Tag: news in bengali

news in bengali

  • WTC Final 2023: বলের পর ব্যাট! রোহিতদের ব্যর্থতায় খেলার রাশ অস্ট্রেলিয়ার হাতে

    WTC Final 2023: বলের পর ব্যাট! রোহিতদের ব্যর্থতায় খেলার রাশ অস্ট্রেলিয়ার হাতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে (WTC Final 2023) প্রথম দিনের পর দ্বিতীয় দিনেও দাপট অস্ট্রেলিয়ার। প্রথমে ব্যাট হাতে আধিপত্য বজায় রেখেছিলেন হেড-স্মিথ জুটি। পরে বল হাতে ভারতীয় টপ অর্ডারকে সাজঘরে ফেরালেন অস্ট্রেলিয়ার পেসাররা। অজিদের ৪৬৯ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় দিনের শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫১ রান তুলেছে ভারত। এখনও পিছিয়ে ৩১৮ রানে। অসম্ভব কিছু না ঘটলে এবারও আইসিসি ট্রফি হাতছাড়া হতে চলেছে ভারতের। শেষ ২০১৩ সালে কোনও আইসিসি খেতাব জিতেছিল টিম ইন্ডিয়া।

    ব্যাটিংয়ে ভরাডুবি

    ব্যাটিংয়ে (WTC Final 2023) ভারতের শুরুটাই ভালো হয়নি। প্রথম থেকেই অস্বস্তিতে ছিলেন রোহিত শর্মা ও শুভমন গিল। কামিংসের ভিতরের দিকে ঢুকে আসা বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন রোহিত। আইপিএলে সফল শুভমন বল বুঝতেই পারলেন না। স্কট বোলান্ডের বলের লাইন বুঝতে না পেরে বলটি ছেড়ে দিয়েছিলেন। ভেবেছিলেন বাইরে যাবে। কিন্তু ভিতরে ঢুকে আসে বল। তাতেই বোল্ড হন শুভমন। ৩০ রানে দুই ওপেনারকে হারাতেই চাপে পড়ে যায় ভারত। চেতেশ্বর পূজারা-বিরাট কোহলি জুটির ওপর বাড়তি ভরসা ছিল। জাজমেন্ট দিয়ে অবাক আউট হলেন পূজারার মতো ব্যাটার। বর্তমান প্রজন্মের অন্যতম সেরা ব্যাটার বিরাট কোহলি অস্বস্তিতে পড়লেন মিচেল স্টার্কের বাড়তি বাউন্সে। কট বিহাইন্ড হয়ে ফেরেন বিরাট।  ১৪ রান করে আউট কোহলি। মাত্র ৭১ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধরাশায়ী ভারত।

    ধরে খেললেই সফলতা

    ওভালের উইকেটে কী ভাবে ব্যাট করা উচিত তা ভারতের টপ অর্ডারকে শেখালেন রাহানে ও জাদেজা। তাড়াহুড়ো না করলে এই উইকেটে যে রান করা যায় তা দেখালেন তাঁরা। অর্ধশতরানের দিকে এগোচ্ছিলেন জাদেজা। কিন্তু ৪৮ রানের মাথায় নেথান লায়নের বলে খোঁচা মেরে আউট হলেন তিনি। সবুজ উইকেটে বাঁ হাতি ব্যাটারের সামনে অফ স্পিনার কতটা কার্যকরী হতে পারে সেটা দেখালেন লায়ন। রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে না খেলানোর সিদ্ধান্ত যে ভুল তা আবারও প্রমাণিত হল।

    আরও পড়ুন: ওভালে দাপট হেড-স্মিথের, প্রথম দিনে চালকের আসনে অস্ট্রেলিয়া

    রাহানে-জাদেজা জুটি

    প্রথম দিনেই ম্যাচে (WTC Final 2023) পার্থক্য গড়ে দিয়েছিলেন ট্রেভিস হেড ও স্টিভ স্মিথ। দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই শতরানে পৌঁছোন স্টিভ স্মিথও।  দ্বিতীয় দিন নিজের প্রথম দুই বলে দু’টি চার মেরে টেস্টে ৩১তম শতরান করেন তিনি। দ্বিতীয় দিনে ভারতীয় বোলারদের লাইন-লেংথ তুলনামূলক ভাবে ভাল হয়। তার ফলে মাঝেমাধ্যে সমস্যায় পড়ছিলেন শতরান করে খেলা দুই ব্যাটার। তার মাঝেই ১৫০ রান পূর্ণ করেন হেড। তবে মহম্মদ শামি, মহম্মদ সিরাজরা ক্রমাগত বাউন্সার দিচ্ছিলেন হেডকে। তার ফলে একটু সমস্যা হচ্ছিল তাঁর। ১৬৩ রানের মাথায় শার্দূল ঠাকুরের বল ফাইন লেগে মারতে গিয়ে উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন হেড। হেডের আউটে জুটি ভাঙে। অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে ২৮৫ রান যোগ করেছে হেড-স্মিথ জুটি। জবাবে ভারতীয় দল পার্টনারশিপই গড়তে পারল না। মন্দের ভালো অজিঙ্ক রাহানে-রবীন্দ্র জাদেজা জুটি। ৭১ রান যোগ করে এই জুটি। দ্বিতীয় দিনের শেষে শ্রীকার ভরতের সঙ্গে ক্রিজে রয়েছেন রাহানে (২৯)। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rujira Banerjee: প্রশ্নপত্র নিয়ে তৈরি ইডি! সিজিও পৌঁছলেন রুজিরা, উত্তর মিলবে কি?

    Rujira Banerjee: প্রশ্নপত্র নিয়ে তৈরি ইডি! সিজিও পৌঁছলেন রুজিরা, উত্তর মিলবে কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাজিরার সময় ছিল সকাল ১১টা। তবে, দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি-র দফতরে পৌঁছলেন রুজিরা নারুলা বন্দ্যোপাধ্যায় (Rujira Banerjee)। কয়লা পাচার মামলায় আজ অভিষেক-পত্নীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এদিন দুপুর ১২টা নাগাদ হরিশ মুখার্জি রোডের বাড়ি থেকে বের হয় রুজিরার গাড়ি। তিনি বাড়ি থেকে বেরনোর আগে তাঁর বাড়িতে আসতে দেখা যায় দুই আইনজীবীকে। আইনজীবী সঞ্জয় বসুর সঙ্গে ছিলেন এক সহকারী। এর প্রায় আধ ঘণ্টা পর, রুজিরা পৌঁছন সিজিও-তে। 

    প্রশ্নমালা নিয়ে প্রস্তুত ইডি

    ইডি সূত্রে খবর, রুজিরার (Rujira Banerjee) জন্য আগে থেকেই তৈরি করে রাখা হয়েছে তিন-পাতার প্রশ্নমালা। অভিষেক-জায়াকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে আগেই দিল্লি থেকে কলকাতায় চলে এসেছেন তিন সদস্যের তদন্তকারী দল। দলে রয়েছেন ইডির ডেপুটি ডিরেক্টর পঙ্কজ কুমার ও দু’জন অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর পদমর্যাদার আধিকারিক। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ২০মিনিট নাগাদ তাঁরা কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছন। সেখান থেকে সোজা চলে যান সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে।

    আরও পড়ুন: কয়লা পাচার মামলায় মলয় ঘটককে দিল্লিতে হাজিরার নির্দেশ ইডি-র

    সিজিও-তে নিরাপত্তার কড়াকড়ি

    এদিকে, রুজিরার হাজিরাকে (Rujira Banerjee) ঘিরে এখন আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে সিজিও কমপ্লেক্স। যে কোনও প্রকার অনভিপ্রেত ঘটনা এড়াতে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে সেখানে। মোতায়েন করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীও। ইডির দফতরে প্রবেশ নিয়েও কড়াকড়ি করছে পুলিশ। ইডির দফতরের বাইরে বিধাননগর থানার পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। ব্যারিকেড দিয়েও ঘিরে রাখা হয়েছে।

    বিমানবন্দরে আটকে দেওয়ার পরই তলবের চিঠি

    প্রসঙ্গত, গত সোমবার, অর্থাৎ ৫ জুন, দুবাই যাওয়ার পথে কলকাতা বিমানবন্দরে আটকানো হয় রুজিরাকে (Rujira Banerjee)। অভিবাসন দফতরের আধিকারিকরা তাঁকে জানান, ইডি-র মামলায় লুক আউট সার্কুলার জারি থাকায় বিদেশ যেতে পারবেন না রুজিরা। এরপর বিমানবন্দরেই অভিষেক-পত্নীকে হাজিরার নোটিস ধরায় ইডি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rujira Banerjee: কয়লা পাচার মামলায় আজ ইডি দফতরে রুজিরার হাজিরা! যাচ্ছেন কি?

    Rujira Banerjee: কয়লা পাচার মামলায় আজ ইডি দফতরে রুজিরার হাজিরা! যাচ্ছেন কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার মামলায় আজ, বৃহস্পতিবার ইডি দফতরে তলব করা হয়েছে রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Rujira Banerjee)। কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে সকাল ১১টায় হাজিরা দেওয়ার কথা অভিষেক-পত্নীর।

    বিমানবন্দরে আটকে দেওয়ার পরই তলবের চিঠি

    সোমবার, বিদেশ যাওয়ার পথে কলকাতা বিমানবন্দরে আটকানো হয়েছিল রুজিরাকে (Rujira Banerjee)। অভিবাসন দফতরের আধিকারিকরা তাঁকে জানান, ইডি-র মামলায় লুক আউট সার্কুলার জারি থাকায় বিদেশ যেতে পারবেন না রুজিরা। এরপর বিমানবন্দরেই অভিষেক-পত্নীকে হাজিরার নোটিস ধরায় ইডি। সেই প্রেক্ষিতেই আজ হাজিরা দেওয়ার কথা অভিষেক-জায়ার। 

    আগেও ইডি-র প্রশ্নের সামনে পড়েছিলেন রুজিরা

    আজ হাজিরা দিলে এই নিয়ে দু’বার ইডি-র মুখোমুখি হবেন রুজিরা (Rujira Banerjee)। গত বছর ২৩ জুন কয়লা পাচার মামলায় প্রথম বার ইডি-র জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছিলেন অভিষেকের স্ত্রী। সেবারও সিজিও কমপ্লেক্সেই নথিভুক্ত হয়েছিল রুজিরার বয়ান। তার আগে এই একই মামলায় দু’বার সিবিআই জেরার মুখেও পড়তে হয়েছিল তাঁকে। প্রথমবার ২০২১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি এবং ফের ২০২২ সালের ১৪ জুন অভিষেকের বাসভবন ‘শান্তিনিকেতন’-এ গিয়ে রুজিরাকে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিবিআই কর্তারা।

    আরও পড়ুন: কয়লা পাচার মামলায় মলয় ঘটককে দিল্লিতে হাজিরার নির্দেশ ইডি-র

    তলব করা হয়েছিল অভিষেককেও

    শুধু রুজিরা (Rujira Banerjee) নন, কয়লা পাচার মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছিল রুজিরার বোন মেনকা গম্ভীরকে।  সিজিও কমপ্লেক্সে দীর্ঘ সাত ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল তাঁকেও। গত বছর সেপ্টেম্বরে বিমানবন্দরেই ব্যাংকক যাওয়ার পথে আটকানো হয় মেনকাকে। তার আগে দিল্লিতেও তলব করা হয়েছিল তাঁকে।  

    এমনকি, জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে খোদ তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেককেও। তাঁকেও দু’বার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। ২০২১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর, দিল্লিতে ইডি-র দফতরে প্রথম বার কেন্দ্রীয় এজেন্সির মুখোমুখি হন অভিষেক। সেদিন তাঁকে প্রায় ন’ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এর ৬ মাস পর ২০২২ সালের ২১ মার্চ, কয়লাকাণ্ডের তদন্তে ফের অভিষেককে আট ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ICC Test Championship Final: ওভালে করমণ্ডল দুর্ঘটনা স্মরণ! এক মিনিট নীরবতা পালন রোহিতদের

    ICC Test Championship Final: ওভালে করমণ্ডল দুর্ঘটনা স্মরণ! এক মিনিট নীরবতা পালন রোহিতদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই শহরের মধ্যে দূরত্ব প্রায় ৮ হাজার কিলোমিটার। সময়ের ফারাক প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা। তবুও, বুধবার সকালে ওড়িশার বালাসোরের সঙ্গে কোথাও যেন মিলে গেল লন্ডন। মিলিয়ে দিল একটা বিপর্যয়। মিলিয়ে দিল সমবেত দুঃখ। মিলিয়ে দিল সমগ্র মানবিকতা।

    ওড়িশার করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার ছায়া পড়ল সুদূর লন্ডনে। এদিন থেকেই কেনিংটন ওভালে শুরু হয়েছে ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে টেস্ট বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল (ICC Test Championship Final)। খেলার আগে, ওভাল মাঠের পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেমে উল্লেখ করা হয় করমণ্ডল এক্সপ্রেসের ভয়াবহ দুর্ঘটনা সম্পর্কে। 

    গত শুক্রবার ওড়িশার বাহানগা বাজারে করমণ্ডল এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনা হয়। সেই ঘটনায় ২৮৮ জন মারা গিয়েছেন। ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে দুই দেশের জাতীয় সঙ্গীতের আগে এক মিনিটের নীরবতা পালন করা হয়। হাতে কালো ব্যান্ড পরে নেমেছেন ভারত এবং অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটাররা। টেস্টের (ICC Test Championship Final) পাঁচদিনই কালো ব্যান্ড পরে খেলবে দুই দলের ক্রিকেটাররা।

    এদিন ওভালের বেল বাজিয়ে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের (ICC Test Championship Final) সূচনা করেন দীনেশ কার্তিক। এদিন টস জিতে ওভালের ঘাসে ঢাকা উইকেট দেখে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ভারতীয় দল এরকম— রোহিত শর্মা, শুভমন গিল, চেতেশ্বর পুজারা, বিরাট কোহলি, অজিঙ্ক রাহানে, শ্রীকর ভরত, রবীন্দ্র জাডেজা, শার্দূল ঠাকুর, মহম্মদ শামি, উমেশ যাদব, মহম্মদ সিরাজ। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • AIP Submarine: চুক্তি স্বাক্ষর আজই! যৌথ উদ্যোগে ভারতের জন্য ৬টি সাবমেরিন তৈরি করবে জার্মানি

    AIP Submarine: চুক্তি স্বাক্ষর আজই! যৌথ উদ্যোগে ভারতের জন্য ৬টি সাবমেরিন তৈরি করবে জার্মানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় নৌসেনার জন্য পরবর্তী প্রজন্মের ৬টি অত্যাধুনিক সাবমেরিন (AIP Submarine) তৈরি করতে চলেছে জার্মানি। সব ঠিকঠাক চললে, বুধবারই এই মর্মে চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে দুই দেশের। জানা গিয়েছে, এই ৬টি সাবমেরিন তৈরি করতে খরচ পড়বে প্রায় ৪২ হাজার কোটি টাকা। বর্তমানে ভারত সফরে এসেছেন জার্মান প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বরিস পিস্তোরিয়াস। সূত্রের খবর, আজ পিস্তোরিয়াস মুম্বই যাচ্ছেন। সেখানেই তাঁর উপস্থিতিতে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করা হবে। এর আগে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে এই চুক্তির বিষয়টি চূড়ান্ত করেন পিস্তোরিয়াস।

    ‘প্রোজেক্ট ৭৫ আই’ ঠিক কী?

    জানা গিয়েছে, জার্মানির থিসেনক্রুপ মেরিন সিস্টেমস সংস্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ‘প্রোজেক্ট ৭৫ আই’-এর অন্তর্গত এই ৬টি স্টেলথ কনভেনশনাল (প্রচলিত শক্তিচালিত) সাবমেরিন (AIP Submarine) তৈরি হবে ভারতের মাঝগাও ডকইয়ার্ডে। চুক্তি স্বাক্ষর হবে থিসেনক্রুপ ও মাঝগাও ডকইয়ার্ড লিমিটেডের মধ্যে। বরিসের সঙ্গেই ভারতে এসেছে জার্মান প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী সংস্থার শীর্ষ কর্তারা। বুধবার, দুই প্রতিনিধিদলের মধ্যে এই মউ স্বাক্ষরিত হবে। চুক্তির আওতায়, প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে ভারতেই ৬টি ডুবোজাহাজ বা সাবমেরিন নির্মাণ করা হবে।

    এর আগে ফরাসি সংস্থা ডিসিএনএস-এর সঙ্গে যৌথ ও প্রযুক্তিগত হস্তান্তরের ভিত্তিতে ৬টি কলভরি গোত্রের স্টেলথ স্করপিন সাবমেরিন নির্মাণ শুরু করেছিল ভারত। প্রকল্পের নাম ছিল ‘প্রজেক্ট ৭৫’। ওই প্রকল্পের প্রথম ডুবোজাহাজ ‘আইএনএস কলভরী’কে ২০১৫ সালের অক্টোবরে নৌবাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। ২০২০-র নভেম্বরে এই গোত্রের শেষ ডুবোজাহাজটি হাতে পেয়েছিল নৌসেনা। 

    আরও পড়ুন: ৯ বছরের মোদি জমানায় সফল বিদেশ ও সুরক্ষা নীতি, কাশ্মীরে বিলোপ ৩৭০ ধারা!

    কী এই ‘এয়ার ইন্ডিপেন্ডেন্ট প্রোপালশন সিস্টেম’?

    এবার ‘প্রোজেক্ট ৭৫ আই’-এর জন্যও প্রথমে ফরাসি সংস্থাকেই বাছাই করা হয়েছিল। কিন্তু, ভারতের একটি শর্তেই পিছিয়ে যায় ফরাসি সংস্থা। নতুন সাবমেরিনগুলির জন্য যে যোগ্যতা বা মাপকাঠি নির্ধারণ করেছিল ভারত, তার অন্যতম ছিল ‘এয়ার ইন্ডিপেন্ডেন্ট প্রোপালশন সিস্টেম’ (AIP Submarine) বা সংক্ষেপে এআইপি। এই প্রযুক্তি থাকলে, যে কোনও সাবমেরিন দীর্ঘ সময়ের জন্য জলের নিচে থাকতে পারে। সাধারণত, অ-পরমাণু শক্তিচালিত সাবমেরিনকে অক্সিজেন নিতে ও ব্যাটারি চার্জ করতে প্রতি ২-৩ দিন অন্তর জলের ওপরে আসতে হয়।

    কেন বাছা হল জার্মান সংস্থাকে?

    অন্যদিকে, এআইপি প্রযুক্তির থাকলে টানা ৫-৬ দিন জলের নিচে থাকতে কোনও সমস্যা হয় না সাবমেরিনের। ফলত, সাবমেরিনের কর্মক্ষমতা বেড়ে যায়। দীর্ঘ জায়গা ও সময় ধরে নজরদারির কাজ করতে সক্ষম হয় সাবমেরিনগুলি। ফ্রান্সের সংস্থা জানিয়ে দিয়েছিল, তারা এই প্রযুক্তি দিতে অপারগ। অন্যদিকে, জার্মানির থিসেনক্রুপ হল বিশ্বের এমন দুটি সংস্থার একটি যারা এই প্রযুক্তি (AIP Submarine) ব্যবহার করে থাকে। চুক্তির আওতায় যেমন এআইপি সিস্টেম থাকবে, তেমনই থাকছে কারিগরি সহায়তা, প্রশিক্ষণ, আধুনিক যন্ত্রাংশের সরবরাহ, সামরাস্ত্র ও সেন্সর।

    দীর্ঘদিন আগে জার্মানি থেকে শিশুমার শ্রেণির ৪টি ডিজেল-বিদ্যুৎ ডুবোজাহাজ কিনেছিল ভারতীয় নৌসেনা। এবার এই চুক্তি স্বাক্ষর হলে, ভারতের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে, বিশেষ করে প্রচলিত সাবমেরিনের ক্ষেত্রে নতুন দিশা যুক্ত হবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ICC Test Championship Final: আজ শুরু বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল, কোথায় কীভাবে দেখবেন ম্যাচ?

    ICC Test Championship Final: আজ শুরু বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল, কোথায় কীভাবে দেখবেন ম্যাচ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যেন টেস্ট ক্রিকেটের বিশ্বকাপ ফাইনাল (ICC Test Championship Final)! আর সেই খেতাবি লড়াইয়ে আজ থেকে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া। একে অপরকে টক্কর দিতে আগামী পাঁচ দিন ওভালের বাইশ গজে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা লক্ষ্য করা যাবে মেন ইন ব্লু বনাম ব্যাগি গ্রিনের মধ্যে। 

    দুই বছর ধরে একের পর এক টেস্ট সিরিজ খেলে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (ICC Test Championship Final) শেষ ল্যাপে এসে পৌঁছেছে দুটি দল, ভারত ও অস্ট্রেলিয়া। এই নিয়ে টানা দ্বিতীয় বার বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালে ভারত। অস্ট্রেলিয়ার ক্ষেত্রে প্রথম বার। দুবছর আগে, উদ্বোধনী টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে হেরে গিয়েছিল ভারত। এবার সেই অধরা স্বপ্নকে সফল করার সামনে ফের একবার দাঁড়িয়ে রোহিত শর্মার নেতৃত্বাধীন ভারতীয় ব্রিগেড। আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। তারপরই শুরু বিশ্বের সেরা টেস্ট দল হওয়ার লড়াই। মাঠ হোক বা টিভি-র পর্দা কিংবা হোক স্মার্টফোনের স্ক্রিন— দুই হেভিওয়েটের মধ্যে এই লড়াই প্রত্যক্ষ করার সুযোগ পাবেন কোটি কোটি ক্রিকেট অনুরাগী।

    আরও পড়ুন: আজ ভারত-অস্ট্রেলিয়া মহারণ! আইসিসি ট্রফির খরা কাটবে কি?

    এক ঝলকে দেখে নিন, কীভাবে, কোথায় দেখতে পাবেন ম্যাচ

    কবে থেকে হচ্ছে ফাইনাল ম্যাচ?

    আজ, বুধবার, ৭ জুন থেকে হচ্ছে ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়া বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল (ICC Test Championship Final) ম্যাচ। চলবে ১১ তারিখ পর্যন্ত। 

    ম্যাচে কি কোনও রিজার্ভ ডে রয়েছে?

    ফাইনাল ম্যাচে একদিন রিজার্ভ ডে রাখা হয়েছে। সেক্ষেত্রে ১২ তারিখ পর্যন্ত হতে পারে ম্যাচ।

    কখন শুরু হবে ম্যাচ?

    ভারতীয় সময় দুপুর ৩.৩০ থেকে ম্যাচ শুরু। স্থানীয় সময় সকাল ১০.৩০টা থেকে।

    কোথায়, কোন স্টেডিয়ামে হচ্ছে ম্যাচ?

    ম্যাচ অনুষ্ঠিত হচ্ছে ইংল্যান্ডে। খেলা হচ্ছে লন্ডনের কেনিংটন ওভালে। 

    কোন চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার হবে ম্যাচ?

    টিভিতে স্টার স্পোর্টসের বিভিন্ন চ্যানেলে দেখা যাবে খেলার সরাসরি সম্প্রচার। 

    কোন ওটিটি প্ল্যাটফর্মে লাইভ স্ট্রিমিং দেখা যাবে?

    মোবাইলে ডিজনি প্লাস হটস্টার অ্যাপে এই ম্যাচ সরাসরি স্ট্রিমিং হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ICC Test Championship Final: আজ ভারত-অস্ট্রেলিয়া মহারণ! আইসিসি ট্রফির খরা কাটবে কি?

    ICC Test Championship Final: আজ ভারত-অস্ট্রেলিয়া মহারণ! আইসিসি ট্রফির খরা কাটবে কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ভারত-অস্ট্রেলিয়া মহারণ। আজ থেকে ইংল্যান্ডের ওভাল গ্রাউন্ডে শুরু হচ্ছে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল (ICC Test Championship Final) ম্যাচ। ২ বছর আগের টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেও নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে খালি হাতে ফিরতে হয়েছিল বিরাট কোহলির নেতৃত্বাধীন ভারতকে। এবার নেতৃত্বে রোহিত শর্মা। এবার ট্রফি নিয়ে মরিয়া ভারতীয় টিম। 

    রোহিতের আঙুলে চোট!

    তবে, ম্যাচের প্রাক্কালে বড় চিন্তার সম্মুখীন ভারতীয় দল। মঙ্গলবার শেষ প্র্যাকটিসে ব্যাট করার সময় হাতে চোট পেলেন স্বয়ং অধিনায়ক। নেটে ব্যাট করার সময় বাম হাতের বুড়ো আঙুলে চোট পান রোহিত। তাঁকে দেখা যায় ফিজিওর তত্ত্বাবধানে। চোট নিয়ে ভারতীয় দলের পক্ষ থেকে সরকারিভাবে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। চোট কতটা গুরুতর তাও জানা যায়নি। তবে, রোহিত নিজে খেলার বিষয়ে আশাবাদী। 

    অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা 

    অধিনায়ক হিসেবে দেশকে প্রথম আইসিসি ট্রফি  (ICC Test Championship Final) এনে দিতে মরিয়া রোহিত শর্মা। সাংবাদিক সম্মেলনে কোনও রাখঢাক না করেই ভারতের নেতা জানিয়ে দিলেন ফাইনালে নামার জন্য মুখিয়ে আছে দল। একইসঙ্গে তিনি মনে করিয়ে দিলেন, গতবারের থেকে শিক্ষা নিয়েই কাল ওভালে নামবে টিম ইন্ডিয়া। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে করা ভুলগুলো যাতে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে আর না হয় সেগুলো নিয়ে কোচ রাহুল দ্রাবিড় প্রায় পাঁচ মিনিটের একটা বক্তব্য রাখলেন দলের সদস্যদের কাছে।

    পিচ না মাঠ বোঝা দায়!

    তবে, রোহিতদের চিন্তায় ইংল্যান্ডের খামখেয়ালি আবহাওয়া ও ওভালের বাইশ গজ। মঙ্গলবার পর্যন্ত দেখা যায়, পিচ আর আউটফিল্ড মিলে মিশে একাকার। গোটা পিচ একদম সতেজ ঘাসে ভরপুর। পরিষ্কার পিচে বাউন্স থাকবে এবং পেসাররা সুবিধা করতে পারবেন। সোমবার সকালে অস্ট্রেলিয়া যখন অনুশীলনে নামে, তখন আকাশ মেঘলা ছিল। তবে ভারতীয় দল অনুশীলনে নামার সময় রোদের দেখা মেলে ওভালের মাটিতে। বেশ ফুরফুরে মেজাজে এদিন অনুশীলন করতে দেখা যায় ভারতীয় ক্রিকেটারদের।

    ঘাসে ঢাকা ওভালের বাইশ গজ

    প্রথম একাদশে দুই স্পিনার না এক?

    ঘাসে ঢাকা পিচ দেখে এখন প্রথম একাদশ নিয়ে ভাবনাচিন্তা চালাচ্ছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। রোহিত বলেন, পরিবেশের ওপর নির্ভর করবে দলের কম্বিনেশন। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘অশ্বিন খেলবে না সেটা বলছি না। কন্ডিশন দেখে আমরা সিদ্ধান্ত নেব। তবে, আগামিকাল হয়ত পিচ থেকে কিছুটা ঘাস ছেঁটে ফেলা হবে।  তাতে অবশ্য ইংল্যান্ডের পরিবেশে পিচের চরিত্রে খুব একটা হেরফের হওয়ার সম্ভাবনা নেই। প্র্যাকটিস পিচে বেশ বাউন্স রয়েছে। ফলে, মূল পিচেের চরিত্রও যে প্রায় সমান হবে, তা ধরে নেওয়া যায়। ভারতীয় দল সূত্রে খবর, বুধবার চূড়ান্ত পিচ ইন্সপেকশনের পরই চূড়ান্ত একাদশ স্থির করা হবে। 

    চিন্তায় মিচেল স্টার্ক

    ফাইনালে (ICC Test Championship Final) ভারতীয়দের আরেকটা চিন্তার কারণ মিচেল স্টার্ক। ঘাসে ঢাকা পিচে এই অজি ফাস্ট বোলার কতটা বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারেন, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তার ওপর, স্টার্কের আরেকটা অ্যাডভান্টেজ তিনি বাঁহাতি বোলার। অন্যদিকে, অধিকাংশ ভারতীয় ব্যাটার ডান-হাতি। ফলে, স্টার্ক বরাবরই ডানহাতি ব্যাটারদের জন্য ভয়ঙ্কর। জানহাতি ব্যাটারদের ক্ষেত্রে বাঁহাতি জোরে বোলার বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। ওভার দ্য উইকেট থেকে বলগুলো ক্রস আসে ডানহাতি ব্যাটারদের কাছে। ফলে, ইনসুইং করলে লেগ বিফোরের আশঙ্কা, আর আউট সুইয়ে স্লিপে ক্যাচ। ভারতীয় দল বিলক্ষণ জানে এই বিষয়টা। যে কারণে, নেটে বাঁহাতি উনাদকাট সহ স্থানীয় বাঁহাতি জোরে বোলারদের ডেকে দীর্ঘক্ষণ ব্যাটিং অনুশীলন সারেন ভারতীয় ব্যাটাররা।

    আরও পড়ুন: বুধবার থেকে ওভালে ভারত-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল

    পজিটিভ ক্রিকেটে বিশ্বাস

    তবে, বিপক্ষকে সমীহ করলেও, বাড়তি চাপ নিতে নারাজ টিম ইন্ডিয়া। অধিনায়ক রোহিত পরিস্কার করে দিয়েছেন, আক্রমণাত্মক এবং পজিটিভ ক্রিকেট খেলতে চান তাঁরা। তিনি জানিয়েছেন, অস্ট্রেলিয়া অবশ্যই চ্যাম্পিয়ন দল। কিন্তু ভারত তাদের সম্মান করলেও ভয় পেতে নারাজ। রোহিত মনে করিয়ে দিয়েছেন ফাস্ট বলেই যদি মাপকাঠি হয় তাহলে খেলা ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো বোলার ভারতের হাতেও আছে। 

    ১০ বছরের খরা কাটবে কি?

    সেই ২০১৩ সালে শেষবার মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছিল ভারত। সেটাও ছিল এই ইংল্যান্ডের মাটিতে। তারপর আর কোনও আইসিসি আয়োজিত ট্রফি  (ICC Test Championship Final) জেতেনি ভারত। ১০ বছর পর ফের সুযোগ রোহিত শর্মাদের সামনে। তবে, পরিসংখ্যান ও ইতিহাস নিয়ে এখন ভাবতে নারাজ মেন ইন ব্লু-রা। হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড় জানিয়ে দেন, আইসিসি ট্রফি জেতা নিয়ে চাপ নেই। জিতলে অবশ্যই ভালো লাগবে। আইসিসির টুর্নামেন্ট জেতা নিশ্চয়ই দারুণ ব্যাপার। তবে, দু’বছর ধরে সেরা ক্রিকেট খেলেই এখানে আসতে পেরেছে দল। সেটাও ইতিবাচক দিক। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Odisha Train Accident: ছাড়বে নির্ধারিত সময়ে, বুধবার থেকে ফের চলবে করমণ্ডল এক্সপ্রেস!

    Odisha Train Accident: ছাড়বে নির্ধারিত সময়ে, বুধবার থেকে ফের চলবে করমণ্ডল এক্সপ্রেস!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবারের দুর্ঘটনার (Odisha Train Accident) পর থমকে গিয়েছিল যাত্রা। পাঁচদিন পর বুধবার থেকে ফের চলতে শুরু করবে করমণ্ডল এক্সপ্রেস (Coromandel Express)। আগের মতোই নির্ধারিত সময়ে ছাড়বে করমণ্ডল এক্সপ্রেস। রেল সূত্রে খবর, দুপুর ৩টে ১৫ নাগাদ শালিমার স্টেশন থেকে চেন্নাইয়ের উদ্দেশে রওনা দেবে ট্রেনটি। রেলের তরফে আরও জানানো হয়েছে, আগের রুটেই চলবে করমণ্ডল এক্সপ্রেস। অর্থাৎ, বাহানগা বাজার স্টেশন হয়েই যাবে ট্রেন। গত শুক্রবার সন্ধ্যে সাতটা নাগাদ এই স্টেশনের কাছেই ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে চেন্নাইগামী আপ করমণ্ডল এক্সপ্রেস। মৃত্যু হয় ২৭৫ জনের। আহত হন ৯০০ জনের বেশি।

    ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে পরিষেবা

    উদ্ধারকাজ শেষ হওয়ার পর শনিবার রাত থেকে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে লাইন মেরামতির কাজ শুরু করে রেল। রেলমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, প্রায় ১০০০ জন এই পুনরুদ্ধারের কাজে হাত লাগিয়েছেন। দুর্ঘটনার (Odisha Train Accident) প্রায় ৫১ ঘণ্টা পরে বাহানাগা স্টেশন থেকে আপ এবং ডাউন লাইনে ট্রেন পরিষেবা স্বাভাবিক হয়। রবিবার রাতে, দুটি মালগাড়ি পাঠানো হয় ক্ষতিগ্রস্ত ডাউন লাইন দিয়ে। এরপর রাত ১২টা নাগাদ, আপ লাইন দিয়ে একটি ট্রেন চালানো হয়। এরপর সোমবার সকালে ওই লাইনে চলেছে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। অবশ্যই, এখানে তার গতি মন্থর ছিল। এর পর যায় ফলকনামা এক্সপ্রেসও। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার এই লাইন দিয়ে মোট ৪০টির মতো ট্রেন গিয়েছে। তবে, সতর্কতা অবলম্বন করে, সবকটির গতিবেগ রাখা হয়েছিল ঘণ্টায় ১০-১৫ কিমি।

    আরও পড়ুন: নিছক দুর্ঘটনা না অন্তর্ঘাত? সত্য উদঘাটনে বালাসোরে সিবিআই, শুরু তদন্ত

    মঙ্গল-বুধেও বাতিল বহু ট্রেন

    তবে, এই লাইন দিয়ে এখনই পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি ট্রেন চলাচল। সোমবার এই শাখায় বহু ট্রেন বাতিল করা হয়েছিল। মঙ্গলবারও তাই। এমনকি, বুধুবারও বেশ কয়েকটি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। রেলের জারি করা প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, বাহানগা বাজারে রেললাইন (Odisha Train Accident) মেরামতির কাজের জন্য আগামী ৬ ও ৭ জুন অর্থাৎ মঙ্গল ও বুধবার একগুচ্ছ ট্রেন বাতিল থাকবে। এই ট্রেনগুলির মধ্যে রয়েছে- আপ ও ডাউন পুরী-বাংরিপোসি এক্সপ্রেস, ভদ্রক-বালাসোর এক্সপ্রেস, ভুবনেশ্বর-বালাসোর স্পেশাল, সেকেন্দ্রাবাদ-আগরতলা স্পেশাল, পুরী-শিয়ালদহ দুরন্ত এক্সপ্রেস, ভদ্রক-হাওড়া এক্সপ্রেস, আপ ও ডাউন ভুবনেশ্বর-হাওড়া জনশতাব্দী এক্সপ্রেস, আপ ও ডাউন পুরী-হাওড়া শতাব্দী এক্সপ্রেস, আপ ও ডাউন পুরী-জলেশ্বর এক্সপ্রেস, আপ ও ডাউন সেকেন্দ্রাবাদ-হাওড়া ফলকনামা এক্সপ্রেস, শালিমার-পুরী ধৌলি এক্সপ্রেস, খড়্গপুর-খুরদা রোড এক্সপ্রেস, শালিমার-পুরী জগন্নাথ এক্সপ্রেস, আপ ও ডাউন সাঁতরাগাছি-এমজিআর চেন্নাই সেন্ট্রাল এক্সপ্রেস, আনন্দবিহার-পুরী এক্সপ্রেস, পাটনা-পুরী এক্সপ্রেস। তবে, আগ বাতিলের ঘোষণা করা হলেও, নির্ধারিত সময় ছাড়বে হাওড়া-পুরী এক্সপ্রেস, পুরী-শালিমার এক্সপ্রেস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘যেখানে ভূতের ভয়’! রুজিরা-ইস্যুতে মমতা-অভিষেককে তুলোধনা দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘যেখানে ভূতের ভয়’! রুজিরা-ইস্যুতে মমতা-অভিষেককে তুলোধনা দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায় ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তুলোধনা করলেন বিজেপি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। 

    সোমবার সকালে প্রথমে অভিষেক-পত্নীকে বিদেশে যেতে বাধা দেয় কলকাতা বিমানবন্দরে থাকা অভিবাসন দফতর। তাঁর বিরুদ্ধে ইডির একটি লুক আউট সার্কুলার নোটিস জারি থাকার কথা জানিয়ে অভিষেক-পত্নীকে বিদেশে যেতে বাধা দেয় বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন বিভাগ। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রুজিরাকে তলব করে ইডি। আগামী ৮ জুন তাঁকে হাজিরা নির্দেশ দেওয়া হয়। এই প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করেন অভিষেক। অভিষেক বলেন, ‘‘পারলে জনতার দরবারে এসে আমার সঙ্গে লড়াই করুন।’’ 

    অভিষেককে তুলোধনা দিলীপের

    অভিষেকের করা এই মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া দেন দিলীপ (Dilip Ghosh)। মঙ্গলবার সকালে নিউটাউনের ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ডকে তুলোধনা করেন বিজেপি সাংসদ। বলেন, ‘‘যখন ভয় পায় তখন লোকে চিৎকার করে। ভূতের ভয় পেলে বেশি চিৎকার করে গান গায়। তাই যত ভয় বাড়ে তত চিৎকার বাড়ে।’’ দিলীপের দাবি, অভিষেকের ক্ষেত্রেও তাই হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘‘যত সময় এগোচ্ছে তত ভয় বাড়ছে, আর তাই আওয়াজ তত জোরে হচ্ছে। চিৎকার হচ্ছে। বড় বড় কথা বলছে। অপেক্ষা করুন, কে কাকে গ্রেফতার করে। সময় চলে আসছে।’’ 

    আরও পড়ুন: “অপদার্থ মুখ্যমন্ত্রীর গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করা উচিত”, কেন বললেন সুকান্ত?

    মমতাকে নিশানা দিলীপের

    শুধু অভিষেকই নন, এদিন তৃণমূলনেত্রীকেও নিশানা করেন দিলীপ (Dilip Ghosh)। গতকাল, উত্তরবঙ্গ সফর বাতিল করে কটক যাওয়ার কথা ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বিষয়টিকেও কটাক্ষ করেন দিলীপ। বিজেপি সাংসদের মতে, ‘‘সময় ঘনিয়ে এসেছে, তাই পিসিমনি প্রোগ্রাম ক্যান্সেল করতে শুরু করেছেন।’’ দিলীপ বলেন, ‘‘এ সবই ড্রামা। কটক কেন? কেন দার্জিলিং গেলেন না! যানা থা জাপান পৌঁছ গয়ে চিন! ক্যায়া মতলাব হোতা হ্যায়। বউমার ডাক পড়েছে। এখন ঘর সংসার সব জেলে হবে। সেই ভয়ে সব ঘেঁটে গেছে। কি বলছেন ঠিক নেই, কোথায় যাচ্ছেন ঠিক নেই। কটক কেন যাচ্ছেন? উঠল বাই কটক যাই!’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Odisha Train Accident: নিছক দুর্ঘটনা না অন্তর্ঘাত? সত্য উদঘাটনে বালাসোরে সিবিআই, শুরু তদন্ত

    Odisha Train Accident: নিছক দুর্ঘটনা না অন্তর্ঘাত? সত্য উদঘাটনে বালাসোরে সিবিআই, শুরু তদন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যত সময় গড়াচ্ছে, করমণ্ডল দুর্ঘটনায় (Odisha Train Accident) জোরালো হচ্ছে অন্তর্ঘাতের তত্ত্ব। প্রকৃত সত্যের উদঘাটনে সোমবার থেকেই আসরে নেমেছে সিবিআই।

    দুর্ঘটনা না অন্তর্ঘাত?

    বালাসোরের ট্রেন দুর্ঘটনায় (Odisha Train Accident) সিগন্যালিংয়ের ত্রুটির বিষয়টি রবিবারই স্বীকার করে নিয়েছে রেল। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এই ত্রুটি কি নিছক যান্ত্রিক গোলযোগ, নাকি দায়ী কোনও মানুষ? এটা কোনও মুহূর্তের ভুল নাকি এর পেছনে রয়েছে কোনও পরিকল্পনা? অর্থাৎ, জোর করে কেউ এই সিগন্যালিং ব্যবস্থায় গোলযোগ বাঁধিয়ে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটায়নি তো? সত্যিকারে গাফিলতি ছিল স্বয়ংক্রিয় সিগন্যালিং ব্যবস্থায়? নাকি কারচুপি করে তাকে অকেজো করে রাখা হয়েছিল? যার জেরে প্রাণ গেল ২৭৫ জনের!

    কীভাবে সিগন্যালিং সিস্টেমে গণ্ডগোল?

    রেলের প্রাথমিক রিপোর্ট বলছে, সিগন্যালিং সমস্যার জন্যই এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু, সিগন্যালিং সিস্টেমে গণ্ডগোল কি নিছক যান্ত্রিক ত্রুটি নাকি ষড়যন্ত্র? রেলের তদন্তকারী আধিকারিকরা জানান, দুর্ঘটনার সময় করমণ্ডল এক্সপ্রেস আপ মেইন লাইনে যাওয়ার জন্য সিগন্যাল সবুজ ছিল। কিন্তু, তারপরই সিগন্যাল অফ করে দেওয়া হয়। আপের লুপলাইনে দাঁড়িয়েছিল একটি মালগাড়ি। আবার সেই সময়ে মেনলাইন থেকে লুপলাইনে ট্রেন ঢোকানোর জন্য আগে থেকেই পয়েন্ট সেট করা ছিল। ফলে করমণ্ডল এক্সপ্রেস লুপ লাইনে চলে যায় এবং মালগাড়িতে ধাক্কা মারে।

     মেইন লাইন ছেড়ে কেন লুপ লাইনে?

    রেলের তদন্তকারী আধিকারিকদের আরও দাবি, লুপলাইনে ঢোকার জন্য পয়েন্ট সেট করা থাকলে তার অনেক আগে থেকেই হোম সিগন্যাল হলুদ থাকার কথা। এটা রেলের একটা স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা। নিয়ম অনুসারে, হোম সিগন্যাল হলুদ থাকলে চালককে প্রথমে ট্রেনটিকে থামাতে হয়। তারপর খুব ধীর গতিতে, মোটামুটি ঘণ্টায় ১০-১৫ কিলোমিটার গতিবেগে লুপলাইনে ঢোকার কথা ছিল করমণ্ডলের। কিন্তু এক্ষেত্রে লুপলাইনে পয়েন্ট সেট করা থাকলেও হোম সিগন্যাল সবুজ ছিল। যে কারণে, ট্রেন ছুটছিল ঘণ্টায় প্রায় ১২৮ কিলোমিটার গতিবেগে। দ্রুত গতিতে লুপলাইনে ঢুকে পড়ে লোহাচুর বোঝাই মালগাড়ির পিছনে ধাক্কা মারে করমণ্ডল এক্সপ্রেস (Odisha Train Accident)।

    আরও পড়ুন: কীভাবে ক্ষতিপূরণ চাইবে মৃত ও আহতদের পরিবার? পদ্ধতি জানাল রেল

    অকেজো ছিল স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল ব্যবস্থা?

    রেলকর্তাদের আশঙ্কা, দুর্ঘটনার সময়ে যে কোনও কারণেই হোক ওই এলাকায় স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল ব্যবস্থা অকেজো হয়ে ছিল। সাধারণত কোথাও সিগন্যালের মেরামতি করতে হলে এটা করা হয়ে থাকে। সিগন্যালিংয়ের এই গণ্ডগোলের পিছনে অন্তর্ঘাত রয়েছে বলেই তাঁদের দাবি। রেলের ডিআরএম বলেন, “এই সিগন্যালিং ব্যবস্থায় ত্রুটি ছিল বলেই গতকাল থেকে রিলে রুম বন্ধ করে রেখেছে। কারণ কোনও ত্রুটি হয়েছে কি না তা একমাত্র ওই রিলে রুমে থাকা হার্ডওয়্যারের মাধ্যমেই জানা যাবে। ওই ঘরে সিগনালিং এবং টেলি কমিউনিকেশনের সব কাজ হয়। তাই অন্তর্ঘাত তো কিছু না কিছু ভাবে হয়েছেই।” 

    ট্যাম্পারিং করা হয়েছিল ইন্টারলকির সিস্টেমে?

    রেল কর্তাদের দাবি, তাদের ইন্টারলকিং সিস্টেম খুবই নিরাপদ এবং এখানে ত্রুটির সুযোগ কম। একটা সিগন্যালিং ব্যবস্থা এতটাই স্পর্শকাতর হয় যে, তার ত্রুটি মেরামত করার পর অন্তত ছয় থেকে সাতবার উন্নতমানের মেশিন এনে পরীক্ষা করা হয়। সেখানে এত কম সময়ে বিগড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা কার্যত ০.০১ শতাংশ। ডিআরএম জানান, এই সিগন্যালিং ব্যবস্থা কিছুদিন আগেই মেরামত করা হয়েছিল। তাহলে, সেখানে এই ধরনের বিপর্যয়ের অবকাশই নেই। ফলে, প্রাথমিক তদন্তের সঙ্গে রেলকর্তারা একমত যে, ইচ্ছাকৃতভাবে বদল ঘটানো বা ট্যাম্পারিং না হলে ইন্টারলকির সিস্টেমে পরিবর্তন করা যায় না। যে কারণেই এখানে ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব উঠে আসছে। ইন্টারলকিং সিস্টেমে হস্তক্ষেপের পিছনে উদ্দেশ্য খুঁজে বের করতেই সিবিআই তদন্তের সিদ্ধান্ত।

     অনুসন্ধানে ১০ সদস্যের সিবিআই টিম

    করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনাকাণ্ডে (Odisha Train Accident) রেলের নিজস্ব তদন্তের পাশাপাশি সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। সেই অনুযায়ী, সোমবার থেকেই তদন্ত শুরু করে দেয় সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ১০ সদস্যের টিম পৌঁছে গিয়েছিল বালাসোরে। দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করার পাশাপাশি, কয়েকটি দলে ভাগ হয়ে একাধিক জায়গায় হানা দেয় সিবিআইয়ের বিশেষ দল। বালাসোর স্টেশনের প্যানেল রুমের দায়িত্বে থাকা অ্যাসিস্ট্যান্ট স্টেশন মাস্টার-সহ কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন তদন্তকারীরা। প্রত্যেকের বয়ান নথিভুক্ত করা হয়েছে। 

    কী হয়েছিল সেই সময়? জানতে চায় সিবিআই

    এছাড়া, খড়্গপুর জংশন থেকেও করমণ্ডল এক্সপ্রেসের গতিবিধি সংক্রান্ত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি সংগ্রহ করে নিয়ে গিয়েছেন তাঁরা। সিনিয়র ডিভিশনাল অপারেশনস ম্যানেজার (এসডিওএম), ডিওএম, ট্র্যাক লোকো কন্ট্রোলার (টিএলসি), সিনিয়র ডিভিশনাল ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার সহ বিভিন্ন আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলেন। পাশাপাশি দুর্ঘটনাগ্রস্ত করমণ্ডল এক্সপ্রেসের চালকের কেবিন থেকে উদ্ধার হওয়া লগবুক, স্পিডোমিটার, ওয়াকিটকি, সিইউজি ফোন (কমন ইউনিফায়েড গ্রুপ), পিএমইউ (পিরিয়োডিক্যাল মেডিক্যাল একজামিনেশন মেমো), রিফ্রেশার মেমো (ট্রেনিংয়ের সার্টিফিকেট)– এই সব সামগ্রী রেলের কাছ থেকে চেয়ে পাঠিয়েছে সিবিআই। করমণ্ডল এক্সপ্রেসের (Odisha Train Accident) চালক ও সহকারী চালকের সঙ্গেও কথা বলতে চান তদন্তকারীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share