Tag: NASA

NASA

  • NASA: এক দশকের মধ্যে চাঁদে বাস করবে মানুষ! কী বললেন নাসার বিজ্ঞানীরা?

    NASA: এক দশকের মধ্যে চাঁদে বাস করবে মানুষ! কী বললেন নাসার বিজ্ঞানীরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫০ বছরেরও বেশি সময় পর আবারও চাঁদে মানুষ পাঠানোর তোড়জোড় শুরু করল নাসা (NASA)। চলতি বছরে একের পর এক ব্যর্থ প্রচেষ্টার পর অবশেষে আর্টেমিস-১ (Artemis Rocket), ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে মহাকাশের পথে পাড়ি দিয়েছে।

    আরও পড়ুন: মাদ্রাজ আইআইটির নতুন আবিষ্কার সিন্ধুজা-১, সমুদ্রের ঢেউ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে
     

    কী এই আর্টেমিস-১ (Artemis Rocket)

    এদিন সফল উৎক্ষেপনের (Artemis Rocket) পরে নাসার (NASA) এক শীর্ষস্থানীয় অফিসার বলেন, “এই দশক শেষ হওয়ার আগেই মানুষ চাঁদে বাস করতে পারে”। 
    ১৯৬৯ সালে প্রথম মহাকাশচারী হিসেবে চাঁদে গিয়েছিলেন নীল আমস্ট্রং, এডুইন অলড্রিন এবং মাইকেল কলিন্স। তারপর আবারও মহাকাশ গবেষণায় একধাপ এগোল নাসা (NASA)। আর্টেমিস-১ (Artemis Rocket) বহন করছে ওরিয়ন নামের একটি স্পেসক্রাফট। এটি একটি মানব মডেল। মানবদেহে মহাকাশ যাত্রায় কী কী প্রভাব পড়ে, সেটি পরিমাপ করবে এই ওরিয়ন।

    আরও পড়ুন: একযোগে বিশ্বের ৮টি দেশ মিলে তৈরি করছে সবচেয়ে শক্তিশালী টেলিস্কোপ, জানুন বিস্তারিত 

    নাসার বিজ্ঞানীরা কী বলছেন

    ওরিয়ন প্রোগ্রাম ম্যানেজার হাওয়ার্ড হু বলেছেন,  এই উৎক্ষেপণ ছিল “মানুষের মহাকাশ গবেষণার জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন, এটি প্রথম পদক্ষেপ যা সফল হয়েছে, শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নয়, সমগ্র বিশ্বের জন্য, আমরা মনে করি এটি নাসার (NASA) জন্যও একটি ঐতিহাসিক দিন, তবে এটি সেই সমস্ত লোকদের জন্যও একটি ঐতিহাসিক দিন যারা মহাকাশ গবেষণা পছন্দ করেন”৷ তাঁর আরও সংযোজন,
    “আমি বলতে চাইছি, আমরা চাঁদে ফিরে যাচ্ছি, এটি সেই যান যা মানুষকে বহন করবে যা আমাদের আবার চাঁদে নিয়ে যাবে, আমরা মানুষকে চন্দ্রপৃষ্ঠে পাঠাতে যাচ্ছি, তারা সেখানে বসবাস করবে এবং বিজ্ঞান চর্চা করবে ।”
    তিনি বলেন, চন্দ্র অভিযান মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানোর প্রথম ধাপ।”

    আরও পড়ুন: ব্রহ্মাণ্ডের আদি ছায়াপথগুলির তথ্য দেবে ভারতের ‘সারস’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • China Moon Base: ২০২৮ সালের মধ্যেই চাঁদে থাকার জায়গা তৈরি করে ফেলবে চিন?

    China Moon Base: ২০২৮ সালের মধ্যেই চাঁদে থাকার জায়গা তৈরি করে ফেলবে চিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৮ সালের মধ্যে চাঁদে থাকার জায়গা তৈরি করার পরিকল্পনা করছে চিন (China Moon Base)। উদ্দেশ্য, আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘নাসার’ একাধিপত্য কমানো। ঠান্ডা যুদ্ধের সময় থেকেই মহাকাশের দখল নিয়ে রাশিয়া এবং আমেরিকার মধ্যে প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছিল। প্রথম মহাকাশচারী রাশিয়া পাঠিয়েছিল তো চাঁদে প্রথম মানুষ পাঠিয়েছিল আমেরিকা। নাসার গবেষণার অন্ত নেই। ভিনগ্রহ প্রাণীর অস্তিত্ব আছে কিনা, পৃথিবীর মতো আর কোনও গ্রহ রয়েছে কিনা, মঙ্গলের লাল মাটিতে কী রয়েছে, বছরভর এই নিয়ে গবেষণা চালান নাসার বিজ্ঞানীরা।

    বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর দেশ হিসেবে পিছিয়ে নেই ড্রাগনের দেশও। চিন ছিল প্রথম দেশ, যারা ২০১৯ সালে চাঁদের দুই পৃষ্ঠেই রোভার চালাতে সক্ষম হয়েছিল। লুনার নমুনা সংগ্রহও করে এনেছিল চিন। চাঁদের দক্ষিণ প্রান্তেই বেস বা থাকার জায়গা (China Moon Base) তৈরি করতে চায় চিন। বিজ্ঞানীদের ধারণা, এখানে জলের সন্ধানও পাওয়া যেতে পারে। বর্তমানে নাসার বিজ্ঞানীরাও চাঁদের দক্ষিণ পৃষ্ঠের রহস্য উন্মোচনে গবেষণারত।

    চিনের লুনার এক্সপ্লোরেশন প্রোগ্রামের চিফ ডিজাইনার কী বলছেন ?

    চাঁদের দক্ষিণপৃষ্ঠকে কেন্দ্র করে একটি আন্তর্জাতিক রিসার্চ সেন্টার তৈরির পরিকল্পনা করছে চিন। সেদেশের সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী, চাঁদে থাকার (China Moon Base) এই জায়গা পারমাণবিক শক্তির সাহায্যে গড়ে উঠবে। চিনের সরকারি টিভি চ্যানেল সিসিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লুনার এক্সপ্লোরেশন প্রোগ্রামের চিফ ডিজাইনার উ উইরান বলেন, আগামী ১০ বছরের মধ্যে আমরা চাঁদে মানুষ পাঠাতে সক্ষম হব। চাঁদের বেস ক্যাম্প পারমাণবিক শক্তির সাহায্যে গড়ে উঠলে তার স্থায়িত্ব বাড়বে।

    মহাকাশ গবেষণা খাতে চিন এবং আমেরিকা এই দুই দেশই হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে। মহাবিশ্বের বিভিন্ন সম্পদ আবিষ্কার এবং রহস্যভেদ করাই এই মিশনগুলির উদ্দেশ্য থাকে। মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা করছে নাসা। নাসার পাঠানো রোভার লাল গ্রহ থেকে প্রতিনিয়ত তথ্য পাঠিয়ে চলেছে।

    আরও পড়ুন: “জিনপিং পদত্যাগ করুন”, বিক্ষোভের আগুনে জ্বলছে চিন

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Color of Moon: চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদের রঙ কেন লাল দেখায়? জানাচ্ছেন নাসা বিজ্ঞানীরা

    Color of Moon: চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদের রঙ কেন লাল দেখায়? জানাচ্ছেন নাসা বিজ্ঞানীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২২ সালেই শেষ পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণের সাক্ষী হতে চলেছে বিশ্ববাসীরা। ২০২৫ সালের আগে আর পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ হবার সম্ভাবনা নেই।তবে সেই আংশিক চন্দ্রগ্রহণের সময় বরফে ঢাকা দৈত্যাকার ইউরেনাস গ্রহকে দেখার সুযোগ পাবে সকলে।এবার ফিরে আসা যাক পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণে (Total Lunar Eclipse)।এই চন্দ্রগ্রহণে চাঁদকে পুরোপুরি লাল রঙের দেখায় একে ব্লাড মুনও বলে।আমরা ছোটোবেলা কম বেশী সকলেই মনগড়া রাহু কেতুর গল্প পড়েছি। কিন্তু বড়ো হয়ে পাঠ্যবই পড়ে জানতে পেরেছি চন্দ্রগ্রহণ হল পৃথিবী ও চন্দ্র ঘুরতে ঘুরতে যখন এক সরলরেখা বরাবর সূর্য ও চন্দ্রের মাঝে পৃথিবী অবস্থান করে এবং পৃথিবীর ছায়া চাঁদে গিয়ে পড়ে তখনই চন্দ্রগ্রহণ ঘটে। এক্ষেত্রে পৃথিবী সূর্যকে পুরোপুরি ঢেকে নিলে তাকে পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ (Total Lunar Eclipse) বলা হয়।

    নাসার মতে, চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদের লাল দেখানোর কারণ আর আকাশ নীল হওয়ার কারণ একই। আবার সেই একই কারণেই সূর্যাস্ত লাল দেখায়। একে বলা হয় রেইলি স্ক্যাটারিং। আলো তরঙ্গের মাধ্যমে এগোয়। বিভিন্ন রঙের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য রয়েছে। নীল আলোর ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্য হয়। এটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে লাল আলোর তুলনায় কোনও কণা দ্বারা আরও বেশি সহজে বিক্ষিপ্ত হয়। অন্যদিকে, লাল আলো সরাসরি বায়ুমণ্ডলের মধ্য বেরিয়ে যায়।

    চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবীর ছায়া পড়ে চাঁদের ওপর। ফলে চাঁদের ওপর থেকে ঢাকা পড়ে যায় সরাসরি সূর্যের আলো। সেই সময় প্রতিসরণের ফলে আলো ঠিকরে চাঁদের অন্ধকার অংশে পড়তেই চাঁদকে লাল দেখায়। সূর্যের আলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ছুঁয়ে খানিকটা চাঁদে যায়, সেই আলো আবার পৃথিবীতে আসার পথে অন্যসব রঙ হারিয়ে লাল রঙটি এসে আমাদের চোখে পৌঁছায়।এ কারণে আজকের চাঁদ অনেকটা রক্তিম বর্ণের দেখায়।আর সেই থেকেই নাম ব্লাড মুন (Blood Moon)।

    কমলা ও লাল এই দু’টি দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোকরশ্মি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে কম বিচ্ছুরিত হয়। ওই দু’টি আলোকরশ্মি তাই বেশি ছড়িয়ে পড়তে পারে না। বায়ুমণ্ডলে ওই দু’টি তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোকরশ্মির প্রতিসরণ ঘটে। আর তার ফলে সেই আলো কিছুটা বেঁকে গিয়ে পড়ে চাঁদের গায়ে। তাই পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদের লাল আভা দেখা যায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Artemis Mission: আর্টেমিস মিশনের জন্য পুনরায় প্রস্তুত হচ্ছে নাসা

    Artemis Mission: আর্টেমিস মিশনের জন্য পুনরায় প্রস্তুত হচ্ছে নাসা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  দু’বার ব্যর্থতার পর এবার মিশন সফল করতে মরিয়া নাসা (Nasa)। এর আগে হ্যারিকেন ঝড়ের জন্য স্থগিত করা হয়েছিল এই মিশনটি (Artemis Mission) । আর্টেমিস ১ মিশনটিতে(Artemis 1 mission)  ইতিমধ্যেই বিরাট অঙ্কের টাকাও খরচ করে ফেলেছে নাসা। ১৪ নভেম্বর ফের এই মহাকাশযানটিকে চাঁদে পাঠানোর তোড়জোড় করছে নাসা।

    নাসা তাদের ওয়েবসাইটে জানিয়েছিল,মেক্সিকো (Mexico) উপসাগরের ওপর দিয়ে প্রচণ্ড গতিতে এগিয়ে আসা হ্যারিকেন ঝড়ের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেতে বিশাল রকেটটি কেনেডি স্পেস সেন্টারে পাঠানো হয়েছিল ফের তা উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে পাঠানো হবে। ৩২০ ফুটের লম্বা কমলা এবং সাদা রঙের রকেটটি তৈরি করতে কয়েক দশক সময় লেগেছে। গ্রিক পুরাণ অনুযায়ী চাঁদের (Moon) দেবী আর্টেমিসের নাম অনুসারে এই চন্দ্রযানটির নামকরণ করা হয়েছে।

    [tw]


    [/tw] 

    নাসা মারফত জানা গিয়েছে মনুষ্যবিহীন এই আর্টেমিস ১ (Artemis-1 ) এই মহাকাশযানটি (Artemis Mission) আমেরিকান সময় ১২ টা ৭ মিনিটে উৎক্ষেপণ করা হবে। যদি এই উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা্টি যদি কোনও ভাবে ভেস্তে যায় তাঁর জন্য বিকল্প দিন হিসেবে ১৬ নভেম্বর  ও ১৯ নভেম্বর দিনটিকে রাখা  হয়েছে। এর আগেও জ্বালানির ট্যাঙ্কে ফুটো থাকায় শেষ মুহুর্তে বাতিল করা হয়েছিল উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা। তাই এবার সবদিক থেকে আগাম সতর্কতা নিচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রটি। 

    আর্টেমিস প্রোগ্রামটিকে তিন ভাগে ভাগ করছে নাসা। নাসার ২০২৫ সাল নাগাদ চন্দ্রপৃষ্ঠে মানব নভোচারীদের ফেরানোর পরিকল্পনার প্রথম ধাপ হচ্ছে আর্টেমিস ওয়ান মিশন (Artemis Mission)। তাঁরা আশা করছেন, এই মিশন সফল হলে চাঁদের সঙ্গে পৃথিবীর যোগাযোগ আরও নিবিড় হবে। এ মিশনে কোনো নভোচারী না থাকলেও এসএলএস (Space Launch System) রকেটের মাধ্যমে ওরিয়ন স্পেসক্র্যাফটকে চাঁদের দিকে ছুড়ে দিয়ে উভয়ের কার্যক্ষমতা ও নির্ভরযোগ্যতা যাচাইয়ের চেষ্টা করছে নাসা।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Asteroid Struck By NASA: নাসার ধাক্কা মারা বিশাল গ্রহাণুটি ভেঙ্গে গিয়ে মহাকাশে ধুলোর সৃষ্টি করেছে

    Asteroid Struck By NASA: নাসার ধাক্কা মারা বিশাল গ্রহাণুটি ভেঙ্গে গিয়ে মহাকাশে ধুলোর সৃষ্টি করেছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগেই মার্কিন মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসা (Nasa) পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসা গ্রহাণুকে (Asteroid) ধাক্কা মেরে নিজ কক্ষপথ থেকে সরিয়েছিল নাসার মহাকাশযান ডার্ট বা (Double Asteroid Redirection Test)। পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসা কোনও মহাজাগতিক বস্তুর হাত থেকে পৃথিবীকে বাঁচাতে এই মহাকাশযানটি বানিয়েছিল নাসা। ২৭ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার ভারতীয় সময় ৪ টা ৪৬ নাগাদ গ্রহানূর সঙ্গে সংঘর্ষে কোটি কোটি অর্থমূল্যের তৈরী মহাকাশযানটি কয়েকটি টুকরোতে খন্ড হয়ে গেল তবে রক্ষা পেল পৃথিবীবাসী।

    [tw]


    [/tw]

    নাসার মহাকাশযানটি যে গ্রহাণুটিকে আঘাত করেছিল তার নাম ডাইমরফোস (Dimorphos) । বিজ্ঞানীরা জানিয়েছিলেন, এই গ্রহাণুটি প্রায় ৫২৫ ফুট চওড়া আস্ত একটি ফুটবলের মতো ছিল। এই ঐতিহাসিক পরীক্ষা দুদিন পরে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের একটি দল চিলিতে ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশনের ল্যাবে 4.1-মিটার সাউদার্ন অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল রিসার্চ টেলিস্কোপ(Southern Astrophysical Research Telescope)ব্যবহার অত্যাশ্চর্য চিত্র ধরা পড়েছে।নতুন চিত্রটিতে দেখা যাচ্ছে যে মহাকাশযান দ্বারা আঘাত করা গ্রহাণুটি মহাকাশে 10 হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত ধুলোর বিস্তার করেছে।

    [tw]


    [/tw] 

    এই টেলিস্কোপটির সাহায্যে অনেক দূর পর্যন্ত দেখা যায়। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই গ্রহাণুটি সম্পূর্ণ ধংবস হতে ১০ হাজার কিলোমিটারেরও বেশী দূরত্ব অতিক্রম করবে। তাঁরা আরও জানিয়েছেন এই শক্তিশালী দূরবীনের মাধ্যমে সমস্ত বিষয়টির উপর লক্ষ্য রাখছেন।

    আরও পড়ুন: পৃথিবীর কেন্দ্রে মিলল বিশাল মহাসাগর 

    নাসা বলেছে যে ওই গ্রহাণু থেকে অন্তত আগামী ১০০ বছরে পৃথিবীর কোনও বিপদ নেই। তবে, পৃথিবীতে গ্রহাণুর আছড়ে পড়া বাস্তব। প্রায় ছয় কোটি ৫০ লক্ষ বছর আগে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে এসেছিল রাক্ষুসে এক গ্রহাণু। পৃথিবীকে সজোরে ধাক্কা মেরেছিল সেটি। প্রবল সংঘর্ষে কেঁপে উঠেছিল নীল গ্রহ। সেই মহাজাগতিক প্রলয়কাণ্ডেই পৃথিবীর বুক থেকে ডাইনোসর নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল বলে দাবি করেন বিজ্ঞানীরা। ডাইমরফোসের উপর ‘ডার্ট’-এর সফল প্রয়োগে এত দিনে সেই ডাইনোসরদের ‘বদলা’ নেওয়া হল, বলছেন কেউ কেউ। নাসার ‘ডার্ট’ ভবিষ্যতেও এমন বিপদ থেকে পৃথিবীকে বাঁচাতে পারবে বলে আশাবাদী তাঁরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • ISRO: সৌরযান আদিত্য-এল১ নিজের গন্তব্যে কবে পৌঁছাবে, জানিয়ে দিলেন ইসরো প্রধান

    ISRO: সৌরযান আদিত্য-এল১ নিজের গন্তব্যে কবে পৌঁছাবে, জানিয়ে দিলেন ইসরো প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সৌরযান ‘আদিত্য-এল১’ কবে পৌঁছাবে তা জানিয়ে দিল ইসরো (ISRO)। উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগেই সূর্যের বিভিন্ন সময়ের ছবি তুলে পাঠিয়েছিল আদিত্য-এল১। সেই ছবি নিজেদের এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডলে পোস্ট করেছিল ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। ইসরো প্রধান এস সোমনাথ বলেছেন, “আদিত্য-এল১ একবার সফল ভাবে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারলে আগামী ৫ বছরের জন্য সূর্যের বিভিন্ন অবস্থার সম্পর্কে তুলে ধরতে সাহায্য করবে।” উল্লেখ্য পৃথিবীর উপর সূর্যের প্রভাব কেমন হবে সেই সম্পর্কেও নানা তথ্য উঠে আসবে বলে জানা গিয়েছে। ভারতের জন্য মহাকাশ গবেষণার এই সময় পর্ব বেশ উল্লেখযোগ্য মনে করছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীদের একাংশের মানুষ।

    কী বলেন ইসরো প্রধান (ISRO)?

    গত ২ সেপ্টেম্বর শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে পাঠানো হয়েছিল সূর্যযান আদিত্য-এল১ সৌরযানকে। ইসরো (ISRO) মহানির্দেশক এস সোমনাথ বলেছেন, “আদিত্য-এল১ নিজের নির্ধারিত গন্তব্য স্থলে পৌঁছাতে সময় লাগবে প্রায় ১১০ দিন। ২০২৪ সালের গোড়ার দিকেই আদিত্য-এল১ নিজের নির্দিষ্ট সময়ে পৌঁছাবে। আগামী ৬ জানুয়ারি শুক্রবার এই সূর্যযান নিজের গন্তব্য স্থল ল্যাগ্রাঞ্জিয়ান পয়েন্ট-১ পয়েন্টে পৌঁছে যাবে। পৃথিবী থেকে ১৫ লক্ষ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করবে এই সূর্যযান। ভারতের জন্য এই সময় অমৃত কাল, অত্যন্ত গর্বের সময়। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিশেষ পর্যবেক্ষণেই সম্ভব হয়েছে সৌরযানের উৎক্ষেপণে।”

    চাঁদের দক্ষিণ মেরু জয় ভারতের

    উল্লেখ্য, গত বছর চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে মাটিতে সফল ভাবে অবতরণ করেছিল বিক্রম ল্যান্ডার ও প্রজ্ঞান রোভার। সেই ঘটনায় সারা বিশ্বে আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল ইসরো। দেশের মধ্যে চন্দ্রযান ৩ নিয়ে ব্যাপক উন্মাদনা ও উদ্দীপনার সঞ্চার হয়েছিল। চন্দ্রযান-৩ অভিযানের মাধ্যমেই বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ভারত পা রেখেছিল। ইসরোর সেই সাফল্যের সুখ্যাতি নাসাও করেছিল। উল্লেখ্য ভারতের বায়ুসেনার সহযোগিতায় ২০৪০ সালের মধ্যে চাঁদে মানুষ পাঠানোর কথাও কয়েকদিন আগে জানিয়েছে ইসরো। সেই সঙ্গে আরও জানা গিয়েছে, নাসার সঙ্গে ইসরো যৌথ উদ্যোগে পৃথিবীর ভূ-প্রকৃতি, জলভাগ এবং বনাঞ্চলগুলিকে পর্যবেক্ষণের জন্য বিশেষ ‘নিসার’ উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট পাঠাবে। সম্প্রতি এবিষয়ে নাসার এক বিজ্ঞানী ভারতে এসেছিলেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jupiter Moon: ইউরোপায় প্রাণের সন্ধান! বৃহস্পতির উপগ্রহে কার্বণ ডাই অক্সাইডের সমুদ্র, কী বলছেন গবেষকরা?

    Jupiter Moon: ইউরোপায় প্রাণের সন্ধান! বৃহস্পতির উপগ্রহে কার্বণ ডাই অক্সাইডের সমুদ্র, কী বলছেন গবেষকরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতির উপগ্রহ ইউরোপাতে প্রাণের সন্ধান! সম্ভব হলেও হতে পারে, দাবি বিজ্ঞানীদের। পৃথিবী ছাড়াও সৌর জগতের আর কোথাও বসতি গড়া সম্ভব কি না, তা নিয়ে বিস্তর জল্পনা কল্পনা চলে বিজ্ঞানীরদের মধ্যে। এই তালিকাতেই নতুন করে যোগ দিয়েছে বৃহস্পতির উপগ্রহ ইউরোপা। 

    কী বলছেন বিজ্ঞানীরা

    হিমশীতল হলেও ইউরোপাতে প্রাণের অস্তিত্বের সম্ভাবনা কম নয় বলে মনে করেন গবেষকরা। কর্নেল ইউনিভার্সিটির গ্রহ বিষয়ক বিজ্ঞানী সামান্থা ট্রাম্বো বলেন, “এর আগে, হাবল টেলিস্কোপ টারা রেগিওতে সামুদ্রিক লবণের হদিশ পেয়েছিল। এবার ভাল মাত্রায় কার্বন ডাই অক্সাইডের খোঁজ মিলল। সমুদ্রগর্ভ থেকেই তার উৎপত্তি ঘটেছে বলে অনুমান আমাদের।” ইউরোপা নিয়ে সম্প্রতি দু’টি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে, যার মধ্যে একটি লিখেছেন সামান্থা। ২১ সেপ্টেম্বর জার্নাল সায়েন্সে প্রকাশিত হয়েছে সেটি। জানা গিয়েছে, ইউরোপার বুকে স্ফটিকাকার এবং নিরাকার কার্বন, দুইয়েরই খোঁজ মিলেছে। বিজ্ঞানীদের মতে, ইউরোপার মাটির বয়স অন্তত ৬ কোটি বছর। 

    ইউরোপা কেমন

    আকারে বৃহস্পতির এই উপগ্রহটি চাঁদের থেকে সামান্য একটু ছোট। কিন্তু প্রাণ সঞ্চারের প্রাথমিক শর্ত যেটি, সেই জল নাকি রয়েছে ওই উপগ্রহে। রয়েছে একটা আস্ত সমুদ্র। বিজ্ঞানীরা অন্তত তেমনই দাবি করছেন। তবে ইউরোপার জলে নাকি কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বেশি। জীবনের অন্যতম ভিত্তি কার্বন ডাই অক্সাইড। তাই যে সমস্ত জীবের পক্ষে কার্বন ডাই অক্সাইডের সাহায্যে জীবন ধারণ করা সম্ভব, তারা এখানে থাকলেও থাকতে পারে। দেখা গিয়েছে, ইউরোপায় রয়েছে বরফের একটি কঠিন স্তর।আমেরিকার মহাকাশ গবেষণাকারী সংস্থা নাসার দাবি, ওই বরফের কঠিন স্তরের নিচে রয়েছে একটি মহাসমুদ্র। ওই মহাসমুদ্রে প্রচুর কার্বন সমৃদ্ধ উপাদান রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। 

    ইউরোপায় অভিযান

    প্রসঙ্গত, গোটা সৌরজগতে ইউরোপার মতো বেশি গ্রহ বা উপগ্রহ নেই। প্রাণের অনুকূল পরিবেশ রয়েছে, এমন সংখ্যা নগণ্য। ফলে কার্বন ডাই অক্সাইডের অস্তিত্ব পাওয়ায় আশার আলো দেখছেন বিজ্ঞানীরা। ইউরোপার টারা রেগিও নামের একটি অংশে বেশি পরিমাণে এই গ্যাসের উপস্থিতি দেখা গিয়েছে। সেখান থেকেই কোনও একটি সুখবর পাওয়ার আশায় রয়েছে বিজ্ঞানীরা। আপাতত জেমস ওয়েব টেলিস্কোপে সেদিকটাই খুঁটিয়ে দেখছে নাসা। ইউরোপার উদ্দেশে দু’টি অভিযানের লক্ষ্য রয়েছে গবেষকদের। ২০২৪ সালে নাসার ক্লিপার অভিযানের সূচনা হবে। কক্ষপথ থেকে ইউরোপাকে পর্যবেক্ষণ করবে মহাকাশযানটি। সেখানে প্রাণধারণের উপযুক্ত পরিবেশ রয়েছে কিনা, খতিয়ে দেখবে। ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি-র জুপিটার আইসি মুন এক্সপ্লোরার (Juice) আগামী বছর এপ্রিলে রওনা দেবে ইউরোপার উদ্দেশে। ২০৩১ সালে ইউরোপার কাছাকাছি পৌঁছবে সেটি। বৃহস্পতির তিনটি গ্রহ, ইউরোপা, গানিমিড এবং ক্যালিস্টোর চারপাশে ৩৫ বার চক্কর কাটবে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3: চাঁদের দেশে ভারত! শুভেচ্ছা বার্তা নাসার, সফল সফট ল্যান্ডিং-এর পর আবেগাপ্লুত ইসরো প্রধান

    Chandrayaan 3: চাঁদের দেশে ভারত! শুভেচ্ছা বার্তা নাসার, সফল সফট ল্যান্ডিং-এর পর আবেগাপ্লুত ইসরো প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঁদের মাটিতে সফলভাবে সফট ল্যান্ডিং হয়েছে ল্যান্ডার বিক্রমের। চন্দ্রযান ৩ এর প্রাথমিক পর্যায়ের অভিযান সফল। বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পা রেখেছে ভারত। আর সফট ল্যান্ডিংয়ের নিরিখে বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেবে জায়গা পাকা করে নিয়েছে। চাঁদের মাটি স্পর্শ করার পরই উল্লাসে ফেটে পড়লেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা। গর্বের সঙ্গে ইসরোর প্রধান এস সোমনাথ ঘোষণা করেন ভারত এখন চাঁদে পৌঁছে গিয়েছে।

    কী বললেন ইসরো প্রধান

    ল্যান্ডার বিক্রম চাঁদের মাটি স্পর্শ করার পরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে  কৃতজ্ঞতা জানান ইসরোর প্রধান  এস সোমনাথ। তিনি বলেন, ‘স্যার উই হ্যাভ অ্যাচিভড’। প্রথমেই এই প্রজেক্টের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেকে ধন্যবাদ জানা‌ন তিনি। এস সোমনাথ বলেন, ‘একটু আগে আমাকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজি ফোন করেছিলেন। তিনি আমাকে এবং আমাদের পরিবারের সকলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন তুমি এবং তোমার ইসরো পরিবার দারুণ কাজ করেছো। আমি প্রথমেই প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই চন্দ্রযান ৩ মিশনে আমাদের সহায়তা করার জন্য।’ এরপরই এস সোমনাথ আরও উল্লেখ করেন, ‘আমি প্রত্যেকে ধন্যবাদ জানাতে চাই যাঁরা বিগত কয়েকদিন ধরে চন্দ্রযানের সা্ফল্যের জন্য প্রার্থনা করেছেন। ইসরোর পক্ষ থেকে আমি দেশের সমস্ত নাগরিক এবং দেশের বাইরে থাকা আমাদের শুভাকাঙ্খীদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’ 

    আন্তর্জাতিক স্তর থেকে শুভেচ্ছা বার্তা

    ইউরোপীয়ান স্পেস এজেন্সি অর্থাৎ ইএসএ- এর তরফে সোশ্যাল মিডিয়া মাধ্যম ‘এক্স’- এ জানানো হয়েছে শুভেচ্ছাবার্তা। ইএসএ- এর ডিরেক্টর জেনারেল জোসেফ লিখেছেন, ‘অবিশ্বাস্য! ইসরোকে শুভেচ্ছা। সমস্ত ভারতবাসীকেও শুভেচ্ছা।’ 

    চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ল্যান্ডার বিক্রমের সফল সফট ল্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে ইতিহাস গড়েছে ভারত। আর এই কর্মকাণ্ডেই দেশকে শুভেচ্ছা বার্তা জানিয়েছে ইউকে স্পেস এজেন্সি। সোশ্যাল মিডিয়া মাধ্যম ‘এক্স’- এ তাদের তরফে লেখা হয়েছে, ‘ইতিহাস তৈরি হল। ইসরোকে শুভেচ্ছা’।

    ভারতকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে মার্কিন স্পেস এজেন্সি নাসাও। ১৪তম নাসা অ্যাডমিনিস্ট্রেটর বিল নেলসন শুভেচ্ছা বার্তা জানিয়েছেন। বিল এলসন লিখেছেন, চন্দ্রযান ৩ সফলভাবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পাঠানোর জন্য ইসরোকে শুভেচ্ছা। আর সফট ল্যন্ডিংয়ের ক্ষেত্রে সফল হওয়ায় ভারতকেও (চতুর্থ স্থান) শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে বিল নেলসন বলেছেন, ‘এই অভিযানের অংশীদার হতে পেরে আমরা আনন্দিত’। 

    চন্দ্রযান ৩ – এর সাফল্যে শুভেচ্ছা বার্তা জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়ান স্পেস এজেন্সিও। সোশ্যাল মিডিয়া মাধ্যম ‘এক্স’- এ শুভেচ্ছাবার্তা জানিয়েছে তারা।

    শুভেচ্ছাবার্তা এসেছে রাশিয়া থেকেও। বার্তা দিয়েছেন রুশ রাষ্ট্রদূত ডেনিস অ্যালিপভ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ISS: কী রহস্য লুকিয়ে রয়েছে মহাশূন্যে ভাসমান আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে?

    ISS: কী রহস্য লুকিয়ে রয়েছে মহাশূন্যে ভাসমান আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমাদের পৃথিবী ভেসে আছে এক মহাশূন্যে, আর সেই মহাশূন্যে লুকিয়ে আছে অজস্র রহস্য। সেইসব রহস্য ভেদ করতে পৃথিবীতে আছে অনেক স্পেস স্টেশন, যেখান থেকে বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর বহির্জগৎ নিয়ে প্রতিনিয়ত গবেষণা করে চলেছেন। কিন্তু আপনাদের কি জানা আছে, পৃথিবীর বাইরে অর্থাৎ মহাকাশেও আছে ভাসমান স্পেস স্টেশন, যেগুলি পৃথিবীকে প্রতিনিয়ত প্রদক্ষিণ করে চলেছে এবং মহাশূন্য থেকে বিভিন্ন গবেষণা করে চলেছে? ঠিক এরকমই একটি বৃহৎ আকারের স্পেস স্টেশন হল ISS বা ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন। এই স্পেস স্টেশনটি বিজ্ঞানীদের বসবাসযোগ্য এবং সেখানে অর্থাৎ মহাশূন্যে থেকেই বিজ্ঞানীরা গবেষণা করতে পারেন। 

    কী এই আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন?

    এই ISS বা আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন হল এখনও পর্যন্ত মহাকাশে ভাসমান সবথেকে বড় একটি স্পেস স্টেশন। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের মূল উদ্দেশ্য হল, মহাকাশ বিষয়ক যে কোনও বিষয়বস্তুকে আরও কাছে থেকে গবেষণা করা। মাইক্রোগ্র্যাভিটি, মহাকাশে মানুষের অভিযান, পৃথিবীর আবহওয়া ও বিভিন্ন ভৌগোলিক বিষয়বস্তু নিয়ে গবেষণা করা। ১৬টি দেশের সহযোগিতা ও প্রচেষ্টার ফসল এই ISS। এর মহাকাশ যাত্রা শুরু হয় ১৯৯৮ সালের ২০ নভেম্বর কজাকাস্তানের বাইকোনুর কসমোড্রাম লঞ্চ সাইটের একটি লঞ্চ প্যাড থেকে। 

    ওজন ৪৫০ টন, আকারে প্রায় একটি ফুটবল মাঠের সমান

    এর (ISS) ওজন প্রায় ৪৫০ টনের কাছাকাছি। কিন্তু একদিনে এত বড় স্পেস স্টেশন পূর্ণতা পায়নি, পর পর ১২ বছর ধরে ৩০টিরও বেশি মিশনের মাধ্যমে পূর্ণতা পায় আইএসএস। প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ২৮০০ কিলোমিটারের বেশি বেগে পৃথিবীকে ৯০ মিনিটে একবার প্রদক্ষিণ করছে এটি, যা শুনলেই অবাক হতে হয়। এটি একদিনে ১৬ বার প্রদক্ষিণ করে পৃথিবীকে। পৃথিবীর লোয়ার আর্থ অরবিটে মাত্র ৪৮০ কিলোমিটার দূরত্বে এটি পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে। ১৫০ বিলিয়নের বেশি মার্কিন ডলার খরচে তৈরি এই স্পেস স্টেশন ২০১৫ সালের তথ্য অনুযায়ী ইতিহাসের তৈরি সবথেকে ব্যয়বহুল বস্তু। এতে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন কানাডা, ইউরোপিয়ন স্পেস এজেন্সি, রাশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের বিজ্ঞানীরা, যাঁরা ISS এর মধ্যে থেকে তাঁদের গবেষণার কাজ করেন। 

    রাতের আকাশে চোখ মেললে দেখা যায় ISS?

    হ্যাঁ, ঠিকই তাই। খোলা চোখে পৃথিবীতে বসেও আমরা দেখতে পাই এই ISS কে। অনেক সময় রাতের আকাশে চোখ রাখলে দেখা যায়, আলোকিত উজ্জ্বল তারার মতো একটি বস্তু এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ভেসে চলেছে। সেটিই ISS যা অনেক সাধারণ মানুষই নজর করেছেন। 

    ISS এর ভবিষ্যৎ

    গত এক দশকে মহাকাশ গবেষণায় ও মহাকাশের বিভিন্ন অজানা তথ্য জানতে এই ISS অসামান্য ভূমিকা পালন করেছে। কিন্তু সম্প্রতি জানা গেছে, এর ভবিষ্যৎ রয়েছে অনিশ্চয়তার মধ্যে। ২০২৪ সালের পর নাসা এই ISS খাতে আর কোনও অর্থ বিনিয়োগ করবে না বলে জানিয়েছে। এখনও পর্যন্ত ১৬০ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে নাসা ১০০ বিলিয়ন ডলার নিজে ব্যয় করেছে। ফান্ডিং-এর সংকটের কারণে ২০২৮ সালের পর শেষ হতে চলেছে এই কালজয়ী মহাকাশ স্টেশনের যাত্রা, ডোনাল্ড ট্রাম্প এমনটাই ঘোষণা করেছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Solar Storm: ধেয়ে আসছে সৌর ঝড়, ইন্টারনেট শূন্য হতে পারে বিশ্ব! আশঙ্কা নাসার

    Solar Storm: ধেয়ে আসছে সৌর ঝড়, ইন্টারনেট শূন্য হতে পারে বিশ্ব! আশঙ্কা নাসার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনকার প্রজন্ম ইন্টানেটের উপর নির্ভরশীল। আজকের দিনে ওয়ার্ক ফ্রম হোমেই দিন কাটছে বহু মানুষের। পড়াশোনা চলছে অনলাইনে। দূর-দূরান্ত থেকে ডাক্তাররা রোগী দেখছেন ইন্টারনেট পরিষেবার দ্বারা। এই আবহে সৌর ঝড়ের ফলে যদি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় ইন্টারনেট পরিষেবা। তাহলে তো সমূহ বিপদ। সৌর ঝড়ের (Solar Storm) ফলে ফাটল ধরতে পারে পৃথিবীর আবরণের চৌম্বক ক্ষেত্রে, বেতারযোগ বিচ্ছিন্ন হতে পারে, জিপিএস বিকল হতে পারে, বিঘ্নিত হতে পারে মোবাইল নেটওয়ার্ক, এমনকী ইন্টারনেট সংযোগও বিচ্ছিন্ন হওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারে, অনুমান গবেষকদের। এই ঝড়ের কারণে সমুদ্রের তলা দিয়ে যেই অপটিক ফাইবার বিছানো রয়েছে তা অফলাইন হয়ে গিয়ে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

    সৌর ঝড় কী ?

    সূর্যপৃষ্ঠ থেকে নানা ধরণের অগ্ন্যুৎপাত ও শক্তি নির্গত হয়। এই অগ্ন্যুৎপাত ও শক্তির সমন্বয়ে তৈরি হয় সৌর ঝড় (Solar Storm)। এর মধ্যে থাকে ফ্লেয়ার (Flares), প্রমিনেন্স (Prominence), সানস্পট (Sunspots) এবং করোনাল মাস ইজেকশন (Coronal Mass Ejections) বা সিএমই (CME)। এগুলির মধ্যে সঞ্চিত চৌম্বকশক্তি সূর্যের গরম গ্যাসকে সক্রিয় করে। কখনও কখনও সৌর ঝড় পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রর দিকে চলে আসে এবং ধাক্কা খায়। সেই সময় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে ঘর্ষণের ফলে আকাশে অদ্ভুত আলোর সৃষ্টি করে।

    সৌর ঝড় কী কী করতে পারে ?

    সৌর ঝড়ের (Solar Storm) মধ্যে অবস্থিত শক্তি নিজের একটি চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে। যা পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রকে প্রভাবিত করতে পারে। একটি সৌর ঝড় স্যাটেলাইট, টেলি-যোগাযোগ এবং নেভিগেশন সিস্টেমকে ব্যাহত করতে পারে। পাওয়ার গ্রিড ধংস করতে পারে, নির্দিষ্ট কোনও অঞ্চলে অন্ধকার বা ব্ল্যাকআউটের কারণ হতে পারে।

    নাসার সতর্কীকরণ

    কয়েক দিন ধরেই সূর্যে উথালপাথাল পরিস্থিতি। সৌর ঝড় নিয়ে আগেও সতর্ক করেছে নাসা। আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থার সেই সতর্কবার্তা সত্যি করে পৃথিবীর গায়ে এসে লাগল সৌর ঝড়ের (Solar Storm) ধাক্কা। সৌর ঝড়ের ফলে সূর্যের মধ্যেকার আগুনে পদার্থ ছড়িয়ে ছিটিয়ে যায় চারদিকে। মহাকাশে সৌরজগতের অন্যত্রও সেই পদার্থের বিচ্ছুরণ ঘটে। প্রভাব পড়ে সূর্যের বিভিন্ন গ্রহ ও উপগ্রহের পারিপার্শ্বিকে। পৃথিবীর উপরেও সম্প্রতি সৌরঝড়ের প্রভাব পড়েছে। আমেরিকার ন্যাশনাল ওসানিক অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফেরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা নোয়ার তরফে জানানো হয়েছে, সৌর ঝড়ের ধাক্কায় পৃথিবীর চৌম্বকীয় তরঙ্গে ঝড় উঠেছে। রবিবার রাত থেকে এই ভূ-চৌম্বকীয় তুফান শুরু হয়েছে। যা চলবে সোমবার সারা দিন। এই ঝড়ের ফলে পৃথিবীর বুকে একাধিক দেশের আকাশে দেখা গিয়েছে অভিনব মেরুজ্যোতি।

    আরও পড়ুন: মাল্টিভিটামিনের অভাবে ভুগছেন প্রতি ১০ জন মহিলার ৭ জনই! কীভাবে রুখবেন?

    অভিনব মেরুজ্যোতি

    ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রবিবার রাতে আকাশে মেরুজ্যোতির ছটা লক্ষ্য করা গিয়েছে। মহাজাগতিক আলোয় ছেয়ে গিয়েছিল আকাশের একাংশ। দক্ষিণ ইউরোপ, এমনকী ফ্রান্স পর্যন্ত এই মেরুজ্যোতির ঝলক দেখা গিয়েছে। চিনের আকাশে উজ্জ্বল লাল রঙের মেরুপ্রভা দেখতে পেয়েছেন অনেকে। বার্লিনে রাতের আকাশে দেখা গিয়েছে গাঢ় সবুজ রঙের আলো। এমন দৃশ্য আগে কখনও দেখা যায়নি বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। একই দৃশ্যের সাক্ষী থেকেছে পোল্যান্ডও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share