Tag: news in bengali

news in bengali

  • Pakistan: পাকিস্তানের ১৫,০০০ শ্রমিকের পাসপোর্টে ‘জেল খাটা’ ও ‘পলাতক’ তকমা, ফেরত পাঠাবে সংযুক্ত আরব আমিরাত

    Pakistan: পাকিস্তানের ১৫,০০০ শ্রমিকের পাসপোর্টে ‘জেল খাটা’ ও ‘পলাতক’ তকমা, ফেরত পাঠাবে সংযুক্ত আরব আমিরাত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE) থেকে গণহারে পাকিস্তানি শ্রমিকদের ফেরত পাঠানোর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ইতিহাদ এয়ারওয়েজ এবং অন্যান্য সংবাদ মাধ্যমে প্রায় ১৫,০০০ পাকিস্তানি (Pakistan) শ্রমিককে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে জানা গিয়েছে। তবে উদ্বেগের বিষয় হল, এই শ্রমিকদের পাসপোর্টে ‘জেল খাটা’ (Jailed) এবং ‘পলাতক’ (Absconding)-এর মতো নেতিবাচক সিল মেরে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে ভবিষ্যতে তাঁদের অন্য কোনও দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ চিরতরে বন্ধ হয়ে যাওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এই নিয়ে বিশ্বদরবারে পাকনাগরিকদের ফের আরও একবার মুখপুড়ল।

    ঘটনার নেপথ্যে আসিম মুনিরের ইরান নীতি(Pakistan)?

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই গণ-ডিপোর্টেশনের পেছনে শুধুমাত্র প্রশাসনিক কারণ নেই, বরং এর গভীরে রয়েছে ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ। পাকিস্তানের (Pakistan) সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের সাম্প্রতিক ইরান নীতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের (UAE) দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন এর অন্যতম কারণ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ইরান ও পাকিস্তানের ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতা সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সৌদি আরবের মতো দেশগুলোর জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    শ্রমিকদের ওপর প্রভাব

    যেসব শ্রমিকদের ফেরত পাঠানো হয়েছে, তাঁদের অধিকাংশেরই অভিযোগ যে তাঁদের কোনও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়নি। পাসপোর্টে ‘পলাতক’ বা ‘অপরাধী’ তকমা লাগিয়ে দেওয়ার ফলে এই বিশাল সংখ্যক মানুষ এখন কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। পাকিস্তানের (Pakistan) বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম উৎস হল রেমিট্যান্স, আর মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা এই অর্থ। এবার সেই অর্থ কমে গেলে পাকিস্তানের (UAE) নড়বড়ে অর্থনীতি আরও বড় সংকটের মুখে পড়বে।

    নিরাপত্তা ও আইনি জটিলতা

    সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভিসার নিয়ম লঙ্ঘন এবং নিরাপত্তার কারণেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তান যেভাবে ইরানের সঙ্গে সামরিক ও কৌশলগত সম্পর্ক বৃদ্ধি করছে, তার পাল্টা জবাব হিসেবেই আমিরাত এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের (UAE) দেশগুলো এখন পাকিস্তানের (Pakistan) ওপর অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে তাদের বিদেশ নীতি পরিবর্তনের সংকেত দিচ্ছে।

    পাকিস্তান সরকারের নীরবতা

    এই বিশাল সংকটের মুখেও পাকিস্তান (Pakistan) সরকার বা সে দেশের বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও জোরালো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। লক্ষাধিক শ্রমিকের ভবিষ্যৎ যখন অন্ধকারে, তখন সেনাপ্রধানের কৌশলগত অবস্থান পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের রুটিরুজিতে টান দিচ্ছে বলেই মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল (UAE)। এই পরিস্থিতি পাকিস্তান ও আরব বিশ্বের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ওপর এক বড় প্রশ্নচিহ্ন এঁকে দিয়েছ।

  • Prateek Yadavs Death: ফুসফুসে রক্ত জমাট বাঁধার কারণেই অখিলেশের সৎ ভাই প্রতীক যাদবের মৃত্যু, জানাল ময়নাতদন্তের রিপোর্ট

    Prateek Yadavs Death: ফুসফুসে রক্ত জমাট বাঁধার কারণেই অখিলেশের সৎ ভাই প্রতীক যাদবের মৃত্যু, জানাল ময়নাতদন্তের রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লখনউতে (Lucknow)সমাজবাদী পার্টির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত মুলায়ম সিং যাদবের ছোট ছেলে এবং অখিলেশ যাদবের সৎ ভাই প্রতীক যাদবের (৩৮) রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এই মৃত্যুর (Prateek Yadavs Death) প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তে স্পষ্ট হয়েছে। তদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী প্রশাসনের তরফে বলা হয়েছে তাঁর ফুসফুসের ধমনীতে বড় ধরনের রক্ত জমাট বাঁধার (Pulmonary Thromboembolism) ফলে হৃদযন্ত্র ও শ্বাসযন্ত্র বিকল হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। সপা নেতা অখিলেশের ভাইয়ের মত্যু নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    মৃত্যুর কারণ (Prateek Yadavs Death)

    চিকিৎসকদের মতে, একে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় ‘কার্ডিওরেসপিরেটরি কলাপ্স’ বলা হয়। ফুসফুসের রক্তনালীতে বড় কোনও বাধা বা রক্ত জমাট বাঁধার কারণে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, যার ফলে প্রতীকের (Prateek Yadavs Death) মুহূর্তের মধ্যে শ্বাসকষ্ট শুরু হয় এবং হৃদস্পন্দন থেমে যায়। এরপর মৃত্যু হয় প্রতীকের।

    অ্যান্টিমর্টেম ইনজুরি

    ময়নাতদন্তে প্রতীকের শরীরে কিছু আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা মৃত্যুর আগের (Antemortem)। তবে সেই আঘাতগুলি কতটা গুরুতর বা মৃত্যুর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত কি না, তা চূড়ান্ত ফরেনসিক পরীক্ষার পরই জানা যাবে।

    নমুনা সংরক্ষণ

    প্রতীকের হৃদযন্ত্র এবং ফুসফুস থেকে পাওয়া জমাটবদ্ধ রক্ত বিশেষ রাসায়নিকের (Formalin) মাধ্যমে সংরক্ষণ করা হয়েছে বিশদ পরীক্ষার (Histopathological Examination) জন্য। এছাড়া বিষক্রিয়া বা অন্য কোনও অভ্যন্তরীণ কারণ ছিল কি না তা খতিয়ে দেখতে ‘ভিসেরা’ (Viscera) নমুনাও ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।

    ফিটনেস সচেতন ছিলেন

    বুধবার ভোরে লখনউতে (Lucknow) প্রতীকের শারীরিক অবস্থার হঠাৎ অবনতি হলে প্রতীককে (Prateek Yadavs Death) সিভিল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ফিটনেস সচেতন হিসেবে পরিচিত প্রতীকের এই আকস্মিক মৃত্যুতে উত্তরপ্রদেশের রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তবে শাসক বিরোধীদের তকমায় রাজনৈতিক উত্তেজনা থাকলেও আপতত মৃত্যুর কারণে ময়নাতদন্তের রিপোর্টকেই সব পক্ষকে মান্যতা দিতে হবে।

  • Old Age Allowance: ১০০০ থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা! রাজ্যে বাড়ছে বার্ধক্য ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতাও বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত

    Old Age Allowance: ১০০০ থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা! রাজ্যে বাড়ছে বার্ধক্য ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতাও বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বার্ধক্য ভাতার (Old Age Allowance) পরিমাণ বাড়িয়ে দিল রাজ্যের নতুন সরকার। নারী, শিশু ও সমাজ কল্যাণ দফতর সূত্রে খবর, বার্ধক্য ভাতা ১০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা করে দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে রাজ্যে প্রতিবন্ধী ভাতাও বৃদ্ধি পাবে। তবে কবে থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। শীঘ্রই সরকারের তরফে তা ঘোষণা করা হতে পারে। রাজ্যের নারী, শিশুকল্যাণ দফতরের মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর দফতরই বার্ধক্য এবং প্রতিবন্ধী ভাতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত সব স্কুলে গরমের ছুটি বৃদ্ধি করা হল। জানানো হয়েছে আগামী ৩১ মে পর্যন্ত সব স্কুল বন্ধ থাকবে। স্কুলশিক্ষা দফতর সূত্রের খবর, মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে স্কুলশিক্ষা দফতরের সচিবের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    বার্ধক্য ভাতা নিয়ে বিভ্রান্তি দূর

    রাজ্যে বার্ধক্য ভাতা (Old Age Allowance) আগে থেকেই চালু ছিল। পূর্বতন সরকারের আমলে মহিলারা ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ প্রকল্পের অধীনে মাসে এক হাজার টাকা করে পেতেন। ভোটের আগে অর্থের পরিমাণ বাড়িয়ে করা হয় ১৫০০ টাকা। তফসিলি জাতি-জনজাতির মহিলাদের ক্ষেত্রে ভাতার পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ১৭০০ টাকা। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সি মহিলারা ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’-এর সুবিধা পাবেন। যাঁদের ৬০ বছর পেরিয়ে যাবে, তাঁরা বার্ধক্য ভাতার আওতায় চলে আসবেন। ওই একই পরিমাণ টাকা বার্ধক্য ভাতা হিসাবে পাবেন। কিন্তু এ ক্ষেত্রে বিতর্ক ছিল। ভোটের মুখে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’-এর অর্থবৃদ্ধি করা হলেও বার্ধক্য ভাতার কথা উল্লেখ করা হয়নি আলাদা করে। ওই বর্ধিত অর্থ ষাটোর্ধ্ব মহিলারা পাবেন কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়।

    প্রতিবন্ধী ভাতাও বাড়ছে

    বিধানসভা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। তারা ভোটের আগেই ঘোষণা করেছিল ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডার’-এর কথা। ওই প্রকল্পের অধীনে মহিলাদের মাসিক ৩০০০ টাকা করে দেওয়ার কথা বলা হয়। নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু জানান, চালু থাকা কোনও সরকারি প্রকল্প বন্ধ করে দেওয়া হবে না। তবে মৃত বা অভারতীয়েরা প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না। তা যাচাই করে দেখা হবে। ১ জুন থেকেই ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডার’-এর টাকা রাজ্যবাসী পেয়ে যাবেন বলে জানায় বিজেপি সরকার। এ বার বার্ধক্য ভাতা সংক্রান্ত বিভ্রান্তিও দূর করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বাড়ানো হচ্ছে প্রতিবন্ধী ভাতাও।

  • Kazakhstan: ‘ব্রিকস’ বিদেশমন্ত্রীদের সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে কাজাখস্তান-নাইজেরিয়ার প্রতিনিধিরা

    Kazakhstan: ‘ব্রিকস’ বিদেশমন্ত্রীদের সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে কাজাখস্তান-নাইজেরিয়ার প্রতিনিধিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ব্রিকস’ বিদেশমন্ত্রীদের সম্মেলনে অংশ নিতে ভারতে পৌঁছলেন কাজাখস্তানের (Kazakhstan) প্রথম উপ-বিদেশমন্ত্রী ইয়েরঝান আশিকবায়েভ এবং নাইজেরিয়ার বিদেশমন্ত্রকের স্থায়ী সচিব দুনোমা উমর আহমেদ। মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে পৌঁছন (Nigeria) তাঁরা। উল্লেখ্য, ১৪ থেকে ১৫ মে নয়াদিল্লিতে হবে ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠক। ভারতের বিদেশমন্ত্রক এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে অতিথিদের স্বাগত জানিয়েছে। পোস্টে লেখা হয়েছে, “ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে অংশ নিতে নয়াদিল্লিতে আসা কাজাখস্তানের প্রথম উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মি ইয়েরঝান আশিকবায়েভকে আন্তরিক শুভেচ্ছা।”

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের পোস্ট (Kazakhstan)

    অন্য এক পোস্টে লেখা হয়েছে, “ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে অংশ নিতে নয়াদিল্লিতে আসা নাইজেরিয়ার ফেডারেল রিপাবলিকের বিদেশমন্ত্রকের স্থায়ী সচিব রাষ্ট্রদূত দুনোমা উমর আহমেদকে স্বাগত জানাতে পেরে আমরা আনন্দিত।” ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের এই বৈঠকে সদস্য ও অংশীদার দেশগুলির শীর্ষ নেতা ও কূটনীতিকরা অংশ নেবেন। বৈঠকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বহুপাক্ষিকতা, বৈশ্বিক প্রশাসনিক সংস্কার এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা-সহ গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। মঙ্গলবারই ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে অংশ নিতে নয়াদিল্লিতে পৌঁছন ইন্দোনেশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সুগিওনো। এক্স-এ পোস্ট করে বিদেশমন্ত্রক তাঁকেও ‘উষ্ণ অভ্যর্থনা’ জানিয়েছে। পোস্টে বলা হয়েছে, “ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে অংশ নিতে নয়াদিল্লিতে আসা ইন্দোনেশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সুগিওনোকে আন্তরিক স্বাগত (Nigeria)।”

    বিশ্ব কূটনীতির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ভারত

    আগামী কয়েক দিনের জন্য ভারত বিশ্ব কূটনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠতে চলেছে। কারণ ব্রিকস সদস্য দেশগুলির বিদেশমন্ত্রীরা ১৪ ও ১৫ মে হতে চলা বৈঠকে যোগ দিতে আসছেন ভারতে। রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভও মঙ্গলবারই ভারতে এসেছেন। আজ, ১৩ মে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের বৈঠক করার কথা তাঁর। আলোচনায় ভারত-রাশিয়া সহযোগিতার অগ্রাধিকারের বিভিন্ন বিষয়গুলি উঠে আসবে (Kazakhstan)। রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতি অনুযায়ী, দুই মন্ত্রী ডিসেম্বর ২০২৫-এ রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ভারত সফরের সময় হওয়া চুক্তিগুলির বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করবেন। রাশিয়ায় আসন্ন শীর্ষ বৈঠক এবং রুশ-ভারত আন্তঃসরকারি বাণিজ্য, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা কমিশনের পরবর্তী বৈঠকের প্রস্তুতিও আলোচ্যসূচিতে থাকবে।

    বহুপাক্ষিক জোটে নেতৃত্ব ভারতের

    ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচিরও এই বৈঠকে অংশ নিতে ভারতে আসার কথা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ১৪ ও ১৫ মে নয়াদিল্লি আন্তর্জাতিক কূটনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি ২০২৬ সালের জন্য ভারতের ব্রিকস সভাপতিত্বের একটি প্রধান অংশ, যা সম্প্রসারিত বহুপাক্ষিক জোটে ভারতের নেতৃত্বকে তুলে ধরছে। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিকসের সভাপতিত্ব গ্রহণ করে ভারত। ব্রাজিলের কাছ থেকে দায়িত্ব নিয়েছে নরেন্দ্র মোদির দেশ। এর (Nigeria) আগে ২০১২, ২০১৬ এবং ২০২১ সালে ভারত প্রভাবশালী এই গোষ্ঠীর (ব্রিকস) শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করেছিল (Kazakhstan)।

     

     

  • RSS: “পরিবারই হল সেই পাঠশালা, যেখানে একজন শিশু প্রথম সামাজিক দায়বদ্ধতা ও নৈতিকতার শিক্ষা পায়”, বললেন দত্তাত্রেয় হোসবলে

    RSS: “পরিবারই হল সেই পাঠশালা, যেখানে একজন শিশু প্রথম সামাজিক দায়বদ্ধতা ও নৈতিকতার শিক্ষা পায়”, বললেন দত্তাত্রেয় হোসবলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আধুনিকতা বা প্রগতির নামে পাশ্চাত্যের অন্ধ অনুকরণ করতে গিয়ে আমরা যেন আমাদের নিজস্ব পারিবারিক ঐতিহ্য এবং সামাজিক দায়বদ্ধতাকে বিসর্জন না দিই— এই ভাষাতেই দেশবাসীকে সতর্ক করলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসবলে (Dattatreya Hosabale)। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি ভারতীয় সমাজব্যবস্থায় পরিবারের গুরুত্ব এবং বর্তমান সময়ের চ্যালেঞ্জগুলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

    পরিবারই সংস্কৃতির রক্ষাকবচ (Dattatreya Hosabale)

    আরএসএস-এর সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় (Dattatreya Hosabale) হোসবলে তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করে বলেন, “ভারতীয় সভ্যতায় পরিবার শুধুমাত্র এক ছাদের তলায় বসবাসকারী কিছু মানুষের সমষ্টি নয়, বরং এটি একটি পবিত্র প্রতিষ্ঠান। পাশ্চাত্য সংস্কৃতির প্রভাবে বর্তমানে ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ চরম আকার ধারণ করছে। কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে, পরিবারই হল সেই পাঠশালা যেখানে একজন শিশু প্রথম সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং নৈতিকতার শিক্ষা পায়।”

    আধুনিকতা বনাম পশ্চিমীকরণ

    হোসবলে (Dattatreya Hosabale) স্পষ্ট করে দেন যে, তিনি আধুনিকতার বিরোধী নন। তবে ‘আধুনিক হওয়া’ এবং ‘পাশ্চাত্যকরণ’—এই দুটির মধ্যে যে সূক্ষ্ম পার্থক্য রয়েছে, তা বোঝা জরুরি। তিনি বলেন, “বিজ্ঞানের অগ্রগতি এবং নতুন চিন্তাধারাকে গ্রহণ করা আধুনিকতা, কিন্তু নিজের শিকড় ভুলে বিজাতীয় জীবনধারা আপন করে নেওয়া যা পরিবারের ভাঙন ধরায়, তা কখনোই কাম্য নয়।”

    সামাজিক দায়িত্বের অবক্ষয় নিয়ে উদ্বেগ

    বর্তমান প্রজন্মের মধ্যে সামাজিক দায়বদ্ধতা কমে যাওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি (Dattatreya Hosabale) আরও বলেন, “ব্যক্তিগত সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য অবশ্যই প্রয়োজন, কিন্তু তা যেন সমাজ বা পরিবারের স্বার্থকে বিঘ্নিত না করে। সমাজ আজ এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়েছে, যেখানে পারিবারিক মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটলে গোটা সামাজিক কাঠামো তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়তে পারে।”

    মূল্যবোধ ভিত্তিক শিক্ষার আহ্বান

    অনুষ্ঠানে তিনি (Dattatreya Hosabale) অভিভাবকদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানান যাতে তাঁরা সন্তানদের মধ্যে শৈশব থেকেই ভারতীয় কৃষ্টি, সংস্কৃতি এবং গুরুজনদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত করেন। তিনি মনে করিয়ে দেন যে, সুস্থ সমাজ গঠনের মূল চাবিকাঠি নিহিত রয়েছে শক্তিশালী পারিবারিক বন্ধনের মধ্যে।

    দত্তাত্রেয় হোসবলের (Dattatreya Hosabale) এই বার্তা বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে বিশ্বায়নের যুগে ভারতীয় সংস্কৃতিকে টিকিয়ে রাখার যে চ্যালেঞ্জ, তার মোকাবিলায় তাঁর এই বক্তব্য নতুন দিশা দেখাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • Thalapathy Vijay Trust Vote: ভাঙন ধরালেন এআইএডিএমকে-তে, তামিলনাড়ুতে আস্থাভোটেও জয়ী ‘থালাপতি’ বিজয়ের সরকার

    Thalapathy Vijay Trust Vote: ভাঙন ধরালেন এআইএডিএমকে-তে, তামিলনাড়ুতে আস্থাভোটেও জয়ী ‘থালাপতি’ বিজয়ের সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামিলনাড়ুতে আস্থাভোটেও (Tamil Nadu Trust Vote) জয়ী ‘থালাপতি’ বিজয় (Thalapathy Vijay)। বিধানসভা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ (Thalapathy Vijay Trust Vote) দল হয়েছিল তামিলাগা ভেট্টিরি কাজাগাম (TVK)। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথও নিয়েছেন ‘থালাপতি’ বিজয়। তবে আসনে টিকে থাকা নিয়ে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল, তার অবসান ঘটল। তামিলনাড়ু বিধানসভায় আস্থাভোটে জয়ী হল বিজয়ের সরকার। তাঁর সরকারের পক্ষে ভোট দিলেন ১৪৪ জন বিধায়ক। বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন ২২ জন। এদিনের আস্থাভোট থেকে ৫৯ জন বিধায়ক নিয়ে বেরিয়ে যায় ডিএমকে। এআইএডিএমকে-র ৪৭ জন বিধায়ক ভোটাভুটিতে অংশ নেননি।

    এআইএডিএমকে -র অন্দরে ফাটলে

    আস্থাভোটের (Thalapathy Vijay Trust Vote) ফলাফল সামনে আসতে বিজয় বলেন, “হুইসলের জয় হয়েছে।” হুইসল তাঁর দল টিভিকে-র প্রতীকচিহ্ন। আস্থাভোটের এই ফলাফল আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে এআইএডিএমকে (AIADMK)-র অন্দরে ফাটলের কারণে। দলের আপত্তি সত্ত্বেও ২৫ জন বিধায়ক বিজয় এবং টিভিকে-র সপক্ষে ভোট দেন। (Tamil Nadu Trust Vote) ই পালানিস্বামীর নির্দেশ অগ্রাহ্য করে সম্প্রতি এআইএডিএমকে-র বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন সন্মুগম এবং এসপি বেলুমণি। আগে থেকে ১২০ জনের সমর্থন ছিল বিজয়ের কাছে। যে বিধায়ক একটি ভয়োটে জয়ী হন, তাঁক ভোটাভুটি থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিয়েছিল মাদ্রাজ হাইকোর্ট। ফলে তিনি ভোট দিতে পারেননি। আস্থাভোটে এআইএডিএমকে-র বিদ্রোহী বিধায়কদের অভিযোগ, এআইএডিএমকে-র প্রধান ইকে পালানিস্বামী তাদের প্রধান বিরোধী দল ডিএমকে-র সঙ্গে জোট বাঁধার চেষ্টা করছে। পাল্টা অভিযোগ তুলেছে এআইএডিএমকে। তারা বিজয়ের দলের বিরুদ্ধে টাকা দিয়ে বিধায়ক কেনার চেষ্টার অভিযোগ তুলেছে। যদিও সেই অভিযোগ খারিজ করেছেন বিজয়। তিনি বলেছেন যে তাদের সরকার ঘোড়া কেনাবেচা করে না, বরং ঘোড়ার গতিতে এগোচ্ছে সরকার।

    ১৪৪ জন বিধায়কের সমর্থন

    বুধবার তামিলনাড়ুর বিধানসভায় আস্থাভোট (Thalapathy Vijay Trust Vote) হয়। টিভিকে-র জোটসঙ্গী কংগ্রেস, সিপিএম, সিপিআই, ভিসিকে, ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগের বিধায়কেরা স্বাভাবিক ভাবেই আস্থাভোটে সরকারের পক্ষে ভোট দেন। ভোটের ফলে দেখা যায় বিজয়ের নেতৃত্বাধীন সরকার ১৪৪ জন বিধায়কের সমর্থন পেয়েছে, যা সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ম্যাজিক ফিগারের (১১৮) তুলনায় অনেকটাই বেশি। ভোটাভুটির আগেই বিধানসভা কক্ষ ত্যাগ করেন এমকে স্ট্যালিনের দল ডিএমকে-র ৫৯ জন বিধায়ক। ইকে পলানীস্বামীর নেতৃত্বাধীন এডিএমকে ভোটদানে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

  • CBSE: সিবিএসই দ্বাদশ শ্রেণির ফলাফল প্রকাশিত, পাশের হার ৮৫.২০%, ফের জয়জয়কার ছাত্রীদের

    CBSE: সিবিএসই দ্বাদশ শ্রেণির ফলাফল প্রকাশিত, পাশের হার ৮৫.২০%, ফের জয়জয়কার ছাত্রীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড (CBSE) আজ বুধবার তাদের ২০২৬ সালের দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার (Class xii Results) ফলাফল ঘোষণা করেছে। এ বছর মোট পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৮৫.২০ শতাংশ। গত বছরের মতোই এবারও ফলাফল এবং সাফল্যের নিরিখে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা অনেকটা এগিয়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে বোর্ড।

    পাসের হারের পরিসংখ্যান (CBSE)

    বোর্ড (CBSE) থেকে জানানো হয়েছে যে, এবছর ৮৭ শতাংশের বেশি ছাত্রী সফলভাবে পরীক্ষা উত্তীর্ণ হয়েছে, যেখানে ছাত্রদের পাসের হার ৮৩ শতাংশের কাছাকাছি। লিঙ্গভিত্তিক এই ব্যবধান আবারও প্রমাণ করল যে বড় পরীক্ষায় ছাত্রীরা ধারাবাহিকভাবে ভালো ফল করছে।

    এই ফলাফলের (CBSE) ফলে যে যে বিষয়গুলি উঠে এসেছে তা হল–

    ১. ছাত্রীদের সাফল্য: ছাত্রীদের পাসের হার (Class xii Results) ছাত্রদের তুলনায় প্রায় ৪.২০ শতাংশ বেশি।

    ২. অঞ্চলের ভিত্তিতে সাফল্য: অঞ্চলভিত্তিক ফলাফলের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে তিরুবনন্তপুরম। এখানকার সাফল্যের হার সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে বিজয়ওয়াড়া এবং বেঙ্গালুরু।

    ৩. প্রতিষ্ঠানের পারফরম্যান্স: জওহর নবোদয় বিদ্যালয় (JNV) এবং কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়গুলো (KV) বরাবরের মতো এবারও ভালো ফলাফল অর্জন করেছে।

    ফলাফল দেখার পদ্ধতি

    শিক্ষার্থীরা সিবিএসই-র (CBSE) অফিসিয়াল ওয়েবসাইট results.cbse.nic.in, cbseresults.nic.in অথবা cbse.gov.in-এ গিয়ে তাদের রোল নম্বর, স্কুল নম্বর এবং অ্যাডমিট কার্ড আইডি দিয়ে রেজাল্ট দেখতে পারবে। এছাড়া ‘ডিজি লকার’ (DigiLocker) অ্যাপ এবং ‘উমং’ (UMANG) প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমেও ডিজিটাল মার্কশিট ডাউনলোড করা যাবে।

    মেধা তালিকা প্রকাশ করা হয়নি

    অসুস্থ প্রতিযোগিতা এড়াতে সিবিএসই (CBSE) বোর্ড গত কয়েক বছরের মতো এবারও কোনও প্রাতিষ্ঠানিক মেধা তালিকা (Merit List) প্রকাশ করেনি। এমনকি প্রথম, দ্বিতীয় বা তৃতীয় বিভাজনও (Divisions) উল্লেখ করা হয়নি। তবে বিষয়ভিত্তিক সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া শিক্ষার্থীদের বিশেষ প্রশংসাপত্র (Class xii Results) দেওয়া হবে।

    এই ফলাফলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী সফল শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং যারা প্রত্যাশা অনুযায়ী ফল করতে পারেনি, তাদের ভেঙে না পড়ে আগামী দিনের জন্য পরিশ্রম করার পরামর্শ দিয়েছেন। উল্লেখ্য, এ বছর ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল মাসের মধ্যে সিবিএসই দ্বাদশ শ্রেণির (Class xii Results) পরীক্ষা দেশজুড়ে হাজার হাজার কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ফলাফল ঘোষণার পরেই এখন উচ্চশিক্ষার জন্য কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে।

  • Pakistan: মুখোশ খুলে গেল পাকিস্তানের, বেআব্রু শাহবাজ শরিফের দেশের ‘দ্বিচারিতা’

    Pakistan: মুখোশ খুলে গেল পাকিস্তানের, বেআব্রু শাহবাজ শরিফের দেশের ‘দ্বিচারিতা’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখোশ খুলে গেল পাকিস্তানের (Pakistan)! বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বাসঘাতকতা, প্রতারণা এবং দ্বিমুখী আচরণ পাকিস্তানের মূল বৈশিষ্ট্য (US Attacks)। শাহবাজ শরিফের দেশের প্রকৃত চরিত্রের আর একটি উদাহরণ হল পাকিস্তান ইরানের সামরিক বিমানকে নিজেদের বিমানঘাঁটিতে রাখার অনুমতি দিয়েছিল। এই একই সময়ে তারা ইরান ও আমেরিকার মধ্যে যে সংঘাত চলছে, তার ‘মধ্যস্থতাকারী’র ভূমিকাও পালন করছিল। ১১ মে প্রকাশিত সিবিএস নিউজের (CBS News) রিপোর্টে মার্কিন আধিকারিকদের উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, পাকিস্তান ইরানের সামরিক বিমানগুলিকে মার্কিন হামলা থেকে রক্ষা করতে তাদের বিমানঘাঁটিতে রাখার অনুমতি দিয়েছে।

    পাকিস্তানের দ্বিচারিতা (Pakistan)

    রিপোর্টে বলা হয়, “এই সব পদক্ষেপ থেকে স্পষ্ট, ইরান তাদের অবশিষ্ট সামরিক ও বিমানসম্পদকে ক্রমবর্ধমান সংঘাত থেকে সুরক্ষিত রাখতে চেয়েছিল, যদিও একই সময়ে আধিকারিকরা প্রকাশ্যে উত্তেজনা প্রশমনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছিলেন।” মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এপ্রিল মাসে যুদ্ধবিরতির কথা ঘোষণা করার কয়েকদিন পরেই ইরান তাদের সামরিক বিমান, যার মধ্যে একটি আরসি-১৩০ (RC-130) গোয়েন্দা বিমানও ছিল, পাকিস্তানে সরিয়ে নেয়। এই সব বিমান রাখা হয় পাকিস্তানের নূর খান এয়ারবেসে। ২০২৫ সালের মে মাসে ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুরে’ ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এই বিমানবন্দর (US Attacks)।

    বিশ্ব-রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন

    প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হওয়ার পরেই হইচই পড়ে যায় বিশ্ব-রাজনৈতিক মহলে। প্রশ্ন ওঠে পাকিস্তানের নিরপেক্ষতা নিয়েই। এর জবাবে পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রক ১২ মে এক বিবৃতিতে রিপোর্টটিকে ‘ভুল ও অতিরঞ্জিত’ বলে দাবি করে। তাদের দাবি, শান্তি-আলোচনা চলাকালীনই কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মীদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য কিছু ইরানি ও মার্কিন বিমান পাকিস্তানে এসেছিল। পাকিস্তান সাফ জানিয়ে দেয়, ইরানি বিমানগুলির সঙ্গে তাদের কোনও সামরিক প্রস্তুতি বা সুরক্ষা ব্যবস্থার সম্পর্ক নেই। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ইরানি বিমানগুলি যুদ্ধবিরতির সময় পাকিস্তানে আসে। তবে এগুলির সঙ্গে কোনও সামরিক পরিকল্পনার সম্পর্ক নেই। এই ধরনের দাবি সম্পূর্ণ অনুমাননির্ভর ও বিভ্রান্তিকর (US Attacks)।”

    মার্কিন সেনেটরের বক্তব্য

    মার্কিন সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম সোশ্যাল মিডিয়ায় করা একটি পোস্টে লেখেন, যদি এই রিপোর্ট সত্য হয়, তবে পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা নতুনভাবে মূল্যায়ন করা উচিত (Pakistan)। তিনি বলেন, “যদি এই খবর ঠিক হয়, তাহলে ইরান, আমেরিকা ও অন্যান্য পক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা পুনর্বিবেচনা করতে হবে।” বস্তুত, ভারত দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তানের দ্বিমুখী আচরণের শিকার। একদিকে পাকিস্তান ইরানের সামরিক বিমানকে আশ্রয় দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, অন্যদিকে শান্তি আলোচনায় তারা অগ্রাধিকার দিয়েছে আমেরিকার স্বার্থকেই।

    ইরানের বক্তব্য

    ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা ও বিদেশনীতি কমিশনের মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজায়ির অভিযোগ, পাকিস্তান নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী নয়। তিনি বলেন, “পাকিস্তান সবসময় ট্রাম্পের স্বার্থকে গুরুত্ব দেয়, আমেরিকার বিরুদ্ধে কিছু বলতে চায় না।” তাঁর আরও অভিযোগ, আমেরিকা প্রথমে ইরানের ১০ দফা প্রস্তাব মেনে নিয়েছিল। এর মধ্যে লেবাননে ইজরায়েলি হামলা বন্ধ এবং ইরানের বাজেয়াপ্ত করা সম্পদ মুক্ত করার বিষয়ও ছিল। যদিও পরে তারা সেই অবস্থান থেকে সরে আসে। অভিযোগ, পাকিস্তান এই তথ্য গোপন করেছে (Pakistan)।

    শরিফের করা খসড়া সংস্করণ ফাঁস অনলাইনে

    এপ্রিল মাসে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের করা এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টের খসড়া সংস্করণ অনলাইনে ফাঁস হয় (US Attacks)। সেখানে লেখা ছিল ‘ড্রাফট-পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর এক্সে লেখা মেসেজ’ (Draft – Pakistan’s PM Message on X)। পরে অবশ্য সংশোধিত পোস্ট প্রকাশিত হয়। যদিও ততক্ষণে পাকিস্তানের নিরপেক্ষতা নিয়েই প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ শান্তি আলোচনা চলার সময়ই ইজরায়েল সম্পর্কে অত্যন্ত কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছিলেন। ইজরায়েলকে তিনি ‘অভিশাপ’, ‘মানবতার ক্যানসার’ ইত্যাদি অভিধায় ভূষিত করেন। তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে পরে অবশ্য পোস্টটি মুছে ফেলেন তিনি।

    সমালোচকদের বক্তব্য

    এপ্রিলের শেষের দিকে পাকিস্তান ইরানের জন্য ছ’টি বাণিজ্যপথ খুলে দেয়। এর ফলে মার্কিন অবরোধ সত্ত্বেও ইরান বিকল্প পথে বাণিজ্য চালিয়ে যেতে পারে। সমালোচকদের মতে, এর ফলে দুর্বল হয়ে পড়ে আমেরিকার চাপ। সমালোচকদের একটা বড় অংশের মতে, পাকিস্তান প্রকৃতপক্ষে শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে না, বরং ইরান-আমেরিকা সংঘাতকে নিজেদের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করছে (Pakistan)। একদিকে তারা ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখছে, অন্যদিকে আমেরিকার সঙ্গেও ঘনিষ্ঠতা বজায় রেখে চলেছে। ফলে পাকিস্তানকে অনেকে ‘মধ্যস্থতাকারী’ নয়, বরং ‘সুযোগসন্ধানী’ বলেই মনে করছেন (US Attacks)।

     

  • Lakshagraha: হিন্দুদের বড় জয়, মহাভারত আমলের লাক্ষাগৃহ আর ওয়াকফ সম্পত্তি নয়, আদালতের রায়ে বড় পদক্ষেপ সরকারের

    Lakshagraha: হিন্দুদের বড় জয়, মহাভারত আমলের লাক্ষাগৃহ আর ওয়াকফ সম্পত্তি নয়, আদালতের রায়ে বড় পদক্ষেপ সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশ সরকার এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে বাগপতের প্রাচীন লাক্ষাগৃহ (Lakshagraha) সাইটটিকে ওয়াকফ সম্পত্তির তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি বাগপত সিভিল কোর্টের দেওয়া একটি রায়কে কার্যকর করতেই সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আদালতের ওই রায়ে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছিল যে, এই স্থানটি প্রকৃতপক্ষে মহাভারত আমলের ঐতিহাসিক লাক্ষাগৃহ, কোনও দরগাহ বা মুসলিম কবরস্থান (Waqf Property) নয়।

    বিবাদের প্রেক্ষাপট ও আদালতের রায় (Lakshagraha)

    এই বিবাদের সূত্রপাত হয়েছিল প্রায় পাঁচ দশক আগে, ১৯৭০ সালে। সে সময় মুকিম খান নামে এক ব্যক্তি মেরঠ আদালতে একটি পিটিশন দাখিল করে দাবি করেছিলেন যে, বরনাওয়ার প্রায় ৩৬ বিঘা জমিতে বদরুদ্দিনের মাজার এবং একটি কবরস্থান রয়েছে। অন্যদিকে, লাক্ষাগৃহ (Lakshagraha) গুরুকুলের প্রতিষ্ঠাতা ব্রহ্মচারী কৃষ্ণদত্ত মহারাজ এই দাবির বিরোধিতা করেন।

    দীর্ঘ ৫৪ বছরের আইনি লড়াইয়ের পর, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে আদালত মুসলিম পক্ষের (Waqf Property)  দাবি খারিজ করে দেয়। আদালত জানায়, ওই স্থানে কোনও ঐতিহাসিক মাজারের অস্তিত্ব নেই এবং এটি একটি প্রাচীন টিলা যা লাক্ষাগৃহ হিসেবে স্বীকৃত।

    উমিদ (UMEED) পোর্টাল ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ

    বিতর্কটি নতুন করে দানা বাঁধে যখন ২০২৫ সালে সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রকের ডিজিটাল পোর্টাল ‘উমিদ’-এ এই স্থানটিকে ভুলবশত একটি দরগাহ (Waqf Property) হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়। ওয়াকফ সম্পত্তি হিসেবে এটিকে তালিকাভুক্ত করায় স্থানীয় হিন্দু সংগঠন এবং গুরুকুল কর্তৃপক্ষের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দেয়।

    আদালতের রায়ের পর বাগপত জেলা প্রশাসন রাজ্য সরকারকে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট পাঠায়। জেলা সংখ্যালঘু কল্যাণ আধিকারিক কৈলাশচাঁদ তিওয়ারি জানান যে, আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করাই প্রশাসনের মূল লক্ষ্য। এরপরই উত্তরপ্রদেশ সরকার উমিদ পোর্টালে লাক্ষাগৃহের (Lakshagraha) নাম ওয়াকফ তালিকা থেকে মুছে ফেলার নির্দেশ দেয়।

    লাক্ষাগৃহের ঐতিহাসিক গুরুত্ব

    মহাভারত অনুযায়ী, পাণ্ডবদের পুড়িয়ে মারার জন্য কৌরবরা মোম, বাঁশ ও অত্যন্ত দাহ্য পদার্থ দিয়ে এই ‘লাক্ষাগৃহ’ (Lakshagraha) নির্মাণ করেছিল। বাগপতের বরনাওয়া (Barnawa) নামক এই স্থানটি ঐতিহাসিকভাবে ‘বারাণাবত’ নামে পরিচিত ছিল। আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (ASI) এই টিলাটিকে (Waqf Property) একটি সংরক্ষিত স্থান হিসেবে ঘোষণা করেছে। খননকার্যের সময় এখানে প্রাচীন সভ্যতার বহু নিদর্শন পাওয়া গেছে যা এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব প্রমাণ করে।

    পঞ্চগ্রামের তাৎপর্য

    মহাভারত যুদ্ধে রক্তপাত এড়াতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ পাণ্ডবদের জন্য কৌরবদের কাছে যে পাঁচটি গ্রাম বা ‘প্রস্থ’ চেয়েছিলেন, বাগপত বা ‘ব্যঘ্রপ্রস্থ’ (Lakshagraha) ছিল তার মধ্যে একটি। অন্য গ্রামগুলো হল:

    • ইন্দ্রপ্রস্থ (দিল্লি)
    • স্বর্ণপ্রস্থ (সোনিপত)
    • পানপ্রস্থ (পানিপত)
    • তিলপ্রস্থ (তিলপত)
    • ব্যঘ্রপ্রস্থ (বাগপত)

    বর্তমানে যদিও মুসলিম পক্ষ এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করেছে, তবে সরকারের এই পদক্ষেপ হিন্দুদের জন্য একটি বড় আইনি ও সাংস্কৃতিক বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে যে ডিজিটাল নথিকরণের (Waqf Property) চেয়ে বিচারবিভাগীয় রায় এবং ঐতিহাসিক প্রমাণই অগ্রাধিকার পাবে।

LinkedIn
Share