Tag: news in bengali

news in bengali

  • Stock Market: শেয়ার বাজার থেকে গায়েব ১১ লাখ কোটি, প্রভাব ফেলছে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি!

    Stock Market: শেয়ার বাজার থেকে গায়েব ১১ লাখ কোটি, প্রভাব ফেলছে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবরাত্রির প্রথম দিনেই ভয়ঙ্করভাবে পড়ল সেনসেক্স ও নিফটির গ্রাফ। এর ফলে লগ্নিকারীদের মাথায় হাত। প্রসঙ্গত, এ দিন শেয়ার সূচকের (Stock Market) পতনের জেরে মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বাজার থেকে উড়ে যায় প্রায় ১১ লাখ কোটি টাকা! লোকসান সামলে কত দিনের মধ্যে সেনসেক্স ও নিফটি ঘুরে দাঁড়াতে পারবে, সে নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। প্রসঙ্গত চলতি সপ্তাহে মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর ইজরায়েলে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় তেহেরান। অন্য দিকে ইরান সমর্থিক জঙ্গি গোষ্ঠী হিজবুল্লাকে নিকেশ করতে লেবাননেও গ্রাউন্ড অপারেশন শুরু করেছে ইজরায়েল। এই যুদ্ধের সরাসরি প্রভাবে ভারতের শেয়ার বাজারে (Stock Market) পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় বেড়েই চলেছে অপরিশোধিত তেলের দাম

    বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইজরায়েলি বায়ুসেনা ইরানের তেলের ভাণ্ডারকে নিশানা করলে অপরিশোধিত তেলের (Stock Market Crash) দর আকাশ ছোঁবে। সে ক্ষেত্রে ভারতের মতো তেল আমদানিকারী দেশের অর্থনীতির ওপর তা প্রভাব ফেলতে পারে। লগ্নিকারীরা তাই পরিস্থিতির ওপর নজর রেখে বাজার থেকে টাকা সরিয়ে নিচ্ছেন। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় বেড়েই চলেছে অপরিশোধিত তেলের দাম। ইতিমধ্যেই ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দর ব্যারেল প্রতি ৭৫ ডলার ছাপিয়ে গিয়েছে। গত তিন দিনে খনিজ তেলের দাম ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

    সেনসেক্স ও নিফটির পতন (Stock Market) 

    আজ বৃহস্পতিবার, বাজার (Stock Market) বন্ধ হওয়ার পর দেখা যায়, বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের (বিএসই) শেয়ারের গ্রাফ পড়েছে ১,৭৬৯.১৯ পয়েন্ট। অর্থাৎ নামতে নামতে ৮২,৪৯৭.১০ পয়েন্টে গিয়ে থেমেছে সেনসেক্স। এর গ্রাফ ২.১০ শতাংশ পতন দেখা গিয়েছে। অন্য দিকে, আজ বৃহস্পতিবার ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে (এনএসই) ৫৪৬.৮০ পয়েন্ট পতন হয়েছে। বাজার বন্ধ হওয়ার সময়ে এর শেয়ার সূচক নিফটি-৫০ দাঁড়িয়ে যায় ২৫,২৫০.১০ পয়েন্টে। অর্থাৎ এর গ্রাফের (Stock Market Crash) পতনের পরিমাণ ২.১২ শতাংশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CJI Chandrachud: ‘‘এত সাহস হয় কী করে?’’ আদালত কক্ষে প্রধান বিচারপতির ধমক আইনজীবীকে

    CJI Chandrachud: ‘‘এত সাহস হয় কী করে?’’ আদালত কক্ষে প্রধান বিচারপতির ধমক আইনজীবীকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) এক আইনজীবী প্রধান বিচারপতির (CJI Chandrachud) রোষের মুখে পড়লেন। প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, ‘‘আইনজীবীদের মনে হয় সব বুদ্ধি লোপ পেয়েছে।’’ প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার এক আইনজীবী প্রধান বিচারপতিকে জানান যে একটি মামলায় শীর্ষ আদালতের রায় তিনি ক্রস চেক করেছেন অর্থাৎ মিলিয়ে দেখে নিয়েছেন কোর্ট মাস্টারের কাছে। এ কথা শুনে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন প্রধান বিচারপতি (CJI Chandrachud) এবং আদালত কক্ষে আইনজীবীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘‘অল্প সময়ের জন্য হলেও আমি এখন আদালতের ইনচার্জ। এইসব কাজ আমার সঙ্গে করার চেষ্টা করবেন না। আমি এসব বরদাস্ত করব না।’’

    আমি এসব বরদাস্ত করব না (CJI Chandrachud) 

    এর পাশাপাশি প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় ওই আইনজীবীকে আরও মনে করিয়ে দেন যে সময় কম হলেও দায়িত্বে তিনি এখনও রয়েছেন। ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনও আচরণ যাতে ওই আইনজীবী না করেন, সে বিষয়ে তিনি সতর্ক করে দেন। প্রধান বিচারপতির ভাষায়, ‘‘অল্প সময়ের জন্য হলেও আমি এখন আদালতের ইনচার্জ। এইসব কাজ আমার সঙ্গে করার চেষ্টা করবেন না। আমি এসব বরদাস্ত করব না।’’

    এত সাহস হয় কী করে? মন্তব্য প্রধান বিচারপতির (CJI Chandrachud)

    আদালত কক্ষে আইনজীবীর উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘‘এত সাহস হয় কী করে? আমি কী নির্দেশ দিয়েছি, তা কোর্ট মাস্টারকে জিজ্ঞেস করলেন কী করে? কাল তো আমার বাড়িতে চলে আসবেন, আর আমার ব্যক্তিগত সচিব (পার্সোনাল সেক্রেটারি)-কে জিজ্ঞেস করবেন, আমি কী করছি!’’ আইনজীবীকে কড়া ভাষায় ভর্ৎসনা করে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আইনজীবীরা কি সব বুদ্ধি হারিয়ে ফেলেছেন!’

    ১০ নভেম্বর প্রধান বিচারপতির পদ থেকে অবসর নেওয়ার কথা ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের

    প্রসঙ্গত, আগামী ১০ নভেম্বর প্রধান বিচারপতির পদ থেকে অবসর নেওয়ার কথা ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের। সুতরাং আর ২ মাসের কম সময়ের জন্যই তিনি সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতির পদে রয়েছেন। দিন কয়েক আগেই কোনও এক জনস্বার্থ মামলায় প্রধান বিচারপতির মন্তব্য শুনে এক আইনজীবী বলেন ওঠেন, ‘ইয়া…ইয়া’। তা শুনেই প্রধান বিচারপতি আইনজীবীকে কার্যত ধমক দিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, ‘‘আপনি কি এটাকে কফি শপ ভেবে নিয়েছেন? ইয়া…ইয়া আবার কী? ইয়া…ইয়া শব্দের ওপর আমার অ্যালার্জি আছে। এসব চলতে দেওয়া হবে না।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rupa Ganguly: অধরা অভিযুক্তরা! বাঁশদ্রোণী কাণ্ডের প্রতিবাদ করে গ্রেফতার বিজেপির রূপা

    Rupa Ganguly: অধরা অভিযুক্তরা! বাঁশদ্রোণী কাণ্ডের প্রতিবাদ করে গ্রেফতার বিজেপির রূপা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারারাত বাঁশদ্রোণী (Bansdroni) থানায় ধর্নায় বসে ছিলেন বিজেপি নেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায় (Rupa Ganguly)। এরপর বৃহস্পতিবার সকালেই তাঁকে গ্রেফতার করে লালবাজারে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। প্রসঙ্গত, বুধবার নবম শ্রেণীর এক ছাত্র মৃত্যুকে কেন্দ্র করে পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন স্থানীয়রা। এরপরেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে তারা সাধারণ মানুষের ওপর হামলা চালিয়ে পুলিশকে সে জায়গা থেকে সরিয়ে দেয়। এর পাশাপাশি স্থানীয়রা আরও অভিযোগ তুলেছেন, তৃণমূল এবং পুলিশ- এই দুই পক্ষ মিলেই অভিযুক্তদের আড়াল করার চেষ্টা করছে। গতকাল বুধবার বিকাল থেকেই ব্যাপক ধরপাকড় শুরু করে পুলিশ। এক বিজেপি নেত্রীকে গ্রেফতার করা হয়। এই ঘটনার পরপরই ধর্নায় বসে ছিলেন নেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তাঁকে আদালতে তোলা হয়েছে।

    এভাবে বিরোধী কণ্ঠ আটকানো যায়! প্রশ্ন রূপার (Rupa Ganguly)

    সাংবাদিকদের রূপা গঙ্গোপাধ্যায় (Rupa Ganguly) বলেন, ‘‘বাচ্চাটাকে মেরে গাড়িটা চলে গেল। পুলিশ আটকাল না। অভিযুক্তদের গ্রেফতারির প্রসঙ্গ তুলেছিলাম, বলেছিলাম, সাধারণ মানুষদের কেন ধরছেন? ওদের কেন পালাতে সময় দিলেন? গ্রেফতার করুন। কিন্তু তাঁরা গ্রেফতার করার বিষয়ে কোনও আশ্বাসই দেননি। বললেন, আইন আইনের পথে চলবে ৷ এরা দোষীকে ধরে না। বিরোধীদের ধরে। এভাবে বিরোধী কণ্ঠ আটকানো যায়?’’

    মার খেয়ে তো ব্রেন হ্যামারেজ সহ্য করে নিয়েছি

    তিনি (Rupa Ganguly) আরও বলেন, ‘‘আমি চুপ করে থানায় কোনও আওয়াজ না করে, কোনও ঝগড়া, তাঁদের সঙ্গে কোনও দুর্ব্যবহার না করে এক কোণায় বসেছিলাম। একটাও তর্ক করিনি ৷ তাও ওরা আমাকে নিয়ে যাচ্ছে। লালবাজারে নিয়ে যাওয়ার আগে আমি পাঁচ মিনিট সময় চেয়েছিলাম। একবার ওয়াশরুমে যেতে চেয়েছিলাম। আমাকে সেটুকু পর্যন্ত যেতে দেওয়া হয়নি ৷ যাতে আমি মানসিকভাবে ও শারীরিকভাবে কষ্ট পাই (Bansdroni)। আর কত কষ্ট দেবে? মার খেয়ে তো ব্রেন হ্যামারেজ সহ্য করে নিয়েছি। আর কী চাই ? সব সহ্য করতে হবে শুধু বিজেপি করি বলে?’’

    কী বলছেন শমীক ভট্টাচার্য?

    রূপার গ্রেফতারি প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র তথা রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘উনি বাঁশদ্রোণীর ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে থানায় অবস্থানে বসেছিলেন। কিন্তু রাজ্যের তৃণমূল সরকার সমালোচনা সহ্য করতে পারে না। আর সেই কারণেই রূপা গঙ্গোপাধ্য়ায়কে গ্রেফতার করা হল।’’
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Delhi: দিল্লির হাসপাতালে গুলিবিদ্ধ হয়ে খুন চিকিৎসক! ফের প্রশ্নের মুখে ডাক্তারদের নিরাপত্তা

    Delhi: দিল্লির হাসপাতালে গুলিবিদ্ধ হয়ে খুন চিকিৎসক! ফের প্রশ্নের মুখে ডাক্তারদের নিরাপত্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসপাতালে ঢুকে চিকিৎসককে গুলি করে খুন করার ঘটনা ঘটল খাস দিল্লির (Delhi) বুকে। বুধবার মধ্যরাতে রাজধানীর এই ঘটনায় আলোড়ন পড়ে গিয়েছে দেশ জুড়ে। ইতিমধ্যে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের সনাক্ত করার চেষ্টা করছে প্রশাসন। জানা গিয়েছে, বুধবার দিল্লির জইতপুরের কালিন্দীকুঞ্জ থানা এলাকায় নিমা হাসপাতালে নিজের চেম্বারে রোগী দেখছিলেন চিকিৎসক জাভেদ।

    ঘটনা কীভাবে ঘটল? (Delhi)

    হাসপাতালের কর্মীরা (Delhi) জানিয়েছেন, বুধবার মধ্যরাতে ১৬ বছর বয়সি দুই যুবক হাসপাতালে প্রবেশ করে। তাদের মধ্যে একজন জানায়, পায়ের আঙুলে ক্ষতস্থান রয়েছে এবং সেখান থেকে রক্ত পড়ছে। তাই পরিষ্কার করে নতুন করে ব্যান্ডেজের প্রয়োজন রয়েছে। সেই মতো হাসপাতালের কর্মীরা নতুন করে ব্যান্ডেজ লাগিয়ে দেন। এর পরে প্রেসক্রিপশন লাগবে বলে জাভেদের চেম্বারে যেতে চায় ওই দুই অভিযুক্ত। চেম্বারে ঢোকার কিছুক্ষণের মধ্যেই গুলির শব্দ শুনতে পান হাসপাতালে দুই নার্সিং স্টাফ। পরবর্তীকালে ওই দুই নার্স নিহত চিকিৎসকের চেম্বারে ঢুকে দেখেন, জাভেদের মাথা রক্তে ভেসে যাচ্ছে। অবশ্য অভিযুক্তদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। মনে করা হচ্ছে খুনের (Doctor) পরেই চম্পট দেয় ওই দুই অভিযুক্ত।

    আরও পড়ুন: সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারে বাতিল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, প্রদীপ জ্বালিয়ে সজলের পুজোয় মাকে আবাহন

    প্রশ্নের মুখে ডাক্তারদের নিরাপত্তা (Delhi)

    ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, আগাম পরিকল্পনা করেই ওই চিকিৎসককে খুন করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, আরজি করকাণ্ডের পর থেকে গোটা দেশেই চিকিৎসকরা নিরাপত্তার দাবিতে আন্দোলন করছেন। ইতিমধ্যে যে ১০ দফা দাবির কথা তুলেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা, সেখানেও রয়েছে ডাক্তারদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত দাবি। এই আবহে কেন্দ্রীয় সরকার নির্দেশিকাও জারি করেছে। কিন্তু ঠিক সেই সময়েই দিল্লির হাসপাতালে ঘটে গেল মর্মান্তিক ঘটনা!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: আরজি করের মহিলা চিকিৎসককে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি, গ্রেফতার ১

    RG Kar: আরজি করের মহিলা চিকিৎসককে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি, গ্রেফতার ১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের (RG Kar) আন্দোলনের উত্তাপ এখনও রয়েছে রাজপথে। ন্যায়বিচারের দাবিতে দিকে দিকে রাস্তায় নামছেন মানুষজন। নিরাপত্তা-সহ একাধিক দাবিতে ফের কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। এই আবহে আরজি কর মেডিক্যালের ট্রমা কেয়ার সেন্টারের এক মহিলা পিজিটিকে (Lady Doctor) প্রাণনাশ ও মারধরের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, গতকাল রাতেই বাইক দুর্ঘটনায় আহত এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হয়। অভিযোগ, চিকিৎসা চলাকালীন রোগীর সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা ওই মহিলা পিজিটি-র ওপর চড়াও হন। এনিয়ে টালা থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে একজনকে।

    ঠিক কী ঘটনা? (RG Kar)

    সূত্রের মারফত জানা গিয়েছে, এদিন ভোর তিনটে নাগাদ এক যুবককে আহত অবস্থায় নিয়ে আসা হয়েছিল আরজি করে। এরপর দ্রুততার সঙ্গেই ওই মহিলা চিকিৎসক তাঁর চিকিৎসা শুরু করেন। জানা গিয়েছে, ওই যুবক বাইক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছিলেন। চিকিৎসার সময় ওই যুবকের হাতে ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়। কিন্তু তখনই তাঁর হাত দিয়ে রক্ত বেরিয়ে যায়। এর জেরে অন্য যে যুবকরা তাঁকে নিয়ে এসেছিলেন তাঁরা ক্ষুব্ধ হয়ে যান। এরপর তাঁরাই মহিলা চিকিৎসককে (Lady Doctor) অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন বলে অভিযোগ। এমনকি তাঁকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পরে তারা হাসপাতাল (RG Kar) থেকে চলে যান। জানা গিয়েছে, পরে ওই আহতকে অন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই গোটা ঘটনায় চিকিৎসকদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে বলে অভিযোগ। পুলিশের কাছে অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ এই ঘটনায় সত্যরঞ্জন মহাপাত্র নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে বলে জানা গিয়েছে।

    হাসপাতালগুলিতে হুমকি ও মারধরের পরিবেশ বিন্দুমাত্র বদলায়নি

    নিরাপত্তার দাবিতে বারবার চিকিৎসকরা সরব হলেও হাসপাতালগুলিতে হুমকি ও মারধরের পরিবেশ যে বিন্দুমাত্র বদলায়নি তা বারবার খবরের শিরোনামে উঠে আসছে। গত শুক্রবারই রোগীমৃত্যুকে কেন্দ্র করে কামারহাটির সাগর দত্ত হাসপাতালে উত্তেজনা ছড়ায়। এক রোগীর মৃত্যু ঘিরে চিকিৎসকদের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় আহত ৩ জুনিয়র ডাক্তার, নার্স-সহ ৩ স্বাস্থ্যকর্মী ও এক পুলিশকর্মী। বছর ছত্রিশের রঞ্জনা সাউ নামে এক মহিলাকে শুক্রবার শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে কামারহাটি সাগর দত্ত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রোগীর পরিজনদের দাবি, হাসপাতালে কোনওরকম চিকিৎসা হয়নি রোগীর। এর ফলে মৃত্যু হয় তাঁর। যখন অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে ওঠে, সেই সময় স্বাস্থ্যকর্মী অক্সিজেন দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু তা সফল হয়নি। রোগীর মৃত্যুর পর হাসপাতালের ভিতরেই বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন রোগীর পরিজনরা। হাসপাতালের আক্রান্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের অভিযোগ, রোগীর পরিজনরা চিকিৎসকদের সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন। চিকিৎসকদের ধাক্কাধাক্কি করা হয়। তাঁরা এগিয়ে গেলে তাঁরাও আহত হন।

    আরও কিছু ঘটনা

    ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল

    সাগর দত্ত মেডিক্যালের পর এবার চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে  ওয়ার্ডে ঢুকে রোগীর পরিবারের গুন্ডামি করার অভিযোগ ওঠে গত রবিবারই।

    মালদার রতুয়া গ্রামীণ হাসপাতাল

    সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ, ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের পর মালদার রতুয়া গ্রামীণ হাসপাতালে হুমকির মুখে পড়তে হয় চিকিৎসক এবং নার্সদের।

    বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল

    বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের ভিতরেই এক রোগীর আত্মীয়ের হুমকির মুখে পড়তে হয় এক মহিলা পিজিটি-কে (পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনি)। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bansdroni: বাঁশদ্রোণীতে ছাত্র মৃত্যু, স্থানীয়দের প্রবল বিক্ষোভের মুখে শাসক দল, থানায় রাতভর ধর্না রূপার

    Bansdroni: বাঁশদ্রোণীতে ছাত্র মৃত্যু, স্থানীয়দের প্রবল বিক্ষোভের মুখে শাসক দল, থানায় রাতভর ধর্না রূপার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পে লোডারের ধাক্কায় নবম শ্রেণির পড়ুয়ার মৃত্যু, আর তাতেই সকাল থেকে রাত পর্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে উঠল বাঁশদ্রোণী (Bansdroni Agitation)। স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ উগরে দেন কাউন্সিলারের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, ছাত্রের মৃত্যুর পর থেকে এলাকায় দেখা মেলেনি স্থানীয় কাউন্সিলর অনিতা কর মজুমদারের। অবশ্য বিরোধীদের দাবি, ঘটনাস্থলে না এলেও তিনি নাকি থানায় ‘পুলিশি নিরাপত্তায়’ রয়েছেন। রাস্তার বেহাল দশা নিয়েও সরব স্থানীয়রা। পাটুলি থানার ওসিকে আটকে রেখে বিক্ষোভ চলে দফায় দফায়। পরে কলকাতা পুলিশের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার প্রদীপ ঘোষালকেও বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। প্রায় ৭ ঘণ্টা ঘেরাও করে রাখা হয় পুলিশকে। পুলিশের সঙ্গে কার্যত খণ্ডযুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। এই সময় তৃণমূল কর্মীরা স্থানীয়দের ধাক্কা দিয়ে পুলিশকে সরায় বলে অভিযোগ। এরপর বিকালে কলকাতা পুলিশের ডিসি (দক্ষিণ শহরতলি) বিদিশা কলিতা দাশগুপ্ত ঘটনাস্থলে গেলে শুরু হয় ধরপাকড়। জানা গিয়েছে, বিক্ষোভ প্রদর্শনের ঘটনায় পাটুলি থানায় চারটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিজেপি (BJP) নেত্রী রুবি মণ্ডল-সহ মোট পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

    কী বলছেন  বিজেপি (BJP) নেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়? (Bansdroni Agitation)

    বুধবার রাতে বাঁশদ্রোণী থানায় (Bansdroni Agitation) পৌঁছান বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। নেতৃত্বে ছিলেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। থানার ভিতরে প্রবেশ করেন রূপা। বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপি কর্মীরা। গেরুয়া শিবিরের দাবি, ‘‘কোনও অভিযোগ ছাড়াই বিজেপি নেত্রী রুবি মণ্ডলকে আটক করে বাঁশদ্রোণী থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। কিন্তু ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্তদের কাউকে এখনও গ্রেফতার করা হয়নি।’’ রূপা গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘‘(বুধবার) সকাল থেকে ওঁরা ধরতে পারেননি অভিযুক্তদের। তবে আমি আশা করছি ওঁরা ধরে ফেলবেন। যতদিন না অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হচ্ছে ততক্ষণ আমি বসে থাকব এখানে।’’ তিনি জানান, রাতে এক বার থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পান তিনি। কিন্তু, অভিযুক্তদের ধরার বিষয়ে কোনও আশ্বাস দিতে পারেনি পুলিশ।

    মৃত পড়ুয়া ১১৩ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা

    জানা গিয়েছে, মৃত ওই পড়ুয়া কলকাতা পুরসভার ১১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। ওই এলাকার রাস্তায় (Bansdroni Agitation) খোঁড়াখুঁড়ির কাজ চলছিল। অভিযোগ, কোচিং সেন্টারে যাওয়ার সময়ই ছাত্রকে ধাক্কা মারে জেসিবি। গাছের সঙ্গে তাকে পিষে দেয়। মাথায় গুরুতর আঘাত নিয়ে ছাত্রকে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। কিন্তু তাকে বাঁচানো যায়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2024: যৌনপল্লির মাটি ছাড়া উমার মূর্তি তৈরির রীতি নেই! কেন মানা হয় এই প্রথা?

    Durga Puja 2024: যৌনপল্লির মাটি ছাড়া উমার মূর্তি তৈরির রীতি নেই! কেন মানা হয় এই প্রথা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পতিতাপল্লিকে নিষিদ্ধপল্লি বলা হয়। যৌনপল্লির রাস্তা দিয়ে হাঁটাও অনেকের কাছে অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অথচ কী আশ্চর্য্য নিয়ম! পতিতাপল্লির মাটি ছাড়া অসম্পূর্ণ বাঙালির সব চেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপুজো (Durga Puja 2024)। যৌনপল্লির মাটি ছাড়া উমার মূর্তি (Durga Idol) তৈরির রীতি নেই। যুগ যুগ ধরেই চলে আসছে এই নিয়ম। জানা যায়, এক সময় ব্রাহ্মণরা নিজে গিয়ে মন্ত্রপাঠ করে মাতৃ নির্মাণের জন্য নিয়ে আসতেন পতিতাপল্লির মাটি। কিন্তু কেন এই প্রথা? এই প্রথার পিছনে নানা যুক্তি রয়েছে শাস্ত্রবিদদের। অনেকেই মনে করেন, একবার কোনও পুরুষ পতিতালয়ে গেলে যৌনকর্মীর বাড়ির দরজায় নিজের সারা জীবনের সঞ্চিত সব পুণ্য বিসর্জন দিয়ে আসেন। শাস্ত্রমতে, সেই কারণেই যৌনপল্লির মাটি হয়ে ওঠে অত্য়ন্ত পবিত্র। আর সেই পবিত্র মাটি দিয়েই গড়া হয় উমাকে।

    মহামায়া ৯ রূপে পূজিত হন এই বিশ্বে (Durga Puja 2024)

    আবার হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী, অসুরদলনী দুর্গাকে (Durga Puja 2024) আদ্যাশক্তি মহামায়ার আরেক রূপ বলে মনে করা হয়। মহামায়া ৯ রূপে পূজিত হন এই বিশ্বে। এই ৯ রূপ হল নর্তকী, কাপালিকা, ধোপানী, নাপিতানী, ব্রাহ্মণী, শূদ্রাণী, গোয়ালিনী, মালিনী ও পতিতা। মহামায়ার এই ৯ রূপ সমাজের নানা জাত, বর্ণের প্রতীক। ঠিকঠাক ভাবে পাঠক যদি এই ৯ রূপ লক্ষ্য করেন তাহলে দেখবেন, উচ্চ থেকে নিম্ন-সব বর্ণই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এই ৯ রূপে। এঁদের মধ্যে মায়ের নবম রূপ ‘পতিতা’, যৌনপল্লির মহিলাদেরই প্রতীক (Durga Idol)। এই কারণেই এমন প্রথার শুরু বলে মনে করেন অনেকে।

    সমগ্র নারীশক্তির প্রতিনিধি দেবী দুর্গা 

    আসলে সমগ্র নারীশক্তির প্রতিনিধি দেবী দুর্গা (Durga Puja 2024। জাতি, বর্ণ, শ্রেণি নির্বিশেষে হিন্দু শক্তির প্রতীক তিনি। যিনি সমাজের অসুর দমন করেন, তিনিই দেবী দুর্গা। তাই অনেকের মতে সকল স্তরের নারী শক্তিকে সম্মান জানাতেই এই প্রথার শুরু হয়েছিল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2024: নবপত্রিকা হল নবদুর্গার প্রতীক, সপ্তসিন্ধুর জলে হয় দেবীর মহাস্নান!

    Durga Puja 2024: নবপত্রিকা হল নবদুর্গার প্রতীক, সপ্তসিন্ধুর জলে হয় দেবীর মহাস্নান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সপ্তমীর (Durga Puja 2024) সকালে হয় নবপত্রিকার মহাস্নান। এদিন অষ্ট কলসের জলে স্নান করানো হয় দেবী দুর্গার প্রতীক নবপত্রিকাকে (Nabapatrika)। শাস্ত্রবিদদের মতে, এক সময় যখন দেবী প্রতিমার রূপকল্পনা হয়নি, তখন মানুষ দুর্গাপুজো করতেন নবপত্রিকা বসিয়ে। পরে মূর্তি কল্পনা হওয়ার পর তৈরি হয় মূর্তির। তার পর থেকে মহামায়ার সঙ্গে পুজো পেয়ে আসছেন নবপত্রিকাও।

    অষ্ট কলসে থাকে বিভিন্ন তীর্থের জল (Durga Puja 2024)

    অষ্ট কলসে থাকে বিভিন্ন তীর্থের (Durga Puja 2024) জল। সপ্তসিন্ধুর জলে হয় দেবীর মহাস্নান। এই সপ্তসিন্ধু হল গঙ্গা, যমুনা, গোদাবরী, সরস্বতী, নর্মদা, সিন্ধু এবং কাবেরী। এছাড়াও প্রয়োজন হয় আত্রেয়ী, সরযূ, ভারতী, কৌশিকা, ভোগবতী, মন্দাকিনী, গণ্ডকী এবং শ্বেত গঙ্গা নদীর জল। দেবীকে গরম জল এবং সুগন্ধী জলে স্নান করানোর রীতিও রয়েছে। এই স্নান শাস্ত্র মতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই যে আটটি কলসে করে দেবীকে স্নান করানো হবে, তার প্রতিটি কলসের জল দেবীর গায়ে ঢালার সময় আলাদা আলাদা বাজনা বাজানোর রীতি রয়েছে। অনেকে মনে করেন, যেহেতু নবপত্রিকা মহামায়ারই একটি অংশ, তাই তাঁর স্নানের জল খুবই পবিত্র। অনেকে এই জল পান করেন দীর্ঘায়ু লাভের আশায়। নবপত্রিকা যেহেতু নানা দেবীর প্রতীক, তাই তাঁর এই স্নানজল অনেকে মাথায় ছড়ান। কারণ, লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, দেবীর (Nabapatrika) স্নানজল তাঁকে প্রাকৃতিক এবং দৈবিক নানা বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা করবে।

    নবপত্রিকার ৯ গাছ (Durga Puja 2024)  

    নবপত্রিকা হল নবদুর্গার (Durga Puja 2024) প্রতীক। কলা গাছের সঙ্গে আরও আটটি গাছ, লতাপাতা থাকে। এই নটি গাছ হল, কলা-দেবী রম্ভার প্রতীক, কচু-দেবী কালিকার প্রতীক, হলুদ-দেবী দুর্গার প্রতীক, জয়ন্তী-দেবী কার্তিকীর প্রতীক, বেল-শিবের প্রতীক, বেদানা-রক্তদন্তিকার প্রতীক, অশোক-শোকরহিতার প্রতীক, অপরাজিতা-চামুণ্ডার প্রতীক এবং ধান-লক্ষ্মীর প্রতীক। এই নটি গাছ এবং লতাপাতাকে কলাগাছের খোল দিয়ে একসঙ্গে বাঁধা হয়। পরে জোড়া বেল দিয়ে তৈরি করা হয় দেবীর স্তন। তার পরে পরানো হয় শাড়ি-সিঁদুর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Israel: মধ্যপ্রাচ্যে রণদামামা! ইজরায়েলে হামলা ইরানের, “মাশুল গুণতে হবে”, বলছেন নেতানিয়াহু

    Israel: মধ্যপ্রাচ্যে রণদামামা! ইজরায়েলে হামলা ইরানের, “মাশুল গুণতে হবে”, বলছেন নেতানিয়াহু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে বাজল রণদামামা! এবার ইজরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাল ইরান (Irans Attack)। তার পরেই তেহরানকে (ইরানের রাজধানী) যোগ্য জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন ইজরায়েলের (Israel) প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। বললেন, “ইরানকে এই ভুলের মাশুল গুণতে হবে।” ইজরায়েল ও ইরানের দ্বন্দ্বে তেল আভিভের (ইজরায়েলের রাজধানী) পাশে দাঁড়িয়েছে আমেরিকা।

    হিজবুল্লা প্রধানের মৃত্যুর বদলা! (Israel)

    ইজরায়েলি সেনার হামলায় খতম হয়েছে লেবাননের মদতপুষ্ট সংগঠন হিজবুল্লার প্রধান হাসান নাসরাল্লা। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, হিজবুল্লা প্রধানের মৃত্যুর বদলা নিতে ইজরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। তেল আভিভের দাবি, ইরানের তরফে অন্তত ১৮১টি মিসাইল ছোড়া হয়েছে। তবে তার বেশিরভাগই প্রতিরোধ করা গিয়েছে। তেল আভিভের কিছু এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জখমও হয়েছেন বেশ কিছু মানুষ। এর পরেই ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিরাট ভুল করে ফেলেছে ইরান। যথা সময়ে ওরা এর জবাব পেয়ে যাবে। আমরা তৈরিই রয়েছি।” তিনি বলেন, “যারাই আমাদের আক্রমণ করবে, আমরা তাদের যোগ্য জবাব দেব।”

    আমেরিকাকে হুঁশিয়ারি ইরানের

    ইরান যে ইজরায়েলে হামলা চালাতে চলেছে, তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল আগেই। হিজবুল্লা প্রধানের মৃত্যুর খবর পেয়ে তেহরানে পথে নেমে বিক্ষোভ দেখান হাজার হাজার মানুষ। নাসরাল্লার মৃত্যুর বদলা নেওয়ার দাবি জানায় তারা। চাপে পড়ে যায় ইরান সরকার। রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে চিঠি দেয় তারা। জানিয়ে দেয়, এর (নাসরাল্লার মৃত্যু) ফল ভালো হবে না। এর পরেই মঙ্গলবার রাতে ইজরায়েলে হামলা চালায় ইরান। ইজরায়েল-ইরানের এই দ্বন্দ্বে আমেরিকা যাতে না জড়ায়, তাও স্পষ্ট করে দিয়েছে তেহরান। আমেরিকার উদ্দেশে তাদের হুমকি, আমেরিকা এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে ইরাকে মার্কিন বেস লক্ষ্য করে হামলা চালানো হবে। ইজরায়েল প্রতিশোধ নিতে এলে তার পরিণাম ভালো হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে ইরানের তরফে।

    ডাক্তারদের মিছিলে ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’ স্লোগান, রিপোর্ট গেল শাহের মন্ত্রকে
    এদিকে, ইহুদি রাষ্ট্র ইজরায়েলের ওপর ইসলামি রাষ্ট্র ইরানের হামলার পর জরুরি বৈঠকে বসেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। উপস্থিত ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসও। আমেরিকার নিরাপত্তা সংক্রান্ত আধিকারিকরা ছিলেন বৈঠকে। বৈঠকের পর ইজরায়েলকে সাহায্যের নির্দেশ দেওয়া হয় মার্কিন সেনাকে। ইজরায়েলে ইরানের হামলার (Irans Attack) নিন্দাও করেছে বাইডেন সরকার। আমেরিকা যে ইজরায়েলের (Israel) পাশে রয়েছে, তাও জানিয়ে দেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu & Kashmir Assembly Election: উৎসবের মেজাজেই নির্বাচন ভূস্বর্গে, শেষ দফায়ও রেকর্ড ভোট

    Jammu & Kashmir Assembly Election: উৎসবের মেজাজেই নির্বাচন ভূস্বর্গে, শেষ দফায়ও রেকর্ড ভোট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উৎসবের মেজাজেই শেষ হল ভূস্বর্গের নির্বাচন (Jammu & Kashmir Assembly Election)। ১ অক্টোবর ছিল শেষ দফার নির্বাচন। ইতিমধ্যেই দুদফার নির্বাচন হয়ে গিয়েছে। ১০ বছর পরে বিধানসভার নির্বাচন হল জম্মু-কাশ্মীরে। এদিন নির্বাচন হয়েছে ৪০টি আসনে। আগের দুদফায় নির্বাচন হয়েছে ৫০টি আসনে।

    রেকর্ড ভোট (Jammu & Kashmir Assembly Election)

    এদিন যে ৪০টি আসনে নির্বাচন হয়েছে, তার মধ্যে ২৪টি আসন রয়েছে জম্মুতে (Phase 3 Poll)। আসনগুলি রয়েছে জম্মুর চারটি জেলায়। বাকি ১৬টি আসন কাশ্মীরের দুই জেলায়। এই দফায় প্রার্থী ছিলেন ৪১৫ জন। ভোটার প্রায় ৩৯ লাখ। এদিন দুপুর তিনটে পর্যন্ত জম্মু-কাশ্মীরে ভোট পড়েছে প্রায় ৫৬ শতাংশ। ভূস্বর্গে এবার নির্বাচন হয়েছে নির্বিঘ্নেই। প্রথম দফার নির্বাচন হয়েছিল ১৮ সেপ্টেম্বর। সেই দফায় ভোট পড়েছিল ৬১ শতাংশ। দ্বিতীয় দফার নির্বাচন হয়েছিল ২৫ সেপ্টেম্বর, ভোটদানের হার ৫৭.৩ শতাংশ। মঙ্গলবারও কার্যত উৎসবের মেজাজে ভোট দিয়েছেন উপত্যকাবাসী।

    কোথায় কোথায় ভোট

    এদিন উল্লেখযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন পিপলস কনফারেন্সের প্রধান তথা প্রাক্তন মন্ত্রী সাজ্জাদ লোন, প্যান্থারস পার্টির সভাপতি দেব সিংহ এবং কংগ্রেসের প্রাক্তন মন্ত্রী চৌধরী লাল সিংহ। এদিন ভোট হয়েছে, কাশ্মীরের কারনা, ত্রেগাম, কুপওয়াড়া, লোলাব, হান্দওয়ারা, লাঙ্গাতে, সোপোর, রাফিয়াবাদ, উরি, বারমুল্লা, গুলমার্গ, ওয়াগুরা-কৃরি, পাট্টান, সোনাওয়ারি (Jammu & Kashmir Assembly Election), বান্দিপোরা এবং গুরেজে। নির্বাচন হয়েছে জম্মুর উধমপুর পূর্ব ও পশ্চিম, চেনানি, রামনগর, বানি, বিল্লাওয়ার, বাসোলি, জাসরোতা, কাঠুয়া, হিরানগর, রামগড়, সাম্বা, বিজয়ুর, বিষ্ণা, সুচেতাগড়, আরএস পুরা, জম্মু পূর্ব ও দক্ষিণ, বাহু, নাগ্রোতা, জম্মু উত্তর ও পশ্চিম, মাড়, আখনু এবং ছাম্বে।

    আরও পড়ুন: ডাক্তারদের মিছিলে ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’ স্লোগান, রিপোর্ট গেল শাহের মন্ত্রকে

    জম্মু-কাশ্মীরে লড়াইয়ের ময়দানে রয়েছে ন্যাশনাল কংগ্রেস, কংগ্রেস, পিডিপি এবং বিজেপি। বেশ কিছু ছোট দলও রয়েছে লড়াইয়ের ময়দানে। ন্যাশনাল কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়ছে কংগ্রেস। ‘একলা চলো’ নীতি নিয়েছে বিজেপি। রাজনৈতিক মহলের মতে, উপত্যকায় উন্নয়ন যজ্ঞ এবং জম্মুতে পোক্ত সংগঠন এই জোড়া কারণে ভোট বৈতরণী অনায়াসে পার হয়ে যাবে বিজেপি। তবে ভূস্বর্গের রাশ কার হাতে যাবে, তা জানা (Phase 3 Poll) যাবে ৮ অক্টোবর, ভোটের ফল বেরনোর দিন (Jammu & Kashmir Assembly Election)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share