Tag: NDRF

NDRF

  • Remal Cyclone: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’! বাংলায় প্রস্তুত ১৪টি এনডিআরএফের টিম

    Remal Cyclone: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’! বাংলায় প্রস্তুত ১৪টি এনডিআরএফের টিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল (Remal Cyclone)! বাংলায় প্রস্তুত করা হয়েছে ১৪ টি বিপর্যয় মোকাবেলা টিম। ঠিক এমনটাই জানালেন বিপর্যয় মোকাবেলা বাহিনীর পূর্ব ক্ষেত্রের কমান্ডার। ইতিমধ্যে দুপুর থেকেই বৃষ্টি পড়ছে কলকাতায়। সমুদ্র উপকূলবর্তী দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে জারি করা হয়েছে বিশেষ সতর্কতা। ইতিমধ্যে ঝড়ো হাওয়া এবং বৃষ্টি বইতে শুরু করেছে। কেন্দ্রীয় বিপর্যয় মোকাবেলা বাহিনী ইতিমধ্যে ময়দানে নেমে পড়েছে।

    সুন্দরবন এলাকায় মানুষজন নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নিতে শুরু করেছেন। জিনিসপত্র, গরু, বাছুর, ছাগল, মোষ, হাঁস, মুরগী নিয়ে নিকটবর্তী ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন। তবে এই ঝড়ের আতঙ্কে পরিস্থিতি অত্যন্ত সঙ্কট বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ।

    কী জানিয়েছন এনডিআরএফের কমান্ডার (Remal Cyclone)?

    রাজ্যের বঙ্গোপসাগরের তৈরি গভীর নিম্নচাপ এখন রেমাল (Remal Cyclone) নাম নিয়ে সুন্দরবন সহ সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায় আছড়ে পড়বে। বিপর্যয়ের মোকাবেলায় ইতিমধ্যে এনডিআরএফের বাহিনী নেমে পড়েছে। এনডিআরএফের পূর্বক্ষেত্রের কমান্ডার গুরমিন্দর সিং জানিয়েছেন, “আজ মধ্য রাতের মধ্যে রেমাল সমুদ্রউপকূলের ভূখণ্ডের উপর আছড়ে পড়বে। আইএমডির সর্তকবার্তা অনুযায়ী ঝড়ের গতিবেগ প্রতি ঘণ্টায় জানা গিয়েছে ১২০-১৩০ কিমি হবে। ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হবে। ব্যাপক ভাবে ঝড় বৃষ্টি হবে। তবে সুপার সাইক্লোন বা আমফানের মতো হবে না। দুর্গত মানুষদের ইতিমধ্যে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃভোট আবহে পুলিশের বিরুদ্ধে জুলুমের অভিযোগ তুলে ধর্নায় বসলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    আর কী বললেন?

    এনডিআরএফের কমান্ডার এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, “রাত ১২টা নাগাদ আছড়ে পড়বে রেমাল (Remal Cyclone)। কাঁচা বাঁধ রয়েছে এমন এলাকায় ১৪টি এনডিআরএফের টিম মোয়াতেন করা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় ২টি করে টিম পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে, একটি করে হাওড়া ও হুগলিতে টিম রাখা হয়েছে। নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, দুই ২৪ পরগনা, সুন্দরবনের সাগর সংগলগ্ন এলাকার বেশকিছু অংশে এনডিআরএফ টিম মোতায়েন করা হয়েছে। আমরা জায়গায় জায়গায় মাইকিং করেছি। এলাকার বিপন্ন মানুষদের দ্রুত সরানো হবে শিবিরে। সেই সঙ্গে বলা হয়েছে যাঁদের বাড়ি কাঁচা তাঁরা যেন দ্রুত পাকা বাড়িতে আশ্রয় নেন। ত্রিপল, দড়ি সহ নানা সরঞ্জামের আয়োজন করা হয়েছে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Remal Cyclone: মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আছড়ে পড়বে ‘রেমাল’! গোসাবা-হিঙ্গলগঞ্জ-দিঘায় প্রস্তুত বিপর্যয় বাহিনী

    Remal Cyclone: মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আছড়ে পড়বে ‘রেমাল’! গোসাবা-হিঙ্গলগঞ্জ-দিঘায় প্রস্তুত বিপর্যয় বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েক ঘন্টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড় রেমাল (Remal Cyclone) আছড়ে পড়বে দক্ষিণ ২৪ পরগণার সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায়। সেই চিন্তায় ঘুম উড়েছে, আশঙ্কায় মাথায় হাত পড়েছে সুন্দরবন এলাকার মানুষের। অন্যদিকে মানুষকে সতর্ক করার জন্য মাইকিং প্রচার করছে প্রশাসন। শনিবার সকাল থেকেই এলাকায় পৌঁছে গিয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবেলা বাহিনী। গোসাবা-হিঙ্গলগঞ্জ-দিঘায় আগাম সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রবিবার রাতের মধ্যেই ব্যাপক রূপ নেবে এই ঘূর্ণিঝড়।

    গোসাবায় প্রস্তুতি (Remal Cyclone)

    একেই কোটাল তাই ঘূর্ণিঝড়ে (Remal Cyclone) নদীর জলের স্তর বেড়ে যাওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। ঝড়ের সঙ্গে নদীর জলের গতিও বৃদ্ধি পাবে। নদী বাঁধগুলি ভেঙে চাষের জমিতে জল ঢুকে পড়ারা সম্ভাবনা রয়েছে। তাই ভয়, আতঙ্ক এবং সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে ব্যাপক। ফলে প্রশাসন সতর্ক হয়ে আগেভাগেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। গোসাবা ব্লক এলাকার ১টি দ্বীপের ১৪টি গ্রামপঞ্চায়েত এলাকায় নজর রেখেছে জেলা প্রশাসন। আবার গোসাবার একাধিক নদীর ধার সংলগ্ন এলাকার গ্রামের মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং সর্তকতা জারি করা হয়েছে। সিভিল ডিফেন্স, এনডিআরএফ এবং সুন্দরবন উপকূল থানার পুলিশ জোরকদমে প্রচার এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

    ঝড় মকাবেলায় প্রস্তুতি হিঙ্গলগঞ্জে

    আবার ঘূর্ণিঝড় (Remal Cyclone) মোকাবেলার সবরকম প্রস্তুতি সেরে ফেলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন হিঙ্গলগঞ্জের বিডিও। হিঙ্গলগঞ্জের এক গ্রামবাসী রেনুকা মন্ডল বলেন, “আগেও ঝড় হয়েছে আমাদের সব কিছু শেষ করে দিয়ে গিয়েছে। আইলা ঝড়ে বড় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু সরকারের কোনও সহযোগিতা পাইনি। পঞ্চায়েত থেকে অনেককে ঘর দিলেও আমাকে দেয়নি। এইবার শুনেছি ঝড় আসবে। তাই খুব চিন্তার মধ্যে রয়েছি।” আরও এক মহিলা নমিতা মন্ডল  বলেন, “বড় ঝড় আছে শুনেছি। প্রচণ্ড আশঙ্কার মধ্যে রয়েছি। রাতটা এখন কীভাবে কাটবে সেই চিন্তার মধ্যে রয়েছি।” আইলা, আমফান, বুলবুল-এর মত ঘূর্ণিঝড় চোখের সামনে দেখেছে উপকূলবর্তী জেলাগুলি। ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে প্রচুর। বাড়ি ভেঙে পড়েছে, নদীর বাঁধ ভেঙে গ্রামের পর গ্রাম জল জলের তোরে ভেসে গিয়েছে, গ্রাম ছেড়ে থাকতে হয়েছে মাসের পর মাস। বাড়ি ভেঙে যাওয়ার পরেও সেই বাড়ির তৈরির ক্ষতিপূরণ আজও পায়নি বহু মানুষ। তাই আবার ঘূর্ণিঝড়ের কথা শুনে চিন্তায় মাথায় হাত হিঙ্গলগঞ্জের সুন্দরবন এলাকার মানুষের।

    আরও পড়ুনঃ রেমাল আতঙ্কে ২১ ঘণ্টা বন্ধ বিমান, বন্ধ ফেরি, বাতিল বহু লোকাল

    দিঘা-মন্দারমণিতে সতর্কতা জারি

    পূর্ব মেদিনীপুরের সমুদ্র উপকূলের রেমাল (Remal Cyclone) ঘূর্ণিঝড়ে জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। জেলার ২৫টি বিডিও অফিসে খোলা হয়েছে দুর্যোগ মোকাবেলা দফতর। একই ভাবে চলছে বিশেষ নজরদারি। গভীর সমুদ্রে মৎস্যজীবীদের মাছ ধরে না যাওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। চলছে মাইকিং। সমুদ্রের জলে নামতে নিষেধাজ্ঞাজারি করা হয়েছে। তমলুকে খোলা হয়েছে বিশেষ সদর দফতর। কোলাঘাট, গেঁওখালি, হলদিয়া, নন্দীগ্রাম, খেজুরি, জুনপুট, মন্দারমণি, তাজপুর, শঙ্করপুর, দিঘায় চলছে বিশেষ নজরদারি। সবরকম বিপর্যয় মোকাবেলায় প্রস্তুত জেলা প্রশাসন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ভোটের দিন ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস, জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠকে নির্বাচন কমিশন

    Lok Sabha Election 2024: ভোটের দিন ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস, জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠকে নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সপ্তাহভর বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। বিশেষত, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির (Cyclonic Weather) সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস। এই অবস্থায় আগামী ২৫ মে ষষ্ঠ দফার ভোট (Lok Sabha Election 2024) পরিচালনা নিয়ে চিন্তিত নির্বাচন কমিশন। দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য কী কী পদক্ষেপ করা উচিত, তা নিয়ে বৈঠকে বসছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) আরিজ আফতাব। 

    কবে, কখন বৈঠক

    বুধবার বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের সচিবের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (Lok Sabha Election 2024)। সিইও দফতর সূত্রে খবর, বুধবার দুপুরে আলাদা আলাদা করে ওই বিষয়ে দু’টি বৈঠক করবেন সিইও আরিজ আফতাব। ওই বৈঠকে সশরীরে উপস্থিত থাকবেন বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের সচিবও। আর ভার্চুয়াল মাধ্যমে উপস্থিত থাকবেন রাজ্যের জেলাশাসকেরা। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতার পাশাপাশি দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া এবং নদিয়া জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে হাওয়া অফিস।  আগামী শনিবার ষষ্ঠ দফার ভোট। দুই মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া-সহ জঙ্গলমহল এলাকার নির্বাচন রয়েছে। ভোটের দিনে বৃষ্টি হলে অসুবিধায় পড়বেন ভোটাররা। কীভাবে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া চালানো হবে তা নিয়েও আলোচনা হবে।

    অতীত থেকে শিক্ষা

    এর আগে উত্তরবঙ্গে ভোটে (Lok Sabha Election 2024) দুর্যোগের ফলে কয়েকটি বুথ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। সেই সময় বুথ সারিয়ে ভোট করাতে হয়েছিল কমিশনকে। তাই ভোটের সময় দুর্যোগ দেখা দিলে বিভিন্ন বুথ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে ফের আশঙ্কা করছে কমিশন। সেই মতো আগাম প্রস্তুতি নিতে বৈঠকে বসছেন কমিশনের আধিকারিক। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সঙ্গে ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত গতিবেগে দমকা ঝোড়ো বাতাস বইবে। থাকবে বজ্রপাতের সতর্কতা। আগামী ২৩ মে-র মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন আন্দামান সাগরে একটি সবকটি জেলাতেই হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। আন্দামান সাগরে একটি নিম্নচাপ অঞ্চল তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। তার থেকে নিম্নচাপ (Cyclonic Weather) তৈরি হতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uttarakhand Tunnel Collapse: প্রথম গরম খাবার পেলেন সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকরা, চলছে উদ্ধারকাজ

    Uttarakhand Tunnel Collapse: প্রথম গরম খাবার পেলেন সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকরা, চলছে উদ্ধারকাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবারই প্রথম গরম খাবার দেওয়া হল উত্তরাখণ্ডের নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের (Uttarakhand Tunnel Collapse)। এদিন ৬ ইঞ্চি প্রশস্ত একটি পাইপ ওই ধ্বংসস্তূপের মধ্য দিয়ে ঢোকাতে সক্ষম হন উদ্ধারকারীরা। জানা গিয়েছে, ওই পাইপ দিয়েই বোতলে করে গরম খিচুড়ি এবং ডালিয়া পাঠানো হয়েছে। উদ্ধারকাজের দায়িত্বে থাকা এক শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিকের মতে, ‘‘আমরা চওড়া মুখের প্লাস্টিকের বোতল নিয়ে এসেছি। ওই বোতলগুলি করে আমরা শ্রমিকদের কাছে কলা, আপেল, খিচুড়ি এবং ডালিয়া পাঠাচ্ছি।’’ অন্যদিকে, নতুন ৬ ইঞ্চি প্রশস্ত পাইপটি যেভাবে শ্রমিকদের কাছ পর্যন্ত পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে, এর ফলে খুশি দেখা গিয়েছে শ্রমিকদের মধ্যে। এমনটাই জানিয়েছেন প্রশাসনের এক শীর্ষ আধিকারিক। শ্রমিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার জন্য ওয়াকিটকি আগেই পাঠানো হয়েছে। ডিআরডিও-র দুটি রোবোটিক্স মেশিনও ঘটনাস্থলে নিয়ে আসা হয়েছে।

    আরেকটি সুড়ঙ্গ খোঁড়ার কাজ চলছে

    গত ১২ নভেম্বর থেকে উত্তরাখণ্ডের নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গে আটকে পড়ে রয়েছেন ৪১ জন শ্রমিক (Uttarakhand Tunnel Collapse)। ইতিমধ্যে ন’দিন কেটে গিয়েছে, তবু উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি শ্রমিকদের। প্রশাসনের তরফে অবশ্য চেষ্টার কোনও ত্রুটি রাখা হয়নি। যথেষ্ট তৎপরতার সঙ্গেই চালানো হচ্ছে উদ্ধারকাজ। জানা গিয়েছে, বর্তমানে টানেলের মধ্যে একটি সুবিশাল পাইপকে ঢোকানোর চেষ্টা চলছে। মাটি কেটে সেটি ভিতরে ঢুকবে বলেই জানা যাচ্ছে। পাইপটির ব্যাস খুবই বড়। এর ফলে উদ্ধারকাজ সম্ভব হতে পারে বলে আশা করছে প্রশাসন (Uttarakhand Tunnel Collapse)। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি এবং কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ি। আটকে পড়া সুড়ঙ্গের পাশেই সমান্তরালভাবে আরেকটি সুরঙ্গ খোঁড়ার কাজও চলছে। এর জন্য ইন্দোর থেকে আনা হয়েছে ড্রিল মেশিন। শ্রমিকদের কাছে যথারীতি সরবরাহ করা হচ্ছে শুকনো খাবার, অক্সিজেন ফল ইত্যাদি।

    উদ্বেগে পরিজনরা

    এদিকে, দুর্ঘটনার ন’দিন পরেও সুড়ঙ্গে আটকে (Uttarakhand Tunnel Collapse) পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার করতে না পারায় উদ্বেগে তাঁদের পরিজনরা। উদ্ধারকাজ কেমন চলছে, তা দেখতে সুড়ঙ্গের কাছে ঘাঁটি গেড়েছেন তাঁরা। তাঁদের রাত্রিবাসের জন্য তাঁবুর ব্যবস্থা করেছে উত্তরাখণ্ড সরকার। ব্যবস্থা করা হয়েছে খাবারেরও। গত রবিবার দুপুরে উত্তরকাশীতে জাতীয় সড়কের নিচে সুড়ঙ্গ খুঁড়তে গিয়ে ধস নামে। সুড়ঙ্গে আটকে পড়েন ৪১ জন শ্রমিক। তাঁদের উদ্ধার করতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করছেন এনডিআরএফ, আইটিবিপি এবং স্থানীয় প্রশাসনের লোকজন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarkashi Tunnel Rescue: উত্তরকাশীতে সুড়ঙ্গে আটকে শ্রমিকরা, কাছাকাছি পৌঁছে গেলেন উদ্ধারকারীরা

    Uttarkashi Tunnel Rescue: উত্তরকাশীতে সুড়ঙ্গে আটকে শ্রমিকরা, কাছাকাছি পৌঁছে গেলেন উদ্ধারকারীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশীতে এক নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গের (Uttarkashi Tunnel Rescue) মধ্যে আটকে পড়েছেন ৪০ জন শ্রমিক। দিল্লি থেকে উড়িয়ে আনা হয়েছে উচ্চ-ক্ষমতা সম্পন্ন যন্ত্র এবং এই যন্ত্র দিয়ে সুড়ঙ্গে করা হবে উদ্ধার কাজ। গত রবিবার ভোর সাড়ে পাঁচটা থেকেই ওই সুড়ঙ্গের মধ্যে প্রায় ১২০ ঘণ্টা ধরে আটকে রয়েছেন শ্রমিকরা। সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার পর্যন্ত সুড়ঙ্গের মধ্যে জমে থাকা ধ্বংসস্তূপকে সরিয়ে ২৫ মিটার পর্যন্ত প্রবেশ করা গিয়েছে। ফলে সুড়ঙ্গে আটকে থাকা শ্রমিকদের কাছাকাছি পৌঁছে গেলেন উদ্ধারকারীরা। উল্লেখ্য উত্তরাখণ্ডের চারধাম বদ্রীনাথ, কেদারনাথ, গঙ্গোত্রী এবং যমুনোত্রী তীর্থস্থানগুলিতে সংযোগ আরও সরল করতে এই সুড়ঙ্গ পথের কাজ চলছিল। কিন্তু হঠাৎ বিপত্তি ঘটে সুড়ঙ্গে।

    ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টারের বক্তব্য (Uttarkashi Tunnel Rescue)

    ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সুড়ঙ্গের ভিতরে ৯০০ মিলিমিটার ব্যাস এবং ৬ মিটার দীর্ঘ দুটি পাইপ সম্পূর্ণ ঢোকানো হয়েছে। প্রায় ৪৫ থেকে ৬০ মিটার পর্যন্ত সুড়ঙ্গের ভিতরে ড্রিল করে ঢোকাতে হবে। ২৪ টন ওজনের উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন যন্ত্র ঘণ্টায় ৫ মিটার করে সুড়ঙ্গের ভিতরে ঢোকানো হচ্ছে। তবে ধ্বংসাবশেষের মধ্যে শক্ত কিছু পড়লে সাময়িক ভাবে উদ্ধার কাজ বন্ধ রাখতে হয়। এই উদ্ধার কাজে এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, বিআরও এবং আইটিবইপির মোট ১৬৫ জন কর্মী উদ্ধার কাজে নেমেছেন বলে জানা গিয়েছে।

    ন্যাশনাল হাইওয়েস ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের বক্তব্য

    ন্যাশনাল হাইওয়েস অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড থেকে (এনএইচআইডিসিএল) ডিরেক্টর আংশু মনীশ খালখো বলেছেন, “গ্যাস কাটার ব্যবহার করে ধাতব অংশ কাটার চেষ্টা করা হচ্ছে এবং বর্তমানে ড্রিলিং কাজ বন্ধ রয়েছে। প্ল্যান বি সফল হবে বলে আশা রাখছি। আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি আমরা সাফল্য পাবো। যন্ত্রের যাতে কোন ক্ষতি সাধন না হয় সেই দিকে নজর রাখা হয়েছে। থাইল্যান্ড এবং নরওয়ের অভিজ্ঞ উদ্ধারকারীদের এই উদ্ধার (Uttarkashi Tunnel Rescue) কাজে সংযুক্ত করা হয়েছে।”

    খাবার, জল, অক্সিজেন পাঠানো হচ্ছে

    সুড়ঙ্গের ভিতরে আটকে পড়া শ্রমিকদের মনোবল বৃদ্ধির চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় খাবর, জল, অক্সিজেন সরবরাহ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। ওয়াকি-টকির মাধ্যমে উদ্ধারকারীরা (Uttarkashi Tunnel Rescue) আটকে থাকা শ্রমিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। সুড়ঙ্গের কাছেই একটি চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। স্থানীয় হাসপাতালগুলিকে সতর্ক রাখা হয়েছে। উদ্ধারের সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে যাতে নিয়ে যাওয়া যায় সেই বিষয়েও সচেতন করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • NDRF: তুরস্কে আট বছরের বাচ্চা মেয়েকে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করল এনডিআরএফ, দেখুন ভিডিও 

    NDRF: তুরস্কে আট বছরের বাচ্চা মেয়েকে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করল এনডিআরএফ, দেখুন ভিডিও 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপারেশন দোস্তের আওতায় তুরস্কে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে এনডিআরএফ (NDRF)। এদিন সেদেশের গাজিয়ানটেপ প্রদেশের নুরদাগি শহরে একটি ধ্বংসস্তূপের ভিতর থেকে ৮ বছরের একটি মেয়েকে জীবিত উদ্ধার করল এনডিআরএফ (NDRF)। তুর্কি সেনার সঙ্গে এই  যৌথ অভিযানের ভিডিও ইতিমধ্যে ট্যুইটারে শেয়ার করেছে এনডিআরএফ (NDRF)।

    কী বললেন এনডিআরএফ-র (NDRF) আধিকারিক

    এদিন এনডিআরএফের (NDRF) এক উচ্চপদস্থ  আধিকারিক বলেন, গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে এনডিআরএফ। এখনও পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপ থেকে দুটি বাচ্চাকে উদ্ধার করা গেছে। এদের মধ্যে একজনের বয়স ৬ এবং অপরজনের বয়স ৮। 
    প্রসঙ্গত, তুরস্কে বিধ্বংসী ভূমিকম্পে এখনও পর্যন্ত ২৪,০০০ লোকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ভারত সেখানে উদ্ধার কাজ শুরু করেছে। নাম অপারেশন দোস্ত। দোস্ত এমন একটি শব্দ, যার হিন্দি এবং তুর্কি ভাষায় অর্থ হল বন্ধু। মোট ১৫২ জনের উদ্ধার কর্মীর দল কাজ করছে তুরস্কে। এই এনডিআরএফ কর্মীরা ৩টি দলে বিভক্ত হয়ে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে বলে জানা গেছে। ভারত থেকে ইতিমধ্যে ৬টি বিমান উড়ে গিয়েছে তুরস্কে। চিকিৎসা সরঞ্জাম, প্রশিক্ষিত কুকর এসবও পাঠানো হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহও এনডিআরএফের উদ্ধার কাজকে কুর্নিশ জানিয়ে নিয়ে ট্যুইট করেছেন।

  • Uttarkashi Tunnel: বাইরে দাঁড়িয়ে অ্যাম্বুল্যান্স, কিছুক্ষণের মধ্যেই বেরিয়ে আসবেন সুড়ঙ্গে আটক শ্রমিকরা

    Uttarkashi Tunnel: বাইরে দাঁড়িয়ে অ্যাম্বুল্যান্স, কিছুক্ষণের মধ্যেই বেরিয়ে আসবেন সুড়ঙ্গে আটক শ্রমিকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর কিছুক্ষণের মধ্যেই উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গ থেকে একে একে বেরিয়ে আসবেন আটক ৪১ জন শ্রমিক। উদ্ধারকারী দল তাঁদের প্রায় কাছে পৌঁছে গিয়েছে। আটক শ্রমিকদের বের করার পরে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হবে জেলা হাসপাতালে। সেই মতো সুড়ঙ্গের (Uttarkashi Tunnel) বাইরে দাঁড়িয়ে রয়েছে অ্যাম্বুল্যান্স। মঙ্গলবার দুপুর থেকেই এই অ্যাম্বুল্যান্সগুলি দাঁড়িয়ে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর পাশাপাশি এনডিআরএফ এবং এসডিআরএফের দলও প্রস্তুত রয়েছে। তাঁরাই সুড়ঙ্গ থেকে শ্রমিকদের উদ্ধার করবেন বলে জানা গিয়েছে।

    প্রস্তুত রয়েছে  চিনিয়ালিসৌর স্বাস্থ্যকেন্দ্র

    প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার পরেই তাঁদের নিয়ে যাওয়া হবে জেলা হাসপাতালে। ইতিমধ্যে শ্রমিকদের (Uttarkashi Tunnel) পরিবারগুলিকে প্রশাসনের তরফ থেকে বলা হয়েছে যে আপনারা প্রস্তুত থাকুন। ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছেছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামিও। প্রথমে যে প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে শ্রমিকদের নিয়ে যাওয়া হবে সেই চিনিয়ালিসৌর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এবং প্রতিটি বেডের সঙ্গে অ্য়াটাচ করা হয়েছে অক্সিজেন সিলিন্ডার। এর পাশাপাশি প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে কোনও শ্রমিকের (Uttarkashi Tunnel) অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে হেলিকপ্টারে করে ভর্তি করানো হবে ঋষিকেশের এইমসে।

    শুক্রবার থেকে ব্যাহত হয় উদ্ধারকাজ

    আর ১০-১২ মিটার বাকি থাকতেই গত শুক্রবার হঠাৎ ভেঙে পড়ে অগার মেশিন। মেশিনের বিকল যন্ত্রপাতিগুলি সোমবার সকালে বের করে উদ্ধারকারী দল। এর পরই শুরু হয় ম্যানুয়াল ড্রিলিং অর্থাৎ হাত দিয়ে খোঁড়ার কাজ। শাবল, গাঁইতি দিয়ে উদ্ধারকারী দল খুঁড়তে থাকে সুড়ঙ্গ। গত ১২ নভেম্বর থেকে আটকে রয়েছেন শ্রমিকরা। সুড়ঙ্গের মধ্যে শ্রমিকরা রয়েছেন সুস্থই। খাবার সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাঠানো হচ্ছে। ইদানিং তাঁদের জন্য পাঠানো হচ্ছে বেরি ও অন্যান্য ফল। তাঁদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন মনোবিদরাও। সুড়ঙ্গের (Uttarkashi Tunnel) মাত্র ৪১ মিটার ফাঁকা জায়গায় আটকে রয়েছেন ৪১ জন শ্রমিক। তাঁরা যাতে মনোবল হারিয়ে না ফেলেন, তাই সুড়ঙ্গে পাঠানো হয়েছে লুডো, দাবা এবং তাস। শ্রমিকরা সেখানে চোর-পুলিশও খেলছেন বলে খবর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarakhand Tunnel Rescue: আটক শ্রমিকদের খুব কাছে উদ্ধারকারী দল, আর কিছুক্ষণের অপেক্ষা

    Uttarakhand Tunnel Rescue: আটক শ্রমিকদের খুব কাছে উদ্ধারকারী দল, আর কিছুক্ষণের অপেক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডে আটকে পড়া শ্রমিকদের খুব কাছেই পৌঁছে গিয়েছে উদ্ধারকারী দল (Uttarakhand tunnel rescue)। বের করে আনা এখন সময়ের অপেক্ষা। বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে অ্যাম্বুল্যান্স। শ্রমিকদের জন্য সুড়ঙ্গের কাছাকাছি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসকদের একটি দলকে তৈরি করে রাখা হয়েছে। ৪১ জন শ্রমিকের জন্য ৪১টি শয্যাও এখানে তৈরি করে রাখা হয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে হাজির হচ্ছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামি। সকালেই সেখানে পৌঁছেছেন উত্তরকাশির জেলাশাসক অভিষেক রুহেলাও। সকাল সাড়ে ছ’টা নাগাদ সেখানে হাজির হন দিল্লি থেকে ৭ প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ। গতকালই রাত্রি এগারোটা নাগাদ ঘটনাস্থলে নিয়ে আসা হয়েছে ‘ন্যাশনাল ভ্যাকসিন ভ্যান’। জানা গিয়েছে, এখানে বেশ কয়েক ধরনের ওষুধ এবং অন্যান্য জিনিসপত্র মজুদ করে রাখা হয়েছে (Uttarakhand tunnel rescue)।

    ফাইনাল স্টেজে উদ্ধারকাজ

    মঙ্গলবারে এন্ডোস্কোপিক ক্যামেরার মাধ্যমে প্রথম প্রকাশ্যে আসে শ্রমিকদের ভিডিও। সেখানে তাঁদের বলতে শোনা যায় যে তাঁরা সুস্থ এবং স্বাভাবিক রয়েছেন। এর পাশাপাশি তাঁরা নিজেদের পরিবারকেও বার্তা দেন। ওই পাইপের মাধ্যমে যে ওয়াকি-টকি পাঠানো হয়, সে দিয়ে তাঁরা কথাও বলেন। একটা সময় মনে হয়েছিল যে শ্রমিকদের উদ্ধার (Uttarakhand tunnel rescue) করতে আরও হয়তো ১০-১২ দিন সময় লেগে যেতে পারে, কিন্তু সমস্ত বাধা পেরিয়ে শ্রমিকদের উদ্ধারের ফাইনাল স্টেজে এনডিআরএফ-এর দল।

    সংবেদনশীল সম্প্রচারে গতকালই নিষেধাজ্ঞা জারি করে কেন্দ্রে

    অন্যদিকে, গতকালই কেন্দ্রীয় তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রক ইতিমধ্যে প্রতিটি সংবাদমাধ্যমকে নির্দেশ দেয়, যে কোনও ধরনের চাঞ্চল্যপূর্ণ সম্প্রচার না করতে। যে কোনও ধরনের লাইভ টেলিকাস্ট অথবা টানেলের পাশে থেকে করা ভিডিও এগুলোকে সম্প্রচার করতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কেন্দ্র। এর পাশাপাশি যখনই উত্তরকাশী (Uttarakhand tunnel rescue) বিষয় খবর করা হবে তখন যেন সেই খবর সংবেদনশীল না হয়। সেই রকমভাবেই তৈরি করতে হবে প্রতিবেদনের শিরোনাম ও ছবি। তার কারণ শিরোনাম এবং ছবি দেখে যেন শ্রমিক পরিবারের উদ্বিগ্ন না হয়। অবশেষে শ্রমিকদের প্রায় কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হল উদ্ধারকারীরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Mocha: দিঘায় পৌঁছল এনডিআরএফ-এর ৮টি টিম, ‘মোকা’ মোকাবিলায় কতটা প্রস্তুত রাজ্য?

    Cyclone Mocha: দিঘায় পৌঁছল এনডিআরএফ-এর ৮টি টিম, ‘মোকা’ মোকাবিলায় কতটা প্রস্তুত রাজ্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোখ রাঙাচ্ছে মোকা (Cyclone Mocha)! হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, শুক্রবার ভোরেই প্রবল থেকে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের চেহারা নিয়েছে মোকা। ১৪ মে রবিবার, দুপুরে মায়ানমারের সিতওয়ে বন্দরের কাছে এটি আছড়ে পড়তে চলেছে। ঝড়ের গতিবেগ শুনে চোখ কপালে উঠেছে ভারত, বাংলাদেশ সমেত মায়ানমারের প্রশাসনের। জানা গিয়েছে, আছড়ে পড়ার সময় ঝড়ের গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় ১৫০-১৬০ কিমি। সর্বোচ্চ বেগ হতে পারে ঘণ্টায় ১৭৫ কিমি। পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে মোকা (Cyclone Mocha) মোকাবিলার প্রস্তুতি। ইতিমধ্যে দিঘায় পৌঁছেছে এনডিআরএফের টিম।

    মোকা (Cyclone Mocha) মোকাবিলায় কেন এত তৎপরতা?

    শুক্রবার সকালে আবহাওয়া দফতরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পোর্ট ব্লেয়ার বন্দর থেকে ৫২০ কিলোমিটার পশ্চিম-উত্তর পশ্চিমে এবং বাংলাদেশের কক্সবাজার থেকে ১০১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে ছিল মোকা। মৌসম ভবন জানিয়েছে, অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার পর আরও উত্তর-উত্তর পূর্ব দিকে এগোচ্ছে মোকা (Cyclone Mocha)। শনিবার ঘূর্ণিঝড়ের গতি সর্বোচ্চ থাকবে বলে মনে করছেন আবহবিদেরা। এই প্রবল গতির ঘূর্ণিঝড়ে বিপদের আশঙ্কা সর্বোচ্চ। তাই প্রশাসন কোনওরকমের ঝুঁকি নিতে রাজি নয়।

    এনডিআরএফের এক আধিকারিকের কথায়, ‘‘আমরা আটটি দল এবং ২০০ জন উদ্ধারকারীকে পাঠিয়েছি দিঘায়। আরও ১০০ জন উদ্ধারকারীকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।’’ জানা গিয়েছে, রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে বিশেষত, পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগর, হলদিয়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবা, কুলতলি, কাকদ্বীপ, উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জ, সন্দেশখালিতে মোতায়েন করা হয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। মৎস্যজীবীদের আগে থেকেই সমুদ্রে যেতে বারণ করা হয়েছে। যাঁরা সমুদ্রে গিয়েছেন, তাঁদের ১১ মের মধ্যে ফিরে আসার নির্দেশ দিয়েছিল প্রশাসন। দিঘায় খোলা হয়েছে কন্ট্রোলরুম। দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের মূল অফিসে খোলা হয়েছে জেলা পর্যায়ের কন্ট্রোল রুম। জানা গিয়েছে, জেলার ২৫টি ব্লক এবং ২২৩টি পঞ্চায়েতে কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে। কলকাতায় লালবাজারেও কন্ট্রোলরুম খুলে নজর রাখছে পুলিশ।

    আশঙ্কায় সুন্দরবন….

    আমফান বা ফণীর ভয়াল স্মৃতি এখনও তরতাজা সুন্দরবনের মানুষদের কাছে। এতেই বাড়ছে আশঙ্কা (Cyclone Mocha)। সুন্দরবনের প্রতিটি ব্লকেই খোলা হয়েছে একটি করে কন্ট্রোল রুম। সেখানে সারাক্ষণই থাকবেন সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা। জানা গিয়েছে ওই অঞ্চলে আগামী এক সপ্তাহ সেচ ও বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় এলাকার স্কুলগুলিকে প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। দুর্বল বাঁধ পরিদর্শনের পাশাপাশি এলাকার মানুষজনের সঙ্গে কথাও বলছে প্রশাসন।

    উত্তর-পূর্ব ভারতও প্রস্তুত মোকা (Cyclone Mocha) মোকাবিলায়

    হাওয়া অফিস জানাচ্ছে যেহেতু এই ঘূর্ণিঝড়ের (Cyclone Mocha) আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশ এবং মায়ানমারের সীমান্তে। তাই ভারতের ত্রিপুরা, মণিপুর এই সমস্ত রাজ্যে মোকার প্রভাব পড়তে পারে। মোকার প্রভাবে উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে ভারী বৃষ্টিপাত হবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। সঙ্গে বইবে ঝোড়ো হাওয়া। শনিবার রাত থেকে রবিবার সকালের মধ্যেই তা আঘাত হানতে পারে। এই কারণে ত্রিপুরা এবং মিজোরামে শনিবার থেকেই বৃষ্টি শুরু হবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে ত্রিপুরা সরকার কমলা সর্তকতা জারি করেছে। সেখানে বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর, এনডিআরএফ, ত্রিপুরা পুলিশকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সেখানকার নদী তীরবর্তী অঞ্চলে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। কোনওরকম বিপদের আশঙ্কা থাকলেই উদ্ধারকাজে প্রস্তুত রয়েছে এনডিআরএফ, এমনটাই জানা যাচ্ছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NDRF: মাঝেরহাট দুর্ঘটনাতেও বাঁচিয়েছিল প্রাণ, তুরস্কে ২ শিশুকে জীবিত উদ্ধার করে হিরো রোমিও-জুলি

    NDRF: মাঝেরহাট দুর্ঘটনাতেও বাঁচিয়েছিল প্রাণ, তুরস্কে ২ শিশুকে জীবিত উদ্ধার করে হিরো রোমিও-জুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূমিকম্প বিধ্বস্ত তুরস্ক ও সিরিয়ায় এখনও উদ্ধারকাজ অব্যাহত। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় তুরস্ক ও সিরিয়ার পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত। ভারত থেকে পাঠানো হয়েছে ত্রাণ সামগ্রী, এনডিআরএফ-র টিম ও বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ডগ স্কোয়াড। আর এই ডগ স্কোয়াডের অবদান অপরিসীম। জানা গিয়েছে, ভূমিকম্প বিধ্বস্ত তুরস্কের নুরদাগি শহরে ধ্বংসস্তুপের নীচ থেকে ৬ বছরের এক বালিকাকে জীবিত উদ্ধার করেছেন ভারতীয় উদ্ধারকারীরা৷ এনডিআরএফ-এর এই উদ্ধারকাজে বিশেষ ভূমিকা নিয়েছে তাদের ডগ-স্কোয়াডের দুই সদস্য রোমিও এবং জুলি৷ ধ্বংসস্তুপের তলায় প্রাণের স্পন্দনের খোঁজ এই সারমেয়ই দেয় উদ্ধারকারীদের। এমনকী কলকাতায় মাঝেরহাট সেতু ভেঙে পড়ার পরে উদ্ধারের কাজে সাহায্য করেছিল রোমিও ও জুলি।

    উদ্ধারকাজে রোমিও ও জুলির অবদান অপরিসীম

    ৬ ফেব্রুয়ারি বিধ্বংসী ভূমিকম্পে তছনছ হয়ে গিয়েছে তুরস্ক-সিরিয়া সীমান্তবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকা৷ উদ্ধারকাজে যোগ দিতে ভারত থেকে তুরস্কে গিয়েছে এনডিআরএফ-এর দল। রোমিও ও জুলি ছাড়াও সঙ্গে পাঠানো হয় আরও কয়েক জন কুকুরকে। তাদের নাম বব, রক্সি, র‌্যাম্বো এবং হানি। সব মিলিয়ে ৬ সদস্যের সারমেয় টিম। এছাড়া সঙ্গে আরও ১৫২ জন। তারাই উদ্ধার কাজ চালায় তুরস্কে। তবে সবচেয়ে পারদর্শিতার সঙ্গে উদ্ধারের কাজ করে রোমিও এবং জুলিই। এনডিআরএফ-এর সদস্যরা জানিয়েছেন, রোমিও ও জুলি ছাড়া ওই বালিকার সন্ধান পাওয়া বা তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হত না৷ বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত এই দুই সারমেয় গন্ধ শুঁকেই জানিয়ে দিয়েছিল ধ্বংসাবশেষের তলায় কেউ জীবিত অবস্থায় আটকে রয়েছে৷ তাদের দেখানো পথে গিয়েই পরে ওই বালিকাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়৷

    কীভাবে রোমিও ও জুলি উদ্ধার করে ৬ বছরের ব্যারেনকে?

    এনডিআরএফ-এর এক আধিকারিক জানিয়েছেন, প্রথমে জুলিই ওই ধ্বংসস্তুপের তলায় আটকে থাকা বালিকার সন্ধান পায়৷ যার নাম ব্যারেন৷ তাঁর কথায়, “জুলিকে আমরা নির্দেশ দিই ধ্বংসস্তুপের মধ্যে যেতে৷ সেখানে গিয়ে সে ডাকতে শুরু করে৷ এর মানে সেখানে কোনও জীবিত মানুষ রয়েছে৷” ওই উদ্ধারকারী দলের আরও একজন সদস্য জানান, জুলির ওই বার্তা পাওয়ার পর বিষয়টি আরও নিশ্চিত হতে সেখানে রোমিওকে পাঠানো হয়৷ সেও একই বার্তা দেয়৷ এরপরেই নিশ্চিত হয়ে সেখানে উদ্ধারকাজ শুরু হয়, বাঁচানো সম্ভব হয় ৬ বছরের ব্যারেনকে।

    কলকাতায় এক দুর্ঘটনায় উদ্ধারকাজেও ছিল রোমিও ও জুলি

    সূত্রের খবর, এর আগেও দেশে এরকম কয়েকটি উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছে রোমিও ও জুলি৷ কলকাতায় মাঝেরহাট নামে একটি সেতু ভেঙে যাওয়ার পরে তাদের ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল৷ তবে বিদেশে এই প্রথম পাড়ি দিল এই দুই সারমেয়। এরা বীরের মত যেভাবে শিশুটির প্রাণ বাঁচিয়েছে তা সত্যিই প্রশংসনীয়। ফলে রোমিও ও জুলির কীর্তি নিয়ে জয়জয়কার করছে সারা দেশবাসী সহ তুরস্কবাসী।  

LinkedIn
Share