Tag: news in bengali

news in bengali

  • RG Kar Rape-Murder: ন্যায় বিচারের দাবিতে বুধবার ধর্মতলা অভিযানের ডাক জুনিয়র ডাক্তারদের

    RG Kar Rape-Murder: ন্যায় বিচারের দাবিতে বুধবার ধর্মতলা অভিযানের ডাক জুনিয়র ডাক্তারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Rape-Murder) চিকিৎসক তরুণীর হত্যাকাণ্ডে উত্তাল বঙ্গ রাজনীতি। পশ্চিমবঙ্গের ছাত্র সমাজের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার নবান্ন অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে। বিজেপি সরাসরি এই আন্দোলনের ডাক না দিলেও, নৈতিক সমর্থন করে জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে মিছিলে থাকার বার্তা দিয়েছে। একই ভাবে বাংলার প্রত্যেক পরিবার থেকে একজন করে আন্দোলনে যোগদানের জন্য আহ্বান করা হয়েছে। ঠিক একই ভাবে ন্যায় বিচারের (justice) দাবিতে জুনিয়র ডাক্তাররা বুধবার ধর্মতলা অভিযানের কথা ঘোষণা করেছেন। তাঁরাও সমাজের সকল স্তরের আপামর জন সাধারণ মানুষকে পাশে থাকার জন্য অনুরোধ করেছেন।

    দুপুর ১২ টায় শ্যামবাজার থেকে মিছিল (RG Kar Rape-Murder)

    সোমবার, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের অ্যাকাডেমিক বিল্ডিংয়ে আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের সংগঠন নাগরিক গণ কনভেনশনের বৈঠক হয়। সেখানে ‘অভয়া’র হত্যাকারীদের (RG Kar Rape-Murder) ফাঁসির দাবিতে মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে। বুধবার দুপুর ১২টায় শ্যামবাজার থেকে শুরু হবে ডাক্তারদের মিছিল। এই মিছিলে যে শুধু জুনিয়র ডাক্তাররাই থাকবেন তা নয়, বড় অংশের সাধারণ ছাত্র সমাজও থাকবেন। তাঁদের সঙ্গে থাকবেন তাঁদের পরিবার-পরিজনরাও। একই ভাবে, বিশিষ্ট নাগরিক থেকে শুরু করে শিক্ষক, অভিনেতা, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী-সহ সমাজের একটা বড় অংশ আন্দোলনে যোগদান করবেন বলে জানা গিয়েছে।

    মুখ্যমন্ত্রীকে জবাব দিতে হবে

    কনভেনশনের বক্তব্যে এদিন উঠে আসে, ‘‘বিচার দাবি করে পাওয়া যাবে না, ছিনিয়ে আনতে হবে। রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে অপরাধতন্ত্র চলছে। দুর্নীতি দেখেছিল বলেই তরুণী চিকিৎসককে খুন (RG Kar Rape-Murder) হতে হয়েছে। যে শাসক দল বলে খেলা হবে, সেই খেলাকে আমরা মানি না। হাসপাতাল হল প্রাণ বাঁচানোর জায়গা এখানে কোনও হত্যালীলা চলতে পারে না। আন্দোলন আরও চালিয়ে যেতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী আবার স্বাস্থ্যমন্ত্রীও তাই প্রশ্ন তাঁকেও করতে হবে। তাই মমতা বন্দ্যোয়াধ্যায়কে জবাব দিতে হবে।’’

    আরও পড়ুনঃ নবান্ন অভিযান নিয়ে শঙ্কিত পুলিশ! ছাত্র আন্দোলন নিয়ে কীসের ভয় মমতার?

    উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিরা

    নাগরিক কনভেনশনের মঞ্চে (RG Kar Rape-Murder) এদিন নির্যাতিতার ন্যায় বিচারের (justice) দাবিতে অনেক সিনিয়র ডাক্তার, গবেষকরা যোগদান করেছিলেন। একই ভাবে একাধিক বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা অংশ গ্রহণ করেছেন। বিশিষ্ট চিকিৎসকদের মধ্যে ছিলেন, উৎপল বন্দ্যোপাধ্যায়, কাজলকৃষ্ণ বণিক, পুণ্যব্রত গুণ, বিনায়ক সেন প্রমুখ। একই ভাবে বিশিষ্ট অভিনেতা-অভিনেত্রীদের মধ্যে ছিলেন সোহিনী সরকার, দেবলীনা দত্ত, জিতু কমল, মীর আলি-সহ আরও অনেকে। ন্যায় বিচারের দাবিতে সকলেই সরব হয়েছেন এদিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Champai Soren: পদ্ম শিবিরে চললেন চম্পাই সোরেন, ভোটের আগে বিপাকে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী

    Champai Soren: পদ্ম শিবিরে চললেন চম্পাই সোরেন, ভোটের আগে বিপাকে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপিতে (BJP) যোগ দিচ্ছেন ‘ঝাড়খণ্ডের বাঘ’ চম্পাই সোরেন (Champai Soren)। সোমবার রাতে এ খবর জানান অসমের মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sharma)। এ বছরই ঝাড়খণ্ড বিধানসভার নির্বাচন। তার আগে চম্পাই গেরুয়া খাতায় নাম লেখালে ঝাড়খণ্ডে যে শাসক দল ঝড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (JMM) বিপাকে পড়বে, তা বলাই বাহুল্য। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে তিনি জানান, বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

    চম্পাইকে সরতে হয় (Champai Soren)

    ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার প্রবীণ নেতা চম্পাই। ইডির হাতে গ্রেফতার হওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়েছিলেন ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার হেমন্ত সোরেন। তখনই হেমন্তর স্ত্রীকে ওই পদে না বসিয়ে বসানো হয় চম্পাইকে। হেমন্ত জামিন পাওয়ার পর পদ থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য করা হয় চম্পাইকে। তখন থেকেই জেএমএম-এর সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে থাকে চম্পাইয়ের (Champai Soren)। তাঁর অভিযোগ, দলের নেতারা তাঁকে অসম্মান করেছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, সেই থেকে দলীয় নেতৃত্বের প্রতি ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হচ্ছিল চম্পাইয়ের। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, চম্পাইয়ের সেই ক্ষোভকেই কাজে লাগাল গেরুয়া শিবির।

    কবে যোগ চম্পাইয়ের?

    দিন কয়েক আগে ক্ষুব্ধ চম্পাই জানিয়েছিলেন, নতুন দল গঠন করছেন তিনি। বছর সাতষট্টির চম্পাই কবে নয়া দল গড়বেন, তা নিয়ে জল্পনার আবহেই সোমবার অসমের মুখ্যমন্ত্রী (Himanta Biswa Sharma) বলেন, “আমি চাই চম্পাই সোরেন বিজেপিতে (BJP) যোগ দিন। আমাদের দলকে আরও শক্তিশালী করুন।” সোমবার রাতে দিল্লিতে অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক করেন চম্পাই। তার পরেই তাঁর বিজেপিতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। শুক্রবার ৩০ অগাস্ট রাঁচিতে পদ্ম শিবিরে যোগ দেবেন তিনি। শাহের সঙ্গে বৈঠকের ছবি পোস্ট করে হিমন্ত লেখেন, ‘‘কিছুক্ষণ আগেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেন ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা আদিবাসী নেতা চম্পাই সোরেন। ৩০ অগাস্ট রাঁচিতে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেবেন বিজেপিতে (BJP)।” এ ব্যাপারে অবশ্য চম্পইয়ের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

    আরও পড়ুন: ‘‘শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ দমন নয়’’, মমতাকে সুপ্রিম-নির্দেশ মনে করালেন রাজ্যপাল

    প্রসঙ্গত, ঝড়খণ্ডের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী হেমন্তের বাবা শিবু সোরেনকে রাজনৈতিক ‘গুরু’ বলে মনে (Himanta Biswa Sharma) করেন চম্পাই। সেই ‘গুরু-পুত্র’র সঙ্গে মনোমালিন্যের জেরেই চম্পাই (Champai Soren) নাম লেখাতে চলেছেন গেরুয়া (BJP) খাতায়। তাও আবার এমন একটা সময়, যখন শিবু-হেমন্তের রাজ্যে দুয়ারে বিধানসভা নির্বাচন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Ansarullah Bangla Team: ভারত-বিরোধী জঙ্গি জসিমউদ্দিনকে মুক্ত করল বাংলাদেশ সরকার

    Ansarullah Bangla Team: ভারত-বিরোধী জঙ্গি জসিমউদ্দিনকে মুক্ত করল বাংলাদেশ সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে (Bangladesh) কোটা বিরোধী আন্দোলনের চাবিকাঠি জামাত-বিএনপির হাতে চলে যায়। গত ৫ অগাস্ট দখল হয়ে যায় গণভবন। শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেন। আশ্রয় নেন ভারতে। হাসিনার পদত্যাগের পরেই সেদেশে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে কট্টর ইসলামপন্থীরা। আওয়ামি লিগের সরকার যেসব জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছিল, এখন তাদেরই মুক্ত করছে অন্তর্বর্তী সরকার। এবার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জামিনে কারামুক্ত হলেন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের (Ansarullah Bangla Team) প্রধান মুফতি জসিমউদ্দিন রাহমানি। সোমবার দুপুরেই কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাঁকে মুক্তি দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। জানা গিয়েছে, মুফতি জসিমউদ্দিন রাহমানির আদি বাসস্থান বরগুনা সদর থানার খাজুরতোলা গ্রামে। এই কট্টর ভারত-বিরোধী জঙ্গিদের প্রত্যেকেরই লক্ষ্য হল এদেশে নাশকতার কাজ চালানো। প্রতিবেশী দেশে ভারত বিরোধী জঙ্গিদের মুক্তি এদেশের কাছে উদ্বেগের বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    নাম জড়ায় খাগড়াগড় বিস্ফোরণে (Ansarullah Bangla Team)

    জানা যায়, আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের যে ওয়েবসাইট সার্ভার ছিল, তা চলত পাকিস্তান থেকে। ২০১৪ সালে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার খাগড়াগড়ে বিস্ফোরণ কাণ্ড ঘটে। এই ঘটনাতে উঠে আসে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের নাম এবং তাদের যোগ থাকার প্রমাণ পায় ভারতের গোয়েন্দারা। আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে যে আল-কায়েদার ঘাঁটিতে পৌঁছে সশস্ত্র প্রশিক্ষণও নিয়েছিলেন জসিমউদ্দীন। এর পরে দেশে ফিরে ২০০৩ সাল থেকেই তিনি উগ্র ইসলামিক মতাদর্শের প্রচার শুরু করেন।

    কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ছিল এই জঙ্গি

    কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের আধিকারিক মোহাম্মদ লুৎফর রহমান সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, মুফতি জসিমউদ্দিন রাহমানি সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জামিন পেয়েছেন। জামিনের কাগজপত্র যাচাই করার পরই তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, এই ভারত-বিরোধী জঙ্গি জসিমউদ্দিনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছিল বলে জানা যায়। ওই মামলায় গত রবিবার ২৫ অগাস্ট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে জামিন পান তিনি। এছাড়া তার বিরুদ্ধে করা আরও তিনটি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে।

    ব্লগার হত্যায় নাম জড়ায় (Bangladesh)

    প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পল্লবী থানার পলাশনগরে নিজের বাড়ির সামনে ব্লগার রাজীব হায়দারকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নাম জড়ায় জসিমউদ্দিন রাহমানির। ২০১৩ সালের ১২ অগাস্ট বরগুনা থেকে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। গণজাগরণ মঞ্চের কর্মী ব্লগার রাজীব হায়দার হত্যা মামলায় তাঁকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয় ঢাকার একটি আদালত। এছাড়াও আসিফ মহিউদ্দিন, অভিজিৎ রায়, ওয়াসিকুর রহমান, অনন্ত বিজয় দাস, শফিউল ইসলামসহ আরও বেশ কয়েকজন ব্লগারকে খুনের ঘটনায় সরাসরি যুক্ত ছিল আনসারুল্লাহ বাংলা টিম (Ansarullah Bangla Team)। ২০১৫ সালের মে মাসে, বাংলাদেশ সরকার সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করে।

    ভারতেও নাশকতা চালাতে আনসারুল্লাহ বাংলা টিম সক্রিয় ছিল

    ভারতেও নাশকতা চালাতে আনসারুল্লাহ বাংলা টিম সক্রিয় ছিল বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে এদেশে অনুপ্রবেশের সময় অসমে পাঁচজন এই সংগঠনের জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ২০২২ সালের জুলাই মাসে, অসমে এই জঙ্গি সংগঠনের দুটি মডিউলকে ভাঙা হয়েছিল। আনসারুল্লাহ বাংলা টিম (এবিটি) এবং ইসলামিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আল কায়েদার যোগসূত্রের একাধিক প্রমাণও মিলেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Unified Lending Interface: সহজেই মিলবে ঋণ! ইউপিআইয়ের পর আসছে ইউএলআই

    Unified Lending Interface: সহজেই মিলবে ঋণ! ইউপিআইয়ের পর আসছে ইউএলআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ইউপিআই ব্যবস্থা ব্যাপক সফলতার মুখ দেখেছে। দুনিয়ার অনেক গুরুত্বপূর্ণ জায়গাতেই এখন ইউপিআইয়ের সুবিধা মেলে। এই সিস্টেমের পাশাপাশি রিজার্ভ ব্যাঙ্ক নিয়ে আসছে ইউএলআই (Unified Lending Interface)। কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস নিজে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়ে এই খবরের সত্যতায় সিলমোহর দিয়েছেন। এই নতুন পরিষেবায় সহজেই মিলবে ঋণ।

    ইউনিফায়েড লেন্ডিং ইন্টারফেস (Unified Lending Interface) আসলে কী?

    রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার (RBI) গভর্নর শক্তিকান্ত দাস বেঙ্গালুরুতে ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার এবং ইমার্জিং টেকনোলজিস সম্পর্কিত একটি অনুষ্ঠানে তাঁর ভাষণে ইউনিফায়েড লেন্ডিং ইন্টারফেস  (Unified Lending Interface) কী, তা খুব সহজে বুঝিয়ে দিয়েছেন। তাঁর ভাষণ অনুযায়ী, আরবিআই সমস্যামুক্ত ঋণের জন্য ইউনিফায়েড লেন্ডিং ইন্টারফেস (ইউএলআই) প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মের একটি পাইলট প্রকল্প চালাচ্ছে। এই প্রকল্প অনুযায়ী ঋণ অনুমোদন ব্যবস্থাকে সুবিন্যস্ত করা হবে যাতে খুব অল্প সময়ে মানুষকে ঋণ দেওয়া যায় সেই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এতে স্বল্প পরিমাণের ঋণগ্রহীতাদের অনেক উপকার হবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    ইউনিফায়েড লেন্ডিং ইন্টারফেস  (Unified Lending Interface) কবে আসছে বাজারে

    আরবিআই গভর্নর ইউনিফাইড লেন্ডিং ইন্টারফেস চালু হওয়ার বিষয়ে বলেন, শীঘ্রই সারা দেশে ইউনিফায়েড লেন্ডিং ইন্টারফেস (ইউএলআই) চালু করা হবে। শক্তিকান্ত দাস জানিয়েছেন, ইউপিআই পেমেন্ট সিস্টেম যেভাবে পুরো ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেমে একটি বড় পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছে, একইভাবে ইউনিফায়েড লেন্ডিং ইন্টারফেস ভারতের ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে একটি বড় পরিবর্তন আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    কৃষি ও এমএসএসই সেক্টরের যাঁরা ঋণ নিতে চান তাঁরা অনেক উপকৃত হবেন 

    শক্তিকান্ত দাস আরও জানিয়েছেন- এই প্ল্যাটফর্মে একাধিক ডেটা প্রদানকারীর সঙ্গে ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলিও বিভিন্ন রাজ্যের জমির রেকর্ড থাকবে। এর মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও গ্রামীণ এলাকায় সহজে এবং কম সময়ে ঋণ দেওয়া যাবে। ঋণগ্রহীতারা ক্রেডিট নির্বিঘ্নে ডেলিভারি পাবেন এবং বেশি ডকুমেন্টেশন বা অন্যান্য জটিল প্রক্রিয়া  থেকে মুক্তি পাবেন। আরবিআই গভর্নর বলেছেন, ‘‘ইউনিফায়েড লেন্ডিং ইন্টারফেস সেই সব সেক্টরকে উপকৃত করবে যেখানে এখনও ঋণের চাহিদা মেটানো হয়নি। বিশেষ করে কৃষি ও এমএসএসই সেক্টরের যাঁরা ঋণ নিতে চান তাঁরা অনেক উপকৃত হবেন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: ‘অভয়া’র সৎকারের পর সরকারি রেজিস্টারে পরিবারের সই নেই কেন? প্রশ্ন শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘অভয়া’র সৎকারের পর সরকারি রেজিস্টারে পরিবারের সই নেই কেন? প্রশ্ন শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর-কাণ্ডে (RG Kar Rape-Murder) নির্যাতিতার দাহ খরচ সংক্রান্ত রেজিস্টারে স্বাক্ষর পরিবারের কারোর নয়। ঠিক এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সাধারণত শ্মশানে মৃতদেহ সৎকার করার পর পরিবারকেই স্বাক্ষর করে টাকা জমা দিতে হয়। কিন্তু অভয়ার ক্ষেত্রে তা ঘটেনি। এই দাহ কাজে তৃণমূলের স্থানীয় কাউন্সিলর এবং পুলিশের ভূমিকা অতি সক্রিয় বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর মতে, সবটাই সন্দেহের বাইরে নয়। একই ভাবে তিনি আক্রমণ করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকেও।

    ঠিক কী বললেন শুভন্দু (Suvendu Adhikari)?

    হাওড়ায় দলীয় কর্মসূচীতে যোগদান করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেছেন, “ঘটনার দিন নির্যাতিতার (RG Kar Rape-Murder) দেহকে তড়িঘড়ি করে শ্মশানে সৎকার করা হয়েছে। এই কাজে যারা উপস্থিত ছিল তারা কেউ এলাকার লোক নয়। শেষকৃত্যের খরচ মৃত চিকিৎসকের পরিবার দেয়নি। তাহলে দিল কে? দাহের কাজ শেষ করার পর যেসব সরকারি খাতায় স্বাক্ষর করা হয়েছে, সেখানেও কোনও বাড়ির লোকের স্বাক্ষর ছিল না। তাহলে সরকারি রেজিস্টারে সই কে করল?”

    আরও পড়ুনঃ ‘মর্গে পানশালা, দেহ ঘিরে দালাল চক্র’! বিস্ফোরক আরজি করের প্রাক্তন কর্মী

    প্রথম থেকেই পুলিশের ভূমিকা সন্দেহজনক!

    উল্লেখ্য, শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) মৃতদেহের সৎকার নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে বলেন, “সেই রাতে শ্মশানে আগে থেকে উপস্থিত ছিলেন পানিহাটির তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ। চিকিৎসকের (RG Kar Rape-Murder) দেহ দাহ হয় বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায়। কিন্তু গোটা প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব দিয়েছেন ডিসি নর্থ অভিষেক গুপ্ত। সঙ্গে ছিলেন কলকাতা পুলিশের আরও দুইজন আইসিও। সম্পূর্ণ ঘটনায় নজর রেখেছিলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি।” ফলে রাজ্যের পুলিশমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অত্যন্ত সক্রিয় ভাবে দাহকাজে পুলিশকে ব্যবহার করেছেন বলে ইঙ্গিত করেছেন। ঘটনার দিন থেকেই ধর্ষণ করে হত্যাকাণ্ডের বিষয়কে ধামাচাপা দিতে চাইছে পুলিশ, এমন অভিযোগে বিজেপি সরব হয়েছে বার বার। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে মামলা পুলিশের কাছে থেকে সিবিআইকে দেওয়া হয়।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Rape-Murder: ‘মর্গে পানশালা, দেহ ঘিরে দালাল চক্র’! বিস্ফোরক আরজি করের প্রাক্তন কর্মী

    RG Kar Rape-Murder: ‘মর্গে পানশালা, দেহ ঘিরে দালাল চক্র’! বিস্ফোরক আরজি করের প্রাক্তন কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে হত্যাকাণ্ড নিয়ে রাজ্য রাজনীতি ব্যাপক তোলপাড়। তৃণমূল ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের একাধিক দুর্নীতির (Corruption Nexus) কথা উঠে এসেছে। হাসপাতালের মর্গে রাখা থাকত মদ। চিকিৎসালয় যেন রীতিমত পানশালায় পরিণত করেছিলেন এই অধ্যক্ষ। একই ভাবে মৃতদেহ নিয়ে চলত দালাল চক্র। ময়নাতদন্ত থেকে বাড়িতে পৌঁছানো, সবটাই চলত প্যাকেজ সিস্টেমে। একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ করেন হাসপাতালের (RG Kar Rape-Murder) ফরেন্সিক মেডিসিন বিভাগের প্রাক্তন হেড-ক্লার্ক (Head clerk) তারক চট্টোপাধ্যায়।

    রীতিমতো  হাসপাতাল যেন পানশালা (RG Kar Rape-Murder)

    আরজি কর হাসপাতালের (RG Kar Rape-Murder) কর্মী তারক চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, “মদ খাইয়ে কিছু লোককে হাতে রাখতেন সন্দীপ ঘোষ। গেস্ট হাউসে তাঁর প্রত্যক্ষ মদতে বসত মদের আসর। কয়েকজন জুনিয়র ডাক্তার এবং বাউন্সারের গ্রুপ ছিল তাঁর। পড়াশুনায় পাশ-ফেলের বিষয় একক ভাবে দেখতেন নিজে তিনি। কাছের ছাত্রদের মদ খাওয়াতেন। তাঁর অনুগামী হলে ফেল করার সম্ভাবনা থাকত না। বাইরে থেকে লোক এলে গেস্ট হাউসে বসত মদের আসর। মর্গের কর্মী সন্তোষ, তাঁর অনুগামী ছিলেন। মর্গের পাশে বসার ঘরকে রীতিমতো পানশালা বানিয়ে তুলেছিলেন। একই ভাবে মর্গেই রাখা থাকত মদের বোতল।”

    আরও পড়ুনঃ আরজি করের ‘দুর্নীতি’তে সিবিআই রেডারে সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ ২ জন, কীভাবে চলত চক্র?

    কাটা বডি দেখিয়ে জোর করে টাকা নেওয়া হতো!

    একই ভাবে আগেই (RG Kar Rape-Murder) প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেন এবং স্ত্রী কাকলি সেন, হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক হয়েছেন। আবার প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলিও সন্দীপের বিরুদ্ধে একাধিক চাঞ্চাল্য অভিযোগ তুলেছেন। এবার তারক চট্টোপাধ্যায় বিস্ফোরক মন্তব্য করে বলেছেন, “মৃতদেহ প্রতি ১০ হাজার করে টাকা নেওয়া হতো (Corruption Nexus)। দেহের ময়নাতদন্তের পর স্টিচ করতে হতো মোটা টাকা দিয়ে। টাকা না দিলে বলা হতো, নিজেরাই স্টিচ করে নিন। ভয়ে টাকা দিতে বাধ্য হতেন মৃতের পরিবার। অতিরিক্ত সময়ে মর্গে দেহ রাখতেও নেওয়া হতো মোটা টাকা। অনেক সময় মৃতার পরিবার আর্থিক ভাবে সক্ষম না হলে, কাটা বডি দেখিয়ে জোর করে ৫০০, ১০০০, ২০০০, ৫০০০ করে টাকা নেওয়া হতো।”

        

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 114: “পাখির ছানা হলে সঞ্চয় করে, মুখে করে খাবার নিয়ে যায়”

    Ramakrishna 114: “পাখির ছানা হলে সঞ্চয় করে, মুখে করে খাবার নিয়ে যায়”

    সার্কাস রঙ্গালয়ে—গৃহস্থের ও অন্যান্য কর্মীদের কঠিন সমস্যা ও শ্রীরামকৃষ্ণ

    প্রথম পরিচ্ছেদ

    ঠাকুর (Ramakrishna) আবার বলিতেছে, জীব যেন ডাল, জাঁতার ভিতর পড়েছে; পিষে যাবে। তবে যে কটি ডাল খুঁটি ধরে থাকে, তারা পিষে যায় না। তাই খুঁটি অর্থাৎ ঈশ্বরের শরণাগত হতে হয়। তাঁকে ডাক, তাঁর নাম কর তবে মুক্তি। তা না হলে কালরূপ জাঁতায় পিষে যাবে। ঠাকুর আবার গান গাহিতেছেনঃ (Kathamrita)

    পাড়িয়ে ভবসাগরে ডুবে মা তনুর তরী।

    মায়া-ঝড় মোহ-তুফান ক্রমে বাড়ে গো শঙ্করী।।

    একে মন-মাঝি আনাড়ি, তাহে ছজন গোঁয়াড় দাঁড়ি;

    কুবাতাসে দিয়ে পাড়ি, হাবুডুবু খেয়ে মরি।

    ভেঙে গেল ভক্তির হাল; ছিঁড়ে পড়ল শ্রদ্ধার পাল,

    তরী হল বানচাল, উপায় কি করি;

    উপায় না দেখি আর, অকিঞ্চন ভেবে সার;

    তরঙ্গে দিয়ে সাঁতার, শ্রীদুর্গানামের ভেলা ধরি।।

    বিশ্বাসবাবু অনেকক্ষুণ বাসিয়াছিলেন, এখন উঠিয়া গেলেন। তাঁহার অনেক টাকা ছিল, কিন্তু চরিত্র মলিন হওয়াতে সমস্ত উড়িয়া গিয়েছে। এখন পরিবার, কন্যা প্রভৃতি কাহাকেও দেখেন না। বলরাম তাঁহার কথা পাড়াতে ঠাকুর (Ramakrishna) বলিলেন (Kathamrita), ওটা লক্ষ্মীছাড়া দারিদ্দির। গৃহস্থের কর্তব্য আছে, ঋণ আছে, দেব-ঋণ, পিতৃ-ঋণ, ঋষি-ঋণ আবার পরিবারদের সমন্ধে ঋণ আছে। সতী স্ত্রী হলে তাকে প্রতিপালন; সন্তানদিগকে প্রতিপালন যতদিন না লায়েক হয়।

    সাধুই কেবল সঞ্চয় করবে না। পঞ্জি আউর দরবেশ সঞ্চয় করে না। কিন্তু পাখির ছানা হলে সঞ্চয় করে। ছানার জন্যে মুখে করে খাবার নিয়ে যায়।

    বলরাম—এখন বিশ্বাসের সাধুসঙ্গ করবার ইচ্ছা।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে)—সাধুর কমণ্ডলু চারধামে ঘুরে আসে, কিন্তু যেমন তেতো তেমনি তেতো থাকে। মলয়ের হাওয়া যে গাছে লাগে, সে—সব চন্দন হয়ে যায়! শিমুল, অশ্বথ, আমড়া এরা চন্দন হয় না। কেউ কেউ সাধুসঙ্গ করে গাঁজা খাবার জন্য। (হাস্য) সাধুরা গাঁজা খায় কিনা, তাই তাদের কাছে এসে বসে গাঁজা সেজে দেয় আর প্রসাদ পায়। (সকলের হাস্য)

     

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pavel Durov: প্যারিসে গ্রেফতার টেলিগ্রামের সিইও পাভেল দুরভ! তবে কি বন্ধ হবে অ্যাপ?

    Pavel Durov: প্যারিসে গ্রেফতার টেলিগ্রামের সিইও পাভেল দুরভ! তবে কি বন্ধ হবে অ্যাপ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রেফতার হয়েছেন জনপ্রিয় সামাজিক মাধ্যম টেলিগ্রামের সিইও পাভেল দুরভ। প্যারিসের বিমানবন্দর থেকে তাঁকে গ্রেফতার করেছে ফ্রান্সের পুলিশ। সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, মেসেজিং অ্যাপ টেলিগ্রাম সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগের কারণে তাঁকে আটক করা হয়েছে। তিনি আজারবাইজানের বাকু থেকে প্যারিসে এসেছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ রয়েছে (Pavel Durov)?

    সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, নাবালকদের বিরুদ্ধে হওয়া হিংসা রুখতে কাজ করে ফ্রান্সের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘অফমিন’। তারাই দুরভের (Pavel Durov) বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার নির্দেশ জারি করেছিল। পাভেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁর নৈতি করা টেলিগ্রাম অসামাজাকি কার্যকলাপের আঁতুরঘর হয়ে উঠেছে। ওই সামাজিক মাধ্যম মারফৎ প্রতারণা, মাদক পাচার, সাইবার বুলিং, সংগঠিত অপরাধ, সন্ত্রাসবাদ প্রচারের মতো গুরুতর কাজ হয়। একাধিকবার বলা সত্ত্বেও টেলিগ্রামে অপরাধীদের আধিপত্যের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেননি তিনি। ফলে অভিযোগ যে মারাত্মক ছিল, তা অনুমেয়।

    রাশিয়া ছেড়েছিলেন ২০১৪ সালে

    টেলিগ্রাম মূলত মেসেজিং অ্যাপ। এটি মূলত দুবাই কেন্দ্রিক। অন্যান্য বার্তা বাহক অ্যাপ হিসেবে এই টেলিগ্রাম বেশ কিছু সময় ধরে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ব্যবহারকারীরা ব্যক্তিগত বা বাণিজ্যিক ভাবে ব্যবহার করে থাকে। একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে দুরভ (Pavel Durov) বলেন, “প্রথমে একটি সোশ্যাল নেট ওয়ার্কিং সাইট তৈরি করেছিলাম। তা নিয়ে রাশিয়া সরকার ব্যাপক চাপ তৈরি করেছিল। পরে তা বিক্রি করে রাশিয়া ছেড়েছি ২০১৪ সালে। এরপর এনক্রিপ্টেড মেসেজিং অ্যাপ নির্মাণের ভাবনাও ভেবেছিলাম এবং তৈরি করলাম টেলিগ্রাম। এরপরে দুবাইতে ভিত্তি করে টেলিগ্রামের ব্যবসা শুরু করি।” উল্লেখ্য এই অ্যাপ দুই লক্ষ সদস্য নিয়ে গ্রুপ তৈরি করতে দেয়। ফলে এই মাধ্যমে খুব সহজেই দ্রুত যেকোনও বার্তাকে ছড়িয়ে দেওয়া যায়। আর এখানেই বিদ্বেষমূলক ভাবনা, মিথ্যে তথ্য, ভুয়ো খবর ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

    আরও পড়ুনঃ ফের উত্তপ্ত বাংলাদেশ, আনসার ও ছাত্রদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ! আহত ৪০

    ২০২১ সাল থেকে ফ্রান্সে নাগরিকত্ব নেন

    মূলত রাশিয়ায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন পাভেল দুরভের (Pavel Durov)। এখন বয়স মাত্র ৩৯। তিনি টেলিগ্রাম অ্যাপের মালিক। একপ্রকার হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক, উইচ্যাটের মতো প্রতিযোগী এই মেসেজিং অ্যাপ। রাশিয়া, ইউক্রেন এবং সাবেক সোভিয়েত ভেঙে তৈরি হওয়া দেশগুলিতে ব্যাপক জনপ্রিয় টেলিগ্রাম। ফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী, পাভেলের সম্পত্তির পরিমাণ হল ১৫.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে তিনি ২০২১ সাল থেকে ফ্রান্সে নাগরিকত্ব নিয়েছেন। এখন দুবাই থেকে ব্যবসা চালাতেন। এবার, পাভেল গ্রেফতার হওয়ার জেরে টেলিগ্রামের ভবিষ্যৎ কী হবে, সেই নিয়ে কৌতুহল নেট-দুনিয়ায়।

        

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ladakh: লক্ষ্য উন্নত পরিষেবা প্রদান! লাদাখে পাঁচটি নতুন জেলা তৈরি করল মোদি সরকার

    Ladakh: লক্ষ্য উন্নত পরিষেবা প্রদান! লাদাখে পাঁচটি নতুন জেলা তৈরি করল মোদি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চল লাদাখে (Ladakh) তৈরি করা হল পাঁচটি নতুন জেলা। সোমবার, জন্মষ্টামীর দিন নতুন জেলাগুলির নাম ঘোষণা করেছে মোদি সরকার। এই নিয়ে সমাজ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। প্রধানমন্ত্রী মোদি লাদাখের মানুষকে অভিনন্দন জানিয়েছেন নিজের ট্যুইট বার্তায়। প্রসঙ্গত, অমিত শাহের মন্ত্রকই লাদাখের প্রশাসন পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে। উন্নত পরিষেবা প্রদানের উদ্দেশেই এমন সিদ্ধান্ত বলে নিজের পোস্টে জানিয়েছেন শাহ।

    লাদাখের (Ladakh) নতুন ৫ জেলার নাম

    ২০১৯ সালেই ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হয় লাদাখকে। লাদাখের প্রশাসনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, এত দিন লাদাখে দু’টি জেলা ছিল একটি লেহ এবং অপরটি কার্গিল। এ বার নতুন করে পাঁচটি জেলায় ভাগ করা হল লাদাখকে (Ladakh)। নতুন পাঁচটি জেলা হল- জানস্কার, দ্রাস, শাম, নুবরা এবং চাংথাং। অমিত শাহ জানিয়েছেন, এই পদক্ষেপ করার ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা আরও সহজে ও দ্রুত পৌঁছে দেওয়া যাবে।

    অমিত শাহের পোস্ট লাদাখ নিয়ে (Ladakh)

    সমাজমাধ্যমে পোস্টে শাহ লিখেছেন, ‘‘উন্নত এবং সমৃদ্ধ লাদাখ গড়ার যে লক্ষ্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অনুসরণ করছেন, তার প্রেক্ষিতেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক লাদাখকে পাঁচটি জেলায় ভাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জানস্কার, দ্রাস, শাম, নুবরা এবং চাংথাং নামের পাঁচটি জেলা লাদাখের (Ladakh) মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা আরও ভালো ভাবে এবং আরও দ্রুত পৌঁছে দেবে। লাদাখের মানুষের জন্য অসংখ্য সুযোগ তৈরি করতে বদ্ধ পরিকর মোদি সরকার।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Unrest: ফের উত্তপ্ত বাংলাদেশ, আনসার ও ছাত্রদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ! আহত ৪০

    Bangladesh Unrest: ফের উত্তপ্ত বাংলাদেশ, আনসার ও ছাত্রদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ! আহত ৪০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক৫ অগাস্ট শেখ হাসিনা বাংলাদেশ (Bangladesh Unrest) ত্যাগ করার পর কোটা বিরোধী আন্দোলনরত ছাত্রদের সঙ্গে আনসার বাহিনীর বেশ গালায় গালায় ভাব লক্ষ্য করা গিয়েছিল। সেই তাল কাটল রবিবার। ঢাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের সঙ্গে আনসার বাহিনীর সংঘর্ষে (Student Ansar forces clash) এক সমন্বয়ক-সহ আহত ৪০ জন হয়েছেন। রবিবার রাতে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। অনেকে মনে করছেন এই ঘটনা কার্যত বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের অশনি সংকেত। আহতদের মধ্যে সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহকেও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    কীভাবে ঘটনার সূত্রপাত (Bangladesh Unrest)?

    ঘটনার সূত্রপাত হয় ঢাকায় বাংলাদেশ (Bangladesh Unrest) সরকারের সচিবালয়ে। রবিবার কয়েকশো আনসার সদস্য ঢুকে স্লোগান দিতে শুরু করে। তাদের বক্তব্য ছিল, বৈষম্যের অবসান চেয়ে হাসিনার সরকারের পতন ঘটেছে। অভিযোগ, বিগত সরকারের দ্বারা আনসার বাহিনী সব থেকে বেশি বঞ্চনার শিকার হয়েছে। এবার তারা চাকরির স্থায়ীকরণের দাবিতে সরব হয়। তাদের আরও দাবি, প্রতি তিন বছর অন্তর ছয় মাসের জন্য চাকরি থেকে বসিয়ে দেওয়া হয়, এই ব্যবস্থার দ্রুত অবসান করতে হবে। ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কারীদের উদ্দেশে তারা আরও জানায়, হাসিনার সময় ছাত্র আন্দোলনের বিরুদ্ধে পুলিশের মতো আচরণ করেনি আনসাররা। কোথাও প্রকাশ্যে গুলি করা হয়নি, শূন্যে গুলি করা হয়েছিল কেবল। আজকে এই অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা অভিযুক্ত পুলিশের ঘেরাটোপের মধ্যে রয়েছে, এটা অত্যন্ত অন্যায়।

    আরও পড়ুনঃ আত্মরক্ষার অধিকার! লেবাননে হিজবুল্লার কয়েক ডজন জঙ্গিঘাঁটিতে এয়ার স্ট্রাইক ইজরায়েলের

    নিয়ন্ত্রণে সেনা বাহিনী

    আনসার সদস্যদের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ছাত্র-জনতার আন্দোলনকারীদের মধ্যে অসন্তোষ বৃদ্ধি পায়। ঘটনায় চরম অস্বস্তিতে পড়েন সমন্বয়করা। আনসার বাহিনীর সদস্যদের আটকাতে গেলে ব্যাপক গোলমাল বাধে। ঘটনায় একপ্রকার সচিবালয় (Bangladesh Unrest) অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছিল। এরপর সমস্ত গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। অফিসে আটকে পড়েন উপদেষ্টা এবং আমলা-কর্মচারীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামও উপস্থিত ছিলেন। সেখানে ঠিক হয়, ছয় মাস কাজ থেকে বসিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থাকে অবিলম্বে অবসান করা হবে। পরে বাকি দাবি-দাওয়া নিয়ে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়। এরপর রাত সাড়ে আটটা নাগাদ সচিবালয় ছাড়েন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। কিন্তু সমন্বয়ক নাহিদ, সারজিস আলম এবং হাসনাত আবদুল্লা সচিবালয়ে ছিলেন। এদিকে আনসাররাও সেখানে অপেক্ষা করেন। অপর দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হস্টেলে রটে যায় যে, আনসার বাহিনী সচিবালয় ঘেরাও করেছে। ছাত্ররা উদ্ধার করতে গেলে ব্যাপক সংঘর্ষের (Student Ansar forces clash) ঘটনা ঘটে। চলে দুই পক্ষের মধ্যে ইট বৃষ্টি। এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে সেনাবাহিনী নামানো হয়। উপদেষ্টাদের নিরাপদে বাড়িতে ফেরানো হয় এবং আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share