Tag: news in bengali

news in bengali

  • TCS: শেষমেশ মুখ খুলল টিসিএস, ‘দুর্বল বিবৃতি’তে যা জানালেন কর্তৃপক্ষ

    TCS: শেষমেশ মুখ খুলল টিসিএস, ‘দুর্বল বিবৃতি’তে যা জানালেন কর্তৃপক্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন দিন আগে প্রকাশ্যে এসেছিল টিসিএসে (TCS) মুসলমান কর্মীরা হিন্দু মহিলা সহকর্মীদের যৌন হয়রান করেছে। অভিযোগ, তারা জোর করে ইসলাম ধর্মে (Religious Conversion Case) ধর্মান্তরিত করার চেষ্টাও করেছিল। এ ব্যাপারে এই তিনদিন মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন কোম্পানির কর্তাব্যক্তিরা। ঘটনার তিনদিন পর, কোম্পানি শেষমেশ একটি দুর্বল বিবৃতি দিয়েছে, যা মূলত পিআর-সংক্রান্ত শব্দে ভরা।

    ‘জেহাদি নেক্সাস’ (TCS)

    বিবৃতিতে কর্তৃপক্ষের তরফে অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে হিন্দু সহকর্মীদের লক্ষ্য করে তথাকথিত ‘জেহাদি নেক্সাসে’র  কোনও উল্লেখ না করে, টিসিএস জানিয়েছে, “যে কোনও ধরনের হয়রানি ও জোরজবরদস্তির বিরুদ্ধে টিসিএসের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে। আমরা সবসময় কর্মক্ষেত্রে আমাদের কর্মীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণের সর্বোচ্চ মান বজায় রেখেছি।” নিজেদের দায়মুক্ত করতে এবং বিতর্ক এড়ানোর চেষ্টা করে সংস্থার তরফে দাবি করা হয়েছে, অভিযুক্ত মুসলিম কর্মীদের সাসপেন্ড করা হয়েছে। টিসিএস জানিয়েছে, “নাসিকের ঘটনাটি সম্পর্কে জানার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছি। তদন্ত চলাকালীন অভিযুক্ত কর্মীদের সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। আমরা স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতা করছি। তদন্তের ফলের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

    যৌন হয়রানি ও ধর্মান্তর চক্র

    প্রসঙ্গত, নাসিকে টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেসের একটি বিপিও ইউনিটে গত ৪ বছর ধরে একটি বড় যৌন হয়রানি ও ধর্মান্তর চক্র চলছিল। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৬ জন মুসলিম কর্মী, যারা টিম লিডার হিসেবে কাজ করত, (আসিফ আনসারি, শফি শেখ, শাহরুখ কুরেশি, রজা মেমন, তৌসিফ আত্তার এবং দানিশ শেখ) তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে (TCS)। অভিযোগ, ওই সংস্থায় হিন্দু মহিলাদের জোর করে গরুর মাংস খাওয়ানো হত, বাধ্য করা হত নমাজ আদায় করতে। ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত (Religious Conversion Case) করার জোরদার চেষ্টাও চলত। আরও জানা গিয়েছে, সংস্থার এইচআর ম্যানেজার (যিনি ধর্মে মুসলিম) ভুক্তভোগীদের ‘শান্ত থাকার’ পরামর্শ দেন। শুধু তা-ই নয়, তিনি তাঁদের এও বোঝানোর চেষ্টা করেন যে বহুজাতিক কোম্পানিতে এটি খুবই স্বাভাবিক একটি ব্যাপার (TCS)।

     

  • Karnataka Congress: কর্নাটকে কংগ্রেসে অসন্তোষ তুঙ্গে, ৩০-র বেশি বিধায়কের দিল্লি অভিযান

    Karnataka Congress: কর্নাটকে কংগ্রেসে অসন্তোষ তুঙ্গে, ৩০-র বেশি বিধায়কের দিল্লি অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্নাটকে ক্ষমতাসীন কংগ্রেসের (Karnataka Congress) অন্দরে ক্রমশই বাড়ছে অসন্তোষ। মন্ত্রিসভায় রদবদল এবং নতুন মুখদের সুযোগ দেওয়ার দাবিতে ৩০ জনেরও বেশি কংগ্রেস বিধায়ক রবিবার দিল্লির উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। তাঁরা দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করে এই দাবি জানাবেন বলে জানা গিয়েছে। দলীয় সূত্রে খবর, দিল্লিতে গিয়ে বিধায়করা কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) কে.সি. ভেনুগোপাল, কর্নাটক দায়িত্বপ্রাপ্ত রণদীপ সুরজওয়ালা এবং রাহুল গান্ধীর-র সঙ্গে বৈঠক করবেন। সোম ও মঙ্গল এই দু’দিনের মধ্যেই বৈঠকগুলি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    কী নিয়ে বিক্ষোভ কর্নাটক কংগ্রেসে

    বিধায়কদের মূল দাবি, মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া যেন দ্রুত মন্ত্রিসভায় রদবদল করেন এবং দীর্ঘদিন ধরে সুযোগ না পাওয়া সিনিয়র নেতাদের মন্ত্রীত্বে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কংগ্রেস বিধায়ক বেলুর গোপালকৃষ্ণ বলেন, “অনেক নেতাকে তিন, চার, এমনকি পাঁচবার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। আমরা চাই যারা এখনও সুযোগ পাননি, তাঁদেরও এবার সুযোগ দেওয়া হোক।” অন্যদিকে, বিধায়ক অশোক পট্টন জানান, “আমাদের একটাই দাবি—যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মন্ত্রিসভা রদবদল করে আমাদের মতো সিনিয়র সদস্যদের সুযোগ দিতে হবে।” উল্লেখ্য, কর্নাটকে কংগ্রেস সরকারের প্রায় তিন বছর পূর্ণ হতে চলেছে। ইতিমধ্যেই মন্ত্রী কে.এন. রাজন্না এবং বি. নাগেন্দ্রের পদত্যাগের ফলে দুটি মন্ত্রিসভার আসন খালি রয়েছে। বিধায়কদের অভিযোগ, বহু বর্তমান মন্ত্রী একাধিকবার দায়িত্ব পেয়েছেন, ফলে অন্যদের জন্য সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে।

    ২৫টি মন্ত্রিত্বে পরিবর্তনের দাবি

    সূত্রের খবর, প্রায় ২৫টি মন্ত্রিত্বে পরিবর্তনের দাবি উঠতে পারে। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্য কংগ্রেসে (Karnataka Congress) গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া এবং উপমুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমারের শিবিরের মধ্যে মতভেদের ইঙ্গিত মিলছে। যেখানে সিদ্দারামাইয়ার অনুগামীরা রদবদলের পক্ষে, সেখানে শিবকুমার এই প্রস্তাবে অনীহা দেখাচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে। এখন কংগ্রেস হাইকম্যান্ড এই বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

  • Ramakrishna 621: “নারদ বললেন, ‘আর কিছুই আমি চাই না, কেবল চাই তোমার পাদপদ্মে শুদ্ধাভক্তি”

    Ramakrishna 621: “নারদ বললেন, ‘আর কিছুই আমি চাই না, কেবল চাই তোমার পাদপদ্মে শুদ্ধাভক্তি”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    চতুর্বিংশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৬শে অক্টোবর

    অহৈতুকী ভক্তি—পূর্বকথা—শ্রীরামকৃষ্ণের দাসভাব

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) — ইনি (ডাক্তার) যা বলছেন, তার নাম অহৈতুকী ভক্তি। মহেন্দ্র সরকারের কাছে আমি কিছু চাই না — কোন প্রয়োজন নাই, মহেন্দ্র সরকারকে দেখতে ভাল লাগে, এরই নাম অহৈতুকী ভক্তি। একটু আনন্দ হয় তা কি করব?

    “অহল্যা বলেছিল (Kathamrita), হে রাম! যদি শূকরযোনিতে জন্ম হয় তাতেও আমার আপত্তি নাই, কিন্তু যেন তোমার পাদপদ্মে শুদ্ধাভক্তি তাকে — আমি আর কিছু চাই না।

    “রাবণ বধের কথা স্মরণ করাবার জন্য নারদ অযোধ্যায় রামচন্দ্রের সঙ্গে দেখা বরতে গিয়েছিলেন। তিনি সীতারাম দর্শন করে স্তব করতে লাগলেন। রামচন্দ্র স্তবে সন্তুষ্ট হয়ে বললেন, ‘নারদ! আমি তোমার স্তবে সন্তুষ্ট হয়েছি, তুমি কিছু বর লও।’ নারদ বললেন, ‘রাম! যদি একান্ত আমায় বর দেবে, তো এই বর দাও যেন তোমার পাদপদ্মে আমার শুদ্ধাভক্তি তাকে, আর এই করো যেন তোমার ভুবনমোহিনী মায়ায় মুগ্ধ না হই!’ রাম বললেন, ‘আরও কিছু বর লও।’ নারদ বললেন, ‘আর কিছুই আমি চাই না, কেবল চাই তোমার পাদপদ্মে শুদ্ধাভক্তি।’

    “এঁর তাই। যেমন ঈশ্বরকে (Ramakrishna) শুধু দেখতে চায়, আর কিছু ধন মান দেহসুখ — কিছুই চায় না। এরই নাম শুদ্ধাভক্তি।

    “আনন্দ একটু হয় বটে, কিন্তু বিষয়ের আনন্দ নয়। ভক্তির, প্রেমের আনন্দ। শম্ভু (মল্লিক) বলেছিল — যখন আমি তার বাড়িতে প্রায় যেতুম – ‘তুমি এখানে এস; অবশ্য আমার সঙ্গে আলাপ করে আনন্দ পাও তাই এস’ — ওইটুকু আনন্দ আছে।

    “তবে ওর উপর আর-একটি অবস্থা আছে (Kathamrita)! বালকের মতো যাচ্ছে — কোনও ঠিক নাই; হয়তো একটা ফড়িং ধরছে।

    (ভক্তদের প্রতি) — “এঁর (ডাক্তারের) মনের ভাব কি বুঝেছ? ঈশ্বরকে প্রার্থনা করা হয়, হে ঈশ্বর, আমায় সৎ ইচ্ছা দাও যেন অসৎ কাজে মতি না হয়।

  • West Bengal 2021 Election: বারবার রক্তাক্ত হয়েছে বাংলা, একুশের ভোটের পরে অত্যাচার চরমে তৃণমূলের  

    West Bengal 2021 Election: বারবার রক্তাক্ত হয়েছে বাংলা, একুশের ভোটের পরে অত্যাচার চরমে তৃণমূলের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজত্বে নির্বাচন কেবল একটি গতানুগতিক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নয়, বরং যাঁরা দলের (Post Poll Violence) আদর্শ সমর্থন করেন না, তাঁদের পক্ষে এটি আদতেই অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal 2021 Election) হোক বা স্থানীয় কোনও সংস্থার নির্বাচন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-শাসিত এই রাজ্যে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে নির্বাচনোত্তর হিংসা তৃণমূল জমানায় আক্ষরিক অর্থেই একটি নিয়মে পরিণত হয়েছে। রাজ্যে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করাই যেখানে একটি বড় চ্যালেঞ্জ, সেখানে নির্বাচনের ফল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয়ে যায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে তৃণমূলের মাস্টারমাইন্ডদের মদতে চালানো গণহত্যার এক নয়া অধ্যায়। ২০২১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর রাজ্যজুড়ে ব্যাপক হামলা হয়। খুন এবং ধর্ষণের অসংখ্য ভয়াবহ ঘটনাও সামনে এসেছে। রাজ্যে তৃতীয়বারের মতো টিএমসি সরকার গঠন করার পর, ২০২১ সালের মে থেকে জুলাই মাসের মধ্যে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে ভোট-পরবর্তী হিংসার যে ৪০টি ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটেছে, সেগুলি একবার দেখে নেওয়া যাক।

    বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারকে পিটিয়ে খুন (West Bengal 2021 Election)

    টিএমসি কর্মীরা বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারকে পিটিয়ে খুন করে। ২০২১ সালের ২ মে, ফেসবুকে দুটি ভিডিও আপলোড করার কয়েক ঘণ্টা পরেই তৃণমূলের গুন্ডারা বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারকে পিটিয়ে মারে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে দেখা যায়, কলকাতার বেলেঘাটা এলাকার ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে টিএমসি কর্মীরা তাঁর বাড়ি এবং এনজিও অফিসে নির্বিচারে ভাঙচুর চালাচ্ছে। সরকার সারমেয়প্রেমী ছিলেন। দত্তক নিয়েছিলেন বেশ কয়েকটি পথকুকুর। যাদের মধ্যে একটি আবার পাঁচটি শাবকের জন্ম দিয়েছিল। টিএমসি সদস্যরা তাঁর কুকুরগুলিকেও রেয়াত করেনি,  নির্মমভাবে পিটিয়েছিল শাবকগুলিকেও। ভারতীয় মজদুর ট্রেড ইউনিয়ন কাউন্সিলের এক পদাধিকারী সরকার দরজায় টোকা দেওয়ার শব্দে সাড়া দিয়েছিলেন। এরপর তাঁকে বাইরে টেনে বের করে আনা হয়, নির্মমভাবে মারধর করা হয় এবং একটি কেবল টিভির তার দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে তাঁর বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে উদ্ধার হয় মৃতদেহ। সরকারের একমাত্র দোষ ছিল যে তিনি বিজেপির সমর্থক ছিলেন (West Bengal 2021 Election)।

    বিজেপি কর্মীর বাড়িতে হামলা

    ভাঙচুর করা হয়েছে বিজেপি কর্মী বিশ্বনাথ ধরের বাড়ি। নির্বাচন-পরবর্তী হিংসার আর একটি ঘটনায়, ২০২১ সালের ২ মে বেশ কয়েকজন টিএমসি গুন্ডা সক্রিয় বিজেপি কর্মী বিশ্বনাথ ধরের বাড়িতে হামলা চালায়। ঘটনাটি পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার পানিহাটি পুরসভার ঘোলা মল্লিকপাড়ায় ঘটে। টিএমসি গুন্ডারা ধরের বাড়িতে জোর করে ঢুকে তাঁর জিনিসপত্র ভাঙচুর করে। দুর্বৃত্তরা প্রথমে সিসিটিভি ক্যামেরাগুলি নষ্ট করে দেয়। পরে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে লুটপাট শুরু করে। তারা আলমারি ভেঙে নগদ টাকা ও গয়না চুরি করে। বেরোনোর ​​পথে তারা তাঁর মারুতি গাড়ি এবং একটি রয়্যাল এনফিল্ড (বুলেট) বাইকও ভাঙচুর করে। নিজের বাড়িতেই এক বিজেপি কর্মীকে নির্মমভাবে মারধর করা হয় (West Bengal 2021 Election)। সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসা এমনই এক ঘটনায়, শাসক দল টিএমসির কর্মীদের দ্বারা এক বিজেপি কর্মীকে তাঁর নিজের বাড়িতেই নির্মমভাবে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুরের ত্রিমোহিনীর কিশমতদাপাত গ্রামে। এলাকাটি বালুরঘাট বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে পড়ে (Post Poll Violence)। টিএমসির গুন্ডারা ভুক্তভোগীর বাড়িতে ওত পেতে বসে থেকে সুযোগ বুঝে তাঁকে আক্রমণ করে। বিজেপি কর্মীটির মাথায় আঘাত লাগে এবং প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। দুষ্কৃতকারীরা তাঁর বাড়িতে ঢুকে জিনিসপত্র ভাঙচুরও করে। অনলাইনে একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে একজন মাতাল ভুক্তভোগী ও তাঁর স্ত্রীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করছে। বিজেপি কর্মীটিকে ‘শুয়োরের বাচ্চা’ বলে উল্লেখ করে সে একটি বাঁশের লাঠি দিয়ে তাঁকে মারতে শুরু করে। “বিজেপি দেখাচ্ছিস? তোদের কত ক্ষমতা? তোরা কি ভাবিস যে ক্ষমতায় এসেছিস?” এই সব ভাষায় হুমকি দেয় দুষ্কৃতীটি। বিজেপি প্রার্থী (West Bengal 2021 Election) বিজ্ঞানী গোবর্ধন দাস, টিএমসি গুন্ডাদের হাতে নিজের বাড়িতেই ঘেরাও হয়েছিলেন।

    টিএমসি গুন্ডাদের ‘কীর্তি’

    নির্বাচনের পর, পূর্বস্থলী উত্তর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী গোবর্ধন দাসের গ্রামে টিএমসি গুন্ডারা বিজেপি স্বেচ্ছাসেবকদের বেশ কয়েকজনকে ঘিরে ধরে আক্রমণ করে। দাস একজন বিজ্ঞানী। তিনি দিল্লির জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের মলিকুলার মেডিসিনের অধ্যাপক। ২০২১ সালের ৪ মে, টিএমসি গুন্ডাদের হাতে নিজ বাড়িতে আটকা পড়ার পর দাস এক জীবন-মরণ পরিস্থিতির সম্মুখীন হন। দুষ্কৃতীরা তাঁর বাসভবনেও অতর্কিতে হামলা চালায়, যার ফলে তিনি পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে নিজের বাড়িতে আটকে পড়েন। টিএমসি গুন্ডারা তাঁর বাড়িতে দেশি (Post Poll Violence) বোমা নিক্ষেপ করে। টিএমসি কর্মীরা বিএসএফ কর্মীদের বাড়িতে হামলা চালায়। টিএমসির মদতপুষ্ট গুন্ডারা শুধু বিজেপি কর্মীদেরই টার্গেট করেনি, নিরাপত্তা কর্মীদেরও ছাড়েনি, যাঁরা তাঁদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষই নন। জলপাইগুড়ির রানিপরহাটে টিএমসির গুন্ডারা বিএসএফ জওয়ান কমল সেনের বাড়িতে হামলা চালায়। লুটপাট করার পাশাপাশি ভাঙচুরও করা হয়। ছুটিতে থাকা জওয়ান ও তাঁর পরিবারের ওপর হামলা চালানো হয় এবং তাঁর বাড়ি, ট্রাক্টর ও বাইকে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। কোচবিহারে বিএসএফ জওয়ান সুশান্ত বর্মনের ওপরও একই ধরনের হিংসা চালানো হয়। বর্মনের ভাই বিজেপির সমর্থক হওয়ায় টিএমসি কর্মীরা তাঁর ওপর হামলা চালায় এবং তাঁর বাড়ি লুট করে। তাঁর পরিবারের সদস্যদের জীবন বাঁচাতে বাড়ি ছেড়ে পালাতে হয়েছিল। ২০২১ সালের রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal 2021 Election) টিএমসি বিপুল ভোটে জয়ী হওয়ার পর, টিএমসির গুন্ডারা তাদের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে হিসেব মেটাতে নেমে পড়ে। তারা কলকাতায় অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)-এর কার্যালয়ে হামলা চালায়। টিএমসির ২০ জনেরও বেশি গুন্ডা এবিভিপি কার্যালয়ে ঢুকে পড়ে এবং এবিভিপির জাতীয় যুগ্ম সচিব-সহ এবিভিপি কর্মীদের ওপর হামলা চালায়।

    নির্বাচন-উত্তর হিংসার

    নির্বাচন-উত্তর হিংসার আর একটি ঘটনায়, ২০২১ সালের জুলাই মাসে বিজেপির বুথ কর্মী সুনীল বক্সির বাড়িতে হামলা চালায় মুসলিম জনতা। তাঁর বাড়িতে ঢুকে আসবাবপত্র ও অন্যান্য জিনিসপত্র ভাঙচুর করে, মহিলাদের শ্লীলতাহানি করে, তাঁর স্ত্রীকে ধর্ষণের হুমকিও দেয়। অভিযোগ, প্রায় ১৫টি বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনার পর তারা গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যায় (Post Poll Violence)। বক্সি যখন পুলিশের কাছে যান, তখন তাঁকে হুমকি দেওয়া হয় যে অভিযোগ দায়ের করলে তার পরিণতি আরও ভয়াবহ হবে। অভিযোগে বলা হয়েছে, পুলিশ তাদের দিয়ে এটাও লেখানোর চেষ্টা করেছিল যে বজ্রপাতের কারণে বাড়িগুলি পুড়ে গিয়েছে। ২০২১ সালের ৩ মে, তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত গুন্ডারা বক্সিকে আক্রমণ করে। তিনি জানান, তাঁর মাথায় আঘাত করা হয়েছিল কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁর ভাই তাঁকে বাঁচান। তিনি যখন অভিযোগ করতে পুলিশের কাছে যান, তখন তারা তাঁর অভিযোগ নথিভুক্ত করতে অস্বীকার করে, পরিবর্তে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। সুনীল বক্সি জাতীয় তফশিলি উপজাতি কমিশনেও একটি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন (West Bengal 2021 Election)।

    বোমা হামলায় নিহত বিজেপি কর্মী

    বোমা হামলায় বিজেপি কর্মী জয় প্রকাশ যাদব নিহত হন। টিএমসির মদতে নির্বাচন-পরবর্তী হিংসায় ২০২১ সালের জুলাই মাসে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ভাটপাড়ায় বোমা হামলায় জয় প্রকাশ যাদব নামে ২৮ বছর বয়সী এক বিজেপি কর্মীকে হত্যা করা হয়। মাথায় অপরিশোধিত বোমা লাগার আগে দুই ব্যক্তির সঙ্গে জয় প্রকাশ যাদবের তীব্র বাদানুবাদ হয়। তাঁকে হত্যার আগে, ওই দুই ব্যক্তির একজনকে বলতে শোনা যায়, “পুলিশকে ভুলে যান… আপনারা খুব বেশি বিজেপি, বিজেপি করছেন… ছেড়ে দিন (West Bengal 2021 Election)।” এই ঘটনাটি যাদবের ১৭ বছর বয়সী ভাইঝি স্বপ্না ক্যামেরায় রেকর্ড করে। নিহতের উপর এই মারাত্মক হামলায় তাঁর মা, রাজমতি দেবীও শ্রবণশক্তি হারান। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি কর্মীদের টার্গেট করার আর একটি ঘটনায়, বিজেপিকে সমর্থন করার জন্য দুই নেতাকে ‘শাস্তি’ হিসেবে জোর করে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করা হয়। এরপর, ওই (Post Poll Violence) দুই বিজেপি নেতাই নিখোঁজ হয়ে যান। তাঁদের স্বামীদের খোঁজ জানতে চেয়ে তাঁদের স্ত্রীরা কলকাতা হাইকোর্টে একটি আবেদনও করেন।

    নাগরিক স্বেচ্ছাসেবক

    মামলার তদন্তে গুরুতর ত্রুটি ধরা পড়ার পর কলকাতা হাইকোর্ট মামলাটি সিবিআই এবং এনআইএর হাতে তুলে দেয়। আবেদনকারীরা হাইকোর্টকে জানান যে তাঁদের স্বামীরা নিখোঁজ হয়েছেন এবং তাঁদের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর তাঁরা দুটি অভিযোগ দায়ের করেন, প্রথমে মোঠাবাড়ি থানায় এবং পরে কালিয়াচক থানায়। তাঁরা জানান যে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল, যা থানা গ্রহণ করে, কিন্তু একজন ‘নাগরিক স্বেচ্ছাসেবক’ সেটি ছিঁড়ে ফেলেন এবং আবেদনকারীদের জানান যে তাঁদের স্বামীরা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন (West Bengal 2021 Election)। ২০২১ সালের ৩০শে মে পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার আদাবাড়ির সিতাই গ্রামে এক বিজেপি কর্মীর মৃতদেহ রহস্যজনকভাবে একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তাঁর বাড়ির কাছের একটি বাগানে স্থানীয়রা তাঁর মৃতদেহটি দেখতে পান। বিজেপি তাদের দলীয় কর্মীকে হত্যার জন্য শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে অভিযুক্ত করেছে। তারা জানিয়েছে, নির্বাচনের সময় অনিল বর্মন তৃণমূলের হিটলিস্টে ছিলেন। তারা আরও দাবি করেছে যে এর আগে তৃণমূলের গুন্ডারা মৃতের বাড়িতে ভাঙচুর করেছিল।

    বোষ্টম পুকুরের কাছে উদ্ধার দেহ

    ২৬ বছর বয়সী বিজেপি সমর্থক কুশ ক্ষেত্রপাল নিখোঁজ হন ২০২১ সালের ৫ মে। দুই দিন পর, বোষ্টম পুকুরের কাছে একটি গণেশ মূর্তির পেছনে তাঁর মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। এফআইআর অনুসারে, তাঁর শরীরে একাধিক ছুরির আঘাতের চিহ্ন ছিল। তাঁর ভাই, শ্রীকান্ত ক্ষেত্রপাল, জানান, টিএমসির গুন্ডারা তাঁকে হত্যা করেছে। খুন করার আগে তারা তাকে তাদের রায়বাঘিনী পার্টির অফিসে নিয়ে গিয়েছিল। শ্রীকান্ত জানান যে কুশ একটি হোটেলে কাজ করত এবং কাজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে টিএমসি সদস্য কানন ক্ষেত্রপাল, সুকুমার ক্ষেত্রপাল এবং দিলীপ ক্ষেত্রপাল প্রায়শই তাঁর কাছে আসতেন। তাঁরা কুশকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন এই বলে যে, তিনি যদি টিএমসিতে যোগ না দেন, তাহলে পরিণতি হবে মারাত্মক (Post Poll Violence)। টিএমসি গুন্ডারা বিজেপি কর্মী রাজীব পোল্ল্যের বাড়িতেও হামলা চালায় (West Bengal 2021 Election)। রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরপরই, হাওড়ায় বিজেপি কর্মী রাজীব পোল্ল্যের বাড়িতে কিছু টিএমসি গুন্ডা বোমা নিক্ষেপ করে। তারা নির্যাতিতার বাড়ি থেকে নগদ টাকা ও গয়না লুট করে। তারা বাড়ির মহিলা সদস্যদের শ্লীলতাহানিও করে।

    টিএমসি গুন্ডাদের হাতে খুন হন

    ২০২১ সালের ২ জুলাই, পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় টিএমসি গুন্ডাদের হাতে খুন হন বিজেপি কর্মী চন্দনা হালদার। তাঁকে পিটিয়ে মারা হয়। তিনি পশ্চিমবঙ্গের সাতগাছিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তাঁর স্বামী গৌতম হালদার জানান, তিনি ও তাঁর স্ত্রী বিজেপি কর্মী ছিলেন। ঘটনার দিন, টিএমসি গুন্ডারা প্রথমে তাঁর চাচাতো ভাই স্বরূপ হালদারকে আক্রমণ করে। যখন তিনি ও তাঁর স্ত্রী তাঁকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন, তখন তাঁদেরও নির্মমভাবে মারধর করা হয় এবং এর ফলে তাঁর স্ত্রী মারা যান। টিএমসি-সমর্থিত আর একটি ঘটনায়, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাধুরঘাট গ্রামে বিজেপির বুথ সভাপতি রাজা সমানকে নির্মমভাবে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে।

    ধর্ষণ

    এরকমই আর একটি ঘটনায়, ৬০ বছর বয়সী এক মহিলাকে তাঁর ছয় বছর বয়সী নাতির সামনে নৃশংসভাবে ধর্ষণ করা হয়। ভুক্তভোগী মহিলা জানান, ভোটের ফল ঘোষণার পর টিএমসি কর্মীরা জোর করে তাঁর বাড়িতে ঢুকে পড়ে তাঁকে ধর্ষণ করে। ২০২১ সালের ৪ ও ৫ মে-র মধ্যবর্তী রাতে, নির্বাচনের ফল ঘোষণার মাত্র দুই দিন পর ঘটনাটি ঘটে। অভিযোগ, টিএমসি কর্মীরা তাঁর মূল্যবান জিনিসপত্রও লুট করে নিয়ে যায় (West Bengal 2021 Election)। ২০২১ সালের ১৪ মে, বিজেপির হয়ে প্রচার চালানো পূর্ণিমা মণ্ডল এবং তাঁর স্বামী ধর্ম মণ্ডলকে চিহ্নিত করে কুড়াল দিয়ে আক্রমণ করা হয়। পূর্ণিমাকে তাঁর স্বামী ও দেবরের ওপর এই আক্রমণ প্রত্যক্ষ করতে বাধ্য করা হয়। একই সঙ্গে তাঁকে বিবস্ত্র করে জাপটে ধরে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। তিনি জানান, এই জনতাকে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন স্থানীয় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি কালু শেখ। তার স্বামী ২০২১ সালের ১৬ই মে আঘাতজনিত কারণে মারা যান (Post Poll Violence)।

    টিএমসি কর্মীদের গণধর্ষণ

    ২০২১ সালের ৯ই মে, তফশিলি জাতিভুক্ত ১৭ বছর বয়সী এক নাবালিকাকে টিএমসি কর্মীরা গণধর্ষণ করে। অসুস্থ বোধ করায় তাকে জঙ্গলে ফেলে রেখে যায়। পরের দিন, টিএমসি নেতা বাহাদুর এসকে তার বাড়িতে গিয়ে অভিযোগ দায়ের না করার জন্য পরিবারের সদস্যদের হুমকি দেন। তিনি বলেন, অভিযোগ করলে তিনি তাঁদের বাড়ি পুড়িয়ে দেবেন এবং তাঁদের হত্যা করবেন (West Bengal 2021 Election)। রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের ফলের পর, পূর্ব বর্ধমান জেলার কেতুগ্রাম তহশিলের শ্রীপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে টিএমসি গুন্ডারা ২২ বছর বয়সী আরএসএস কর্মী বলরাম মাঝিকে নির্মমভাবে মারধর করে। মাঝি সেদিনই আঘাতজনিত কারণে মারা যান। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে টিএমসি বিপুল বিজয় লাভ করায়, টিএমসি কর্মীদের হিংসার ভয়ে বহু বিজেপি কর্মী ও তাঁদের পরিবার পশ্চিমবঙ্গের বাড়িঘর ছেড়ে প্রতিবেশী রাজ্য অসমে চলে যান। ৩০০-৪০০ জন উত্তরবঙ্গ থেকে সীমান্ত পেরিয়ে অসমের ধুবড়ি জেলায় প্রবেশ করেন। বিজেপি সমর্থক ও তাদের পরিবারকে শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় দেওয়া হয়। বেশ কয়েকজন বিজেপি নেতা এই শিবিরগুলিতে গিয়ে ত্রাণ সামগ্রী ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

    কর্মীদের অস্থায়ী সহায়তা

    অসম সরকার ধুবড়িতে থাকা দলীয় কর্মীদের অস্থায়ী সহায়তা দেয়। করোনাভাইরাস অতিমারীর দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যে এই দুর্ভাগ্যজনক গণপলায়ন ঘটায় সরকার কোভিড-১৯ পরীক্ষার জন্য একটি কেন্দ্রও স্থাপন করে। আর একটি ঘটনায়, ২০২১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর ভাটপাড়ার কাঁকিনাড়া এলাকায় এক বিজেপি কর্মীর বাড়িতে বোমা ছোড়া হয়। বিজেপি কর্মী রাজ বিশ্বাস জানান, তিনজন তাঁর বাড়িতে বোমা ছুড়েছে। আর একটি পৃথক ঘটনায়, তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা যাদবপুরের বিজেপি প্রার্থী রিঙ্কু নস্করের বাড়িতে হামলা চালায়। নির্বাচনে পরাজয়ের পর তৃণমূল কংগ্রেসের গুন্ডারা বিজেপি প্রার্থীর বাড়িতে ভাঙচুর করতে ঢোকে।

    আর একটি ঘটনায়, পশ্চিমবঙ্গের ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফলের পর বিজেপি কর্মী গণেশ ঘোষ রাজ্য ছাড়তে বাধ্য হন। তৃণমূল কংগ্রেসের গুন্ডারা তাঁর রিসর্টে তাণ্ডব চালানোর পর তিনি তাঁর পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। দুষ্কৃতীরা শান্তিনিকেতনের খোয়াই হাটের শকুন্তলা গ্রামে ঘোষের রিসর্টে হামলা চালায়। রিসর্টটি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাত্র ৫ মিনিটের দূরত্বে অবস্থিত (West Bengal 2021 Election)।

     

  • LPG: এলপিজি সিলিন্ডার নিয়ে শুরু কালোবাজারি! আসছে ভুতুড়ে ডেলিভারির এসএমএসও

    LPG: এলপিজি সিলিন্ডার নিয়ে শুরু কালোবাজারি! আসছে ভুতুড়ে ডেলিভারির এসএমএসও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এলপিজি (LPG) সিলিন্ডার নিয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে কালোবাজারি! ভুতুড়ে ডেলিভারির (Ghost Deliveries) এসএমএসও হচ্ছে। প্রত্যাশিতভাবেই উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছেন বিভিন্ন রাজ্যের এলপিজি গ্রাহকরা।

    ভুতুড়ে কাণ্ড (LPG)

    দক্ষিণ দিল্লির একটি কলোনিতে একই বাড়ি, একই গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর—কিন্তু দুই তলায় দু’রকম অভিজ্ঞতার সাক্ষী স্থানীয়রা। এক ব্যক্তি মঙ্গলবার রাতে গ্যাস বুক করে, পরের দিন দুপুরের মধ্যেই সিলিন্ডার ডেলিভারিও হয়। অথচ, নীচেরতলায় থাকা বছর বাহাত্তরের এক বৃদ্ধা তখন উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছিলেন। কারণ তাঁর বুকিং ব্লক হয়ে গিয়েছিল। তাঁর নামে একটি ভুয়ো ডেলিভারিও দেখানো হয়েছিল। জানা গিয়েছে, ওই বৃদ্ধা ১২ মার্চ রিফিল বুক করেছিলেন, ডেলিভারি হয় ১৪ মার্চ। কিন্তু ২৩ মার্চ একটি এসএমএস পান তিনি। তাতে লেখা, তাঁর সিলিন্ডার ডেলিভারি হয়ে গিয়েছে। যদিও তিনি নতুন করে বুকিং করেননি। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, শেষ ডেলিভারির ২৫ দিনের আগে নতুন বুকিং করা যায় না। ১৪ মার্চের পর ২৫ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরেও তিনি সিলিন্ডার বুক করতে পারছেন না, কারণ সিস্টেম তাঁকে ব্লক করছে। তাই মাত্র একটি সিলিন্ডার দিয়ে কোনওক্রমে দিন কাটাতে হচ্ছে তাঁকে।

    সিলিন্ডার নিয়েও কালোবাজারি

    এই সমস্যা শুধু দিল্লির নয়, দেশজুড়ে হাজার হাজার মানুষ একই সমস্যায় ভুগছেন। জানা গিয়েছে, একটি বড় অবৈধ এলপিজি বাজার দীর্ঘদিন ধরে চলছে ভারতে। কম দামে পাওয়া গৃহস্থালির সিলিন্ডার অবৈধভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে রেস্তোরাঁ, রাস্তার দোকান এবং ছোটখাটো ব্যবসায়। ৫ কেজির সিলিন্ডার নিয়েও কালোবাজারি হচ্ছে। প্রসঙ্গত, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এবং সরবরাহ ঘাটতি এই অবৈধ ব্যবস্থার মুখোশ খুলে দিয়েছে। যার জেরে বাজেয়াপ্ত হয়েছে হাজার হাজার অবৈধ সিলিন্ডার। জানা গিয়েছে, গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর এবং ডেলিভারি এজেন্টরাই সবচেয়ে দুর্বল লিংক। সরকার ডিএসি DAC (Delivery Authentication Code) চালু করলেও, সেটি ওটিপি স্পুফিংয়ের মাধ্যমে পাশ কাটানো হচ্ছে বলে অভিযোগ (LPG)। প্রাক্তন এক কর্মী জানান, অনেক পরিবার তাদের পুরো কোটার এলপিজি ব্যবহার করে না। এই অব্যবহৃত সিলিন্ডারই কালোবাজারে বিক্রি হয় চড়া দরে (Ghost Deliveries)।

    কালোবাজারে সিলিন্ডারের দাম

    বর্তমানে একটি ১৪ কেজি সিলিন্ডার, যার সরকারি দাম ৯১৪ টাকার কাছাকাছি, কালোবাজারে সেটাই বিক্রি হচ্ছে ৪,০০০ থেকে ৫,০০০ পর্যন্ত টাকায়। ডেলিভারি এজেন্টদের লাভ আগে যেখানে ছিল ২০০ টাকা, সেটাই এখন হচ্ছে সিলিন্ডার প্রতি ৪,০০০ টাকা। ডিস্ট্রিবিউটররা বলছেন, এটি সিস্টেম গ্লিচ। কিন্তু বিভিন্ন রাজ্য থেকে একই ধরনের অভিযোগ প্রমাণ করে, এটি একটি বড় স্ক্যাম। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, বুকিং না করেই ডেলিভারি দেখানো হচ্ছে, সিলিন্ডার না পেয়েও “ডেলিভার্ড” এসএমএস আসছে। অভিযোগ করলে দেরিতে ডেলিভারি দেওয়া হচ্ছে।ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ডিস্ট্রিবিউটরদের এক সঙ্গে অনেক সিলিন্ডার (যেমন ৩৬০টি) ডেলিভারি দেখাতে হয়। অনেক সময় তাঁরা সিস্টেমে “ডেলিভার্ড” দেখিয়ে সিলিন্ডার পাঠিয়ে দেয় কালোবাজারে। এর ফলেই সৃষ্টি হয়েছে হরেককিসিমের কালোবাজারি। গ্রাহক সিলিন্ডার পান না, যদিও সিস্টেমে ডেলিভারি দেখায়, নয়া বুকিং ব্লক হয়ে যায় (LPG)।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সমস্যার সমাধান করতে হলে বাড়াতে হবে সরকারি নজরদারি, ডিস্ট্রিবিউটরদের বিরুদ্ধে নিতে হবে কঠোর ব্যবস্থা, গ্রাহকদের অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থা সহজ করা, ছোট ব্যবসা ও শ্রমিকদের বৈধ এলপিজি ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করা। তাঁদের মতে, এতেই রোখা যাবে কালোবাজারি (Ghost Deliveries)।

     

  • Asha Bhosle: ভারতীয় সঙ্গীত জগতে নক্ষত্র পতন, প্রয়াত সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে

    Asha Bhosle: ভারতীয় সঙ্গীত জগতে নক্ষত্র পতন, প্রয়াত সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত ভারতীয় সঙ্গীতের ইতিহাসে অন্যতম আইকনিক ও বহুমুখী কণ্ঠশিল্পী আশা ভোঁসলে (Asha Bhosle)। আজ, রবিবার ১২ এপ্রিল প্রয়াত হন তিনি। বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। আট দশকেরও বেশি সময় ধরে (Legendary singer) ভারতীয় সিনেমা ও সঙ্গীতের সুরভুবনকে গড়ে তুলেছিলেন তিনি। সে-ই তিনিই পেছনে রেখে গেলেন এক অমর উত্তরাধিকার।

    প্রয়াত আশা ভোঁসলে (Asha Bhosle)

    মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালের চিকিৎসক প্রতীত সামদানি আশার মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, “আজ ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে আশা ভোঁসলে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বহু অঙ্গ বিকলের কারণে মৃত্যু হয়েছে তাঁর।” আশার ছেলে আনন্দ ভোঁসলে বলেন, “আজ আমার মা প্রয়াত হয়েছেন। আগামিকাল সকাল ১১টায় লোয়ার পারেলের কাসা গ্রান্ডে, যেখানে তিনি বাস করতেন, সেখানে মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন। বিকেল ৪টায় শিবাজি পার্কে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।”

    ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন

    ১১ এপ্রিল শনিবার সন্ধ্যায় চরম ক্লান্তি ও বুকে সংক্রমণের কারণে ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল আশাকে। তাঁর নাতনি জানাই ভোঁসলে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতিতে আশার অসুস্থতার খবর জানিয়ে পরিবারের জন্য গোপনীয়তা বজায় রাখার অনুরোধ করেছিলেন। তিনি বলেন, “আমার দিদা আশা ভোঁসলে চরম ক্লান্তি ও বুকে সংক্রমণের কারণে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসা চলছে। আশাকরি, সব ঠিক হয়ে যাবে (Asha Bhosle)।” ১৯৩৩ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন আশা। অল্প বয়সেই শুরু করেছিলেন সঙ্গীতজীবন। পাঁচের দশকে তিনি খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছন। পরবর্তীকালে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্লেব্যাক গায়িকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন (Legendary singer)।

    আশার অসাধারণ অবদান

    আশার কণ্ঠ ছিল চঞ্চল, আবেগপূর্ণ এবং অসাধারণভাবে বহুমাত্রিক, যা প্রজন্মের পর প্রজন্মের শ্রোতাদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করেছে। দীর্ঘ কেরিয়ারে বিভিন্ন ভারতীয় ভাষায় তিনি হাজার হাজার গান রেকর্ড করেছেন। ধ্রুপদী, গজল, ক্যাবারে, পপ ও লোকসঙ্গীত সব ধরনের ধারায়ই তিনি ছিলেন সমান দক্ষ। শীর্ষস্থানীয় সুরকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতাদের সঙ্গে আশার সহযোগিতায় হিন্দি সিনেমার অনেক কালজয়ী গান সৃষ্টি হয়েছে, যা তাঁকে এক চিরন্তন সাংস্কৃতিক আইকনে পরিণত করেছে। আশার অসাধারণ অবদানের জন্য তিনি বহু সম্মানে ভূষিত হয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার এবং ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান, পদ্ম বিভূষণ (Asha Bhosle)।

    ভারতীয় সঙ্গীতে মহিলা কণ্ঠ

    ২০১১ সালে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস আশাকে সঙ্গীত ইতিহাসে সর্বাধিক রেকর্ড করা শিল্পী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। জীবনের শেষ পর্বেও তিনি সঙ্গীতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, মাঝে মাঝে পরিবেশন করতেন এবং নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের অনুপ্রাণিত করতেন। তাঁর প্রভাব শুধু প্লেব্যাক গানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, তিনি ভারতীয় সঙ্গীতে মহিলা কণ্ঠের ভূমিকা নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করেছিলেন (Legendary singer)। আশা ভোঁসলের বহুমুখিতা কিংবদন্তি—‘দিল চিজ কিয়া হ্যায়’-এর মতো আবেগঘন গজল থেকে ‘পিয়া তু আব তো আজা’র মতো সুললিত গানে তিনি সমান পারদর্শী। ‘মেরা কিছু সামান’ ও ‘চুরা লিয়া হ্যায় তুমনে’র মতো গানেও তাঁর কণ্ঠের জাদু অনন্য। লোকসঙ্গীত থেকে পপ—সব ক্ষেত্রেই তাঁর কণ্ঠ ভারতীয় সঙ্গীতের এক রঙিন প্রতিচ্ছবি (Asha Bhosle)।

     

  • Hindus Under Attack: বিপন্ন হিন্দুরা, সাপ্তাহিক ঘটনায়ই উঠে এল এমন ছবি  

    Hindus Under Attack: বিপন্ন হিন্দুরা, সাপ্তাহিক ঘটনায়ই উঠে এল এমন ছবি  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর অব্যাহত আক্রমণ। দেশ কিংবা বিদেশ সর্বত্রই এমনতর ঘটনা ঘনঘন এবং নিরন্তর চলছে। বিশ্বের অনেক অঞ্চলে এই (Hindus Under Attack) নির্যাতন ধীরে ধীরে একটি গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। বহু দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তিকে উপেক্ষা করেছে, যা উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ দ্বারা প্রভাবিত। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে-অনুষ্ঠানে হামলা, আক্রমণ, মন্দির-মূর্তির অবমাননা, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য—হিন্দুরা তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের সম্মুখীন হচ্ছে। এটি অভূতপূর্ব হিন্দু বিদ্বেষের পরিচায়ক (Roundup Week)।

    ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে (Hindus Under Attack)

    গত ৫ থেকে ১১ এপ্রিল, ২০২৬ পর্যন্ত পর্বে আমরা এমন কিছু ঘটনার ছবি তুলে ধরতে চাই, যাতে বিশ্বব্যাপী মানুষ এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হয়। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক ছবিটা। ইউনাইটেড স্টেটস কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম (USCIRF) তাদের ২০২৬ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে একটি নজিরবিহীন পদক্ষেপ করেছে। তারা ভারতের বৃহত্তম সাংস্কৃতিক সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS)-এর ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ করেছে। ইউনাইটেড স্টেটস কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম প্রায়ই এমন প্রতিবেদন প্রকাশ করে যা আদতে ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে।

    ইমরান শেখ গ্রেফতার

    দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল ভুবনেশ্বর থেকে ইমরান শেখ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে, সে উগ্রপন্থী গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছিল বলে অভিযোগ। ২২ বছর বয়সী শেখকে ওড়িশার রাজধানীর ইউনিট-৬ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। মহারাষ্ট্রের নাসিকের একটি বহুজাতিক আইটি সংস্থায় যৌন হয়রানি ও ধর্মীয় নিপীড়নের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। সাত মহিলা পুলিশ কর্মী ছদ্মবেশে সেখানে ঢুকে দেখেন, হিন্দু মহিলা কর্মীরা হয়রানি ও ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন। অভিযানে অভিযুক্তদের হাতেনাতে ধরা হয় এবং গ্রেফতার করা হয়। মোট ৯টি মামলা দায়ের হয়েছে, গ্রেফতার হয়েছে ৭ জন।

    তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলরের ‘দাদাগিরি’

    কলকাতার ভবানীপুরে ভোলানন্দ গিরি আশ্রমে তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর অসীম বসু ঢুকে পড়ে সেখানকার সাধুদের জোর করে বের করে দেন। বিভিন্ন জেলা থেকে আসা সাধুদের অভিযোগ, তাঁদের হুমকি দেওয়া হয়েছিল এবং আশ্রমের বিদ্যুৎ ও জল সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল (Hindus Under Attack)। দিল্লির ত্রিনগরে একটি ‘লাভ জেহাদ’ মামলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। সেখানে বছর পনেরোর এক হিন্দু কিশোরী ও বছর চৌত্রিশের এক মুসলিম ব্যক্তির মধ্যে সম্পর্কের অভিযোগ ওঠে। ওই কিশোরীর পরিবারের দাবি, ওই ব্যক্তি পরিচয় গোপন করে ‘সৌরভ রাইডার’ নামে পরিচয় দিয়েছিল। তিনি নৃত্য প্রশিক্ষক। পড়াতে গিয়ে ওই মেয়েটির সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর।

    বেশিরভাগ ঘৃণামূলক অপরাধ হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ থেকে উদ্ভূত, যা কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত। ইসলামিক দেশগুলিতে এই বিদ্বেষ স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ দেশগুলিতেও একটি সূক্ষ্ম হিন্দু-বিরোধী মনোভাব আজও রয়ে গিয়েছে, যা এই ধরনের অপরাধকে উৎসাহ দেয় (Roundup Week)। দীপাবলিতে পটকা নিষিদ্ধ করার বিষয়টি এর একটি উদাহরণ। একে পরিবেশ বাঁচানোর কারণ বলে মনে করিয়ে দিয়ে  হয়। বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে এটি হিন্দু উৎসবগুলির ওপর বিধিনিষেধ এবং দ্বৈত মানদণ্ডের ইঙ্গিত দেয় (Hindus Under Attack)।

     

  • Ranveer Singh: নাগপুরে আরএসএস দফতরে রণবীর সিং, কেন জানেন?

    Ranveer Singh: নাগপুরে আরএসএস দফতরে রণবীর সিং, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরএসএস কর্তা মোহন ভাগবতের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ধুরন্ধর ২: দ্য রিভেঞ্জের তারকা অভিনেতা রণবীর সিং (Ranveer Singh)। তাঁর সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ছবিটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। শুক্রবার তিনি গিয়েছিলেন নাগপুরে, বিজেপির সদর কার্যালয়ে (Mohan Bhagwat)।  সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা গিয়েছে, ভগবতের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় অভিনেতা সাদা কুর্তা-পায়জামা পরেছিলেন। জানা গিয়েছে, এদিন বিকেল ৪টা নাগাদ বাবাসাহেব আম্বেদকর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছন ধুরন্ধরের তারকা। সেখান থেকে তিনি সোজা চলে যান নাগপুরে, আরএসএসের সদর দফতরে। সেখানে তিনি ছিলেন ঘণ্টা দেড়েক।

    ভগবতের সঙ্গে সাক্ষাৎ (Ranveer Singh)

    জানা গিয়েছে, রণবীর আরএসএস প্রধান মোহন ভগবতের সঙ্গে দেখা করেন। আলোচনা করেন তাঁর ছবিটি নিয়ে। তাঁকে সংগঠনের কাজকর্ম ও সেবামূলক উদ্যোগ সম্পর্কে জানানো হয়। রণবীর রেশিমবাগে অবস্থিত ড. হেডগেওয়ার স্মৃতি মন্দিরেও যান। সেখানে তিনি আরএসএস প্রতিষ্ঠাতা কেবি হেডগেওয়ার এবং সরসংঘচালক এমএস গোলওয়াকারের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। সঙ্ঘের তরফে তাঁকে ওই দুই নেতার জীবন সম্পর্কে অবহিত করা হয়। রণবীর সেখানে উপস্থিত কয়েকজন আরএসএস সদস্যের সঙ্গেও কথা বলেন। রণবীরের এই সফর এমন একটা সময়ে হয়েছে, যখন তাঁর সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি বক্স অফিসে দারুণ সাফল্য পাচ্ছে। আদিত্য ধর পরিচালিত এই ছবিটি মুক্তি পেয়েছে ১৯ মার্চ। রোজগার করেছে ১০০০ কোটি টাকারও বেশি (Ranveer Singh)।

    প্রোপাগান্ডা বলে সমালোচনার কড়া জবাব

    তবে, অনেকেই এই ছবিটিকে প্রোপাগান্ডা বলে সমালোচনা করেছেন (Mohan Bhagwat)। সম্প্রতি, চলচ্চিত্র নির্মাতা সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গা এই সমালোচনার কড়া জবাব দিয়েছেন। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে সমালোচকদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন এবং ছবির পরিচালক আদিত্য ধর ও অভিনেতা রণবীর সিংকে সমর্থন করেন। ছবিটি দেখে তিনি প্রশংসাও করেন।

    তিনি লিখেছেন, “অনেক লেখক ও অভিনেতা প্রোপাগান্ডার ওপর কেরিয়ার গড়েছেন, আর ইন্ডাস্ট্রি চুপ করে থেকেছে। এখন একই দল ধুরন্ধরকে নিয়ে মজা করছে। আপনি নিজেকে লিবারাল বলতে পারেন না যদি আপনার প্রথম প্রতিক্রিয়া হয় উপহাস করা। কবে থেকে সত্যকে প্রোপাগান্ডা বলা শুরু হয়েছে, জানি না… অদ্ভুত সময়। মূল কথায় আসি… আমি @আদিত্যধর ফিল্মস এবং @রণবীরঅফিসিয়ালকে বলতে চাই, এই খারাপ নজর এভাবে যাবে না… এক মুঠো লাল লঙ্কায় কাজ হবে না… পুরো ক্ষেত জ্বালাতে হবে (Mohan Bhagwat)। গত রাতে (Ranveer Singh) ধুরন্ধর ২: দ্য রিভেঞ্জ দেখলাম… অসাধারণ ছবি (এসআইসি)।”

     

  • PM Modi: মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ বিল সর্বসম্মতভাবে পাশ করাতে উদ্যোগী প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ বিল সর্বসম্মতভাবে পাশ করাতে উদ্যোগী প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ বিল সর্বসম্মতভাবে পাশ করাতে শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যোগাযোগ করেন সংসদের উভয় কক্ষের সব দলের ফ্লোর লিডারদের সঙ্গে (Womens Quota Bills)। এই বিলগুলির লক্ষ্য হল ২০২৯ সাল থেকে লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভায় এক-তৃতীয়াংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত করা।

    কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “বিস্তৃত আলোচনা ও চিন্তাভাবনার পর আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে এখন সময় এসেছে ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’কে সারা দেশে প্রকৃত অর্থে কার্যকর করার। ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন ও বিধানসভা নির্বাচনে মহিলাদের সংরক্ষণ সহকারে অনুষ্ঠিত হওয়া অত্যন্ত জরুরি।” তিনি আরও বলেন, “আপনাদের সমর্থন দেশের মহিলাদের প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের সমতুল হবে।” এই উদ্যোগ এমন একটা সময়ে এসেছে যখন বিরোধী দলগুলি ২০২৭ সালের জনগণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংরক্ষণ কার্যকর করার বিরোধিতা করছে। এতে করে মহিলাদের সংরক্ষণ ২০৩৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে কার্যকর না-ও হতে পারে। যেহেতু সংবিধান সংশোধনী পাশ করাতে বিজেপির দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন, তাই বিরোধীদের সমর্থন জরুরি।

    সংরক্ষণ বাস্তবায়ন

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সংসদ ও বিধানসভায় মহিলাদের সংরক্ষণ কোনও একক দল বা ব্যক্তির বিষয় নয়। এটি এমন একটি মুহূর্ত, যখন আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও দেশের মহিলাদের দায়িত্বশীলতা দেখিয়ে দিতে হবে।” এই বিল অনুযায়ী, সংরক্ষণ বাস্তবায়ন ২০২৭ সালের জনগণনার পরিবর্তে ২০১১ সালের জনগণনার ভিত্তিতে করা হবে (Womens Quota Bills)। প্রধানমন্ত্রী ২০২৩ সালে এই বিলের সর্বসম্মত সমর্থনের কথা মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, “এটি ছিল আমাদের ঐক্যের একটি স্মরণীয় মুহূর্ত।” প্রস্তাবিত সংশোধনের ফলে লোকসভার আসন সংখ্যা ৫৪৩ থেকে বেড়ে ৮১৬ হবে, যার মধ্যে ২৭৩টি মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এছাড়াও, কেন্দ্রীয় সরকার তিনটি বিল আনতে চলেছে। এগুলি হল সংবিধান (১৩১তম সংশোধনী) বিল, ডিলিমিটেশন বিল এবং দিল্লি, জম্মু-কাশ্মীর ও পুদুচেরির মতো কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সংরক্ষণ বাড়ানোর জন্য পৃথক আইন (Womens Quota Bills)।

     

  • Hybrid Terror Modules: একটি সাধারণ মতাদর্শ, একাধিক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত! প্রকাশ্যে হাইব্রিড টেরর মডিউল

    Hybrid Terror Modules: একটি সাধারণ মতাদর্শ, একাধিক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত! প্রকাশ্যে হাইব্রিড টেরর মডিউল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন জায়গায় ধরা পড়েছে একাধিক জঙ্গি মডিউল (Hybrid Terror Modules)। তার জেরে প্রকাশ্যে এসেছে চরমপন্থী কার্যকলাপের একটি উদ্বেগজনক ও পরিবর্তিত ধারা (India)। আগে যেখানে জঙ্গিরা সাধারণত একটি নির্দিষ্ট সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকত, এখন তদন্তকারীরা দেখছেন, এদের অনেকেই একাধিক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হলেও, তাদের মূল চালিকা শক্তি একটি সাধারণ মতাদর্শ।

    ফরিদাবাদ মডিউল (Hybrid Terror Modules)

    ফরিদাবাদ মডিউলের কথাই ধরা যাক। এই মডিউলের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল জইশ-ই-মোহাম্মদের। তদন্তকারীরা জানান, তাদের মূল মতাদর্শগত ঝোঁক ছিল ইসলামিক স্টেটের দিকে। এই ধরনের বহু-সংগঠনভিত্তিক সংযোগ জঙ্গি নেটওয়ার্কের কাঠামো ও কার্যপদ্ধতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। একই প্রবণতা দেখা গিয়েছে দিল্লি পুলিশ ও মহারাষ্ট্র অ্যান্টি-টেররিজম স্কোয়াড (ATS)-এর যৌথ অভিযানে গ্রেফতার হওয়া সাম্প্রতিক একটি ঘটনায়ও। আটক দুই ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে ইসলামিক স্টেট এবং জইশ-ই-মোহাম্মদের। তদন্তকারীদের মতে, এই ধরনের ওভারল্যাপ এখন আর বিচ্ছিন্ন কোনও ঘটনা নয়, বরং একটি বৃহত্তর ও পরিকল্পিত কৌশলেরই অংশ।

    কী বলছেন আইবি আধিকারিক

    আইবি-র (ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো) এক আধিকারিকের মতে, এই নয়া প্রবণতা একটি সুপরিকল্পিত পরিবর্তনের ফল। এখন জঙ্গিরা আর কোনও একটি নির্দিষ্ট সংগঠনের সঙ্গে টিকি বেঁধে রাখে না। বরং তারা বিভিন্ন চরমপন্থী মতাদর্শ ও গোষ্ঠী দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে আরও স্বাধীনভাবে কাজ করছে (Hybrid Terror Modules)। তাঁর মতে, এটি একটি বিপজ্জনক প্রবণতা। কারণ ওই ব্যক্তিরা সরাসরি কোনও কমান্ড কাঠামো ছাড়া নিজেরাই জঙ্গি মডিউল তৈরি করছে। এই স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলি স্বাধীনভাবে কাজ করে। তাই নিরাপত্তা সংস্থার পক্ষে তাদের শনাক্ত করা ও দমন করা ক্রমশই কঠিন হয়ে উঠছে।

    নয়া মডেলে মদত পাকিস্তানের

    জানা গিয়েছে, এই পরিবর্তনের কেন্দ্রে রয়েছে পাকিস্তানের ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (ISI)। আধিকারিকরা  জানিয়েছেন, আইএসআই এখন এমন একটি মডেলকে উৎসাহিত করছে, যেখানে নিয়োগপ্রাপ্তরা কোনও একটি নির্দিষ্ট সংগঠনের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত থাকে না। বরং তারা নিজেরাই তাদের মতাদর্শ ও কার্যপদ্ধতি বেছে নিতে পারে (India)। এই পদ্ধতির বেশ কিছু সুবিধাও রয়েছে। এগুলি হল, দায় অস্বীকার করা সহজ, ঝুঁকি কম, খরচ কম এবং বিদেশে সরাসরি জঙ্গি সংগঠন গড়ার প্রয়োজন নেই। দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর ভারত ‘জিরো-টলারেন্স’ নীতি নেয়। তার ফলে দেশের ভেতরে সংগঠিত জঙ্গি নেটওয়ার্ক গড়া ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠেছে। এই জন্যই পাকিস্তান কৌশল বদলে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে প্রোপাগান্ডা ছড়ানো শুরু করেছে (Hybrid Terror Modules)।

    ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার

    অপারেশন সিঁদুরের পর গোয়েন্দা সংস্থাগুলি লক্ষ্য করেছে পাকিস্তানি সোশ্যাল মিডিয়া বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট থেকে ব্যাপক প্রচার করা হচ্ছে। এই কৌশল ইসলামিক স্টেটের দীর্ঘদিনের ব্যবহৃত পদ্ধতির মতো, যেখানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নিয়োগ ও উগ্রপন্থায় প্ররোচিত করা হয় (India)। এই প্রোপাগান্ডা ব্যবস্থাটি মূলত আর্থিকভাবে দুর্বল এবং সহজেই প্রভাবিত হয়, সেই সব তরুণদের টার্গেট করে। সোশ্যাল মিডিয়া এবং এনক্রিপ্টেড মেসেজিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে লাগাতার তাদের জেহাদি সাহিত্য ও চরমপন্থীমূলক কনটেন্ট দেখানো হয়। এরপর তাদের আচরণ পর্যবেক্ষণ করে একই ধরণের ইউজারদের একত্রিত করা হয়। তার পরেই ধীরে ধীরে গঠন করা হয় একটি জঙ্গি মডিউল।

    মতাদর্শগত প্রভাব

    জম্মু-কাশ্মীরের বাইরে সাম্প্রতিক বেশ কিছু জঙ্গি হামলার তদন্তেও দেখা গিয়েছে, অধিকাংশই স্ব-প্রণোদিত মডিউল দ্বারা পরিচালিত, যাদের কোনও সরাসরি সংগঠনগত যোগ নেই। তাদের একমাত্র মিল হল, মতাদর্শগত প্রভাব, বিশেষত ইসলামিক স্টেট (Hybrid Terror Modules)। কোয়েম্বাটোরে একটি মন্দির উড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনায় জড়িত জেমশা রুবিন নিজেই উগ্রপন্থায় প্রভাবিত হয়েছিল। একইভাবে, বেঙ্গালুরুর রামেশ্বরম ক্যাফে বিস্ফোরণ এবং ম্যাঙ্গালুরু বিস্ফোরণ চেষ্টার ঘটনাগুলিও একই ধরনের মতাদর্শ দ্বারা প্রভাবিত ব্যক্তিদের দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, এই ব্যক্তিদের মধ্যে কোনও সরাসরি যোগাযোগ বা সংগঠনগত সম্পর্ক ছিল না। প্রতিটি ঘটনাই ছিল আলাদা, স্বনির্ভর এবং স্ব-প্রণোদিত।

    এই নয়া কৌশল অনুযায়ী, আইএসআই নিয়োগপ্রাপ্তদের কোনও নির্দিষ্ট সংগঠনে যোগ দিতে চাপ দিচ্ছে না। বরং ব্যাপকভাবে প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে, যাতে লোকজন নিজেরাই মতাদর্শ বেছে নিয়ে নেমে পড়ে সন্ত্রাসমূলক কাজকর্মে (India)। আধিকারিকরা সতর্ক করে দিয়েছেন, ভবিষ্যতে এই ধরনের বিকেন্দ্রীভূত জঙ্গি মডেল আরও বাড়বে। সংগঠিত নেটওয়ার্কের পরিবর্তে মতাদর্শভিত্তিক এই কাঠামো নিরাপত্তার জন্য আরও জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি হুমকি তৈরি করবে। যার খেসারত দিতে হবে ভারতবাসীকে (Hybrid Terror Modules)।

    অতএব, সাধু সাবধান!

     

LinkedIn
Share