Tag: news in bengali

news in bengali

  • Swami Shraddhanand: বৈদিক মূল্যবোধ ও ভারতীয় সাংস্কৃতিক পরিচয়ের পুনরুজ্জীবনে নিজেকে উৎসর্গ করেন স্বামী শ্রদ্ধানন্দ

    Swami Shraddhanand: বৈদিক মূল্যবোধ ও ভারতীয় সাংস্কৃতিক পরিচয়ের পুনরুজ্জীবনে নিজেকে উৎসর্গ করেন স্বামী শ্রদ্ধানন্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগের ভারতের অন্যতম প্রভাবশালী সমাজ সংস্কারক, শিক্ষাবিদ ও জাতীয়তাবাদী নেতা ছিলেন স্বামী শ্রদ্ধানন্দ। ২৩ ডিসেম্বর ১৯২৬ সালে নিজের জীবন উৎসর্গ করেন। শিক্ষা সংস্কার, সামাজিক ন্যায়, স্বাধীনতা আন্দোলন এবং হিন্দু সমাজের পুনর্গঠনে তাঁর নিরলস প্রচেষ্টার জন্য তিনি আজও স্মরণীয়। তাঁর শহিদ হওয়া ভারতের সামাজিক-রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

    প্রারম্ভিক জীবন ও শিক্ষা

    স্বামী শ্রদ্ধানন্দের জন্ম ২২ ফেব্রুয়ারি ১৮৫৬, পাঞ্জাব প্রদেশের জলন্ধর জেলার তালওয়ান গ্রামে। তাঁর আসল নাম ছিল বৃহস্পতি বিজ, যিনি লালা মুন্সি রাম নামেও পরিচিত ছিলেন। তাঁর পিতা লালা নানক চাঁদ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনে পুলিশ ইন্সপেক্টর ছিলেন। মুন্সি রাম তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন বারাণসীতে (বর্তমান উত্তরপ্রদেশ) এবং পরে লাহোরে আইন নিয়ে পড়াশোনা সম্পন্ন করেন। তিনি প্রথমে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন, কিন্তু পরে চাকরি ছেড়ে দেন। এরপর ফিল্লৌর ও জলন্ধরে আইন পেশায় যুক্ত হয়ে তিনি একটি সফল পেশাগত জীবন গড়ে তোলেন। তিনি শিব দেবী–কে বিবাহ করেন। মাত্র ৩৫ বছর বয়সে স্ত্রীর মৃত্যু তাঁর জীবনে গভীর প্রভাব ফেলে। তাঁদের দুই পুত্র—হরিশচন্দ্র ও ইন্দ্র—এবং দুই কন্যা ছিল, যাদের মধ্যে একজনের নাম বেদ কুমারী। এই ব্যক্তিগত শোকই তাঁর আধ্যাত্মিক ও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গিকে গভীরভাবে রূপ দেয়।

    স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতীর সঙ্গে পরিচয়

    আর্য সমাজের প্রতিষ্ঠাতা স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতীর সঙ্গে পরিচয় স্বামী শ্রদ্ধানন্দের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। প্রথমে সংশয় থাকলেও, বেরেলিতে স্বামী দয়ানন্দের একটি বক্তৃতা শোনার পর তিনি গভীরভাবে প্রভাবিত হন। দয়ানন্দের যুক্তিবাদ, নির্ভীকতা ও সংস্কারমূলক চেতনা তাঁকে আকৃষ্ট করে। এরপর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আর্য সমাজে যোগ দেন এবং বৈদিক মূল্যবোধ ও ভারতীয় সাংস্কৃতিক পরিচয়ের পুনরুজ্জীবনে নিজেকে উৎসর্গ করেন।

    দেশীয় শিক্ষাব্যবস্থার অগ্রদূত

    স্বামী শ্রদ্ধানন্দ ভারতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাকে দেশীয় ঐতিহ্য ও জাতীয় মূল্যবোধের ভিত্তিতে গড়ে তোলার অন্যতম প্রবক্তা ছিলেন। উনিশ শতকের শেষভাগে আর্য সমাজ ডিএভি (দয়ানন্দ অ্যাংলো-বৈদিক) বিদ্যালয়গুলির মাধ্যমে আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে ভারতীয় মূল্যবোধের সমন্বয় ঘটানোর চেষ্টা করে। কিন্তু পশ্চিমি শিক্ষার ভূমিকা নিয়ে আর্য সমাজের অভ্যন্তরে মতভেদ দেখা দেয় এবং ১৮৯২ সালে বিভাজন ঘটে। শ্রদ্ধানন্দ গুরুকুল শিক্ষাপদ্ধতির পক্ষে অবস্থান নেন—যেখানে আবাসিক শিক্ষা, শৃঙ্খলা, আধ্যাত্মিকতা ও চরিত্র গঠনের উপর জোর দেওয়া হয়। তিনি গুরুকুলপন্থীদের নেতৃত্ব দেন এবং পাঞ্জাব আর্য প্রতিনিধি সভা গঠন করেন। ১৯০০ সালে, তিনি গুজরানওয়ালায় (বর্তমান পাকিস্তান) প্রথম গুরুকুল প্রতিষ্ঠা করেন। পরে এটি হরিদ্বারের কাছে কাংরি অঞ্চলে স্থানান্তরিত হয় এবং পরিচিত হয় গুরুকুল কাংরি নামে—ভারতের দেশীয় শিক্ষার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে। তিনি নিজে এর প্রথম আচার্য ছিলেন এবং তাঁর পুত্ররাও সেখানে শিক্ষা গ্রহণ করেন। গুরুকুল কাংরি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন ও বৌদ্ধিক জাগরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মহাত্মা গান্ধী দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ভারতে ফিরে এখানে অবস্থান করেন এবং এখানেই তাঁকে প্রথম “মহাত্মা” সম্বোধনে ডাকা হয়। ১৯৬২ সালে, ভারত সরকার গুরুকুল কাংরিকে ডিমড বিশ্ববিদ্যালয়–এর মর্যাদা দেয়।

    আধ্যাত্মিক যাত্রা ও সন্ন্যাস গ্রহণ

    ৩৫ বছর বয়সে মুন্সি রাম বানপ্রস্থ আশ্রম গ্রহণ করেন এবং পরিচিত হন মহাত্মা মুন্সি রাম নামে। ১৯১৭ সালে, তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সন্ন্যাস গ্রহণ করেন। তাঁর নাম হয় স্বামী শ্রদ্ধানন্দ। এরপর তিনি সম্পূর্ণরূপে বেদ প্রচার ও সমাজসেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেন।

    ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে ভূমিকা

    স্বামী শ্রদ্ধানন্দ স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। তিনি রাওলাট আইন–সহ ব্রিটিশদের দমনমূলক আইনগুলোর বিরোধিতা করেন এবং পাঞ্জাবে সামরিক শাসনের প্রতিবাদে নেতৃত্ব দেন। ১৯১৯ সালে, জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড–এর পর তিনি কংগ্রেসকে অমৃতসরে অধিবেশন করার আহ্বান জানান এবং অন্যরা পিছিয়ে গেলে নিজেই সভাপতিত্ব করেন। দিল্লিতে ব্রিটিশ দমননীতির বিরুদ্ধে বৃহৎ প্রতিবাদ মিছিলে তিনি নেতৃত্ব দেন। চাঁদনি চকে এক ঘটনায়, ব্রিটিশ সেনারা যখন গুলি চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল, তখন তিনি প্রথমে নিজেকে সামনে এগিয়ে দেন যাতে সাধারণ মানুষ রক্ষা পায়। সেনারা তখন অস্ত্র নামিয়ে রাখে এবং মিছিল শান্তিপূর্ণভাবে এগিয়ে যায়।

    জামা মসজিদে ঐতিহাসিক ভাষণ

    ১৯২২ সালে, দিল্লির জামা মসজিদে তিনি একটি ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। সেখানে বৈদিক মন্ত্র পাঠের পর তিনি প্রধানত মুসলিম শ্রোতাদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন—যা তাঁর সংলাপ-বিশ্বাস, সাহস ও সাংস্কৃতিক আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।

    কংগ্রেস ত্যাগ ও হিন্দু মহাসভার সঙ্গে যুক্ততা

    সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হিন্দু স্বার্থ ও সামাজিক সংস্কারের প্রশ্নে কংগ্রেসের অবস্থানে তিনি হতাশ হন। পরে মদন মোহন মালব্য–সহ অন্যান্য নেতার সঙ্গে যুক্ত হয়ে তিনি হিন্দু মহাসভা–র সঙ্গে কাজ করেন এবং হিন্দু সমাজের সংগঠনের পক্ষে সওয়াল করেন।

    অস্পৃশ্যতা বিরোধী আন্দোলন

    অস্পৃশ্যতা দূরীকরণে তাঁর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কল্যাণমূলক প্রকল্পে কংগ্রেস পর্যাপ্ত আর্থিক সহায়তা না করায় তিনি কংগ্রেসের উপ-কমিটি থেকে পদত্যাগ করেন। ড. বি. আর. আম্বেদকর তাঁকে “অস্পৃশ্যদের সবচেয়ে বড় ও আন্তরিক সমর্থক” বলে উল্লেখ করেন। তিনি কেরালার ভাইকোম সত্যাগ্রহ-কেও সমর্থন করেন।

    সাংবাদিকতা ও সামাজিক প্রচার

    স্বামী শ্রদ্ধানন্দ ছিলেন এক দক্ষ লেখক ও সাংবাদিক। তিনি উর্দু পত্রিকা ‘তেজ’ এবং হিন্দি দৈনিক ‘অর্জুন’ প্রতিষ্ঠা করেন। দেবনাগরী লিপিতে হিন্দি ভাষার প্রসার, নারী শিক্ষা ও সমাজসেবায় তিনি সক্রিয় ভূমিকা নেন।

    শুদ্ধি আন্দোলন ও হিন্দু পুনর্গঠন

    ধর্মান্তর নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে তিনি শুদ্ধি আন্দোলন–এর নেতৃত্ব দেন, যার লক্ষ্য ছিল ধর্মান্তরিত হিন্দুদের পুনরায় হিন্দু সমাজে ফিরিয়ে আনা। আগ্রা, মথুরা ও ভরতপুর অঞ্চলে—বিশেষত রাজপুত সম্প্রদায়ের মধ্যে—বৃহৎ শুদ্ধি কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

    চিরস্থায়ী উত্তরাধিকার

    ২৩ ডিসেম্বর ১৯২৬, দিল্লিতে নিজের বাসভবনে নিউমোনিয়া থেকে সেরে ওঠার সময় আবদুল রশিদ নামে এক ব্যক্তি আলোচনার ছলে এসে তাঁকে খুব কাছ থেকে গুলি করে। সব চেষ্টা সত্ত্বেও তিনি প্রাণ হারান। এই হত্যাকাণ্ড দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও মতাদর্শগত শিবির থেকে নিন্দা জানানো হয়। প্রায় এক শতাব্দী পরও স্বামী শ্রদ্ধানন্দ নির্ভীক সংস্কার, বৌদ্ধিক সাহস ও জাতীয় সেবার প্রতীক হিসেবে স্মরণীয়। শিক্ষা, সমাজ সংস্কার, স্বাধীনতা আন্দোলন ও সভ্যতাগত পুনর্জাগরণে তাঁর অবদান আজও প্রেরণা জোগায়। সহিংসতায় তাঁর জীবন থেমে গেলেও, তাঁর চিন্তা ও কর্ম—বিশেষত গুরুকুল কাংরি–র মাধ্যমে—আজও জীবিত।

  • VB-G-RAM-G Bill: মনরেগার নাম পরিবর্তন! লোকসভায় পাশ নতুন ‘ভিবিজিরামজি’ বিল, জানেন নতুন কী রয়েছে এতে?

    VB-G-RAM-G Bill: মনরেগার নাম পরিবর্তন! লোকসভায় পাশ নতুন ‘ভিবিজিরামজি’ বিল, জানেন নতুন কী রয়েছে এতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে জননীতি ও কল্যাণমূলক প্রকল্প মানেই সংক্ষিপ্ত নাম বা অ্যাক্রোনিম। পোষাণ (POSHAN), পিএম-আশা (PM-AASHA)-র মতো প্রকল্পগুলির নামেই সরকারের লক্ষ্য ও দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এই ধারাবাহিকতাতেই সংসদ সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারমূলক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন (MGNREGA) বাতিল করে পাশ হয়েছে বিকশিত ভারত গ্যারান্টি ফর রোজগার এবং আজীবিকা মিশন গ্রামীণ (VB-G-RAM-G) আইন। এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই প্রতীকের রাজনীতির চোখে দেখলেও, বাস্তবে এটি গ্রামীণ কর্মসংস্থান নীতিতে একটি গুণগত ও কাঠামোগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করে। নতুন আইন কেবল নাম বদল নয়, বরং কাজের সুযোগ, উৎপাদনশীলতা এবং জবাবদিহির প্রশ্নে এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করে।

    নতুন আইনের গুরুত্বপূর্ণ দিক

    নতুন আইনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হল— কাজের নিশ্চয়তা ১০০ দিন থেকে বাড়িয়ে ১২৫ দিন করা। এটি সরাসরি গ্রামীণ পরিবারের আয় বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করে। দ্বিতীয়ত, কেন্দ্রের একক ১০০ শতাংশ অর্থায়নের বদলে রাজ্যগুলিকেও অর্থনৈতিক দায়িত্বে যুক্ত করা হয়েছে (বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ)। এর ফলে প্রকল্প বাস্তবায়নে রাজ্য সরকারের দায়বদ্ধতা ও নজরদারি দু’টিই বাড়বে। তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হল— বপন ও ফসল কাটার সময়ে ৬০ দিনের কাজ-বিরতি। প্রথম দর্শনে এটি সীমাবদ্ধতা মনে হলেও, বাস্তবে এর লক্ষ্য গ্রামীণ শ্রমকে কৃষি চক্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা। এতে শ্রমিকরা কৃষিকাজে বেশি মজুরি আদায়ের সুযোগ পাবে এবং সরকারি প্রকল্পের কাজও কৃষির পরিপূরক হিসেবে পরিকল্পিত হবে। চতুর্থত, ‘ভিবিজিরামজি’( VB-G-RAM-G) চারটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে কাজকে কেন্দ্রীভূত করেছে— জল, নিরাপত্তা, পরিকাঠামো ও জলবায়ু সহনশীলতা। মনরেগা-র অধীনে কাজের পরিধি বিস্তৃত হলেও অনেক ক্ষেত্রে তা উৎপাদনশীলতা ও দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ সৃষ্টিতে ব্যর্থ হয়েছিল। নতুন কাঠামোতে থিমভিত্তিক কাজের ফলে গ্রামীণ এলাকায় টেকসই সম্পদ, জল সংরক্ষণ ও অবকাঠামো উন্নয়নের বাস্তব সম্ভাবনা তৈরি হবে।

    দুর্নীতি কমার সম্ভাবনা

    তৃণমূলভিত্তিক বিচ্ছিন্ন কাঠামোর বদলে এই প্রকল্পকে প্রধানমন্ত্রী গতিশক্তি-র সঙ্গে সংযুক্ত করা। এর ফলে কাজের পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও নজরদারি হবে কেন্দ্রীয় ডেটা ও প্রযুক্তিনির্ভর। এতে একদিকে যেমন দুর্নীতি কমার সম্ভাবনা বাড়ে, তেমনই প্রকল্পের আউটপুট ও ফলাফল পরিমাপযোগ্য হয়। এখানে স্মরণ করা প্রয়োজন, মনরেগা নিঃসন্দেহে একটি ঐতিহাসিক প্রকল্প ছিল। এটি ৭৪১টি জেলা, ২.৬৯ লক্ষ পঞ্চায়েত এবং ১২.১ কোটি শ্রমিককে অন্তর্ভুক্ত করেছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এর সীমাবদ্ধতাও স্পষ্ট হয়েছে। সংসদের স্থায়ী কমিটি বারবার জানিয়েছে, শ্রমিকদের গড় মজুরি অনেক ক্ষেত্রে ন্যূনতম মজুরির নিচে ছিল। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হল— বিপুল বকেয়া মজুরি। ২০২৫ সালের অগস্টে দেখা যায়, ১২,২১৯.১৮ কোটি টাকা অবৈতনিক মজুরি পড়ে রয়েছে, যা ওই বছরের বরাদ্দের প্রায় ১৪ শতাংশ।

    বিশ্বের সবচেয়ে বড় গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্প

    গত পাঁচ বছরে প্রকৃত কাজের দিন গড়ে ৪৮–৫২ দিনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছে। ২০২৪-২৫ সালে কাজ পাওয়া ৫.৭৮ কোটি পরিবারের মধ্যে মাত্র ৪০ লক্ষ পরিবার ১০০ দিনের কাজ সম্পূর্ণ করতে পেরেছে। অর্থাৎ, আইনে অধিকার থাকলেও বাস্তবে সেই সুযোগ পূর্ণমাত্রায় পৌঁছয়নি। বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই সরকার নতুন আইনে কাজের সুযোগের পাশাপাশি জবাবদিহি ও দক্ষতার ওপর জোর দিয়েছে। রাজ্যগুলির আর্থিক অংশগ্রহণ, থিমভিত্তিক কাজ, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি এবং কেন্দ্রীয় সমন্বয়— এই সবকিছু মিলিয়ে নতুন প্রকল্প অধিক ফলপ্রসূ ও স্বচ্ছ কাঠামো গড়ে তুলতে পারে। বর্তমানে ভারত চালাচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্প, ৮১ কোটি মানুষকে নিয়ে বিনামূল্যের খাদ্য প্রকল্প (ব্যয় ২.১২ লক্ষ কোটি টাকা), স্বাস্থ্য বিমা, কৃষক আয় সহায়তা ও গ্রামীণ আবাসন প্রকল্প। মোট ব্যয় প্রায় ৬ লক্ষ কোটি টাকা। এত বিপুল ব্যয়ের ক্ষেত্রে ফলাফল ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

     

     

  • Sheikh Hasina: হিন্দু হত্যা, মিডিয়া অফিসে আগুন, বাংলাদেশের অরাজকতা নিয়ে মুখ খুললেন হাসিনা

    Sheikh Hasina: হিন্দু হত্যা, মিডিয়া অফিসে আগুন, বাংলাদেশের অরাজকতা নিয়ে মুখ খুললেন হাসিনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কট্টরপন্থী ভারতবিরোধী যুবনেতা ওসমান হাদির মৃত্যু এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশে তৈরি হওয়া অরাজকতা নিয়ে মুখ খুললেন শেখ হাসিনা। এএনআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, “এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড প্রমাণ করে যে, যে আইনহীন পরিস্থিতি আমার সরকারকে উৎখাত করেছিল, তা ইউনুসের অধীনে আরও বেড়েছে। সহিংসতা এখন স্বাভাবিক হয়ে দাঁড়িয়েছে, আর অন্তর্বর্তী সরকার হয় তা অস্বীকার করছে, নয়তো নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ। এর ফলে শুধু দেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা নয়, প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গেও সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।”

    উনুস মন্ত্রিসভায় চরমপন্থীদের স্থান দিয়েছেন

    শেখ হাসিনা অভিযোগ করেন, ইউনুসের শাসনে বাংলাদেশ ধীরে ধীরে উগ্র ইসলামপন্থা ও চরমপন্থী শক্তির কবলে পড়ছে। তাঁর দাবি, “ইউনুস মন্ত্রিসভায় চরমপন্থীদের স্থান দিয়েছেন, দণ্ডপ্রাপ্ত সন্ত্রাসীদের মুক্তি দিয়েছেন এবং আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত গোষ্ঠীগুলিকে প্রকাশ্য জীবনে ভূমিকা নিতে দিয়েছেন। আমার আশঙ্কা, চরমপন্থীরা তাঁকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক মহলে গ্রহণযোগ্য মুখ দেখাচ্ছে, আর আড়ালে প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধীরে ধীরে উগ্রপন্থী করে তুলছে।” তিনি আরও বলেন, “ভারত এই বিশৃঙ্খলা, সংখ্যালঘুদের উপর নিপীড়ন এবং আমরা একসঙ্গে যা গড়ে তুলেছিলাম তার ক্ষয় লক্ষ্য করছে। যখন একটি দেশ নিজের সীমানার ভেতর ন্যূনতম শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পারে না, তখন আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হয়।” হাসিনার কথায়, “এটি শুধু ভারতের নয়, দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতায় বিশ্বাসী সব দেশের জন্যই উদ্বেগের বিষয়। বাংলাদেশের রাজনীতির ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র ছিল আমাদের অন্যতম শক্তি, যা কয়েকজন উগ্রবাদীর খেয়ালে বিসর্জন দেওয়া যায় না।”

    কেন বাংলাদেশে ভারত বিরোধী হাওয়া চলছে?

    ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্কের অবনতির জন্য ফের একবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসকেই দায়ী করলেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, “ইউনূস সরকার যে চরমপন্থীদের বাংলাদেশে বেড়ে উঠতে দিচ্ছেন, তাদের জন্যই এই দমবন্ধকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এরাই সেই চরমপন্থী যারা ভারতীয় দূতাবাসে হামলা চালিয়েছে, সংবাদমাধ্যমের অফিস জ্বালিয়েছে, সংখ্যালঘুদের আক্রমণ করেছে। এরাই আমাকে এবং আমার পরিবারকে প্রাণ হাতে নিয়ে পালাতে বাধ্য করেছে। ফলে ভারত নিজেদের প্রতিনিধিদের নিয়ে উদ্বেগে রয়েছে, এটাই স্বাভাবিক। আমি অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, দায়িত্ববান সরকার হলে কূটনৈতিক সম্পর্ককে গুরুত্ব দিত, তবে ইউনূস নৈরাজ্যবাদীদের আরও বেশি করে ছাড় দিচ্ছেন। এমনকী তাদের যোদ্ধা হিসেবে তকমা দিচ্ছেন।” প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর কথায়, “ইউনূস প্রশাসন ভারতের বিরুদ্ধে নেতিবাচক বিবৃতি জারি করে। সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা দিতে ওরা ব্যর্থ। বিদেশনীতি পরিচালনা করছে চরমপন্থীরা। এরপর যখন অশান্তি ছড়িয়ে পড়ে তখন মাথাব্যথা হয়। দশকের পর দশক ভারত এবং বাংলাদেশে একে অপরের বন্ধু রাষ্ট্র। আমাদের দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক অনেক গভীর। ফলে কোনও অস্থায়ী সরকারের কারণে তা নষ্ট হতে পারে না। আমি আশাবাদী, বাংলাদেশে স্থায়ী গণতান্তান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় এলে ভারত এবং বাংলাদেশের সম্পর্ক আবারও দৃঢ় হবে। এই সম্পর্ক অটুট থাকবে বলেই আমার বিশ্বাস।”

     

     

     

  • Humayun Kabir: ২০০টি আসনে প্রার্থী দেওয়া লক্ষ্য! মুর্শিদাবাদে ‘বাবরি মসজিদ’ বিতর্কের পর নতুন দল গড়লেন হুমায়ুন কবীর

    Humayun Kabir: ২০০টি আসনে প্রার্থী দেওয়া লক্ষ্য! মুর্শিদাবাদে ‘বাবরি মসজিদ’ বিতর্কের পর নতুন দল গড়লেন হুমায়ুন কবীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে সোমবার বহিষ্কৃত তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) বিধায়ক হুমায়ুন কবীর আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর নতুন রাজনৈতিক দল জনতা উন্নয়ন পার্টি (JUP)-র সূচনা করলেন। ২০২৫ সালের ২২ ডিসেম্বর মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় এক জনসভায় দলের পতাকা উন্মোচন করে তিনি জানান, ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে দলটি অংশ নেবে। সভায় হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir) বলেন, তিনি সর্বোচ্চ ২০০টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছেন এবং নির্বাচনের পরে নিজেকে সম্ভাব্য ‘কিংমেকার’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চান। তিনি আরও জানান, সাধারণ মানুষ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সমস্যা নিয়ে রাজনীতি করাই তাঁর দলের মূল উদ্দেশ্য।

    ২টি আসন থেকে লড়াই করবেন হুমায়ুন

    নতুন দল তৈরির দিনই বেশ কয়েকটি আসনে প্রার্থীর নামও ঘোষণা করে দিলেন হুমায়ুন কবীর। নিজে বিধানসভা নির্বাচনে ২টি আসন থেকে লড়াই করবেন হুমায়ুন। প্রসঙ্গত, চলতি মাসের শুরুতেই তৃণমূল কংগ্রেস থেকে হুমায়ুন কবীরকে (Humayun Kabir) বহিষ্কার করা হয়। ১১ ডিসেম্বর মুর্শিদাবাদে একটি ‘বাবরি মসজিদ’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের সিদ্ধান্তকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের জেরেই এই পদক্ষেপ বলে জানা যায়। নতুন দলের ঘোষণা মঞ্চ থেকেই হুমায়ুন কবীর তৃণমূল নেতৃত্ব, বিশেষ করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনা করেন। পাশাপাশি তিনি জানান, বিরোধী দলগুলির সঙ্গে জোটের সম্ভাবনাও তিনি খোলা রাখছেন। সূত্রের খবর, হুমায়ুন কবীর নিজে রেজিনগর ও বেলডাঙা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ইচ্ছুক।

    কোন কোন কেন্দ্রে প্রার্থী, ব্রিগেডের ডাক

    সোমবার দুপুর ১টায় নিজের রাজনৈতিক দলের নাম এবং রাজ্য কমিটি ঘোষণা করেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। প্রকাশ করা হয় দলের পতাকাও। দলের পতাকায় রয়েছে তিনটি রং— হলুদ, সবুজ এবং সাদা। দলের সভাপতির নামও ঘোষণা করেন হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir)। জানান আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তাঁর দলের প্রথম প্রার্থীর নামও। হাজী ইবরার হোসেনকে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার জনতা উন্নয়ন পার্টির সভাপতি পদে নির্বাচিত করা হয়েছে। তাঁকেই খড়গপুর গ্রামীণ বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী ঘোষণা করেন হুমায়ুন কবীর। মালদার বৈষ্ণবনগরের প্রার্থী হচ্ছেন মুস্তারা বিবি। মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রের প্রার্থী করা হচ্ছে মনীষা পাণ্ডেকে। এরআগে মনীষা পাণ্ডে ছিলেন তৃণমূলের নেত্রী। ভগবানগোলায় লড়বেন আর এক হুমায়ুন কবীর। তিনি পেশায় ব্যবসায়ী। রানিনগর থেকে যিনি লড়বেন, তাঁর নামও হুমায়ুন কবীর। দক্ষিণ দিনাজপুরের ধনিরাম বিধানসভার প্রার্থীর নাম ডঃ ওয়েদুল রহমান। কলকাতার বালিগঞ্জ বিধানসভা, যেখানে উপনির্বাচনে বাবুল সুপ্রিয় তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হয়েছিলেন, সেই কেন্দ্র থেকে জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতীকে লড়াই করবেন নিশা চট্টোপাধ্যায়। ইছাপুরের প্রার্থীর নাম সিরাজুল মন্ডল। অর্থাৎ শুধু মালদা-মুর্শিদাবাদে সীমাবদ্ধ থাকছেন না হুমায়ুন। বালিগঞ্জ, ইছাপুরের মতো কেন্দ্রেও ‘জনতা উন্নয়ন পার্টি’র প্রার্থীর নামও ঘোষণা করা দিলেন। সেইসঙ্গে ইস্তেহার প্রকাশ করেন। হুমায়ুন দাবি করেছেন, ৯০ আসন জিততে পারলে তাঁর দল রাজ্যে সরকার গঠনের কাণ্ডারি হবে ৷ পাশাপাশি এদিন মঞ্চ থেকে হুমায়ুন জানিয়ে দেন আগামী জানুয়ারি মাসে ব্রিগেডে সভা করবেন তিনি।

  • Winter Vegetable: হট চকোলেট কিংবা পেস্ট্রি নয়, শীতের অবসাদ কমাতে মেনুতে থাকুক ব্লু বেরি, রাঙা আলু

    Winter Vegetable: হট চকোলেট কিংবা পেস্ট্রি নয়, শীতের অবসাদ কমাতে মেনুতে থাকুক ব্লু বেরি, রাঙা আলু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতে বাড়ে অবসাদ। শুধু ভাইরাস ঘটিত সর্দি-কাশি কিংবা ফুসফুসের সংক্রমণের মতো রোগ নয়।‌ শীতে মানসিক স্বাস্থ্যেও প্রভাব পড়ে। শীতে মানসিক অবসাদ বাড়ে। এমনটাই জানাচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। বেশ কিছু খাবার মানসিক অবসাদ কমাতে সাহায্য করে‌। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অবসাদের সঙ্গে শরীরের হরমোনের ভারসাম্যের বিষয়টি ওতোপ্রোতভাবে জড়িত থাকে। তাই কিছু খাবার শরীরে স্ট্রেস হরমোন কমিয়ে দেয়। তাই মানসিক অবসাদ, চাপ, বিষন্নতা সহজেই দূর হয়। অনেকেই মানসিক অবসাদ কাটাতে হট চকলেট কিংবা পেস্ট্রির মতো খাবার পছন্দ করেন। কিন্তু হট চকলেট কিংবা কেক-পেস্ট্রি ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে না। বরং লাগাতার এই ধরনের খাবার খেলে ওজন বেড়ে যায়‌। তাই বিশেষজ্ঞদের একাংশ, মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে শীতের মরশুমে কিছু বিশেষ ফল এবং সব্জিতেই ভরসা রাখছেন।

    ব্লু বেরি অবসাদ কমাবে, মস্তিষ্ককেও সক্রিয় রাখবে!

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ব্লু বেরি শরীরের পাশপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য বিশেষ উপকারি। তাঁরা জানাচ্ছেন, ব্লু বেরিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। যা মস্তিষ্ককে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করে। এর ফলে মানসিক চাপ কম তৈরি হয়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, কম বয়সীদের জন্য ব্লু বেরি বিশেষ উপকারি। তরুণ প্রজন্মের মানসিক অবসাদের অন্যতম কারণ অতিরিক্ত উদ্বেগ। ব্লু বেরি উদ্বেগ এবং হতাশার মতো আবেগ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সাহায্য করে। মেজাজ খিটখিটে হওয়া থেকেও আটকাতে সাহায্য করে। মানসিক অবসাদ কমানোর পাশপাশি ব্লু বেরি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ সাহায্য করে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ব্লু বেরিতে থাকে ফ্ল্যাভোনয়েড। যা নিউরনের সংযোগ ক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ে। একদিকে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি, আরেকদিকে উদ্বেগ ও অবসাদ হ্রাসের ক্ষমতা রয়েছে। তাই ব্লু বেরি খেলে যেকোনও কাজে মনঃসংযোগ বাড়ে‌। আবার বয়স্কদের অনেকেই স্মৃতিশক্তি হ্রাসের সমস্যায় ভুগছেন। তাঁদের এই ফল বিশেষ উপকারি। কারণ ব্লু বেরি মনে রাখার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।

    রাঙা আলু বাড়তি উপকার দেবে!

    মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য রাঙা আলু বিশেষ উপকারি। মনোরোগ বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, রাঙা আলুতে ভিটামিন বি ৬, ভিটামিন সি, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও কার্বোহাইড্রেটের বিশেষ অংশ থাকে। এই সব উপাদান মস্তিষ্ক এবং হরমোনের উপরে বিশেষ সাহায্য করে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাঙা আলুতে ভিটামিন বি ৬ উপাদান সেরোটোনিন এবং ডোপামিন নামে দুই হরমোন উৎপাদনে বিশেষ সাহায্য করে। এই দুই হরমোন স্ট্রেস কমাতে বিশেষ সাহায্য করে। ফলে মানসিক অবসাদ কমে। রাঙা আলু কোর্টিন হরমোন ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে। এর ফলে অতিরিক্ত উদ্বেগ বা চাপ তৈরি হয় না। তাই শীতের মরশুমে রাঙা আলু খেলে মানসিক চাপ ও অবসাদ কমে। বরং মস্তিষ্কের স্নায়ু সুস্থ থাকে। মানসিক স্বাস্থ্যের পাশপাশি শরীরের জন্যও রাঙা আলু বিশেষ উপকারি। এই সব্জি অন্ত্র ভালো রাখতে সাহায্য করে। ক্লান্তি দূর করতে বিশেষ সাহায্য করে।

    ব্রোকলি মন শান্ত করাবে, অবসাদ কমাবে!

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতের সব্জি ব্রোকলি নিয়মিত খেলে অবসাদ কমবে। মন শান্ত থাকবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, ব্রোকলিতে রয়েছে সালফোরাফেন। এই উপাদান মানসিক অস্থিরতা কমাতে বিশেষ সাহায্য করে। অনেকেই সামান্য কারণে দুশ্চিন্তায় ভোগেন। যেকোনও ব্যাপারেই অস্থির হয়ে ওঠেন। যা মানসিক অবসাদ তৈরি করে। নিয়মিত ব্রোকলি খেলে মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে। এই ধরনের সমস্যা নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়।

    কাবুলি ছোলা অবসাদ কমিয়ে মন ভালো রাখে!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ছোলা শরীরের জন্য বিশেষ উপকারি। তবে কাবুলি ছোলা শরীরের পাশপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারি। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই ছোলায় থাকা ট্রিপটোফ্যান মন ভালো রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। ফলে অবসাদ কমে।

  • Daily Horoscope 23 December 2025: বাত-জাতীয় রোগে কষ্ট পাওয়ার আশঙ্কা এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 23 December 2025: বাত-জাতীয় রোগে কষ্ট পাওয়ার আশঙ্কা এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) মাথাগরম করার ফলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যাবে।

    ২) পিঠে ব্যথার সমস্যা থাকবে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) ভাই-বোনের কাছ থেকে ভাল সাহায্য পেতে পারেন।

    ২) মা-বাবার সম্পত্তির ভাগ পেতে পারেন।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    মিথুন

    ১) কোনও নিয়ম লঙ্ঘন করার জন্য আপনাকে বিপদে পড়তে হতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে শুভ যোগ।

    ৩) সখপূরণ হবে।

    কর্কট

    ১) কোনও ভুল কাজের জন্য অনুতাপ হতে পারে।

    ২) অতিরিক্ত দৌড়ঝাঁপ করার ফলে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন।

    ৩) বিবাদে জড়াবেন না।

    সিংহ

    ১) কারও কুপ্রভাবে সংসারে অশান্তি হতে পারে।

    ২) সামাজিক সুনাম বা প্রতিপত্তি বিস্তারের যোগ।

    ৩) গুরুজনদের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কন্যা

    ১) সাংসারিক কারণে মানসিক যন্ত্রণা বাড়তে পারে।

    ২) আজ আপনাকে অবাক করে দেওয়া কোনও সুখবর আসতে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    তুলা

    ১) ব্যয় বাড়তে পারে।

    ২) সম্পত্তি নিয়ে সমস্যা মিটে যেতে পারে।

    ৩) পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান।

    বৃশ্চিক

    ১) বাত-জাতীয় রোগে কষ্ট পাওয়ার আশঙ্কা।

    ২) কর্মস্থলে নিজের মতামত প্রকাশ না করাই ভাল হবে।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    ধনু

    ১) বাড়িতে সবাই খুব সতর্ক থাকুন, চুরির ভয় রয়েছে।

    ২) আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    মকর

    ১) জমি বা সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করার শুভ দিন।

    ২) শেয়ারে বাড়তি লগ্নি চিন্তাবৃদ্ধি ঘটাতে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    কুম্ভ

    ১) বন্ধুদের বিরোধিতা থেকে সাবধান থাকুন।

    ২) সঞ্চয়ের ব্যাপারে বিশেষ নজর দিন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মীন

    ১) পেটের সমস্যা বাড়তে পারে। ব্যবসায় আমূল পরিবর্তন লক্ষ করতে পারবেন।

    ২) সংসারে আর্থিক টানাপড়েন থাকলেও তা মিটে যাবে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 540: “ডুবলো নয়ন ফিরে না এলো, গৌর রূপসাগরে সাঁতার ভুলে, তলিয়ে গেল আমার মন”

    Ramakrishna 540: “ডুবলো নয়ন ফিরে না এলো, গৌর রূপসাগরে সাঁতার ভুলে, তলিয়ে গেল আমার মন”

    ৫০ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কলিকাতা নগরে ভক্তমন্দিরে

    ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৮শে জুলাই
    গুহ্যকথা—“তিনজনই এক”

    বলরামের বাড়ির বৈঠকখানার পশ্চিমপার্শ্বের ঘরে ঠাকুর বিশ্রাম করিতেছেন, নিদ্রা জাইবেন। গণুর মার বাড়ি হইতে ফিরিতে অনেক রাত হইয়া গিয়াছে। রাত পৌনে এগারটা হইবে।

    ঠাকুর (Ramakrishna) বলিতেছেন, “যোগীন একটু পায়ে হাতটা বুলিয়ে দাও তো।”

    কাছে মণি বসিয়া আছেন।

    যোগীন পায়ে হাত বুলাইয়া দিতেছেন (Kathamrita); এমন সময় ঠাকুর বলিতেছেন, আমার ক্ষিদে পেয়েছে, একটু সুজি খাব।

    ব্রাহ্মণী সঙ্গ সঙ্গে এখানেও আসিয়াছেন। ব্রাহ্মণীর ভাইটি বেশ বাঁয়া তবলা বাজাইতে পারেন। ঠাকুর ব্রাহ্মণিকে আবার দেখিয়া বলিতেছেন, “এবার নরেন্দ্র এলে, কি আর কোনও গাইয়ে লোক এলে ওঁর ভাইকে ডেকে আনলেই হবে।”

    ঠাকুর একটু সুজি খাইলেন। ক্রমে যোগীন ইত্যাদি ভক্তেরা ঘর হইতে চলিয়া গেলেন। মণি ঠাকুরের পায়ে হাত বুলাইতেছেন, ঠাকুর তাঁহার সহিত কথা কহিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—আহা, এদের (ব্রাহ্মণীদের) কি আহ্লাদ!

    মণি—কি আশ্চর্য, যীশুকৃষ্টের সময় ঠিক এইরকম হয়েছিল! তারাও দুটি মেয়েমানুষ ভক্ত, দুই ভগ্নী। মার্থা আর মেরী।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (উৎসুক হইয়া)—তাদের গল্প কি বল তো (Kathamrita)।

    মণি—যীশুকৃষ্ট তাঁদের বাড়িতে ভক্তসঙ্গে ঠিক এইরকম করে গিয়েছিলেন। একজন ভগ্নী তাঁকে দেখে ভাবোল্লাসে পরিপূর্ণ হয়েছিল। যেমন গৌরের গানে আছে,—

              ‘ডুবলো নয়ন ফিরে না এলো।
    গৌর রূপসাগরে সাঁতার ভুলে, তলিয়ে গেল আমার মন।’

    “আর-একটি বোন একলা খাবর-দাবার উদ্যোগ করছিল। সে ব্যতিব্যস্ত হয়ে যীশুর কাছে নালিশ করলে, প্রভু, দেখুন দেখি—দিদির কি অন্যায়! উনি এখানে একলা চুপ করে বসে আছেন, আর আমি (Ramakrishna) একলা এই সব উদ্যোগ করছি?

    “তখন যীশু বললেন, তোমার দিদিই ধন্য, কেন না মানুষ জীবনের যা প্রয়োজন (অর্থাৎ ঈশ্বরকে ভালবাসা—প্রেম) তা ওঁর হয়েছে।”

    শ্রীরামকৃষ্ণ—আচ্ছা তোমার এ-সব দেখে কি বোধ হয়?

    মণি—আমার বোধ হয়, তিনজনেই এক বস্তু!—যীশুখ্রীষ্ট, চৈতন্যদেব আর আপনি—একব্যক্তি!

    শ্রীরামকৃষ্ণ—এক এক! এক বইকি। তিনি (ঈশ্বর),—দেখছ না,—যেন এর উপর এমন করে রয়েছে!

    এই বলিয়া ঠাকুর নিজের শরীরের উপর অঙ্গুলি নির্দেশ করিলেন যেন বলছেন, ঈশ্বর তাঁরই শরীরধারণ করে অবতীর্ণ হয়েই রয়েছেন।

  • Arunachal Pradesh: অরুণাচল প্রদেশের নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়,  প্রধানমন্ত্রী মোদির অভিনন্দন

    Arunachal Pradesh: অরুণাচল প্রদেশের নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়, প্রধানমন্ত্রী মোদির অভিনন্দন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) জেলা পরিষদ এবং গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপির জয় জয়কার। রবিবারই প্রকাশিত হয়েছে এই নির্বাচনের ফল। সেখানে জেলা পরিষদ এবং গ্রাম পঞ্চায়েতের সিংহভাগ আসনই জিতেছে বিজেপি। আর এই নির্বাচনে কার্যত পাত্তা পায়নি কংগ্রেস। মোট আসনের ৯৭ শতাংশেরও বেশি জিতে রাজ্যে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে বিজেপি-নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। এই ফলাফল রাজ্যের উন্নয়নে ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকারের ওপর জনগণের আস্থারই প্রতিফলন বলে দাবি বিজেপির। নির্বাচনী জয়কে সুশাসনের প্রতি জনগণের বিশ্বাস হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    বিজেপির জয়-জয়কার

    অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) নির্বাচন কমিশনের অফিস সূত্রে খবর, সেখানকার জেলা পরিষদের ২৪৫টি আসনের মধ্যে ১৭০টিতেই জয়ী হয়েছে বিজেপি। এর মধ্যে ৫৯টি আসনে বিনা-প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছে বিজেপি। অন্য দিকে, জেলা পরিষদের ২৮টি আসনে জিতেছে পিপলস পার্টি অফ অরুণাচল। সেখানে জেলা পরিষদের মাত্র ৭টি আসন এসেছে কংগ্রেসের দখলে। ন্যাশনাল পিপলস পার্টি ৫টি আসনে এবং নির্দল ও অন্যান্যরা জিতেছে ২৩টি আসনে। একই ভাবে গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনেও বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বিজেপি। গ্রাম পঞ্চায়েতের ৮২০৮টি আসনের মধ্যে বিজেপি জিতেছে ৬০৮৫টি আসনে। এর মধ্যে ৫২১১ আসনেই বিনা-প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছে বিজেপি। অন্য দিকে কংগ্রেস জিতেছে মাত্র ২১৬টি আসনে। এর মধ্যে ১১১টি আসনে কোনও প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়া জয় পেয়েছে কংগ্রেস।

    প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

    প্রধানমন্ত্রী মোদি বিজেপির এই সাফল্যে বলেন, “অরুণাচল প্রদেশের মানুষ সুশাসনের রাজনীতির প্রতি অটল সমর্থন দেখিয়েছেন। বিজেপির প্রতি যে ভালোবাসা তাঁরা দেখিয়েছেন, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। এতে রাজ্যের রূপান্তরের লক্ষ্যে আমাদের সংকল্প আরও দৃঢ় হলো। তৃণমূল স্তরে অক্লান্ত পরিশ্রম করা বিজেপি কার্যকর্তাদেরও সাধুবাদ জানাই।” মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডুও রাজ্যের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “ভারতীয় জনতা পার্টির প্রতি মানুষের অভূতপূর্ব সমর্থন ও বিশ্বাসের জন্য আমি কৃতজ্ঞ।” তিনি দলের কর্মী ও নেতাদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তাঁদের নিরলস পরিশ্রমেই এই ঐতিহাসিক সাফল্য এসেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্ব ও দিশানির্দেশে অরুণাচলকে আরও শক্তিশালী, সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    উন্নয়নের পক্ষে স্পষ্ট ম্যান্ডেট

    আর এক দিকে, ইটানগর পুরসভার ২০টি আসনের মধ্যে ১৪টিতে জিতেছে বিজেপি। পাসিঘাট পুরসভার নির্বাচনে পিপলস পার্টি অফ অরুণাচল জিতেছে ৫টি আসনে। সেখানে বিজেপি দু’টি আসনে এবং নির্দল জিতেছে একটি আসনে। এই দু’টি পুরসভাতে খাতাই খুলতে পারেনি কংগ্রেস। বিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই রায় উন্নয়নের পক্ষে স্পষ্ট ম্যান্ডেট। দলের কথা, “জেলা পরিষদ থেকে গ্রাম পঞ্চায়েত—সব স্তরেই বার্তা পরিষ্কার: শান্তি, অগ্রগতি ও কর্মদক্ষতার পক্ষে অরুণাচল; নেতৃত্বে এনডিএ।”

  • India-New Zealand: ভারত–নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত, ফোনে ক্রিস্টোফারকে স্বাগত জানালেন মোদি

    India-New Zealand: ভারত–নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত, ফোনে ক্রিস্টোফারকে স্বাগত জানালেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চূড়ান্ত হল ভারত-নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সোমবার নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লাক্সনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। দুই নেতা যৌথভাবে এই যুগান্তকারী ভারত-নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (FTA) ঘোষণা করেন। নেতারা একমত হন যে এই এফটিএ দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, উদ্ভাবন এবং যৌথ সুযোগ বাড়াতে অনুঘটকের কাজ করবে। নেতারা প্রতিরক্ষা, খেলাধুলা, শিক্ষা এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্কসহ দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অন্যান্য ক্ষেত্রে অগ্রগতিকেও স্বাগত জানান।

    ভারত-নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি

    ভারত-নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী লাক্সনের ভারত সফরের সময় আলোচনা শুরু হয়েছিল। দুই দেশের নেতারা জানান, এই উচ্চাকাঙ্ক্ষী ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক এফটিএ ভবিষ্যতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, উদ্ভাবন এবং যৌথ সুযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এক শক্তিশালী অনুঘটকের ভূমিকা পালন করবে। চুক্তির মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর হবে, বাজারে প্রবেশাধিকার বাড়বে, বিনিয়োগ প্রবাহ জোরদার হবে এবং কৌশলগত সহযোগিতা নতুন উচ্চতায় পৌঁছবে। উল্লেখ্য, চলতি বছরের মার্চ মাসে প্রধানমন্ত্রী লাক্সনের ভারত সফরের সময় এই এফটিএ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল। মাত্র ৯ মাসের রেকর্ড সময়ে আলোচনা সম্পন্ন হওয়াকে দুই দেশের পারস্পরিক রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও সম্পর্ক গভীর করার অভিন্ন লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন দুই নেতা।

    এফটিএ-র শক্ত ভিত্তি

    এই চুক্তির ফলে দুই দেশের উদ্ভাবক, উদ্যোক্তা, কৃষক, এমএসএমই, ছাত্র ও যুবসমাজ বিভিন্ন খাতে নতুন সুযোগ পাবে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়াও প্রতিরক্ষা, ক্রীড়া, শিক্ষা এবং জনগণ-থেকে-জনগণের সম্পর্কসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে সহযোগিতার অগ্রগতিতেও সন্তোষ প্রকাশ করেন নেতারা। এফটিএ-র শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে আগামী পাঁচ বছরে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য দ্বিগুণ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি আগামী ১৫ বছরে নিউজিল্যান্ড থেকে ভারতে প্রায় ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ আসবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

    দুই দেশের মধ্যে শক্তিশালী বন্ধুত্বের প্রতীক

    ক্রিস্টোফার লাক্সন, এক্স-এ একটি পোস্টে বলেছেন, “আমি এইমাত্র ভারত-নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথা বলেছি। এই এফটিএ ভারতে আমাদের রফতানির ৯৫% ক্ষেত্রে শুল্ক কমিয়ে দেয় বা সরিয়ে দেয়। পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে যে আগামী দুই দশকে ভারতে নিউজিল্যান্ডের রফতানি বছরে ১.১ বিলিয়ন থেকে ১.৩ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বাড়তে পারে। বাণিজ্য বাড়ানোর অর্থ হলো কিউইদের জন্য আরও চাকরি, বেশি বেতন এবং কঠোর পরিশ্রমী নিউজিল্যান্ডবাসীদের জন্য আরও সুযোগ। এই চুক্তি আমাদের দুই দেশের মধ্যে শক্তিশালী বন্ধুত্বের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। ভারত বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতির মধ্যে একটি, এবং এটি কিউই ব্যবসাগুলোকে ১৪০ কোটি ভারতীয় গ্রাহকের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ করে দেয়। আমাদের সরকার মৌলিক বিষয়গুলো ঠিক করতে এবং ভবিষ্যৎ গড়তে অক্লান্তভাবে কাজ করছে – এই ধরনের নতুন বাণিজ্য চুক্তি আমাদের অর্থনীতিকে বাড়াতে সাহায্য করে যাতে সমস্ত কিউই এগিয়ে যেতে পারে।”

    ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি

    এই চুক্তি পরিষেবা, গতিশীলতা, পণ্য, বিনিয়োগ এবং বাণিজ্য সহজীকরণের ক্ষেত্রে সহযোগিতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে গভীর করবে। চুক্তির অংশ হিসেবে, নিউজিল্যান্ড ১৫ বছরের মেয়াদে ভারতে ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যা মূলত ইউরোপীয় মুক্ত বাণিজ্য সংস্থা (EFTA) মডেলের আদলে তৈরি। এই বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতি একটি পুনঃভারসাম্য ব্যবস্থার মাধ্যমে সমর্থিত হবে, যার অধীনে সম্মত বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হলে বাণিজ্য ছাড় স্থগিত করা হতে পারে। চুক্তির একটি প্রধান আকর্ষণ হলো পরিষেবা এবং গতিশীলতা। নিউজিল্যান্ড ১১৮টি পরিষেবা খাত এবং উপ-খাতে বাজারে প্রবেশের সুযোগ দিয়েছে, সাথে ১৩৯টি পরিষেবা খাতে মোস্ট ফেভারড নেশন (MFN) মর্যাদা দিয়েছে।

    নিউজিল্যান্ডকে ১০৬টি পরিষেবা খাতে সুযোগ

    স্বাস্থ্য-সম্পর্কিত এবং ঐতিহ্যবাহী ঔষধ পরিষেবাগুলিতে বাণিজ্য সহজ করার জন্য একটি অ্যানেক্সও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা নিউজিল্যান্ডের জন্য প্রথমবার কোনো দেশের সাথে এই ধরনের অ্যানেক্স স্বাক্ষর করার ঘটনা। এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ক্ষুদ্র, ছোট এবং মাঝারি উদ্যোগের (MSMEs) উপর বিশেষ জোর দিয়েছে। চুক্তিটি একটি ভারসাম্যপূর্ণ এবং শক্তিশালী রুলস অফ অরিজিন (ROO) কাঠামোও প্রতিষ্ঠা করে, যেখানে পছন্দের বাজারে প্রবেশের অখণ্ডতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ফাঁকি রোধ করার জন্য পণ্য-নির্দিষ্ট নিয়ম এবং সুরক্ষা ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ভারত, তার পক্ষ থেকে, নিউজিল্যান্ডকে ১০৬টি পরিষেবা খাতে বাজারে প্রবেশের সুযোগ দিয়েছে।

    ভারতীয় ছাত্রদের সুবিধা

    নিউজিল্যান্ড প্রথমবারের মতো কোনো দেশের সাথে স্টুডেন্ট মোবিলিটি এবং পোস্ট-স্টাডি ওয়ার্ক ভিসার উপর একটি অ্যানেক্স স্বাক্ষর করেছে। এই ব্যবস্থায় কোনো সংখ্যাগত সীমা নেই এবং ভারতীয় ছাত্রদের জন্য প্রতি সপ্তাহে ২০ ঘন্টা কাজের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল এবং গণিত (STEM) বিষয়ে স্নাতক স্নাতকদের জন্য তিন বছর পর্যন্ত, স্নাতকোত্তর স্নাতকদের জন্য তিন বছর পর্যন্ত এবং ডক্টরেট ডিগ্রিধারীদের জন্য চার বছর পর্যন্ত পোস্ট-স্টাডি ওয়ার্ক ভিসার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। এছাড়াও, একটি নতুন টেম্পোরারি এমপ্লয়মেন্ট এন্ট্রি ভিসা পথ তৈরি করা হয়েছে, যা যেকোনো সময়ে ৫,০০০ পর্যন্ত দক্ষ ভারতীয় পেশাজীবীকে নিউজিল্যান্ডে তিন বছর পর্যন্ত থাকার অনুমতি দেবে।

  • Srinivasa Ramanujan: আজ জাতীয় গণিত দিবস, চিনে নিন ভারতের বিস্ময়কর প্রতিভা রামানুজনকে

    Srinivasa Ramanujan: আজ জাতীয় গণিত দিবস, চিনে নিন ভারতের বিস্ময়কর প্রতিভা রামানুজনকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহু গণিত প্রতিভার (Maths Genius) জন্মভূমি এই ভারত। এখানেই জন্মেছিলেন শ্রীনিবাস রামানুজনও (Srinivasa Ramanujan)। ১৮৮৭ সালের ২২ ডিসেম্বর কে শ্রীনিবাস আইয়েঙ্গার ও কোমলতাম্মালের ঘরে জন্ম নিয়েছিলেন রামানুজন। শৈশব থেকেই গণিতের প্রতি তাঁর দারুন ঝোঁক। নিয়মিত স্কুলে যাওয়ার বদলে মন্দিরের মণ্ডপে বসে গণিতের সমস্যা সমাধান করতেন তিনি। শোনা যায়, গণিতের কোনও সমস্যার সমাধান করতে না পারলে তিনি তাঁর উত্তর খুঁজে পেতেন স্বপ্নের মধ্যেই। গণিতের প্রতি তাঁর এই অগাধ ভালোবাসার জন্যই স্কুলের অন্যান্য বিষয়গুলিতে তিনি প্রায়ই ফেল করতেন। মাত্র তেরো বছর বয়সেই রামানুজন জটিল উপপাদ্য আবিষ্কার করতে শুরু করেন। সেগুলি লিপিবদ্ধ করতেও শুরু করেন। কাগজ দুষ্প্রাপ্য ছিল বলে তিনি স্লেটে সমস্ত গণনা করে নিতেন। খাতায় লিখে রাখতেন কেবল গুরুত্বপূর্ণ ফল ও গণিতের সারাংশ।

    চাকরির সন্ধানে রামানুজন (Srinivasa Ramanujan)

    ১৯০৯ সালে রামানুজন বিয়ে করেন জানকীঅম্মলকে। জীবিকা নির্বাহের জন্য তিনি চাকরির সন্ধান করতে শুরু করেন। এই সময়েই তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয় ভারতীয় গণিত সমিতির প্রতিষ্ঠাতা ভি রামস্বামী আয়ারের। তিনি চাকরি করতেন রাজস্ব দফতরে। সেখানেই চাকরির জন্য আবেদন করেছিলেন রামানুজন। রামানুজনের খাতার বিষয়বস্তু দেখে তিনি বিস্মিত হয়ে যান। তরুণ প্রতিভার অসাধারণ ক্ষমতা আঁচ করে আয়ার রামানুজনকে মাদ্রাজের বিভিন্ন গণিতবিদ বন্ধুদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। ১৯১২ সালের ১ মার্চ রামানুজন মাদ্রাজ পোর্ট ট্রাস্টের প্রধান হিসাবরক্ষকের দফতরে চাকরি পান। তাঁর বস স্যার ফ্রান্সিস স্প্রিং ও সহকর্মী নারায়ণ আয়ার তাঁকে গণিতচর্চা চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করতে থাকেন।

    কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশে যাত্রা

    ১৯১৩ সালের জানুয়ারি মাসে রামানুজন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রখ্যাত ইংরেজ গণিতবিদ জিএইচ হার্ডিকে একটি চিঠি লেখেন। প্রথমে পাঠানো সূত্রগুলির কয়েকটি হার্ডি বুঝতে পারলেও, বাকিগুলির জটিলতা দেখে সেগুলিকে তাঁর অবিশ্বাস্য বলে মনে হয়েছিল। তবে রামানুজন প্রেরিত ৯ পৃষ্ঠার পাণ্ডুলিপি গভীরভাবে অধ্যয়ন করার পর তিনি নিশ্চিত হন যে কাজগুলি সম্পূর্ণ নির্ভুল এবং মৌলিক। তিনি বুঝতে পারেন, এত গভীর উপপাদ্য কেবলই কল্পনার ফল হতে পারে না। বহু বোঝানো ও মাতৃআশীর্বাদ লাভের পর অবশেষে ১৯১৪ সালে রামানুজন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশে যাত্রা করেন (Srinivasa Ramanujan)।

    রয়্যাল সোসাইটির ফেলো

    বিদেশে রামানুজন অসাধারণ কৃতিত্ব অর্জন করেন। রয়্যাল সোসাইটির ফেলো নির্বাচিত হন তিনি। রামানুজন হলেন দ্বিতীয় ভারতীয় এবং সর্বকনিষ্ঠদের অন্যতম, যিনি এই সোসাইটির ফেলো নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯১৮ সালের ১৩ অক্টোবর তিনি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রিনিটি কলেজের ফেলো নির্বাচিত হওয়া প্রথম ভারতীয় হন। দুর্ভাগ্যবশত, যক্ষ্মায় আক্রান্ত হওয়ার ফলে তাঁর স্বাস্থ্যের দ্রুত অবনতি ঘটতে থাকে। ১৯১৯ সালেই তাঁকে ফিরতে হয় নিজের গ্রামে। ১৯২০ সালে মাত্র ৩২ বছর বয়সে প্রয়াত হন গণিতের এই বিস্ময় প্রতিভা (Maths Genius)।

    গাণিতিক অবদান

    রামানুজনের গাণিতিক অবদান তাঁর মৃত্যুর বহু পরেও টিকে রয়েছে এবং আজও বিশ্বজুড়ে গবেষকদের বিস্মিত ও অনুপ্রাণিত করে চলেছে। গণিতে প্রায় কোনও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকলেও, তিনি সম্পূর্ণভাবে স্বশিক্ষিত হয়ে বিষয়টির ওপর অসাধারণ দক্ষতা অর্জন করেছিলেন (Srinivasa Ramanujan)। রামানুজন ছিলেন আক্ষরিক অর্থেই এক ধর্মপ্রাণ হিন্দু। তিনি তাঁর সব আবিষ্কারের কৃতিত্ব দিতেন পারিবারিক আরাধ্য দেবী নামগিরির মহালক্ষ্মীকে। তিনি বলেছিলেন, “আমার কাছে কোনও সমীকরণের কোনও অর্থ নেই, যদি তা ঈশ্বরের কোনও ভাবনার প্রকাশ না হয়।” প্রাতিষ্ঠানিক কোনও শিক্ষা সেই অর্থে ছিল না রামানুজনের। তবুও তিনি আবিষ্কার করেছিলেন সংখ্যা তত্ত্ব, যুগান্তকারী অবদান রেখেছিলেন অনন্ত ধারা এবং কন্টিনিউড ফ্র্যাকশনের ক্ষেত্রে। তাঁর সূত্র ও ধারণাগুলি আজও গণিত ও পদার্থবিদ্যার বিভিন্ন শাখায় ব্যবহৃত হয়। তিনিই প্রথম ‘পাই’য়ের মান বের করে চমকে দেন বিশ্বকে (Maths Genius)।

    ‘জাতীয় গণিত দিবস’

    বর্তমানে কুম্ভকোনামের সরঙ্গপাণি সন্নিধি স্ট্রিটে অবস্থিত তাঁর পৈতৃক বাড়িটিতে তাঁর স্মরণে একটি জাদুঘরে পরিণত করা হয়েছে। তাঁর জন্মদিন ২২ ডিসেম্বর। তামাম ভারতে দিনটি পালিত হয় ‘জাতীয় গণিত দিবস’ হিসেবে। তিনি ছিলেন এমন এক প্রতিভা, যিনি কেবল অসীমকে বোঝেননি, বরং অসীমের সঙ্গেই একাত্ম হয়ে গিয়েছিলেন। গণিত জগৎ আজও তাঁর কাছে গভীরভাবে ঋণী। বোধহয়, সেই কারণেই সুইডেন এবং জার্মানির মতো দেশগুলিতেও প্রতি বছর এই ভারতীয় প্রতিভাকে সম্মান জানাতে গাণিতিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয় (Srinivasa Ramanujan)। আর্যভট্ট ও বরাহমিহিরের ঢের পরেও যে রামানুজন এবং তাঁর কালজয়ী তত্ত্বসমূহ আজও বিশ্ব গণিতকে পথ দেখিয়ে চলেছে, এই গৌরব ভারতবাসীদের জন্য গর্বের বিষয় বই কি (Maths Genius)!

LinkedIn
Share