Tag: news in bengali

news in bengali

  • Abvp: শুক্রবার শুরু এবিভিপির ৭০তম জাতীয় সম্মেলন, বৃহস্পতিতে হচ্ছে কার্যনির্বাহী পরিষদের বৈঠক

    Abvp: শুক্রবার শুরু এবিভিপির ৭০তম জাতীয় সম্মেলন, বৃহস্পতিতে হচ্ছে কার্যনির্বাহী পরিষদের বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবিভিপির (Abvp) ৭০তম সর্বভারতীয় সম্মেলন বসছে গোরক্ষপুরে, ২২-২৪ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে সম্মেলন। তার আগে গতকাল ২০ নভেম্বর গোরক্ষপুরে (Gorakhpur) সম্পন্ন হল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের একদিনের কেন্দ্রীয় কর্মসমিতির বৈঠক। গোরক্ষপুরের দীনদয়াল উপাধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবাদ ভবনে বৈঠকে শুরুতে মা সরস্বতী ও স্বামী বিবেকানন্দের চিত্রে পুষ্প নিবেদন করেন এবিভিপির সর্বভারতীয় সভাপতি রাজশরণ শাহি ও এবিভিপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক যাজ্ঞব্লক্য শুক্লা ও জাতীয় সংগঠন সম্পাদক আশিষ চৌহ্বান।

    আরও পড়ুন: অশান্ত মণিপুর, ইম্ফল উপত্যকায় ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ স্কুল-কলেজ, মোবাইল ইন্টারনেট

    এবিভিপির (Abvp) মানবন্দনা যাত্রা

    উপস্থিত প্রতিনিধিদের প্রত্যেককেই এক সুরে বন্দেমাতরম গাইতে শোনা যায়। আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার বসবে এবিভিপির জাতীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের বৈঠক। গোরক্ষপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণেই হবে ওই বৈঠক। প্রসঙ্গত, চলতি বছরে চলছে রানি অহল্যাবাই হোলকারের ৩০০তম জন্মবার্ষিকী। এই সময়ে মধ্যপ্রদেশের মহেশ্বর থেকে মানবন্দনা যাত্রা শুরু করেছে এবিভিপি। এই যাত্রা পৌঁছাবে গোরক্ষপুরের (Gorakhpur) ৭০তম জাতীয় সম্মেলনে। মানবন্দনা যাত্রা উত্তরপ্রদেশে প্রয়াগরাজ এবং অযোধ্যা- এই দুই নগরের ওপর দিয়েই যাবে বলে জানিয়েছে এবিভিপি (Abvp) নেতৃত্ব। এই যাত্রার মাধ্যমে রানি অহল্যাবাইয়ের কর্মকাণ্ড জনগণের মধ্যে তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছে এবিভিপি নেতৃত্ব এবং ভারতের সংস্কৃতি পুনরুত্থানে তাঁর অবদান স্মরণ করা হবে।

    কী বললেন এবিভিপির (Abvp) সর্বভারতীয় সভাপতি? 

    আজ বৃহস্পতিবার অহল্যাবাইয়ের স্মরণে একটি প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আন্তর্জাতিক সাধারণ সম্পাদক শ্রী চম্পত রাই। জানা গিয়েছে, গতকাল সেন্ট্রাল ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে শিক্ষা ও সামাজিক নানা ইস্যুতে আলোচনা হয়েছে। এবিভিপি-র (Abvp) সর্বভারতীয় সভাপতি ডক্টর রাজশরণ শাহি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘গোরক্ষপুরের জনগণের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে। এই শহরের তাৎপর্যপূর্ণ ইতিহাস রয়েছে।’’

     

    আরও পড়ুন: ‘‘পশ্চিমবঙ্গ চলছে কিং জং উনের শাসনের মতো’’, বেলডাঙাকাণ্ডে মমতাকে আক্রমণ গিরিরাজের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bara Mangwa: কমলালেবুর বাগান, তিস্তার সর্পিল জলধারা! নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ভরপুর বড়া মাঙ্গোয়া!

    Bara Mangwa: কমলালেবুর বাগান, তিস্তার সর্পিল জলধারা! নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ভরপুর বড়া মাঙ্গোয়া!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং জেলার অন্যতম সেরা পর্যটন কেন্দ্র তিনচুলে বর্তমানে প্রকৃতিপ্রেমিক পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এই তিনচুলে থেকে প্রায় ৪ কিমি দূরে এক অপরূপ নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ভরপুর স্থান বড়া মাঙ্গোয়া (Bara Mangwa)। প্রায় ৪৫০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত নির্জন, অনাবিল পাহাড়ি গ্রাম বড়া মাঙ্গোয়া। একদিকে পাহাড়ের গায়ে ঝুম চাষ, কমলা লেবুর বাগান, অপর দিকে তিস্তা নদীর সর্পিল জলধারার পাহাড়ি সুরমূর্ছনা। তার সঙ্গে যোগ্য সঙ্গত করে তুলেছে আকাশ ছুঁতে চাওয়ার দুঃসহ স্পর্ধা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা পাহাড়ের সারি। মন ভালো করে দেওয়ার জন্য যা যা থাকা দরকার, তার সব কিছুই উপস্থিত এখানে। এখান থেকে বিভিন্ন ছোট ছোট ট্রেকিং রুট চলে গিয়েছে বিভিন্ন দিকে। নেচার ট্রেইলে হাঁটতে হাঁটতে গিয়ে দেখে আসা যায় প্রায় জনমানবহীন সুন্দর পাহাড়চূড়ায় অবস্থিত ভিউ পয়েন্ট এবং চোরতেন। বড়া মাঙ্গোয়া থেকে ঘুরে নেওয়া যায় কাঞ্চনজঙ্ঘার ছায়ায় ঢাকা পেশক চা বাগান।

    ইকো ট্যুরিজমের নয়া পীঠস্থান (Bara Mangwa)

    বড়া মাঙ্গোয়া থেকে আরও প্রায় ৩-৪ কিমি ট্রেকিং করে যাওয়া যায় আরও একটি সুন্দর পাহাড়ি গ্রাম ছোটা মাঙ্গোয়ায়। বর্তমানে ইকো ট্যুরিজমের নয়া পীঠস্থান হয়ে উঠেছে এই বড়া মাঙ্গোয়া এবং ছোটা মাঙ্গোয়া। কমলা বাগানে ঘেরা এই ছোটা মাঙ্গোয়া থেকে একদিকে বয়ে চলা তিস্তা, আর অপর দিকে কাঞ্চনজঙ্ঘার রুপ দেখে মুগ্ধ হতে হবেই। এই ছোটা মাঙ্গোয়া থেকে ভোরের সূর্যোদয় দর্শন করা এক অভাবনীয় অনুভূতি। এছাড়াও বড়া মাঙ্গোয়া (Bara Mangwa) এবং ছোটা মাঙ্গোয়ায় শুধু যে কমলালেবুর বাগান আছে তাই নয়, এখানে চাষ হচ্ছে বিভিন্ন অরগ্যানিক সারের ব্যবহারে তৈরি করা বিভিন্ন মূল্যবান ভেষজ উদ্ভিদ। শুধু আপেল নয়, এখানকার মুসম্বি লেবুর সুখ্যাতি আছে সর্বত্র। এখান থেকে তিস্তা ও রঙ্গিত নদীর বুকে র‍্যাফটিংও করে নেওয়া যায়। ঘুরে নেওয়া যায় কাছেই পাশের তাকলিঙ গ্রামের মনাস্ট্রিটিও।

    কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন?

    কলকাতা থেকে ট্রেনে এনজেপি অথবা ধর্মতলা থেকে বাসে শিলিগুড়ি এসে সেখান থেকে সেবক ও তিস্তাবাজার হয়ে প্রায় ৬০ কিমি পথ এই বড়া মাঙ্গোয়া (Bara Mangwa)। যেতে হবে গাড়িতে। আর বড়া মাঙ্গোয়া থেকে একটু কষ্ট করে পাহাড়ি পথে কমলালেবুর বাগানের মধ্য দিয়ে প্রায় ২ কিমি দূরে ছোটা মাঙ্গোয়া। বড়া মাঙ্গোয়া আর ছোটা মাঙ্গোয়ায় রয়েছে অসংখ্য হোমস্টে। এগুলিতে একদম ঘরের আতিথেয়তায় স্থানীয় মানুষজনের সহজ-সরল জীবনের সঙ্গেও পরিচিত হওয়া যায় (Natural beauty)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Giriraj Singh: ‘‘পশ্চিমবঙ্গ চলছে কিং জং উনের শাসনের মতো’’, বেলডাঙাকাণ্ডে মমতাকে আক্রমণ গিরিরাজের

    Giriraj Singh: ‘‘পশ্চিমবঙ্গ চলছে কিং জং উনের শাসনের মতো’’, বেলডাঙাকাণ্ডে মমতাকে আক্রমণ গিরিরাজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেলডাঙা ইস্যুতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) তীব্র আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা গিরিরাজ সিং (Giriraj Singh)। নিজের মন্তব্যে গিরিরাজ সিং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে উত্তর কোরিয়ার স্বৈরাচারী শাসক কিম জং উনের সঙ্গে তুলনা করেছেন। গিরিরাজ সিং এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তোপ দেগে জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে।

    রোহিঙ্গাদের অভ্যর্থনা জানাতে রেড কার্পেট পেতেছে মমতা সরকার, অভিযোগ গিরিরাজের 

    কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রীর (Giriraj Singh) আরও অভিযোগ, ‘‘তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম গুন্ডারা আধিপত্য কায়েম করেছে এবং বাংলার সরকার রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অভ্যর্থনা জানাতে লাল কার্পেট পেতেছে।’’ তাঁর আরও অভিযোগ, ‘‘হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা বিপন্ন পশ্চিমবঙ্গে।’’ এখানেই উত্তর কোরিয়ার স্বৈরাচারী শাসক কিম জং উনের সঙ্গে মমতার তুলনা টেনে গিরিরাজ সিং (Giriraj Singh) বলেন, ‘‘মমতার মুখ্যমন্ত্রিত্বে রাজ্যে কোনও আইনশৃঙ্খলা নেই। হিন্দুরা পালানোর মতো অবস্থায় আর রোহিঙ্গাদের অভ্যর্থনা জানানো হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ চলছে কিং জং উনের শাসনের মতো। বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে। আওয়াজ উঠলেই দমিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু, এই সরকার আর বেশি দিন টিকবে না।’’ প্রসঙ্গত বিহারের বেগুসরাইয়ের সাংসদ হলেন গিরিরাজ সিং। তিনি আরও অভিযোগ করেছেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবিধানিক কাঠামো মানেন না।’’

    বাংলায় ক্ষমতায় এলে বন্ধ করা হবে অনুপ্রবেশ 

    প্রসঙ্গত, কার্তিক পুজোয় বেলডাঙাতে দুই গোষ্ঠী সংঘর্ষ শুরু হয়। এই সংঘর্ষে কমপক্ষে ১৭ জন আহত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এরপরে গোটা জেলায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রেখেছে প্রশাসন। অন্যদিকে, মহারাষ্ট্র ও ঝাড়খণ্ডের বিধানসভা নির্বাচন সম্পর্কে বলতে গিয়ে গিরিরাজ সিং (Giriraj Singh) বলেন, ‘‘এনডিএ সরকার তৈরি হবে ঝাড়খণ্ড এবং মহারাষ্ট্রে। আমরা যদি একবার ঝাড়খণ্ডে সরকার গঠন করতে পারি, তাহলে বাংলার মধ্য দিয়ে অনুপ্রবেশ বন্ধ করব। আর বাংলায় ক্ষমতা এলে সম্পূর্ণ অনুপ্রবেশ বন্ধ করা হবে।’’ প্রসঙ্গত, সদস্য সমাপ্ত হওয়া ঝাড়খণ্ড ও মহারাষ্ট্রে সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার, এমনটাই উঠে এসেছে বিভিন্ন জনমত সমীক্ষায়। আগামী ২৩ নভেম্বর ২ রাজ্যে ভোট গণনা রয়েছে। ঝাড়খণ্ডে এবারের নির্বাচনে সবথেকে বড় ইস্যু ছিল অনুপ্রবেশ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Stomach cancer: চল্লিশের পরেই পাকস্থলীর ক্যান্সার বাড়াচ্ছে উদ্বেগ! কোন কোন খাবারে বাড়ছে এই রোগ?

    Stomach cancer: চল্লিশের পরেই পাকস্থলীর ক্যান্সার বাড়াচ্ছে উদ্বেগ! কোন কোন খাবারে বাড়ছে এই রোগ?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ক্যান্সারের দাপট বাড়ছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো ভারতেও বাড়ছে এর দাপট। অন্যদিকে, গত কয়েক বছর ধরে দেশ জুড়ে পাকস্থলীর ক্যান্সারে (Stomach cancer) আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষত তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এই ক্যান্সারের দাপট বাড়ার জেরেই উদ্বিগ্ন চিকিৎসক মহল।

    কী বলছে পরিসংখ্যান?

    গত দেড় দশকে দেশ জুড়ে নানা ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়েছে। সেই তালিকায় রয়েছে স্টমাক ক্যান্সার বা পাকস্থলীর ক্যান্সার। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে যে কয়েকটি ক্যান্সার বাড়তি উদ্বেগ তৈরি করছে, সেই তালিকায় প্রথমের দিকেই রয়েছে স্টমাক ক্যান্সার। পুরুষদের মধ্যে সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে, যে সমস্ত ক্যান্সারে পুরুষেরা বেশি আক্রান্ত হন, তার প্রথম পাঁচেই রয়েছে স্টমাক ক্যান্সার। মহিলাদের ক্ষেত্রে তালিকার সাত নম্বরে রয়েছে স্টমাক ক্যান্সার। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, আগেও এই ক্যান্সারের দাপট ছিল। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যেত, পঞ্চান্ন বছরের বেশি বয়সিরা এই রোগে আক্রান্ত হতেন। ষাটোর্ধ্বদের রোগ নির্ণয় করে জানা যেত। কিন্তু গত কয়েক বছরে এই রোগে তরুণ প্রজন্মের আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, চল্লিশের পরেই এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে‌। যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক।

    কেন বাড়ছে স্টমাক ক্যান্সারের দাপট? (Stomach cancer)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, স্টমাক ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ জীবন যাপনের ধরন। তরুণ প্রজন্মের অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপন বিপদ বাড়াচ্ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের একাংশ মদ্যপানকে ‘স্টাইল স্টেটমেন্ট’ ভাবছেন। জন্মদিন হোক বা অফিসের প্রমোশন, মদ বন্ধুমহলে আড্ডা দেওয়ার অবশ্য সঙ্গী হয়ে উঠছে। আর এটাই চরম ক্ষতি করছে। এর পাশপাশি ক্যাফরিন জাতীয় খাবার অর্থাৎ কফি খাওয়ায় অভ্যস্ত হয়ে যাওয়াও আরও একটি কারণ। তরুণ প্রজন্মের (Young generation) একাংশ মারাত্মক কফি পান করতে ভালোবাসে। অনেক সময়েই তারা খালি পেটে একাধিক কাপ কফি খাচ্ছেন‌। এই অভ্যাস ভয়ঙ্কর। পাকস্থলীর জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক। 
    এর পাশপাশি অতিরিক্ত মশলা জাতীয় খাবার এবং চর্বি জাতীয় খাবার পাকস্থলীর ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে বলেও জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, চটজলদি মশলাদার খাবারেই তরুণ প্রজন্মের একাংশ অভ্যস্ত। বার্গার, পিৎজা এখন অনেকের নিয়মিত খাবারের তালিকায় থাকে, যা বিপজ্জনক। এই ধরনের খাবারে থাকে মারাত্মক রাসায়নিক। ফলে এই খাবার পাকস্থলীর জন্য খুবই ক্ষতিকারক। তাই এই ধরনের খাদ্যাভ্যাস থাকলে স্টমাক ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়বে।

    কীভাবে স্টমাকের যত্ন নেবেন?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস একাধিক রোগ মোকাবিলা করতে সাহায্য করে। স্টমাক ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতেও তাই খাবারেই ভরসা রাখছেন চিকিৎসকদের একাংশ। 
    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত টক দই জাতীয় খাবার খেতে হবে। এই ধরনের খাবারে প্রাকৃতিক প্রোবায়োটিক থাকে। অর্থাৎ ভালো ব্যাকটেরিয়া থাকে। যা মানুষের শরীরের পক্ষে উপকারী। তাই নিয়মিত টক দই খেলে পাকস্থলী সুস্থ (Stomach cancer) থাকে‌। 
    ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবার স্টমাকের জন্য বিশেষ উপকারী বলেই জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, আলু, গাজর, টমেটো ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবার। এই ধরনের খাবার পাকস্থলীর কার্যক্ষমতা বাড়ায়। তাই নিয়মিত এই ধরনের সব্জি খেলে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে। 
    পাকস্থলী সুস্থ রাখতে ফাইবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ফাইবার হজমে সাহায্য করে। শরীরে ক্ষতিকারক অ্যাসিড তৈরি করা আটকায়। এর ফলে স্টমাক ভালো থাকে। তাই নিয়মিত ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার মেনুতে রাখা জরুরি। নাশপাতি, আপেল, আটার তৈরি রুটি, বাঁধাকপির মতো সব্জি নিয়মিত খেলে দেহে প্রয়োজনীয় ফাইবারের জোগান বজায় থাকে। এতে শরীর সুস্থ থাকে। 
    ভিটামিন সি শরীর সুস্থ রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। স্টমাক ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতেও ভিটামিন সি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান বলেই জানাচ্ছেন‌ চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, লেবু, বেরি, কিউই জাতীয় ফল নিয়মিত খেলে শরীরে ভিটামিন‌ সি-র চাহিদা সহজে পূরণ হয়। এর ফলে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Manipur: অশান্ত মণিপুর, ইম্ফল উপত্যকায় ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ স্কুল-কলেজ, মোবাইল ইন্টারনেট

    Manipur: অশান্ত মণিপুর, ইম্ফল উপত্যকায় ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ স্কুল-কলেজ, মোবাইল ইন্টারনেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত মণিপুরের (Manipur) ইম্ফল উপত্যকায় শনিবার, ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত সমস্ত স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিল প্রশাসন। প্রসঙ্গত, সে রাজ্যের পড়ুয়াদের ও শিক্ষকদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে রাজ্য সরকার। জানা গিয়েছে, জিরিবামের পাশাপাশি, ইম্ফল পশ্চিম, ইম্ফল পূর্ব, থৌবাই, বিষ্ণুপুর, কাকচিং জেলাতে নতুন করে অশান্তি ছড়াতে শুরু করে। এরই মধ্যে ভোর পাঁচটা থেকে দুপুর বারোটা পর্যন্ত কার্ফুতে কিছু ছাড় দেওয়া হচ্ছে। এই সময়ের মধ্যে জনগণ নিজেদের অতি প্রয়োজনীয় কাজগুলোকে সারতে পারবেন। তবুও অত্যন্ত সতর্কভাবেই এগোতে চাইছে প্রশাসন। নির্দেশ জারি করা হয়েছে যে এই সময়ের মধ্যে কোথাও যেন ভিড় না জমে।

    আরও তিনদিন বন্ধ মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা

    ঠিক এই আবহে মণিপুরের (Manipur) সরকার সাত জেলায় আরও তিনদিন (শনিবার পর্যন্ত) মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সাত জেলা হল— ইম্ফল পূর্ব, ইম্ফল পশ্চিম, কাকচিং, বিষ্ণুপুর, থৌবল, চূড়াচাঁদপুর এবং কাংপোকপি। প্রসঙ্গত, অশান্তি ঠেকাতে ১৬ নভেম্বর থেকে মণিপুরের সাত জেলায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়। পরে ব্রডব্যান্ড পরিষেবা চালু হলেও, মোবাইলে ফেরেনি ইন্টারনেট সংযোগ। এবার তা আরও তিনদিন বৃদ্ধি করা হল।

    চিদম্বরমের বিতর্কিত মন্তব্য, ব্যবস্থার দাবি মণিপুর (Manipur) কংগ্রেসের

    একই সঙ্গে এই আবহে মণিপুর (Manipur violence) কংগ্রেস, দলেরই কেন্দ্রীয় নেতা পি চিদম্বরমের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করার আর্জি জানিয়ে চিঠি লিখল মল্লিকার্জুন খাড়্গেকে। মণিপুরের (Manipur) এই হিংসার ঘটনায় চিদম্বরম প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের দাবি তুলেছিলেন নিজের সমাজমাধ্যমের পোস্টে। এ নিয়েই শুরু হয় জল ঘোলা। দলের সভাপতিকে লেখা চিঠিতে কংগ্রেস নেতারা বলেন, ‘‘আমরা স্বতঃপ্রণোদিতভাবে এই ঘটনা তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। মণিপুরের সংকটের সময় এমন মন্তব্য কখনও মানা যায় না।’’ শুধু তাই নয়, ওই চিঠিতে আরও লেখা হয়েছে, ‘‘এমন ধরনের ভাষা ব্যবহার করেছেন চিদম্বরম, তাতে বর্তমান পরিস্থিতিতে আরও অশান্তি ছড়াবে বলে মনে হচ্ছে।’’

    কুকিদের বিরুদ্ধে মহিলা-শিশুদের অপহরণ ও খুনের অভিযোগ

    সম্প্রতি, মেইতেই সম্প্রদায়ের ছয় জনকে অপহরণ করে তাঁদেরকে হত্যার অভিযোগ ওঠে মণিপুরের কুকি জঙ্গিদের বিরুদ্ধে। প্রসঙ্গত, মণিপুরের (Manipur) উদ্বাস্তু ক্যাম্পে থাকা তিন জন মহিলা সহ তিনজন শিশু হঠাৎই নিখোঁজ হয়ে যায়। মেইতেই সংগঠনের তরফ থেকে দাবি করা হয় যে, তাঁদেরকে অপহরণ করেছে কুকি জঙ্গিরা। গত ১১ নভেম্বর একদল বিক্ষুদ্ধ জনতা বোরোবেকরা অঞ্চলে  পুলিশ স্টেশনের হামলা চালায়। জানা যায়, হামলা চালানোর পরে সেখান থেকে ফেরার সময় তারা তিন মহিলা সহ তিন শিশুকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ওই ৬ জন একই পরিবারের সদস্য ছিলেন। পরবর্তীকালে তাঁদের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। এরপর থেকেই ফের হিংসার আগুনে জ্বলতে থাকে মণিপুর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Krishna Janmabhoomi Case: কৃষ্ণ জন্মভূমি মামলা, আদালত উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি এল পাকিস্তান থেকে

    Krishna Janmabhoomi Case: কৃষ্ণ জন্মভূমি মামলা, আদালত উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি এল পাকিস্তান থেকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এলাহাবাদ হাইকোর্টে চলছে কৃষ্ণ জন্মভূমি মামলা (Krishna Janmabhoomi Case)। এবার সেই আদালতই বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি এল পাকিস্তান (Pakistan) থেকে। নভেম্বরের ১৩ তারিখে ওই হুমকি দেওয়া হয় ২২টি অডিও রেকর্ডিংয়ের মাধ্যমে। অডিও পাঠানো হয়েছিল আশুতোষ পাণ্ডে নামের এক ব্যক্তির কাছে। তিনি কৃষ্ণ জন্মভূমি মামলার একজন আবেদনকারী। মথুরাভিত্তিক শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি মুক্তি নির্মাণ ট্রাস্টের সভাপতিও তিনি।

    হুমকি বার্তা পাকিস্তান থেকে (Krishna Janmabhoomi Case)

    তিনি জানান, এই অডিও বার্তাগুলো হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পাকিস্তানের দুটি নম্বর থেকে পাঠানো হয়। তিনি নভেম্বর ১৩ তারিখ রাত ৯টা ৩৬ মিনিটে এই বার্তাগুলো পান। সেখানেই তিনি এলাহাবাদ হাইকোর্টে বোমা হামলার হুমকি শুনতে পান। বোমা হামলার হুমকির পাশাপাশি বার্তাগুলিতে অশ্লীল ভাষা এবং পাণ্ডেকে ব্যক্তিগতভাবে হুমকি দেওয়া হয়। কলার সতর্ক করে বলে, নভেম্বর ১৯ তারিখে এলাহাবাদ হাইকোর্টে বোমা হামলা করা হবে এবং পরেরদিন পাণ্ডের ওপর হামলা হবে।

    পুলিশের হাতে অডিও ক্লিপ

    অডিও ক্লিপগুলি পুলিশের হাতে তুলে দেন তিনি। পাণ্ডে জানান, একইসঙ্গে তিনি পাকিস্তানের ওই নম্বরগুলি থেকে ফোন কলও পান। সেই কলেও একই ধরনের হুমকি দেওয়া হয়। পাণ্ডে শামলির কান্দলা এলাকার বাসিন্দা। এই হুমকি-বার্তাগুলি তিনি শামলি পুলিশের কাছে জমা দেন। পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের ইমেইলও করেছেন। তিনি বলেন, “এর আগেও আমি একই ধরনের হুমকি পেয়েছিলাম। তাই প্রয়াগরাজ, কৌশাম্বী, ফতেপুর এবং মথুরায় মামলা দায়ের করা হয়েছিল।”

    আরও পড়ুন: শুক্রবারের ‘খুতবা’ দিতে হলে আগাম অনুমতি নিতে হবে, ছত্তিশগড়ের মসজিদগুলিকে নির্দেশ

    শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমিকে (Krishna Janmabhoomi Case) শাহি ইদগাহ মসজিদের নিয়ন্ত্রণ-মুক্ত করতে সব মিলিয়ে আবেদন করেছিলেন ১৮ জন। পাণ্ডে তাঁদেরই একজন। তিনি মসজিদের অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মসজিদ কমিটির কর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নিয়েছিল।

    প্রসঙ্গত, মইনপুরীর জনৈক অজয় প্রতাপ সিং তথ্য জানার অধিকার আইনের আওতায় সারা দেশের মন্দিরগুলির তথ্য জানতে চেয়েছিলেন। তাতে মথুরায় শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থান সম্পর্কেও তথ্য চাওয়া হয়েছিল। এর উত্তর দিতে গিয়ে ১৯২০ সালে প্রকাশিত একটি গেজেটের ভিত্তিতে তথ্য দেয় এএসআই। সেই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, আগে মসজিদের জায়গায় ছিল (Pakistan) কাটরা কেশবদেবের মন্দির (Krishna Janmabhoomi Case)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 198: “সখি, এ প্রাণ তো থাকিবে না—রেখো দেহ তমালের ডালে, আর আবার গায়ে কৃষ্ণনাম লিখে দিও”

    Ramakrishna 198: “সখি, এ প্রাণ তো থাকিবে না—রেখো দেহ তমালের ডালে, আর আবার গায়ে কৃষ্ণনাম লিখে দিও”

    ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    ভক্তসঙ্গে শ্রীরামকৃষ্ণ

    সপ্তম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ১৩ই মে

    শ্রীরামকৃষ্ণ হরিকীর্তনানন্দে — হরিভক্তি-প্রদায়িনী সভায় ও রামচন্দ্রের বাটীতে শ্রীরামকৃষ্ণ

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) কলিকাতায় কাঁসারীপাড়া হরিভক্তি-প্রদায়িনী সভায় শুভাগমন করিয়াছেন; রবিবার (৩১শে) বৈশাখ, শুক্লা সপ্তমী, ১৩ই মে, ১৮৮৩ খ্রীষ্টাব্দ। আজ সভার বার্ষিক উৎসব হইতেছে। মনোহরসাঁই-এর কীর্তন হইতেছে।

    ‘মান’ এই পালা গান হইতেছে। সখীরা শ্রীমতীকে বলছেন (Kathamrita), “মান কেন করলি, তবে তুই বুঝি কৃষ্ণের সুখ চাস না।” শ্রীমতী বলছেন, “চন্দ্রাবলীর কুঞ্জে, যাবার জন্য নয়। সেখানে যাওয়া কেন? সে যে সেবা জানে না!”)

    পরের রবিবার (২০-৫-৮৩) রামচন্দ্রের বাটীতে আবার কীর্তন হইতেছে, মাথুর গান। ঠাকুর আসিয়াছেন। বৈশাখ, শুক্লা চতুর্দশী; ৭ই জ্যৈষ্ঠ। মাথুর গান হইতেছে, শ্রীমতী কৃষ্ণের বিরহে অনেক কথা বলিতেছেন, ”বালিকা অবস্থা থেকেই শ্যামকে দেখতে ভালবাসতাম। সখি, নখের ছনদ দিন গুণিতে ক্ষয় হয়ে গেছে। দেখ, তিনি যে মালা দিয়েছেন, সে মালা শুকায়ে গিয়েছে, তবু ফেলি নাই। কৃষ্ণচন্দ্রের উদয় কোথা হল? সে চন্দ্র, মান রাহুর ভয়ে বুঝি চলে গেল! হায়, সেই কৃষ্ণ মেঘকে আবার কবে দর্শন হবে; আর কি দেখা হবে! বঁধু, প্রাণ ভরে তোমায় কখনও দেখিতে পাই নাই; একে দুটি চোখ তাতে নিমিখ্‌, তাতে বারিধারা। তাঁর শিরে ময়ূর পাখা যেন স্থির বিজলী। ময়ূরগণ সেই মেঘ দেখে পাখা তুলে নৃত্য করত।

    “সখি, এ প্রাণ তো থাকিবে (Kathamrita) না—রেখো দেহ তমালের ডালে, আর আবার গায়ে কৃষ্ণনাম লিখে দিও!”

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) বলিতেছেন (Kathamrita), “তিনি আর তাঁর নাম অভেদ; তাই শ্রীমতী এইরূপ বলছেন। যেই রাম সেই নাম।” ঠাকুর ভাবাবিষ্ট হইয়া এই মাথুর কীর্তন গান শুনিতেছেন। গোস্বামী কীর্তনিয়া এই সকল গান গাইতেছেন। আগামী রবিবারে আবার দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ওই গান হইবে। তাহার পরের শনিবারে আবার অধরের বাড়িতে ওই কীর্তন হইবে।

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Air Pollution: দিল্লির দূষণকে সামনে রেখে সব রাজ্যকে সতর্কবার্তা, নবান্নকেও চিঠি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের

    Air Pollution: দিল্লির দূষণকে সামনে রেখে সব রাজ্যকে সতর্কবার্তা, নবান্নকেও চিঠি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির দূষণ (Air Pollution) নিয়ে কড়া বার্তা কেন্দ্রের। এবার বায়ুদূষণকে সামনে রেখে সব রাজ্যকে চিঠি দিয়ে অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণেরে নির্দেশ দিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Union Health Ministry)। এই চিঠিতে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ-সহ রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতি সাধনের কথা বলা হয়েছে। দূষণ জনিত সমস্যার মোকাবিলার কথা বলে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মমতার সরকারকেও চিঠি পাঠিয়ে অবিলম্বে পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    নবান্নে এসে পৌঁছেছে চিঠি (Air Pollution)

    সদ্য সমাপ্ত উৎসবের মরসুমের পরই বায়ুদূষণের (Air Pollution) কবলে নাজেহাল দিল্লি সহ আরও বড় বড় শহর। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Union Health Ministry) পক্ষ থেকে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এই মর্মে চিঠি এসে পৌঁছেছে নবান্নে। সোমবার রাতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে চিঠিটি পাঠিয়েছেন সচিব পুণ্যসলিলা শ্রীবাস্তব। চিঠিতে তিনি লিখেছেন, “গত কয়েক বছরে দেশের বায়ুদূষণের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। বায়ুদূষণের প্রভাবে শুধুমাত্র অসুস্থতাই নয়, শ্বাসযন্ত্র প্রভাবিত হয়ে শরীরে দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা তৈরি করছে। একই ভাবে কার্ডিয়োভাস্কুলার সিস্টেমেও বড়সড় সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এই সব রোগের মোকাবিলা করতে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরগুলিকে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

    শিশু ও গর্ভবতী মহিলাদের স্বাস্থ্যে খারাপ প্রভাব

    বায়ুদূষণ (Air Pollution) বড়সড় প্রভাব ফেলতে যে চলেছে, তা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Union Health Ministry) আগে থেকেই চিঠি দিয়ে রাজ্যগুলিকে সতর্কবার্তা দিয়েছে। দূষণ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে গত ১৯ অক্টোবর রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্র। চিঠিতে জনসচেতনতা এবং উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। কারণ বায়ুদূষণ শিশু, গর্ভবতী মহিলা এবং প্রবীণ নাগরিকদের স্বাস্থ্যে ব্যাপক প্রভাব ফেলছে। এই দূষণজনিত রোগে আক্রান্ত হলে কী করণীয়, সেই বিষয়েও সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রচারের জন্য নির্দেশিকা প্রকাশ করে প্রচার-প্রসার করার কথা বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: বন্ধু মাক্রঁ ও স্টারমারের সঙ্গে সাক্ষাত মোদির, জি-২০ বৈঠকের ফাঁকে কী নিয়ে আলোচনা?

    ‘অ্যাকশন প্ল্যান’ তৈরির নির্দেশিকা

    এই শীতকালের শুরুতে কেবল শহর নয়, গ্রামীণ এলাকায় দূষণের (Air Pollution) প্রকোপ কীভাবে পড়তে চলেছে সেই বিষয়েও আশঙ্কাও প্রকাশ করেছে কেন্দ্র সরকার (Union Health Ministry)। ‘ন্যাশনাল প্রোগ্রাম অন ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড হিউম্যান হেল্‌থ’ (এনপিসিসিএইচএইচ)-এর অধীনে শহরতলি এবং জেলার গ্রামীণ এলাকাগুলিতে ‘অ্যাকশন প্ল্যান’ তৈরি করার কথা বলেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। ইতিমধ্যে দিল্লিতে যে ভাবে দূষণের মাত্রা ছড়িয়েছে তাতে কেন্দ্রের উদ্বেগ ক্রমশ বেড়েই চলছে। এনপিসিএইচএইচ-এর একটি বায়ুদূষণের প্রতিবেদনে খারাপ প্রভাবের প্রসঙ্গের কথা বলতে গিয়ে বলা হয়েছে, ভারতের মোট মৃত্যুর ১৮ শতাংশ বায়ুদূষণ জনিত কারণে ঘটছে। এই বায়ুদূষণের জেরে ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ ৩৪.৫%, ইস্কেমিক হার্ট ডিজিজ ২৯.২%, স্ট্রোক ১৬.২% এবং নিম্ন শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ ১১.২% বলে জানানো হয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Winter infections: তাপমাত্রার পারদ নামতেই বাড়ছে সংক্রমণ! হাঁচি-কাশি-গলাব্যথার মতো নানা উপসর্গে কাবু?

    Winter infections: তাপমাত্রার পারদ নামতেই বাড়ছে সংক্রমণ! হাঁচি-কাশি-গলাব্যথার মতো নানা উপসর্গে কাবু?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের পরেই বদলে গিয়েছে আবহাওয়া। চলতি সপ্তাহে তাপমাত্রার পারদ অনেকটাই কমেছে। তবে আবহাওয়ার এই বদলে‌ বাড়ছে ভোগান্তি। বিশেষত প্রবীণদের একাংশ বাড়তি ভোগান্তির শিকার। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ষাটোর্ধ্বদের অধিকাংশের হাঁচি-কাশি-গলাব্যথার মতো নানান উপসর্গ (Winter infections) দেখা দিচ্ছে। আবার ফুসফুসের নানান সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ছে। ফলে শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা দেখা দিচ্ছে। একাধিক ভাইরাস ঘটিত সংক্রমণের জেরে জ্বরও হচ্ছে। 

    কেন এই আবহাওয়ায় বাড়ছে নানা রোগের দাপট? (Winter infections)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশু এবং বয়স্কদের মধ্যেই নানা রোগের প্রকোপ বাড়ছে‌। তবে এই বছরে বয়স্কদের ভোগান্তি বেশ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। অধিকাংশ প্রবীণ নাগরিক নানা ভাইরাস ঘটিত সংক্রমণের জেরে জ্বরে আক্রান্ত। তার সঙ্গে দেখা দিচ্ছে বক্ষঃরোগের দাপট। শ্বাসনালীতে সংক্রমণও দেখা দিচ্ছে। যার জেরে হাঁচি-কাশির মতো সমস্যা হচ্ছে। নানান অ্যালার্জি ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। ফুসফুসের সংক্রমণে আক্রান্তের সংখ্যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শহরের একাধিক সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে শ্বাসকষ্টের সমস্যায় আক্রান্ত প্রবীণ রোগীদের ভিড় বাড়ছে। বিশেষত ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজে আক্রান্তদের ভোগান্তি বেশি হচ্ছে।

    এই ভোগান্তির অন্যতম কারণ আবহাওয়ার পরিবর্তন বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শীতের শুরুতে আবহাওয়ার পরিবর্তন হয়। এর জেরে একদিকে তাপমাত্রার পারদ হঠাৎ করেই কমে যায়। আবার, বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ অনেকটাই বেড়ে যায়। আর সব মিলিয়ে সক্রিয় হয়ে ওঠে একাধিক ভাইরাস। ফলে ভোগান্তি (Sneezing-cough-sore throat) বাড়ে। তার উপরে প্রবীণদের মধ্যে ফুসফুসের রোগের প্রকোপ বাড়ছে। তাই এই আবহাওয়াতে ভোগান্তি বাড়ছে।

    কীভাবে মোকাবিলা করবেন?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বাড়তি সতর্কতা জরুরি। বিশেষত বয়স্কদের সুস্থ থাকার জন্য বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রবীণদের অনেকেই ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যায় ভোগেন (Winter infections)। তার জন্য নিয়মিত ওষুধ খান। চিকিৎসকদের পরামর্শ মতো নিয়মিত ওষুধ খেতে হবে। সেই ওষুধের ডোজে হেরফের করা চলবে না। এতে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। নিয়মিত কিছু শারীরিক কসরত করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শীতের শুরুতে অনেকেই পেশি ও রক্ত সঞ্চালনের নানা সমস্যায় ভোগেন। তাই নির্দিষ্ট কিছু শারীরিক কসরত নিয়মিত করা জরুরি। এতে শরীরে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হবে। শরীর সুস্থ থাকবে।

    জল পর্যাপ্ত খাওয়া জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তাপমাত্রার পারদ পড়ে যাওয়ায় অনেকেই জল খেতে চান না। ফলে শরীরে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি তৈরি হয়। নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খেলে শরীরে ভাইরাস সংক্রমণের (Winter infections) ঝুঁকিও কমানো সহজ হয়।

    খাবারে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। সহজপাচ্য খাবার নিয়মিত খেতে হবে। তবে ব্যালান্স ডায়েট জরুরি। অর্থাৎ ভাত-রুটির সঙ্গে পরিমিত সব্জি, প্রাণীজ প্রোটিন যেমন মাছ-ডিম-মাংস নিয়মিত খাওয়া দরকার। সঙ্গে অবশ্যই রাখতে হবে দুধ কিংবা দুগ্ধজাত কোনও খাবার। তাহলে শরীর সহজে এনার্জি পাবে। রোগ প্রতিরোধ শক্তি বজায় থাকবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RSS: নাগপুরের রেশমবাগের ডাক্তার হেডগেওয়ার স্মৃতি মন্দিরে শুরু আরএসএসের বিশেষ প্রশিক্ষণ শিবির

    RSS: নাগপুরের রেশমবাগের ডাক্তার হেডগেওয়ার স্মৃতি মন্দিরে শুরু আরএসএসের বিশেষ প্রশিক্ষণ শিবির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরএসএস (RSS) ২৫ দিনের বিশেষ কার্যকর্তা বিকাশ বর্গ শুরু করেছে নাগপুরের রেশমবাগের ডাক্তার হেডগেওয়ার স্মৃতি মন্দিরে (Dr. Hedgewar)। জানা গিয়েছে, রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের প্রশিক্ষণবর্গের সাধারণ যে কাঠামো তার থেকে এই বর্গ কিছুটা আলাদা। এই প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্যে হল, ব্যক্তি মনে রাষ্ট্রীয় ঐক্য এবং সহানুভূতির পুনঃজাগরণ ঘটানো। সামাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সঙ্ঘের স্বয়ং সেবকদের পূর্ণ সমর্পণের ভাবনা নিয়ে এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়ে থাকে।

    মোট ৮৬৮ জন অংশ গ্রহণ করেন (RSS)

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, আরএসএস-এর (RSS) সহ সরকার্যবাহ কৃষ্ণগোপালজি, মুকুনন্দজি এবং রামদত্তাজি। একই ভাবে উপস্থিত ছিলেন, অখিল ভারতীয় সহ সেবা প্রমুখ এবং বর্গ পালক রাজকুমারজি মাতালে। এছাড়াও ছিলেন, যোধপুর প্রান্ত সঙ্ঘচালক হরদয়াল ভার্মাজিও উপস্থিত ছিলেন। সকলেই ভারত মায়ের মূর্তিতে পুষ্পাঞ্জলি দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন। হেডগেওয়ার স্মৃতি মন্দিরের (Dr. Hedgewar) এই প্রশিক্ষণ বর্গে ৪০ বছরের ঊর্ধ্বে মোট ৮৬৮ জন প্রতিনিধি অংশ গ্রহণ করেছেন। আগামী ২৫ দিন ধরে এই প্রশিক্ষণ শিবির চলবে। শিবির সমাপ্ত হবে ১২ ডিসেম্বর। এই বর্গে সামজিক সচেতনতা এবং দায়িত্ব-কর্তব্য বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

    মানুষের সেবা এবং সর্বোপরি রাষ্ট্রই প্রকৃত ধর্ম

    রেশমবাগের ডাক্তার হেডগেওয়ার (Dr. Hedgewar) স্মৃতি মন্দিরের (RSS) এই প্রশিক্ষণ শিবিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে, বর্গের পালক রাজকুমারজি মাতালে বলেন, “সমাজ জীবনে ব্যক্তি নির্মাণ একান্ত প্রয়োজন। রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা, দেশপ্রেম এবং পরস্পর সহাবস্থান একান্ত অপরিহার্য। সঙ্ঘে এই প্রশিক্ষণ একান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিভিন্ন সামাজিক কাজের সঙ্গে একাধিক প্রদেশে প্রশিক্ষণ বর্গেরও আয়োজন করা হয়। তবে নাগপুরের এই বর্গ বিশেষ বর্গ। একে কার্যকর্তা প্রশিক্ষণ বর্গ বলা হয়। অংশ নেওয়া প্রতিনিধিরা শিক্ষা গ্রহণ করবেন এবং এরপর বাস্তব জীবনে গিয়ে তার প্রয়োগ করবেন। মানুষের সেবা এবং সর্বোপরি রাষ্ট্রই প্রকৃত ধর্ম। মহতি শাখা থেকে ডাক্তারজি কাজ শুরু করেছিলেন। স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন যে কোনও ভালো কাজ করতে গেলে নানা বাধা আসে। উপহাস, সমালোচনা হয়। কিন্তু পরে পরেই গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়ে। আজ সঙ্ঘ সামাজিক কাজে মানুষের মনে বিরাট জায়গা করে নিয়েছে। যারা প্রথমে সমালোচনা করেছে, তারা আজ সঙ্ঘের কাজে যোগদান করছে।”

    ১৯২৫ সালে নাগপুরে বিজয় দশমীর দিনে স্থাপনা

    রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘ (RSS) ১৯২৫ সালে নাগপুরে বিজয় দশমীর দিনে স্থাপনা করেছিলেন ডাক্তার কেশব বলিরাম হেডগেওয়ার (Dr. Hedgewar)। কলকাতায় ডাক্তারি পড়তে এসেছিলেন তিনি। বিপ্লবী সংগঠন অনুশীলন সমিতি, যুগান্তর দল, গুপ্ত সমিতির সঙ্গে পরিচিত হন। স্বাধীনতার আন্দোলনে যোগদান করেন। দেশ রক্ষা ধর্ম রক্ষার প্রয়োজন অনুভব করেন। এরপর হিন্দু সমাজকে রক্ষার জন্য আরএসএস স্থাপনা করেন নাগপুরে। ১৯২৭ সাল থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রশিক্ষণ বর্গ শুরু করেন। প্রথম প্রশিক্ষণে মাত্র ১৭ জন যোগদান করেছিলেন। একমাত্র জরুরি অবস্থা এবং করোনার সময় প্রশিক্ষণ শিবির বন্ধ ছিল। বর্গের ধারার এখনও প্রবাহ বয়ে চলছে।

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    অধিক কাজের জন্য অধিক কার্যকর্তা

    সময়ের প্রয়োজন এবং সমাজের চাহিদাকে সামনে রেখে সঙ্ঘ নিজের প্রশিক্ষণেও পরিবর্তন এনেছে। কঠিন সঙ্কটে কী করণীয়, কীভাবে অস্তিত্বকে টিকিয়ে রেখে সংগ্রাম করতে হয় সেই বিষয়ে বিশেষ শিক্ষা দেওয়া হয়। একই ভাবে ভারতীয় ইতিহাসবোধ, দৃষ্টিভঙ্গি এবং পরম্পরা-ঐতিহ্যের বিশেষ পাঠ দেওয়া হয়। শুধু সমাজের সামালোচনাই নয়, সেই সঙ্গে গঠন মূলক ইতিবাচক সমাধানের রাস্তার কথাও বলতে হয়। এই বছর থেকে সঙ্ঘের শতবর্ষ কর্মসূচির সূচনা হয়েছে। প্রত্যেক গ্রাম, নগর এবং শহরে সঙ্ঘকাজকে (RSS) নিয়ে যাওয়ার বিরাট পরিকল্পনা করা হয়েছে। তাই অধিক কাজ এবং অধিক কাজের জন্য বেশি সংখ্যক মানুষকে যোগদান করানো প্রধান কাজ বলে মনে করে আরএসএস। তাই স্বয়ং সেবকদের সমাজের সকল স্তরে ছড়িয়ে পড়ার কথাও বলে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘ।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share