তত ধৃত সন্ত্রাসবাদীদের জেরা করে এমনটাই জানতে পেরেছেন গোয়েন্দারা। এর পাশাপাশি দিল্লি, হরিয়ানা এবং উত্তরপ্রদেশের বেশ কয়েকজন বিজেপি ও আরএসএস নেতাকে টার্গেট করেছিল জঙ্গিরা। রামমন্দিরের নাশকতার ব্লু প্রিন্ট প্রথম তৈরি হয়েছিল পাকিস্তানের মাটিতেই। এর মাস্টারমাইন্ড ছিল জঙ্গি ফারহাতুল্লা। সেখানেই শাহনওয়াজ সমেত তিনজনকে ট্রেনিং দেওয়া হয়েছিল। ভারতের বাসিন্দা ফারাতুল্লাহ পাকিস্তানের পালিয়ে জঙ্গির প্রশিক্ষণ নেয় এবং কাশ্মীরের একাধিক যুবককেও সে ট্রেনিং দেয় বলে জানতে পেরেছেন গোয়েন্দারা। গোয়েন্দাদের তরফ থেকে বলা হয়েছে আইএসআই-এর মডিউলে সদস্য ছিল শাহনওয়াজ। গত অক্টোবরে তল্লাশির সময় গোয়েন্দারা জঙ্গিদের কাছ থেকে উদ্ধার করেছে বেশ কয়েকটি বই, আগ্নেয়াস্ত্র, কার্তুজ এবং বোমা তৈরির উপকরণ। জানা গিয়েছে, শাহনওয়াজ সমেত ধৃত তিনজনই বিটেক ইঞ্জিনিয়ার। দিল্লিতে একটি সংস্থা চাকরি করত শাহনওয়াজ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রামমন্দির নির্মাণকে ঘিরে সেজে উঠছে অযোধ্যা, স্থানীয় ব্যবসাতেও বিপুল বৃদ্ধি

    Ram Mandir: রামমন্দির নির্মাণকে ঘিরে সেজে উঠছে অযোধ্যা, স্থানীয় ব্যবসাতেও বিপুল বৃদ্ধি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২২ জানুয়ারি রামলালার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেদিন ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে রামলালা কোলে নিয়ে ৫০০ মিটার পথ অতিক্রম করতেও দেখা যাবে। ঠিক ২ মাস পরে হতে চলা অযোধ্যায় রামমন্দির (Ram Mandir) নির্মাণের উদ্বোধনকে ঘিরে এখন সাজোসাজো রব সেখানে। অযোধ্যার ২৫ লাখ বাসিন্দাই সাক্ষী থাকবেন সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ের ভিত্তিতে নির্মিত রাম মন্দিরের। পাশাপাশি সারা দেশ থেকে বিশিষ্টজনদের আমন্ত্রণও জানানো হয়েছে  ‘তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’ এর পক্ষ থেকে। রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে দেখা যাবে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে।

    অযোধ্যাকে ঘিরে বাড়ছে ব্যবসা

    সম্পূর্ণভাবে ভোলবদল করা হচ্ছে অযোধ্যার। হনুমানগড়ি মন্দির পর্যন্ত যে রাস্তা রয়েছে, সেখানকার পরিকাঠামো সম্পূর্ণভাবে বদল করে দেওয়া হয়েছে। রাস্তার পাশে কিছু দোকানকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। রাস্তা সম্প্রসারণের কাজেই এই সিদ্ধান নিয়েছে যোগী সরকার। সারা বছর ধরেই রামভক্তদের ভিড় চলবে এই রাস্তায়। যাঁদের দোকান থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে, তাঁদেরকে ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন দেওয়া হয়েছে যোগী সরকারের তরফে। গত কয়েক মাস ধরে হনুমানগড়িতে ব্যবসা ক্ষেত্রের অভূতপূর্ব উন্নতি দেখা যাচ্ছে এবং এর সবটাই যে রামমন্দির (Ram Mandir) নির্মাণকে কেন্দ্র করে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সেখানকার স্থানীয় দোকানদাররা বলছেন, ‘‘আগে সেভাবে পর্যটকদের ভিড় এখানে থাকতো না কিন্তু এখন তাঁরা কাতারে কাতারে আসছেন। এতেই বিক্রি বাড়ছে দোকানের।’’ রাইস মহম্মদ নামে আর এক দোকানদারের দাবি, ‘‘ব্যবসার উন্নতি এখানে অসম্ভব রকমের বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আগামী দিনেও বাড়বে বলে আমার বিশ্বাস।’’

    চলতি বছরে অযোধ্যায় দীপাবলিও বিশেষ হতে চলেছে

    প্রসঙ্গত, আজ থেকে চার বছর আগে ২০১৯ সালের নভেম্বরে সুপ্রিম কোর্ট ঐতিহাসিক রায় দেয় রামমন্দির (Ram Mandir) নির্মাণের। রামমন্দির নির্মাণের ভূমি পূজন প্রধানমন্ত্রী সম্পন্ন করেন ৫ অগাস্ট ২০২০ সালে। অন্যদিকে চলতি বছরের দীপাবলিও বিশেষ হতে চলেছে অযোধ্যাবাসীর কাছে। তার কারণ দুমাস পরেই উদ্বোধন রামমন্দিরের। সেদিকে থেকে তাকিয়ে এ বছর দীপাবলিতে ২১ লাখ প্রদীপ চালানোর কথা ঘোষণা করেছেন যোগী আদিত্যনাথ। এর পাশাপাশি সেখানে ‘লেসার শো’-এরও আয়োজন করা হয়েছে। তুলে ধরা হবে সম্পূর্ণ রামায়ণের কাহিনী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: অযোধ্যার রামমন্দিরের ‘অক্ষত চাল’ এল বাংলায়, ডিসেম্বরে পৌঁছাবে গ্রামে গ্রামে

    Ram Mandir: অযোধ্যার রামমন্দিরের ‘অক্ষত চাল’ এল বাংলায়, ডিসেম্বরে পৌঁছাবে গ্রামে গ্রামে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যার রামমন্দির (Ram Mandir) থেকে তিনটি কলসিতে ‘অক্ষত চাল’ এল বাংলায়। গত রবিবার অযোধ্যায় রামজন্মভূমিতে বিশেষ পুজোর আয়োজন করে তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট। এরপরেই দেশের সমস্ত রাজ্যে সেই অক্ষত চাল পাঠানোর কাজ শুরু হয়। সাংগঠনিকভাবে সারা দেশে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের ৪৫টি প্রদেশ রয়েছে। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে রয়েছে তিনটি উত্তরবঙ্গ, মধ্যবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গ। উত্তরবঙ্গের জন্য অক্ষত চালের কলসি শিলিগুড়িতে পৌঁছে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কর্মীরা। অন্যদিকে মধ্য এবং দক্ষিণবঙ্গের অক্ষত চাল আনা হয়েছে জম্মু তাওয়াই এক্সপ্রেসের মাধ্যমে।

    ডিসেম্বরের মাঝামাঝি অক্ষত চাল যাবে বাংলার গ্রামে গ্রামে

    জানা গিয়েছে, এই অক্ষত চাল আপাতত সংরক্ষিত থাকবে সঙ্ঘ পরিবারের কাছেই। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে তা গ্রামে গ্রামে নিয়ে যাওয়া হবে। প্রসঙ্গত, ৫ থেকে ৭ নভেম্বর গুজরাটের ভুজে বসেছিল আরএসএসের সর্বভারতীয় কার্যকারিণী বৈঠক। সেখানেও মূল অ্যাজেন্ডা ছিল রামমন্দির। বৈঠকের শেষ দিনে আরএসএসের সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘১ থেকে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে রামমন্দিরের (Ram Mandir) ছবি নিয়ে ভারতবর্ষের ৫ লাখ গ্রামে যাবেন স্বয়ংসেবকরা।’’ অর্থাৎ একদিকে অক্ষত চাল যেমন পৌঁছাবে গ্রামে গ্রামে, তেমনই পরবর্তীকালে নির্মিত রামমন্দিরের ছবি নিয়েও জনসংযোগ করবেন স্বয়ংসেবকরা।

    অক্ষত চালকে শুভ মানা হয়

    আগামী ২২ জানুয়ারি রামমন্দিরের (Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে গিয়েছে আমন্ত্রণপত্র। সেদিন প্রধানমন্ত্রী রামলালাকে কোলে নিয়ে ৫০০ মিটার পথও অতিক্রম করবেন। দেশের সব প্রান্ত থেকে মানুষ সেদিন অযোধ্যায় সমবেত হবেন। আমন্ত্রণের চিঠিতে অক্ষত চাল দেওয়ার রীতি রয়েছে হিন্দু সমাজে। হলুদ এবং ঘি মাখিয়ে তৈরি করা হয় এই অক্ষত। কোনও শুভ অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে যা মঙ্গলজনক বলেই মনে করা হয়। ১০০ কুইন্টাল চাল এনে গত রবিবারই অক্ষত পুজো সম্পন্ন হয় অযোধ্যায়। এই অক্ষত চাল রামলালার সামনে রেখে পুজো করা হয়। পরের দিন থেকেই তা পাঠিয়ে দেওয়া হয় দেশের প্রতিটি প্রান্তে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: ব্রিগেডে একমঞ্চে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী! ডিসেম্বরে লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠে থাকবেন দুজনেই?

    Narendra Modi: ব্রিগেডে একমঞ্চে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী! ডিসেম্বরে লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠে থাকবেন দুজনেই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের ২৪ ডিসেম্বর ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ‘লক্ষ কন্ঠে গীতা পাঠ’-এর কর্মসূচি নিয়েছে বিভিন্ন হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। এই কর্মসূচির আয়োজন থেকে  পরিকল্পনা সমস্ত কিছুতেই সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের। কর্মসূচির উদ্যোক্তাদের তরফ থেকে আগেই জানানো হয়েছিল যে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডের এই কর্মসূচিতে হাজির থাকতে পারেন খোদ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এবার জানা গেল ওই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকতে পারেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। যদিও প্রধানমন্ত্রী দফতর থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে আয়োজকদের দাবি, ডিসেম্বরের ওই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর হাজির থাকাটা এক প্রকার নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। দেশের প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) এবং রাষ্ট্রপতি ছাড়াও ওইদিনের কর্মসূচিতে দেখা যেতে পারে দুই শংকরাচার্যকেও।

    কী বলছেন আয়োজক সংগঠনের সভাপতি?

    ‘লক্ষ কন্ঠে গীতা পাঠ’ অনুষ্ঠানের আয়োজক সংগঠনের নাম ‘অখিল ভারতীয় সংস্কৃত পরিষদ’। এই সংগঠনের সভাপতি  স্বামী প্রদীপ্তানন্দ মহারাজ বলেন, ‘‘এই কর্মসূচি হবে সকলের জন্য। কোনও রাজনীতি নয়।মানবকল্যাণের লক্ষ্য নিয়েই এই অনুষ্ঠান। আমরা প্রথমে ঠিক করেছিলাম মাননীয় রাষ্ট্রপতি আসুন। পরে আমরা প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) কথা ভাবি। সব ঠিক থাকলে উনি ওই দিন অনুষ্ঠানে থাকছেন। সকলের সঙ্গে গীতাপাঠে অংশও নেবেন।’’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘আমরা কমপক্ষে এক লাখ মানুষের সমাবেশ করব। সমবেত কণ্ঠে তাঁরা গীতা পাঠ করবেন। এটা অতীতে বিশ্বের কোথাও কখনও হয়নি।’’

    আমন্ত্রিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রীও

    প্রসঙ্গত, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকেও প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হবে, তা আগেই জানানো হয়েছিল আয়োজকদের তরফে। এর পাশাপাশি হিন্দু ধর্মের অসংখ্য মঠ, মন্দির, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কর্ণধারদেরও সেদিনের অনুষ্ঠানে দেখা যাবে। এমনটাই দাবি উদ্যোক্তাদের। এবিষয়ে প্রদীপ্তানন্দ মহারাজ বলেন, ‘‘আমরা রাজ্যে সনাতন ধর্মের যত সংগঠন, আশ্রম, স‌ংস্থা রয়েছে সকলকেই যোগদানের আবেদন জানিয়েছি। সব রাজনৈতিক দলের সাংসদ, বিধায়কদেরও আমন্ত্রণ জানাব। সামনেই জগদ্ধাত্রী পুজো। সেটা মিটে গেলেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমাদের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ জানাতে যাওয়া হবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: ২২ জানুয়ারি রামমূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠা, বিগ্রহ হাতে ৫০০ মিটার পথ হেঁটে মন্দিরে ঢুকবেন মোদি

    Ram Mandir: ২২ জানুয়ারি রামমূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠা, বিগ্রহ হাতে ৫০০ মিটার পথ হেঁটে মন্দিরে ঢুকবেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামমূর্তির (Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে আগামী ২২ জানুয়ারি। সেদিন সমস্ত প্রোটোকল ভেঙে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে প্রায় ৫০০ মিটারেরও বেশি পথ খালি পায়ে হাঁটতে দেখা যাবে। রামলালার বিগ্রহকে প্রধানমন্ত্রী নিজে হাতে নবনির্মিত রামমন্দিরে প্রবেশ করাবেন। ট্রাস্টের তরফ থেকে এই ঘোষণায় খুশির মহল তৈরি হয়েছে রামভক্তদের মধ্যে। রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের তরফ থেকে জানানো হয়েছে মূল অনুষ্ঠানটি ২২ জানুয়ারি সকাল সাড়ে এগারোটা থেকে সাড়ে বারোটার মধ্যে সম্পন্ন হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা যাবে উত্তরপ্রদেশের গেরুয়া বসনধারী মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রধান মোহন ভাগবতকেও।

    সারা দেশ থেকে আমন্ত্রিত ৮ হাজার বিশিষ্ট ব্যক্তি

    জানা গিয়েছে, সারা দেশের বিখ্যাত মঠ ও মন্দিরের পুরোহিতরাও সামিল হবেন রামমূর্তির (Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে। সারা দেশ থেকে ৮ হাজার বিশিষ্ট জনকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে রাম মূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন। যাঁদের মধ্যে সাড়ে তিন হাজার জন বিভিন্ন মঠ এবং মন্দিরের প্রধান। এছাড়াও ধর্মীয় সংগঠনের সদস্যদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সমাজের সর্বস্তরের মানুষই অংশগ্রহণ করবেন রামলালার মূর্তি প্রতিষ্ঠার দিন। এমনটাই জানিয়েছে ট্রাস্ট। ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার, আইনজীবীরা থাকবেন এই অনুষ্ঠানে। বেশ কয়েকটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকেও সেদিন হাজির থাকতে দেখা যাবে। রামমন্দির (Ram Mandir) আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত করসেবকদের পরিবারও সেদিন উপস্থিত থাকবে বলে জানিয়েছে ট্রাস্ট। রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট ইতিমধ্যে ৮ হাজার জন আমন্ত্রিত অতিথির বসার ব্যবস্থার করতে শুরু করেছে।

    সরযূ নদীর জলে স্নান করানো হবে রামলালাকে 

    ট্রাস্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে তিনজন ভাস্কর তিনটি আলাদা আলাদা রামলালার মূর্তি তৈরির কাজে লেগে রয়েছেন। এই তিনটি মূর্তির মধ্যে থেকে একটিকে বাছা হবে, যেটি রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে স্থাপন করা হবে। জানা গিয়েছে, রামমূর্তিগুলি তৈরি হচ্ছে রাজস্থান থেকে আনা মার্বেল এবং কর্ণাটকের কালো গ্রানাইট-এর দ্বারা। বাকি দুটি মূর্তির মধ্যে একটি স্থাপন করা হবে প্রথম তলায়। রামমূর্তিকে (Ram Mandir) স্নান করানো হবে সরযূ নদীর জল দিয়ে। এর পাশাপাশি অন্যান্য পবিত্র নদীর জলও থাকবে সেখানে। এজন্য পবিত্র মকর সংক্রান্তির দিন থেকেই শুরু হবে অনুষ্ঠান।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share