Tag: news in bengali

news in bengali

  • Amit Shah: মাওবাদী-মুক্ত হওয়ার পথে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে দেশ, সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরলেন অমিত শাহ

    Amit Shah: মাওবাদী-মুক্ত হওয়ার পথে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে দেশ, সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরলেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ কীভাবে মাওবাদী-মুক্ত হওয়ার পথে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে, সেই সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, দেশ ২০২৬ সালের মধ্যেই মাওবাদী মুক্ত হবে। ছত্তিশগড়ে সরকারের সাফল্যের কথা তুলে ধরে রাজ্য সরকারের প্রশংসা করেন তিনি। তিনি বলেন, “চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এই রাজ্যে ১৯৪ জন মাওবাদীকে খতম (Maoist-free) করা গিয়েছে। সেই সঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছে মোট ৮০১ জন মাওবাদীকে। আত্মসমর্পণ করেছে ৭৪২ জন জঙ্গি।”

    সমাজের মূল স্রোতে ফেরার বার্তা(Amit Shah)

    সোমবার দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে মাওবাদী অধ্যুষিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রী এবং আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন অমিত শাহ (Amit Shah)। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিল ছত্তিশগড়, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলঙ্গানা, মহারাষ্ট্র, বিহার, ঝাড়খণ্ড, মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের প্রতিনিধিরা। মাওবাদীরা যাতে অস্ত্র ত্যাগ করে সমাজের মূল স্রোতে ফিরে আসে, সেই জন্য বিশেষভাবে আবেদন রাখেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি মনে করিয়েছেন উত্তর এবং উত্তর-পূর্ব রাজ্যের প্রায় ২৩ হাজার জঙ্গি অস্ত্র (Maoist-free) ছেড়ে সমাজের মূল স্রোতে যোগদান করেছে।

    আরও পড়ুনঃ পুজোতে রোজই হালকা বৃষ্টির ইঙ্গিত কলকাতায়, আনন্দ মাটি হবে না তো?

    কী বললেন অমিত শাহ?

    গত শুক্রবার, ৪ অক্টোবর ছত্তিশগড়ের নারায়ণপুর-দন্তেওয়ারা সীমান্তে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে মাওবাদীদের ব্যাপক গুলির লড়াই হয়। আর তাতে ৩০ জন মাওবাদী মারা পড়ে। মৃত মাওবাদীদের কাছ থেকে একে ৪৭ সহ একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র এবং প্রচুর বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে। রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের পর থেকে এটা বিরাট সাফল্য। তাই রাজ্য সরকারকে বাহবা দিয়ে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “আমি ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী, ডিজিপি এবং পুরো টিমকে অভিনন্দন জানাই। চলতি বছরে ছত্তিশগড়ে ১৯৪ মাওবাদীকে নিকেশ করা হয়েছে। এ’বছরের জানুয়ারিতে রাজ্যে গিয়ে মাওবাদী দমনে কড়া পদক্ষেপের বিশেষ পরিকল্পনা করা হয়েছিল। গত ইউপিএ সরকারের তুলনায় নিরাপত্তা খাতে এবারে বাজটের পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। ২০০৪ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত বাজেটের পরিমাণ ছিল ১১৮০ কোটি টাকা। আবার ২০১৪ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত এই বাজেট বৃদ্ধি করে করা হয়েছে ৩০০৬ কোটি টাকা। আগের সরকারের তুলনায় বাজেট বৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ৩ গুণ। একই ভাবে মাওবাদী (Maoist-free) দমনের পাশাপাশি উন্নয়নমূলক কাজেও অর্থ ব্যয় করার কাজ চলছে।”  

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আলোচনার সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ২০০৪ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে ১০ বছরে ১৬৪৬৩টি হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। বর্তমানে যা ৭৭০০-এ নেমে এসেছে। প্রায় ৫৩% হ্রাস পেয়ছে। একইভাবে, অসামরিক এবং নিরাপত্তা বাহিনীর মৃত্যু ৭০% কমেছে। হিংসার ঘটনায় রিপোর্ট দেওয়া জেলার সংখ্যা ৯৬ থেকে ১৬-এ নেমে এসেছে। সেখানেও ৫৭% হ্রাস পেয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: পুজোতে রোজই হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা কলকাতায়, আনন্দ মাটি হবে না তো?

    Weather Update: পুজোতে রোজই হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা কলকাতায়, আনন্দ মাটি হবে না তো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিম্নচাপ কেটে গিয়েছে। তবুও বৃষ্টি ভোগাতে পারে। দুর্গাপুজোয় প্রত্যেক দিনই প্রায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা কলকাতায়। বাকি রাজ্যেও বৃষ্টির প্রভাব থাকবে। তাহলে কি পুজোর আনন্দ মাটি হবে? আলিপুর আবহাওয়া দফতর কী বলছে? হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী ১০ অক্টোবর সপ্তমী পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির (Weather Update) সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে জেলায়ও বৃষ্টি (Light rain) হতে পারে, কিন্তু ভারী বর্ষণের তেমন কোনও ইঙ্গিত নেই। ফাঁকা সময়ে ঠাকুর দেখার অবসর মিলবে।

    অতি হালকা থেকে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা দক্ষিণবঙ্গে (Weather Update)

    হাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১০ অক্টোবর সপ্তমী পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি (Weather Update) হতে পারে। ১১ অক্টোবর, অষ্টমী-নবমীতে উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের বেশ কিছু এলাকায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বাকি কিছু অংশেও হতে পারে হালকা বৃষ্টি (Light rain)। আগামী শনিবার দশমীর দিন দক্ষিণের সব জেলার কিছু কিছু জায়গায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে রবিবার একাদশীতে কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে অতি হালকা থেকে হালকা বৃষ্টি হতে পারে।

    উত্তরবঙ্গেও হবে হালকা বৃষ্টি

    উত্তরবঙ্গে মঙ্গল এবং বুধবারে প্রায় সব জেলার বেশ কিছু অংশে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির (Weather Update) সম্ভাবনা রয়েছে। একই ভাবে বৃহস্পতিবার সপ্তমীতে দার্জিলিং, কালিম্পং-সহ একাধিক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ওই দিন উত্তরের বাকি ছয় জেলার দুই এক জায়গায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার, অষ্টমী-নবমীতে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারের বেশ কিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে। আগামী শনিবার, দশমী এবং রবিবার একাদশীতে দার্জিলিং, কালিম্পং-এর বেশকিছু জায়গায় হালকা ও বিক্ষিপ্ত ভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: বীরভূমের খনিতে বিস্ফোরণ, মুখ বোজাতে সেই ‘টাকার খেলা’ মমতার! বিজেপি চাইল এনআইএ

    কলকাতায় কেমন আবহাওয়া থাকবে?

    পুজোর প্রায় সব দিনেই বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে কলকাতায়। মঙ্গলবার পঞ্চমীর দিনে কলকাতার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। কিছু এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শহরে এদিন, দিনের সর্ব্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩২ ডিগ্রির কাছাকাছি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। ষষ্ঠী থেকে সপ্তমীতে শহরের বেশকিছু এলাকায় হালকা বৃষ্টির (Light rain) সম্ভাবনা রয়েছে। অষ্টমী-নবমীতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময় আকাশ থকাবে আংশিক মেঘলা (Weather Update)। আবার একাদশীর দিনেও হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 157: “ভক্তেরা দাঁড়াইয়া খোল-করতাল লইয়া কীর্তন করিতেছেন, ঠাকুরের দৃষ্টি স্থির”

    Ramakrishna 157: “ভক্তেরা দাঁড়াইয়া খোল-করতাল লইয়া কীর্তন করিতেছেন, ঠাকুরের দৃষ্টি স্থির”

    শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ও বলরাম-মন্দিরে

    ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ১১ই মার্চ
    কীর্তনানন্দে ও সমাধিমন্দিরে

    ভক্তেরা এই আবতারতত্ত্ব অবাক্‌ হইয়া শুনিতেছেন। কেহ কেহ ভাবিতেছেন, কি আশ্চর্য! বেদোক্ত অখণ্ড সচ্চিদানন্দ—যাহাকে বেদে বাক্য-মনের অতীত বলিয়াছে—সেই পুরুষ আমাদের সামনে চোদ্দ পোয়া মানুষ হইয়া আসেন। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) যেকালে বলিতেছেন, সেকালে অবশ্য হইবে। যদি তাহা না হইত, তাহা হইলে “রাম রামন” করিয়া এই মহাপুরুষের কেন সমাধি হইবে? নিশ্চয় ইনি হৃৎপদ্মে রামরূপ দর্শন করিতেছিলেন।

    দেখিতে দেখিতে কোন্নগর হইতে ভক্তেরা খোল-করতাল লইয়া সংকীর্তন করিতে করিতে বাগানে আসিয়া উপস্থিত হইলেন। মনোমোহন, নবাই ও অন্যান্য অনেকে নামসংকীর্তন করিতে করিতে ঠাকুরের কাছে সেই উত্তর-পূর্ব বারান্দায় উপস্থিত। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ প্রেমোন্মত্ত হইয়া তাঁহাদের সহিত সংকীর্তন (Kathamrita) করিতেছেন।

    নৃত্য করিতে করিতে মাঝে মাঝে সমাধি। তখন আবার সংকীর্তনের মধ্যে চিত্রার্পিতের ন্যায় দাঁড়াইয়া আছেন। সেই অবস্থায় ভক্তেরা তাঁহাকে পুষ্পমালা দিয়া সাজাইলেন। বড় বড় গোড়েমালা। ভক্তেরা দেখিতেছেন, যেন শ্রীগৌরাঙ্গ সম্মুখে দাঁড়াইয়া। গভীর ভাবসমাধিনিমগ্ন! প্রভুর কখন অন্তর্দশা—তখন জড়বৎ চিত্রার্পিতের ন্যায় বাহ্যশূন্য হইয়া পড়েন। কখন বা অর্ধবাহ্যদশা—তখন প্রেমাবিষ্ট হইয়া নৃত্য করিতে থাকেন। আবার কখন বা শ্রীগৌরাঙ্গের ন্যায় বাহ্যদশা—তখন ভক্তসঙ্গে সংকীর্তন করেন।

    ঠাকুর সমাধিস্থ, দাঁড়াইয়া। গলায় মালা। পাছে পড়িয়া যান ভাবিয়া একজন ভক্ত তাঁহাকে ধরিয়া আছেন; চর্তুদিকের ভক্তেরা দাঁড়াইয়া খোল-করতাল লইয়া কীর্তন করিতেছেন। ঠাকুরের দৃষ্টি স্থির (Kathamrita) । চন্দ্রবদন প্রেমানুরঞ্জিত। ঠাকুর পশ্চিমাস্য।

    এই আনন্দমূর্তি ভক্তেরা অনেকক্ষণ ধরিয়া দেখিতে লাগিলেন। সমাধি ভঙ্গ হইল। বেলা হইয়াছে। কিয়ৎক্ষণ পরে কীর্তনও থামিল। ভক্তেরা ঠাকুরকে আহার করাইবার জন্য ব্যস্ত হইলেন।

    ঠাকুর (Ramakrishna) কিয়ৎকাল বিশ্রাম করিয়া, নববস্ত্র পীতাম্বর পরিধান করিয়া ছোট খাটটিতে বসিলেন। পীতাম্বরধারী সেই আনন্দময় মহাপুরুষের জ্যোতির্ময় ভক্তচিত্তবিনোদন, অপরূপ রূপ ভক্তেরা দর্শন করিতেছিলেন। সেই দেবদুর্লভ, পবিত্র, মোহনমূর্তি দর্শন করিয়া নয়নের তৃপ্তি হইল না। ইচ্ছা, আরও দেখি, আরও দেখি; সেই রূপসাগরে মগ্ন হই।

    ঠাকুর আহারে বসিলেন। ভক্তেরাও আনন্দে প্রসাদ পাইলেন।

    আরও পড়ুনঃ “একটা ঢোঁড়ায় ব্যাঙটাকে ধরেছে, ছাড়তেও পাচ্ছে না—গিলতেও পাচ্ছে না…”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ“ওরে সাধু সাবধান! এক-আধবার যাবি। বেশি যাসনে—পড়ে যাবি! কামিনী-কাঞ্চনই মায়া”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mohan Yadav: বিজেপির সদস্যপদ গ্রহণ করলেন পদ্মশ্রী দুর্গা বাই ব্যাম, জানালেন মোহন যাদব

    Mohan Yadav: বিজেপির সদস্যপদ গ্রহণ করলেন পদ্মশ্রী দুর্গা বাই ব্যাম, জানালেন মোহন যাদব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোপাল নিবাসী পদ্মশ্রী পুরস্কারপ্রাপ্ত আদিবাসী শিল্পী দুর্গা বাই ব্যাম (Durga Bai Vyam) রবিবার বিজেপিতে যোগদান করেছেন। মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব (Mohan Yadav) এই বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমকে জানান। তিনি বলেন, ‘‘গত শনিবার ২০২২ সালে ভারতের শীর্ষ সম্মান পাওয়া দুর্গা বাই আমার সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন। এরপর তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রীর ভাবনায় অনুপ্রাণিত হয়ে বিজেপিতে যোগদান করার সিদ্ধান্ত নেন। জনজাতি সমাজের প্রতিনিধি হয়ে তাঁর অবদান দেশের জন্য উল্লেখযোগ্য অধ্যায়। বিজেপি আরও সমৃদ্ধ হবে।” উল্লেখ্য লোকসভার পর বিজেপির সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে সর্বভারতীয় সভাপতি জগতপ্রকাশ নাড্ডা সদস্য অভিযানের কথা ঘোষণা করেছিলেন। এরপর থেকে দেশব্যাপী চলছে সদস্যপদ গ্রহণের অভিযান।

    নরেন্দ্র মোদির কাজে মুগ্ধ দুর্গা বাই যাদব (Mohan Yadav)

    রবিবার দিনের বেলায়, মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব যাদব (Mohan Yadav), দুর্গা বাই ব্যামের (Durga Bai Vyam) বাড়িতে গিয়েছিলেন এবং সেখানেই তাঁকে বিজেপি সদস্যতার জন্য নাম নথিভুক্ত করান। দুর্গা বাই-এর এই বিজেপিতে যোগদান সম্পর্কে মোহন যাদব বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যেভাবে জনজাতি সম্প্রদায়ের জন্য কাজ করে চলেছেন, তাকে তিনি সমর্থন করেছেন। সারা দেশে জনজাতি সমাজের সার্বিক বিকাশ এবং উন্নয়নের জন্য মুগ্ধ হয়েছেন আদিবাসী শিল্পী দুর্গা বাই ভ্যম। তিনি একাধারে অসামান্য চিত্র শিল্পী। তিনি গোন্ডদের নানা পৌরাণিক এবং লৌকিক কাহিনীর উপর পটচিত্র নির্মাণ করেছেন।”

    আরও পড়ুনঃ পাঁকে পড়েছে অর্থনীতি, ভারত সফরে উল্টো সুর ‘ইন্ডিয়া আউট’ প্রচার চালানো মুইজ্জুর

    সমাজের পিছিয়ে থাকা মানুষের কাছে বিজেপি

    মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব আরও বলেন, “বিশিষ্ট গোন্ড জনজাতি সম্প্রদায়ের এই কীর্তিমান শিল্পী (Durga Bai Vyam) আমাকে বলেছিলেন, হিন্দু রানী দুর্গাবতীর গৌরব এবং সুশাসন বাড়ানোর জন্য আমাদের দেশের এবং রাজ্যের বিজেপি সরকার কাজ করে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যেভাবে এই জনজাতি সমাজের প্রতি সজাগ দৃষ্টি রেখেছেন, তাতে আমরা আপ্লুত। রানী দুর্গাবতী ছিলেন গোন্ডা রাজবংশের একজন কিংবদন্তী রানী, যিনি ষোড়শ শতাব্দীতে মুঘল বাহিনীর বিরুদ্ধে বীরত্বের সঙ্গে যুদ্ধ করেছিলেন। তাঁর কৃতিত্ব এবং গৌরব গাঁথা মধ্য-ভারতের নর্মদা নদী উপত্যকার কেল্লাগুলিতে সঞ্চিত রয়েছে। পরবর্তীতে ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনে গোন্ডা সম্প্রদায়ের বিরাট অবদান ছিল। ভারত মায়ের সেবায় এবার দুর্গা বাই ব্যামের যোগদান ভীষণভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হবে।” বিজেপি এই সদস্যার অভিযানে সমাজের পিছিয়ে থাকা মানুষের কাছে গিয়ে যে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে চাইছে, সেকথা ওয়াকিবহাল বহল একান্তভাবেই মনে করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Case: সাদা অ্যাপ্রনে ‘রক্ত মাখা’ দশ আঙুলের ছাপ, চতুর্থীতে অভিনব প্রতিবাদ জুনিয়র ডাক্তারদের

    RG Kar Case: সাদা অ্যাপ্রনে ‘রক্ত মাখা’ দশ আঙুলের ছাপ, চতুর্থীতে অভিনব প্রতিবাদ জুনিয়র ডাক্তারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Case) হাসপাতলে চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ করে হত্যার প্রতিবাদে বিরাম নেই জুনিয়র ডাক্তারদের। শহর পুজোর ব্যস্ততায় ক্রমশ আচ্ছন্ন হলেও, নির্যাতিতার জন্য সুবিচারের দাবিকে নতুন আঙ্গিকে তুলে ধরলেন আন্দোলনকারীরা। অপর দিকে ধর্মতলায় দশ দফা দাবি নিয়ে অনশনে নেমেছেন এসএসকেএম, আরজিকর, কেপিসি এবং এনআরএস হাসপাতালের পিজিটি চিকিৎসকরা। এখনও পর্যন্ত মোট ৭ জন ডাক্তার অনশনে বসেছেন। পাশাপাশি সোমবার, দুর্গাপুজোর (Durga Puja) ঠিক দুদিন আগে চতুর্থীর দিনেই জরুরি পরিষেবা দিতে নেমেছেন নতুন অ্যাপ্রন নিয়ে। সাদা অ্যাপ্রনের মধ্যে ‘রক্ত মাখা’ দশ আঙুলের ছাপ। অভিনব প্রতিবাদে শোরগোল পড়েছে।

    জুনিয়র ডাক্তারদের বক্তব্য (RG Kar Case)

    আন্দলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের (RG Kar Case) বক্তব্য, “সব মেডিক্যাল কলেজেই সোমবার এই অ্যাপ্রন পরে রোগী পরিষেবা দেন জুনিয়র ডাক্তাররা। আমরা এটা পরেই কাজ করছি। কারণ আমাদের অ্যাপ্রন এখন রক্তাক্ত। আমরা কাজে ফিরেছি, কিন্তু অপরাধ কমেনি এখনও। এই রাজ্যে ধর্ষকদের বিন্দুমাত্র ভয় নেই, কারণ উপযুক্ত শাস্তি হয়নি। তাই, দিনের পর দিন একই অপরাধ করতে পারছে তারা। সকল ডাক্তারকে, আমাদের সঙ্গে এই অ্যাপ্রন পরে কাজ করার অনুরোধ করব।”

    আরও পড়ুনঃ শুধু বিষক্রিয়ায় মৃত্যু? খুশি নয় পটাশপুরের নির্যাতিতার পরিবার, দ্বারস্থ হাইকোর্টের

    নির্যাতিতার যন্ত্রণার কথা তুলে ধরতে এই অভিনব প্রতিবাদ

    এই রক্ত মাখা হাতের ছাপ নিয়ে মেডিক্যাল (RG Kar Case) কলেজগুলিতে রোগী পরিষেবা সেবা দেওয়ার কাজ করছেন ডাক্তাররা। হাসপাতলের রোগী এবং রোগীর পরিজনদের কাছে নির্যাতিতার যন্ত্রণার কথা তুলে ধরতে এই অভিনব প্রতিবাদ বলে জানা গিয়েছে। আন্দোলনে সামিল হওয়া জুনিয়র ডাক্তাররা, সিনিয়র ডাক্তারদের এই অভিনব প্রতিবাদে যোগদান করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। গত ৯ অগাস্ট আরজি করে কর্তব্যরত মহিলা ডাক্তারকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। এই নির্মম অত্যাচারের বিরুদ্ধে পুলিশ প্রশাসন এবং মমতা সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদে আন্দোলনে নামে রাজ্যবাসী। জুনিয়র ডাক্তারদের পাশাপাশি, নাগরিক সমাজ, রাজনৈতিক দল এবং বিভিন্ন সামজিক সংগঠন প্রতিবাদ জানিয়ে রাত দখল কর্মসূচি গ্রহণ করেছিল। তাতে সমাজের মহিলারা, স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীরা অংশ গ্রহণ করেন। উৎসবের (Durga Puja) মধ্যে যাতে আন্দোলনের স্বর থেমে না যায়, তাই এই প্রতীকী প্রতিবাদ বলে জানিয়েছেন ডাক্তাররা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Metro: ভ্রাম্যমাণ কাউন্টার থেকে কিউআর কোডযুক্ত টিকিট, দুর্গাপুজোয় বিশেষ ব্যবস্থা মেট্রো রেলের

    Kolkata Metro: ভ্রাম্যমাণ কাউন্টার থেকে কিউআর কোডযুক্ত টিকিট, দুর্গাপুজোয় বিশেষ ব্যবস্থা মেট্রো রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গা পুজোতে (Durga Puja) ভিড় সামলাতে এবার কলকাতা মেট্রোতে (Kolkata Metro) ভ্রাম্যমাণ কাউন্টার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে যাত্রীদের টিকিটের সুবিধা দিতে কিউআর কোড নির্ভর কাগজের টিকিটেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে হয়েছে। মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চতুর্থী থেকেই মেট্রোর সূচি পরিবর্তন হচ্ছে। এই পরিবর্তন ত্রয়োদশী পর্যন্ত চলবে। দুর্গাপুজোর এই কয়েকদিন গভীর রাতেও মিলবে পরিষেবা।

    ভ্রাম্যমাণ টিকিট কাউন্টার (Kolkata Metro)

    দুর্গাপুজোতে (Durga Puja) মেট্রোর (Kolkata Metro) টিকিট কাউন্টারগুলিতে অতিরিক্ত ভিড় সামলাতে কিউ আর কোড নির্ভর কাগজের টিকিট দেওয়া হবে। তবে এইগুলি দেওয়া হবে ভ্রাম্যমাণ টিকিট কাউন্টার থেকে। একই ভাবে বেশি ভিড় যুক্ত স্টেশন গুলিতে বিশেষ টিকিট বুকিং টার্মিনাল হাতে টিকিট বিক্রির কাজ করবেন মেট্রো রেলের কর্মীরা। দক্ষিণেশ্বর, দমদম, বেলগাছিয়া, শোভাবাজার-সুতানুটি, এসপ্ল্যানেড, রবীন্দ্র সদন, যতীন দাস পার্ক, কালীঘাট স্টেশনে বিশেষ টার্মিনাল ব্যবহার করে টিকিট কাটার সুবিধা দেওয়া হবে। একই ভাবে হাওড়া স্টেশন এবং হাওড়া ময়দানে এই সুবিধা দেওয়া হবে। কলকাতায় মোট ২৩টি এরকম  টার্মিনাল আনা হয়েছে।

    আপ-ডাউন লাইন মিলিয়ে ট্রেন চলবে ২৩৬টি

    চতুর্থী, পঞ্চমী এবং ষষ্ঠীতে আপ এবং ডাউন মিলিয়ে মেট্রো (Kolkata Metro) চলবে ২৮৮টি। সপ্তমী থেকে নবমী ওই শাখায় চলবে ২৪৮টি ট্রেন। দশমীতে ১৭৪, একাদশীতে ১৩০টি পরিষেবা পাওয়া যাবে। দ্বাদশী এবং ত্রয়োদশীতে আপ এবং ডাউন লাইন মিলিয়ে ট্রেন চলবে ২৩৬টি। ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোয় এসপ্ল্যানেড থেকে হাওড়া ময়দানের মধ্যে দৈনিক ট্রেনের সংখ্যা পুজোর মধ্যে বাড়ানো হয়েছে। শনিবার থেকে এই রুটে মোট ১৩০টি করে ট্রেন চলছে। তবে রবিবার ৮২টি ট্রেন চললেও সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত দিনে ১৩০টি ট্রেন চলবে। তবে বৃহস্পতিবার থেকে পুজোর সূচি মেনে ট্রেন চালানো হবে। এই রুটে পুজোর দিনে এসপ্লানেড থেকে হাওড়া ময়দান পর্যন্ত দুপর দেড়টা থেকে রাত ১টা ৪৫ পর্যন্ত চলবে।

    আরও পড়ুনঃ শুধু বিষক্রিয়ায় মৃত্যু? খুশি নয় পটাশপুরের নির্যাতিতার পরিবার, দ্বারস্থ হাইকোর্টের

    মেট্রোর সময়সূচি

    পুজোর চতুর্থী থেকে ষষ্ঠী (Durga Puja) পর্যন্ত ওই শাখায় প্রথম মেট্রো (Kolkata Metro) পাওয়া যাবে সকাল ৭টায়। শেষ মেট্রো মিলবে রাত ৯টা ৫৪ মিনিটে। সপ্তমী থেকে নবমী প্রথম মেট্রো পাওয়া যাবে দুপুর ১টা থেকে। দশমীতে দুপুর ২ টোয় প্রথম মেট্রো পাওয়া যাবে। আর শেষ মেট্রো রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে। কবি সুভাষ থেকে রুবি শাখাতে একই সময়ে পরিষেবা পাওয়া যাবে। তবে জোকা-মাঝেরহাট লাইনে চতুর্থী থেকে ষষ্ঠী পর্যন্ত মেট্রো পাওয়া যাবে সকাল সাড়ে ৮টায় এবং শেষ মেট্রো দুপুর সাড়ে তিনটেতে পাওয়া যাবে।

    কলকাতা মেট্রো (Kolkata Metro) জানিয়েছে, দক্ষিণেশ্বর থেকে কবি সুভাষ যাওয়ার শেষ মেট্রো পাওয়া যাবে রাত ১১টা ৪৮ মিনিটে। আর কবি সুভাষ থেকে দক্ষিণেশ্বর যাওয়ার শেষ মেট্রো মিলবে রাত ১১টা ৫০ মিনিটে। শিয়ালদা থেকে সেক্টর ৫ শাখায় চতুর্থী থেকে ষষ্ঠী প্রথম মেট্রো পাওয়া যাবে সকাল ৬টা ৫৫ মিনিটে। আবার সেক্টর ৫ থেকে শিয়ালদা পর্যন্ত পাওয়া যাবে সকাল ৭টা ০৫ মিনিটে। শেষ মেট্রো পাওয়া যাবে যথাক্রমে রাত ৯টা ৩৫ মিনিট এবং রাত ৯টা ৪০ মিনিটে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: আবহাওয়ার উন্নতি, ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা নেই, পুজোর পাঁচ দিন কেমন কাটবে জানুন

    Weather Update: আবহাওয়ার উন্নতি, ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা নেই, পুজোর পাঁচ দিন কেমন কাটবে জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর (Durga Puja) আগে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের (Weather Update) কারণে আবহাওয়াকে ঘিরে এক সঙ্কটজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজোর আনন্দ মাটি হওয়ার উপক্রম হতে বসেছিল। উত্তর থেকে দক্ষিণ জুড়ে সর্বত্র জারি হয়েছিল বজ্রবৃষ্টি সহ ভারী বর্ষণের হলুদ সতর্কতা। এবার সেই অশনিসংকেত যেন কাটার উপক্রম। আবহাওয়া যেন ক্রমেই উন্নতির পথে। উৎসবের আনন্দঘন রঙ্গিন আকাশ যেন ক্রমেই ফুটে উঠছে। কেটে যাচ্ছে কালো মেঘ। আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা নেই বললেই চলে।

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর (Weather Update)

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের উপর অন্ধ্র উপকূলের কাছে দানা বেঁধেছিল ঘূর্ণাবর্ত। এখন সেই ঘূর্ণাবর্ত আরও কিছুটা দক্ষিণে সরে গিয়ে তামিলনাড়ু উপকূলের উপরে রয়েছে। বাংলা থেকে দূরত্ব বৃদ্ধির কারণে বৃষ্টির আশঙ্কা অনেকটাই কমে গিয়েছে। আঞ্চলিক অধিকর্তা সোমনাথ দত্ত বলেন, “সোমবার থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি। সোম থেকে শুক্রবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তবে আকাশ মেঘলা থাকবে। কোনও‌ কোনও জেলার কিছু জায়গায় বিক্ষিপ্ত ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।” বঙ্গোপসাগরে তৈরি নিম্নচাপ দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং ঘূর্ণাবর্তটি আরও দূরে সরে গিয়েছে। আবার মৌসম ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, উপগ্রহের চিত্রে, বঙ্গোপসাগরের উপর যে কালো মেঘের স্তর (Weather Update) ছিল, তা অনেকটাই পাতলা হয়ে গিয়েছে। যা মেঘ ছিল, আন্দামান এবং নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে সরে গিয়েছে।

    কেমন থাকবে দক্ষিণবঙ্গ-উত্তরবঙ্গ

    দক্ষিণবঙ্গে আপাতত বৃষ্টির কোনও তেমন সম্ভাবনা নেই। আকাশ মূলত আংশিক মেঘলা থাকবে। সোমবার কেবল মাত্র সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। একই ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ (Weather Update) সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর জেলায়। মোটের উপর শুক্রবার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কমবে। দার্জিলিং পার্বত্য এলাকায় বৃষ্টি বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা পরিমাণে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার কোচবিহার, মালদা, দক্ষিণ দিনাজপুরে বৃষ্টির সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। তবে শুক্রবার পর্যন্ত বৃষ্টির পরিমাণ অনেক কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ নিয়োগ-দুর্নীতিতে কাকে, কীভাবে চাকরি দিয়েছেন অনুব্রতঘনিষ্ঠ মলয়? নথি পেল সিবিআই

    কলকাতার আকাশ আংশিক মেঘলা

    শহর কলকাতার আকাশ মূলত মেঘলা থাকবে। বেলা বাড়লে আংশিক মেঘলায় (Weather Update) পরিণত হবে। সোমবার দুপুর থেকেই ১০ অক্টোবর পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা কমে যাবে। তবে ১১ এবং ১২ অক্টোবর বজ্রবিদ্যুৎ সহ বিক্ষিপ্ত ভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রাতের দিকে তাপমাত্রা সাধারণ তাপমাত্রার থেকে কমে যাবে। অপর দিকে পুজোর (Durga Puja) মধ্যে শহরে বৃষ্টির পরিমাণ কমে যাবে, তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পাবে। তবে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আরও কমে যাবে। সোমবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৬.৪ ডিগ্রি এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০.১ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের তাপমাত্রার পরিমাণ হবে প্রায় ৮৩ থেকে ৯৬ শতাংশ।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chhattisgarh: বস্তারে যৌথ বাহিনীর অভিযানে মাওবাদী নেত্রী নীতি-সহ ২২ জনের দেহ শনাক্ত

    Chhattisgarh: বস্তারে যৌথ বাহিনীর অভিযানে মাওবাদী নেত্রী নীতি-সহ ২২ জনের দেহ শনাক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বস্তারে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর এক বিশেষ অভিযানে ৩১ জন মাওবাদী খতম হয়েছিল। এই মৃতদের মধ্যে এখনও পর্যন্ত কুখ্যাত মাওবাদী নেত্রী সহ ২২ জনের দেহ শনাক্ত করা গিয়েছে। বস্তারের আইজি পি সুন্দররাজ জানিয়েছেন, এই মাওবাদী নেতাদের সন্ধান পেতে মোট ১ কোটি ৬৭ লক্ষ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। মৃতদের মধ্যে রয়েছে মাওবাদী নেত্রী নীতি ওরফে ঊর্মিলা। ওই নেত্রী মাওবাদী স্পেশাল জোনাল কমিটির সদস্যও ছিল। একা তার মাথার দাম ঘোষণা করা হয়েছিল ২৫ লক্ষ টাকা।

    একটানা ৪৮ ঘণ্টা মাওবাদীদের সঙ্গে লড়াই হয় বাহিনীর (Chhattisgarh)

    শুক্রবারে ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) নারায়ণপুর থেকে দান্তেওয়াড়া জেলার সীমান্তবর্তী এলাকার অবুঝমাঢ়ের জঙ্গলে যৌথ অভিযান চালায় এসটিএফ এবং ডিআরজির বাহিনী। একটানা ৪৮ ঘণ্টা মাওবাদীদের সঙ্গে লড়াই হয় জওয়ানদের। ওরচা এবং বারসুর থানার অন্তর্গত নেনথুর-থুলথুলি জঙ্গলে দুপক্ষের মধ্যে গুলির লড়াই হয়। এই অভিযানে সিপিআই (মাওবাদী) শাখার পিএলজিএ অর্থাৎ পিপলস লিবারেশন গেরিলা আর্মির মোট ৩১ জনকে খতম করা হয়। সেই সঙ্গে উদ্ধার হয় প্রচুর পরিমাণে আগ্নেয়াস্ত্র। তার মধ্যে রয়েছে একে-৪৭, ৭.৬২ এসএলআর, ইনসাস। একই ভাবে পাওয়া গিয়েছে প্রচুর বিস্ফোরক। উল্লেখ্য ছত্তিশগড় রাজ্য গঠন হওয়ার পর থেকে এই অভিযানে সব থেকে বড় সাফল্য এসেছে। অবশ্য এর আগে কাঙ্কের জেলায় এক অভিযানে ২৯ জন মাওবাদীকে নিকেশ করা হয়েছিল।

    আরও পড়ুনঃ চেন্নাইয়ের মেরিনা বিচে এয়ার শো দেখতে ১২ লক্ষ মানুষের জমায়েত! প্রবল গরমে মৃত ৫

    জওয়ানদের এই সাফল্য প্রশংসনীয়

    সাম্প্রতিক সময়ে মাওবাদী দমন অভিযানে এটা অনেক বড় সাফল্য বলে জানিয়েছে ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) পুলিশ। নিরাপত্তা বাহিনীর উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লেখেন, ‘‘জওয়ানদের এই সাফল্য প্রশংসনীয়। তাঁদের অদম্য সাহসিকতাকে কুর্নিশ জানাই। ছত্তিশগড় থেকে নকশালবাদ শেষ করাই আমাদের লক্ষ্য। নকশালবাদ শেষ করেই আমাদের লড়াই থামবে। এর জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ আমাদের ডবল ইঞ্জিন সরকার।’’ প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৪ অগাস্ট কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছিলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বড় চ্যালেঞ্জ হল মাওবাদীরা। ২০২৬ সালের মার্চের পর এদেশে মাওবাদী থাকবে না বলেও মন্তব্য করেন অমিত শাহ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্যের পরেই এমন সাফল্য এল মাওবাদী দমনে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mohamed Muizzu: “অর্থসঙ্কটে ভুগছে দ্বীপরাষ্ট্র, পাশে দাঁড়াবে ভারত”, আশায় মুইজ্জু

    Mohamed Muizzu: “অর্থসঙ্কটে ভুগছে দ্বীপরাষ্ট্র, পাশে দাঁড়াবে ভারত”, আশায় মুইজ্জু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “অর্থসঙ্কটে ভুগছে দ্বীপরাষ্ট্র। পাশে দাঁড়াবে ভারত (India Maldives Relation)।” রবিবার এমনই আশা প্রকাশ করলেন মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জু (Mohamed Muizzu)। এদিনই চারদিনের সফরে সস্ত্রীক ভারতে এসেছেন মুইজ্জু। ১০ অক্টোবর পর্যন্ত এ দেশে থাকবেন তিনি।

    ভারত সফরে মুইজ্জু (Mohamed Muizzu)

    গত চার মাসে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার ভারতে এলেন তিনি। চলতি সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে তাঁর। সরকারি কয়েকজন শীর্ষ আমলার সঙ্গেও আলোচনায় বসতে পারেন তিনি। মুইজ্জু কয়েক মিলিয়ন ডলার মূল্যের বেলআউট চাইতে পারেন বলে আশা করা হচ্ছে। মলদ্বীপের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় ৪৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে নেমে গিয়েছে। যা দিয়ে মাত্র দেড় মাস আমদানি করা যাবে। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট বলেন, “ভারত আমাদের আর্থিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সম্পূর্ণ সচেতন।” তিনি (Mohamed Muizzu) বলেন, “আমাদের সব চেয়ে বড় উন্নয়ন অংশীদারদের মধ্যে একটি হিসেবে ভারত আমাদের বোঝা কমাতে আমাদের মুখোমুখি হওয়া চ্যালেঞ্জগুলির আরও ভালো বিকল্প ও সমাধান খুঁজতে সর্বদা প্রস্তুত থাকবে।”

    আরও পড়ুন: হিজবুল্লার বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত ইজরায়েলের, গভীর রাতে ব্যাপক বোমাবর্ষণ

    মুইজ্জুর ভোলবদল

    ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট পদে বসেন মুইজ্জু। চিনপন্থী হিসেবে পরিচিত মুইজ্জু। মলদ্বীপে নির্বাচনের আগে ভারতের বিরুদ্ধে দেদার প্রচার করেছিলেন তিনি। কুর্সিতে বসেই প্রথমে ভারত সফর করেন মলদ্বীপের প্রেসিডেন্টরা। দীর্ঘদিনের সেই রীতি লঙ্ঘন করে মুইজ্জু প্রথমে যান বেজিংয়ে। ‘ইন্ডিয়া আউট’ স্লোগানও দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অপমান করেন মুইজ্জু সরকারের জুনিয়র তিন মন্ত্রী। তার পরেই মলদ্বীপ বয়কটের ডাক দেন পর্যটকরা। বিপদে পড়ে যান দ্বীপরাষ্ট্র কর্তৃপক্ষ। কারণ পর্যটন শিল্প নির্ভর দেশ মলদ্বীপে যত পর্যটক প্রতি বছর বেড়াতে যান তার ৮০ শতাংশই ভারতীয়। পেটে টান পড়তেই ভোল বদলান মুইজ্জু। চলে আসেন ভারত সফরে।

    তবে তার আগে সলতে পাকানোর কাজ করেছিলেন মুইজ্জু সরকারের পর্যটনমন্ত্রী ইব্রাহিম ফয়জল। ভারতীয় পর্যটকদের ফের মলদ্বীপ ভ্রমণের আহ্বান জানাতে ভারতের কয়েকটি শহরে রোড-শো-ও করেন তিনি (India Maldives Relation)। তার পর এলেন মুইজ্জু (Mohamed Muizzu) স্বয়ং।

    ঠেলায় পড়লে বেড়ালও গাছে ওঠে!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Ramakrishna 156: “রাম পূর্ণব্রহ্ম, পূর্ণ অবতার—একথা বারজন ঋষি কেবল জানত”

    Ramakrishna 156: “রাম পূর্ণব্রহ্ম, পূর্ণ অবতার—একথা বারজন ঋষি কেবল জানত”

    শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ও বলরাম-মন্দিরে

    পঞ্চম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ১১ই মার্চ

    সাকার-নিরাকার—ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের রামনামে সমাধি

    ঋষিরা জ্ঞানী ছিলেন, তাই তাঁরা অখণ্ড সচ্চিদানন্দকে চাইতেন (Kathamrita)। আবার ভক্তেরা অবতারকে

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Kathamrita) দাঁড়াইয়া ভক্তদের কাছে এই কথা বলিতেছেন। বলিতে বলিতেই একেবারে বাহ্যরাজ্য ছাড়িয়া মন অন্তর্মুখ হইল! “হৃৎপদ্ম প্রস্ফুটিত হইল।—এই কথাটি উচ্চারণ করিতে না করিতে ঠাকুর একেবারে সমাধিস্থ।

    ঠাকুর সমাধিমন্দিরে। ভগবানদর্শন করিয়া শ্রীরামকৃষ্ণের হৃৎপদ্ম কি প্রস্ফুটিত হইল! সেই একভাবে দণ্ডায়মান। কিন্তু বাহ্যশূন্য। চিত্রার্পিতের ন্যায়। শ্রীমুখ উজ্জ্বল ও সহাস্য। ভক্তেরা কেহ দাঁড়াইয়া, কেহ বসিয়া; অবাক্‌; একদৃষ্টে এই অদ্ভুত প্রেম রাজ্যের ছবি। এই অদৃষ্টপূর্ব সমাধি-চিত্র সন্দর্শন করিতেছেন।

    অনেকক্ষণ পরে সমাধি ভঙ্গ হইল।

    ঠাকুর দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলিয়া ‘রাম’ এই নাম বারবার উচ্চারণ করিতেছেন। নামের বর্ণে বর্ণে যেন অমৃত ঝরিতেছে। ঠাকুর উপবিষ্ট হইলেন। ভক্তেরা চর্তুদিকে বসিয়া একদৃষ্টে দেখিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ভক্তদিগের প্রতি)—অবতার যখন আসে, সাধারণ লোকে জানতে পারে না—গোপনে আসে। দুই-চারিজন অন্তরঙ্গ ভক্ত জানতে পারে। রাম পূর্ণব্রহ্ম, পূর্ণ অবতার—এ-কথা বারজন ঋষি কেবল জানত। অন্যান্য ঋষিরা বলেছিল, “হে রাম, আমরা তোমাকে দশরথের ব্যাটা বলে জানি।

    অখণ্ড সচ্চিদানন্দকে কি সকলে ধরতে পারে? কিন্তু নিত্যে উঠে যে বিলাসের জন্য লীলায় থাকে, তারই পাকা ভক্তি। বিলাতে কুইন (রানী)-কে দেখে এলে পর, তখন কুইন-এর কথা, কুইন-এর কার্য—এ সকল বর্ণনা করা চলতে পারে। কুইন-এর কথা তখন বলা ঠিক ঠিক হয়। ভরদ্বাজাদি ঋষি রামকে স্তব করেছিলেন, আর বলেছিলেন, ‘হে রাম (Ramakrishna), তুমিই সেই অখণ্ড সচ্চিদানন্দ। তুমি আমাদের কাছে মানুষরূপে অবতীর্ণ হয়েছ। বস্তুত তুমি তোমার মায়া আশ্রয় করেছ বলে, তোমাকে মানুষের মতো দেখাচ্ছে!’ ভরদ্বাজাদি ঋষি রামের পরম ভক্ত। তাঁদের ভক্তি পাকাভক্তি (Kathamrita)।”

    আরও পড়ুনঃ “একটা ঢোঁড়ায় ব্যাঙটাকে ধরেছে, ছাড়তেও পাচ্ছে না—গিলতেও পাচ্ছে না…”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “ওরে সাধু সাবধান! এক-আধবার যাবি। বেশি যাসনে—পড়ে যাবি! কামিনী-কাঞ্চনই মায়া”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share