Tag: NDRF

NDRF

  • Uttarkashi Avalanche: উত্তরকাশী তুষারধস দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬, এখনও নিখোঁজ ১৩

    Uttarkashi Avalanche: উত্তরকাশী তুষারধস দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬, এখনও নিখোঁজ ১৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরকাশীতে তুষারধসে (Uttarkashi Avalanche) সব মিলিয়ে এই অবধি ১৬ জনের মৃতদেহ (Death Toll) পাওয়া গিয়েছে। খারাপ আবহাওয়া থাকায় বৃহস্পতিবার বন্ধ করে দেওয়া হয় নিখোঁজদের সন্ধানকাজ। শুক্রবার ফের সকাল থেকে উদ্ধারকাজ শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে। ৪ অক্টোবর ৪টি দেহ উদ্ধার হয়েছিল এবং ৬ অক্টোবর ১২টি দেহ উদ্ধার হয়েছে। এরমধ্যে ২জন শিক্ষক ও ১৪ জন প্রশিক্ষণরত পর্বতারোহী ছিলেন।  নিখোঁজ এখনও ১৩ জন। 
     
    উত্তরকাশীতে “দ্রৌপদী কি  ডান্ডা -২”- তে পর্বতারোহন প্রশিক্ষণের জন্য নেহেরু ইনস্টিটিউট অফ মাউন্টেনিয়ারিং এর ৪১ জনের একটি দল যায়। এই দলে ছিলেন ৯ জন শিক্ষক ও বাকিরা প্রশিক্ষণরত পর্বতারোহী। জানা গিয়েছে এই দলে  দিল্লি, উত্তর প্রদেশ, তামিলনাড়ু, কর্ণাটক, পশ্চিমবঙ্গ, তেলেঙ্গানা, গুজরাত, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, আসাম ও হরিয়ানার বাসিন্দা ছিলেন। হঠাৎ তুষারধসে (Uttarkashi Avalanche) আটকে পড়েন তাঁরা। ঘটনার আকস্মিকতা সামলাতে না পেরে মৃত্যু হয় ১৬ জনের। রেসকিউ বুলেটিন প্রকাশ করে উদ্ধারকাজ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিয়েছে নেহেরু ইনস্টিটিউট অফ মাউন্টেনিয়ারিং।     
      
    দ্রৌপদী কি  ডান্ডা -২ শৃঙ্গটি ৫৬৭০ মিটার উঁচু। অঞ্চলটি আগে থেকেই দুর্ঘটনাপ্রবণ (Uttarkashi Avalanche) বলে পরিচিত। আর এই অঞ্চলের পাহাড়ি ঢালগুলি খাড়া হাওয়ায় ঢালের গা বেয়ে তুষারের স্তুপ ভেঙে পড়ে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধারকাজ জারি রাখছে উত্তরাখণ্ডের  উদ্ধারকারী দল। স্টেট ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স (SDRF), ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স (NDRF), ইন্দো-তিব্বত বর্ডার পুলিশ  (ITBP) এবং ভারতীয় বিমান বাহিনী (IAF) হেলিকপ্টার নিয়ে খোঁজ চালাচ্ছে।     

    এই দলে স্থানীয় কিছু মালবাহকও ছিলেন বলে উত্তরাখণ্ড সরকার সূত্রে খবর। যাদের দেহ উদ্ধার হয়েছে তাঁদের মধ্যে ছিলেন এভারেস্টজয়ী তথা নিমের প্রধান সবিতা কাঁসওয়াল। সবিতা কাঁসওয়াল  উত্তরকাশীর  লংথ্রু গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

    আরও পড়ুন: যদি আমরা ১০ সেকেন্ড সময়ও পেতাম, আমরা আরও জীবন বাঁচাতে পারতাম…     
     
    উত্তরকাশীতে  কিছুদিন আগেও তুষারধসে (Uttarkashi Avalanche) মৃত্যু হয়েছিল  ১০ জনের।  তার দুদিন পর আবার এমন দুর্ঘটনায় নড়েচড়ে বসছে উত্তরাখণ্ড সরকার। ট্রেকিং এর অনুমোদন দেওয়ার আগে কড়া নিরাপত্তা বলয় তৈরির কথা ইতিমধ্যেই ঘোষণা করা হয়েছে। 

    রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ এবং ভারতীয় বিমান বাহিনী নিখোঁজ পর্বতারোহীদের (Uttarkashi Avalanche) সনাক্ত করতে গতকাল একটি যৌথ অভিযান চালায়। খারাপ আবহাওয়ার কারণে বিকেল চারটের দিকে অভিযান বন্ধ করে দেয় সেই দল। ইতিমধ্যে ভারতীয় সেনাবাহিনী দক্ষ পর্বতারোহীদের দল পাঠিয়েছে। ভারতীয় বায়ুসেনা অভিযানের জন্য সারসাওয়া থেকে দুটি এবং বেরেলি থেকে একটি হেলিকপ্টার মোতায়েন করেছে।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Amarnath Yatra: আতঙ্কের অবসান, ফের অমরনাথের পথে তীর্থযাত্রীরা

    Amarnath Yatra: আতঙ্কের অবসান, ফের অমরনাথের পথে তীর্থযাত্রীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আতঙ্ক কাটিয়ে ফের অমরনাথের পথে তীর্থযাত্রীরা। মেঘ ভাঙা বৃষ্টি ও হড়পা বানের আতঙ্ক (Cloudburst Incident) আপাতত আর নেই। তাই ফের অমরনাথ যাত্রার অনুমতি দিয়েছে ভারত সরকার। আজ থেকে আবারও শুরু হল অমরনাথ যাত্রা (Amarnath Yatra 2022)। দুর্ঘটনার পরে আংশিকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল যাত্রা। সোমবার সকালে নুনওয়ান-পাহালগামের দিক থেকে আবার শুরু হয়েছে যাত্রা। জম্মু বেস ক্যাম্প থেকে অমরনাথ তীর্থযাত্রীদের একটি নতুন দল যাত্রা শুরু করেছে। এক তীর্থযাত্রীর কথায়, “আমাদের মনোবল ভাঙেনি। বাবার দর্শন না করে ফিরে যাব না। আমরা খুশি যে যাত্রা আবারও শুরু হয়েছে। সিআরপিএফ এবং অন্যান্য কর্মীরা আমাদের যাত্রা শুরুর ছাড়পত্র দিয়েছেন।” 

    আরও পড়ুন: অমরনাথে বাঙালি ছাত্রীর মৃত্যু, আটকে ১৬, চালু হেল্পলাইন

    পাঞ্জাবের এক বাসিন্দার গলাতেও একই সুর। আয়ুশ নামের এক যুবকের কথায়, “অমরনাথ দর্শন করেই বাড়ি ফিরব। যতদিন না রুট চালু হচ্ছে, ততদিন এখানেই অপেক্ষা করব।” দেবরাজের নামের আরেক তীর্থযাত্রীর  পূর্ণ আস্থা রয়েছে প্রসাশনের ওপর। তাঁর কথায়, মেরামতির কাজ শেষ করে খুব শীঘ্রই যাত্রা শুরু হবে। 

    আরও পড়ুন: গুহার উপরেই জমাট বাঁধা মেঘ! অমরনাথে আতঙ্ক 

    বালতাল বেস ক্যাম্প থেকে যদিও এখনও যাত্রা শুরু হয়নি। সেখানে তীর্থযাত্রীরা যাত্রা শুরুর জন্য অপেক্ষা করছেন। বালতাল এবং নুনওয়ান উভয় দিক থেকেই হেলিকপ্টার পাওয়া যাবে।

    শুক্রবার অমরনাথের গুহা মন্দিরের কাছে একটি মেঘ ভাঙা বৃষ্টির জেরে হড়পা বান নেমে আসে। আকস্মিক এই ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৬ জন। কমপক্ষে ৩৬ নিখোঁজ রয়েছেন। ৩৪ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকা নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে চালাচ্ছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের (NDRF) কর্মীরা। পুলিশ কুকুরের মাধ্যমেও খোঁজ চালানো হচ্ছে। প্রশাসনের আশঙ্কা হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। রবিবার জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা পাহালগামের একটি বেস ক্যাম্প পরিদর্শন করেন এবং তীর্থযাত্রীদের সঙ্গে দেখা করেন।

     

  • Manipur landslide: ভয়াবহ ধসে মণিপুরে মৃত ৯ সেনা-সহ ১০ জন, চলছে উদ্ধারকাজ

    Manipur landslide: ভয়াবহ ধসে মণিপুরে মৃত ৯ সেনা-সহ ১০ জন, চলছে উদ্ধারকাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আচমকা ধসে বিপর্যস্ত মণিপুর (Manipur)। এবার ধসের (Landslide) কবলে পড়ল টেরিটোরিয়াল আর্মির (Army) সদস্যরা। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ। নামানো হয়েছে ভারতীয় সেনা বাহিনী ও আসম রাইফেলের জওয়ানদের। এখনও পর্যন্ত দশজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। এঁদের মধ্যে ৯ জন সেনা। একজন রেলের কর্মী। উদ্ধার করা হয়েছে ১৩ জন সেনা বহিনীর কর্মী ও ৫ জন সাধারণ মানুষকে। জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ৪০ থেকতে ৫০ জন ধসে আটকে রয়েছে।

    এদিন নোনে জেলায় ধসের মুখে পড়ে ১০৭ টেরিটোরিয়াল আর্মির একটি ক্যাম্প। মৃত ১০ জনের মধ্যে ৯ জনই টেরিটোরিয়াল আর্মির জওয়ান,  ইম্ফল-জিরিবাম রেলওয়ে প্রজেক্টের কাজ চলছিল বলেই নিরাপত্তার জন্য সেখানে মোতায়েন ছিলেন জওয়ানরা। বুধবার রাতে তুপুল ইয়ার্ড রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন ক্যাম্পের কাছে ধসের ঘটনাটি ঘটে। নিখোঁজ ৫০ জনের মধ্যে পাঁচ জন সাধারণ নাগরিক বলে জানা গিয়েছে। ব্যাপক ধসে ইজেই নদীর একাংশ প্রায় রুদ্ধ হয়ে গিয়েছে। তার ফলে নিচু এলাকা বানভাসি হওয়ার আশঙ্কা।

    আরও পড়ুন: ক্রিপ্টোকারেন্সি কতটা বিপজ্জনক? আমজনতাকে সতর্ক করল আরবিআই

    ধসের কারণে আটকে যায় অনেকে। কয়েকজনকে উদ্ধার করা গেলেও এখনও আটকে রয়েছেন প্রায় জনা পঞ্চাশেক মানুষ। আহতদের ভর্তি করা হয়েছে স্থানীয় হাসপাতালে। উদ্ধারকাজ চলাকালীন নতুন করে ধস হয়। সেনা বাহিনীর এক কর্মকর্তার মতে, আবহাওয়াও খারাপ হওয়ার কারণে সাময়িকভাবে বেশ কিছুক্ষণ উদ্ধারকাজ বন্ধ রাখা হয়েছিল। তবে আবহাওয়া ঠিক হলে ফের উদ্ধারকাজ শুরু হয় জানান তিনি। ঘটনাস্থলে রয়েছে ভারতীয় সেনা বাহিনীর হেলিকপ্টার।

    পরিস্থিতি নিয়ে মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং এবং রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে কথা বলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। টুইটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লেখেন, মণিপুরের টুপুল রেলস্টেশনের কাছে ধসের ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে কথা হয়েছে। তৎপরতার সঙ্গে উদ্ধারকাজ চলছে। বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী উদ্ধার অভিযানে নেমেছে। আরও দুটি দল ঘটনাস্থলে যাচ্ছে। তিনি জানান, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ইতিমধ্যেই উদ্ধারকাজ শুরু করেছে। আরও দু’টি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছোচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিং জরুরি বৈঠক ডেকে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। লোকজনকেও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নদীর কাছাকাছি না আসার এবং ধসের কারণে ৩৭ নম্বর জাতীয় সড়ক এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন মণিপুরের রাজ্যপাল।

    স্থানীয়দের মতে, বেশ কয়েকদিন ধরে মণিপুরে ভারী বৃষ্টিপাত চলছে। আবহাওয়া দফতরের তরফে আগেই সতর্ক করা হয়েছিল। এই সময় ধসের প্রবণতা অনেকটাই বেশি থাকে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ওই পথ দিয়ে যানবাহন চলাচল।

  • Assam Flood: জল সামান্য কমলেও, এখনও বন্যার কবলে ২১ লক্ষ আসামবাসী, মৃত ১৩৪

    Assam Flood: জল সামান্য কমলেও, এখনও বন্যার কবলে ২১ লক্ষ আসামবাসী, মৃত ১৩৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একমাসের টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত আসাম (Assam Flood)। বন্যার জল সামান্য নামলেও, এখনও ২২ জেলার ২২৫৪ গ্রামে ২১ লক্ষেরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ। এবারের বন্যায় এ পর্যন্ত ১৩৪ জন মানুষ জলে ডুবে বা ভূমি ধ্বসের কারণে প্রাণ হারিয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গিয়েছে দুই শিশুসহ মোট আট জনের। যে জেলাগুলি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, সেগুলি হল, বাজালি, বকসা, বরপেটা, কাছার, চিরাং, দারাং, ধেমাজি, ডিমা হাসাও, গোয়াল পাড়া, গোলাঘাট, হাইলা কান্ডি, কামরূপ, কামরূপ মেট্রোপলিটন, করিমগঞ্জ, লখিমপুর, মাজুলি, মরিগাও, নওগাঁ, নলবাড়ি, শোণিতপুর, তামুলপুর এবং উদালগুড়ি। 

    রাজ্যজুড়ে এখনও ১,৯১,১৯৪ লক্ষ মানুষ ৫৩৮টি আশ্রয় শিবিরে রয়েছেন। ১৮ জেলায় ৭৪,৬৫৫ হেক্টর ফসলের জমি এখনও জলের তলায়। শতাধিক বাড়ি, রাস্তা, ব্রিজ, খাল, বাঁধ বন্যার জেরে ক্ষতিগ্রস্থ। 

    বরপেটা জেলার পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ। ৬,১৪,৯৫০ জন ক্ষতিগ্রস্থ। এরপরেই রয়েছে নওগাঁ, ৫,১৩,০৬১ জন ক্ষতিগ্রস্থ। কাছার জেলায় ৪,৭৭,১৬৫ জন ক্ষতিগ্রস্থ।  

    আরও পড়ুন: আসামে বন্যায় মৃত ৮২, ক্ষতিগ্রস্ত ৪৭ লক্ষ! মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন অমিত শাহের

    পানীয় জলের কষ্ট দেখা দিয়েছে শিলচর জেলায়। শিলচরে ভারতীয় বিমান বাহিনী আকাশ পথে ত্রাণ বিতরণ করছে। উদ্ধারকাজে সেনাবাহিনী ও জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী হাত লাগিয়েছে।

    আনম্যানড এরিয়াল ভেইকেল (UAV) শিলচরে বন্যা কবলিত এলাকার ম্যাপ তৈরির কাজ শুরু করেছে। 

    আরও পড়ুন: অসমের চিরাংয়ে দুর্গতদের উদ্ধারে দমকল, যে কোনও মুহূর্তে ভেসে যাওয়ার আশঙ্কা

    [tw]


    [/tw]

    আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma) শনিবার আকাশপথে শিলচরের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। এই নিয়ে তিনি দুই বার শিলচরের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে যান। তিনি বন্যাকবলিত মানুষকে সব ধরনের সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তবে আসাম প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, প্রবল বৃষ্টির কারণে উদ্ধারকাজ ব্যহত হয়েছে। গত দুদিন বৃষ্টি কমায় জোড় কদমে উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, গত কয়েকদিন বৃষ্টি কমায় রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। সোমবার আসামের চার জেলায় আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে।    
     

     

  • Assam Flood: উত্তর-পুর্ব ভারতে বন্যায় মৃত ৭১, শুধু আসামেই ক্ষতিগ্রস্ত ৪২ লক্ষ মানুষ

    Assam Flood: উত্তর-পুর্ব ভারতে বন্যায় মৃত ৭১, শুধু আসামেই ক্ষতিগ্রস্ত ৪২ লক্ষ মানুষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে আসাম তথা সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারতের বন্যা পরিস্থিতি (Flood Situation)। আসামে (Assam) বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪। গত ২৪ ঘণ্টায় তিন শিশু-সহ ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। মারা গিয়েছেন দুই পুলিশ কর্মীও।  

    চলতি বছরে পর পর দুবার বন্যায় এবং বন্যার কারণে ধসে আসামে মোট ৭১ জনের মৃত্যু হয়েছে। বাজালি, বক্সা, বরপেটা, কাছাড়-সহ ৩৩ টি জেলার বন্যা পরিস্থিতি ভয়ংকর আকার ধারণ করেছে। তবে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা বরপেটার। ইতিমধ্যেই খোলা হয়েছে ৭৪৪ টি আশ্রয় শিবির। সেখানে আশ্রয় নিয়েছেন প্রায় ১ লক্ষ ৮৬ হাজার মানুষ। 

    আরও পড়ুন: বন্যা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে আসামসহ উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে, মৃত্যু বেড়ে ৫৪  
     
    শুধু আসামেই বন্যার কারণে ৪২ লক্ষ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। কাছাড় জেলায় তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। বরপেটায় মৃত্যু হয়েছে দুজনের। বাজালি, কামরূপ, করিমগঞ্জ, উদলগুড়িতে এক জন করে মৃত্যু হয়েছে। ডিব্রুগড়ের নৌকাডুবিতে চারজন এখনও নিখোঁজ। কাছাড়, হোজাই, তমুলপুর, উদলগুড়ি থেকেও এক জন করে নিখোঁজ।

    আরও পড়ুন: বন্যা বিধ্বস্ত আসাম, মৃত বেড়ে ৫৪, ক্ষতিগ্রস্ত ১৮ লক্ষের বেশি  
     
    বন্যা দুর্গতদের উদ্ধার কাজে নেমেছে সেনা। ভারতীয় সেনার (Indian Army) এই উদ্ধার অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন গজরাজ’। ভারতীয় সেনার সঙ্গে উদ্ধারকাজে হাত মিলিয়েছে, আধা সেনা (Para Military), জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (NDRF), রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (SDRF) এবং দমকল বাহিনীও (Fire Brigade)। সূত্রের খবর, জলের তলায় রয়েছে ৫ হাজারেরও বেশি গ্রাম। শুধুমাত্র বরপেটা জেলার প্রায় ১৩ লক্ষ মানুষ গৃহহীন। এছাড়াও নওগাঁওয়ের প্রায় ৪ লক্ষ এবং দেলগুয়ে প্রায় ৩ লক্ষ ৬৪ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। অসমের ২৫টি জেলার ১০ লক্ষ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে গিয়েছে। প্রবল বৃষ্টির জেরে ক্ষতিগ্রস্ত ২৯ লক্ষ গবাদি পশু। এমনকী কাজিরাঙা অভয়ারণ্যের বেশ কিছু অংশও রয়েছে জলের তলায়। বন্যা কবলিত লক্ষ লক্ষ মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন আশ্রয় শিবিরে। অনেকের কাছেই এখনও পৌঁছনো যায়নি ত্রাণ।     

    উত্তর-পূর্ব ভারতজুড়ে (North-Eastern India) এই বন্যায় প্রাণ হারিয়েছেন মোট ৭১ জন। এর মধ্যে রয়েছেন অরুণাচল প্রদেশের সম্ভবনাময় এক ১৬ বছরের বক্সার। ভূমিধসে মৃত্যু হয়েছে তাঁর।  

    কামরূপে নদীর জল শেষ বন্যার থেকে .৩৩ মিটার ওপর দিয়ে বইছে। এর আগে যখন সবচেয়ে বন্যা সবচেয়ে ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছিল, তখন নদীএর জলের উচ্চতা ছিল ৬১.৭৯ মিটার। ব্রহ্মপুত্র, মধুরার জল বিপদ সীমার বেশ খানিকটা ওপর দিয়ে বইছে। এখনই কমছে না বৃষ্টিপাত, সতর্ক করেছে আবহাওয়া দফতর।  

     

  • Asani Update: শক্তি হারিয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’ পরিণত নিম্নচাপে, কোথায় কেমন বৃষ্টির সম্ভাবনা?

    Asani Update: শক্তি হারিয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’ পরিণত নিম্নচাপে, কোথায় কেমন বৃষ্টির সম্ভাবনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গভীর নিম্নচাপে (Deep depression) পরিণত হল ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’ (Asani)। আগামী ৩৬ ঘণ্টায় আরও শক্তিক্ষয় হবে ঘূর্ণিঝড়ের (cyclone)। ওড়িশা (Odisha) উপকূলের কাছে এসেই শক্তি হারাবে ‘অশনি’। সমুদ্রের মধ্যেই ক্রমশ শক্তি হারিয়ে ফেলে ওই ঘূর্ণিঝড়। তাই ল্যান্ডফলের (Landfall) আশঙ্কা নেই বলেই জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর। তাই ঝড়ের তাণ্ডব থেকে এ যাত্রায় মুক্তি পাওয়ার কথাই শোনাচ্ছে হাওয়া অফিস। শেষ ছয় ঘণ্টায় শক্তিক্ষয় করে ছয় কিলোমিটার বেগে ওড়িশা উপকূলের দিকে এগোচ্ছে ঘূর্ণিঝড়। তবে ঝড় না হলেও নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টিতে ভাসবে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলা। ইতিমধ্যই প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে অন্দ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশার বিভিন্ন জেলায়।

    মঙ্গলবার সকাল থেকেই বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি শুরু হয়েছে শহরের নানা প্রান্তে। কালো মেঘে দুপুরেই যেন আঁধার নেমেছে শহর কলকাতায় (Kolkata)। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়েছে মহানগরের বিভিন্ন দিকে। বৃষ্টির সঙ্গে বইছে দমকা হাওয়া। কলকাতা পুরসভার (KMC) তরফে তাদের দুর্যোগ মোকাবিলা দলকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। প্রত্যেকটা বরোর জন্য একটা করে মোট ১৬টা দল তৈরি করা হয়েছে। যারা সবসময় পরিস্থিতির দিকে নজর রাখবে। রাস্তায় গাছ পড়ে গেলে তা দ্রুত সরানোর ব্যবস্থা করা হবে। শহর যাতে জলমগ্ন না হয় তার জন্য অন্তত ৯৫ শতাংশ পাম্প তৈরি রাখা হয়েছে। সমস্ত পাম্পিং স্টেশনে জেনেরেটর প্রস্তুত রয়েছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় আগামী ১২ তারিখ পর্যন্ত কর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

    [tw]


    [/tw]

    কলকাতা ছাড়াও নিম্নচাপের প্রভাবে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে হাওড়া, পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। নদিয়া ও মুর্শিদাবাদ জেলায়  বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। বজ্রপাতের আশঙ্কায় নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের তরফে দিঘায় পর্যটকদের সমুদ্রে নামতে মানা করা হয়েছে। প্রস্তুত রয়েছে এনডিআরএফের (NDRF) টিম। দিঘায় পৌঁছেছেন জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা। পর্যটকরা যাতে সমুদ্রে না নামেন, তার জন্য রয়েছে কড়া নজরদারি। চলছে মাইকে প্রচার। আজ থেকে মৎস্যজীবীদেরও সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: শক্তি বাড়িয়ে ধয়ে আসছে ‘অশনি’, বাংলা-ওড়িশার উপকূলবর্তী এলাকায় সতর্কতা

    বিশাখাপত্তনমে সমুদ্র উত্তাল। বৃষ্টির সঙ্গে বইছে দমকা হাওয়া। দুর্যোগের জেরে চেন্নাই বিমানবন্দরে বাতিল করা হয়েছে হায়দরাবাদ, বিশাখাপত্তনম, জয়পুর, মুম্বই থেকে আসা ১০টি বিমান। বিশাখাপত্তনমেও বেশ কিছু বিমান বাতিল করা হয়েছে। হাওয়া অফিস সূত্রে জানা যাচ্ছে, ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’র প্রভাবে অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীকাকুলাম, বিশাখাপত্তনম,পূর্ব গোদাবরি-সহ বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি চলছে। ‘অশনি’র প্রভাবে ওড়িশাতেও বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। ওড়িশার খুরদা, গঞ্জাম, পুরী, কটক, ভদ্রকে বৃষ্টি চলছে। ‘অশনি’ পরিস্থিতিতে ওই চার উপকূলবর্তী এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদে অন্যত্র সরানো হয়েছে।

    গঞ্জামের সুনাপুরের কাছে ১১ জন মৎস্যজীবীকে উদ্ধার করা হয়েছে। ওই মৎস্যজীবীদের নৌকা সমুদ্রে আটকে পড়েছিল। বুধবার গঞ্জা, খুরদা, পুরী, জগৎসিংপুর, কটকে বৃষ্টি হতে পারে। বৃহস্পতিবার পুরী, জগৎসিংপুর, কটক, কেন্দ্রপাড়া, ভদ্রক, বালাসোরে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করা হয়েছে। বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় ৪০-৫০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। ঝড়ের সর্বোচ্চ বেগ হতে পারে ঘণ্টায় ৬০ কিমি। ওড়িশার মুখ্যসচিব এস সি মহাপাত্র বলেছেন, “ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় রাজ্য তৈরি। ক্ষয়ক্ষতি কী হতে পারে, সে ব্যাপারে জেলাশাসকদের তৎপর করা হয়েছে।” 

    ঘূর্ণিঝড়ের জেরে আগাম সতর্কতা নেওয়া হয়েছে পুরীর জগন্নাথ মন্দির (Jagannath Temple) ও কোনারক মন্দিরে (Konark Temple)। ২০১৯ সালে সাইক্লোন ফণী (Fani) যখন আছড়ে পড়েছিল, তখন ক্ষতি হয়েছিল জগন্নাথ মন্দিরে। একইসঙ্গে ২০২০ সালে আমফান (Amphan) এবং ২০২১ সালে ইয়াসের (Yass) সময়ও জোরদার সুরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল পুরীর মন্দিরে। ঝড়ে যাতে মন্দিরের কোনও ক্ষতি না হয়, তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

LinkedIn
Share