Tag: news in bengali

news in bengali

  • Fake Medicines: রাজ্যে জাল ওষুধের রমরমা কারবার, গ্রেফতার কলকাতার মহিলা

    Fake Medicines: রাজ্যে জাল ওষুধের রমরমা কারবার, গ্রেফতার কলকাতার মহিলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় জাল ওষুধের (Fake Medicines) রমরমা কারবার। পর্দা ফাঁস করল ড্রাগ কন্ট্রোল। দেশি-বিদেশি নামী কোম্পানির ওষুধ নিয়ে কালোবাজারির অভিযোগে (Bangladesh) গ্রেফতার মহিলা। কলকাতার রিজেন্ট পার্কের বাসিন্দা তিনি। বাজেয়াপ্ত হয়েছে ক্যান্সার, ডায়বেটিস চিকিৎসার ওষুধ। দেশজুড়ে এই ধরনের অপারেশন আরও চলবে বলে ড্রাগ কন্ট্রোল সূত্রে খবর।

    জেল হেফাজতের নির্দেশ (Fake Medicines)

    আজ, মঙ্গলবারই ওই মহিলাকে তোলা হয় আদালতে। ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। তাঁকে জেরা করে অসাধু ওই চক্রের হদিশ পেতে চাইছে সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন। জানা গিয়েছে, সূত্র মারফত খবর পেয়ে এদিন সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশনের পূর্বাঞ্চলীয় শাখার তরফে অভিযান চালানো হয়। বাজেয়াপ্ত হয় প্রচুর ওষুধ। এর আনুমানিক বাজারমূল্য ৬.৬ কোটি টাকা। ওষুধগুলির স্ট্রিপে লেখা বাংলাদেশ, আমেরিকা, তুরস্ক, আয়ারল্যান্ড। বেশ কিছু ওষুধের স্ট্রিপে লেখা মেড ইন বাংলাদেশ।

    অসাধু চক্র

    এই ওষুধগুলোর কোনওটা ক্যান্সার নিরাময়ের, কোনওটা বা ডায়বেটিসের। তবে এসব ওষুধ ভারতে আমদানি করতে যেসব নথিপত্রের প্রয়োজন, তা পাওয়া যায়নি। কে বা কারা এই অসাধু চক্র চালাচ্ছে, তার খোঁজে নামেন ড্রাগস কন্ট্রোল অর্গানাইজেশনের সদস্যরা (Fake Medicines)। তখনই খোঁজ মেলে রিজেন্ট পার্কের ওই মহিলার। তার পরেই ফাঁস হয় রহস্যের পর্দা। জানা গিয়েছে, ওই মহিলার নেতৃত্বেই চলছে জাল ওষুধের রমরমা কারবার। ওই মহিলাকে জেরা করে এই অসাধু চক্রের অন্যদের খোঁজ পেতে চাইছেন তদন্তকারীরা। এদিন যেসব ওষুধ বাজেয়াপ্ত হয়েছে, সেগুলির গুণগত মান পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে ল্যাবরেটরিতে।

    আরও পড়ুন: জয়েন্ট মাস্টার্স প্রোগ্রাম থেকে মুসলিম সংরক্ষণ বন্ধের কথা ভাবছে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়

    স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, জনস্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে জাল ওষুধ বিরোধী অভিযান চলবে। এক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি নেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, কেবল জাল ওষুধের রমরমা কারবার বন্ধই নয়, বাজারে ওষুধের গুণগত মান পরীক্ষার ওপরও নজর দেওয়া হচ্ছে। নিম্নমানের কোনও (Bangladesh) ওষুধ যাতে বাজারে আর বিক্রি না হয়, তার জন্যও চলছে অপারেশন (Fake Medicines)।

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Mahakumbh Mela 2025: মহাকুম্ভ মেলায় নাগা সাধুর ছদ্মবেশে হামলার হুমকি জঙ্গিদের! হাই অ্যালার্ট জারি

    Mahakumbh Mela 2025: মহাকুম্ভ মেলায় নাগা সাধুর ছদ্মবেশে হামলার হুমকি জঙ্গিদের! হাই অ্যালার্ট জারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দুদের কাছে বিশ্বের বৃহত্তম ধর্মীয় সমাবেশ হল মহাকুম্ভ মেলা (Mahakumbh Mela 2025)। এবছর পূর্ণ যোগে পূর্ণকুম্ভ মেলা প্রয়াগরাজ্যের ত্রিবেণী সঙ্গমের তীরে অনুষ্ঠিত হবে। প্রায় ৪৫ কোটিরও বেশি ভক্তের সমাগম হবে বলে উত্তরপ্রদেশ সরকার আগেই জানিয়েছে। তাই যোগী সরকার সংখ্যার পরিপ্রেক্ষিতে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে। সম্প্রতি গোয়েন্দাদের রিপোর্টে মহাকুম্ভ মেলায় সন্ত্রাসী হামলার হুমকি মিলেছে। সন্ত্রাসবাদী বা জঙ্গিরা নাগা সাধুর ছদ্মবেশে এই বৃহৎ ধর্মযজ্ঞে অনুপ্রবেশ করে নাশকতামূলক ষড়যন্ত্র করতে পারে বলে জানা গিয়েছে। এই হুমকিতে (Militant High Alert) ইতিমধ্যে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে জেলাজুড়ে। তাই এখন থেকেই প্রশাসন আরও জোরদার করেছে নিরাপত্তা বলয়কে।

    প্রতিটি গেটে কঠোর তল্লাশি করা হবে (Mahakumbh Mela 2025)

    জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে গোয়েন্দা সংস্থাগুলি হাই অ্যালার্ট (Militant High Alert) জারি করে একাধিক নির্দেশিকা জারি করেছে। জঙ্গিদের হুমকির পর থেকেই উত্তরপ্রদেশ পুলিশ, জঙ্গিদমন শাখা বা এটিএস (অ্যান্টি-টেররিস্ট স্কোয়াড), এবং এনএসজি (ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড) কমান্ডোদের মোতায়েন করা হয়েছে কুম্ভমেলা (Mahakumbh Mela 2025) প্রাঙ্গণে। মনে করা হচ্ছে সন্ত্রাসবাদীরা নিরীহ সাধুদের ছদ্মবেশ ব্যবহার করে বড় আকারের হামলা চালাতে পারে। তাই এখন থেকেই কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা স্তর বাড়িয়ে দিয়েছে। মেলায় প্রবেশের প্রতিটি গেটে কঠোর তল্লাশি চালানো হচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনী এলাকায় প্রবেশকারীদের মধ্যে প্রত্যেককে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে—সাধু বেশে আসা সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করা যাবে কীভাবে? এটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

    সাধুদের তীক্ষ্ণ বুদ্ধি এবং বিচক্ষণতা অসাধুদের চিহ্নিত করবে

    কুম্ভমেলায় (Mahakumbh Mela 2025) নাগা সাধুর স্বতন্ত্র চেহারার জন্য পরিচিত। তাঁরা শরীরে ছাই মেখে এবং আধ্যাত্মিক অনুশীলনের সঙ্গে গভীর ভাবে সম্পৃক্ত। তাঁদের সতর্কতাও অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে শনাক্তকরণে। কোনও দুষ্কৃতী বা প্রতারকে চিহ্নিত করতে তাঁদের তথ্য প্রাথমিক আধার হবে। যদিও নাগা সাধুরা সাধারণত ভগবান শিবের ভক্তিতে নিমগ্ন থাকেন এবং তাঁদের তীক্ষ্ণ বুদ্ধি এবং বিচক্ষণতা অসাধুদের চিনতে সুবিধাজনক হবে। তাঁদের অভিজ্ঞতাই এই ক্ষেত্রে জঙ্গিদের চিহ্নিতকরণের অত্যন্ত সহজ পদ্ধতি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    আধার কার্ড যাচাই বাধ্যতামূলক

    নাগা সাধুরা অবশ্য জানিয়েছেন, এই ধরনের যে কোনও অনুপ্রবেশকারীকে দ্রুত শনাক্ত করা যাবে। ধর্মীয় সঙ্গম এবং সমাবেশকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনে সকল সাধুদের হাতে অস্ত্র দিয়ে প্রস্তুত রাখা হবে। আবার প্রশাসন থেকে বলা হয়েছে বৈধ আইডি না দেখিয়ে কাউকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না। সমস্ত ব্যক্তিকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করে মেলায় (Mahakumbh Mela 2025) প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। তাই বাধ্যতামূলক থাকবে আধার কার্ড যাচাই।

    আরও পড়ুনঃ বেঙ্গালুরুর কাছে মিলল চোল যুগের তামিল শিলালিপি

    অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে নিরপাত্তার ব্যবস্থা

    ঐতিহ্যগত নিরাপত্তা (Militant High Alert) ব্যবস্থার পাশাপাশি, কুম্ভমেলা (Mahakumbh Mela 2025) এলাকাকে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত করা হয়েছে। এআই-চালিত সিস্টেম, ড্রোন এবং সিসিটিভি ক্যামেরা বাস্তব সময়ে (রিয়েলটাইম) ভিড় পর্যবেক্ষণ করার জন্য ইনস্টল করা হয়েছে। এই ক্যামেরাগুলিকে ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তির সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে, যা নিরাপত্তা সংস্থাগুলিকে এলাকায় প্রবেশকারী সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে সাহায্য করবে। নাগা, অঘরি সাধুদের বিশেষ ভাবে সতর্ক করে নিরাপত্তা বাহিনীকে দ্রুত সবরকম ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত রাখার কথাও বলা হয়েছে প্রশাসনের তরফে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Delhi Assembly Elections 2025: রাহুল গান্ধীকে ফের তোপ প্রণব-কন্যার, দিল্লি নির্বাচনের আগেই কি বিজেপিতে?

    Delhi Assembly Elections 2025: রাহুল গান্ধীকে ফের তোপ প্রণব-কন্যার, দিল্লি নির্বাচনের আগেই কি বিজেপিতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রণব-কন্যা শর্মিষ্ঠা মুখোপাধ্যায়ের কংগ্রেসের রাহুল গান্ধীর উপর বিরাট রাগ। অবশ্য এই রাগের কারণ প্রণব কন্যার ধারণা প্রাক্তন রাষ্ট্রপতিকে বঞ্চনা এবং অশ্রদ্ধাই করা হয়েছে দলের তরফ থেকে। দীর্ঘ দিনের বরিষ্ঠ কংগ্রেস নেতা ছিলেন প্রণববাবু। কন্যার অবশ্য দাবি বাবাকে দল যথার্থ সম্মান দেয়নি, কোনও রকম স্বীকৃতি দেয়নি। রাহুল গান্ধী এই প্রবীণ কংগ্রেস নেতাকে ‘সঙ্ঘী’ বলে আক্রমণ করেছিলেন, তাই এবার নাম করে মেয়ে রাহুল ঘনিষ্ঠ ভক্তদের তীব্র তোপ দেগেছেন। ফলে আসন্ন দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের (Delhi Assembly Elections 2025) আগে কি বিজেপিতে যোগদান করবেন শর্মিষ্ঠা? জল্পনা তুঙ্গে।

    শর্মিষ্ঠা কি বিজেপিতে যাবেন?

    সমানেই দিল্লিতে বিধানসভার নির্বাচন (Delhi Assembly Elections 2025)। ইতিমধ্যে শর্মিষ্ঠা কংগ্রেস এবং রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে তীব্র তোপ দেগে চলেছেন। দিল্লি নির্বাচনের আগে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে কি তাহলে সরাসরি রাজনৈতিক লড়াইতে নামবেন? এই নিয়ে জোর জল্পনা চলছে। তাহলে কি বিজেপিতে যোগদান করতে পারেন প্রণব-কন্যা শর্মিষ্ঠা। উল্লেখ্য, নাগপুরে আরএসএস-এর তৃতীয় বর্ষ সঙ্ঘ শিক্ষা বর্গের প্রধান অতিথি হয়েছিলেন প্রণববাবু। একই ভাবে সংসদে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে সংসদে আলিঙ্গন করেছিলেন রাহুল, কিন্তু কংগ্রেস নেতারা প্রণববাবুকে সঙ্ঘী তকমা দিয়েছিলেন। এরপর বাবার হয়ে সরাসরি কংগ্রেসকে তুলোধনা করেন শর্মিষ্ঠা।

    রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ

    শর্মিষ্ঠা নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “রাহুলের ভক্ত যারা একদিন আমার বাবাকে সঙ্ঘী বলতেন, আমি তাঁদের বলছি, কই আপনারা একবার প্রশ্ন করে দেখুন তো কেন তিনি প্রধানমন্ত্রী মোদিকে সংসদে জড়িয়ে ধরেছিলেন? ইনি সেই রাহুল গান্ধী যাঁর মা মোদিকে মওতকা সওদাগর বলেছিলেন। তাঁদের যুক্তি অনুসারে তো রাহুলকে তাঁর সহযোগী হিসেবে দেখা উচিত। এইসব দুষ্ট মূর্খ, দালালদের সঙ্গে নিয়ে কংগ্রেসকে পুনরুজ্জীবিত করে তোলার জন্য রাহুল গান্ধী আপনাকে শুভেচ্ছা জানাই। এখন আপনার ‘নফরত কি দুকানদারদের’ আমাকে গালমন্দ করার জন্য ছেড়ে দিন। আমাকে অভিশাপ দিন!”

    আরও পড়ুনঃ জয়েন্ট মাস্টার্স প্রোগ্রাম থেকে মুসলিম সংরক্ষণ বন্ধের কথা ভাবছে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়

    কংগ্রেস-আপের বিরুদ্ধে সাড়া ফেলার সম্ভাবনা প্রবল

    দিল্লিতে প্রণব-কন্যা বেশ পরিচিত মুখ। সামনেই নির্বাচন (Delhi Assembly Elections 2025) সেই সঙ্গে বাবা প্রণব নামের পুঁজি ব্যাপক সারা ফেলেতে পারে। দীর্ঘদিন ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে কাজ করার আবেগ ও অনুভূতি জনমনে সাড়া ফেলতে পারে। উল্লেখ্য শর্মিষ্ঠা বাবার লেখা বই প্রধানমন্ত্রী মোদিকে দিতে গিয়েছিলেন গত ১৫ জানুয়ারি। তাই বিজেপিতে যোগদান করলে একদিকে কংগ্রেস এবং অপর দিকে আপের বিরুদ্ধে জনমত গড়তে ব্যাপক কাজ হবে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল। শর্মিষ্ঠার কংগ্রেস সমালোচনা যে রাহুলদের জন্য ভালো বার্তা নয়, তা মনে করছে রাজনৈতিক মহল।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: স্কুলপাঠ্যে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে বিরাট বদল, মুজিবুর নন জিয়াউর রহমানই স্বাধীনতার ঘোষক!

    Bangladesh: স্কুলপাঠ্যে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে বিরাট বদল, মুজিবুর নন জিয়াউর রহমানই স্বাধীনতার ঘোষক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) স্কুলপাঠ্যে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে বদল করার অভিযোগ উঠেছে। ওই দেশের স্বাধীনতার ঘোষক শেখ মুজিবুর রহমান নন, পরিবর্তন করে নাম দেওয়া হয়েছে জিয়াউর রহমানের (Ziaur Rahman)। মহম্মদ ইউনূস পরিচালিত অন্তর্বর্তী সরকারের অঙ্গুলি হেলনে দেশে তথাকথিত সংস্কারের নামে স্কুলের পড়াশুনার পাঠ বদলে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে বিরাট নিন্দার ঝড় উঠেছে।

    বিকৃত ইতিহাস পড়ানোর সিদ্ধান্ত (Bangladesh)

    পঞ্চম শ্রেণির জন্য তৈরি পাঠ্য বইতে বাংলাদেশের (Bangladesh) স্বাধীনতার ঘোষক বলে লেখা হয়েছে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের (Ziaur Rahman) নাম। উল্লেখ্য প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি অর্থাৎ বিএনপির নেত্রী খালেদা জিয়ার স্বামী ছিলেন জিয়াউর। কোটা বিরোধী আন্দোলন এবং জামাত শিবিরকে হাতিয়ার করে শেখ হাসিনাকে দেশ থেকে বিতারিত করতে বিএনপির বিরাট ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। এখন তাই পাঠ্য পুস্তক থেকে গত ৫৪ বছর ধরে পড়ে আসা স্বাধীনতার ঘোষক মুজিবুর রহমানের নাম পাল্টে দেওয়া হয়েছে। নতুন বছরে পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত এখন এই বিকৃত ইতিহাস পড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ বালুচিস্তানে জারিফ বালুচকে অপহরণ করে নির্মমভাবে হত্যার তীব্র প্রতিবাদ প্যাঙ্ক-এর

    ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে গণহত্যার প্রতিবাদে স্বাধীনতার ডাক মুজিবের

    জানা গিয়েছে, পঞ্চম শ্রেণির বইতে বলা হয়েছে, “১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ গভীর রাতে চট্টগ্রামের (Bangladesh) কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন সেনা কমান্ডার জেনারেল জিয়াউর রহমান (Ziaur Rahman)। পাঠ্য বইতে আরও বলা হয়েছে স্বাধীনতার ঘোষণা সংক্রান্ত শেখ মুজিবুর রহমানের একটি বার্তাও জিয়াউর রহমান ২৭ মার্চ দেশবাসীকে জানিয়েছিলেন।” অথচ এতদিন ওইদেশের জনগণ জানতো যে ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ঢাকায় গণহত্যা করেছিল। ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে শেখ মুজিবুর রহমান গণহত্যার প্রতিবাদে স্বাধীনতার ডাক দেন। ঢাকা পুলিশ সদর থেকে এই ঘোষণা বার বার করা হয়েছিল। এরপর ধানমুণ্ডির বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল এবং নিয়ে যাওয়া হয় করাচিতে। যদিও বিএনপির দাবি, প্রথম ডাক জিয়াউর দিয়েছিলেন এবং অনেকদিন পর তা স্বীকৃতি পেয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kerala Nurses Death Sentence: ইয়েমেনে মৃত্যুদণ্ড ভারতীয় নার্সের, কোন দোষে দোষী জানেন?

    Kerala Nurses Death Sentence: ইয়েমেনে মৃত্যুদণ্ড ভারতীয় নার্সের, কোন দোষে দোষী জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের কেরলের নার্স (Kerala Nurses Death Sentence) জেলবন্দি নিমিশা প্রিয়ার মৃত্যুদণ্ডের রায়ে সিলমোহর দিলেন ইয়েমেনের (Yemen) প্রেসিডেন্ট রাশাদ আল আলিমি। গত সাত বছর ধরে ইয়েমেনের জেলে বন্দি রয়েছেন ওই মহিলা। তাঁর জীবন সংশয় হওয়ায় বিচলিত দেশ।

    খুনের দায়ে জেলবন্দি (Kerala Nurses Death Sentence)

    ইয়েমেনের বাসিন্দা তালাল আব্দো মাহদিকে খুনের দায়ে ২০১৭ সাল থেকে সে দেশের জেলে বন্দি রয়েছেন নিমিশা। বছর ছত্রিশের এই নার্সকে বাঁচানোর সব রকম চেষ্টা করা হয়েছে পরিবারের তরফে। প্রয়োজনীয় সাহায্য করেছে ভারতের বিদেশমন্ত্রকও। গ্রেফতার হওয়ার পরের বছরই ওই নার্সকে মৃত্যুদণ্ড দেয় ইয়েমেনের আদালত। আদালতের সেই রায়েই সিলমোহর দিলেন প্রেসিডেন্ট। ‘অস্বাভাবিক’ কিছু না ঘটলে এক মাসের মধ্যেই ওই নার্সের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে। কেরলের পালাক্কড় জেলার বাসিন্দা নিমিশা নার্স ছিলেন। ২০১৪ সালে তাঁর স্বামী ও মেয়ে ভারতে ফিরে এলেও, নিমিশা থেকে যান ইয়েমেনেই। ২০১৫ সালে মাহদির সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ক্লিনিক খোলেন ভারতীয় ওই নার্স। পরে শুরু হয় দুই অংশীদারের মতবিরোধ। অভিযোগ, এই সময় নিমিশার পাসপোর্ট কেড়ে নেন মাহদি। পুলিশে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি বলে অভিযোগ।

    পাসপোর্ট ফেরাতেই খুন!

    মাহদির কাছ থেকে পাসপোর্ট ফেরাতে ২০১৭ সালের ২৫ জুলাই তাঁকে ঘুমের ইঞ্জেকশন দেন নিমিশা। ওভারডোজের কারণে মৃত্যু হয় মাহদির। পরে অন্য একজনের সাহায্যে মাহদির দেহ টুকরো টুকরো করে জলের ট্যাঙ্কে ফেলে দেন বলে অভিযোগ। ইয়েমেন থেকে পালানোর পথে ধরা পড়েন ওই নার্স। ২০১৮ সালে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে ইয়েমেনের আদালত। মেয়েকে বাঁচানোর যাবতীয় চেষ্টা করেন নিমিশার মা। ইয়েমেনে আইনজীবীর ব্যবস্থা করে দেয় ভারতের বিদেশমন্ত্রক। গত বছর নিমিশার সাজা মকুবের আবেদনও খারিজ হয়ে যায় ইয়েমেনের সুপ্রিম কোর্টে (Kerala Nurses Death Sentence)। দেশের শীর্ষ আদালতের মৃত্যুদণ্ডের রায়ে সিলমোহর দেন ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট।

    আরও পড়ুন: দেউলিয়া হয়ে যাবে আমেরিকা? এ কী শোনালেন ইলন মাস্ক!

    প্রিয়ার পরিবার সূত্রে খবর, নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথাবার্তা চলছিলই। সেপ্টেম্বর মাসে ভারতীয় দূতাবাস নিযুক্ত আইনজীবী আবদুল্লা আমির প্রাক-মীমাংসা পর্বেই ১৬.৬ লাখ টাকা দাবি করেন। বিদেশমন্ত্রকের তরফে তাঁকে সেই টাকা দেওয়াও হয়। পরে পারিশ্রমিক বাবদ দু’দফায় ৩৩ লাখ টাকা মিটিয়ে দিতে হবে বলে দাবি জানান তিনি। এই টাকা পেলেই নিহতের পরিবারের সঙ্গে নতুন করে কথাবার্তা শুরু করা যাবে বলে জানান (Yemen) তিনি। তাতেই দীর্ঘায়িত হয় বিষয়টি (Kerala Nurses Death Sentence)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Muslim Population: ২০৫০ সালে বিশ্বে ২০০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে মুসলিম জনসংখ্যা, জনবিন্যাসে চিন্তার ভাঁজ

    Muslim Population: ২০৫০ সালে বিশ্বে ২০০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে মুসলিম জনসংখ্যা, জনবিন্যাসে চিন্তার ভাঁজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বব্যাপী মুসলিম জনসংখ্যা (Muslim Population) ২০৫০ সালের মধ্যে ২০০ কোটি (200 Million) ছড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। পিউ রিসার্চ নামক এক সংস্থার সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, উচ্চ হারে বংশ বিস্তার এবং তরুণ প্রজন্মের সংখ্যা মাত্রারিক্ত বৃদ্ধির জন্য বিশ্বের সর্ববৃহৎ ধর্মে পরিণত হওয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ইসলাম। এই গবেষণা মূলক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, ইসলাম, খ্রিস্টান, হিন্দু, ইহুদি এবং বৌদ্ধ ধর্ম সহ বিশ্বের প্রধান ধর্মের বৃদ্ধির হারকে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে দ্রুত ইসলামের সম্প্রসারণকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। এই সমীক্ষার পর থেকেই বিশ্বজুড়ে জনবিন্যাস বদল নিয়ে বিশেষজ্ঞদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।

    ২০১০ সালে মুসলিম জন সংখ্যা ছিল ১৬০ কোটি (Muslim Population)

    বর্তমান বিশ্বে ইসলাম দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্ম। ২০১০ সালে এই ধর্মের মোট জনসংখ্যা (Muslim Population) ছিল ১৬০ কোটি। আগামী আরও ২৫ বছরে মুসলিম জনসংখ্যা ২০০ কোটিরও বেশি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ধর্মাবলম্বীর মানুষ হল খ্রিস্টান ধর্মের মানুষ, ফলে তাকেও ছাপিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ২০১০ সালের পরিসংখ্যানে দেখা গিয়েছে ২১৭ কোটি জনসংখ্যা ছিল খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী মানুষ। ২০৫০ সালে আরও ৮০ কোটি লোকের একটি সামান্য বৃদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ওই সময়ে মুসলমানদেরকে বিশ্বে বৃহত্তম ধর্মীয় সম্প্রদায় হিসাবে প্রথম সারিতে রাখতে হবে।

    দ্রুত মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণ

    পিউ রিসার্চ সমীক্ষার রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, মুসলিম জনসংখ্যার (Muslim Population) দ্রুত বৃদ্ধিতে অবদান রাখার জন্য বেশ কয়েকটি কারণকে তুলে ধরা হয়েছে। মূল কারণ হল মুসলমানদের তুলনামূলকভাবে তরুণ প্রজন্মের জনসংখ্যা বৃদ্ধি। যেখানে জনসংখ্যার ৩৪% মাত্র ১৫ বছরের কম বয়সী এবং ৬০% মানুষ ১৫ থেকে ৫৯ বছরের মধ্যে বয়সী। উপরন্তু, মুসলিম মহিলাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রজনন হার রয়েছে। এই প্রজননের হার গড়ে ৩.১ টি করে শিশু। অপর দিকে প্রতি খ্রিস্টান মহিলাদের ক্ষেত্রে প্রজননের গড় পরিমাণ ২.৭ টি করে শিশু। আবার সমীক্ষার রিপোর্ট সূত্রে জানা গিয়েছে, সাব-সাহারান আফ্রিকা এবং এশিয়ার কিছু অংশের মতো অঞ্চলগুলি সর্বাধিক (200 Million) উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাক্ষী থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব এলাকায় উন্নত স্বাস্থ্যসেবা এবং নিম্ন মৃত্যুহার জনসংখ্যার বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করবে।

    আরও পড়ুনঃ দেউলিয়া হয়ে যাবে আমেরিকা? এ কী শোনালেন ইলন মাস্ক!

    ভারত সবচেয়ে বেশি মুসলিম জনসংখ্যার বিস্ফোরণ হবে!

    এই সমীক্ষায় আরও ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে যে ভারত ২০৫০ সালের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মুসলিম জনসংখ্যার (Muslim Population) দেশ হয়ে উঠবে। ফলে ইন্দোনেশিয়াকেও ছাড়িয়ে যাবে ভারত। এটি ইসলামের বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে দ্রুত বৃদ্ধির (200 Million) সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। ফলে ভারতীয় জনবিন্যাস, ভৌগলিক সাংস্কৃতি এবং ধর্মীয় ক্ষেত্র যে একটা সঙ্কটের মুখে পড়বে তা অনেকেই মনে করছেন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 236: “পাপ-পুণ্য কি জানো? পরমহংস অবস্থায় দেখে, তিনিই সুমতি দেন, তিনিই কুমতি দেন”

    Ramakrishna 236: “পাপ-পুণ্য কি জানো? পরমহংস অবস্থায় দেখে, তিনিই সুমতি দেন, তিনিই কুমতি দেন”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়িমধ্যে

    চতুর্দশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ১৭ই জুন

    শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বরে ভক্তসঙ্গে

    তান্ত্রিকভক্ত ও সংসার—নির্লিপ্তেরও ভয়

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে নিজের ঘরে আহারান্তে কিঞ্চিৎ বিশ্রাম করিয়াছেন। অধর ও মাস্টার আসিয়া প্রণাম করিলেন। একটি তান্ত্রিক ভক্তও আসিয়াছেন। রাখাল, হাজরা, রামলাল প্রভৃতি ঠাকুরের কাছে আজকাল থাকেন (Kathamrita)। আজ রবিবার, ১৭ই জুন, ১৮৮৩ খ্রীষ্টাব্দ। (৪ঠা আষাঢ়) জৈষ্ঠ শুক্লা দ্বাদশী।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ভক্তদের প্রতি)—সংসারে হবে না কেন? তবে বড় কঠিন। জনকাদি জ্ঞানলাভ করে সংসারে এসেছিলেন। তবুও ভয়! নিষ্কাম সংসারীরও ভয়। ভৈরবীকে দেখে জনক মুখ হেঁট করেছিল; স্ত্রীদর্শনে সঙ্কোচ হয়েছে! ভৈরবী বললে, জনক! তোমার দেখছি এখনও জ্ঞান হয় নাই; তোমার স্ত্রী-পুরুষ বোধ রয়েছে। কাজলের ঘরে যতই সেয়ানা হও না কেন, একটু না একটু কালো দাগ গায়ে লাগবে।

    “দেখেছি, সংসারীভক্ত যখন পূজা করছে গরদ পরে তখন বেশ ভাবটি। এমন কি জলযোগ পর্যন্ত এক ভাব। তারপর নিজ মূর্তি; আবার রজঃ তমঃ।

    “সত্ত্বগুণে ভক্তি হয়। কিন্তু ভক্তির সত্ত্ব, ভক্তির রজঃ, ভক্তির তমঃ আছে। ভক্তির সত্ত্ব, বিশুদ্ধ সত্ত্ব—এ-হলে ঈশ্বর (Ramakrishna) ছাড়া আর কিছুতেই মন থাকে না; কেবল দেহটা যাতে রক্ষা হয় ওইটুকু শরীরের উপর মন থাকে।”

    পরমহংস ত্রিগুণাতীত ও কর্মফলের অতীত—পাপ-পুণ্যের অতীত—কেশব সেন ও দল 

    “পরমহংস (Ramakrishna) তিনগুণের অতীত। তার ভিতর তিনগুণ আছে আবার নাই। ঠিক বালক, কোন গুণের বশ নয়। তাই ছোট ছোট ছেলেদের পরমহংসরা কাছে আসতে দেয়, তাদের স্বভাব আরোপ করবে বলে।

    “পরমহংস সঞ্চয় করতে পারে না। এটা সংসারীদের পক্ষে নয়, তাদের পরিবারদের জন্য সঞ্চয় (Kathamrita) করতে হয়।”

    তান্ত্রিকভক্ত—পরমহংসের কি পাপ-পুণ্য বোধ থাকে?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—কেশব সেন ওই কথা জিজ্ঞাসা করেছিল। আমি বললাম, আরও বললে তোমার দল টল থাকবে না। কেশব বললে, তবে থাক মহাশয়।

    “পাপ-পুণ্য কি জানো? পরমহংস অবস্থায় দেখে, তিনিই সুমতি দেন, তিনিই কুমতি দেন। তিতো মিঠে ফল কি নেই? কোন গাছে মিষ্ট ফল, কোন গাছে তিতো বা টক ফল। তিনি মিষ্ট আমগাছও করেছেন, আবার টক আমড়াগাছও করেছেন (Kathamrita)।”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Muslim Jamaat: ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনের বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করল মুসলিম জামাত

    India Muslim Jamaat: ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনের বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করল মুসলিম জামাত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অল ইন্ডিয়া মুসলিম জামাতের (India Muslim Jamaat) জাতীয় সভাপতি মাওলানা শাহাবুদ্দিন রাজভি বেরেলভি ইংরেজি নববর্ষ (English New Year 2025) উদযাপনের বিরুদ্ধে একটি ফতোয়া জারি করেছেন। তিনি খুব স্পষ্ট ভাবে মুসলমানদের এই বর্ষবরণের উৎসবগুলিতে অংশ নেওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। একই ভাবে ইসালাম বিরোধী, শরিয়া বিরোধী কার্যকলাপ থেকে দূরে থাকার কথাও বলেছেন। পরিবর্তে মুসলমান সমাজকে ইসলাম ধর্মীয় অভ্যাসগুলিতে মনোনিবেশ করতে জোর দিয়েছেন। এই বক্তব্যে এখন ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    খ্রিস্টান ক্যালেন্ডারের উদযাপন গর্বের বিষয় নয় (India Muslim Jamaat)

    ইসলামের বিশ্বাসের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, তাই বর্ষবরণের বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে রাজভি (India Muslim Jamaat)  বলেন, “চশমে দরফতা বেরেলি দ্বারা জারি করা ফতোয়া, তরুণ মুসলিম পুরুষ এবং মহিলাদের উভয়কেই নতুন বছর উদযাপন না করার নির্দেশ দেয়। আমি মনে করি খ্রিস্টান ক্যালেন্ডারের সূচনা করে নববর্ষ (English New Year 2025) উদযাপন করা গর্বের বিষয় নয় এবং কোনও রকম উদযাপন বা কুশল বিনিময় করা উচিত নয়। কারণ এই ধরনের অনুশীলন মুসলমানদের জন্য নিষিদ্ধ।” রাজভি একই ভাবে তরুণ ও যুব মুসলমানদের নববর্ষের অনুষ্ঠানে অংশ না নেওয়ার অনুরোধ করেছেন, পরিবর্তে তাদের কোরানের ধর্ম পালনে মনোযোগ দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, “নতুন প্রজন্মের ছেলে-মেয়েদের উচিত ইসলাম বিরোধী কার্যকলাপে অংশ গ্রহণ না করা। ইসলামের মান্যতাকে সকলের মনে রাখতে হবে।”

    আরও পড়ুনঃ ‘মহাকাশ ডকিং’ মিশনের পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ইসরোর, সফল উৎক্ষেপণ পিএসএলভি-সি৬০-র

    রুশদির বই ফের বাতিলের দাবি

    অল ইন্ডিয়া মুসলিম জামাতের (India Muslim Jamaat) সভাপতি রাজভি এদিন একই ভবে সাহিত্যিক সালমান রুশদির ‘দ্য স্যাটানিক ভার্সেস’ আবার বিক্রি এবং বাজারে চাহিদার খবরকে তীব্র ভাবে আপত্তি জানিয়েছেন। তাঁর মতে দেশে এই বইয়ের উপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া ঠিক নয়। চূড়ান্ত ভাবে ইসলাম বিরোধী ভাবনা রয়েছে বইয়ে। তবে এই বইয়ের উপর তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে নিষেধাজ্ঞা ছিল। এখন তা তুলে নেওয়া হয়েছে। তিনি বিরোধিতা করে আরও বলেন, “নিষেধাজ্ঞার পক্ষে যাঁরা, তাঁদের সঙ্গে আগে আলোচনা করা দরকার ছিল। বই বিক্রির অনুমতি বাতিল করা উচিত। বইটির সহজ লভ্যতা দেশের সামাজিক ও ধর্মীয় কাঠামোর উপর চরম আঘাত আনতে পারে।” উল্লেখ্য জানা গিয়েছে রুশদির বইতে ধর্মের প্রচার এবং আচরণ বিষয়ে কিছু প্রশ্ন তোলা হয়েছে। আর তাতেই মোল্লা মৌলভী ধর্মীয় অবমানার অভিযোগ তুলেছেন। ১৯৮০ সাল থেকে এই বইয়ের উপর প্রতিবন্ধকতা আরোপ করা হয়েছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sarwan Singh: খিদের জ্বালায় পদক বিক্রি সোনা জয়ী অ্যাথলিটের! গল্প শুনলে শিউরে উঠবেন

    Sarwan Singh: খিদের জ্বালায় পদক বিক্রি সোনা জয়ী অ্যাথলিটের! গল্প শুনলে শিউরে উঠবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পেটে খিদের আগুনে জয়ের গৌরবও ছারখার হয়ে যায়। খিদের জ্বালায় সোনার পদক বিক্রি করলেন ভারতীয় অ্যাথলিট (Athlete)। নাম সারওয়ান সিং (Sarwan Singh), কিন্তু এই নামটা হয়তো অনেকেই জানেন না। তিনি ১৯৫৪ সালে আয়োজিত এশিয়ান গেমসের ১১০ মিটার হার্ডলসে ভারতের হয়ে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তবে জীবন যুদ্ধে এখন অনেকটাই পিছিয়ে পড়ে সঙ্কটের মধ্যে রয়েছেন তিনি। কার্যত না খেয়ে এখন দিন কাটাতে হচ্ছে তাঁকে।

    প্রথমবার ১ লাখ সমর্থকের সামনে তিনি দৌড় দিয়েছিলেন

    সারওয়ান সিং (Sarwan Singh) ১৯৫৪ সালে প্রথমবার দেশের হয়ে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। জীবনে প্রথমবার ১ লাখ সমর্থকের সামনে তিনি দৌড় প্রতিযগিতায় (Athlete) অংশ নেন। পথে দশটি হার্ডল তাঁকে টপকে যেতে হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত লড়াই করে সোনার পদক জয় করেছিলেন। গোটা খেলাকে ১৪.৭ সেকেন্ডে সমাপ্ত করেছিলেন। গলায় করে নিয়ে এসেছিলেন সোনার পদক। জীবনে এর থেকে বড় প্রাপ্তি কী আর থাকতে পারে। ওই দিন দেশের জাতীয় পতাকা গায়ে জড়িয়ে ছিলেন তিনি। অপূর্ব সুন্দর মুহূর্ত ছিল সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। কিন্তু কালের প্রবাহে সেই সুখ স্থায়ী হয়নি। এই সোনার পদক পরবর্তী কালে অন্নসংস্থান করে দেয়নি। চাকরির জন্য সর্বত্র ঘুরতে হয়েছিল তাঁকে। সামান্য মাইনের কোনও সরকারি চাকরিও জোটেনি তাঁর ভাগ্যে।

    ভাড়ার ট্যাক্সি চালিয়ে দিনপাত করতে হয়েছিল

    অনেক কষ্টে বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপে একটি চাকরি জোটে সারওয়ান সিংয়ের। কিন্তু ১৯৭০ সালে অবসর গ্রহণের পর আবার সেই আর্থিক দুর্দশার সম্মুখীন হতে হয়েছিল তাঁকে। নিজেকে পরিবার-বন্ধু-আত্মীয়দের থেকে দূরে রেখে ২০ বছর ধরে ট্যাক্সি চালিয়ে জীবন ধারণ করেন। বয়স বাড়তে থাকে। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এশিয়ান গেমসে সোনা জয়ী অ্যাথলিটের জন্য ১৫০০ টাকা পেনশনের ব্যবস্থা করা হয়। এখন বৃদ্ধ বয়সে নিজে হাঁটার ক্ষমতা প্রায় হারিয়ে ফেলেছেন তিনি। তাই আর্থিক অভাবে বাধ্য হয়ে নিজের সোনার পদকটি বিক্রি করে দেন। তিনি (Sarwan Singh) ইতিহাসের পাতায় থাকলেও দারিদ্রের কারণে বর্তমান সমাজ তাঁকে ভুলে গিয়েছে। স্বাধীন দেশে এই ঘটনা চোখে জল আনে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistan: বালুচিস্তানে জারিফ বালুচকে অপহরণ করে নির্মমভাবে হত্যার তীব্র প্রতিবাদ প্যাঙ্ক-এর

    Pakistan: বালুচিস্তানে জারিফ বালুচকে অপহরণ করে নির্মমভাবে হত্যার তীব্র প্রতিবাদ প্যাঙ্ক-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) বালুচ ন্যাশনাল মুভমেন্ট (বিএনএম)-এর মানবাধিকার শাখা প্যাঙ্ক, জারিফ বালুচকে অপহরণ এবং বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মতো একাধিক মানবাধিকার হরণ করার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। শোকার্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে ন্যায় বিচারও চেয়েছে এই সংগঠন। বিশ্বের সামনে আরও একবার পাকিস্তানের কুকর্ম ফাঁস।

    বিচার না করে খুন করা হয়েছে (Pakistan)

    বালুচিস্তানের (Pakistan) একটি সংবাদ মাধ্যম বালুচিস্তান পোস্ট এক্স হ্যান্ডলে জানিয়েছে, “আমরা জারিফের অপহরণ এবং নির্মম হত্যাকাণ্ডের তীব্র ধিক্কার জানাই। তাঁকে পাশবিক অত্যাচার করে কোনও রকম বিচার না করে খুন করা হয়েছে। পরিবারের সঙ্গে ন্যায় বিচার করা হয়নি। জারিফের মৃতদেহের সঙ্গে অত্যন্ত খারপ আচরণ করা হয়েছে। মৃতদেহকে ময়নাতদন্তের জন্য তুর্বতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই কাজ সম্পূর্ণভাবে মানবাধিকার বিরোধী।”

    জীবিত অবস্থায় তার জিহ্বা কেটে ফেলা হয়েছিল!

    বালুচ ইয়াকজেহতি কমিটি বা বিওয়াইসি (Balochistan) জানিয়েছে, “জারিফ বালুচকে ভয়ঙ্কর নির্যাতন করা হয়েছিল। জীবিত অবস্থায় তাঁর জিব কেটে ফেলা হয়েছিল। এই বর্বর নৃশংস কাজটি বালুচদের কণ্ঠস্বরকে স্তব্ধ এবং দমন করতেই করা হয়েছে। সম্পূর্ণভাবে কাজটি ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়েছে। এই এলাকার মানুষের গত কয়েক দশকের আন্দোলনের ওপর পাকিস্তান নির্মমভাবে অত্যাচার চালাচ্ছে।” সেইসঙ্গে প্যাঙ্ক, পাক সরকারের কাছে দাবি করেছে, রাজ্যে ভয়মুক্ত পরিবেশ গড়তে হবে। শান্তিপূর্ণভাবে যে কোনও রকমের প্রতিবাদ করার সুযোগ মানুষকে দিতে হবে। মানুষের অধিকার সুরক্ষিত রাখতে হবে।

    উল্লেখ্য, ১৯৪৭ সালের পর থেকেই গিলগিট (Pakistan) এবং বালুচিস্তান (Balochistan) আগ্রাসী পাক সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ-আন্দোলন করে আসছে। তাঁদের ধর্ম, সংস্কৃতি, ভাষা, কর্মসংস্থান এবং ইতিহাস, ঐতিহ্যকে অক্ষত রাখতে উগ্র মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে যাচ্ছে। প্রতিদিন পাক সেনার আক্রমণে প্রচুর সাধারণ মানুষের জীবন বিপন্ন হচ্ছে। পাক সরকারের এই অমানবিক আচরণের বিরুদ্ধে বিশ্বমঞ্চে একাধিক বার পাকিস্তানের মুখ পুড়েছে। তবুও নির্লজ্জ দেশের আচরণে কোনও পরিবর্তন লক্ষ্য করেছেন না ওয়াকিবহাল মহল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share