Tag: news in bengali

news in bengali

  • Ramakrishna 287: “ধর্মের সূক্ষ্মা গতি, একটু কামনা থাকলে ভগবানকে পাওয়া যায় না, ছুঁচের ভিতর সুতো যাওয়া একটু রোঁ থাকলে হয় না”

    Ramakrishna 287: “ধর্মের সূক্ষ্মা গতি, একটু কামনা থাকলে ভগবানকে পাওয়া যায় না, ছুঁচের ভিতর সুতো যাওয়া একটু রোঁ থাকলে হয় না”

    শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বরে ভক্তসঙ্গে ও কলিকাতায় চৈতন্যলীলা-দর্শন

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৪, ২১শে সেপ্টেম্বর

    ন্যাংটাবাবার শিক্ষা — ঈশ্বরলাভের বিঘ্ন অষ্টসিদ্ধি

    সাধু খাতির করে তাঁকে বসালেন। এমন সময়ে একটা হাতি সেখান দিয়ে যাচ্ছে। তখন নূতন সাধুটি বললেন, ‘আচ্ছা মহারাজ, আপনি মনে করলে এই হাতিটাকে মেরে ফেলতে পারেন?’ সাধু বললেন, ‘য়্যাসা হোনে শক্তা’। এই বলে ধুলো পড়ে হাতিটার গায়ে দেওয়াতে সে ছটফট করে মরে গেল। তখন যে সাধুটি এসেছে, সে বললে, ‘আপনার কি শক্তি! হাতিটাকে মেরে ফেললেন।’ সে হাসতে লাগল। তখন ও সাধুটি বললে (Kathamrita), ‘আচ্ছা, হাতিটাকে আবার বাঁচাতে পারেন?’ সে বললে, ‘ওভি হোনে শক্তা হ্যায়।’ এই বলে আবার যাই ধুলো পড়ে দিলে, অমনি হাতিটা ধড়মড় করে উঠে পড়ল। তখন এ-সাধুটি বললে, ‘আপনার কি শক্তি! কিন্তু একটা কথা জিজ্ঞাসা করি। এই যে হাতি মারলেন, আর হাতি বাঁচালেন, আপনার কি হল? নিজের কি উন্নতি হল? এতে কি আপনি ভগবানকে (Ramakrishna) পেলেন?’ এই বলিয়া সাধুটি অন্তর্ধান হলেন।

    “ধর্মের সূক্ষ্মা গতি। একটু কামনা থাকলে ভগবানকে পাওয়া যায় না । ছুঁচের ভিতর সুতো যাওয়া একটু রোঁ থাকলে হয় না।

    “কৃষ্ণ অর্জুনকে বলেছিলেন, ভাই আমাকে যদি লাভ করতে চাও তাহলে অষ্টসিদ্ধির একটা সিদ্ধি থাকলে হবে না।

    “কি জান? সিদ্ধাই থাকলে অহংকার হয়, ঈশ্বরকে ভুলে যায়।

    “একজন বাবু এসেছিল—ট্যারা। বলে, আপনি পরমহংস, তা বেশ, একটু স্বস্ত্যয়ন করতে হবে। কি হীনবুদ্দি। ‘পরমহংস’(Ramakrishna); আবার স্বস্ত্যয়ন করতে হবে। স্বস্ত্যয়ন করে ভাল করা,—সিদ্ধাই। অহংকারে ঈশ্বরলাভ হয় না। অহংকার কিরূপ হান? যেন উঁচু ঢিপি, বৃষ্টির জল জমে না, গড়িয়ে যায়। নিচু জমিতে জল জমে আর অঙ্কুর হয়; তারপর গাছ হয়; তারপর ফল হয়।”

    Love to all—ভালবাসায় অহংকার যায়—তবে ঈশ্বরলাভ 

    “হাজরাকে তাই বলি, আমি বুঝেছি, আর সব বোকা— এ-বুদ্ধি করো না। সকলকে ভালবাসতে হয়। কেউ পর নয়। সর্বভূতেই সেই হরিই আছেন। তিনি ছাড়া কিছুই নাই। প্রহ্লাদকে ঠাকুর বললেন, তুমি বর নাও। প্রহ্লাদ বললেন, আপনার দর্শন পেয়েছি, আমার আর কিছু দরকার নাই। ঠাকুর ছাড়লেন না। তখন প্রহ্লাদ বললেন, যদি বর দেবে, তবে এই বর দেও, আমায় যারা কষ্ট দিয়েছে তাদের অপরাধ না হয়।

    “এর মানে এই যে, হরি একরূপে কষ্ট দিলেন। সেই লোকদের (Kathamrita) কষ্ট দিলে হরির কষ্ট হয়।”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

  • Childs Mobile Addiction: সন্তানের মোবাইলে আসক্তি! কমাবে স্মৃতিশক্তি আর কথা বলার ক্ষমতা? জানুন বিশেষজ্ঞদের মত

    Childs Mobile Addiction: সন্তানের মোবাইলে আসক্তি! কমাবে স্মৃতিশক্তি আর কথা বলার ক্ষমতা? জানুন বিশেষজ্ঞদের মত

    মাধ্যাম ডেস্ক: খাওয়ার সময়ে হোক কিংবা অবসর! মোবাইলের পর্দায় চোখ আটকে থাকে বাড়ির একরত্তি শিশুর (Childs Mobile Addiction)! প্রিয় কার্টুন কিংবা গান, যেকোনও জিনিস এক টাচে হাজির! মোবাইল অন থাকলে তবেই খাবার সহজে খাওয়া হচ্ছে, না হলে খাওয়ার বিন্দুমাত্র ইচ্ছেও থাকছে না। আবার অনেক সময়েই ঘুমের আগে কিছুসময় মোবাইলে না কাটালে কিছুতেই বিছানায় থাকবে না। সন্তানের এমন বায়নায় নাজেহাল বাবা-মা! চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দিনের অনেকটা সময় মোবাইলের স্ক্রিনে কাটিয়ে দেওয়ার ফলেই নানান জটিল রোগের (Speaking Ability) ঝুঁকি বাড়ছে।

    কোন রোগের আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকেরা (Childs Mobile Addiction)?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, আধুনিক জীবনে মোবাইল, ল্যাপটপের প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে। কাজের জন্য অনেক সময়েই ল্যাপটপ কিংবা মোবাইলে সময় দিতে হয়। স্কুল স্তর থেকেই পড়াশোনার জন্য প্রযুক্তির উপরে নির্ভর করতে হয়। তাই স্কুল পড়ুয়াদেরও মোবাইল কিংবা ল্যাপটপে চোখ রাখতে হয়। কিন্তু শিশুরোগ (Speaking Ability)  বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, মাত্র দেড় থেকে দু’বছরের শিশুও (Childs Mobile Addiction) স্ক্রিন টাইম অনেক সময় কুড়ি বছর বয়সীদের মতো থাকছে। যা ভয়ঙ্কর বিপদ তৈরি করছে!

    কমছে কথা বলার ক্ষমতা!

    শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, দু’বছর বয়সের পরে শিশুরা (Childs Mobile Addiction) বিভিন্ন শব্দ বলতে শেখে! সাধারণত পরিবারের সকলের নাম ডাকা এবং সাড়া দেওয়া করতে পারে‌। কিন্তু অনেক সময়েই দেখা যাচ্ছে তিন কিংবা সাড়ে তিন বছরের শিশুও কথা বলতে পারছে না। নানান কথা বুঝতে পারলেও সাড়া দেওয়ার ক্ষমতা থাকছে না‌। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন,‌ অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইমের জেরেই এই সমস্যা বাড়ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেক সময়েই দেখা যাচ্ছে, পরিবারের সকলে ব্যস্ত! শিশুকে শান্ত রাখার জন্য হাতে মোবাইল ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা শিশুর চোখ মোবাইলের স্ক্রিনে আটকে থাকছে। তাঁরা জানাচ্ছেন কথা শোনা আর ইঙ্গিত দেওয়ার থেকেই কথা শেখার প্রক্রিয়া শুরু হয়। শিশুর সঙ্গে যদি লাগাতার কেউ কথা না বলেন, শিশুও যদি পাল্টা ইঙ্গিত করে প্রতিউত্তর (Speaking Ability) দিতে না শেখেন তাহলে আপনার শিশুর কথা বলা কঠিন হয়ে যায়, কীভাবে সমাধান করবেন জানেন?

    শিশু স্বভাবিক উত্তর না দিলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কী কমে যায়?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মানুষের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ানোর সবচেয়ে আদর্শ সময় শৈশব। নানান কাজের মাধ্যমে শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশ হয়। আঁকা, রং করা, ছোটাছুটি, নানান জিনিস নিয়ে খেলার মাধ্যমে শিশুদের (Childs Mobile Addiction) কল্পনা শক্তি বাড়ে। এর ফলে তাদের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ে। দৌড়ানো, লাফানো নানান ধরনের খেলার মাধ্যমে শিশুদের শারীরিক বিকাশের পাশপাশি পর্যবেক্ষণ করার ক্ষমতাও বাড়ে। কিন্তু দীর্ঘ সময় একজায়গায় বসে থেকে মোবাইলের স্ক্রিনে চোখ আটকে থাকলে মস্তিষ্কের কাজ বিশেষ হচ্ছে না। তাই মনে রাখার ক্ষমতা কমছে। মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা ও কমছে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    স্থুলতার ঝুঁকি বাড়ছে!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতীয় শিশুরা স্থুলতার সমস্যায় কাবু। প্রতি চার জনে অন্তত একজন শিশু স্থুলতার সমস্যায় (Speaking Ability) ভুগছে। আর তার কারণ ঠিকমতো শারীরিক কসরত না করা। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত ছোটাছুটি করা, লাফানো কিংবা মাঠে গিয়ে খেলার অভ্যাস তৈরি হচ্ছে না। খোলা জায়গায় খেলাধুলার পরিবর্তে বিনোদন এখন মোবাইলে। আর এই অভ্যাস শিশুদের (Childs Mobile Addiction) স্থুলতার সমস্যা বাড়িয়ে দিচ্ছে। আর শিশুদের এই স্থুলতা ডায়বেটিস সহ নানান জটিল রোগের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

    পেশি ও‌ স্নায়ুর সচলতা কমাচ্ছে!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশুদের একাংশের হাতের লেখায় সমস্যা হচ্ছে। কোনো জিনিস ধরা, এমনকি জলের বোতল ভরা বা কোনো বোতলের মুখ পেঁচিয়ে খোলার মতো কাজ করতেও চার-পাঁচ বছরের বহু শিশুর অসুবিধা হয়। আর তার কারণ তাদের পেশি ও স্নায়ুর সচলতা কমছে। শিশুরোগ (Childs Mobile Addiction) বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, একজায়গায় বসে দীর্ঘক্ষণ মোবাইল দেখার জেরেই শিশুদের শরীরের সমস্ত পেশির মধ্যে সমন্বয় কমছে। স্নায়ু শীথিল হয়ে যাচ্ছে। পেশির কার্যক্ষমতা বাড়াতে ছোটো থেকেই নানান কাজ করা জরুরি বলেও জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    বাড়ছে চোখের সমস্যা!

    মোবাইলের আলো চোখের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকারক। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশুদের দৃষ্টিশক্তির সমস্যা বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ মোবাইল আসক্তি। তাঁরা জানাচ্ছেন, মোবাইলের আলোয় চোখের শুষ্কতা বাড়ে। এর ফলে চোখে নানান সংক্রমণ বাড়ে।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, স্ক্রিন টাইমে নিয়ন্ত্রণ জরুরি। মোবাইলের ব্যবহার নিয়ে অভিভাবকদের সচেতনতা জরুরি বলেও জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ল্যাপটপ কিংবা মোবাইল‌ বিনোদনের জন্য নয়। বরং কাজের জিনিস। প্রয়োজনীয় জিনিস। সেটা শিশুদের প্রথম থেকেই বোঝানো জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, অভিভাবকদের ও নিজেদের স্ক্রিন টাইম নিয়ে সচেতন থাকতে হবে। অন্তত শিশুদের সামনে সবসময় মোবাইলে সময় কাটানো যাবে না। বরং সন্তানের সঙ্গে বসে আঁকা, রং করার মতো কাজ একসঙ্গে করলে তাদের আগ্রহ বাড়বে। এর ফলে শিশুদের (Childs Mobile Addiction) মানসিক বিকাশ ঘটবে। পাশপাশি বাড়ির ছোটো‌ছোটো কাজ শিশুদের করানোর অভ্যাস তৈরির পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, চার-পাঁচ বছরের শিশুদের গাছে জল দেওয়া, খাবার জল ভরা কিংবা বই গোছানোর কাজে সাহায্য করতে দেওয়া দরকার। এতে তাদের আত্মবিশ্বাস (Speaking Ability) বাড়বে। আবার স্নায়ু ও পেশির সক্রিয়তাও বাড়বে। এই সব কাজ কমাবে মোবাইলে আসক্তি।

    পুষ্টিবিদদের একাংশের পরামর্শ, শিশুদের প্রথম থেকেই পরিবারের সকলের সঙ্গে খাওয়ার অভ্যাস করা জরুরি। এতে নানান রকমের খাবার খাওয়ার ইচ্ছে তৈরি হয়। আবার শিশুর সঙ্গে পরিবারের সকলের যোগাযোগ ও দৃঢ় হয়।

  • Shahzadi Khan: “বাবা, এখন আর কিছুই করার নেই,” ফাঁসির মঞ্চে যাওয়ার আগে শেষ কথা শাহজাদির

    Shahzadi Khan: “বাবা, এখন আর কিছুই করার নেই,” ফাঁসির মঞ্চে যাওয়ার আগে শেষ কথা শাহজাদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাবা, এখন আর কিছুই করার নেই,” ফিসফিস করে কথাগুলি বলছিলেন বছর ঊনত্রিশের শাহজাদি খান (Shahzadi Khan)। উত্তরপ্রদেশের বান্দার বাসিন্দা শাহজাদি গত ১৪ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে ফোনে কথাগুলি বলছিলেন আবুধাবির (Abu Dhabi) একটি জেল থেকে। এই ফোনালাপের কয়েক ঘণ্টা পরেই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয় শাহজাদির।

    মিথ্যে আশ্বাস দিয়ে আবুধাবি নিয়ে গিয়েছিল এক যুবক (Shahzadi Khan)

    ছোট থেকে শাহজাদির মুখে পোড়া দাগ ছিল। সেই দাগগুলি তাঁকে পীড়া দিত। বন্ধু-বান্ধবদের কাছেও কটু কথা শুনতে হত তাঁকে। তিনি চেয়েছিলেন মুখের দাগ মুছে ফেলতে। এই সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় শাহজাদির সঙ্গে পরিচয় হয় আগ্রার উজাইরের। সে তাকে প্লাস্টিক সার্জারি করার আশ্বাস দিয়ে আবুধাবি নিয়ে যায়। ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে আবুধাবিতে পৌঁছান শাহজাদি। অস্ত্রোপচার না করিয়ে উজাইর তাঁকে তার আত্মীয় ফয়েজের বাড়িতে রেখে আসে। সেখানে শাহজাদিকে গেরস্থালির কাজ করতে হত। পরের বছর অগাস্টে ফয়েজের স্ত্রী একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন। শিশুটির যত্ন নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয় শাহজাদিকে। ৭ ডিসেম্বর শিশুটিকে টিকা দেওয়া হয়। রাতে মৃত্যু হয় তার। এর পরেই শাহজাদির বিরুদ্ধে শিশুটিকে হত্যার অভিযোগ করা হয়। ২০২৩ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি আবুধাবির পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। ৩১ জুলাই মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয় শাহজাদিকে। তার পরেই তাঁকে (Shahzadi Khan) পাঠিয়ে দেওয়া হয় আল ওয়াথবা জেলে।

    শাহজাদির শেষ ইচ্ছে

    গত ১৫ ফেব্রুয়ারি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়। তার আগে জেল কর্তৃপক্ষ শাহজাদির কাছে জানতে চেয়েছিলেন তাঁর শেষ ইচ্ছের কথা। তখনই তিনি জানিয়েছিলেন, ভারতে থাকা বাবা-মায়ের সঙ্গে শেষবারের মতো একবার কথা বলতে চান। ১৪ তারিখ রাতেই প্রস্তুত করা হয় ফাঁসির মঞ্চ। তার পরেই শুরু হয় তাঁর শেষ ইচ্ছে পূরণ-পর্ব। ফোনে শাহজাদি তাঁর বাবা সাব্বির খানকে জানিয়েছিলেন, ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত। কিছুক্ষণ পরেই তাঁকে নিয়ে যাওয়া হবে সেখানে। তার পরেই তিনি বলেন, “বাবা, এখন আর কিছুই করা সম্ভব নয়।” মৃত্যুর আগে উজাইরকে ক্ষমা করে দিতে বলেন শাহজাদি।

    তিনি বলেন, “উজাইরকে দয়া করে ক্ষমা করে দিও বাবা। ওর বিরুদ্ধে করা মামলাটা তুলে নাও। এখন আর এই মামলার মানে কী? আমিই যখন থাকব না, তখন আমি আর কোনও শত্রুতা চাই না।” এরপর আর শাহজাদির সঙ্গে (Abu Dhabi) কোনও কথা হয়নি তাঁর পরিবারের। শাহজাদির পরিবার জানিয়েছে, দিল্লি হাইকোর্টে তারা একটি রিট পিটিশন দায়ের করেছিল। তারাই সোমবার শাহজাদির মৃত্যুদণ্ডের বিষয়ে অবহিত করে (Shahzadi Khan)।

  • Sambhal Masjid: বড় জয় হিন্দুপক্ষের, সম্ভল মসজিদের দেওয়ালে ‘বিতর্কিত কাঠামো’ লেখার অনুমতি হাইকোর্টের

    Sambhal Masjid: বড় জয় হিন্দুপক্ষের, সম্ভল মসজিদের দেওয়ালে ‘বিতর্কিত কাঠামো’ লেখার অনুমতি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্ভল জামা মসজিদের (Sambhal Masjid) দেওয়ালে ‘বিতর্কিত কাঠামো’ উল্লেখ করার অনুমতি দিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট (Allahabad High Court)। মুসলিম কমিটি ওই কাঠামোটি সাদা রং করা নিয়ে আপত্তি তুলেছিল। তার প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার এলাহাবাদ হাইকোর্ট জানিয়ে দেয় মসজিদের দেওয়ালে ‘বিতর্কিত কাঠামো’ শব্দটি লিখে দেওয়ার।

    ‘বিতর্কিত কাঠামোলেখার নির্দেশ (Allahabad High Court)

    মুসলিম কমিটি আপত্তি তোলার পর ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ জানিয়ে দেয়, তারা এই আপত্তির বিষয়ে উত্তর দেওয়ার জন্য সময় চায়। এর পরেই হিন্দু পক্ষের দাবির ভিত্তিতে হাইকোর্ট মসজিদটির দেওয়ালে ‘বিতর্কিত কাঠামো’ লেখার নির্দেশ দেয়। ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ জানিয়েছে, মসজিদের (Sambhal Masjid) রং করার বিষয়ে অন্য পক্ষ তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। তারা এও জানিয়েছে, মসজিদের দেওয়াল রং করার বিষয়ে মুসলিম পক্ষের চাপ সম্পর্কে তারা প্রশ্ন তুলেছে। এর পরেই আদালত জানিয়ে দেয়, এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১০ মার্চ।

    হিন্দু পক্ষের দাবি

    এই মসজিদটিকে (Sambhal Masjid) ঘিরে বিতর্ক রয়েছে। হিন্দু পক্ষের দাবি, শাহি জামে মসজিদটি ঐতিহাসিক হরিহর মন্দির ধ্বংস করার পরে নির্মিত হয়েছিল। অনেকের বিশ্বাস, মন্দিরটি এই জায়গায়ই অবস্থিত ছিল। গত বছরের ২৪ নভেম্বর আদালতের নির্দেশে মসজিদে একটি সমীক্ষা হয়। সেই সমীক্ষার পরেই দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ বাঁধে। তাতে চারজনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার জেরেই শুরু হয় তদন্ত। হাইকোর্টে এই মামলার শুনানির সময় ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ টিম মসজিদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কিত একটি রিপোর্ট জমা দেয়। এর আগে আদালত এএসআইকে মসজিদ (Sambhal Masjid) পরিদর্শন করতে এবং তার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছিল।

    প্রসঙ্গত, গত ডিসেম্বর (Allahabad High Court) মাসে উত্তরপ্রদেশের সম্ভল জেলায় ১৯৭৮ সাল থেকে বন্ধ থাকা একটি প্রাচীন মন্দিরের দ্বার খোলা হয়। গোষ্ঠী সংঘর্ষের কারণে মন্দিরটি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দ্বার খোলার পর মন্দিরটিতে সকালে আরতিও অনুষ্ঠিত হয়। মন্দিরে ভগবান হনুমানের একটি মূর্তি এবং একটি শিবলিঙ্গ প্রতিষ্ঠিত রয়েছে।

    মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, শাহি জামা মসজিদের (Sambhal Masjid) একদম কাছেই রয়েছে এই মন্দিরটি। প্রশাসন যখন অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ অভিযানে নামে সেই সময় এই মন্দিরটি আবিষ্কার করে। স্থানীয়দের দাবি, ১৯৭৮ সালে গোষ্ঠী সংঘর্ষের পর এলাকা ছেড়ে পালান স্থানীয় হিন্দুরা। সেই কারণেই বন্ধ ছিল মন্দিরটি (Allahabad High Court)।

  • Amit Shah: ২০৪৭-এর মধ্যেই জোড়া লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী, কী সেই দুই, জানালেন শাহ

    Amit Shah: ২০৪৭-এর মধ্যেই জোড়া লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী, কী সেই দুই, জানালেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “স্বাধীনতার শতবর্ষ পূর্তির আগেই ভারতকে তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি এবং একটি সম্পূর্ণ উন্নত জাতি হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।” এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি দেশের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করার, পুষ্টি নিশ্চিত করার এবং গ্রামীণ অঞ্চল, ভূমিহীন কৃষক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের উন্নয়নে দুগ্ধ খাতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।

    দুগ্ধ খাত দেশের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে (Amit Shah)

    তিনি বলেন, “ভারতের কৃষি ব্যবস্থা মূলত ক্ষুদ্র কৃষকদের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।” সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ বলেন, “আমাদের দুগ্ধ খাত দেশের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে। কিন্তু একই সঙ্গে এটি গ্রামীণ এলাকা, ভূমিহীন কৃষক এবং ক্ষুদ্র কৃষকদের সমৃদ্ধ করার ক্ষেত্রে বিশাল অবদান রাখে। এটি আমাদের দেশের পুষ্টির দায়িত্বও পালন করে। প্রধানমন্ত্রী মোদী আমাদের সামনে দুটি লক্ষ্য স্থির করেছেন – বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হওয়া এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে একটি সম্পূর্ণ উন্নত জাতি হওয়া। আমাদের দেশের কৃষি ব্যবস্থা একদিক থেকে ক্ষুদ্র কৃষকদের ওপর নির্ভরশীল।”

    আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাচ্ছে

    তিনি বলেন, “তাই দুগ্ধ ছাড়া আমাদের আর কোনও বিকল্প নেই। খুব কম বিকল্পই আছে। এবং আমি বিশ্বাস করি এই সেমিনারটি দুগ্ধ খাতে সমস্ত সম্ভাবনা খুঁজতে একটি সর্বাঙ্গীণ দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণে সহায়ক হবে। গত দশ বছরে আমরা কৃষিতে সমৃদ্ধির পথে একটি (PM Modi) প্রতিশ্রুতিমূলক সূচনা করেছি। গ্রাম থেকে বিশ্বমঞ্চে যাওয়ার সাহস বেড়েছে। নতুন নতুন পদ্ধতির উন্নয়ন হয়েছে। সমবায়ের মাধ্যমে দল হিসেবে সফল হওয়ার আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং খামার থেকে কারখানা পর্যন্ত পুরো শৃঙ্খলটি গ্রামীণ পরিমণ্ডলের মধ্যেই থাকা উচিত।”

    ‘মানুষের জন্য মুনাফা’

    তিনি (Amit Shah) বলেন, “‘মানুষের জন্য মুনাফা’ এই নীতিটি কেবলমাত্র সমবায়ের মাধ্যমেই বাস্তবায়িত হতে পারে। এদিনের অনুষ্ঠানের শুরুতে দুগ্ধ খাতে বৃত্তাকার অর্থনীতির ওপর একটি গাইড প্রকাশিত হয়। ছোট বায়োগ্যাস, বড় বায়োগ্যাস এবং সংকুচিত বায়োগ্যাস প্রকল্পগুলির জন্য এনডিডিবির আর্থিক সহায়তা স্কিম চালু করা হয়েছে।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমি আমাদের মন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী বৃত্তাকার অর্থনীতির ধারণায় কিছু যোগ করতে চাই, যাতে দুগ্ধ খাতে ১০০ শতাংশ সম্ভাবনা অনুসন্ধান করা যায়। আমি এনডিডিবি এবং নাবার্ডকে অনুরোধ করছি যে তারা কিছু জেলা বা রাজ্যে স্বল্প সময়ের মধ্যে হয়তো ছ’মাসের মধ্যে পাইলট প্রকল্প চালু করুক।”

    গ্যাস উৎপাদনের মডেল

    শাহ বলেন, “বিভিন্ন অঞ্চলে গ্যাস উৎপাদনের মডেলগুলি পরীক্ষা করা উচিত। ২৫০টি জেলা দুধ উৎপাদক সমিতির মধ্যে এই ধরনের মডেল বাস্তবায়নের জন্য একটি নির্দিষ্ট কর্মসূচি স্থির করা উচিত। কোনও (PM Modi) জেলা যেখানে দুগ্ধ উৎপাদক সমিতি আছে, স্থানীয় কৃষকদের অন্তর্ভুক্ত করে গ্যাস উৎপাদন প্রকল্প ছাড়া থাকা উচিত নয়। আমি বিশ্বাস করি এটি এনডিডিবি এবং নাবার্ডের দায়িত্ব— এনডিডিবিকে লজিস্টিকের ব্যবস্থা করতে হবে এবং নাবার্ডকে তৈরি করতে হবে অর্থায়ন পরিকল্পনা।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) বলেন, “পশুপালকরা দুধ সরবরাহ করুক ব্যক্তিগত বা সমবায়ে। আমাদের নেটওয়ার্ক এখনও অসম্পূর্ণ। উচ্চ মানের বীজ দিয়ে শুরু করে বেশ কিছু মাত্রা যোগ করা দরকার।”

    পশুপালকদের স্বাস্থ্য এবং পুষ্টির দিক

    তিনি বলেন, “গুজরাটে অনেক গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে এবং এটি সারা দেশে সম্প্রসারিত করা উচিত। দেশের অনেক অংশে অনুরূপ উন্নয়ন ঘটেছে। সুতরাং, ২৫০টি জেলা সমিতিরই উচিত একটি মডেল গ্রহণ করা। সমবায়গুলির উচিত সমবায় দুগ্ধ নেটওয়ার্কের বাইরে থাকা পশুপালকদের স্বাস্থ্য এবং পুষ্টির দিকটিও দেখভাল করা।” তিনি বলেন, “আমরা গুজরাটে ‘সমবায়ের মধ্যে সহযোগিতা’ ধারণা চালু করেছি, যাতে সমস্ত হিসাব সমবায় খাতে খোলা হয়। আজ, গুজরাটের ৯৩ শতাংশ সমবায় প্রতিষ্ঠান সমবায় ব্যাংকে তাদের হিসেব রাখে, যার ফলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম সুদের হারে তহবিল পাওয়া সম্ভব হচ্ছে। এর ফলে ব্যাংকিং ব্যবস্থাও শক্তিশালী হয়েছে। আমি বুঝি যে, সমবায় খাতের পেশাদাররা কখনও কখনও সমবায় ব্যাংকের পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। কিন্তু নিজেদের দূরে রাখার পরিবর্তে আমাদের একসঙ্গে কাজ করে এই ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করতে হবে।”

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এনডিডিবিকে নিশ্চিত (PM Modi) করতে হবে যাতে যন্ত্রপাতি উৎপাদনের প্রচেষ্টায় সমস্ত সমবায়কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যাতে জেলা দুগ্ধ উৎপাদনকারী ইউনিয়নগুলি এই উদ্যোগগুলির অংশীদার হতে পারে। লাভ অবশ্যই ফিরে আসতে হবে সমবায় খাতে। যদিও এনডিডিবি-ই প্রধান অংশীদার থাকবে, তবুও জেলা দুগ্ধ উৎপাদনকারী ইউনিয়ন— যারা একই সঙ্গে ভোক্তাও— তাদেরও এই উদ্যোগগুলিতে একটি অংশ পাওয়া উচিত (Amit Shah)।”

  • Ramakrishna 286: “যাই ধুলো পড়ে দিলে, অমনি হাতিটা ধড়মড় করে উঠে পড়ল, সাধুটি বললে, ‘আপনার কি শক্তি!”

    Ramakrishna 286: “যাই ধুলো পড়ে দিলে, অমনি হাতিটা ধড়মড় করে উঠে পড়ল, সাধুটি বললে, ‘আপনার কি শক্তি!”

    শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বরে ভক্তসঙ্গে ও কলিকাতায় চৈতন্যলীলা-দর্শন

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৪, ২১শে সেপ্টেম্বর

    ন্যাংটাবাবার শিক্ষা—ঈশ্বরলাভের বিঘ্ন অষ্টসিদ্ধি

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—সিদ্ধাই থাকা এক মহাগোল। ন্যাংটা আমায় শিখালে—একজন সিদ্ধ সমুদ্রের ধারে বসে আছে, এমন সময় একটা ঝড় এল। ঝড়ে তার কষ্ট হল বলে সে বললে, ঝড় থেমে যা। তার বাক্য মিথ্যা হবার নয়। একখানা জাহাজ পালভরে যাচ্ছিল। ঝড় হঠাৎ থামাও যা আর জাহাজ টুপ করে ডুবে গেল। এক জাহাজ লোক সেই সঙ্গে ডুবে গেলো। এখন এতগুলি লোক যাওয়াতে যে পাপ হল, সব ওর হলো। সেই পাপে সিদ্ধাইও (Kathamrita) গেল, আবার নরকও হলো।

    “একটি সাধুর খুব সিদ্ধাই হয়েছিল, আর সেই জন্য অহংকারও হয়েছিল। কিন্তু সাধুটি লোক ভাল ছিল, আর তার তপস্যাও ছিল। ভগবান ছদ্মবেশে সাধুর বেশ ধরে একদিন তার কাছে এলেন। এসে বললেন, ‘মহারাজ (Ramakrishna)! শুনেছি আপনার খুব সিদ্ধাই হয়েছে’। সাধু খাতির করে তাঁকে বসালেন। এমন সময়ে একটা হাতি সেখান দিয়ে যাচ্ছে। তখন নূতন সাধুটি বললেন, ‘আচ্ছা মহারাজ, আপনি মনে করলে এই হাতিটাকে মেরে ফেলতে পারেন?’ সাধু বললেন, ‘য়্যাসা হোনে শক্তা’। এই বলে ধুলো পড়ে হাতিটার গায়ে দেওয়াতে সে ছটফট করে মরে গেল। তখন যে সাধুটি এসেছে, সে বললে, ‘আপনার কি শক্তি! হাতিটাকে মেরে ফেললেন।’ সে হাসতে লাগল। তখন ও সাধুটি বললে (Kathamrita), ‘আচ্ছা, হাতিটাকে আবার বাঁচাতে পারেন?’ সে বললে, ‘ওভি হোনে শক্তা হ্যায়।’ এই বলে আবার যাই ধুলো পড়ে দিলে, অমনি হাতিটা ধড়মড় করে উঠে পড়ল। তখন এ-সাধুটি বললে, ‘আপনার কি শক্তি! কিন্তু একটা কথা জিজ্ঞাসা করি। এই যে হাতি মারলেন, আর হাতি বাঁচালেন, আপনার কি হল? নিজের কি উন্নতি হল? এতে কি আপনি ভগবানকে (Ramakrishna) পেলেন?’ এই বলিয়া সাধুটি অন্তর্ধান হলেন।

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

  • Excess salt: নুনেই রয়েছে বিপদ! অতিরিক্ত নুন খেলে কোন কোন রোগের ঝুঁকি বাড়ে?

    Excess salt: নুনেই রয়েছে বিপদ! অতিরিক্ত নুন খেলে কোন কোন রোগের ঝুঁকি বাড়ে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দুপুরে হোক বা রাতে, ভাতের পাতে এক চামচ নুন (Excess salt) না নিলে অনেকেরই খাওয়া ঠিকমতো হয় না। আবার অনেকের পেয়ারা হোক বা কুল, নানান রকম ফলেও নুন মিশিয়ে খাওয়ার অভ্যাস। আর তার জেরেই বাড়ে নানান রোগের দাপট। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দিনে দেড় চামচের বেশি পরিমাণ নুন খেলেই নানান জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়ে‌। বিভিন্ন রান্নায় নুন দেওয়া হয়। কিন্তু তারপরেও অনেকেই অতিরিক্ত নুন খান। আর এই অভ্যাস বিপজ্জনক। দেখে নিন, অতিরিক্ত নুন থেকে কী কী রোগ হতে পারে?

    উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ায় (Excess salt) 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নুনে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম থাকে। তাই নিয়মিত অতিরিক্ত নুন খেলে শরীরে সোডিয়ামের পরিমাণ বেড়ে যায়। এর ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে না। উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকিও বেড়ে যায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, উচ্চ রক্তচাপ শরীরে একাধিক রোগের কারণ তৈরি করে। হৃদপিণ্ড, কিডনি এবং স্নায়ুর নানান জটিল রোগের কারণ উচ্চ রক্তচাপ। তাই অতিরিক্ত নুন খাওয়া খুবই বিপজ্জনক।

    হৃদরোগের ঝুঁকিও বাড়ায়

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, উচ্চ রক্তচাপ হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, লাগাতার রক্তচাপ অনিয়ন্ত্রিত থাকলে এবং উচ্চ রক্তচাপের প্রবণতা বেড়ে গেলে হৃদযন্ত্রের উপরে চাপ পড়ে‌‌। এর ফলে হৃদরোগের ঝুঁকিও বেড়ে যায়। তাই হৃদরোগ এড়াতে নুন (Excess salt) খাওয়ায় রাশ টানা জরুরি।

    লিভারের রোগের ঝুঁকি বাড়ায়

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নুন পেটের পক্ষেও বিপজ্জনক হতে পারে। অতিরিক্ত নুন খেলে অন্ত্র এবং লিভারের ক্ষতি হয়। এর কারণ নুনের সোডিয়াম। এই উপাদান অতিরিক্ত হলে লিভারে অনেক সময়েই গভীর ক্ষতি সৃষ্টি করে। তাই বেশি পরিমাণ নুন খেলে পেটের নানান সমস্যা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

    অনিদ্রার সমস্যা বাড়িয়ে দেয় (Excess salt) 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নুন হরমোনের ভারসাম্যেও সমস্যা তৈরি করে। অতিরিক্ত নুন খেলে শরীরের হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। এর ফলে ঘুমের সমস্যা তৈরি হয়। একটানা ঘুম না হওয়া, রাতে বারবার ঘুম ভেঙে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। আর এর থেকেই অনিদ্রার মতো‌ সমস্যা তৈরি হয়। যা শরীরের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকারক।

    হাত-পা ফুলে যাওয়ার ঝুঁকি

    পায়ের পাতা কিংবা হাত ফুলে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় নুন (Excess salt)। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত নুন খেলে শরীরে আয়োডিন, সোডিয়াম সহ একাধিক উপাদানের তারতম্য ঘটে। এর ফলে হাত ও পায়ের বিভিন্ন পেশিতে প্রভাব পড়ে। শরীর ফুলে যাওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হয়।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বাড়ির তৈরি রান্নায় পরিমাণ মতো নুন (Excess salt) দেওয়া হয়। তাই বাড়তি নুন খাওয়ার অভ্যাস ছাড়তেই হবে। শরীর সুস্থ রাখতে এই অভ্যাস পরিবর্তন জরুরি। তাছাড়া পেয়ারা, জাম, কুলের মতো ফল নুন মাখিয়ে খেলে তার পুষ্টিগুণ একেবারেই চলে যায়। বরং শরীরের জন্য তা ক্ষতিকারক হয়ে ওঠে। তাই নুন মাখিয়ে ফল খাওয়ার অভ্যাস বিপজ্জনক। পাশপাশি প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, পিৎজা, বার্গার, সসেজের মতো খাবারে যে ধরনের মাংস ব্যবহার করা হয়, সেগুলো প্রক্রিয়াজাত। এই মাংসের মান ও স্বাদ ধরে রাখতে অতিরিক্ত নুন দেওয়া হয়। যা শরীরের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক (Disease)। তাই এই ধরনের প্রক্রিয়াজাত খাবার ও এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Omar Abdullah: বিজেপি এবং মোদির সঙ্গে দূরত্ব কমছে ভূস্বর্গের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লার!

    Omar Abdullah: বিজেপি এবং মোদির সঙ্গে দূরত্ব কমছে ভূস্বর্গের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে দূরত্ব কমছে জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লার (Omar Abdullah)! অন্তত ওয়াকিবহাল মহলের অভিমত এমনই। এর আগে প্রায়ই তিনি জম্মু-কাশ্মীর ধ্বংস করার জন্য দায়ী করেছিলেন বিজেপিকে। সেই তিনিই এখন বদলাচ্ছেন ভোল।

    ৩৭০ ধারা রদ (Omar Abdullah)

    ২০১৯ সালে ভূস্বর্গ থেকে বাতিল হয়ে যায় ৩৭০ ধারা। তার পরেই বিজেপির বিরুদ্ধে যাঁরা সব চেয়ে বেশি সরব হয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে ছিলেন ওমর-ও। মুসলমান অধ্যুষিত উপত্যকায় উত্তেজনা বৃদ্ধির জন্যও তিনি বিভিন্ন সময় দুষেছিলেন পদ্ম-পার্টিকে। বিজেপির বিরুদ্ধে তিনি বিভাজনের রাজনীতি করার অভিযোগ তুলেছিলেন। অভিযোগ তুলেছিলেন জম্মু-কাশ্মীরের মানুষের আশা-আকাঙ্খা উপেক্ষা করারও। লোকসভা নির্বাচনের আগে ‘সংকল্পপত্র’ (ইশতেহার) প্রকাশ করেছিল বিজেপি। তাকে কটাক্ষ করে ন্যাশনাল কনফারেন্সের এই নেতা বলেছিলেন, “এটি জম্মু-কাশ্মীর ধ্বংসের লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে।”

    ওমরের মুখে মোদি প্রশস্তি!

    তবে জম্মু-কাশ্মীরের (Omar Abdullah) মুখ্যমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বিবৃতি ও কার্যকলাপ তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানে লক্ষণীয় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। ক্ষমতায় আসার মাত্র তিন মাস পরেই ওমর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসা করেন জম্মু ও কাশ্মীরের উন্নয়নের জন্য। গত ১৩ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী যখন ২৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সোনমার্গ টানেলের উদ্বোধন করেন, তখনও মোদি-প্রশস্তি শোনা গিয়েছিল ওমরের মুখে। ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে, নির্বাচন জয়ের পরপরই ওমর প্রকাশ্যে স্বীকার করেছিলেন, জম্মু-কাশ্মীর সরকারের প্রয়োজন “কেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখা।” তিনি এও স্বীকার করেছিলেন, “জম্মু ও কাশ্মীরের অনেক সমস্যার সমাধান কেন্দ্রের সঙ্গে লড়াই করে সম্ভব নয়।”

    ওমরের বাবা তথা ন্যাশনাল কনফারেন্স সভাপতি, ফারুক আবদুল্লা সহযোগিতামূলক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, “জম্মু ও কাশ্মীর সরকার কেন্দ্রের সঙ্গে লড়াই করতে পারে না।” ওমরের এই ‘বিজেপি-প্রীতি’ ভালো চোখে দেখছেন না জম্মু-কাশ্মীর পিপলস কনফারেন্সের নেতা তথা বিধায়ক সাজ্জাদ লোন। ওমরের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। লোন বলেন, “নির্বাচনী প্রচারের সময় সবই ছিল ৩৭০ ধারা সংক্রান্ত এবং কীভাবে অন্য সবাই বিজেপির (PM Modi) সঙ্গে রয়েছে, সেই প্রশ্ন। আর এখন আদর্শগত মিল। কী বিশাল পতন (Omar Abdullah)!”

  • Jadavpur University Incident: হিন্দু ভোট ভাগ করতেই যাদবপুরকাণ্ড! ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছে বিজেপি

    Jadavpur University Incident: হিন্দু ভোট ভাগ করতেই যাদবপুরকাণ্ড! ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুরকাণ্ডের (Jadavpur University Incident) নেপথ্যে রয়েছে ঘোর ষড়যন্ত্র। অন্তত এমনই মনে করে বিজেপি (BJP)। গেরুয়া শিবিরের দাবি, ২০২৬ সালে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বিজেপিকে রুখতে ঘুরিয়ে সিপিএমের হাত শক্ত করতে চাইছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল।

    পুরোটা ড্রামা! (Jadavpur University Incident)

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “এটা (যাদবপুরকাণ্ড) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে পুরোটা ড্রামা হতে পারে।” তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গে এসএফআইকে প্রাসঙ্গিক করতে চাইছেন, মানে সিপিএমকে প্রাসঙ্গিক করতে চাইছেন।” তিনি বলেন, “বাংলাদেশের চিত্র দেখার পরে পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুরাও বুঝতে পেরেছেন আগামীদিনে বাংলাদেশ পার্ট-টু তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছে। হিন্দু ভোট ভাগ করতে হবে। হিন্দু ভোট যদি সব বিজেপি পেয়ে যায়, আর চার পার্সেন্ট পেয়ে গেলেই তো বিজেপি সরকারে চলে আসবে।”

    হিন্দু ভোট ভাগ করার কৌশল!

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ বলেন, “আসলে হিন্দু ভোট ভাগ করার জন্য সিপিএমকে তোলা হচ্ছে। এখন তৃণমূল-এসএফআই সংঘর্ষ হবে। সিপিএম নেতাদের ওপর হামলা হবে। সিপিএম পার্টি অফিসে হামলা হবে। যখনই হামলা হয়, তার মানে আপনি প্রাসঙ্গিক হন। এখন সেই চেষ্টা করা হচ্ছে। উল্টো হামলা করে সিপিএমকে প্রাসঙ্গিক করার চেষ্টা চলছে।” তিনি বলেন, “সিপিএমকে ভোট দেওয়া মানেই তৃণমূলকে সাহায্য করা।”

    নয়া আইপ্যাকের হাত থাকতে পারে

    যাদবপুরকাণ্ডে নয়া আইপ্যাকের হাত থাকতে পারে বলেও (Jadavpur University Incident) আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন (BJP) সুকান্ত। তিনি বলেন, “যাদবপুরের ঘটনা নতুন যে আইপ্যাক হয়েছে, তার প্ল্যান হতে পারে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে পুরোটাই ড্রামা হতে পারে। আইপ্যাক এর আগে এমন বহু কাজ করেছে।” সুকান্ত বলেন, “যারা ভোটে জেতার জন্য নিম্ন রুচির পরিচয় দিতে পারে, তারা এই ধরনের কাজ করতেই পারে। লোকসভা নির্বাচনে আমার বিরুদ্ধেই আইপ্যাক লিফলেট বিলি করেছিল। আমি ভোটে হার স্বীকার করে নিচ্ছি এই সব বলে লিফলেট বিলি করেছিল আইপ্যাক।”

    কি বললেন শুভেন্দু

    এদিকে, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় এলে যে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বদলে যাবে, তা মনে করিয়ে দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক জায়ান্ট কিলার (বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোয় এই খেতাব জোটে) শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “বিজেপি ক্ষমতায় এলে এক ঘণ্টায় নকশালমুক্ত করা হবে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে।” তিনি বলেন, “জনগণ পুলিশটাকে বিজেপির হাতে দিয়ে দিক, আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটি সোজা হয়ে গিয়েছে। জেএনইউ অনেকটা সোজা হয়ে গিয়েছে। এটা করতেও বেশিক্ষণ লাগবে না।” তিনি বলেন, “যোগীজি, হিমন্ত বিশ্বশর্মার ফরমুলায় এক ঘণ্টা লাগবে এদের সোজা করতে।”

    বিজেপিকে ওঝার সঙ্গে তুলনা

    বিজেপিকে ওঝার সঙ্গে তুলনা করে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের দাবি, পদ্ম-পার্টি দেশের বহু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নকশালদের তাড়িয়েছে। বালুরঘাটের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী বলেন, “এরকম অনেক নকশালপন্থী সংগঠন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সক্রিয় রয়েছে। এরা ভারতের সংবিধান মানে না। ভারতের বর্তমান কাঠামোকে মানে না। এদের তো জিইয়ে রেখেছে তৃণমূল কংগ্রেস।” এর পরেই সুকান্ত বলেন, “২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে ক্ষমতায় আসবে বিজেপি। তার পরে আর এরা বেঁচে থাকবে না।” তিনিও বলেন (Jadavpur University Incident), দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়, হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এদের বিদায় করেছি, ওসমানিয়া ইউনিভার্সিটি এক সময় এই নকশালদের গড় ছিল। এখন আর তাদের খুঁজে পাওয়া যায় না।” তিনি বলেন, “বিজেপি হচ্ছে এদের ওঝা (BJP)।”

    প্রসঙ্গত, শনিবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে শিক্ষামন্ত্রীকে ঘিরে বিক্ষোভ প্রদর্শন হয়। অভিযোগ, এর পরে শিক্ষামন্ত্রীর গাড়ি ছাত্রদের ধাক্কা দিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বেরিয়ে যায়। এই ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ধর্মঘট ডেকেছিল এসএফআই এবং ডিএসও।

    তৃতীয় পক্ষে’র হাত!

    যাদবপুরের ঘটনায় ‘তৃতীয় পক্ষে’র হাত দেখছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুও। তাঁর বক্তব্যেই এমন ইঙ্গিত মিলেছে। ব্রাত্য বলেন, “গুন্ডামি করতে চেয়েছিল এক দল।” তিনি বলেন, “ওঁরা ঘেরাও করতে চাইছিলেন, তাতে অসুবিধা ছিল না। তৃণমূলপন্থী অধ্যাপকদের মারধর, তৃণমূলের মন্ত্রীর গাড়ি ভাঙচুর, এগুলো হতেই পারে?” এর পরেই তিনি বলেন, “রাজনৈতিকভাবে দুর্বল ভাববেন না। আমরা রাজনৈতিকভাবেই লড়তে চাই।” তবে ভাঙচুরের ঘটনা সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআই ঘটায়নি বলেও জানান তিনি। বিজেপির একাংশের দাবি, রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর এই বক্তব্যই বাম ও তৃণমূলের বোঝাপড়ার তত্ত্ব খাড়া করছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “বাংলার মানুষ শুধু আমাদের হাতে পুলিশটা তুলে দিক। সেকু-মাকু, ওই দুটোকেই উপড়ে ফেলে দেব (BJP)! এর ঘণ্টা লাগবে (Jadavpur University Incident)।”

  • Viksit Bharat: “২০৪৭ সালের মধ্যে ভারত হবে উচ্চ আয়ের দেশ”, বললেন অর্থ কমিশনের চেয়ারম্যান

    Viksit Bharat: “২০৪৭ সালের মধ্যে ভারত হবে উচ্চ আয়ের দেশ”, বললেন অর্থ কমিশনের চেয়ারম্যান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার শতবর্ষপূর্তি হবে ২০৪৭ সালে। সেই সময় দেশকে বিকশিত ভারত (Viksit Bharat) হিসেবেই দেখার স্বপ্ন দেখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই লক্ষ্য পূরণে নিরন্তর কাজও করে চলেছেন তিনি। তাঁর সেই স্বপ্ন যে নিছক স্বপ্ন নয়, তা স্পষ্ট হয়ে গেল ষোড়শ অর্থ কমিশনের চেয়ারম্যান অরবিন্দ পানাগাড়িয়ার (Arvind Panagariya) কথায়। নয়াদিল্লিতে ৪৯তম সিভিল অ্যাকাউন্টস ডে উদযাপনে বক্তব্য রাখছিলেন তিনি।

    পানাগাড়িয়ার বক্তব্য (Viksit Bharat)

    সেখানেই পানাগাড়িয়া বলেন, “২০৪৭ সালের মধ্যে ভারত উন্নত জাতির মর্যাদা অর্জনের পথে সুপ্রতিষ্ঠিত।” তিনি সেই বৃদ্ধির পথের কথা উল্লেখ করেন যা ভারতকে আগামী দশকে ৯.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করতে এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে উচ্চ আয়ের দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করবে। তিনি জানান, ২০০৩-২৪ অর্থবর্ষে ভারত বর্তমান মূল্যে মার্কিন ডলারের হিসেবে গড়ে ১০.১ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই গতি বজায় থাকলে, ভারতের অর্থনীতি আগামী দশ বছরে ৯.৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছে যাবে। তিনি ম্যাক্রোইকোনমিক স্থিতিশীলতা এবং গণতান্ত্রিক শাসনকে এই বৃদ্ধির গতি বজায় রাখার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে উল্লেখ করেন।

    গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক

    ভারতের অর্থনৈতিক (Viksit Bharat) যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হল ২০৪৭ সালের মধ্যে মাথাপিছু আয় ১৪,০০০ মার্কিন ডলারে পৌঁছানো। বর্তমানে ভারতের মাথাপিছু আয় ২,৫৭০ মার্কিন ডলার। পানাগাড়িয়ার মতে, এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজন বার্ষিক ৭.৩ শতাংশ মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির হার। তিনি বলেন, “২০২৩ সালের ডলারের মূল্যে, ভারতকে উচ্চ আয়ের মর্যাদা অর্জনের জন্য ১৪,০০০ ডলারের মাথাপিছু আয় দরকার। ধারাবাহিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি থাকলে, এই লক্ষ্য পূরণ করাও সম্ভব।”

    ভারতের অর্থনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা সমর্থনকারী গুরুত্বপূর্ণ উপাদানগুলির একটি হল নিয়ন্ত্রিত জনসংখ্যা বৃদ্ধি। পানাগাড়িয়া বলেন, “২০৪৭ সাল পর্যন্ত জনসংখ্যা বছরে মাত্র ০.৬ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাবে, যা অর্থনৈতিক সম্প্রসারণের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করবে।” তিনি বলেন, “বিকশিত ভারত অভিযানের সম্ভাবনাগুলি তাই বাস্তবায়নযোগ্য থাকে।” ভারতের সামাজিক অগ্রগতির (Arvind Panagariya) ওপর জোর দিয়ে পানাগাড়িয়া বলেন, “দেশে দারিদ্র্য উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে, সে পরিমাপের পদ্ধতি যাই হোক না কেন (Viksit Bharat)।”

LinkedIn
Share