Tag: news in bengali

news in bengali

  • Ramakrishna 224: “গোপীদের কি ভালবাসা, কি প্রেম, শ্রীমতী স্বহস্তে শ্রীকৃষ্ণের চিত্র এঁকেছেন”

    Ramakrishna 224: “গোপীদের কি ভালবাসা, কি প্রেম, শ্রীমতী স্বহস্তে শ্রীকৃষ্ণের চিত্র এঁকেছেন”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়িমধ্যে

    অষ্টম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ১০ই জুন

     দক্ষিণেশ্বরে মণিরামপুর ও বেলঘরের ভক্তসঙ্গে

     শ্রীরামকৃষ্ণ-কথিত নিজ চরিত 

    রামনামে শ্রীরামকৃষ্ণ বিহ্বল—গোপীপ্রেম 

    শেষ গানটি শুনিতে শুনিতে ঠাকুর অশ্রু বিসর্জন করিতেছেন, আর বলিতেছেন (Kathamrita), “আমি ঝাউতলায় বাহ্যে করতে গিয়ে শুনেছিলাম, নৌকার মাঝি নৌকাতে ওই গান গাচ্ছে; ঝাউতলায় যতক্ষণ বসেছিলাম খালি কেঁদেছি; আমাকে ধরে ধরে ঘরে নিয়ে এল।”

    (৩)।       শুনেছি রাম তারক ব্রহ্ম, মানুষ নয় রাম জটাধারী ৷
    পিতে কি নাশিতে বংশ, সীতে তার করেছ চুরি ॥

    অক্রূর শ্রীকৃষ্ণকে (Ramakrishna) রথে বসাইয়া মথুরায় লইয়া যাইতেছেন দেখিয়া গোপীরা রথচক্র আঁকড়াইয়া ধরিয়াছেন ও কেহ রথচক্রের সামনে শুইয়া পড়িয়াছেন। তাঁরা অক্রূরকে দোষ দিতেছেন। শ্রীকৃষ্ণ যে নিজের ইচ্ছায় যাইতেছেন তাহা জানেন না।

    (৪)।       ধোরো না ধোরা না রথচক্র, রথ কি চক্রে চলে,
    যে চক্রের চক্রী হরি, যাঁর চক্রে জগৎ চলে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ভক্তদের প্রতি)—গোপীদের কি ভালবাসা, কি প্রেম। শ্রীমতী স্বহস্তে শ্রীকৃষ্ণের চিত্র এঁকেছেন, কিন্তু পা আঁকেন নাই; পাছে তিনি মথুরায় চলে যান।

    “আমি এ-সব গান ছেলেবেলায় খুব গাইতাম (Kathamrita)। এক-এক যাত্রার সমস্ত পালা গেয়ে দিতে পারতাম। কেউ কেউ বলত, আমি কালীয়দমন-যাত্রার দলে ছিলাম।”

    একজন ভক্ত নূতন উড়ানি গায়ে দিয়া আসিয়াছেন। রাখালের বালক স্বভাব, কাঁচি এনে তাঁর চাদরের ছিলা কাটিতে আসিয়াছেন। ঠাকুর বলিলেন, “কেন কাটছিস? থাক না, শালের মতো বেশ দেখাচ্ছে। হাঁগা, এর কত দাম?” তখন বিলাতী চাদরের দাম কম ছিল। ভক্তটি বলিলেন, এক টাকা ছয় আনা জোড়া। ঠাকুর বলিলেন, “বল কি গো। জোড়া! এক টাকা ছয় আনা জোড়া!”

    কিয়ৎক্ষণ পরে ঠাকুর ভক্তকে বলিতেছেন, “যাও, গঙ্গা নাওগে; এঁকে তেল দে রে।”

    স্নানান্তে তিনি ফিরিয়া আসিলে, ঠাকুর তাক হইতে একটি আম্র লইয়া তাঁহাকে দিলেন। বলিতেছেন (Kathamrita), এই আমটি একে দিই; তিনটা পাশ করা। আচ্ছা, তোমার ভাই এখন কেমন?

    ভক্ত—হাঁ, তাঁর ঔষধ ঠিক পড়েছে, এখন খাটলে হয়।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—তার একটি কর্মের যোগাড় করে দিতে পার? বেশ তো তুমি মুরুব্বি হবে।

    ভক্ত—ভাল হলে সব সুবিধা হয়ে যাবে।

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Fake Passport: জাল নথি দিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য আসল পাসপোর্ট তৈরির চক্র ফাঁস রাজ্যে! গ্রেফতার ৪

    Fake Passport: জাল নথি দিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য আসল পাসপোর্ট তৈরির চক্র ফাঁস রাজ্যে! গ্রেফতার ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভুয়ো নথি দিয়ে আসল ভারতীয় পাসপোর্ট করে দেওয়ার চক্র ফাঁস হয়েছে রাজ্যে। গত ৫ অগাস্ট থেকে উত্তাল বাংলাদেশ। হাসিনাকে দেশ থেকে বিতারিত করার পর প্রচুর জঙ্গি, দুষ্কৃতী এবং জেহাদিরা উন্মুক্ত হয়ে ঘোরাফেরা করছে। ভারত-বাংলাদেশ (Bangladesh) সীমান্তে সতর্কতা জারি করেছে ভারত প্রশাসন। কিন্তু এর মধ্যেই ভারতের জাল নথি দিয়ে আসল পাসপোর্ট (Fake Passport) তৈরির চক্র সামনে এসেছে। জানা গিয়েছে, ২ থেকে ৫ লক্ষ টাকা দিলে বাংলাদেশিরা খুব অল্প সময়ের মধ্যেই পাসপোর্ট পেয়ে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, ইউনূস পরিচালিত অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পালিয়ে যাওয়া জঙ্গিদের মধ্যে এখনও ৭৪ জনকে গ্রেফতার করা যায়নি। ফলে একটা আশঙ্কা থাকছেই ভারতের নিরাপত্তা নিয়ে।

    ৭৩ জন বাংলাদেশি নাগরিকের হাতে পৌছেছে পাসপোর্ট (Fake Passpor)

    ভারতীয় প্রাক্তন সেনা আধিকারিকদের সন্দেহ বাংলাদেশের (Bangladesh) দুষ্কৃতীরা এই দেহে ঢুকে গোপনে ভুয়ো নথি দেখিয়ে পাসপোর্ট (Fake Passport) বানিয়ে ফেলছে না তো! জানা গিয়েছে, এই রকম ভাবে পাসপোর্ট তৈরি করতে সহযোগিতা করছেন পোস্ট অফিসের স্থায়ী এবং অস্থায়ী কর্মীরা। সম্প্রতি চারজনকে সন্দেহজনক কাজের জন্য গ্রেফতার করা হয়েছে। আদালতে দাঁড়িয়ে সরকারি আইনজীবী জানিয়েছেন, “ইতিমধ্যে মোট ৭৩ জন বাংলাদেশি নাগরিকের হাতে ভারতীয় পাসপোর্ট পৌঁছে গিয়েছে।” একই ভাবে পুলিশ জানিয়েছে ওই সংখ্যা বেড়ে এখন ২৫০ পর্যন্ত হতে পারে।

    গ্রেফতার চার সন্দেহভাজন কারা?

    পাসপোর্ট (Fake Passport) জালিয়াতির জন্য পুলিশ যে চারজনকে গ্রেফতার করেছে তার মধ্যে রয়েছে বসিরহাট পোস্ট অফিসের ডেটা এন্ট্রি অপারেটার তারকনাথ সেন। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এবং ঢাকুরিয়া পোস্ট অফিসের অস্থায়ী কর্মী দীপক মণ্ডল। বারাসতের বাসিন্দা সমরেশ বিশ্বাস এবং তাঁর ছেলে রিপন। পুলিশ জানিয়েছে, দীপক নিজে ভুয়ো তথ্য দিয়ে পাসপোর্টগুলি তৈরি করত। ডাকের মাধ্যমে পোস্ট অফিসে এলে এগুলিকে সংগ্রহ করে নিজেরাই ঠিক জায়গায় (Bangladesh) পাচার করে দিত। এতেই চিন্তা বেড়েছে তদন্তকারীদের।

    আরও পড়ুনঃ “কংগ্রেস অম্বেডকরকে যে অপমান করেছে, তা ভোলার নয়”, সংসদে তোপ প্রধানমন্ত্রী মোদির

    কীভাবে বানানো হতো?

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথমে যার পাসপোর্ট (Fake Passport) বানানো হবে তার ভুয়ো পরিচয়পত্র এবং জাল শিক্ষাগত সার্টিফিকেট তৈরি করা হত। এরপর সেই সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা হত। সেই তথ্য যাচাই করার পর তৈরি হত পাসপোর্ট। ফলে সব জাল নথির ভিত্তিতে তৈরি হতো আসল ভারতীয় পাসপোর্ট। নতুন পাসপোর্টের খামের উপর কায়দা করে ভুল ঠিকানা দেওয়া হত, ফলে সেগুলি ডাকে পাঠালে ঘুরে আবার পোস্ট অফিসেই ফিরে আসত। এরপর ২-৫ লক্ষ টাকার বিনিময়ে পাসপোর্ট ডেলিভারি দেওয়া হত নির্দিষ্ট ঠিকানায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ED Raid: ২৭টি ব্যাঙ্ককে ঠকিয়ে ৬ হাজার ২০০ কোটি টাকা হাতিয়েছিলেন, ইডির হাতে গ্রেফতার সঞ্জয় সুরেকা

    ED Raid: ২৭টি ব্যাঙ্ককে ঠকিয়ে ৬ হাজার ২০০ কোটি টাকা হাতিয়েছিলেন, ইডির হাতে গ্রেফতার সঞ্জয় সুরেকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যাঙ্ক থেকে টাকা নিয়ে বিদেশে পালানোর ছক কষছিলেন তিনি। ২৭টি ব্যাঙ্ককে ঠকিয়ে ৬ হাজার ২০০ কোটি টাকা হাতিয়েছিলেন ব্যবসায়ী সঞ্জয় সুরেকা। এবার আর্থিক দুর্নীতির দায়ে তাঁকে গ্রেফতার করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার কলকাতা সহ রাজ্যের আট জায়গায় তল্লাশি চালায় ইডি (ED Raid)। তারপর তাঁকে আটক করা হয়।

    একাধিক কোম্পানির ডিরেক্টর ব্যবসায়ী (ED Raid)

    ইডি (ED Raid) সূত্রে জানা গিয়েছে, “ভারতীয় স্টেট ব্যাঙ্ক সহ ২৭টি ব্যাঙ্কে আর্থিক সংস্থাকে ঠকিয়েছেন এই ব্যবসায়ী। আনুমানিক প্রায় ৬ হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যাঙ্ক প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। এই ব্যবসায়ীর সংস্থার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করেছে সিবিআই-ও। ব্যাঙ্ক জালিয়াতি দমন শাখাতেও মামলা রয়েছে সংস্থার বিরুদ্ধে।” সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ওই ব্যাক্তি বর্তমানে একাধিক কোম্পানির ডিরেক্টর এবং অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর পদে রয়েছেন। বিপুল পরিমাণ টাকা নিয়ে ব্যাঙ্কের সঙ্গে আর্থিক প্রতারণা করছেন। তবে তদন্তকারি অফিসারদের অনুমান এই টাকা বিদেশে পাচার হওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এখন এই টাকা দিয়ে অভিযুক্ত কী করতেন, কোথায় বিনিয়োগ করেছেন ইত্যাদি বিষয় খতিয়ে দেখছে ইডির অফিসাররা।

    আরও পড়ুনঃ শিব-হনুমান মন্দিরের পর সম্ভলে উদ্ধার প্রাচীন রাধাকৃষ্ণ মন্দির, শুরু হয়েছে আরাধনা

    বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি ব্যবসায়ী

    জানা গিয়েছে, এই ব্যক্তি হলেন কনকাস্ট স্টিলের মালিক। ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলায় দক্ষিণ কলকাতার বালিগঞ্জ, নিউ আলিপুর থেকে শহরতলির দমদম ক্যান্টনমেন্ট, বৈদ্যবাটি, বেলুড়, ঘুসুড়িতে ম্যারাথন তল্লাশি চালালেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। তাঁর বাড়িতেও তল্লাশি চালায় তদন্তকারি অফিসাররা। ইডি (ED Raid) দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশি চালিয়ে বেশ কয়েক কোটির সোনা উদ্ধার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারি সংস্থা। এই বিপুল পরিমাণ সোনার কোনও রকম বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি ব্যবসায়ী। তিনি একই ভাবে আরও বেশ কিছু সংস্থার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে একাধিক নথি এবং জমির কাগজ তদন্তকারীরা উদ্ধার করেছে। এখন সব কিছুকে ভালো করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sambhal: শিব-হনুমান মন্দিরের পর সম্ভলে উদ্ধার প্রাচীন রাধাকৃষ্ণ মন্দির, শুরু হয়েছে আরাধনা

    Sambhal: শিব-হনুমান মন্দিরের পর সম্ভলে উদ্ধার প্রাচীন রাধাকৃষ্ণ মন্দির, শুরু হয়েছে আরাধনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের সম্ভলে (Sambhal) শিব-হনুমান মন্দিরের পরে আরও একটি প্রাচীন মন্দির উদ্ধার হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই রাধাকৃষ্ণ মন্দিরও (Radha Krishna temple) মুসলিম অধ্যুষিত এলাকা হায়াতনগরে অবস্থিত। এই উদ্ধারকৃত মন্দিরে হিন্দু সংগঠনের উদ্যোগে পুনরায় পুজো-পার্বন শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য এই রাজ্যে একের পর পর মন্দির আবিষ্কারের ঘটনা ঘটেই চলেছে।

    হিন্দু পরিবার মণ্ডলের মধ্যে আবদ্ধ ছিল মন্দির (Sambhal)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্ভলে (Sambhal) রাধাকৃষ্ণ মন্দিরটি (Radha Krishna temple)  হিন্দু পরিবার মণ্ডলের মধ্যেই আবদ্ধ ছিল। কিন্তু কোনও কারণে হিন্দুরা উচ্ছেদ হলে অথবা জায়গা দখল করলে মন্দির পরিত্যক্ত হয়। এরপর বর্তমানে এলাকার মানুষের কথায় মন্দিরকে পুনরায় খুলে দেওয়া হয়। প্রশাসন এই কাজে সকল ভক্তদের সঙ্গে সহযোগিতা করেছে। তবে সম্ভলে গত কয়েক দশক ধরে হিন্দুদের মন্দির, বাড়ি-ঘর, দোকান, এলাকাগুলিকে দখল করেছে বহিরাগতরা। কিন্তু সম্প্রতি অবৈধ বিদ্যুৎ চুরির ঘটনা ব্যাপক আকার নিলে এলাকায় প্রশাসনের আধিকারিকরা অভিযান চালিয়ে জবর দখল উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে। তাতেই উদ্ধার হয় একে একে সব মন্দির। তবে সম্পূর্ণ এলাকা মুসলিম অধ্যুষিত, তাই অভিযোগের তির যে তাঁদের দিকেই একথা রাজনীতির অনেক মানুষ মনে করছেন।

    একের পর এক মন্দির উদ্ধার উত্তরপ্রদেশে

    উত্তরপ্রদেশে (Sambhal) ১৯৭৮ সালের পর মাটির নিচ থেকে উদ্ধার হয়েছে শিব-হনুমানের মন্দির। এই মন্দিরকে খুলে দিয়ে পুজো শুরু হয়েছে সম্প্রতি। আবার প্রায় চার দশক ধরে ২৫০ বছরের পুরাতন বারাণসীর একটি শিব মন্দিরে বন্ধ হয়ে পড়ে ছিল। মদনপুরা এলাকায় এই মন্দিরের অবস্থান। সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর মন্দিরের দরজা খোলার জন্য বেশকিছু মানুষ জড়ো হন এবং তাঁদের একটাই দাবি ছিল সনাতনীদের ধর্মীয় স্থানকে উদ্ধার করতে হবে। এরপর পুলিশ কাজে সহযোগিতা করে। মঙ্গলবার ফের হায়াতনগরের তারিন এলাকায় একটি পরিত্যক্ত রাধাকৃষ্ণ মন্দির (Radha Krishna temple) উদ্ধার হয়েছে। এবার মন্দির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে পুজোর কাজ শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ মণিপুরে বিদ্রোহীদের ডেরায় মিলল স্টারলিঙ্ক ডিশ-রাউটার! কী বললেন ইলন মাস্ক?

    আবার সম্ভলের বিতর্কিত মসজিদ কাঠামো আদতে হিন্দু হরিহর দেবতার মন্দির হিসেবে হিন্দু পক্ষ দাবি তুলেছে। ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ সমীক্ষা করতে গেলে কট্টরপন্থী মৌলবাদীরা ব্যাপক হামলা চালায় সরকারি কাজের উপর। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kalighater Kaku: ভোর রাতে জেল থেকে হাসপাতাল হয়ে নিজাম প্যালেসে ‘কালীঘাটের কাকু’, এবার চলবে জেরা

    Kalighater Kaku: ভোর রাতে জেল থেকে হাসপাতাল হয়ে নিজাম প্যালেসে ‘কালীঘাটের কাকু’, এবার চলবে জেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে নিজাম প্যালেসে নিয়ে যাওয়া হল কালীঘাটের কাকুকে। এবার জেরার জন্য প্রস্তুত সিবিআই (CBI)। শিক্ষক নিয়োগ মামলায় অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত হেলন এই সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র (Kalighater Kaku)। তবে যেহেতু তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছিল, তাই চিকিৎসকদের যাবতীয় পরামর্শ মেনেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।

    ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতে থাকবেন সুজয় (Kalighater Kaku)

    জানা গিয়েছে, বুধবার ভোর রাতে নিয়মমতো খাবার এবং ওষুধ খেয়ে চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে গায়ে কালো রঙের সাল চাপিয়ে হুইল চেয়ারে বসে নিজাম প্যালেসে ঢুকেছেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র (Kalighater Kaku)। এদিন সকালে ফের একবার তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয় নিয়ম মেনে। অপর দিকে কালীঘাটের কাকুকে জেরা করার জন্য নথিপত্র নিয়ে পৌঁছে গিয়েছে সিবিআইয়ের অফিসাররা। আগামী ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সিবিআই (CBI) হেফাজতে থাকবেন সুজয়। যেহেতু হাতে সময় কম, তাই তড়িঘড়ি করে তদন্তে নেমে পড়েছে তদন্তকারী দল। শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত নানা প্রশ্ন এবং তথ্য জানার ছিল। এখনও অনেক প্রশ্ন বাকি রয়ে গিয়েছে। এবার সিবিআই সেই প্রশ্ন জিজ্ঞাসাবাদ করবে বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ বিল গেল যৌথ কমিটিতে, ৯০ দিনে সিদ্ধান্ত নেবেন ৩১ সাংসদ

    সিবিআই কী কী জিজ্ঞাসাবাদ করবে?

    সিবিআই (CBI) অফিসাররা যা জানতে চাইতে পারেন, তা হল, প্রাথমিক মামলায় যে কোটি কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে, কোন কোন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ওই টাকা পৌঁছেছে? মোট কতজন এজেন্ট টাকা তুলেছেন? তাঁদের কারা নিয়োগ করেছেন। কোন কোন জায়গা থেকে টাকা তোলা হয়েছে? তবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গজুড়ে অযোগ্যদের কাছ থেকে টাকা তুলেছেন এজেন্টরা। আর সেই টাকা পৌঁছে দেওয়া হতো কালীঘাটের কাকুর (Kalighater Kaku) কাছেই। তবে এখনও জানা যায়নি কালীঘাটের কাকুর কাছে যে টাকা আসত তা তিনি কোথায় দিতেন।

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় একাধিক অজানা প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেতে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। তাই মঙ্গলবার প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগার থেকেই গ্রেফতার করা হয় কালীঘাটের কাকুকে। এরপর এই জেল থেকেই ভার্চুয়াল ভাবে আদলাতে পেশ করা হয়। বুধবার ভোর সাড়ে তিনটে নাগাদ তাঁকে জোকা ইএসআই হাসপাতাল থেকে নিজাম প্যালেসে নিয়ে আসা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Manipur: মণিপুরে বিদ্রোহীদের ডেরায় মিলল স্টারলিঙ্ক ডিশ-রাউটার! কী বললেন ইলন মাস্ক?

    Manipur: মণিপুরে বিদ্রোহীদের ডেরায় মিলল স্টারলিঙ্ক ডিশ-রাউটার! কী বললেন ইলন মাস্ক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরের (Manipur) ইম্ফল পূর্ব জেলায় একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর কাছ থেকে উদ্ধার হল স্টারলিঙ্ক সদৃশ ডিশ ও রাউটার। এ ছাড়াও স্নাইপার রাইফেল, পিস্তল, গ্রেনেড এবং অন্যান্য অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে। মণিপুরে চলছে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট। তার মধ্যেও বিদ্রোহীদের ইন্টারনেট ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহের সম্ভাবনায় বাড়ছে উদ্বেগ।

    স্টারলিঙ্ক ডিভাইস নিয়ে সংশয় (Manipur)

    সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, স্টারলিঙ্ক জাতীয় ডিভাইস উদ্ধারের পর সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি তদন্ত শুরু করেছে যে কীভাবে এই ডিভাইসটি উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে পৌঁছল। জানা গিয়েছে, ১৩ ডিসেম্বর ইম্ফল পূর্বে তল্লাশি অভিযান চালানো সময় এই সব জিনিস উদ্ধার হয়। যেহেতু স্টারলিঙ্ক ভারতে পরিচালনার জন্য লাইসেন্স পায়নি। তাই এটি আসল স্টারলিঙ্ক ডিভাইস কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

    কী বললেন ইলন মাস্ক?

    স্টারলিঙ্ক হল ইলন মাস্কের মহাকাশ সংস্থা স্পেসএক্স-এর মালিকানাধীন। এটি পৃথিবীর প্রথম এবং বৃহত্তম স্যাটেলাইট কনস্টেলেশন। লো আর্থ অরবিটের মাধ্যমে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সরবরাহ করে এটি। তবে, এর পরিষেবা মেলে কেবল সেই দেশগুলোতেই, যেখানে পরিচালনার জন্য লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। স্টারলিঙ্ক ডিভাইস বলে যে ডিশটি দাবি করা হয়েছে এবং রাউটার সংক্রান্ত যে অভিযোগ উঠেছে, তা সত্য নয় বলে দাবি করেছেন খোদ ইলন মাস্ক। টুইট-বার্তায় টেসলা-কর্তা বলেন, “এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। ভারতে স্টারলিঙ্ক স্যাটেলাইট বিম বন্ধ রয়েছে।”

    ডিমাপুরে সদর দফতর সেনাবাহিনীর স্পিয়ার কোর-এর। এক্স হ্যান্ডেলে তারা তল্লাশি অভিযানে উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর ছবি পোস্ট করেছে। এই ছবিতে স্টারলিঙ্ক লোগোর ইন্টারনেট ডিভাইসও রয়েছে। এতে আরপিএফ-পিএলএর নাম লেখাও দেখা গিয়েছে। যৌথভাবে এই তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং অসম রাইফেলস। মণিপুর পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান চালানো হয়েছে চূড়াচাঁদপুর, চান্দেল, ইম্ফল পূর্ব এবং কাংপোকপিতে।

    আরও পড়ুন: ১২ বছর ধরে ১.২৫ লক্ষ রুদ্রাক্ষ ধারণ করে তপস্যা! সনাতন ধর্মের স্বার্থে সাধনা গীতানন্দ গিরির

    প্রসঙ্গত, রেভল্যুশনারি পিপলস ফ্রন্ট (আরপিএফ) হল মেইতেই বিদ্রোহী গোষ্ঠী পিপলস লিবারেশন আর্মির (Manipur) রাজনৈতিক শাখা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক যে আটটি মেইতেই বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে, এটি তার একটি। স্পিয়ার কোর আরও জানিয়েছে, তল্লাশি অভিযানে যে ২৯টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে স্নাইপার, স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র, রাইফেল, পিস্তল, দেশীয় মর্টার, একনলা বন্দুক, গ্রেনেড, গোলাবারুদ এবং যুদ্ধের সরঞ্জাম (Manipur)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • One Nation One Election: ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ বিল গেল যৌথ কমিটিতে, ৯০ দিনে সিদ্ধান্ত নেবেন ৩১ সাংসদ

    One Nation One Election: ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ বিল গেল যৌথ কমিটিতে, ৯০ দিনে সিদ্ধান্ত নেবেন ৩১ সাংসদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলেই লোকসভায় (Lok Sabha) পেশ হয়েছে ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ (One Nation One Election) বিল। বিলের ওপর হয় ভোটাভুটি। সরকারপক্ষের ঝুলিতে পড়েছে ২৬৮টি ভোট। বিরোধীরা পেয়েছেন ঢের কম ভোট। তবে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ বেশি ভোট পেলেও, এদিন সভায় পাশ করানো যায়নি বিলটি। তাই বিল দুটি (১২৯তম সংবিধান সংশোধনী বিল ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আইন সংশোধনী) কবে আইনে পরিণত হবে, কবে থেকেই বা কার্যকর হবে, তা নিয়ে ধন্দ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আলোচনার জন্য সংশোধনী বিলটি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে যৌথ সংসদীয় কমিটিতে।

    যৌথ সংসদীয় কমিটি (One Nation One Election)

    এই যৌথ কমিটিতে থাকতে পারেন সর্বাধিক ৩১ জন সদস্য। এর মধ্যে ২১ জনই লোকসভার সদস্য। থাকবেন রাজ্যসভার সদস্যরাও। যৌথ কমিটিতে কোন দলের কতজন সদস্য থাকবেন, তা নির্ভর করে ওই দলের মোট সাংসদ সংখ্যার ওপর। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। শুক্রবারই শেষ হয়ে যাচ্ছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। রাজনৈতিক দলগুলিকে তাদের সদস্যদের নাম প্রস্তাব করতে বলা হয়েছে। তবে যেহেতু লোকসভায় বিজেপিই একক বৃহত্তম দল, তাই কমিটিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকবে পদ্ম শিবিরেরই। কমিটির সভাপতি পদেও বসবেন বিজেপির কোনও এক সাংসদ।

    কমিটির মেয়াদ

    সংসদীয় যৌথ কমিটির মেয়াদ থাকতে পারে ৯০ দিন। প্রয়োজনে তা বাড়ানোও যেতে পারে। এই কমিটির কাজ হল, বিল দুটিতে কোথাও কোনও সংশোধন, সংযোজন, বিয়োজনের প্রয়োজন রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা। কমিটি থেকে বেরিয়ে বিল দুটি পাঠানো হবে লোকসভায়। সেখানে পাশ হওয়ার পর (One Nation One Election) ফের যাবে রাজ্যসভায়। সংসদের উভয় কক্ষে পাশ হওয়ার পর বিল দুটি পাঠানো হবে রাষ্ট্রপতির কাছে। সংবিধান সংশোধনী সংক্রান্ত এই বিল পাশ করাতে সংসদের উভয় কক্ষেই দুই তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতার প্রয়োজন বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের।

    আরও পড়ুন: রবীন্দ্র ঘোষকে সংবর্ধনা বিজেপির, “এক পাও পিছু হঠব না”, বললেন চিন্ময়কৃষ্ণের আইনজীবী

    সূত্রের খবর, বিলটি নিয়ে তাড়াহুড়ো করতে চাইছে না মোদি সরকার। তাই কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি, সাংসদ, দেশের আইনি ও সাংবিধানিক বিশেষজ্ঞদের পরামর্শও নেওয়া হতে পারে। আলোচনা করা হতে পারে নির্বাচন কমিশনের প্রাক্তন সদস্যদের সঙ্গেও। মতামত নেওয়া হতে পারে বিধানসভার স্পিকারদেরও। শোনা হবে সাধারণ মানুষের কথাও। সব দিক থেকে সমর্থন মিললে, ২০৩৪ সালে এক সঙ্গে হবে লোকসভা (Lok Sabha) ও বিধানসভার ভোট (One Nation One Election)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

       

  • BJP: রবীন্দ্র ঘোষকে সংবর্ধনা বিজেপির, “এক পাও পিছু হঠব না”, বললেন চিন্ময়কৃষ্ণের আইনজীবী

    BJP: রবীন্দ্র ঘোষকে সংবর্ধনা বিজেপির, “এক পাও পিছু হঠব না”, বললেন চিন্ময়কৃষ্ণের আইনজীবী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে ধৃত হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের (Chinmoy Das) আইনজীবী রবীন্দ্র ঘোষকে সংবর্ধনা দিল বঙ্গ বিজেপি (BJP)। রবীন্দ্র ঘোষের নিরাপত্তার দাবিও জানিয়েছেন বিজেপি নেতারা। রবীন্দ্র জানান, তিনি বাংলাদেশে ফিরে গিয়ে ফের চিন্ময়কৃষ্ণের হয়ে সওয়াল করতে আদালতে যাবেন। চিকিৎসার প্রয়োজনে বারাকপুরে এসেছেন রবীন্দ্র। সেখান থেকেই অশীতিপর আইনজীবীর ঘোষণা, বাংলাদেশে তাঁর প্রাণ সংশয় থাকলেও শেষ পর্যন্ত লড়ে যাবেন। এক পাও পিছু হঠবেন না।

    রবীন্দ্রকে সংবর্ধনা বিজেপির (BJP)

    মঙ্গলবার সেখানে তাঁকে সংবর্ধনা জানান বিজেপি নেতারা। এঁদের মধ্যে ছিলেন অর্জুন সিং, কৌস্তুভ বাগচিরা। ছিলেন কার্তিক মহারাজও। বাংলাদেশের ওই আইনজীবীকে সংবর্ধনা জানিয়েছেন বারাকপুর আদালতের আইনজীবীরাও। রবীন্দ্র বলেন, “চিকিৎসার জন্য পশ্চিমবঙ্গে এসেছি। কিন্তু বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম বলছে, ষড়যন্ত্র করতে এই দেশে এসেছি! এটা ঠিক নয়। আমি রাজনীতি করি না। আমি একজন মানবাধিকার কর্মীও।”

    কী বললেন রবীন্দ্র

    তিনি বলেন, “চিন্ময়কৃষ্ণকে ২ জানুয়ারি আদালতে তোলা হলে ওঁর হয়ে সওয়াল করতে অবশ্যই যাব। আমার মৃত্যু হলে, বাংলাদেশেই হবে। মানবাধিকার, দেশের সংখ্যালঘুদের রক্ষা করতে লড়ব।” বাংলাদেশের ওই আইনজীবী যতদিন বারাকপুরে থাকবেন, ততদিন রাজ্য সরকার যাতে তাঁকে নিরাপত্তা দেয়, সেই আর্জিও জানান বিজেপি নেতা অর্জুন সিং। রাজ্য সরকার তা না দিলে কেন্দ্র ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দ্বারস্থ হবেন বলেও জানান তিনি (BJP)।

    বারাকপুরে ছেলের বাড়ি রবীন্দ্রর। সেখানে বসেই অশীতিপর আইনজীবী বলেন, “আমি জানি, আমাদের প্রাণ সংশয় রয়েছে। কিন্তু আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। শেষ পর্যন্ত লড়ে যাব। এক পাও পিছু হঠব না।” তিনি বলেন, “আমার প্রথম চিন্তা, চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে মুক্ত করতে হবে। চট্টগ্রাম আদালতে মুক্তি না পেলে হাইকোর্টে যাব। সেখানে না হলে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টে যাব।”

    আরও পড়ুন: “আমরা ইজরায়েলে ছেলে পাঠাচ্ছি আর কংগ্রেস ব্যাগ নিয়ে ঘুরছে”, তোপ যোগীর

    চিন্ময়কৃষ্ণের শারীরিক অবস্থা প্রসঙ্গে রবীন্দ্র বলেন, “আমি চট্টগ্রামের জেলে গিয়ে দেখা করেছিলাম। তিনি মানসিকভাবে কিছুটা বিধ্বস্ত হলেও, শারীরিকভাবে সুস্থ রয়েছেন। জেলে রান্না করে খেতে হয়। কষ্ট করে থাকতে হয়।” প্রবীণ এই আইনজীবী বলেন, “চিন্ময়কৃষ্ণের সঙ্গে জেলে আরও দুই সন্ন্যাসী রয়েছেন। তাঁদের দুটি মশারি দেওয়া হয়েছিল। সেগুলোও চুরি হয়ে গিয়েছে।” রবীন্দ্রকে সংবর্ধনা দেওয়ার পর অর্জুন বলেন, “বাংলাদেশে হিন্দু-সহ সংখ্যালঘুরা আক্রান্ত হচ্ছেন। তাঁদের বাঁচাতে হবে। তার জন্য যা করা দরকার, ভারতকে তা করতে হবে।” তিনি বলেন, “পাকিস্তানকে ঠান্ডা করে দিয়েছেন মোদিজি। তাই সবাই (Chinmoy Das) তাঁর দিকে তাকিয়ে রয়েছেন (BJP)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Yogi Adityanath: “আমরা ইজরায়েলে ছেলে পাঠাচ্ছি আর কংগ্রেস ব্যাগ নিয়ে ঘুরছে”, তোপ যোগীর

    Yogi Adityanath: “আমরা ইজরায়েলে ছেলে পাঠাচ্ছি আর কংগ্রেস ব্যাগ নিয়ে ঘুরছে”, তোপ যোগীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা ইজরায়েলে ছেলে পাঠাচ্ছি আর কংগ্রেস ব্যাগ নিয়ে ঘুরছে।” ঠিক এই ভাষায়ই কংগ্রেস নেত্রী তথা ওয়েনাড়ের সাংসদ প্রিয়ঙ্কা গান্ধীকে (Priyanka Gandhi) ধুয়ে দিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। দিন কয়েক আগেই প্যালেস্তাইনের গাজায় গণহত্যা নিয়ে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছিলেন প্রিয়ঙ্কা। সেই সময় তাঁকে নিশানা করেছিল বিজেপিও। সোমবার কাঁধে প্যালেস্তাইন লেখা ব্যাগ ঝুলিয়ে সংসদে যান প্রিয়ঙ্কা। তারই প্রেক্ষিতে সোনিয়া-তনয়াকে ধুয়ে দিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী।

    কী বললেন যোগী?

    এদিন বিধানসভায় দাঁড়িয়ে আদিত্যনাথ বলেন, “আমরা সাড়ে পাঁচ হাজারের ওপর যুবককে ইজরায়েলে পাঠিয়েছি। অথচ একজন কংগ্রেস নেত্রী প্যালেস্তাইন লেখা ব্যাগ নিয়ে পার্লামেন্টে ঘুরছেন। উত্তরপ্রদেশ থেকে ছেলেরা গিয়ে সেখানে নির্মাণকর্মী হিসেবে কাজ করছেন। তাঁরা মাসে অন্তত দেড় লাখ টাকা বেতন পান। শুধু তাই নয়, বিনামূল্যে তাঁদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। ইজরায়েল সরকার তাঁদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করেছে।” এর আগে এই ব্যাগ নিয়ে প্রিয়ঙ্কাকে বিঁধেছিলেন সাংসদ বিজেপির গুলাম আলি খাতনা। তিনি বলেছিলেন, “খবরে আসার জন্য অনেকে এমন কাজ করেন। সাধারণ মানুষ প্রত্যাখ্যান করলে মানুষ এরকমই পথ অনুসরণ করে থাকেন।”

    আরও পড়ুন: বিতর্কিত হিজাব আইন প্রয়োগ এখনই নয়, জানাল ইরান সরকার

    ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ

    ইজরায়েলে বিভিন্ন নির্মাণ সংস্থায় কাজ করতেন প্যালেস্তাইনের কয়েক হাজার নির্মাণ শ্রমিক। ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ শুরুর পর বদলে গিয়েছে পুরো পরিস্থিতি (Yogi Adityanath)। গাজায় হামাসের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তাদের মধ্যে অধিকাংশকেই কাজ থেকে ছাঁটাই করে ফেলেছে ইজরায়েল। সেই ‘শূন্যস্থান’ই পূরণ করছে ভারত। গত বছরের নভেম্বরে এক লাখ ভারতীয় শ্রমিক নিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল ইজরায়েল। এ বছরের এপ্রিল ও মে মাসে ইহুদি দেশটিতে কাজ করতে গিয়েছেন ছ’ হাজারের ওপর ভারতীয়। এখনও বহু যুবক কাজ করতে এদেশ থেকে ইজরায়েলে যাচ্ছেন। এঁদের একটা বড় অংশই উত্তরপ্রদেশের। এদিন প্রিয়ঙ্কাকে নিশানা করতে গিয়ে সেই প্রসঙ্গই টেনে আনলেন (Priyanka Gandhi) যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 223: “ও-দেশে ছেলেবেলায় আমায় পুরুষ মেয়ে সকলে ভালবাসত, আমার গান শুনত”

    Ramakrishna 223: “ও-দেশে ছেলেবেলায় আমায় পুরুষ মেয়ে সকলে ভালবাসত, আমার গান শুনত”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়িমধ্যে

    অষ্টম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ১০ই জুন

     দক্ষিণেশ্বরে মণিরামপুর ও বেলঘরের ভক্তসঙ্গে

     শ্রীরামকৃষ্ণ-কথিত নিজ চরিত 

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে নিজের ঘরে কখনও দাঁড়াইয়া, কখনও বসিয়া ভক্তসঙ্গে কথা কহিতেছেন। আজ রবিবার, ১০ই জুন, ১৮৮৩ খ্রীষ্টাব্দ, জ্যৈষ্ঠ, শুক্লা পঞ্চমী, বেলা ১০টা হইবে। রাখাল, মাস্টার, লাটু, কিশোরী, রামলাল, হাজরা প্রভৃতি অনেকেই আছেন।

    ঠাকুর (Ramakrishna) নিজের চরিত্র, পূর্বকাহিনী বর্ণনা করিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ভক্তদের প্রতি)—ও-দেশে ছেলেবেলায় আমায় পুরুষ মেয়ে সকলে ভালবাসত। আমার গান শুনত। আবার লোকদের নকল করতে পারতুম, সেই সব দেখত ও শুনত। তাদের বাড়ির বউরা আমার জন্য খাবার জিনিস রেখে দিত। কিন্তু কেউ অবিশ্বাস করত না। সকলে দেখত যেন বাড়ির ছেলে।

    “কিন্তু সুখের পায়রা ছিলুম। বেশ ভাল সংসার দেখলে আনাগোনা করতুম (Kathamrita)। যে-বাড়িতে দুঃখ বিপদ দেখতুম সেখান থেকে পালাতুম।

    “ছোকরাদের ভিতর দু-একজন ভাল লোক দেখলে খুব ভাব করতুম। কারুর সঙ্গে সেঙাত পাতাতুম। কিন্তু এখন তারা ঘোর বিষয়ী। এখন তারা কেউ কেউ এখানে আসে, এসে বলে, ও মা! পাঠশালেও যেমন দেখেছি এখানেও ঠিক তাই দেখছি।

    “পাঠশালে শুভঙ্করী আঁক ধাঁধা লাগত! কিন্তু চিত্র বেশ আঁকতে পারতুম; আর ছোট ছোট ঠাকুর বেশ গড়তে পারতুম।”

    Fond of charitable houses; and of Ramayana and Mahabharata

    “সদাব্রত, অতিথিশালা—যেখানে দেখতুম সেখানে যেতুম, গিয়ে অনেকক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখতুম।

    “কোনখানে রামায়ণ কি ভাগবত পাঠ হচ্ছে, তা বসে বসে শুনতুম, তবে যদি ঢঙ করে পড়ত, তাহলে তার নকল করতুম, আর অন্য লোকেদের শুনাতুম।

    “মেয়েদের ঢঙ বেশ বুঝতে পারতুম। তাদের কথা, সুর নকল করতুম। কড়েঁরাড়ী বাপকে উত্তর দিচ্ছে ‘যা-ই’। বারান্দায় মাগীরা ডাকছে, ‘ও তপ্‌সে-মাছোলা!’ নষ্ট মেয়ে বুঝতে পারতুম। বিধবা সোজা সিঁথে কেটেছে, আর খুব অনুরাগের সহিত গায়ে তেল মাখছে! লজ্জা কম, বসবার রকমই আলাদা।

    “থাক বিষয়ীদের কথা।”

    রামলালকে গান গাহিতে বলিতেছেন। শ্রীযুক্ত রামলাল গান গাহিতেছেন:

    (১)।       কে রণে নাচিছে বামা নীরদবরণী,
    শোণিত সায়রে যেন ভাসিছে নবনলিনী।

    এইবার রামলাল রাবণবধের পর মন্দোদরীর বিলাপ গান গাহিতেছেন (Kathamrita):

             (২)।        কি করলে হে কান্ত! অবলারি প্রাণ কান্ত,
    হয় না শান্ত এ প্রাণান্ত বিনে।

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share