Tag: news in bengali

news in bengali

  • Suvendu Adhikari: ধাক্কা নয়, হাইকোর্টের রায়ে খুশিই শুভেন্দু, ‘রক্ষাকবচ’ প্রত্যাহার নিয়ে কী বললেন বিরোধী দলনেতা?

    Suvendu Adhikari: ধাক্কা নয়, হাইকোর্টের রায়ে খুশিই শুভেন্দু, ‘রক্ষাকবচ’ প্রত্যাহার নিয়ে কী বললেন বিরোধী দলনেতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)-এর রায়ে খুশি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে শুক্রবার বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) দেওয়া রক্ষাকবচ প্রত্যাহার করল কলকাতা হাইকোর্ট। ২০২২ সালে বিচারপতি রাজশেখর মান্থার দেওয়া রক্ষাকবচ প্রত্যাহার করেছে বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। এরপরই শুভেন্দু জানান, হাইকোর্ট তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া বেশিরভাগ মিথ্যা মামলা খারিজ করেছে আদালত। তাই রক্ষাকবচের প্রয়োজন সেই অর্থে নেই।

    কেন খুশি শুভেন্দু

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “আমি হাইকোর্টের রায়ে খুশি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর পুলিশকে দিয়ে গত ৫ বছরে আমার বিরুদ্ধে যত মামলা করেছিল, হাইকোর্ট সেই সব মামলার বেশিরভাগ খারিজ করেছে। বাকি মামলা সিবিআইকে দিয়ে সিট বানিয়েছে। রাজ্য পুলিশ যে মমতার ক্রীড়নক, রাজনৈতিক টুল, এটা হাইকোর্টের রায়ে প্রমাণ হয়ে গিয়েছে। আবার মিথ্যা মামলা করলে আবার হাইকোর্টে আমি যেতে পারব, সেই স্বাধীনতাও হাইকোর্ট দিয়েছে। অতএব দেখবি আর জ্বলবি, লুচির মতো ফুলবি। নন্দীগ্রামে হারিয়েছি। ভবানীপুরে হারাব। মমতাকে প্রাক্তন করব। ওর ভাইপোকে জেলে পাঠাব।”

     রক্ষাকবচ প্রত্যাহারের নির্দেশ

    ২০২১ সালে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার সিঙ্গল বেঞ্চ শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) রক্ষকবচ দিয়েছিলেন। যার ফলে বিধানসভার বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে কোনও এফআইআর করার আগে অভিযোগকারীদের আদালতের অনুমতি নিতে হত। এদিন বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর সিঙ্গল বেঞ্চ শুভেন্দুর রক্ষাকবচ প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন। তবে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ১৫টি মামলা খারিজ করে দেয় সিঙ্গল বেঞ্চ। আর তাঁর বিরুদ্ধে মানিকতলা-সহ চারটি মামলায় সিবিআই ও রাজ্য পুলিশের যুগ্ম সিট গঠনের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

    আগে যা ছিল, এখনও তাই

    এদিন ২০২২ সালে শুভেন্দুকে (Suvendu Adhikari) দেওয়া হাইকোর্টের রক্ষাকবচ প্রত্যাহার করে বিচারপতির মন্তব্য, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে রক্ষাকবচের যে রায় ছিল, তা অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ ছিল। কোনও অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ অনির্দিষ্টকাল চলতে পারে না। এর ফলে থেকে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করতে রাজ্যকে আর আদালতের অনুমতি নিতে হবে না। হাইকোর্ট রায় ঘোষণার পরই শাসকদের একাধিক নেতারা সব সুর চড়াতে শুরু করেন। তবে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “তৃণমূল বেকার নাচছে। এই মামলা আমারই পক্ষে গেছে”। ব্যাখ্যা দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যত গুলো মিথ্যে মামলা দিয়েছিল এই জেহাদি সরকার সব স্থগিত করে দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি, খুন, হামলা থেকে শুরু করে যা যা মিথ্যে মামলা সাজিয়েছিল সেগুলোও খারিজ করেছে।” বিরোধী দলনেতার কথায়, “এই রায় আমার কাছে কোন নেগেটিভ রায় নয়। তৃণমূল নাচছে নাচুক। ওরা সারাদিন আমাকে নিয়েই ব্যস্ত থাকে।” বিজেপি নেতা তথা আইনজ্ঞ তাপস রায়ও বলেন, রক্ষাকবচ তুলে নেওয়া হয়েছে বলে হইচই করা হচ্ছে, এই ব্যাখ্যাটাই আসলে ভুল। তাপসবাবু বলেন, “বিরোধী দলনেতার আগেও কোনও রক্ষাকবচ ছিল না, এখনও নেই। আগেও আদালত বলেছিল, হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে এফআইআর দায়ের করতে হবে। এখনও সেই অবস্থানই রয়েছে।”

    যে কোনও ঘটনায় শুভেন্দুকে জড়ানোর চেষ্টা

    বিরোধী দলনেতার অভিযোগ ছিল, তিনি বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক এফআইআর করছে পুলিশ। ছোটবড় যে কোনও ঘটনার সঙ্গে তাঁর নাম জড়ানো হচ্ছে। এফআইআরগুলিকে ভুয়ো বলে উল্লেখ করে ২০২১ এবং ২০২২ সালে দু’বার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শুভেন্দু। সেই সময়ে বিচারপতি মান্থা এফআইআরগুলিতে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেন এবং জানান, আদালতের অনুমতি ছাড়া নতুন করে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কোনও এফআইআর আর করা যাবে না। রাজ্য সরকার সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল। তবে শীর্ষ আদালত এ বিষয়ে হাইকোর্টের(Calcutta High Court) সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করেনি।

    শুভেন্দুর আইনজীবীর দাবি

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) আইনজীবী বিল্বদল ভট্টাচার্য বলেছেন, ‘‘বিচারপতি সেনগুপ্ত অধিকাংশ এফআইআর বাতিল করে দিয়েছেন। চার-পাঁচটি এফআইআর শুধু বাতিল করা হয়নি। আদালত জানিয়েছে, সিবিআই এবং রাজ্য পুলিশের সিনিয়র অফিসারদের নিয়ে সিট গঠন করতে হবে। তাঁরা ওই মামলাগুলির তদন্ত করবেন। আগের মামলাগুলির নিষ্পত্তি করে দেওয়া হয়েছে। তাই একে ঠিক রক্ষাকবচ প্রত্যাহার বলা চলে না।’’ ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন আসন্ন। তার আগে রাজ্য সরকার নানা ভাবে বিরোধী দলনেতার গতিবিধি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করবে বলে আশঙ্কা শুভেন্দুর আইনজীবীর। রাজ্য পুলিশের কাজে আস্থা নেই বলেই সিবিআইকে সিটে শামিল করা হয়েছে, দাবি তাঁর।

  • SIR in Bengal: রাজ্যে ৩ ধাপে হবে এসআইআর, তিন মাসে প্রায় ৩.৫ কোটি ভোটার যাচাই করতে হবে কমিশনকে

    SIR in Bengal: রাজ্যে ৩ ধাপে হবে এসআইআর, তিন মাসে প্রায় ৩.৫ কোটি ভোটার যাচাই করতে হবে কমিশনকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে শুরু হতে চলেছে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR)। নির্বাচন কমিশনের সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০০২ সালের তালিকা এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত ভোটার তালিকা মিলিয়ে দেখা গিয়েছে— দু’টির মধ্যে মাত্র ৫২ শতাংশ ভোটারের তথ্য মিলে গিয়েছে। রাজ্যে মোট ভোটারের সংখ্যা এখন ৭.৬ কোটি, অর্থাৎ প্রায় অর্ধেক ভোটারের তথ্য মিলছে না। কমিশনকে (Election Commission) আগামী তিন মাসের মধ্যেই যাচাই করতে হবে রাজ্যের প্রায় ৩.৫ কোটি ভোটার। কমিশন সূত্রে খবর, বিহারে ২ কোটি ভোটারকে এই প্রক্রিয়ায় যাচাই করতে হয়েছিল।

    তিন ধাপে চলবে প্রক্রিয়া

    কমিশন সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গে (SIR in Bengal) ভোটার যাচাইয়ের কাজ হবে তিন ধাপে। প্রথম ধাপ হল ভোটারদের বাড়িতে গিয়ে এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করানো হবে। তথ্য জোগাড় করবেন। সমস্ত কিছু গণনা করা হবে। এই ধাপটি চলবে প্রায় ৩০–৩৫ দিন। দ্বিতীয় ধাপ হল তার এক সপ্তাহের মধ্যেই প্রকাশ করা হবে খসড়া ভোটার তালিকা। এরপর ভোটার বা রাজনৈতিক দলগুলি এই তালিকা নিয়ে কোনও অভিযোগ থাকলে তা জানাতে পারবেন। বাদ পড়া নাম যুক্ত করা, ভুল সংশোধন করা যাবে এই পর্বে। দ্বিতীয় ধাপের এই কাজ চলবে প্রায় এক মাস। তৃতীয় ধাপ হল সংশোধন ও আপত্তি নিষ্পত্তির পর তৈরি হবে চূড়ান্ত তালিকা। সমস্ত যাচাই করার পর, পরবর্তীতে এক সপ্তাহের মধ্যে চূড়ান্ত ভোটার লিস্ট বের হবে। এই প্রক্রিয়া চালাতে ব্লক লেভেল অফিসার (BLO)-দের প্রশিক্ষণ ও ফর্ম বিতরণের প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে।

    কমিশনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ

    নির্বাচন কমিশনের এক কর্তা জানিয়েছেন, “এটা আমাদের জন্য বিশাল চ্যালেঞ্জ। কারণ, এত বড় পরিসরে ভোটার যাচাইয়ের কাজ একসঙ্গে করা খুবই জটিল। তবু আমরা চেষ্টা করছি যাতে সব ভোটার তালিকাভুক্ত হন।” প্রতিটি জেলায় এবং শহরাঞ্চলে হেল্পডেস্ক খোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে অভিবাসী শ্রমিক ও বাইরের রাজ্যের কর্মীদের সাহায্যের জন্য। কমিশন সূত্রে খবর, অক্টোবরের শেষে বা নভেম্বরের প্রথমে শুরু হতে পারে। তাই তৎপরতা একেবারে তুঙ্গে।

  • Apple Benefits: সত্যিই এক আপেলে বাজিমাত হয়! রোজ একটি আপেল খেলে কোন রোগের দাপট কমে?

    Apple Benefits: সত্যিই এক আপেলে বাজিমাত হয়! রোজ একটি আপেল খেলে কোন রোগের দাপট কমে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    একটা আপেলেই রয়েছে সুস্থ থাকার চাবিকাঠি! বহুল প্রচলিত এই প্রবাদ নিছক কথার কথা নয়। ফের একবার এমন তথ্য প্রকাশ করলেন ইংল্যান্ডের একদল গবেষক-চিকিৎসক। এক আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান বিষয়ক পত্রিকায় ওই গবেষকেরা জানিয়েছেন, তরুণ প্রজন্মের সুস্থ থাকার চাবিকাঠি রয়েছে আপেলের (Apple Benefits) মতো ফলেই। তাঁরা জানাচ্ছেন, আধুনিক জীবন যাপনে নানান লাইফস্টাইল ডিজিসের দাপট বাড়ছে। আর তাদের কাবু করতে আপেলের জুড়ি মেলা ভার। তাই ডায়াবেটিস থেকে ওবেসিটি কিংবা নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারের মতো জীবন যাপন সংক্রান্ত অসুখে আপেল রাশ টানতে পারে (Health Tips)।

    কী বলছে সাম্প্রতিক গবেষণা?

    তরুণ প্রজন্মের মধ্যে লাইফস্টাইল ডিজিজ বাড়ছে। অর্থাৎ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ওবেসিটি, চুল পড়া এবং ফ্যাটি লিভারের মতো রোগের প্রকোপ বেশি দেখা যাচ্ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপনের জেরেই এই ধরনের রোগের প্রকোপ বাড়ে। তাই এগুলোকে লাইফস্টাইল ডিজিজ বলা হয়। আর সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, নিয়মিত মেনুতে একটা আপেল (Apple Benefits) থাকলে, এই রোগ মোকাবিলা সহজ হয়‌। ব্রিটেনের ওই গবেষক-চিকিৎসকদের মতে, আপেল একাধিক রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। তাই নিয়মিত আপেল খেলে শরীরে বাড়তি উপকার পাওয়া যায়‌।

    কোন রোগ মোকাবিলায় আপেল বিশেষ সাহায্য করে?

    ওবেসিটি রুখতে সাহায্য করে!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের একাংশ শরীরের বাড়তি ওজন নিয়ে জেরবার। এই অতিরিক্ত ওজন নানান রোগের কারণ। হৃদরোগ থেকে কিডনির সমস্যা এমনকি বন্ধ্যাত্বের কারণ হলো ওবেসিটি। এই বাড়তি ওজনের জেরে শরীরের পাশপাশি মানসিক স্বাস্থ্যও বিপর্যস্ত হয়। স্বাভাবিক জীবন যাপন ব্যহত হয়। আপেল এই ওবেসিটি রুখতে বিশেষ সাহায্য (Apple Benefits) করে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, আপেলে রয়েছে ফাইবার। ক্যালোরি অত্যন্ত কম। তাই আপেল খেলে পেট ভরে কিন্তু শরীরে বাড়তি মেদ জমে না। ওবেসিটি রুখতে এই ধরনের খাবার বিশেষ উপকারি।

    ডায়াবেটিস আক্রান্তদের জন্য বিশেষ উপকারি!

    ডায়াবেটিস আক্রান্তদের সংখ্যা বাড়ছে। তরুণ প্রজন্মের একটি বড় অংশ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। এমনকি স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যেও এই রোগের প্রকোপ দেখা দিচ্ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই রোগ স্ট্রোক, হৃদরোগ, কিডনির অসুখের মতো নানান জটিল সমস্যা তৈরি করে। ডায়াবেটিসের প্রকোপ রুখতে সাহায্য করে আপেল। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডায়াবেটিস আক্রান্ত হলে কিংবা প্রি-ডায়াবেটিক পিরিয়ডে খাবার খুব গুরুত্বপূর্ণ (Apple Benefits)। কোন খাবার খেতে হবে আর কোন খাবার এড়িয়ে চলতে হবে, এই সচেতনতার উপরেই সুস্থ থাকা নির্ভর করে। তাই আপেল এক্ষেত্রে অন্যতম নির্ভরযোগ্য ফল‌ বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, আপেলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। তাই এই ফল খেলে ডায়াবেটিস আক্রান্ত ও প্রি-ডায়াবেটিকদের বিশেষ উপকার হয়।

    স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়!

    তরুণ প্রজন্মের মধ্যে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ছে‌। ভারত সহ বিশ্বের একাধিক দেশে তিরিশের কম বয়সিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভাবে স্ট্রোকের ঘটনা বেড়েছে। যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাই নিয়মিত একটি আপেল খাওয়ার পরামর্শ (Health Tips) দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, আপেল থাকা ফাইবার ও অন্যান্য উপাদান শরীরের ক্ষতিকারক কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে (Apple Benefits)। তাই হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমে‌।

    হজমের সমস্যা কমিয়ে ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি কমায়!

    ভারত সহ বিশ্বের একাধিক দেশে নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এই আক্রান্তের মধ্যে অধিকাংশই কম বয়সি ছেলেমেয়ে। মদ্যপান না করলেও লিভারের বাড়তি মেদ ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। স্বাভাবিক জীবন যাপন ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত আপেল খেলে এই ফ্যাটি লিভার জাতীয় রোগের ঝুঁকি কমবে। ফাইবার সমৃদ্ধ ফল আপেল হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে (Apple Benefits)। তাই এই ফল নিয়মিত খেলে লিভার, অন্ত্র সুস্থ থাকে। কার্যক্ষমতা ঠিক থাকে‌।

    রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে!

    পরিবেশে বদল হচ্ছে। আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনার জেরে নানান ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়ার দাপট বাড়ছে। স্বাস্থ্যের উপরে তার সরাসরি প্রভাব পড়ছে। সুস্থ থাকতে তাই রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ানো জরুরি। আপেল এই কাজে বিশেষ সাহায্য করে বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, আপেলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং অ‌্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। তাই এই ফল নিয়মিত খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে (Apple Benefits)। নানান সংক্রামক রোগের ঝুঁকিও কমে।

    কাদের আপেল এড়িয়ে চলা উচিত?

    শরীরের জন্য উপকারি হলেও দিনে দুটির বেশি আপেল খাওয়া উচিত নয় বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডায়াবেটিস আক্রান্তেরা দিনে দুটোর বেশি আপেল খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। ডায়াবেটিস আক্রান্তদের আপেলের রস এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, গোটা আপেলের পরিবর্তে আপেলের রস খেলে অনেক সময়েই রক্তে শর্করার পরিমাণ দ্রুত পরিবর্তন হয়। তাছাড়া যদি কোনও রকম অ্যালার্জি থাকে, তাহলে আপেল এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ (Health Tips)। পেটের গোলমাল হলেও আপেল না খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, আপেলে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার আছে। তাই অতিরিক্ত আপেল খেলে পেটের সমস্যা দেখা দিতে পারে‌। শরীর সুস্থ রাখতে দিনে দুটো আপেল যথেষ্ট বলেই মত বিশেষজ্ঞ মহলের।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 26 October 2025: ধর্ম বিষয়ক আলোচনায় সুনাম বৃদ্ধি পাবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 26 October 2025: ধর্ম বিষয়ক আলোচনায় সুনাম বৃদ্ধি পাবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) সকালের দিকে দাম্পত্য কলহের কারণে মানসিক চাপ বাড়তে পারে।

    ২) কোনও আধ্যাত্মিক কাজে যোগ দিতে হতে পারে।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    বৃষ

    ১) বিদেশযাত্রার জন্য আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২) অতিরিক্ত ক্রোধের জন্য হাতে আসা কাজ নষ্ট হতে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    মিথুন

    ১) অভিনেতাদের জন্য ভালো সুযোগ আসতে পারে।

    ২) প্রেমের বিষয়ে খুব ভেবেচিন্তে পা বাড়ানো উচিত।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    কর্কট

    ১) সারা দিন কোনও ভয় আপনাকে চিন্তায় ফেলতে পারে।

    ২) স্ত্রীর সুবাদে কোনও বিশেষ কাজের সুযোগ পাবেন।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    সিংহ

    ১) বেকারদের নতুন কিছু করার চেষ্টা বাড়তে পারে।

    ২) মাতৃস্থানীয়া কারও সঙ্গে মতবিরোধ হতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) মানসিক কষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) কোনও ভালো জিনিস নষ্ট হওয়ার যোগ।

    ৩) দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    তুলা

    ১) অপরকে সুখী করতে গেলে স্বার্থত্যাগ করতে হবে।

    ২) অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শে আইনি সুরক্ষা পেতে পারেন।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    বৃশ্চিক

    ১) কোনও নামী ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয়ে লাভবান হতে পারেন।

    ২) ধর্ম বিষয়ক আলোচনায় সুনাম বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    ধনু

    ১) সম্মান নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে ঝামেলা বাধতে পারে।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    মকর

    ১) সঞ্চয়ের ইচ্ছা খুব বাড়তে পারে।

    ২) সকলের সঙ্গে কথা খুব বুঝে বলবেন।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করুন।

    কুম্ভ

    ১) ব্যবসায় তেমন লাভ হবে না।

    ২) অর্থক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    মীন

    ১) চাকরির ক্ষেত্রে দিনটি খুব ভালো।

    ২) সন্তানদের বিষয়ে উদ্বেগ থাকবে।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 489: “প্রেমই ঈশ্বরের সারাংশ— যে মানুষ দিয়ে ঈশ্বরের প্রেম আসে তাকেই আমাদের দরকার”

    Ramakrishna 489: “প্রেমই ঈশ্বরের সারাংশ— যে মানুষ দিয়ে ঈশ্বরের প্রেম আসে তাকেই আমাদের দরকার”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলরাম-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    সপ্তম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১২ই এপ্রিল
    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ও অবতারতত্ত্ব

    একজন ভক্ত (ত্রৈলোক্যের প্রতি)—আপনার বইয়েতে দেখলাম আপনি অবতার মানেন না। চৈতন্যদেবের কথায় দেখলাম।

    ত্রৈললোক্য—তিনি নিজেই প্রতিবাদ করেছেন,—পুরীতে যখন অদ্বৈত ও অন্যান্য ভক্তেরা ‘তিনিই ভগবান’ (Ramakrishna) এই বলে গান করেছিলেন, গান শুনে চৈতন্যদেব ঘরের দরজা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। ঈশ্বরের অনন্ত ঐশ্বর্য। ইনি যেমন বলেন ভক্ত ঈশ্বরের বৈঠকখানা। তা বৈঠকখানা খুব সাজান বলে কি আর কিছু ঐশ্বর্য নাই?

    গিরিশ—ইনি বলেন, প্রেমই ঈশ্বরের সারাংশ—যে মানুষ দিয়ে ঈশ্বরের প্রেম আসে তাকেই আমাদের দরকার। ইনি বলেন, গরুর দুধ বাঁট দিয়ে আসে, আমাদের বাঁটের দরকার। গরুর শরীরে অন্য কিছু দরকার নাই; হাত, পা কি শিং।

    ত্রৈলোক্য—তাঁর প্রেমদুগ্ধ অনন্ত প্রণালী দিয়ে পড়ছে! তিনি যে অনন্তশক্তি!

    গিরিশ—ওই প্রেমের কাছে আর কোন শক্তি দাঁড়ায়?

    ত্রৈলোক্য—যাঁর শক্তি তিনি মনে (Kathamrita) করলে হয়! সবই ঈশ্বরের শক্তি।

    গিরিশ—আর সব তাঁর শক্তি বটে,—কিন্তু অবিদ্যা শক্তি।

    ত্রৈলোক্য—অবিদ্যা কি জিনিস! অবিদ্যা বলে একটা জিনিস আছে না কি? অবিদ্যা একটি অভাব। যেমন অন্ধকার আলোর অভাব। তাঁর প্রেম আমাদের পক্ষে খুব বটে। তাঁর বিন্দুতে আমাদের সিন্ধু! কিন্তু ওইটি যে শেষ, একথা বললে তাঁর সীমা করা হল।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ত্রৈলোক্য ও অন্যানা ভক্তদের প্রতি)—হাঁ হাঁ, তা বটে। কিন্তু একটু মদ খেলেই আমাদের নেশা হয়। শুঁড়ির দোকানে কত মদ আছে সে হিসাবে আমাদের কাজ কি! অনন্ত শক্তির খপরে আমাদের কাজ কি?

    গিরিশ (ত্রৈলোক্যের প্রতি)—আপনি অবতার মানেন?

    ত্রৈলোক্য—ভক্ততেই ভগবান (Ramakrishna) অবতীর্ণ। অনন্ত শক্তির manifestation হয় না,—হতে পারে না!—কোন মানুষেই হতে পারে না।

    গিরিশ—ছেলেদের ‘ব্রহ্মগোপাল’ বলে সেবা (Kathamrita) করতে পারেন, মহাপুরুষকে ঈশ্বর বলে কি পূজা করতে পারা যায় না?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ত্রৈলোক্যের প্রতি)—অনন্ত ঢুকুতে চাও কেন? তোমাকে ছুঁলে কি তোমার সব শরীরটা ছুঁতে হবে? যদি গঙ্গাস্নান করি তা হলে হরিদ্বার থেকে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত কি ছুঁয়ে যেতে হবে? ‘আমি গেলে ঘুচিবে জঞ্জাল’।

  • Delhi Police: দিল্লিতে বড় আত্মঘাতী হামলার ছক পাকিস্তানের! ধৃত ২ সন্দেহভাজন ‘ফিদায়েঁ’ জঙ্গি

    Delhi Police: দিল্লিতে বড় আত্মঘাতী হামলার ছক পাকিস্তানের! ধৃত ২ সন্দেহভাজন ‘ফিদায়েঁ’ জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের রাজধানীতে জঙ্গি হামলার একটি বড়সড় ছক বানচাল (Terror Plot Foiled) করল দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। গোয়েন্দাদের জালে ধরা পড়ল ২ সন্দেহভাজন ইসলামিক স্টেট জঙ্গি (ISIS Operatives Arrested)। শুক্রবার সকালে দিল্লি পুলিশের স্পেশ্যাল সেল ওই দুই সন্দেহভাজন আইসিস বা আইএস জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে। এক সন্দেহভাজন জঙ্গি দিল্লির বাসিন্দা। অপরজনের বাড়ি মধ্যপ্রদেশে। দুজনেরই বয়স ২০ থেকে ২৬ বছরের মধ্যে বলে জানা গেছে।

    অস্ত্রশস্ত্র এবং বিস্ফোরক তৈরির মশলা উদ্ধার

    সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন যে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালানো হয়। দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেলের অভিযানের সময় ধৃত দুই জঙ্গিরই নাম আদনান। এক জঙ্গিকে দিল্লির সাদিক নগর থেকে এবং অন্যজনকে ভোপাল থেকে ধরা হয়েছে। জানা গিয়েছে, দিল্লির কোনও একটি জনবহুল এলাকায় জঙ্গি হামলার ষড়যন্ত্র (Terror Plot Foiled) করা হয়েছিল। যে অস্ত্রশস্ত্র এবং বিস্ফোরক সংগ্রহ করেছিল তারা, যা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। গ্রেফতার হওয়া জঙ্গিদের কাছ থেকে বিস্ফোরক উপকরণ, অ্যাসিড, সালফার পাউডার, বল বিয়ারিং এবং আইইডি সার্কিটের মতো বোমা তৈরির রাসায়নিক উদ্ধার করা হয়েছে।

    দিল্লিতেই আত্মঘাতী হামলার ছক ছিল!

    ধৃতদের জেরা করে তদন্তকারীরা (Delhi Police) জানতে পেরেছেন, তাদের পরিকল্পনা বেশ অনেকদূর এগিয়ে গিয়েছে বলেও প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। জানা যাচ্ছে, আইইডি বিস্ফোরণের প্রস্তুতির চূড়ান্ত পর্যায়ে ছিল। এই দু’জন আত্মঘাতী হামলার জন্য প্রশিক্ষণ নিচ্ছিল। দিল্লিতেই ফিদায়েঁ হামলার ছক ছিল তাদের। তারা আইসিসের সঙ্গে যুক্ত হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ করছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের সঙ্গে আর কে জড়িত, কোথায় হামলার পরিকল্পনা ছিল, কোথা থেকে হামলার নির্দেশ আসছে, যাবতীয় তথ্য জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। এই গ্রেফতারির ফলে দিল্লিতে বড়সড় নাশকতার ছক (Terror Plot Foiled) ভেস্তে গেল, আত্মবিশ্বাসী গোয়েন্দারা (Delhi Police)।

    নেপথ্যে আইএসআইয়ের হাত!

    প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, গ্রেফতার হওয়া দুই জঙ্গিদের নেপথ্যে আইএসআইয়ের হাত রয়েছে বলেই অনুমান। পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থার হয়ে নাশকতা ছড়াতে ভারতে এসে আইএস জঙ্গি গোষ্ঠীর নাম ব্যবহার করেছে ধৃতরা, এমনটাই মনে করা হচ্ছে (Delhi Police)। আসল পরিচয় গোপন করতেই এই কৌশল। তবে দুই জঙ্গি গ্রেফতার হওয়ার পরেও অপারেশন চলছে। গোয়েন্দাদের অনুমান, নাশকতার ষড়যন্ত্রে (Terror Plot Foiled) আরও কয়েক জন আইএস জঙ্গি জড়িত থাকতে পারে।

  • Indian Armed Forces: ৭৯০০০ কোটি টাকার অস্ত্র, আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম কেনায় সায় কেন্দ্রের, বিরাট বদলের পথে তিন বাহিনী

    Indian Armed Forces: ৭৯০০০ কোটি টাকার অস্ত্র, আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম কেনায় সায় কেন্দ্রের, বিরাট বদলের পথে তিন বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভবিষ্যতের রণনীতি ও যুদ্ধকৌশলের সঙ্গে সেনাশক্তির সামঞ্জস্য বজায় রাখতে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর (Indian Armed Forces) তিন শাখার (স্থল, নৌ এবং বায়ুসেনা) জন্য ৭৯ হাজার কোটি টাকার অস্ত্র এবং আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম (Modern Weapon Systems) কেনার সিদ্ধান্ত নিল নরেন্দ্র মোদি সরকার। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সভাপতিত্বে ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল বা প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ পরিষদের বৈঠক ছিল বৃহস্পতিবার। নয়াদিল্লির সাউথ ব্লকে এই বৈঠক হয়। সেখানে বিভিন্ন সমরাস্ত্র ও আধুনিক সামরিক প্রযুক্তি কেনার প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর ফলে, আরও শক্তি বাড়ছে ভারতীয় সেনার। যার জেরে তিন বাহিনীতেই ঘটবে বিরাট বদল। নতুন রূপে সেজে উঠবে দেশের তিন সশস্ত্র বাহিনী।

    স্থল সেনার ঝুলিতে যা যা আসছে…

    স্থল সেনার ঝুলিতে ঢুকতে চলেছে মোট তিনটি প্রতিরক্ষা সামগ্রী (Indian Armed Forces)। যথাক্রমে নাগ মিসাইল সিস্টেম মার্ক-২ (NAMIS Mk-II), গ্রাউন্ড-বেসড মোবাইল ইলেকট্রনিক ইন্টেলিজেন্স সিস্টেম (GBMES), ম্যাটেরিয়াল হ্যান্ডলিং ক্রেন-সহ হাই মোবিলিটি ভেহিক্যল (HMVs)। এর মধ্যে নাগ মিসাইল সিস্টেম শত্রুপক্ষের ট্যাঙ্ক, বাঙ্কার ধ্বংস করতে ব্যবহৃত হয়। গ্রাউন্ড-বেসড মোবাইল ইলেকট্রনিক ইন্টেলিজেন্স সিস্টেম কাজ করে রেডার সিগন্যাল ধরতে। শত্রুপক্ষের ইলেকট্রনিক সিগন্যাল ও রেডার সিগনেচার শনাক্ত ও ট্র্যাক করতে সক্ষম এটি। সবশেষে হাই মোবিলিটি ভেহিক্যল মূলত সেনা লজিস্টিক সাপোর্ট প্রদান করে থাকে। ভারী সরঞ্জাম পরিবহণে কাজে আসে।

    নৌবাহিনী যা পেতে চলেছে…

    ভারতীয় নৌসেনার জন্য আসছে ল্যান্ডিং প্ল্যাটফর্ম ডক (LPDs), ৩০ মিমি নেভাল সারফেস গান (NSG), অ্যাডভান্সড লাইট ওয়েট টর্পিডো (ALWT) ও ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল ইনফ্রা-রেড সার্চ অ্যান্ড ট্র্যাক সিস্টেম সঙ্গে স্মার্ট অ্যামুনিশন। ল্যান্ডিং প্ল্যাটফর্ম ডক প্ল্যাটফর্মগুলি নৌসেনা ও বিমানবাহিনীর যৌথ অপারেশনে ব্যবহৃত হবে (Indian Armed Forces)। পাশাপাশি, শান্তিরক্ষা, মানবিক সহায়তা এবং দুর্যোগ মোকাবিলা কার্যক্রমেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে এলপিডি। ৩০ মিমি নেভাল সারফেস গান মূলত নৌবাহিনী এবং উপকূলরক্ষী বাহিনীকে লো ইন্টেনসিটি মেরিটাইম অপারেশনস (LIMO) এবং জলদস্যুতা বিরোধী (Anti-piracy) অভিযানে আরও কার্যকর করে তুলবে। ডিআরডিও-র তৈরি অ্যাডভান্সড লাইট ওয়েট টর্পিডো যে কোনও ধরনের সাবমেরিন— কনভেনশনাল হোক কিংবা পারমাণবিক— সবাইকেই টার্গেট করতে সক্ষম। এছাড়া, কোনও বস্তুকে টার্গেটে আনতে তৈরি হচ্ছে ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল ইনফ্রা-রেড সার্চ অ্যান্ড ট্র্যাক সিস্টেম।

    বায়ুসেনার ঘরে যা ঢুকছে…

    বায়ুসেনার (Indian Armed Forces) জন্য কোল্যাবরেটিভ লং রেঞ্জ টার্গেট স্যাচুরেশন/ডিস্ট্রাকশন সিস্টেম (CLRTS/DS) তৈরিতে অনুমোদন দিয়ে পরিষদ। এই ব্যবস্থাটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে উড্ডয়ন, অবতরণ, নেভিগেট করা, লক্ষ্যবস্তু সনাক্ত করতে সক্ষম। এটি মূলত দূর পাল্লার লক্ষ্যবস্তুকে নিখুঁতভাবে আঘাত করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। ১০০০ কিলোমিটার পাল্লার এই সোয়ার্ম ড্রোন এই সঙ্ঘবদ্ধ ভাবে স্বয়ংক্রিয় বৈদ্যুতিন ব্যবস্থার সাহায্যে নিশানা চিহ্নিত করে হামলা চালাতে পারে।

    ‘আত্মনির্ভর ভারত’ উদ্যোগের অংশ

    কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, ভারতীয় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমান বাহিনীর (Indian Armed Forces) জন্য উন্নত অস্ত্র, সহায়তা সরঞ্জাম কিনে দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই অনুমোদনগুলি কেবল সামরিক শক্তি বৃদ্ধিই করবে না বরং ‘আত্মনির্ভর ভারত’ উদ্যোগের অংশ হিসেবে দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পকে আরও শক্তিশালী (Modern Weapon Systems) করবে। চলতি বছরের বাজেটে মোট ৬.৮১ লক্ষ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। যা গতবছরের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বেশি। কেন্দ্রীয় সূত্রে খবর, সামরিক খাতে আরও ৫০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হতে পারে। আগামী শীতকালীন অধিবেশনে সেই বাজেট পেশ করা হতে পারে।

  • Colon Cancer: ভারতে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বাড়ছে কোলন ক্যান্সার! দায়ী জীবন যাপনের ধারা, বলছেন চিকিৎসকরা

    Colon Cancer: ভারতে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বাড়ছে কোলন ক্যান্সার! দায়ী জীবন যাপনের ধারা, বলছেন চিকিৎসকরা

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দেশজুড়ে বাড়ছে কোলন ক্যান্সারের প্রকোপ।‌ ভারতে গত পাঁচ বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। তবে, চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, উদ্বেগ বাড়াচ্ছে আক্রান্তের বয়স। তাঁরা জানাচ্ছেন, গত এক দশকে কোলন ক্যান্সারে আক্রান্তের মধ্যে কম বয়সি অর্থাৎ তরুণ প্রজন্মের রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক। তাঁরা জানাচ্ছেন, জীবন যাপনের ধারা কোলন ক্যান্সারের অন্যতম কারণ। কী ধরনের খাবার নিয়মিত খাওয়া হয়, সেটাই এই রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

    কী বলছে পরিসংখ্যান?

    সম্প্রতি সর্বভারতীয় একটি সমীক্ষার তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, যে সব ক্যান্সারে ভারতীয়রা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়, সেই তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে কোলন ক্যান্সার। কোলন ক্যান্সারে মৃত্যু হার ও বাড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, যে সব ক্যান্সারে বিশ্ব জুড়ে মৃত্যু হার সবচেয়ে বেশি, সেই তালিকায় পঞ্চম স্থানেই রয়েছে কোলন ক্যান্সার। ভারতেও কোলন ক্যান্সারে মৃত্যু হার উদ্বেগজনক। ভারতে ৫০ হাজারের বেশি পুরুষ কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত। মহিলা আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ হাজারের বেশি। প্রতি বছর কয়েক হাজার মানুষ নতুন করে কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ভারতে নতুন ভাবে মোট ক্যান্সার আক্রান্তের ১০.৬ শতাংশ কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন। আর এই নতুন আক্রান্তদের মধ্যে তরুণ প্রজন্মের একাংশ রয়েছে।

    কেন তরুণ প্রজন্মের মধ্যে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপন কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে বলেই মনে করছেন।

    মদ্যপান ও ধূমপানের অভ্যাস!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের একাংশ মদ্যপান, ধূমপানের মতো অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসে অভ্যস্ত। আর তার জেরেই ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত মদ্যপান করলে লিভার, অন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কোলনে যার প্রভাব পড়ে। তার ফলেই ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায়। মদ্যপান ও ধূমপানের মতো অভ্যাস শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমিয়ে দেয়। ধূমপান ফুসফুসের ক্ষতি করার পাশপাশি উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরলের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয়। এগুলো আবার ক‌্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে। তাই ধূমপান ও মদ্যপানের অভ্যাস তরুণ প্রজন্মের মধ্যে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

    কম ফাইবার যুক্ত খাবার খাওয়া!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরে ফাইবারের চাহিদা পূরণ হচ্ছে না। আর তার জেরেই কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের একাংশ নিয়মিত ফাইবার জাতীয় খাবার খাচ্ছেন না। কম বয়সিদের অনেকেই নিয়মিত গম, বাজরা কিংবা মিলেটের মতো দানাশস্যে তৈরি রুটি, ডাল, পালং শাক, নাশপাতির মতো‌ ফল খান না। বরং তারা অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় প্রাণীজ প্রোটিন খান। নানান রকমের প্রক্রিয়াজাত খাবার খান। আর তার জেরেই সমস্যা বাড়ে। নিয়মিত মলত্যাগ ঠিকমতো হয় না। অন্ত্রের নানান সমস্যা দেখা দেয়। তার থেকেই কোলন ক্যান্সারের মতো রোগের ঝুঁকি বাড়ে।

    অতিরিক্ত ওজন এবং ডায়াবেটিসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে!

    কোলন ক্যান্সারে অন্যতম কারণ অতিরিক্ত ওজন এবং ডায়াবেটিসের মতো রোগ। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডায়াবেটিস কিংবা ওবেসিটির মতো রোগ একাধিক অন্য রোগের কারণ। তার মধ্যে কোলন ক্যান্সার ও রয়েছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, কম বয়সি ভারতীয়দের মধ্যে ওবেসিটি, ডায়াবেটিসের মতো লাইফস্টাইল ডিজিস বাড়ছে। ওবেসিটি লিভারের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়। ডায়াবেটিস একদিকে কিডনির কার্যকারিতা কমায়। আরেকদিকে হৃদযন্ত্রের কার্যশক্তি কমিয়ে দেয়। এগুলো শরীরের অন্যান্য অঙ্গের উপরেও‌ গভীর প্রভাব ফেলে। তার জেরেই কোলন ক্যান্সারের মতো জটিল রোগের প্রকোপ বাড়ছে।

    কীভাবে এই রোগের ঝুঁকি কমবে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কোলন ক্যান্সারের মতো রোগের দাপট কমাতে সচেতনতা জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপন।‌ তাই প্রথম থেকেই খাদ্যাভাস ও জীবন যাপন নিয়ে বাড়তি সতর্কতা জরুরি।

    নিয়মিত শারীরিক কসরত জরুরি!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীর সুস্থ রাখতে শারীরিক কসরত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কিন্তু তরুণ প্রজন্মের একাংশ নিয়মিত শারীরিক কসরত করেন না। আর তার জেরেই ওবেসিটি, উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরলের মতো নানা রকমের সমস্যা তৈরি হয়। যা কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। তাই বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, নিয়মিত শারীরিক কসরত করতে হবে। যোগাভ্যাস থাকলে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে। রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকবে। আবার হজমের সমস্যাও কমবে। এর ফলে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমবে।

    নিয়মিত ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল খাওয়া জরুরি!

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত লেবু, তরমুজ, নাশপাতির মতো ফল খাওয়া জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভিটামিন‌ সি এবং ফাইবার এই দুই উপাদান অন্ত্র সুস্থ রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। অন্ত্রের কার্যক্ষমতা ঠিকমতো থাকলেই কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমবে। তাছাড়া ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের জোগান ঠিক রাখে। রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে। তাই এই ফল যেকোনও রোগ মোকাবিলায় বাড়তি সাহায্য করে।

    রোগ সম্পর্কে সচেতনতা!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতে কোলন ক্যান্সারের চিকিৎসায় সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো, এই রোগ অনেক দেরিতে নির্ণয় হয়।‌ অধিকাংশ ক্ষেত্রে রোগী সমস্যা সম্পর্কে প্রাথমিক পর্বে ওয়াকিবহাল থাকেন না। ফলে রোগ নির্ণয় করতেই অনেক সময় পেরিয়ে যায়। তাই চিকিৎসা দেরিতে শুরু হয়। তাই পরিস্থিতিও জটিল হয়ে ওঠে। মলত্যাগের সময় বারবার রক্তপাত হলে, হজমের গোলমাল লাগাতার হতে থাকলে একেবারেই এই উপসর্গকে অবহেলা করা উচিত নয়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, পরিবারের কেউ ক্যান্সার আক্রান্ত হলে তাদের বাড়তি সচেতনতা জরুরি।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 24 October 2025: নতুন কাজের প্রতি ঝোঁক বৃদ্ধি পাবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 24 October 2025: নতুন কাজের প্রতি ঝোঁক বৃদ্ধি পাবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) ব্যবসায় অশান্তি বাধার আশঙ্কা রয়েছে।

    ২) বুকের সমস্যা বৃদ্ধি।

    ৩) চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হতে পারে।

    বৃষ

    ১) বুদ্ধির ভুলে কোনও ক্ষতি হতে পারে, একটু সাবধান থাকা দরকার।

    ২) ভালো কাজে নিরাশ হয়ে ফিরে আসতে হবে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মিথুন

    ১) প্রেমের ব্যাপারে মানসিক অবসাদ।

    ২) ব্যবসায় লাভ বৃদ্ধি, তবে খরচও বাড়বে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    কর্কট

    ১) কোনও সন্দেহজনক ব্যক্তি থেকে সাবধান।

    ২) নতুন কাজের প্রতি ঝোঁক বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) কারও সঙ্গে বিবাদে জড়াবেন না।

    সিংহ

    ১) দিনটি ভালো-খারাপ মিশিয়ে কাটবে।

    ২) বাড়ির কাছে ভ্রমণের ব্যাপারে আলোচনা।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    কন্যা

    ১) ব্যবসায় মন্দা দেখা দিতে পারে।

    ২) বিবাহ নিয়ে অশান্তি হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    তুলা

    ১) শিক্ষাগত যোগ্যতার কারণে ভালো কাজ হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে।

    ২) সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়ে সমস্যা হতে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    বৃশ্চিক

    ১) মধুর ভাষণের দ্বারা শ্রোতাদের মন জয় করতে পারবেন।

    ২) দাম্পত্য কলহের অবসান।

    ৩) দিনটি ভালোই কাটবে।

    ধনু

    ১) সকালের দিকে কাজের জন্যে শুভ যোগাযোগ আসতে পারে।

    ২) কর্মস্থানে গুপ্তশত্রু হতে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    মকর

    ১) অন্যের জিনিসের উপর লোভ সামলাতে না পারলে বিপদে পড়তে পারেন।

    ২) সংসারে মনঃকষ্ট।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    কুম্ভ

    ১) বাড়িতে গুরুজনদের স্বাস্থ্যের উন্নতি হতে পারে।

    ২) কুসঙ্গে পড়ে নিজের ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    মীন

    ১) চাকরির জায়গায় বিরোধী ব্যক্তির সঙ্গে মিত্রতা হয়ে যেতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীদের চিকিৎসার জন্য সময় ব্যয়।

    ৩) সমাজে আপনার প্রশংসা বৃদ্ধি পাবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 488: “‘কলঙ্ক সাগরে ভাসে, তবু কলঙ্ক না লাগে গায়, তখন পাঁকাল মাছের মতো থাকতে পারে”

    Ramakrishna 488: “‘কলঙ্ক সাগরে ভাসে, তবু কলঙ্ক না লাগে গায়, তখন পাঁকাল মাছের মতো থাকতে পারে”

    ৪৪ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলরাম-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১২ই এপ্রিল
    শ্রীরামকৃষ্ণ ও বিদ্যার সংসার—ঈশ্বরলাভের পর সংসা

    “চাতক তৃষ্ণায় ছাতি ফেটে যাচ্ছে,—সাত সমুদ্র যত নদী পুষ্করিণী সব ভরপুর! তবু সে জল খাবে না! ছাতি ফেটে যাচ্ছে তবু খাবে না! স্বাতী নক্ষত্রের বৃষ্টির জলের জন্য হাঁ করে আছে! ‘বিনা স্বাতীকি জল সব ধূর!”

    দুআনা মদ ও দুদিক রাখা

    “বলে দুদিক রাখব। দুআনা মদ খেলে মানুষ দুদিক রাখতে চায়, আর খুব মদ খেলে কি আর দুদিক রাখা যায়!

    “ঈশ্বরের (Ramakrishna) আনন্দ পেলে আর কিছু ভাল লাগে না। তখন কামিনী-কাঞ্চনের কথা যেন বুকে বাজে। (ঠাকুর কীর্তনের সুরে বলিতেছেন) ‘আন্‌ লোকের আন্‌ কথা, কিছু ভাল তো লাগে না!’ তখন ঈশ্বরের জন্য পাগল হয়, টাকা-ফাকা কিছুই ভাল লাগে না!”

    ত্রৈলোক্য—সংসারে থাকতে গেলে টাকাও তো চাই, সঞ্চয়ও চাই (Kathamrita)। পাঁচটা দান-ধ্যান—

    শ্রীরামকৃষ্ণ—কি, আগে টাকা সঞ্চয় করে তবে ঈশ্বর! আর দান-ধ্যান-দয়া কত! নিজের মেয়ের বিয়েতে হাজার হাজার টাকা খরচ—আর পাশের বাড়িতে খেতে পাচ্ছে না। তাদের দুটি চাল দিতে কষ্ট হয়—অনেক হিসেব করে দিতে হয়। খেতে পাচ্ছে না লোকে,—তা আর কি হবে, ও শালারা মরুক বাঁচুক,—আমি আর আমার বাড়ির সকলে ভাল থাকলেই হল। মুখে বলে সর্বজীবে দয়া!

    ত্রৈলোক্য—সংসারে তো ভাল লোক আছে,—পুণ্ডরীক বিদ্যানিধি, চৈতন্যদেবের ভক্ত। তিনি তো সংসারে ছিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—তার গলা পর্যন্ত মদ খাওয়া ছিল, যদি আর একটু খেত তা হলে আর সংসার করতে পারত না।

    ত্রৈলোক্য চুপ করিয়া রইলেন। মাস্টার গিরিশকে জনান্তিকে বলিতেছেন (Kathamrita), ‘তাহলে উনি যা লিখেছেন ঠিক নয়।’

    গিরিশ—তা হলে আপনি যা লিখেছেন ও-কথা ঠিক না?

    ত্রৈলোক্য—কেন, সংসারে ধর্ম হয় উনি কি মানেন না?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—হয়,—কিন্তু জ্ঞানলাভ করে থাকতে হয়, ভগবানকে লাভ করে থাকতে হয়। তখন ‘কলঙ্ক সাগরে ভাসে, তবু কলঙ্ক না লাগে গায়।’ তখন পাঁকাল মাছের মতো থাকতে পারে। ঈশ্বরলাভের পর যে সংসার সে বিদ্যার সংসার। কামিনী-কাঞ্চন তাতে নাই, কেবল ভক্তি, ভক্ত আর ভগবান। আমারও মাগ আছে,—ঘরে ঘটিবাটিও আছে,—হরে প্যালাদের খাইয়ে দিই, আবার যখন হাবীর মা এরা আসে এদের জন্যও ভাবি।

LinkedIn
Share