Tag: NASA

NASA

  • Sunita Williams: ১০ দিনের বদলে এক মাস মহাকাশে সুনীতা, কেমন আছেন, কী খাচ্ছেন তিনি? জেনে নিন…

    Sunita Williams: ১০ দিনের বদলে এক মাস মহাকাশে সুনীতা, কেমন আছেন, কী খাচ্ছেন তিনি? জেনে নিন…

    মাধ্যম নিউজ দেস্ক: দশ দিনের মহাকাশ সফরে গিয়েছিলেন সুনীতা উইলিয়ামস (Sunita Williams) এবং তাঁর সহযাত্রী বুচ ইউলমোর। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁরা মহাকাশেই আটকে রয়েছেন। ভারতীয় বংশোদ্ভুত মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস এখন আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনেই (ISS) আশ্রয় নিয়েছেন। সেখানেই আছেন তাঁর সহযাত্রী বুচ উইলমোর। নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁদের ফেরার খবর না থাকায় তৈরি হয়েছে উদ্বেগ।

    কবে ফিরবেন সুনীতা ইউলিয়ামস (Sunita Williams)

    এমতাবস্থায় নাসা জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক স্টেশনে স্পেস স্টেশনে তাঁরা নিরাপদেই আছেন। ১০ জুলাই পৃথিবীবাসীর উদ্দেশে বার্তা পাঠাবেন সুনীতা। শোনা যাবে তাঁর কথা। সুনীতার বার্তা নাসার ওয়েবসাইটেও তুলে ধরা হবে। ১০ দিনের মিশনে গিয়ে ইতিমধ্যেই ১ মাসের বেশি সময় মহাকাশে (ISS) কাটিয়ে ফেলেছেন সুনীতা (Sunita Williams) ও বুচ। এই মুহূর্তে সুনীতা ও বুচ সহ আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে মোট ৯ জন মহাকাশচারী রয়েছেন।

    সুনীতার কাজকর্ম

    নাসা সূত্রে জানা গিয়েছে, দৈনন্দিন গবেষণার কাজকর্ম ছাড়াও সাফাইয়ের কাজেও হাত লাগাতে হচ্ছে সুনীতাদের(Sunita Williams)। তাঁরা সিগনস মহাকাশযানের কাছে আবর্জনা ভর্তি ব্যাগও ফেলে এসেছেন। ইতিমধ্যেই চলতি মাসের শেষেই আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন (ISS) সিগনসকে বিচ্ছিন্ন করে প্রশান্ত মহাসাগরে নিয়ে আসা হবে।

    মহাকাশের মেনু (ISS)

    মহাকাশচারীরা মহাকাশে কী ধরনের খাবার খান, তা নিয়েও নেটিজেনদের মধ্যে জিজ্ঞাসা রয়েছে। নাসা জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের (ISS) মেনুতে থাকে শাকসবজি, ফল, মিষ্টি জাতীয় খাবার। এছাড়াও একশোর বেশি ধরনের খাবার থাকে প্রতিটি মহাকাশ মিশনের জন্য। সেই মিশন শুরু হওয়ার আগে থেকেই মহাকাশচারীদের খাবারের তালিকা তৈরি হয়ে যায়। অনেকদিন মহাকাশে থাকার কারণে খাবার নষ্ট হয় না। যাতে কোনওভাবে খাবার নষ্ট না হয়, সেই লক্ষ্যে বিজ্ঞানীদের হালকা সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর খাবার দেওয়া হয়। মহাকাশচারীদের খাবার প্রায়ই ডিহাইড্রেটেড এবং ভ্যাকিউম সিল পাউচে প্যাকেট করা থাকে। খাবারে অনেক সময় স্যান্ডউইচ বা স্যুপ জাতীয় খাবারও দেওয়া হয়।

    আরও পড়ূন: অস্ট্রিয়ায় পৌছলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি, চ্যান্সেলরের সঙ্গে নৈশভোজ, আজ কূটনৈতিক বৈঠক

    কেচাপ বা মশলা মহাকাশের গুরুত্ব আকর্ষণ না থাকার ফলে ভেসে বেড়াতে পারে। সেই কথা মাথায় রেখে এগুলিকে বিশেষ ধরনের প্যাকেটে রাখা হয়। মাংসের স্টু, চিকেন কারি এবং পাস্তা এবং পুডিং জাতীয় সুস্বাদু খাবারও দেওয়া হয় মহাকাশচারীদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sunita Williams: এখনও আটকে, কমছে জ্বালানি! মহাকাশে কী অপেক্ষা করছে সুনীতাদের জন্য?

    Sunita Williams: এখনও আটকে, কমছে জ্বালানি! মহাকাশে কী অপেক্ষা করছে সুনীতাদের জন্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আট দিনের কর্মসূচি ছিল। কথা ছিল, ১৩ জুন ফিরে আসবেন। কিন্তু এখনও ফেরা সম্ভব হয়নি। মহাকাশে আটকে পড়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস (Sunita Williams) ও তাঁর সঙ্গী ব্যারি উইলমোর। কবে আবার পৃথিবীর মাটিতে পা রাখবেন সুনীতারা, তা অনিশ্চিত। নাসার (NASA) তরফে জানানো হয়েছে নিরাপদেই আছেন সুনীতারা। ৬ জুলাই তাঁরা ফিরবেন। আটদিনের অভিযান হয়তো শেষ হবে এক মাসে।  

    কেন আটকে সুনীতারা (Sunita Williams) 

    স্টারলাইন স্পেসক্র্যাফ্ট, যাতে করে সুনীতা-ব্যারি মহাকাশে গিয়েছিলেন, তাতে হিলিয়াম লিক করেছে। এজন্যই তাঁদের ফেরা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এই যান্ত্রিক গোলযোগ মেরামতির চেষ্টা করছেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, রওনা দেওয়ার পর থেকে বোয়িং ক্যাপসুলে পাঁচটি হিলিয়াম লিক হয়েছে, পাঁচটি ম্যানুভারিং থ্রাস্টার খারাপ হয়ে গিয়েছে এবং একটি ধীর গতির প্রপেলান্ট ভালভেও সমস্যা দেখা গিয়েছে।  

    ৫৪ বছর আগের স্মৃতি

    বোয়িং স্টারলাইনারের বর্তমান পরিস্থিতি নাসার ৫৪ বছর আগেকার ‘সফল ব্যর্থ’ মিশনের স্মৃতি ফিরিয়ে আনছে। ১৯৭০ সালে মহাকাশযানের একটি বিস্ফোরণের ফলে তিনজন মহাকাশচারী পৃথিবী থেকে দুই লাখ পাঁচ হাজার মাইল দূরে চাঁদের চারপাশে থেকে গিয়েছিলেন। এই মিশনটি ছিল অ্যাপোলো ১৩ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চাঁদে অবতরণ করার তৃতীয় প্রচেষ্টা। সেই সময় ক্রুদের কাছে বেঁচে থাকাটাই একটা চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছিল। সুনীতাদের কাছেও বিষয়টা হয়তো তাই। আপাতত সুনীতাদের (Sunita Williams) পৃথিবীতে সুরক্ষিত ল্যান্ডিংয়ের অপেক্ষায় রয়েছে গোটা বিশ্ব।

    আরও পড়ুন: নেট পরীক্ষার নতুন দিন ঘোষণা! ওএমআর-এ নয়, পরীক্ষা হবে কম্পিউটারে

    কী বলছে নাসা

    জানা গিয়েছে, স্টারলাইনার মহাকাশযানটি খুব বেশিদিন মহাকাশে থাকতে পারবে না। মহাকশযানটির জ্বালানি ক্ষমতা সীমিত। নিরাপদে ফিরে আসা নিশ্চিত করতে স্টারলাইনার মাত্র ৪৫ দিন অপেক্ষায় থাকতে পারবে। এর চেয়ে বেশি সময় লাগলেই সংকট তৈরি হতে পারে। তবে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত সুনীতা উইলিয়ামস এবং ব্যারি উইলমোর আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে নিরাপদেই আছেন। তাঁদের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণ খাদ্য রয়েছে। ত্রুটিমুক্ত রয়েছে যোগাযোগের সরঞ্জামও। নাসা (NASA) জানিয়েছে, জরুরি পরিস্থিতিতে মহাকাশযানটি যে কোনও সময়ে উড়তে পারে। সব সংকট কাটিয়ে ফিরে আসতে পারে পৃথিবী পৃষ্ঠে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sunita Williams: মহাকাশে আটকে সুনীতা উইলিয়ামস! কী সমস্যা, কীভাবে ফিরবেন পৃথিবীতে?

    Sunita Williams: মহাকাশে আটকে সুনীতা উইলিয়ামস! কী সমস্যা, কীভাবে ফিরবেন পৃথিবীতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশে ‘আটকে’ রয়েছেন সুনীতা উইলিয়ামস (Sunita Williams)। তিনি ও তাঁর সহযাত্রী ব্যারি বুচ উইলমোর আপাতত ফিরতে পারবেন না পৃথিবীতে। এমনটাই জানিয়েছে নাসা (NASA)। প্রথমে জানা গিয়েছিল, ২৬ জুন তাঁরা ফিরবেন। কিন্তু এখন নাসা সূত্রে জানানো হয়েছে, আপাতত তাঁদের ফেরা সম্ভব নয়। ত্রুটি ধরা পড়েছে তাঁদের মহাকাশযানে। যে মহাকাশযানে তাঁরা গিয়েছিলেন তাতে আর ২৬ দিনের জ্বালানি বাকি রয়েছে। তাই সুনীতাদের পৃথিবীতে ফেরা নিয়ে উদ্বেগও বাড়ছে।

    কেন আটকে সুনীতারা

    মহাকাশযান বোয়িং স্টারলাইনারকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে সমস্যা। গত ৫ জুন আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পাড়ি দিয়েছিলেন সুনীতা (Sunita Williams)। উৎক্ষেপণের পরেই একাধিক যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে তাঁদের মহাকাশযানে। না ঘুমিয়ে নিজেরাই সেই ত্রুটি মেরামত করেন নভশ্চররা। এরপর যাবতীয় সমস্যা পেরিয়ে গন্তব্যে পৌঁছে যায় তাঁদের মহাকাশযান। কিন্তু ফের যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ছে তাঁদের যানে। তাই মহাকাশ স্টেশনেই অপেক্ষা করতে হচ্ছে তাঁদের। জানা গিয়েছে সুনীতা উইলিয়ামস ও তাঁর সহযাত্রী বুচ উইলমোর, দুজনেই সেই আইএসএসে নিরাপদেই রয়েছেন। তাদের সঙ্গে আরও সাতজন ক্রু মেম্বার রয়েছেন। 

    ফিরবেন কবে?

    থ্রাস্টার ট্রাবল শুটিং এবং নির্ধারিত স্পেসওয়াকের কারণে মহাকাশযানটি ফেরত আসতে বিলম্ব হবে বলে জানিয়েছে সিএনএন। স্টিচের মতে, ‘আমাদের দলের ডেটা দেখার জন্য আরও কিছুটা সময় লাগবে, এরপর আমরা নিশ্চিত করব যে আমরা সত্যিই বাড়িতে আসতে প্রস্তুত।’ বোয়িংয়ের কমার্শিয়াল ক্রু প্রোগ্রামের প্রধান মার্ক নাপ্পি বলেন, ‘আমরা এটিকে একটি সুযোগ হিসেবে দেখছি। এক্ষেত্রে স্টেশনে থেকে আরও কাজ করার সুযোগ পাওয়া যাচ্ছে।’ একবার নাসা মহাকাশচারীদের ফিরে আসার সবুজ সংকেত দিলে, স্টারলাইনারের থ্রাস্টারগুলি আইএসএস থেকে ক্যাপসুলটিকে আনডক করতে ব্যবহার করা হবে। এরপর ছয় ঘণ্টায় পৃথিবীতে পৌঁছে যাবেন সুনীতারা (Sunita Williams)। তাঁরা ৬ জুলাই পৃথিবীতে ফিরতে পারেন।

    মহাকাশযান যদি ব্যর্থ হয়

    নাসা (NASA) বলেছে যে প্রপালশন সিস্টেমে ত্রুটি থাকা সত্ত্বেও স্টারলাইনার মহাকাশচারীদের সঙ্গে করে পৃথিবীতে ফিরে আসতে সক্ষম। স্টারলাইনারকে সম্পূর্ণ অকেজো ঘোষণা করা হলে স্পেসএক্সের ক্রু ড্রাগনের মাধ্যমে মহাকাশচারীদের ফিরিয়ে আনা যেতে পারে। মার্চ মাসে, ক্রু ড্রাগন চার নভোচারীকে মহাকাশ স্টেশনে নিয়ে যায়। জরুরী পরিস্থিতিতে, ক্রু ড্রাগনে আরও নভোচারী বসানো যেতে পারে।

    আরও পড়ুন: “সংসদীয় ইতিহাসের স্বর্ণালী সময়”, স্পিকার পদে ওম বিড়লাকে স্বাগত মোদির

    কল্পনার স্মৃতি

    ২০০৩ সালের ১৬ জানুয়ারি মহাকাশ অভিযান শেষ করে স্পেস শাটল কলম্বিয়ায় পৃথিবীর উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন কল্পনা চাওলা ও তাঁর সঙ্গীরা। ১লা ফেব্রুয়ারি পৃথিবীর মাটি ছোঁয়ার ১৬ মিনিট আগে ভেঙে পড়ে কলম্বিয়া। মৃত্যু হয় কল্পনা-সহ বাকি নভোশ্চরদের। তদন্ত রিপোর্টে বলা হয়, মহাকাশযান সবদিক থেকে ঠিকঠাক ছিল। খালি হাইড্রোলিক ট্যাঙ্কের তরল দ্রুত কমে আসছিল। এতেই মহাকাশযানের সেন্সর সিস্টেমে গড়বড় শুরু হয়। এবার মহাকাশে আটকে রয়েছেন আরও এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত। এর আগে ২০০৬ ও ২০১২ সালে মহাকাশ অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন সুনীতা (Sunita Williams)। সব মিলিয়ে ৩২২ দিন মহাকাশে কাটানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। তিনি শুধু ভারতীয় বংশোদ্ভূত নন, ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গেও তাঁর যোগ রয়েছে। তাই তাঁকে উদ্বিগ্ন ভারতও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ethical Hacker: পেয়েছেন নাসার ‘হল অফ ফেম’ স্বীকৃতি, এথিক্যাল হ্যাকিংকেই পেশা করেছেন কাশ্মীরের মুনীব

    Ethical Hacker: পেয়েছেন নাসার ‘হল অফ ফেম’ স্বীকৃতি, এথিক্যাল হ্যাকিংকেই পেশা করেছেন কাশ্মীরের মুনীব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সফটওয়্যার ডেভেলপার নয়, বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে সব চেয়ে বেশি চাহিদা হ্যাকারদের। কিন্তু এই হ্যাকারদের অপরাধী নয়, বরং গোয়েন্দা বলা যেতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হ্যাকিং শব্দটির সঙ্গে সাইবার অপরাধীরা ওতপ্রোত ভাবে জড়িত। কিন্তু হ্যাকারদের শায়েস্তা করতেও হ্যাকিং জানতে হয়। সেই কৌশলকে বলে ‘এথিক্যাল হ্যাকিং’ (Ethical Hacker) অর্থাৎ যেখানে নৈতিকতা থাকে। আর এই এথিক্যাল হ্যাকিং-এর দুনিয়ায় নয়া পালক যোগ করল দক্ষিণ কাশ্মীরের কুলগাম জেলার জুঙ্গালপোরা গ্রামের বাসিন্দা মুনীব আমিন।

    কে এই মুনীব?  

    মুনীব হলেন একজন কাশ্মীরি প্রযুক্তিবিদ, যিনি সম্প্রতি এথিক্যাল হ্যাকিং-এর দুনিয়ায় তার কাজের ক্ষেত্রে যথেষ্ট উন্নতি লাভ করেছে। একজন এথিক্যাল হ্যাকার হিসেবে ’ (Ethical Hacker) কাজের ক্ষেত্রে তার উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য ২০২৩ সালের অগস্ট মাসে ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (NASA)-এর ‘হল অফ ফেম’-এ বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। মুনীবের কৃতিত্ব সাইবার নিরাপত্তা জগতে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং আজকের ডিজিটাল ল্যান্ডস্কেপে সংবেদনশীল তথ্য রক্ষায় তা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বর্তমানে তিনি ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল ওপেন ইউনিভার্সিটি (IGNOU) থেকে কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশনে স্নাতক (BCA) ডিগ্রির জন্য পড়াশোনা করছেন। 
    আসলে বর্তমান সময়ে বিভিন্ন কর্পোরেট সংস্থা ও তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে যে ভাবে তথ্য চুরি ও সাইবার হানা বাড়ছে তা ঠেকাতেও এই এথিক্যাল হ্যাকারদের ’ (Ethical Hacker)  প্রয়োজন। তাই সাইবার জগতে মুনীবের এই কৃতিত্ব একটি অনুপ্রেরণা হিসাবে রয়ে যাবে। এ প্রসঙ্গে মুনীব বলেছিল, “আজকের ডিজিটাল যুগে, কিছুই সম্পূর্ণ নিরাপদ নয়। একটি সংস্থা যত বড়ই হোক না কেন, যদি এটি কোনও নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত থাকে তবে এটি হ্যাক হওয়ার সম্ভবনা থেকেই যায়।”  

    আরও পড়ুন: মন্ত্রক বদলাল না শান্তনুর, মোদি মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েই জোড়া দায়িত্ব সুকান্তর

    এথিক্যাল হ্যাকিং এর ভবিষ্যৎ ’ (Ethical Hacker)  

    আর ঠিক এই কারণেই সাইবার সিকিউরিটি (Cybersecurity Expert) এবং এথিক্যাল হ্যাকিং বর্তমান সময়ে একটি ক্রমবর্ধমান ক্ষেত্র হিসেবে অগ্রসর হচ্ছে, যেখানে ভারত এবং বিদেশে এই কাজের জন্য একাধিক চাকরির পরিসর রয়েছে। আর এই এথিক্যাল হ্যাকিং দুনিয়ায় প্রবেশ করতে সাধারন ডিগ্রির চেয়েও বেশি প্রয়োজন হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম এবং নেটওয়ার্কিং সম্পর্কে স্ব-শিক্ষা এবং জ্ঞান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NISAR: “মহাকাশ স্টেশনে ভারতীয় মহাকাশচারী এবং নিসার প্রকল্প লঞ্চের জন্য প্রস্তুত” জানালেন মার্কিন দূত

    NISAR: “মহাকাশ স্টেশনে ভারতীয় মহাকাশচারী এবং নিসার প্রকল্প লঞ্চের জন্য প্রস্তুত” জানালেন মার্কিন দূত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরেই দুটি মিশনে মার্কিন সহযগিতা পাবে ভারত। ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত এরিক গারসেটি বলেছেন, “আমেরিকা এই বছরের শেষ নাগাদ একজন ভারতীয় মহাকাশচারীকে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পাঠাবে। এছাড়াও মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা এবং ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর মধ্যে একটি যৌথ পৃথিবী-পর্যবেক্ষণ মিশন হবে, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘নিসার’ (NISAR) প্রকল্প। চলতি বছরের শেষ নাগাদ এই মিশন চালু হবে।”

    কী বললেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত

    মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, “আমরা এ বছর একজন ভারতীয় মহাকাশচারীকে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছতে যাচ্ছি। আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০২৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন তখন আমরা বলেছিলাম যে, ২০২৪-এর শেষ নাগাদ, আমরা এটি সম্পন্ন করব।” 

    ট্র্যাকে রয়েছে মিশন

    দুটি মিশনই ট্র্যাকে রয়েছে। ভারতবাসীর জন্য এ খবর খুবই গর্বের। ইসরো মহাকাশ গবেষণার নয়া দিগন্ত তুলে ধরেছে। গারসেটি জানিয়েছেন যে, নিসার (NISAR) প্রকল্প একটি যৌথ পৃথিবী-পর্যবেক্ষক মিশন। এর পুরো নাম— NASA ISRO Synthetic Aperture Radar। এটি একটি স্যাটেলাইট যা নাসা এবং ইসরো মিলে তৈরি করছে। এই পর্যবেক্ষক মিশন প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। উৎক্ষেপণের তারিখ দ্রুত নির্ধারণ করা হবে। মহাকাশযানটি ভারতের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণ করবে।

    নিসার ভারতের অত্যাধুনিক স্যাটেলাইট (NISAR)

    ইসরো সূত্রে খবর, উৎক্ষেপণের আগে কাজ শেষ করার মধ্যে রয়েছে স্যাটেলাইটের ৩৯-ফুট-ব্যাস (১২-মিটার) রেডার অ্যান্টেনা, প্রতিফলকের (Reflector) হার্ডওয়্যার উপাদানগুলিতে একটি বিশেষ আবরণ প্রয়োগ করা, যা মিশনে নাসার প্রাথমিক অবদানগুলির মধ্যে একটি। এই বিশেষ আবরণ তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে প্রশমিত করতে পারে।

    আরও পড়ুন: চাঁদের মাটিতে আরও জলের সন্ধান! গবেষণায় বড় দাবি ইসরোর

    এর বিশাল প্রতিফলক পৃথিবীর পৃষ্ঠে মাইক্রোওয়েভ সংকেত প্রেরণ করবে এবং গ্রহণ করবে। প্রতি ১২ দিনে দুবার প্রায় সমস্ত গ্রহের ভূমি এবং বরফের পৃষ্ঠ স্ক্যান করতে সক্ষম করবে এই স্যাটেলাইট।

    কী কাজে লাগবে এই স্যাটেলাইট

    এই মিশনের মাধ্যমে (NISAR)  নাসা এবং ইসরোর মধ্যে প্রথম সম্পূর্ণ সহযোগিতা হচ্ছে। বিজ্ঞানের ভাষায় এটি ট্রেলব্লেজিং স্যাটেলাইট। দুই ধরনের সিন্থেটিক অ্যাপারচার রেডারকে একত্রিত করে, এটি পৃথিবীর পৃষ্ঠের পরিমাপ পর্যবেক্ষণ করবে। বিশেষত মেরু অঞ্চলের বরফের চাদর এবং হিমালয়ের হিমবাহ, জলাভূমি এবং বনভূমি এবং আগ্নেয়গিরির পরিবর্তন লক্ষ করা ছাড়াও ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখবে এই স্যাটেলাইট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sunita Williams: সিট বেল্ট বেঁধেও মহাকাশে যাওয়া হল না! শেষ মুহূর্তে বাতিল সুনীতার মহাকাশযাত্রা

    Sunita Williams: সিট বেল্ট বেঁধেও মহাকাশে যাওয়া হল না! শেষ মুহূর্তে বাতিল সুনীতার মহাকাশযাত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার তৃতীয় বারের জন্য মহাকাশে পাড়ি (Sunita Williams third space mission) দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। সেই মত সিট বেল্ট বেঁধে ‘স্পেস ট্যাক্সি’র মধ্যে বসে ছিলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান নভশ্চর সুনীতা উইলিয়ামস (Sunita Williams)। কিন্তু কিন্তু মহাকাশে ওড়ার আগেই স্থগিত হয়ে গেল সুনীতার যাত্রা। সূত্রের খবর, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই আপাতত স্থগিত করা হয়েছে এই অভিযান। 

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Sunita Williams)

    ভারতীয় সময় অনুযায়ী ৭ মে মঙ্গলবার সকাল ৮টা ৪ মিনিটে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে পৃথিবী ছেড়ে ওড়ার কথা ছিল সুনীতা এবং আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার মহাকাশচারী ব্যারি উইলমোরের। অত্যাধুনিক সিএসটি-২০০ বোয়িং স্টারলাইনারের স্পেস ক্যাপসুলে চেপে মহাকাশে রওনা দেওয়ার কথা ছিল তাদের। কিন্তু উড়ানের লিফ্ট-অফের ঠিক ৯০ মিনিট আগে আগে প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দেয়, তার জেরেই অভিযান স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে। 

    ২৪ ঘণ্টার জন্য অভিযান স্থগিদ 

    এরপর শুরু হয় মেরামতির কাজ। তবে শেষ পর্যন্ত ওই যানের মেরামতি সম্ভব হয়নি। তাই আপাতত ২৪ ঘণ্টার জন্য অভিযান পিছিয়ে দিতে বাধ্য হয় নাসা। তার পরই স্পেস ট্যাক্সি থেকে বেরিয়ে আসেন সুনীতারা (Sunita Williams)। নাসার তরফে জানানো হয়েছে, রকেটের দ্বিতীয় পর্যায়ের একটি ভাল্‌‌ভ খারাপ হয়ে গেছে। সেই সমস্যা মেরামত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অভিযান বাতিল করতে হল। মঙ্গলবার রাতে ফের অভিযান শুরু হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। তবে আনুষ্ঠানিক ভাবে নয়া দিন ক্ষণের ঘোষণা হয়নি এখনও।   

    আরও পড়ুন:গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল প্রধানমন্ত্রী মোদি, ভোট দিলেন, সঙ্গে বার্তাও

    উল্লেখ্য, ব্যবসায়িক দিক থেকে ইলন মাস্কের স্পেস এক্স-কে পাল্লা দিতে নয়া এই স্পেস ক্যাপসুলটিতে করে সুনীতা (Sunita Williams) এবং ব্যারিকে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে (ISS) পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল নাসার। দুবছর আগে বোয়িং স্টারলাইনারের স্পেস ক্যাপসুলটির পরীক্ষামূলক উড়ান সম্পন্ন হয়। সেবার যদিও মানুষ পাঠানো হয়নি। তবে এবার তাতে মহাকাশচারীদের চাপিয়ে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে পরিকল্পনা ভেস্তে গেল।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Astronaut Sunita Williams: সঙ্গে থাকছে গণেশের মূর্তি, ফের মহাকাশের পথে সুনীতা উইলিয়ামস

    Astronaut Sunita Williams: সঙ্গে থাকছে গণেশের মূর্তি, ফের মহাকাশের পথে সুনীতা উইলিয়ামস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫৮ বছর বয়সে ফের মহাকাশে পাড়ি দিচ্ছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নভশ্চর সুনীতা উইলিয়ামস। এ নিয়ে তৃতীয়বার মহাকাশে পাড়ি দিচ্ছেন সুনীতা (Astronaut Sunita Williams)। জানা গিয়েছে, বোয়িংয়ের পরীক্ষামূলক অভিষেক অভিযানে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের উদ্দেশে তাঁর যাত্রা শুরু হবে (ভারতীয় সময় অনুযায়ী) ৭ মে সকাল ৮টা ৪ মিনিটে। তাঁর এবারের যাত্রায় বোয়িংয়ের স্টারলাইনার মহাকাশযানে সঙ্গী হচ্ছেন বুচ উইলমোর। 

    সুনীতার (Astronaut Sunita Williams) সঙ্গে থাকবে গণেশের মূর্তি

    ক্রিউ ফ্লাইট টেস্ট নামে এই অভিযানটি নাসার তত্ত্বাবধানে হবে। অ্যাটলাস ফাইভ রকেটের মাথায় বসবে স্টারলাইনার ক্যাপসুলটি। ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল স্পেস ফোর্স স্টেশন থেকে এটি উৎক্ষেপণ করা হবে। এ প্রসঙ্গে নাসার অ্যাডমিনিস্ট্রেটর বিল নেলসন বলেন, বাণিজ্যিকভাবে মহাকাশচারী নিয়ে স্পেস স্টেশনে পাড়ি দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত এটা। আমরা এর সাফল্যের দিকে অধীর আগ্রহে তাকিয়ে আছি। সম্প্রতি, একটি সাক্ষাৎকারে সুনীতা তাঁর ‘গুড লাক চার্ম’ বা সৌভাগ্যের প্রতীক সম্পর্কে খোলসা করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, গণেশ তাঁর সবসময়ের সঙ্গী। তাই এই মিশনে তিনি গণেশের মূর্তি তিনি সঙ্গে নিয়ে যাবেন। এর আগে, সুনীতা ভাগবত গীতার কপি সঙ্গে নিয়ে মহাকাশে গিয়েছিলেন।

    তৃতীয়বার মহাকাশের উদ্দেশে পাড়ি

    আনুমানিক ১০ দিনের অভিযানে উইলিয়ামস (Astronaut Sunita Williams) এবং উইলমোর  স্টারলাইনারের প্রযুক্তি ব্যবস্থা এবং ক্ষমতা যাচাই করে দেখবেন। এই পরীক্ষার পরেই স্টারলাইনার মহাকাশ স্টেশনে মানুষ নিয়ে যেতে পারবে কিনা তার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। দুই নভশ্চর প্রায় এক সপ্তাহ কক্ষপথে থাকবেন। তারপর দক্ষিণ-পশ্চিম আমেরিকার কাছাকাছি পৃথিবীতে অবতরণ করবেন। তখন ক্রিউ ক্যাপসুলটি প্যারাশ্যুটের মতো নেমে আসবে, যেখানে সেফ ল্যান্ডিংয়ের জন্য এয়ারব্যাগও থাকবে।

    স্টারলাইনার মহাকাশযানটিতে সাতজন নভশ্চর চড়তে পারেন। এটি একটি পুনর্ব্যবহারযোগ্য মহাকাশযান। যা সর্বোচ্চ ১০ বার যাতায়াতে সক্ষম। এর ব্যাস প্রায় ১৫ ফুট। এই অভিযান সফল হলে বোয়িং কোম্পানি স্পেস এক্সের ক্রিউ ড্রাগনের সমকক্ষ হবে। যারা নিয়মিতভাবে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে নভশ্চর পাঠায় ও ফেরত নিয়ে আসে। 

    আরও পড়ুন: দেশবাসীর মঙ্গলে পুজো, করলেন সন্ধ্যারতি, অযোধ্যায় রামলালা দর্শনে মোদি

    মহিলা হিসেবে স্পেসওয়াকের নজির

    নাসার থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে, ৫৮ বছর বয়সি সুনীতা (Astronaut Sunita Williams) তাঁর জীবনে দু’বার মহাকাশ যাত্রায় ৩২২ দিন মহাকাশে কাটিয়েছেন। একই সঙ্গে একজন মহিলা মহাকাশচারী হয়ে সর্বাধিক মোট সাতবার একটানা স্পেস ওয়াক করেছেন বা মহাকাশে হেঁটে রেকর্ড করেছেন, যার সময়কাল ছিল ৫০ ঘণ্টা ৪০ মিনিট। যদিও এবারের মহাকাশ পাড়ি প্রসঙ্গে খোদ সুনীতা বলেছেন, মহাকাশযান উড়লে তা নিরাপদ এবং আরামদায়ক হবে বলেই মনে হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NASA: চলতি বছরের জুলাই ছিল উষ্ণতম মাস, নাসার রিপোর্টে বিশ্ব জুড়ে দুশ্চিন্তা

    NASA: চলতি বছরের জুলাই ছিল উষ্ণতম মাস, নাসার রিপোর্টে বিশ্ব জুড়ে দুশ্চিন্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৮৮০ সাল থেকে বিশ্ব উষ্ণায়নের হিসাবে দেখা যাচ্ছে, এই বছরের জুলাই ছিল সর্বকালের উষ্ণতম মাস। নাসা এ নিয়ে বিশ্ববাসীকে সতর্ক করে দিয়েছে ইতিমধ্যেই। তাদেরই পরিসংখ্যানে জুলাই মাসে ছিল গত ১৭৪ বছরের মধ্যে সব থেকে বেশি তাপমাত্রা। নাসার এই সতর্কবার্তায় বিশ্ব উষ্ণায়ন নিয়ে পরিবেশবিদের কপালেও চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। অনেকে মনে করছেন, অতিরিক্ত উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে পৃথিবীর ভারসাম্য নষ্ট হবে না তো!

    বিশ্ব উষ্ণায়ন

    ১৯৫১ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত প্রতিটি বছরের জুলাই মাসের গড় তাপমাত্রা হিসাব করে দেখা গিয়েছে, ওই বছরগুলির জুলাইয়ের তুলনায় ২০২৩ সালের জুলাই মাসে ১.১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বেশি ছিল। আবার ২০২৩ সালের জুলাই মাসে শেষ কবে এমন গরম পড়েছিল, সেই বিষয়ে কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ইউরোপীয় ইউনিয়নের জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ পর্যবেক্ষক সংস্থা, এর আগে বিশ্ব উষ্ণায়ন নিয়ে এমনই তথ্য দিয়েছিল। এবার সেই পথে গিয়ে নাসাও একই কথা জানাল। কার্যত বিশ্ব উষ্ণায়নকে ঘিরে চিন্তার কথাই প্রকাশ করল নাসা।

    নাসার বক্তব্য

    নাসার আধিকারিক বিল নেলসন বলেন, মানব সমাজ এবং ভূমণ্ডলকে বাঁচাতে এখনই পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। নাসার জিআইএসএস (GISS)-এর এক রিপোর্টে বলা হয়, ১৮৮০ সাল থেকে যে উষ্ণতার পরিসংখ্যান রাখা হয়েছে, সেখানে ২০২৩ সালের মতো উষ্ণতা কোথাও নেই। গত ১৭৪ বছরের মধ্যে এই জুলাই মাস ছিল সবথেকে বেশি উষ্ণতার মাস। বিগত কয়েক বছরের থেকে এই বছরের জুলাইয়ের উষ্ণতা ০.২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। রিপোর্টে আরও জানানো হয়, পরিসংখ্যানের বিচারে বিশ্বের গড় তাপমাত্রার পরিমাণ, সবথেকে বেশি হারে বেড়েছে শেষ পাঁচ বছরেই। এই প্রসঙ্গে নাসা আরও জানিয়েছে, দক্ষিণ অ্যামেরিকা, উত্তর আফ্রিকা, উত্তর অ্যামেরিকা, আন্টার্কটিকা দেশেও স্বাভাবিকের থেকে অনেক বেশি উষ্ণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই দেশগুলিতে প্রায় ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস উষ্ণতা বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Water Survey: এবার পৃথিবীর সমস্ত জলাশয় সম্পর্কে তথ্য দেবে নাসার এই বিশেষ স্যাটেলাইট

    Water Survey: এবার পৃথিবীর সমস্ত জলাশয় সম্পর্কে তথ্য দেবে নাসার এই বিশেষ স্যাটেলাইট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের লেক, সমুদ্র, নদীর  উচ্চতা,গভীরতা মাপবে (Water Survey) নাসার স্যাটেলাইট। এর সঙ্গে এই স্যাটেলাইটটি  জলবায়ু এবং আবহাওয়ার বিষয়েও কাজ করবে। এটাই হবে নাসার প্রথম কোনও স্যাটেলাইট যেটি মহাকাশ থেকে পৃথিবীর জলস্তরের (Water Survey)  বিষয়ে তথ্য দেবে। স্যাটেলাইটটির পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছে SWOT. অর্থাৎ Surface Water and Ocean Topograph. অত্যন্ত আধুনিক মানের radar ব্যবহার করা হয়েছে এই স্যাটেলাইটে। পৃথিবীর তিনভাগ জল। এই সম্পূর্ন জলভাগ সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য দেবে (Water Survey) এই স্যাটেলাইট।

    আরও পড়ুন: ২৫ দিন চাঁদের চারিদিকে পরিভ্রমণ করে পৃথিবীতে ফিরল ওরিয়ন স্পেস ক্যাপসুল

    স্যাটেলাইটটি কোথায় তৈরি হয়েছে ?

    স্যাটেলাইটটিকে মহাকাশ অবধি নিয়ে যাবে Falcon 9 নামের রকেট। রকেটটি তৈরি হয়েছে এলন মাস্কের কোম্পানি SpaceX থেকে।

    আরও পড়ুন: একযোগে বিশ্বের ৮টি দেশ মিলে তৈরি করছে সবচেয়ে শক্তিশালী টেলিস্কোপ, জানুন বিস্তারিত

    SWOT স্যাটেলাইটটি তৈরি করতে ২০ বছরেরও বেশি সময় লেগেছে বলে জানা গেছে। বিজ্ঞানীদের বিবৃতি অনুযায়ী, স্যাটেলাইটে ব্যবহার করা হয়েছে advanced microwave radar technology.সমগ্র পৃথিবীর ৯০ শতাংশ জলভাগের তথ্য দিতে পারবে এই স্যাটেলাইট।

    আরও পড়ুন: এক দশকের মধ্যে চাঁদে বাস করবে মানুষ! কী বললেন নাসার বিজ্ঞানীরা?
    নাসার এই মিশনের অন্যতম উদ্দেশ্য হল সমুদ্রের জল (Water Survey) কিভাবে তাপ শোষণ করে, কার্বন-ডাই-অক্সাইডকে ধরে রাখে সেগুলি খুঁজে বের করা। নাসা সূত্রে জানা গেছে, এই স্য়াটেলাইট (Water Survey) অন্য যেকোনও স্যাটেলাইটের থেকে ১০ গুণ বেশি শক্তিশালী।

    আরও পড়ুন: মাদ্রাজ আইআইটির নতুন আবিষ্কার সিন্ধুজা-১, সমুদ্রের ঢেউ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে

    নাসার বিজ্ঞানী কি বললেন?

    নাসার এই প্রজেক্টের অন্যতম বিজ্ঞানী বেন হ্যামিলটন বলেন, “পৃথিবীর প্রায় সমস্ত জলাশয়ের তথ্য দিতে (Water Survey) সক্ষম এই স্যাটেলাইট”।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Nasa Orion: ২৫ দিন চাঁদের চারিদিকে পরিভ্রমণ করে পৃথিবীতে ফিরল ওরিয়ন স্পেস ক্যাপসুল

    Nasa Orion: ২৫ দিন চাঁদের চারিদিকে পরিভ্রমণ করে পৃথিবীতে ফিরল ওরিয়ন স্পেস ক্যাপসুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা ২৫ দিন চাঁদের চারিদিকে পরিভ্রমণ করার পর পৃথিবীতে ফিরে এল ওরিয়ন স্পেস ক্যাপসুল (NASA orion)। ক্ষিপ্র গতিতে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করার পরে এটি প্রশান্ত মহাসাগরে অবতরণ করে। ২০২৪ সালের শেষের দিকে নাসা চাঁদে পুনরায় মানুষ পাঠাতে চাইছে। তারই প্রস্তুতি পর্ব চলছে। মানে সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এই দশক শেষের আগেই নাসা চাঁদে আবারও মানুষ পাঠাতে পারবে, অন্তত নাসার বিজ্ঞানীদের এমনটাই ধারণা। তিনটি বড় বড় প্যারাশ্যুটের সাহায্যে ক্যাপসুলটি (NASA orion) এদিন অবতরণ করে। প্রায় ৫০ বছর পরে নাসা আবার এই ধরনের পরিকল্পনা নিয়েছে। ১৯৬৯ সালে নাসার প্রজেক্টের নাম ছিল অ্যাপোলো-১৭। এবার তাদের প্রজেক্টের নাম আর্টেমিস। 

    আরও পড়ুন: এক দশকের মধ্যে চাঁদে বাস করবে মানুষ! কী বললেন নাসার বিজ্ঞানীরা?

    নাসার বিবৃতি

    হিউস্টনে অবস্থিত নাসার এই মিশন অফিস। সেখানকার প্রধান নুজৌদ মেরেন্সি বলেন, “পরবর্তী মহাকাশ অভিযানে মানুষ থাকবে, এটা ভাবতে খুব ভালো লাগছে। আমরা উদগ্রীব। আমরা হয়তো আবার দেখব মানুষকে চাঁদে অবতরণ করতে, এটি এমন একটি মিশন যার স্বপ্ন আমরা সবাই দেখছি।” ২৫ দিনের অভিযানের পর ওরিয়নকে (NASA orion) অক্ষত অবস্থায় ফিরিয়ে আনাই ছিল নাসার প্রধান উদ্দেশ্য। ৪০ হাজার কিলোমিটার বেগে ওরিয়ন (NASA orion) পৃথিবীতে প্রবেশ করে। অত্যন্ত আধুনিক তাপ নিরোধক ব্যবস্থা ছিল ওরিয়নে (NASA orion), যা এর আগে কোনও মহাকাশযানে ব্যবহার করা হয়নি।

    আরও পড়ুন: একযোগে বিশ্বের ৮টি দেশ মিলে তৈরি করছে সবচেয়ে শক্তিশালী টেলিস্কোপ, জানুন বিস্তারিত

    এটি দুবার চাঁদের ১৩০ কিলোমিটারের মধ্যে প্রবেশ করতে পেরেছে। পৃথিবী থেকে এটি ৪,৩০,০০০ কিলোমিটার অতিক্রম করতে পেরেছে। চাঁদের অত্যন্ত কাছ থেকে ওরিয়নের (NASA orion) তোলা ছবি দেখে মহাকাশ বিজ্ঞানীরা আশ্চর্য হয়েছেন। যার মধ্যে একটি ছবি ছিল ‘পৃথিবীর উদয়’। পৃথিবী থেকে আমরা যেমন সূর্যোদয় ও চন্দ্রোদয় দেখতে অভ্যস্ত, ঠিক তেমনভাবেই, চাঁদ থেকে পৃথিবীর উদয় কেমন লাগে, তার ছবি পাঠায় ওরিয়ন। সেই ছবি দেখে বিজ্ঞানীরা অভিভূত হয়ে গেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

     

LinkedIn
Share