Tag: news in bengali

news in bengali

  • Anura Kumara Dissanayake: “আমরা এক সঙ্গে পারি…”, মোদিকে আশ্বাস শ্রীলঙ্কার নয়া প্রেসিডেন্টের

    Anura Kumara Dissanayake: “আমরা এক সঙ্গে পারি…”, মোদিকে আশ্বাস শ্রীলঙ্কার নয়া প্রেসিডেন্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা এক সঙ্গে পারি…।” কথাগুলো বললেন শ্রীলঙ্কার (Sri Lanka) নয়া প্রেসিডেন্ট বামপন্থী নেতা অনুরাকুমার দিশানায়েকে (Anura Kumara Dissanayake)। আজ সোমবারই প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নেওয়ার কথা তাঁর। শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন ৩৮ জন। জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন অনুরাকুমার। তার পরেই ইঙ্গিত দিয়েছেন ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার।

    কী বললেন দিশানায়েকে? (Anura Kumara Dissanayake)

    বামপন্থী এই নেতার জয়ের রাস্তা পরিষ্কার হতেই তাঁকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তারই প্রেক্ষিতে এক্স হ্যান্ডেলে অনুরাকুমার বলেন, “দুই দেশের সম্পর্ক দৃঢ় করার ক্ষেত্রে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একই প্রতিশ্রুতি ভাগ করে নেন।” তিনি বলেন, “আপনার সদয় কথা ও সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ, প্রধানমন্ত্রী মোদি। আমাদের দেশগুলির মধ্যে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রতিশ্রুতি আমি ভাগাভাগি করি। এক সঙ্গে আমরা আমাদের জনগণ ও পুরো অঞ্চলের কল্যাণে সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করতে পারি।”

    অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    অনুরাকুমার (Anura Kumara Dissanayake) শ্রীলঙ্কার নয়া প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন জেনেই ট্যুইট বার্তায় তাঁকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক শক্তিশালী হবে বলেও জানান তিনি। এবং তার ফলে উপকৃত হবে গোটা অঞ্চল। এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছিলেন, “শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আপনার বিজয়ের জন্য আপনাকে অভিনন্দন অনুরাকুমার দিশানায়েকে। ভারতের প্রতিবেশী প্রথম নীতি এবং ভিশন সাগরের ক্ষেত্রে শ্রীলঙ্কার একটি বিশেষ স্থান রয়েছে। আমাদের দুই দেশের মানুষের ও গোটা অঞ্চলের কল্যাণের জন্য বহুমুখী সহযোগিতা আরও মজবুত করতে আপনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অপেক্ষায় রয়েছি।”

    আরও পড়ুন: মার্কিন মুলুকে সুন্দর পিচাই সহ শীর্ষ টেক সিইওদের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর

    এর আগে শ্রীলঙ্কায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয়েছিল ২০১৯ সালে। সেবার মাত্র তিন শতাংশ ভোট পেয়েছিল দিশানায়েকের নেতৃত্বাধীন বামজোট। ২০২২ সালে প্রবল বিক্ষোভের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশ ছাড়েন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দ্রা রাজাপক্ষে ও তাঁর ভাই প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিয়েছিলেন রনিল। তার পরেও দেশের অর্থনীতির হাঁড়ির হাল ফেরাতে সমর্থ হননি রনিল। এবার তাই বছর (Sri Lanka) ছাপান্নর দিশানায়েকের ওপর ভরসা করছেন দ্বীপরাষ্ট্রবাসী (Anura Kumara Dissanayake)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: মার্কিন মুলুকে সুন্দর পিচাই সহ শীর্ষ টেক সিইওদের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: মার্কিন মুলুকে সুন্দর পিচাই সহ শীর্ষ টেক সিইওদের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোলটেবিল বৈঠকে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সুন্দর পিচাই সহ ১৫ শীর্ষস্থানীয় মার্কিন প্রযুক্তি সিইও। বৈঠক হয়েছে নিউ ইয়র্কের লোটে নিউ ইয়র্ক প্যালেস হোটেলে। সেখানে উদ্ভাবন, সহযোগিতা ও ভারতের ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তি ক্ষেত্রের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তিন দিনের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তারই ফাঁকে হয় এই বৈঠক।

    গোলটেবিল বৈঠক (PM Modi)

    এই গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করেছিল ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (MIT) স্কুল অফ ইঞ্জিনিয়ারিং। বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম কাম্পিউটিং, সেমি কন্ডাক্টর এবং বায়েটেকনোলজিতে বিশেষজ্ঞ বিভিন্ন কোম্পানির মাথা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন গুগলের সুন্দর পিচাই, এনভিডিয়ার জেনসেন হুয়াং এবং অ্যাডোবের শান্তনু নারায়ণের মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

    কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী?

    এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) লিখেছেন, “নিউ ইয়র্কে টেক সিইওদের সঙ্গে একটি ফলপ্রসূ গোলটেবিল বৈঠক করেছি, যেখানে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং অন্যান্য বিষয়ের ওপর আলোচনা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ভারতের অগ্রগতির বিষয়গুলিও তুলে ধরেছি, আমি আনন্দিত যে ভারতের ওপর প্রচুর আশাবাদ দেখা যাচ্ছে।” ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই রাউন্ডটেবিল বৈঠক অত্যাধুনিক ক্ষেত্রগুলির ওপর কেন্দ্রীভূত ছিল, যার মধ্যে রয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, জীবপ্রযুক্তি ও সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তি।

    আরও পড়ুন: সন্ত্রাসবাদে মদত জোগানো বন্ধ করলেই পাকিস্তানের সঙ্গে কথা, বললেন রাজনাথ

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তির বিকাশমান পরিসর ও এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তিগুলি কীভাবে ভারতের পাশাপাশি সারা বিশ্বের মানুষের কল্যাণে অবদান রাখছে, তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিইওরা গভীরভাবে আলোচনা করেছেন। তাঁরা উল্লেখ করেছেন কীভাবে প্রযুক্তি উদ্ভাবনের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে, যার মাধ্যমে বিশ্ব অর্থনীতি ও মানব উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারতের নীতিই হল সবার জন্য এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) প্রচার করা।” ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি রক্ষায় ও প্রযুক্তি নির্ভর উদ্ভাবনের জন্য সহায়ক পরিবেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ভারত দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও বৈঠকে উপস্থিত সিইওদের আশ্বস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী। ভারত যে অচিরেই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির (MIT) দেশে পরিণত হবে, বৈঠকে তাও জানিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 141: “গঙ্গার যত নিকটে যাবে ততই শীতল বোধ হবে, স্নান করলে আরও শান্তি”

    Ramakrishna 141: “গঙ্গার যত নিকটে যাবে ততই শীতল বোধ হবে, স্নান করলে আরও শান্তি”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে শ্রীযুক্ত রাখাল, প্রাণকৃষ্ণ, কেদার প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ১লা জানুয়ারি

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের যশোদার ভাব ও সমাধি

    (মাস্টার ও প্রাণকৃষ্ণের প্রতি)—অনেকে ব্রহ্মজ্ঞানের (Ramakrishna) কথা কয়, কিন্তু নিচের জিনিস লয়ে থাকে। ঘরবাড়ি, টাকা, মান, ইন্দ্রিয়সুখ। মনুমেন্টের নিচে যতক্ষণ থাক ততক্ষণ গাড়ি, ঘোড়া, সাহেব, মেম—এইসব দেখা যায়। উপরে উঠলে কেবল আকাশ, সমুদ্র, ধু-ধু কচ্ছে! তখন বাড়ি, ঘোড়া, গাড়ি, মানুষ এ-সব আর ভাল লাগে না; এ-সব পিঁপড়ের মতো দেখায় (Kathamrita)!

    ব্রহ্মজ্ঞান হলে সংসারাসক্তি, কামিনী-কাঞ্চনে উৎসাহ—সব চলে যায়। সব শান্তি হয়ে যায়। কাঠ পোড়বার সময় অনেক পড়পড় শব্দ আর আগুনের ঝাঁঝ। সব শেষ হয়ে গেলে, ছাই পড়ল—তখন আর শব্দ থাকে না। আসক্তি গেলেই উৎসাহ যায়—শেষে শান্তি।

    ঈশ্বরের যত নিকটে এগিয়ে যাবে ততই শান্তি। শান্তিঃ শান্তিঃ শান্তিঃ প্রশান্তিঃ। গঙ্গার যত নিকটে যাবে ততই শীতল বোধ হবে। স্নান করলে আরও শান্তি।

    তবে জীব, জগৎ, চতুর্বিংশতি তত্ত্ব, এ-সব, তিনি আছেন বলে (Ramakrishna) সব আছে। তাঁকে বাদ দিলে কিছুই থাকে না। ১-এর পিঠে অনেক শূন্য দিলে সংখ্যা বেড়ে যায়। ১-কে পুঁছে ফেললে শূন্যের কোনও পদার্থ থাকে না।

    প্রাণকৃষ্ণকে কৃপা করিবার জন্য ঠাকুর কি এইবার নিজের অবস্থা সম্বন্ধে ইঙ্গিত করিতেছেন?

    ঠাকুর বলিতেছেন (Kathamrita)—

    ঠাকুরের অবস্থা—ব্রহ্মজ্ঞানের পর “ভক্তির আমি

    ব্রহ্মজ্ঞানের পর—সমাধির পর—কেহ কেহ নেমে এসে ‘বিদ্যার আমি’, ‘ভক্তির আমি’ লয়ে থাকে। বাজার চুকে গেলে কেউ কেউ আপনার খুশি বাজারে থাকে। যেমন নারদাদি। তাঁরা লোকশিক্ষার জন্য ‘ভক্তির আমি’ লয়ে থাকেন। শঙ্করাচার্য লোকশিক্ষার জন্য ‘বিদ্যার আমি’ রেখেছিলেন।

    একটুও আসক্তি থাকলে তাঁকে পাওয়া যায় না। সূতার ভিতর একটু আঁশ থাকলে ছুঁচের ভিতর যাবে না।

    যিনি ঈশ্বরলাভ করেছেন (Kathamrita), তাঁর কাম-ক্রোধাদি নামমাত্র। যেমন পোড়া দড়ি। দড়ির আকার। কিন্তু ফুঁ দিলে উড়ে যায়।

    মন আসক্তিশূন্য হলেই তাঁকে দর্শন হয়। শুদ্ধ মনে যা উঠবে সে তাঁরই বাণী। শুদ্ধ মনও যা শুদ্ধ বুদ্ধিও তা — শুদ্ধ আত্মাও তা। কেননা তিনি বই আর কেউ শুদ্ধ নাই।

    তাঁকে কিন্তু লাভ করলে ধর্মাধর্মের পার হওয়া যায়।

    এই বলিয়া ঠাকুর সেই দেবদুর্লভকন্ঠে রামপ্রসাদের গান ধরিলেন:

    আয় মন বেড়াতে যাবি।
    কালী-কল্পতরুমূলে রে, চারি ফল কুড়ায়ে পাবি ॥
    প্রবৃত্তি নিবৃত্তি জায়া নিবৃত্তিরে সঙ্গে লবি।
    বিবেক নামে তার বেটারে তত্ত্বকথা তায় শুধাবি ॥

    আরও পড়ুনঃ “গোপাল-মূর্তি দর্শন—কোন ঐশ্বর্য নাই—কেবল কচি ছেলের মূর্তি…জ্যোতিঃ দর্শন”

    আরও পড়ুনঃ “একটা ঢোঁড়ায় ব্যাঙটাকে ধরেছে, ছাড়তেও পাচ্ছে না—গিলতেও পাচ্ছে না…”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Railway: ফের নাশকতা? দিল্লি-হাওড়া রেল লাইনে উদ্ধার গ্যাস সিলিন্ডার, মধ্যপ্রদেশে উদ্ধার ডিটোনেটর!   

    Indian Railway: ফের নাশকতা? দিল্লি-হাওড়া রেল লাইনে উদ্ধার গ্যাস সিলিন্ডার, মধ্যপ্রদেশে উদ্ধার ডিটোনেটর!  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের কানপুরে দিল্লি-হাওড়া রেল লাইনে (Indian Railway) উদ্ধার হয়েছে ফের গ্যাস সিলিন্ডার। অল্পের জন্য বড় রকমের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া গিয়েছে। এই নিয়ে তৃতীয়বার গ্যাস সিলিন্ডার উদ্ধার হল। আবার কাশ্মীর থেকে কর্ণাটকে যাচ্ছিল আর্মি স্পেশাল ট্রেন। ট্রেনে ছিলেন সেনা জওয়ানরা। মধ্যপ্রদেশের নেপানগরের কাছে রেললাইনে বিস্ফোরণ হয়। শব্দ শুনে চালক ট্রেন দাঁড় করিয়ে দেন। তল্লাশি করতেই উদ্ধার হয় ডিটোনেটর। দুটি ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    রেল লাইনে আড়াআড়িভাবে রাখা ছিল গ্যাস সিলিন্ডার (Indian Railway)

    উত্তরপ্রদেশের কানপুরের কাছে প্রেমপুরে দিল্লি-হাওড়া রেল লাইনে আড়াআড়িভাবে রাখা ছিল গ্যাসের সিলিন্ডার। এক্সপ্রেস ট্রেন (Indian Railway) যাওয়ার জন্য ফ্রেট ট্রেনকে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল। কিন্তু লোকো পাইলটের নজরে আসতেই বড় বিপত্তি থেকে রক্ষা মিলেছে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি স্টেশন মাস্টার এবং কন্ট্রোল রুমে খবর দিয়েছেন। সামান্যর জন্য বড় দুর্ঘটনা ঘটেনি। খবর পেয়ে ছুটে যায় জিআরপি। সাময়িকভাবে রেল চলাচলে ব্যাঘাত ঘটে। উল্লেখ্য, গত ৯ সেপ্টম্বর কালিন্দি এক্সপ্রেসে একই ঘটনা ঘটেছিল। আবার শনিবার গুজরাটের সুরাটে কিম রেল স্টেশনের কাছে রেল লাইন থেকে ফিসপ্লেট ও কি খুলে নেওয়া হয় সচেতনভাবে। কিন্তু আধিকারিকদের তৎপরতায় বড় বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া গিয়েছিল।

    সাগফাটা স্টেশনে ডিটোনেটর উদ্ধার

    মধ্যপ্রদেশের নেপানগরের কাছে সাগফাটা স্টেশনে (Indian Railway) ডিটোনেটর উদ্ধার হলে এনআইএ এবং সন্ত্রাস দমন শাখা এসটিএফ উপস্থিত হয়। তদন্ত করে দেখা গিয়েছে আরডিএক্স ছিল না। তবে ফগ ডিটোনেটর ছিল। রেল লাইন থেকে মোট ১০টি ডিটোনেটর উদ্ধার হয়। মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়া এই বিস্ফোরক দুষ্কৃতীরা রেখেছিল বলে মনে করা হচ্ছে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ, ডেপুটি পুলিশ সুপার, নেপানগর মহকুমা পুলিশ আধিকারিক এবং রেলের শীর্ষকর্তারা। তবে কোথা থেকে এই বিস্ফোরক এল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ কলকাতায় হবে সেমি-কন্ডাক্টর প্ল্যান্ট, বাইডেনের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা মোদির

    ১৫ বার ট্রেন লাইনচ্যুত

    গত অগাস্ট মাস থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ১৮ বার ট্রেন (Indian Railway) লাইনচ্যুত করার ষড়যন্ত্রের প্রচেষ্টা করা হয়েছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য, এই ১৮ বারের মধ্যে শুধু অগাস্টে ১৫ বার ট্রেন লাইনচ্যুত করার চেষ্টা করা হয়েছে। তিন বার চেষ্টা করা হয়েছে সেপ্টেম্বরের শুরুতেই। সম্প্রতি ভারতীয় রেলের উপর বড়সড় ষড়যন্ত্রের ছক কষা হচ্ছে। সামজিক মাধ্যমে দেশের নানা প্রান্তে একাধিক রেললাইনে পাথর, লোহা, গাছ, গ্যাসের সিলিন্ডার রেখে নাশকতামূলক ষড়যন্ত্রের কথা প্রাকশিত হয়েছে। শনিবার একটি উড়ো চিঠিতে উত্তর-পূর্ব রেল পরিকাঠামোকে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। যদিও রেল প্রশাসন নাশকতামূলক ষড়যন্ত্র নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। স্টেশনগুলিতে করা হয়েছে অতিরিক্ত সুরক্ষার ব্যবস্থা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: তৃণমূলের হিংসার বিরুদ্ধে সরব, বাঁকুড়ায় সুকান্তর উপস্থিতিতে কাউন্সিলর বিজেপিতে

    Sukanta Majumdar: তৃণমূলের হিংসার বিরুদ্ধে সরব, বাঁকুড়ায় সুকান্তর উপস্থিতিতে কাউন্সিলর বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মার খেয়ে কাঁদতে কাঁদতে আমার কাছে আসবেন না। পাল্টা মার দিয়ে আসুন। বাকিটা সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বুঝে নেবে। বিজেপিকে ফোঁস করতে এলে ডান্ডা নিন।” তৃণমূলের (TMC) সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এমনই নিদান দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। শনিবার বাঁকুড়ায় নারী সুরক্ষা মিছিল শেষে একটি প্রতিবাদ সভায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের চরম হুঁশিয়ারি দেন তিনি। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মহিলা হলেও এরাজ্যের কোনও নারী সুরক্ষিত নন বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেন তিনি।

    উল্লেখ্য আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ করে হত্যার পর থেকে ন্যায় বিচারের দাবিতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক ইস্যুতে আক্রমণ করেছে বিজেপি। প্রাক্তন সিপি বিনীত গোয়েল এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে গ্রেফতারের দাবিও জানানো হয়েছে দলের তরফ থেকে।

    তৃণমূলের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে একহাত সুকান্তর (Sukanta Majumdar)

    রাজ্যের নারী সুরক্ষার দাবিতে শনিবার বাঁকুড়ার হিন্দু হাইস্কুল থেকে মাচানতলা পর্যন্ত বিজেপির একটি বিরাট পদযাত্রা করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। মিছিল শেষ করে, রাজ্য জুড়ে তৃণমূলের (TMC) সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে একহাত নিয়েছেন তিনি। শাসকদল আশ্রিত সমাজ বিরোধীদের বিরুদ্ধে কড়া দাওয়াই দিয়েছেন। তিনি বলেন, “সকলকে মিলে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। নিজেদের অসহায়বোধ করবেন না। প্রয়োজনে ডান্ডা ধরবেন, এরপর সুকান্ত মজুমদার যা করার বুঝে নেবে।” অপর দিকে নির্দল হয়ে পুরভোটে লড়াই করেছিলেন অনন্যা রায় চক্রবর্তী। জয়ী হয়ে মমতার বিজয় মিছিলেও যোগদান করেছিলেন তিনি। এবার তৃণমূলের ক্রমবর্ধমান হিংসা এবং অত্যাচারের বিরুদ্ধে সরব হয়ে, মিছিলের শেষে বিজেপিতে যোগদান করেন। তাঁর সঙ্গে আরও যোগদান করেন বেশ কিছু লোকজন। সুকান্তর হাত থেকে দলীয় পতাকা নিয়ে বলেন, “আরজি কর নিয়ে রাজ্যে যা চলছে তা অত্যন্ত অন্যায়। এভাবে আর তৃণমূল করা যায় না। এখন থেকে নারী সুরক্ষার জন্য বিজেপির হয়ে কাজ করব।”

    আরও পড়ুনঃ আন্দোলনের চাপে দিশাহারা মমতা সরকার, পিছিয়ে দেওয়া হল ‘দুয়ারে উদ্যম’ শিবির

    তৃণমূলের বক্তব্য

    পাল্টা তৃণমূলের পক্ষ থেকে বাঁকুড়া সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী বলেন, “এই লোকসভায় বিজেপি হেরেছে। হারের পর আমাদেরকে বদনাম করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সুকান্তবাবু (Sukanta Majumdar) অসত্য বলছেন। কাউন্সিলরের মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে। লোভের জন্য এই কাজ করেছেন। জমি মাফিয়াদের সঙ্গে ওঁর প্রত্যক্ষ যোগ রয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Semiconductor Plant: কলকাতায় হবে সেমি-কন্ডাক্টর প্ল্যান্ট, বাইডেনের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা মোদির

    Semiconductor Plant: কলকাতায় হবে সেমি-কন্ডাক্টর প্ল্যান্ট, বাইডেনের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩ দিনের মার্কিন সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi-Biden)। তিনি কোয়াড সম্মেলনে যোগদান করবেন। একই ভাবে রাষ্ট্রপুঞ্জে দেবেন বিশেষ ভাষণ। এই সফরের প্রথম দিনের সম্মেলনের আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন মোদি। বৈঠকে সেমি-কন্ডাক্টর প্ল্যান্ট (Semiconductor Plant) কলকাতায় গড়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। ফলে রাজ্যে হাজার হাজার যুবক-যুবতীর কর্মসংন্থান হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। রাজ্যের জন্য আশার আলো দেখাতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় প্রতিরক্ষা চুক্তি (Semiconductor Plant)

    রাজ্যে বড়সড় শিল্প গড়ার পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের। খোদ কলকাতায় তৈরি হবে সেমি-কন্ডাক্টর প্ল্যান্ট (Semiconductor Plant)। ভারতের সেমি-কন্ডাক্টর মেশিনে ভারত সেমি, থার্ডআইটেক এবং ইউএস স্পেস ফোর্সের অংশীদারিত্বে সেমি-কন্ডাক্টর প্ল্যান্ট তৈরি করা হবে। মোবাইল হোক বা ক্যামেরা, কিংবা ল্যাপটপ, টিভি—এই যন্ত্রগুলিকে সচল রাখে এক বিশেষ ধরনের ‘চিপ’ বা ‘মাইক্রোচিপ’। এই চিপ তৈরির জন্য সেমি-কন্ডাক্টর দরকার। গ্লোবাল ফাউন্ডারিজ় নামে এক সংস্থা এই কাজ করবে। ইনফ্রারেড, গ্যালিয়াম নাইট্রাইড এবং সিলিকন কার্বাইড সেমিকন্ডাক্টর তৈরি করা থাকবে প্রধান উদ্দেশ্য। আমেরিকা সফরে গিয়ে মোদি, সেই দেশের প্রেসিডেন্টের (Modi-Biden) সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা করেছেন বলে জানা গিয়েছে। দুই দেশের প্রধানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে পর্যালোচনা হয়েছে। জানা গিয়েছে, আমেরিকা থেকে ৩১টি জেনারেল অ্যাটোমিকস এমকিউ-৯বি ড্রোন কিনবে ভারত। এই সামগ্রী নিরাপত্তা কাজে সেনাবাহিনী ব্যবহার করবে। একই ভাবে সুপার হারকিউলিস এয়ারক্রাফ্ট কেনা নিয়েও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ মণ্ডপে যেন হামলা না হয়! দুর্গা পুজোর আগে দাবি পেশ বাংলাদেশের হিন্দু সংগঠনের

    নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যে ভারতকে সমর্থন বাইডেনের

    ভারতের বিদেশ মন্ত্রক থেকে একটি বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, ভারত-মার্কিন দুই দেশের মধ্যে বৈশ্বিক রণনীতির অংশীদারিত্ব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে কীভাবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে (Semiconductor Plant) আরও মজবুত করা যায়, সেই নিয়ে ইতিবাচক কথা হয়েছে। ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরে কীভাবে দ্রুত শান্তি ফিরিয়ে আনা যায়, সেবিষয়ে আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক স্তরে সামধান নিয়ে মতামত রাখা হয়েছে। দ্রুত স্থিতিশীল পরিস্থিতির দিকে উভয় দেশ নজর রেখে চলেছে। একই ভাবে ভারতকে রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদের উদ্যোগকে আমেরিকা সমর্থন জানাবে। এবিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Modi-Biden)। তিনি রাশিয়া এবং ইউক্রেনের যুদ্ধকে থামাতে ভারতের ভূমিকাকেও প্রশংসা করেছে। একই ভাবে প্রধানমন্ত্রী মোদির পোল্যান্ড এবং ইউক্রেন সফরকে সাধুবাদ জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেণ্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Duare Shilpo: আন্দোলনের চাপে দিশাহারা মমতা সরকার, পিছিয়ে দেওয়া হল ‘দুয়ারে উদ্যম’ শিবির

    Duare Shilpo: আন্দোলনের চাপে দিশাহারা মমতা সরকার, পিছিয়ে দেওয়া হল ‘দুয়ারে উদ্যম’ শিবির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় লাগাতার রাজ্যজুড়ে আন্দোলনের চাপে শাসক দল তৃণমূল অনেকটাই ব্যাকফুটে। মমতা সরকার (Mamata government) নারী নির্যাতনের ঘটনায় ব্যাপক অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে। রাজ্যে তৃণমূল বিরোধী জনমতের জন্য ‘দুয়ারে উদ্যম’ (Duare Shilpo) পিছিয়ে দিল তৃণমূল সরকার। সূত্রের খবর, এই কর্মসূচি অগাস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে হওয়ার কথা ছিল। এখন সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে দুর্গাপুজোর পর আগামী নভেম্বরের শেষে শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এখন প্রশ্ন, কেন এমন সিদ্ধান্ত?

    কেন পিছিয়ে দেওয়া হল (Duare Shilpo)?

    মূলত রাজ্যের ক্ষুদ্র, ছোট এবং মাঝারি শিল্প সংস্থাগুলিকে কেন্দ্রীয় সরকারের ‘উদ্যম’ (Duare Shilpo) পোর্টালে নথিভুক্ত করার জন্য এই শিবিরের আয়োজন করা হয়ে থাকে। সাধারণ এই পোর্টালে নথিভুক্ত না হলে ঋণ বা সরকারি ভর্তুকির সুবিধাগুলি পাওয়া যায় না। এমনকী রাজ্য এবং কেন্দ্রের অন্যান্য সুবিধা-সাহায্যগুলিও পাওয়া যাবে না। কিন্তু রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের একাধিক আর্থিক দুর্নীতি, তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ডাক্তারদের থ্রেট কালচার, চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ করে নির্মম ভাবে হত্যার ঘটনায় আপামর বাঙালি সমাজ ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে। পুলিশ প্রশাসনের দ্বারা জোর করে দাহকার্য করা, সংস্কারের নামে ক্রাইম সিন বদলে দেওয়া, আত্মহত্যাতত্ত্ব এবং মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata government) ধর্ষণের দাম হিসেবে ১০ লাখ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার মতো নানা অপ্রীতিকর ঘটনা সাধারণ মানুষের মনে ব্যপক সাড়া ফেলেছে। প্রায় প্রত্যকে দিন তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন, ধর্না, মানববন্ধন, মিছিলের ঘটনা ঘটে চলেছে কলকাতার রাজপথে। তাই রাজ্য সরকার বেগতিক বুঝতে পেরেছে এবং শিবিরে তেমন সাড়া মিলবে না বলেই ‘দুয়ারে উদ্যম’ পিছিয়ে দিয়েছে।

    পরিস্থিতি অনুকুল নয়

    রাজ্যের (Mamata government) ক্ষুদ্র শিল্প দফতরের এক আধিকারিক বলেন, “এখন পরিস্থিতি অনুকুল নয়। অবস্থা বদলে যাচ্ছে। নাম নথিভুক্তির জন্য এক-দেড় মাস লাগবে। ফলে নভেম্বরের শুরু থেকে ডিসেম্বরের ২৫ তারিখের মধ্যে ব্লক-স্তরে শিবির অনুষ্ঠিত হবে।” আবার রাজ্যের মাঝারি ও ক্ষুদ্র শিল্প দফতরের প্রধান সচিব রাজেশ পাণ্ডে, নভেম্বর-ডিসেম্বরে শিবির হবে, এই কথাকে অস্বীকার করে বলেন, “কবে হবে এখনও ঠিক হয়নি। উন্নয়নের জন্য ব্লকেই শিবির (Duare Shilpo) করে পরিষেবা দেওয়া হবে।” একই ভাবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরও এক দফতরের আধিকারিক বলেন, “উদ্যম পোর্টালে দেশের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ আট নম্বরে নথিভুক্ত হয়েছে। এই অবস্থান বদলাতে শিবির প্রয়োজন। রাজ্য যেহেতু ছোট শিল্পই বেশি করে জোর দিয়ে থাকে, তাই প্রোগ্রাম নেওয়া একান্ত প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে শিবির শুরুর সিদ্ধান্ত সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে। পরিস্থিতি অনুকুল নয়।”

    আরও পড়ুনঃ টলিউডেও কি ‘থ্রেট কালচার’? কাজ না পেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা কেশসজ্জা শিল্পীর

    গত বছরে তেমন সাড়া মেলেনি

    কেন্দ্রীয় তথ্য সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৩ পর্যন্ত রাজ্যের ১২.৪ লক্ষ ছোট সংস্থা উদ্যমে নাম নথিভুক্ত করেছে। তবে নাবার্ডের তথ্যে সংখ্যাটা প্রায় ৯০ হাজারের বেশি। গত বছর এই উদ্যম বসেছিল জেলায় জেলায়, কিন্তু তেমন ভাবে কাঙ্ক্ষিত ফল মেলেনি। তাই এই বছর আরও একবার ‘দুয়ারে উদ্যম’ (Duare Shilpo)-এর ভাবনা নেওয়া হয়েছে। তবে অভয়ার ন্যায় বিচারের আবহে পুজোর পর কতটা বাস্তবে সম্ভব, সেটাও দেখার বিষয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hilsa fish: দুর্গাপুজোর আগেই বাংলাদেশ থেকে রাজ্যে ঢুকবে ৩ হাজার টন ইলিশ, সুর নরম ইউনূসের?

    Hilsa fish: দুর্গাপুজোর আগেই বাংলাদেশ থেকে রাজ্যে ঢুকবে ৩ হাজার টন ইলিশ, সুর নরম ইউনূসের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে পুজোতে পশ্চিমবঙ্গের বাঙালির পাতে পড়তে চলছে পদ্মপারের ইলিশ (Hilsa fish)। দুর্গাপুজোতে বাংলাদেশ থেকে তিন হাজার টন ইলিশ আসতে চলেছে। গত ৫ অগাস্ট থেকে বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। কোটা বিরোধী আন্দোলনের ফলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পদচ্যুত হতে হয়েছিল। ওই দেশে, ভারত বিদ্বেষী মনোভাব অন্তর্বর্তী সরকারের একাধিক উপদেষ্টার গলায় শোনা গিয়েছিল। একই ভাবে সংখ্যালঘু হিন্দু সমাজের উপর অত্যাচারে ভারত সরকার সতর্কবার্তা দিয়েছিল। প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসকে (Bangladesh), প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি হিন্দুদের জীবন-সম্পত্তির রক্ষাকে সুনিশ্চিত করার কথাও মনে করিয়ে দিয়েছিলেন। উভয়দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কে কিছুটা প্রলেপ দিতে কি ইলিশের আগমন? প্রশ্ন উঠছে।

    কূটনৈতিক সম্পর্ককে ঠিকঠাক করতে চেষ্টা (Hilsa fish)

    শনিবার, বাংলাদেশের (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রক একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। তাতে ভারতে ৩ হাজার টন ইলিশ (Hilsa fish) পাঠানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ইতিমধ্যে যারা আগে আবেদন করেছে, তাদের নতুন করে আবেদন করতে হবে না। যারা নতুন করে করতে চায়, আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আবেদন করলেই হবে। তবে এই ইলিশ এখন কতটা মধ্যবিত্তের নাগালে থাকবে, তা নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। যদিও বাংলদেশের অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর, ভারতে তারা ইলিশ পাঠাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে গত একমাসের বেশি সময়ে খারাপ প্রভাব পড়েছে বলে মনে করছেন বিশেজ্ঞরা। তাই যেহেতু অনেক পণ্য, সরঞ্জাম এবং চিকিৎসায় ভারতের উপর বাংলাদেশকে নির্ভর করতে হয়, তাই কূটনৈতিক সম্পর্ককে ঠিকঠাক করতে ইউনূস সরকার ইলিশ পাঠিয়ে ইতিবাচক বার্তা দিতে চাইছে। তবে মৎস্য ব্যবসায়ীরা কূটনীতি নিয়ে মন্তব্য করতে একেবারেই নারাজ।

    দাম কত হবে তাই এখন দেখার বিষয়

    ভারতের মৎস্য আমদানি সংগঠন ‘ফিশ ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন’-এর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “পুজো উপলক্ষে প্রতি বছর ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই এপারে ইলিশ চলে আসে। এই বছর তা এখনও সম্ভব হয়নি। শনিবার বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ছাড়পত্র দেওয়ায় ইলিশ নিয়ে সকলেই আশাবাদী। একটা অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল, যা মনে হয় এবার কেটে গিয়েছে। উৎসবের মধ্যে এপার বাংলার বাঙালির পাতে ইলিশ (Hilsa fish) পড়বে, এটা খুব আনন্দের কথা। তবে বাজারে দাম কত হবে, তাই এখন দেখার বিষয়।”

    ঢাকায় কত দাম?

    শনিবার ঢাকার খুচরো বাজারে এক কেজির বেশি ওজনের ইলিশের (Hilsa fish) দাম ছিল বাংলা ১৭০০ টাকা। যদিও দাম ১৭০০ থেকে ২২০০ টাকার মধ্যে ঘোরাফেরা করছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এই মাছ যখন পশ্চিমবঙ্গে আসবে, তখন কেজি প্রতি ২২০০ থেকে ২৫০০ টাকা হতে পারে। এখান প্রায় ৩০ শতাংশ দাম বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। উল্লেখ্য গত বছর এই ইলিশের দাম ছিল ৭০০ থেকে ১২০০ টাকার মধ্যে। এখন এত দাম দিয়ে কি কেউ কিনতে রাজি হবে? তবে বৈধ ভাবে মাছ রফতানিতে বাংলাদেশের ফিশারি অ্যাসোসিয়েশন এবং আসাদুন্নবি ফিশারিজ অ্যান্ড মার্চেন্ট কর্পোরেশন দরপত্র ডাকে। কিন্তু বৈধভাবে মাছ না ঢুকলেও মাছের ছড়াছড়ি হবে। কারণ নদী পথে সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ হয়ে থাকে। সেগুলি প্রায় ১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে পারে।

    আরও পড়ুনঃ কোয়াড সামিটে বিশ্বনেতা মোদি, বার্তা দিলেন প্রতিটি দেশের সার্বভৌমত্বকে রক্ষার

    ২০২৩ সালে ৪০০০ টন ইলিশ এসেছিল

    বাংলাদেশ (Bangladesh) ১৯৯৬ সাল থেকে প্রতি বছর প্রায় ৫ হাজার টন ইলিশ (Hilsa fish) রফতানি করে আসছিল। কিন্তু ২০১২ সালে হঠাৎ করেই তা বন্ধ হয়ে যায় অজ্ঞাত কারণে। কয়েক বছর আগে শেখ হাসিনা সরকার দুর্গাপুজোর সময় নির্দিষ্ট পরিমাণে ইলিশের অনুমোদন দিয়ে রফতানির অনুমতি দেয়। ২০২৩ সালে ওই দেশের মৎস্য মন্ত্রণালয় ৭৯টি কোম্পানিকে দুর্গাপুজো উপলক্ষে  ৫০ টন করে মোট প্রায় ৪০০০ টন ইলিশ রফতানি করার অনুমতি দিয়েছিলেন। এবার অনেকটাই ভাটা পড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Israel: আল জাজিরার অফিসে অভিযান ইজরায়েলি সেনার, বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ

    Israel: আল জাজিরার অফিসে অভিযান ইজরায়েলি সেনার, বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়েস্ট ব্যাঙ্কে আল জাজিরার (Al Jazeera) অফিসে অভিযান চালাল ইজরায়েলি (Israel) সেনা। রবিবার কাতারের এই টিভি চ্যানেলের অফিসে অভিযান চালায় ইজরায়েল। ৪৫ দিনের জন্য অফিস বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়। এদিন সশস্ত্র ও মুখোশধারী ইজরায়েলি সেনারা লাইভ ব্রটকাস্ট চলাকালীনই আল জাজিরার অফিসে ঢোকে। কর্মীদের দ্রুত অফিস ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। আল জাজিরার ব্যুরো চিফ ওয়ালিদ আল ওমারিকে ক্লোজার নোটিশও ধরিয়ে দেন ইজরায়েলি সেনারা।

    আল জাজিরার অফিসে অভিযান (Israel)

    আল জাজিরার অফিসে ঢোকার পর এক সেনাকে বলতে শোনা যায়, আল জাজিরাকে ৪৫ দিনের জন্য বন্ধ করে দেওয়ার আদালতের রায় রয়েছে। সৈনিকটিকে এও বলতে শোনা যায়, ‘আমি আপনাদের অনুরোধ করছি সব ক্যামেরা নিয়ে এখনই অফিস ছেড়ে চলে যান।’ গত মে মাসে আল জাজিরার অফিস হিসেবে ব্যবহৃত হওয়া (Israel) জেরুজালেমের একটি হোটেলের রুমেও অভিযান চালিয়েছিল ইজরায়েল। তখনও সরকার নেটওয়ার্কের স্থানীয় কার্যক্রম বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তাকে জাতীয় নিরাপত্তার পক্ষে হুমকি হিসেবে দাবি করা হয়েছিল।

    ‘কাঁদানে গ্যাস ও গুলির শব্দও শোনা যায়’

    প্রসঙ্গত, কাতারভিত্তিক এই চ্যানেলটি ইজরায়েলি সেনাদের অফিসে প্রবেশ ও বন্ধের আদেশ দেওয়ার লাইভ ফুটেজ সম্প্রচার করে। আল ওমারি বলেন, “ইজরায়েলি সেনারা অফিসের নথি ও যন্ত্রপাতি বাজেয়াপ্ত করতে শুরু করে। কাঁদানে গ্যাস ও গুলির শব্দও শোনা যায়।” প্যালেস্তাইন সাংবাদিক ইউনিয়ন আল জাজিরার ওয়েস্ট ব্যাঙ্কের অফিসে ইজরায়েলি অভিযানের নিন্দা করেছে। জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই নির্বিচার সামরিক সিদ্ধান্তটি সাংবাদিকতা ও মিডিয়া কাজের বিরুদ্ধে হস্তক্ষেপের শামিল। এটি প্যালেস্তাইন জনগণের বিরুদ্ধে দখলদারির অপরাধগুলিকে বেআব্রু করেছে।

    আরও পড়ুন: ঝুলির বিড়াল বাইরে! দেশের সিংহভাগ মসজিদেরই নথি নেই, স্বীকার করে নিলেন ওয়েইসি

    আল জাজিরার এক কর্মী বলেন, “এই অভিযান এবং অফিস বন্ধের আদেশ হঠাৎ করে আসেনি। তবে নেটওয়ার্কটা যে অতি শীঘ্রই বন্ধ করে দেওয়া হবে, তাও আশা করিনি।” নিডা ইব্রাহিম নামের এক কর্মী বলেন, “আমরা ইজরায়েলি কর্তাদের ব্যুরো বন্ধের হুমকি দিতে শুনেছি। আমরা সরকারের মধ্যে এই আলোচনা শুনেছি। তারা দখলিকৃত ওয়েস্ট ব্যাঙ্কে সামরিক শাসককে চ্যানেল বন্ধ করতে (Al Jazeera) বলছেন। তবে আজকে এরকমটা ঘটবে, তা আশা করিনি (Israel)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dhruv Rathee: বিজেপির মানহানি মামলায় আপপন্থী ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে তলব দিল্লি আদালতের

    Dhruv Rathee: বিজেপির মানহানি মামলায় আপপন্থী ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে তলব দিল্লি আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে (Dhruv Rathee) তলব করল দিল্লির আদালত। ধ্রুব আপপন্থী ইউটিউবার। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে মানহানির মামলা। মামলাটি দায়ের করেছেন বিজেপির স্বেচ্ছাসেবক ও সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়র বিকাশ পান্ডে। চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অঙ্কিত গর্গ ধ্রুবকে ১৯ নভেম্বর আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আদালত জানিয়েছে, শুনানির সময় তাঁর উপস্থিতি অত্যন্ত প্রয়োজন। তাই তিনি অনুপস্থিত থাকতে পারবেন না।

    কী বলছেন বিকাশ? (Dhruv Rathee)

    ধ্রুবর উদ্দেশে ট্যুইট-বার্তা দিয়েছেন বিকাশ স্বয়ং। লিখেছেন, “প্রিয় ধ্রুব রাঠি, তুমি সদ্য বাবা হয়েছো বলে খারাপ খবর দিতে ঘৃণা হচ্ছে। কিন্তু তোমাকে আমার বিরুদ্ধে করা ভুয়ো ভিডিওগুলি নিয়ে আদালতে হাজির হওয়ার নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এখন সময় হয়েছে আইন থেকে পালানো বন্ধ করে আদালতে হাজির হওয়ার।” ঘটনার সূত্রপাত ২০১৮ সালে। সেই সময় ধ্রুব একটি ভিডিও সিরিজ প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি অভিযোগ করেছিলেন, বিকাশ সংস্কৃত্যায়ন, যিনি বিকাশ পাণ্ডে নামেও পরিচিত, তিনি বিজেপি আইটি সেলের সদস্য ছিলেন। তিনি মহাবীর প্রসাদ নামের এক ব্যক্তিকে ৫০ লাখ টাকা ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। যিনি নিজেকে বিজেপির আইটি সেলের প্রাক্তন সদস্য বলে দাবি করেছিলেন তাঁর বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য।

    রাঠির স্বীকারোক্তি

    ভিডিও সিরিজটি (Dhruv Rathee) প্রকাশিত হয় তিন পর্বে। তাঁর বিরুদ্ধে ১৫ লাখ টাকার মানহানির মামলা দায়ের করেছিলেন বিকাশ। রাঠি দাবি করেছিলেন, মহাবীর প্রসাদের কাছে এমন একটি ফোন কলের রেকর্ডিং ছিল, যেখানে পান্ডে তাঁকে রাঠির বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য ঘুষ দিয়েছিলেন। অবশ্য মামলা দায়ের হওয়ার পর অন্য একটি ভিডিওতে রাঠি (Dhruv Rathee) স্বীকার করেন, ৫০ লাখ ঘুষ দেওয়ার প্রস্তাবের রেকর্ডিং তাঁর কাছে নেই।

    আরও পড়ুন: “ভূস্বর্গে যে পরিবর্তন হয়েছে, এই নির্বাচনই তার প্রমাণ”, বললেন শাহ

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share