Tag: Narendra Modi

Narendra Modi

  • Gita Path: মোদির উপস্থিতিতে ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ’ কি এবার গিনেস বুকে রেকর্ড গড়বে?

    Gita Path: মোদির উপস্থিতিতে ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ’ কি এবার গিনেস বুকে রেকর্ড গড়বে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আগে ২৪ ডিসেম্বর কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ’ (Gita Path) বঙ্গের জন্য ব্যাপক চমক। সারাসরি কোনও রাজনৈতিক যোগ না থাকলেও এই কর্মসূচির মাধ্যমে বঙ্গে হিন্দুত্ব জাগরণের এক নয়া ফলক নির্মিত হতে চলেছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। গীতাপাঠের আসরে যোগদান করবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিশেষ ভাবে থাকবেন দ্বারকা মঠের বর্তমান শঙ্করাচার্য স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতী। এছাড়াও থাকবেন অন্য রাজ্যের আরও বিশিষ্ট প্রতিনিধিরা।

    ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠে’র আসরকে ঘিরে বিশ্ব রেকর্ডের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, উপস্থিত থাকবেন ‘গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড’-এর প্রতিনিধিরা। সেই সঙ্গে নজর রাখতে উপস্থিত থাকবেন আরও কিছু বিদেশী সংস্থা। এক সঙ্গে এত মানুষের সমাগমে গীতাপাঠ আগে হয়েছে কি না, কেউ মনে করতে পারছেন না। ফলে সার্বিক ভাবে সাফল্য পেলে বিশ্ব রেকর্ড গড়বে বঙ্গের এই গীতাপাঠ।

    কী বললেন আয়োজক সংগঠনের সভাপতি?

    আয়োজক সংগঠনের সভাপতি স্বামী প্রদীপ্তানন্দ মহারাজ বলেন, “ওই দিন ব্রিগেডে যে গীতাপাঠ অনুষ্ঠিত হবে, তা বিশ্বের কোথাও কোনও দিন হয়নি। এই বিপুল মানুষের সমাগমে গীতাপাঠ (Gita Path) বিশ্ব রেকর্ড তৈরি করবে।” আবার আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বসন্ত শেঠিয়া বলেন, “গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড-সহ আরও বেশ কিছু সংস্থার কাছে আবেদন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু সংস্থা আসবে বলে আমাদের নিশ্চিতও করেছে। বিশ্ব রেকর্ড তৈরি হবে, তাই তাকে পরীক্ষা করাবার জন্য আমেরিকা সহ আরও নানা দেশ থেকেও প্রতিনিধিরা আসবেন।” সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, রেকর্ড প্রমাণের জন্য আগে থেকে আবেদন করতে হয়। আর তাই আয়োজকরা ইতিমধ্যে ছয় মাস আগেই সমস্ত নিয়ম মেনে রেকর্ডের বিষয়ে তথ্য সরবরাহ করার কাজ করে আসছেন। এখন সাফল্যের অপেক্ষা মাত্র।

    গীতাপাঠের সঙ্গে আর কী কী হবে (Gita Path)

    অখিল ভারতীয় সংস্কৃত পরিষদ, সংস্কৃতি সংসদ এবং মতিলাল ভারত তীর্থ সেবা মিশনের যৌথ উদ্যোগে এই গীতাপাঠের (Gita Path) অনুষ্ঠান হবে। অনুষ্ঠানের প্রথমে লক্ষ কণ্ঠে গীতার শ্লোক পাঠ হবে, এরপর ২০ হাজারের বেশি শঙ্খ একসঙ্গে বাজানো হবে। এক লক্ষ কণ্ঠে গাওয়া হবে নজরুলের গান। অনুষ্ঠানে একসঙ্গে দেড় হাজারেরে বেশি সাধুসন্ত উপস্থিত থাকবেন গীতাপাঠের আসরে। এই পাঠ বিশ্ব রেকর্ডের তকমা পেতেও পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya: অযোধ্যায় চলছে ১৭৮ প্রকল্প, বরাদ্দ সাড়ে ৩০ হাজার কোটি, সৌর শহর হিসেবে গড়ে উঠছে রামনগরী

    Ayodhya: অযোধ্যায় চলছে ১৭৮ প্রকল্প, বরাদ্দ সাড়ে ৩০ হাজার কোটি, সৌর শহর হিসেবে গড়ে উঠছে রামনগরী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছরের ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হবে রাম মন্দিরের। এ নিয়ে ভক্তদের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে। ইতিমধ্যে অযোধ্যাকে (Ayodhya) ঢেলে সাজাতে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্যের যোগী সরকার এবং কেন্দ্রের মোদি সরকার। জানা গিয়েছে দুই সরকার মিলে এখনও পর্যন্ত সাড়ে ৩০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। চলছে ১৭৮টি প্রকল্পের কাজ। পাশাপাশি বিদ্যুৎ খরচ কমাতে সৌরশক্তি ভিত্তিক নগর হিসেবেও গড়ে তোলা হচ্ছে অযোধ্যাকে। এক্ষেত্রে সরকার ৮টি নীতি নিয়েছে, সেগুলি হল সাংস্কৃতিক অযোধ্যা, সক্ষম অযোধ্যা, আধুনিক অযোধ্যা, সুগম্য অযোধ্যা, সুন্দর অযোধ্যা, আবেগপূর্ণ অযোধ্যা, স্বচ্ছ অযোধ্যা ও আয়ুষ্মান অযোধ্যা।

    নয়া অযোধ্যা নির্মাণে সরকারের ৮ নীতি

    সাংস্কৃতিক অযোধ্যা

    এই নীতির মাধ্যমে সারা ভারতের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসাবে অযোধ্যাকে গড়ে তুলতে চায় কেন্দ্র ও রাজ্য। মঠ, মন্দির, আশ্রম এই সমস্ত কিছুই বানানো হচ্ছে এই নীতির আওতায়।

    সক্ষম অযোধ্যা

    নরেন্দ্র মোদি সবসময় আত্মনির্ভরতার কথা বলেন। সক্ষম অযোধ্যা মানে হল আত্মনির্ভর অযোধ্যা (Ayodhya)। চাকরি, পর্যটন সমস্ত ক্ষেত্রে অযোধ্যা যেন আত্মনির্ভর হয়।

    আধুনিক অযোধ্যা

    এই নীতির মাধ্যমে অযোধ্যাকে (Ayodhya) বিশ্বমানের শহর হিসেবে গড়ে তুলতে চায় কেন্দ্র ও রাজ্য।

    সুগম্য অযোধ্যা

    এই নীতির মাধ্যমে অযোধ্যার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি করতে চায় কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার। এর জন্য সেখানে তৈরি করা হচ্ছে মর্যাদা পুরুষোত্তম শ্রীরামচন্দ্র আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। এর পাশাপাশি সরযূ নদীর জলপথকেও ব্যবহার করা হচ্ছে অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে।

    সুন্দর অযোধ্যা

    এই নীতির মাধ্যমে অযোধ্যার সৌন্দর্যায়নে দৃষ্টি দিচ্ছে রাজ্য ও কেন্দ্র সরকার। পুকুর জলাশয়ের পাশে বাগান  তৈরি করা হচ্ছে।

    আবেগপূর্ণ অযোধ্যা

    এই নীতির মাধ্যমে অযোধ্যাকে কেন্দ্র করে সনাতন ধর্মের মানুষের আবেগকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

    স্বচ্ছ অযোধ্যা

    এই নীতির মাধ্যমে অযোধ্যাকে সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। স্মার্ট সিটি হিসাবে গড়ে তোলা হচ্ছে অযোধ্যাকে।

    আয়ুষ্মান অযোধ্যা

    এই নীতির মাধ্যমে অযোধ্যার সার্বিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় দৃষ্টি দেওয়া হয়েছে। শহরে নাগরিকদের প্রভূত উন্নতি করা হচ্ছে চিকিৎসা ব্যবস্থায়।

    অযোধ্যার উল্লেখ মেলে পুরাণেও

    অত্যন্ত পুরাতন নগর বলে পরিচিত অযোধ্যার কথা পাওয়া যায় পুরাণ থেকে শুরু করে বেদ সর্বত্র। ভগবান রামের জন্মস্থান হিসেবেও তা প্রসিদ্ধ। ২০১৪ সালে মোদি সরকার আসার পর থেকেই অযোধ্যার উপরে বিশেষ দৃষ্টি দেয় কেন্দ্র সরকার। পরবর্তীকালে ২০১৭-তে উত্তরপ্রদেশের ক্ষমতাতেও আসে বিজেপি সরকার। সেই সময় থেকেই কেন্দ্র এবং রাজ্য যৌথভাবে অযোধ্যার উন্নয়নে দৃষ্টি দেয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Putin to Modi: ‘মোদিকে ভয় দেখানোর কথা ভাবতেও পারি না’, বললেন মুগ্ধ পুতিন

    Putin to Modi: ‘মোদিকে ভয় দেখানোর কথা ভাবতেও পারি না’, বললেন মুগ্ধ পুতিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নীতির জন্য ভারত-রাশিয়া সম্পর্ক ক্রমশ উন্নত হয়েছে। সম্প্রতি এই মত প্রকাশ করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। দেশের স্বার্থে মোদির ‘কঠোর’ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভূয়সী প্রশংসা করলেন তিনি।  সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে ভারত-রাশিয়া সম্পর্কে নিয়ে পুতিন বলেন, ‘ভারত ও রাশিয়ার মধ্যকার সম্পর্ক সবদিক দিয়েই আরও দৃঢ় হচ্ছে। এই নীতির সবথেকে বড় গ্যারান্টি হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজে।’

    কী বললেন পুতিন

    সম্প্রতি পুতিনের একটি ভিডিয়ো ক্লিপ ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেখানে দেখা যাচ্ছে, রুশ নেতা হিন্দিতে দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে কথা বলছেন। পুতিন নিজে অবশ্য হিন্দি বলেননি। রুশ ভাষায় তাঁর বলা কথাগুলি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে হিন্দিতে অনুবাদ করা হয়েছে। ওই ভিডিও-তেই মোদির নীতির প্রশংসা করেন পুতিন। রুশ প্রেসিডেন্টের কথায়, “সত্যি বলতে গেলে, ভারতীয় জনগণের জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় তাঁর কঠোর অবস্থান দেখে মাঝে মাঝে আমি বিস্মিত হই।” তিনি জানান, ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীকে তিনি বাইরে থেকে পর্যবেক্ষণ করেছেন। তার ভিত্তিতেই তাঁর মনে হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী মোদিকে কেউ কোনও সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করতে বা ভয় দেখাতে পারে না। পুতিন বলেন, “আমি কল্পনাও করতে পারি না যে মোদিকে ভয় দেখিয়ে বা হুমকি দিয়ে ভারত ও ভারতীয় জনগণের জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করতে বা সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করা যেতে পারে। আমি জানি তাদের উপর এমন চাপ রয়েছে।”

    প্রসঙ্গত, ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকেই ভারত-রুশ সম্পর্কে ‘বাধা’ হয়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছে আমেরিকা এবং ইউরোপের বেশ কিছু দেশ। তবে পশ্চিমী দেশগুলির চাপের মুখে মাথা নত করেনি মোদি সরকার। জ্বালানি তেল কেনা প্রসঙ্গে ভারত স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছে, দেশের জনগণের স্বার্থে সস্তায় তেল পেলে, তা কেনা হবেই। এমনকী যুদ্ধের সমালোচনা করলেও রাষ্ট্রসংঘে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভোটাভুটি থেকে ধারাবাহিক ভাবে বিরত থেকেছে ভারত। দিন কয়েক আগেই, ভারত-রুশ সম্পর্ক নিয়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেছেন, এই সম্পর্ক ভারতকে অতীতে বহুবার বহু সমস্যা থেকে রক্ষা করেছে। এই আবহে রুশ প্রেসিডেন্টের মুখে ফের ভারত বন্দনা শোনা গেল। ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে মোদি-নীতির ভূয়সী প্রশংসা করলেন পুতিন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • INDI Alliance: হিন্দি-বলয়ে গোহারা হওয়ার পর ইন্ডি-জোটে ফাটল, লোকসভা পর্যন্ত টিকবে তো?

    INDI Alliance: হিন্দি-বলয়ে গোহারা হওয়ার পর ইন্ডি-জোটে ফাটল, লোকসভা পর্যন্ত টিকবে তো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সদ্য সমাপ্ত পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়জয়কার প্রত্যক্ষ করেছেন দেশবাসী। মধ্যপ্রদেশ থেকে শুরু করে ছত্তিসগড় ও রাজস্থান— সর্বত্র আজ রাজ করছে গেরুয়া ঝান্ডা। এর মধ্যে ছত্তিসগড় ও রাজস্থান বিশেষ করে উল্লেখযোগ্য। কারণ, এই দুই রাজ্যে শাসক কংগ্রেসকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করেছে বিজেপি। একাধিক বুথ ফেরত সমীক্ষাকে ভুল প্রমাণ করে তিন রাজ্যে বিপুল জয়লাভ করেছে গেরুয়া শিবির। আর এই জয়ের নেপথ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যোগ্য নেতৃত্ব ও বিজেপি নেতা-কর্মীদের সংগঠিত লড়াই। বিজেপি একদিকে যখন এই লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে, তখন যেন ‘মোদি-ঝড়ের’ গ্রাসে বিরোধী শিবির।

    একা মোদির মোকাবিলায় ২৬টি দল!

    কংগ্রেস হোক বা তৃণমূল, সমাজবাদী পার্টি হোক বা আম আদমি পার্টি— সকলেই একমত ছিল যে, একা একা নরেন্দ্র মোদির মোকাবিলা করা অসম্ভব, অবাস্তব। তাই, মোদির মোকাবিলা করতে ২৬টি জাতীয় ও আঞ্চলিক দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল ‘ইন্ডি অ্যালায়েন্স’ (INDI Alliance)। এই জোটের মূল হোতা অবশ্যই শতাব্দী প্রাচীন পার্টি, মায় কংগ্রেস। এই জোট তৈরি হওয়া ইস্তক গত এক বছরে বেশ ক’বার জোটের সদস্য দলগুলির শীর্ষ নেতৃত্ব বৈঠকও করেন। তৈরি হয় একাধিক নীল-নকশা। লক্ষ্য মোদিকে হারানো। কিন্তু, এত কিছু করে বাস্তবে কী হল?

    আরও পড়ুন: ১২ রাজ্যে ক্ষমতায় বিজেপি, কংগ্রেস মাত্র তিনে! প্রধানমন্ত্রী মোদির ‘হ্যাটট্রিক’ কি সময়ের অপেক্ষা?

    সেমিফাইনালে গো-হারা কংগ্রেস

    সদ্য সমাপ্ত পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোটকে আগামী বছরের লোকসভা নির্বাচনের (2024 LS Polls) আগে সেমি-ফাইনাল হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। বলা বাহুল্য, এই পাঁচ (বিশেষ করে চারটি) রাজ্যের বিধানসভার ফলাফলের দিকে তাকিয়ে ছিলেন সকলেই। যা দেখা গেল, তা হল— বিজেপি-৩, কংগ্রেস-১। ফলাফলেই পরিষ্কার, খড়কুটোর মতো উড়ে গিয়েছে বিরোধী শিবির (INDI Alliance)। কংগ্রেস তথা ইন্ডি-জোটের মাথার ওপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে ঘূর্ণিঝড়। যার জেরে একেবারে লন্ডভন্ড অবস্থা বিরোধী জোটে। 

    পিঠ বাঁচাতে ‘ইভিএম’ কারচুপি তত্ত্ব

    বিভ্রান্ত কংগ্রেস নেতারা হারের দায় ঝেড়ে ফেলতে এবং নিজেদের পিঠ বাঁচাতে ‘ইভিএম’ কারচুপির তত্ত্ব খাড়া করেছে। যদিও, তাতে কেউ আমল দিচ্ছে না। শুধু তাই নয়। ফলাফল বের হওয়া ইস্তক, জোটের মধ্যেই দোষারোপের পালা শুরু হয়ে গিয়েছে। নির্বাচনের ব্যর্থতার দায় কংগ্রেসের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়েছে জোট-শরিকরা। ইন্ডি-জোটের অন্যতম সদস্য তৃণমূল। মমতা জানিয়েছেন, এটা কংগ্রেসের পরাজয়। তাদের কৌশল ভুল ছিল। একই কথা প্রকাশ্যে এসেছে জেডিইউ-র থেকেও।

    ইন্ডির বৈঠকে গরহাজির কারা

    বুধবার, ভোটের পর্যালোচনা ও আগামী দিনের পরিকল্পনা ও নীতি স্থির করতে দিল্লিতে ১০ রাজাজি মার্গে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনে বৈঠক (INDI Alliance) ডাকা হয়েছিল। কিন্তু, সেখানে যাননি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকী, পাঠাননি কোনও প্রতিনিধিকে। উত্তরবঙ্গ সফরের আগে মমতা জানান, বৈঠকে সম্পর্কে তিনি নাকি কিছুই জানেন না। তাঁকে কেউ ফোন করেননি। বৈঠকে গরহাজির ছিলেন সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব। যাননি জেডিইউ-র নীতীশ কুমার ও জেএমএম নেতা হেমন্ত সোরেন। বৈঠকে ছিলেন না শিবসেনার উদ্ধব-গোষ্ঠী সহ আরও একাধিক দলের শীর্ষ নেতৃত্ব।

    লোকসভা ভোট পর্যন্ত ইন্ডি-জোট টিকবে তো?

    এই ঘটনাগুলোই প্রমাণ করে যে, ইন্ডি-জোটের ভিতরে ঘোঁট পাকিয়ে গিয়েছে। ঘটা করে শুরু হয়েছিল ইন্ডি-জোট। ‘হানিমুন’ পর্ব শেষ। বছর পার হতে না হতেই এবার রুক্ষ বাস্তব প্রকাশ পেতেই একে একে সরে যাচ্ছে জোটের শরিকরা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, এটা হওয়ারই ছিল। কারণ হিসেবে তাঁরা জানান, ইন্ডি জোটের শরিক দলগুলির নিজ নিজ স্বার্থ ঢেকে দিচ্ছে বিজেপিকে মোকাবিলা করার অভিন্ন স্বার্থকে। যে কারণে, নিজেদের মধ্যেই একে অপরকে কটাক্ষ করার এই প্রবণতা থেকে গিয়েছে। কারণ জোটের সবকটি দল স্বার্থপর। লোকসভা ভোট (2024 LS Polls) পর্যন্ত বিরোধীদের সাধের ইন্ডি-জোট (INDI Alliance) টিকবে তো? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • 2024 LS Polls: ১২ রাজ্যে ক্ষমতায় বিজেপি, কংগ্রেস মাত্র তিনে! প্রধানমন্ত্রী মোদির ‘হ্যাটট্রিক’ কি সময়ের অপেক্ষা?

    2024 LS Polls: ১২ রাজ্যে ক্ষমতায় বিজেপি, কংগ্রেস মাত্র তিনে! প্রধানমন্ত্রী মোদির ‘হ্যাটট্রিক’ কি সময়ের অপেক্ষা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের (2024 LS Polls) কয়েক মাস আগে তিন রাজ্যের বিধানসভা ভোটে বিজয় নিশান উড়িয়ে দেশের রাজনৈতিক ময়দানে নিজদের কর্তৃত্ব প্রমাণ করেছে বিজেপি (BJP)। শুধু কথার কথা নয় তা। পরিসংখ্যান বলছে, বর্তমানে দেশের ২৮টি রাজ্যের মধ্যে ১২টিতেই শাসক বিজেপি। আরও চারটি রাজ্যে জোট বেঁধে শাসক শিবিরে রয়েছে গেরুয়া শিবির। অন্যদিকে, শতাব্দীপ্রাচীন দল কংগ্রেসের শাসিত রাজ্যের সংখ্যা মাত্র ৩— কর্নাটক, হিমাচল প্রদেশ ও সদ্য জয় করা তেলঙ্গানা।

    কী বলছে পরিসংখ্যান

    একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের করা পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে চমকপ্রদ তথ্য। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি কেন্দ্রে ক্ষমতায় প্রথমবার আসার পর কীভাবে ধীরে ধীরে দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে গেরুয়া-ঝান্ডা। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসের সর্বশেষ হিসেব অনুযায়ী, বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলি দেশের মোট ভূমি এলাকার ৫৮ শতাংশ এবং মোট জনসংখ্যার ৫৭ শতাংশ নিয়ে গঠিত। অন্যদিকে, বিরোধী শাসিত রাজ্যগুলি দেশের মোট ভূমি এলাকার ৪১ শতাংশ এবং মোট জনসংখ্যার ৪৩ শতাংশ নিয়ে গঠিত।

    মোদির মুখে ‘হ্যাটট্রিক’ তত্ত্ব

    ওই পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিজেপির (BJP) এই তিন রাজ্য যথা— মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান ও ছত্তিসগড় জয় লোকসভা নির্বাচনের আগে বড় প্রভাব ফেলবে জনমানসে এবং রাজনৈতিক রণাঙ্গণে। ফলাফল বের হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেই দিয়েছেন, ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে (2024 LS Polls) বিজেপি যে ‘হ্যাটট্রিক’ করতে চলেছে, তা নিশ্চিত করেছে বিধানসভা নির্বাচনে দলের এই ‘হ্যাটট্রিক’। তিন রাজ্যে দলের জয়কে সুশাসন ও স্বচ্ছতার প্রতিফলন হিসেবে তুলে ধরেন তিনি।

    অর্ধেক লোকসভা বিজেপির দখলে

    এই তিন রাজ্য জয়ের ফলে, লোকসভার নিরিখে ৫৪৩ আসনের প্রায় অর্ধেক বিজেপির (BJP) দখলে। ২০১৪ সালে, যখন প্রথমবার কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসেন নরেন্দ্র মোদি, তখন দেশের কয়েকটি রাজ্যে শাসক ছিল বিজেপি। যার মধ্যে রাজস্থান, গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, গোয়া ও ছত্তিসগড় অন্যতম। সেখানে থেকে বিজেপি ধীরে ধীরে নিজেদের জমি শক্ত করেছে এবং প্রসারিত করেছে। এখন একক-সংখ্যাগরিষ্ঠতা এবং জোট মিলিয়ে ১৬টি রাজ্যের শাসনে বিজেপি। নরেন্দ্র মোদি হতে চলেছেন দেশের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদ ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী (2024 LS Polls)।

    উল্লেখযোগ্য উত্তর-পূর্বাঞ্চল

    তবে, বিজেপির (BJP) এই বিজয় যাত্রার অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক হল, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে দলের নিশান প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হওয়া। ২০১৪ সালে, দেশের এই অংশে বিজেপির তেমন কোনও উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়নি। কিন্তু, এখন তিন রাজ্যে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার সঙ্গে সরকার পরিচালনার দায়িত্বে বিজেপি। আরও তিন রাজ্যে জোট সরকার গড়ে ক্ষমতাসীন গেরুয়া-শিবির।

    ছন্নছাড়া বিরোধী শিবির

    একদিকে যখন বিজেপি (BJP) বাড়ছে, তখন বিরোধী শিবিরে ছন্নছাড়া দৃশ্য। একা না পেরে বিজেপির মোকাবিলা করতে ২৬ বিরোধী দল জোট বাঁধার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু, বছর ঘুরতে না ঘুরতেই, সেই জোটে চিড়। সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে জোটের বৃহত্তম দল কংগ্রেসের ভরাডুবি হয়েছে। তাতে গ্র্যান্ড-ওল্ড পার্টিকে খুবলোতে শুরু করেছে শরিক দলগুলি। এই পরিস্থিতিতে, তারা করবে মোদির মোকাবিলা! ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে (2024 LS Polls) বিজেপির হ্যাটট্রিক যে হচ্ছেই, সত্যিই তা একপ্রকার নিশ্চিত। প্রধানমন্ত্রী তা বলেই দিয়েছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Winter Session: ‘‘ভোটে হেরে সংসদে রাগ দেখাবেন না’’! বিরোধীদের হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রী মোদির

    Parliament Winter Session: ‘‘ভোটে হেরে সংসদে রাগ দেখাবেন না’’! বিরোধীদের হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদে শীতকালীন অধিবেশন (Parliament Winter Session) শুরুর ঠিক আগে বিরোধীদের সাহায্য চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্ত তাতে কর্ণপাত করলেন না বিরোধীরা। প্রথম দিনে বিরোধীদের হৈ হট্টগোলে প্রথম দফায় অধিবেশন মুলতবি করে দিতে বাধ্য হলেন অধ্যক্ষ ওম বিড়লা। প্রধানমন্ত্রী যে আশঙ্কা করেছিলেন তাই সত্যি হল। অধিবেশনের শুরু থেকেই হট্টগোল পাকিয়ে সভা বানচাল করার চেষ্টা চালালো বিরোধীরা। লক্ষ্য একটাই, এই সংক্ষিপ্ত অধিবেশনে যাতে কোনও বিল সরকারপক্ষ পাশ না করাতে পারে।

    প্রধানমন্ত্রীর আর্জি

    এদিন শীতকালীন অধিবেশন (Parliament Winter Session) শুরুর আগেই প্রথা মেনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিরোধীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে সংসদে আসুন৷ আমরা দশ পা এগোলে আপনারা বারো পা এগোন৷ কিন্তু সংসদে আলোচনা করতে দিন৷ সবার ভবিষ্যৎই উজ্জ্বল৷ এই নেতিবাচক রাজনীতির ফলে দেশবাসীর মনে যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে, কে বলতে পারে তা হয়তো ভালবাসায় বদলে যেতে পারে৷ ফলে বিরোধীদের সামনেও এটা একটা দারুণ সুযোগ৷’ একই সঙ্গে তিন রাজ্যে বিজেপির বিপুল জয় ও বিরোধীদের পরাজয়ের কথাও উল্লেখ করেন মোদি। তার সূত্র ধরেই মোদীর পরামর্শ, ‘‘তিন রাজ্যে হার বিরোধীদের কাছে সুবর্ণ সুযোগ। এই হার থেকে তারা শিক্ষা নিক। হারের কারণে সংসদে রাগ দেখাবেন না।’’

    আরও পড়ুন: ‘‘সনাতন ধর্মকে সম্মান না জানানোর পরিণতি’’! কংগ্রেসকে তীব্র কটাক্ষ ভেঙ্কটেশ প্রসাদের

    উন্নয়ন সঠিক ভাবে হলে প্রতিষ্ঠান বিরোধিতা বলে কিছু থাকে না, বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। মোদির কথায়, ‘‘এত ভাল জনাদেশের পর আমরা নতুন সংসদ ভবনে আজ মিলিত হচ্ছি। নেতিবাচক সবকিছুকে ত্যাগ করতে হবে। বিরোধীদের সঙ্গে আমি সবসময় আলোচনা করি। দেশের ভিত্তি আরও মজবুত করার মঞ্চ হল সংসদ। প্রত্যেক সাংসদের কাছে আবেদন, আলোচনায় অংশগ্রহণ করুন, পরামর্শ দিন। দেশের উন্নয়নে ইতিবাচক পদক্ষেপ করুন, বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা করবেন না।’’ তিনি এ-ও বলেন, ‘‘গণতন্ত্রের জন্য বিরোধীদের ইতিবাচক মনোভাব খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিজেদের অভ্যেস বদলান, হার থেকে হতাশা হতেই পারে। পরাজয় থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে চলুন।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarkashi Tunnel: বের করা হল আটকে থাকা বিকল ড্রিলিং মেশিনের অংশ, আটক শ্রমিকরা বেরোবেন কবে?

    Uttarkashi Tunnel: বের করা হল আটকে থাকা বিকল ড্রিলিং মেশিনের অংশ, আটক শ্রমিকরা বেরোবেন কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবারই মার্কিন অগার ড্রিলিং মেশিন বিকল হয়ে পড়েছিল। এর ফলে উত্তরকাশির সুড়ঙ্গে (Uttarkashi Tunnel) আটকে থাকা শ্রমিকদের উদ্ধারকাজে ফের বাধার সম্মুখীন হতে হয় উদ্ধারকারী দলকে। তবে সুখবর শোনা গেল সোমবার সকালে। আমেরিকান যন্ত্রের ভাঙা টুকরোগুলি যেখানে আটকে ছিল সেগুলি সোমবারে সকালেই সরানো গিয়েছে। এরপর ম্যানুয়াল ড্রিলিং শুরু হবে। যার অর্থ হল, শাবল গাঁইতি হাতে খোড়ার কাজ চলবে।

    উলম্বভাবে খননও চলছে

    পাশাপাশি, ভার্টিক্যাল ড্রিলিংও শুরু হয়েছে। অর্থাৎ উলম্বভাবে খনন (Uttarkashi Tunnel) করে যে পদ্ধতিতে খনি থেকে কয়লা উত্তোলন করা হয় সেই পদ্ধতিতে কাজ চলছে। রিপোর্ট বলছে, প্রায় কুড়ি মিটার পর্যন্ত গর্ত ইতিমধ্যেই করে ফেলেছে উদ্ধারকারী দল। এই গতিতে কাজ চলতে থাকলে বৃহস্পতিবারের মধ্যেই তা সম্পন্ন হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। অন্যদিকে শাবল এবং গাঁইতি দিয়ে খুঁড়তে শুরু করলে তা অনেকদিন সময় লাগতে পারে। তার কারণ অগার মেশিন দিয়ে যে গর্ত করা হয়েছে সেখানে একজন শ্রমিকই ঢুকে কাজ চালাতে পারবেন। তিনি বেরিয়ে এলে অপরজন ঢুকতে পারবেন। অগার মেশিন ভেঙে যাওয়ার ফলে ওই যন্ত্রাংশটি (Uttarkashi Tunnel) সুড়ঙ্গতে এমন ভাবে আটকে যায় যে তা বের করা খুব সহজ কাজ ছিল না। তবে সোমবার সকালেই এই কাজকে সম্ভব করেছে উদ্ধারকারী দল। সোমবার উদ্ধারকাজ পরিদর্শন করতে উত্তরকাশিতে আসার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রধানসচিব পিকে মিশ্র এবং উত্তরাখণ্ডের মুখসচিব এসএস সান্ধুর।

    কেমন আছেন শ্রমিকরা?

    গত ১২ নভেম্বর থেকে আটকে রয়েছেন শ্রমিকরা। সুড়ঙ্গের মধ্যে শ্রমিকরা রয়েছেন সুস্থই। খাবার সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাঠানো হচ্ছে। ইদানিং তাঁদের জন্য পাঠানো হচ্ছে বেরি ও অন্যান্য ফল। তাঁদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন মনোবিদরাও। সুড়ঙ্গের (Uttarkashi Tunnel) মাত্র ৪১ মিটার ফাঁকা জায়গায় আটকে রয়েছেন ৪১ জন শ্রমিক। তাঁরা যাতে মনোবল হারিয়ে না ফেলেন, তাই সুড়ঙ্গে পাঠানো হয়েছে লুডো, দাবা এবং তাস। শ্রমিকরা সেখানে চোর-পুলিশও খেলছেন বলে খবর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: পাইলটের জাম্পস্যুট পরে দেশীয় তেজস যুদ্ধবিমানে চেপে আকাশে উড়লেন মোদি

    Narendra Modi: পাইলটের জাম্পস্যুট পরে দেশীয় তেজস যুদ্ধবিমানে চেপে আকাশে উড়লেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর কথা এর আগে তাঁর মুখ দিয়ে বহুবার শুনেছে দেশবাসী। তিনি যা বলেন, তাতে যে বিশ্বাসও করেন, তা করে দেখালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। ভারতে তৈরি প্রথম দেশীয় যুদ্ধবিমান তেজস-এ চেপে একেবারে পাড়ি দিলেন আকাশে (PM Modi Flies In Tejas)। ফিরে এসে বললেন, ‘‘অবিশ্বাস্য অভিজ্ঞতা। আমার আত্মবিশ্বাস আরও মজবুত হলো।’’

    হ্যালের দফতরে প্রধানমন্ত্রী

    শনিবার, বেঙ্গালুরুতে হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেডের সদর দফতরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী(Narendra Modi)। তেজসের উৎপাদনের বিষয়ে খোঁজখবর নেন। কীভাবে গোটা প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখেন। এরপর দেশীয় যুদ্ধবিমানে চড়ে আকাশে এক চক্কর কাটেন প্রধানমন্ত্রী। সূত্রের খবর, প্রায় ৪৫ মিনিট আকাশে ছিলেন মোদি। পরে, নিজের এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডলে একাধিক ছবি পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘‘তেজসে চেপে সফল উড়ান সম্পন্ন করলাম (PM Modi Flies In Tejas)। অভিজ্ঞতাটি অবিশ্বাস্যভাবে সমৃদ্ধ করেছে, উল্লেখযোগ্যভাবে আমাদের দেশের সক্ষমতার প্রতি আমার আত্মবিশ্বাস আরও মজবুত হলো। আমাদের দেশের সম্ভাবনা সম্পর্কে নতুন করে গর্ব ও আশাবাদী।’’

    আরেকটি পোস্টে প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) লেখেন, ‘‘আজ তেজসে উড়ে এসে আমি অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে বলতে পারি যে আমাদের কঠোর পরিশ্রম এবং নিষ্ঠার কারণে আমরা স্বনির্ভরতার ক্ষেত্রে বিশ্বের কারও চেয়ে কম নই। ভারতীয় বায়ুসেনা, ডিআরডিও এবং হ্যাল-এর পাশাপাশি সমস্ত ভারতীয়কে আন্তরিক অভিনন্দন।’’

     

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ICC World Cup 2023: বিহ্বল শামিকে জড়িয়ে ধরলেন মোদি! প্রধানমন্ত্রী প্রেরণা জুগিয়েছেন বললেন জাদেজা

    ICC World Cup 2023: বিহ্বল শামিকে জড়িয়ে ধরলেন মোদি! প্রধানমন্ত্রী প্রেরণা জুগিয়েছেন বললেন জাদেজা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১২ বছর পর বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল রোহিত শর্মা-বিরাট কোহলিদের। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ফাইনাল হারতেই মাঠে কান্নায় ভেঙে পড়লেন সিরাজ, রাহুল। চোখ মুছতে মুছতে মাঠ ছাড়লেন রোহিত। থমথমে কোহলি। ড্রেসিংরুমে চোখ ভিজে আসে সকলের। সেই সময় গোটা দলের মনোবল বাড়াতে ভারতীয় দলের ড্রেসিংরুমে চলে আসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। 

    রোহিতদের প্রেরণা দিতে মোদি

    সবকিছু….সবকিছুই উজাড় করে দিয়েছিলেন তাঁরা। টানা ১০টি ম্যাচে জিতেছিলেন। কিন্তু ফাইনালে হেরে গিয়ে বিশ্বকাপ ট্রফিটা হাতে আসেনি। তারপর যে রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলিদের কতটা কষ্ট হতে পারে; তা হয়ত নিজেদের দেখেই বুঝতে পারবেন ভারতবাসী। বাইরে থেকে সমর্থন করেই মন খারাপ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু ওই ১৫-২০ জন তো জানপ্রাণ লড়িয়ে দিয়েছিলেন। আর তাঁদের পাশে দাঁড়াতেই ভারতের ড্রেসিংরুমে যান প্রধানমন্ত্রী। দেখা করেন রোহিতদের সঙ্গে। 

    আবেগাপ্লুত জাদেজা-শামি

    সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’-এ মোদির সঙ্গে ছবি পোস্ট করে জাদেজা লেখেন, ‘আমাদের একটা দুর্দান্ত টুর্নামেন্ট কেটেছে। কিন্তু গতকাল একধাপ দূরে থেমে গিয়েছি আমরা। আমাদের সকলের হৃদয় ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে। কিন্তু দেশবাসীর সমর্থন আমাদের স্বস্তি দিয়েছেন। গতকাল ড্রেসিংরুমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে এসেছিলেন, সেটা অত্যন্ত স্পেশাল এবং অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ক ছিল।’ 

    ম্যাচের শেষে ড্রেসিংরুমে কান্নায় ভেঙে পড়া তারকা পেসারকে সান্ত্বনা দিলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। এরপর শামি লেখেন, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে গতকালের দিনটা আমাদের ছিল না। আমাদের দল এবং আমায় পুরো টুর্নামেন্টে সমর্থন করে যাওয়ার জন্য সব ভারতীয়কে আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমাদের ড্রেসিংরুমে এসে আমাদের মনোবল বাড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে কৃতজ্ঞ। আমরা আবার ফিরে আসব।’ 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ডিপফেক নিয়ে উদ্বিগ্ন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীও, হুঁশিয়ারি দিলেন চ্যাট জিপিটিকে

    PM Modi: ডিপফেক নিয়ে উদ্বিগ্ন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীও, হুঁশিয়ারি দিলেন চ্যাট জিপিটিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমাদের হাতে এখন কৃত্রিম মেধার মতো উন্নত প্রযুক্তি রয়েছে। আমাদের উচিত দায়িত্ববোধের সঙ্গে সেই প্রযুক্তি ব্যবহার করা। কেউ যেন এই ধরনের প্রযুক্তির অপব্যবহার না করেন। এজন্য এ ব্যাপারে উপযুক্ত শিক্ষার প্রসার ঘটানো জরুরি।” শুক্রবার দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে আয়োজিত দিওয়ালি মিলন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে একথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “একটি ফেক ভিডিওতে আমাকে গরবা নাচতে দেখা গিয়েছে। এটা দেখে আমি বিস্মিত হয়েছি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিপফেক আমাদের কাছে ক্রমেই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে।”

    ‘অশান্তি ও অস্থিরতার সৃষ্টি হতে পারে’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সমাজের একটা বড় অংশের মানুষের এই জাল ভিডিও যাচাই করার সুযোগ নেই। তাই লোকজন সহজেই ডিপফেককে বিশ্বাস করে নেয়। এতে সমাজে অশান্তি ও অস্থিরতার সৃষ্টি হতে পারে।” তিনি বলেন, “ডিপফেক কীভাবে কাজ করে, এটা কী করতে পারে, কোন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হবে আমাদের, এ থেকে কী হতে পারে, এগুলো আমাদের জানতে হবে। দেশবাসীকে এ ব্যাপারে সচেতন হতে হবে। একটি ফেক ভিডিওয় আমাকে গরবা নাচতে দেখা গিয়েছে। স্কুল ছাড়ার পর কোনওদিনই আমি গরবা নাচিনি। আমার প্রিয়জনেরাও এই ভিডিও শেয়ার করছেন। এটা গভীর উদ্বেগের বিষয়।”

    চ্যাট জিপিটিকে হুঁশিয়ারি

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) জানান, তিনি ইতিমধ্যেই চ্যাট জিপিটির সঙ্গে কথা বলেছেন। তাদের এ ব্যাপারে সতর্ক করার পাশাপাশি ডিপফেক প্রযুক্তিকেও যেন তাদের তৈরি ভিডিও বা অন্য বিষয়বস্তু নিয়ে সতর্ক করা হয়। তিনি বলেন, “গত সপ্তাহেও আমরা ‘ভোকাল ফর লোকালে’র পক্ষে সওয়াল করেছিলাম। আমরা বলেছিলাম, দেশে প্রায় ৪.৫ লাখ কোটি টাকার ব্যবসা হচ্ছে। লোকজন ক্ষুদ্র ব্যবসায় নিযুক্ত হয়ে রোজগার করছেন। এর ভিত্তিতেই আমরা উন্নত ভারত গঠনের পথে এগোতে পারি। এ ব্যাপারে একটা বিশ্বাসের জায়গা গড়ে তুলতে হবে। এ ব্যাপারে দেশবাসীকে উৎসাহ দিতে হবে।”

    আরও পড়ুুন: জমির দালাল থেকে তৃণমূলের প্রধান, রকেট গতিতে উত্তরণই কাল হল রূপচাঁদের

    তিনি (PM Modi) বলেন, “আপনারা এ নিয়ে সম্মেলনের আয়োজন করতে পারেন। সেখানে আলোচনা করতে পারেন দেশের ১০টি শহর কীভাবে এক ট্রিলিয়ান থেকে তিন ট্রিলিয়ন অর্থনীতির হতে পেরেছে। কীভাবে ওই শহরগুলি ক্রমেই তাদের অর্থনীতির ভিত মজবুত করে চলেছে? এ ব্যাপারে আলোচনা করতে আপনারা ওই শহরগুলি থেকে বিশেষজ্ঞদের আনতে পারেন।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share