Tag: NEET Paper Leak

  • NEET Paper Leak: নিট-প্রশ্নপত্র ফাঁসে পরীক্ষা মাফিয়ার বিরুদ্ধে ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট গঠনে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে স্বাগত এবিভিপির

    NEET Paper Leak: নিট-প্রশ্নপত্র ফাঁসে পরীক্ষা মাফিয়ার বিরুদ্ধে ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট গঠনে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে স্বাগত এবিভিপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরীক্ষা মাফিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট গঠন, প্রশাসনিক পুনর্গঠন এবং পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কড়া অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)। সংগঠনের মতে, এই পদক্ষেপগুলি দেশের পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও ছাত্রছাত্রীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সময়োপযোগী। একইসঙ্গে, কেন্দ্রের আশ্বাসের পর সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকের ২৬ দিনের অনশন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তকেও ইতিবাচক পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছে এবিভিপি। সংগঠনটি ওয়াংচুকের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে এবং জানিয়েছে, আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের পথই সর্বাধিক ফলপ্রসূ।

    কাঠামোগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের দাবি

    এবিভিপির দাবি, প্রশ্নফাঁসের মতো গুরুতর সমস্যা রোধ এবং পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্থায়ী সংস্কার আনার লক্ষ্যে তারা দীর্ঘদিন ধরেই কাঠামোগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছে। সংগঠনের মতে, পরীক্ষা মাফিয়ার বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট গঠন, প্রশাসনিক স্তরে পরিবর্তন এবং প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত কঠোর আইন ও নীতিগত সংস্কার বর্তমান পরিস্থিতিতে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। তবে এবিভিপির মতে, এখানেই থেমে থাকলে চলবে না। সংগঠনটি কেন্দ্রের কাছে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি (হাই-লেভেল কমিটি) গঠনের দাবি জানিয়েছে, যা নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সুপারিশ পেশ করে দেশের পরীক্ষা ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং ছাত্রকেন্দ্রিক করে তুলতে কাজ করবে।

    উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের দাবি

    এবিভিপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক ড. বিরেন্দ্র সিং সোলাঙ্কি বলেন, “ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট গঠন, প্রশাসনিক পুনর্গঠন এবং পরীক্ষার সততা রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় প্রতিশ্রুতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী উদ্যোগ। এই প্রেক্ষাপটে সোনম ওয়াংচুকের অনশন প্রত্যাহার আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ, যা ছাত্রসমাজের স্বার্থেই হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “আগামী দিনে এই উদ্যোগগুলিকে আরও শক্তিশালী করতে গভীর কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন। এবিভিপির দাবি অনুযায়ী একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যকর করতে হবে, যাতে দেশের প্রতিটি ছাত্রছাত্রীর জন্য একটি স্বচ্ছ, বিশ্বাসযোগ্য ও জবাবদিহিমূলক পরীক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করা যায়।”

  • PM Modi’s Instagram Reel: মধ্যরাতে জেন জি-র উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী মোদির এক রিল ছাপিয়ে গেল বিটিএস-এর বিশ্বরেকর্ড

    PM Modi’s Instagram Reel: মধ্যরাতে জেন জি-র উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী মোদির এক রিল ছাপিয়ে গেল বিটিএস-এর বিশ্বরেকর্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব রেকর্ড গড়লেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Narendra Modi)। ইন্সটাগ্রামে (Instagram) এখন শুধু তাঁরই চর্চা। সকলের ইন্সটা ফিড জুড়ে শুধু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রিল। ২৪ ঘণ্টায় প্রধানমন্ত্রী মোদির রিলে ভিউ হয়েছে ৩২৮ মিলিয়ন! অর্থাৎ ৩২ কোটি ৮০ লাখ মানুষ এখনও পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর ভিডিওটি দেখেছেন। যা সর্বোচ্চ ভিউ। প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে সরকারের পদক্ষেপ নিয়ে প্রকাশিত এই ভিডিওটি ইনস্টাগ্রামের ইতিহাসে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সর্বাধিক দেখা রিল হিসেবে উঠে এসেছে। শুধু ভিউ-ই নয়, এই রিল প্রকাশের পর এক রাতের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী মোদির ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে প্রায় ১০ লক্ষ নতুন ফলোয়ার যুক্ত হয়েছে। পাশাপাশি, ভিডিওটি ১.৬ কোটিরও বেশি লাইক পেয়েছে। ভিডিওটি নিয়ে মন্তব্য করেছেন প্রায় ১৫ লক্ষ। যা এটিকে প্ল্যাটফর্মের অন্যতম আলোচিত রাজনৈতিক পোস্টে পরিণত করেছে।

    আইশো স্পিড, বিটিএস কে ছাড়িয়ে রেকর্ড মোদির 

    এর আগে জনপ্রিয় ইন্টারনেট ব্যক্তিত্ব আইশো স্পিড (IShowSpeed)-এর একটি রিল প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ভিউ পেয়ে রেকর্ড গড়েছিল। কোরিয়ান বয় ব্যান্ড বিটিএস (BTS)-র রিলেও ভিউ ছিল ৩০০ মিলিয়ন। প্রধানমন্ত্রী মোদির নতুন রিল সেই সংখ্যাকেও অতিক্রম করেছে। রেকর্ড গড়ার পর প্রকাশিত আরেকটি ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘বন্ধুরা, আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ। গত রাতে আপনাদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পেয়েছিলাম। ভিডিওটির প্রতি আপনাদের অভূতপূর্ব সাড়া এবং ইতিবাচক পরামর্শের জন্য কৃতজ্ঞ। আপনাদের ভালোবাসা আমাকে অনুপ্রাণিত করবে এবং আমাদের এই সম্পর্ক আরও গভীর হবে।’’

    কেন ইনস্টাগ্রামকেই বেছে নিলেন মোদি?

    রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, প্রধানমন্ত্রী চাইলে সরকারি প্রচারযন্ত্র বা আনুষ্ঠানিক ভিডিও বার্তার মাধ্যমেও একই বার্তা দিতে পারতেন। কিন্তু তিনি ইচ্ছাকৃতভাবেই ইনস্টাগ্রামের মতো জনপ্রিয় সামাজিক মাধ্যম এবং অনানুষ্ঠানিক ভাষা বেছে নেন, যাতে বিশেষ করে জেন-জি (Gen Z)-র সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করা যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাতের সময় অধিকাংশ তরুণ-তরুণী ও কর্মজীবী মানুষ মোবাইলে শর্ট ভিডিও দেখেন। সেই সময়কে লক্ষ্য করেই ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়, ফলে এটি সাধারণ সরকারি ঘোষণার বদলে ব্যক্তিগত ও সহজবোধ্য বার্তা হিসেবে দর্শকদের কাছে পৌঁছে যায়।

    টিভির পর্দা নয় ফেসবুক লাইভ

    অতীতে নোটবন্দি, করোনা, অপারেশন সিঁদুর-পর্বে সাজানো স্টুডিও থেকে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে দেখা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে। কিন্তু এ বার তাঁর ভিডিও বার্তা আম নেটাগরিকের ‘ফেসবুক লাইভ’ বা ‘ইনস্টাগ্রাম রিলস্‌’। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ বলছেন, ‘নিশানায় থাকা শ্রোতাগোষ্ঠী’ই হয়ে উঠেছে প্রধানমন্ত্রীর এই পরিবর্তনের অনুঘটক। যে জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে মোদি রাজনৈতিক প্রতিযোগিতায় নেমেছেন, সেই জেন জি রাত ৮টার টেলিভিশন সম্প্রচার দেখার জন্য বসে থাকে না। তারা কয়েক সেকেন্ডের উল্লম্ব (ভার্টিক্যাল) ভিডিয়ো ক্লিপ, দ্রুতগতির ভিজুয়াল স্টোরিটেলিং এবং অ্যালগরিদম-নির্বাচিত সমাজমাধ্যমের ‘ফিড’-এ পাওয়া তথ্য গ্রহণ করে। আর তাই নিট-কাণ্ড ঘিরে উত্তাল আন্দোলনের আবহে পরিবর্তনের পথে হাঁটলেন প্রধানমন্ত্রী।

    পেপার লিক ইস্যুতেই মূল বার্তা

    ভিডিওটির মূল বিষয় ছিল প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে সরকারের কঠোর অবস্থান এবং পরীক্ষা ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও নিরাপদ করার প্রতিশ্রুতি। যে ভিডিওটি এত ভাইরাল, তাতে প্রধানমন্ত্রী মোদি দেশের যুবসমাজের মনের কথা বুঝেই বলেছেন যে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা কোনও সামান্য বিষয় নয়। এটি লাখ লাখ পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে তৈরি অত্যন্ত গুরুতর সমস্যা। তিনি আশ্বাস দিয়ে জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অভিযুক্তদের কঠোর থেকে কঠোরতম শাস্তি দিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পরই ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। প্রশ্নফাঁস রুখতে আনা হচ্ছে কঠোর আইনও, যেখানে ১০ বছরের সাজা ও ১ থেকে ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে।

    তাৎপর্যপূর্ণ ভিডিও বার্তা

    সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ও ছাত্র আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এই বার্তাকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিজেপির জাতীয় তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের প্রধান অমিত মালব্য এক্স (সাবেক টুইটার)-এ পোস্ট করে বলেন, ‘‘এটি শুধু একটি সোশাল মিডিয়া রেকর্ড নয়। এটি প্রমাণ করে, প্রজন্ম ও ভৌগোলিক সীমানা পেরিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি মানুষের আস্থা, গ্রহণযোগ্যতা এবং সংযোগ কতটা গভীর।’’ প্রধানমন্ত্রী জানেন, দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশই ইনস্টাগ্রামের মতো প্ল্যাটফর্মে সময় কাটায়। সরকারের উচিত সেই প্ল্যাটফর্মকে কাজে লাগিয়ে তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে সংযোগ বাড়ানো। সোশাল মিডিয়ার যুগে মানুষের মধ্যে যে কোনও বার্তা পৌঁছে দেওয়ার সহজতম উপায়ই হল ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক, ইউটিউব, হোয়াটসঅ্যাপের মতো সামাজিক মাধ্যম। তাই পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রচলিত সরকারি বিবৃতির পরিবর্তে ইনস্টাগ্রামের মতো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রী মোদি তরুণদের সঙ্গে আরও সরাসরি সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করেছেন। দর্শকদের মতামতের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে প্রকাশিত তাঁর দ্বিতীয় ভিডিও সেই যোগাযোগকে আরও আন্তরিক ও দ্বিমুখী করে তুলেছে।

  • PM Modi Video: ‘‘ধন্যবাদ বন্ধুরা’’, যুবকদের উদ্দেশে আবেগঘন বার্তা মোদির, মন্ত্রীদের দিলেন ইনস্টাগ্রাম নির্দেশ

    PM Modi Video: ‘‘ধন্যবাদ বন্ধুরা’’, যুবকদের উদ্দেশে আবেগঘন বার্তা মোদির, মন্ত্রীদের দিলেন ইনস্টাগ্রাম নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাতের ভিডিও বার্তার পর দেশের যুবসমাজের কাছ থেকে যে বিপুল সাড়া পেয়েছেন, তার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, তরুণদের ভালোবাসা ও ইতিবাচক পরামর্শ তাঁর সঙ্গে সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করেছে।

    ভিডিও বার্তায় কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘বন্ধুরা, আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ। গত রাতে আপনাদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ হয়েছিল। আপনারা যেভাবে সেই ভিডিওতে সাড়া দিয়েছেন এবং ইতিবাচক পরামর্শ দিয়েছেন, তার জন্য প্রত্যেককে ধন্যবাদ। আপনাদের এই ভালোবাসা অব্যাহত থাকবে এবং আমাদের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে। ধন্যবাদ, ধন্যবাদ বন্ধুরা।’’

    প্রধানমন্ত্রীর এই নতুন ভিডিওতে ব্যাপক সাড়া

    প্রধানমন্ত্রীর এই নতুন ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশের পর অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যাপক সাড়া ফেলে। প্রকাশের মাত্র আট মিনিটের মধ্যে ভিডিওটি ২৫ লক্ষেরও বেশি ভিউ পায়। পাশাপাশি ইনস্টাগ্রামে ২০ মিনিটের মধ্যেই ১০ লক্ষের বেশি লাইক পড়ে। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৫২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছিলেন। সেখানে তিনি জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে এবং কঠোর শাস্তির বিধান আনতে একটি খসড়া আইন নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা আলোচনা করবে।

    আগের রাতের ভিডিওতে কী বার্তা দিয়েছিলেন?

    প্রায় তিন মিনিটের ওই ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘’’চলতি সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনেই প্রস্তাবিত বিলটি দ্রুত পাস করানোর জন্য সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা করবে। সেই ভিডিও প্রকাশের পর রাতারাতি ইনস্টাগ্রামে প্রায় ১০ লক্ষ নতুন অনুসারীও যুক্ত হয়েছে তাঁর অ্যাকাউন্টে। প্রশ্নপত্র ফাঁসকে অত্যন্ত গুরুতর সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘এটি কোনও ছোটখাটো বিষয় নয়। লক্ষ লক্ষ ছাত্রছাত্রী এবং তাঁদের অভিভাবকদের এটি গভীরভাবে কষ্ট দিয়েছে।’’ তিনি স্পষ্ট জানান, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনায় আরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকার বদ্ধপরিকর। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘নিট (NEET) প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার পর সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার ছিল যাতে কোনও ছাত্রছাত্রীর একটি শিক্ষাবর্ষ নষ্ট না হয়।’’

    মন্ত্রীদের ইনস্টাগ্রামে সক্রিয় হওয়ার পরামর্শ

    শুক্রবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকেও সামাজিক মাধ্যমের গুরুত্ব নিয়ে বিশেষ বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সূত্রের খবর, তিনি মন্ত্রীদের উদ্দেশে জানতে চান, তাঁদের মধ্যে কতজন নিয়মিত ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘দেশের বিপুল সংখ্যক তরুণ এখন ইনস্টাগ্রামে সময় কাটান। তাই সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ, সিদ্ধান্ত ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির তথ্য তরুণ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে মন্ত্রীদের আরও বেশি সক্রিয়ভাবে এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা উচিত।’’ সরকারের সঙ্গে যুবসমাজের যোগাযোগ আরও জোরদার করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য বলে বৈঠকে তিনি উল্লেখ করেন।

  • Union Cabinet: প্রশ্নফাঁসে আর রেহাই নয়! আরও কঠোর অ্যান্টি-পেপার লিক আইনে ছাড়পত্র মোদি মন্ত্রিসভার

    Union Cabinet: প্রশ্নফাঁসে আর রেহাই নয়! আরও কঠোর অ্যান্টি-পেপার লিক আইনে ছাড়পত্র মোদি মন্ত্রিসভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রশ্নফাঁস ও পরীক্ষায় জালিয়াতির বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থান নিল কেন্দ্রীয় সরকার। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে (Union Cabinet) নতুন অ্যান্টি-পেপার লিক বিলের খসড়া অনুমোদন করা হয়েছে। সরকারি সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহেই সংসদের চলতি বর্ষাকালীন অধিবেশনে সংশোধনী বিলটি পেশ করা হতে পারে। এর মাধ্যমে বিদ্যমান পাবলিক এক্সামিনেশন (প্রিভেনশন অফ আনফেয়ার মিনস) আইন (Anti Paper Leak Bill), ২০২৪-কে আরও শক্তিশালী করার পথে হাঁটছে কেন্দ্র। সরকারের লক্ষ্য, প্রশ্নফাঁস, সংগঠিত পরীক্ষা জালিয়াতি এবং পরীক্ষায় অসাধু উপায়ের বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইনের তুলনায় আরও কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা। একইসঙ্গে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করে পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা আরও সুদৃঢ় করাই এই আইনের মূল উদ্দেশ্য।

    কী কী বদল হতে পারে?

    সরকারি সূত্রের দাবি, সংশোধনী বিলে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব রাখা হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে প্রশ্নফাঁসের মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ফাস্ট ট্র্যাক আদালত গঠন। দোষীদের জন্য বর্তমানের তুলনায় আরও দীর্ঘ কারাদণ্ডের বিধান। অন্তত ১০ লক্ষ টাকা বা তার বেশি জরিমানার ব্যবস্থা। সংগঠিত বা বৃহৎ প্রশ্নফাঁস চক্রের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা করার প্রস্তাব।

    বর্তমান আইনে কী শাস্তি রয়েছে?

    দেশে ইতিমধ্যেই ‘পাবলিক এক্সামিনেশন আইন (Anti Paper Leak Bill), ২০২৪’ কার্যকর রয়েছে। ২০২৪ সালে এই আইন কার্যকর করা হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থাগুলির পরিচালিত বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, নকল এবং অন্যান্য অসাধু উপায় রোধ করা। এই আইনের আওতায় রয়েছে ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশন (UPSC), স্টাফ সিলেকশন কমিশন (SSC), ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA), বিভিন্ন ব্যাঙ্ক নিয়োগকারী সংস্থা এবং কেন্দ্রীয় সরকারের অন্যান্য পরীক্ষাগ্রহণকারী কর্তৃপক্ষ। বর্তমান আইনে প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় ৩ থেকে ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ১০ লক্ষ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। পরীক্ষা পরিচালনাকারী কোনও সংস্থা অপরাধে জড়িত বা তথ্য গোপন করলে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। সূত্রের খবর, সংশোধনের পর এই বিধান আরও কঠোর হতে পারে।

    প্রধানমন্ত্রী কী বলেছিলেন?

    মন্ত্রিসভার অনুমোদনের কয়েক ঘণ্টা আগেই, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছিলেন, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার পবিত্রতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর। তিনি প্রশ্নফাঁসকে লক্ষ লক্ষ পরীক্ষার্থী ও তাঁদের পরিবারের ভবিষ্যতের সঙ্গে জড়িত একটি গুরুতর অপরাধ বলে উল্লেখ করেন। ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রশ্নফাঁস কোনও সাধারণ অপরাধ নয়। গত আড়াই মাসে সরকার একাধিক আইনি পদক্ষেপ করেছে, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তারা বর্তমানে জেলে রয়েছে। একই সঙ্গে প্রায় ২২ লক্ষ পরীক্ষার্থীর জন্য পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। প্রশ্নফাঁসের মামলায় দ্রুত শাস্তি নিশ্চিত করতে ফাস্ট ট্র্যাক আদালত গঠনের উদ্যোগ ইতিমধ্যেই নেওয়া হয়েছে। সংশোধনী প্রস্তাব প্রশাসনিক স্তরে প্রস্তুত এবং মন্ত্রিসভার (Union Cabinet) অনুমোদনের পর তা সংসদে আনা হবে।” সেই মতোই শুক্রবার মন্ত্রিসভার বৈঠক (Union Cabinet) ডাকা হয়, সেখানেই মেলে অনুমোদন।

    কেন আনা হচ্ছে এই সংশোধনী?

    সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ও অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে। সেই প্রেক্ষাপটে আইনের ফাঁকফোকর দূর করে আরও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। সরকারের মতে, সংগঠিত প্রশ্নফাঁস চক্রের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে কঠোর শাস্তির পাশাপাশি দ্রুত বিচারও জরুরি।

    বিরোধীদের আন্দোলন অব্যাহত

    সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা, বিশেষ করে নিট-ইউজি-সহ একাধিক পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ও অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসার পর দেশজুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। পরীক্ষার্থী, ছাত্র সংগঠন এবং বিভিন্ন বিরোধী রাজনৈতিক দল রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করে। দিল্লির যন্তর মন্তর-সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় আন্দোলন হয়। বিরোধী দল Cockroach Janta Party (CJP)-র পাশাপাশি বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনও এই আন্দোলনে সামিল হয়েছে। আন্দোলনে সামিল হয়েছে কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টিও। তাঁদের দাবি, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, প্রশ্নফাঁসের সমস্ত ঘটনার নিরপেক্ষ ও সময়বদ্ধ তদন্ত,  শিক্ষা ও পরীক্ষা ব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কার ও সংগঠিত প্রশ্নফাঁস চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা। পাশাপাশি নিট-ইউজি প্রশ্নফাঁসের জেরে আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি করা পড়ুয়াদের পরিবারের জন্য ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ। এই পরিস্থিতিতেই প্রশ্নফাঁস ও সংগঠিত পরীক্ষা জালিয়াতির বিরুদ্ধে আরও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে নতুন সংশোধনী বিল আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

    সরব রাহুল গান্ধী

    অন্যদিকে, বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ফের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি তুলেছেন। তাঁর অভিযোগ, গত এক দশকে দেশে প্রায় ১৫০টি প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেছে, অথচ কোনও ক্ষেত্রেই দোষীদের বিরুদ্ধে কার্যকর শাস্তি নিশ্চিত হয়নি।

    বিল পেশের অপেক্ষা

    মন্ত্রিসভার (Union Cabinet) অনুমোদন মিলেছে, আগামী সপ্তাহেই সংশোধনী বিলটি সংসদে পেশ হওয়ার সম্ভাবনা। বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নফাঁস, পরীক্ষায় কারচুপি এবং সংগঠিত জালিয়াতির বিরুদ্ধে দেশের আইনি কাঠামো আরও শক্তিশালী হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। কেন্দ্রের আশা, কঠোর শাস্তি ও দ্রুত বিচারের মাধ্যমে পরীক্ষা ব্যবস্থার প্রতি কোটি কোটি পরীক্ষার্থীর আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে।

  • PM On NEET: নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে মধ্যরাতে ভিডিয়ো বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির, সরানো হল কেন্দ্রীয় শিক্ষা সচিব বিনীত যোশীকে

    PM On NEET: নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে মধ্যরাতে ভিডিয়ো বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির, সরানো হল কেন্দ্রীয় শিক্ষা সচিব বিনীত যোশীকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে (PM On NEET) কড়া পদক্ষেপ কেন্দ্রের। মন্ত্রিসভার বৈঠকে আজ, শুক্রবারই ঘোষণা করা হবে সেই কথা। মধ্যরাতে একটি ভিডিয়ো বার্তায় তা জানালেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, “প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ শুক্রবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে ঘোষণা করা হবে।” তিনি জানিয়েছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় দ্রুত বিচার (ফাস্ট-ট্র্যাক) আদালত গঠন এবং আরও কঠোর শাস্তির বিধান থাকা একটি খসড়া আইন নিয়ে শুক্রবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় আলোচনা হবে। চলতি বাদল অধিবেশনেই যত দ্রুত সম্ভব সংসদে এই আইনটি পাস করাতে সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা করা হবে বলেও প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন।

    প্রধানমন্ত্রী মোদির বার্তা

    সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করা প্রায় তিন মিনিটের একটি ভিডিয়ো বার্তায় মোদি বলেন, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী এবং তাঁদের অভিভাবকদের গভীর কষ্ট দিয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ যে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে আরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে। প্রধানমন্ত্রী এও জানিয়েছেন, সরকারের তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার ছিল যাতে কোনও শিক্ষার্থীর একটি শিক্ষাবর্ষ নষ্ট না হয়। তিনি বলেন, “অত্যন্ত অল্প সময়ের মধ্যে প্রায় ২২ লক্ষ শিক্ষার্থীর জন্য পরীক্ষা আয়োজন করতে সরকার তার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। ১৯ জুলাই, ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পরীক্ষার্থীদের সাফল্যের খবর আসছে।” ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও।

    সরানো হল শিক্ষা সচিবকে

    নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে বিক্ষোভের মাঝেই বড় পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। শিক্ষা সচিব পদ থেকে সরানো হয়েছে বিনীত যোশীকে। তাঁর জায়গায় নয়া শিক্ষা সচিব (Education Secretary) হয়েছেন নরেশ গাঙ্গোয়ার। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এই বদলির বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। ২০২৫-এর জানুয়ারিতে উচ্চশিক্ষা দফতরের সচিব পদে দায়িত্ব নেন বিনীত যোশী। তাঁকে শিক্ষা দফতর থেকে সরিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হল পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রকে। অন্যদিকে, স্কুলশিক্ষা দফতরের সচিব হলেন টি কে অনিল কুমার। গ্রামোন্নয়ন দফতরের সচিব ছিলেন তিনি। বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে বলেন, “প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার জেরেই শিক্ষা সচিবকে সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যাঁরা প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় যুক্ত, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।”

  • Sonam Wangchuk Breaks Fast: কেন্দ্রের আশ্বাসে অনশন ভাঙলেন সোনম ওয়াংচুক, দ্রুত সুস্থতা কামনা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    Sonam Wangchuk Breaks Fast: কেন্দ্রের আশ্বাসে অনশন ভাঙলেন সোনম ওয়াংচুক, দ্রুত সুস্থতা কামনা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের তরফে আশ্বাস মিলতেই ২৬ দিনের অনশন প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিলেন সোনম ওয়াংচুক (Sonam Wangchuk)। গুরগাঁওয়ের মেদন্ত হাসপাতালে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিং-এর উপস্থিতিতে বৃহস্পতিবার রাতে অনশন ভাঙেন তিনি। উপস্থিত ছিলেন ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি। ছবিতে দেখা যায়, অনশন প্রত্যাহারের সময় ওয়াংচুকের দিকে জলের গ্লাস বাড়িয়ে দিচ্ছেন জেপি নাড্ডা, তাঁকে উঠে বসতে সাহায্য করছেন জিতেন্দ্র সিং। শুক্রবার সকালে সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে সরকারের সঙ্গে তাঁর শর্তগুলির কথা জানিয়েছেন ওয়াংচুক।

    মূলত তিনটি আশ্বাসেই অনশন প্রত্যাহার

    ওয়াংচুক জানিয়েছেন, কেন্দ্রের তরফে মূলত তিনটি আশ্বাস পাওয়ার পরেই তিনি অনশন প্রত্যাহার করলেন। ওয়াংচুক বলেছেন, যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে যোগ দেওয়া আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনও মামলা রুজু হবে না বলে লিখিত প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কেন্দ্র। ২০ জুলাই সংসদ অভিযানে শামিল হওয়া আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ না-করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ওই ভিডিয়োবার্তায় ওয়াংচুক জানিয়েছেন, দেশে পরীক্ষা ব্যবস্থার ত্রুটির দিকগুলি নিয়ে সংসদে আলোচনা করবে সরকার এবং দেশের বিরোধী দলগুলি। এই বিষয়েও কেন্দ্রের তরফে লিখিত আশ্বাস মিলেছে বলে জানান তিনি। এর পাশাপাশি কেন্দ্র জানিয়েছে, নিট-এর প্রশ্নপত্র ফাঁসের পর যে পড়ুয়ারা আত্মহত্যা করেছেন, তাঁদের পরিবারকে ‘পর্যাপ্ত’ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়টি ‘ইতিবাচক ভাবে বিবেচনা’ করে দেখছে কেন্দ্র।

    প্রধানমন্ত্রী মোদির বার্তা

    ওয়াংচুক অনশন প্রত্যাহার করার পরেই সমাজমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “সোনমজিকে আমার অনুরোধ, আপনি চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে চলুন। দৈনন্দিন কাজে ফিরুন।” টানা অনশনে ক্রমশ ওজন কমে যাওয়া ওয়াংচুক দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন বলেও আশাপ্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। গত ২৮ জুন থেকে নিট (NEET) পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস ও শিক্ষা সংক্রান্ত অনিয়মের প্রতিবাদে এবং শিক্ষাক্ষেত্রে সংস্কারের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে পড়ুয়াদের আন্দোলনে যোগ দিয়ে অনশন শুরু করেছিলেন ওয়াংচুক। বৃহস্পতিবার রাতে অনশন ভাঙার পর এক্স মাধ্যমে ওয়াংচুক লেখেন, “জেপি নাড্ডা, জিতেন্দ্র সিংহ ও লে লাদাখ অ্যাপেক্স বডির শীর্ষকর্তাদের উপস্থিতিতে আমি অনশন ভঙ্গ করলাম।” তিনি আরও জানান হাসপাতালে থাকাকালীন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৬৫ জন সংসদ তাকে অনশন প্রত্যাহারের অনুরোধ করেছেন। ওয়াংচুক উল্লেখ করেছেন, দীর্ঘ আলোচনার পর, হিংসার পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। কোথাও যাতে কোনওভাবে হিংসা ছড়িয়ে না পড়ে, এই বার্তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন এক্স মাধ্যমে।

  • NEET Paper Leak Row: সংসদে প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে আলোচনায় রাজি কেন্দ্র, সংসদে এনডিএ ও ইন্ডি জোটের মুখোমুখি বিক্ষোভ

    NEET Paper Leak Row: সংসদে প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে আলোচনায় রাজি কেন্দ্র, সংসদে এনডিএ ও ইন্ডি জোটের মুখোমুখি বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সংসদে আলোচনায় রাজি কেন্দ্র। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানালেন, শিক্ষার্থীরাই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তবে সরকার শান্তিপূর্ণ সুষ্ঠ আলোচনা চাইলেও নিট ইউজি (NEET-UG) প্রশ্নফাঁস ইস্যুকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার সংসদের ভিতরে ও বাইরে তীব্র রাজনৈতিক সংঘাতের ছবি দেখা গেল। সংসদ ভবনের বাইরে এনডিএ (NDA) এবং ইন্ডিয়া (INDIA) জোটের সাংসদরা পাল্টা বিক্ষোভে সামিল হন। উভয় পক্ষের স্লোগান-পাল্টা স্লোগানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে সংসদের নিরাপত্তারক্ষীরা মানবশৃঙ্খল তৈরি করে দুই পক্ষকে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়া থেকে বিরত রাখেন।

    সংসদ চত্বরে উত্তেজনা

    বিক্ষোভ চলাকালীন সিপিআই(এম)-এর সাংসদ জন ব্রিটাসকে বিজেপি নেতা অরুণ সিংয়ের হাতে থাকা একটি পোস্টার টেনে নিতে দেখা যায়। এরপরই দুই পক্ষের সাংসদরা মুখোমুখি দাঁড়িয়ে তীব্র স্লোগান দিতে থাকেন, যার জেরে সংসদ চত্বরে উত্তেজনা আরও বাড়ে। এদিকে, নিট ইউজি NEET-UG) প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-এর সমর্থকদের জন্তর মন্তরে টানা ৩৪ দিনের আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি একই দাবিতে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকের অনশন বৃহস্পতিবার ২৬তম দিনে পড়েছে। আন্দোলনকারীদের দাবি, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় উচ্চপর্যায়ের স্বচ্ছ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

    সংসদে আলোচনায় রাজি কেন্দ্র

    কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, নিট ইউজি NEET-UG) প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে সংসদে আলোচনার জন্য তারা প্রস্তুত। একই সঙ্গে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে এই বিতর্ক এড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। বিজেপি সাংসদ সম্বিত পাত্র বলেন, প্রশ্নফাঁসের মতো গুরুতর বিষয় নিয়ে সংসদে বিস্তারিত আলোচনা হওয়া উচিত এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রুখতে কঠোর আইন প্রণয়ন প্রয়োজন। তাঁর অভিযোগ, কংগ্রেস সংসদে আলোচনা না করে বিষয়টিকে রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত করতে চাইছে।অন্যদিকে বিজেপি সাংসদ সুধাংশু ত্রিবেদীও দাবি করেন, এনডিএ সাংসদরা সংসদের বাইরে দাঁড়িয়ে নিট এবং শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনার দাবি জানিয়েছেন, কিন্তু কংগ্রেস সেই আলোচনা আটকে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

    মোদিকে পাল্টা আক্রমণ রাহুলের

    প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান। তাঁর অভিযোগ, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের জন্য প্রধানমন্ত্রী নিজেই দায়ী এবং অভিযুক্তদের রক্ষা করেছেন। রাহুল গান্ধী বলেন, ছাত্রদের দাবি স্পষ্ট—

    • > শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে অপসারণ করতে হবে।
    • > ছাত্রদের কাছে প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমা চাইতে হবে।
    • > আন্দোলনকারী ছাত্রদের ওপর হামলার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

    জয়রাম রমেশের কটাক্ষ

    কংগ্রেস সাংসদ জয়রাম রমেশও প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করে বলেন, ছাত্র আন্দোলনের চাপে পড়েই ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতের ঘোষণা দিতে বাধ্য হয়েছেন মোদি। তাঁর অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী সংসদে এসে বিষয়টি নিয়ে সরাসরি আলোচনা করার সাহস দেখাননি। পাশাপাশি তিনি “ভোট চুরি, আসন চুরি, চাঁদা চুরি, প্রশ্নপত্র চুরি” ইস্যু তুলে কেন্দ্রকে নিশানা করেন।

    রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র

    নিট ইউজি (NEET-UG) প্রশ্নফাঁসকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছাত্র আন্দোলন জোরদার হয়েছে। সংসদে সরকার ও বিরোধীদের এই মুখোমুখি অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, আগামী দিনেও এই ইস্যু জাতীয় রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিতর্ক হিসেবে সামনে থাকবে। নিট প্রশ্ন ফাঁস (NEET Paper Leak Case) নিয়ে প্রথম থেকেই সরব বিরোধীরা। সেই সঙ্গে আন্দোলন শুরু করে ককরোচ জনতা পার্টিও (সিজেপি)। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবি জানান তারা। নিট কাণ্ডের প্রতিবাদে সংসদীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু লেন, “আলোচনার সময় বিরোধীরা তাদের বক্তব্য তুলে ধরতে পারে। তাদের কেউ বাধা দেবে না। কিন্তু আলোচনার আগেই যদি শর্তের পাহাড় তুলে ধরা হয়, তাহলে এর অর্থ হল – আপনারা আসলে আলোচনা চান না। আমরা খোলা মনেই জানিয়েছি যে, নিট প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে আমরা আলোচনায় প্রস্তুত।”

    সরকার আলোচনায় রাজি

    প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে সংসদে আলোচনার বার্তা দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডাও। তিনি জানিয়েছেন, সংসদে এই বিষয়ে আলোচনা করতে চান তাঁরা। নাড্ডা বলেন, ‘বিএসিতে সব দল মিলে আলোচনার সময় স্থির করুক, আমরা ১০ ঘণ্টা -১২ ঘণ্টা ধরে আলোচনা করব। সময় স্থির করুক বিরোধী শিবির। পড়ুয়ারা আমাদের সবার সন্তান, দেশের ভবিষ্যৎ।’  বুধবারই সাংবাদিক সম্মেলন করে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছিলেন গত ১০ বছরে ১৫২টি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। পাল্টা মন্ত্রী জেপি নাড্ডার অভিযোগ, জম্মু কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, তেলেঙ্গানা, কেরালা, কর্ণাটক, পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ুতে আগে পেপার লিক হয়েছে – এই রাজ্যগুলিতে বিরোধী দলের সরকার ছিল। রাহুল যে দাবি করেছেন, সেটা তদন্তের বিষয় বলেও জানিয়েছেন তিনি। রাহুল গান্ধী উদ্দেশ্য ছাত্রদের ভালোর জন্য নয় বলেও অভিযোগ তাঁর। তাঁর দাবি, ‘রাহুল গান্ধী রাজনৈতিক ফায়দা তুলছেন, পড়ুয়াদের স্বার্থ দেখছেন না।’

  • PM Narendra Modi: ‘ছাত্রদের ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনীতি করবেন না’, নিট বিতর্কে কড়া বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    PM Narendra Modi: ‘ছাত্রদের ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনীতি করবেন না’, নিট বিতর্কে কড়া বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট প্রশ্নফাঁস বিতর্কের আবহে ছাত্রদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনও ধরনের রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। মঙ্গলবার সংসদ ভবনের লাইব্রেরি ভবনের জিএমসি বালাযোগী অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এনডিএ সংসদীয় দলের ‘মঙ্গল মিলন’ বৈঠকে (NDA Parliamentary Party Meet) তিনি বলেন, ‘‘দেশের ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করতে কেন্দ্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’’ প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, ছাত্রদের ভবিষ্যৎ কোনওভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেওয়া যাবে না। নিট ইস্যুকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলগুলিকে অযথা রাজনীতি না করারও আহ্বান জানান তিনি।

    ছাত্রদের স্বার্থ রক্ষার বার্তা

    বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানান, প্রধানমন্ত্রী নিট বিতর্কের কারণে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। রিজিজু বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, কোনও পরিস্থিতিতেই ছাত্রদের ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া উচিত নয়। পাশাপাশি নিট ইস্যুকে রাজনৈতিক হাতিয়ার না বানানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি সরকারের অবস্থানও পুনর্ব্যক্ত করেছেন। সরকারের লক্ষ্য পরীক্ষা ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখা এবং ছাত্রদের স্বার্থ সুরক্ষিত রাখা।’’

    কেন ডাকা হয়েছিল ‘মঙ্গল মিলন’ বৈঠক?

    এদিনের ‘মঙ্গল মিলন’ (Mangal Milan) বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন জানানো। সম্প্রতি তিনি ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালনকারী নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। পাশাপাশি সদ্য নির্বাচিত রাজ্যসভার সদস্যদেরও স্বাগত জানানো হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং, কিরেন রিজিজু ও অর্জুন রাম মেঘওয়াল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, জি. কিষাণ রেড্ডি এবং বিজেপির জাতীয় সভাপতি রাহুল সিনহা। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের আগে এনডিএ-র সহযোগী দলগুলি মোদির এই ঐতিহাসিক মাইলফলককে স্বীকৃতি জানিয়ে একটি অভিনন্দন প্রস্তাবও গ্রহণ করে।

    প্রথম বৈঠক নিয়ে উচ্ছ্বসিত অশোক মিত্তল

    প্রথমবার এনডিএ–বিজেপির সংসদীয় দলের বৈঠকে যোগ দিয়ে বিজেপি সাংসদ অশোক মিত্তল বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও দলের নেতৃত্বের বক্তব্য শোনার সুযোগ পাওয়াকে তিনি বড় সম্মান বলে মনে করছেন। তিনি জানান, দেশের উন্নয়নে কীভাবে আরও কার্যকরভাবে কাজ করা যায় এবং একজন সাংসদ হিসেবে নিজের দায়িত্ব কীভাবে পালন করতে হবে, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনার অপেক্ষায় রয়েছেন।

    এনডিএ বৈঠকে অনুপস্থিত এনসিপিআই

    অন্যদিকে, সদ্য গঠিত ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়া (NCPI)-র ২০ জন সাংসদ এদিনের বৈঠকে যোগ দেননি। প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদদের নিয়ে গঠিত এই দলটি বর্তমানে এনডিএ-কে সমর্থন করছে। তবে লোকসভার স্পিকার এখনও পর্যন্ত এনসিপিআই-এর একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়াকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি না দেওয়ায় তারা যৌথ বৈঠক থেকে দূরে থাকে। এর আগে রবিবার বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এনসিপিআই তাদের প্রথম পৃথক সংসদীয় দলের বৈঠক করে। বৈঠক শেষে তিনি জানান, সংসদে দলের বসার ব্যবস্থা, ডিভিশন নম্বর এবং পৃথক আইনসভার ব্লক অনুমোদিত হয়েছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, সংসদে এনডিএ সরকারকে সমর্থন করলেও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন কেন্দ্রের সমস্যা নিয়ে তাঁরা রাজ্য সরকারের কাছেই বিষয়গুলি তুলবেন।

    ১৩ অগাস্ট পর্যন্ত চলবে বর্ষাকালীন অধিবেশন

    উল্লেখ্য, সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশন সোমবার শুরু হয়েছে এবং আগামী ১৩ অগাস্ট পর্যন্ত চলবে। এই অধিবেশনে নিট বিতর্ক-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ইস্যুতে সরকার ও বিরোধীদের মধ্যে তীব্র আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • NEET Re Exam: আজ নিট, ২২ লাখেরও বেশি পরীক্ষার্থীর ভাগ্য পরীক্ষা, আস্থার পরীক্ষায় এনটিএ-কেন্দ্রও

    NEET Re Exam: আজ নিট, ২২ লাখেরও বেশি পরীক্ষার্থীর ভাগ্য পরীক্ষা, আস্থার পরীক্ষায় এনটিএ-কেন্দ্রও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট ইউজি ২০২৬ এর রি-টেস্ট আজ, রবিবার (NEET Re Exam)। ২২ লাখেরও বেশি মেডিক্যাল ভর্তি-প্রত্যাশী অংশ নেন এই পরীক্ষায়। এই পরীক্ষাটি কেবল পরীক্ষার্থীদের জন্যই নয়, এনটিএ (National Testing Agency) এবং কেন্দ্রীয় সরকারের কাছেও একটি বড় চ্যালেঞ্জ (Security)। কারণ মে মাসে হওয়া পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ এবং পরবর্তীকালে পরীক্ষা বাতিল হওয়ায় সৃষ্টি হয়েছিল আস্থার সঙ্কট। সেই সঙ্কট কাটিয়ে উঠতেই এবার ছিল নজিরবিহীন নিরাপত্তার ব্যবস্থা।

    কড়া নিরাপত্তায় পরীক্ষা (NEET Re Exam)

    প্রশ্নফাঁস বিতর্কের জেরে দেশজুড়ে বিক্ষোভ, ছাত্রদের প্রতিবাদ এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিও উঠেছিল। কেন্দ্র জানিয়েছিল, স্বচ্ছতা বজায় রাখার স্বার্থে কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েই আগের পরীক্ষা বাতিল করে ফের পরীক্ষার আয়োজন করা হবে। সেই মতো হয় রি-টেস্ট। সাধারণ পরীক্ষার্থীদের তিন ঘণ্টা ১৫ মিনিট সময় দেওয়া হলেও, বিশেষভাবে সক্ষম পরীক্ষার্থীরা পায় অতিরিক্ত এক ঘণ্টা ৫ মিনিট। এনটিএর তরফে পরীক্ষার্থীদের দুপুর দেড়টার মধ্যেই পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল আগেই। এদিন যাচাই করা হচ্ছে অ্যাডমিট কার্ড, বৈধ পরিচয়পত্র এবং পাসপোর্ট সাইজের দু’টি ছবি। নির্ধারিত সময়ের পরে কোনও পরীক্ষার্থীকেই যে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হবে না, তাও আগেই জানিয়ে দিয়েছিল পরীক্ষক সংস্থা। প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারতীয় বায়ুসেনার মাধ্যমে সেগুলি বিভিন্ন কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হয়।  দেশজুড়ে ৫,৪৪০টি পরীক্ষাকেন্দ্র এবং বিদেশের ১৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হচ্ছে। সব মিলিয়ে মোট ৫৫১টি শহরে এই পরীক্ষা হচ্ছে।

    ব্রজ্র আঁটুনি

    এনটিএ জানিয়েছে, ৯৫ হাজারেরও বেশি পরীক্ষাকক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। মোট ১,৩৮,৫৬০টি সিসিটিভি ক্যামেরার লাইভ ফিড জাতীয়, রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় স্তরে পর্যবেক্ষণ করা (Security) হচ্ছে। ইলেকট্রনিক জালিয়াতি রুখতে ৫১,৩১১টি জ্যামার মোতায়েন করা হয়েছে। এর পাশাপাশি পুলিশ, আধাসামরিক বাহিনী, ভারতীয় বায়ুসেনা এবং ডাক বিভাগের কর্মীরাও নিরাপত্তা এবং লজিস্টিক ব্যবস্থাপনায় যুক্ত রয়েছেন (NEET Re Exam)। প্রতি পরীক্ষাকেন্দ্রে গড়ে ৪০ থেকে ৫০ জন নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। পরীক্ষাকক্ষে থাকছেন দু’জন করে ইনভিজিলেটর। প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রের দায়িত্বে রয়েছেন ১০ জনেরও বেশি অতিরিক্ত পরীক্ষাকর্মী। পরীক্ষার্থীদের পরিচয়পর্ব যাচাই আরও কড়া করা হয়েছে। প্রায় ৩৮,৭৯৫ জন ফ্রিস্কিং স্টাফ এবং ৪৮,৪৪৮ জন বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। বায়োমেট্রিক যাচাইয়ের পাশাপাশি ফেস অথেনটিকেশন ব্যবস্থাও চালু করা হয়েছে। এনটিএর নির্দেশ মতো প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে একজন করে সেন্টার সিস্টেমস অফিসার (CSO) থাকছেন। তিনি দিনভর সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত সমস্যার দ্রুত সমাধান করবেন।

    সংস্থার প্রধান লক্ষ্য

    এদিকে, পরীক্ষার ঠিক আগের দিন একটি ঘটনাকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। নাগপুরের এক পরীক্ষার্থীর অভিযোগ, তাঁর পরীক্ষাকেন্দ্র আবুধাবিতে। যদিও, ওই পরীক্ষার্থীর দাবি, পছন্দের কেন্দ্র হিসেবে তিনি বেছে নিয়েছিলেন নাগপুর, ওয়ার্ধা এবং ভান্ডারা শহরকে (NEET Re Exam)। অভিযোগ ওঠার পর দ্রুত ঘটনার তদন্ত করে এনটিএ জানায়, পরীক্ষার্থীর নিজস্ব লগইন থেকেই কেন্দ্র পরিবর্তনের আবেদন করা হয়েছিল, এবং সেই অনুযায়ীই আবুধাবি কেন্দ্র বরাদ্দ হয়েছিল। পরে অনুরোধ পাওয়ার পর তাঁকে নাগপুরেই নতুন কেন্দ্র দেওয়া হয়েছে। সংস্থার তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, প্রশাসনিক জটিলতার কারণে কোনও পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা যেন নষ্ট না হয়, সেটাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।

    রাহুলের বার্তা

    এদিকে, প্রশ্নফাঁসকাণ্ডে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে প্রতিবাদ কর্মসূচি অব্যাহত। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীও পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে শুভেচ্ছা জানিয়ে কেন্দ্রকে সতর্ক করেছেন (NEET Re Exam)। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, “আমি আশা করি তোমাদের পরীক্ষা খুব (Security) ভালো হবে। আমরা তোমাদের পাশে আছি এবং তোমাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে চাই।” কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে রাহুল বলেন, “দয়া করে নিশ্চিত করুন, এবার যেন কোনও গলদ না হয়। ছাত্রছাত্রীরা ইতিমধ্যেই যথেষ্ট মানসিক চাপের মধ্যে রয়েছে (NEET Re Exam)।”

     

  • NEET Paper Leak: নিট-ইউজি প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় তদন্তের কেন্দ্রে এনটিএর প্রশ্নপত্র প্রস্তুতকারী প্যানেল

    NEET Paper Leak: নিট-ইউজি প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় তদন্তের কেন্দ্রে এনটিএর প্রশ্নপত্র প্রস্তুতকারী প্যানেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের নিট-ইউজি প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় আরও একজনকে গ্রেফতারের পর এবার তদন্তের কেন্দ্রে জাতীয় পরীক্ষা সংস্থা (NTA)-র প্রশ্নপত্র প্রস্তুতকারী প্যানেল। সিবিআইয়ের এক আধিকারিক (CBI Probe) সংবাদ মাধ্যমে জানান (NEET Paper Leak), প্রশ্নপত্র প্রস্তুতকারী পুরো কমিটি এবং এনটিএর শীর্ষ আধিকারিকদের তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আরও কয়েকজন গ্রেফতার হতে পারেন। প্রসঙ্গত, শনিবারই গ্রেফতার করা হয়েছে পুণের উদ্ভিদবিদ্যার শিক্ষিকা মণীষা গুরুনাথ মান্ধারেকে। অভিযোগ, মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষার কয়েক সপ্তাহ আগেই প্রশ্ন ফাঁস করেছিলেন তিনি।

    প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের জাল (NEET Paper Leak)

    মণীষা ছিলেন এনটিএর নিযুক্ত বিশেষজ্ঞ। কাজ করতেন প্রশ্নপত্র প্রস্তুতকারী কমিটিতে। তদন্তকারীদের মতে, এর ফলে তিনি বোটানি ও জুলজি বিভাগের গোপনে রাখা প্রশ্নপত্র দেখার অধিকার পান। এর একদিন আগেই তদন্তকারী সংস্থা অবসরপ্রাপ্ত রসায়নের অধ্যাপক পিভি কুলকার্নিকে গ্রেফতার করে। তাঁকে তদন্তকারীরা এই কেলেঙ্কারির ‘মূল চক্রী’ বলে উল্লেখ করেন। অন্য এক আধিকারিক বলেন, “প্রশ্নফাঁসের তদন্তে এই প্রথম আমরা এনটিএর ভেতর থেকেই ফাঁসের উৎস খুঁজে পেয়েছি। প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে মেসেজিং গ্রুপে পিডিএফ আকারে ছড়িয়ে পড়ার পর শত শত পরীক্ষার্থী এর সুবিধা পেয়ে থাকতে পারে। আমরা তাদের সবাইকে চিহ্নিত করব। তবে প্রথমে আমরা প্রশ্নফাঁসের উৎস ও তাদের সহযোগীদের খুঁজছি (NEET Paper Leak)।”

    বিশেষ কোচিং ক্লাস করিয়েছিলেন মান্ধারে!

    সিবিআইয়ের মতে, এপ্রিল মাসে মান্ধারে তাঁর পুণের বাড়িতে কিছু নির্বাচিত ছাত্রছাত্রীকে নিয়ে বিশেষ কোচিং ক্লাস করাচ্ছিলেন। সেখানে তিনি বোটানি ও জুলজির প্রশ্ন বলে দিতেন, যেগুলির অনেকটাই পরে ৩ মে অনুষ্ঠিত নিট-ইউজি ২০২৬ পরীক্ষায় এসেছিল (CBI Probe)।তদন্তকারীরা জানান, ছাত্রছাত্রীদের তাঁর কাছে নিয়ে আসতেন সহ-অভিযুক্ত মণীষা ওয়াঘমারে। তিনি পুণের একটি বিউটি পার্লারের মালিক। এই সপ্তাহের শুরুতেই গ্রেফতার হয়েছেন তিনি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা জানিয়েছে, “ক্লাস চলাকালীন মান্ধারে বোটানি ও জুলজির বিভিন্ন প্রশ্ন ব্যাখ্যা করতেন। ছাত্রছাত্রীদের সেগুলি খাতায় লিখে রাখতে ও বইয়ে চিহ্নিত করে রাখতে বলতেন। এই প্রশ্নগুলির অধিকাংশই নিট-ইউজি ২০২৬ পরীক্ষার আসল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে মিলে যায় (NEET Paper Leak)।”

    প্রমাণ লোপাট করতে প্রশ্নপত্র নষ্ট!

    আধিকারিকরা জানান, তদন্তে এনটিএর ভেতর থেকে বের হওয়া প্রশ্নফাঁসের দু’টি আলাদা সেটের সন্ধান মিলেছে—একটি হাতে লেখা, অন্যটি টাইপ করা। তদন্তকারীদের দাবি, কুলকার্নি রসায়নের প্রশ্নপত্র ফাঁস করেছিলেন, আর মান্ধারে করেছিলেন জীববিজ্ঞানের অংশ। অভিযোগ, কুলকার্নিও তাঁর পুণের বাড়িতে বিশেষ ক্লাস নিতেন। সেখানে ছাত্রছাত্রীরা প্রশ্ন, বিকল্প উত্তর এবং সঠিক উত্তর লিখে নিতেন, যেগুলি পরে আসল পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সঙ্গে ‘হুবহু মিলে যায়’। শনিবার সিবিআই কুলকার্নি ও ওয়াঘমারেকে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ বিশেষ আদালতে হাজির করে, আবেদন জানায় ১৪ দিনের হেফাজতের। সংস্থা তাঁদের ‘সংগঠিত প্রশ্নফাঁস চক্রের সদস্য’ বলে দাবি করে। আদালত দু’জনকে ১০ দিনের সিবিআই হেফাজতে পাঠায়। সিবিআই আদালতে জানিয়েছে, অভিযুক্তরা ৩ মে-র পরীক্ষার পর প্রমাণ লোপাট করতে প্রশ্নপত্র নষ্ট করে দেয়। তদন্তকারীরা এও খতিয়ে দেখছেন, কুলকার্নি ও মান্ধারের আগেও কেউ কোনও প্রশ্নপত্রফাঁসকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন কি না।

    মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে ছড়িয়েছিল প্রশ্ন

    তদন্তে জানা গিয়েছে, কীভাবে মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে বিভিন্ন রাজ্যে প্রশ্নপত্র পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল। তদন্তকারীদের মতে, ৫০০-৬০০টি প্রশ্ন সম্বলিত একটি পিডিএফ টেলিগ্রাম গ্রুপে ছড়িয়ে পড়েছিল। নাসিকের শুভম খৈরনার এই প্রশ্নপত্র পৌঁছে দেন গুরগাঁওয়ের যশ যাদবের কাছে। যশ সেটি জয়পুরের মাঙ্গিলাল বিওয়াল ওরফে মাঙ্গিলাল খাটিকের কাছে ১০ লাখ টাকায় বিক্রি করেন। তিনি দাবি করেছিলেন, প্রায় ১৫০টি প্রশ্ন ফাইনাল পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সঙ্গে মিলবে (NEET Paper Leak)। গত ২৪ ঘণ্টায় ছ’টি জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে ল্যাপটপ, ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত বিভিন্ন নথি, মোবাইল ফোন এবং মামলার সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য সামগ্রীও উদ্ধার করা হয়েছে।

    ৫ রাজ্য থেকে গ্রেফতার

    এখন পর্যন্ত পাঁচটি রাজ্য থেকে সব মিলিয়ে মোট ন’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন পুণের মান্ধারে, কুলকার্নি ও ওয়াঘমারে, আহিল্যানগরের ধনঞ্জয় লোকহান্ডা,  নাসিকের খৈরনার, জয়পুরের মাঙ্গিলাল বিওয়াল, বিকাশ বিওয়াল ও দীনেশ বিওয়াল, এবং গুরগাঁওয়ের যশ। সিবিআই জানিয়েছে, “এই মামলায় পূর্ণাঙ্গ, নিরপেক্ষ এবং পেশাদার তদন্তে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” প্রতি বছর ২২ লাখেরও বেশি ছাত্রছাত্রী মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির (CBI Probe) প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট-ইউজি দেন। প্রশ্নফাঁসের পর ৩ মে-র পরীক্ষা বাতিল করা হয়। ২১ জুন ফের (NEET Paper Leak) পরীক্ষার দিন ঘোষণা করেছে সরকার।

     

LinkedIn
Share