Tag: news in bengali

news in bengali

  • Delhi Pollution: দিল্লিতে বায়ু দূষণের জের, সব শ্রেণির ক্লাস অনলাইনে করার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Delhi Pollution: দিল্লিতে বায়ু দূষণের জের, সব শ্রেণির ক্লাস অনলাইনে করার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি দূষণের (Delhi Pollution) মাত্রা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। শীতের মরশুমের আগেই স্বাভাবিক জনজীবন বিশেষ ভাবে ব্যাহত হয়ে পড়েছে। সোমবার ছিল দিল্লিতে বছরের দুষিততম দিন। সেদিনই, সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, রাজধানীর স্কুলগুলিতে সব শ্রেণির ক্লাস অনলাইনে করতে হবে। মঙ্গলবার থেকেই এই নিয়ম কার্যকর করা হয়। একই ভাবে দিল্লি এবং রাজধানী-লাগোয়া তিন রাজ্যের একাংশে স্কুল বন্ধ রাখার কথা বলে প্রশাসনকে নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট।

    কেন দ্বাদশ শ্রেণির ক্লাস খোলা? সুপ্রিম-প্রশ্ন  (Delhi Pollution)

    নতুন বিধিনিষেধ অনুযায়ী রাজধানীতে (Delhi Pollution) কেবলমাত্র একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণির জন্য স্কুল খোলা রাখার নির্দেশ জারি করেছিল দিল্লির আপ সরকার। বাকি শ্রেণির জন্য অনলাইন ক্লাসের নির্দেশ জারি হয়েছিল। কিন্তু দিল্লি আপ সরকারের এই নির্দেশ সোমবার সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্নের মুখে পড়ে। বিচারপতি অভয় এএস ওকা এবং বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মসিহর বেঞ্চ-এর প্রশ্ন তোলেন, একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণির (School) পড়ুয়াদের ফুসফুস কি আলাদা? এর পরই, সব শ্রেণির ক্লাস অনলাইনে করার নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত।

    স্কুল বন্ধ মানে পড়াশুনা বন্ধ নয়

    সুপ্রিম কোর্ট, দিল্লি ছাড়াও জাতীয় রাজধানী অঞ্চলের মধ্যে থাকা হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থানের বেশ কিছু অঞ্চলেও স্কুল (School) বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। পড়ুয়াদের দূষণের হাত থেকে রক্ষা পেতে কোর্ট এই নির্দেশ দিয়েছে বলে অনেকে মনে করছেন। তবে স্কুল বন্ধ মানে পড়াশুনা বন্ধ এমন কিছু ভাবনা নয়। সশরীরে স্কুলে উপস্থিত না থাকলেও অনলাইনে বাড়িতে বসে ক্লাস করতে হবে ছাত্র-ছাত্রীদের। উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে ‘গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান’ (গ্র্যাপ-৪) চালু করেছে দিল্লি সরকার (Delhi Pollution)। আট দফা বিধিনিষেধ কার্যকর করা হয়েছে। প্রথমে প্রাথমিক স্কুলগুলির ক্লাস অনলাইনে করানোর নির্দেশ দিয়েছিল দিল্লির আপ সরকার। পরে দশম শ্রেণি পর্যন্ত অনলাইনে ক্লাস করানোর কথা বলা হয়।

    আরও পড়ুন: বন্ধু মাক্রঁ ও স্টারমারের সঙ্গে সাক্ষাত মোদির, জি-২০ বৈঠকের ফাঁকে কী নিয়ে আলোচনা?

    কোর্টের প্রশ্ন

    সোমবারের শুনানিতে আপ সরকারকে ধমক দেন বিচারপতিদ্বয়। তাঁরা জানতে চান, দূষণ (Delhi Pollution) নিয়ন্ত্রণের জন্য কড়া পদক্ষেপ নিতে এত বিলম্ব কেন করছে প্রশাসন? সেই সঙ্গে আরও বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত চতুর্থ পর্যায়ের ‘গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান’ (গ্র্যাপ-৪) বহাল রাখতে হবে। আদালতের অনুমতি ছাড়া তা তোলা যাবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tirupati: তিরুপতি মন্দিরের বড় সিদ্ধান্ত, কর্মকাণ্ড থেকে বাদ অহিন্দুরা, প্রাঙ্গণে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক বিবৃতি

    Tirupati: তিরুপতি মন্দিরের বড় সিদ্ধান্ত, কর্মকাণ্ড থেকে বাদ অহিন্দুরা, প্রাঙ্গণে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক বিবৃতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতি (Tirupati) ভেঙ্কটেশ্বর মন্দিরে যে কোনও রকমের কাজে আর নিযুক্ত থাকতে পারবেন না অহিন্দুরা। সোমবার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তিরুপতি মন্দিরের পরিচালন সংস্থা। প্রসঙ্গত, তিরুপতি মন্দিরের পরিচালন সংস্থার নাম হল তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানম (টিটিডি)। এমন প্রস্তাব পাশ করার বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানমের (Tirupati Temple) চেয়ারম্যান বিআর নাইডু। তবে এখনও পর্যন্ত সঠিক তথ্য জানা যায়নি, ঠিক কতজন অহিন্দু কর্মচারী সেখানে নিযুক্ত রয়েছেন। স্থানীয় একটি সূত্র ইতিমধ্যে সংবাদ মাধ্যমের কাছে দাবি করেছে, মন্দিরের দৈনন্দিন ও প্রশাসনিক নানা রকমের কাজের জন্য অন্তত ৭,০০০ স্থায়ী কর্মচারী রয়েছেন। এই কর্মচারীদের মধ্যে অন্তত ৩০০ জন অ-হিন্দু সম্প্রদায়ের। প্রসঙ্গত, স্থায়ী কর্মী ছাড়া অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতি তিরুমালা মন্দিরের (Tirupati) ১৪ হাজার অস্থায়ী কর্মী রয়েছেন। প্রসঙ্গত, মন্দির কমিটি এও সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে তিরুমালা পাহাড়ে কোনও রাজনৈতিক বিবৃতি দেওয়া যাবে না।

    সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বেশিরভাগ কর্মচারী সংগঠন

    মন্দির কর্তৃপক্ষের পাশ করা প্রস্তাবে বলা হয়েছে, মন্দিরের অ-হিন্দু কর্মচারীদের হয় স্বেচ্ছাবসর নিতে হবে, না হলে তাঁদের অন্য সরকারি দফতরে বদলি করা হবে। এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বেশিরভাগ কর্মচারী সংগঠনই। একটি কর্মচারী সংগঠনের মতে, তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানম-এর যে বিধির কথা এতদিন বলা হচ্ছিল, এতদিনে তা কার্যকর করা হল। প্রসঙ্গত, গত ৩১ অক্টোবরই তিরুমালা তিরুপতি (Tirupati Temple) দেবস্থানমের চেয়ারম্যান করা হয় বিআর নাইডুকে। তারপরেই তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, গোটা মন্দিরের প্রশাসন হিন্দুদের দ্বারাই পরিচালনা করা হবে।

    সাম্প্রতিক লাড্ডু বিতর্ক (Tirupati)  

    প্রসঙ্গত, এর আগেও একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তিনবার তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানমের আইনেও বদল করা হয়েছিল। সে সময় বলা হয়েছিল যে মন্দির পরিচালন করবেন হিন্দুরাই। কিন্তু এর পরেও বহু অহিন্দু সম্প্রদায়ের কর্মচারী মন্দিরের প্রশাসনিক নানা কাজে নিযুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, এরপরে চন্দ্রবাবু নাইডুর সরকার ক্ষমতায় আসতেই ফের বিষয়টি মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। তারপরে আবার লাড্ডু বিতর্কে সংবাদ শিরোনামে এসেছিল তিরুপতি মন্দির। তেলুগু দেশম পার্টির নেতা চন্দ্রবাবু নাইডুর অভিযোগ, পূর্বতন জগন্মোহন রেড্ডি সরকারের আমলে প্রসাদী লাড্ডু বানানোর সময় ঘি এর সঙ্গে পশুর চর্বি মেশানো হত। এক্ষেত্রে গুজরাতের এক সরকারি ল্যাবরেটরির জুলাই মাসের রিপোর্ট উদ্ধৃত করেন অন্ধ্রের মুখ্যমন্ত্রী। এরপরেই মন্দিরের পবিত্রতা রক্ষার ইস্যুটি ফের সামনে চলে আসে।

    সংবিধানসম্মত সিদ্ধান্ত

    প্রসঙ্গত, তিরুমালা তিরুপতি (Tirupati) দেবস্থানমের এই প্রস্তাব ইতিমধ্যে অন্ধপ্রদেশ সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। গতকাল সোমবারই প্রস্তাব পাঠানো হয়। মন্দির কমিটি যে প্রস্তাব পাশ করেছে সেখানে ভারতের সংবিধানের মৌলিক অধিকারের ১৬(৫) অনুচ্ছেদই প্রতিফলিত হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলি শুধুমাত্র সেই ধর্মেরই ব্যক্তিদের নিয়োগ করবে, যাঁদের ওই মন্দির প্রতিষ্ঠানের প্রতি বিশ্বাস ও আস্থা রয়েছে। এরফলে পবিত্রতা রক্ষা করা যায় ধর্মস্থানের।

    সম্প্রতি অন্ধ্রের হাইকোর্টের রায়

    জানা গিয়েছে, তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানমের (Tirupati Temple) এই বৈঠক সেখানকার অন্নময় ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রসঙ্গত, তিরুমালা তিরুপতি মন্দিরকে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী হিন্দু মন্দির হিসেবে বিবেচনা করা হয়। প্রসঙ্গত, ওই বৈঠকের প্রস্তাব হাতে পেতেই অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু ঘোষণা করেছেন, মন্দিরের সমস্ত অহিন্দু কর্মচারীদের স্বেচ্ছা অবসর স্কিম দেওয়া হবে অথবা তাঁদেরকে অন্য সরকারি বিভাগে স্থানান্তর করা হবে। প্রসঙ্গত, প্রায় প্রতিটি কর্মচারী সংগঠনই এই সিদ্ধান্তের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। তারা এক্ষেত্রে বলছেন যে অন্ধ্রপ্রদেশ এনডাউসমেন্ট অ্যাক্ট, টিটিডি অ্যাক্ট এবং ১৯৮৯ সালের একটি সরকারি আদেশের সঙ্গেও এই নির্দেশ সম্পূর্ণভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি অন্ধ্র হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণ করে, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে যে সমস্ত কর্মী কাজ করবেন, তাঁদেরকে ওই প্রতিষ্ঠানের যে বিশ্বাস সেটাকে মেনে চলতে হবে। মনে করা হচ্ছে, অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্টের এই পর্যবেক্ষণে আরও ত্বরান্বিত হয়েছে মন্দির কমিটির এই সিদ্ধান্ত।

    সরছে বেসরকারি ব্যাঙ্ক থেকে অ্যাকাউন্ট 

    একই সঙ্গে তিরুমালা তিরুপতি বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছে, মন্দিরের আর্থিক নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে বেসরকারি ব্যাঙ্ক থেকে তাদের সমস্ত অ্যাকাউন্ট সরকারি ব্যাঙ্কে স্থানান্তর করা হবে। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত পরবর্তী বোর্ড মিটিংয়ে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে মন্দির কমিটির কর্মকর্তারা।
    জানা গিয়েছে, বর্তমানে তিরুপতি মন্দিরের দেবতা দর্শন করতে দর্শনার্থীদের অপেক্ষা করতে হয় কুড়ি থেকে ত্রিশ ঘণ্টা। মন্দির কমিটি এই বিষয়টি নিয়েও বিবেচনা করছে বলে জানা গিয়েছে। আগামী দিনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে অপেক্ষার সময় দুই থেকে তিন ঘণ্টা কীভাবে কমিয়ে আনা যায় তাও ভাবা হচ্ছে।

    রাজনৈতিক বিবৃতি দেওয়া যাবে না তিরুমালা পাহাড়ে 

    একইসঙ্গে ভারতবর্ষের গুরুত্বপূর্ণ এই মন্দিরে আধ্যাত্মিকতা এবং অরাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখতেও উদ্যোগী হয়েছে মন্দির সমিতি। ঠিক এই কারণে সেজন্য বোর্ড আরও কতগুলি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিরুমালা মন্দিরে কোনও রকমের রাজনৈতিক বিবৃতি দেওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি মন্দির সমিতির তরফ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাঙ্গণে যে কোনও রাজনৈতিক দল তাদের অ্যাজেন্ডা যদি প্রচার করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    একইসঙ্গে, তিরুমালা মন্দিরের ব্রহ্মোৎসবে অংশগ্রহণকারী কর্মচারীদের ভাতা ১০ শতাংশ বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। তিরুপতি মন্দিরের আশেপাশের বাসিন্দারা প্রতি মাসের প্রথম মঙ্গলবার বিশেষ দর্শন করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Moody’s: বাংলাদেশের ঋণমান ফের কমাল মুডি’স, ইউনূসের দেশের অর্থনীতির পূর্বাভাসও ‘নেতিবাচক’

    Moody’s: বাংলাদেশের ঋণমান ফের কমাল মুডি’স, ইউনূসের দেশের অর্থনীতির পূর্বাভাসও ‘নেতিবাচক’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের হাল ধরতে ব্যর্থ হয়েছেন বাংলাদেশের (Bangladeshs Ratings) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস। সম্প্রতি এ খবর জানিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রাইসিস গ্রুপ। এহেন আবহে প্রকাশ্যে এল আন্তর্জাতিক ক্রেডিট রেটিং সংস্থা মুডি’স-এর রিপোর্ট (Moody’s)। তাতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারের দীর্ঘমেয়াদি ঋণমান এবং সিনিয়র আনসিকিওরড রেটিংস ‘বি ১’ থেকে কমিয়ে ‘বি ২’ করেছে। স্বল্পমেয়াদি ঋণমান রেটিংসকে ‘নট প্রাইম’ বা ‘শ্রেষ্ঠ গুণসম্পন্ন নয়’ করা হয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক পূর্বাভাস স্থিতিশীল থেকে কমিয়ে করা হয়েছে নেতিবাচক। এর আগে, গত মে মাসে বাংলাদেশের ঋণমান এক ধাপ কমিয়ে ‘বিএ৩’ থেকে ‘বি১’-এ নামিয়ে দেয় মুডি’স।

    রাজনৈতিক ঝুঁকি (Moody’s)

    মুডি’স সোমবার জানিয়েছে, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতার ফলে সরকার পরিবর্তন হয়েছে, যা রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়িয়েছে এবং নিম্নতর প্রবৃদ্ধি তৈরি করেছে। এর ফলে সরকারি অস্থিরতার ঝুঁকি, বৈশ্বিক ভঙ্গুরতা এবং ব্যাঙ্কিং খাতের ঝুঁকি বেড়েছে। বিশ্বব্যাপী এই রেটিং সংস্থা জানিয়েছে, চলমান রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং দুর্বল প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশকে তার ঘাটতি পূরণের জন্য ক্রমবর্ধমানভাবে স্বল্পমেয়াদি অভ্যন্তরীণ ঋণের ওপর নির্ভর করতে বাধ্য করছে, যা আদতে বাড়াচ্ছে লিক্যুইডিটি ঝুঁকি।

    মুডিসে’র বক্তব্য

    মুডি’স (Moodys) জানিয়েছে, সম্পদের গুণগত মানের ওপর উচ্চ ঝুঁকি ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থায় কাঠামোগতভাবে দুর্বল মূলধন ও লিক্যুইডিটিকে আরও জোরদার করে, সার্বভৌম সরকারের জন্য সম্ভাব্য দায়বদ্ধতার ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে। উন্নত রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে ঋণ বিতরণ করা সত্ত্বেও, গত কয়েক বছরে মজুত অর্থ ধারাবাহিকভাবে কমে যাওয়ায় বহিরাগত ঝুঁকি দুর্বল রয়ে গিয়েছে।

    উচ্চ সামাজিক ঝুঁকি, একটি সুস্পষ্ট নির্বাচনী রোডম্যাপের অভাব, আইনশৃঙ্খলার অবনতি এবং সম্প্রদায়ভিত্তিক উত্তেজনার পুনরুত্থান রাজনৈতিক ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলেছে। মুডি’স জানিয়েছে, বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে আরও নীচে নেমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এটি দেশের দুর্বল আর্থিক অবস্থাকে আরও চাপের মুখে ফেলতে পারে, বাড়িয়ে তুলতে পারে বহিরাগত ঝুঁকি।

    আরও পড়ুন: ‘‘এক দশকে দেশের ২৫ কোটি মানুষের দারিদ্রতা দূর করা গিয়েছে’’, জি২০ সম্মেলনে বললেন মোদি

    এই ঝুঁকিগুলি তৈরি হয়েছে দুর্বল দেশীয় চাহিদা এবং সাম্প্রতিক প্রতিবাদ ও আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার কারণে সরবরাহে বাধা থেকে। এটি রফতানি সম্ভাবনা অনিশ্চিত করে তুলছে, নষ্ট করছে রেডিমেড পোশাক ক্ষেত্রের সম্ভাবনাকে। মুডি’স এও জানিয়েছে, যদিও অন্তর্বর্তী সরকার একটি বিস্তৃত সংস্কার অ্যাজেন্ডার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তবুও তার বাস্তবায়ন ক্ষমতা অনিশ্চিত রয়ে গিয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও উচ্চ বেকারত্ব (Bangladeshs Ratings) মোকাবিলায় ব্যর্থ হলে দুর্বল হয়ে পড়বে বাংলাদেশের (Moodys) রাজনৈতিক ভিত্তি। তাতে বিপদ বাড়বে বই কমবে না!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
     
  • CCI: গোপনীয়তা নীতি লঙ্ঘন, হোয়াটসঅ্যাপকে ২১৩ কোটি জরিমানা করল কেন্দ্রীয় সংস্থা সিসিআই

    CCI: গোপনীয়তা নীতি লঙ্ঘন, হোয়াটসঅ্যাপকে ২১৩ কোটি জরিমানা করল কেন্দ্রীয় সংস্থা সিসিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোয়াটসঅ্যাপের গোপনীয়তা নীতি নিয়ে অভিযোগ, প্রতিযোগিতা কমিশন বা সিসিআইয়ের (CCI) তরফে ২১৩.১৪ কোটি টাকা জরিমানা করা হল জুকেরবার্গের সংস্থাকে। অভিযোগ, হোয়াট্‌সঅ্যাপ গোপনীয়তা নীতি বদলের মাধ্যমে প্রতিযোগিতার নিয়ম ভাঙছে, তাই এই জরিমানা বলে জানিয়েছে সিসিআই (CCI)। জুকেরবার্গের সংস্থা অবশ্য জানিয়েছে, পুরো বিষয়টি নিয়ে আবেদন করা হবে। জুকেরবার্গের সংস্থা মেটাকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতেও বলা হয়েছে। নয়া নির্দেশে বলা হয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপকে ইউজারদের ডেটা শেয়ার করতে হলে বিস্তৃত ব্যাখ্যা দিতে হবে।

    ব্যবহারকারীদের তথ্য মেটার অন্য অ্যাপ্লিকেশনের সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছিল হোয়াটসঅ্যাপ

    প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে গোপনীয়তা নীতি বদল করে হোয়াটসঅ্যাপ। সিসিআইয়ের অভিযোগ, হোয়াটসঅ্যাপের গোপনীয়তা নীতি বদল করার পর বিজ্ঞাপনের উদ্দেশ্যে মেটা (Meta) পরিচালিত অ্যাপ্লিকেশনগুলির সঙ্গে ব্যবহারকারীর তথ্য ভাগ করে নেওয়া হচ্ছিল। প্রতিযোগিতা কমাতেই এমনটা করা হচ্ছিল বলে জানিয়েছে সিসিআই (CCI)। এর পরেই মেটার ওপর ২১৩ কোটির জরিমানার বোঝা চাপায় এই কেন্দ্রীয় সংস্থা। জানা গিয়েছে, গ্রাহকের তথ্য সংগ্রহ ও সেগুলি ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুকের মতো মেটার শাখার সঙ্গে ভাগ করা থেকে বিরত থাকতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে হোয়াটসঅ্যাপকে। কেন্দ্রীয় সংস্থা হোয়াটসঅ্যাপকে এভাবে ডেটা শেয়ার করার ক্ষেত্রে পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

    আবেদন জানাবে মেটা (Meta)

    অন্যদিকে সিসিআইয়ের (CCI) এই অভিযোগের বিরুদ্ধেই এবার আবেদন করার কথা জানাল মেটা। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মেটার এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, তাঁদের সংস্থা সিসিআইয়ের পর্যবেক্ষণের সঙ্গে একমত নয় এবং তারা আবেদন করতে চায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Manipur Crisis: “মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ”, মেইতেই হত্যাকাণ্ডে মন্তব্য মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রীর

    Manipur Crisis: “মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ”, মেইতেই হত্যাকাণ্ডে মন্তব্য মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ নীরবতা ভাঙলেন মণিপুরের (Manipur Crisis) মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং (Biren Singh)। মেইতেই পরিবারের ছ’জন নারী ও শিশুকে অপহরণ ও হত্যার ঘটনাকে তিনি অভিহিত করেছেন ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ বলে। তিনি জানান, অপরাধীদের ধরতে চলছে চিরুনি তল্লাশি। ১১ নভেম্বর সশস্ত্র বেশ কিছু জঙ্গি হামলা চালায় একটি ত্রাণ শিবিরে। কয়েকদিন পরে ওই শিবিরের মেলে আটজন মেইতেই বাসিন্দার দেহ। এই ঘটনার পর সিআরপিএফের সঙ্গে এনকাউন্টারে মৃত্যু হয় ১০ জন জঙ্গির। 

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী (Manipur Crisis)

    ১১ নভেম্বরের ঘটনা প্রসঙ্গে ভিডিও বিবৃতিতে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আজ আমি গভীর দুঃখ ও ক্ষোভ নিয়ে এখানে দাঁড়িয়ে আছি। জিরিবামে নিরীহ তিন শিশু ও তিন মহিলাকে অপহরণ করে জঙ্গিরা। পরে উদ্ধার হয় তাঁদের দেহ। এমন বর্বরোচিত কাজ কোনও সভ্য সমাজে স্থান পেতে পারে না।” তিনি বলেন, “আমি আপনাদের এই বলে আশ্বস্ত করতে চাই যে এই জঙ্গিদের খোঁজার কাজ চলছে। খুব শীঘ্রই তাদের কাঠগড়ায় তোলা হবে। আমরা তাদের অমানবিক কাজের জন্য জবাবদিহি নিশ্চিত না করা পর্যন্ত থামব না।”

    বাহিনীর প্রশংসা

    সিআরপিএফ এবং রাজ্য বাহিনীর প্রশংসা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন (Manipur Crisis), “সিআরপিএফ এবং রাজ্যের বাহিনীর অসাধারণ সাহস এবং তাদের কর্তব্যের প্রতি অঙ্গীকারের জন্য আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমি আমার কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রতিও কৃতজ্ঞ, যাঁরা রাজ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।” তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার সম্প্রতি ২০ কোম্পানি সিএপিএফ পাঠিয়েছে। নিরাপত্তা জোরদার ও শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য আরও ৫০টি কোম্পানি পাঠানো হচ্ছে।”

    আরও পড়ুন: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম ভারতে আসছেন পুতিন

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বর্তমান সংঘাত চলছে অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রশ্ন নিয়ে।” তাঁর অভিযোগ, এই সংঘাতের বীজ বপন করা হয়েছিল ২০০৮ সালে, পি চিদম্বরম কর্তৃক জোমি রেভলিউশনারি আর্মি (জেডআরএ)-এর সঙ্গে একটি ‘সাসপেনশন অফ অপারেশন্স’ চুক্তি করার মাধ্যমে।জানা গিয়েছে, বর্তমান সংঘাত শুরু হওয়ার কয়েক মাস আগে, বীরেন সিংহ সরকার জেডআরএ-সহ দুই কুকি-জো বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে করা ওই চুক্তি থেকে সরে এসেছিল। এই গোষ্ঠীগুলি বনের জমি দখলকারীদের মধ্যে আন্দোলনকে প্রভাবিত করছে বলে অভিযোগ ওঠে। তার (Biren Singh) জেরেই বাতিল করা হয় চুক্তি (Manipur Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ মোদির, কী কথা হল?

    PM Modi: জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ মোদির, কী কথা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে জি২০ শীর্ষ বৈঠকে আমেরিকার বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi)। সাক্ষাতের মুহূর্তের ছবি শেয়ার করেন প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘‘ওঁর (বাইডেন) সঙ্গে দেখা করে আমি সব সময়েই খুশি!’’

    নিজেদের মধ্যে কুশল বিনিময়ের পর উষ্ণ করমর্দনও করেন দুই রাষ্ট্রনেতা 

    প্রসঙ্গত, ১৮-১৯ নভেম্বর ব্রাজিলে (Brazil G20 Summit) আয়োজিত জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে শনিবারই দেশ থেকে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। রবিবার প্রথমে তিনি যান নাইজেরিয়া। সোমবার পৌঁছেছেন ব্রাজিলে। জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে রয়েছেন আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, চিন, আমেরিকা, ফ্রান্স-সহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতারা। সেখানেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় মোদির। নিজেদের মধ্যে কুশল বিনিময়ের পর উষ্ণ করমর্দনও করেন দুই রাষ্ট্রনেতা।

    চলতি বছরে তিনবার সাক্ষাৎ হল মার্কিন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে

    উল্লেখ্য, গত সেপ্টেম্বর মাসেও আমেরিকায় আয়োজিত চতুর্দেশীয় অক্ষ বা ‘কোয়াড’ সদস্য রাষ্ট্রগুলির বৈঠকেও মোদি-বাইডেন সাক্ষাৎ হয়েছিল। তার আগে চলতি বছরের জুন মাসে ইতালিতে আয়োজিত জি৭ শীর্ষ সম্মেলনেও মুখোমুখি হয়েছিলেন তাঁরা। তবে প্রেসিডেন্ট হিসেবে এই শেষ বারের মতো মোদির মুখোমুখি হলেন বাইডেন এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    গত বছর প্রথা মতো ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টের হাতে ‘গাভেল’ তুলে দেন মোদি

    সোমবার রিও ডি জেনিরোতে পৌঁছনোর পর বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে তাঁকে (প্রধানমন্ত্রী মোদি) উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান প্রবাসীরা। সংস্কৃত শ্লোক সুর করে পাঠ করেন কয়েক জন নারী-পুরুষ। প্রত্যেকের পরনে ছিল ভারতীয় পোশাক। গুজরাটের ঐতিহ্যবাহী ডান্ডিয়া নৃত্যও প্রদর্শন করা হয়। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে জি২০ শীর্ষ (Brazil G20 Summit) বৈঠকের আয়োজন দেশ ছিল ভারত। দিল্লিতে গত বছরের ১০ নভেম্বর সেই বৈঠকের শেষে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলার হাতে আনুষ্ঠানিক ভাবে সভাপতিত্বের ‘গাভেল’ তুলে দেন। প্রথা মেনে এ বারের শীর্ষ বৈঠকের আয়োজক দেশ ব্রাজিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশের বন্দরে ভিড়ল পাকিস্তানের জাহাজ, কী এল কার্গো শিপে, রহস্য!

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশের বন্দরে ভিড়ল পাকিস্তানের জাহাজ, কী এল কার্গো শিপে, রহস্য!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ ছেড়েছেন। দেশ চালাতে গঠিত হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার (Bangladesh Crisis)। সেই সরকারের প্রধান করা হয়েছে মহম্মদ ইউনূসকে। মুদ্রাস্ফীতি-সহ নানা সমস্যার সমাধানে সেই ইউনূসই ব্যর্থ বলে জানিয়ে দিয়েছে আন্তর্জাতিক একটি ক্রাইসিস গ্রুপ।

    ব্যর্থ ইউনূস (Bangladesh Crisis)

    সদ্য প্রকাশিত এক (Pak Ships) প্রতিবেদনে তারা সতর্ক করে দিয়েছে এই বলে যে, ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সরকার মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের আকাশচুম্বী মূল্যবৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ। এই ব্যর্থতা আরও জটিল হয়ে উঠেছে নানা অছিলায় ইউনূসের নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার ইচ্ছার স্পষ্ট ইঙ্গিতের কারণে। প্রতিবেদনে আশঙ্কা করা হয়েছে, এই সব বিষয় শেষ পর্যন্ত দেশটিকে দীর্ঘস্থায়ী সামরিক শাসনের দিকে ঠেলে দিতে পারে। ইউনূস প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স দেখাতে না পারায় উদ্বিগ্ন সে দেশের সেনাবাহিনী।

    ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তন

    এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তন এবং ইউনূসকে লক্ষ্য করে ওয়াশিংটনের কঠোর পদক্ষেপের সম্ভাবনায়ও উদ্বেগে বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্তারা। ইউনূস বহুদিন ধরেই বিল এবং হিলারি ক্লিনটন এবং ডেমোক্র্যাটিক পার্টির কয়েকজন শীর্ষ নেতা এবং জর্জ সোরোসের মিত্র হিসেবে পরিচিত। ট্রাম্প প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারে। ইউনূস ও তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরা, হিযবুত তাহরির ও হেফাজতে ইসলামের মতো চরমপন্থী ইসলামি গোষ্ঠী এবং জেনারেল ওয়াকের উজ জামানের মতো সামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হতে পারে বলে অনুমান।

    জারি হতে পারে সামরিক শাসন!

    এই ধরনের (Bangladesh Crisis) নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি এড়াতে, জেনারেল জামানের সহকর্মীরা দ্রুত ইউনুসের কাছ থেকে ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে সামরিক শাসন জারি করার জন্য চাপ বাড়াচ্ছেন বলে খবর। এদিকে, ইউনুস সরকারকে উৎখাত করার চেষ্টা করা হলে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে খোলাখুলি হুমকি দিচ্ছে সেনাবাহিনীর ইসলামপন্থী গোষ্ঠী। তাদের মতে, এটি বাংলাদেশে ভারতের প্রভাব পুনঃপ্রতিষ্ঠার নয়া সুযোগ সৃষ্টি করবে। বাংলাদেশের আকাশে যখন এমন অনিশ্চয়তার মেঘ ঘনাচ্ছে, তখন পাকিস্তান ইউনূস ও তাঁর উপদেষ্টাদের পৃষ্ঠপোষকতায় নতুন একটি কৌশল অবলম্বন করেছে। এই কৌশল অনুযায়ী, সামরিক বাহিনী যদি অভ্যুত্থান ঘটায় তবে সশস্ত্র সংঘাতের দিকে এগোতে প্রস্তুত তারা।

    আরও পড়ুন: ‘‘এক দশকে দেশের ২৫ কোটি মানুষের দারিদ্রতা দূর করা গিয়েছে’’, জি২০ সম্মেলনে বললেন মোদি

    বাংলাদেশে ভিড়ল পাক জাহাজ

    মিডিয়া সূত্রে খবর, পাকিস্তানের করাচি বন্দর থেকে একটি কার্গো জাহাজ (Pak Ships) ১৩ নভেম্বর চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করেছে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পর পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে এই প্রথম সরাসরি যোগাযোগ হল সমুদ্রপথে। ঘটনায় উদ্বেগে ভারত। পাকিস্তানের হাই কমিশনার সৈয়দ আহমেদ মারুফ উপস্থিত ছিলেন ওই কার্গো জাহাজ নোঙরের সময়। তিনি বলেন, “এটি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে একটি বড় পদক্ষেপ। এই নয়া রুট সাপ্লাই চেনকে আরও কার্যকর করবে, কমাবে পরিবহণের সময় এবং দ্বার খুলবে উভয় দেশের নতুন ব্যবসায়িক সুযোগের।”

    ভারতের দুই পড়শির ‘সামুদ্রিক যোগাযোগ’

    বাংলাদেশ প্রশাসন এই (Bangladesh Crisis) ‘সামুদ্রিক যোগাযোগ’কে স্বাগত জানিয়েছে। পাকিস্তানের সঙ্গে বাণিজ্যের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে এই বাণিজ্যের পরিমাণ নেমে গিয়েছিল ৮০০ মার্কিন মিলিয়ন ডলারে নীচে। ভারতের পূর্ব ও পশ্চিম দুই দিকের দুই প্রতিবেশীর মধ্যে সরাসরি সামুদ্রিক যোগাযোগ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলিতে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে বলে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা। কারণ এই রাজ্যগুলি অবস্থিত বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলের কাছাকাছি। গত ২৯ সেপ্টেম্বর একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে বাংলাদেশ সরকার। তাতে বলা হয়েছে, পাকিস্তান থেকে আসা সব চালান কাস্টমস পরিদর্শন ছাড়াই ছেড়ে দেওয়া হবে। এর আগে, ১০ সেপ্টেম্বর পাক হাইকমিশনার সৈয়দ আহমেদ মারুফ অর্থ উপদেষ্টা সালেহ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। জানা গিয়েছে, একই ধরনের গোপন বৈঠক হয়েছে পাকিস্তানের হাইকমিশনার এবং ইউনূস ও তাঁর দুই উপদেষ্টা – নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ সাজিব ভুঁইয়ার সঙ্গেও। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসলাম ও ভূঁইয়া হিযবুত তাহরীরের সঙ্গে যুক্ত। হাসিনা বিরোধী বিদ্রোহের শীর্ষ কমান্ডারদের মধ্যেও ছিলেন তাঁরা।

    কী ছিল চালানে?

    জানা গিয়েছে, চট্টগ্রামে নোঙর করা জাহাজের ২০০ কন্টেইনারের চালানটি কড়া পুলিশ প্রহরায় এবং ইউনূসের অনুগামী ছাত্র-কর্মীদের উপস্থিতিতে নামানো হয়। সঙ্গে সঙ্গেই পাঠিয়ে দেওয়া হয় অজানা জায়গায়। দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলিও জানে না, চালানে কী ছিল, সেগুলি নিয়েই বা যাওয়া হল কোথায়।
    সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, জুলাই-অগাস্টে বাংলাদেশে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যে বিদ্রোহ শুরু হয়েছিল, যা প্রথমে ছাত্রদের সংরক্ষণ সংস্কার আন্দোলনকে সামনে রেখে হয়েছিল, তার কয়েক মাস আগে নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ, ড. আসিফ নজরুল এবং আরও কয়েকজন ব্যক্তি কাতার এবং দুবাই সফর করেছিলেন। সেখানে তাঁরা ডোনাল্ড লু, জর্জ সোরোস এবং পাকিস্তানি আইএসআইয়ের (Pak Ships) প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন বলেও খবর (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
     
  • Beldanga Issue: বেলডাঙাকাণ্ডে মুখ্যমন্ত্রীকে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ রাজ্যপালের, রাজ্যকে নিশানা শুভেন্দু-সুকান্তর 

    Beldanga Issue: বেলডাঙাকাণ্ডে মুখ্যমন্ত্রীকে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ রাজ্যপালের, রাজ্যকে নিশানা শুভেন্দু-সুকান্তর 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  বেলডাঙাকাণ্ডে (Beldanga Issue) এবার মুখ খুললেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (Cv Ananda Bose)। প্রসঙ্গত, গত শনিবার দুই গোষ্ঠীর হিংসার কারণে আজ মঙ্গলবার পর্যন্ত ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকার কথা মুর্শিদাবাদ জেলা জুড়ে। পুলিশের অবশ্য দাবি, সেখানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক। যদিও বেলডাঙা ইস্যুতে (Beldanga Issue) মুখ্যমন্ত্রীকে অবিলম্বে পদক্ষেপ করতে ‘নির্দেশ’ দিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজভবনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, কলকাতায় থেকেই রাজ্যপাল পরিস্থিতির ওপর নজর রাখবেন। অন্যদিকে, এই ঘটনায় মমতা সরকারকে কাঠগড়ায় তুলে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন রাজ্য বিজেপির দুই মুখ শুভেন্দু-সুকান্ত।

    ফের সংঘাত রাজ্য-রাজ্যপালের

    শিক্ষা থেকে দুর্নীতি-প্রতিটি ইস্যুতেই (Beldanga Issue) রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত খবরের শিরোনামে এসেছে। এবার বেলডাঙা ইস্যুতে ফের একবার সামনে এল রাজভবনের সঙ্গে রাজ্যের সংঘাত। রাজভবনের তরফে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘‘মুর্শিদাবাদে ক্রমেই বাড়ছে হিংসা, মুখ্যমন্ত্রীকে অবিলম্বে পদক্ষেপ করতে নির্দেশ দিচ্ছেন রাজ্যপাল। তাঁর যে সকল সফর ছিল তা বাতিল করা হয়েছে। তিনি (Cv Ananda Bose) কলকাতাতে থেকেই পরিস্থিতির ওপর নজর রাখবেন।’’

    পুলিশকে কটাক্ষ সুকান্তর

    বেলডাঙার (Beldanga Issue) ঘটনা নিয়ে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এক্স হ্যান্ডলে তিনি পুলিশকে কটাক্ষ করে লেখেন, ‘‘দুটি ভিডিও দেওয়া হল যা দেখে সাম্প্রতিককালের ২টি ঘটনা আপনাদের স্মরণে আসে। একটিতে মুর্শিদাবাদের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর, যিনি কয়েকমাস আগে প্রকাশ্যে হুমকি দিয়েছিলেন, হিন্দুদের হত্যা করে ভাগীরথীর জলে ভাসিয়ে দেবেন বলে। দ্বিতীয়ত এক ব্যক্তি শনিবার রাতে বেলডাঙায় জেহাদ ঘোষণা করছে। সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে এই ছবি সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ছে।’’

    নিজের এক্স হ্যান্ডলের পোস্টে বাংলাদেশের উদাহরণ টানেন সুকান্ত

    সুকান্তর দাবি, ‘‘বাংলাদেশের পরিস্থিতি স্মরণ করে বলতে হচ্ছে, বেলডাঙায় যা ঘটেছে, তার পর থেকে হিন্দুরা নিজেদের সুরক্ষা নিয়ে চিন্তিত।’’ তাঁর প্রশ্ন, ‘‘হিন্দু হিসেবে এবং পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে আমি জানতে চাই, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ভঙ্গ করার জন্য কি এই দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে? নাকি, মুখ্যমন্ত্রীর তোষণ-নীতি নিশ্চিত করেছে যে বাংলার ‘দুধেল গাই’-দের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে না?’’

    রাজ্য প্রশাসনকে নিশানা শুভেন্দু অধিকারীর

    রাজ্য প্রশাসনকে নিশানা করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। পুলিশকে চ্যালেঞ্জ করে তিনি এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘‘যে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে, তাদের পরিচয় প্রকাশ করার সাহস আপনাদের আছে?’’ শুভেন্দুর দাবি, ‘‘সংঘর্ষ হল সেটা যেখানে দুই পক্ষের মধ্যে বিবাদ হয়। কিন্তু, বেলডাঙায় যা ঘটেছে, সেখানে এক পক্ষ অপর পক্ষের ওপর পরিকল্পিত হামলা চালিয়েছে। একটা গোষ্ঠী হিন্দুদের ঘর-বাড়ি-সম্পত্তির ওপর হামলা চালিয়েছে, ভাঙচুর করেছে।’’

    তদন্ত না করে সিদ্ধান্তে পৌঁছাচ্ছে পুলিশ, অভিযোগ শুভেন্দুর 

    শুভেন্দু আরও বলেন, ‘‘সঠিক তদন্ত না করেই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত নয়। বাংলাদেশেও দেখা গিয়েছিল, শয়ে শয়ে দুর্গা প্রতিমা ভাঙচুর হয়েছে। প্রথমে বলা হয়েছিল, ‘অপকর্ম’। পরে আসল সত্য বেরিয়েছিল।’’ শুভেন্দুরও প্রশ্ন, ‘‘যাকে প্রকাশ্যে দেখা যাচ্ছে, হিংসায় উসকানি দেওয়ার জন্য, তাকে কি গ্রেফতার করা হয়েছে? যদি করা হয়, তাহলে আমার পোস্টে উত্তর দিয়ে জানাবেন।’’ প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, শনিবার রাতেই উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা (Beldanga Issue)। এই আবহে সেখানে ২৪ ঘণ্টার জন্যে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করা হয়। জানা গিয়েছে, পুলিশ এখনও পর্যন্ত ১৭ জনকে গ্রেফতার করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Russia Relation: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম ভারতে আসছেন পুতিন

    India Russia Relation: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম ভারতে আসছেন পুতিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেন (India Russia Relation) যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম ভারত সফরে আসছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin)। চলতি বছর প্রথমে জুলাই মাসে ও পরে অক্টোবরে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে রাশিয়ায় গিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবার ভারত সফরে আসছেন পুতিন। তবে ঠিক কবে তিনি নয়াদিল্লি আসবেন, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

    কী বলছে ক্রেমলিন? (India Russia Relation)

    রাশিয়ার প্রশাসনিক সদর দফতর ক্রেমলিনের তরফে জানানো হয়েছে, পুতিন করে ভারত সফরে যাবেন, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। শীঘ্রই ঘোষণা করা হবে তাঁর সফরসূচি।মঙ্গলবার ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, “রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন শীঘ্রই ভারত সফর করবেন। আমরা তারিখগুলি নিয়ে আলোচনা করছি।” যদি পুতিনের ভারত সফর নিশ্চিত হয়, তবে এটি হবে প্রায় তিন বছরের মধ্যে পুতিনের প্রথম ভারত সফর। তিনি সর্বশেষ ভারত সফরে এসেছিলেন ২০২১ সালের ৬ ডিসেম্বর, নয়াদিল্লিতে ২১তম ভারত-রাশিয়া বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে। তখনও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন পুতিন।

    বৈঠকে বসবেন মোদি-পুতিন

    ভারতে এসে পুতিন বৈঠক করবেন ‘বন্ধু’ নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। আগের দু’বারের মতো এবারও ইউক্রেন প্রসঙ্গ উঠতে পারে বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। চলতি বছরই দু’বার রাশিয়া সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জুলাই মাসে ভারত-রাশিয়া বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে মস্কো গিয়েছিলেন মোদি। তিন মাস পরে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ফের একবার রাশিয়ায় যান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। দু’বারই দুই রাষ্ট্রপ্রধানের আলোচনায় উঠে আসে ইউক্রেন প্রসঙ্গ। দুই ‘হুজুরের গপ্পে’ ফের একবার উঠতে পারে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গ।

    আরও পড়ুন: কৃষ্ণ জন্মভূমি মামলা, আদালত উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি এল পাকিস্তান থেকে

    রাশিয়া-ইউক্রেন (India Russia Relation) যুদ্ধ শুরু হতেই মস্কোকে একঘরে করার চেষ্টা করে আমেরিকা-সহ নেটো গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলি। রাশিয়ার বিরুদ্ধে নানা অর্থনৈতিক অবরোধ জারি করেছে আমেরিকা। তা সত্ত্বেও রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল কিনে চলেছে ভারত। অবশ্য এর পাশাপাশি যখনই মোদি-পুতিন মুখোমুখি হয়েছেন, তখনই অনিবার্যভাবে এসেছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গ। এবং যুদ্ধ বন্ধ করে দুই দেশকেই আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। এহেন আবহে নয়াদিল্লি আসছেন পুতিন (Vladimir Putin)। হয়তো আবারও মোদি তাঁকে শোনাবেন শান্তির ললিত বাণী (India Russia Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: ‘‘এক দশকে দেশের ২৫ কোটি মানুষের দারিদ্রতা দূর করা গিয়েছে’’, জি২০ সম্মেলনে বললেন মোদি

    PM Modi: ‘‘এক দশকে দেশের ২৫ কোটি মানুষের দারিদ্রতা দূর করা গিয়েছে’’, জি২০ সম্মেলনে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর জমানায় বিগত ১০ বছরে কীভাবে বদলেছে দেশ, ব্রাজিলের রাজধানীতে সে কথাই তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। জি২০ শীর্ষ (G20 Summit) সম্মেলনে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) তুলে ধরেন সরকারের সাফল্যগাথা। তিনি বলেন, ‘‘গত এক দশকে ২৫ কোটি মানুষকে দারিদ্রতার বাইরে বের করে আনা সম্ভব হয়েছে।’’ ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াই শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। সেখানেই তাঁকে এই কথাগুলি বলতে শোনা যায়। ভারতের সাফল্য তুলে ধরতে গিয়ে তিনি খাদ্য নিরাপত্তার কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘ভারতবর্ষে ৮০ কোটি মানুষকে খাদ্য নিরাপত্তার সুবিধা দেওয়া গিয়েছে।‘’’এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘দেশের ৫৫ কোটি মানুষকে স্বাস্থ্য বিমার আওতায় আনা গিয়েছে।’’ এদিন তিনি ‘এক পৃথিবী এক পরিবার’-এর কথাও বলেন।

    কৃষক কল্যাণ ও নারী সশক্তিকরণের কথা

    দেশের কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) আরও বলেন, ‘‘ভারতবর্ষে কৃষক সহায়তায় অনেক প্রকল্প চালু করা হয়েছে। মহিলা সশক্তিকরণের জন্য বেশ কিছু কর্মসূচি গৃহীত হয়েছে। মহিলাদের ঋণ দেওয়া হচ্ছে সরকারের তরফ থেকে। ৩০ কোটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে ব্যাঙ্কের সঙ্গে যুক্ত করা গিয়েছে। কৃষকদের সাহায্য করা হয়েছে ৪ হাজার কোটি মার্কিন ডলার।’’

    আরও পড়ুন: ভারত-জাপান বিশেষ প্রতিরক্ষা-চুক্তি, নৌসেনার রণতরীগুলিতে বসবে ‘স্টেলথ’ মাস্তুল

    ব্রাজিলের (G20 Summit) উদ্যোগকে সাধুবাদ

    তাঁর মতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে দ্বন্দ্ব ও সংঘাতের কারণে খাদ্য, জ্বালানি এবং সারের সঙ্কটে পড়তে হচ্ছে গ্লোবাল সাউথের দেশগুলিকে। প্রসঙ্গত, গ্লোবাল সাউথ বলতে সেই সমস্ত দেশগুলিকে বোঝায় যাদের আয় নিম্ন। মোদি আরও বলেন, ‘‘এই দেশগুলির সমস্যার কথা বাদ দিয়ে কখনও আলোচনা সদর্থক হতে পারে না।’’ প্রসঙ্গত, ক্ষুধা এবং দারিদ্র দূরীকরণে ব্রাজিল আন্তর্জাতিক মঞ্চ স্থাপনে উদ্যোগী হয়েছে। ব্রাজিলের এই উদ্যোগকেও সাধুবাদ জানান মোদি (PM Modi)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share